শপথ অণু ঝড়ের,
বিসমিল্লাহির রাহমা-নির রাহি-ম অয্যা-রিয়া-তি র্যাওয়ান্।
কসম ধূলিঝড়ের,
Chapter 51, 60 verses
শপথ অণু ঝড়ের,
বিসমিল্লাহির রাহমা-নির রাহি-ম অয্যা-রিয়া-তি র্যাওয়ান্।
কসম ধূলিঝড়ের,
শপথ ভারি পানি বহনকারী মেঘমালার,
ফাল্হা-মিলা-তি ওয়িকরন্।
অতঃপর, পানির বোঝা বহনকারী মেঘমালার,
শপথ সহজ গতির নৌযানের,
ফাল্জ্বা-রিয়া-তি ইয়ুস্রন্।
অতঃপর মৃদুগতিতে চলমান নৌযানসমূহের,
শপথ কাজ বণ্টনকারী (ফেরেশতা)দের,
ফাল্ মুক্বাস্সিমা-তি আম্রান্।
অতঃপর [আল্লাহর] নির্দেশ বণ্টনকারী ফেরেশতাগণের।
তোমাদের যে ওয়াদা দেয়া হয়েছে তা অবশ্য অবশ্যি সত্য।
ইন্নামা-তূআদূনা লাছোয়া-দিক্ব।
তোমরা যে ওয়াদাপ্রাপ্ত হয়েছ তা অবশ্যই সত্য।
প্রতিফল দিবস অবশ্যি সংঘটিত হবে।
অ ইন্নাদ্দীনা লাওয়া-ক্বিউ'ন্।
নিশ্চয় প্রতিদান অবশ্যম্ভাবী।
শপথ অনেক পথ বিশিষ্ট আসমানের,
অস্সামা - য়ি যা-তিল্ হুবুকি।
কসম সৌন্দর্যমন্ডিত আকাশের
নিশ্চয়ই তোমরা লিপ্ত (আল্লাহর রসূল ও কুরআন সম্পর্কে) পরস্পর বিরোধী কথাবার্তায়।
ইন্নাকুম্ লাফী ক্বওলিম্ মুখ্তালিফিঁ।
নিশ্চয় তোমরা মতবিরোধপূর্ণ কথায় লিপ্ত।
তা থেকে (কুরআন থেকে) মুখ ফিরিয়ে নেয় তো ঐ ব্যক্তি যে সত্যভ্রষ্ট।
ইয়ুফাকু 'আন্হু মান্ উফিক্।
যে পথভ্রষ্ট হয়েছে তাকেই তা থেকে ফিরিয়ে নেয়া হয়েছে।
মিথ্যাবাদীরা মারা পড়েছে,
কুতিলাল্ র্খরা-ছূনা।
মিথ্যাচারীরা ধ্বংস হোক!
যারা নিমজ্জিত অজ্ঞতা আর উদাসীনতায়।
অল্লাযীনা হুম্ ফী গম্রাতিন্ সা-হূনা।
যারা সন্দেহ-সংশয়ে নিপতিত, উদাসীন।
তারা তোমাকে জিজ্ঞাসা করে, কবে আসবে প্রতিদান দিবস?
ইয়াস্য়ালূনা আইয়্যা-না ইয়াওমুদ্দীন্ ।
তারা জিজ্ঞাসা করে, ‘প্রতিদান দিবস’ কবে’?
সেদিন আসবে প্রতিদান দিবস, যেদিন তাদের শাস্তি দেয়া হবে জাহান্নামে।
ইয়াওমা হুম্ 'আলান্না-রি ইয়ুফ্তানূ ন্।
‘যে দিন তারা অগ্নিতে সাজাপ্রাপ্ত হবে’।
তোমরা আস্বাদন করো তোমাদের শাস্তি। এই আযাবই তোমরা দ্রুত চেয়েছিলে।
যূকু ফিত্নাতাকুম্ হা-যাল্লাযী কুন্তুম্ বিহী তাস্তা'জ্বিলূন্।
বলা হবে, ‘তোমাদের আযাব আস্বাদন কর, এটিতো ‘তোমরা ত্বরান্বিত করতে চেয়েছিলে।’
মুত্তাকিরা থাকবে জান্নাতে আর ঝরণা ধারায়,
ইন্নাল্ মুত্তাক্বীনা ফী জ্বান্না- তিঁও ওয়াউ'ইয়ূনিন্।
নিশ্চয় মুত্তাকীরা থাকবে জান্নাতসমূহে ও ঝর্ণাধারায়,
তারা সেখানে উপভোগ করবে তাদের প্রভুর দেয়া নিয়ামতরাজি। কারণ ইতোপূর্বে (পৃথিবীর জীবনে) তারা ছিলো কল্যাণপরায়ণ পুণ্যবান।
আ-খিযীনা মা য় আ-তা-হুম্ রব্বুহুম্ ইন্নাহুম্ কা-নূ ক্বব্লা যা-লিকা মুহ্সিনীন্।
তাদের রব তাদের যা দিবেন তা তারা খুশীতে গ্রহণকারী হবে। ইতঃপূর্বে এরাই ছিল সৎকর্মশীল।
তারা রাতের সামান্য অংশই ব্যয় করতো নিদ্রায়,
কা-নূ ক্বলীলাম্ মিনাল্ লাইলি মা-ইয়াহ্জ্বা'ঊন্।
রাতের সামান্য অংশই এরা ঘুমিয়ে কাটাতো।
শেষ রাতে তারা ক্ষমা প্রার্থনা করতো,
অবিল্ আস্হা-রি হুম্ ইয়াস্ তাগ্ফিরূন্।
আর রাতের শেষ প্রহরে এরা ক্ষমা চাওয়ায় রত থাকত।
তাদের অর্থ - সম্পদে ছিলো অধিকার সাহায্যপ্রার্থী এবং বঞ্চিতদের।
অফী য় আম্ওয়া-লিহিম্ হাককুল্ লিস্সা - য়িলি অল্ মাহ্রূম্।
আর তাদের ধনসম্পদে রয়েছে প্রার্থী ও বঞ্চিতের হক।
পৃথিবীতেই রয়েছে নিদর্শন বিশ্বাসীদের জন্যে,
অফিল্ র্আদ্বি আ-ইয়া-তু ল্লিল্ মূ ক্বিনীন।
সুনিশ্চিত বিশ্বাসীদের জন্য যমীনে অনেক নিদর্শন রয়েছে।
এবং তোমাদের নিজেদের মধ্যেও। তোমরা কি ভেবে দেখবে না?
অফী য় আন্ফুসিকুম্ আফালা-তুব্সিরূন্।
তোমাদের নিজদের মধ্যেও। তোমরা কি চক্ষুষ্মান হবে না?
আর তোমাদের জীবিকা রয়েছে আসমানে এবং তোমাদের যা কিছুর ওয়াদা দেয়া হয়েছে সেগুলোও।
অ ফিস্ সামা - য়ি রিয্ক্বুকুম্ অমা-তূ'আদূন্ ।
আকাশে রয়েছে তোমাদের রিয্ক ও প্রতিশ্রুত সব কিছু।
আকাশ ও পৃথিবীর প্রভুর শপথ, তোমাদের পারস্পরিক কথাবার্তার মতোই এ (কুরআন) এক মহাসত্য।
ফা ওয়া রব্বিস্ সামা - য়ি অল্ র্আদ্বি ইন্নাহূ লাহাককুম্ মিছ্লা মা য় আন্নাকুম্ তান্ত্বিকুন্ ।
অতএব আসমান ও যমীনের রবের কসম, তোমরা যে কথা বলে থাক তার মতই এটি সত্য।
তোমার কাছে কি এসেছে ইবরাহিমের সম্মানিত মেহমানদের ঘটনা?
হাল্ আতা-কা হাদীছু দ্বোয়াইফি ইব্রা-হীমাল্ মুক্রমীন্।
তোমার কাছে কি ইবরাহীমের সম্মানিত মেহমানদের বৃত্তান্ত এসেছে?
তারা যখন তার ঘরে প্রবেশ করেছিল, বলেছিল: ‘সালাম।’ জবাবে সেও বলেছিল: ‘সালাম।’ সে আরো বলেছিল: আপনারা তো অপরিচিত লোক!’
ইয্ দাখালূ 'আলাইহি ফাক্ব-লূ সালা-মা- ক্ব-লা সালা-মুন্ ক্বওমুম্ মুন্কারূন্।
যখন তারা তার কাছে আসল এবং বলল, ‘সালাম’, উত্তরে সেও বলল, ‘সালাম’। এরা তো অপরিচিত লোক।
তখন সে তার পরিবারের (স্ত্রীর) কাছে ছুটে গেলো এবং একটি মাংসল গো - ভুনা করে নিয়ে এলো।
ফার-গা ইলা য় আহ্লিহী ফাজ্বা - য়া বি'ইজ্ব্ লিন্ সামীনিন্।
অতঃপর সে দ্রুত চুপিসারে নিজ পরিবারবর্গের কাছে গেল এবং একটি মোটা-তাজা গো- (ভাজা) নিয়ে আসল।
সেটি তাদের কাছে রাখলো। তারপর বললো: ‘আপনারা খাচ্ছেন না যে?’
ফার্ক্বারবাহূ য় ইলাইহিম্ ক্ব-লা আলা-তাকুলূন্।
অতঃপর সে তা তাদের সামনে পেশ করল এবং বলল, ‘তোমরা কি খাবে না?’
এতে করে তাদের ব্যাপারে তার মনে ভয়ের সঞ্চার হয়। তখন তারা বললো: ‘আপনি ভয় পাবেন না।’ তারা তাকে সুসংবাদ দিলো এক জ্ঞানী পুত্র সন্তানের।
ফাআওজ্বাছা মিন্হুম্ খীফাহ্ ক্ব-লূ লা-তাখফ্ অবাশ্শারূহু বিগুলা-মিন্ 'আলীম্।
এতে তাদের সম্পর্কে সে মনে মনে ভীত হল। তারা বলল, ‘ভয় পেয়োনা, তারা তাকে এক বিদ্বান পুত্র সন্তানের সুসংবাদ দিল’।
তখন তার স্ত্রী চীৎকার করতে করতে সামনে এগিয়ে এলো এবং গাল চাপড়িয়ে বললো: ‘এই বৃদ্ধার সন্তান হবে?’
ফাআকবালাতিম্ রায়াতুহূ ফী ছোর্য়ারতিন্ ফাছোয়াক্কাত্ অজ্ব হাহা-ওয়া ক্বা-লাত্ 'আজ্বু যুন্ 'আক্বীম্।
তখন তার স্ত্রী চিৎকার করতে করতে এগিয়ে আসল এবং নিজ মুখ চাপড়িয়ে বলল, ‘বৃদ্ধা-বন্ধ্যা’।
তারা বললো: ‘আপনার প্রভু একথাই বলেছেন, তিনি প্রজ্ঞাবান সর্বজ্ঞানী।’
ক্ব-লূ কাযা-লিকি ক্ব-লা রব্বুক্ ইন্নাহূ হুওয়াল্ হাকীমুল্ 'আলীম্। মুজ্ব রিমীন্।
তারা বলল, ‘তোমার রব এরূপই বলেছেন। নিশ্চয়ই তিনি প্রজ্ঞাময়, সর্বজ্ঞ’।
ইবরাহিম বললো: ‘হে প্রেরিত ফেরেশতারা! আপনারা বিশেষ কী দায়িত্ব নিয়ে এসেছেন?’
কলা ফামা হাতুবকুম আইয়ূহাল মুরসালুন
ইবরাহীম বলল, ‘হে প্রেরিত ফেরেশতাগণ, তোমাদের উদ্দেশ্য কী?
তারা বললো: ‘‘আমাদের পাঠানো হয়েছে অপরাধী (লুত) সম্প্রদায়ের প্রতি
কলু ইন্না আরসালনা ইলা কাউমিম মুজরিমিন
তারা বলল, ‘আমরা এক অপরাধী কওমের প্রতি প্রেরিত হয়েছি’।
তাদের উপর পোড়া মাটির ঢিল নিক্ষেপ করার জন্যে,
লির্নুসিলা 'আলাইহিম্ হিজ্বা-রতাম্ মিন্ ত্বীন্।
‘যাতে তাদের উপর মাটির শক্ত ঢেলা নিক্ষেপ করি’।
সেগুলো সীমালংঘনকারীদের জন্যে চিহ্নিত আপনার প্রভুর পক্ষ থেকে।
মুসাওয়ামাতান্ 'ইন্দা রব্বিকা লিল্মুস্রিফীন্।
‘যা তোমার রবের পক্ষ থেকে চিহ্নিত সীমালংঘনকারীদের জন্য’।
সেখানে যারা ছিলো তাদেরকে আমরা বের করে এনেছিলাম,
ফাআখ্রাজ্ব না-মান্ কা-না ফীহা-মিনাল্ মুমিনীন্।
অতঃপর সেখানে যেসব ছিল আমি তাদেরকে বের করে নিয়ে আসলাম।
আর সেখানে আমরা একটির বেশি মুসলিম পরিবার পাইনি।’’
ফামা-অজ্বাদ্না-ফীহা-গইরা বাইতিম্ মিনাল্ মুস্লিমীন্।
তবে আমি সেখানে একটি বাড়ী ছাড়া কোন মুসলমান পাইনি।
যারা যন্ত্রণাদায়ক আযাবকে ভয় করে, তাদের জন্যে আমরা সেখানে একটি নিদর্শন রেখেছি।
অতারক্না-ফীহা য় আ-ইয়াতাল্ লিল্লাযীনা ইয়াখ-ফূনাল্ 'আযা-বাল্ আলীম্।
আর আমি তাদের জন্য সেখানে একটি নিদর্শন রেখেছি যারা যন্ত্রণাদায়ক আযাবকে ভয় করে ।
নিদর্শন রেখেছি আমরা মূসার ঘটনাতেও, যখন আমরা তাকে পাঠিয়েছিলাম ফেরাউনের কাছে সুস্পষ্ট প্রমাণ নিয়ে।
অফী মূসা য় ইয্ র্আসাল্না-হু ইলা-র্ফি'আউনা বিসুল্ত্বোয়া-নিম্ মুবীন্।
আর মূসার কাহিনীতেও নিদর্শন রয়েছে, যখন আমি তাকে সুস্পষ্ট প্রমাণসহ ফির‘আউনের কাছে পাঠিয়েছিলাম।
তখন সে (ফেরাউন) ক্ষমতার দম্ভে মুখ ফিরিয়ে নিয়ে বলেছিল: ‘এতো একজন ম্যাজেসিয়ান, কিংবা পাগল।’
ফাতাওয়াল্লা বিরুক্নিহী অক্ব-লা সা-হিরুন্ আও মাজ্ব নূন্।
কিন্তু সে তার দলবলসহ মুখ ফিরিয়ে নিল এবং বলল, ‘এ ব্যক্তি যাদুকর অথবা উম্মাদ।’
ফলে আমরা পাকড়াও করেছিলাম তাকে এবং তার বাহিনীকে এবং তাদের নিক্ষেপ করেছিলাম সমুদ্রে। সে এক তিরস্কারযোগ্য ব্যক্তি।
ফাআখায্না-হু অজ্বুনূদাহূ ফানাবায্না-হুম্ ফিল্ ইয়াম্মি অহুওয়া মুলীম্।
ফলে আমি তাকে ও তার সৈন্য-সামন্তকে পাকড়াও করলাম। অতঃপর তাদেরকে সমুদ্রে নিক্ষেপ করলাম। সে তো ছিল তিরস্কৃত।
নিদর্শন রয়েছে আদ সম্প্রদায়ের ঘটনাতেও। আমরা তাদের উপর পাঠিয়েছিলাম এক বন্ধ্যা ঝড়।
অফী 'আ-দিন্ ইয্ র্আসাল্না- 'আলাইহিমরি রীহাল্ 'আক্বীম্।
আর ‘আদ জাতির ঘটনায়ও (নিদর্শন রয়েছে), যখন আমি তাদের উপর প্রেরণ করেছিলাম অমঙ্গলজনক বায়ু।
তা যা কিছুর উপর দিয়ে বয়ে গিয়েছিল, সবই ধূলিস্যাত করে দিয়েছিল।
মা-তাযারু মিন্ শাইয়িন্ আতাত্ 'আলাইহি ইল্লা-জ্বা'আলাত্হু র্কারমীম্।
ঐ বায়ু যার উপরে এসেছিল তাকে রেখে যায়নি, বরং সবকিছুকে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দিয়েছিল।
সামুদ সম্প্রদায়ের ঘটনাতেও রয়েছে নিদর্শন। তাদের বলা হয়েছিল: ‘সামান্য ক’দিন ভোগ করে নাও।’
অফী ছামূদা ইয্ ক্বীলা লাহুম্ তামাত্তাঊ' হাত্তা-হীন্।
আর সামূদ জাতির ঘটনায়ও (নিদর্শন রয়েছে)। যখন তাদেরকে বলা হয়েছিল, ‘একটি নির্দিষ্ট কাল পর্যন্ত ভোগ করে নাও’।
কিন্তু তারা অমান্য করে তাদের প্রভুর নির্দেশ। ফলে তাদের পাকড়াও করে প্রচন্ড বজ্রাঘাত এবং তারা তা দেখছিল।
ফা'আতাও 'আন্ আম্রি রব্বিহিম্ ফাআখযাত্ হুমুছ্ ছোয়া-'ইক্বতু অহুম্ ইয়ান্জুরূন্।
অতঃপর তারা তাদের রবের আদেশ সম্পর্কে ঔদ্ধত্য প্রকাশ করল। ফলে বজ্রাঘাত তাদেরকে পাকড়াও করল, আর তারা তা দেখছিল।
তারা উঠেও দাঁড়াতে পারেনি এবং প্রতিরোধও করতে পারেনি।
ফামাস্ তাত্বোয়া-'ঊ মিন্ ক্বিয়া-মিঁও অমা-কা-নূ মুন্তাছিরীন্।
অতঃপর তারা উঠে দাঁড়াতে পারল না এবং প্রতিরোধও করতে পারল না।
আরো আগে আমরা ধ্বংস করে দিয়েছিলাম নূহের জাতিকেও। তারা ছিলো এক ফাসিক (সীমালংঘনকারী সত্যত্যাগী) জাতি।
অক্বওমা নূহিম্ মিন্ ক্বব্ল্ ইন্নাহুম্ ক্বা-নূ ক্বওমান্ ফা-সিক্বীন্।
আর ইতঃপূর্বে নূহের কওমকেও (আমি ধ্বংস করে দিয়েছিলাম)। নিশ্চয় তারা ছিল ফাসিক কওম।
আমরা আকাশ বানিয়েছি শক্ত হাতে এবং নিশ্চয়ই আমরা এর বিস্তৃতি সম্প্রসারণ করতে সক্ষম।
অস্সামা - য়া বানাইনা-হা- বিআইদিঁও অইন্না লামূসি'ঊন্।
আর আমি হাতসমূহ দ্বারা আকাশ নির্মাণ করেছি এবং নিশ্চয় আমি শক্তিশালী।
আর পৃথিবীকে আমরা বিছিয়ে দিয়েছি, কতো যে উত্তম প্রসারণকারী আমরা!
অল্র্আদ্বোয়া ফারশ্না-হা- ফানি'মাল্ মা-হিদূন্।
আর আমি যমীনকে বিছিয়ে দিয়েছি। আমি কতইনা সুন্দর বিছানা প্রস্তুতকারী!
প্রতিটি বস্ত্তকে আমরা সৃষ্টি করেছি জোড়ায় জোড়ায়, যাতে করে তোমরা শিক্ষা গ্রহণ করো।
অমিন্ কুল্লি শাইয়িন্ খলাকনা-যাওজ্বাইনি লা'আল্লাকুম্ তাযাক্কারূন্।
আর প্রত্যেক বস্তু থেকে আমি জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্টি করেছি। আশা করা যায়, তোমরা উপদেশ গ্রহণ করবে।
অতএব তোমরা দৌড়াও আল্লাহর দিকে, আমি তোমাদের প্রতি আল্লাহর পক্ষ থেকে এক সুস্পষ্ট সতর্ককারী।
ফার্ফিরূ য় ইলাল্লা-হ্ ইন্নী লাকুম্ মিন্হু নাযীরুম্ মুবীন্।
অতএব তোমরা আল্লাহর দিকে ধাবিত হও। আমি তো তাঁর পক্ষ থেকে তোমাদের জন্য এক স্পষ্ট সতর্ককারী।
তোমরা আল্লাহর সাথে অপর কোনো ইলাহ্ সাব্যস্ত করোনা। আমি তাঁর পক্ষ থেকে তোমাদের জন্যে এক সুস্পষ্ট সতর্ককারী।
অলা- তাজ্ব 'আলূ মা'আল্লা-হি ইলা-হান্ আ-র্খ ইন্নী লাকুম্ মিন্হু নাযীরুম্ মুবীন্।
আর তোমরা আল্লাহর সাথে কোন নির্ধারণ করো না; আমি তাঁর পক্ষ থেকে তোমাদের জন্য এক স্পষ্ট সতর্ককারী।
এভাবে তাদের আগেকার লোকদের কাছেও যখনই কোনো রসূল এসেছিল, তারা তাকে বলেছিল: ‘তুমি একজন ম্যাজেসিয়ান কিংবা পাগল।’
কাযা-লিকা মা য় আতাল্ লাযীনা মিন্ ক্বব্লিহিম্ র্মি রসূলিন্ ইল্লা-ক্ব-লূ সা-হিরুন্ আও মাজ্বনূন্।
এভাবে তাদের পূর্ববর্তীদের মধ্য থেকে যে রাসূলই এসেছে, তারা বলেছে, ‘এ তো একজন যাদুকর অথবা উন্মাদ।’
তারা কি একে অপরকে (ধারাবাহিকভাবে) এই অসিয়তই করে আসছে? আসলে তারা একটি সীমালংঘনকারী কওম।
আতাওয়া ছোয়াও বিহী বাল্ হুম্ ক্বওমুন্ ত্বোয়া-গূন্।
তারা কি একে অন্যকে এ বিষয়ে ওসিয়াত করেছে? বরং তারা সীমালংঘনকারী কওম।
সুতরাং তুমি তাদের উপেক্ষা করো। এর জন্যে তুমি তিরস্কৃত হবেনা।
ফাতাওয়াল্লা 'আনহুম্ ফামা য় আন্তা বিমালূম্।
অতএব, তুমি ওদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নাও, এতে তুমি তিরস্কৃত হবে না।
তুমি উপদেশ দিতে থাকো। কারণ, উপদেশ মুমিনদের উপকারে আসে।
অযার্ক্কি ফাইন্নায্ যিক্রা তান্ফা'উল্ মু”মিনীন্।
এবং উপদেশ দিতে থাক, কারণ উপদেশ মুমিনদের উপকারে আসে।
আমরা জিন এবং ইনসানকে এজন্যেই সৃষ্টি করেছি যে, তারা একমাত্র আমারই ইবাদত করবে।
অমা-খলাকতুল্ জ্বিন্না অল্ ইন্সা ইল্লা-লিইয়া'বুদূন্।
আর জিন ও মানুষকে কেবল এজন্যই সৃষ্টি করেছি যে তারা আমার ইবাদাত করবে।
আমি তো তাদের কাছে রিযিক চাইনা এবং এটাও চাইনা যে, তারা আমাকে খাবার খাওয়াবে।
মা য় উরীদু মিন্হুম্ র্মি রিয্ক্বিঁও অমা য় উরীদু আইঁ ইয়ুত্ব্ 'ইমূন্।
আমি তাদের কাছে কোন রিয্ক চাই না; আর আমি চাই না যে, তারা আমাকে খাবার দিবে।
নিশ্চয়ই রাজজাক (রিযিক সরবরাহকারী) তো হলেন এবং তিনি মহাশক্তিধর, প্রবল পরাক্রান্ত।
ইন্নাল্লা-হা হুওর্য়া রয্যা-কু যুল্ কুওয়্যাতিল্ মাতীন্।
নিশ্চয় আল্লাহই রিয্কদাতা, তিনি শক্তিধর, পরাক্রমশালী।
যালিমদের ভাগ্যে তাই রয়েছে, অতীতে তাদের সমমতের লোকেরা যা ভোগ করেছিল। ফলে তারা যেনো তাড়াহুড়া না করে।
ফাইন্না লিল্লাযীনা জোয়ালামূ যানূবাম্ মিছ্লা যানূবি আছ্হা-বিহিম্ ফালা-ইয়াস্তা'জ্বিলূন্।
যারা যুলম করেছে তাদের জন্য রয়েছে তাদের সমমনাদের অনুরূপ আযাব; সুতরাং তারা যেন আমার কাছে (আযাবের) তাড়াহুড়া না করে।
কাফিরদের জন্যে রয়েছে সেই দিনের দুর্ভোগ, যার ওয়াদা তাদের দেয়া হয়েছে।
ফাওয়াইলুল লিল্লাযীনা কাফারূ মিঁই ইয়াওমিহিমুল্ লাযী ইয়ূ'আদূন্।
অতএব, যারা করে তাদের জন্য ধ্বংস সেদিনের যেদিনের ওয়াদা তাদেরকে দেয়া হয়েছে।