আলিফ লাম রা! এগুলো বিজ্ঞানময় কিতাবের আয়াত।
بسم الله الرحمن الرحيم الر ۚ تلك آيات الكتاب الحكيم
বিসমিল্লাহির রাহমা-নির রাহি-ম আলিফ্ লা-ম-র তিল্কা আ-ইয়া-তুল্ কিতা-বিল্ হাকীম্।
Chapter 10, 109 verses
আলিফ লাম রা! এগুলো বিজ্ঞানময় কিতাবের আয়াত।
بسم الله الرحمن الرحيم الر ۚ تلك آيات الكتاب الحكيم
বিসমিল্লাহির রাহমা-নির রাহি-ম আলিফ্ লা-ম-র তিল্কা আ-ইয়া-তুল্ কিতা-বিল্ হাকীম্।
এটা কি মানুষের জন্য কোনো তাজ্জবের বিষয় যে, আমি তাদেরই এক ব্যক্তির কাছে এই নির্দেশ দিয়ে অহি পাঠিয়েছি: ‘তুমি মানুষকে সতর্ক করো এবং মুমিনদের এই সুসংবাদ দাও যে, তাদের জন্যে তাদের প্রভুর কাছে রয়েছে মর্যাদার আসন।’ কাফিররা বলে: ‘নিশ্চয়ই এ ব্যক্তি একজন সুস্পষ্ট ম্যাজিসিয়ান।’
أكان للناس عجبا أن أوحينا إلى رجل منهم أن أنذر الناس وبشر الذين آمنوا أن لهم قدم صدق عند ربهم ۗ قال الكافرون إن هذا لساحر مبين
আকা-না লিন্না-সি 'আজ্বাবান্ আন্ আওহাইনায় ইলা-রাজ্বুলিম্ মিনহুম্ আন্ আন্যিরিন্না-সা অবাশ্শিরিল্লাযীনা আ-মানূ য় আন্না লাহুম ক্বাদামা ছিদ্ক্বিন্ 'ইন্দা রব্বিহিম্ ক্ব-লাল্ কা-ফিরূনা ইন্না হা-যা-লাসা-হিরুম্ মুবীন্।
তোমাদের প্রভু হচ্ছেন , যিনি মহাকাশ ও এই পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন ছয়টি কালে। তারপর তিনি সমাসীন হয়েছেন আরশে। সব বিষয় তিনিই পরিচালনা করেন। তাঁর অনুমতি ছাড়া কোনো শাফায়াতকারী শাফায়াত করতে পারবেনা। তিনিই , তোমাদের প্রভু। সুতরাং তোমরা তাঁরই ইবাদত করো। তোমরা কি উপদেশ গ্রহণ করবেনা?
إن ربكم الله الذي خلق السماوات والأرض في ستة أيام ثم استوى على العرش ۖ يدبر الأمر ۖ ما من شفيع إلا من بعد إذنه ۚ ذلكم الله ربكم فاعبدوه ۚ أفلا تذكرون
ইন্না রব্বাকুমুল্লা-হুল্ লাযী খলাক্বাস্ সামা-ওয়া-তি অল্ র্আদ্বোয়া ফী সিত্তাতি আইয়্যা-মিন্ ছুম্মাস্তাওয়া- 'আলাল্ 'র্আশি ইয়ুদাব্বিরূল্ আম্র্ মা-মিন্ শাফী'ইন্ ইল্লা-মিম্ বা'দ্বি ইয্নিহ্ যা-লিকুমুল্লা-হু রব্বুকুম্ ফা'বুদূহ্ আফালা-তাযাক্কারূন্।
তোমাদের সবার প্রত্যাবর্তন হবে তাঁরই কাছে। আল্লাহর ওয়াদা হক। তিনিই সৃষ্টির সূচনা করেন এবং তিনিই পুন: সৃষ্টি করবেন যারা ঈমান এনেছে এবং আমলে সালেহ্ করেছে তাদেরকে ইনসাফের সাথে তাদের কর্মফল দেয়ার জন্যে। আর যারা কুফুরি করে, তাদের জন্যে রয়েছে প্রচন্ড গরম পানির শরবত আর বেদনাদায়ক আযাব, তাদের কুফুরির কারণে।
إليه مرجعكم جميعا ۖ وعد الله حقا ۚ إنه يبدأ الخلق ثم يعيده ليجزي الذين آمنوا وعملوا الصالحات بالقسط ۚ والذين كفروا لهم شراب من حميم وعذاب أليم بما كانوا يكفرون
ইলাইহি র্মাজ্বি'উকুম্ জ্বামী'আ- অ'দাল্লা-হি হাক্বক্বা- ইন্নাহূ ইয়াব্দাউল্ খল্ক্ব ছুম্মা ইয়ু'ঈদুহূ লিইয়াজ্ব যিয়াল্ লাযীনা আ-মানূ অ'আ-মিলুছ্ ছোয়া-লিহা-তি বিল্ক্বিস্ত্ব অল্লাযীনা কাফারূ লাহুম্ শারা-বুঁম্ মিন্ হামীমিওঁ অ'আযা-বুন্ আলীমুম্ বিমা-কা-নূ ইয়াক্ফুরূন্।
তিনিই সূর্যকে বানিয়েছেন আলোদানকারী এবং চাঁদকে করেছেন আলোকিত, আর তার মনযিল ঠিক করে দিয়েছেন যাতে করে তোমরা বছর গুণতে পারো এবং হিসাব করতে পারো। বাস্তব কারণ ও প্রয়োজন ছাড়া এগুলো সৃষ্টি করেননি। তিনি জ্ঞানীদের জন্যে বিশদভাবে বর্ণনা করেন আয়াত সমূহ।
هو الذي جعل الشمس ضياء والقمر نورا وقدره منازل لتعلموا عدد السنين والحساب ۚ ما خلق الله ذلك إلا بالحق ۚ يفصل الآيات لقوم يعلمون
হুঅল্লাযী জ্বা'আলাশ্ শাম্সা দ্বিয়া - আওঁ অল্ক্বমারা নূরাওঁ অক্বদ্দারাহূ মানা-যিলা লিতা'লামূ 'আদাদাস্ সিনীনা অল্ হিসা-ব মা-খলাক্বাল্লা-হু যা-লিকা ইল্লা-বিল্হাক্বক্বি ইয়ুফাছ্ছিলুল্ আ-ইয়া-তি লিক্বওমিইঁ ইয়া'লামূন্।
নিশ্চয়ই দিন ও রাতের পরিবর্তন এবং মহাকাশ ও পৃথিবীর সৃষ্টির মধ্যে রয়েছে সতর্ক লোকদের জন্যে নিদর্শন।
إن في اختلاف الليل والنهار وما خلق الله في السماوات والأرض لآيات لقوم يتقون
ইন্না ফিখ্তিলা-ফিল্ লাইলি অন্নাহা-রি অমা-খলাক্বল্লা-হু ফিস্ সামা-ওয়া-তি অল্ র্আদ্বি লাআ-ইয়া-তিল্ লিক্বওমিইঁ ইয়াত্তাকুন্।
যারা আমাদের সাক্ষাতের আশা করেনা এবং দুনিয়ার জীবন নিয়েই সন্তুষ্ট আর তাতেই পরিতৃপ্ত এবং যারা আমাদের আয়াত সম্পর্কেও গাফিল,
إن الذين لا يرجون لقاءنا ورضوا بالحياة الدنيا واطمأنوا بها والذين هم عن آياتنا غافلون
ইন্নাল্ লাযীনা লা-ইর্য়াজুনা লিক্বা - য়ানা-আরাদ্বূ বিল্হাইয়া-তিদ্দুন্ইয়া-ওয়াত্বমাআন্ন বিহা- অল্লাযীনা হুম্ 'আন্ আ-ইয়া-তিনা-গ -ফিলূন্।
তাদেরই আবাস হবে জাহান্নাম তাদের (মন্দ) কৃতকর্মের কারণে।
أولئك مأواهم النار بما كانوا يكسبون
উলা - য়িকা মাওয়া-হুমুন্না-রু বিমা-কা-নূ ইয়াক্সিবূন্।
নিশ্চয়ই যারা ঈমান এনেছে ও সৎকর্ম করেছে তাদের প্রতিপালক তাদের সুখকর বাগানে নেবেন যার নীচে প্রবাহমান নদী।
إن الذين آمنوا وعملوا الصالحات يهديهم ربهم بإيمانهم ۖ تجري من تحتهم الأنهار في جنات النعيم
ইন্নাল্লাযীনা আ-মানূ অ'আমিলুছ্ ছোয়া-লিহা-তি ইয়াহ্দীহিম্ রব্বুহুম্ বিঈমা-নিহিম্ তা জ্বরী মিন্ তাহতিহিমুল্ আন্হা-রু ফী জান্না-তিন্না'ঈম্।
সেখানে তাদের দোয়া হবে: ‘হে ! তুমি সকল ত্রুটির উর্ধ্বে, অতীব পবিত্র, অতি মহান!’ আর সেখানে তাদের অভিবাদন হবে ‘সালাম।’ সেখানে তাদের শেষ দোয়া হবে: ‘আল হামদুলিল্লাহি রাবিবল আলামিন - সব প্রশংসা মহাজগতের প্রভু আল্লাহর।’
دعواهم فيها سبحانك اللهم وتحيتهم فيها سلام ۚ وآخر دعواهم أن الحمد لله رب العالمين
দা'ওয়া-হুম্ ফীহা-সুব্হা-নাকাল্লা-হুম্মা অতাহিয়্যাতুহুম্ ফীহা-সালা-মুন্ অ আ-খিরু দা'ওয়া-হুম্ 'আনিল্ হাম্দু লিল্লা-হি রব্বিল্ 'আ-লামীন্।
যদি মানুষের ক্ষতির বিষয়টা দ্রুত করতেন, যেভাবে তারা তাদের কল্যাণের বিষয়টা দ্রুত করে, তাহলে তাদের মরণ হয়ে যেতো। সুতরাং যারা আমাদের সাক্ষাতের আশা করেনা, আমরা তাদেরকে তাদের বিদ্রোহ ও অবাধ্যতা নিয়ে উদ্ভ্রান্তের মতো ঘুরে বেড়ানোর জন্যে ছেড়ে দেই।
۞ ولو يعجل الله للناس الشر استعجالهم بالخير لقضي إليهم أجلهم ۖ فنذر الذين لا يرجون لقاءنا في طغيانهم يعمهون
অলাও ইয়ু'আজ্জ্বিলুল্লা-হু লিন্না-সিশ্ র্শারাস্ তি'জ্বা-লাহুম্ বিল্খইরি লাকুদ্বিয়া ইলাইহিম্ আজ্বালুহুম্ ফানাযারুল্লাযীনা লা-ইর্য়াজুনা লিক্ব - য়ানা ফী তুগ্ইয়া-নিহিম্ ইয়া'মাহূন্।
মানুষকে যখন দুঃখ - দুর্দশা স্পর্শ করে, তখন সে আমাদের ডাকে শুয়ে, বসে, কিংবা দাঁড়িয়ে। কিন্তু আমরা যখনই তার দুঃখ - দুর্দশা দূর করে দেই, তখন সে এমনভাবে চলে যেনো তাকে যখন দুঃখ - দুর্দশা স্পর্শ করেছিল, তখন সে আমাকে ডাকেনি। এভাবে সীমালংঘনকারীদের কর্মকান্ড তাদের কাছে শোভনীয় করে দেয়া হয়েছে।
وإذا مس الإنسان الضر دعانا لجنبه أو قاعدا أو قائما فلما كشفنا عنه ضره مر كأن لم يدعنا إلى ضر مسه ۚ كذلك زين للمسرفين ما كانوا يعملون
অইযা- মাস্সাল্ ইন্সা-নাদ্ব্ দ্বর্ রু দা'আ-না- লিজ্বাম্বিহী য় আও ক-'ইদান্ আও ক্ব - য়িমান্ ফালাম্মা-কাশাফ্না-'আন্হু র্দ্বুরাহূ র্মারা কাআল্লাম্ ইয়াদ্'উনা য় ইলা-র্দ্বুরিম্ মাস্সাহ্ কাযা-লিকা যুইয়্যিনা লিল্মুসরিফীনা মা-কা-নূ ইয়া'মালূন্।
তোমাদের আগেকার বহু মানব প্রজন্মকে আমরা ধ্বংস করে দিয়েছি যখন তারা যুলুম করেছিল। তাদের কাছে তাদের রসূলরা এসেছিল স্পষ্ট নিদর্শন নিয়ে। কিন্তু তারা ঈমান আনার জন্যে এগিয়ে আসেনি। এভাবেই আমরা অপরাধী লোকদেরকে তাদের কাজের প্রতিফল দিয়ে থাকি।
ولقد أهلكنا القرون من قبلكم لما ظلموا ۙ وجاءتهم رسلهم بالبينات وما كانوا ليؤمنوا ۚ كذلك نجزي القوم المجرمين
অলাক্বদ্ আহ্লাক্নাল্ কুরূনা মিন্ ক্বব্লিকুম্ লাম্মা-জোয়ালামূ অজ্বা - য়াত্হুম্ রুসুলুহুম্ বিল্বাইয়্যিনা-তি অমা-কা-নূ লিইয়ুমিনূ কাযা-লিকা না জ্বযিল্ ক্বওমাল্ মু জ্বরিমীন্।
তাদের পরে আমরা পৃথিবীতে তাদের স্থলাভিষিক্ত করেছি তোমাদেরকে। কারণ, আমরা দেখতে চাই তোমরা কেমন আমল করো।
ثم جعلناكم خلائف في الأرض من بعدهم لننظر كيف تعملون
ছুম্মাজ্বা'আল্না-কুম্ খলা - য়িফা ফিল্ র্আদ্বি মিম্ বা'দিহিম্ লিনান্জুরা কাইফা তা'মালূন্।
যখন তাদেরকে আমাদের সুস্পষ্ট আয়াত শুনানো হয়, তখন যারা আমাদের সাক্ষাতের আশা করেনা তারা বলে: ‘এটির পরিবর্তে অন্য একটি কুরআন আনো, অথবা এটি রদবদল করো।’ হে নবী! বলো: ‘আমার নিজ থেকে এটিতে রদবদল করা আমার কাজ নয়। আমি তো কেবল তারই অনুসরণ করি যা আমার কাছে অহি করা হয়। আমি যদি আমার প্রভুর নির্দেশের অবাধ্য হই, তবে আমি এক মহা ভয়াবহ দিনের আযাবের আশংকা করি।’
وإذا تتلى عليهم آياتنا بينات ۙ قال الذين لا يرجون لقاءنا ائت بقرآن غير هذا أو بدله ۚ قل ما يكون لي أن أبدله من تلقاء نفسي ۖ إن أتبع إلا ما يوحى إلي ۖ إني أخاف إن عصيت ربي عذاب يوم عظيم
অ ইযা-তুত্লা-'আলাইহিম্ আ-ইয়া-তুনা-বাইয়্যিনা-তিন্ ক্ব-লাল্লাযীনা লা-ইর্য়াজুনা লিক্ব- য়ানা তি বিক্বরুআ-নিন্ গইরি হা-যা য় আও বাদ্দিল্হু কুল্ মা-ইয়াকূনূ লী য় আন্ উবাদ্দিলাহূ মিন্ তিল্ক্বা - য়ি নাফ্সী ইন্ আত্তাবি'উ ইল্লা-মা-ইয়ূহা য় ইলাইয়্যা ইন্নী য় আখা-ফু ইন্ 'আছোয়াইতু রব্বি 'আযা-বা ইয়াওমিন্ 'আজীম।
হে নবী! বলো: ‘ চাইলে আমি এটি তোমাদের কাছে তিলাওয়াত করতাম না এবং তিনিও এ বিষয়ে তোমাদের অবহিত করতেন না। আমি তো আমার একটা দীর্ঘ বয়সকাল তোমাদেরই মাঝে কাটিয়েছি, তবু কি তোমরা আকল খাটাবে না?’
قل لو شاء الله ما تلوته عليكم ولا أدراكم به ۖ فقد لبثت فيكم عمرا من قبله ۚ أفلا تعقلون
কুল্ লাও শা - য়াল্লা-হু মা-তালাওতুহূ 'আলাইকুম্ অলা য় আদ্র-কুম্ বিহী ফাক্বদ্ লাবিছ্তু ফীকুম্ 'উমুরাম্ মিন্ ক্বব্লিহ্ আফালা-তা'ক্বিলূন্।
ঐ ব্যক্তির চাইতে বড় যালিম আর কে হতে পারে, যে মিথ্যা রচনা করে আল্লাহর প্রতি আরোপ করে, কিংবা প্রত্যাখ্যান করে তাঁর আয়াতকে? নিশ্চয়ই অপরাধিরা হয়না।
فمن أظلم ممن افترى على الله كذبا أو كذب بآياته ۚ إنه لا يفلح المجرمون
ফামান্ আজ্লামু মিম্মানিফ্তারা- 'আলাল্লা-হি কাযিবান্ আও কায্যাবা বিআ-ইয়া-তিহ্ ইন্নাহূ লা-ইয়ুফ্লিহুল্ মু জ্বরিমূন।
তারা ছাড়া যে সবের ইবাদত (পূজা, উপাসনা, প্রার্থনা) করে, সেগুলো না তাদের কোনো ক্ষতি করতে পারে, আর না কোনো উপকার। তারা বলে: ‘এরা আল্লাহর কাছে আমাদের শাফায়াতকারী।’ হে নবী! বলো: ‘তোমরা কি আল্লাহকে এমন বিষয় অবহিত করতে চাও, মহাকাশ ও পৃথিবীর মধ্যে যে বিষয়ে তিনি জানেন না?’ তিনি ত্রুটিমুক্ত পবিত্র এবং সেসব থেকে অনেক ঊর্ধ্বে যাদেরকে তোমরা শরিক করছো তাঁর সাথে।
ويعبدون من دون الله ما لا يضرهم ولا ينفعهم ويقولون هؤلاء شفعاؤنا عند الله ۚ قل أتنبئون الله بما لا يعلم في السماوات ولا في الأرض ۚ سبحانه وتعالى عما يشركون
অইয়া'বুদূনা মিন্ দূনিল্লা-হি মা-লা-ইয়াদ্বরুরুহুম্ অলা- ইয়ান্ফা'উহুম্ অইয়াকুলূনা হা য় উলা - য়ি শুফা'আ - উনা- 'ইন্দাল্লা-হ্ কুল্ আতুনাব্বিঊনা ল্লা-হা বিমা-লা-ইয়া'লামু ফিস্ সামা-ওয়া-তি অলা-ফিল্ র্আদ্ব সুব্হা-নাহূ অতা'আ-লা-'আম্মা- ইয়ুশ্রিকূন্।
মানুষ তো প্রথমে এক উম্মতই ছিলো। পরে তারা ইখতেলাফ (বিভেদ সৃষ্টি) করে। তোমার প্রভুর পূর্ব ঘোষণা না থাকলে তারা যে বিষয়ে ইখতেলাফ করছে তার ফায়সালা হয়ে যেতো।
وما كان الناس إلا أمة واحدة فاختلفوا ۚ ولولا كلمة سبقت من ربك لقضي بينهم فيما فيه يختلفون
অমা-কা-নান্ না-সু ইল্লা য় উস্মাতাওঁ ওয়া-হিদাতান্ ফাখ্তালাফূ অলাওলা-কালিমাতুন্ সাবাক্বাত্ র্মি রব্বিকা লাকুদ্বিয়া বাইনাহুম্ ফীমা-ফীহি ইয়াখ্তালিফূন্।
তারা বলে: ‘তার প্রভুর পক্ষ থেকে তার কাছে কোনো নিদর্শন নাযিল হলো না কেন?’ তুমি বলো: ‘ তো কেবল আল্লাহ্ই জানেন। সুতরাং তোমরা এনতেযার (অপেক্ষা) করো, আমিও তোমাদের সাথে অপেক্ষায় থাকলাম।’
ويقولون لولا أنزل عليه آية من ربه ۖ فقل إنما الغيب لله فانتظروا إني معكم من المنتظرين
অইয়াকুলূনা লাওলা য় উন্যিলা 'আলাইহি আ-ইয়াতুম্ র্মি রব্বিহী ফাকুল্ ইন্নামাল্ গইবু লিল্লা-হি ফান্তাজিরূ ইন্নী মা'আকুম্ মিনাল্ মুন্তাজিরীন্।
দুঃখ - দুর্দশা স্পর্শ করার পর যখনই আমরা মানুষকে আমাদের রহমতের স্বাদ আস্বাদন করাই, তখনই তারা আমাদের আয়াতের বিরুদ্ধে চক্রান্তে লিপ্ত হয়। বলো: ‘কৌশল প্রয়োগে সবচেয়ে দ্রুত।’ আমাদের রসূলরা (ফেরেশতারা) রেকর্ড করে রাখছে তোমাদের সব চক্রান্ত।
وإذا أذقنا الناس رحمة من بعد ضراء مستهم إذا لهم مكر في آياتنا ۚ قل الله أسرع مكرا ۚ إن رسلنا يكتبون ما تمكرون
অইযা য় আযাক্বনান না-সা রহ্মাতাম্ মিম্ বা'দি দ্বোর্য়ারা - য়া মাস্সাতহুম্ ইযা-লাহুম্ মাক্রুন্ ফী য় আ-ইয়া-তিনা- কুলিল্লা-হু আস্রা'উ মাক্রা- ইন্না রুসুলানা-ইয়াক্তুবূনা মা-তাম্কুরূন্।
তিনিই তোমাদের ভ্রমণ করান স্থলভাগে এবং সমুদ্রে। এভাবে তোমরা যখন নৌযানে ভ্রমণ করো এবং সেগুলো আরোহীদের নিয়ে অনুকূল বাতাসে এগিয়ে চলে এবং তাতে তারা আনন্দিত হয়। অত:পর যখন দমকা হাওয়া এবং সবদিক থেকে আগত উত্তাল তরঙ্গমালা সেগুলোকে আক্রমণ করে এবং তারা মনে করে যে, তারা ঘেরাও হয়ে পড়েছে, তখন আল্লাহর জন্যে আনুগত্যকে একনিষ্ঠ করে তারা কেবল তাঁকেই ডাকতে থাকে। তারা তখন তাঁকে বলে: ‘তুমি যদি আমাদের উদ্ধার করো তাহলে অবশ্যি আমরা শোকরগুজার হবো।’
هو الذي يسيركم في البر والبحر ۖ حتى إذا كنتم في الفلك وجرين بهم بريح طيبة وفرحوا بها جاءتها ريح عاصف وجاءهم الموج من كل مكان وظنوا أنهم أحيط بهم ۙ دعوا الله مخلصين له الدين لئن أنجيتنا من هذه لنكونن من الشاكرين
হুঅল্লাযী ইয়ুসাইয়্যিরুকুম্ ফিল্ র্বারি অল্ বাহ্র্ হাত্তা য় ইযা- কুন্তুম্ ফিল্ফুল্কি অজ্বারাইনা বিহিম বিরীহিন্ ত্বোয়াইয়্যিবাতিওঁ অফারিহূ বিহা-জ্বা - য়াত্হা- রীহুন্ 'আ-ছিফুওঁ অজ্বা - য়াহুমুল্ মাওজ্বু মিন্ কুল্লি মাকা-নিওঁ অজোয়ান্ন য় আন্নাহুম্ উহীতোয়া বিহিম্ দা'আ'উল্লা-হা মুখ্লিছীনা লাহুদ্দীনা লায়িন্ আন্জ্বাইতানা-মিন্ হা-যিহী লানাকূনান্না মিনাশ্ শা-কিরীন্।
কিন্তু যখন তিনি তাদের বিপদ থেকে নাজাত দেন, তখন তারা না - হকভাবে দেশে সীমালংঘন করতে থাকে। হে মানুষ! তোমাদের সীমালংঘন তোমাদেরই ধ্বংসের কারণ হয়। দুনিয়ার জীবনে কিছুটা ভোগবিলাস করে নাও, তারপর আমাদের কাছেই হবে তোমাদের প্রত্যাবর্তন, তখন আমরা তোমাদের অবহিত করবো তোমরা কী সব কান্ড কারবার করছিলে।
فلما أنجاهم إذا هم يبغون في الأرض بغير الحق ۗ يا أيها الناس إنما بغيكم على أنفسكم ۖ متاع الحياة الدنيا ۖ ثم إلينا مرجعكم فننبئكم بما كنتم تعملون
ফালাম্মা য় আন্জ্বা-হুম্ ইযা-হুম্ ইয়াব্গূনা ফিল্ র্আদ্বি বিগইরিল্ হাক্ব ইয়া য় আইয়্যুহান্ না-সু ইন্নামা-বাগ্ইয়ুকুম্ 'আলা য় আন্ফুসিকুম্ মাতা-'আল্ হা-ইয়া-তিদ্দুন্ইয়া-ছুম্মা ইলাইনা-র্মাজ্বি'উকুম্ ফানুনাব্বিউকুম্ বিমা-কুন্তুম্ তা'মালূন।
দুনিয়ার জীবনের উপমা হলো (বৃষ্টির) পানি, যা আমরা আকাশ থেকে নাযিল করি। তা থেকে গজিয়ে উঠে ভূমিজ উদ্ভিদ ঘন নিবিড় হয়ে। তা থেকেই আহার করে মানুষ এবং জীব - জানোয়ার। তারপর জমিন যখন তার শোভা ধারন করে এবং চাকচিক্যময় হয়ে উঠে আর তার অধিবাসীরা মনে করে, সেগুলো তাদের আয়ত্তাধীন, তখন আমাদের নির্দেশ এসে পড়ে রাতে কিংবা দিনে এবং আমরা সেগুলো এমনভাবে ধ্বংস করে দেই, যেনো গতকালও সেখানে কিছু ছিলনা। এভাবেই আমরা বিশদ বিবরণ দেই আমাদের আয়াতের, চিন্তাশীল লোকদের জন্যে।
إنما مثل الحياة الدنيا كماء أنزلناه من السماء فاختلط به نبات الأرض مما يأكل الناس والأنعام حتى إذا أخذت الأرض زخرفها وازينت وظن أهلها أنهم قادرون عليها أتاها أمرنا ليلا أو نهارا فجعلناها حصيدا كأن لم تغن بالأمس ۚ كذلك نفصل الآيات لقوم يتفكرون
ইন্নামা-মাছালুল্ হা ইয়া-তিদ্ দুন্ইয়া-কামা - য়িন্ আন্যাল্না-হু মিনাস্ সামা - য়ি ফাখ্তালাত্বোয়া বিহী নাবা-তুল্ র্আদ্বি মিম্মা- ইয়াকুলুন্না-সু অল্ আন'আ-ম্ হাত্তা য় ইযা য় আখাযাতিল্ র্আদ্ব ু যুখ্রুফাহা- অয্যাইয়্যানাত্ অজোয়ান্না আহ্লুহা য় আন্নাহুম্ ক্বা-দ্বিরূনা 'আলাইহা য় আতা-হা য় আম্রুনা- লাইলান্ আও নাহা-রন্ ফাজ্বা'আল্না-হা- হাছীদান্ কাআল্লাম্ তাগ্না বিল্আম্স্ কাযা-লিকা নুফাছ্ছিলুল্ আ-ইয়া-তি লিক্বওমিইঁ ইয়াতাফাক্কারূন্।
দাওয়াত দিচ্ছেন দারুস সালামের (শান্তি নিবাসের) দিকে এবং তিনি যাকে চান পরিচালিত করেন সিরাতুল মুস্তাকিমে (সঠিক সুদৃঢ় পথে)।
والله يدعو إلى دار السلام ويهدي من يشاء إلى صراط مستقيم
অল্লা-হু ইয়াদ্'ঊ - ইলা-দা-রিস্ সালা-ম্ অইয়াহ্দী মাইঁ ইয়াশা - য়ু ইলা-ছিরা-ত্বিম্ মুস্তাক্বীম্।
যারা কল্যাণের কাজ করে তাদের জন্যে রয়েছে কল্যাণ এবং আরো অধিক। তাদের চেহারাকে আচ্ছন্ন করবেনা কালিমা কিংবা জিল্লতি। তারাই হবে জান্নাতের অধিবাসী, সেখানেই থাকবে তারা চিরকাল।
۞ للذين أحسنوا الحسنى وزيادة ۖ ولا يرهق وجوههم قتر ولا ذلة ۚ أولئك أصحاب الجنة ۖ هم فيها خالدون
লিল্লাযীনা আহ্সানুল্ হুস্না-অযিইয়া-দাহ্ অলা-ইর্য়াহাকু উজুহাহুম্ ক্বাতারুওঁ অলা-যিল্লাহ্ উলা - য়িকা আছ্হা-বুল্ জান্নাতি হুম্ ফীহা-খা-লিদূন্।
আর যারা কামাই করবে মন্দ কর্ম, তাদের প্রতিফলও হবে অনুরূপ মন্দ। তাদেরকে আচ্ছন্ন করবে জিল্লতি। তাদেরকে আল্লাহর (পাকড়াও) থেকে রক্ষা করার কেউ হবেনা। তাদের চেহারা হবে (কালো) যেনো রাতের অন্ধকার আবরণে আচ্ছন্ন। তারাই হবে জাহান্নামের অধিবাসী। সেখানেই থাকবে তারা চিরকাল।
والذين كسبوا السيئات جزاء سيئة بمثلها وترهقهم ذلة ۖ ما لهم من الله من عاصم ۖ كأنما أغشيت وجوههم قطعا من الليل مظلما ۚ أولئك أصحاب النار ۖ هم فيها خالدون
অল্লাযীনা কাসাবুস্ সাইয়্যিয়া-তি জ্বাযা য় উ সাইয়্যিয়াতিম্ বিমিছ্লিহা-অর্তাহাক্বহুম্ যিল্লাহ্ মা-লাহুম্ মিনাল্লা-হি মিন্ 'আ-ছিমিন্ কাআন্নামা য় উগ্শিয়াত্ উজুহুহুম্ ক্বিতোয়া'আম্ মিনাল্লাইলি মুজ্লিমা- উলা - য়িকা আছ্হা-বুন্না-রি হুম্ ফীহা-খ-লিদূন্।
যেদিন আমরা তাদের সবাইকে হাশর (সমবেত) করবো এবং মুশরিকদের বলবো: ‘তোমাদের নিজ নিজ জায়গায় অবস্থান করো, তোমরা নিজেরা এবং তোমরা যাদের শরিক করেছিলে তারা। তারপর আমরা তাদেরকে পরস্পর থেকে আলাদা করে দেবো। তখন তারা যাদের শরিক করেছিল তারা বলবে: ‘‘তোমরা তো আমাদের ইবাদত করতে না।
ويوم نحشرهم جميعا ثم نقول للذين أشركوا مكانكم أنتم وشركاؤكم ۚ فزيلنا بينهم ۖ وقال شركاؤهم ما كنتم إيانا تعبدون
অইয়াওমা নাহ্শুরুহুম্ জ্বামী'আন ছুম্মা নাকুলু লিল্লাযীনা আশ্রাকূ মাকা-নাকুম্ আনতুম্ অশুরাকা - উকুম্ ফাযাইয়্যাল্না-বাইনাহুম্ অক্ব-লা শুরাকা - উহুম্ মা- কুন্তুম্ ইয়্যা-না-তা'বুদূন্।
আমাদের এবং তোমাদের মাঝে আল্লাহই সাক্ষী হিসেবে যথেষ্ট। (তোমরা যে বলছো তোমরা আমাদের ইবাদত করতে) আমরা তো তোমাদের ইবাদত সম্পর্কে একেবারেই গাফিল ছিলাম।’’
فكفى بالله شهيدا بيننا وبينكم إن كنا عن عبادتكم لغافلين
ফাকাফা-বিল্লা-হি শাহীদাম্ বাইনানা-অবাইনাকুম্ ইন্ কুন্না-'আন্ 'ইবা-দাতিকুম্ লাগ-ফিলীন্।
সেখানেই তারা প্রত্যেকে নিজ নিজ কৃতকর্ম পরীক্ষা করে নেবে এবং তাদেরকে ফিরিয়ে আনা হবে তাদের প্রকৃত মাওলা (মনিব) আল্লাহর দিকে, আর তাদের থেকে উধাও হয়ে যাবে তাদের মনগড়া (সুপারিশকারীরা)।
هنالك تبلو كل نفس ما أسلفت ۚ وردوا إلى الله مولاهم الحق ۖ وضل عنهم ما كانوا يفترون
হুনা-লিকা তাব্লূ কুল্লু নাফ্সিম্ মা য় আস্লাফাত্ অরুদ্দূ য় ইলাল্লা-হি মাওলা-হুমুল্ হাক্বক্বি অদ্বোয়াল্লা 'আন্হুম্ মা-কা-নূ ইয়াফ্তারূন্।
হে নবী! তাদের জিজ্ঞেস করো: ‘কে তোমাদের রিযিক দেন আসমান ও জমিন থেকে? কিংবা শ্রবণ শক্তি ও দৃষ্টি শক্তির কর্তৃত্ব কার? কে বের করেন মৃত থেকে জীবিতকে? কে বের করেন জীবিত থেকে মৃতকে? কে পরিচালনা করেন সমস্ত বিষয়?’ এসব প্রশ্নের জবাবে তারা বলবে: ‘’। বলো: ‘তাহলে কেন তোমরা সতর্ক হওনা (আল্লাহর আযাব সম্পর্কে)?’
قل من يرزقكم من السماء والأرض أمن يملك السمع والأبصار ومن يخرج الحي من الميت ويخرج الميت من الحي ومن يدبر الأمر ۚ فسيقولون الله ۚ فقل أفلا تتقون
কুল্ মাইঁ ইর্য়াযুকুকুম্ মিনাস্ সামা - য়ি অল্ র্আদ্বি আম্মাইঁ ইয়াম্লিকুস্ সাম্'আ অল্ আব্ছোয়া-রা অমাইঁ ইয়ুখ্রিজ্বুল্ হাইয়্যা মিনাল্ মাইয়্যিতি অইয়ুখ্রিজ্বুল্ মাইয়্যিতা মিনাল্ হাইয়্যি অমাইঁ ইয়ুদাব্বিরুল্ আম্র্ ফাসাইয়াকুলূনাল্লা-হু ফাক্বলুআফালা-তাত্তাকুন্।
তিনিই , তোমাদের প্রকৃত প্রভু। সত্য ত্যাগ করলে গোমরাহি ছাড়া আর কী থাকে? তাহলে তোমরা ঘুরে ফিরে কোন্ দিকে যাচ্ছো?
فذلكم الله ربكم الحق ۖ فماذا بعد الحق إلا الضلال ۖ فأنى تصرفون
ফাযা-লিকুমুল্লা-হু রব্বুকুমুল্ হাক্বকু ফামা-যা-বা'দাল্ হাক্বক্বি ইল্লাদ্দোয়ালা-লু ফাআন্না-তুছ্রাফূন্।
এভাবেই ফাসিকদের উপর তোমার প্রভুর বাণী সত্যে পরিণত হয়েছে যে, তারা ঈমান আনবে না।
كذلك حقت كلمت ربك على الذين فسقوا أنهم لا يؤمنون
কাযা-লিকা হাক্বক্বাত্ কালিমাতু রব্বিকা 'আলাল্লাযীনা ফাসাকুয় আন্নাহুম্ লা-ইয়ুমিনূন্।
বলো: তোমরা যাদেরকে আল্লাহর শরিক বানাও, তাদের মধ্যে এমন কেউ আছে কি, যে সৃষ্টির অস্তিত্ব দেয়, পরে তার পুনরাবৃত্তি ঘটায়? বলো: আল্লাহ্ই সৃষ্টির অস্তিত্ব দেন এবং পরে তার পুনরাবৃত্তি ঘটান। ফলে তোমরা কী করে সত্য ত্যাগ করে দূরে সরে যাচ্ছো?
قل هل من شركائكم من يبدأ الخلق ثم يعيده ۚ قل الله يبدأ الخلق ثم يعيده ۖ فأنى تؤفكون
কুল্ হাল্ মিন্ শুরাকা - য়িকুম্ মাইঁ ইয়্ব্দাউল্ খল্ক্ব ছুম্মা ইয়ু'ঈদুহ্ কুলিল্লা-হু ইয়াব্দাউল্ খল্ক্ব ছুম্মা ইয়ু'ঈদুহূ ফাআন্না-তুফাকূন্।
বলো: তোমরা যাদেরকে আল্লাহর সাথে শরিক বানাচ্ছো, তাদের মধ্যে এমন কেউ আছে কি, যে সত্যের দিকে পথ দেখায়? বলো: সত্যের দিকে পথ দেখান তো কেবল । যিনি সত্যের দিকে পথ দেখান তিনি আনুগত্য লাভের অধিক হকদার? নাকি সে, যাকে পথ না দেখালে সে নিজেই পথ পায়না? তোমাদের হয়েছে কী? কিভাবে তোমরা ফায়সালা গ্রহণ করো?
قل هل من شركائكم من يهدي إلى الحق ۚ قل الله يهدي للحق ۗ أفمن يهدي إلى الحق أحق أن يتبع أمن لا يهدي إلا أن يهدى ۖ فما لكم كيف تحكمون
কুল্ হাল্ মিন্ শুরাকা - য়িকুম্ মাইঁ ইয়াহ্দী য় ইলাল্ হাক্ব কুলিল্লা-হু ইয়াহ্দী লিল্হাক্ব আফামাইঁ ইয়াহ্দী য় ইলাল্ হাক্বক্বি আহাক্বকু আইঁ ইয়ুত্তাবা'আ আম্মাল লা-ইয়াহিদ্দী য় ইল্লা য় আইঁ ইয়ুহ্দা- ফামা-লাকুম্ কাইফা তাহ্কুমূন্।
তাদের অধিকাংশই অনুমান ছাড়া আর কিছুরই অনুসরণ করেনা। নিশ্চয়ই অনুমান সত্যে উপনীত হবার ব্যাপারে কোনো কাজেই আসেনা। তারা যা করে সে বিষয়ে পূর্ণ অবহিত।
وما يتبع أكثرهم إلا ظنا ۚ إن الظن لا يغني من الحق شيئا ۚ إن الله عليم بما يفعلون
অমা-ইয়াত্তাবি'উ আক্ছারুহুম্ ইল্লা-জোয়ান্না-ইন্নাজ জোয়ান্না লা-ইয়ুগ্নী মিনাল্ হাক্বক্বি শাইয়া- ইন্নাল্লা-হা 'আলীমুম্ বিমা-ইয়াফ্'আলূন্।
এ কুরআন ছাড়া আর কারো পক্ষে রচনা করা সম্ভব নয়। বরং এটি এর পূর্বে যেসব (কিতাব) অবতীর্ণ হয়েছে সেগুলোর সত্যায়নকারী এবং বিধানসমূহের বিশদ বিবরণ। এতে সন্দেহের কোনোই অবকাশ নেই যে, এটি নাযিল হয়েছে মহাজগতের প্রভুর পক্ষ থেকে।
وما كان هذا القرآن أن يفترى من دون الله ولكن تصديق الذي بين يديه وتفصيل الكتاب لا ريب فيه من رب العالمين
অমা-কা-না হা-যাল্ ক্বরুআ-নু আইঁ ইয়ুফ্তারা- মিন্ দূনিল্লা-হি অলা-কিন্ তাছ্দীক্বল্লাযী বাইনা ইয়াদাইহি অতাফ্ছীলাল্ কিতা-বি লা-রাইবা ফীহি র্মি রব্বিল্ 'আ-লামীন্।
নাকি তারা বলে: এটি সে (মুহাম্মদ) রচনা করে নিয়েছে? তুমি বলো: তাহলে তোমরা এর অনুরূপ একটি সূরা রচনা করে নিয়ে এসো এবং ছাড়া আর যাদেরকে পারো (সহযোগিতার) জন্যে ডেকে নাও, যদি তোমরা সত্যবাদী হয়ে থাকো।
أم يقولون افتراه ۖ قل فأتوا بسورة مثله وادعوا من استطعتم من دون الله إن كنتم صادقين
আম্ ইয়াকুলূনাফ্ তারাহ্ কুল্ ফাতূ বিসূরাতিম্ মিছ্লিহী অদ্'ঊ মানিস্ তাত্বোয়া'তুম্ মিন্ দূনিল্লা-হি ইন্ কুন্তুম্ ছোয়া-দিক্বীন্।
বরং তারা এমন বিষয় অস্বীকার করছে, যে বিষয়ে জ্ঞান তারা আয়ত্ত করেনি এবং যার তা’বিলও তাদের কাছে আসেনি। তাদের পূর্ববর্তী (কাফিররাও) এভাবেই সত্যকে প্রত্যাখ্যান করেছিল। এখন তাকিয়ে দেখো, যালিমদের কী পরিণতি হয়েছিল!
بل كذبوا بما لم يحيطوا بعلمه ولما يأتهم تأويله ۚ كذلك كذب الذين من قبلهم ۖ فانظر كيف كان عاقبة الظالمين
বাল্ কায্যাবূ বিমা-লাম্ ইয়ুহীত্ব বি'ইল্মিহী অলাম্মা-ইয়াতিহিম্ তাওয়ী লুহ্ কাযা-লিকা কায্যাবাল্লাযীনা মিন্ ক্বাব্লিহিম্ ফার্ন্জু কাইফা কা-না'আ-ক্বিবাতুজ্জোয়া-লিমীন্।
তাদের মধ্যে কিছু লোক তার প্রতি ঈমান রাখে আর কিছু লোক ঈমান রাখেনা। তোমার প্রভু ফাসাদ সৃষ্টিকারীদের সবচে’ ভালো করে জানেন।
ومنهم من يؤمن به ومنهم من لا يؤمن به ۚ وربك أعلم بالمفسدين
অমিন্হুম্ মাইঁ ইয়ুমিনু বিহী অমিন্হুম্ মাল্লা-ইয়ুমিনু বিহ্ অরব্বুকা আ'লামু বিল্ মুফ্সিদীন্।
তারা যদি তোমাকে মিথ্যা বলে প্রত্যাখ্যান করে, তুমি তাদের বলো: ‘আমার কাজের দায়িত্ব আমার, আর তোমাদের কাজের দায়িত্ব তোমাদের। আমি যে কাজ করি তোমরা তার দায়মুক্ত। আর তোমরা যে কাজ করছো আমিও তার দায়মুক্ত।’
وإن كذبوك فقل لي عملي ولكم عملكم ۖ أنتم بريئون مما أعمل وأنا بريء مما تعملون
অইন্ কায্যাবূকা ফাকুল্লী 'আমালী অলাকুম্ 'আমালুকুম্ আন্তুম্ বারী - য়ূনা মিম্মা য় আ'মালু অআনা বারী - উম্ মিম্মা-তা'মালূন্।
তাদের কিছু লোক তোমার কথা শুনে। কিন্তু তারা বুঝতে না পারলেও তুমি কি বধিরদের শুনাবে?
ومنهم من يستمعون إليك ۚ أفأنت تسمع الصم ولو كانوا لا يعقلون
অমিন্হুম্ মাইঁ ইয়াস্তামি'ঊনা ইলাইক্ আফা আন্তা তুস্মি'উছ্ ছুম্মা অলাও কা-নূ লা-ইয়া'ক্বিলূন্।
তাদের মধ্যে কেউ কেউ তোমাকে দেখে । কিন্তু তুমি কি অন্ধদের পথ দেখাবে তারা না দেখলেও?
ومنهم من ينظر إليك ۚ أفأنت تهدي العمي ولو كانوا لا يبصرون
অমিন্হুম্ মাইঁ ইয়ান্জুরু ইলাইক্ আফা আন্তা তাহ্দিল 'উম্ইয়া অলাও কা-নূ লা-ইয়ুছরূন্।
মানুষের প্রতি কোনো প্রকার যুলুম করেন না, বরঞ্চ মানুষই নিজেরা নিজেদের প্রতি যুলুম করে।
إن الله لا يظلم الناس شيئا ولكن الناس أنفسهم يظلمون
ইন্নাল্লা-হা লা-ইয়াজ্লিমুন্ না-সা শাইয়াওঁ অর-কিন্নান্না-সা আন্ফুসাহুম্ ইয়াজ্লিমূন্।
যেদিন তিনি তাদের হাশর করবেন, সেদিন তাদের মনে হবে (পৃথিবীতে) তারা অবস্থান করেছিল দিনের কিছুক্ষণ মাত্র। তারা পরস্পরকে চিনবে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সেইসব লোক যারা আল্লাহর সাক্ষাত অস্বীকার করেছে এবং তারা সঠিক পথেও ছিলনা।
ويوم يحشرهم كأن لم يلبثوا إلا ساعة من النهار يتعارفون بينهم ۚ قد خسر الذين كذبوا بلقاء الله وما كانوا مهتدين
অ ইয়াওমা ইয়াহ্শুরুহুম্ কাআল্ লাম্ ইয়াল্বাছূ য় ইল্লা-সা-'আতাম্ মিনান্নাহা-রি ইয়াতা'আ-রাফূনা বাইনাহুম্ ক্বদ্ খাসিরাল্লাযীনা কায্যাবূ বিলিক্বা - য়িল্লা-হি অমা-কা-নূ মুহ্তাদীন্।
আমরা তাদেরকে যে ভয় দেখাচ্ছি, তার কিছুটা যদি তোমার জীবনকালে দেখিয়ে দেই, কিংবা তোমার জীবনকাল যদি পূর্ণ করে দেই, শেষ পর্যন্ত তাদের প্রত্যাবর্তন তো আমাদের কাছেই হবে। তারপর আল্লাহ্ই তো তাদের কর্মকান্ডের সাক্ষী।
وإما نرينك بعض الذي نعدهم أو نتوفينك فإلينا مرجعهم ثم الله شهيد على ما يفعلون
অইম্মা-নুরিইয়ান্নাকা বা'দ্বোয়াল্লাযী না'ইদুহুম্ আওনাতাঅফ্ফাইন্নাকা ফাইলাইনা-র্মাজ্বি'উহুম্ ছুম্মাল্লা-হু শাহীদুন্ 'আলা-মা-ইয়াফ্'আলূন্।
প্রত্যেক উম্মতের জন্যেই ছিলো একজন রসূল। যখনই তাদের কাছে তাদের রসূল এসেছিল, তখন ইনসাফের সাথে তাদের মধ্যে ফায়সালা করে দেয়া হয়েছে। তাদের প্রতি কোনো প্রকার অবিচার করা হয়নি।
ولكل أمة رسول ۖ فإذا جاء رسولهم قضي بينهم بالقسط وهم لا يظلمون
অলিকুল্লি উম্মার্তি রাসূলুন্ ফাইযা-জ্বা - আ রসূলুহুম্ কুদ্বিয়া বাইনাহুম্ বিল্ক্বিস্ত্বি অহুম্লা-ইয়ুজ্লামূন্।
তারা বলে: ‘তোমরা সত্যবাদী হয়ে থাকলে বলো, তোমাদের প্রতিশ্রুতি দেয়া সেই সময়টি কখন আসবে?’
ويقولون متى هذا الوعد إن كنتم صادقين
অইয়াকুলূনা মাতা-হা-যাল্ অ'দু ইন্ কুন্তুম্ ছোয়া-দ্বিক্বীন।
হে নবী! বলো: আমার নিজের লাভ ক্ষতির উপরও আমার কোনো অধিকার নেই, তবে কিছু চাইলে ভিন্ন কথা। প্রত্যেক উম্মতেরই একটি নির্ধারিত সময় আছে। যখন তার সেই নির্ধারিত সময়টি আসবে, তখন কিছুক্ষণ সময়ও আগপর হবেনা।
قل لا أملك لنفسي ضرا ولا نفعا إلا ما شاء الله ۗ لكل أمة أجل ۚ إذا جاء أجلهم فلا يستأخرون ساعة ۖ ولا يستقدمون
কুল্ লা য় আম্লিকু লিনাফ্সী দ্বোর্য়ারাওঁ অলা-নাফ্'আন্ ইল্লা-মা-শা - আল্লা-হ্ লিকুল্লি উম্মাতিন্ আজ্বাল্ ইযা-জ্বা - আ আজ্বালুহুম্ ফালা-ইয়াস্তাখিরূনা সা-'আতাওঁ অলা-ইয়াস্তাক্বাদিমূন্।
হে নবী! বলো: ‘তোমাদের রায় কী; আল্লাহর আযাব তো রাত বা দিনে তোমাদের উপর এসেই পড়তে পারে। তারপরও অপরাধীরা সেটার জন্যে তাড়াহুড়া করে কেন?’
قل أرأيتم إن أتاكم عذابه بياتا أو نهارا ماذا يستعجل منه المجرمون
কুল্ আরআইতুম্ ইন্ আতা-কুম্ 'আযা বুহূ-বাইয়া-তান্ আও নাহা-রাম্ মা-যা-ইয়াস্তা'জ্বিলু মিন্হুল্ মু জ্বরিমূন্।
সেটা (কিয়ামত) ঘটে যাবার পরই কি তোমরা ঈমান আনবে? এখন (ঈমান আনবেনা)? তোমরাই তো এর জন্যে তাড়াহুড়া করছিলে।
أثم إذا ما وقع آمنتم به ۚ آلآن وقد كنتم به تستعجلون
আছুম্মা ইযা-মা-অক্বা'আ আ-মান্তুম্ বিহ্ আ -ল্আ-না অক্বাদ্ কুন্তুম্ বিহী তাস্তাজ্বিলূন।
তারপর যালিমদের বলা হবে, চিরস্থায়ী আযাবের স্বাদ গ্রহণ করো। তোমরা যা কামাই করে এসেছো সেটার ছাড়া অন্য কিসের প্রতিফল তোমাদের দেয়া হবে?
ثم قيل للذين ظلموا ذوقوا عذاب الخلد هل تجزون إلا بما كنتم تكسبون
ছূম্মা ক্বীলা লিল্লাযীনা জোয়ালামূ যূকু 'আযা-বাল্ খুল্দি হাল্ তু জ্বযাওনা ইল্লা-বিমা-কুন্তুম্ তাক্সিবূন।
(হে নবী!) তারা তোমার কাছে জানতে চায়, সেটা (পুনরুত্থান দিবস) কি সত্য? বলো: ‘হ্যাঁ, আমার প্রভুর শপথ সেটা অবশ্যি সত্য। তোমরা সেটার আগমন ঠেকাতে পারবে না।’
۞ ويستنبئونك أحق هو ۖ قل إي وربي إنه لحق ۖ وما أنتم بمعجزين
অ ইয়াস্তাম্বিঊনাকা আহাক্বকুন্ হুঅ কুল্ ঈ অরব্বী য় ইন্নাহূ লাহাক্ব অমা য় আন্তুম্ বিমু'জ্বিযীন্।
আর যদি প্রত্যেক অন্যায়কারী পৃথিবীর সবকিছুর মালিকও হয়, তবে সে (কিয়ামতের দিন) মুক্তির বিনিময়ে সবকিছু দিয়ে দিতে চাইবে। আযাব দেখতে পেলে সে অনুতাপ লুকাবার চেষ্টা করবে। সেদিন ইনসাফের সাথে তাদের মাঝে ফায়সালা করে দেয়া হবে এবং তাদের প্রতি কোনো প্রকার অবিচার করা হবেনা।
ولو أن لكل نفس ظلمت ما في الأرض لافتدت به ۗ وأسروا الندامة لما رأوا العذاب ۖ وقضي بينهم بالقسط ۚ وهم لا يظلمون
অলাও আন্না লিকুল্লি নাফ্সিন্ জোয়ালামাত্ মা-ফিল্ র্আদ্বি লাফ্তাদাত্ বিহ অআর্সারুন্ নাদা-মাতা লাম্মা- রাআউল্ 'আযা-বা অকুদ্বিয়া-বাইনাহুম্ বিল্ ক্বিস্ত্বি অহুম্ লা-ইয়ুজ্লামূন্।
সাবধান, জেনে রাখো, মহাকাশ এবং পৃথিবীতে যা কিছু আছে সবই আল্লাহর। সাবধান, জেনে রাখো আল্লাহর ওয়াদা সত্য। কিন্তু অধিকাংশ লোকই জানেনা।
ألا إن لله ما في السماوات والأرض ۗ ألا إن وعد الله حق ولكن أكثرهم لا يعلمون
আলা য় ইন্না লিল্লা-হি মা-ফিস সামা-ওয়া-তি অল্ র্আদ্ব আলা য় ইন্না অ'দাল্লা-হি হাক্বকুওঁ অলা-কিন্না আক্ছারাহুম্ লা-ইয়া'লামূন্।
তিনি জীবন দান করেন এবং তিনি মরণ দিয়ে থাকেন এবং সবাইকে তাঁরই কাছে ফিরিয়ে নেয়া হবে।
هو يحيي ويميت وإليه ترجعون
হুঅ ইয়ুহ্য়ী অ ইয়ুমীতু অইলাইহি র্তুজ্বা'ঊন।
হে মানুষ! তোমাদের প্রভুর পক্ষ থেকে তোমাদের কাছ এসেছে একটি উপদেশ এবং তোমাদের কলবে (অন্তরে) যা আছে তার নিরাময়, আর হিদায়াত ও রহমত মুমিনদের জন্যে।
يا أيها الناس قد جاءتكم موعظة من ربكم وشفاء لما في الصدور وهدى ورحمة للمؤمنين
ইঁয়া য় আইয়্যুহান্না-সু ক্বদ্ জ্বা - আত্কুম্ মাও'ইজোয়াতুম্ র্মি রব্বিকুম্ অশিফা - উল্ লিমা ফিছ্ ছুদূরি অহুদাওঁ অরহ্মাতুল্লিল্ মুমিনীন্
হে নবী! বলো: ‘এই (কুরআন এসেছে) আল্লাহর অনুগ্রহ এবং তাঁর দয়ায়। সুতরাং এর জন্যে তারা উৎফুল্ল ও আনন্দিত হোক।’ তারা যা জমা করে এটি তার চাইতে উত্তম।
قل بفضل الله وبرحمته فبذلك فليفرحوا هو خير مما يجمعون
কুল্ বিফাদ্ব্লিল্লা-হি অ বিরহ্মাতিহী ফাবিযা-লিকা ফাল্ ইয়াফ্রাহূ হুওয়া খাইরুম্ মিম্মা- ইয়া জ্বমা'ঊন্।
হে নবী! বলো: তোমরা ভেবে দেখেছো কি, তোমাদের জন্যে যে রিযিক নাযিল করেছেন, তারপর তোমরা যে সেগুলোর কিছু হালাল আর কিছু হারাম বানিয়ে নিয়েছো - হে নবী! তাদের জিজ্ঞেস করো, তোমাদের এ নির্দেশ কি দিয়েছেন, নাকি তোমরা আল্লাহর প্রতি মিথ্যারোপ করছো?
قل أرأيتم ما أنزل الله لكم من رزق فجعلتم منه حراما وحلالا قل آلله أذن لكم ۖ أم على الله تفترون
কুল্ আরায়াইতুম্ মা য় আন্যালাল্লা-হু লাকুম্ র্মি রিয্ক্বিন্ ফাজ্ব'আল্তুম্ মিনহু হারা-মাওঁ অহালা-লা- কুল্ আ - ল্লা-হু আযিনা লাকুম্ আম্ 'আলাল্লা-হি তাফ্তারূন্।
যারা আল্লাহর সম্পর্কে মিথ্যা রচনা করে, কিয়ামতকাল সম্পর্কে তাদের ধারণা কী? নিশ্চয়ই মানুষের প্রতি বড়ই অনুগ্রহওয়ালা, কিন্তু অধিকাংশ মানুষই শোকর আদায় করেনা।
وما ظن الذين يفترون على الله الكذب يوم القيامة ۗ إن الله لذو فضل على الناس ولكن أكثرهم لا يشكرون
অমা-জোয়ান্ন ুল্লাযীনা ইয়াফ্তারূনা 'আলাল্লা-হিল্ কাযিবা ইয়াওমাল্ ক্বিয়া-মাহ্ ইন্নাল্লা-হা লাযূ ফাদ্ব্লিন্ 'আলান্না-সি অলা-কিন্না আক্ছারাহুম্ লা-ইয়াশ্কুরূন্।
(হে মুহাম্মদ!) তুমি যে অবস্থায়ই থাকো এবং কুরআন থেকে যা - ই তিলাওয়াত করোনা কেন আর (হে মানুষ!) তোমরা যা - ই করোনা কেন, আমরা তোমাদের উপর সাক্ষী থাকি যখন তোমরা তাতে আত্মনিয়োগ করো। মহাকাশ এবং পৃথিবীতে একটি অণু পরিমাণ কিছুও তাঁর অগোচরে নেই এবং তার চাইতে ক্ষুদ্রতম কিংবা বৃহত্তর কিছুই নেই, যা এক সুস্পষ্ট কিতাবে লেখা নেই।
وما تكون في شأن وما تتلو منه من قرآن ولا تعملون من عمل إلا كنا عليكم شهودا إذ تفيضون فيه ۚ وما يعزب عن ربك من مثقال ذرة في الأرض ولا في السماء ولا أصغر من ذلك ولا أكبر إلا في كتاب مبين
অমা-তাকূনু ফী শানিওঁ অমা-তাত্লূ মিন্হু মিন্ ক্বরুআ-নিওঁ অলা-তা'মালূনা ম্নি 'আমালিন্ ইল্লা-কুন্না-'আলাইকুম্ শুহূদান্ ইয্ তুফীদ্বূনা ফীহ্ অমা-ইয়া'যুবু 'র্আ রব্বিকা মিম্ মিছ্ক্বা-লি র্যারতিন্ ফিল্ আরদ্বি অলা-ফিস্সামা - য়ি অলা য় আছ্গরা মিন্ যা-লিকা অলা য় আক্বারা ইল্লা-ফী কিতা-বিম্ মুবীন্।
জেনে রাখো, নিশ্চয়ই আল্লাহর অলিদের কোনো ভয় নেই এবং দুঃখ - দুশ্চিন্তাও নেই।
ألا إن أولياء الله لا خوف عليهم ولا هم يحزنون
আলা য় ইন্না আওলিয়া - আল্লা-হি লা-খওফুন 'আলাইহিম্ অলা-হুম্ ইয়াহ্যানূন্।
(তারা হলো সেইসব লোক) যারা ঈমান এনেছে এবং তাকওয়া অবলম্বন করেছে।
الذين آمنوا وكانوا يتقون
আল্লাযীনা আ-মানূ অকা-নূ ইয়াত্তাকুন্।
তাদের জন্যে রয়েছে সুসংবাদ দুনিয়ার জীবনে এবং আখিরাতে। আল্লাহর বাণীর কোনো পরিবর্তন নেই। এটাই মহাসাফল্য।
لهم البشرى في الحياة الدنيا وفي الآخرة ۚ لا تبديل لكلمات الله ۚ ذلك هو الفوز العظيم
লাহুমুল্ বুশ্রা-ফিল্ হা-ইয়া-তিদ্দুন্ইয়া-অফিল্ আ-খিরাহ্ লা-তাব্দীলা লিকালিমা-তিল্ লা-হ্ যা-লিকা হুঅল্ ফাওযুল্ 'আজীম্।
(হে নবী! এরা তোমাকে যা কিছু বলছে) তাদের কথা যেনো তোমাকে দুঃখ না দেয়। সমস্ত ইয্যত ও শক্তির মালিক তো । তিনি সব শুনেন, সব জানেন।
ولا يحزنك قولهم ۘ إن العزة لله جميعا ۚ هو السميع العليم
অলা-ইয়াহ্যুন্কা ক্বাওলুহুম্ ইন্নাল্ 'ইয্যাতা লিল্লা-হি জ্বামী'আ-হুঅস্ সামী'উল্ 'আলীম।
সাবধান, মহাকাশ এবং পৃথিবীতে যারা আছে সবাই আল্লাহর। যারা ছাড়া অন্যদেরকে আল্লাহর শরিক বানিয়ে ডাকে, তারা কিসের অনুসরণ করে? তারা তো কেবল অনুমানেরই অনুসরণ করে এবং তারা কেবল মিথ্যাই বলে।
ألا إن لله من في السماوات ومن في الأرض ۗ وما يتبع الذين يدعون من دون الله شركاء ۚ إن يتبعون إلا الظن وإن هم إلا يخرصون
আলা য় ইন্না লিল্লা-হি মান্ ফিস্ সামা-ওয়া-তি অমান্ ফিল্ র্আদ্ব অমা-ইয়াত্তাবি'উল্ লাযীনা ইয়াদ্'ঊনা মিন্ দূনিল্লা-হি শুরাকা - আ ইঁ ইয়াত্তাবি'ঊনা ইল্লাজ্জোয়ান্না অইন্ হুম্ ইল্লা-ইয়াখ্রুছূন্।
তিনিই তোমাদের জন্যে রাত বানিয়েছেন বিশ্রামের জন্যে আর দিন বানিয়েছেন দেখার জন্যে। যারা (উপদেশ) শুনে এতে তাদের জন্যে রয়েছে নিদর্শন।
هو الذي جعل لكم الليل لتسكنوا فيه والنهار مبصرا ۚ إن في ذلك لآيات لقوم يسمعون
হুঅল্লাযী জ্বা'আলা লাকুমুল্ লাইলা লিতাস্কুনূ ফীহি অন্নাহা-রা মুব্ছিরা- ইন্না ফী যা-লিকা লাআ-ইয়া-তিল্ লিক্বওমিইঁ ইয়াসমা'ঊন্।
তারা বলে: ‘ সন্তান গ্রহণ করেছেন।’ তিনি (এ থেকে) পবিত্র মহান। তিনি অভাবমুক্ত। মহাকাশ এবং পৃথিবীতে যা কিছু আছে সবই তাঁর। (তোমরা যা বলছো) সে বিষয়ে তোমাদের কাছে কোনো সার্টিফিকেট নেই। তোমরা কি আল্লাহর উপর এমন কথা আরোপ করছো, যে বিষয়ে তোমাদের কোনো জ্ঞান নেই?
قالوا اتخذ الله ولدا ۗ سبحانه ۖ هو الغني ۖ له ما في السماوات وما في الأرض ۚ إن عندكم من سلطان بهذا ۚ أتقولون على الله ما لا تعلمون
ক্ব-লুত্তাখযাল্লা-হু অলাদান্ সুব্হা-নাহ্- হুঅল্ গনিয়্যু লাহূ মা-ফিস্ সামা-ওয়া-তি অমা-ফিল্ র্আদ্ব ইন্ 'ইন্দাকুম্ মিন্ সুল্ত্বোয়া-নিম্ বিহা-যা- 'আতাকুলূনা 'আলাল্লা-হি মা-লা- তা'লামূন্।
হে নবী! বলো: যারা মিথ্যা রচনা করে আল্লাহর উপর আরোপ করে, তারা সফল হবেনা।
قل إن الذين يفترون على الله الكذب لا يفلحون
কুল্ ইন্নাল্লাযীনা ইয়াফ্তারূনা 'আলাল্লা-হিল্ কাযিবা লা-ইয়ুফ্লিহূন্।
পৃথিবীতে তাদের জন্যে রয়েছে কিছু ভোগ বিলাস। তারপর আমাদের কাছেই হবে তাদের প্রত্যাবর্তন। তখন আমরা তাদের স্বাদ গ্রহণ করাবো কঠিন আযাবের, তাদের কুফুরির কারণে।
متاع في الدنيا ثم إلينا مرجعهم ثم نذيقهم العذاب الشديد بما كانوا يكفرون
মাতা-'ঊন্ ফিদ্দুন্ইয়া-ছুম্মা ইলাইনা-মারজ্বি'উহুম্ ছুম্মা নুযীকুহুমুল্ 'আযা-বাশ্ শাদীদা বিমা- কা-নূ ইয়াক্ফুরূন্।
তাদের প্রতি তিলাওয়াত করো নূহের সংবাদ। সে তার কওমকে বলেছিল: ‘‘হে আমার কওম! আমার অবস্থান এবং আল্লাহর আয়াতের ভিত্তিতে আমার উপদেশ যদি তোমাদের অসহনীয় হয়, তবে আমি আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল করলাম। তোমরা যাদেরকে আল্লাহর সাথে শরিক করছো তাদেরকে সাথে নিয়ে তোমাদের চক্রান্ত ঠিক করে নাও, পরে যেনো তোমাদের চক্রান্তের বিষয়ে তোমাদের কোনো সংশয় না থাকে। তারপর আমার বিরুদ্ধে তোমাদের ফায়সালা ঠিক করে নাও এবং আমাকে কোনো অবকাশ দিও না।
۞ واتل عليهم نبأ نوح إذ قال لقومه يا قوم إن كان كبر عليكم مقامي وتذكيري بآيات الله فعلى الله توكلت فأجمعوا أمركم وشركاءكم ثم لا يكن أمركم عليكم غمة ثم اقضوا إلي ولا تنظرون
অত্লু 'আলাইহিম্ নাবাআ নূহ্। ইয্ ক্ব-লা লিক্বওমিহী ইয়া-ক্বওমি ইন্ কা-না কাবুরা 'আলাইকুম্ মাক্ব-মী অতায্কীরী বিআ-ইয়া-তিল্লা-হি ফা'আলাল্লা-হি তাঅক্কাল্তু ফাআ জ্বমি'ঊ য় আম্রাকুম্ অশুরাকা - আকুম্ ছুম্মা লা-ইয়াকুন্ আম্রুকুম্ 'আলাইকুম্ গুম্মাতান্ ছুম্মাক্বদ্বূ য় ইলাইয়্যা অলা-তুন্যিরূন্।
তারপরও যদি তোমরা মুখ ফিরিয়ে নাও নিতে পারো। আমি তো এ কাজের জন্যে তোমাদের কাছে কোনো পারিশ্রমিক চাইনা। আমার প্রতিদানের দায়িত্ব আল্লাহর উপর। আমাকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে, আমি যেনো আত্মসমর্পণকারীদের অন্তরভুক্ত হই।’’
فإن توليتم فما سألتكم من أجر ۖ إن أجري إلا على الله ۖ وأمرت أن أكون من المسلمين
ফাইন্ তাঅল্লাইতুম্ ফামা-সাআল্তুকুম্ মিন্ আ জ্বর্ ইন্ আ জ্বরিয়া ইল্লা-'আলা ল্লা-হি অউর্মিতু আন্ আকূনা মিনাল্ মুস্লিমীন্।
শেষ পর্যন্ত তারা তাকে (নূহকে) মিথ্যা বলে প্রত্যাখ্যান করে। তখন আমরা তাকে এবং তার সাথে যারা নৌযানে আরোহণ করেছিল তাদেরকে নাজাত দেই এবং তাদেরকে তাদের স্থলাভিষিক্ত করি আর ডুবিয়ে দেই সেইসব লোকদের যারা প্রত্যাখ্যান করেছিল আমাদের আয়াত। চেয়ে দেখো, যাদেরকে সতর্ক করা হয়েছিল, কী করুণ পরিণতি হয়েছিল তাদের!
فكذبوه فنجيناه ومن معه في الفلك وجعلناهم خلائف وأغرقنا الذين كذبوا بآياتنا ۖ فانظر كيف كان عاقبة المنذرين
ফাকায্যাবূহু ফানাজ্জ্বাইনা-হু অমাম্ মা'আহূ ফিল্ ফুল্কি অজ্বা'আল্না-হুম্ খলা - য়িফা অআগ্রাক্বনাল্লাযীনা কায্যাবূ বিআ-ইয়া-তিনা-ফার্ন্জু কাইফা কা-না 'আ-ক্বিবাতুল্ মুন্যারীন্।
তার (নূহের) পরেও আমরা আরো অনেক রসূল পাঠিয়েছিলাম তাদের কওমের কাছে। তারা তাদের কাছে এসেছিল সুস্পষ্ট নিদর্শনসমূহ নিয়ে। কিন্তু তারা আগে যা প্রত্যাখ্যান করেছে তার প্রতি আর ঈমান আনতে প্রস্ত্তত হয়নি। এভাবেই আমরা সীমালংঘনকারীদের অন্তর সীলগালা করে দেই।
ثم بعثنا من بعده رسلا إلى قومهم فجاءوهم بالبينات فما كانوا ليؤمنوا بما كذبوا به من قبل ۚ كذلك نطبع على قلوب المعتدين
ছূম্মা বা'আছ্না মিম্ বা'দিহী রুসুলান্ ইলা- ক্বাওমিহিম্ ফাজ্বা - ঊহুম্ বিল্ বাইয়্যিনা-তি ফামা-কা-নূ লিইয়ুমিনূ বিমা-কায্যাবূ বিহী মিন্ কাব্ল্ কাযা-লিকা নাত্বা'উ 'আলা-কুলূবিল্ মু'তাদীন।
তাদের পরে আমরা পাঠিয়েছি মূসা এবং হারূণকে ফেরাউন আর তার নেতৃবৃন্দের কাছে আমাদের নিদর্শন নিয়ে। কিন্তু তারা দাম্ভিকতা প্রকাশ করে। আসলে তারা ছিলো একটি অপরাধী কওম।
ثم بعثنا من بعدهم موسى وهارون إلى فرعون وملئه بآياتنا فاستكبروا وكانوا قوما مجرمين
ছুম্মা বা'আছ্না- মিম্ বা'দিহিম্ মূসা-অহা-রূনা ইলা-র্ফি'আওনা অমালায়িহী বিআ-ইয়া-তিনা-ফাস্তাক্বারূ অকা-নূ ক্বাওমাম্ মু জ্বরিমীন।
অত:পর তাদের কাছে যখন আমাদের পক্ষ থেকে সত্য প্রকাশ হয়ে যায়, তখন তারা বললো: ‘এতো এক সুস্পষ্ট ম্যাজিক।’
فلما جاءهم الحق من عندنا قالوا إن هذا لسحر مبين
ফালাম্মা-জ্বা - আহুমুল্ হাক্বকু মিন্ 'ইন্দিনা-ক্ব-লূ য় ইন্না হা-যা- লাসিহ্রুম্ মুবীন্।
মূসা বললো: ‘তোমাদের কাছে যখন সত্য এসে গেছে, তখন সে সম্পর্কে তোমরা এমনটি বলছো? এ কি ম্যাজিক? ম্যাজেসিয়ানরা কখনো সফল হয়না।’
قال موسى أتقولون للحق لما جاءكم ۖ أسحر هذا ولا يفلح الساحرون
ক্ব-লা মূসা য় আতাকুলূনা লিল্হাক্বক্বি লাম্মা- জ্বা - আকুম্ আসিহ্রুন্ হা-যা- অলা-ইয়ুফ্ লিহুস্ সা-হিরূন্।
তারা বললো: ‘আমরা আমাদের পূর্বপুরুষদের যে ধর্মের উপর পেয়েছি তুমি কি আমাদেরকে তা থেকে বিচ্যুত করার জন্যে এসেছো এবং দেশে যেনো তোমার প্রভাব প্রতিপত্তি বেড়ে যায় সে জন্যে এসেছো? আমরা তোমাদের দু’জনের প্রতি নই।’
قالوا أجئتنا لتلفتنا عما وجدنا عليه آباءنا وتكون لكما الكبرياء في الأرض وما نحن لكما بمؤمنين
ক্ব-লূ য় আজি'তানা-লিতাল্ফিতানা-'আম্মা-অজ্বাদ্না-'আলাইহি আ-বা - আনা-অতাকূনা লাকুমাল্ কিব্রিয়া - উ ফিল্ আরদ্ব্ অমা-নাহ্নু লাকুমা-বিমুমিনীন্।
ফেরাউন (তার পারিষদকে) বললো: ‘তোমরা সব দক্ষ ম্যাজেসিয়ানদের খুঁজে আমার কাছে নিয়ে আসো।’
وقال فرعون ائتوني بكل ساحر عليم
অক্ব-লা ফির'আউনুতূনী বিকুল্লি সা-হিরিন্ 'আলীম্।
তারপর ম্যাজেসিয়ানরা সবাই যখন এসে উপস্থিত হলো: মূসা তাদের বললো: ‘তোমরা যা নিক্ষেপ করতে চাও নিক্ষেপ করো।’
فلما جاء السحرة قال لهم موسى ألقوا ما أنتم ملقون
ফালাম্মা য় জ্বা - আস্ সাহারাতু ক্ব-লা লাহুম্ মূসা য় আল্ক্ব মা য় আন্তুম্ মুল্ক্ব ন্।
তারা যখন নিক্ষেপ করলো, মূসা বললো: ‘‘তোমরা যা নিয়ে এসেছো তা তো ম্যাজিক! অবশ্যি এ জিনিসকে বাতিল করে দেবেন। নিশ্চয়ই ফাসাদ সৃষ্টিকারীদের সংশোধন করেননা।
فلما ألقوا قال موسى ما جئتم به السحر ۖ إن الله سيبطله ۖ إن الله لا يصلح عمل المفسدين
ফালাম্মা য় আল্ক্বও ক্ব-লা মূসা-মা-জ্বি তুম্ বিহিস্ সিহ্র্ ইন্নাল্লা-হা সাইয়ুব্ ত্বিলুহ্ ইন্নাল্লা-হা লা-ইয়ুছ্লিহু 'আমালাল্ মুফ্সিদীন্।
তাঁর বাণীর সাহায্যে সত্যকে সত্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন, যদিও অপরাধীরা তা পছন্দ করেনা।’’
ويحق الله الحق بكلماته ولو كره المجرمون
অইয়ুহিক্ব্ কুল্লা-হুল্ হাক্বক্ব বিকালিমা-তিহী অলাও কারিহাল্ মু জ্বরিমূন্।
ফেরাউন ও তার পারিষদবর্গ নির্যাতন করবে এই ভয়ে মূসার কওমের কিছু যুবক ছাড়া আর কেউই তার প্রতি ঈমান আনেনি। ফেরাউন ছিলো দেশে এক উদ্ধত উচ্চাভিলাসী এবং সে ছিলো সীমালংঘনকারী।
فما آمن لموسى إلا ذرية من قومه على خوف من فرعون وملئهم أن يفتنهم ۚ وإن فرعون لعال في الأرض وإنه لمن المسرفين
ফামা য় আ-মানা লিমূসা য় ইল্লা- র্য়ুরিয়্যাতুম্ মিন্ ক্বওমিহী 'আলা-খওফিঁম্ মিন্ ফির'আওনা অমালায়িহিম্ আইয়্যাফ্তিনাহুম্ অইন্না ফির'আউনা লা'আ-লিন্ ফিল্ আরদ্বি অইন্নাহূ লামিনাল্ মুস্রিফীন্।
মূসা বলেছিল: ‘হে আমার কওম! তোমরা যদি আল্লাহর প্রতি ঈমান এনে থাকো তাহলে তাঁরই উপর তাওয়াক্কুল করো যদি তোমরা মুসলিম হয়ে থাকে।’
وقال موسى يا قوم إن كنتم آمنتم بالله فعليه توكلوا إن كنتم مسلمين
অক্বা-লা মূসা-ইয়াক্বওমি ইন্ কুন্তুম্ আ-মান্তুম্ বিল্লা-হি ফা'আলাইহি তাঅক্কালূ য় ইন্ কুন্তুম মুস্লিমীন্।
তারা বলেছিল: ‘‘আমরা আল্লাহর প্রতি তাওয়াক্কুল করলাম, হে আমাদের প্রভু! আমাদেরকে এই যালিম লোকদের নির্যাতনের পাত্র বানিয়োনা।
فقالوا على الله توكلنا ربنا لا تجعلنا فتنة للقوم الظالمين
ফাক্ব-লূ 'আলাল্লা-হি তাঅক্কাল্না- রব্বানা-লা-তা জ্ব'আল্না-ফিত্নাতাল্ লিল্ক্বওমিজ্জোয়া-লিমীন্।
আর তোমার দয়ায় আমাদেরকে এ কওমের কবল থেকে নাজাত দাও।’’
ونجنا برحمتك من القوم الكافرين
অনাজ্জি¦না-বিরহ্মাতিকা মিনাল্ ক্বওমিল্ কা-ফিরীন্।
আমরা মূসা এবং তার ভাইকে অহির মাধ্যমে নির্দেশ দিয়েছিলাম: ‘তোমাদের কওমের জন্যে মিসরে ঘর নির্মাণ করো আর তোমাদের ঘরগুলোকে কিবলা (ইবাদতের স্থান) বানিয়ে নাও, কায়েম করো আর মুমিনদের সুসংবাদ দাও।’
وأوحينا إلى موسى وأخيه أن تبوآ لقومكما بمصر بيوتا واجعلوا بيوتكم قبلة وأقيموا الصلاة ۗ وبشر المؤمنين
অআওহাইনা য় ইলা- মূসা- অআখীহি আন্ তাবাওয়্যাআ-লিক্বওমিকুমা-বিমিছ্রা বুইয়ূতাওঁ অ জ্ব'আলূ বুইয়ূতাকুম্ কিব্লাতাওঁ অ আক্বীমুছ্ ছলা-হ্ অবাশ্শিরিল্ মুমিনীন্।
মূসা বলেছিল: ‘আমাদের প্রভু! তুমি ফেরাউন আর তার পারিষদবর্গকে দুনিয়ার জীবনে চাকচিক্য আর সম্পদ দান করেছো। আমাদের প্রভু! তারা সেগুলো দিয়ে মানুষকে তোমার পথ থেকে বিপথগামী করে। আমাদের প্রভু! তাদের মাল - সম্পদ ধ্বংস করে দাও এবং তাদের হৃদয়গুলো কঠিন করে দাও। তারা বেদনাদায়ক আযাব দেখার আগ পর্যন্ত ঈমান আনবে না।’
وقال موسى ربنا إنك آتيت فرعون وملأه زينة وأموالا في الحياة الدنيا ربنا ليضلوا عن سبيلك ۖ ربنا اطمس على أموالهم واشدد على قلوبهم فلا يؤمنوا حتى يروا العذاب الأليم
অক্ব-লা মূসা-রব্বানা য় ইন্নাকা আ-তাইতা ফির'আউনা অমালায়াহূ যীনাতাওঁ অআম্ওয়া-লান্ ফিল্ হা-ইয়া-তিদ্দুন্ইয়া-রব্বানা-লিইয়ুদ্বিল্ল আন্ সাবীলিকা রব্বানাত্বমিস্ 'আলা য় আম্ওয়া-লিহিম্ অশ্দুদ্ 'আলা-কুলূবিহিম্ ফালা-ইয়ুমিনূ হাত্তা-ইয়ারাউল্ 'আযা-বাল্ আলীম্।
তিনি বলেছিলেন: তোমাদের দোয়া কবুল করা হলো, সুতরাং তোমরা অটল অবিচল থাকো, আর তোমরা অজ্ঞদের পথের অনুসরণ করোনা।
قال قد أجيبت دعوتكما فاستقيما ولا تتبعان سبيل الذين لا يعلمون
ক্ব-লা ক্বদ্ উজ্বীবাত্ দা'অতুকুমা-ফাস্তাক্বীমা-অলা-তাত্তাবি'আ - ন্নি সাবীলাল্লাযীনা লা-ইয়া'লামূন্।
আমরা বনি ইসরাঈলকে সমুদ্র পার করিয়ে নিয়েছিলাম আর ফেরাউন ও তার সেনাবাহিনী ঔদ্ধত্যের সাথে সীমালংঘন করে তাদের পিছু ধাওয়া করে। তারপর যখন সে পানিতে ডুবতে থাকলো, বললো: ‘আমি (একথার প্রতি) ঈমান আনলাম যে, তিনি ছাড়া কোনো ইলাহ্ নেই, যার প্রতি ঈমান এনেছে বনি ইসরাঈল এবং আমি মুসলিমদের অন্তরভুক্ত হলাম।’
۞ وجاوزنا ببني إسرائيل البحر فأتبعهم فرعون وجنوده بغيا وعدوا ۖ حتى إذا أدركه الغرق قال آمنت أنه لا إله إلا الذي آمنت به بنو إسرائيل وأنا من المسلمين
অজ্বা-অয্না- বিবানী য় ইস্রা - ঈলাল্ বাহ্রা ফাআত্বা'আহুম্ ফির'আউনু অজ্বুনূদুহূ বাগ্ইয়াওঁ অ'আদ্ওয়া-হাত্তা য় ইযা য় আদ্রকাহুল্ গবাকু ক্ব-লা আ-মান্তু আন্নাহূ লা য় ইলা-হা ইল্লাল্লাযী য় আ-মানাত্ বিহী বানূয় ইস্রা য় ঈলা অ আনা মিনাল্ মুস্লিমীন্।
এখন! অথচ ইতোপূর্বে তুমি অমান্য করেছিলে এবং তুমি ছিলে একজন ফাসাদ সৃষ্টিকারী।
آلآن وقد عصيت قبل وكنت من المفسدين
আল্আ - না অক্বদ্ আ'ছোয়াইতা ক্বব্লু অকুন্তা মিনাল্ মুফসিদীন।
আজ আমরা তোমার দেহটা রক্ষা করবো, যাতে করে তুমি পরবর্তীদের জন্যে নিদর্শন হয়ে থাকো। অনেক মানুষই আমাদের নিদর্শন সম্পর্কে গাফিল।
فاليوم ننجيك ببدنك لتكون لمن خلفك آية ۚ وإن كثيرا من الناس عن آياتنا لغافلون
ফাল্ইয়াওমা নুনাজ্জ্বীকা বিবাদানিকা লিতাকূনা লিমান্ খল্ফাকা আ-ইয়াহ্ অইন্না কাছীরাম মিনান্ না-সি 'আন্ আ-ইয়া-তিনা- লাগ-ফিলূন্।
আমরা বনি ইসরাঈলকে উৎকৃষ্ট মানের আবাসভূমিতে বসবাস করিয়েছি এবং তাদের দিয়েছি উত্তম জীবন। তারপর তাদের কাছে এলেম আসার পর তারা বিভেদে লিপ্ত হয়। তোমার প্রভু কিয়ামতের দিন তাদের মাঝে ফায়সালা করে দেবেন, যে বিষয়ে তারা বিভেদ সৃষ্টি করেছিল।
ولقد بوأنا بني إسرائيل مبوأ صدق ورزقناهم من الطيبات فما اختلفوا حتى جاءهم العلم ۚ إن ربك يقضي بينهم يوم القيامة فيما كانوا فيه يختلفون
অলাক্বদ্ বাওয়্যয়ানা-বানীয় ইস্রা - ঈলা মুবাওয়্যা আছিদ্ক্বিওঁ অরাযাক্বনা-হুম্ মিনাত্ব ত্বোইয়্যিবা-তি ফামাখ্ তালাফূ হাত্তা-জ্বা-আ হুমুল্ 'ইল্ম্ ইন্না রব্বাকা ইয়াক্বদ্বী বাইনাহুম্ ইয়াওমাল্ ক্বিয়া-মাতি ফী মা-কা-নূ ফীহি ইয়াখ্তালিফূন্।
আমরা তোমার কাছে যা নাযিল করেছি সে বিষয়ে যদি তোমার সন্দেহ থাকে, তাহলে তোমার পূর্বের কিতাব যারা পাঠ করে তাদের জিজ্ঞাসা করে দেখো। অবশ্যি তোমার কাছে তোমার প্রভুর পক্ষ থেকে সত্য এসেছে, সুতরাং তুমি কোনো অবস্থাতেই সন্দেহে পড়ে থাকা লোকদের অন্তরভুক্ত হয়োনা।
فإن كنت في شك مما أنزلنا إليك فاسأل الذين يقرءون الكتاب من قبلك ۚ لقد جاءك الحق من ربك فلا تكونن من الممترين
ফাইন্ কুন্তা ফী শাক্কিম্ মিম্মা য় আন্যাল্না য় ইলাইকা ফাস্আলিল্লাযীনা ইয়াক্বরাঊনাল্ কিতা-বা মিন্ ক্বব্লিকা লাক্বদ্ জ্বা - আকাল্ হাক্বকু র্মি রব্বিকা ফালা- তাকূনান্না মিনাল্ মুম্তারীন্।
তুমি সেইসব লোকদেরও অন্তরভুক্ত হয়োনা যারা মিথ্যা বলে প্রত্যাখ্যান করে আল্লাহর আয়াতকে, তাহলে তুমি শামিল হয়ে পড়বে ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে,
ولا تكونن من الذين كذبوا بآيات الله فتكون من الخاسرين
অলা-তাকূনান্না মিনাল্লাযীনা কায্যাবূ বিআ-ইয়া-তিল্লা-হি ফাতাকূনা মিনাল খ-সিরীন।
যাদের বিরুদ্ধে তোমার প্রভুর বাণী সাব্যস্ত হয়ে গেছে, তারা ঈমান আনবে না।
إن الذين حقت عليهم كلمت ربك لا يؤمنون
ইন্নাল্লাযীনা হাক্বক্বাত 'আলাইহিম্ কালিমাতু রব্বিকা লা-ইয়ুমিনূন্।
এমন কি তাদের কাছে প্রতিটি নিদর্শন এলেও তারা যন্ত্রণাদায়ক আযাব দেখার আগ পর্যন্ত (ঈমান আনবে না)।
ولو جاءتهم كل آية حتى يروا العذاب الأليم
অলাও জ্বা - আতহুম্ কুল্লু আ-ইয়াতিন্ হাত্তা- ইয়ারাউল্ 'আযা-বাল্ আলীম্।
তবে ইউনুসের কওমের কথা ভিন্ন। তারা ছাড়া কোনো জনপদের অধিবাসীরা কেন এমন হলো না যে, তারা ঈমান আনতো এবং তাদের ঈমান তাদের উপকারে আসতো? তারা যখন ঈমান এনেছিল আমরা তাদের থেকে লাঞ্ছনাকর আযাব দূর করে দিয়েছিলাম এবং তাদেরকে কিছুকালের জন্যে ভোগ বিলাসের সামগ্রী সরবরাহ করেছিলাম।
فلولا كانت قرية آمنت فنفعها إيمانها إلا قوم يونس لما آمنوا كشفنا عنهم عذاب الخزي في الحياة الدنيا ومتعناهم إلى حين
ফালাওলা-কা-নাত্ র্ক্বাইয়াতুন্ আ-মানাত্ ফানাফা'আহা য় ঈমা-নুহা য় ইল্লা-ক্বওমা ইয়ূনুস লাম্মা য় আ-মানূ কাশাফ্না-'আন্হুম 'আযা-বাল্ খিয্ইয়ি ফিল্ হাইয়া-তিদ্দুন্ইয়া-অমাত্তা'না-হুম্ ইলা-হীন্।
তোমার প্রভু চাইলে বিশ্বে যারা আছে অবশ্যি সবাই ঈমান আনতো। তবে কি তুমি মানুষকে ঈমান আনার জন্যে বাধ্য করবে?
ولو شاء ربك لآمن من في الأرض كلهم جميعا ۚ أفأنت تكره الناس حتى يكونوا مؤمنين
অলাও শা - আ রব্বুকা লাআ-মানা মান্ ফিল্ র্আদ্বি কুল্লুহুম্ জ্বামী'আ- আফাআন্তা তুক্রিহুন না-সা হাত্তা-ইয়াকূনু মুমিনীন্।
আল্লাহর অনুমিত ছাড়া কোনো ব্যক্তির পক্ষে ঈমান আনা সম্ভব নয়। যারা আকল খাটায় না তাদের কালিমা লিপ্ত করেন।
وما كان لنفس أن تؤمن إلا بإذن الله ۚ ويجعل الرجس على الذين لا يعقلون
অমা-কা-না লিনাফ্সিন্ আন তুমিনা ইল্লা-বিইয্নিল্লা-হ অইয়াজ্ব'আর্লু রি জ্বসা 'আলাল্লাযীনা লা-ইয়া'ক্বিলূন্।
বলো: ‘মহাকাশ আর পৃথিবীতে যা কিছু আছে সেগুলোর প্রতি লক্ষ্য করো। যারা ঈমান আনে না, নিদর্শন এবং সতর্কবাণী তাদের কোনো উপকারে আসেনা।
قل انظروا ماذا في السماوات والأرض ۚ وما تغني الآيات والنذر عن قوم لا يؤمنون
কুলিন্জুরূ মা-যা-ফিস্ সামা-ওয়া-তি অল্ র্আদ্ব্ অমা-তুগ্নিল্ আ-ইয়া-তু অন্ নুযুরু আন্ ক্বাওমিল্ লা-ইয়ু'মিনূন্।
তারা কি তাদের আগেকার লোকদের উপর যা ঘটেছিল সেটার অপেক্ষা করছে। বলো: ‘তোমরা অপেক্ষা করো, আমিও তোমাদের সাথে অপেক্ষায় থাকলাম।’
فهل ينتظرون إلا مثل أيام الذين خلوا من قبلهم ۚ قل فانتظروا إني معكم من المنتظرين
ফাহাল্ ইয়ান্তাজিরূনা ইল্লা-মিছ্লা আইয়্যা-মিল্লাযীনা খালাও মিন্ ক্বব্লিহিম্ কুল্ ফান্তাজিরূ য় ইন্নী মা'আকুম্ মিনাল্ মুন্তাজিরীন্
তারপর আমরা নাজাত দেবো আমাদের রসূলদেরকে আর ঈমানদারদেরকে। এভাবেই আমাদের দায়িত্ব মুমিনদের নাজাত দেয়া।
ثم ننجي رسلنا والذين آمنوا ۚ كذلك حقا علينا ننج المؤمنين
ছুম্মা নুনাজ্জ্বী রুসুলানা-অল্লাযীনা আ-মানূ কাযা-লিকা হাক্বক্বান্ 'আলাইনা-নুন্জ্বিল্ মু'মিনীন্।
বলো: ‘হে মানুষ! তোমরা এখনো যদি আমার দীনের ব্যাপারে সন্দেহে থেকে থাকো, তবে জেনে রাখো, তোমরা ছাড়া যাদের ইবাদত করো আমি তাদের ইবাদত করিনা। আমি ইবাদত করি একমাত্র আল্লাহর যিনি তোমাদের ওফাত ঘটান। আমাকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে আমি যেনো মুমিনদের অন্তরভুক্ত থাকি।’
قل يا أيها الناس إن كنتم في شك من ديني فلا أعبد الذين تعبدون من دون الله ولكن أعبد الله الذي يتوفاكم ۖ وأمرت أن أكون من المؤمنين
কুল ইয়া-আইয়্যুহান্না-সু ইন্ কুন্তুম্ ফী শাক্কিম্ মিন্ দীনী ফালা য় আ'বুদুল্লাযীনা তা'বুদূনা মিন্ দূনিল্লা-হি অলা-কিন্ আ'বুদুল্লাহাল্লাযী ইয়া তাওয়াফ্ফা-কুম্ অউর্মিতু আন্ আকূনা মিনাল্ মুমিনীন্।
আমাকে আরো নির্দেশ দেয়া হয়েছে: ‘‘তুমি একনিষ্ঠভাবে আদ - দীনের উপর কায়েম থাকো এবং কিছুতেই মুশরিকদের অন্তরভুক্ত হয়োনা।
وأن أقم وجهك للدين حنيفا ولا تكونن من المشركين
অআন্ আক্বিম্ অ জ্বহাকা লিদ্দীনি হানীফান্ অলা-তাকূনান্না মিনাল্ মুশ্রিকীন্।
আর ছাড়া অন্যদের ডাকবেনা, যারা তোমার লাভক্ষতি কিছুই করতে পারেনা। তুমি যদি এমনটি করো তাহলে যালিমদের মধ্যে গণ্য হবে।’’
ولا تدع من دون الله ما لا ينفعك ولا يضرك ۖ فإن فعلت فإنك إذا من الظالمين
অলা-তাদ্'উ মিন্ দূনিল্লা-হি মা-লা-ইয়ান্ফা'উকা অলা-ইয়াদ্বরুরুকা ফাইন্ ফা'আল্তা ফাইন্নাকা ইযাম্ মিনাজ্ জোয়া-লিমীন।
তোমাকে কোনো অকল্যাণ দিলে তিনি ছাড়া তা দূর করার আর কেউই নেই। তিনি যদি তোমাকে কোনো কল্যাণ দান করেন, তবে তাঁর অনুগ্রহ রদ করারও কেউ নেই। তিনি তাঁর দাসদের যাঁকে ইচ্ছা নিজ অনুগ্রহ দান করেন। তিনি মহা ক্ষমাশীল মহাদয়াময়।
وإن يمسسك الله بضر فلا كاشف له إلا هو ۖ وإن يردك بخير فلا راد لفضله ۚ يصيب به من يشاء من عباده ۚ وهو الغفور الرحيم
অ ইঁ ইয়াম্সাস্কাল্লা-হু বিদ্বুররিন্ ফালা-কা-শিফা লাহূ য় ইল্লা-হুঅ অইঁ ইয়ুরিদ্কা বিখইরিন্ ফালা-র - দ্দা লিফাদ্ব্লিহ্ ইয়ুছীবু বিহী মাইঁ ইয়াশা - উ মিন্ 'ইবা-দিহ অহুওয়াল্ গফূর্রু রহীম্।
হে নবী! বলো: ‘হে মানুষ! তোমাদের প্রভুর পক্ষ থেকে তোমাদের কাছে সত্য এসেছে, সুতরাং যে কেউ সঠিক পথে চলবে, সে তো নিজেরই কল্যাণ করবে, আর যে কেউ বিপথে চলবে সে নিজেরই অকল্যাণ করবে। আমি তোমাদের উকিল (কর্মসম্পাদক) নই।’
قل يا أيها الناس قد جاءكم الحق من ربكم ۖ فمن اهتدى فإنما يهتدي لنفسه ۖ ومن ضل فإنما يضل عليها ۖ وما أنا عليكم بوكيل
কুল্ ইয়া য় আইয়্যুহান্না-সু ক্বাদ্ জ্বা - আকুমুল্ হাক্বক্কু র্মি রব্বিকুম্ ফামানিহ্ তাদা- ফাইন্নামা- ইয়াহ্তাদী লিনাফ্সিহী অমান্ দ্বোয়াল্লা ফাইন্নামা-ইয়াদ্বিল্লু 'আলাইহা- অমা য় আনা 'আলাইকুম্ বিওয়াকীল্।
তোমার প্রতি যে অহি নাযিল হচ্ছে তুমি তারই ইত্তেবা (অনুসরণ) করো, আর সবর অবলম্বন করো যতোক্ষণ না আল্লাহর ফায়সালা আসে। তিনিই সর্বোত্তম ফায়সালাকারী।
واتبع ما يوحى إليك واصبر حتى يحكم الله ۚ وهو خير الحاكمين
অত্তাবি' মা- ইয়ূহা য় ইলাইকা অর্ছ্বি হাত্তা-ইয়াহ্কুমাল্লা-হু অহুঅ খইরুল্ হা-কিমীন্।