Kitab

আল মায়েদা (দস্তরখান)

Chapter 5, 120 verses

  • আবদুস শহীদ নাসিম
  • Word by word
  • বয়ান ফাউন্ডেশন
About this chapter

মদিনার অবতীর্ণ, আয়াত সংখ্যা: ১২০, রুকু সংখ্যা: ১৬

এই সূরার আলোচ্যসূচি

আয়াতআলোচ্য বিষয় ০১-০৫অঙ্গীকার পূর্ণ করো। ইহরাম অবস্থায় শিকার নিষেধ। যেসব প্রাণী খাওয়া নিষিদ্ধ। ইসলাম পূর্ণাঙ্গ। সব পবিত্র জিনিস হালাল। আহলে কিতাবের খাবার হালাল। আহলে কিতাবের সতী মেয়েদের বিয়ে করা হালাল। শিকারের বিধান। ০৬সালাতের জন্য অযু ও তায়াম্মুমের বিধান। ০৭-১১মুমিনদের প্রতি ন্যায়পরায়ণতা অবলম্বনের নির্দেশ। ১২-২৬বনি ইসরাঈলের প্রতি উপদেশ এবং তাদের সীমালঙ্ঘনের ইতিহাস। ২৭-৩১ আদমের এক পুত্র কর্তৃক আরেক পুত্র হত্যার ঘটনা। ৩২ বনি ইসরাঈলিদের জন্যে হত্যার বিধান। ৩৩-৩৪ বিদ্রোহ ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের জন্যে বিধান। ৩৫-৩৭ তাকওয়া, উসিলা ও জিহাদের নির্দেশ। ৩৮-৪০ চোরের দন্ড। ৪১-৫০ আল্লাহর অবতীর্ণ বিধান অনুযায়ী ফায়সালা করার নির্দেশ। ৫১-৮৬ ইহুদি এবং খ্রিষ্টানদেরকে অভিভাবক, পৃষ্ঠপোষক ও বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করতে মুমিনদের প্রতি নিষেধাজ্ঞা। তারা তাওরাত ও ইঞ্জিল প্রতিষ্ঠিত করেনি। খ্রিষ্টানরা ত্রিত্ববাদে বিশ্বাস করে শিরকে নিমজ্জিত হয়েছে। ইসরাঈলিদেরকে তাদের নবীরাও অভিশাপ দিয়েছেন। মুমিনদের জঘন্য শত্রু ইহুদি ও মুশ্রিকরা, খ্রিষ্টানরা কিছুটা বন্ধুভাবাপন্ন, কারণ তাদের মধ্যে কিছু বিনয়ী ও সত্য সন্ধানী পাদ্রী আছে। ৮৭-১০৮ মুমিনদের জন্যে কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ বিধান। ১০৯-১২০ ঈসা আ. এর রিসালাত, মুজিযা ও দাওয়াত। কিয়ামতের দিন তাঁকে আল্লাহর প্রশ্ন।
আবদুস শহীদ নাসিম

হে লোকেরা! তোমাদের অংগীকার পূরণ করো। তোমাদের জন্যে হালাল করা হলো গৃহপালিত চতুস্পদ পশু, সেগুলো ছাড়া যেগুলো (সামনে) তিলাওয়াত করা হচ্ছে ; তবে ইহরাম অবস্থায় তোমাদের জন্যে শিকার করা বৈধ নয়। নিশ্চয়ই হুকুম প্রদান করেন যা তিনি চান।

Word by word

يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوٓا۟ أَوْفُوا۟ بِٱلْعُقُودِ أُحِلَّتْ لَكُم بَهِيمَةُ ٱلْأَنْعَٰمِ إِلَّا مَا يُتْلَىٰ عَلَيْكُمْ غَيْرَ مُحِلِّى ٱلصَّيْدِ وَأَنتُمْ حُرُمٌ إِنَّ ٱللَّهَ يَحْكُمُ مَا يُرِيدُ

বয়ান ফাউন্ডেশন

হে মুমিনগণ, তোমরা অঙ্গীকারসমূহ পূর্ণ কর। তোমাদের জন্য গৃহপালিত চতুস্পদ জন্তু হালাল করা হয়েছে, তোমাদের নিকট যা বর্ণনা করা হচ্ছে তা ছাড়া। তবে ইহরাম অবস্থায় শিকারকে হালাল করবে না। নিশ্চয় যা ইচ্ছা বিধান দেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

হে লোকেরা! তোমরা আল্লাহর নিদর্শন সমূহকে, হারাম মাসকে, কাবায় প্রেরিত কুরবানির পশুকে, (কুরবানির) উদ্দেশ্যে গলায় চিহ্ন পরানো পশুকে এবং নিজেদের প্রভুর রেজামন্দি ও অনুগ্রহ সন্ধানে বায়তুল হারাম অভিমুখী যাত্রীদের অবমাননা করাকে হালাল করে নিয়োনা। যখন তোমরা ইহরাম থেকে হালাল হয়ে যাবে, তখন শিকার করো। মসজিদে হারামে প্রবেশ করতে তোমাদের বাধা দিয়েছে বলে কোনো কওমের প্রতি বিদ্বেষ যেনো তোমাদেরকে কিছুতেই সীমালংঘনে প্ররোচিত না করে। আর পুণ্য ও তাকওয়ার কাজে একে অপরকে সহযোগিতা করো, তবে পাপও সীমালংঘনের কাজে পরস্পরকে সহযোগিতা করোনা। আল্লাহকে ভয় করো। নিশ্চয়ই কঠিন শাস্তি দাতা।

Word by word

يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ لَا تُحِلُّوا۟ شَعَٰٓئِرَ ٱللَّهِ وَلَا ٱلشَّهْرَ ٱلْحَرَامَ وَلَا ٱلْهَدْىَ وَلَا ٱلْقَلَٰٓئِدَ وَلَآ ءَآمِّينَ ٱلْبَيْتَ ٱلْحَرَامَ يَبْتَغُونَ فَضْلًا مِّن رَّبِّهِمْ وَرِض

বয়ান ফাউন্ডেশন

হে মুমিনগণ, তোমরা অসম্মান করো না আল্লাহর নিদর্শনসমূহের, হারাম মাসের, হারামে প্রেরিত কুরবানীর পশুর, গলায় চি‎হ্ন দেয়া পশুর এবং আপন রবের অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টির অনুসন্ধানে পবিত্র গৃহের অভিমুখীদের। যখন তোমরা হালাল হও, তখন শিকার কর। কোন কওমের শত্রুতা যে, তারা তোম

আবদুস শহীদ নাসিম

হারাম করে দেয়া হলো তোমাদের জন্যে মৃত পশু, রক্ত, শুয়োরের মাংস, ছাড়া অন্য কারো নামে যবেহ্ করা পশু। দমবন্ধ হয়ে মরে যাওয়া পশু, আঘাতে মৃত পশু, উপর থেকে পড়ে মরা পশু, সিং - এর গুতোয় মরা পশু এবং সেই পশু যাকে হিংস্র জানোয়ার ছিন্ন ভিন্ন করে খেয়েছে। তবে এর মধ্যে যেগুলোকে তোমরা যবেহ্ করার সুযোগ পাও (সেগুলো হালাল)। আর যেগুলো আস্তানা বা বেদিতে যবাই করা হয়েছে সেগুলোও হারাম। আরো হারাম করা হয়েছে জুয়ার তীরের (অর্থাৎ জুয়াবাজির) মাধ্যমে ভাগ্য নির্ণয় করা। এগুলো সবই ফাসেকি কাজ। আজ কাফিররা তোমাদের দীনের বিরোধিতার কাজে হতাশ হয়ে পড়েছে। সুতরাং তাদের ভয় পেয়োনা, কেবল আমাকে ভয় করো। আজ আমি তোমাদের জন্যে পূর্ণ করে দিলাম তোমাদের দীন, পরিপূর্ণ করে দিলাম তোমাদের প্রতি আমার নিয়ামত (আল কুরআন) এবং তোমাদের জন্যে দীন (জীবন ব্যবস্থা) মনোনীত করলাম ইসলামকে। কেউ পাপের প্রতি আকৃষ্ট না হয়ে ক্ষুধার তাড়নায় যদি বাধ্য হয়ে (হারামকৃত জিনিসগুলো থেকে কিছু খায়) তবে অবশ্যি ক্ষমাশীল দয়াময়।

Word by word

حُرِّمَتْ عَلَيْكُمُ ٱلْمَيْتَةُ وَٱلدَّمُ وَلَحْمُ ٱلْخِنزِيرِ وَمَآ أُهِلَّ لِغَيْرِ ٱللَّهِ بِهِۦ وَٱلْمُنْخَنِقَةُ وَٱلْمَوْقُوذَةُ وَٱلْمُتَرَدِّيَةُ وَٱلنَّطِيحَةُ وَمَآ أَكَلَ ٱلسَّبُعُ إِلَّا مَا ذَكَّيْتُ

বয়ান ফাউন্ডেশন

তোমাদের জন্য হারাম করা হয়েছে মৃত প্রাণী, রক্ত ও শূকরের গোশত এবং যা ভিন্ন কারো নামে যবেহ করা হয়েছে; গলা চিপে মারা জন্তু, প্রহারে মরা জন্তু, উঁচু থেকে পড়ে মরা জন্তু অন্য প্রাণীর শিঙের আঘাতে মরা জন্তু এবং যে জন্তুকে হিংস্র প্রাণী খেয়েছে- তবে যা তোমরা

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা তোমার কাছে জানতে চাইছে, তাদের জন্য কী হালাল করা হয়েছে? তুমি তাদের বলো: তোমাদের জন্য হালাল করা হয়েছে সব ভালো জিনিস। তোমাদের যা শিক্ষা দিয়েছেন তার আলোকে তোমরা শিকারী পশু পাখিদের যা প্রশিক্ষণ দাও, তারা তোমাদের জন্য যা শিকার করে আনে সেগুলো খাও। তবে সেগুলোতে আল্লাহর নাম নেবে, আল্লাহকে ভয় করো। নিশ্চয়ই দ্রুত হিসাব গ্রহণকারী।

Word by word

يَسْـَٔلُونَكَ مَاذَآ أُحِلَّ لَهُمْ قُلْ أُحِلَّ لَكُمُ ٱلطَّيِّبَٰتُ وَمَا عَلَّمْتُم مِّنَ ٱلْجَوَارِحِ مُكَلِّبِينَ تُعَلِّمُونَهُنَّ مِمَّا عَلَّمَكُمُ ٱللَّهُ فَكُلُوا۟ مِمَّآ أَمْسَكْنَ عَلَيْكُمْ وَٱذْكُ

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা তোমাকে প্রশ্ন করে, তাদের জন্য কী বৈধ করা হয়েছে? বল, ‘তোমাদের জন্য বৈধ করা হয়েছে সব ভাল বস্তু এবং শিকারী পশু-পাখী, যাদেরকে তোমরা শিকার প্রশিক্ষণ দিয়েছ; সেগুলোকে তোমরা শেখাও, যা তোমাদেরকে শিখিয়েছেন। সুতরাং তোমরা তা থেকে খাও, যা তোমাদের জন্য ধরে

আবদুস শহীদ নাসিম

আজ তোমাদের জন্য হালাল করা হলো সব ভালো - পবিত্র জিনিস। পূর্বে যাদেরকে কিতাব দেয়া হয়েছে তাদের খাদ্য দ্রব্য (যবাই করা পশু) তোমাদের জন্য হালাল এবং তোমাদের খাদ্য দ্রব্যও তাদের জন্য হালাল। তোমাদের জন্য (বিয়ে করা হালাল) সতী সাধ্বী নারীদেরকে এবং তোমাদের পূর্বে যাদেরকে কিতাব দেয়া হয়েছে তাদের সতী সাধ্বী নারীদেরকে যদি তোমরা তাদের মোহরানা প্রদান করো বিয়ে করার উদ্দেশ্যে, ব্যভিচার এবং গোপন প্রণয়িনী হিসেবে গ্রহণ করার উদ্দেশ্যে নয়। যে কেউ ঈমানের পথে আসতে অস্বীকার করবে, নিষ্ফল হয়ে যাবে তার আমল এবং আখিরাতে সে অন্তরভুক্ত হবে ক্ষতিগ্রস্ত লোকদের।

Word by word

ٱلْيَوْمَ أُحِلَّ لَكُمُ ٱلطَّيِّبَٰتُ وَطَعَامُ ٱلَّذِينَ أُوتُوا۟ ٱلْكِتَٰبَ حِلٌّ لَّكُمْ وَطَعَامُكُمْ حِلٌّ لَّهُمْ وَٱلْمُحْصَنَٰتُ مِنَ ٱلْمُؤْمِنَٰتِ وَٱلْمُحْصَنَٰتُ مِنَ ٱلَّذِينَ أُوتُوا۟ ٱلْكِتَٰبَ مِن

বয়ান ফাউন্ডেশন

আজ তোমাদের জন্য বৈধ করা হল সব ভাল বস্তু এবং যাদেরকে কিতাব প্রদান করা হয়েছে, তাদের খাবার তোমাদের জন্য বৈধ এবং তোমাদের খাবার তাদের জন্য বৈধ। আর সচ্চরিত্রা নারী এবং তোমাদের পূর্বে যাদেরকে কিতাব দেয়া হয়েছে, তাদের সচ্চরিত্রা নারীদের সাথে তোমাদের বিবাহ বৈ

আবদুস শহীদ নাসিম

হে লোকেরা ! তোমরা যখন সালাতের জন্য উঠবে তখন ধুয়ে নেবে তোমাদের মুখমন্ডল এবং তোমাদের হাত কনুই পর্যন্ত, আর মাসেহ্ করে নেবে তোমাদের মাথা এবং ধুয়ে নেবে তোমাদের পা টাক্নু পর্যন্ত। কিন্তু তোমরা যদি অপবিত্র থাকো তাহলে (আগেই) পবিত্র হয়ে নেবে। তবে যদি রোগাক্রান্ত হয়ে থাকো, কিংবা সফরে থাকো, অথবা তোমাদের কেউ যদি পায়খানায় গিয়ে আসো, কিংবা স্ত্রীর সাথে সংগম করে থাকো, অতঃপর যদি পানি না পাও, তবে তাইয়াম্মুম করে নাও ভালো মাটি দিয়ে। তা দিয়ে মাসেহ্ করে নেবে তোমাদের মুখমন্ডল এবং হাত। তোমাদের কষ্টে ফেলতে চান না, বরং তিনি চান তোমাদের পবিত্র করতে এবং তোমাদের প্রতি তাঁর অনুগ্রহ পূর্ণ করতে, যাতে করে তোমরা হতে পারো শোকরগুজার।

Word by word

يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوٓا۟ إِذَا قُمْتُمْ إِلَى ٱلصَّلَوٰةِ فَٱغْسِلُوا۟ وُجُوهَكُمْ وَأَيْدِيَكُمْ إِلَى ٱلْمَرَافِقِ وَٱمْسَحُوا۟ بِرُءُوسِكُمْ وَأَرْجُلَكُمْ إِلَى ٱلْكَعْبَيْنِ وَإِن كُنتُمْ جُنُبًا فَٱط

বয়ান ফাউন্ডেশন

হে মুমিনগণ, যখন তোমরা সালাতে দন্ডায়মান হতে চাও, তখন তোমাদের মুখ ও কনুই পর্যন্ত হাত ধৌত কর, মাথা মাসেহ কর এবং টাখনু পর্যন্ত পা (ধৌত কর)। আর যদি তোমরা অপবিত্র থাক, তবে ভালোভাবে পবিত্র হও। আর যদি অসুস্থ হও কিংবা সফরে থাক অথবা যদি তোমাদের কেউ পায়খানা থেকে আসে

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমাদের প্রতি আল্লাহর নিয়ামতের কথা স্মরণ করো আর সেই অংগীকারের কথা যার সাথে তিনি তোমাদের শক্তভাবে আবদ্ধ করেছিলেন, যখন তোমরা বলেছিলে: ‘আমরা শুনলাম এবং মেনে নিলাম।’ আল্লাহকে ভয় করো, নিশ্চয়ই ভালোভাবে জানেন অন্তরের খবর।

Word by word

وَٱذْكُرُوا۟ نِعْمَةَ ٱللَّهِ عَلَيْكُمْ وَمِيثَٰقَهُ ٱلَّذِى وَاثَقَكُم بِهِۦٓ إِذْ قُلْتُمْ سَمِعْنَا وَأَطَعْنَا وَٱتَّقُوا۟ ٱللَّهَ إِنَّ ٱللَّهَ عَلِيمٌۢ بِذَاتِ ٱلصُّدُورِ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর স্মরণ কর, তোমাদের উপর আল্লাহর নিআমত এবং তাঁর অঙ্গীকার, যা তিনি তোমাদের থেকে নিয়েছেন। যখন তোমরা বললে, ‘আমরা শুনেছি এবং আনুগত্য করেছি’ আর তোমরা আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয় অন্তরের বিষয় সম্পর্কে বিশেষ অবগত।

আবদুস শহীদ নাসিম

হে ঈমান আনা লোকেরা! তোমরা আল্লাহর উদ্দেশ্যে ন্যায় সাক্ষ্যদাতা হিসেবে অটল অবিচল থাকো। কোনো কওমের প্রতি বিদ্বেষ যেনো তোমাদেরকে ন্যায়নীতি বর্জনে প্ররোচিত না করে। তোমরা আদল ও ইনসাফের নীতি গ্রহণ করো। এটাই তাকওয়ার জন্যে নিকটতর। আল্লাহকে ভয় করো, নিশ্চয়ই তোমাদের আমল (কর্মকান্ড) সম্পর্কে বিশেষভাবে খবর রাখেন।

Word by word

يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ كُونُوا۟ قَوَّٰمِينَ لِلَّهِ شُهَدَآءَ بِٱلْقِسْطِ وَلَا يَجْرِمَنَّكُمْ شَنَـَٔانُ قَوْمٍ عَلَىٰٓ أَلَّا تَعْدِلُوا۟ ٱعْدِلُوا۟ هُوَ أَقْرَبُ لِلتَّقْوَىٰ وَٱتَّقُوا۟ ٱللَّهَ إِ

বয়ান ফাউন্ডেশন

হে মুমিনগণ, তোমরা আল্লাহর জন্য ন্যায়ের সাথে সাক্ষদানকারী হিসেবে সদা দন্ডায়মান হও। কোন কওমের প্রতি শত্রুতা যেন তোমাদেরকে কোনভাবে প্ররোচিত না করে যে, তোমরা ইনসাফ করবে না। তোমরা ইনসাফ কর, তা তাকওয়ার নিকটতর এবং আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয় তোমরা যা কর, সে বি

আবদুস শহীদ নাসিম

ওয়াদা দিয়েছেন: যারা ঈমান আনে এবং আমলে সালেহ করে তাদের জন্যে রয়েছে মাগফিরাত এবং বিশাল পুরস্কার।

Word by word

وَعَدَ ٱللَّهُ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَعَمِلُوا۟ ٱلصَّٰلِحَٰتِ لَهُم مَّغْفِرَةٌ وَأَجْرٌ عَظِيمٌ

বয়ান ফাউন্ডেশন

যারা ঈমান এনেছে এবং নেক কাজ করেছে ওয়াদা দিয়েছেন, তাদের জন্য রয়েছে ক্ষমা ও মহাপুরস্কার।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর যারা কুফুরির পথ অবলম্বন করে এবং প্রত্যাখ্যান করে আমাদের আয়াত, তারা হবে জাহিমের (জ্বলন্ত আগুনের) অধিবাসী।

Word by word

وَٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ وَكَذَّبُوا۟ بِـَٔايَٰتِنَآ أُو۟لَٰٓئِكَ أَصْحَٰبُ ٱلْجَحِيمِ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যারা করেছে এবং আমার আয়াতসমূহকে অস্বীকার করেছে, তারাই আগুনের অধিবাসী।

আবদুস শহীদ নাসিম

হে লোকেরা! তোমাদের প্রতি আল্লাহর সেই অনুগ্রহের কথা স্মরণ করো যখন একদল লোক তোমাদের উপর হাত উঠাতে চেয়েছিল, তখন তিনিই তোমাদের থেকে তাদের হাত গুটিয়ে রেখেছিলেন। তোমরা আল্লাহকে ভয় করো। আর মুমিনরা তাওয়াক্কুল করুক আল্লাহরই উপর।

Word by word

يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ ٱذْكُرُوا۟ نِعْمَتَ ٱللَّهِ عَلَيْكُمْ إِذْ هَمَّ قَوْمٌ أَن يَبْسُطُوٓا۟ إِلَيْكُمْ أَيْدِيَهُمْ فَكَفَّ أَيْدِيَهُمْ عَنكُمْ وَٱتَّقُوا۟ ٱللَّهَ وَعَلَى ٱللَّهِ فَلْيَتَوَكَّلِ

বয়ান ফাউন্ডেশন

হে মুমিনগণ, তোমরা স্মরণ কর তোমাদের উপর আল্লাহর নিআমত, যখন একটি কওম তোমাদের প্রতি তাদের হাত প্রসারিত করতে মনস্থ করল; কিন্তু তিনি তাদের হাতকে তোমাদের থেকে নিবৃত্ত রাখলেন। আর তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং আল্লাহর উপরই মুমিনরা যেন তাওয়াক্কুল করে।

আবদুস শহীদ নাসিম

(দেখো), বনি ইসরাঈলের অংগীকার গ্রহণ করেছিলেন এবং আমরা তাদের মধ্য থেকে বারোজন নকিব (নেতা) নিয়োগ করেছিলাম। তাদের বলেছিলেন: আমি তোমাদের সাথে আছি তোমরা যদি কায়েম করো, যাকাত প্রদান করো, আমার রসূলদের প্রতি ঈমান রাখো, তাদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করো এবং আল্লাহকে করযে হাসানা দাও। তাহলে অবশ্যি তোমাদের থেকে মুছে দেবো তোমাদের পাপসমূহ এবং অবশ্য অবশ্যি তোমাদের দাখিল করবো জান্নাতসমূহে, যেগুলোর নিচে দিয়ে জারি থাকবে নদ নদী নহর। এরপরও যদি (তোমাদের) কেউ কুফুরিতে নিমজ্জিত হয়, সে বিপথগামী হয়ে যাবে সোজা পথ থেকে।

Word by word

وَلَقَدْ أَخَذَ ٱللَّهُ مِيثَٰقَ بَنِىٓ إِسْرَٰٓءِيلَ وَبَعَثْنَا مِنْهُمُ ٱثْنَىْ عَشَرَ نَقِيبًا وَقَالَ ٱللَّهُ إِنِّى مَعَكُمْ لَئِنْ أَقَمْتُمُ ٱلصَّلَوٰةَ وَءَاتَيْتُمُ ٱلزَّكَوٰةَ وَءَامَنتُم بِرُسُلِى وَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর অবশ্যই বনী ইসরাঈলের অঙ্গীকার গ্রহণ করেছিলেন এবং আমি তাদের মধ্য থেকে বার জন দলনেতা পাঠিয়েছিলাম এবং বলেছিলেন, নিশ্চয় আমি তোমাদের সাথে আছি, যদি তোমরা কায়েম কর, যাকাত দাও, আমার রাসূলদের প্রতি ঈমান আন, তাদেরকে সহযোগিতা কর এবং আল্লাহকে উত

আবদুস শহীদ নাসিম

অংগীকার ভংগের কারণে আমরা তাদেরকে (বনি ইসরাঈলকে) লানত করেছি এবং তাদের অন্তরগুলোকে করে দিয়েছি কঠিন। তারা বিকৃত করতো কথাকে আসল অর্থ থেকে এবং তাদের যে উপদেশ দেয়া হয়েছিল তার একাংশ তারা ভুলে গিয়েছিল। সব সময় তুমি তাদের অল্প কিছু লোক ছাড়া বাকিদেরকে খিয়ানতকারী দেখতে পাবে। সুতরাং তুমি তাদের ক্ষমা করো এবং উপেক্ষা করো, নিশ্চয়ই কল্যাণকামীদের মহববত করেন।

Word by word

فَبِمَا نَقْضِهِم مِّيثَٰقَهُمْ لَعَنَّٰهُمْ وَجَعَلْنَا قُلُوبَهُمْ قَٰسِيَةً يُحَرِّفُونَ ٱلْكَلِمَ عَن مَّوَاضِعِهِۦ وَنَسُوا۟ حَظًّا مِّمَّا ذُكِّرُوا۟ بِهِۦ وَلَا تَزَالُ تَطَّلِعُ عَلَىٰ خَآئِنَةٍ مِّنْهُمْ

বয়ান ফাউন্ডেশন

সুতরাং তারা তাদের অঙ্গীকার ভঙ্গের কারণে আমি তাদেরকে লা‘নত দিয়েছি এবং তাদের অন্তরসমূহকে করেছি কঠোর। তারা শব্দগুলোকে আপন স্থান থেকে বিকৃত করে এবং তাদেরকে যে উপদেশ দেয়া হয়েছে, তার একটি অংশ তারা ভুলে গিয়েছে এবং তুমি তাদের থেকে খিয়ানত সম্পর্কে অবগত হতে থাকবে,

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তাদের থেকেও অংগীকার গ্রহণ করেছিলাম যারা বলে আমরা নাসারা (খৃষ্টান)। কিন্তু তাদের যে উপদেশ দেয়া হয়েছিল তার একাংশ তারা ভুলে থেকেছিল। সুতরাং আমরা কিয়ামতকাল পর্যন্ত তাদের মধ্যে দুশমনি ও বিদ্বেষ জাগিয়ে রেখেছি। অচিরেই (বিচারের দিন) তাদেরকে তাদের কৃতকর্ম অবহিত করবেন।

Word by word

وَمِنَ ٱلَّذِينَ قَالُوٓا۟ إِنَّا نَصَٰرَىٰٓ أَخَذْنَا مِيثَٰقَهُمْ فَنَسُوا۟ حَظًّا مِّمَّا ذُكِّرُوا۟ بِهِۦ فَأَغْرَيْنَا بَيْنَهُمُ ٱلْعَدَاوَةَ وَٱلْبَغْضَآءَ إِلَىٰ يَوْمِ ٱلْقِيَٰمَةِ وَسَوْفَ يُنَبِّئُهُمُ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যারা বলে, ‘আমরা নাসারা’, আমি তাদের থেকে অঙ্গীকার গ্রহণ করেছিলাম। অতঃপর তাদেরকে যে উপদেশ দেয়া হয়েছিল, তারা তার একটি অংশ ভুলে গিয়েছে। ফলে আমি তাদের মধ্যে কিয়ামতের দিন পর্যন্ত শত্রুতা ও ঘৃণা উসকে দিয়েছি এবং তারা যা করত সে সম্পর্কে অচিরেই তাদেরকে অব

আবদুস শহীদ নাসিম

হে আহলে কিতাব! এখন তো তোমাদের কাছে আমাদের রসূল (মুহাম্মদ) এসে গেছে। সে আল কিতাবের এমন অনেক বিষয়ই তোমাদের কাছে প্রকাশ করেছে, যা তোমরা গোপন করে রাখছিলে, আর অনেক বিষয় সে ক্ষমার চোখেও দেখছে। তোমাদের কাছে তো এসে গেছে আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি আলো (অর্থাৎ রসূল মুহাম্মদ) এবং একটি সুস্পষ্ট কিতাব (আল কুরআন)।

Word by word

يَٰٓأَهْلَ ٱلْكِتَٰبِ قَدْ جَآءَكُمْ رَسُولُنَا يُبَيِّنُ لَكُمْ كَثِيرًا مِّمَّا كُنتُمْ تُخْفُونَ مِنَ ٱلْكِتَٰبِ وَيَعْفُوا۟ عَن كَثِيرٍ قَدْ جَآءَكُم مِّنَ ٱللَّهِ نُورٌ وَكِتَٰبٌ مُّبِينٌ

বয়ান ফাউন্ডেশন

হে কিতাবীগণ, তোমাদের নিকট আমার রাসূল এসেছে, কিতাব থেকে যা তোমরা গোপন করতে, তার অনেক কিছু তোমাদের নিকট সে প্রকাশ করছে এবং অনেক কিছু ছেড়ে দিয়েছে। অবশ্যই তোমাদের নিকট আল্লাহর পক্ষ থেকে আলো ও স্পষ্ট কিতাব এসেছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

এর মাধ্যমে সেইসব লোকদের সালামের (শান্তি ও নিরাপত্তার) পথ দেখান, যারা তাঁর সন্তোষ লাভের আকাংখী, আর নিজ অনুমতিক্রমে তিনি তাদেরকে অন্ধকাররাশি থেকে বের করে নিয়ে আসেন আলোতে এবং তাদের পরিচালিত করেন সিরাতুল মুস্তাকিমের দিকে।

Word by word

يَهْدِى بِهِ ٱللَّهُ مَنِ ٱتَّبَعَ رِضْوَٰنَهُۥ سُبُلَ ٱلسَّلَٰمِ وَيُخْرِجُهُم مِّنَ ٱلظُّلُمَٰتِ إِلَى ٱلنُّورِ بِإِذْنِهِۦ وَيَهْدِيهِمْ إِلَىٰ صِرَٰطٍ مُّسْتَقِيمٍ

বয়ান ফাউন্ডেশন

এর মাধ্যমে তাদেরকে শান্তির পথ দেখান, যারা তাঁর সন্তুষ্টির অনুসরণ করে এবং তাঁর অনুমতিতে তিনি তাদেরকে অন্ধকার থেকে আলোর দিকে বের করেন। আর তাদেরকে সরল পথের দিকে হিদায়াত দেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা বলে, ‘মসিহ ইবনে মরিয়মই ’, তারা কুফুরি করেছে। বলো, যদি মসিহ্ ইবনে মরিয়মকে, তার মাকে এবং বিশ্বের সব মানুষকে হালাক করে দিতে চান, তাহলে তাঁকে তাঁর এই এরাদা থেকে বিরত রাখার ক্ষমতা কার আছে? মহাকাশ, পৃথিবী এবং এদুয়ের মধ্যবর্তী সব কিছুর মালিক তো । তিনি যা চান সৃষ্টি করেন। আর সর্ব বিষয়ে সর্বশক্তিমান।

Word by word

لَّقَدْ كَفَرَ ٱلَّذِينَ قَالُوٓا۟ إِنَّ ٱللَّهَ هُوَ ٱلْمَسِيحُ ٱبْنُ مَرْيَمَ قُلْ فَمَن يَمْلِكُ مِنَ ٱللَّهِ شَيْـًٔا إِنْ أَرَادَ أَن يُهْلِكَ ٱلْمَسِيحَ ٱبْنَ مَرْيَمَ وَأُمَّهُۥ وَمَن فِى ٱلْأَرْض

বয়ান ফাউন্ডেশন

অবশ্যই তারা করেছে যারা বলে ‘নিশ্চয় মারইয়াম পুত্র মাসীহই ’। বল, যদি ধ্বংস করতে চান মারইয়াম পুত্র মাসীহকে ও তার মাকে এবং যমীনে যারা আছে তাদের সকলকে ‘তাহলে কে আল্লাহর বিপক্ষে কোন কিছুর ক্ষমতা রাখে? আর আসমানসমূহ, যমীন ও তাদের মধ্যবর্তী যা র

আবদুস শহীদ নাসিম

ইহুদি এবং নাসারারা বলে: ‘আমরা আল্লাহর সন্তান এবং তাঁর প্রিয়পাত্র।’ বলো: তাহলে তোমাদের অপরাধের জন্যে তিনি তোমাদের শাস্তি দেন কেন? বরং তোমরা তো সে রকমই মানুষ, যেমন তিনি অন্যান্য মানুষ সৃষ্টি করেছেন। তিনি ক্ষমা করে দেন যাকে ইচ্ছা এবং আযাব দেন যাকে ইচ্ছা। মহাকাশ, পৃথিবী এবং এ দুয়ের মাঝে যা কিছু আছে সবই আল্লাহর। সবাইকে ফিরে যেতে হবে তাঁরই কাছে।

Word by word

وَقَالَتِ ٱلْيَهُودُ وَٱلنَّصَٰرَىٰ نَحْنُ أَبْنَٰٓؤُا۟ ٱللَّهِ وَأَحِبَّٰٓؤُهُۥ قُلْ فَلِمَ يُعَذِّبُكُم بِذُنُوبِكُم بَلْ أَنتُم بَشَرٌ مِّمَّنْ خَلَقَ يَغْفِرُ لِمَن يَشَآءُ وَيُعَذِّبُ مَن يَشَآءُ وَلِلَّه

বয়ান ফাউন্ডেশন

ইয়াহূদী ও নাসারারা বলে, ‘আমরা আল্লাহর পুত্র ও তার প্রিয়জন’। বল, ‘তবে কেন তিনি তোমাদেরকে তোমাদের পাপের কারণে আযাব দেন? বরং তোমরা তাদের অন্তর্ভুক্ত মানুষ, যাদেরকে তিনি সৃষ্টি করেছেন। তিনি যাকে ইচ্ছা তাকে ক্ষমা করেন এবং যাকে ইচ্ছা আযাব দেন। আর আসমানসমূহ ও যম

আবদুস শহীদ নাসিম

হে আহলে কিতাব! এখন তো তোমাদের কাছে এসে গেছে আমার রসূল (মুহাম্মদ) দীনের সমস্ত বিষয় তোমাদের জন্যে সুস্পষ্ট করার জন্যে দীর্ঘকাল রসূলদের আসা বন্ধ থাকার পর, যাতে করে তোমরা বলতে না পারো যে: ‘আমাদের কাছে তো কোনো সুসংবাদদাতা কিংবা সতর্ককারী আসেনি।’ এখন তো তোমাদের কাছে সুসংবাদদাতা এবং সতর্ককারী এসে গেছে। সব বিষয়ে সর্বশক্তিমান।

Word by word

يَٰٓأَهْلَ ٱلْكِتَٰبِ قَدْ جَآءَكُمْ رَسُولُنَا يُبَيِّنُ لَكُمْ عَلَىٰ فَتْرَةٍ مِّنَ ٱلرُّسُلِ أَن تَقُولُوا۟ مَا جَآءَنَا مِنۢ بَشِيرٍ وَلَا نَذِيرٍ فَقَدْ جَآءَكُم بَشِيرٌ وَنَذِيرٌ وَٱللَّهُ عَلَىٰ

বয়ান ফাউন্ডেশন

হে কিতাবীরা, তোমাদের নিকট আমার রাসূল এসেছে, রাসূলদের একটি বিরতির পর তোমাদের জন্য তিনি স্পষ্ট বর্ণনা করছেন. যেন তোমরা না বল যে, ‘আমাদের নিকট কোন সুসংবাদদাতা কিংবা সতর্ককারী আসেনি’। অবশ্যই তোমাদের নিকট সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারী এসেছে। আর সব কিছুর উপর ক

আবদুস শহীদ নাসিম

(স্মরণ করো) যখন মূসা তার কওমকে বলেছিল: ‘‘হে আমার কওম! তোমাদের প্রতি আল্লাহর সেই নিয়ামত - এর কথা স্মরণ করো, যখন তিনি তোমাদের মধ্যে অনেক নবী প্রেরণ করেছিলেন, তোমাদের বানিয়েছিলেন শাসক এবং তোমাদের দিয়েছিলেন (এতোসব) যা বিশ্বজগতের আর কাউকেও দেয়া হয়নি।

Word by word

وَإِذْ قَالَ مُوسَىٰ لِقَوْمِهِۦ يَٰقَوْمِ ٱذْكُرُوا۟ نِعْمَةَ ٱللَّهِ عَلَيْكُمْ إِذْ جَعَلَ فِيكُمْ أَنۢبِيَآءَ وَجَعَلَكُم مُّلُوكًا وَءَاتَىٰكُم مَّا لَمْ يُؤْتِ أَحَدًا مِّنَ ٱلْعَٰلَمِينَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যখন মূসা তার কওমকে বলল, ‘হে আমার কওম, স্মরণ কর তোমাদের উপর আল্লাহর নিআমত, যখন তিনি তোমাদের মধ্যে নবী বানিয়েছেন এবং তোমাদেরকে রাজা-বাদশাহ বানিয়েছেন, আর তোমাদেরকে দান করেছেন এমন কিছু যা সকল সৃষ্টির মধ্যে কাউকে দান করেননি’।

আবদুস শহীদ নাসিম

হে আমার কওম, দাখিল হও পবিত্র ভূমিতে (জেরুযালেমে) যা লিখে দিয়েছেন তোমাদের জন্যে, পেছনে হটে যেয়োনা, তাহলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়বে।’’

Word by word

يَٰقَوْمِ ٱدْخُلُوا۟ ٱلْأَرْضَ ٱلْمُقَدَّسَةَ ٱلَّتِى كَتَبَ ٱللَّهُ لَكُمْ وَلَا تَرْتَدُّوا۟ عَلَىٰٓ أَدْبَارِكُمْ فَتَنقَلِبُوا۟ خَٰسِرِينَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘হে আমার কওম, তোমরা পবিত্র ভূমিতে প্রবেশ কর, যা তোমাদের জন্য লিখে দিয়েছেন এবং তোমরা তোমাদের পেছনে ফিরে যেয়ো না, তাহলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে প্রত্যাবর্তন করবে’।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা বললো: ‘হে মূসা! সেখানে যে রয়েছে একটি দুর্ধর্ষ জাতি! আমরা কিছুতেই সেখানে দাখিল হবোনা, যদি না তারা সেখান থেকে বের হয়ে যায়। তারা যদি সেখান থেকে বের হয়ে যায়, তবেই আমরা দাখিল হবো সেখানে।’

Word by word

قَالُوا۟ يَٰمُوسَىٰٓ إِنَّ فِيهَا قَوْمًا جَبَّارِينَ وَإِنَّا لَن نَّدْخُلَهَا حَتَّىٰ يَخْرُجُوا۟ مِنْهَا فَإِن يَخْرُجُوا۟ مِنْهَا فَإِنَّا دَٰخِلُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা বলল, ‘হে মূসা, নিশ্চয় সেখানে রয়েছে এক শক্তিশালী জাতি এবং আমরা নিশ্চয় সেখানে প্রবেশ করব না, যতক্ষণ না তারা সেখান থেকে বের হয়। অতঃপর যদি তারা সেখান থেকে বের হয়, তবে নিশ্চয় আমরা প্রবেশ করব’।

আবদুস শহীদ নাসিম

তবে (তাদের মধ্য থেকে) দুইজন লোক যারা ভয় করছিল এবং যাদের প্রতি অনুগ্রহ করেছিলেন তারা বললো: ‘তোমরা (তাদের সাথে লড়াই করে) দরজা দিয়ে দাখিল হয়ে যাও। যখনই তোমরা দাখিল হয়ে যাবে তোমরাই গালিব (জয়ী) হবে। আর আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল করো যদি তোমরা হয়ে থাকো।’

Word by word

قَالَ رَجُلَانِ مِنَ ٱلَّذِينَ يَخَافُونَ أَنْعَمَ ٱللَّهُ عَلَيْهِمَا ٱدْخُلُوا۟ عَلَيْهِمُ ٱلْبَابَ فَإِذَا دَخَلْتُمُوهُ فَإِنَّكُمْ غَٰلِبُونَ وَعَلَى ٱللَّهِ فَتَوَكَّلُوٓا۟ إِن كُنتُم مُّؤْمِنِينَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

যারা ভয় করে, তাদের মধ্য থেকে এমন দু’ব্যক্তি বলল, ‘যাদের উপর নিআমত দিয়েছেন, ‘তোমরা তাদের নিকট দরজা দিয়ে প্রবেশ কর। যখন সেখানে প্রবেশ করবে, তখন নিশ্চয় জয়ী হবে। আর আল্লাহর উপরই তাওয়াক্কুল কর, যদি তোমরা হও’।

আবদুস শহীদ নাসিম

কিন্তু তারা একইভাবে বললো: ‘হে মূসা! আমরা ততোদিন সেখানে কিছুতেই দাখিল হবোনা যতোদিন তারা সেখানে অবস্থান করবে। সুতরাং তুমি আর তোমার রব গিয়ে (তাদের সাথে) যুদ্ধ করো, আমরা এখানেই বসে থাকবো।’

Word by word

قَالُوا۟ يَٰمُوسَىٰٓ إِنَّا لَن نَّدْخُلَهَآ أَبَدًا مَّا دَامُوا۟ فِيهَا فَٱذْهَبْ أَنتَ وَرَبُّكَ فَقَٰتِلَآ إِنَّا هَٰهُنَا قَٰعِدُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা বলল, ‘হে মূসা, আমরা সেখানে কখনো প্রবেশ করব না, যতক্ষণ তারা সেখানে থাকে। সুতরাং, তুমি ও তোমার রব যাও এবং লড়াই কর। আমরা এখানেই বসে রইলাম’।

আবদুস শহীদ নাসিম

সে (মূসা) বললো: ‘আমার রব! আমার তো আমার নিজের এবং আমার ভাই (হারূণ) - এর ছাড়া আর কারো উপর কর্তৃত্ব নেই। সুতরাং তুমি আমাদের এবং এই ফাসিক (সীমালংঘনকারী) লোকদের মধ্যে ফায়সালা করে দাও।’

Word by word

قَالَ رَبِّ إِنِّى لَآ أَمْلِكُ إِلَّا نَفْسِى وَأَخِى فَٱفْرُقْ بَيْنَنَا وَبَيْنَ ٱلْقَوْمِ ٱلْفَٰسِقِينَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

সে বলল, ‘হে আমার রব, আমি আমার ও আমার ভাই ছাড়া কারো উপরে অধিকার রাখি না। সুতরাং আপনি আমাদের ও ফাসিক কওমের মধ্যে বিচ্ছেদ করে দিন।

আবদুস শহীদ নাসিম

বললেন: ‘যাও এখন থেকে চল্লিশ বছর তাদের জন্যে এই ভূ - খন্ড নিষিদ্ধ করে দেয়া হলো। তারা (মরু) ভূমিতে উদ্ভ্রান্তের মতো বেড়াবে। সুতরাং তুমি এই ফাসিকদের জন্যে ব্যথিত হয়োনা।’

Word by word

قَالَ فَإِنَّهَا مُحَرَّمَةٌ عَلَيْهِمْ أَرْبَعِينَ سَنَةً يَتِيهُونَ فِى ٱلْأَرْضِ فَلَا تَأْسَ عَلَى ٱلْقَوْمِ ٱلْفَٰسِقِينَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

তিনি বললেন, ‘তাহলে নিশ্চয় তা তাদের জন্য চল্লিশ বছর নিষিদ্ধ; তারা যমীনে উদ্ভ্রান্ত হয়ে ঘুরতে থাকবে। সুতরাং তুমি ফাসিক কওমের জন্য আফসোস করো না’।

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি তাদের প্রতি হকভাবে তিলাওয়াত করো আদমের দুই পুত্রের (হাবিল ও কাবিলের) সংবাদ। তারা যখন কুরবানি করেছিল, তখন একজনের (হাবিলের) কুরবানি কবুল করা হয়, আর অপর জনের (কাবিলের) কুরবানি কবুল করা হয়নি। সে বললো: ‘আমি অবশ্য অবশ্যি তোমাকে কতল করবো।’ অপরজন বললো: ‘‘ তো কেবল মুত্তাকিদের থেকেই (কুরবানি) কবুল করেন।

Word by word

وَٱتْلُ عَلَيْهِمْ نَبَأَ ٱبْنَىْ ءَادَمَ بِٱلْحَقِّ إِذْ قَرَّبَا قُرْبَانًا فَتُقُبِّلَ مِنْ أَحَدِهِمَا وَلَمْ يُتَقَبَّلْ مِنَ ٱلْءَاخَرِ قَالَ لَأَقْتُلَنَّكَ قَالَ إِنَّمَا يَتَقَبَّلُ ٱللَّهُ مِنَ ٱلْمُ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তুমি তাদের নিকট আদমের দুই পুত্রের সংবাদ যথাযথভাবে বর্ণনা কর, যখন তারা উভয়ে কুরবানী পেশ করল। অতঃপর তাদের একজন থেকে গ্রহণ করা হল, আর অপরজন থেকে গ্রহণ করা হল না। সে বলল, ‘অবশ্যই আমি তোমাকে হত্যা করব’। অন্যজন বলল, ‘ কেবল মুত্তাকীদের থেকে গ্রহণ করেন’।

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি যদি আমাকে কতল করার জন্যে হাত বাড়াও, আমি কিন্তু তোমাকে কতল করার জন্যে হাত বাড়াবোনা। আমি রাববুল আলামিনকে ভয় করি।

Word by word

لَئِنۢ بَسَطتَ إِلَىَّ يَدَكَ لِتَقْتُلَنِى مَآ أَنَا۠ بِبَاسِطٍ يَدِىَ إِلَيْكَ لِأَقْتُلَكَ إِنِّىٓ أَخَافُ ٱللَّهَ رَبَّ ٱلْعَٰلَمِينَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘যদি তুমি আমার প্রতি তোমার হাত প্রসারিত কর আমাকে হত্যা করার জন্য, আমি তোমাকে হত্যা করার জন্য আমার হাত তোমার প্রতি প্রসারিত করব না। নিশ্চয় আমি সৃষ্টিকুলের রব আল্লাহকে ভয় করি’।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমি চাই তুমি আমার এবং তোমার পাপের ভার বহন করো এবং জাহান্নামের অধিবাসী হয়ে যাও, আর এটাই যালিমদের (সঠিক) জাযা (কর্মফল)।’’

Word by word

إِنِّىٓ أُرِيدُ أَن تَبُوٓأَ بِإِثْمِى وَإِثْمِكَ فَتَكُونَ مِنْ أَصْحَٰبِ ٱلنَّارِ وَذَٰلِكَ جَزَٰٓؤُا۟ ٱلظَّٰلِمِينَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘নিশ্চয় আমি চাই যে, তুমি আমার ও তোমার পাপ নিয়ে ফিরে যাও, ফলে তুমি আগুনের অধিবাসী হও। আর সেটিই হচ্ছে যালিমদের প্রতিদান’।

আবদুস শহীদ নাসিম

অতরপর তার নফস্ তার ভাইকে কতল করার কাজে তাকে প্ররোচিত করলো এবং সে তাকে কতল করলো আর ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তরভুক্ত হয়ে গেলো।

Word by word

فَطَوَّعَتْ لَهُۥ نَفْسُهُۥ قَتْلَ أَخِيهِ فَقَتَلَهُۥ فَأَصْبَحَ مِنَ ٱلْخَٰسِرِينَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

সুতরাং তার নফস তাকে বশ করল তার ভাইকে হত্যা করতে। ফলে সে তাকে হত্যা করল এবং ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হল।

আবদুস শহীদ নাসিম

তার ভাইয়ের লাশ কিভাবে ঢাকবে তা দেখানোর জন্যে একটি কাক পাঠালেন। সে এসে মাটি খুঁড়তে থাকলো। এটা দেখে সে (হত্যাকারী কাবিল) বললো: হায়, আমার ভাইয়ের লাশ ঢাকার ব্যাপারে আমি কি এই কাকটির মতো হতেও অক্ষম। অতপর সে লজ্জিত - অনুতপ্ত হয়।

Word by word

فَبَعَثَ ٱللَّهُ غُرَابًا يَبْحَثُ فِى ٱلْأَرْضِ لِيُرِيَهُۥ كَيْفَ يُوَٰرِى سَوْءَةَ أَخِيهِ قَالَ يَٰوَيْلَتَىٰٓ أَعَجَزْتُ أَنْ أَكُونَ مِثْلَ هَٰذَا ٱلْغُرَابِ فَأُوَٰرِىَ سَوْءَةَ أَخِى فَأَصْبَحَ مِنَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর একটি কাক পাঠালেন, যা মাটি খুঁড়ছিল, যাতে তাকে দেখাতে পারে, কীভাবে সে ভাইয়ের লাশ গোপন করবে। সে বলল, ‘হায়! আমি এই কাকটির মত হতেও অক্ষম হয়েছি যে, আমার ভাইয়ের লাশ গোপন করব’। ফলে সে লজ্জিত হল।

আবদুস শহীদ নাসিম

এ প্রেক্ষিতে আমরা বনি ইসরাঈলের জন্যে বিধান লিখে দিলাম: কাউকেও কতল করা বা জমিনে ফাসাদ সৃষ্টি করার মতো ঘটনা ঘটানো ছাড়াই যদি কেউ কাউকেও কতল করে, তবে সে যেনো সমস্ত মানুষকে কতল করলো। আর কেউ যদি কারো প্রাণ রক্ষা করে, তবে সে যেনো সমস্ত মানুষের প্রাণ রক্ষা করলো। তাদের কাছে তো আমাদের রসূলরা স্পষ্ট প্রমাণ নিয়ে এসেছিল। কিন্তু তারপরও তাদের অনেকেই পৃথিবীতে সীমালংঘনকারীই থেকে গেলো।

Word by word

مِنْ أَجْلِ ذَٰلِكَ كَتَبْنَا عَلَىٰ بَنِىٓ إِسْرَٰٓءِيلَ أَنَّهُۥ مَن قَتَلَ نَفْسًۢا بِغَيْرِ نَفْسٍ أَوْ فَسَادٍ فِى ٱلْأَرْضِ فَكَأَنَّمَا قَتَلَ ٱلنَّاسَ جَمِيعًا وَمَنْ أَحْيَاهَا فَكَأَنَّمَآ أَحْيَا

বয়ান ফাউন্ডেশন

এ কারণেই, আমি বনী ইসরাঈলের উপর এই হুকুম দিলাম যে, যে ব্যক্তি কাউকে হত্যা করা কিংবা যমীনে ফাসাদ সৃষ্টি করা ছাড়া যে কাউকে হত্যা করল, সে যেন সব মানুষকে হত্যা করল। আর যে তাকে বাঁচাল, সে যেন সব মানুষকে বাঁচাল। আর অবশ্যই তাদের নিকট আমার রাসূলগণ সুস্পষ্ট নিদর্শন

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা ও তাঁর রসূলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে এবং পৃথিবীতে ফাসাদ সৃষ্টি করে বেড়ায়, তাদের এই কাজের জাযা (শাস্তি) হলো: তাদের হত্যা করা হবে, অথবা শূলবিদ্ধ করা হবে, কিংবা বিপরীত দিক থেকে তাদের হাত ও পা কেটে ফেলা হবে, নতুবা দেশ থেকে নির্বাসিত করা হবে। এ হলো তাদের দুনিয়ার লাঞ্ছনা, আর আখিরাতে তাদের জন্যে রয়েছে বিরাট আযাব।

Word by word

إِنَّمَا جَزَٰٓؤُا۟ ٱلَّذِينَ يُحَارِبُونَ ٱللَّهَ وَرَسُولَهُۥ وَيَسْعَوْنَ فِى ٱلْأَرْضِ فَسَادًا أَن يُقَتَّلُوٓا۟ أَوْ يُصَلَّبُوٓا۟ أَوْ تُقَطَّعَ أَيْدِيهِمْ وَأَرْجُلُهُم مِّنْ خِلَٰفٍ أَوْ يُنفَوْا۟ مِنَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

যারা ও তাঁর রাসূলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে এবং যমীনে ফাসাদ করে বেড়ায়, তাদের আযাব কেবল এই যে, তাদেরকে হত্যা করা হবে অথবা শূলে চড়ানো হবে কিংবা বিপরীত দিক থেকে তাদের হাত ও পা কেটে ফেলা হবে অথবা তাদেরকে দেশ থেকে বের করে দেয়া হবে। এটি তাদের জন্য দুনিয়ায় লাঞ

আবদুস শহীদ নাসিম

অবশ্য, যারা তোমাদের আয়ত্বে আসার আগেই তওবা করবে, (তাদের জন্যে এ শাস্তি প্রযোজ্য হবেনা)। জেনে রাখো, ক্ষমাশীল দয়াময়।

Word by word

إِلَّا ٱلَّذِينَ تَابُوا۟ مِن قَبْلِ أَن تَقْدِرُوا۟ عَلَيْهِمْ فَٱعْلَمُوٓا۟ أَنَّ ٱللَّهَ غَفُورٌ رَّحِيمٌ

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা ছাড়া, যারা তাওবা করে তোমরা তাদের উপর নিয়ন্ত্রণ লাভের পূর্বে; সুতরাং জেনে রাখ যে, ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।

আবদুস শহীদ নাসিম

হে ঈমান আনা লোকেরা! আল্লাহকে ভয় করো এবং আল্লাহর দিকে উসিলা তালাশ করো আর জিহাদ করো তাঁর পথে, অবশ্যি তোমরা হবে।

Word by word

يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ ٱتَّقُوا۟ ٱللَّهَ وَٱبْتَغُوٓا۟ إِلَيْهِ ٱلْوَسِيلَةَ وَجَٰهِدُوا۟ فِى سَبِيلِهِۦ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

হে মুমিনগণ, আল্লাহকে ভয় কর এবং তার নৈকট্যের অনুসন্ধান কর, আর তার রাস্তায় জিহাদ কর, যাতে তোমরা সফল হও।

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা কুফুরিকে আঁকড়ে ধরবে, পৃথিবীর সব কিছু যদি তাদের হয় এবং সমপরিমাণ যদি আরো থাকে, কিয়ামত কালের আযাব থেকে মুক্তির জন্যে (তারা সবই মুক্তিপণ স্বরূপ দিয়ে দিতে চাইবে, কিন্তু) তাদের থেকে তা কবুল করা হবেনা। তাদের জন্যে রয়েছে বেদনাদায়ক আযাব।

Word by word

إِنَّ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ لَوْ أَنَّ لَهُم مَّا فِى ٱلْأَرْضِ جَمِيعًا وَمِثْلَهُۥ مَعَهُۥ لِيَفْتَدُوا۟ بِهِۦ مِنْ عَذَابِ يَوْمِ ٱلْقِيَٰمَةِ مَا تُقُبِّلَ مِنْهُمْ وَلَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় যারা করেছে, যদি যমীনে যা আছে তার সব ও তার সাথে সমপরিমাণও তাদের জন্য থাকে, যাতে তারা তার মাধ্যমে কিয়ামতের আযাব থেকে রক্ষার মুক্তিপণ দিতে পারে, তাহলেও তাদের থেকে তা গ্রহণ করা হবে না এবং তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক আযাব।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা আগুন থেকে বের হতে চাইবে, কিন্তু তারা তা থেকে বেরুতে পারবেনা এবং তাদের জন্যে রয়েছে স্থায়ী আযাব।

Word by word

يُرِيدُونَ أَن يَخْرُجُوا۟ مِنَ ٱلنَّارِ وَمَا هُم بِخَٰرِجِينَ مِنْهَا وَلَهُمْ عَذَابٌ مُّقِيمٌ

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা চাইবে আগুন থেকে বের হতে, কিন্তু তারা সেখান থেকে বের হবার নয় এবং তাদের জন্য রয়েছে স্থায়ী আযাব।

আবদুস শহীদ নাসিম

চোর পুরুষ হোক আর নারী হোক, তাদের হাত কেটে দাও। এটা তাদের কৃতকর্মের জাযা (শাস্তি), আল্লাহর পক্ষ থেকে সঠিক দন্ড, দুর্জয় শক্তিমান মহাপ্রজ্ঞাময়।

Word by word

وَٱلسَّارِقُ وَٱلسَّارِقَةُ فَٱقْطَعُوٓا۟ أَيْدِيَهُمَا جَزَآءًۢ بِمَا كَسَبَا نَكَٰلًا مِّنَ ٱللَّهِ وَٱللَّهُ عَزِيزٌ حَكِيمٌ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর পুরুষ চোর ও নারী চোর তাদের উভয়ের হাত কেটে দাও তাদের অর্জনের প্রতিদান ও আল্লাহর পক্ষ থেকে শিক্ষণীয় আযাবস্বরূপ এবং মহা পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।

আবদুস শহীদ নাসিম

তবে যুলুম করার পর কেউ যদি তওবা করে এবং নিজেকে ইসলাহ্ করে নেয়, তার তওবা কবুল করবেন। নিশ্চয়ই পরম ক্ষমাশীল, পরম দয়াময়।

Word by word

فَمَن تَابَ مِنۢ بَعْدِ ظُلْمِهِۦ وَأَصْلَحَ فَإِنَّ ٱللَّهَ يَتُوبُ عَلَيْهِ إِنَّ ٱللَّهَ غَفُورٌ رَّحِيمٌ

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর যে তার যুলমের পর তাওবা করবে এবং নিজকে সংশোধন করবে, তবে নিশ্চয় তাকে ক্ষমা করবেন। নিশ্চয় ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি কি জানোনা যে, মহাকাশ এবং পৃথিবীর কর্তৃত্ব আল্লাহর? তিনি যাকে চান শাস্তি দেন এবং যাকে চান ক্ষমা করে দেন। প্রতিটি বিষয়ে শক্তিমান।

Word by word

أَلَمْ تَعْلَمْ أَنَّ ٱللَّهَ لَهُۥ مُلْكُ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ يُعَذِّبُ مَن يَشَآءُ وَيَغْفِرُ لِمَن يَشَآءُ وَٱللَّهُ عَلَىٰ كُلِّ شَىْءٍ قَدِيرٌ

বয়ান ফাউন্ডেশন

তুমি কি জান না যে, নিশ্চয় , তাঁর জন্যই আসমানসমূহ ও যমীনের রাজত্ব, তিনি যাকে ইচ্ছা আযাব দেন এবং যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করেন, আর সব কিছুর উপর ক্ষমতাবান।

আবদুস শহীদ নাসিম

হে রসূল! তুমি মনে কষ্ট পেয়োনা ঐসব লোকদের কর্মকান্ডে, যারা দ্রুতবেগে কুফুরির দিকে অগ্রসর হয়, তারা সেইসব লোকদের অন্তরভুক্ত, যারা মুখে বলে: ‘আমরা ঈমান এনেছি’ অথচ তাদের অন্তর ঈমান আনেনি; আর সেইসব ইহুদির কর্মকান্ডে যারা অন্য এমন লোকদের মিথ্যা কথা শুনতে তৎপর যারা তোমার কাছে আসেনা। তারা সুবিন্যস্ত কথাকে তার সঠিক অর্থ থেকে সরিয়ে বিকৃত অর্থ করে। তারা বলে: ‘এরকম বিধান দিলে গ্রহণ করো, সেরকম না দিলে বর্জন করো।’ যাকে ফিতনায় ফেলতে চান, তার জন্যে তোমার কিছুই করার ক্ষমতা নেই। এরা সেসব লোক, যাদের অন্তরগুলোকে পবিত্র করতে চাননা। তাদের জন্যে দুনিয়ায় রয়েছে লাঞ্ছনা আর আখিরাতে তাদের জন্যে রয়েছে বিরাট আযাব।

Word by word

يَٰٓأَيُّهَا ٱلرَّسُولُ لَا يَحْزُنكَ ٱلَّذِينَ يُسَٰرِعُونَ فِى ٱلْكُفْرِ مِنَ ٱلَّذِينَ قَالُوٓا۟ ءَامَنَّا بِأَفْوَٰهِهِمْ وَلَمْ تُؤْمِن قُلُوبُهُمْ وَمِنَ ٱلَّذِينَ هَادُوا۟ سَمَّٰعُونَ لِلْكَذِبِ سَمَّٰعُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

হে রাসূল, তোমাকে যেন তারা চিন্তিত না করে, যারা কুফরে দ্রুত ছুটছে- তাদের থেকে, যারা তাদের মুখে বলে ‘ঈমান এনেছি’ কিন্তু তাদের অন্তর ঈমান আনেনি। আর যারা ইয়াহূদী তারা মিথ্যা অধিক শ্রবণকারী, অন্যান্য কওমের প্রতি, যারা তোমার নিকট আসেনি তাদের পক্ষে তারা কান পেতে

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা মিথ্যা কথা শুনতে খুবই উৎসাহী, তারা হারাম (সুদ ঘুষ) খেতে আসক্ত। তারা (বিচার চাইতে) তোমার কাছে এলে তাদের মধ্যে ফায়সালা করে দিও, অথবা তাদের উপেক্ষা করবে। তুমি তাদের উপেক্ষা করলে তারা তোমার কোনোই ক্ষতি করতে পারবেনা। আর যদি তাদের মধ্যে ফায়সালা করো ন্যায় বিচার করবে। কারণ ন্যায় বিচারকদের পছন্দ করেন।

Word by word

سَمَّٰعُونَ لِلْكَذِبِ أَكَّٰلُونَ لِلسُّحْتِ فَإِن جَآءُوكَ فَٱحْكُم بَيْنَهُمْ أَوْ أَعْرِضْ عَنْهُمْ وَإِن تُعْرِضْ عَنْهُمْ فَلَن يَضُرُّوكَ شَيْـًٔا وَإِنْ حَكَمْتَ فَٱحْكُم بَيْنَهُم بِٱلْقِسْطِ إِنَّ ٱ

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা মিথ্যার প্রতি অধিক শ্রবণকারী, হারামের অধিক ভক্ষণকারী। সুতরাং যদি তারা তোমার কাছে আসে, তবে তাদের মধ্যে ফয়সালা কর অথবা তাদেরকে উপেক্ষা কর আর যদি তাদেরকে উপেক্ষা কর, তবে তারা তোমার কিছু ক্ষতি করতে পারবে না, আর যদি তুমি ফয়সালা কর, তবে তাদের মধ্যে ফয়সালা

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা কী করে তোমার উপর তাদের বিচার ফায়সালার দায়িত্ব অর্পণ করবে, কারণ তাদের কাছে তো তাওরাত রয়েছে আর তাতেই আল্লাহর আইন বিদ্যমান রয়েছে? তা সত্তেবও তারা তা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়। আসলে তারা মুমিনই নয়।

Word by word

وَكَيْفَ يُحَكِّمُونَكَ وَعِندَهُمُ ٱلتَّوْرَىٰةُ فِيهَا حُكْمُ ٱللَّهِ ثُمَّ يَتَوَلَّوْنَ مِنۢ بَعْدِ ذَٰلِكَ وَمَآ أُو۟لَٰٓئِكَ بِٱلْمُؤْمِنِينَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর কীভাবে তারা তোমাকে ফয়সালাকারী বানায়? অথচ তাদের কাছে রয়েছে তাওরাত, যাতে আছে আল্লাহর বিধান, তা সত্ত্বেও তারা এরপর মুখ ফিরিয়ে নেয় এবং তারা মুমিনও নয়।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তাওরাত নাযিল করেছিলাম, তাতে ছিলো হিদায়াত এবং নূর (জ্ঞান)। নবীরা, যারা ছিলো আল্লাহর প্রতি আত্মসমর্পিত তার ভিত্তিতে ইহুদিদের ফায়সালা দিতো, রাবিব এবং জ্ঞানীরাও তার ভিত্তিতে তাদের ফায়সালা দিতো, কারণ তাদের বানানো হয়েছিল আল্লাহর কিতাবের হিফাযতকারী এবং তার (কিতাবের) সাক্ষী। সুতরাং মানুষকে ভয় পেয়োনা, আমাকে ভয় করো আর বিক্রয় করোনা আমার আয়াতকে তুচ্ছ মূল্যে। যারা আল্লাহর নাযিল করা বিধান অনুযায়ী ফায়সালা করেনা, তারা ।

Word by word

إِنَّآ أَنزَلْنَا ٱلتَّوْرَىٰةَ فِيهَا هُدًى وَنُورٌ يَحْكُمُ بِهَا ٱلنَّبِيُّونَ ٱلَّذِينَ أَسْلَمُوا۟ لِلَّذِينَ هَادُوا۟ وَٱلرَّبَّٰنِيُّونَ وَٱلْأَحْبَارُ بِمَا ٱسْتُحْفِظُوا۟ مِن كِتَٰبِ ٱللَّهِ وَكَانُوا۟ ع

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় আমি তাওরাত নাযিল করেছি, তাতে ছিল হিদায়াত ও আলো, এর মাধ্যমে ইয়াহূদীদের জন্য ফয়সালা প্রদান করত অনুগত নবীগণ এবং রববানী ও ধর্মবিদগণ। কারণ তাদেরকে আল্লাহর কিতাবের রক্ষক করা হয়েছিল এবং তারা ছিল এর উপর সাক্ষী। সুতরাং তোমরা মানুষকে ভয় করো না, আমাকে ভয় কর এ

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তাতে (তাওরাতে এই বিধান) লিখে দিয়েছিলাম: জীবনের বদলে জীবন, চোখের বদলে চোখ, নাকের বদলে নাক, কানের বদলে কান, দাঁতের বদলে দাঁত এবং জখমের বদলে কিসাস (অনুরূপ যখম)। আর কেউ যদি ক্ষমা করে দেয় তা তারই জন্যে কাফ্ফারা (হবে)। যারা আল্লাহর নাযিল করা বিধান অনুযায়ী ফায়সালা করেনা, তারা যালিম।

Word by word

وَكَتَبْنَا عَلَيْهِمْ فِيهَآ أَنَّ ٱلنَّفْسَ بِٱلنَّفْسِ وَٱلْعَيْنَ بِٱلْعَيْنِ وَٱلْأَنفَ بِٱلْأَنفِ وَٱلْأُذُنَ بِٱلْأُذُنِ وَٱلسِّنَّ بِٱلسِّنِّ وَٱلْجُرُوحَ قِصَاصٌ فَمَن تَصَدَّقَ بِهِۦ فَهُوَ كَفَّارَةٌ ل

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি এতে তাদের উপর অবধারিত করেছি যে, প্রাণের বিনিময়ে প্রাণ, চোখের বিনিময়ে চোখ, নাকের বিনিময়ে নাক, কানের বিনিময়ে কান ও দাঁতের বিনিময়ে দাঁত এবং জখমের বিনিময়ে সমপরিমাণ জখম। অতঃপর যে তা ক্ষমা করে দেবে, তার জন্য তা কাফ্ফারা হবে। আর যা নাযিল করেছেন, তা

আবদুস শহীদ নাসিম

অতপর তাদেরই আদর্শের উপর আমরা পাঠিয়েছিলাম ঈসা ইবনে মরিয়মকে তার পূর্বে নাযিল করা তাওরাতের সত্যায়নকারী হিসেবে। আর আমরা তাকে দিয়েছিলাম ইনজিল, তাতে ছিলো হিদায়াত এবং নূর (জ্ঞান)। আর এ (ইনজিল) ছিলো তার পূর্বে অবতীর্ণ তাওরাতের সমর্থক এবং মুত্তাকিদের জন্যে হিদায়াত ও উপদেশ।

Word by word

وَقَفَّيْنَا عَلَىٰٓ ءَاثَٰرِهِم بِعِيسَى ٱبْنِ مَرْيَمَ مُصَدِّقًا لِّمَا بَيْنَ يَدَيْهِ مِنَ ٱلتَّوْرَىٰةِ وَءَاتَيْنَٰهُ ٱلْإِنجِيلَ فِيهِ هُدًى وَنُورٌ وَمُصَدِّقًا لِّمَا بَيْنَ يَدَيْهِ مِنَ ٱلتَّوْرَىٰةِ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি তাদের পেছনে মারইয়াম পুত্র ঈসাকে পাঠিয়েছিলাম তার সম্মুখে বিদ্যমান তাওরাতের সত্যায়নকারীরূপে এবং তাকে দিয়েছিলাম ইনজীল, এতে রয়েছে হিদায়াত ও আলো এবং (তা ছিল) তার সম্মুখে অবশিষ্ট তাওরাতের সত্যায়নকারী, হিদায়াত ও মুত্তাকীদের জন্য উপদেশস্বরূপ।

আবদুস শহীদ নাসিম

ইনজিলের বাহকরা যেনো ফায়সালা করে সে বিধান অনুযায়ী যা তাতে নাযিল করেছেন। যারা আল্লাহর বিধান অনুযায়ী ফায়সালা করেনা তারা ফাসিক।

Word by word

وَلْيَحْكُمْ أَهْلُ ٱلْإِنجِيلِ بِمَآ أَنزَلَ ٱللَّهُ فِيهِ وَمَن لَّمْ يَحْكُم بِمَآ أَنزَلَ ٱللَّهُ فَأُو۟لَٰٓئِكَ هُمُ ٱلْفَٰسِقُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর ইনজীলের অনুসারীগণ তাতে যা নাযিল করেছেন তার মাধ্যমে যেন ফয়সালা করে আর যা নাযিল করেছেন তার মাধ্যমে যারা ফয়সালা করে না, তারাই ফাসিক।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর আমরা তোমার প্রতি নাযিল করেছি আল কিতাব (আল কুরআন) বাস্তব সত্য বিধান দিয়ে ইতোপূর্বে নাযিলকৃত কিতাবের সত্যায়নকারী এবং সত্যের সংরক্ষণকারী হিসেবে। অতএব তাদের মাঝে ফায়সালা করো আল্লাহর নাযিল করা বিধান অনুযায়ী। তোমার কাছে যে সত্য বিধান এসেছে তা ত্যাগ করে তাদের ইচ্ছা বাসনার অনুসরণ করোনা। আমরা তোমাদের প্রত্যেকের জন্যে একটি (পৃথক) শরিয়ত ও একটি আলোকিত চলার পথ দিয়েছি। চাইলে তোমাদের সবাইকে একটি উম্মতই বানাতে পারতেন। কিন্তু তিনি তোমাদের পরীক্ষা করতে চান তোমাদেরকে প্রদত্ত বিধানের ভিত্তিতে। সুতরাং কল্যাণের কাজে প্রতিযোগিতা করো। তোমাদের সবাইকে আল্লাহর কাছেই ফিরে যেতে হবে। তোমরা যেসব বিষয়ে মতভেদ করছিলে সেখানে তিনি তোমাদের সেগুলো অবহিত করবেন।

Word by word

وَأَنزَلْنَآ إِلَيْكَ ٱلْكِتَٰبَ بِٱلْحَقِّ مُصَدِّقًا لِّمَا بَيْنَ يَدَيْهِ مِنَ ٱلْكِتَٰبِ وَمُهَيْمِنًا عَلَيْهِ فَٱحْكُم بَيْنَهُم بِمَآ أَنزَلَ ٱللَّهُ وَلَا تَتَّبِعْ أَهْوَآءَهُمْ عَمَّا جَآءَكَ مِنَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি তোমার প্রতি কিতাব নাযিল করেছি যথাযথভাবে, এর পূর্বের কিতাবের সত্যায়নকারী ও এর উপর তদারককারীরূপে। সুতরাং যা নাযিল করেছেন, তুমি তার মাধ্যমে ফয়সালা কর এবং তোমার নিকট যে সত্য এসেছে, তা ত্যাগ করে তাদের প্রবৃত্তির অনুসরণ করো না। তোমাদের প্রত্যেকের

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের মাঝে ফায়সালা করো সেই বিধান দিয়ে যা নাযিল করেছেন এবং তাদের ইচ্ছা বাসনার অনুসরণ করোনা। তাদের ব্যাপারে সতর্ক থাকো, তোমার প্রতি যে বিধান নাযিল করেছেন তার কোনো অংশ থেকে যেনো তারা তোমাকে বিচ্যুত না করে। তারা যদি (তোমার থেকে) মুখ ফিরিয়ে নেয়, তবে জেনে রাখো, তাদের কোনো কোনো পাপের জন্যে তাদের শাস্তি দিতে চান। নিশ্চয়ই মানুষের মধ্যে অনেকেই নিশ্চিত ফাসিক।

Word by word

وَأَنِ ٱحْكُم بَيْنَهُم بِمَآ أَنزَلَ ٱللَّهُ وَلَا تَتَّبِعْ أَهْوَآءَهُمْ وَٱحْذَرْهُمْ أَن يَفْتِنُوكَ عَنۢ بَعْضِ مَآ أَنزَلَ ٱللَّهُ إِلَيْكَ فَإِن تَوَلَّوْا۟ فَٱعْلَمْ أَنَّمَا يُرِيدُ ٱللَّهُ أَن

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তাদের মধ্যে তার মাধ্যমে ফয়সালা কর, যা নাযিল করেছেন এবং তাদের প্রবৃত্তির অনুসরণ করো না। আর তাদের থেকে সতর্ক থাক যে, যা অবতীর্ণ করেছেন, তার কিছু থেকে তারা তোমাকে বিচ্যুত করবে। অতঃপর যদি তারা মুখ ফিরিয়ে নেয়, তাহলে জেনে রাখ যে, তো কেবল

আবদুস শহীদ নাসিম

তবে কি তারা জাহেলি যুগের বিধান চায়? যারা আল্লাহর প্রতি একীন রাখে, তাদের কাছে বিধানদাতা হিসেবে আল্লাহর চাইতে অধিকতর কল্যাণকামী আর কে?

Word by word

أَفَحُكْمَ ٱلْجَٰهِلِيَّةِ يَبْغُونَ وَمَنْ أَحْسَنُ مِنَ ٱللَّهِ حُكْمًا لِّقَوْمٍ يُوقِنُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা কি তবে জাহিলিয়্যাতের বিধান চায়? আর নিশ্চিত কওমের জন্য বিধান প্রদানে আল্লাহর চেয়ে কে অধিক উত্তম?

আবদুস শহীদ নাসিম

হে ঈমান ওয়ালা লোকেরা! তোমরা ইহুদি ও নাসারাদের অলি (বন্ধু, অভিভাবক, পৃষ্ঠপোষক) হিসেবে গ্রহণ করোনা। তারা নিজেরা পরস্পরের অলি। তোমাদের কেউ যদি তাদের অলি হিসেবে গ্রহণ করে, তবে সে হবে তাদেরই লোক। যালিম লোকদের সঠিক পথ দেখান না।

Word by word

يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ لَا تَتَّخِذُوا۟ ٱلْيَهُودَ وَٱلنَّصَٰرَىٰٓ أَوْلِيَآءَ بَعْضُهُمْ أَوْلِيَآءُ بَعْضٍ وَمَن يَتَوَلَّهُم مِّنكُمْ فَإِنَّهُۥ مِنْهُمْ إِنَّ ٱللَّهَ لَا يَهْدِى ٱلْقَوْمَ ٱلظَّٰل

বয়ান ফাউন্ডেশন

হে মুমিনগণ, ইয়াহূদী ও নাসারাদেরকে তোমরা বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না। তারা একে অপরের বন্ধু। আর তোমাদের মধ্যে যে তাদের সাথে বন্ধুত্ব করবে, সে নিশ্চয় তাদেরই একজন। নিশ্চয় যালিম কওমকে হিদায়াত দেন না।

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি দেখতে পাবে, যাদের অন্তরে রোগ আছে তারা (অর্থাৎ মুনাফিকরা) অচিরেই তাদের (ইহুদি, খৃষ্টান ও মুশরিকদের) সাথে মিলবে - বন্ধুতা করবে। তারা বলবে: ‘আমাদের আশংকা হয় (ওদের সাথে মিলে না গেলে) আমাদের দুরাবস্থা সৃষ্টি হবে।’ অচিরেই হয়তো বিজয়, নয়তো এমন কিছু দেবেন যার ফলে তারা মনের মধ্যে যা গোপন করে রেখেছিল তার জন্যে লজ্জিত - অনুতপ্ত হবে।

Word by word

فَتَرَى ٱلَّذِينَ فِى قُلُوبِهِم مَّرَضٌ يُسَٰرِعُونَ فِيهِمْ يَقُولُونَ نَخْشَىٰٓ أَن تُصِيبَنَا دَآئِرَةٌ فَعَسَى ٱللَّهُ أَن يَأْتِىَ بِٱلْفَتْحِ أَوْ أَمْرٍ مِّنْ عِندِهِۦ فَيُصْبِحُوا۟ عَلَىٰ مَآ أَسَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

সুতরাং তুমি দেখতে পাবে, যাদের অন্তরে ব্যাধি রয়েছে, তারা কাফিরদের মধ্যে (বন্ধুত্বের জন্য) ছুটছে। তারা বলে, ‘আমরা আশঙ্কা করছি যে, কোন বিপদ আমাদেরকে আক্রান্ত করবে’। অতঃপর হতে পারে দান করবেন বিজয় কিংবা তাঁর পক্ষ থেকে এমন কিছু, যার ফলে তারা তাদের অন্তরে

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা ঈমান এনেছে তারা বলবে: এরাই কি তারা? যারা আল্লাহর নামে কঠিন শপথ গ্রহণ করেছিল যে, তারা তোমাদের সাথেই আছে? তাদের সমস্ত আমল নিষ্ফল হয়ে গেছে, ফলে তারা হয়ে পড়েছে ক্ষতিগ্রস্ত।

Word by word

وَيَقُولُ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوٓا۟ أَهَٰٓؤُلَآءِ ٱلَّذِينَ أَقْسَمُوا۟ بِٱللَّهِ جَهْدَ أَيْمَٰنِهِمْ إِنَّهُمْ لَمَعَكُمْ حَبِطَتْ أَعْمَٰلُهُمْ فَأَصْبَحُوا۟ خَٰسِرِينَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর মুমিনগণ বলবে, ‘এরাই কি তারা, যারা আল্লাহর নামে কঠিন শপথ করেছে যে, নিশ্চয় তারা তোমাদের সাথে আছে’? তাদের আমলসমূহ বরবাদ হয়েছে, ফলে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

হে লোকেরা! তোমাদের মধ্য থেকে কেউ (বা কোনো গোষ্ঠী) তার দীন থেকে ফিরে গেলে অচিরেই এমন একদল লোককে (দীনের মধ্যে) নিয়ে আসবেন, যাদের তিনি ভালোবাসবেন এবং তারাও তাঁকে ভালোবাসবে। তারা হবে মুমিনদের প্রতি কোমল, কাফিরদের প্রতি কঠোর। তারা জিহাদ করবে আল্লাহর পথে এবং ভয় করবেনা কোনো নিন্দুকের নিন্দা। এটা আল্লাহর অনুগ্রহ - যাকে ইচ্ছা তিনি দান করেন। বড়ই প্রশস্ত - উদার ও মহাজ্ঞানী।

Word by word

يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ مَن يَرْتَدَّ مِنكُمْ عَن دِينِهِۦ فَسَوْفَ يَأْتِى ٱللَّهُ بِقَوْمٍ يُحِبُّهُمْ وَيُحِبُّونَهُۥٓ أَذِلَّةٍ عَلَى ٱلْمُؤْمِنِينَ أَعِزَّةٍ عَلَى ٱلْكَٰفِرِينَ يُجَٰهِدُونَ فِى س

বয়ান ফাউন্ডেশন

হে মুমিনগণ, তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি তার দীন থেকে ফিরে যাবে তাহলে অচিরেই এমন কওমকে আনবেন, যাদেরকে তিনি ভালবাসবেন এবং তারা তাঁকে ভালবাসবে। তারা মুমিনদের উপর বিনম্র এবং কাফিরদের উপর কঠোর হবে। আল্লাহর রাস্তায় তারা জিহাদ করবে এবং কোন কটাক্ষকারীর কটাক্ষ

আবদুস শহীদ নাসিম

(জেনে রাখো) তোমাদের অলি (বন্ধু, অভিভাবক, পৃষ্ঠপোষক) তো এবং তাঁর রসূল আর সেইসব লোক যারা ঈমান এনেছে, যারা কায়েম করে, যাকাত প্রদান করে এবং যারা (আল্লাহর প্রতি) সদা বিনত।

Word by word

إِنَّمَا وَلِيُّكُمُ ٱللَّهُ وَرَسُولُهُۥ وَٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ ٱلَّذِينَ يُقِيمُونَ ٱلصَّلَوٰةَ وَيُؤْتُونَ ٱلزَّكَوٰةَ وَهُمْ رَٰكِعُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

তোমাদের বন্ধু কেবল , তাঁর রাসূল ও মুমিনগণ, যারা কায়েম করে এবং যাকাত প্রদান করে বিনীত হয়ে।

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা আল্লাহকে এবং তাঁর রসূলকে আর লোকদেরকে অলি হিসেবে গ্রহণ করে, তারা জেনে রাখুক, আল্লাহর দলই হবে গালিব (বিজয়ী)।

Word by word

وَمَن يَتَوَلَّ ٱللَّهَ وَرَسُولَهُۥ وَٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ فَإِنَّ حِزْبَ ٱللَّهِ هُمُ ٱلْغَٰلِبُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যে , তাঁর রাসূল ও মুমিনদের সাথে বন্ধুত্ব করে, তবে নিশ্চয় আল্লাহর দলই বিজয়ী।

আবদুস শহীদ নাসিম

হে লোকেরা! ইতোপূর্ব যাদের কিতাব দেয়া হয়েছিল তাদের মধ্যে যারা তোমাদের দীনকে খেল তামাশার বস্তু বানিয়ে নিয়েছে, তাদেরকে এবং কাফিরদেরকে অলি হিসেবে গ্রহণ করোনা। আল্লাহকে ভয় করো যদি তোমরা হয়ে থাকো।

Word by word

يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ لَا تَتَّخِذُوا۟ ٱلَّذِينَ ٱتَّخَذُوا۟ دِينَكُمْ هُزُوًا وَلَعِبًا مِّنَ ٱلَّذِينَ أُوتُوا۟ ٱلْكِتَٰبَ مِن قَبْلِكُمْ وَٱلْكُفَّارَ أَوْلِيَآءَ وَٱتَّقُوا۟ ٱللَّهَ إِن كُنتُم م

বয়ান ফাউন্ডেশন

হে মুমিনগণ, তোমরা তাদেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না, যারা তোমাদের দ্বীনকে উপহাস ও খেল-তামাশারূপে গ্রহণ করেছে, তাদের মধ্য থেকে তোমাদের পূর্বে যাদেরকে কিতাব দেয়া হয়েছে ও কাফিরদেরকে। আর আল্লাহর তাকওয়া অবলম্বন কর, যদি তোমরা হয়ে থাক।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা যখন সালাতের আহবান করো তখন তারা সেটাকে খেল তামাশা হিসেবে গ্রহণ করে। এর কারণ তারা বে - আকল।

Word by word

وَإِذَا نَادَيْتُمْ إِلَى ٱلصَّلَوٰةِ ٱتَّخَذُوهَا هُزُوًا وَلَعِبًا ذَٰلِكَ بِأَنَّهُمْ قَوْمٌ لَّا يَعْقِلُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যখন তোমরা সালাতের দিকে ডাক, তখন তারা একে উপহাস ও খেল-তামাশারূপে গ্রহণ করে। তা এই কারণে যে, তারা এমন কওম, যারা বুঝে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

বলো: হে আহলে কিতাব! আমরা আল্লাহর প্রতি ঈমান এনেছি বলে এবং আমাদের প্রতি যা নাযিল করা হয়েছে তার প্রতি আর পূর্বে যা নাযিল করা হয়েছে তার প্রতি ঈমান এনেছি বলে কি তোমরা আমাদের থেকে প্রতিশোধ নেবে? আসলে তোমাদের অধিকাংশ লোকই ফাসিক (সীমালংঘনকারী)।

Word by word

قُلْ يَٰٓأَهْلَ ٱلْكِتَٰبِ هَلْ تَنقِمُونَ مِنَّآ إِلَّآ أَنْ ءَامَنَّا بِٱللَّهِ وَمَآ أُنزِلَ إِلَيْنَا وَمَآ أُنزِلَ مِن قَبْلُ وَأَنَّ أَكْثَرَكُمْ فَٰسِقُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

বল, ‘হে কিতাবীরা, কেবল এ কারণে কি তোমরা আমাদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ কর যে, আমরা ঈমান এনেছি আল্লাহর প্রতি এবং যা আমাদের প্রতি নাযিল হয়েছে এবং পূর্বে নাযিল হয়েছে তার প্রতি? আর নিশ্চয় তোমাদের অধিকাংশ ফাসিক।’

আবদুস শহীদ নাসিম

(হে নবী! তাদের) বলো: আমি তোমাদেরকে আল্লাহর কাছে এর চাইতেও নিকৃষ্ট পরিণতির সংবাদ জানাবো কি? (তা হলো) যাদের লা’নত করেছেন, যাদের উপর গজব আপতিত করেছেন এবং যাদের কিছু লোককে বানর ও শূয়োর বানিয়েছেন আর যারা তাগুতের ইবাদত করে, মর্যাদার দিক থেকে তারাই নিকৃষ্ট এবং সরল সঠিক পথ থেকে তারাই অধিকতর বিপথগামী।

Word by word

قُلْ هَلْ أُنَبِّئُكُم بِشَرٍّ مِّن ذَٰلِكَ مَثُوبَةً عِندَ ٱللَّهِ مَن لَّعَنَهُ ٱللَّهُ وَغَضِبَ عَلَيْهِ وَجَعَلَ مِنْهُمُ ٱلْقِرَدَةَ وَٱلْخَنَازِيرَ وَعَبَدَ ٱلطَّٰغُوتَ أُو۟لَٰٓئِكَ شَرٌّ مَّكَانًا وَأَض

বয়ান ফাউন্ডেশন

বল, ‘আমি কি তোমাদেরকে আল্লাহর নিকট পরিণতির বিচারে এর চেয়ে মন্দ কিছুর সংবাদ দেব? যাকে লা‘নত দিয়েছেন এবং যার উপর তিনি ক্রোধান্বিত হয়েছেন? আর যাদের মধ্য থেকে বাঁদর ও শূকর বানিয়েছেন এবং তারা তাগূতের উপাসনা করেছে। তারাই অবস্থানে মন্দ এবং সোজা পথ থেকে সর

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা তোমার কাছে এলে বলে: ‘আমরা ঈমান এনেছি’, অথচ তারা কুফুরি সাথে নিয়েই (তোমার কাছে) দাখিল হয় এবং তা নিয়েই খারিজ (বের) হয়। তারা যা গোপন করে তা ভালোভাবেই জানেন।

Word by word

وَإِذَا جَآءُوكُمْ قَالُوٓا۟ ءَامَنَّا وَقَد دَّخَلُوا۟ بِٱلْكُفْرِ وَهُمْ قَدْ خَرَجُوا۟ بِهِۦ وَٱللَّهُ أَعْلَمُ بِمَا كَانُوا۟ يَكْتُمُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যখন তারা তোমাদের নিকট আসে, তখন বলে, ‘আমরা ঈমান এনেছি’। অথচ অবশ্যই তারা নিয়ে প্রবেশ করেছে এবং তারা তা নিয়েই বেরিয়ে গেছে। আর সে সম্পর্কে অধিক জ্ঞাত, যা তারা গোপন করত।

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি দেখবে, তাদের অনেকেই পাপ, সীমালংঘন ও হারামখুরিতে তৎপর। তাদের এই আমল বড়ই নিকৃষ্ট।

Word by word

وَتَرَىٰ كَثِيرًا مِّنْهُمْ يُسَٰرِعُونَ فِى ٱلْإِثْمِ وَٱلْعُدْوَٰنِ وَأَكْلِهِمُ ٱلسُّحْتَ لَبِئْسَ مَا كَانُوا۟ يَعْمَلُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তুমি তাদের মধ্য থেকে অনেককে দেখতে পাবে যে, তারা পাপে, সীমালঙ্ঘনে এবং হারাম ভক্ষণে ছুটোছুটি করছে। তারা যা করছে, নিশ্চয় তা কতইনা মন্দ!

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের রিবিব ও যাজকরা তাদেরকে তাদের পাপ কথা এবং হারাম খুরি থেকে কেন নিষেধ করেনা? আসলে তাদের কর্ম বড়ই নিকৃষ্ট।

Word by word

لَوْلَا يَنْهَىٰهُمُ ٱلرَّبَّٰنِيُّونَ وَٱلْأَحْبَارُ عَن قَوْلِهِمُ ٱلْإِثْمَ وَأَكْلِهِمُ ٱلسُّحْتَ لَبِئْسَ مَا كَانُوا۟ يَصْنَعُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

কেন তাদেরকে রববানী ও ধর্মবিদগণ তাদের পাপের কথা ও হারাম ভক্ষণ থেকে নিষেধ করে না? তারা যা করছে, নিশ্চয় তা কতইনা মন্দ!

আবদুস শহীদ নাসিম

ইহুদিরা বলে: ‘আল্লাহর হাত বাঁধা (অর্থাৎ তিনি কৃপণ)।’ মূলত তাদের হাতই আবদ্ধ এবং তারা যা বলে সে জন্যে তারা অভিশপ্ত। বরং আল্লাহর দুই হাত অবাধ প্রসারিত, তিনি যেভাবে চান দান করেন। তোমার প্রভুর পক্ষ থেকে তোমার প্রতি যা নাযিল হয়েছে তা তাদের অনেকেরই আল্লাহদ্রোহীতা ও কুফুরি বৃদ্ধির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমরা তাদের মধ্যে কিয়ামতকাল পর্যন্ত শত্রুতা ও বিদ্বেষ সৃষ্টি করে দিয়েছি। তারা যখনই যুদ্ধের আগুন উস্কায়, তখনই তা নিভিয়ে দেন। তারা বিশ্বে ফাসাদ সৃষ্টির কাজে তৎপর। অথচ ফাসাদ সৃষ্টিকারীদের পছন্দ করেন না।

Word by word

وَقَالَتِ ٱلْيَهُودُ يَدُ ٱللَّهِ مَغْلُولَةٌ غُلَّتْ أَيْدِيهِمْ وَلُعِنُوا۟ بِمَا قَالُوا۟ بَلْ يَدَاهُ مَبْسُوطَتَانِ يُنفِقُ كَيْفَ يَشَآءُ وَلَيَزِيدَنَّ كَثِيرًا مِّنْهُم مَّآ أُنزِلَ إِلَيْكَ مِن رَّب

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর ইয়াহূদীরা বলে, ‘আল্লাহর হাত বাঁধা’। তাদের হাতই বেঁধে দেয়া হয়েছে এবং তারা যা বলেছে, তার জন্য তারা লা‘নতগ্রস্ত হয়েছে। বরং তার দু’হাত প্রসারিত। যেভাবে ইচ্ছা তিনি দান করেন এবং তোমার উপর তোমার রবের পক্ষ থেকে যা নাযিল করা হয়েছে তা তাদের অনেকের অবাধ্যতা ও কুফ

আবদুস শহীদ নাসিম

আহলে কিতাবরা যদি ঈমান আনতো এবং তাকওয়া অবলম্বন করতো, আমরা তাদের থেকে মুছে দিতাম তাদের পাপ এবং তাদের দাখিল করতাম জান্নাতুন নায়ীমে।

Word by word

وَلَوْ أَنَّ أَهْلَ ٱلْكِتَٰبِ ءَامَنُوا۟ وَٱتَّقَوْا۟ لَكَفَّرْنَا عَنْهُمْ سَيِّـَٔاتِهِمْ وَلَأَدْخَلْنَٰهُمْ جَنَّٰتِ ٱلنَّعِيمِ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যদি কিতাবীরা ঈমান আনত এবং তাকওয়া অবলম্বন করত তবে অবশ্যই আমি তাদের থেকে পাপগুলো দূর করে দিতাম এবং অবশ্যই তাদেরকে আরামদায়ক জান্নাতসমূহে প্রবেশ করাতাম।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা যদি তাওরাত, ইনজিল এবং (এখন) তাদের কাছে তাদের প্রভুর পক্ষ থেকে যা (যে কুরআন) নাযিল হয়েছে তা কায়েম ও প্রবর্তন করতো, তাহলে তারা তাদের উপর থেকে এবং নিচে থেকে আহার লাভ করতো। তাদের মধ্যে কিছু মধ্যপন্থী লোক আছে বটে, তবে তাদের অনেকেই যা করে তা নেহাতই নিকৃষ্ট।

Word by word

وَلَوْ أَنَّهُمْ أَقَامُوا۟ ٱلتَّوْرَىٰةَ وَٱلْإِنجِيلَ وَمَآ أُنزِلَ إِلَيْهِم مِّن رَّبِّهِمْ لَأَكَلُوا۟ مِن فَوْقِهِمْ وَمِن تَحْتِ أَرْجُلِهِم مِّنْهُمْ أُمَّةٌ مُّقْتَصِدَةٌ وَكَثِيرٌ مِّنْهُمْ سَآءَ مَا

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যদি তারা তাওরাত, ইনজীল ও তাদের নিকট তাদের রবের পক্ষ থেকে যা নাযিল করা হয়েছে, তা কায়েম করত, তবে অবশ্যই তারা আহার করত তাদের উপর থেকে এবং তাদের পদতল থেকে। তাদের মধ্য থেকে সঠিক পথের অনুসারী একটি দল রয়েছে এবং তাদের অনেকেই যা করছে, তা কতইনা মন্দ!

আবদুস শহীদ নাসিম

হে রসূল! তোমার প্রভুর পক্ষ থেকে তোমার কাছে যা নাযিল হয়েছে তা (মানুষের কাছে) পৌঁছে দাও। যদি তা না করো, তবে তুমি তাঁর বার্তা পৌঁছালেনা। আল্লাহ্ই তোমাকে রক্ষা করবেন মানুষের অনিষ্ট থেকে। নিশ্চয়ই হিদায়াত করেন না লোকদেরকে।

Word by word

يَٰٓأَيُّهَا ٱلرَّسُولُ بَلِّغْ مَآ أُنزِلَ إِلَيْكَ مِن رَّبِّكَ وَإِن لَّمْ تَفْعَلْ فَمَا بَلَّغْتَ رِسَالَتَهُۥ وَٱللَّهُ يَعْصِمُكَ مِنَ ٱلنَّاسِ إِنَّ ٱللَّهَ لَا يَهْدِى ٱلْقَوْمَ ٱلْكَٰفِرِينَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

হে রাসূল, তোমার রবের পক্ষ থেকে তোমার নিকট যা নাযিল করা হয়েছে, তা পৌঁছে দাও আর যদি তুমি না কর তবে তুমি তাঁর রিসালাত পৌঁছালে না। আর তোমাকে মানুষ থেকে রক্ষা করবেন। নিশ্চয় সম্প্রদায়কে হিদায়াত করেন না।

আবদুস শহীদ নাসিম

হে নবী! বলো: হে আহলে কিতাব! তোমরা তাওরাত, ইনজিল এবং তোমাদের প্রভুর পক্ষ থেকে যা (যে কুরআন) নাযিল হয়েছে তা কায়েম ও প্রবর্তন না করা পর্যন্ত তোমাদের কোনো (ধর্মীয়) ভিত্তি নেই। তোমার প্রভুর পক্ষ থেকে তোমার প্রতি যা নাযিল হয়েছে তা তাদের অনেকের মধ্যেই আল্লাহদ্রোহীতা ও কুফুরি বাড়িয়ে দেয়ার কারণ হয়েছে। সুতরাং এই কওমের জন্যে দুঃখিত হয়োনা।

Word by word

قُلْ يَٰٓأَهْلَ ٱلْكِتَٰبِ لَسْتُمْ عَلَىٰ شَىْءٍ حَتَّىٰ تُقِيمُوا۟ ٱلتَّوْرَىٰةَ وَٱلْإِنجِيلَ وَمَآ أُنزِلَ إِلَيْكُم مِّن رَّبِّكُمْ وَلَيَزِيدَنَّ كَثِيرًا مِّنْهُم مَّآ أُنزِلَ إِلَيْكَ مِن رَّبِّكَ طُ

বয়ান ফাউন্ডেশন

বল, ‘হে কিতাবীরা, তোমরা কোন ভিত্তির উপর নেই, যতক্ষণ না তোমরা তাওরাত, ইনজীল ও তোমাদের নিকট তোমাদের রবের পক্ষ থেকে যা নাযিল করা হয়েছে, তা কায়েম কর’। আর তোমার নিকট তোমার রবের পক্ষ থেকে যা নাযিল করা হয়েছে, তা তাদের অনেকের অবাধ্যতা ও বৃদ্ধি করবে। সুতরাং

আবদুস শহীদ নাসিম

নিশ্চয়ই যারা ঈমান এনেছে তাদের মধ্যে, যারা ইহুদি হয়েছে তাদের মধ্যে এবং সাবি ও নাসারাদের মধ্যে যারা ও পরকালের প্রতি ঈমান আনবে এবং আমলে সালেহ করবে, তাদের কোনো ভয় নেই এবং দুশ্চিন্তাও নেই।

Word by word

إِنَّ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَٱلَّذِينَ هَادُوا۟ وَٱلصَّٰبِـُٔونَ وَٱلنَّصَٰرَىٰ مَنْ ءَامَنَ بِٱللَّهِ وَٱلْيَوْمِ ٱلْءَاخِرِ وَعَمِلَ صَٰلِحًا فَلَا خَوْفٌ عَلَيْهِمْ وَلَا هُمْ يَحْزَنُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় যারা ঈমান এনেছে, ইয়াহূদী হয়েছে এবং সাবিঈ ও নাসারারা (তাদের মধ্য থেকে) যে ঈমান এনেছে ও দিবসে এবং নেককাজ করেছে, তাদের কোন ভয় নেই এবং তারা চিন্তিতও হবে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা বনি ইসরাঈলের অংগীকার গ্রহণ করেছিলাম এবং তাদের প্রতি পাঠিয়েছিলাম অনেক রসূল। যখনই তাদের কাছে কোনো রসূল এসেছিল এমন কিছু (বিধান) নিয়ে যা তাদের মনপূত হয়নি, তখনই তারা কিছু রসূলকে অস্বীকার করেছে এবং হত্যা করেছে কিছু রসূলকে।

Word by word

لَقَدْ أَخَذْنَا مِيثَٰقَ بَنِىٓ إِسْرَٰٓءِيلَ وَأَرْسَلْنَآ إِلَيْهِمْ رُسُلًا كُلَّمَا جَآءَهُمْ رَسُولٌۢ بِمَا لَا تَهْوَىٰٓ أَنفُسُهُمْ فَرِيقًا كَذَّبُوا۟ وَفَرِيقًا يَقْتُلُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

অবশ্যই আমি বনী ইসরাঈলের অঙ্গীকার নিয়েছি এবং তাদের নিকট পাঠিয়েছি অনেক রাসূল। যখনই তাদের নিকট কোন রাসূল এমন কিছু নিয়ে এসেছে, যা তাদের মন চায় না, তখন তারা একদলকে অস্বীকার করেছে এবং একদলকে হত্যা করেছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

অথচ তারা ধরে নিয়েছিল তাদের কোনো ফিতনা (শাস্তি) হবেনা। ফলে তারা (তাদের বদ্ধমূল নীতি ও ধারণায়) অন্ধ ও বধির হয়ে পড়েছিল। তারপরও তাদের প্রতি ক্ষমাশীল দৃষ্টি প্রদান করেন। কিন্তু এর পরেও তাদের অনেকেই অন্ধ ও বধির হয়ে যায়। তারা যা করছে তার প্রতি দৃষ্টি রেখে চলেছেন।

Word by word

وَحَسِبُوٓا۟ أَلَّا تَكُونَ فِتْنَةٌ فَعَمُوا۟ وَصَمُّوا۟ ثُمَّ تَابَ ٱللَّهُ عَلَيْهِمْ ثُمَّ عَمُوا۟ وَصَمُّوا۟ كَثِيرٌ مِّنْهُمْ وَٱللَّهُ بَصِيرٌۢ بِمَا يَعْمَلُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তারা ভেবেছে যে, কোন বিপর্যয় হবে না। ফলে তারা অন্ধ ও বধির হয়ে গিয়েছে। অতঃপর তাদের তাওবা কবূল করেছেন। অতঃপর তাদের অনেকে অন্ধ ও বধির হয়ে গিয়েছে। আর তারা যা আমল করে তার দ্রষ্টা।

আবদুস শহীদ নাসিম

ওরা তো কুফুরি করেছেই যারা বলে: ‘মসিহ্ ইবনে মরিয়মই ।’ অথচ মসিহ্ তাদের বলেছিল: ‘হে বনি ইসরাঈল! তোমরা আমার রব ও তোমাদের রব একমাত্র আল্লাহর ইবাদত করো। জেনে রাখো, যে কেউ আল্লাহর সাথে (কাউকেও) শরিক বানাবে, তার জন্যে হারাম করে দেবেন জান্নাত এবং তার আবাস হবে জাহান্নাম। আর যালিমদের জন্যে থাকবেনা কোনো সাহায্যকারী।’

Word by word

لَقَدْ كَفَرَ ٱلَّذِينَ قَالُوٓا۟ إِنَّ ٱللَّهَ هُوَ ٱلْمَسِيحُ ٱبْنُ مَرْيَمَ وَقَالَ ٱلْمَسِيحُ يَٰبَنِىٓ إِسْرَٰٓءِيلَ ٱعْبُدُوا۟ ٱللَّهَ رَبِّى وَرَبَّكُمْ إِنَّهُۥ مَن يُشْرِكْ بِٱللَّهِ فَقَدْ حَرَّمَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

অবশ্যই তারা করেছে, যারা বলেছে, ‘নিশ্চয় হচ্ছেন মারইয়াম পুত্র মাসীহ’। আর মাসীহ বলেছে, ‘হে বনী ইসরাঈল, তোমরা আমার রব ও তোমাদের রব আল্লাহর ইবাদাত কর’। নিশ্চয় যে আল্লাহর সাথে শরীক করে, তার উপর অবশ্যই জান্নাত হারাম করে দিয়েছেন এবং তার ঠিকানা

আবদুস শহীদ নাসিম

ওরাও কুফুরি করেছে যারা বলে: ‘ হলেন তিন জনের একজন।’ অথচ এক ইলাহ্ () ছাড়া আর কোনো ইলাহ্ নেই। তারা যা বলে তা থেকে যদি বিরত না হয়, তাহলে তাদের মধ্যে যারা কুফুরি করবে, অবশ্যি তাদের স্পর্শ করবে যন্ত্রণাদায়ক আযাব।

Word by word

لَّقَدْ كَفَرَ ٱلَّذِينَ قَالُوٓا۟ إِنَّ ٱللَّهَ ثَالِثُ ثَلَٰثَةٍ وَمَا مِنْ إِلَٰهٍ إِلَّآ إِلَٰهٌ وَٰحِدٌ وَإِن لَّمْ يَنتَهُوا۟ عَمَّا يَقُولُونَ لَيَمَسَّنَّ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ مِنْهُمْ عَذَابٌ أَلِيم

বয়ান ফাউন্ডেশন

অবশ্যই তারা করেছে, যারা বলে, ‘নিশ্চয় তিন জনের তৃতীয়জন’। যদিও এক ছাড়া কোন (সত্য) নেই। আর যদি তারা যা বলছে, তা থেকে বিরত না হয়, তবে অবশ্যই তাদের মধ্য থেকে কাফিরদেরকে যন্ত্রণাদায়ক আযাব স্পর্শ করবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা কি ফিরে আসবেনা আল্লাহর দিকে এবং ক্ষমা প্রার্থনা করবেনা তাঁর কাছে? তো পরম ক্ষমাশীল দয়াময়।

Word by word

أَفَلَا يَتُوبُونَ إِلَى ٱللَّهِ وَيَسْتَغْفِرُونَهُۥ وَٱللَّهُ غَفُورٌ رَّحِيمٌ

বয়ান ফাউন্ডেশন

সুতরাং তারা কি আল্লাহর নিকট তাওবা করবে না এবং তাঁর নিকট ক্ষমা চাইবে না? আর ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।

আবদুস শহীদ নাসিম

মসিহ্ ইবনে মরিয়ম একজন রসূল ছাড়া আর কিছুই নয়। তার আগেও (তার মতো) বহু রসূল বিগত হয়েছে। তার মা ছিলো এক সত্যনিষ্ঠ নারী। তারা দুজনেই খাবার খেতো। দেখো কতো পরিষ্কার করে আমরা তাদের জন্যে নিদর্শনসমূহ বর্ণনা করছি। তারপর এটাও দেখো, কিভাবে তারা সত্যের প্রতি মিথ্যারোপ করছে।

Word by word

مَّا ٱلْمَسِيحُ ٱبْنُ مَرْيَمَ إِلَّا رَسُولٌ قَدْ خَلَتْ مِن قَبْلِهِ ٱلرُّسُلُ وَأُمُّهُۥ صِدِّيقَةٌ كَانَا يَأْكُلَانِ ٱلطَّعَامَ ٱنظُرْ كَيْفَ نُبَيِّنُ لَهُمُ ٱلْءَايَٰتِ ثُمَّ ٱنظُرْ أَنَّىٰ يُؤْفَكُون

বয়ান ফাউন্ডেশন

মাসীহ ইবনে মারইয়াম একজন রাসূল ছাড়া আর কিছুই নয়; তার পূর্বে আরও বহু রাসূল গত হয়েছে, আর তার মা একজন পরম সত্যবাদিনী, তারা উভয়ে খাদ্য আহার করত। লক্ষ্য কর! আমি কিরূপে তাদের নিকট প্রমাণসমূহ বর্ণনা করছি। আবার লক্ষ্য কর! তারা উল্টা কোন দিকে যাচ্ছে?

আবদুস শহীদ নাসিম

(হে নবী!) তাদের বলো: তোমরা কি ছাড়া এমন কারো ইবাদত করবে যার কোনো ক্ষমতাই নেই তোমাদের কোনো ক্ষতি কিংবা উপকার করার? একমাত্র আল্লাহ্ই সবকিছু শুনেন এবং সব কিছু জানেন।

Word by word

قُلْ أَتَعْبُدُونَ مِن دُونِ ٱللَّهِ مَا لَا يَمْلِكُ لَكُمْ ضَرًّا وَلَا نَفْعًا وَٱللَّهُ هُوَ ٱلسَّمِيعُ ٱلْعَلِيمُ

বয়ান ফাউন্ডেশন

বল, ‘তোমরা কি ছাড়া এমন কিছুর ইবাদাত করবে, যা তোমাদের জন্য কোন ক্ষতি ও উপকারের ক্ষমতা রাখে না? আর , তিনিই সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ’।

আবদুস শহীদ নাসিম

বলো: হে আহলে কিতাব! তোমরা সত্যের বিরুদ্ধে গিয়ে তোমাদের দীনের মধ্যে বাড়াবাড়ি করোনা এবং তোমরা এমন লোকদের মনগড়া বিষয়ের অনুসরণ করোনা ইতোপূর্বে যারা নিজেরাও হয়েছে বিপথগামী আর অনেক মানুষকেও করেছে পথভ্রষ্ট। আসলে তারা সরল সঠিক পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে বিপথে চলে গেছে।

Word by word

قُلْ يَٰٓأَهْلَ ٱلْكِتَٰبِ لَا تَغْلُوا۟ فِى دِينِكُمْ غَيْرَ ٱلْحَقِّ وَلَا تَتَّبِعُوٓا۟ أَهْوَآءَ قَوْمٍ قَدْ ضَلُّوا۟ مِن قَبْلُ وَأَضَلُّوا۟ كَثِيرًا وَضَلُّوا۟ عَن سَوَآءِ ٱلسَّبِيلِ

বয়ান ফাউন্ডেশন

বল, ‘হে কিতাবীরা, সত্য ছাড়া তোমরা তোমাদের ধর্মের ব্যাপারে সীমালঙ্ঘন করো না এবং এমন কওমের প্রবৃত্তির অনুসরণ করো না, যারা পূর্বে পথভ্রষ্ট হয়েছে, আর অনেককে পথভ্রষ্ট করেছে এবং সোজা পথ বিচ্যুত হয়েছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

বনি ইসরাঈলের যারা কুফুরি করেছিল, তাদের উপর লা’নত বর্ষিত হয়েছিল দাউদ এবং ঈসা ইবনে মরিয়মের যবানে। এর কারণ, তারা ছিলো নাফরমান এবং সীমালংঘনকারী।

Word by word

لُعِنَ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ مِنۢ بَنِىٓ إِسْرَٰٓءِيلَ عَلَىٰ لِسَانِ دَاوُۥدَ وَعِيسَى ٱبْنِ مَرْيَمَ ذَٰلِكَ بِمَا عَصَوا۟ وَّكَانُوا۟ يَعْتَدُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

বনী ইসরাঈলের মধ্যে যারা করেছে তাদেরকে দাঊদ ও মারইয়াম পুত্র ঈসার মুখে লা‘নত করা হয়েছে। তা এ কারণে যে, তারা অবাধ্য হয়েছে এবং তারা সীমালঙ্ঘন করত।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা যেসব মুনকার - মন্দ কাজ করতো ,তা থেকে তারা পরস্পরকে নিষেধ করতোনা। তাদের কার্যক্রম ছিলো খুবই মন্দ - নিকৃষ্ট।

Word by word

كَانُوا۟ لَا يَتَنَاهَوْنَ عَن مُّنكَرٍ فَعَلُوهُ لَبِئْسَ مَا كَانُوا۟ يَفْعَلُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা পরস্পরকে মন্দ থেকে নিষেধ করত না, যা তারা করত। তারা যা করত, তা কতইনা মন্দ!

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি দেখবে, তাদের অনেকেই কাফিরদের অলি (বন্ধু, অভিভাবক, পৃষ্ঠপোষক) বানিয়ে নিয়েছে। তাদের কর্মকান্ড এতোই নিকৃষ্ট, যার কারণে তাদের প্রতি বিরূপ হয়েছেন আর আযাবের মধ্যেই থাকবে তারা চিরকাল।

Word by word

تَرَىٰ كَثِيرًا مِّنْهُمْ يَتَوَلَّوْنَ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ لَبِئْسَ مَا قَدَّمَتْ لَهُمْ أَنفُسُهُمْ أَن سَخِطَ ٱللَّهُ عَلَيْهِمْ وَفِى ٱلْعَذَابِ هُمْ خَٰلِدُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

তাদের মধ্যে অনেককে তুমি দেখতে পাবে, যারা কাফিরদের সাথে বন্ধুত্ব করে। তারা যা নিজদের জন্য পেশ করেছে, তা কত মন্দ যে, তাদের উপর ক্রোধান্বিত হয়েছেন এবং তারা আযাবেই স্থায়ী হবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা আল্লাহর প্রতি, এই নবীর প্রতি এবং তার প্রতি যা নাযিল হয়েছে সেটার প্রতি যদি ঈমান আনতো তাহলে ওদেরকে অলি হিসেবে গ্রহণ করতো না। কিন্তু তাদের অনেকেই ফাসিক - সীমালংঘনকারী।

Word by word

وَلَوْ كَانُوا۟ يُؤْمِنُونَ بِٱللَّهِ وَٱلنَّبِىِّ وَمَآ أُنزِلَ إِلَيْهِ مَا ٱتَّخَذُوهُمْ أَوْلِيَآءَ وَلَٰكِنَّ كَثِيرًا مِّنْهُمْ فَٰسِقُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যদি তারা ও নবীর প্রতি এবং যা তার নিকট নাযিল করা হয়েছে তার প্রতি ঈমান রাখত, তবে তাদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করত না। কিন্তু তাদের মধ্যে অনেকে ফাসিক।

আবদুস শহীদ নাসিম

অবশ্যি তুমি মানুষের মাঝে মুমিনদের প্রতি শত্রুতার ক্ষেত্রে সবচে’ শক্ত অবস্থানে পাবে ইহুদিদের, আর যারা শিরক করে তাদের। আর তাদের সাথে বন্ধুতার ক্ষেত্রে সবচে’ নিকটে পাবে ঐ লোকদের যারা বলে আমরা নাসারা (খৃষ্টান)। এর কারণ, তাদের মধ্যে রয়েছে অনেক (সত্যনিষ্ঠ) পাদ্রী আর দুনিয়া বিমুখ ব্যক্তি এবং তারা অহংকার করে বেড়ায় না।

Word by word

لَتَجِدَنَّ أَشَدَّ ٱلنَّاسِ عَدَٰوَةً لِّلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ ٱلْيَهُودَ وَٱلَّذِينَ أَشْرَكُوا۟ وَلَتَجِدَنَّ أَقْرَبَهُم مَّوَدَّةً لِّلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ ٱلَّذِينَ قَالُوٓا۟ إِنَّا نَصَٰرَىٰ ذَٰلِكَ بِأَنَّ مِنْه

বয়ান ফাউন্ডেশন

তুমি অবশ্যই মুমিনদের জন্য মানুষের মধ্যে শত্রুতায় অধিক কঠোর পাবে ইয়াহূদীদেরকে এবং যারা শিরক করেছে তাদেরকে। আর মুমিনদের জন্য বন্ধুত্বে তাদের মধ্যে নিকটতর পাবে তাদেরকে, যারা বলে, ‘আমরা নাসারা’। তা এই কারণে যে, তাদের মধ্যে অনেক পন্ডিত ও সংসারবিরাগী আছে এবং তা

আবদুস শহীদ নাসিম

এই রসূলের কাছে যে কিতাব নাযিল হয়েছে তারা যখন তা শুনে, তুমি দেখবে তখন সত্য উপলব্ধির কারণে তাদের চোখ অশ্রুসিক্ত। তারা বলে: ‘‘আমাদের প্রভু! আমরা ঈমান আনলাম, আমাদেরকে সাক্ষীদের অন্তরভুক্ত করো।

Word by word

وَإِذَا سَمِعُوا۟ مَآ أُنزِلَ إِلَى ٱلرَّسُولِ تَرَىٰٓ أَعْيُنَهُمْ تَفِيضُ مِنَ ٱلدَّمْعِ مِمَّا عَرَفُوا۟ مِنَ ٱلْحَقِّ يَقُولُونَ رَبَّنَآ ءَامَنَّا فَٱكْتُبْنَا مَعَ ٱلشَّٰهِدِينَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘আর রাসূলের প্রতি যা নাযিল করা হয়েছে যখন তারা তা শুনে, তুমি দেখবে তাদের চক্ষু অশ্রুতে ভেসে যাচ্ছে, কারণ তারা সত্য হতে জেনেছে। তারা বলে, ‘হে আমাদের রব, আমরা ঈমান এনেছি। সুতরাং আপনি আমাদেরকে সাক্ষ্য দানকারীদের সঙ্গে লিপিবদ্ধ করুন’।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমাদের জন্যে আল্লাহর প্রতি এবং আমাদের কাছে যে মহাসত্য এসেছে তার প্রতি ঈমান না আনার কোনো কারণ নেই; যেহেতু আমাদের তীব্র আকাংখা তো হলো আমাদের প্রভু যেনো আমাদেরকে সালেহ্ লোকদের মধ্যে দাখিল করেন।’’

Word by word

وَمَا لَنَا لَا نُؤْمِنُ بِٱللَّهِ وَمَا جَآءَنَا مِنَ ٱلْحَقِّ وَنَطْمَعُ أَن يُدْخِلَنَا رَبُّنَا مَعَ ٱلْقَوْمِ ٱلصَّٰلِحِينَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমাদের কী হয়েছে যে, আমরা আল্লাহর প্রতি এবং যে সত্য আমাদের কাছে এসেছে তার প্রতি ঈমান আনব না? আর আমরা আশা করব না যে, আমাদের রব আমাদেরকে প্রবেশ করাবেন নেককার সম্প্রদায়ের সাথে’।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের একথার জন্যে তাদের পুরস্কার দিয়েছেন জান্নাতসমূহ, সেগুলোর নিচে দিয়ে বহমান রয়েছে নদ - নদী - নহর। চিরকাল থাকবে তারা সেখানে। কল্যাণকামীদের এটাই পুরস্কার।

Word by word

فَأَثَٰبَهُمُ ٱللَّهُ بِمَا قَالُوا۟ جَنَّٰتٍ تَجْرِى مِن تَحْتِهَا ٱلْأَنْهَٰرُ خَٰلِدِينَ فِيهَا وَذَٰلِكَ جَزَآءُ ٱلْمُحْسِنِينَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

সুতরাং তারা যা বলেছে এর কারণে তাদেরকে পুরস্কার দেবেন জান্নাতসমূহ, যার নীচে নদীসমূহ প্রবাহিত হয়, তারা সেখানে স্থায়ী হবে। আর এটা হল সৎকর্মপরায়ণদের প্রতিদান।

আবদুস শহীদ নাসিম

অন্যদিকে যারা কুফুরি করে এবং অস্বীকার করে আমাদের আয়াতসমূহকে, তারা হবে জাহিমের (জাহান্নামের) অধিবাসী।

Word by word

وَٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ وَكَذَّبُوا۟ بِـَٔايَٰتِنَآ أُو۟لَٰٓئِكَ أَصْحَٰبُ ٱلْجَحِيمِ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যারা করেছে এবং আমার আয়াতসমূহকে অস্বীকার করেছে, তারাই আগুনের অধিবাসী।

আবদুস শহীদ নাসিম

হে লোকেরা! তোমাদের জন্যে যেসব ভালো জিনিস হালাল করেছেন, তোমরা সেগুলোকে হারাম সাব্যস্ত করোনা এবং সীমালংঘন করোনা; কারণ সীমালংঘনকারীদের পছন্দ করেন না।

Word by word

يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ لَا تُحَرِّمُوا۟ طَيِّبَٰتِ مَآ أَحَلَّ ٱللَّهُ لَكُمْ وَلَا تَعْتَدُوٓا۟ إِنَّ ٱللَّهَ لَا يُحِبُّ ٱلْمُعْتَدِينَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

হে মুমিনগণ, যে সব পবিত্র বস্তু তোমাদের জন্য হালাল করেছেন, তোমরা তা হারাম করো না এবং তোমরা সীমালঙ্ঘন করো না। নিশ্চয় সীমালঙ্ঘনকারীদের পছন্দ করেন না।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমাদেরকে যেসব হালাল উত্তম জীবিকা দিয়েছেন সেগুলো থেকে খাও এবং সেই মহান আল্লাহকে ভয় করো, যাঁর প্রতি তোমরা ()।

Word by word

وَكُلُوا۟ مِمَّا رَزَقَكُمُ ٱللَّهُ حَلَٰلًا طَيِّبًا وَٱتَّقُوا۟ ٱللَّهَ ٱلَّذِىٓ أَنتُم بِهِۦ مُؤْمِنُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আহার কর যা তোমাদের রিয্ক দিয়েছেন তা থেকে হালাল, পবিত্র বস্তু। আর তাকওয়া অবলম্বন কর আল্লাহর যার প্রতি তোমরা ।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমাদের অযথা শপথের জন্যে তোমাদের পাকড়াও করবেন না। কিন্তু তোমাদের ইচ্ছাকৃত শপথের জন্যে তিনি তোমাদের পাকড়াও করবেন। এর কাফ্ফারা হলো দশজন মিসকিনকে আহার করানো মধ্যম ধরণের আহার, যে রকম তোমরা তোমাদের আহলকে খাইয়ে থাকো। অথবা তাদেরকে বস্ত্রদান করা, নতুবা একজন দাসমুক্ত করা। যে এগুলো করতে পারবেনা সে তিন দিন রোযা রাখবে। তোমরা যদি শপথ করো তবে এটাই তার কাফ্ফারা। তোমরা তোমাদের শপথ রক্ষা করো। এভাবেই তোমাদের জন্যে ব্যাখ্যা করেন তাঁর আয়াত, যাতে করে তোমরা শোকর আদায় করো।

Word by word

لَا يُؤَاخِذُكُمُ ٱللَّهُ بِٱللَّغْوِ فِىٓ أَيْمَٰنِكُمْ وَلَٰكِن يُؤَاخِذُكُم بِمَا عَقَّدتُّمُ ٱلْأَيْمَٰنَ فَكَفَّٰرَتُهُۥٓ إِطْعَامُ عَشَرَةِ مَسَٰكِينَ مِنْ أَوْسَطِ مَا تُطْعِمُونَ أَهْلِيكُمْ أَوْ كِسْوَتُه

বয়ান ফাউন্ডেশন

তোমাদেরকে পাকড়াও করেন না তোমাদের অর্থহীন কসমের ব্যাপারে, কিন্তু যে কসম তোমরা দৃঢ়ভাবে কর সে কসমের জন্য তোমাদেরকে পাকড়াও করেন। সুতরাং এর কাফফারা হল দশ জন মিসকীনকে খাবার দান করা, মধ্যম ধরনের খাবার, যা তোমরা স্বীয় পরিবারকে খাইয়ে থাক, অথবা তাদের বস্ত্র

আবদুস শহীদ নাসিম

হে লোকেরা! জেনে রাখো, মদ, জুয়া, আস্তানা এবং ভাগ্য নির্ণয়ের শর - এগুলো সবই নোংরা শয়তানি কাজ। সুতরাং তোমরা এগুলো বর্জন করো, তবেই হবে।

Word by word

يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوٓا۟ إِنَّمَا ٱلْخَمْرُ وَٱلْمَيْسِرُ وَٱلْأَنصَابُ وَٱلْأَزْلَٰمُ رِجْسٌ مِّنْ عَمَلِ ٱلشَّيْطَٰنِ فَٱجْتَنِبُوهُ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

হে মুমিনগণ, নিশ্চয় মদ, জুয়া, প্রতিমা-বেদী ও ভাগ্যনির্ধারক তীরসমূহ তো নাপাক শয়তানের কর্ম। সুতরাং তোমরা তা পরিহার কর, যাতে তোমরা হও।

আবদুস শহীদ নাসিম

শয়তান তো চায় মদ ও জুয়ার মাধ্যমে সে তোমাদের মাঝে শত্রুতা ও বিদ্বেষ ঘটাবে এবং তোমাদের বাধা দেবে আল্লাহর যিক্র ও থেকে। তারপরও কি তোমরা তা থেকে বিরত হবেনা?

Word by word

إِنَّمَا يُرِيدُ ٱلشَّيْطَٰنُ أَن يُوقِعَ بَيْنَكُمُ ٱلْعَدَٰوَةَ وَٱلْبَغْضَآءَ فِى ٱلْخَمْرِ وَٱلْمَيْسِرِ وَيَصُدَّكُمْ عَن ذِكْرِ ٱللَّهِ وَعَنِ ٱلصَّلَوٰةِ فَهَلْ أَنتُم مُّنتَهُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

শয়তান শুধু মদ ও জুয়া দ্বারা তোমাদের মধ্যে শত্রুতা ও বিদ্বেষ সঞ্চার করতে চায়। আর (চায়) আল্লাহর স্মরণ ও থেকে তোমাদের বাধা দিতে। অতএব, তোমরা কি বিরত হবে না?

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা আল্লাহর আনুগত্য করো এবং এই রসূলের আনুগত্য করো আর সতর্ক - সাবধান থাকো। কিন্তু তোমরা যদি মুখ ফিরিয়ে নাও তবে জেনে রাখো, আমাদের রসূলের দায়িত্ব তো কেবল পরিষ্কারভাবে বার্তা পৌঁছে দেয়া।

Word by word

وَأَطِيعُوا۟ ٱللَّهَ وَأَطِيعُوا۟ ٱلرَّسُولَ وَٱحْذَرُوا۟ فَإِن تَوَلَّيْتُمْ فَٱعْلَمُوٓا۟ أَنَّمَا عَلَىٰ رَسُولِنَا ٱلْبَلَٰغُ ٱلْمُبِينُ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তোমরা আল্লাহর আনুগত্য কর এবং আনুগত্য কর রাসূলের আর সাবধান হও। তারপর যদি তোমরা মুখ ফিরিয়ে নাও তবে জেনে রাখ যে, আমার রাসূলের দায়িত্ব শুধু সুস্পষ্ট প্রচার।

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা ঈমান আনে এবং আমলে সালেহ করে তারা পূর্বে যা - ই খেয়েছে তার গুনাহ্ ধরা হবেনা যদি তারা তাকওয়া অবলম্বন করে, ঈমানের উপর অটল থাকে এবং আমলে সালেহ করে। যদি তারা সতর্ক থাকে এবং থাকে, তারপরও সতর্ক থাকে এবং কল্যাণের পথ অবলম্বন করে, আর তো কল্যাণের পথ অবলম্বনকারীদেরই পছন্দ করেন।

Word by word

لَيْسَ عَلَى ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَعَمِلُوا۟ ٱلصَّٰلِحَٰتِ جُنَاحٌ فِيمَا طَعِمُوٓا۟ إِذَا مَا ٱتَّقَوا۟ وَّءَامَنُوا۟ وَعَمِلُوا۟ ٱلصَّٰلِحَٰتِ ثُمَّ ٱتَّقَوا۟ وَّءَامَنُوا۟ ثُمَّ ٱتَّقَوا۟ وَّأَحْسَنُوا۟ وَٱللّ

বয়ান ফাউন্ডেশন

যারা ঈমান এনেছে ও নেক আমল করেছে তারা যা আহার করেছে তাতে কোন পাপ নেই, যখন তারা তাকওয়া অবলম্বন করে এবং ঈমান আনে আর নেক আমল করে, তারপর তাকওয়া অবলম্বন করে ও ঈমান আনে। এরপরও তারা তাকওয়া অবলম্বন করে এবং সৎকর্ম করে। আর সৎকর্মশীলদের ভালবাসেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

হে লোকেরা! (ইহরাম অবস্থায়) তোমাদের হাত ও বর্শা যা শিকার করে সে বিষয়ে অবশ্যি তোমাদের পরীক্ষা করবেন। কারণ, তিনি জানতে চান, না দেখেও কে আল্লাহকে ভয় করে চলে। এরপর থেকে যে কেউ সীমালংঘন করবে, তার জন্যে রয়েছে বেদনাদায়ক আযাব।

Word by word

يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ لَيَبْلُوَنَّكُمُ ٱللَّهُ بِشَىْءٍ مِّنَ ٱلصَّيْدِ تَنَالُهُۥٓ أَيْدِيكُمْ وَرِمَاحُكُمْ لِيَعْلَمَ ٱللَّهُ مَن يَخَافُهُۥ بِٱلْغَيْبِ فَمَنِ ٱعْتَدَىٰ بَعْدَ ذَٰلِكَ فَلَهُۥ عَذَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

হে মুমিনগণ, অবশ্যই তোমাদেরকে পরীক্ষা করবেন শিকারের এমন বস্তু দ্বারা তোমাদের হাত ও বর্শা যার নাগাল পায়, যাতে জেনে নেন কে তাঁকে গায়েবের সাথে ভয় করে। সুতরাং এরপর যে সীমালঙ্ঘন করবে তার জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক আযাব ।

আবদুস শহীদ নাসিম

হে লোকেরা! ইহরাম অবস্থায় তোমরা শিকার (করে প্রাণী) হত্যা করোনা। তোমাদের কেউ যদি (এ অবস্থায়) ইচ্ছাকৃত তা হত্যা করে তবে তার বিনিময় হবে সমসংখ্যক গৃহপালিত জন্তু, যা কাবার উদ্দেশ্যে কুরবানির জন্যে পাঠাতে হবে, এ বিষয়টির ফায়সালা করে দেবে তোমাদের মধ্যকার দুইজন ন্যায়পরায়ন ব্যক্তি। অথবা এর কাফ্ফারা হবে মিসকিনদের খাবার দেয়া, অথবা সমসংখ্যক রোযা রাখা। (এই কাফ্ফারা নির্ধারণ করা হলো) যাতে করে সে তার কাজের ফল ভোগ করে। পূর্বে যা কিছু হয়েছে তা মাফ করে দিয়েছেন। এরপরেও যদি কেউ অনুরূপ কাজ করে, তবে তাকে দন্ড প্রদান করবেন। মহাপরাক্রমশালী, কঠোর শাস্তিদাতা।

Word by word

يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ لَا تَقْتُلُوا۟ ٱلصَّيْدَ وَأَنتُمْ حُرُمٌ وَمَن قَتَلَهُۥ مِنكُم مُّتَعَمِّدًا فَجَزَآءٌ مِّثْلُ مَا قَتَلَ مِنَ ٱلنَّعَمِ يَحْكُمُ بِهِۦ ذَوَا عَدْلٍ مِّنكُمْ هَدْيًۢا بَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

হে মুমিনগণ, ইহরামে থাকা অবস্থায় তোমরা শিকারকে হত্যা করো না এবং যে তোমাদের মধ্যে ইচ্ছাকৃতভাবে তা হত্যা করবে তার বিনিময় হল যা হত্যা করেছে, তার অনুরূপ গৃহপালিত পশু, যার ফয়সালা করবে তোমাদের মধ্যে দু’জন ন্যায়পরায়ণ লোক- কুরবানীর জন্তু হিসাবে কা’বায় পৌঁছতে হবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমাদের জন্যে সমুদ্রের শিকার এবং সেই শিকার খাওয়া হালাল করে দেয়া হলো - তোমাদের ও পর্যটকদের ভোগ্যসামগ্রী হিসেবে। আর তোমাদের জন্যে স্থলভাগের শিকার হারাম করে দেয়া হলো যতোদিন যতো সময় তোমরা ইহরাম অবস্থায় থাকবে। আল্লাহকে ভয় করো, তিনি তোমাদের হাশর করবেন তাঁর কাছে।

Word by word

أُحِلَّ لَكُمْ صَيْدُ ٱلْبَحْرِ وَطَعَامُهُۥ مَتَٰعًا لَّكُمْ وَلِلسَّيَّارَةِ وَحُرِّمَ عَلَيْكُمْ صَيْدُ ٱلْبَرِّ مَا دُمْتُمْ حُرُمًا وَٱتَّقُوا۟ ٱللَّهَ ٱلَّذِىٓ إِلَيْهِ تُحْشَرُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

তোমাদের জন্য হালাল করা হয়েছে সমুদ্রের শিকার ও তার খাদ্য; তোমাদের ও মুসাফিরদের ভোগের জন্য। আর স্থলের শিকার তোমাদের উপর হারাম করা হয়েছে যতক্ষণ তোমরা ইহরাম অবস্থায় থাক। আর তোমরা আল্লাহর তাকওয়া অবলম্বন কর, যার দিকে তোমাদেরকে একত্র করা হবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তায়ালা মর্যাদাপূর্ণ কাবা ঘরকে, হারাম মাসকে, কুরবানির পশুকে এবং কুরবানি করার উদ্দেশ্যে মালা পরানো পশুকে মানুষের জন্যে কল্যাণকর নির্ধারণ করেছেন। এর কারণ হলো, যাতে করে তোমরা জানতে পারো মহাকাশ এবং পৃথিবীতে যা কিছু আছে সবই জানেন এবং সব বিষয়ে সর্বজ্ঞানী।

Word by word

جَعَلَ ٱللَّهُ ٱلْكَعْبَةَ ٱلْبَيْتَ ٱلْحَرَامَ قِيَٰمًا لِّلنَّاسِ وَٱلشَّهْرَ ٱلْحَرَامَ وَٱلْهَدْىَ وَٱلْقَلَٰٓئِدَ ذَٰلِكَ لِتَعْلَمُوٓا۟ أَنَّ ٱللَّهَ يَعْلَمُ مَا فِى ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَمَا فِى ٱلْأَرْضِ وَأَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

সম্মানিত গৃহ কা‘বাকে, সম্মানিত মাসকে*, হাদয়ি** ও কালায়িদ*** কেও মানুষের কল্যাণের জন্য প্রতিষ্ঠা করেছেন। এটা এ জন্য যে, তোমরা যেন জানতে পার, আসমানসমূহে যা আছে এবং যমীনে যা আছে তা জানেন। আর সব কিছু সম্পর্কে সম্যক জ্ঞাত। * হিজরী মাসের ম

আবদুস শহীদ নাসিম

জেনে রাখো, কঠিন শাস্তিদাতা এবং তিনি পরম ক্ষমাশীল পরম দয়াময়।

Word by word

ٱعْلَمُوٓا۟ أَنَّ ٱللَّهَ شَدِيدُ ٱلْعِقَابِ وَأَنَّ ٱللَّهَ غَفُورٌ رَّحِيمٌ

বয়ান ফাউন্ডেশন

জেনে রাখ, নিশ্চয়ই শাস্তি দানে কঠোর আর নিশ্চয়ই ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।

আবদুস শহীদ নাসিম

আল্লাহর রসূলের উপর বার্তা পৌঁছে দেয়া ছাড়া আর কোনো দায়িত্ব নেই। তোমরা যা প্রকাশ করো আর যা গোপন করো, সবই জানেন।

Word by word

مَّا عَلَى ٱلرَّسُولِ إِلَّا ٱلْبَلَٰغُ وَٱللَّهُ يَعْلَمُ مَا تُبْدُونَ وَمَا تَكْتُمُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

প্রচার ব্যতীত রাসূলের কোন দায়িত্ব নেই। আর তোমরা যা প্রকাশ কর এবং যা গোপন কর তা জানেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

হে নবী! তাদের বলো: মন্দ আর ভালো এক নয়, যদিও মন্দের আধিক্য তোমাকে তাজ্জব করে। অতএব, আল্লাহকে ভয় করো হে বুঝ বুদ্ধি সম্পন্ন লোকেরা, অবশ্যি তোমরা হবে।

Word by word

قُل لَّا يَسْتَوِى ٱلْخَبِيثُ وَٱلطَّيِّبُ وَلَوْ أَعْجَبَكَ كَثْرَةُ ٱلْخَبِيثِ فَٱتَّقُوا۟ ٱللَّهَ يَٰٓأُو۟لِى ٱلْأَلْبَٰبِ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

বল, ‘অপবিত্র ও পবিত্র সমান নয়, যদিও অপবিত্রের আধিক্য তোমাকে মুগ্ধ করে। অতএব হে বুদ্ধিমান ব্যক্তিরা, আল্লাহর তাকওয়া অবলম্বন কর। যাতে তোমরা হও’।

আবদুস শহীদ নাসিম

হে লোকেরা! তোমরা এমন সব বিষয়ে প্রশ্ন করোনা, যেগুলো তোমাদের কাছে প্রকাশ হলে সেগুলো তোমাদের কষ্ট দেবে। কুরআন নাযিল হবার সময়কালেই যদি তোমরা ঐসব প্রশ্ন করো, তবে সেগুলো তোমাদের কাছে প্রকাশ করে দেয়া হবে। সেগুলো ক্ষমা করে দিয়েছেন। আর তো পরম ক্ষমাশীল পরম সহনশীল।

Word by word

يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ لَا تَسْـَٔلُوا۟ عَنْ أَشْيَآءَ إِن تُبْدَ لَكُمْ تَسُؤْكُمْ وَإِن تَسْـَٔلُوا۟ عَنْهَا حِينَ يُنَزَّلُ ٱلْقُرْءَانُ تُبْدَ لَكُمْ عَفَا ٱللَّهُ عَنْهَا وَٱللَّهُ غَفُورٌ ح

বয়ান ফাউন্ডেশন

হে মুমিনগণ, তোমরা এমন বিষয়াবলী সম্পর্কে প্রশ্ন করো না যা তোমাদের কাছে প্রকাশ করা হলে তা তোমাদেরকে পীড়া দেবে। আর কুরআন অবতরণ কালে যদি তোমরা সে সম্পর্কে প্রশ্ন কর তাহলে তা তোমাদের জন্য প্রকাশ করা হবে। তা ক্ষমা করেছেন। আর ক্ষমাশীল, পরম সহনশীল।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমাদের আগে একটি কওম সেগুলো সম্পর্কে প্রশ্ন করেছিল, পরে তারা হয়ে যায় সেগুলো অস্বীকারকারী।

Word by word

قَدْ سَأَلَهَا قَوْمٌ مِّن قَبْلِكُمْ ثُمَّ أَصْبَحُوا۟ بِهَا كَٰفِرِينَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

তোমাদের পূর্বে একটি কওম এরূপ প্রশ্ন করেছিল; তারপর তারা এর কারণে হয়ে গেল।

আবদুস শহীদ নাসিম

বাহিরা, সায়িবা, অসিলা এবং হাম আল্লাহর নির্ধারিত নয়। তবে যারা কুফুরি করে তারা আল্লাহর প্রতি মিথ্যারোপ করে। তাদের অধিকাংশই বে - আক্কেল।

Word by word

مَا جَعَلَ ٱللَّهُ مِنۢ بَحِيرَةٍ وَلَا سَآئِبَةٍ وَلَا وَصِيلَةٍ وَلَا حَامٍ وَلَٰكِنَّ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ يَفْتَرُونَ عَلَى ٱللَّهِ ٱلْكَذِبَ وَأَكْثَرُهُمْ لَا يَعْقِلُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

তৈরী করেননি বাহীরা*, সায়েবা**, ওয়াসীলা*** ও হাম**** । কিন্তু যারা করেছে তারা আল্লাহর উপর মিথ্যা রটনা করে। আর তাদের অধিকাংশই বুঝে না। * বাহীরাঃ যে জন্তুর দুধ প্রতিমার উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করা হয় তাকে বাহীরা বলা হয়।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের যখন বলা হয়: ‘এসো আল্লাহর নাযিল করা কিতাবের দিকে এবং রসূলের দিকে (ফায়সালা গ্রহণ করার জন্যে)’, তখন তারা বলে: ‘আমরা আমাদের বাপ - দাদাদের যেসব নিয়ম - আচারের উপর পেয়েছি সেগুলোই আমাদের জন্যে যথেষ্ট।’ তাদের বাপ - দাদারা যদিও কিছুই জানতোনা এবং হিদায়াত প্রাপ্তও ছিলনা, তারপরও কি তারা তাদেরই অনুসরণ করবে?

Word by word

وَإِذَا قِيلَ لَهُمْ تَعَالَوْا۟ إِلَىٰ مَآ أَنزَلَ ٱللَّهُ وَإِلَى ٱلرَّسُولِ قَالُوا۟ حَسْبُنَا مَا وَجَدْنَا عَلَيْهِ ءَابَآءَنَآ أَوَلَوْ كَانَ ءَابَآؤُهُمْ لَا يَعْلَمُونَ شَيْـًٔا وَلَا يَهْتَدُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যখন তাদেরকে বলা হয়, ‘ যা নাযিল করেছেন তার দিকে ও রাসূলের দিকে আস’, তারা বলে, ‘আমরা আমাদের পিতৃপুরুষদের যার উপর পেয়েছি তাই আমাদের জন্য যথেষ্ট।’ যদিও তাদের পিতৃপুরুষরা কিছুই জানত না এবং হিদায়াতপ্রাপ্ত ছিল না তবুও?

আবদুস শহীদ নাসিম

হে লোকেরা! তোমাদের দায় দায়িত্ব তোমাদেরই উপর। যারা বিপথগামী হয়েছে তারা তোমাদের কোনোই ক্ষতি করতে পারবেনা যদি তোমরা হিদায়াতের (সঠিক পথের) উপর অটল থাকো। আল্লাহর কাছে তোমাদের সবারই ফিরে আসতে হবে। তারপর তিনি তোমাদের সংবাদ দেবেন তোমাদের আমল সম্পর্কে।

Word by word

يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ عَلَيْكُمْ أَنفُسَكُمْ لَا يَضُرُّكُم مَّن ضَلَّ إِذَا ٱهْتَدَيْتُمْ إِلَى ٱللَّهِ مَرْجِعُكُمْ جَمِيعًا فَيُنَبِّئُكُم بِمَا كُنتُمْ تَعْمَلُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

হে মুমিনগণ, তোমাদের উপর তোমাদের নিজদের দায়িত্ব। যদি তোমরা সঠিক পথে থাক তাহলে যে পথভ্রষ্ট হয়েছে সে তোমাদের ক্ষতি করতে পারবে না। আল্লাহর দিকেই তোমাদের সকলের প্রত্যাবর্তন; তখন তিনি তোমরা যা আমল করতে তা তোমাদের জানিয়ে দেবেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

হে লোকেরা! তোমাদের কারো যখন মউতের সময় হাজির হয়, তখন অসিয়ত করার সময় দুইজন সুবিচারক লোককে সাক্ষী রাখবে। আর তোমরা যদি সফরে থাকা অবস্থায় মউতের মসিবতে পড়ো, তাহলে অন্য লোকদের মধ্য থেকে দুইজন সাক্ষী রাখো। তোমাদের সন্দেহ হলে সালাতের পর তাদেরকে অপেক্ষমান রাখবে, তারপর তারা আল্লাহর নামে শপথ করে বলবে: ‘আমরা এর বিনিময়ে কোনো মূল্য গ্রহণ করবোনা যদি সে নিকটাত্মীয়ও হয় এবং আল্লাহর সাক্ষ্য গোপন রাখবোনা, রাখলে অবশ্যি আমরা পাপীদের মধ্যে গণ্য হবো।’

Word by word

يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ شَهَٰدَةُ بَيْنِكُمْ إِذَا حَضَرَ أَحَدَكُمُ ٱلْمَوْتُ حِينَ ٱلْوَصِيَّةِ ٱثْنَانِ ذَوَا عَدْلٍ مِّنكُمْ أَوْ ءَاخَرَانِ مِنْ غَيْرِكُمْ إِنْ أَنتُمْ ضَرَبْتُمْ فِى ٱلْأَرْضِ

বয়ান ফাউন্ডেশন

হে মুমিনগণ, যখন তোমাদের কারো নিকট মৃত্যু উপস্থিত হয়, তখন ওসিয়তকালে তোমাদের মাঝে তোমাদের মধ্য থেকে দু’জন ন্যায়পরায়ণ ব্যক্তি সাক্ষী হবে, অথবা অন্যদের থেকে দু’জন, যদি তোমরা যমীনে সফরে থাক, অতঃপর তোমাদেরকে মৃত্যুর বিপদ পেয়ে বসে। যদি তোমাদের সন্দেহ হয়, তবে উভয়

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা দুজন অপরাধে লিপ্ত হয়েছে বলে যদি প্রকাশ পায়, তবে যাদের স্বার্থহানি ঘটে তাদের মধ্য থেকে নিকটতম দু’জন ওদের স্থলাভিষিক্ত হবে এবং তারা আল্লাহর নামে শপথ করে বলবে: ‘আমাদের সাক্ষ্য অবশ্যি তাদের দু’জনের সাক্ষ্য থেকে অধিকতর হক এবং আমরা সীমালংঘন করিনি। সীমালংঘন করলে অবশ্যি আমরা যালিম বলে গণ্য হবো।’

Word by word

فَإِنْ عُثِرَ عَلَىٰٓ أَنَّهُمَا ٱسْتَحَقَّآ إِثْمًا فَـَٔاخَرَانِ يَقُومَانِ مَقَامَهُمَا مِنَ ٱلَّذِينَ ٱسْتَحَقَّ عَلَيْهِمُ ٱلْأَوْلَيَٰنِ فَيُقْسِمَانِ بِٱللَّهِ لَشَهَٰدَتُنَآ أَحَقُّ مِن شَهَٰدَتِهِمَا وَمَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

কিন্তু যদি যায় যে, তারা পাপে লিপ্ত হয়েছে, তাহলে তাদের মধ্য থেকে যাদের স্বার্থহানী ঘটেছে- অন্য দু’ব্যক্তি প্রথমোক্ত দু’জনের স্থলাভিষিক্ত হবে। অতঃপর তারা আল্লাহর নামে কসম করে বলবে, ‘অবশ্যই আমাদের সাক্ষ্য তাদের সাক্ষ্য থেকে অধিক সত্য এবং আমরা সীমালঙ্ঘন

আবদুস শহীদ নাসিম

এ পদ্ধতিতেই সঠিক সাক্ষ্যদানের, অথবা শপথের পর তোমাদেরকে পুনরায় শপথ করানো হবে - এ ভয় থেকে বাঁচার অধিকতর সম্ভাবনা রয়েছে। আল্লাহকে ভয় করো এবং (আল্লাহর বাণী) শুনো। ফাসিকদের সঠিক পথে পরিচালিত করেন না।

Word by word

ذَٰلِكَ أَدْنَىٰٓ أَن يَأْتُوا۟ بِٱلشَّهَٰدَةِ عَلَىٰ وَجْهِهَآ أَوْ يَخَافُوٓا۟ أَن تُرَدَّ أَيْمَٰنٌۢ بَعْدَ أَيْمَٰنِهِمْ وَٱتَّقُوا۟ ٱللَّهَ وَٱسْمَعُوا۟ وَٱللَّهُ لَا يَهْدِى ٱلْقَوْمَ ٱلْفَٰسِقِينَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

এটি নিকটতম যে, তারা সাক্ষ্য সঠিকভাবে উপস্থাপন করবে অথবা তারা (মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারীরা) ভয় করবে যে, তাদের (নিকটাত্মীয়দের) কসমের পর (পূর্বোক্ত) কসম প্রত্যাখ্যান করা হবে। আর আল্লাহর তাকওয়া অবলম্বন কর এবং শুন! আর ফাসিক কওমকে হিদায়াত করেন না।

আবদুস শহীদ নাসিম

মনে রেখো, যেদিন সব রসূলকে একত্র করবেন এবং তাদের জিজ্ঞেস করবেন: ‘(তোমরা আমার বাণী ও বিধান পৌঁছানোর পর) কী জবাব পেয়েছিলে?’ তারা বলবে: ‘এ বিষয়ে আমাদের কোনো এলেম নেই। সমস্ত - এর ব্যাপারে কেবল তুমিই মহাজ্ঞানী।’

Word by word

يَوْمَ يَجْمَعُ ٱللَّهُ ٱلرُّسُلَ فَيَقُولُ مَاذَآ أُجِبْتُمْ قَالُوا۟ لَا عِلْمَ لَنَآ إِنَّكَ أَنتَ عَلَّٰمُ ٱلْغُيُوبِ

বয়ান ফাউন্ডেশন

(স্মরণ কর) যেদিন রাসূলগণকে একত্র করবেন, অতঃপর বলবেন, ‘তোমাদেরকে কী জবাব দেয়া হয়েছিল’? তারা বলবে, ‘আমাদের কোন ইলম নেই, নিশ্চয় আপনি গায়েবী বিষয়সমূহের সর্বজ্ঞানী’।

আবদুস শহীদ নাসিম

স্মরণ করো, যখন বলবেন: হে ঈসা ইবনে মরিয়ম! তোমার প্রতি এবং তোমার মায়ের প্রতি আমার নিয়ামতের কথা মনে করো: যখন আমি তোমাকে সহযোগিতা করেছিলাম রুহুল কুদুসকে (জিবরিলকে) দিয়ে, দোলনায় থাকা অবস্থায় এবং পরিণত বয়েসে তুমি কথা বলেছো, এবং আমি তোমাকে শিক্ষা দিয়েছিলাম আল কিতাব, আল হিক্মাহ্, তাওরাত ও ইনজিল। তুমি আমার অনুমতিক্রমে কাদামাটি দিয়ে পাখির মতো আকৃতি তৈরি করতে এবং তাতে ফুঁ দিতে আর সাথে সাথে তা পাখি হয়ে যেতো। আমার অনুমতিক্রমে তুমি কুষ্ঠরোগী ও জন্মান্ধকে নিরাময় করতে, আর আমার অনুমতিক্রমে তুমি মৃতকে জীবিত করতে। আরো স্মরণ করো, আমিই তো বনি ইসরাঈলকে তোমার থেকে নিবৃত্ত রেখেছিলাম যখন তুমি তাদের কাছে স্পষ্ট নিদর্শন নিয়ে এসেছিলে, তখন তাদের মধ্যে যারা কুফুরিতে লিপ্ত ছিলো তারা বলেছিল: ‘এ তো এক স্পষ্ট ম্যাজিক।’

Word by word

إِذْ قَالَ ٱللَّهُ يَٰعِيسَى ٱبْنَ مَرْيَمَ ٱذْكُرْ نِعْمَتِى عَلَيْكَ وَعَلَىٰ وَٰلِدَتِكَ إِذْ أَيَّدتُّكَ بِرُوحِ ٱلْقُدُسِ تُكَلِّمُ ٱلنَّاسَ فِى ٱلْمَهْدِ وَكَهْلًا وَإِذْ عَلَّمْتُكَ ٱلْكِتَٰبَ وَٱلْحِكْ

বয়ান ফাউন্ডেশন

যখন বলবেন,‘হে মারইয়ামের পুত্র ঈসা, তোমার উপর ও তোমার মাতার উপর আমার নি‘আমত স্মরণ কর, যখন আমি তোমাকে শক্তিশালী করেছিলাম পবিত্র আত্মা* দিয়ে, তুমি মানুষের সাথে কথা বলতে দোলনায় ও পরিণত বয়সে। আর যখন আমি তোমাকে শিক্ষা দিয়েছিলাম কিতাব, হিকমাত, তাওরাত ও ইন

আবদুস শহীদ নাসিম

আরো স্মরণ করো, যখন আমি হাওয়ারীদের অহি (আদেশ) করেছিলাম: ‘তোমরা আমার প্রতি এবং আমার রসূলের প্রতি ঈমান আনো,’ তখন তারা বলেছিল: ‘আমরা ঈমান আনলাম এবং তুমি সাক্ষী থাকো আমরা মুসলিম (অনুগত, আত্মসমর্পিত)।’

Word by word

وَإِذْ أَوْحَيْتُ إِلَى ٱلْحَوَارِيِّۦنَ أَنْ ءَامِنُوا۟ بِى وَبِرَسُولِى قَالُوٓا۟ ءَامَنَّا وَٱشْهَدْ بِأَنَّنَا مُسْلِمُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যখন আমি হাওয়ারী* গণকে এ আদেশ দিয়েছিলাম যে, ‘আমার প্রতি তোমরা ঈমান আন ও আমার রাসূলের প্রতি’। তারা বলেছিল, ‘আমরা ঈমান আনলাম এবং আপনি সাক্ষী থাকুন যে, আমরা অবশ্যই মুসলিম’। * ঈসা আ. এর বিশেষ অনুসারীদের হাওয়ারী বলা হয়।

আবদুস শহীদ নাসিম

স্মরণ করো যখন হাওয়ারীরা বলেছিল: ‘হে ঈসা ইবনে মরিয়ম! তোমার প্রভু কি আমাদের জন্যে আসমান থেকে খাবারে পূর্ণ একটি মায়েদা (খাঞ্চা) পাঠাতে পারবেন’? তখন সে বলেছিল: ‘তোমরা হয়ে থাকলে আল্লাহকে ভয় করো।’

Word by word

إِذْ قَالَ ٱلْحَوَارِيُّونَ يَٰعِيسَى ٱبْنَ مَرْيَمَ هَلْ يَسْتَطِيعُ رَبُّكَ أَن يُنَزِّلَ عَلَيْنَا مَآئِدَةً مِّنَ ٱلسَّمَآءِ قَالَ ٱتَّقُوا۟ ٱللَّهَ إِن كُنتُم مُّؤْمِنِينَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

যখন হাওয়ারীগণ বলেছিল, ‘হে মারইয়ামের পুত্র ঈসা, তোমার রব কি পারে আমাদের উপর আসমান থেকে খাবারপূর্ণ দস্তরখান নাযিল করতে?’ সে বলেছিল, ‘আল্লাহর তাকওয়া অবলম্বন কর, যদি তোমরা হও’।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা বললো: ‘আমাদের বাসনা, আমরা সেই মায়েদা (খাঞ্চা) থেকে খাবো এবং তাতে আমাদের হৃদয় প্রশান্তি লাভ করবে আর আমরা জানতে পারবো, আপনি আমাদের সত্য বলেছেন এবং আমরা এর সাক্ষী হয়ে থাকবো।’

Word by word

قَالُوا۟ نُرِيدُ أَن نَّأْكُلَ مِنْهَا وَتَطْمَئِنَّ قُلُوبُنَا وَنَعْلَمَ أَن قَدْ صَدَقْتَنَا وَنَكُونَ عَلَيْهَا مِنَ ٱلشَّٰهِدِينَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা বলল, ‘আমরা তা থেকে খেতে চাই। আর আমাদের হৃদয় প্রশান্ত হবে এবং আমরা জানব যে, তুমি আমাদেরকে সত্যই বলেছ, আর আমরা এ ব্যাপারে সাক্ষীদের অন্তর্ভুক্ত হব।’

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন ঈসা ইবনে মরিয়ম বললো: ‘হে আমাদের প্রভু! তুমি আসমান থেকে আমাদের জন্যে একটি খাবারে পূর্ণ মায়েদা (খাঞ্চা) নাযিল করো। এটা আমাদের জন্যে এবং আমাদের পূর্ব ও পরবর্তী লোকদের জন্যে হবে আনন্দের কারণ এবং তোমার পক্ষ থেকে হবে একটি নিদর্শন। আর আমাদের রিযিক দান করো, কারণ তুমিই তো সর্বোত্তম রিযিক দাতা।’

Word by word

قَالَ عِيسَى ٱبْنُ مَرْيَمَ ٱللَّهُمَّ رَبَّنَآ أَنزِلْ عَلَيْنَا مَآئِدَةً مِّنَ ٱلسَّمَآءِ تَكُونُ لَنَا عِيدًا لِّأَوَّلِنَا وَءَاخِرِنَا وَءَايَةً مِّنكَ وَٱرْزُقْنَا وَأَنتَ خَيْرُ ٱلرَّٰزِقِينَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

মারইয়ামের পুত্র ঈসা বলল, ‘হে , হে আমাদের রব, আসমান থেকে আমাদের প্রতি খাবারপূর্ণ দস্তরখান নাযিল করুন; এটা আমাদের জন্য ঈদ হবে। আমাদের পূর্ববর্তী ও পরবর্তীদের জন্য। আর আপনার পক্ষ থেকে এক নিদর্শন হবে। আর আমাদেরকে রিয্ক দান করুন, আপনিই শ্রেষ্ঠ রিয্কদাতা’

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন বললেন: ‘আমি অবশ্যি তোমাদের জন্যে তা নাযিল করবো বটে, কিন্তু এরপর যদি তোমাদের কেউ কুফুরিতে নিমজ্জিত হয়, আমি তাকে আযাব দেবো এমন আযাব যা জগদ্বাসীর আর কাউকেও দিইনি।’

Word by word

قَالَ ٱللَّهُ إِنِّى مُنَزِّلُهَا عَلَيْكُمْ فَمَن يَكْفُرْ بَعْدُ مِنكُمْ فَإِنِّىٓ أُعَذِّبُهُۥ عَذَابًا لَّآ أُعَذِّبُهُۥٓ أَحَدًا مِّنَ ٱلْعَٰلَمِينَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

বললেন, ‘নিশ্চয় আমি তোমাদের প্রতি তা নাযিল করব; কিন্তু এরপর তোমাদের মধ্যে যে করবে তাকে নিশ্চয় আমি এমন আযাব দেব, যে আযাব সৃষ্টিকুলের কাউকে দেব না।’

আবদুস শহীদ নাসিম

যখন বলবেন: ‘হে ঈসা ইবনে মরিয়ম! তুমি কি মানুষকে বলেছিলে: তোমরা ছাড়াও আমাকে এবং আমার মাকে দু’জন ইলাহ্ (উপাস্য) হিসেবে গ্রহণ করো?’ সে বলবে: ‘‘তুমি মহামহিম, যা বলার অধিকার আমার নেই আমি তা বলতে পারিনা। আমি যদি তা বলতাম তবে অবশ্যি তুমি তা জানতে। আমার অন্তরে যা আছে তুমি তা জানো, কিন্তু তোমার অন্তরে যা আছে তা আমি জানিনা। নিশ্চয়ই তুমি সম্পর্কে মহাজ্ঞানী।

Word by word

وَإِذْ قَالَ ٱللَّهُ يَٰعِيسَى ٱبْنَ مَرْيَمَ ءَأَنتَ قُلْتَ لِلنَّاسِ ٱتَّخِذُونِى وَأُمِّىَ إِلَٰهَيْنِ مِن دُونِ ٱللَّهِ قَالَ سُبْحَٰنَكَ مَا يَكُونُ لِىٓ أَنْ أَقُولَ مَا لَيْسَ لِى بِحَقٍّ إِن كُ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যখন বলবেন, ‘হে মারইয়ামের পুত্র ঈসা, তুমি কি মানুষদেরকে বলেছিলে যে, ‘তোমরা ছাড়া আমাকে ও আমার মাতাকে ইলাহরূপে গ্রহণ কর?’ সে বলবে, ‘আপনি পবিত্র মহান, যার অধিকার আমার নেই তা বলা আমার জন্য সম্ভব নয়। যদি আমি তা বলতাম তাহলে অবশ্যই আপনি তা জানতেন

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি আমাকে যা আদেশ করেছো তা ছাড়া আমি তাদের আর কিছুই বলিনি এবং তাহলো: তোমরা এক আল্লাহর ইবাদত (আনুগত্য দাসত্ব ও উপাসনা) করো যিনি আমার প্রভু এবং তোমাদেরও প্রভু। যতোদিন আমি তাদের মাঝে ছিলাম ততোদিন আমি তাদের কার্যকলাপের সাক্ষী ছিলাম। আর যখন তুমি আমাকে উঠিয়ে নিয়েছো তখন তো তুমিই ছিলে তাদের কার্যকলাপের তত্ত্বাবধায়ক আর তুমিই সব বিষয়ের সাক্ষী।

Word by word

مَا قُلْتُ لَهُمْ إِلَّا مَآ أَمَرْتَنِى بِهِۦٓ أَنِ ٱعْبُدُوا۟ ٱللَّهَ رَبِّى وَرَبَّكُمْ وَكُنتُ عَلَيْهِمْ شَهِيدًا مَّا دُمْتُ فِيهِمْ فَلَمَّا تَوَفَّيْتَنِى كُنتَ أَنتَ ٱلرَّقِيبَ عَلَيْهِمْ وَأَنتَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘আমি তাদেরকে কেবল তাই বলেছি, যা আপনি আমাকে আদেশ করেছেন যে, তোমরা আমার রব ও তোমাদের রব আললাহর ইবাদাত কর। আর যতদিন আমি তাদের মধ্যে ছিলাম ততদিন আমি তাদের উপর সাক্ষী ছিলাম। অতঃপর যখন আপনি আমাকে উঠিয়ে নিলেন তখন আপনি ছিলেন তাদের পর্যবেক্ষণকারী। আর আপনি সব কিছুর

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি যদি তাদের শাস্তি দাও তবে তারা তো তোমারই দাস, আর তুমি যদি তাদের ক্ষমা করে দাও, তবে নিশ্চয়ই তুমি মহাশক্তিমান প্রজ্ঞাবান।’’

Word by word

إِن تُعَذِّبْهُمْ فَإِنَّهُمْ عِبَادُكَ وَإِن تَغْفِرْ لَهُمْ فَإِنَّكَ أَنتَ ٱلْعَزِيزُ ٱلْحَكِيمُ

বয়ান ফাউন্ডেশন

যদি আপনি তাদেরকে শাস্তি প্রদান করেন তবে তারা আপনারই বান্দা, আর তাদেরকে যদি ক্ষমা করেন, তবে নিশ্চয় আপনি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।’

আবদুস শহীদ নাসিম

বলবেন: আজ হলো সেইদিন যেদিন কেবল সত্যপন্থীরাই তাদের সত্যপন্থার জন্যে উপকৃত হবে। তাদের জন্যে রয়েছে জান্নাতসমূহ, যেগুলোর নিচে দিয়ে জারি থাকবে নদ - নদী - নহর। সেখানে থাকবে তারা চিরকাল চিরদিন। তাদের প্রতি সন্তুষ্ট আর তারাও আল্লাহর প্রতি সন্তুষ্ট, আর এটাই মহাসাফল্য।

Word by word

قَالَ ٱللَّهُ هَٰذَا يَوْمُ يَنفَعُ ٱلصَّٰدِقِينَ صِدْقُهُمْ لَهُمْ جَنَّٰتٌ تَجْرِى مِن تَحْتِهَا ٱلْأَنْهَٰرُ خَٰلِدِينَ فِيهَآ أَبَدًا رَّضِىَ ٱللَّهُ عَنْهُمْ وَرَضُوا۟ عَنْهُ ذَٰلِكَ ٱلْفَوْزُ ٱلْعَظِيمُ

বয়ান ফাউন্ডেশন

বলবেন, ‘এটা হল সেই দিন যেদিন সত্যবাদীগণকে তাদের সততা উপকার করবে। তাদের জন্য আছে জান্নাতসমূহ যার নীচে প্রবাহিত হবে নদীসমূহ। সেখানে তারা হবে চিরস্থায়ী। তাদের প্রতি সন্তুষ্ট হয়েছেন, তারাও তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হয়েছে। এটা মহাসাফল্য।

আবদুস শহীদ নাসিম

মহাকাশ, পৃথিবী এবং এগুলোতে যা কিছু আছে সব কিছুর কর্তৃত্ব আল্লাহর এবং তিনি সর্ব বিষয়ে সর্বশক্তিমান।

Word by word

لِلَّهِ مُلْكُ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ وَمَا فِيهِنَّ وَهُوَ عَلَىٰ كُلِّ شَىْءٍ قَدِيرٌۢ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আসমানসমূহ ও যমীন এবং তাদের মধ্যে যা কিছু আছে তার রাজত্ব আল্লাহরই এবং তিনি সব কিছুর উপর ক্ষমতাবান।

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme