আল কামার (চাঁদ) , choose another chapter
আল কামার (চাঁদ)
Chapter 54, 55 verses
আবদুস শহীদ নাসিম
Arabic, with marks
জহুরুল হক
মুহিউদ্দীন খান
Word by word
Add book
List
Grid
About this chapter
মক্কায় অবতীর্ণ, আয়াত সংখ্যা: ৫৫, রুকু সংখ্যা: ০৩
এই সূরার আলোচ্যসূচি
আয়াতআলোচ্য বিষয়
০১-০৮প্রত্যাখ্যানকারীদের উপেক্ষা করো। একদিন তারা মাটির নীচে থেকে উঠে আসবে বিচ্ছিন্ন ফড়িংয়ের মতো।
০৯-১৬নূহের জাতির দাওয়াত প্রত্যাখ্যান এবং তাদের ধ্বংস।
১৭কুরআন সহজ, তা থেকে উপদেশ গ্রহণ করার কেউ আছে কি?
১৮-২১আদ জাতি কর্তৃক রসূলকে প্রত্যাখ্যান এবং তাদের ধ্বংস।
২২উপদেশ গ্রহণ করার জন্য কুরআনকে সহজ করা হয়েছে।
২৩-৩১সামুদ জাতি কর্তৃক তাদের রসূলকে প্রত্যাখ্যান এবং তাদের ধ্বংস।
৩২কুরআনকে উপদেশ গ্রহণ করার জন্য সহজ করা হয়েছে।
৩৩-৩৯লুত জাতি কর্তৃক তাদের রসূলকে প্রত্যাখ্যান এবং তাদের ধ্বংস।
৪০উপদেশ গ্রহণ করার জন্য কুরআনকে সহজ করা হয়েছে।
৪১-৪২ফিরাউন কর্তৃক রসূলদের প্রত্যাখ্যান এবং ফিরাউনের ধ্বংস।
৪৩-৫৫মুহাম্মদ রসূলুল্লাহ সা.-কে প্রত্যাখ্যানকারীদের প্রতি সতর্ক বাণী।
আবদুস শহীদ নাসিম
১ কিয়ামত করিব (নিকটবর্তী) হয়েছে এবং দ্বিখন্ডিত হয়েছে চাঁদ।
Arabic, with marks
١ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ اقْتَرَبَتِ السَّاعَةُ وَانشَقَّ الْقَمَرُ
জহুরুল হক
১ ঘড়িঘন্টা সমাগত, আর চন্দ্র দ্বিখন্ডিত হয়েছে।
মুহিউদ্দীন খান
১ কেয়ামত আসন্ন, চন্দ্র বিদীর্ণ হয়েছে।
Word by word
١ ٱقْتَرَبَتِ ٱلسَّاعَةُ وَٱنشَقَّ ٱلْقَمَرُ
আবদুস শহীদ নাসিম
২ তারা যখন কোনো নিদর্শন দেখে মুখ ফিরিয়ে নেয় এবং বলে: ‘এতো আগে থেকে চলে আসা ম্যাজিক।’
Arabic, with marks
٢ وَإِن يَرَوْا آيَةً يُعْرِضُوا وَيَقُولُوا سِحْرٌ مُّسْتَمِرٌّ
জহুরুল হক
২ আর যদি তারা কোনো নিদর্শন দেখে, তারা ফিরে যায় ও বলে - - ''এক জবরদস্ত জাদু।’’
মুহিউদ্দীন খান
২ তারা যদি কোন নিদর্শন দেখে তবে মুখ ফিরিয়ে নেয় এবং বলে, এটা তো চিরাগত জাদু।
Word by word
٢ وَإِن يَرَوْا۟ ءَايَةً يُعْرِضُوا۟ وَيَقُولُوا۟ سِحْرٌ مُّسْتَمِرٌّ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩ তারা প্রত্যাখ্যান করে সত্যকে এবং অনুগামী হয় খেয়াল খুশির। প্রতিটি বিষয় অবশ্যি লক্ষ্যে পৌঁছুবে।
Arabic, with marks
٣ وَكَذَّبُوا وَاتَّبَعُوا أَهْوَاءَهُمْ ۚ وَكُلُّ أَمْرٍ مُّسْتَقِرٌّ
জহুরুল হক
৩ আর তারা প্রত্যাখ্যান করে এবং তারা তাদের খেয়ালখুশির অনুসরণ করে, অথচ প্রত্যেক বিষয়েরই নিস্পত্তি হয়েই গেছে।
মুহিউদ্দীন খান
৩ তারা মিথ্যারোপ করছে এবং নিজেদের খেয়াল - খুশীর অনুসরণ করছে। প্রত্যেক কাজ যথাসময়ে স্থিরীকৃত হয়।
Word by word
٣ وَكَذَّبُوا۟ وَٱتَّبَعُوٓا۟ أَهْوَآءَهُمْ وَكُلُّ أَمْرٍ مُّسْتَقِرٌّ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪ তাদের কাছে এসেছে এক মহাসংবাদ যাতে রয়েছে সতর্কবাণী।
Arabic, with marks
٤ وَلَقَدْ جَاءَهُم مِّنَ الْأَنبَاءِ مَا فِيهِ مُزْدَجَرٌ
জহুরুল হক
৪ আর তাদের কাছে অবশ্য কিছুটা সংবাদ এসেই গেছে যাতে রয়েছে প্রতিষেধক - -
মুহিউদ্দীন খান
৪ তাদের কাছে এমন সংবাদ এসে গেছে, যাতে সাবধানবাণী রয়েছে।
Word by word
٤ وَلَقَدْ جَآءَهُم مِّنَ ٱلْأَنۢبَآءِ مَا فِيهِ مُزْدَجَرٌ
আবদুস শহীদ নাসিম
৫ এ এক পূর্ণাঙ্গ জ্ঞান (আল কুরআন)। তবে (আহবানকারীদের) সতর্কবাণী তাদের কোনো উপকারে আসেনি।
Arabic, with marks
٥ حِكْمَةٌ بَالِغَةٌ ۖ فَمَا تُغْنِ النُّذُرُ
জহুরুল হক
৫ এক সুপরিণত জ্ঞান, কিন্তু এ সতর্কীকরণ কোনো কাজে আসে না।
মুহিউদ্দীন খান
৫ এটা পরিপূর্ণ জ্ঞান, তবে সতর্ককারীগণ তাদের কোন উপকারে আসে না।
Word by word
٥ حِكْمَةٌۢ بَٰلِغَةٌ فَمَا تُغْنِ ٱلنُّذُرُ
আবদুস শহীদ নাসিম
৬ সুতরাং তাদের উপেক্ষা করো। যেদিন আহবানকারী আহবান করবে এক অপছন্দনীয় জিনিসের দিকে।
Arabic, with marks
٦ فَتَوَلَّ عَنْهُمْ ۘ يَوْمَ يَدْعُ الدَّاعِ إِلَىٰ شَيْءٍ نُّكُرٍ
জহুরুল হক
৬ কাজেই তাদের থেকে ফিরে এস। একদিন আহ্বানকারী আহ্বান করবেন এক অপ্রীতিকর ব্যাপারের প্রতি - -
মুহিউদ্দীন খান
৬ অতএব, আপনি তাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিন। যেদিন আহবানকারী আহবান করবে এক অপ্রিয় পরিণামের দিকে,
Word by word
٦ فَتَوَلَّ عَنْهُمْ يَوْمَ يَدْعُ ٱلدَّاعِ إِلَىٰ شَىْءٍ نُّكُرٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
৭ অপমানে চোখ নিচু করে তারা সেদিন কবর থেকে বের হয়ে আসবে বিক্ষিপ্ত ফড়িং - এর মতো।
Arabic, with marks
٧ خُشَّعًا أَبْصَارُهُمْ يَخْرُجُونَ مِنَ الْأَجْدَاثِ كَأَنَّهُمْ جَرَادٌ مُّنتَشِرٌ
জহুরুল হক
৭ তাদের চোখ অবনত অবস্থায়, তারা বেরিয়ে আসতে থাকবে কবর থেকে যেন তারা ছড়িয়ে পড়া পঙ্গপাল - -
মুহিউদ্দীন খান
৭ তারা তখন অবনমিত নেত্রে কবর থেকে বের হবে বিক্ষিপ্ত পংগপাল সদৃশ।
Word by word
٧ خُشَّعًا أَبْصَٰرُهُمْ يَخْرُجُونَ مِنَ ٱلْأَجْدَاثِ كَأَنَّهُمْ جَرَادٌ مُّنتَشِرٌ
আবদুস শহীদ নাসিম
৮ তারা ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে আহবানকারীর দিকে ছুটে আসবে। কাফিররা বলবে: ‘আজ এক ভয়াবহ কঠিন দিন।’
Arabic, with marks
٨ مُّهْطِعِينَ إِلَى الدَّاعِ ۖ يَقُولُ الْكَافِرُونَ هَٰذَا يَوْمٌ عَسِرٌ
জহুরুল হক
৮ ওরা আহবায়কের প্রতি ছুটে আসবে। অবিশ্বাসীরা বলবে - - ''এইটি বড় কঠিন দিন!’’
মুহিউদ্দীন খান
৮ তারা আহবানকারীর দিকে দৌড়াতে থাকবে। কাফেরা বলবেঃ এটা কঠিন দিন।
Word by word
٨ مُّهْطِعِينَ إِلَى ٱلدَّاعِ يَقُولُ ٱلْكَٰفِرُونَ هَٰذَا يَوْمٌ عَسِرٌ
আবদুস শহীদ নাসিম
৯ তাদের আগে নূহের জাতিও প্রত্যাখ্যান করেছিল (তাদের রসূলকে), তারা প্রত্যাখ্যান করেছিল আমাদের দাসকে এবং বলেছিল: ‘এ এক তিরস্কৃত ও ধমক খাওয়া পাগল।’
Arabic, with marks
٩ ۞ كَذَّبَتْ قَبْلَهُمْ قَوْمُ نُوحٍ فَكَذَّبُوا عَبْدَنَا وَقَالُوا مَجْنُونٌ وَازْدُجِرَ
জহুরুল হক
৯ এদের আগে নূহ - এর লোকদল সত্যপ্রত্যাখ্যান করেছিল, ফলে তারা আমাদের বান্দাকে প্রত্যাখ্যান করল ও বললে - - ''এক টি পাগল’’! আর তাঁকে অবজ্ঞা করা হয়েছিল।
মুহিউদ্দীন খান
৯ তাদের পূর্বে নূহের সম্প্রদায়ও মিথ্যারোপ করেছিল। তারা মিথ্যারোপ করেছিল আমার বান্দা নূহের প্রতি এবং বলেছিলঃ এ তো উম্মাদ। তাঁরা তাকে হুমকি প্রদর্শন করেছিল।
Word by word
٩ كَذَّبَتْ قَبْلَهُمْ قَوْمُ نُوحٍ فَكَذَّبُوا۟ عَبْدَنَا وَقَالُوا۟ مَجْنُونٌ وَٱزْدُجِرَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১০ তখন সে তার প্রভুর কাছে দোয়া করে বলেছিল: ‘আমি পরাস্ত হয়েছি, আমাকে সাহায্য করো।’
Arabic, with marks
١٠ فَدَعَا رَبَّهُ أَنِّي مَغْلُوبٌ فَانتَصِرْ
জহুরুল হক
১০ সেজন্য তিনি তাঁর প্রভুকে ডেকে বললেন - - ''আমি তো পরাভূত হয়ে পড়েছি, অতএব তুমি সাহায্য করো।’’
মুহিউদ্দীন খান
১০ অতঃপর সে তার পালনকর্তাকে ডেকে বললঃ আমি অক্ষম, অতএব, তুমি প্রতিবিধান কর।
Word by word
١٠ فَدَعَا رَبَّهُۥٓ أَنِّى مَغْلُوبٌ فَٱنتَصِرْ
আবদুস শহীদ নাসিম
১১ ফলে আমরা প্রবল পানি বর্ষণের জন্যে খুলে দিয়েছিলাম আসমানের দুয়ার।
Arabic, with marks
١١ فَفَتَحْنَا أَبْوَابَ السَّمَاءِ بِمَاءٍ مُّنْهَمِرٍ
জহুরুল হক
১১ তখন আমরা আসমানের দরজাগুলো খুলে দিলাম বর্ষণশীল পানির দ্বারা,
মুহিউদ্দীন খান
১১ তখন আমি খুলে দিলাম আকাশের দ্বার প্রবল বারিবর্ষণের মাধ্যমে।
Word by word
١١ فَفَتَحْنَآ أَبْوَٰبَ ٱلسَّمَآءِ بِمَآءٍ مُّنْهَمِرٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
১২ এবং জমিন থেকে উৎসারিত করে দিয়েছিলাম বিপুল প্রস্রবন। তারপর সব পানি মিলে গেলো এক নির্দিষ্ট পরিকল্পনা মাফিক।
Arabic, with marks
١٢ وَفَجَّرْنَا الْأَرْضَ عُيُونًا فَالْتَقَى الْمَاءُ عَلَىٰ أَمْرٍ قَدْ قُدِرَ
জহুরুল হক
১২ আর জমিনকে উৎক্ষেপ করতে দিলাম ঝরনাধারায়, ফলে পানি মিলিত হয়ে গেল এক পূর্বনির্ধারিত ব্যাপারে,
মুহিউদ্দীন খান
১২ এবং ভুমি থেকে প্রবাহিত করলাম প্রস্রবণ। অতঃপর সব পানি মিলিত হল এক পরিকম্পিত কাজে।
Word by word
١٢ وَفَجَّرْنَا ٱلْأَرْضَ عُيُونًا فَٱلْتَقَى ٱلْمَآءُ عَلَىٰٓ أَمْرٍ قَدْ قُدِرَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৩ তখন আমরা নূহকে আরোহণ করিয়ে নিয়েছিলাম পাত ও পেরেক দিয়ে তৈরি করা নৌযানে।
Arabic, with marks
١٣ وَحَمَلْنَاهُ عَلَىٰ ذَاتِ أَلْوَاحٍ وَدُسُرٍ
জহুরুল হক
১৩ আর আমরা তাঁকে বহন করলাম তাতে যা ছিল তক্তা ও পেরেক সন্বলিত, - -
মুহিউদ্দীন খান
১৩ আমি নূহকে আরোহণ করালাম এক কাষ্ঠ ও পেরেক নির্মিত জলযানে।
Word by word
١٣ وَحَمَلْنَٰهُ عَلَىٰ ذَاتِ أَلْوَٰحٍ وَدُسُرٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৪ সেটি চলছিল আমাদের তত্ত্বাবধানে, যারা কুফুরি করেছিল, তাদের প্রতিফল দেয়ার জন্যে।
Arabic, with marks
١٤ تَجْرِي بِأَعْيُنِنَا جَزَاءً لِّمَن كَانَ كُفِرَ
জহুরুল হক
১৪ তা ভেসে চলেছিল আমাদের চোখের সামনে, - - এক প্রতিদান তাঁর জন্য যাঁকে প্রত্যাখ্যান করা হয়েছিল।
মুহিউদ্দীন খান
১৪ যা চলত আমার দৃষ্টি সামনে। এটা তার পক্ষ থেকে প্রতিশোধ ছিল, যাকে প্রত্যখ্যান করা হয়েছিল।
Word by word
١٤ تَجْرِى بِأَعْيُنِنَا جَزَآءً لِّمَن كَانَ كُفِرَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৫ আমরা সেটাকে রেখে দিয়েছি একটি নিদর্শন হিসেবে। উপদেশ গ্রহণ করার কেউ আছে কি?
Arabic, with marks
١٥ وَلَقَد تَّرَكْنَاهَا آيَةً فَهَلْ مِن مُّدَّكِرٍ
জহুরুল হক
১৫ আর আমরা অবশ্য এটিকে রেখে দিয়েছি এক নিদর্শনরূপে। কিন্তু কেউ কি রয়েছে উপদেশপ্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত?
মুহিউদ্দীন খান
১৫ আমি একে এক নিদর্শনরূপে রেখে দিয়েছি। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?
Word by word
١٥ وَلَقَد تَّرَكْنَٰهَآ ءَايَةً فَهَلْ مِن مُّدَّكِرٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৬ এবার ভেবে দেখো, কী যে কঠোর ছিলো আমার আযাব এবং সতর্কবাণী!
Arabic, with marks
١٦ فَكَيْفَ كَانَ عَذَابِي وَنُذُرِ
জহুরুল হক
১৬ সুতরাং কেমন হয়েছিল আমার শাস্তি ও আমার সতর্কীকরণ!
মুহিউদ্দীন খান
১৬ কেমন কঠোর ছিল আমার শাস্তি ও সতর্কবাণী।
Word by word
١٦ فَكَيْفَ كَانَ عَذَابِى وَنُذُرِ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৭ আমরা কুরআনকে বুঝার ও উপদেশ গ্রহণ করার জন্যে সহজ করে দিয়েছি, অতএব উপদেশ গ্রহণকারী কেউ আছে কি?
Arabic, with marks
١٧ وَلَقَدْ يَسَّرْنَا الْقُرْآنَ لِلذِّكْرِ فَهَلْ مِن مُّدَّكِرٍ
জহুরুল হক
১৭ আর আমরা তো অবশ্যই কুরআনকে উপদেশগ্রহণের জন্য সহজবোধ্য করে দিয়েছি, কিন্তু কেউ কি আছে যে উপদেশপ্রাপ্তদের মধ্যেকার?
মুহিউদ্দীন খান
১৭ আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?
Word by word
١٧ وَلَقَدْ يَسَّرْنَا ٱلْقُرْءَانَ لِلذِّكْرِ فَهَلْ مِن مُّدَّكِرٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৮ আদ জাতিও (রসূলকে) প্রত্যাখ্যান করেছিল। এর ফলে কেমন ছিলো আমার আযাব আর সতর্কবাণী?
Arabic, with marks
١٨ كَذَّبَتْ عَادٌ فَكَيْفَ كَانَ عَذَابِي وَنُذُرِ
জহুরুল হক
১৮ আর 'আদ - জাতি সত্যপ্রত্যাখ্যান করেছিল, কাজেই কেমন হয়েছিল আমার শাস্তি ও আমার সতর্কীকরণ!
মুহিউদ্দীন খান
১৮ আদ সম্প্রদায় মিথ্যারোপ করেছিল, অতঃপর কেমন কঠোর হয়েছিল আমার শাস্তি ও সতর্কবাণী।
Word by word
١٨ كَذَّبَتْ عَادٌ فَكَيْفَ كَانَ عَذَابِى وَنُذُرِ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৯ আমরা তাদের উপর পাঠিয়েছিলাম ঝড়ো বায়ু এক বিরামহীন দুর্ভাগ্যের দিনে,
Arabic, with marks
١٩ إِنَّا أَرْسَلْنَا عَلَيْهِمْ رِيحًا صَرْصَرًا فِي يَوْمِ نَحْسٍ مُّسْتَمِرٍّ
জহুরুল হক
১৯ নিঃসন্দেহ আমরা তাদের উপরে এক চরম দুর্ভাগ্যের দিনে পাঠিয়েছিলাম এক প্রচন্ড ঝড় - তোফান,
মুহিউদ্দীন খান
১৯ আমি তাদের উপর প্রেরণ করেছিলাম ঝঞ্জাবায়ু এক চিরাচরিত অশুভ দিনে।
Word by word
١٩ إِنَّآ أَرْسَلْنَا عَلَيْهِمْ رِيحًا صَرْصَرًا فِى يَوْمِ نَحْسٍ مُّسْتَمِرٍّ
আবদুস শহীদ নাসিম
২০ সে ঝড় মানুষকে উৎখাত করে রেখে দিয়েছিল সমূলে উৎপাটিত খেজুর গাছের কান্ডের মতো।
Arabic, with marks
٢٠ تَنزِعُ النَّاسَ كَأَنَّهُمْ أَعْجَازُ نَخْلٍ مُّنقَعِرٍ
জহুরুল হক
২০ যা মানুষকে উড়িয়ে নিয়েছিল, যেন তারা ছিল উৎপাটিত খেজুরগাছের গুঁড়ি।
মুহিউদ্দীন খান
২০ তা মানুষকে উৎখাত করছিল, যেন তারা উৎপাটিত খর্জুর বৃক্ষের কান্ড।
Word by word
٢٠ تَنزِعُ ٱلنَّاسَ كَأَنَّهُمْ أَعْجَازُ نَخْلٍ مُّنقَعِرٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
২১ ফলে কেমন ছিলো আমার আযাব আর সতর্কবাণী?
Arabic, with marks
٢١ فَكَيْفَ كَانَ عَذَابِي وَنُذُرِ
জহুরুল হক
২১ সুতরাং কেমন হয়েছিল আমার শাস্তি ও আমার সতর্কীকরণ?
মুহিউদ্দীন খান
২১ অতঃপর কেমন কঠোর ছিল আমার শাস্তি ও সতর্কবাণী।
Word by word
٢١ فَكَيْفَ كَانَ عَذَابِى وَنُذُرِ
আবদুস শহীদ নাসিম
২২ আমরা কুরআনকে বুঝা ও উপদেশ গ্রহণ করার জন্যে সহজ করে দিয়েছি, অতএব উপদেশ গ্রহণকারী কেউ আছে কি?
Arabic, with marks
٢٢ وَلَقَدْ يَسَّرْنَا الْقُرْآنَ لِلذِّكْرِ فَهَلْ مِن مُّدَّكِرٍ
জহুরুল হক
২২ কাজেই আমরা আলবৎ কুরআনকে উপদেশ গ্রহণের জন্য সহজবোধ্য করে দিয়েছি, কিন্তু কেউ কি হবে উপদেশপ্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত?
মুহিউদ্দীন খান
২২ আমি কোরআনকে বোঝার জন্যে সহজ করে দিয়েছি। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?
Word by word
٢٢ وَلَقَدْ يَسَّرْنَا ٱلْقُرْءَانَ لِلذِّكْرِ فَهَلْ مِن مُّدَّكِرٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
২৩ সামুদ জাতিও সতর্কবাণীসমূহ প্রত্যাখ্যান করেছিল।
Arabic, with marks
٢٣ كَذَّبَتْ ثَمُودُ بِالنُّذُرِ
জহুরুল হক
২৩ ছামুদ - জাতিও সতর্কীকরণ প্রত্যাখ্যান করেছিল।
মুহিউদ্দীন খান
২৩ সামুদ সম্প্রদায় সতর্ককারীদের প্রতি মিথ্যারোপ করেছিল।
Word by word
٢٣ كَذَّبَتْ ثَمُودُ بِٱلنُّذُرِ
আবদুস শহীদ নাসিম
২৪ তারা বলেছিল: ‘‘একজন মানুষকে? আমাদেরই এক ব্যক্তিকে আমরা অনুসরণ করবো? তাহলে তো আমরা পথভ্রষ্ট এবং উন্মাতাল হয়ে পড়বো।
Arabic, with marks
٢٤ فَقَالُوا أَبَشَرًا مِّنَّا وَاحِدًا نَّتَّبِعُهُ إِنَّا إِذًا لَّفِي ضَلَالٍ وَسُعُرٍ
জহুরুল হক
২৪ কাজেই তারা বলেছিল - - ''কী! আমাদের মধ্যেকার মানুষই একজন, তাকেই কি আমরা অনুসরণ করব? সেক্ষেত্রে আমরা তো নিশ্চয়ই বিপথগামী হব ও পাগলামিতে পড়ব।
মুহিউদ্দীন খান
২৪ তারা বলেছিলঃ আমরা কি আমাদেরই একজনের অনুসরণ করব? তবে তো আমরা বিপথগামী ও বিকার গ্রস্থরূপে গণ্য হব।
Word by word
٢٤ فَقَالُوٓا۟ أَبَشَرًا مِّنَّا وَٰحِدًا نَّتَّبِعُهُۥٓ إِنَّآ إِذًا لَّفِى ضَلَٰلٍ وَسُعُرٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
২৫ আমাদের মধ্যে কি কেবল তার প্রতি যিকির (অহি) নাযিল হলো? বরং সে এক উদ্ধত মিথ্যাবাদী।’’
Arabic, with marks
٢٥ أَأُلْقِيَ الذِّكْرُ عَلَيْهِ مِن بَيْنِنَا بَلْ هُوَ كَذَّابٌ أَشِرٌ
জহুরুল হক
২৫ ''আমাদের মধ্যে থেকে স্মারক কি তার উপরেই পতিত হল? বস্তুত সে একজন ডাহা মিথ্যাবাদী, দাম্ভিক।’’
মুহিউদ্দীন খান
২৫ আমাদের মধ্যে কি তারই প্রতি উপদেশ নাযিল করা হয়েছে? বরং সে একজন মিথ্যাবাদী, দাম্ভিক।
Word by word
٢٥ أَءُلْقِىَ ٱلذِّكْرُ عَلَيْهِ مِنۢ بَيْنِنَا بَلْ هُوَ كَذَّابٌ أَشِرٌ
আবদুস শহীদ নাসিম
২৬ কালই তারা জানতে পারবে কে উদ্ধত মিথ্যাবাদী?
Arabic, with marks
٢٦ سَيَعْلَمُونَ غَدًا مَّنِ الْكَذَّابُ الْأَشِرُ
জহুরুল হক
২৬ কালকেই তারা ত্বরায় জানতে পারবে কে মিথ্যুক, কে দাম্ভিক।
মুহিউদ্দীন খান
২৬ এখন আগামীকল্যই তারা জানতে পারবে কে মিথ্যাবাদী, দাম্ভিক।
Word by word
٢٦ سَيَعْلَمُونَ غَدًا مَّنِ ٱلْكَذَّابُ ٱلْأَشِرُ
আবদুস শহীদ নাসিম
২৭ আমরা তাদের পরীক্ষার জন্যে পাঠালাম এই উটনী। সুতরাং তুমি এর ব্যাপারে তাদের আচরণ পর্যবেক্ষণ করো এবং সবর করো।
Arabic, with marks
٢٧ إِنَّا مُرْسِلُو النَّاقَةِ فِتْنَةً لَّهُمْ فَارْتَقِبْهُمْ وَاصْطَبِرْ
জহুরুল হক
২৭ নিঃসন্দেহ আমরা একটি উষ্ট্রিকে পাঠাতে যাচ্ছি তাদের জন্য পরীক্ষাস্বরূপ, সেজন্য তাদের প্রতি লক্ষ্য রাখো এবং ধৈর্যধারণ করো।
মুহিউদ্দীন খান
২৭ আমি তাদের পরীক্ষার জন্য এক উষ্ট্রী প্রেরণ করব, অতএব, তাদের প্রতি লক্ষ্য রাখ এবং সবর কর।
Word by word
٢٧ إِنَّا مُرْسِلُوا۟ ٱلنَّاقَةِ فِتْنَةً لَّهُمْ فَٱرْتَقِبْهُمْ وَٱصْطَبِرْ
আবদুস শহীদ নাসিম
২৮ তাদের তুমি সংবাদ দাও, তাদের মধ্যে পানি বণ্টন নির্দিষ্ট করে দেয়া হয়েছে। নিজ নিজ ভাগের পানির জন্যে প্রত্যেকে উপস্থিত হবে পালাক্রমে।
Arabic, with marks
٢٨ وَنَبِّئْهُمْ أَنَّ الْمَاءَ قِسْمَةٌ بَيْنَهُمْ ۖ كُلُّ شِرْبٍ مُّحْتَضَرٌ
জহুরুল হক
২৮ আর তাদের জানিয়ে দাও যে পানির ক্ষেত্রে তাদের মধ্যে ভাগাভাগি রয়েছে, প্রত্যেক জলপানে হাজিরা থাকবে।
মুহিউদ্দীন খান
২৮ এবং তাদেরকে জানিয়ে দাও যে, তাদের মধ্যে পানির পালা নির্ধারিত হয়েছে এবং পালাক্রমে উপস্থিত হতে হবে।
Word by word
٢٨ وَنَبِّئْهُمْ أَنَّ ٱلْمَآءَ قِسْمَةٌۢ بَيْنَهُمْ كُلُّ شِرْبٍ مُّحْتَضَرٌ
আবদুস শহীদ নাসিম
২৯ তারপর তারা তাদের এক সাথিকে ডাকলো, সে দায়িত্ব গ্রহণ করলো এবং ওটিকে হত্যা করে ফেললো।
Arabic, with marks
٢٩ فَنَادَوْا صَاحِبَهُمْ فَتَعَاطَىٰ فَعَقَرَ
জহুরুল হক
২৯ কিন্তু তারা তাদের সেঙাৎকে ডাক দিল, তখন সে ধরল ও কেটে ফেলল।
মুহিউদ্দীন খান
২৯ অতঃপর তারা তাদের সঙ্গীকে ডাকল। সে তাকে ধরল এবং বধ করল।
Word by word
٢٩ فَنَادَوْا۟ صَاحِبَهُمْ فَتَعَاطَىٰ فَعَقَرَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩০ এবার দেখো, কী কঠোর ছিলো আমার আযাব এবং আমার সতর্কবাণী!
Arabic, with marks
٣٠ فَكَيْفَ كَانَ عَذَابِي وَنُذُرِ
জহুরুল হক
৩০ পরিণামে কেমন হয়েছিল আমার শাস্তি ও আমার সতর্কীকরণ!
মুহিউদ্দীন খান
৩০ অতঃপর কেমন কঠোর ছিল আমার শাস্তি ও সতর্কবাণী।
Word by word
٣٠ فَكَيْفَ كَانَ عَذَابِى وَنُذُرِ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩১ আমরা তাদের প্রতি পাঠিয়েছিলাম এক প্রচন্ড শব্দের আযাব, তাতেই তারা হয়ে পড়লো শুকনো মোড়ানো খড়ের কাঁদির মতো।
Arabic, with marks
٣١ إِنَّا أَرْسَلْنَا عَلَيْهِمْ صَيْحَةً وَاحِدَةً فَكَانُوا كَهَشِيمِ الْمُحْتَظِرِ
জহুরুল হক
৩১ আমরা অবশ্যই তাদের উপরে পাঠিয়েছিলাম একটিমাত্র মহাগর্জন, ফলে তারা হয়ে গেল খোঁয়াড় - প্রস্তুতকারীর শুকনো - ভাঙ্গা ডালপালার ন্যায়।
মুহিউদ্দীন খান
৩১ আমি তাদের প্রতি একটিমাত্র নিনাদ প্রেরণ করেছিলাম। এতেই তারা হয়ে গেল শুষ্ক শাখাপল্লব নির্মিত দলিত খোয়াড়ের ন্যায়।
Word by word
٣١ إِنَّآ أَرْسَلْنَا عَلَيْهِمْ صَيْحَةً وَٰحِدَةً فَكَانُوا۟ كَهَشِيمِ ٱلْمُحْتَظِرِ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩২ আমরা কুরআনকে বুঝা ও উপদেশ গ্রহণ করার জন্যে সহজ করেছি, অতএব উপদেশ গ্রহণকারী কেউ আছে কি?
Arabic, with marks
٣٢ وَلَقَدْ يَسَّرْنَا الْقُرْآنَ لِلذِّكْرِ فَهَلْ مِن مُّدَّكِرٍ
জহুরুল হক
৩২ আর আমরা নিশ্চয়ই কুরআনকে উপদেশ - গ্রহণের জন্য সহজবোধ্য করে দিয়েছি, কিন্তু কেউ কি রয়েছে উপদেশপ্রাপ্তদের অন্যতম?
মুহিউদ্দীন খান
৩২ আমি কোরআনকে বোঝার জন্যে সহজ করে দিয়েছি। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?
Word by word
٣٢ وَلَقَدْ يَسَّرْنَا ٱلْقُرْءَانَ لِلذِّكْرِ فَهَلْ مِن مُّدَّكِرٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৩ লুতের কওমও সতর্কবাণীসমূহ প্রত্যাখ্যান করেছিল,
Arabic, with marks
٣٣ كَذَّبَتْ قَوْمُ لُوطٍ بِالنُّذُرِ
জহুরুল হক
৩৩ লুত - এর লোকদলও সতর্কীকরণ প্রত্যাখ্যান করেছিল।
মুহিউদ্দীন খান
৩৩ লূত - সম্প্রদায় সতর্ককারীদের প্রতি মিথ্যারোপ করেছিল।
Word by word
٣٣ كَذَّبَتْ قَوْمُ لُوطٍۭ بِٱلنُّذُرِ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৪ আমরা তাদের উপর পাঠিয়েছিলাম পাথর বহনকারী প্রচন্ড ঝড়, তবে লুত পরিবারকে রক্ষা করেছিলাম। তাদের আমরা উদ্ধার করেছিলাম সেহেরীর সময় (শেষ রাত),
Arabic, with marks
٣٤ إِنَّا أَرْسَلْنَا عَلَيْهِمْ حَاصِبًا إِلَّا آلَ لُوطٍ ۖ نَّجَّيْنَاهُم بِسَحَرٍ
জহুরুল হক
৩৪ নিঃসন্দেহ আমরা তাদের উপরে পাঠিয়েছিলাম এক পাথর বর্ষণকারী ঝড়, - - লুত - এর পরিজনদের ব্যতীত, আমরা তাদের উদ্ধার করেছিলাম শেষরাতে - -
মুহিউদ্দীন খান
৩৪ আমি তাদের প্রতি প্রেরণ করেছিলাম প্রস্তর বর্ষণকারী প্রচন্ড ঘূর্ণিবায়ু; কিন্তু লূত পরিবারের উপর নয়। আমি তাদেরকে রাতের শেষপ্রহরে উদ্ধার করেছিলাম।
Word by word
٣٤ إِنَّآ أَرْسَلْنَا عَلَيْهِمْ حَاصِبًا إِلَّآ ءَالَ لُوطٍ نَّجَّيْنَٰهُم بِسَحَرٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৫ আমাদের পক্ষ থেকে বিশেষ অনুগ্রহ হিসেবে। যারা শোকর আদায় করে, আমরা এভাবেই তাদের পুরস্কৃত করি।
Arabic, with marks
٣٥ نِّعْمَةً مِّنْ عِندِنَا ۚ كَذَٰلِكَ نَجْزِي مَن شَكَرَ
জহুরুল হক
৩৫ আমাদের তরফ থেকে এক অনুগ্রহ। এইভাবেই আমরা পুরস্কার দিই যে কৃতজ্ঞতা দেখায় তাকে।
মুহিউদ্দীন খান
৩৫ আমার পক্ষ থেকে অনুগ্রহ স্বরূপ। যারা কৃতজ্ঞতা স্বীকার করে, আমি তাদেরকে এভাবে পুরস্কৃত করে থকি।
Word by word
٣٥ نِّعْمَةً مِّنْ عِندِنَا كَذَٰلِكَ نَجْزِى مَن شَكَرَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৬ সে (লুত) তাদের সতর্ক করে দিয়েছিল আমাদের কঠোর শাস্তি সম্পর্কে। কিন্তু তারা সতর্কবাণী নিয়ে সন্দেহ করে এবং হয় বিতর্কে লিপ্ত।
Arabic, with marks
٣٦ وَلَقَدْ أَنذَرَهُم بَطْشَتَنَا فَتَمَارَوْا بِالنُّذُرِ
জহুরুল হক
৩৬ আর তিনি তো ইতিপূর্বেই তাদের সতর্ক করে দিয়েছিলেন আমাদের ভীষণভাবে পাকড়ানো সম্পর্কে, কিন্তু তারা আমার সতর্কীকরণ সন্বন্ধে কথা - কাটাকাটি করছিল।
মুহিউদ্দীন খান
৩৬ লূত (আঃ) তাদেরকে আমার প্রচন্ড পাকড়াও সম্পর্কে সতর্ক করেছিল। অতঃপর তারা সতর্কবাণী সম্পর্কে বাকবিতন্ডা করেছিল।
Word by word
٣٦ وَلَقَدْ أَنذَرَهُم بَطْشَتَنَا فَتَمَارَوْا۟ بِٱلنُّذُرِ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৭ তারা লুতের কাছে তার মেহমানদের দাবি করে অসৎ উদ্দেশ্যে। তখন আমরা তাদের দৃষ্টিশক্তি লোপ করে দিয়েছিলাম এবং বলেছিলাম: স্বাদ গ্রহণ করো আমার আযাবের এবং সতর্কবাণী (অমান্য করার) পরিণতির।
Arabic, with marks
٣٧ وَلَقَدْ رَاوَدُوهُ عَن ضَيْفِهِ فَطَمَسْنَا أَعْيُنَهُمْ فَذُوقُوا عَذَابِي وَنُذُرِ
জহুরুল হক
৩৭ আর তারা অবশ্য তাঁর কাছ থেকে তাঁর অতিথিদের চেয়েছিল, তখন আমরা তাদের চোখগুলোকে শেষ করে দিয়েছিলাম, ''অতএব আমার শাস্তি আস্বাদন কর আমার সতর্কীকরণের পরে।’’
মুহিউদ্দীন খান
৩৭ তারা লূতের (আঃ) কাছে তার মেহমানদেরকে দাবী করেছিল। তখন আমি তাদের চক্ষু লোপ করে দিলাম। অতএব, আস্বাদন কর আমার শাস্তি ও সতর্কবাণী।
Word by word
٣٧ وَلَقَدْ رَٰوَدُوهُ عَن ضَيْفِهِۦ فَطَمَسْنَآ أَعْيُنَهُمْ فَذُوقُوا۟ عَذَابِى وَنُذُرِ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৮ একেবারে বেন বেলায়ই তাদের আঘাত করে এক অপ্রতিরোধ্য আযাব।
Arabic, with marks
٣٨ وَلَقَدْ صَبَّحَهُم بُكْرَةً عَذَابٌ مُّسْتَقِرٌّ
জহুরুল হক
৩৮ আর অবশ্য নির্ধারিত শাস্তি ভোরবেলাতে তাদের উপরে পড়েছিল।
মুহিউদ্দীন খান
৩৮ তাদেরকে প্রত্যুষে নির্ধারিত শাস্তি আঘাত হেনেছিল।
Word by word
٣٨ وَلَقَدْ صَبَّحَهُم بُكْرَةً عَذَابٌ مُّسْتَقِرٌّ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৯ ‘স্বাদ গ্রহণ করো আমার আযাব আর সতর্ক বাণী (অমান্য করার) পরিণতির।’
Arabic, with marks
٣٩ فَذُوقُوا عَذَابِي وَنُذُرِ
জহুরুল হক
৩৯ ''আমার শাস্তি এখন আস্বাদন কর আমার সতর্কীকরণের পরে?’’
মুহিউদ্দীন খান
৩৯ অতএব, আমার শাস্তি ও সতর্কবাণী আস্বাদন কর।
Word by word
٣٩ فَذُوقُوا۟ عَذَابِى وَنُذُرِ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪০ আমরা কুরআনকে বুঝা ও উপদেশ গ্রহণ করার জন্যে সহজ করেছি, অতএব উপদেশ গ্রহণকারী কেউ আছে কি?
Arabic, with marks
٤٠ وَلَقَدْ يَسَّرْنَا الْقُرْآنَ لِلذِّكْرِ فَهَلْ مِن مُّدَّكِرٍ
জহুরুল হক
৪০ আর আমরা তো নিশ্চয়ই কুরআনকে উপদেশ গ্রহণের জন্য সহজবোধ্য করে দিয়েইছি, কিন্তু কে আছে যে উপদেশপ্রাপ্তদের মধ্যেকার?
মুহিউদ্দীন খান
৪০ আমি কোরআনকে বোঝবার জন্যে সহজ করে দিয়েছি। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?
Word by word
٤٠ وَلَقَدْ يَسَّرْنَا ٱلْقُرْءَانَ لِلذِّكْرِ فَهَلْ مِن مُّدَّكِرٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪১ ফেরাউন সম্প্রদায়ের কাছেও এসেছিল আমাদের সতর্কবাণী।
Arabic, with marks
٤١ وَلَقَدْ جَاءَ آلَ فِرْعَوْنَ النُّذُرُ
জহুরুল হক
৪১ আর অবশ্য ফিরআউনের লোকদের কাছে সতর্কীকরণ এসেছিল।
মুহিউদ্দীন খান
৪১ ফেরাউন সম্প্রদায়ের কাছেও সতর্ককারীগণ আগমন করেছিল।
Word by word
٤١ وَلَقَدْ جَآءَ ءَالَ فِرْعَوْنَ ٱلنُّذُرُ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪২ তারা আমাদের সবগুলো নিদর্শনই প্রত্যাখ্যান করেছিল, তখন আমরা তাদের পাকড়াও করি পরাক্রমশালী শক্তিধরের পাকড়াও।
Arabic, with marks
٤٢ كَذَّبُوا بِآيَاتِنَا كُلِّهَا فَأَخَذْنَاهُمْ أَخْذَ عَزِيزٍ مُّقْتَدِرٍ
জহুরুল হক
৪২ তারা আমাদের নিদর্শনসমূহ - - তাদের সবক’টি, প্রত্যাখ্যান করেছিল, সেজন্য আমরা তাদের পাকড়াও করেছিলাম মহাশক্তিশালী পরমক্ষমতাবানের পাকড়ানোর দ্বারা।
মুহিউদ্দীন খান
৪২ তারা আমার সকল নিদর্শনের প্রতি মিথ্যারোপ করেছিল। অতঃপর আমি পরাভূতকারী, পরাক্রমশালীর ন্যায় তাদেরকে পাকড়াও করলাম।
Word by word
٤٢ كَذَّبُوا۟ بِـَٔايَٰتِنَا كُلِّهَا فَأَخَذْنَٰهُمْ أَخْذَ عَزِيزٍ مُّقْتَدِرٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৩ তোমাদের কাফিররা কি তাদের চেয়ে উত্তম? নাকি পূর্ববর্তী কিতাবে তোমাদের অব্যাহতি লাভের কোনো সময় আছে?
Arabic, with marks
٤٣ أَكُفَّارُكُمْ خَيْرٌ مِّنْ أُولَٰئِكُمْ أَمْ لَكُم بَرَاءَةٌ فِي الزُّبُرِ
জহুরুল হক
৪৩ তোমাদের অবিশ্বাসীরা কি এদের চাইতে ভাল, না তোমাদের জন্য অব্যাহতি রয়েছে ধর্মগ্রন্থের মধ্যে?
মুহিউদ্দীন খান
৪৩ তোমাদের মধ্যকার কাফেররা কি তাদের চাইতে শ্রেষ্ঠ ? না তোমাদের মুক্তির সনদপত্র রয়েছে কিতাবসমূহে?
Word by word
٤٣ أَكُفَّارُكُمْ خَيْرٌ مِّنْ أُو۟لَٰٓئِكُمْ أَمْ لَكُم بَرَآءَةٌ فِى ٱلزُّبُرِ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৪ নাকি তারা বলে: ‘আমরা একটি সংঘবদ্ধ অপরাজেয় দল?’
Arabic, with marks
٤٤ أَمْ يَقُولُونَ نَحْنُ جَمِيعٌ مُّنتَصِرٌ
জহুরুল হক
৪৪ অথবা তারা কি বলে - - ''আমরা পরস্পরের সাহায্যকারী আস্ত একটা দল’’?
মুহিউদ্দীন খান
৪৪ না তারা বলে যে, আমারা এক অপরাজেয় দল?
Word by word
٤٤ أَمْ يَقُولُونَ نَحْنُ جَمِيعٌ مُّنتَصِرٌ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৫ এই সংঘবদ্ধ দল তো শীঘ্রি পরাজিত হবে এবং পেছনে ফিরে পালাবে।
Arabic, with marks
٤٥ سَيُهْزَمُ الْجَمْعُ وَيُوَلُّونَ الدُّبُرَ
জহুরুল হক
৪৫ শীঘ্রই এ লোকদল বিধবস্ত হবে এবং পৃস্প্রদর্শন করে ফিরে যাবে।
মুহিউদ্দীন খান
৪৫ এ দল তো সত্ত্বরই পরাজিত হবে এবং পৃষ্ঠপ্রদর্শন করবে।
Word by word
٤٥ سَيُهْزَمُ ٱلْجَمْعُ وَيُوَلُّونَ ٱلدُّبُرَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৬ তাদের আসল শাস্তির প্রতিশ্রুত সময় হলো কিয়ামত। কিয়ামত হবে অধিকতর কঠিন এবং অধিকতর তিক্ত।
Arabic, with marks
٤٦ بَلِ السَّاعَةُ مَوْعِدُهُمْ وَالسَّاعَةُ أَدْهَىٰ وَأَمَرُّ
জহুরুল হক
৪৬ বস্তুত ঘড়িঘন্টাই তাদের নির্ধারিত স্থানকাল, আর সেই ঘড়িঘন্টা হবে অতি কঠোর ও বড় তিক্ত।
মুহিউদ্দীন খান
৪৬ বরং কেয়ামত তাদের প্রতিশ্রুত সময় এবং কেয়ামত ঘোরতর বিপদ ও তিক্ততর।
Word by word
٤٦ بَلِ ٱلسَّاعَةُ مَوْعِدُهُمْ وَٱلسَّاعَةُ أَدْهَىٰ وَأَمَرُّ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৭ নিশ্চয়ই অপরাধীরা রয়েছে বিভ্রান্তিতে এবং উন্মাতাল অবস্থায়।
Arabic, with marks
٤٧ إِنَّ الْمُجْرِمِينَ فِي ضَلَالٍ وَسُعُرٍ
জহুরুল হক
৪৭ নিঃসন্দেহ অপরাধীরা বিভ্রান্ত ও বিকারগ্রস্ত হবে।
মুহিউদ্দীন খান
৪৭ নিশ্চয় অপরাধীরা পথভ্রষ্ট ও বিকারগ্রস্ত।
Word by word
٤٧ إِنَّ ٱلْمُجْرِمِينَ فِى ضَلَٰلٍ وَسُعُرٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৮ যেদিন তাদের উপুড় করে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যাওয়া হবে জাহান্নামে, সেদিন তাদের বলা হবে: স্বাদ গ্রহণ করো জাহান্নামের যন্ত্রণার।
Arabic, with marks
٤٨ يَوْمَ يُسْحَبُونَ فِي النَّارِ عَلَىٰ وُجُوهِهِمْ ذُوقُوا مَسَّ سَقَرَ
জহুরুল হক
৪৮ সেই দিন তাদের মুখ হেচঁড়ে তাদের টেনে নিয়ে যাওয়া হবে আগুনের মধ্যে - - ''জ্বালাময় আগুনের স্পর্শ আস্বাদন করো!’’
মুহিউদ্দীন খান
৪৮ যেদিন তাদেরকে মুখ হিঁচড়ে টেনে নেয়া হবে জাহান্নামে, বলা হবেঃ অগ্নির খাদ্য আস্বাদন কর।
Word by word
٤٨ يَوْمَ يُسْحَبُونَ فِى ٱلنَّارِ عَلَىٰ وُجُوهِهِمْ ذُوقُوا۟ مَسَّ سَقَرَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৯ আমরা প্রতিটি বস্ত্ত সৃষ্টি করেছি পরিমাণ মাফিক।
Arabic, with marks
٤٩ إِنَّا كُلَّ شَيْءٍ خَلَقْنَاهُ بِقَدَرٍ
জহুরুল হক
৪৯ নিঃসন্দেহ প্রত্যেকটি জিনিস - - আমরা এটি সৃষ্টি করেছি পরিমাপ অনুসারে।
মুহিউদ্দীন খান
৪৯ আমি প্রত্যেক বস্তুকে পরিমিতরূপে সৃষ্টি করেছি।
Word by word
٤٩ إِنَّا كُلَّ شَىْءٍ خَلَقْنَٰهُ بِقَدَرٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
৫০ আমাদের নির্দেশ তো এক কথায়ই সম্পন্ন হয়ে যায় চোখের পলকের মতো।
Arabic, with marks
٥٠ وَمَا أَمْرُنَا إِلَّا وَاحِدَةٌ كَلَمْحٍ بِالْبَصَرِ
জহুরুল হক
৫০ আর আমাদের আদেশ একবার বৈ তো নয়, চোখের পলকের ন্যায়।
মুহিউদ্দীন খান
৫০ আমার কাজ তো এক মুহূর্তে চোখের পলকের মত।
Word by word
٥٠ وَمَآ أَمْرُنَآ إِلَّا وَٰحِدَةٌ كَلَمْحٍۭ بِٱلْبَصَرِ
আবদুস শহীদ নাসিম
৫১ আমরা (ইতোপূর্বে) তোমাদের অনুরূপ দলগুলোকে ধ্বংস করে দিয়েছি। (সুতরাং) উপদেশ গ্রহণ করার কেউ আছে কি?
Arabic, with marks
٥١ وَلَقَدْ أَهْلَكْنَا أَشْيَاعَكُمْ فَهَلْ مِن مُّدَّكِرٍ
জহুরুল হক
৫১ আর আমরা তো তোমাদের সেঙাৎদের ধ্বংস করে দিয়েছিলাম, কিন্তু কেউ কি রয়েছে উপদেশপ্রাপ্তদের মধ্যেকার?
মুহিউদ্দীন খান
৫১ আমি তোমাদের সমমনা লোকদেরকে ধ্বংস করেছি, অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?
Word by word
٥١ وَلَقَدْ أَهْلَكْنَآ أَشْيَاعَكُمْ فَهَلْ مِن مُّدَّكِرٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
৫২ তারা যা করছে প্রতিটি জিনিসই রয়েছে রেকর্ডে,
Arabic, with marks
٥٢ وَكُلُّ شَيْءٍ فَعَلُوهُ فِي الزُّبُرِ
জহুরুল হক
৫২ আর তারা যা করেছে তার সব - কিছুই নথিপত্রে রয়েছে।
মুহিউদ্দীন খান
৫২ তারা যা কিছু করেছে, সবই আমলনামায় লিপিবদ্ধ আছে।
Word by word
٥٢ وَكُلُّ شَىْءٍ فَعَلُوهُ فِى ٱلزُّبُرِ
আবদুস শহীদ নাসিম
৫৩ প্রতিটি ক্ষুদ্র এবং বৃহৎ (বিষয়ই) রেকর্ড করা রয়েছে।
Arabic, with marks
٥٣ وَكُلُّ صَغِيرٍ وَكَبِيرٍ مُّسْتَطَرٌ
জহুরুল হক
৫৩ আর ছোট ও বড় প্রত্যেকটি বিষয় লিপিবদ্ধ আছে।
মুহিউদ্দীন খান
৫৩ ছোট ও বড় সবই লিপিবদ্ধ।
Word by word
٥٣ وَكُلُّ صَغِيرٍ وَكَبِيرٍ مُّسْتَطَرٌ
আবদুস শহীদ নাসিম
৫৪ নিশ্চয়ই মুত্তাকিরা থাকবে জান্নাত এবং নদ নদী নহরে,
Arabic, with marks
٥٤ إِنَّ الْمُتَّقِينَ فِي جَنَّاتٍ وَنَهَرٍ
জহুরুল হক
৫৪ ধর্মভীরুরা অবশ্যই থাকবে ঝরনাবেষ্টিত জান্নাতে - -
মুহিউদ্দীন খান
৫৪ খোদাভীরুরা থাকবে জান্নাতে ও নির্ঝরিণীতে।
Word by word
٥٤ إِنَّ ٱلْمُتَّقِينَ فِى جَنَّٰتٍ وَنَهَرٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
৫৫ যথাযোগ্য আসনে মহাশক্তিধর সর্বময় কর্তৃত্বের মালিকের কাছে।
Arabic, with marks
٥٥ فِي مَقْعَدِ صِدْقٍ عِندَ مَلِيكٍ مُّقْتَدِرٍ
জহুরুল হক
৫৫ সত্যের আসনে সর্বশক্তিমান রাজাধিরাজের সমক্ষে!
মুহিউদ্দীন খান
৫৫ যোগ্য আসনে, সর্বাধিপতি সম্রাটের সান্নিধ্যে।
Word by word
٥٥ فِى مَقْعَدِ صِدْقٍ عِندَ مَلِيكٍ مُّقْتَدِرٍۭ
Recitation
Add a book to compare
It opens next to the books you’re reading, at the same verse.
Verse
Play from here
Bookmark
Add note
Copy
Share
Suggest a translation
Explain (AI)
Say it simply (AI)
See suggestions
Edit verse
Chapters
Find a chapter
Dictionary
Suggest a translation
Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.
Log in Create an account
Suggested translations
Your note
Ask AI about this chapter
AI-generated from the text on this page. It can make mistakes and is not a religious ruling; check it against the text and ask a scholar for guidance.
Report a problem with this answer
What is wrong?
Send report