You’re offline. Downloaded books and recitations still work.
আল ফুরকান (বিচারের মানদন্ড)
Chapter 25, 77 verses
আবদুস শহীদ নাসিম
Arabic, with marks
সমকালীন বাংলা
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
About this chapter
মক্কায় অবতীর্ণ, আয়াত সংখ্যা: ৭৭, রুকু সংখ্যা: ০৬
এই সূরার আলোচ্যসূচি
আয়াতআলোচ্য বিষয়
০১-০৩আল্লাহ এক। শিরকের অসারতা।
০৪-০৯কুরআন ও রসূলের সত্যতার যুক্তি।
১০-২০আখিরাত অস্বীকারকারীরা জাহান্নামি। মুশরিকদের অলি ও উপাস্যরা মুশরিকদের কৃতকর্ম সম্পর্কে অজ্ঞতা প্রকাশ করবে। সকল নবীই মানুষ ছিলেন।
২১-৩৪অবিশ্বাসীদের হাস্যকর দাবি। বিচারের দিনটি হবে কাফিরদের জন্য কঠিন। রসূল বলবেন, হে আল্লাহ আমার লোকেরাই কুরআন পরিত্যাগ করে রেখেছিল। কুরআন একত্রে নাযিল না করার কারণ।
৩৫-৪৪বিভিন্ন জাতি কর্তৃক নবীদের প্রত্যাখ্যান এবং তাদের পরিণতি।
৪৫-৬২মানুষের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ। আল্লাহর প্রতি মানুষের অকৃতজ্ঞতা।
৬৩-৭৭আল্লাহর প্রিয় বান্দাদের গুণাবলি।
আবদুস শহীদ নাসিম
বড়ই বরকতওয়ালা সেই তিনি যিনি নাযিল করেছেন আল (আল কুরআন) তাঁর দাসের প্রতি, যাতে করে সে হতে পারে জগদ্বাসীর জন্যে একজন সতর্ককারী।
পরম দয়ালু, পরম ক্ষমাশীল আল্লাহর নামে; কত মহান তিনি যিনি তাঁহার বান্দার প্রতি অবতীর্ণ করিয়াছেন যাহাতে সে বিশ্বজগতের জন্য সতর্ককারী হইতে পারে!
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
কত মহান তিনি যিনি তাঁহার বান্দার প্রতি অবতীর্ণ করিয়াছেন যাহাতে সে বিশ্বজগতের জন্য সতর্ককারী হইতে পারে!
আবদুস শহীদ নাসিম
তিনি সেই সত্তা, মহাকাশ ও পৃথিবীর কর্তৃত্ব যাঁর। তিনি গ্রহণ করেন না সন্তান। তাছাড়া তাঁর কর্তৃত্বেও কেউ নেই শরিক। তিনিই সৃষ্টি করেছেন প্রতিটি জিনিস এবং প্রত্যেকের জন্যে নির্ধারণ করেছেন যথোপযুক্ত নির্ধারণ।
যিনি আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর সার্বভৌমত্বের অধিকারী ; তিনি কোন সন্তান গ্রহণ করেন নাই ; সার্বভৌমত্বে তাঁহার কোন শরীক নাই। তিনি সমস্ত কিছু সৃষ্টি করিয়াছেন এবং প্রত্যেককে পরিমিত করিয়াছেন যথাযথ অনুপাতে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যিনি আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর সার্বভৌমত্বের অধিকারী ; তিনি কোন সন্তান গ্রহণ করেন নাই ; সার্বভৌমত্বে তাঁহার কোন শরীক নাই। তিনি সমস্ত কিছু সৃষ্টি করিয়াছেন এবং প্রত্যেককে পরিমিত করিয়াছেন যথাযথ অনুপাতে।
আবদুস শহীদ নাসিম
অথচ তারা তাঁর পরিবর্তে ইলাহ্ হিসেবে গ্রহণ করেছে অন্যদের, যারা কিছুই সৃষ্টি করেনা, বরং তাদেরকেই সৃষ্টি করা হয়েছে। তাছাড়া তারা নিজেদেরও ক্ষতি কিংবা উপকার করার ক্ষমতা রাখেনা। এছাড়া তারা মউত, হায়াত কিংবা পুনরুত্থানের ক্ষমতা রাখেনা।
আর তাহারা তাঁহার পরিবর্তে ইলাহরূপে গ্রহণ করিয়াছে অন্যদেরকে, যাহারা কিছুই সৃষ্টি করে না, বরং উহারা নিজেরাই সৃষ্ট এবং উহারা নিজেদের অপকার অথবা উপকার করিবার ক্ষমতা রাখে না এবং মৃত্যু, জীবন ও উত্থানের উপরও কোন ক্ষমতা রাখে না।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর তাহারা তাঁহার পরিবর্তে ইলাহ্রূপে গ্রহণ করিয়াছে অন্যদেরকে, যাহারা কিছুই সৃষ্টি করে না, বরং উহারা নিজেরাই সৃষ্ট এবং উহারা নিজেদের অপকার অথবা উপকার করিবার ক্ষমতা রাখে না এবং মৃত্যু, জীবন ও উত্থানের উপরও কোন ক্ষমতা রাখে না।
আবদুস শহীদ নাসিম
কাফিররা বলে: ‘এটা (এই কুরআন) একটা মিথ্যাচার ছাড়া আর কিছুই নয়। এটা সে (মুহাম্মদ সা.) নিজেই রচনা করে নিয়েছে এবং অন্য লোকেরা এ ব্যাপারে তাকে সহযোগিতা করেছে।’ এসব কথা বলে তারা চরম যুলম ও মিথ্যায় নিমজ্জিত হয়েছে।
কাফিররা বলে, ‘ইহা মিথ্যা ব্যতীত কিছুই নয়, সে ইহা উদ্ভাবন করিয়াছে এবং ভিন্ন সম্প্রদায়ের লোক তাহাকে এই ব্যাপারে সাহায্য করিয়াছে।’ এইরূপে উহারা অবশ্যই জুলুম ও মিথ্যায় উপনীত হইয়াছে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
কাফিররা বলে, ‘ইহা মিথ্যা ব্যতীত কিছুই নয়, সে ইহা উদ্ভাবন করিয়াছে এবং ভিন্ন সম্প্রদায়ের লোক তাহাকে এই ব্যাপারে সাহায্য করিয়াছে।’ এইরূপে উহারা অবশ্যই জুলুম ও মিথ্যায় উপনীত হইয়াছে।
আবদুস শহীদ নাসিম
তারা বলে: ‘এ - তো সেকালের লোকদের কাহিনী যা সে লিখিয়ে নিয়েছে এবং সকাল সন্ধ্যায় এগুলো তার কাছে পাঠ করা হয়।’
বল, ‘ইহা তিনিই অবতীর্ণ করিয়াছেন যিনি আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর সমুদয় রহস্য অবগত আছেন ; নিশ্চয়ই তিনি পরম ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।’
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
বল, ‘ইহা তিনিই অবতীর্ণ করিয়াছেন যিনি আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর সমুদয় রহস্য অবগত আছেন ; নিশ্চয়ই তিনি পরম ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।’
আবদুস শহীদ নাসিম
তারা আরো বলে: ‘‘এ কেমন রসূল, যে খাবারও খায় এবং হাট - বাজারেও চলাফেরা করে! তার কাছে কোনো ফেরেশতা কেন নাযিল করা হলো না, যে তার সাথে সতর্ককারী হিসেবে থাকতো?
উহারা বলে, ‘এ কেমন রাসূল’ যে আহার করে এবং হাটে - বাজারে চলাফেরা করে ; তাহার নিকট কোন ফিরিশ্তা কেন অবতীর্ণ করা হইল না, যে তাহার সঙ্গে থাকিত সতর্ককারীরূপে?’
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
উহারা বলে, ‘এ কেমন রাসূল’ যে আহার করে এবং হাটে - বাজারে চলাফেরা করে ; তাহার নিকট কোন ফিরিশ্তা কেন অবতীর্ণ করা হইল না, যে তাহার সঙ্গে থাকিত সতর্ককারীরূপে?’
আবদুস শহীদ নাসিম
অথবা তাকে কোনো ধন - ভান্ডার দেয়া হয়নি কেন, কিংবা তার একটি বাগান থাকলো না কেন যা থেকে সে নিজের আহার সংগ্রহ করতো?’’ যালিমরা আরো বলছে: ‘তোমরা তো একটা জাদুগ্রস্ত লোকের পেছনে ছুটছো।’
অথবা তাহাকে ধনভাণ্ডার দেওয়া হয় না কেন অথবা তাহার একটি বাগান নাই কেন, যাহা হইতে সে আহার সংগ্রহ করিতে পারে?’ সীমালংঘনকারীরা আরও বলে, ‘তোমরা তো এক জাদুগ্রস্ত ব্যক্তিরই অনুসরণ করিতেছ।’
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
অথবা তাহাকে ধনভাণ্ডার দেওয়া হয় না কেন অথবা তাহার একটি বাগান নাই কেন, যাহা হইতে সে আহার সংগ্রহ করিতে পারে?’ সীমালংঘনকারীরা আরও বলে, ‘তোমরা তো এক জাদুগ্রস্ত ব্যক্তিরই অনুসরণ করিতেছ।’
আবদুস শহীদ নাসিম
দেখো, তারা তোমার কী উদ্ভট ধরনের দৃষ্টান্ত দিচ্ছে? তারা বিপথগামী হয়ে গেছে। সুতরাং তারা আর পথ খুঁজে পাবেনা।
দেখ, উহারা তোমার কী উপমা দেয়! উহারা পথভ্রষ্ট হইয়াছে, ফলে উহারা পথ পাইবে না।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
দেখ, উহারা তোমার কী উপমা দেয়! উহারা পথভ্রষ্ট হইয়াছে, ফলে উহারা পথ পাইবে না।
আবদুস শহীদ নাসিম
বড়ই বরকতওয়ালা তিনি, যিনি চাইলে তোমাকে দিতে পারেন এর চাইতে উত্তম উদ্যানসমূহ, যেগুলোর নীচে দিয়ে বহমান থাকবে নদ - নদী - নহর। এছাড়া তিনি তোমাকে দিতে পারেন প্রাসাদসমূহ।
কত মহান তিনি যিনি ইচ্ছা করিলে তোমাকে দিতে পারেন ইহা অপেক্ষা উৎকৃষ্ট বস্তু - উদ্যানসমূহ যাহার নিম্নদেশেনদী - নালা প্রবাহিত এবং তিনি দিতে পারেন তোমাকে প্রাসাদসমূহ!
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
কত মহান তিনি যিনি ইচ্ছা করিলে তোমাকে দিতে পারেন ইহা অপেক্ষা উৎকৃষ্ট বস্তু - উদ্যানসমূহ যাহার নিম্নদেশে নদী - নালা প্রবাহিত এবং তিনি দিতে পারেন তোমাকে প্রাসাদসমূহ!
আবদুস শহীদ নাসিম
আসল কথা হলো, তারা কিয়ামতকেই অস্বীকার করছে, আর আমরা কিয়ামত অস্বীকারকারীদের জন্যে প্রস্তুত করে রেখেছি সায়ীর (জ্বলন্ত আগুন)।
সেখানে তাহারা যাহা চাহিবে তাহাদের জন্য তাহাই থাকিবে এবং তাহারা স্থায়ী হইবে; এই প্রতিশ্রুতি পূরণ তোমার প্রতিপালকেরই দায়িত্ব।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
সেখানে তাহারা যাহা চাহিবে তাহাদের জন্য তাহাই থাকিবে এবং তাহারা স্থায়ী হইবে; এই প্রতিশ্রুতি পূরণ তোমার প্রতিপালকেরই দায়িত্ব।
আবদুস শহীদ নাসিম
যেদিন তাদেরকে হাশর (সমবেত) করা হবে এবং তারা ছাড়া আর যাদের ইবাদত করতো তাদেরকেও, সেদিন তিনি তাদের জিজ্ঞেস করবেন: ‘তোমরাই কি আমার এই বান্দাদের বিপথগামী করেছো। নাকি তারা নিজেরাই সঠিক পথ থেকে বিচ্যুত হয়েছে?’
এবং যেদিন তিনি একত্র করিবেন উহাদেরকে এবং উহারা পরিবর্তে যাহাদের ‘ইবাদত করিত তাহাদেরকে, সেদিন তিনি জিজ্ঞাসা করিবেন, ‘তোমরাই কি আমার এই বান্দাদেরকে বিভ্রান্ত করিয়াছিলে, না উহারা নিজেরাই পথভ্রষ্ট হইয়াছিল?’
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
এবং যেদিন তিনি একত্র করিবেন উহাদেরকে এবং উহারা র পরিবর্তে যাহাদের ‘ইবাদত করিত তাহাদেরকে, সেদিন তিনি জিজ্ঞাসা করিবেন, ‘তোমরাই কি আমার এই বান্দাদেরকে বিভ্রান্ত করিয়াছিলে, না উহারা নিজেরাই পথভ্রষ্ট হইয়াছিল?’
আবদুস শহীদ নাসিম
তারা বলবে: ‘তুমি পবিত্র ও মহান, আমরা তো তোমার পরিবর্তে অন্যদেরকে অলি হিসেবে গ্রহণ করতে পারিনা। তবে তুমিই তো তাদেরকে এবং তাদের বাপ দাদাদেরকে ভোগের সামগ্রী দিয়েছিলে; ফলে তারা আয্ যিকির (আল কিতাব) ভুলে গেছে এবং তারা পরিণত হয়েছে এক বুরা (ধ্বংস প্রাপ্ত) জাতিতে।
উহারা বলিবে, ‘পবিত্র ও মহান তুমি! তোমার পরিবর্তে আমরা অন্যকে অভিভাবকরূপে গ্রহণ করিতে পারি না; তুমিই তো ইহাদেরকে এবং ইহাদের পিতৃপুরুষদেরকে ভোগসম্ভার দিয়াছিলে; পরিণামে উহারা উপদেশ বিস্মৃত হইয়াছিল এবং পরিণত হইয়াছিল এক ধ্বংসপ্রাপ্ত জাতিতে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
উহারা বলিবে, ‘পবিত্র ও মহান তুমি! তোমার পরিবর্তে আমরা অন্যকে অভিভাবকরূপে গ্রহণ করিতে পারি না; তুমিই তো ইহাদেরকে এবং ইহাদের পিতৃপুরুষদেরকে ভোগসম্ভার দিয়াছিলে; পরিণামে উহারা উপদেশ বিস্মৃত হইয়াছিল এবং পরিণত হইয়াছিল এক ধ্বংসপ্রাপ্ত জাতিতে।
আবদুস শহীদ নাসিম
( মুশরিকদের বলবেন:) তোমরা যা বলতে তারা (তোমাদের সেই অলিরা) তো তোমাদের সে কথা অস্বীকার করছে। সুতরাং তোমরা শাস্তি ফেরাতে পারবেনা এবং সাহায্যও পাবেনা। তোমাদের মধ্যে যে কেউ যুলুম করবে, তাকে আমরা আস্বাদন করাবো বড় আযাব।
মুশরিকদেরকে বলিবেন, ‘তোমরা যাহা বলিতে উহারা তাহা মিথ্যা সাব্যস্ত করিয়াছে। সুতরাং তোমরা শাস্তিপ্রতিরোধ করিতে পারিবে না এবং সাহায্যও পাইবে না। তোমাদের মধ্যে যে সীমালংঘন করিবে আমি তাহাকে মহাশাস্তি আস্বাদ করাইব।’
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
মুশরিকদেরকে বলিবেন, ‘তোমরা যাহা বলিতে উহারা তাহা মিথ্যা সাব্যস্ত করিয়াছে। সুতরাং তোমরা শাস্তি প্রতিরোধ করিতে পারিবে না এবং সাহায্যও পাইবে না। তোমাদের মধ্যে যে সীমালংঘন করিবে আমি তাহাকে মহাশাস্তি আস্বাদ করাইব।’
আবদুস শহীদ নাসিম
তোমার আগে আমরা যতো রসূলই পাঠিয়েছি, তারা সবাই খাবার খেতো এবং হাট - বাজারে যাতায়াত করতো। আমরা তোমাদের পরস্পরকে পরস্পরের জন্যে বানিয়েছি ফিতনা। তোমরা কি সবর অবলম্বন করবে? তোমার প্রভু সর্বদ্রষ্টা।
তোমার পূর্বে আমি যে সকল রাসূল প্রেরণ করিয়াছি তাহারা সকলেই তো আহার করিত ও হাটেবাজারে চলাফেরা করিত। হে মানুষ ! আমি তোমাদের মধ্যে এক - কে অপরের জন্য পরীক্ষাস্বরূপ করিয়াছি। তোমরা ধৈর্য ধারণ করিবে কি? তোমার প্রতিপালক সমস্ত কিছু দেখেন।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তোমার পূর্বে আমি যে সকল রাসূল প্রেরণ করিয়াছি তাহারা সকলেই তো আহার করিত ও হাটেবাজারে চলাফেরা করিত। হে মানুষ ! আমি তোমাদের মধ্যে এক - কে অপরের জন্য পরীক্ষাস্বরূপ করিয়াছি। তোমরা ধৈর্য ধারণ করিবে কি? তোমার প্রতিপালক সমস্ত কিছু দেখেন।
আবদুস শহীদ নাসিম
যারা আমাদের সাক্ষাতের আশা করেনা তারা বলে: আমাদের কাছে কেন ফেরেশতা নাযিল হয়না, কিংবা আমরা কেন আমাদের প্রভুকে দেখছিনা? তারা তাদের মনে পোষণ করে অহংকার, আর তারা সীমালঙ্ঘন করেছে বড় আকারের।
যাহারা আমার সাক্ষাৎ কামনা করে না তাহারা বলে, ‘আমাদের নিকট ফিরিশতা অবতীর্ণ করা হয় না কেন? অথবা আমরা আমাদের প্রতিপালককে প্রত্যক্ষ করি না কেন? উহারা তো উহাদের অন্তরে অহংকার পোষণ করে এবং উহারা সীমালংঘন করিয়াছে গুরুতররূপে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যাহারা আমার সাক্ষাৎ কামনা করে না তাহারা বলে, ‘আমাদের নিকট ফিরিশতা অবতীর্ণ করা হয় না কেন? অথবা আমরা আমাদের প্রতিপালককে প্রত্যক্ষ করি না কেন? উহারা তো উহাদের অন্তরে অহংকার পোষণ করে এবং উহারা সীমালংঘন করিয়াছে গুরুতররূপে।
আবদুস শহীদ নাসিম
যেদিন তারা ফেরেশতা দেখবে, সেদিন অপরাধীদের জন্যে কোনো সুসংবাদ থাকবেনা। সেদিন তারা বলবে: ‘এ - তো কঠিন অন্তরায়, রক্ষা করো, রক্ষা করো।’
বলেন, এইভাবেই প্রত্যেক নবীর শত্রু করিয়াছিলাম আমি অপরাধীদেরকে। তোমার জন্য তোমার প্রতিপালকই পথপ্রদর্শক ও সাহায্যকারীরূপে যথেষ্ট।’
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
বলেন, এইভাবেই প্রত্যেক নবীর শত্রু করিয়াছিলাম আমি অপরাধীদেরকে। তোমার জন্য তোমার প্রতিপালকই পথপ্রদর্শক ও সাহায্যকারীরূপে যথেষ্ট।’
আবদুস শহীদ নাসিম
কাফিররা বলে: ‘সমগ্র কুরআন তার কাছে একবারে নাযিল করা হলো না কেন?’ (আমরা) এভাবেই করে থাকি এর মাধ্যমে তোমার অন্তরকে মজবুত করার জন্যে, আর এ কারণেই আমরা কুরআনকে তারতিলের
কাফিররা বলে, ‘সমগ্র কুরআন তাহার নিকট একবার অবতীর্ণ হইল না কেন? এইভাবেই আমি অবতীর্ণ করিয়াছি তোমার হৃদয়কে উহা দ্বারা মযবুত করিবার জন্য এবং তাহা ক্রমে ক্রমেস্পষ্টভাবে আবৃত্তি করিয়াছি।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
কাফিররা বলে, ‘সমগ্র কুরআন তাহার নিকট একবার অবতীর্ণ হইল না কেন? এইভাবেই আমি অবতীর্ণ করিয়াছি তোমার হৃদয়কে উহা দ্বারা মযবুত করিবার জন্য এবং তাহা ক্রমে ক্রমে স্পষ্টভাবে আবৃত্তি করিয়াছি।
আবদুস শহীদ নাসিম
তারা তোমার কাছে এমন কোনো সমস্যা উত্থাপন করেনা যার বাস্তব সমাধান এবং উত্তম তফসির (ব্যাখ্যা) আমরা তোমাকে প্রদান করিনা।
এবং বলিয়াছিলাম, ‘তোমরা সেই সম্প্রদায়ের নিকট যাও যাহারা আমার নিদর্শনাবলীকে অস্বীকার করিয়াছে।’ অতঃপর আমি উহাদেরকে সম্পূর্ণরূপে বিধ্বস্ত করিয়াছিলাম।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
এবং বলিয়াছিলাম, ‘তোমরা সেই সম্প্রদায়ের নিকট যাও যাহারা আমার নিদর্শনাবলীকে অস্বীকার করিয়াছে।’ অতঃপর আমি উহাদেরকে সম্পূর্ণরূপে বিধ্বস্ত করিয়াছিলাম।
আবদুস শহীদ নাসিম
আর নূহের কওমকেও, যখন তারা প্রত্যাখ্যান করেছিল রসূলদের, তখন আমরা তাদের ডুবিয়ে দিয়েছিলাম আর তাদের বানিয়ে দিয়েছিলাম মানবজাতির জন্যে একটি নিদর্শন। আর আমরা যালিমদের জন্যে প্রস্ত্তত করে রেখেছি বেদনাদায়ক আযাব।
এবং নূহের সম্প্রদায়কেও, যখন তাহারা রাসূলগণের প্রতি মিথ্যা আরোপ করিল তখন আমি উহাদেরকে নিমজ্জিত করিলাম এবং উহাদেরকে মানবজাতির জন্য নিদর্শনস্বরূপ করিয়া রাখিলাম। জালিমদের জন্য আমি মর্মন্তুদ শাস্তি প্রস্তুত করিয়া রাখিয়াছি।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
এবং নূহের সম্প্রদায়কেও, যখন তাহারা রাসূলগণের প্রতি মিথ্যা আরোপ করিল তখন আমি উহাদেরকে নিমজ্জিত করিলাম এবং উহাদেরকে মানবজাতির জন্য নিদর্শনস্বরূপ করিয়া রাখিলাম। জালিমদের জন্য আমি মর্মন্তুদ শাস্তি প্রস্তুত করিয়া রাখিয়াছি।
আবদুস শহীদ নাসিম
এছাড়াও আমরা ধ্বংস করে দিয়েছি আদ ও সামুদ জাতিকে, কূপওয়ালাদেরকে এবং এদের মধ্যবর্তী বহু প্রজন্মকে।
উহারা তো সেই জনপদ দিয়াই যাতায়াত করে যাহার উপর বর্ষিত হইয়াছিল অকল্যাণের বৃষ্টি, তবে কি উহারা ইহা প্রত্যক্ষ করে না? বস্তুত উহারা পুনরুত্থানের আশংকা করে না।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
উহারা তো সেই জনপদ দিয়াই যাতায়াত করে যাহার উপর বর্ষিত হইয়াছিল অকল্যাণের বৃষ্টি, তবে কি উহারা ইহা প্রত্যক্ষ করে না? বস্তুত উহারা পুনরুত্থানের আশংকা করে না।
আবদুস শহীদ নাসিম
তারা যখন তোমাকে দেখে, তোমাকে কেবল বিদ্রূপের পাত্রই বানায়। তারা বলে: ‘‘এ ব্যক্তিকেই কি রসূল বানিয়েছেন?
উহারা যখন তোমাকে দেখে তখন উহারা তোমাকে কেবল ঠাট্টা - বিদ্রপের পাত্ররূপে গণ্য করে, এবং বলে এই - ই কি সে, যাহাকে রাসূল করিয়া পাঠাইয়াছে।?
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
উহারা যখন তোমাকে দেখে তখন উহারা তোমাকে কেবল ঠাট্টা - বিদ্রপের পাত্ররূপে গণ্য করে, এবং বলে, ‘এই - ই কি সে, যাহাকে রাসূল করিয়া পাঠাইয়াছে?
আবদুস শহীদ নাসিম
সে তো আমাদেরকে আমাদের ইলাহ্দের (দেবদেবীর) থেকে দূরে সরিয়ে দিতো যদি আমরা তাদের আনুগত্যে অটল না থাকতাম।’’ যখন তারা আযাব দেখবে তখনই তারা জানতে পারবে কে সঠিক পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে চলে গেছে বহুদূর?
‘সে তো আমাদেরকে আমাদের দেবতাগণ হইতে দূরে সরাইয়াই দিত, যদি না আমরা তাহাদের আনুগত্যে দৃঢ় প্রতিষ্ঠিত থাকিতাম। যখন উহারা শাস্তি প্রত্যক্ষ করিবে তখন উহারা জানিবে কে অধিক পথভ্রষ্ট।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
‘সে তো আমাদেরকে আমাদের দেবতাগণ হইতে দূরে সরাইয়াই দিত, যদি না আমরা তাহাদের আনুগত্যে দৃঢ় প্রতিষ্ঠিত থাকিতাম। যখন উহারা শাস্তি প্রত্যক্ষ করিবে তখন উহারা জানিবে কে অধিক পথভ্রষ্ট।
আবদুস শহীদ নাসিম
ঐ বক্তির ব্যাপারে তোমার রায় কি, যে তার কামনা বাসনাকে নিজের ইলাহ্ (উপাস্য) বানিয়ে নিয়েছে? তুমি কি হবে তার উকিল?
তুমি কি মনে কর যে, উহাদের অধিকাংশ শুনে ও বুঝে? উহারা তো পশুর মতই ; বরং উহারা অধিক পথভ্রষ্ট !
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তুমি কি মনে কর যে, উহাদের অধিকাংশ শুনে ও বুঝে? উহারা তো পশুর মতই ; বরং উহারা অধিক পথভ্রষ্ট !
আবদুস শহীদ নাসিম
তুমি কি তোমার প্রভুর (অনুগ্রহের) প্রতি লক্ষ্য করোনা, কিভাবে তিনি ছায়াকে সম্প্রসারিত করেন? তিনি ইচ্ছা করলে তা স্থির করে রাখতে পারতেন। তারপর তিনি সূর্যকে বানিয়েছেন তার (ছায়ার) দলিল (গাইড, দিশারি, পথ প্রদর্শক)।
তুমি কি তোমার প্রতিপালকের প্রতি লক্ষ্য কর না কিভাবে তিনি ছায়া সম্প্রসারিত করেন? তিনি ইচ্ছা করিলে ইহাকে তো স্থির রাখিতে পারিতেন ; অনন্তর আমি সূর্যকে করিয়াছি ইহার নির্দেশক।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তুমি কি তোমার প্রতিপালকের প্রতি লক্ষ্য কর না কিভাবে তিনি ছায়া সম্প্রসারিত করেন? তিনি ইচ্ছা করিলে ইহাকে তো স্থির রাখিতে পারিতেন ; অনন্তর আমি সূর্যকে করিয়াছি ইহার নির্দেশক।
আবদুস শহীদ নাসিম
আর আমরা তাকে (ছায়াকে) আমাদের দিকে ধীরে ধীরে গুটিয়ে আনি।
Arabic, with marks
ثُمَّ قَبَضْنَاهُ إِلَيْنَا قَبْضًا يَسِيرًا
সমকালীন বাংলা
অতঃপর আমি ইহাকে আমার দিকে ধীরে ধীরে গুটাইয়া আনি।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
অতঃপর আমি ইহাকে আমার দিকে ধীরে ধীরে গুটাইয়া আনি।
আবদুস শহীদ নাসিম
তিনিই তো তোমাদের জন্যে রাতকে বানিয়েছেন আবরণ, আর নিদ্রাকে বানিয়েছেন বিশ্রামের জন্যে শান্তিময় এবং দিনকে বানিয়েছেন জীবন্তর হয়ে উঠার সময়।
বল, ‘আমি তোমাদের নিকট ইহার জন্য কোন প্রতিদান চাহি না, তবে যে ইচ্ছা করে সে তাহার প্রতিপালকের দিকের পথ অবলম্বন করুক।’
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
বল, ‘আমি তোমাদের নিকট ইহার জন্য কোন প্রতিদান চাহি না, তবে যে ইচ্ছা করে সে তাহার প্রতিপালকের দিকের পথ অবলম্বন করুক।’
আবদুস শহীদ নাসিম
সেই চিরঞ্জীব সত্তার উপর তুমি তাওয়াক্কুল করো যাঁর কখনো মউত হবেনা এবং তাঁর প্রশংসার সাথে তসবিহ করো। নিজ বান্দাদের পাপের খবর রাখার জন্যে তিনিই কাফী (যথেষ্ট)।
তুমি নির্ভর কর তাঁহার উপর যিনি চিরঞ্জীব, যিনি মরিবেন না এবং তাঁহার সপ্রশংস পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা কর, তিনি তাঁহার বান্দাদের পাপ সম্পর্কে সম্যক অবহিত।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তুমি নির্ভর কর তাঁহার উপর যিনি চিরঞ্জীব, যিনি মরিবেন না এবং তাঁহার সপ্রশংস পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা কর, তিনি তাঁহার বান্দাদের পাপ সম্পর্কে সম্যক অবহিত।
আবদুস শহীদ নাসিম
তিনিই সৃষ্টি করেছেন মহাকাশ এবং পৃথিবী আর এ দুয়ের মধ্যবর্তী যা কিছু আছে সবকিছু ছয়টি কালে। তারপর তিনি সমাসীন হয়েছেন আরশের উপর। তিনি আর রহমান - পরম দয়াবান, তাঁর সম্পর্কে যে খবর রাখে তাকে জিজ্ঞাসা করে দেখো।
তিনি আকাশমণ্ডলী, পৃথিবী ও উহাদের মধ্যবর্তী সমস্ত কিছু ছয় দিবসে সৃষ্টি করেন ; অতঃপর তিনি র্আশে সমাসীন হন। তিনিই ‘রাহমান’, তাঁহার সম্বন্ধে যে অবগত আছে, তাহাকে জিজ্ঞাসা করিয়া দেখ।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তিনি আকাশমণ্ডলী, পৃথিবী ও উহাদের মধ্যবর্তী সমস্ত কিছু ছয় দিবসে সৃষ্টি করেন ; অতঃপর তিনি আর্শে সমাসীন হন। তিনিই ‘রাহমান’, তাঁহার সম্বন্ধে যে অবগত আছে, তাহাকে জিজ্ঞাসা করিয়া দেখ।
আবদুস শহীদ নাসিম
তাদেরকে যখন বলা হয় রহমানকে সাজদা করো, তখন তারা বলে: ‘রহমান আবার কে? তুমি কাউকেও সাজদা করতে বললেই কি আমরা তাকে সাজদা করবো।’ এর ফলে তাদের পলায়নই বৃদ্ধি পায়। (সাজদা)
যখন ইহাদেরকে বলা হয়, ‘সিজ্দাবনত হও ‘রাহমান’ ’এর প্রতি’, তখন উহারা বলে, ‘রাহমান আবার কে? তুমি কাহাকেও সিজ্দা করিতে বলিলেই কি আমরা তাহাকে সিজ্দা করিব?’ ইহাতে উহাদের বিমুখতাই বৃদ্ধি পায়।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যখন ইহাদেরকে বলা হয়, ‘সিজ্দাবনত হও ‘রাহ্মান’ এর প্রতি’, তখন উহারা বলে, ‘রাহমান আবার কে? তুমি কাহাকেও সিজ্দা করিতে বলিলেই কি আমরা তাহাকে সিজ্দা করিব?’ ইহাতে উহাদের বিমুখতাই বৃদ্ধি পায়।
আবদুস শহীদ নাসিম
কতো যে বরকতওয়ালা তিনি, যিনি আকাশে তোমাদের জন্যে স্থাপন করেছেন বুরুজ (বিশাল বিশাল নক্ষত্ররাজি) এবং তার মধ্যে রেখেছেন একটি প্রদীপ (সূর্য) আর একটি আলোকিত চাঁদ।
কত মহান তিনি যিনি নভোমণ্ডলে সৃষ্টি করিয়াছেন রাশিচক্র এবং উহাতে স্থাপন করিয়াছেন প্রদীপ ও জ্যোতির্ময় চন্দ্র।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
কত মহান তিনি যিনি নভোমণ্ডলে সৃষ্টি করিয়াছেন রাশিচক্র এবং উহাতে স্থাপন করিয়াছেন প্রদীপ ও জ্যোতির্ময় চন্দ্র।
আবদুস শহীদ নাসিম
তিনিই সৃষ্টি করেছেন রাত আর দিন। তারা একে অপরের পেছনে আসে। এ ব্যবস্থা করেছেন তাদের জন্যে যারা শিক্ষা গ্রহণ করার এরাদা করে, কিংবা এরাদা করে শোকর আদায় করার।
এবং যখন তাহারা ব্যয় করে তখন অপব্যয় করে না, কার্পণ্যও করে না, বরং তাহারা আছে এতদুভয়ের মাঝে মধ্যম পন্থায়।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
এবং যখন তাহারা ব্যয় করে তখন অপব্যয় করে না, কার্পণ্যও করে না, বরং তাহারা আছে এতদুভয়ের মাঝে মধ্যম পন্থায়।
আবদুস শহীদ নাসিম
তারা আল্লাহকে ছাড়া আর কাউকেও ইলাহ্ (বানিয়ে নিয়ে) ডাকে না। যাকে হত্যা করা হারাম করেছেন এমন কোনো ব্যক্তিকে হত্যা করেনা, তবে যথার্থ কারণ থাকলে সঠিক পন্থায়। তারা জিনা করেনা। যে এগুলো করবে, সে অবশ্যি শাস্তি ভোগ করবে।
এবং তাহারা সঙ্গে কোন ইলাহ্কে ডাকে না। যাহার হত্যা নিষেধ করিয়াছেন, যথার্থ কারণ ব্যতিরেকে তাহাকে হত্যা করে না এবং ব্যভিচার করে না। যে এইগুলি করে সে শাস্তি ভোগ করিবে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
এবং তাহারা র সঙ্গে কোন ইলাহ্কে ডাকে না। যাহার হত্যা নিষেধ করিয়াছেন, যথার্থ কারণ ব্যতিরেকে তাহাকে হত্যা করে না এবং ব্যভিচার করে না। যে এইগুলি করে সে শাস্তি ভোগ করিবে।
আবদুস শহীদ নাসিম
কিয়ামতের দিন তার দন্ড করা হবে দ্বিগুণ এবং সেখানে সে থাকবে স্থায়ীভাবে লাঞ্ছিত অবস্থায়।
এবং যাহারা প্রার্থনা করে, ‘হে আমাদের প্রতিপালক ! আমাদের জন্য এমন স্ত্রী ও সন্তান - সন্ততি দান কর যাহারা হইবে আমাদের জন্য নয়নপ্রীতিকর এবং আমাদেরকে কর মুত্তাকীদের জন্য অনুসরণযোগ্য।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
এবং যাহারা প্রার্থনা করে, ‘হে আমাদের প্রতিপালক ! আমাদের জন্য এমন স্ত্রী ও সন্তান - সন্ততি দান কর যাহারা হইবে আমাদের জন্য নয়নপ্রীতিকর এবং আমাদেরকে কর মুত্তাকীদের জন্য অনুসরণযোগ্য।
আবদুস শহীদ নাসিম
এদেরই প্রতিদান হবে জান্নাতের বিলাস বহুল কক্ষসমূহ তাদের সবর অবলম্বনের কারণে, আর তাদেরকে সেখানে অভ্যর্থনা দেয়া হবে অভিবাদন এবং সালাম সহকারে।