শপথ অণু ঝড়ের,
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ وَالذَّارِيَاتِ ذَرْوًا
বিসমিল্লাহির রাহমা-নির রাহি-ম অয্যা-রিয়া-তি র্যাওয়ান্।
Chapter 51, 60 verses
শপথ অণু ঝড়ের,
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ وَالذَّارِيَاتِ ذَرْوًا
বিসমিল্লাহির রাহমা-নির রাহি-ম অয্যা-রিয়া-তি র্যাওয়ান্।
শপথ ভারি পানি বহনকারী মেঘমালার,
فَالْحَامِلَاتِ وِقْرًا
ফাল্হা-মিলা-তি ওয়িকরন্।
শপথ সহজ গতির নৌযানের,
فَالْجَارِيَاتِ يُسْرًا
ফাল্জ্বা-রিয়া-তি ইয়ুস্রন্।
শপথ কাজ বণ্টনকারী (ফেরেশতা)দের,
فَالْمُقَسِّمَاتِ أَمْرًا
ফাল্ মুক্বাস্সিমা-তি আম্রান্।
তোমাদের যে ওয়াদা দেয়া হয়েছে তা অবশ্য অবশ্যি সত্য।
إِنَّمَا تُوعَدُونَ لَصَادِقٌ
ইন্নামা-তূআদূনা লাছোয়া-দিক্ব।
প্রতিফল দিবস অবশ্যি সংঘটিত হবে।
وَإِنَّ الدِّينَ لَوَاقِعٌ
অ ইন্নাদ্দীনা লাওয়া-ক্বিউ'ন্।
শপথ অনেক পথ বিশিষ্ট আসমানের,
وَالسَّمَاءِ ذَاتِ الْحُبُكِ
অস্সামা - য়ি যা-তিল্ হুবুকি।
নিশ্চয়ই তোমরা লিপ্ত (আল্লাহর রসূল ও কুরআন সম্পর্কে) পরস্পর বিরোধী কথাবার্তায়।
إِنَّكُمْ لَفِي قَوْلٍ مُّخْتَلِفٍ
ইন্নাকুম্ লাফী ক্বওলিম্ মুখ্তালিফিঁ।
তা থেকে (কুরআন থেকে) মুখ ফিরিয়ে নেয় তো ঐ ব্যক্তি যে সত্যভ্রষ্ট।
يُؤْفَكُ عَنْهُ مَنْ أُفِكَ
ইয়ুফাকু 'আন্হু মান্ উফিক্।
মিথ্যাবাদীরা মারা পড়েছে,
قُتِلَ الْخَرَّاصُونَ
কুতিলাল্ র্খরা-ছূনা।
যারা নিমজ্জিত অজ্ঞতা আর উদাসীনতায়।
الَّذِينَ هُمْ فِي غَمْرَةٍ سَاهُونَ
অল্লাযীনা হুম্ ফী গম্রাতিন্ সা-হূনা।
তারা তোমাকে জিজ্ঞাসা করে, কবে আসবে প্রতিদান দিবস?
يَسْأَلُونَ أَيَّانَ يَوْمُ الدِّينِ
ইয়াস্য়ালূনা আইয়্যা-না ইয়াওমুদ্দীন্ ।
সেদিন আসবে প্রতিদান দিবস, যেদিন তাদের শাস্তি দেয়া হবে জাহান্নামে।
يَوْمَ هُمْ عَلَى النَّارِ يُفْتَنُونَ
ইয়াওমা হুম্ 'আলান্না-রি ইয়ুফ্তানূ ন্।
তোমরা আস্বাদন করো তোমাদের শাস্তি। এই আযাবই তোমরা দ্রুত চেয়েছিলে।
ذُوقُوا فِتْنَتَكُمْ هَٰذَا الَّذِي كُنتُم بِهِ تَسْتَعْجِلُونَ
যূকু ফিত্নাতাকুম্ হা-যাল্লাযী কুন্তুম্ বিহী তাস্তা'জ্বিলূন্।
মুত্তাকিরা থাকবে জান্নাতে আর ঝরণা ধারায়,
إِنَّ الْمُتَّقِينَ فِي جَنَّاتٍ وَعُيُونٍ
ইন্নাল্ মুত্তাক্বীনা ফী জ্বান্না- তিঁও ওয়াউ'ইয়ূনিন্।
তারা সেখানে উপভোগ করবে তাদের প্রভুর দেয়া নিয়ামতরাজি। কারণ ইতোপূর্বে (পৃথিবীর জীবনে) তারা ছিলো কল্যাণপরায়ণ পুণ্যবান।
آخِذِينَ مَا آتَاهُمْ رَبُّهُمْ ۚ إِنَّهُمْ كَانُوا قَبْلَ ذَٰلِكَ مُحْسِنِينَ
আ-খিযীনা মা য় আ-তা-হুম্ রব্বুহুম্ ইন্নাহুম্ কা-নূ ক্বব্লা যা-লিকা মুহ্সিনীন্।
তারা রাতের সামান্য অংশই ব্যয় করতো নিদ্রায়,
كَانُوا قَلِيلًا مِّنَ اللَّيْلِ مَا يَهْجَعُونَ
কা-নূ ক্বলীলাম্ মিনাল্ লাইলি মা-ইয়াহ্জ্বা'ঊন্।
শেষ রাতে তারা ক্ষমা প্রার্থনা করতো,
وَبِالْأَسْحَارِ هُمْ يَسْتَغْفِرُونَ
অবিল্ আস্হা-রি হুম্ ইয়াস্ তাগ্ফিরূন্।
তাদের অর্থ - সম্পদে ছিলো অধিকার সাহায্যপ্রার্থী এবং বঞ্চিতদের।
وَفِي أَمْوَالِهِمْ حَقٌّ لِّلسَّائِلِ وَالْمَحْرُومِ
অফী য় আম্ওয়া-লিহিম্ হাককুল্ লিস্সা - য়িলি অল্ মাহ্রূম্।
পৃথিবীতেই রয়েছে নিদর্শন বিশ্বাসীদের জন্যে,
وَفِي الْأَرْضِ آيَاتٌ لِّلْمُوقِنِينَ
অফিল্ র্আদ্বি আ-ইয়া-তু ল্লিল্ মূ ক্বিনীন।
এবং তোমাদের নিজেদের মধ্যেও। তোমরা কি ভেবে দেখবে না?
وَفِي أَنفُسِكُمْ ۚ أَفَلَا تُبْصِرُونَ
অফী য় আন্ফুসিকুম্ আফালা-তুব্সিরূন্।
আর তোমাদের জীবিকা রয়েছে আসমানে এবং তোমাদের যা কিছুর ওয়াদা দেয়া হয়েছে সেগুলোও।
وَفِي السَّمَاءِ رِزْقُكُمْ وَمَا تُوعَدُونَ
অ ফিস্ সামা - য়ি রিয্ক্বুকুম্ অমা-তূ'আদূন্ ।
আকাশ ও পৃথিবীর প্রভুর শপথ, তোমাদের পারস্পরিক কথাবার্তার মতোই এ (কুরআন) এক মহাসত্য।
فَوَرَبِّ السَّمَاءِ وَالْأَرْضِ إِنَّهُ لَحَقٌّ مِّثْلَ مَا أَنَّكُمْ تَنطِقُونَ
ফা ওয়া রব্বিস্ সামা - য়ি অল্ র্আদ্বি ইন্নাহূ লাহাককুম্ মিছ্লা মা য় আন্নাকুম্ তান্ত্বিকুন্ ।
তোমার কাছে কি এসেছে ইবরাহিমের সম্মানিত মেহমানদের ঘটনা?
هَلْ أَتَاكَ حَدِيثُ ضَيْفِ إِبْرَاهِيمَ الْمُكْرَمِينَ
হাল্ আতা-কা হাদীছু দ্বোয়াইফি ইব্রা-হীমাল্ মুক্রমীন্।
তারা যখন তার ঘরে প্রবেশ করেছিল, বলেছিল: ‘সালাম।’ জবাবে সেও বলেছিল: ‘সালাম।’ সে আরো বলেছিল: আপনারা তো অপরিচিত লোক!’
إِذْ دَخَلُوا عَلَيْهِ فَقَالُوا سَلَامًا ۖ قَالَ سَلَامٌ قَوْمٌ مُّنكَرُونَ
ইয্ দাখালূ 'আলাইহি ফাক্ব-লূ সালা-মা- ক্ব-লা সালা-মুন্ ক্বওমুম্ মুন্কারূন্।
তখন সে তার পরিবারের (স্ত্রীর) কাছে ছুটে গেলো এবং একটি মাংসল গো - ভুনা করে নিয়ে এলো।
فَرَاغَ إِلَىٰ أَهْلِهِ فَجَاءَ بِعِجْلٍ سَمِينٍ
ফার-গা ইলা য় আহ্লিহী ফাজ্বা - য়া বি'ইজ্ব্ লিন্ সামীনিন্।
সেটি তাদের কাছে রাখলো। তারপর বললো: ‘আপনারা খাচ্ছেন না যে?’
فَقَرَّبَهُ إِلَيْهِمْ قَالَ أَلَا تَأْكُلُونَ
ফার্ক্বারবাহূ য় ইলাইহিম্ ক্ব-লা আলা-তাকুলূন্।
এতে করে তাদের ব্যাপারে তার মনে ভয়ের সঞ্চার হয়। তখন তারা বললো: ‘আপনি ভয় পাবেন না।’ তারা তাকে সুসংবাদ দিলো এক জ্ঞানী পুত্র সন্তানের।
فَأَوْجَسَ مِنْهُمْ خِيفَةً ۖ قَالُوا لَا تَخَفْ ۖ وَبَشَّرُوهُ بِغُلَامٍ عَلِيمٍ
ফাআওজ্বাছা মিন্হুম্ খীফাহ্ ক্ব-লূ লা-তাখফ্ অবাশ্শারূহু বিগুলা-মিন্ 'আলীম্।
তখন তার স্ত্রী চীৎকার করতে করতে সামনে এগিয়ে এলো এবং গাল চাপড়িয়ে বললো: ‘এই বৃদ্ধার সন্তান হবে?’
فَأَقْبَلَتِ امْرَأَتُهُ فِي صَرَّةٍ فَصَكَّتْ وَجْهَهَا وَقَالَتْ عَجُوزٌ عَقِيمٌ
ফাআকবালাতিম্ রায়াতুহূ ফী ছোর্য়ারতিন্ ফাছোয়াক্কাত্ অজ্ব হাহা-ওয়া ক্বা-লাত্ 'আজ্বু যুন্ 'আক্বীম্।
তারা বললো: ‘আপনার প্রভু একথাই বলেছেন, তিনি প্রজ্ঞাবান সর্বজ্ঞানী।’
قَالُوا كَذَٰلِكِ قَالَ رَبُّكِ ۖ إِنَّهُ هُوَ الْحَكِيمُ الْعَلِيمُ
ক্ব-লূ কাযা-লিকি ক্ব-লা রব্বুক্ ইন্নাহূ হুওয়াল্ হাকীমুল্ 'আলীম্। মুজ্ব রিমীন্।
ইবরাহিম বললো: ‘হে প্রেরিত ফেরেশতারা! আপনারা বিশেষ কী দায়িত্ব নিয়ে এসেছেন?’
۞ قَالَ فَمَا خَطْبُكُمْ أَيُّهَا الْمُرْسَلُونَ
কলা ফামা হাতুবকুম আইয়ূহাল মুরসালুন
তারা বললো: ‘‘আমাদের পাঠানো হয়েছে অপরাধী (লুত) সম্প্রদায়ের প্রতি
قَالُوا إِنَّا أُرْسِلْنَا إِلَىٰ قَوْمٍ مُّجْرِمِينَ
কলু ইন্না আরসালনা ইলা কাউমিম মুজরিমিন
তাদের উপর পোড়া মাটির ঢিল নিক্ষেপ করার জন্যে,
لِنُرْسِلَ عَلَيْهِمْ حِجَارَةً مِّن طِينٍ
লির্নুসিলা 'আলাইহিম্ হিজ্বা-রতাম্ মিন্ ত্বীন্।
সেগুলো সীমালংঘনকারীদের জন্যে চিহ্নিত আপনার প্রভুর পক্ষ থেকে।
مُّسَوَّمَةً عِندَ رَبِّكَ لِلْمُسْرِفِينَ
মুসাওয়ামাতান্ 'ইন্দা রব্বিকা লিল্মুস্রিফীন্।
সেখানে যারা ছিলো তাদেরকে আমরা বের করে এনেছিলাম,
فَأَخْرَجْنَا مَن كَانَ فِيهَا مِنَ الْمُؤْمِنِينَ
ফাআখ্রাজ্ব না-মান্ কা-না ফীহা-মিনাল্ মুমিনীন্।
আর সেখানে আমরা একটির বেশি মুসলিম পরিবার পাইনি।’’
فَمَا وَجَدْنَا فِيهَا غَيْرَ بَيْتٍ مِّنَ الْمُسْلِمِينَ
ফামা-অজ্বাদ্না-ফীহা-গইরা বাইতিম্ মিনাল্ মুস্লিমীন্।
যারা যন্ত্রণাদায়ক আযাবকে ভয় করে, তাদের জন্যে আমরা সেখানে একটি নিদর্শন রেখেছি।
وَتَرَكْنَا فِيهَا آيَةً لِّلَّذِينَ يَخَافُونَ الْعَذَابَ الْأَلِيمَ
অতারক্না-ফীহা য় আ-ইয়াতাল্ লিল্লাযীনা ইয়াখ-ফূনাল্ 'আযা-বাল্ আলীম্।
নিদর্শন রেখেছি আমরা মূসার ঘটনাতেও, যখন আমরা তাকে পাঠিয়েছিলাম ফেরাউনের কাছে সুস্পষ্ট প্রমাণ নিয়ে।
وَفِي مُوسَىٰ إِذْ أَرْسَلْنَاهُ إِلَىٰ فِرْعَوْنَ بِسُلْطَانٍ مُّبِينٍ
অফী মূসা য় ইয্ র্আসাল্না-হু ইলা-র্ফি'আউনা বিসুল্ত্বোয়া-নিম্ মুবীন্।
তখন সে (ফেরাউন) ক্ষমতার দম্ভে মুখ ফিরিয়ে নিয়ে বলেছিল: ‘এতো একজন ম্যাজেসিয়ান, কিংবা পাগল।’
فَتَوَلَّىٰ بِرُكْنِهِ وَقَالَ سَاحِرٌ أَوْ مَجْنُونٌ
ফাতাওয়াল্লা বিরুক্নিহী অক্ব-লা সা-হিরুন্ আও মাজ্ব নূন্।
ফলে আমরা পাকড়াও করেছিলাম তাকে এবং তার বাহিনীকে এবং তাদের নিক্ষেপ করেছিলাম সমুদ্রে। সে এক তিরস্কারযোগ্য ব্যক্তি।
فَأَخَذْنَاهُ وَجُنُودَهُ فَنَبَذْنَاهُمْ فِي الْيَمِّ وَهُوَ مُلِيمٌ
ফাআখায্না-হু অজ্বুনূদাহূ ফানাবায্না-হুম্ ফিল্ ইয়াম্মি অহুওয়া মুলীম্।
নিদর্শন রয়েছে আদ সম্প্রদায়ের ঘটনাতেও। আমরা তাদের উপর পাঠিয়েছিলাম এক বন্ধ্যা ঝড়।
وَفِي عَادٍ إِذْ أَرْسَلْنَا عَلَيْهِمُ الرِّيحَ الْعَقِيمَ
অফী 'আ-দিন্ ইয্ র্আসাল্না- 'আলাইহিমরি রীহাল্ 'আক্বীম্।
তা যা কিছুর উপর দিয়ে বয়ে গিয়েছিল, সবই ধূলিস্যাত করে দিয়েছিল।
مَا تَذَرُ مِن شَيْءٍ أَتَتْ عَلَيْهِ إِلَّا جَعَلَتْهُ كَالرَّمِيمِ
মা-তাযারু মিন্ শাইয়িন্ আতাত্ 'আলাইহি ইল্লা-জ্বা'আলাত্হু র্কারমীম্।
সামুদ সম্প্রদায়ের ঘটনাতেও রয়েছে নিদর্শন। তাদের বলা হয়েছিল: ‘সামান্য ক’দিন ভোগ করে নাও।’
وَفِي ثَمُودَ إِذْ قِيلَ لَهُمْ تَمَتَّعُوا حَتَّىٰ حِينٍ
অফী ছামূদা ইয্ ক্বীলা লাহুম্ তামাত্তাঊ' হাত্তা-হীন্।
কিন্তু তারা অমান্য করে তাদের প্রভুর নির্দেশ। ফলে তাদের পাকড়াও করে প্রচন্ড বজ্রাঘাত এবং তারা তা দেখছিল।
فَعَتَوْا عَنْ أَمْرِ رَبِّهِمْ فَأَخَذَتْهُمُ الصَّاعِقَةُ وَهُمْ يَنظُرُونَ
ফা'আতাও 'আন্ আম্রি রব্বিহিম্ ফাআখযাত্ হুমুছ্ ছোয়া-'ইক্বতু অহুম্ ইয়ান্জুরূন্।
তারা উঠেও দাঁড়াতে পারেনি এবং প্রতিরোধও করতে পারেনি।
فَمَا اسْتَطَاعُوا مِن قِيَامٍ وَمَا كَانُوا مُنتَصِرِينَ
ফামাস্ তাত্বোয়া-'ঊ মিন্ ক্বিয়া-মিঁও অমা-কা-নূ মুন্তাছিরীন্।
আরো আগে আমরা ধ্বংস করে দিয়েছিলাম নূহের জাতিকেও। তারা ছিলো এক ফাসিক (সীমালংঘনকারী সত্যত্যাগী) জাতি।
وَقَوْمَ نُوحٍ مِّن قَبْلُ ۖ إِنَّهُمْ كَانُوا قَوْمًا فَاسِقِينَ
অক্বওমা নূহিম্ মিন্ ক্বব্ল্ ইন্নাহুম্ ক্বা-নূ ক্বওমান্ ফা-সিক্বীন্।
আমরা আকাশ বানিয়েছি শক্ত হাতে এবং নিশ্চয়ই আমরা এর বিস্তৃতি সম্প্রসারণ করতে সক্ষম।
وَالسَّمَاءَ بَنَيْنَاهَا بِأَيْدٍ وَإِنَّا لَمُوسِعُونَ
অস্সামা - য়া বানাইনা-হা- বিআইদিঁও অইন্না লামূসি'ঊন্।
আর পৃথিবীকে আমরা বিছিয়ে দিয়েছি, কতো যে উত্তম প্রসারণকারী আমরা!
وَالْأَرْضَ فَرَشْنَاهَا فَنِعْمَ الْمَاهِدُونَ
অল্র্আদ্বোয়া ফারশ্না-হা- ফানি'মাল্ মা-হিদূন্।
প্রতিটি বস্ত্তকে আমরা সৃষ্টি করেছি জোড়ায় জোড়ায়, যাতে করে তোমরা শিক্ষা গ্রহণ করো।
وَمِن كُلِّ شَيْءٍ خَلَقْنَا زَوْجَيْنِ لَعَلَّكُمْ تَذَكَّرُونَ
অমিন্ কুল্লি শাইয়িন্ খলাকনা-যাওজ্বাইনি লা'আল্লাকুম্ তাযাক্কারূন্।
অতএব তোমরা দৌড়াও আল্লাহর দিকে, আমি তোমাদের প্রতি আল্লাহর পক্ষ থেকে এক সুস্পষ্ট সতর্ককারী।
فَفِرُّوا إِلَى اللَّهِ ۖ إِنِّي لَكُم مِّنْهُ نَذِيرٌ مُّبِينٌ
ফার্ফিরূ য় ইলাল্লা-হ্ ইন্নী লাকুম্ মিন্হু নাযীরুম্ মুবীন্।
তোমরা আল্লাহর সাথে অপর কোনো ইলাহ্ সাব্যস্ত করোনা। আমি তাঁর পক্ষ থেকে তোমাদের জন্যে এক সুস্পষ্ট সতর্ককারী।
وَلَا تَجْعَلُوا مَعَ اللَّهِ إِلَٰهًا آخَرَ ۖ إِنِّي لَكُم مِّنْهُ نَذِيرٌ مُّبِينٌ
অলা- তাজ্ব 'আলূ মা'আল্লা-হি ইলা-হান্ আ-র্খ ইন্নী লাকুম্ মিন্হু নাযীরুম্ মুবীন্।
এভাবে তাদের আগেকার লোকদের কাছেও যখনই কোনো রসূল এসেছিল, তারা তাকে বলেছিল: ‘তুমি একজন ম্যাজেসিয়ান কিংবা পাগল।’
كَذَٰلِكَ مَا أَتَى الَّذِينَ مِن قَبْلِهِم مِّن رَّسُولٍ إِلَّا قَالُوا سَاحِرٌ أَوْ مَجْنُونٌ
কাযা-লিকা মা য় আতাল্ লাযীনা মিন্ ক্বব্লিহিম্ র্মি রসূলিন্ ইল্লা-ক্ব-লূ সা-হিরুন্ আও মাজ্বনূন্।
তারা কি একে অপরকে (ধারাবাহিকভাবে) এই অসিয়তই করে আসছে? আসলে তারা একটি সীমালংঘনকারী কওম।
أَتَوَاصَوْا بِهِ ۚ بَلْ هُمْ قَوْمٌ طَاغُونَ
আতাওয়া ছোয়াও বিহী বাল্ হুম্ ক্বওমুন্ ত্বোয়া-গূন্।
সুতরাং তুমি তাদের উপেক্ষা করো। এর জন্যে তুমি তিরস্কৃত হবেনা।
فَتَوَلَّ عَنْهُمْ فَمَا أَنتَ بِمَلُومٍ
ফাতাওয়াল্লা 'আনহুম্ ফামা য় আন্তা বিমালূম্।
তুমি উপদেশ দিতে থাকো। কারণ, উপদেশ মুমিনদের উপকারে আসে।
وَذَكِّرْ فَإِنَّ الذِّكْرَىٰ تَنفَعُ الْمُؤْمِنِينَ
অযার্ক্কি ফাইন্নায্ যিক্রা তান্ফা'উল্ মু”মিনীন্।
আমরা জিন এবং ইনসানকে এজন্যেই সৃষ্টি করেছি যে, তারা একমাত্র আমারই ইবাদত করবে।
وَمَا خَلَقْتُ الْجِنَّ وَالْإِنسَ إِلَّا لِيَعْبُدُونِ
অমা-খলাকতুল্ জ্বিন্না অল্ ইন্সা ইল্লা-লিইয়া'বুদূন্।
আমি তো তাদের কাছে রিযিক চাইনা এবং এটাও চাইনা যে, তারা আমাকে খাবার খাওয়াবে।
مَا أُرِيدُ مِنْهُم مِّن رِّزْقٍ وَمَا أُرِيدُ أَن يُطْعِمُونِ
মা য় উরীদু মিন্হুম্ র্মি রিয্ক্বিঁও অমা য় উরীদু আইঁ ইয়ুত্ব্ 'ইমূন্।
নিশ্চয়ই রাজজাক (রিযিক সরবরাহকারী) তো হলেন এবং তিনি মহাশক্তিধর, প্রবল পরাক্রান্ত।
إِنَّ اللَّهَ هُوَ الرَّزَّاقُ ذُو الْقُوَّةِ الْمَتِينُ
ইন্নাল্লা-হা হুওর্য়া রয্যা-কু যুল্ কুওয়্যাতিল্ মাতীন্।
যালিমদের ভাগ্যে তাই রয়েছে, অতীতে তাদের সমমতের লোকেরা যা ভোগ করেছিল। ফলে তারা যেনো তাড়াহুড়া না করে।
فَإِنَّ لِلَّذِينَ ظَلَمُوا ذَنُوبًا مِّثْلَ ذَنُوبِ أَصْحَابِهِمْ فَلَا يَسْتَعْجِلُونِ
ফাইন্না লিল্লাযীনা জোয়ালামূ যানূবাম্ মিছ্লা যানূবি আছ্হা-বিহিম্ ফালা-ইয়াস্তা'জ্বিলূন্।
কাফিরদের জন্যে রয়েছে সেই দিনের দুর্ভোগ, যার ওয়াদা তাদের দেয়া হয়েছে।
فَوَيْلٌ لِّلَّذِينَ كَفَرُوا مِن يَوْمِهِمُ الَّذِي يُوعَدُونَ
ফাওয়াইলুল লিল্লাযীনা কাফারূ মিঁই ইয়াওমিহিমুল্ লাযী ইয়ূ'আদূন্।