Kitab

আত্ তাহরিম (হারাম বা নিষিদ্ধ করা)

Chapter 66, 12 verses

  • আবদুস শহীদ নাসিম
  • বাংলা উচ্চারণ
  • মুহিউদ্দীন খান
About this chapter


মদিনায় অবতীর্ণ, আয়াত সংখ্যা: ১২, রুকু সংখ্যা: ০২

এই সূরার আলোচ্যসূচি

আয়াতআলোচ্য বিষয় ০১-০২হালালকে হারাম করার অধিকার নবীর নেই। শপথের বিধান। ০৩-০৫নবীর স্ত্রীদের প্রতি উপদেশ। ০৬-০৮মুমিনদের প্রতি উপদেশ। ০৯-১২নবীর প্রতি কাফির ও মুনাফিকদের বিরুদ্ধে কঠোর হওয়ার নির্দেশ। কাফিরদের জন্যে উপমা নূহ ও লুতের স্ত্রী। মুমিনদের জন্যে উপমা ফিরাউনের স্ত্রী ও মরিয়ম।
আবদুস শহীদ নাসিম

হে নবী! তোমার জন্যে যা হালাল করেছেন, তুমি কেন তা হারাম করছো? তুমি কি তোমার স্ত্রীদের সন্তুষ্টি চাইছো। পরম ক্ষমাশীল দয়াবান।

বাংলা উচ্চারণ

বিসমিল্লাহির রাহমা-নির রাহি-ম ইয়া য় আইয়্যুহান্নাবিয়্যু লিমা-তুর্হারিমু মা য় আহাল্লাল্লা-হু লাকা তাব্তাগী র্মাদ্বোয়া-তা আয্ওয়া-জ্বিক্ অল্লা-হু গফূর্রু রহীম্।

মুহিউদ্দীন খান

হে নবী, আপনার জন্যে যা হালাল করছেন, আপনি আপনার স্ত্রীদেরকে খুশী করার জন্যে তা নিজের জন্যে হারাম করেছেন কেন? ক্ষমাশীল, দয়াময়।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমাদের জন্যে কসম থেকে মুক্তি লাভের বিধান দিয়েছেন, কারণ তিনি তোমাদের মাওলা (অভিভাক) এবং তিনি মহাজ্ঞানী, মহাপ্রজ্ঞাবান।

বাংলা উচ্চারণ

ক্বদ্ ফারাদ্বোয়াল্লা-হু লাকুম্ তাহিল্লাতা আইমা-নিকুম্ অল্লা-হু মাওলা-কুম্ অহুওয়াল্ 'আলী মুল্ হাকীম্।

মুহিউদ্দীন খান

তোমাদের জন্যে কসম থেকে অব্যহতি লাভের উপায় নির্ধারণ করে দিয়েছেন। তোমাদের মালিক। তিনি সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।

আবদুস শহীদ নাসিম

স্মরণ করো, নবী তার কোনো একজন স্ত্রীকে গোপনে একটি কথা বলেছিল। তার সে (স্ত্রী) যখন তা অন্যজনকে বলে দিয়েছিল এবং নবীকে তা জানিয়ে দিয়েছিলেন, তখন নবী এ বিষয়ে কিছু কথা ব্যক্ত করলো আর কিছু ব্যক্ত করতে উপেক্ষা করলো। নবী যখন তা তাঁর সেই স্ত্রীকে জানালো, তখন সে বললো: ‘কে আপনাকে এটা অবহিত করেছে?’ সে বললো: ‘আমাকে তা জানিয়ে দিয়েছেন তিনি, যিনি সর্বজ্ঞানী এবং সব বিষয়ে অবহিত।’

বাংলা উচ্চারণ

অইয্ আর্সারন্নাবিয়্যু ইলা-বা'দ্বি আয্ওয়া-জ্বিহী হাদীছান্ ফালাম্মা-নাব্বায়াত্ বিহী অ-আজ্হারহুল্লা-হু 'আলাইহি 'র্আরফা বা'দ্বোয়াহূ অআ'রদ্বোয়া 'আম্ বা'দ্বিন্ ফালাম্মা-নাব্বায়াহা বিহী ক্বলাত্ মান্ আম্বায়াকা হা-যা ক্ব-লা নাব্বায়ানিয়াল্ 'আলীমুল্ খর্বী।

মুহিউদ্দীন খান

যখন নবী তাঁর একজন স্ত্রীর কাছে একটি কথা গোপনে বললেন, অতঃপর স্ত্রী যখন তা বলে দিল এবং নবীকে তা জানিয়ে দিলেন, তখন নবী সে বিষয়ে স্ত্রীকে কিছু বললেন এবং কিছু বললেন না। নবী যখন তা স্ত্রীকে বললেন, তখন স্ত্রী বললেনঃ কে আপনাকে এ সম্পর্কে অবহিত করল? নবী বললেন,ঃ যিনি সর্বজ্ঞ, ওয়াকিফহাল, তিনি আমাকে অবহিত করেছেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

যদি তোমরা দুজনেই (নবীর সেই দুই স্ত্রী) আল্লাহর দিকে তওবা করে (অনুতপ্ত হয়ে) ফিরে আসো তবে ভালো, কারণ তোমাদের অন্তর তো ঝুঁকে পড়েছে। কিন্তু তোমরা যদি নবীর বিরুদ্ধে পরস্পরকে সহযোগিতা করো, তবে জেনে রাখো, তার (নবীর) মাওলা এবং জিবরিল আর পুণ্যবান মুমিনরাও তার সাহায্যকারী। তাছাড়া ফেরেশতারা তো তার সাহায্যকারী আছেই।

বাংলা উচ্চারণ

ইন্ তাতূ বা য় ইলাল্লা-হি ফাক্বদ্ ছোয়াগাত্ কুলূবুকুমা-অ ইন্ তাজোয়া-হার 'আলাইহি ফাইন্নাল্লা-হা হুওয়া মাওলা-হু অজ্বিব্রীলু অছোয়া-লিহুল্ মু”মিনীনা অল্ মালা-য়িকাতু বা'দা যা-লিকা জোয়ার্হী।

মুহিউদ্দীন খান

তোমাদের অন্তর অন্যায়ের দিকে ঝুঁকে পড়েছে বলে যদি তোমরা উভয়ে তওবা কর, তবে ভাল কথা। আর যদি নবীর বিরুদ্ধে একে অপরকে সাহায্য কর, তবে জেনে রেখ জিবরাঈল এবং সৎকর্মপরায়ণ মুমিনগণ তাঁর সহায়। উপরন্তুত ফেরেশতাগণও তাঁর সাহায্যকারী।

আবদুস শহীদ নাসিম

নবী যদি তোমাদের সবাইকে তালাক দিয়ে দেয়, তবে তার প্রভু অবশ্যি তোমাদের বদলে তাকে দেবেন তোমাদের চাইতেও উত্তম স্ত্রী, যারা হবে আত্মসমর্পিত, মুমিনা, অনুগত, তাওবাকারী, ইবাদতকারী, সিয়াম পালনকারী, অকুমারী এবং কুমারী।

বাংলা উচ্চারণ

'আসা- রব্বুহূ য় ইন্ ত্বোয়াল্লাক্বকুন্না আইঁ ইয়ুব্দি লাহূ য় আয্ওয়া-জ্বান্ খইরাম্ মিন্কুন্না মুস্লিমা -তিম্ মু”মিনা-তিন্ ক্ব-নিতা-তিন্ তা-য়িবা-তিন্ 'আ-বিদা-তিন্ সা-য়িহা-তিন্ ছাইয়িবা-তিঁও অ আব্কা-র-।

মুহিউদ্দীন খান

যদি নবী তোমাদের সকলকে পরিত্যাগ করেন, তবে সম্ভবতঃ তাঁর পালনকর্তা তাঁকে পরিবর্তে দিবেন তোমাদের চাইতে উত্তম স্ত্রী, যারা হবে আজ্ঞাবহ, , নামাযী তওবাকারিণী, এবাদতকারিণী, রোযাদার, অকুমারী ও কুমারী।

আবদুস শহীদ নাসিম

হে লোকেরা ! তোমরা নিজেদেরকে এবং নিজেদের পরিবারবর্গকে রক্ষা করো জাহান্নাম থেকে, যার জ্বালানি হবে মানুষ আর পাথর (ভাষ্কর্য, মূর্তি), তার তত্ত্বাবধানে নিয়োজিত রয়েছে এমন সব ফেরেশতা, যারা শক্ত হৃদয় আর কঠোর স্বভাবের। তারা অমান্য করেনা তাদেরকে যা নির্দেশ দেয়া হয়। যা নির্দেশ দেয়া হয় তারা তাই করে।

বাংলা উচ্চারণ

ইয়া য় আইয়্যুহাল্লাযীনা আ-মানূ কু য় আন্ফুসাকুম্ অআহ্লীকুম্ না-রঁও অকু দুহান্ না-সু অল্হিজ্বা-রতু 'আলাইহা-মালা-য়িকাতুন্ গিলা-জুন্ শিদাদুল্লা-ইয়া'ছূনাল্লা-হা মা য় আমারহুম্ অইয়াফ্'আলূনা মা-ইয়ু”মারূন্।

মুহিউদ্দীন খান

মুমিনগণ, তোমরা নিজেদেরকে এবং তোমাদের পরিবার - পরিজনকে সেই অগ্নি থেকে রক্ষা কর, যার ইন্ধন হবে মানুষ ও প্রস্তর, যাতে নিয়োজিত আছে পাষাণ হৃদয়, কঠোরস্বভাব ফেরেশতাগণ। তারা তা’আলা যা আদেশ করেন, তা অমান্য করে না এবং যা করতে আদেশ করা হয়, তাই করে।

আবদুস শহীদ নাসিম

হে কাফিররা! তোমরা আজ কোনো ওযর পেশ করোনা। অবশ্যি আজ তোমাদের প্রতিফল দেয়া হবে তোমাদের কাজ অনুযায়ী।

বাংলা উচ্চারণ

ইয়া য় আইয়্যুহাল্ লাযীনা কাফারূ লা-তা'তাযিরুল্ ইয়াওম্ ইন্নামা-তুজযাওনা মা-কুন্তুম্ তা'মালূন্।

মুহিউদ্দীন খান

হে সম্প্রদায়, তোমরা আজ ওযর পেশ করো না। তোমাদেরকে তারই প্রতিফল দেয়া হবে, যা তোমরা করতে।

আবদুস শহীদ নাসিম

হে লোকেরা! তোমরা তওবা করো (অনুতপ্ত হয়ে ফিরে আসো) আল্লাহর দিকে শুদ্ধ একনিষ্ঠ তওবা। তাহলে অবশ্যি তোমাদের প্রভু তোমাদের থেকে মুছে দেবেন তোমাদের পাপসমূহ এবং তোমাদের দাখিল করবেন জান্নাতে, যার নিচে দিয়ে বহমান থাকবে নদ নদী নহর। সেদিন অপমানিত করবেন না তাঁর নবীকে এবং তাঁর সাথে যারা ঈমান এনেছে তাদেরকে। তাদের নূর সায়ী করবে (দৌড়াবে) তাদের সামনে দিয়ে এবং ডানে দিয়ে। তারা বলবে, আমাদের প্রভু! আমাদের জন্যে পূর্ণ করে দাও (জান্নাতে পৌঁছা পর্যন্ত) আমাদের নূর এবং ক্ষমা করে দাও আমাদের। নিশ্চয়ই তুমি প্রতিটি বিষয়ে সর্বশক্তিমান।

বাংলা উচ্চারণ

ইয়া য় আইয়্যুহাল্ লাযীনা আ-মানূ তূবূ য় ইলাল্লা-হি তাওবাতান্নাছূহা- 'আসা-রব্বুকুম্ আইঁ ইয়ুকাফ্ফির 'আন্কুম্ সাইয়িয়া-তিকুম্ অইয়ুদ্খিলাকুম্ জ্বান্না-তিন্ তাজরি মিন্ তাহ্তিহাল্ আন্হা-রু ইয়াওমা লা-ইয়ুখ্যিল্লা-হুন্ নাবিইয়া অল্লাযীনা আ-মানূ মা'আহূ নূরুহুম্ ইয়াস্'আ-বাইনা আইদীহিম্ অবিআইমা নিহিম্ ইয়াকুলূনা রব্বানা য় আত্মিম্ লানা-নূরানা- ওয়ার্গ্ফি লানা- ইন্নাকা 'আলা-কুল্লি শাইয়িন্ ক্বর্দীর।

মুহিউদ্দীন খান

মুমিনগণ! তোমরা তা’আলার কাছে তওবা কর - আন্তরিক তওবা। আশা করা যায়, তোমাদের পালনকর্তা তোমাদের মন্দ কর্মসমূহ মোচন করে দেবেন এবং তোমাদেরকে দাখিল করবেন জান্নাতে, যার তলদেশে নদী প্রবাহিত। সেদিন নবী এবং তাঁর সহচরদেরকে অপদস্থ করবেন না। তাদের নূর তাদের সামনে ও ডানদিকে ছুটোছুটি করবে। তারা বলবেঃ হে আমাদের পালনকর্তা, আমাদের নূরকে পূর্ণ করে দিন এবং আমাদেরকে ক্ষমা করুন। নিশ্চয় আপনি সবকিছুর উপর সর্ব শক্তিমান।

আবদুস শহীদ নাসিম

হে নবী! জিহাদ করো এবং মুনাফিকদের বিরুদ্ধে এবং কঠোর হও তাদের প্রতি। তাদের আশ্রয় হবে জাহান্নাম এবং সেটা কতো যে নিকৃষ্ট প্রত্যাবর্তনের জায়গা!

বাংলা উচ্চারণ

ইয়া য় আইয়্যুহান্নাবিয়্যু জ্বা-হিদিল্ কুফ্ফা-রা অল্ মুনা-ফিক্বীনা অগ্লুজ্ 'আলাইহিম্ অমা”ওয়া-হুম্ জ্বাহান্নাম্ অবি”সাল্ মার্ছীর।

মুহিউদ্দীন খান

হে নবী! ও মুনাফিকদের বিরুদ্ধে জেহাদ করুন এবং তাদের প্রতি কঠোর হোন। তাদের ঠিকানা জাহান্নাম। সেটা কতই না নিকৃষ্ট স্থান।

আবদুস শহীদ নাসিম

কাফিরদের জন্যে মেছাল (দৃষ্টান্ত) দিচ্ছেন নূহের স্ত্রীর এবং লুতের স্ত্রীর। তারা ছিলো আমার দুই পুণ্যবান দাসের বিবাহাধীন। কিন্তু দুজনই তাদের প্রতি করেছিল খিয়ানত। ফলে নূহ এবং লুত তাদেরকে আল্লাহর পাকড়াও থেকে রক্ষা করতে পারেনি এবং তাদের বলা হয়েছিল: প্রবেশকারীদের সাথে দাখিল হয়ে যাও জাহান্নামে।

বাংলা উচ্চারণ

দ্বোয়ারবাল্লা-হু মাছালাল্ লিল্লাযীনা কাফারুম্ রয়াতা নূহিঁও অম্রয়াতা লূত্ কা-নাতা তাহ্তা 'আব্দাইনি মিন্ ই'বাদিনা-ছোয়া-লিহাইনি ফাখানাতা-হুমা-ফালাম্ ইয়ুগ্নিয়া-'আন্হুমা-মিনাল্লা-হি শাইয়াঁও অক্বীলাদ্ খলা ন্না-ও মা'আদ্ দা-খিলীন্।

মুহিউদ্দীন খান

তা’আলা কাফেরদের জন্যে নূহ - পত্নী ও লূত - পত্নীর দৃষ্টান্ত বর্ণনা করেছেন। তারা ছিল আমার দুই ধর্মপরায়ণ বান্দার গৃহে। অতঃপর তারা তাদের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করল। ফলে নূহ ও লূত তাদেরকে তা’আলার কবল থেকে রক্ষা করতে পারল না এবং তাদেরকে বলা হলঃ জাহান্নামীদের সাথে জাহান্নামে চলে যাও।

আবদুস শহীদ নাসিম

মুমিনদের জন্যে মেছাল দিচ্ছেন ফেরাউনের স্ত্রীর। সে ফরিয়াদ করেছিল: ‘আমার প্রভু! তোমার সন্নিকটে জান্নাতে আমার জন্যে বানাও একটি ঘর, আর আমাকে নাজাত দাও ফেরাউনের কবল থেকে এবং তার দুষ্কর্ম থেকে, আর আমাকে নাজাত দাও যালিম কওমের কবল থেকে।’

বাংলা উচ্চারণ

অদ্বোয়ারবাল্লা-হু মাছালাল্ লিল্লাযীনা আ-মানুম্ রয়াতা ফির'আউন্। ইয্ ক্ব-লাত্ রব্বিব্নি লী 'ইন্দাকা বাইতান্ ফিল্ জ্বান্নাতি অনাজজ্বিনী মিন্ ফির'আউনা অ 'আমালিহী অনাজজ্বিনী মিনাল্ ক্বওমিজ্ জোয়া-লিমীন।

মুহিউদ্দীন খান

তা’আলা মুমিনদের জন্যে ফেরাউন - পত্নীর দৃষ্টান্ত বর্ণনা করেছেন। সে বললঃ হে আমার পালনকর্তা! আপনার সন্নিকটে জান্নাতে আমার জন্যে একটি গৃহ নির্মাণ করুন, আমাকে ফেরাউন ও তার দুস্কর্ম থেকে উদ্ধার করুন এবং আমাকে যালেম সম্প্রদায় থেকে মুক্তি দিন।

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনি তাদের জন্যে আরো মেছাল দিচ্ছেন ইমরানের কন্যা মরিয়মের, যে রক্ষা করেছিল নিজের সতীত্ব। ফলে আমরা তার মধ্যে ফুঁকে দিয়েছিলাম আমাদের রূহ থেকে। সে তার প্রভুর বাণী এবং তাঁর কিতাবকে সত্যায়ন করেছিল এবং সে ছিলো অনুগতদের একজন।

বাংলা উচ্চারণ

অর্মাইয়ামাব্নাতা 'ইম্র-নাল্ লাতী য় আহ্ছোয়ানাত্ র্ফাজ্বাহা-ফানাফাখ্না- ফীহি র্মি রূহিনা- অছোয়াদ্দাক্বত্ বিকালিমা-তি রব্বিহা-অকুতুবিহী অকা-নাত্ মিনাল্ ক্ব-নিতীন্।

মুহিউদ্দীন খান

আর দৃষ্টান্ত বর্ণনা করেছেন এমরান - তনয়া মরিয়মের, যে তার সতীত্ব বজায় রেখেছিল। অতঃপর আমি তার মধ্যে আমার পক্ষ থেকে জীবন ফুঁকে দিয়েছিলাম এবং সে তার পালনকর্তার বানী ও কিতাবকে সত্যে পরিণত করেছিল। সে ছিল বিনয় প্রকাশকারীনীদের একজন।

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme