আলিফ লাম মিম।
বিসমিল্লাহির রাহমা-নির রাহি-ম আলিফ্ লা-ম্ মী-ম্।
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ الم
Chapter 29, 69 verses
আলিফ লাম মিম।
বিসমিল্লাহির রাহমা-নির রাহি-ম আলিফ্ লা-ম্ মী-ম্।
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ الم
মানুষ কি ধারণা করে নিয়েছে যে, ‘আমরা ঈমান এনেছি’ একথা বললেই তাদের ছেড়ে দেয়া হবে, আর তাদের পরীক্ষা করা হবেনা?
আহাসিবান্না-সু আইঁ ইয়ুত্রকূ য় আইঁ ইয়াকু লূ য় আ-মান্না- অহুম্ লা-ইয়ুফ্তানূন্।
أَحَسِبَ النَّاسُ أَن يُتْرَكُوا أَن يَقُولُوا آمَنَّا وَهُمْ لَا يُفْتَنُونَ
আমরা তাদের আগেকার লোকদেরও পরীক্ষা করেছি। অবশ্য অবশ্যি (পরীক্ষার মাধ্যমে বাস্তবে) জেনে নেবেন তাদেরকে, যারা (ঈমানের দাবিতে) সত্যবাদী, এবং জেনে নেবেন তাদেরকে, যারা (ঈমানের দাবিতে) মিথ্যাবাদী।
অলাক্বদ্ ফাতান্নাল্লাযীনা মিন্ ক্বব্লিহিম্ ফালাইয়ালামান্নাল্লা-হুল্ লাযীনা ছোয়াদাকু অলাইয়ালামান্নাল্ কা-যিবীন্।
وَلَقَدْ فَتَنَّا الَّذِينَ مِن قَبْلِهِمْ ۖ فَلَيَعْلَمَنَّ اللَّهُ الَّذِينَ صَدَقُوا وَلَيَعْلَمَنَّ الْكَاذِبِينَ
যারা মন্দ কর্মে লিপ্ত তারা কি ধারণা করেছে যে, তারা আমাদের অতিক্রম করে চলে যাবে? তাদের সিদ্ধান্ত কতো যে নিকৃষ্ট!
আম্ হাসিবাল্লাযীনা ইয়ামালূনাস্ সাইয়িয়া-তি আইঁ ইয়াস্বিকুনা- সা-য়া মা-ইয়াহ্ কুমূন্ ।
أَمْ حَسِبَ الَّذِينَ يَعْمَلُونَ السَّيِّئَاتِ أَن يَسْبِقُونَا ۚ سَاءَ مَا يَحْكُمُونَ
যে ব্যক্তি আল্লাহর সাক্ষাত কামনা করে, (সে জেনে রাখুক) সাক্ষাতের সেই নির্ধারিত সময়টি অবশ্যি আসবে। তিনি সবকিছু শুনেন, সবকিছু জানেন।
মান্ কা-না ইর্য়াজু লিক্ব-য়াল্লা-হি ফাইন্না আজ্বালাল্লা-হি লায়া-ত্ অহুওয়াস্ সামী ঊল্ আলীম্।
مَن كَانَ يَرْجُو لِقَاءَ اللَّهِ فَإِنَّ أَجَلَ اللَّهِ لَآتٍ ۚ وَهُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ
যে জিহাদ করে, সে তো নিজের জন্যেই জিহাদ করে। জগতবাসী থেকে মুখাপেক্ষাহীন।
অ মান্ জ্বা-হাদা ফাইন্নামা ইয়ুজ্বা-হিদু লিনাফ্সিহ্ ইন্নাল্লা-হা লাগানিইয়ুন্ আনিল্ আ-লামীন্।
وَمَن جَاهَدَ فَإِنَّمَا يُجَاهِدُ لِنَفْسِهِ ۚ إِنَّ اللَّهَ لَغَنِيٌّ عَنِ الْعَالَمِينَ
যারা ঈমান এনেছে এবং আমলে সালেহ করেছে, আমরা অবশ্যি তাদের থেকে মুছে দেবো তাদের সব মন্দকর্ম এবং তাদের প্রতিদান দেবো তাদের সর্বোত্তম আমলের ভিত্তিতে।
অল্লাযীনা আ- মানূ অআমিলুছ্ ছোয়া-লিহা-তি লানুকাফ্ফিরন্না আন্হুম্ সাইয়িয়া-তিহিম্ অলানাজ্ব যিয়ান্নাহুম্ আহ্সানাল্ লাযী কা-নূ ইয়ামালূ ন্।
وَالَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ لَنُكَفِّرَنَّ عَنْهُمْ سَيِّئَاتِهِمْ وَلَنَجْزِيَنَّهُمْ أَحْسَنَ الَّذِي كَانُوا يَعْمَلُونَ
আমরা অসিয়ত (নির্দেশ) করেছি মানুষকে তার পিতা - মাতার সাথে সর্বোত্তম আচরণ করতে এবং (একথাও বলে দিয়েছি) তারা যদি আল্লাহর সাথে এমন কিছু বা কাউকেও শরিক করতে তোমার উপর চাপ প্রয়োগ করে, যার আল্লাহর শরিক হবার ব্যাপারে তোমার কোনো জ্ঞান নেই, তবে (সেক্ষেত্রে) তুমি তাদের আনুগত্য করোনা। কারণ আমার কাছেই তোমাদের ফিরে আসতে হবে, তখন আমি তোমাদের সংবাদ দেবো তোমরা কী আমল করেছিলে?
অ অছ্ছোয়াইনাল্ ইন্সা-না বিওয়া-লিদাইহি হুস্না- অইন্ জ্বা- হাদা-কা লিতুশ্রিকা বী মা-লাইসা লাকা বিহী ইল্মুন্ ফালা-তুত্বিহুমা- ইলাইয়্যা র্মাজ্বিউকুম্ ফায়ুনাব্বিয়ুকুম্ বিমা-কুন্তুম্ তামালূন্।
وَوَصَّيْنَا الْإِنسَانَ بِوَالِدَيْهِ حُسْنًا ۖ وَإِن جَاهَدَاكَ لِتُشْرِكَ بِي مَا لَيْسَ لَكَ بِهِ عِلْمٌ فَلَا تُطِعْهُمَا ۚ إِلَيَّ مَرْجِعُكُمْ فَأُنَبِّئُكُم بِمَا كُنتُمْ تَعْمَلُونَ
আর যারা ঈমান আনে এবং আমলে সালেহ করে, আমরা অবশ্যি তাদের অন্তরভুক্ত করবো পুণ্যবানদের।
অল্লাযীনা আ-মানূ অ আমিলুছ্ছোয়া-লিহা-তি লানুদ্খিলান্নাহুম্ ফিছ্ছোয়া-লিহীন্।
وَالَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ لَنُدْخِلَنَّهُمْ فِي الصَّالِحِينَ
মানুষের মধ্যে কিছু লোক বলে: ‘আমরা আল্লাহর প্রতি ঈমান এনেছি।’ কিন্তু আল্লাহর কাজ করার কারণে তাদেরকে যখন কষ্ট দেয়া হয়, তখন মানুষের ফিতনাকে (নির্যাতনকে) তারা আল্লাহর আযাবের মতো গণ্য করে। তবে যখনই তোমার প্রভুর সাহায্য আসবে, তখনই তারা বলবে: ‘আমরা তো আপনাদের সাথেই ছিলাম।’ নিজের সৃষ্টি জগতের অন্তরে কী আছে তা কি অবগত নন?
অমিনান্না-সি মাইঁ ইয়াকু লু আ-মান্না- বিল্লা-হ্ ফাইযা য় উযিয়া ফিল্লা-হি জ্বাআলা ফিত্নাতান না-সি কাআযা-বি ল্লা-হি অলায়িন্ জ্বা-য়া নাছ্রুম্ র্মি রব্বিকা লাইয়াকু লুন্না ইন্না-কুন্না-মাআকুম্ আওয়া লাইসাল্লা-হু বি আলামা বিমা-ফী ছুদূরিল্ আ-লামীন্।
وَمِنَ النَّاسِ مَن يَقُولُ آمَنَّا بِاللَّهِ فَإِذَا أُوذِيَ فِي اللَّهِ جَعَلَ فِتْنَةَ النَّاسِ كَعَذَابِ اللَّهِ وَلَئِن جَاءَ نَصْرٌ مِّن رَّبِّكَ لَيَقُولُنَّ إِنَّا كُنَّا مَعَكُمْ ۚ أَوَلَيْسَ اللَّهُ بِأَعْلَمَ بِمَا فِي صُدُورِ الْعَالَمِينَ
অবশ্যি প্রকাশ করবেন তাদেরকে যারা ঈমান এনেছে এবং অবশ্যি প্রকাশ করবেন মুনাফিকদের।
অ লাইয়া'লামান্নাল্লা-হু ল্লাযীনা আ-মানূ অ লাইয়ালামান্নাল্ মুনা-ফিক্বীন্।
وَلَيَعْلَمَنَّ اللَّهُ الَّذِينَ آمَنُوا وَلَيَعْلَمَنَّ الْمُنَافِقِينَ
কাফিররা ঈমানদারদের বলে: ‘তোমরা আমাদের পথ অনুসরণ করো, আমরা তোমাদের পাপ বহন করবো।’ অথচ তারা তাদের পাপ কিছুমাত্র বহন করবেনা। তারা অবশ্যি মিথ্যাবাদী।
অক্ব- লাল্লাযীনা কাফারূ লিল্লাযীনা আ-মানু ত্তাবিঊ সাবীলানা- অল্ নাহ্মিল্ খাত্বোয়া-ইয়া-কুম্ অমা-হুম্ বিহা-মিলীনা মিন্ খাত্বোয়া-ইয়া-হুম্ মিন্ শাইয়িন ইন্নাহুম্ লাকা-যিবূন্।
وَقَالَ الَّذِينَ كَفَرُوا لِلَّذِينَ آمَنُوا اتَّبِعُوا سَبِيلَنَا وَلْنَحْمِلْ خَطَايَاكُمْ وَمَا هُم بِحَامِلِينَ مِنْ خَطَايَاهُم مِّن شَيْءٍ ۖ إِنَّهُمْ لَكَاذِبُونَ
তারা নিজেদের বোঝা (loads) তো বহন করবেই, সেই সাথে বহন করবে আরো (loads) বোঝা। কিয়ামতের দিন তাদের (এসব) মিথ্যা রচনার ব্যাপারে অবশ্যি তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
অ লাইয়াহ্মিলুন্না আছ্ক্ব-লাহুম্ অআছ্ক্ব-লাম্ মাআ আছ্ক্ব-লিহিম্ অলাইয়ুসয়ালুন্না ইয়াওমাল্ ক্বিয়া-মাতি আম্মা- কা-নূ ইয়াফ্তারূন্।
وَلَيَحْمِلُنَّ أَثْقَالَهُمْ وَأَثْقَالًا مَّعَ أَثْقَالِهِمْ ۖ وَلَيُسْأَلُنَّ يَوْمَ الْقِيَامَةِ عَمَّا كَانُوا يَفْتَرُونَ
আমরা নূহকে পাঠিয়েছিলাম তার কওমের কাছে। সে তাদের মধ্যে অবস্থান করেছিল পঞ্চাশ কম এক হাজার বছর। অবশেষে তাদের পাকড়াও করে তুফান (প্লাবন), কারণ তারা ছিলো যালিম।
অ লাক্বদ্ র্আসাল্না- নূহান্ ইলা-ক্বওমিহী ফালাবিছা ফীহিম্ আল্ফা সানাতিন্ ইল্লা-খাম্সীনা আমা- ফাআখযাহুমুত্ব তু ফা- নু অহুম্ জোয়া-লিমূ ন্।
وَلَقَدْ أَرْسَلْنَا نُوحًا إِلَىٰ قَوْمِهِ فَلَبِثَ فِيهِمْ أَلْفَ سَنَةٍ إِلَّا خَمْسِينَ عَامًا فَأَخَذَهُمُ الطُّوفَانُ وَهُمْ ظَالِمُونَ
তারপর আমরা নাজাত দিয়েছিলাম তাকে (নূহকে) এবং নৌযানে আরোহীদেরকে আর এ ঘটনাকে করে দিয়েছি জগতবাসীর জন্যে একটি নিদর্শন।
ফাআন্জ্বাইনা-হু অআছ্হা-বাস্ সাফীনাতি অজ্বাআল্না-হা য় আ-ইয়াতাল্ লিল্আ-লামীন্।
فَأَنجَيْنَاهُ وَأَصْحَابَ السَّفِينَةِ وَجَعَلْنَاهَا آيَةً لِّلْعَالَمِينَ
স্মরণ করো ইবরাহিমের কথা, সে তার কওমকে বলেছিল: ‘‘তোমরা এক আল্লাহর ইবাদত করো এবং তাঁকে ভয় করো, এটাই তোমাদের জন্যে উত্তম, যদি তোমরা জ্ঞান রাখো।
অইব্র-হীমা ইয্ ক্ব-লা লিক্বওমিহি বুদু ল্লা-হা অত্তাকুহ্ যা-লিকুম্ খইরুল্লাকুম্ ইন্ কুন্তুম্ তা'লামূন্।
وَإِبْرَاهِيمَ إِذْ قَالَ لِقَوْمِهِ اعْبُدُوا اللَّهَ وَاتَّقُوهُ ۖ ذَٰلِكُمْ خَيْرٌ لَّكُمْ إِن كُنتُمْ تَعْلَمُونَ
তোমরা তো আল্লাহর পরিবর্তে উপাসনা করছো মূর্তি - ভাস্কর্যের, আর রচনা করছো মিথ্যা। তোমরা আল্লাহর পরিবর্তে যাদের ইবাদত করছো, তারা তোমাদের রিযিক দেয়ার মালিক নয়। সুতরাং তোমরা রিযিক চাও আল্লাহর কাছে, এবং তাঁরই ইবাদত করো আর তাঁরই প্রতি শোকরিয়া আদায় করো। কারণ, তাঁর কাছেই তোমাদের ফিরিয়ে নেয়া হবে।
ইন্নামা- তাবুদূনা মিন্ দূনিল্লা-হি আওছা-নাও অ তাখ্লুকুনা ইফ্ক- ইন্নাল্লাযীনা তাবুদূনা মিন্ দূ নিল্লা-হি লা-ইয়াম্লিকূনা লাকুম্ রিয্ক্বন্ ফাব্তাগূ ইন্দা ল্লা-র্হি রিয্ক্ব ওয়া'বুদূহু অশ্কুরূ লাহ্ ইলাইহি র্তুজ্বাঊন্।
إِنَّمَا تَعْبُدُونَ مِن دُونِ اللَّهِ أَوْثَانًا وَتَخْلُقُونَ إِفْكًا ۚ إِنَّ الَّذِينَ تَعْبُدُونَ مِن دُونِ اللَّهِ لَا يَمْلِكُونَ لَكُمْ رِزْقًا فَابْتَغُوا عِندَ اللَّهِ الرِّزْقَ وَاعْبُدُوهُ وَاشْكُرُوا لَهُ ۖ إِلَيْهِ تُرْجَعُونَ
তোমরা যদি (রসূলকে) প্রত্যাখ্যান করো, তবে তোমাদের আগেও বহু জাতি প্রত্যাখ্যান করেছিল। স্পষ্টভাবে বার্তা পৌঁছে দেয়া ছাড়া রসূলের আর কোনো দায়িত্ব নেই।’’
অ ইন্ তুকায্যিবূ ফাক্বদ্ কায্যাবা উমামুম্ মিন্ ক্বব্লিকুম্ অমা-আর্লা রসূলি ইল্লাল্ বালা-গুল্ মুবীন্।
وَإِن تُكَذِّبُوا فَقَدْ كَذَّبَ أُمَمٌ مِّن قَبْلِكُمْ ۖ وَمَا عَلَى الرَّسُولِ إِلَّا الْبَلَاغُ الْمُبِينُ
তারা কি চিন্তা করে দেখেনা, কিভাবে সৃষ্টিকে অস্তিত্ব দান করেন, তারপর পুনরায় সৃষ্টি করেন? একাজ আল্লাহর জন্যে একেবারেই সহজ।
আওয়া লাম্ ইয়ারাও কাইফা ইয়ুব্দিয়ুল্লা-হুল্ খল্ক্ব ছুম্মা ইয়ুঈদুহ্ ইন্না যা-লিকা আলাল্লা-হি ইয়ার্সী।
أَوَلَمْ يَرَوْا كَيْفَ يُبْدِئُ اللَّهُ الْخَلْقَ ثُمَّ يُعِيدُهُ ۚ إِنَّ ذَٰلِكَ عَلَى اللَّهِ يَسِيرٌ
হে নবী! বলো: ‘তোমরা জমিনে ভ্রমণ করে দেখো, কী প্রক্রিয়ায় সৃষ্টির সূচনা করেন, তারপর সৃষ্টি করেন পরবর্তী সৃষ্টি? নিশ্চয়ই প্রতিটি বিষয়ে সর্বশক্তিমান।’
কুল্ সীরূ ফিল্ র্আদ্বি ফান্জুরূ কাইফা বাদায়াল্ খল্ক্ব ছুম্মাল্লা-হু ইয়ুন্শিয়ুন্ নাশ্য়াতাল্ আ-খিরহ্ ইন্নাল্লা-হা আলা- কুল্লি শাইয়িন্ ক্বর্দী।
قُلْ سِيرُوا فِي الْأَرْضِ فَانظُرُوا كَيْفَ بَدَأَ الْخَلْقَ ۚ ثُمَّ اللَّهُ يُنشِئُ النَّشْأَةَ الْآخِرَةَ ۚ إِنَّ اللَّهَ عَلَىٰ كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ
তিনি যাকে ইচ্ছা করেন আযাব দেন এবং যাকে ইচ্ছা করেন রহম করেন এবং তাঁর কাছেই হবে তোমাদের প্রত্যাবর্তন।
ইয়ু আয্যিবু মাইঁ ইয়াশা-য়ু অইর্য়াহামু মাইঁ ইয়াশা-য়ু অইলাইহি তুকলাবূন্।
يُعَذِّبُ مَن يَشَاءُ وَيَرْحَمُ مَن يَشَاءُ ۖ وَإِلَيْهِ تُقْلَبُونَ
তোমরা পৃথিবীতেও পালাতে পারবেনা, আসমানেও নয়। আর ছাড়া তোমাদের কোনো অলিও নেই, সাহায্যকারীও নেই।
অমা য় আন্তুম্ বিমুজ্বিযীনা ফিল্ র্আদ্বি অলা-ফিস্ সামা-য়ি অমা-লাকুম্ মিন্ দূনিল্লা-হিমিওঁ অলিয়্যিঁও অলা-নার্ছী।
وَمَا أَنتُم بِمُعْجِزِينَ فِي الْأَرْضِ وَلَا فِي السَّمَاءِ ۖ وَمَا لَكُم مِّن دُونِ اللَّهِ مِن وَلِيٍّ وَلَا نَصِيرٍ
যারা আল্লাহর আয়াতকে এবং তাঁর সাথে সাক্ষাত হওয়াকে অস্বীকার করে, তারাই হয় আমার রহমত থেকে নিরাশ, আর তাদের জন্যে রয়েছে বেদনাদায়ক আযাব।
অল্লাযীনা কাফারূ বিআ-ইয়া তিল্লা-হি অলিক্বা-য়িহী য় উলা-য়িকা ইয়ায়িসূ র্মি রহ্মাতী অউলা-য়িকা লাহুম্ আযা-বুন্ আলীম্।
وَالَّذِينَ كَفَرُوا بِآيَاتِ اللَّهِ وَلِقَائِهِ أُولَٰئِكَ يَئِسُوا مِن رَّحْمَتِي وَأُولَٰئِكَ لَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ
তার (ইবরাহিমের) কওমের জওয়াব একটাই ছিলো, তারা বলেছিল: ‘তাকে (ইবরাহিমকে) হত্যা করো অথবা আগুনে পোড়াও।’ কিন্তু তাকে আগুনে দগ্ধ হওয়া থেকে রক্ষা করেন। এতে রয়েছে নিদর্শন লোকদের জন্যে।
ফামা-কা-না জ্বাওয়া-বা ক্বওমিহী য় ইল্লা য় আন্ ক্ব-লুকতুলূহু আও র্হারিকু হু ফাআন্জ্বা-হুল্লা-হু মিনা ন্নার্- ইন্না ফী যা -লিকা লাআ-ইয়া-তিল্ লিক্বওমিঁই ইয়ুমিনূন্।
فَمَا كَانَ جَوَابَ قَوْمِهِ إِلَّا أَن قَالُوا اقْتُلُوهُ أَوْ حَرِّقُوهُ فَأَنجَاهُ اللَّهُ مِنَ النَّارِ ۚ إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَآيَاتٍ لِّقَوْمٍ يُؤْمِنُونَ
ইবরাহিম বলেছিল: ‘তোমরা তো আল্লাহর পরিবর্তে ভাস্কর্যদের উপাস্য হিসেবে গ্রহণ করেছো দুনিয়ার জীবনে তোমাদের পারস্পারিক বন্ধুত্বের খাতিরে। কিন্তু কিয়ামতের দিন এই তোমরাই পরস্পরকে অস্বীকার করবে এবং পরস্পরকে লা’নত দেবে। তোমাদের আবাস হবে জাহান্নাম এবং তোমাদের কোনো সাহায্যকারী হবেনা।’
অ ক্ব-লা ইন্নামা ত্তাখায্তুম্ মিন্ দূনিল্লা-হি আওছা-নাম্ মাঅদ্দাতা বাইনিকুম্ ফিল্ হাইয়া-তিদ্ দুন্ইয়া-ছুম্মা ইয়াওমাল্ ক্বিয়া-মাতি ইয়াক্ফুরু বাদ্বুকুম্ বিবাদ্বিওঁ অইয়াল্আনু বাদুকুম্ বাদ্বোয়াঁও অমাওয়া-কুমুন্না-রু অমা-লাকুম্ মিন্ না- ছিরীন্।
وَقَالَ إِنَّمَا اتَّخَذْتُم مِّن دُونِ اللَّهِ أَوْثَانًا مَّوَدَّةَ بَيْنِكُمْ فِي الْحَيَاةِ الدُّنْيَا ۖ ثُمَّ يَوْمَ الْقِيَامَةِ يَكْفُرُ بَعْضُكُم بِبَعْضٍ وَيَلْعَنُ بَعْضُكُم بَعْضًا وَمَأْوَاكُمُ النَّارُ وَمَا لَكُم مِّن نَّاصِرِينَ
তখন লুত তার প্রতি ঈমান আনে। ইবরাহিম বলেছিল: ‘আমি আমার প্রভুর উদ্দেশ্যে হিজরত করছি, নিশ্চয়ই তিনি মহাশক্তিধর, প্রজ্ঞাবান।’
ফাআ-মানা লাহূ লূত্ব অক্ব-লা ইন্নী মুহা-জ্বিরুন্ ইলা-রব্বী ইন্নাহূ হুওয়াল্ আযীযুল্ হাকীম্।
۞ فَآمَنَ لَهُ لُوطٌ ۘ وَقَالَ إِنِّي مُهَاجِرٌ إِلَىٰ رَبِّي ۖ إِنَّهُ هُوَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ
আমরা তাকে দান করেছিলাম (পুত্র) ইসহাক এবং (নাতি) ইয়াকুবকে। আমরা তার বংশধরদের মধ্যে দিয়েছি নবুয়্যত আর কিতাব। এছাড়া আমরা তাকে তার পুরস্কার দান করেছি দুনিয়ায়, আর আখিরাতে। অবশ্যি সে অন্তরভুক্ত হবে পুণ্যবানদের।
অ অহাব্না-লাহূ য় ইস্হা-ক্ব অ ইয়াকুবা অজ্বাআল্না-ফী র্যুরিয়াতিহিন্ নুবুওয়্যাতা অল্কিতা-বা অআ-তাইনা-হু আজরহূ ফিদ্দুন্ইয়া- অইন্নাহূ ফিল্ আ-খিরতি লামিনাছ্ ছোয়া-লিহীন্
وَوَهَبْنَا لَهُ إِسْحَاقَ وَيَعْقُوبَ وَجَعَلْنَا فِي ذُرِّيَّتِهِ النُّبُوَّةَ وَالْكِتَابَ وَآتَيْنَاهُ أَجْرَهُ فِي الدُّنْيَا ۖ وَإِنَّهُ فِي الْآخِرَةِ لَمِنَ الصَّالِحِينَ
স্মরণ করো লুতের কথা, সে তার কওমকে বলেছিল: ‘তোমরা এমন ফাহেশা কাজ করছো, যা তোমাদের আগে জগতের কেউ করেনি।’
অলূত্বোয়ান্ ইয্ ক্ব-লা লিক্বওমিহী য় ইন্নাকুম্ লাতাতূনাল্ ফা-হিশাতা মা-সাবাক্বাকুম্ বিহা-মিন্ আহাদিম্ মিনাল্ আ-লামীন্।
وَلُوطًا إِذْ قَالَ لِقَوْمِهِ إِنَّكُمْ لَتَأْتُونَ الْفَاحِشَةَ مَا سَبَقَكُم بِهَا مِنْ أَحَدٍ مِّنَ الْعَالَمِينَ
‘তোমরা কি পুরুষের সাথে যৌন মিলন করে যাবে? জনপথে ডাকাতি করে যাবে? আর জনসম্মুখে অসৎকাজ করতে থাকবে?’ এর জওয়াবে তার কওম একথাই বলেছিল: ‘তুমি যদি সত্যবাদী হয়ে থাকো, তবে আমাদের প্রতি আল্লাহর আযাব এনে দেখাও।’
আয়িন্নাকুম্ লাতাতূর্না রিজ্বা-লা অতাক ত্বোয়াঊনাস্ সাবীলা অ তাতূনা ফী না-দীকুমুল্ মুর্ন্কা ফামা-কা-না জ্বাওয়া-বা ক্বওমিহী য় ইল্লা য় আন্ ক্ব-লূ তিনা-বিআযা-বিল্লা-হি ইন্ কুন্তা মিনাছ্ ছোয়া-দিক্বীন্।
أَئِنَّكُمْ لَتَأْتُونَ الرِّجَالَ وَتَقْطَعُونَ السَّبِيلَ وَتَأْتُونَ فِي نَادِيكُمُ الْمُنكَرَ ۖ فَمَا كَانَ جَوَابَ قَوْمِهِ إِلَّا أَن قَالُوا ائْتِنَا بِعَذَابِ اللَّهِ إِن كُنتَ مِنَ الصَّادِقِينَ
তখন লুত বলেছিল: ‘হে আমার প্রভু! ফাসাদ সৃষ্টিকারী লোকদের বিরুদ্ধে আমাকে সাহায্য করো।’
ক্ব-লা রব্বিন্ র্ছুনী আ-লাল্ ক্বওমিল্ মুফ্সিদীন্।
قَالَ رَبِّ انصُرْنِي عَلَى الْقَوْمِ الْمُفْسِدِينَ
আমাদের দূতরা (ফেরেশতারা) যখন ইবরাহিমের কাছে এসেছিল সুসংবাদ নিয়ে, তখন তারা বলেছিল: ‘এই জনপদবাসীকে আমরা ধ্বংস করে দেবো, এর অধিবাসিরা যালিম।’
অ লাম্মা-জ্বা-য়াত্ রুসুলুনা য় ইব্রা-হীমা বিল্ বুশ্র-ক্ব-লূ য় ইন্না-মুহ্লিকূ য় আহ্লি হা-যিহিল্ র্ক্বইয়াতি ইন্না-আহ্লাহা-কা-নূ জ্বোয়া-লিমীন্।
وَلَمَّا جَاءَتْ رُسُلُنَا إِبْرَاهِيمَ بِالْبُشْرَىٰ قَالُوا إِنَّا مُهْلِكُو أَهْلِ هَٰذِهِ الْقَرْيَةِ ۖ إِنَّ أَهْلَهَا كَانُوا ظَالِمِينَ
ইবরাহিম বললো: ‘সেখানে তো লুতও রয়েছে।’ তারা বললো: ‘সেখানে কারা আছে আমরা ভালো করেই জানি। আমরা লুতকে এবং তার পরিবার পরিজনকে রক্ষা করবো, তবে তার স্ত্রীকে নয়। সে পেছনে পড়াদের অন্তরভুক্ত হয়ে যাবে।’
ক্ব-লা ইন্না ফীহা- লূত্বোয়া- ক্ব-লূ নাহ্নু আলামু বিমান্ ফীহা-লানুনাজ্জি¦য়ান্নাহূ অআহ্লাহূ য় ইল্লাম্ রায়াতাহূ কা-নাত্ মিনাল্ গ-বিরীন্।
قَالَ إِنَّ فِيهَا لُوطًا ۚ قَالُوا نَحْنُ أَعْلَمُ بِمَن فِيهَا ۖ لَنُنَجِّيَنَّهُ وَأَهْلَهُ إِلَّا امْرَأَتَهُ كَانَتْ مِنَ الْغَابِرِينَ
আমাদের দূতরা যখন লুতের কাছে এসে পৌঁছালো, তাদের দেখে সে বিষণ্ণ হয়ে পড়লো এবং নিজেকে তাদের রক্ষায় অসমর্থ মনে করলো। তারা বললো: ‘‘আপনি ভয়ও পাবেননা, চিন্তিতও হবেননা। আমরা রক্ষা করবো আপনাকে এবং আপনার পরিবারবর্গকে আপনার স্ত্রীকে বাদে। আপনার স্ত্রী পেছনে পড়াদের অন্তরভুক্ত হবে।
অ লাম্মা য় আন্ জ্বা-য়াত্ রুসুলুনা-লূত্বোয়ান্ সী-য়া বিহিম্ অ দ্বোয়া-ক্ব বিহিম্ র্যাআঁও অ ক্ব-লূ লা-তাখফ্ অলা-তাহ্যান্ ইন্না- মুনাজ্জ্বুকা অআহ্লাকা ইল্লাম্ রায়াতাকা কা-নাত্ মিনাল্ গা-বিরীন্।
وَلَمَّا أَن جَاءَتْ رُسُلُنَا لُوطًا سِيءَ بِهِمْ وَضَاقَ بِهِمْ ذَرْعًا وَقَالُوا لَا تَخَفْ وَلَا تَحْزَنْ ۖ إِنَّا مُنَجُّوكَ وَأَهْلَكَ إِلَّا امْرَأَتَكَ كَانَتْ مِنَ الْغَابِرِينَ
আমরা এই জনপদবাসীর উপর আসমান থেকে আযাব নাযিল করবো তাদের পাপাচারের কারণে।’’
ইন্না মুন্যিলূনা আলা য় আহ্লি হা-যিহিল্ র্ক্বইয়াতি রিজ¦ যাম্ মিনাস্ সামা য় য়ি বিমা- ক্ব-নূ ইয়াফ্সুকুন্।
إِنَّا مُنزِلُونَ عَلَىٰ أَهْلِ هَٰذِهِ الْقَرْيَةِ رِجْزًا مِّنَ السَّمَاءِ بِمَا كَانُوا يَفْسُقُونَ
যারা বিবেক বুদ্ধি খাটিয়ে চলে আমরা এ ঘটনার মধ্যে তাদের জন্যে রেখে দিয়েছি একটি সুস্পষ্ট নিদর্শন।
অলাক্বদ্ তারক্না-মিন্হা য় আ-ইয়াতাম্ বাইয়িনাতা ল্লিক্বওমিঁই ইয়াক্বিলূন্।
وَلَقَد تَّرَكْنَا مِنْهَا آيَةً بَيِّنَةً لِّقَوْمٍ يَعْقِلُونَ
আমরা মাদায়েনে পাঠিয়েছিলাম তাদের ভাই শুয়াইবকে। সে তাদের বলেছিল: ‘হে আমার কওম! তোমরা এক আল্লাহর দাসত্ব করো এবং শেষ দিনকে ভয় করো, আর পৃথিবীতে ফাসাদ সৃষ্টি করে বেড়িয়োনা।’
অ ইলা-মাদ্ইয়ানা আখ-হুম্ শআইবা-ন্ ফাক্ব-লা ইয়া-ক্বওমিবুদুল্লা-হা অরজুল্ ইয়াওমাল্ আ-খির অলা- তাছাও ফিল্ র্আদ্বি মুফ্সিদীন্।
وَإِلَىٰ مَدْيَنَ أَخَاهُمْ شُعَيْبًا فَقَالَ يَا قَوْمِ اعْبُدُوا اللَّهَ وَارْجُوا الْيَوْمَ الْآخِرَ وَلَا تَعْثَوْا فِي الْأَرْضِ مُفْسِدِينَ
কিন্তু তারা তাকে প্রত্যাখ্যান করে। ফলে তাদেরকে আঘাত করে ভূমিকম্প, আর তারা পড়ে থাকে নিজেদের ঘরে উপুড় হয়ে।
ফাকায্যাবূহু ফায়াখযাত্ হুর্মু রজফাতু ফায়াছ্বাহূ ফী দা-রিহিম্ জ্বা-ছিমীন্।
فَكَذَّبُوهُ فَأَخَذَتْهُمُ الرَّجْفَةُ فَأَصْبَحُوا فِي دَارِهِمْ جَاثِمِينَ
আর আমরা আদ এবং সামুদ জাতিকেও ধ্বংস করে দিয়েছিলাম। তাদের (বিরান) বাড়িঘরই তোমাদের জন্যে সুস্পষ্ট প্রমাণ। শয়তান তাদের মন্দ কর্মকান্ড তাদের কাছে চাকচিক্যময় করে রেখেছিল। ফলে সে তাদেরকে সঠিক পথে আসতে বাধা সৃষ্টি করে, তারা খুব চালাক এবং বিচক্ষণও ছিলো।
অ আদাঁও অছামূদা অ ক্বদ্ তাবাইয়্যানা লাকুম্ মিম্ মাসা-কিনিহিম্ অ যাইয়্যানা লাহুমুশ্ শাইত্বোয়া-নু আমা-লাহুম্ ফাছোয়াদ্দাহুম্ আনিস্ সাবীলি অকা-নূ মুস্তাব্সিরীন্।
وَعَادًا وَثَمُودَ وَقَد تَّبَيَّنَ لَكُم مِّن مَّسَاكِنِهِمْ ۖ وَزَيَّنَ لَهُمُ الشَّيْطَانُ أَعْمَالَهُمْ فَصَدَّهُمْ عَنِ السَّبِيلِ وَكَانُوا مُسْتَبْصِرِينَ
কারূণ, ফেরাউন ও হামান, এদের কাছে এসেছিল মূসা সুস্পষ্ট নিদর্শনাবলি নিয়ে। তখন তারা দেশে হঠকারী শাসন চালাচ্ছিল। কিন্তু তারা (আমার শাস্তিকে) অতিক্রম করতে পারেনি।
অক্ব-রূনা অ র্ফিআউনা অ হা-মা-না অ লাক্বদ্ জ্বা-য়াহুম্ মূসা-বিল্ বাইয়্যিনা-তি ফাস্তাক্বারূ ফীল্ র্আদ্বি অমা-কা-নূ সা-বিক্বীন্।
وَقَارُونَ وَفِرْعَوْنَ وَهَامَانَ ۖ وَلَقَدْ جَاءَهُم مُّوسَىٰ بِالْبَيِّنَاتِ فَاسْتَكْبَرُوا فِي الْأَرْضِ وَمَا كَانُوا سَابِقِينَ
এদের প্রত্যেককেই আমরা তাদের অপরাধের জন্যে শাস্তি দিয়েছি। তাদের কারো প্রতি আমরা পাঠিয়েছি পাথর বৃষ্টি, কাউকেও আঘাত করেছে প্রকান্ড শব্দ, কাউকেও দাবিয়ে দিয়েছিলাম ভূ - গর্ভে, কাউকেও ডুবিয়ে দিয়েছিলাম সমুদ্রে। তাদের প্রতি যুলুম করেননি, তারা নিজেরাই যুলুম করেছিল নিজেদের প্রতি।
ফাকুল্লান্ আখয্না-বি যাম্বিহী ফামিন্হুম্ মান্ র্আসাল্না-আলাইহি হা-ছিবান্ অ মিন্হুম্ মান্ আখযাত্হুছ্ ছোয়াইহাতু অ মিন্হুম্ মান্ খসাফ্না-বিহিল্ র্আদ্বোয়া অ মিন্হুম্ মান্ আগ্রাকনা-অমা- কা-না ল্লা-হু লিইয়াজ লিমাহুম্ অলা-কিন্ কা-নূ য় আন্ফুসাহুম্ ইয়াজলিমূন্।
فَكُلًّا أَخَذْنَا بِذَنبِهِ ۖ فَمِنْهُم مَّنْ أَرْسَلْنَا عَلَيْهِ حَاصِبًا وَمِنْهُم مَّنْ أَخَذَتْهُ الصَّيْحَةُ وَمِنْهُم مَّنْ خَسَفْنَا بِهِ الْأَرْضَ وَمِنْهُم مَّنْ أَغْرَقْنَا ۚ وَمَا كَانَ اللَّهُ لِيَظْلِمَهُمْ وَلَٰكِن كَانُوا أَنفُسَهُمْ يَظْلِمُونَ
যারা আল্লাহর পরিবর্তে অন্যদেরকে অলি হিসেবে গ্রহণ করে, তাদের দৃষ্টান্ত হলো মাকড়সার দৃষ্টান্ত, সে নিজের জন্যে ঘর বানায়, আর ঘরের মধ্যে মাকড়সার ঘরই সবচাইতে দুর্বল, যদি তারা জ্ঞান রাখতো!
মাছালুল লাযীনাত্ তাখাযূ মিন্ দূনি ল্লা-হি আউলিয়া-য়া কামাছালিল্ আন্কাবূতিত্ তাখাযত্ বাইতা- অ ইন্না আওহানাল্ বুয়ূতি লাবাইতুল্ আন্কাবূত্ লাও কা-নূ ইয়ালামূন্।
مَثَلُ الَّذِينَ اتَّخَذُوا مِن دُونِ اللَّهِ أَوْلِيَاءَ كَمَثَلِ الْعَنكَبُوتِ اتَّخَذَتْ بَيْتًا ۖ وَإِنَّ أَوْهَنَ الْبُيُوتِ لَبَيْتُ الْعَنكَبُوتِ ۖ لَوْ كَانُوا يَعْلَمُونَ
তারা আল্লাহর পরিবর্তে যা কিছুকেই ডাকে, তা জানেন। তিনি মহাশক্তিধর, মহাবিজ্ঞানী।
ইন্নাল্লা-হা ইয়ালামু মা ইয়াদ্ঊ'না মিন্ দূনিহী মিন্ শাইয়িন্ অ হুওয়াল্ আযীযুল্ হাকীম্।
إِنَّ اللَّهَ يَعْلَمُ مَا يَدْعُونَ مِن دُونِهِ مِن شَيْءٍ ۚ وَهُوَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ
আমরা মানুষের জন্যে দিয়ে থাকি এসব দৃষ্টান্ত, কিন্তু জ্ঞানীরা ছাড়া কেউ তা বুঝেনা।
অ তিল্কাল্ আম্ছা-লু নাদ্ব্রিবুহা-লিন্না-সি অমা-ইয়াক্বিলুহা য় ইল্লাল্ আ-লিমূন্।
وَتِلْكَ الْأَمْثَالُ نَضْرِبُهَا لِلنَّاسِ ۖ وَمَا يَعْقِلُهَا إِلَّا الْعَالِمُونَ
আল্লাহই সৃষ্টি করেছেন মহাকাশ এবং এই পৃথিবী বাস্তবতার ভিত্তিতে। অবশ্যি এতে রয়েছে একটি নিদর্শন মুমিনদের জন্যে।
খলাক্বল্লা-হুস্ সামা-ওয়া-তি অল্ র্আদ্বোয়া বিল্ হাক ইন্না ফী যা-লিকা লাআ-ইয়া-তাল্লিল্ মুমিনীন্।
خَلَقَ اللَّهُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ بِالْحَقِّ ۚ إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَآيَةً لِّلْمُؤْمِنِينَ
তিলাওয়াত করো কিতাব যা তোমার প্রতি অহি করা হয়েছে এবং কায়েম করো । নিশ্চয়ই বিরত রাখে ফাহেশা এবং মুনকার (মন্দকর্ম) থেকে। আল্লাহর যিকিরই সর্বশ্রেষ্ঠ। জানেন তোমরা যা করো।
উত্লু মা য় ঊ হিয়া ইলাইকা মিনাল্ কিতা-বি অআক্বিমিছ্ ছলা-হ্ ইন্নাছ্ ছলা-তা তান্হা-আনিল্ ফাহ্শা-য়ি অল্ মুর্ন্কা অ লাযিক্রুল্লা-হি আর্ক্বা অল্লা-হু ইযালামু মা-তাছ্নাঊন্।
اتْلُ مَا أُوحِيَ إِلَيْكَ مِنَ الْكِتَابِ وَأَقِمِ الصَّلَاةَ ۖ إِنَّ الصَّلَاةَ تَنْهَىٰ عَنِ الْفَحْشَاءِ وَالْمُنكَرِ ۗ وَلَذِكْرُ اللَّهِ أَكْبَرُ ۗ وَاللَّهُ يَعْلَمُ مَا تَصْنَعُونَ
সৌজন্যমূলক ও যুক্তিসংগত পন্থা ছাড়া আহলে কিতাবের সাথে বিতর্ক করোনা, তবে তাদের মধ্যে যারা যুলুম করে তাদের কথা ভিন্ন। তোমরা তাদের বলো: ‘আমরা ঈমান এনেছি সেই কিতাবের প্রতি যা নাযিল করা হয়েছে আমাদের প্রতি এবং যা নাযিল করা হয়েছে তোমাদের প্রতি, আর আমাদের ও তোমাদের একই , আমরা তাঁরই প্রতি আত্মসমর্পণকারী।’
অলা-তুজ্বা-দিলূ য় আহ্লাল্ কিতা-বি ইল্লা- বিল্লাতী হিয়া আহ্সানু ইল্লাল্লাযীনা জোয়ালামূ মিন্হুম্ অকুলূ য় আমান্না-বিল্লাযী য় উন্যিলা ইলাইনা-অ উন্যিলা ইলাইকুম্ অ ইলা-হুনা- অইলা-হুকুম্ ওয়া-হিদুঁও অনাহ্নু লাহূ মুস্লিমূন্।
۞ وَلَا تُجَادِلُوا أَهْلَ الْكِتَابِ إِلَّا بِالَّتِي هِيَ أَحْسَنُ إِلَّا الَّذِينَ ظَلَمُوا مِنْهُمْ ۖ وَقُولُوا آمَنَّا بِالَّذِي أُنزِلَ إِلَيْنَا وَأُنزِلَ إِلَيْكُمْ وَإِلَٰهُنَا وَإِلَٰهُكُمْ وَاحِدٌ وَنَحْنُ لَهُ مُسْلِمُونَ
এভাবেই আমরা নাযিল করেছি তোমার প্রতি এই কিতাব। যাদের আমরা কিতাব দিয়েছি তারা এটির প্রতি ঈমান রাখে এবং এখনকার এদের (আহলে কিতাবের) কেউ কেউও এটির প্রতি ঈমান রাখে। কাফিররা ছাড়া আর কেউই আমাদের আয়াত অস্বীকার করেনা।
অকাযা-লিকা আন্ যাল্না য় ইলাইকাল্ কিতাব্ ফাল্লাযীনা আ-তাইনা-হুমুল্ কিতাবা ইয়ুমিনূনা বিহী অমিন্ হা য় উলা-য়ি মাইঁ ইয়ুমিনু বিহ্ অমা-ইয়াজ্ব্ হাদু বিআ-ইয়া -তিনা য় ইল্লাল্ কা-ফিরূন্।
وَكَذَٰلِكَ أَنزَلْنَا إِلَيْكَ الْكِتَابَ ۚ فَالَّذِينَ آتَيْنَاهُمُ الْكِتَابَ يُؤْمِنُونَ بِهِ ۖ وَمِنْ هَٰؤُلَاءِ مَن يُؤْمِنُ بِهِ ۚ وَمَا يَجْحَدُ بِآيَاتِنَا إِلَّا الْكَافِرُونَ
তুমি তো এর আগে কোনো কিতাব তিলাওয়াত করতেনা এবং নিজ হাতে কোনো কিতাব লিখতেও না, তেমনটি হলে হয়তো মিথ্যাবাদীরা সন্দেহ পোষণ করতে পারতো।
অমা-কুন্তা তাত্লূ মিন্ ক্বব্লিহী মিন্ কিতা-বিঁও অলা-তাখুত্ব্ ত্বুহূ বিইয়ামীনিকা ইযাল্ র্লাতা-বাল্ মুব্ত্বিলূন্।
وَمَا كُنتَ تَتْلُو مِن قَبْلِهِ مِن كِتَابٍ وَلَا تَخُطُّهُ بِيَمِينِكَ ۖ إِذًا لَّارْتَابَ الْمُبْطِلُونَ
বরং যাদের এলেম দেয়া হয়েছে তাদের অন্তরে এটি একটি সুস্পষ্ট নিদর্শন। যালিমরা ছাড়া আর কেউই আমাদের আয়াত অস্বীকার করেনা।
বাল্ হুওয়া আ-ইয়া-তুম্ বাইয়্যিনা-তুন্ ফী ছুদূরিল্ লাযীনা উতুল্ ইল্ম্ অমা-ইয়াজ্ব্ হাদু বিআ-ইয়া-তিনা য় ইল্লাজ্ জোয়ালিমূন্।
بَلْ هُوَ آيَاتٌ بَيِّنَاتٌ فِي صُدُورِ الَّذِينَ أُوتُوا الْعِلْمَ ۚ وَمَا يَجْحَدُ بِآيَاتِنَا إِلَّا الظَّالِمُونَ
তারা বলে: ‘তার প্রভুর নিকট থেকে তার কাছে কোনো নিদর্শন আসেনা কেন?’ তুমি বলো: ‘নিদর্শন পাঠানোর বিষয়টা তো আল্লাহর এখতিয়ারে। আমি তো কেবল একজন সুস্পষ্ট সতর্ককারী ছাড়া আর কিছু নই।’
অক্ব-লূ লাওলা য় উন্যিলা আলাইহি আ-ইয়া-তুম্ র্মি রব্বিহ্ কুল্ ইন্নামাল্ আ-ইয়া-তু ইন্দাল্লা-হ্ অইন্নামা য় আনা নাযীরুম্ মুবীন্।
وَقَالُوا لَوْلَا أُنزِلَ عَلَيْهِ آيَاتٌ مِّن رَّبِّهِ ۖ قُلْ إِنَّمَا الْآيَاتُ عِندَ اللَّهِ وَإِنَّمَا أَنَا نَذِيرٌ مُّبِينٌ
তাদের জন্যে এটা কি যথেষ্ট নয় যে, আমরা তোমার প্রতি এই কিতাব নাযিল করেছি, যা তাদের প্রতি তিলাওয়াত করা হয়। নিশ্চয়ই এতে রয়েছে রহমত ও উপদেশ সেইসব লোকদের জন্যে যারা ঈমান রাখে।
আওয়ালাম্ ইয়াক্ফিহিম্ আন্না য় আন্যাল্না আলাইকাল্ কিতা-বা ইয়ুত্লা- আলাইহিম্ ইন্না ফী যা-লিকা লারহ্মাতাঁও অযিক্র-লিকওমিঁই ইয়ু মিনূন্।
أَوَلَمْ يَكْفِهِمْ أَنَّا أَنزَلْنَا عَلَيْكَ الْكِتَابَ يُتْلَىٰ عَلَيْهِمْ ۚ إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَرَحْمَةً وَذِكْرَىٰ لِقَوْمٍ يُؤْمِنُونَ
তুমি বলো: ‘আমার ও তোমাদের মাঝে শহীদ (সাক্ষী) হিসেবে আল্লাহ্ই যথেষ্ট। তিনি জানেন মহাকাশ ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে। যারা বাতিলের প্রতি ঈমান রাখে এবং কুফুরি করে আল্লাহর প্রতি, তারাই আসল ক্ষতিগ্রস্ত।’
কুল্ কাফা-বিল্লা-হি বাইনী অবাইনাকুম্ শাহীদান্ ইয়ালামু মা-ফিস্ সামা-ওয়া-তি অল্ র্আদ্ব্ অল্লাযীনা আ-মানূ বিল্ বা-ত্বিলি অকাফারূ বিল্লা-হি উলা-য়িকা হুমুল্ খ-সিরূন্।
قُلْ كَفَىٰ بِاللَّهِ بَيْنِي وَبَيْنَكُمْ شَهِيدًا ۖ يَعْلَمُ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ ۗ وَالَّذِينَ آمَنُوا بِالْبَاطِلِ وَكَفَرُوا بِاللَّهِ أُولَٰئِكَ هُمُ الْخَاسِرُونَ
তারা তোমার কাছে আহবান জানায় দ্রুত আযাব এনে দিতে। যদি সময় নির্ধারিত না থাকতো, তাহলে অবশ্যি তাদের উপর আযাব এসে যেতো। আযাব অবশ্যি তাদের উপর আসবে আকস্মিকভাবে এবং তারা টেরও পাবেনা।
অ ইয়াস্তাজ্বিলূ নাকা বিল্আযা-ব্ অ লাওলা য় আজ্বালুম্ মুসাম্মা ল্লাজ্বা-য়া হুমুল্ আযা-ব্ অ লাইয়াতিয়ান্নাহুম্ বাগ্তাতাঁও অহুম্ লা- ইয়াশ্উরূন্।
وَيَسْتَعْجِلُونَكَ بِالْعَذَابِ ۚ وَلَوْلَا أَجَلٌ مُّسَمًّى لَّجَاءَهُمُ الْعَذَابُ وَلَيَأْتِيَنَّهُم بَغْتَةً وَهُمْ لَا يَشْعُرُونَ
তারা তোমাকে দ্রুত আযাব এনে দিতে বলে। জাহান্নাম অবশ্যি কাফিরদের পরিবেষ্টন করবে।
ইয়াস্তাজ্বিলূনাকা বিল্আযা-ব্ অইন্না জ্বাহান্নামা লামুহীত্বোয়াতুম্ বিল্ কা-ফিরীন্।
يَسْتَعْجِلُونَكَ بِالْعَذَابِ وَإِنَّ جَهَنَّمَ لَمُحِيطَةٌ بِالْكَافِرِينَ
সেদিন তাদের উপর থেকে এবং তাদের পায়ের নিচে থেকে আযাব এসে তাদের ঢেকে ফেলবে এবং তিনি বলবেন: তোমরা যেসব আমল করতে তার স্বাদ গ্রহণ করো।
ইয়াওমা ইয়াগ্শা-হুমুল্ আযা-বু মিন্ ফাওক্বিহিম্ অমিন্ তাহ্তি র্আজুলিহিম্ অ ইয়াকুলু যূকু মা-কুন্তুম্ তামালূ ন্।
يَوْمَ يَغْشَاهُمُ الْعَذَابُ مِن فَوْقِهِمْ وَمِن تَحْتِ أَرْجُلِهِمْ وَيَقُولُ ذُوقُوا مَا كُنتُمْ تَعْمَلُونَ
হে আমার সেইসব বান্দারা যারা ঈমান এনেছো! আমার পৃথিবী অনেক প্রশস্ত, সুতরাং তোমরা কেবল আমারই ইবাদত করো।
ইয়াইবা-দিয়াল্ লাযীনা আ-মানূ য় ইন্না র্আদ্বী ওয়া-সিআতুন্ ফাইয়্যা-ইয়া ফাবুদূন্।
يَا عِبَادِيَ الَّذِينَ آمَنُوا إِنَّ أَرْضِي وَاسِعَةٌ فَإِيَّايَ فَاعْبُدُونِ
প্রত্যেক ব্যক্তিই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করবে। তারপর আমাদের কাছেই তোমাদের ফিরিয়ে আনা হবে।
কুল্লু নাফ্সিন্ যা-য়িক্বাতুল্ মাউতি ছুম্মা ইলাইনা-র্তুজাঊন্।
كُلُّ نَفْسٍ ذَائِقَةُ الْمَوْتِ ۖ ثُمَّ إِلَيْنَا تُرْجَعُونَ
আর যারা ঈমান আনবে এবং আমলে সালেহ্ করবে আমরা অবশ্যি তাদের বসবাসের জন্যে জান্নাতে উঁচু প্রাসাদ দান করবো। সেসবের নিচে দিয়ে বহমান থাকবে নদ নদী নহর। চিরদিন থাকবে তারা সেখানে। কতো যে উত্তম প্রতিদান নেক আমলকারীদের জন্যে,
অল্লাযীনা আ-মানূ অ আমিলুছ্ ছোয়া-লিহা-তি লা নুবাওয়্যিয়ান্নাহুম্ মিনাল্ জ্বান্নাতি গুরাফান্ তাজরী মিন্ তাহ্তিহাল্ আন্হা-রু খ-লিদীনা ফীহা- নিমা-আজ্ব্ রুল্ আ-মিলীন্।
وَالَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ لَنُبَوِّئَنَّهُم مِّنَ الْجَنَّةِ غُرَفًا تَجْرِي مِن تَحْتِهَا الْأَنْهَارُ خَالِدِينَ فِيهَا ۚ نِعْمَ أَجْرُ الْعَامِلِينَ
যারা সবর অবলম্বন করে এবং তাওয়াক্কুল করে তাদের প্রভুর উপর!
আল্লাযীনা ছবারূ অআলা-রব্বিহিম্ ইয়াতাওয়াক্কালূন্।
الَّذِينَ صَبَرُوا وَعَلَىٰ رَبِّهِمْ يَتَوَكَّلُونَ
এমন অনেক জীব - জানোয়ার আছে যারা নিজেদের রিযিক মওজুদ করে রাখেনা, আল্লাহ্ই তাদের রিযিক দেন এবং তোমাদেরকেও। তিনি সব শুনেন, সব জানেন।
অ কাআইয়্যিম্ মিন্ দা-ব্বাতিল্ লা-তাহ্মিলু রিয্ক্বহা-আল্লা-হু ইর্য়াযুকুহা-অইয়্যাকুম্ অহুওয়াস্ সামীউল্ আলীম্।
وَكَأَيِّن مِّن دَابَّةٍ لَّا تَحْمِلُ رِزْقَهَا اللَّهُ يَرْزُقُهَا وَإِيَّاكُمْ ۚ وَهُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ
তুমি যদি তাদের জিজ্ঞেস করো: ‘আসমান জমিন কে সৃষ্টি করেছে এবং কে নিয়ন্ত্রণ করছে সূর্য আর চাঁদ?’ তারা অবশ্যি বলবে: ‘।’ তাহলে তারা কোথা থেকে প্রতারিত হচ্ছে?
অলায়িন সায়াল্তাহুম্ মান্ খলাক্বস্ সামা-ওয়া-তি অল্ র্আদ্বোয়া অসাখ্খরশ্ শাম্সা অল্ ক্বমার লাইয়াকুলুন্নাল্লা-হু ফাআন্না- ইয়ুফাকূন্।
وَلَئِن سَأَلْتَهُم مَّنْ خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ وَسَخَّرَ الشَّمْسَ وَالْقَمَرَ لَيَقُولُنَّ اللَّهُ ۖ فَأَنَّىٰ يُؤْفَكُونَ
আল্লাহ্ই বৃদ্ধি করে দেন রিযিক যাকে চান এবং নিয়ন্ত্রণ করে দেন যাকে চান। নিশ্চয়ই প্রতিটি বিষয়ে অবগত।
আল্লা-হু ইয়াব্সুত্বরু রিয্ক্ব লিমাইঁ ইয়্যাশা-য়ু মিন্ ঈবাদিহী অ ইয়াক্ব্ দিরু লাহ্ ইন্নাল্লা-হা বিকুল্লি শাইয়্যিন্ আলীম্।
اللَّهُ يَبْسُطُ الرِّزْقَ لِمَن يَشَاءُ مِنْ عِبَادِهِ وَيَقْدِرُ لَهُ ۚ إِنَّ اللَّهَ بِكُلِّ شَيْءٍ عَلِيمٌ
তুমি যদি তাদের জিজ্ঞেস করো, কে নাযিল করেন আসমান থেকে পানি, তারপর তা দিয়ে জীবিত করেন জমিনকে তা মরে (শুকিয়ে) যাবার পর? অবশ্যি তারা বলবে: ‘।’ বলো: ‘আলহামদু লিল্লাহ!’ বরং তাদের অধিকাংশই আকল - বুদ্ধি রাখেনা।
অলায়িন্ সায়াল্তাহুম্ মান্ নায্যালা মিনাস্ সামা-য়ি মা-য়ান্ ফাআহ্ইয়া-বিহিল্ র্আদ্বোয়া মিম্ বাদি মাওতিহা-লাইয়াকু লুন্নাল্লা-হ্ কুলিল্ হাম্দু লিল্লা-হ্ বাল্ আক্ছারুহুম্ লা-ইয়াক্বিলূন্।
وَلَئِن سَأَلْتَهُم مَّن نَّزَّلَ مِنَ السَّمَاءِ مَاءً فَأَحْيَا بِهِ الْأَرْضَ مِن بَعْدِ مَوْتِهَا لَيَقُولُنَّ اللَّهُ ۚ قُلِ الْحَمْدُ لِلَّهِ ۚ بَلْ أَكْثَرُهُمْ لَا يَعْقِلُونَ
এই দুনিয়ার জীবনটা খেলতামাশা ছাড়া আর কিছুই নয়। আখিরাতের জীবনই চিরন্তন জীবন, যদি তারা জানতো!
অমা-হা-যিহিল্ হা-ইয়া-তুদ্ দুন্ইয়া য় ইল্লা-লাহ্য়ুঁও অলাইব্ অ ইন্নাদ্দা-রল্ আ-খিরতা লাহিয়াল্ হাইয়াওয়া-ন্। লাও কা-নূ ইয়ালামূন্।
وَمَا هَٰذِهِ الْحَيَاةُ الدُّنْيَا إِلَّا لَهْوٌ وَلَعِبٌ ۚ وَإِنَّ الدَّارَ الْآخِرَةَ لَهِيَ الْحَيَوَانُ ۚ لَوْ كَانُوا يَعْلَمُونَ
তারা যখন নৌযানে আরোহণ করে, তখন আন্তরিক নিষ্ঠার সাথে তারা আল্লাহকে ডাকে, তারপর যখন তিনি তাদেরকে নাজাত দিয়ে কূলে নিয়ে আসেন, তখন তারা শিরক করতে থাকে,
ফাইযা- রকিবূ ফিল্ফুল্কি দাআয়ু ল্লা-হা মুখ্লিছীনা লাহুদ্দীনা-ফালাম্মা- নাজ্জ্বাহুম্ ইলাল্ র্বারি ইযা-হুম্ ইয়ুশ্রিকূন্।
فَإِذَا رَكِبُوا فِي الْفُلْكِ دَعَوُا اللَّهَ مُخْلِصِينَ لَهُ الدِّينَ فَلَمَّا نَجَّاهُمْ إِلَى الْبَرِّ إِذَا هُمْ يُشْرِكُونَ
যাতে তাদের প্রতি আমার দান তারা অস্বীকার করে এবং ভোগবিলাসে লিপ্ত থাকে। অচিরেই তারা জানতে পারবে (এর পরিনতি)।
লিইয়াক্ফুরূ বিমা য় আ-তাইনা-হুম্ অ লিইয়াতামাত্তাঊ ফাসাওফা ইয়ালামূন্।
لِيَكْفُرُوا بِمَا آتَيْنَاهُمْ وَلِيَتَمَتَّعُوا ۖ فَسَوْفَ يَعْلَمُونَ
তারা কি দেখেনা, আমরা হারাম (শরিফকে) নিরাপদ স্থান বানিয়ে দিয়েছি, অথচ তার চারপাশে যারা আছে তাদের উপর হামলা করা হয়? তারা কি বাতিলের প্রতি ঈমান রাখে, আর কুফুরি করে আল্লাহর নিয়ামতের প্রতি?
আওয়ালাম্ ইয়ারও আন্না জ্বাআল্না-হারমান্ আ-মিনাঁও অ ইয়ুতাখত্ব ত্বোয়াফুন্ না-সু মিন্ হাওলিহিম্ আফাবিল্বা-ত্বিলি ইয়ুমিনূনা অবিনিমাতিল্লা-হি ইয়াক্ফুরূন্।
أَوَلَمْ يَرَوْا أَنَّا جَعَلْنَا حَرَمًا آمِنًا وَيُتَخَطَّفُ النَّاسُ مِنْ حَوْلِهِمْ ۚ أَفَبِالْبَاطِلِ يُؤْمِنُونَ وَبِنِعْمَةِ اللَّهِ يَكْفُرُونَ
ঐ ব্যক্তির চাইতে বড় যালিম আর কে, যে মিথ্যা রচনা করে আল্লাহর উপর আরোপ করে, কিংবা সত্য আসার পর তা প্রত্যাখ্যান করে? কাফিরদের আবাস কি জাহান্নাম নয়?
অমান্ আজ্লামু মিম্মা-নিফ্ তারা-আলা ল্লা-হি কাযিবান্ আও কায্যাবা বিল্ হাকক্বি লাম্মা-জ্বা-য়াহ্ আলাইসা ফী জ্বাহান্নামা মাছ্ওয়াল্ লিল্কা-ফিরীন্।
وَمَنْ أَظْلَمُ مِمَّنِ افْتَرَىٰ عَلَى اللَّهِ كَذِبًا أَوْ كَذَّبَ بِالْحَقِّ لَمَّا جَاءَهُ ۚ أَلَيْسَ فِي جَهَنَّمَ مَثْوًى لِّلْكَافِرِينَ
যারা আমাদের জন্যে (উদ্দেশ্যে) জিহাদ করে, আমরা অবশ্যি তাদের পরিচালিত করি আমাদের পথে, আর অবশ্যি কল্যাণপরায়ণদের সাথে থাকেন।
অল্লাযীনা জ্বা-হাদূ ফীনা- লানাহ্ দিয়ান্নাহুম্ সুবুলানা- অ ইন্নাল্লা-হা লামাআল্ মুহ্সিনীন্
وَالَّذِينَ جَاهَدُوا فِينَا لَنَهْدِيَنَّهُمْ سُبُلَنَا ۚ وَإِنَّ اللَّهَ لَمَعَ الْمُحْسِنِينَ