আল কলম (কলম) , choose another chapter
আল কলম (কলম)
Chapter 68, 52 verses
আবদুস শহীদ নাসিম
Arabic, with marks
মুহিউদ্দীন খান
বয়ান ফাউন্ডেশন
Word by word
Add book
List
Grid
About this chapter
মক্কায় অবতীর্ণ, আয়াত সংখ্যা : ৫২, রুকু সংখ্যা: ০২
এই সূরার আলোচ্যসূচি
আয়াতআলোচ্য বিষয়
০১-০৭মুহাম্মদ সত্য রসূল।
০৮-৩৩পাপিষ্ঠদের আনুগত্য করার নিষেধাজ্ঞা। বাগানের মালিকদের উপমা।
৩৪-৫০অনুগতরা আর অপরাধীরা এক নয়। অস্বীকারকারীদের প্রতি সতর্কবাণী। রসূলকে ধৈর্য ধরার পরামর্শ।
৫১-৫২কুরআন প্রত্যাখ্যানকারীদের দাম্ভিকতা। কুরআন বিশ্ববাসীর জন্যে উপদেশ।
আবদুস শহীদ নাসিম
১ নূন! কলমের শপথ আর শপথ সেগুলোর যা তারা (ফেরেশ্তারা) ছত্রে ছত্রে লিপিবদ্ধ করে।
Arabic, with marks
١ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ ن ۚ وَالْقَلَمِ وَمَا يَسْطُرُونَ
মুহিউদ্দীন খান
১ নূন। শপথ কলমের এবং সেই বিষয়ের যা তারা লিপিবদ্ধ করে,
বয়ান ফাউন্ডেশন
১ নূন; কলমের কসম এবং তারা যা লিখে তার কসম!
Word by word
١ نٓ وَٱلْقَلَمِ وَمَا يَسْطُرُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
২ তোমার প্রভুর অনুগ্রহে তুমি পাগল নও।
Arabic, with marks
٢ مَا أَنتَ بِنِعْمَةِ رَبِّكَ بِمَجْنُونٍ
মুহিউদ্দীন খান
২ আপনার পালনকর্তার অনুগ্রহে আপনি উম্মাদ নন।
বয়ান ফাউন্ডেশন
২ তোমার রবের অনুগ্রহে তুমি পাগল নও।
Word by word
٢ مَآ أَنتَ بِنِعْمَةِ رَبِّكَ بِمَجْنُونٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩ অবশ্যি তোমার জন্যে রয়েছে পুরস্কার অফুরান।
Arabic, with marks
٣ وَإِنَّ لَكَ لَأَجْرًا غَيْرَ مَمْنُونٍ
মুহিউদ্দীন খান
৩ আপনার জন্যে অবশ্যই রয়েছে অশেষ পুরস্কার।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৩ আর নিশ্চয় তোমার জন্য রয়েছে অফুরন্ত পুরস্কার।
Word by word
٣ وَإِنَّ لَكَ لَأَجْرًا غَيْرَ مَمْنُونٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪ অবশ্যি তুমি এক মহান চরিত্রের অধিকারী।
Arabic, with marks
٤ وَإِنَّكَ لَعَلَىٰ خُلُقٍ عَظِيمٍ
মুহিউদ্দীন খান
৪ আপনি অবশ্যই মহান চরিত্রের অধিকারী।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৪ আর নিশ্চয় তুমি মহান চরিত্রের উপর অধিষ্ঠিত।
Word by word
٤ وَإِنَّكَ لَعَلَىٰ خُلُقٍ عَظِيمٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
৫ অচিরেই তুমি দেখবে, আর দেখবে তারাও,
Arabic, with marks
٥ فَسَتُبْصِرُ وَيُبْصِرُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৫ সত্ত্বরই আপনি দেখে নিবেন এবং তারাও দেখে নিবে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৫ অতঃপর শীঘ্রই তুমি দেখতে পাবে এবং তারাও দেখতে পাবে-
Word by word
٥ فَسَتُبْصِرُ وَيُبْصِرُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৬ তোমাদের মধ্যে কে আপতিত ফিতনায়?
Arabic, with marks
٦ بِأَييِّكُمُ الْمَفْتُونُ
মুহিউদ্দীন খান
৬ কে তোমাদের মধ্যে বিকারগ্রস্ত।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৬ তোমাদের মধ্যে কে বিকারগ্রস্ত?
Word by word
٦ بِأَييِّكُمُ ٱلْمَفْتُونُ
আবদুস শহীদ নাসিম
৭ তোমার প্রভুই সেই সত্তা, যিনি সর্বাধিক জানেন কারা তাঁর পথ থেকে বিচ্যুত এবং তিনিই তাদের সর্বাধিক জানেন, যারা হিদায়াত প্রাপ্ত।
Arabic, with marks
٧ إِنَّ رَبَّكَ هُوَ أَعْلَمُ بِمَن ضَلَّ عَن سَبِيلِهِ وَهُوَ أَعْلَمُ بِالْمُهْتَدِينَ
মুহিউদ্দীন খান
৭ আপনার পালনকর্তা সম্যক জানেন কে তাঁর পথ থেকে বিচ্যুত হয়েছে এবং তিনি জানেন যারা সৎপথ প্রাপ্ত।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৭ নিশ্চয় তোমার রবই সম্যক পরিজ্ঞাত তাদের ব্যাপারে যারা তাঁর পথ থেকে বিচ্যুত হয়েছে, আর তিনি হিদায়াতপ্রাপ্তদের সম্পর্কেও সম্যক জ্ঞাত।
Word by word
٧ إِنَّ رَبَّكَ هُوَ أَعْلَمُ بِمَن ضَلَّ عَن سَبِيلِهِۦ وَهُوَ أَعْلَمُ بِٱلْمُهْتَدِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৮ সুতরাং তুমি মিথ্যাবাদীদের আনুগত্য করোনা।
Arabic, with marks
٨ فَلَا تُطِعِ الْمُكَذِّبِينَ
মুহিউদ্দীন খান
৮ অতএব, আপনি মিথ্যারোপকারীদের আনুগত্য করবেন না।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৮ অতএব তুমি মিথ্যারোপকারীদের আনুগত্য করো না।
Word by word
٨ فَلَا تُطِعِ ٱلْمُكَذِّبِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৯ তারা চায়, তুমি যদি নমনীয় হও, তবেই তারা নমনীয় হবে।
Arabic, with marks
٩ وَدُّوا لَوْ تُدْهِنُ فَيُدْهِنُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৯ তারা চায় যদি আপনি নমনীয় হন, তবে তারাও নমনীয় হবে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৯ তারা কামনা করে, যদি তুমি আপোষকামী হও, তবে তারাও আপোষকারী হবে।
Word by word
٩ وَدُّوا۟ لَوْ تُدْهِنُ فَيُدْهِنُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১০ তুমি আনুগত্য করোনা বারবার হলফকারী হীন ব্যক্তির,
Arabic, with marks
١٠ وَلَا تُطِعْ كُلَّ حَلَّافٍ مَّهِينٍ
মুহিউদ্দীন খান
১০ যে অধিক শপথ করে, যে লাঞ্ছিত, আপনি তার আনুগত্য করবেন না।
বয়ান ফাউন্ডেশন
১০ আর তুমি আনুগত্য করো না প্রত্যেক এমন ব্যক্তির যে অধিক কসমকারী, লাঞ্ছিত।
Word by word
١٠ وَلَا تُطِعْ كُلَّ حَلَّافٍ مَّهِينٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
১১ যে পেছনে নিন্দা করে এবং একজনের কথা আরেকজনের কাছে লাগিয়ে বেড়ায়।
Arabic, with marks
١١ هَمَّازٍ مَّشَّاءٍ بِنَمِيمٍ
মুহিউদ্দীন খান
১১ যে পশ্চাতে নিন্দা করে একের কথা অপরের নিকট লাগিয়ে ফিরে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
১১ পিছনে নিন্দাকারী ও যে চোগলখুরী করে বেড়ায়,
Word by word
١١ هَمَّازٍ مَّشَّآءٍۭ بِنَمِيمٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
১২ সে ভালো কাজে বাধাদানকারী, সীমালংঘনকারী, পাপিষ্ঠ।
Arabic, with marks
١٢ مَّنَّاعٍ لِّلْخَيْرِ مُعْتَدٍ أَثِيمٍ
মুহিউদ্দীন খান
১২ যে ভাল কাজে বাধা দেয়, সে সীমালংঘন করে, সে পাপিষ্ঠ,
বয়ান ফাউন্ডেশন
১২ ভাল কাজে বাধাদানকারী, সীমালঙ্ঘনকারী অপরাধী,
Word by word
١٢ مَّنَّاعٍ لِّلْخَيْرِ مُعْتَدٍ أَثِيمٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৩ সে কর্কশ স্বভাবের, তারপর কুখ্যাত।
Arabic, with marks
١٣ عُتُلٍّ بَعْدَ ذَٰلِكَ زَنِيمٍ
মুহিউদ্দীন খান
১৩ কঠোর স্বভাব, তদুপরি কুখ্যাত;
বয়ান ফাউন্ডেশন
১৩ দুষ্ট প্রকৃতির, তারপর জারজ।
Word by word
١٣ عُتُلٍّۭ بَعْدَ ذَٰلِكَ زَنِيمٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৪ এর কারণ, তার অনেক মাল সম্পদ আছে এবং আছে অনেক সন্তান সন্ততি।
Arabic, with marks
١٤ أَن كَانَ ذَا مَالٍ وَبَنِينَ
মুহিউদ্দীন খান
১৪ এ কারণে যে, সে ধন - সম্পদ ও সন্তান সন্ততির অধিকারী।
বয়ান ফাউন্ডেশন
১৪ এ কারণে যে, সে ছিল ধন-সম্পদ ও সন্তান- সন্ততির অধিকারী।
Word by word
١٤ أَن كَانَ ذَا مَالٍ وَبَنِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৫ তার কাছে যখন আমাদের আয়াত তিলাওয়াত করা হয়, সে বলে: ‘এগুলো তো সেকালের কাহিনী।’
Arabic, with marks
١٥ إِذَا تُتْلَىٰ عَلَيْهِ آيَاتُنَا قَالَ أَسَاطِيرُ الْأَوَّلِينَ
মুহিউদ্দীন খান
১৫ তার কাছে আমার আয়াত পাঠ করা হলে সে বলে; সেকালের উপকথা।
বয়ান ফাউন্ডেশন
১৫ যখন তার কাছে আমার আয়াতসমূহ তিলাওয়াত করা হয় তখন সে বলে, এগুলো পূর্ববর্তীদের কল্পকাহিনীমাত্র।
Word by word
١٥ إِذَا تُتْلَىٰ عَلَيْهِ ءَايَٰتُنَا قَالَ أَسَٰطِيرُ ٱلْأَوَّلِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৬ অচিরেই আমরা দাগ লাগিয়ে দেবো তার শুঁড়ে (নাকে)।
Arabic, with marks
١٦ سَنَسِمُهُ عَلَى الْخُرْطُومِ
মুহিউদ্দীন খান
১৬ আমি তার নাসিকা দাগিয়ে দিব।
বয়ান ফাউন্ডেশন
১৬ অচিরেই আমি তার শুঁড়ের* উপর দাগ দিয়ে দেব। *অর্থাৎ নাকের উপর। বিদ্রূপাত্মক অর্থে ব্যবহৃত।
Word by word
١٦ سَنَسِمُهُۥ عَلَى ٱلْخُرْطُومِ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৭ আমরা তাদের পরীক্ষা করেছি, যেভাবে পরীক্ষা করেছিলাম বাগানওয়ালাদের, যখন তারা কসম খেয়ে বলেছিল তারা সকালে বাগানের ফল পাড়বে,
Arabic, with marks
١٧ إِنَّا بَلَوْنَاهُمْ كَمَا بَلَوْنَا أَصْحَابَ الْجَنَّةِ إِذْ أَقْسَمُوا لَيَصْرِمُنَّهَا مُصْبِحِينَ
মুহিউদ্দীন খান
১৭ আমি তাদেরকে পরীক্ষা করেছি, যেমন পরীক্ষা করেছি উদ্যানওয়ালাদের, যখন তারা শপথ করেছিল যে, সকালে বাগানের ফল আহরণ করবে,
বয়ান ফাউন্ডেশন
১৭ নিশ্চয় আমি এদেরকে পরীক্ষা করেছি, যেভাবে পরীক্ষা করেছিলাম বাগানের মালিকদেরকে। যখন তারা কসম করেছিল যে, অবশ্যই তারা সকাল বেলা বাগানের ফল আহরণ করবে।
Word by word
١٧ إِنَّا بَلَوْنَٰهُمْ كَمَا بَلَوْنَآ أَصْحَٰبَ ٱلْجَنَّةِ إِذْ أَقْسَمُوا۟ لَيَصْرِمُنَّهَا مُصْبِحِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৮ তারা ইনশাল্লাহ (আল্লাহ চাহেন তো) বলেনি।
Arabic, with marks
١٨ وَلَا يَسْتَثْنُونَ
মুহিউদ্দীন খান
১৮ ইনশাআল্লাহ না বলে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
১৮ আর তারা ‘ইনশাআল্লাহ’ বলেনি।
Word by word
١٨ وَلَا يَسْتَثْنُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৯ তারপর তোমার প্রভুর পক্ষ থেকে সেই বাগানের উপর দিয়ে বয়ে গেলো একটি ঝাপটা। তখন তারা ছিলো ঘুমে।
Arabic, with marks
١٩ فَطَافَ عَلَيْهَا طَائِفٌ مِّن رَّبِّكَ وَهُمْ نَائِمُونَ
মুহিউদ্দীন খান
১৯ অতঃপর আপনার পালনকর্তার পক্ষ থেকে বাগানে এক বিপদ এসে পতিত হলো। যখন তারা নিদ্রিত ছিল।
বয়ান ফাউন্ডেশন
১৯ অতঃপর তোমার রবের পক্ষ থেকে এক প্রদক্ষিণকারী (আগুন) বাগানের ওপর দিয়ে প্রদক্ষিণ করে গেল, আর তারা ছিল ঘুমন্ত।
Word by word
١٩ فَطَافَ عَلَيْهَا طَآئِفٌ مِّن رَّبِّكَ وَهُمْ نَآئِمُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
২০ ফলে সেই বাগান হয়ে যায় কালো বর্ণ (কয়লার মতো)।
Arabic, with marks
٢٠ فَأَصْبَحَتْ كَالصَّرِيمِ
মুহিউদ্দীন খান
২০ ফলে সকাল পর্যন্ত হয়ে গেল ছিন্নবিচ্ছিন্ন তৃণসম।
বয়ান ফাউন্ডেশন
২০ ফলে তা (পুড়ে) কালো বর্ণের হয়ে গেল।
Word by word
٢٠ فَأَصْبَحَتْ كَٱلصَّرِيمِ
আবদুস শহীদ নাসিম
২১ ভোরে তারা পরস্পরকে ডাকলো (বললো:)
Arabic, with marks
٢١ فَتَنَادَوْا مُصْبِحِينَ
মুহিউদ্দীন খান
২১ সকালে তারা একে অপরকে ডেকে বলল,
বয়ান ফাউন্ডেশন
২১ তারপর সকাল বেলা তারা একে অপরকে ডেকে বলল,
Word by word
٢١ فَتَنَادَوْا۟ مُصْبِحِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
২২ ‘যদি তোমরা সকাল সকাল ফল পাড়তে চাও, তবে সকাল সকাল বাগানে চলো।’
Arabic, with marks
٢٢ أَنِ اغْدُوا عَلَىٰ حَرْثِكُمْ إِن كُنتُمْ صَارِمِينَ
মুহিউদ্দীন খান
২২ তোমরা যদি ফল আহরণ করতে চাও, তবে সকাল সকাল ক্ষেতে চল।
বয়ান ফাউন্ডেশন
২২ ‘তোমরা যদি ফল আহরণ করতে চাও তাহলে সকাল সকাল তোমাদের বাগানে যাও’।
Word by word
٢٢ أَنِ ٱغْدُوا۟ عَلَىٰ حَرْثِكُمْ إِن كُنتُمْ صَٰرِمِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
২৩ তারপর তারা (বাগানের দিকে) চললো নিচু স্বরে (এই) কথা বলতে বলতে:
Arabic, with marks
٢٣ فَانطَلَقُوا وَهُمْ يَتَخَافَتُونَ
মুহিউদ্দীন খান
২৩ অতঃপর তারা চলল ফিসফিস করে কথা বলতে বলতে,
বয়ান ফাউন্ডেশন
২৩ তারপর তারা চলল, নিম্নস্বরে একথা বলতে বলতে-
Word by word
٢٣ فَٱنطَلَقُوا۟ وَهُمْ يَتَخَٰفَتُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
২৪ আজ যেনো তোমাদের কাছে বাগানে দাখিল না হয় কোনো মিসকিন (অভাবী)।
Arabic, with marks
٢٤ أَن لَّا يَدْخُلَنَّهَا الْيَوْمَ عَلَيْكُم مِّسْكِينٌ
মুহিউদ্দীন খান
২৪ অদ্য যেন কোন মিসকীন ব্যক্তি তোমাদের কাছে বাগানে প্রবেশ করতে না পারে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
২৪ যে, ‘আজ সেখানে তোমাদের কাছে কোন অভাবী যেন প্রবেশ করতে না পারে’।
Word by word
٢٤ أَن لَّا يَدْخُلَنَّهَا ٱلْيَوْمَ عَلَيْكُم مِّسْكِينٌ
আবদুস শহীদ নাসিম
২৫ আর তারা ভোরে ভোরেই বাগানে রওয়ানা করলো (মিসকিন) প্রতিরোধ করতে সক্ষম মনে করে।
Arabic, with marks
٢٥ وَغَدَوْا عَلَىٰ حَرْدٍ قَادِرِينَ
মুহিউদ্দীন খান
২৫ তারা সকালে লাফিয়ে লাফিয়ে সজোরে রওয়ানা হল।
বয়ান ফাউন্ডেশন
২৫ আর তারা ভোর বেলা দৃঢ় ইচ্ছা শক্তি নিয়ে সক্ষম অবস্থায় (বাগানে) গেল।
Word by word
٢٥ وَغَدَوْا۟ عَلَىٰ حَرْدٍ قَٰدِرِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
২৬ তারপর যখন বাগানের অবস্থা দেখলো, বললো: ‘‘আমরা তো বিভ্রান্ত হয়ে পড়লাম।
Arabic, with marks
٢٦ فَلَمَّا رَأَوْهَا قَالُوا إِنَّا لَضَالُّونَ
মুহিউদ্দীন খান
২৬ অতঃপর যখন তারা বাগান দেখল, তখন বললঃ আমরা তো পথ ভূলে গেছি।
বয়ান ফাউন্ডেশন
২৬ তারপর তারা যখন বাগানটি দেখল, তখন তারা বলল, ‘অবশ্যই আমরা পথভ্রষ্ট’।
Word by word
٢٦ فَلَمَّا رَأَوْهَا قَالُوٓا۟ إِنَّا لَضَآلُّونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
২৭ বরং আমরা বঞ্চিত হয়ে গেছি।’’
Arabic, with marks
٢٧ بَلْ نَحْنُ مَحْرُومُونَ
মুহিউদ্দীন খান
২৭ বরং আমরা তো কপালপোড়া,
বয়ান ফাউন্ডেশন
২৭ ‘বরং আমরা বঞ্চিত’।
Word by word
٢٧ بَلْ نَحْنُ مَحْرُومُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
২৮ তাদের সবচে’ ন্যায়পরায়ণ ব্যক্তি বললো: ‘আমি কি তোমাদের বলিনি, কেন তোমরা তসবিহ করছোনা?
Arabic, with marks
٢٨ قَالَ أَوْسَطُهُمْ أَلَمْ أَقُل لَّكُمْ لَوْلَا تُسَبِّحُونَ
মুহিউদ্দীন খান
২৮ তাদের উত্তম ব্যক্তি বললঃ আমি কি তোমাদেরকে বলিনি? এখনও তোমরা আল্লাহ তা’আলার পবিত্রতা বর্ণনা করছো না কেন?
বয়ান ফাউন্ডেশন
২৮ তাদের মধ্যে সবচেয়ে ভাল ব্যক্তিটি বলল, ‘আমি কি তোমাদেরকে বলিনি যে, তোমরা কেন (আল্লাহর) তাসবীহ পাঠ করছ না’?
Word by word
٢٨ قَالَ أَوْسَطُهُمْ أَلَمْ أَقُل لَّكُمْ لَوْلَا تُسَبِّحُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
২৯ (তারা বললো:) আমাদের প্রভুর পবিত্রতা ঘোষণা করছি, অবশ্যি আমরা ছিলাম যালিম।
Arabic, with marks
٢٩ قَالُوا سُبْحَانَ رَبِّنَا إِنَّا كُنَّا ظَالِمِينَ
মুহিউদ্দীন খান
২৯ তারা বললঃ আমরা আমাদের পালনকর্তার পবিত্রতা ঘোষণা করছি, নিশ্চিতই আমরা সীমালংঘনকারী ছিলাম।
বয়ান ফাউন্ডেশন
২৯ তারা বলল, ‘আমরা আমাদের রবের পবিত্রতা ঘোষণা করছি। অবশ্যই আমরা যালিম ছিলাম’।
Word by word
٢٩ قَالُوا۟ سُبْحَٰنَ رَبِّنَآ إِنَّا كُنَّا ظَٰلِمِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩০ তখন তারা পরস্পরের প্রতি দোষারোপ করতে থাকলো।
Arabic, with marks
٣٠ فَأَقْبَلَ بَعْضُهُمْ عَلَىٰ بَعْضٍ يَتَلَاوَمُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৩০ অতঃপর তারা একে অপরকে ভৎর্সনা করতে লাগল।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৩০ তারপর তারা একে অপরের প্রতি দোষারোপ করতে লাগল।
Word by word
٣٠ فَأَقْبَلَ بَعْضُهُمْ عَلَىٰ بَعْضٍ يَتَلَٰوَمُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩১ তারা বললো: ‘‘হায় ধ্বংস আমাদের, অবশ্যি আমরা ছিলাম সীমালংঘনকারী।
Arabic, with marks
٣١ قَالُوا يَا وَيْلَنَا إِنَّا كُنَّا طَاغِينَ
মুহিউদ্দীন খান
৩১ তারা বললঃ হায়! দুর্ভোগ আমাদের আমরা ছিলাম সীমাতিক্রমকারী।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৩১ তারা বলল, ‘হায়, আমাদের ধ্বংস! নিশ্চয় আমরা সীমালঙ্ঘনকারী ছিলাম’।
Word by word
٣١ قَالُوا۟ يَٰوَيْلَنَآ إِنَّا كُنَّا طَٰغِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩২ হয়তো আমাদের প্রভু আমাদেরকে এর চাইতে উত্তম বদলা (বিনিময়) দেবেন, আমরা আমাদের প্রভুর অভিমুখী হলাম।’’
Arabic, with marks
٣٢ عَسَىٰ رَبُّنَا أَن يُبْدِلَنَا خَيْرًا مِّنْهَا إِنَّا إِلَىٰ رَبِّنَا رَاغِبُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৩২ সম্ভবতঃ আমাদের পালনকর্তা পরিবর্তে এর চাইতে উত্তম বাগান আমাদেরকে দিবেন। আমরা আমাদের পালনকর্তার কাছে আশাবাদী।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৩২ সম্ভবতঃ আমাদের রব আমাদেরকে এর চেয়েও উৎকৃষ্টতর বিনিময় দেবেন। অবশ্যই আমরা আমাদের রবের প্রতি আগ্রহী।
Word by word
٣٢ عَسَىٰ رَبُّنَآ أَن يُبْدِلَنَا خَيْرًا مِّنْهَآ إِنَّآ إِلَىٰ رَبِّنَا رَٰغِبُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৩ আযাব এরকমই হয়ে থাকে। আর আখিরাতের আযাব অবশ্যি এর চাইতে অনেক জঘন্যতর, যদি তারা জানতো!
Arabic, with marks
٣٣ كَذَٰلِكَ الْعَذَابُ ۖ وَلَعَذَابُ الْآخِرَةِ أَكْبَرُ ۚ لَوْ كَانُوا يَعْلَمُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৩৩ শাস্তি এভাবেই আসে এবং পরকালের শাস্তি আরও গুরুতর; যদি তারা জানত!
বয়ান ফাউন্ডেশন
৩৩ এভাবেই হয় আযাব। আর পরকালের আযাব অবশ্যই আরো বড়, যদি তারা জানত।
Word by word
٣٣ كَذَٰلِكَ ٱلْعَذَابُ وَلَعَذَابُ ٱلْءَاخِرَةِ أَكْبَرُ لَوْ كَانُوا۟ يَعْلَمُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৪ নিশ্চয়ই মুত্তাকিদের জন্যে তাদের প্রভুর কাছে রয়েছে ‘জান্নাতুন নায়ীম’।
Arabic, with marks
٣٤ إِنَّ لِلْمُتَّقِينَ عِندَ رَبِّهِمْ جَنَّاتِ النَّعِيمِ
মুহিউদ্দীন খান
৩৪ মোত্তাকীদের জন্যে তাদের পালনকর্তার কাছে রয়েছে নেয়ামতের জান্নাত।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৩৪ নিশ্চয় মুত্তাকীদের জন্য তাদের রবের কাছে রয়েছে নিআমতপূর্ণ জান্নাত।
Word by word
٣٤ إِنَّ لِلْمُتَّقِينَ عِندَ رَبِّهِمْ جَنَّٰتِ ٱلنَّعِيمِ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৫ আমরা কি আত্মসমর্পণকারী - মুসলিমদের গণ্য করবো অপরাধীদের সমতুল্য?
Arabic, with marks
٣٥ أَفَنَجْعَلُ الْمُسْلِمِينَ كَالْمُجْرِمِينَ
মুহিউদ্দীন খান
৩৫ আমি কি আজ্ঞাবহদেরকে অপরাধীদের ন্যায় গণ্য করব?
বয়ান ফাউন্ডেশন
৩৫ তবে কি আমি মুসলিমদেরকে (অনুগতদেরকে) অবাধ্যদের মতই গণ্য করব?
Word by word
٣٥ أَفَنَجْعَلُ ٱلْمُسْلِمِينَ كَٱلْمُجْرِمِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৬ তোমাদের কী হয়েছে - তোমরা কিভাবে ফায়সালা করছো?
Arabic, with marks
٣٦ مَا لَكُمْ كَيْفَ تَحْكُمُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৩৬ তোমাদের কি হল ? তোমরা কেমন সিদ্ধান্ত দিচ্ছ?
বয়ান ফাউন্ডেশন
৩৬ তোমাদের কী হল, তোমরা কিভাবে ফয়সালা করছ?
Word by word
٣٦ مَا لَكُمْ كَيْفَ تَحْكُمُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৭ নাকি তোমাদের কাছে কোনো কিতাব রয়েছে যার মধ্যে (এসব) তোমরা পাঠ করছো?
Arabic, with marks
٣٧ أَمْ لَكُمْ كِتَابٌ فِيهِ تَدْرُسُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৩৭ তোমাদের কি কোন কিতাব আছে, যা তোমরা পাঠ কর।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৩৭ তোমাদের কাছে কি কোন কিতাব আছে যাতে তোমরা পাঠ করছ?
Word by word
٣٧ أَمْ لَكُمْ كِتَٰبٌ فِيهِ تَدْرُسُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৮ তাতে কি লেখা রয়েছে তোমাদের পছন্দসই কথা?
Arabic, with marks
٣٨ إِنَّ لَكُمْ فِيهِ لَمَا تَخَيَّرُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৩৮ তাতে তোমরা যা পছন্দ কর, তাই পাও?
বয়ান ফাউন্ডেশন
৩৮ যে, নিশ্চয় তোমাদের জন্য সেখানে রয়েছে যা তোমরা পছন্দ কর?
Word by word
٣٨ إِنَّ لَكُمْ فِيهِ لَمَا تَخَيَّرُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৯ নাকি আমার সাথে তোমাদের কোনো অংগীকার আছে যা কিয়ামতকাল পর্যন্ত বলবত থাকবে? নিশ্চয়ই তোমরা তাই পাবে, যা নিজেদের জন্যে ফায়সালা করবে।
Arabic, with marks
٣٩ أَمْ لَكُمْ أَيْمَانٌ عَلَيْنَا بَالِغَةٌ إِلَىٰ يَوْمِ الْقِيَامَةِ ۙ إِنَّ لَكُمْ لَمَا تَحْكُمُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৩৯ না তোমরা আমার কাছ থেকেকেয়ামত পর্যন্ত বলবৎ কোন শপথ নিয়েছ যে, তোমরা তাই পাবে যা তোমরা সিদ্ধান্ত করবে?
বয়ান ফাউন্ডেশন
৩৯ অথবা তোমাদের জন্য কি আমার উপর কিয়ামত পর্যন্ত বলবৎ কোন অঙ্গীকার রয়েছে যে, অবশ্যই তোমাদের জন্য থাকবে তোমরা যা ফয়সালা করবে?
Word by word
٣٩ أَمْ لَكُمْ أَيْمَٰنٌ عَلَيْنَا بَٰلِغَةٌ إِلَىٰ يَوْمِ ٱلْقِيَٰمَةِ إِنَّ لَكُمْ لَمَا تَحْكُمُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪০ তাদের তুমি প্রশ্ন করো, এ ব্যাপারে তাদের যিম্মাদার কে?
Arabic, with marks
٤٠ سَلْهُمْ أَيُّهُم بِذَٰلِكَ زَعِيمٌ
মুহিউদ্দীন খান
৪০ আপনি তাদেরকে জিজ্ঞাসা করুন তাদের কে এ বিষয়ে দায়িত্বশীল?
বয়ান ফাউন্ডেশন
৪০ তুমি তাদেরকে জিজ্ঞাসা কর, কে এ ব্যাপারে যিম্মাদার?
Word by word
٤٠ سَلْهُمْ أَيُّهُم بِذَٰلِكَ زَعِيمٌ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪১ নাকি তাদের শরিক করা (দেব দেবী) আছে? তবে তারা সেই শরিকদের নিয়ে আসুক যদি তারা হয়ে থাকে সত্যবাদী।
Arabic, with marks
٤١ أَمْ لَهُمْ شُرَكَاءُ فَلْيَأْتُوا بِشُرَكَائِهِمْ إِن كَانُوا صَادِقِينَ
মুহিউদ্দীন খান
৪১ না তাদের কোন শরীক উপাস্য আছে? থাকলে তাদের শরীক উপাস্যদেরকে উপস্থিত করুক যদি তারা সত্যবাদী হয়।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৪১ অথবা তাদের জন্য কি অনেক শরীক আছে? তাহলে তারা তাদের শরীকদেরকে উপস্থিত করুক যদি তারা সত্যবাদী হয়।
Word by word
٤١ أَمْ لَهُمْ شُرَكَآءُ فَلْيَأْتُوا۟ بِشُرَكَآئِهِمْ إِن كَانُوا۟ صَٰدِقِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪২ স্মরণ করো, যেদিন তাদের পায়ের নলা উন্মোচিত করা হবে এবং তাদের ডাকা হবে সাজদা করতে, কিন্তু তাদের তা করার শক্তি থাকবেনা।
Arabic, with marks
٤٢ يَوْمَ يُكْشَفُ عَن سَاقٍ وَيُدْعَوْنَ إِلَى السُّجُودِ فَلَا يَسْتَطِيعُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৪২ গোছা পর্যন্ত পা খোলার দিনের কথা স্মরণ কর, সেদিন তাদেরকে সেজদা করতে আহবান জানানো হবে, অতঃপর তারা সক্ষম হবে না।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৪২ সে দিন পায়ের গোছা* উন্মোচন করা হবে। আর তাদেরকে সিজদা করার জন্য আহবান জানানো হবে, কিন্তু তারা সক্ষম হবে না। *এ কথার ব্যাপারে ইমাম বুখারী একটি হাদীস বর্ণনা করেন। তা হল, আবু সাঈদ খুদরী রা. বলেন, মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আমাদের রব তাঁর প
Word by word
٤٢ يَوْمَ يُكْشَفُ عَن سَاقٍ وَيُدْعَوْنَ إِلَى ٱلسُّجُودِ فَلَا يَسْتَطِيعُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৩ তাদের দৃষ্টি থাকবে অবনত, তাদের গ্রাস করে নেবে যিল্লতি। অথচ (পৃথিবীতে) যখন তাদের সাজদা করতে ডাকা হতো তখন তারা নিজেদের (তা থেকে) রাখতো দূরে।
Arabic, with marks
٤٣ خَاشِعَةً أَبْصَارُهُمْ تَرْهَقُهُمْ ذِلَّةٌ ۖ وَقَدْ كَانُوا يُدْعَوْنَ إِلَى السُّجُودِ وَهُمْ سَالِمُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৪৩ তাদের দৃষ্টি অবনত থাকবে; তারা লাঞ্ছনাগ্রস্ত হবে, অথচ যখন তারা সুস্থ ও স্বাভাবিক অবস্থায় ছিল, তখন তাদেরকে সেজদা করতে আহবান জানানো হত।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৪৩ তাদের দৃষ্টিসমূহ অবনত অবস্থায় থাকবে, অপমান তাদেরকে আচ্ছন্ন করবে। অথচ তাদেরকে তো নিরাপদ অবস্থায় সিজদা করার জন্য আহবান করা হত (তখন তো তারা সিজদা করেনি)।
Word by word
٤٣ خَٰشِعَةً أَبْصَٰرُهُمْ تَرْهَقُهُمْ ذِلَّةٌ وَقَدْ كَانُوا۟ يُدْعَوْنَ إِلَى ٱلسُّجُودِ وَهُمْ سَٰلِمُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৪ আমাকে ছেড়ে দাও আর যারা এই বাণীকে (আল কুরআনকে) অস্বীকার করে তাদেরকে। আমরা ক্রমান্বয়ে তাদেরকে এমনভাবে ধরবো যে, তারা জানতেও পারবেনা।
Arabic, with marks
٤٤ فَذَرْنِي وَمَن يُكَذِّبُ بِهَٰذَا الْحَدِيثِ ۖ سَنَسْتَدْرِجُهُم مِّنْ حَيْثُ لَا يَعْلَمُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৪৪ অতএব, যারা এই কালামকে মিথ্যা বলে, তাদেরকে আমার হাতে ছেড়ে দিন, আমি এমন ধীরে ধীরে তাদেরকে জাহান্নামের দিকে নিয়ে যাব যে, তারা জানতে পারবে না।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৪৪ অতএব ছেড়ে দাও আমাকে এবং যারা এ বাণী প্রত্যাখ্যান করে তাদেরকে। আমি তাদেরকে ধীরে ধীরে এমনভাবে পাকড়াও করব যে, তারা জানতে পারবে না।
Word by word
٤٤ فَذَرْنِى وَمَن يُكَذِّبُ بِهَٰذَا ٱلْحَدِيثِ سَنَسْتَدْرِجُهُم مِّنْ حَيْثُ لَا يَعْلَمُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৫ আমি তাদের অবকাশ দিই, আমার কৌশল মজবুত।
Arabic, with marks
٤٥ وَأُمْلِي لَهُمْ ۚ إِنَّ كَيْدِي مَتِينٌ
মুহিউদ্দীন খান
৪৫ আমি তাদেরকে সময় দেই। নিশ্চয় আমার কৌশল মজবুত।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৪৫ আর আমি তাদেরকে অবকাশ দেব। অবশ্যই আমার কৌশল অত্যন্ত বলিষ্ঠ।
Word by word
٤٥ وَأُمْلِى لَهُمْ إِنَّ كَيْدِى مَتِينٌ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৬ তুমি কি তাদের কাছে পারিশ্রমিক চাইছো আর তারা সেটাকে মনে করছে দুর্বহ বোঝা?
Arabic, with marks
٤٦ أَمْ تَسْأَلُهُمْ أَجْرًا فَهُم مِّن مَّغْرَمٍ مُّثْقَلُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৪৬ আপনি কি তাদের কাছে পারিশ্রমিক চান? ফলে তাদের উপর জরিমানার বোঝা পড়ছে?
বয়ান ফাউন্ডেশন
৪৬ তুমি কি তাদের কাছে পারিশ্রমিক চাচ্ছ? ফলে তারা ঋণের কারণে ভারাক্রান্ত হয়ে পড়ছে।
Word by word
٤٦ أَمْ تَسْـَٔلُهُمْ أَجْرًا فَهُم مِّن مَّغْرَمٍ مُّثْقَلُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৭ নাকি তাদের কাছে গায়েবের জ্ঞান আছে আর তারা তা লিখে রাখছে?
Arabic, with marks
٤٧ أَمْ عِندَهُمُ الْغَيْبُ فَهُمْ يَكْتُبُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৪৭ না তাদের কাছে গায়বের খবর আছে? অতঃপর তারা তা লিপিবদ্ধ করে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৪৭ অথবা তাদের কাছে কি ‘গায়েব ’ (লওহে মাহফুয) আছে যে, তারা লিখে রাখছে।
Word by word
٤٧ أَمْ عِندَهُمُ ٱلْغَيْبُ فَهُمْ يَكْتُبُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৮ তোমার প্রভুর হুকুমের অপেক্ষায় সবর করো, মাছওয়ালার (ইউনুসের) মতো (অধৈর্য) হয়োনা। সে চরম হতাশায় আচ্ছন্ন অবস্থায় (আমাকে বিনীতভাবে) ডেকেছিল।
Arabic, with marks
٤٨ فَاصْبِرْ لِحُكْمِ رَبِّكَ وَلَا تَكُن كَصَاحِبِ الْحُوتِ إِذْ نَادَىٰ وَهُوَ مَكْظُومٌ
মুহিউদ্দীন খান
৪৮ আপনি আপনার পালনকর্তার আদেশের অপেক্ষায় সবর করুন এবং মাছওয়ালা ইউনুসের মত হবেন না, যখন সে দুঃখাকুল মনে প্রার্থনা করেছিল।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৪৮ অতএব তুমি তোমার রবের হুকুমের জন্য ধৈর্যধারণ কর। আর তুমি মাছওয়ালার মত হয়ো না, যখন সে দুঃখে কাতর হয়ে ডেকেছিল।
Word by word
٤٨ فَٱصْبِرْ لِحُكْمِ رَبِّكَ وَلَا تَكُن كَصَاحِبِ ٱلْحُوتِ إِذْ نَادَىٰ وَهُوَ مَكْظُومٌ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৯ তার প্রভুর অনুগ্রহ তার কাছে না পৌঁছুলে সে চরম লাঞ্ছিত অবস্থায় নিক্ষিপ্ত হতো উন্মুক্ত প্রান্তরে।
Arabic, with marks
٤٩ لَّوْلَا أَن تَدَارَكَهُ نِعْمَةٌ مِّن رَّبِّهِ لَنُبِذَ بِالْعَرَاءِ وَهُوَ مَذْمُومٌ
মুহিউদ্দীন খান
৪৯ যদি তার পালনকর্তার অনুগ্রহ তাকে সামাল না দিত, তবে সে নিন্দিত অবস্থায় জনশুন্য প্রান্তরে নিক্ষিপ্ত হত।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৪৯ যদি তার রবের অনুগ্রহ তার কাছে না পৌঁছত, তাহলে সে নিন্দিত অবস্থায় উন্মুক্ত প্রান্তরে নিক্ষিপ্ত হত।
Word by word
٤٩ لَّوْلَآ أَن تَدَٰرَكَهُۥ نِعْمَةٌ مِّن رَّبِّهِۦ لَنُبِذَ بِٱلْعَرَآءِ وَهُوَ مَذْمُومٌ
আবদুস শহীদ নাসিম
৫০ তারপর তার প্রভু তাকে মনোনীত করলেন এবং তাকে তাঁর সালেহ্ বান্দাদের অন্তরভুক্ত করলেন।
Arabic, with marks
٥٠ فَاجْتَبَاهُ رَبُّهُ فَجَعَلَهُ مِنَ الصَّالِحِينَ
মুহিউদ্দীন খান
৫০ অতঃপর তার পালনকর্তা তাকে মনোনীত করলেন এবং তাকে সৎকর্মীদের অন্তর্ভুক্ত করে নিলেন।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৫০ তারপর তার রব তাকে মনোনীত করলেন এবং তাকে সৎকর্মপরায়ণদের অন্তর্ভুক্ত করলেন।
Word by word
٥٠ فَٱجْتَبَٰهُ رَبُّهُۥ فَجَعَلَهُۥ مِنَ ٱلصَّٰلِحِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৫১ কাফিররা যখন আয যিক্র (আল কুরআন) শুনে, তখন যেনো তারা তাদের তীক্ষ্ণ দৃষ্টি দিয়ে তোমাকে আছাড় মারবে। তারা বলে: ‘এতো এক পাগল।’
Arabic, with marks
٥١ وَإِن يَكَادُ الَّذِينَ كَفَرُوا لَيُزْلِقُونَكَ بِأَبْصَارِهِمْ لَمَّا سَمِعُوا الذِّكْرَ وَيَقُولُونَ إِنَّهُ لَمَجْنُونٌ
মুহিউদ্দীন খান
৫১ কাফেররা যখন কোরআন শুনে, তখন তারা তাদের দৃষ্টি দ্বারা যেন আপনাকে আছাড় দিয়ে ফেলে দিবে এবং তারা বলেঃ সে তো একজন পাগল।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৫১ আর কাফিররা যখন উপদেশবাণী শুনে তখন তারা যেন তাদের দৃষ্টি দ্বারা তোমাকে আছড়ে ফেলবে, আর তারা বলে, ‘এ তো এক পাগল’।
Word by word
٥١ وَإِن يَكَادُ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ لَيُزْلِقُونَكَ بِأَبْصَٰرِهِمْ لَمَّا سَمِعُوا۟ ٱلذِّكْرَ وَيَقُولُونَ إِنَّهُۥ لَمَجْنُونٌ
আবদুস শহীদ নাসিম
৫২ অথচ এ (কুরআন) তো জগতবাসীর জন্যে এক (কল্যাণময়) উপদেশ ছাড়া আর কিছুই নয়।
Arabic, with marks
٥٢ وَمَا هُوَ إِلَّا ذِكْرٌ لِّلْعَالَمِينَ
মুহিউদ্দীন খান
৫২ অথচ এই কোরআন তো বিশ্বজগতের জন্যে উপদেশ বৈ নয়।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৫২ আর এ কুরআন তো সৃষ্টিকুলের জন্য শুধুই উপদেশবাণী।
Word by word
٥٢ وَمَا هُوَ إِلَّا ذِكْرٌ لِّلْعَٰلَمِينَ
Recitation
Add a book to compare
It opens next to the books you’re reading, at the same verse.
Verse
Play from here
Bookmark
Add note
Copy
Share
Suggest a translation
Explain (AI)
Say it simply (AI)
See suggestions
Edit verse
Chapters
Find a chapter
Dictionary
Suggest a translation
Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.
Log in Create an account
Suggested translations
Your note
Ask AI about this chapter
AI-generated from the text on this page. It can make mistakes and is not a religious ruling; check it against the text and ask a scholar for guidance.
Report a problem with this answer
What is wrong?
Send report