Kitab

আল হাশর (সমাবেশ)

Chapter 59, 24 verses

  • আবদুস শহীদ নাসিম
  • বয়ান ফাউন্ডেশন
  • ইসলামিক ফাউন্ডেশন
  • মুহিউদ্দীন খান
  • Word by word
About this chapter


মদিনায় অবতীর্ণ, আয়াত সংখ্যা: ২৪, রুকু সংখ্যা: ০৩

এই সূরার আলোচ্যসূচি

আয়াতআলোচ্য বিষয় ০১-০৬ইহুদিদের বিশ্বাসঘাতকতা এবং তাদের উৎখাতের বিবরণ। ০৭-১০ফায়দা লাভ করবে কারা? ১১-১৭মুনাফিকদের আচরণ শয়তানের আচরণের মতো। ১৮-২৪মুমিনদের প্রতি উপদেশ। কুরআনের মর্যাদা। আসমাউল হুসনা।
আবদুস শহীদ নাসিম

মহাকাশ এবং পৃথিবীতে যা কিছু আছে সবই তসবিহ করে আল্লাহর। তিনি মহাশক্তিধর, মহাপ্রজ্ঞাবান।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আসমানসমূহে ও যমীনে যা কিছু আছে সবই আল্লাহর তাসবীহ পাঠ করছে এবং তিনি মহা পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে যাহা কিছু আছে সমস্তই তাঁহার পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করে; তিনি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।

মুহিউদ্দীন খান

নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলে যা কিছু আছে, সবই আল্লাহর পবিত্রতা বর্ণনা করে। তিনি পরাক্রমশালী মহাজ্ঞানী।

Word by word

سَبَّحَ لِلَّهِ مَا فِى ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَمَا فِى ٱلْأَرْضِ وَهُوَ ٱلْعَزِيزُ ٱلْحَكِيمُ

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনিই আহলে কিতাবের কাফিরদের (বনু নজিরের ইহুদিদের) বের করে দিয়েছেন তাদের আবাস থেকে প্রথমবার সমবেতভাবে। তারা বেরিয়ে যাবে বলে তো তোমরা কল্পনাও করোনি। আর তারা মনে করেছিল তাদের দুর্গগুলো তাদের রক্ষা করবে আল্লাহর পাকড়াও থেকে। কিন্তু তাদের এমন একদিক থেকে শাস্তি দিলেন, যা ছিলো তাদের কল্পনারও বাইরে। আর তাদের অন্তরে সঞ্চার করে দিয়েছিলেন ভীতি। তারা নিজেদের হাতেই নিজেদের ঘরবাড়ি ধ্বংস করে ফেলছিল এবং মুমিনদের হাতেও। সুতরাং উপদেশ গ্রহণ করো হে চক্ষুষ্মান ব্যক্তিরা!

বয়ান ফাউন্ডেশন

আহলে কিতাবদের মধ্যে যারা করেছিল তিনিই তাদেরকে তাদের ঘর-বাড়ী থেকে বের করে দিয়েছিলেন প্রথমবারের মত। তোমরা ধারণাও করনি যে, তারা বেরিয়ে যাবে। আর তারা ধারণা করেছিল যে, তাদের দুর্গগুলো তাদেরকে আল্লাহর আযাব থেকে রক্ষা করবে। কিন্তু আল্লাহর আযাব এমন এক দিক থ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তিনিই কিতাবীদের মধ্যে যাহারা তাহাদেরকে প্রথমবার সমবেতভাবে তাহাদের আবাসভূমি হইতে বিতাড়িত করিয়াছিলেন। তোমরা কল্পনাও কর নাই যে, উহারা নির্বাসিত হইবে এবং উহারা মনে করিয়াছিল উহাদের দুর্গগুলি উহাদেরকে রক্ষা করিবে ‌ হইতে ; কিন্তু ‌র শাস্তি এমন এক দিক হইতে আসিল যাহা ছিল উহাদের ধারণাতীত এবং উহাদের অন্তরে তাহা ত্রাসের সঞ্চার করিল। উহারা ধ্বংস করিয়া ফেলিল নিজেদের বাড়িঘর নিজেদের হাতে এবং মু’মিনদের হাতেও ; অতএব হে চক্ষুষ্মান ব্যক্তিগণ! তোমরা উপদেশ গ্রহণ কর।

মুহিউদ্দীন খান

তিনিই কিতাবধারীদের মধ্যে যারা , তাদেরকে প্রথমবার একত্রিত করে তাদের বাড়ী - ঘর থেকে বহিস্কার করেছেন। তোমরা ধারণাও করতে পারনি যে, তারা বের হবে এবং তারা মনে করেছিল যে, তাদের দূর্গগুলো তাদেরকে আল্লাহর কবল থেকে রক্ষা করবে। অতঃপর আল্লাহর শাস্তি তাদের উপর এমনদিক থেকে আসল, যার কল্পনাও তারা করেনি। তাদের অন্তরে ত্রাস সঞ্চার করে দিলেন। তারা তাদের বাড়ী - ঘর নিজেদের হাতে এবং মুসলমানদের হাতে ধ্বংস করছিল। অতএব, হে চক্ষুষ্মান ব্যক্তিগণ, তোমরা শিক্ষা গ্রহণ কর।

Word by word

هُوَ ٱلَّذِىٓ أَخْرَجَ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ مِنْ أَهْلِ ٱلْكِتَٰبِ مِن دِيَٰرِهِمْ لِأَوَّلِ ٱلْحَشْرِ مَا ظَنَنتُمْ أَن يَخْرُجُوا۟ وَظَنُّوٓا۟ أَنَّهُم مَّانِعَتُهُمْ حُصُونُهُم مِّنَ ٱللَّهِ فَأَتَىٰهُمُ ٱلل

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের নির্বাসনের সিদ্ধান্ত না দিলেও পৃথিবীতে তাদের অন্য কোনো শাস্তি দিতেন। আর আখিরাতে তাদের জন্যে রয়েছে আগুনের আযাব।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যদি তাদের জন্য নির্বাসন লিপিবদ্ধ না করতেন, তবে তিনি তাদেরকে দুনিয়াতে শাস্তি দিতেন এবং তাদের জন্য আখিরাতে রয়েছে আগুনের শাস্তি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌ উহাদের নির্বাসনের সিদ্ধান্ত না করিলে উহাদেরকে অবশ্যই পৃথিবীতে শাস্তি দিতেন; পরকালে উহাদের জন্য রহিয়াছে জাহান্নামের শাস্তি।

মুহিউদ্দীন খান

যদি তাদের জন্যে নির্বাসন অবধারিত না করতেন, তবে তাদেরকে দুনিয়াতে শাস্তি দিতেন। আর পরকালে তাদের জন্যে রয়েছে জাহান্নামের আযাব।

Word by word

وَلَوْلَآ أَن كَتَبَ ٱللَّهُ عَلَيْهِمُ ٱلْجَلَآءَ لَعَذَّبَهُمْ فِى ٱلدُّنْيَا وَلَهُمْ فِى ٱلْءَاخِرَةِ عَذَابُ ٱلنَّارِ

আবদুস শহীদ নাসিম

এর কারণ, তারা ও তাঁর রসূলের বিরুদ্ধাচরণ করেছে। আর যারাই আল্লাহর বিরুদ্ধাচরণ করে, অবশ্যি কঠোর শাস্তিদাতা।

বয়ান ফাউন্ডেশন

এটি এ জন্য যে, তারা সত্যিই ও তাঁর রাসূলের বিরুদ্ধাচরণ করেছিল। আর যে আল্লাহর বিরুদ্ধাচরণ করে, তবে নিশ্চয় আযাব প্রদানে কঠোর।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহা এইজন্য যে, উহারা ‌ ও তাঁহার রাসূলের বিরুদ্ধাচরণ করিয়াছিল, এবং কেহ ‌র বিরুদ্ধাচরণ করিলে ‌ তো শাস্তিদানে কঠোর।

মুহিউদ্দীন খান

এটা এ কারণে যে, তারা ও তাঁর রসূলের বিরুদ্ধাচরণ করেছে। যে আল্লাহর বিরুদ্ধাচরণ করে, তার উচিত যে, কঠোর শাস্তিদাতা।

Word by word

ذَٰلِكَ بِأَنَّهُمْ شَآقُّوا۟ ٱللَّهَ وَرَسُولَهُۥ وَمَن يُشَآقِّ ٱللَّهَ فَإِنَّ ٱللَّهَ شَدِيدُ ٱلْعِقَابِ

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা যে খেজুরগাছগুলো কেটেছিলে কিংবা কান্ডের উপর রেখে দিয়েছিলে তাতো আল্লাহরই অনুমতিক্রমে করেছিলে এবং এজন্যে, যেনো তাদের লাঞ্ছিত করেন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তোমরা যে সব নতুন খেজুর গাছ কেটে ফেলছ অথবা সেগুলোকে তাদের মূলের ওপর দাঁড়িয়ে থাকতে দিয়েছ। তা তো ছিল আল্লাহর অনুমতিক্রমে এবং যাতে তিনি ফাসিকদের লাঞ্ছিত করতে পারেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমরা যে খর্জুর বৃক্ষগুলি কর্তন করিয়াছ এবং যেগুলি কাণ্ডের উপর স্থির রাখিয়া দিয়াছ, তাহা তাে ‌রই অনুমতিক্রমে ; এবং এইজন্য যে, ‌ পাপাচারীদেরকে লাঞ্ছিত করিবেন।

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা যে কিছু কিছু খর্জুর বৃক্ষ কেটে দিয়েছ এবং কতক না কেটে ছেড়ে দিয়েছ, তা তো আল্লাহরই আদেশ এবং যাতে তিনি অবাধ্যদেরকে লাঞ্ছিত করেন।

Word by word

مَا قَطَعْتُم مِّن لِّينَةٍ أَوْ تَرَكْتُمُوهَا قَآئِمَةً عَلَىٰٓ أُصُولِهَا فَبِإِذْنِ ٱللَّهِ وَلِيُخْزِىَ ٱلْفَٰسِقِينَ

আবদুস শহীদ নাসিম

ইহুদিদের থেকে তাঁর রসূলকে যে ফায় (যুদ্ধ ছাড়াই লব্ধ সম্পদ) পাইয়ে দিয়েছেন তার জন্যে তোমরা ঘোড়ায় কিংবা উটে আরোহণ করে যুদ্ধ করোনি। যার উপর ইচ্ছা তাঁর রসূলকে কর্তৃত্ব প্রদান করেন। প্রতিটি বিষয়ে সর্বশক্তিমান।

বয়ান ফাউন্ডেশন

ইয়াহুদীদের নিকট থেকে তাঁর রাসূলকে ফায়* হিসেবে যা দিয়েছেন তোমরা তার জন্য কোন ঘোড়া বা উটে আরোহণ করে অভিযান পরিচালনা করনি। বরং তাঁর রাসূলগণকে যাদের ওপর ইচ্ছা কতৃত্ব প্রদান করেন। সকল কিছুর ওপর সর্বশক্তিমান। *যুদ্ধ ছাড়াই যে ধন-সম্পদ অর্জি

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌ ইয়াহূদীদের নিকট হইতে তাঁহার রাসূলকে যে ফায় দিয়াছেন, তাহার জন্য তোমরা অশ্বে কিংবা উষ্ট্রে আরোহণ করিয়া যুদ্ধ কর নাই ; ‌ তো যাহার উপর ইচ্ছা তাঁহার রসূলদেরকে কর্তৃত্ব দান করেন ; ‌ সর্ববিষয়ে সর্বশক্তিমান।

মুহিউদ্দীন খান

বনু - বনুযায়রের কাছ থেকে তাঁর রসূলকে যে ধন - সম্পদ দিয়েছেন, তজ্জন্যে তোমরা ঘোড়ায় কিংবা উটে চড়ে যুদ্ধ করনি, কিন্তু যার উপর ইচ্ছা, তাঁর রসূলগণকে প্রাধান্য দান করেন। সবকিছুর উপর সর্বশক্তিমান।

Word by word

وَمَآ أَفَآءَ ٱللَّهُ عَلَىٰ رَسُولِهِۦ مِنْهُمْ فَمَآ أَوْجَفْتُمْ عَلَيْهِ مِنْ خَيْلٍ وَلَا رِكَابٍ وَلَٰكِنَّ ٱللَّهَ يُسَلِّطُ رُسُلَهُۥ عَلَىٰ مَن يَشَآءُ وَٱللَّهُ عَلَىٰ كُلِّ شَىْءٍ قَدِيرٌ

আবদুস শহীদ নাসিম

জনপদবাসীদের থেকে তাঁর রসূলকে যা কিছু দিয়েছেন, তা আল্লাহর, তাঁর রসূলের, রসূলের আত্মীয়দের, এতিমদের, মিসকিনদের এবং পথিকদের, যাতে করে তোমাদের মধ্যে যারা বিত্তশালী, কেবল তাদের মাঝেই অর্থ - সম্পদ আবর্তিত না হয়। রসূল তোমাদের যা দেয় তা গ্রহণ করো, আর যা থেকে তোমাদের নিষেধ করে, তা থেকে বিরত থাকো। আল্লাহকে ভয় করো নিশ্চয়ই কঠোর শাস্তিদাতা।

বয়ান ফাউন্ডেশন

জনপদবাসীদের নিকট থেকে তাঁর রাসূলকে ফায় হিসেবে যা দিয়েছেন তা আল্লাহর, রাসূলের, আত্মীয়-স্বজনদের, ইয়াতীমদের, মিসকীন ও মুসাফিরদের এটি এ জন্য যে, যাতে ধন-সম্পদ তোমাদের মধ্যকার বিত্তশালীদের মাঝেই কেবল আবর্তিত না থাকে। রাসূল তোমাদের যা দেয় তা গ্রহণ কর, আর

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌ জনপদবাসীদের নিকট হইতে তাঁহার রাসূলকে যে ফায় দিয়াছেন তাহা ‌র, তাঁহার রাসূলের, রাসূলের স্বজনগণের, ইয়াতীমদের, অভাবগ্রস্ত ও পথচারীদের, যাহাতে তোমাদের মধ্যে যাহারা বিত্তবান কেবল তাহাদের মধ্যেই ঐশ্বর্য আবর্তন না করে। রাসূল তোমাদেরকে যাহা দেয় তাহা তোমরা গ্রহণ কর এবং যাহা হইতে তোমাদেরকে নিষেধ করে তাহা হইতে বিরত থাক এবং তোমরা ‌কে ভয় কর ; ‌ তো শাস্তিদানে কঠোর।

মুহিউদ্দীন খান

জনপদবাসীদের কাছ থেকে তাঁর রসূলকে যা দিয়েছেন, তা আল্লাহর, রসূলের, তাঁর আত্নীয় - স্বজনের, ইয়াতীমদের, অভাবগ্রস্তদের এবং মুসাফিরদের জন্যে, যাতে ধনৈশ্বর্য্য কেবল তোমাদের বিত্তশালীদের মধ্যেই পুঞ্জীভূত না হয়। রসূল তোমাদেরকে যা দেন, তা গ্রহণ কর এবং যা নিষেধ করেন, তা থেকে বিরত থাক এবং আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয় কঠোর শাস্তিদাতা।

Word by word

مَّآ أَفَآءَ ٱللَّهُ عَلَىٰ رَسُولِهِۦ مِنْ أَهْلِ ٱلْقُرَىٰ فَلِلَّهِ وَلِلرَّسُولِ وَلِذِى ٱلْقُرْبَىٰ وَٱلْيَتَٰمَىٰ وَٱلْمَسَٰكِينِ وَٱبْنِ ٱلسَّبِيلِ كَىْ لَا يَكُونَ دُولَةًۢ بَيْنَ ٱلْأَغْنِيَآءِ مِنكُ

আবদুস শহীদ নাসিম

এই সম্পদ অভাবগ্রস্ত মুহাজিরদের জন্যে যারা নিজেদের ঘরবাড়ি ও অর্থ - সম্পদ থেকে উৎখাত হয়ে এসেছে। তারা আল্লাহর অনুগ্রহ এবং সন্তুষ্টি কামনা করে, তারা ও তাঁর রসূলকে সাহায্য করে। তারা সত্যবাদী।

বয়ান ফাউন্ডেশন

এই সম্পদ নিঃস্ব মুহাজিরগণের জন্য ও যাদেরকে নিজেদের ঘর-বাড়ী ও ধন-সম্পত্তি থেকে বের করে দেয়া হয়েছিল। অথচ এরা আল্লাহর অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টির অন্বেষণ করে এবং ও তাঁর রাসূলকে সাহায্য করেন। এরাই তো সত্যবাদী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এই সম্পদ অভাবগ্রস্ত মুহাজিরগণের জন্য যাহারা নিজেদের ঘরবাড়ি ও সম্পত্তি হইতে উৎখাত হইয়াছে। তাহারা ‌র অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টি কামনা করে এবং ‌ ও তাঁহার রাসূলের সাহায্য করে। উহারাই তো সত্যাশ্রয়ী।

মুহিউদ্দীন খান

এই ধন - সম্পদ দেশত্যাগী নিঃস্বদের জন্যে, যারা আল্লাহর অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টিলাভের অন্বেষণে এবং তাঁর রসূলের সাহায্যার্থে নিজেদের বাস্তুভিটা ও ধন - সম্পদ থেকে বহিস্কৃত হয়েছে। তারাই সত্যবাদী।

Word by word

لِلْفُقَرَآءِ ٱلْمُهَٰجِرِينَ ٱلَّذِينَ أُخْرِجُوا۟ مِن دِيَٰرِهِمْ وَأَمْوَٰلِهِمْ يَبْتَغُونَ فَضْلًا مِّنَ ٱللَّهِ وَرِضْوَٰنًا وَيَنصُرُونَ ٱللَّهَ وَرَسُولَهُۥٓ أُو۟لَٰٓئِكَ هُمُ ٱلصَّٰدِقُونَ

আবদুস শহীদ নাসিম

আর তাদের জন্যেও, যারা মুহাজিরদের আসার পূর্ব থেকেই এ নগরীতে বসবাস করে আসছে এবং ঈমান এনেছে। তারা হিজরত করে আসা লোকদের ভালোবাসে। মুহাজিরদের যা দেয়া হয়েছে, তার জন্যে তারা অন্তরে আশা পোষণ করেনা। মূলত তারা তাদেরকে নিজেদের উপর অগ্রাধিকার দেয় নিজেরা অভাবগ্রস্ত হলেও। যারা মনের সংকীর্ণতা থেকে মুক্ত, তারাই সাফল্য অর্জনকারী।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর মুহাজিরদের আগমনের পূর্বে যারা মদীনাকে নিবাস হিসেবে গ্রহণ করেছিল এবং ঈমান এনেছিল (তাদের জন্যও এ সম্পদে অংশ রয়েছে), আর যারা তাদের কাছে হিজরত করে এসেছে তাদেরকে ভালবাসে। আর মুহাজরিদেরকে যা প্রদান করা হয়েছে তার জন্য এরা তাদের অন্তরে কোন ঈর্ষা অনুভব করে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর তাহাদের জন্যও, মুহাজিরদের আগমনের পূর্বে যাহারা এই নগরীতে বসবাস করিয়াছে ও ঈমান আনিয়াছে, তাহারা মুহাজিরদেরকে ভালবাসে এবং মুহাজিরদেরকে যাহা দেওয়া হইয়াছে তাহার জন্য তাহারা অন্তরে আকাঙ্খা পোষণ করে না, আর তাহারা তাহাদেরকে নিজেদের উপর অগ্রাধিকার দেয় নিজেরা অভাবগ্রস্ত হইলেও। যাহাদেরকে অন্তরের কার্পণ্য হইতে মুক্ত রাখা হইয়াছে, তাহারাই ।

মুহিউদ্দীন খান

যারা মুহাজিরদের আগমনের পূর্বে মদীনায় বসবাস করেছিল এবং বিশ্বাস স্থাপন করেছিল, তারা মুহাজিরদের ভালবাসে, মুহাজিরদেরকে যা দেয়া হয়েছে, তজ্জন্যে তারা অন্তরে ঈর্ষাপোষণ করে না এবং নিজেরা অভাবগ্রস্ত হলেও তাদেরকে অগ্রাধিকার দান করে। যারা মনের কার্পণ্য থেকে মুক্ত, তারাই ।

Word by word

وَٱلَّذِينَ تَبَوَّءُو ٱلدَّارَ وَٱلْإِيمَٰنَ مِن قَبْلِهِمْ يُحِبُّونَ مَنْ هَاجَرَ إِلَيْهِمْ وَلَا يَجِدُونَ فِى صُدُورِهِمْ حَاجَةً مِّمَّآ أُوتُوا۟ وَيُؤْثِرُونَ عَلَىٰٓ أَنفُسِهِمْ وَلَوْ كَانَ بِهِمْ خ

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা তাদের পরে এসেছে তারা বলে: ‘আমাদের প্রভু! ক্ষমা করে দাও আমাদেরকে, ঈমানের দিক থেকে আমাদের সাবেক (অগ্রগামী) ভাইদেরকে এবং আমাদের অন্তরে মুমিনদের জন্যে কোনো বিদ্বেষ রেখোনা। আমাদের প্রভু! নিশ্চয়ই তুমি পরম দয়াবান, পরম করুণাময়।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

যারা তাদের পরে এসেছে তারা বলে: ‘হে আমাদের রব, আমাদেরকে ও আমাদের ভাই যারা ঈমান নিয়ে আমাদের পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে তাদেরকে ক্ষমা করুন; এবং যারা ঈমান এনেছিল তাদের জন্য আমাদের অন্তরে কোন বিদ্বেষ রাখবেন না; হে আমাদের রব, নিশ্চয় আপনি দয়াবান, পরম দয়ালু।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা উহাদের পরে আসিয়াছে, তাহারা বলে, ‘হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদেরকে এবং ঈমানে অগ্রণী আমাদের ভ্রাতাগণকে ক্ষমা কর এবং মু’মিনদের বিরুদ্ধে আমাদের অন্তরে বিদ্বেষ রাখিও না। হে আমাদের প্রতিপালক! তুমি তো দয়ার্দ্র, পরম দয়ালু।’

মুহিউদ্দীন খান

আর এই সম্পদ তাদের জন্যে, যারা তাদের পরে আগমন করেছে। তারা বলেঃ হে আমাদের পালনকর্তা, আমাদেরকে এবং ঈমানে আগ্রহী আমাদের ভ্রাতাগণকে ক্ষমা কর এবং ঈমানদারদের বিরুদ্ধে আমাদের অন্তরে কোন বিদ্বেষ রেখো না। হে আমাদের পালনকর্তা, আপনি দয়ালু, পরম করুণাময়।

Word by word

وَٱلَّذِينَ جَآءُو مِنۢ بَعْدِهِمْ يَقُولُونَ رَبَّنَا ٱغْفِرْ لَنَا وَلِإِخْوَٰنِنَا ٱلَّذِينَ سَبَقُونَا بِٱلْإِيمَٰنِ وَلَا تَجْعَلْ فِى قُلُوبِنَا غِلًّا لِّلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ رَبَّنَآ إِنَّكَ رَءُوفٌ رَّ

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা মুনাফিকি করে, তুমি কি তাদের দেখোনা? তারা তাদের আহলে কিতাবের ভাইদের বলে: ‘তোমাদের যদি বহিষ্কার করা হয়, তবে আমরাও অবশ্যি তোমাদের সাথে দেশ ত্যাগ করবো এবং আমরা তোমাদের ব্যাপারে কখনো কারো কথা শুনবোনা। তোমরা আক্রান্ত হলে অবশ্যি আমরা তোমাদের সাহায্য করবো।’ সাক্ষ্য দিচ্ছেন, তারা অবশ্য অবশ্যি মিথ্যাবাদী।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তুমি কি মুনাফিকদেরকে দেখনি যারা আহলে কিতাবের মধ্য হতে তাদের ভাইদেরকে বলে, ‘তোমাদেরকে বের করে দেয়া হলে আমরাও তোমাদের সাথে অবশ্য বেরিয়ে যাব এবং তোমাদের ব্যাপারে আমরা কখনোই কারো আনুগত্য করব না। আর তোমাদের সাথে যুদ্ধ করা হলে আমরা অবশ্যই তোমাদেরকে সাহায্

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তুমি কি মুনাফিকদেরকে দেখ নাই ? উহারা কিতাবীদের মধ্যে যাহারা করিয়াছে উহাদের সেই সব সঙ্গীকে বলে, ‘তোমরা যদি বহিষ্কৃত হও, আমরা অবশ্যই তোমাদের সঙ্গে দেশত্যাগী হইব এবং আমরা তোমাদের ব্যাপারে কখনও কাহারও কথা মানিব না এবং যদি তোমরা আক্রান্ত হও আমরা অবশ্যই তোমাদেরকে সাহায্য করিব।’ কিন্তু ‌ সাক্ষ্য দিতেছেন যে, উহারা অবশ্যই মিথ্যাবাদী।

মুহিউদ্দীন খান

আপনি কি মুনাফিকদেরকে দেখেন নি? তারা তাদের কিতাবধারী ভাইদেরকে বলেঃ তোমরা যদি বহিস্কৃত হও, তবে আমরা অবশ্যই তোমাদের সাথে দেশ থেকে বের হয়ে যাব এবং তোমাদের ব্যাপারে আমরা কখনও কারও কথা মানব না। আর যদি তোমরা আক্রান্ত হও, তবে আমরা অবশ্যই তোমাদেরকে সাহায্য করব। তা’আলা সাক্ষ্য দেন যে, ওরা নিশ্চয়ই মিথ্যাবাদী।

Word by word

أَلَمْ تَرَ إِلَى ٱلَّذِينَ نَافَقُوا۟ يَقُولُونَ لِإِخْوَٰنِهِمُ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ مِنْ أَهْلِ ٱلْكِتَٰبِ لَئِنْ أُخْرِجْتُمْ لَنَخْرُجَنَّ مَعَكُمْ وَلَا نُطِيعُ فِيكُمْ أَحَدًا أَبَدًا وَإِن قُوتِلْتُمْ ل

আবদুস শহীদ নাসিম

ওদেরকে বহিষ্কার করা হলে এরা দেশ ত্যাগ করবেনা, ওরা আক্রান্ত হলে এরা সাহায্যও করবেনা। এরা সাহায্য করতে গেলেও, পেছনে ফিরে পালাবে, তারপর তারা আর কোনো সাহায্য পাবেনা।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা (ইহুদিরা) যদি বহিষ্কৃত হয় তবে এরা (মুনাফিকরা) কখনো তাদের সাথে বেরিয়ে যাবে না আর তাদের (ইয়াহুদীদের) সাথে যদি যুদ্ধ করা হয় এরা (মুনাফিকরা) কখনো তাদেরকে সাহায্য করবে না। আর যদি তাদেরকে সাহায্য করে তবে তারা অবশ্যই পিঠ দেখিয়ে পালাবে; এরপর তারা কোন সাহায্য

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বস্তুত উহারা বহিষ্কৃত হইলে মুনাফিকগণ তাহাদের সঙ্গে দেশত্যাগ করিবে না এবং উহারা আক্রান্ত হইলে ইহারা উহাদেরকে সাহায্য করিবে না এবং ইহারা সাহায্য করিতে আসিলেও অবশ্যই পৃষ্ঠপ্রদর্শন করিবে ; অতঃপর তাহারা কোন সাহায্যই পাইবে না।

মুহিউদ্দীন খান

যদি তারা বহিস্কৃত হয়, তবে মুনাফিকরা তাদের সাথে দেশত্যাগ করবে না আর যদি তারা আক্রান্ত হয়, তবে তারা তাদেরকে সাহায্য করবে না। যদি তাদেরকে সাহায্য করে, তবে অবশ্যই পৃষ্ঠপ্রদর্শন করে পলায়ন করবে। এরপর কাফেররা কোন সাহায্য পাবে না।

Word by word

لَئِنْ أُخْرِجُوا۟ لَا يَخْرُجُونَ مَعَهُمْ وَلَئِن قُوتِلُوا۟ لَا يَنصُرُونَهُمْ وَلَئِن نَّصَرُوهُمْ لَيُوَلُّنَّ ٱلْأَدْبَٰرَ ثُمَّ لَا يُنصَرُونَ

আবদুস শহীদ নাসিম

মূলত এদের মনে আল্লাহর চেয়ে তোমাদের ভয়ই বেশি, কারণ তারা বেবুঝ লোক।

বয়ান ফাউন্ডেশন

প্রকৃতপক্ষে তাদের অন্তরে আল্লাহর চাইতে তোমাদের ভয় বেশী; এটা এ কারণে যে, তারা অবুঝ সম্প্রদায়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

প্রকৃতপক্ষে ইহাদের অন্তরে ‌ অপেক্ষা তোমাদের ভয়ই অধিকতর। ইহা এইজন্য যে, ইহারা এক অবুঝ সম্প্রদায়।

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় তোমরা তাদের অন্তরে তা’আলা অপেক্ষা অধিকতর ভয়াবহ। এটা এ কারণে যে, তারা এক নির্বোধ সম্প্রদায়।

Word by word

لَأَنتُمْ أَشَدُّ رَهْبَةً فِى صُدُورِهِم مِّنَ ٱللَّهِ ذَٰلِكَ بِأَنَّهُمْ قَوْمٌ لَّا يَفْقَهُونَ

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা সবাই সংঘবদ্ধ হয়ে তোমাদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারবেনা, করতে পারবে কেবল সুরক্ষিত জনপদের অভ্যন্তরে থেকে কিংবা দুর্গ প্রাচীরের অন্তরাল থেকে। তাদের পরস্পরের মধ্যেই তো যুদ্ধ প্রকট। তুমি মনে করছো তারা ঐক্যবদ্ধ, অথচ তাদের হৃদয়গুলো বিচ্ছিন্ন। এর কারণ, তারা বেআকল লোক।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা সম্মিলিতিভাবে তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে না তবে সুরক্ষিত জনপদের মধ্যে অবস্থান করে বা দেয়ালের পেছন হতে; তারা নিজেরা নিজেদেরকে প্রবল শক্তিধর মনে করে; তুমি তাদেরকে ঐক্যবদ্ধ মনে করছ অথচ তাদের অন্তরসমূহ বিচ্ছিন্ন। এটি এজন্য যে, তারা নির্বোধ সম্প্রদায়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহারা সকলে সংঘবদ্ধভাবেও তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করিতে সমর্থ হইবে না, কিন্তু কেবল সুরক্ষিত জনপদের অভ্যন্তরে অথবা দুর্গ - প্রাচীরের অন্তরালে থাকিয়া; পরস্পরের মধ্যে উহাদের যুদ্ধ প্রচণ্ড। তুমি মনে কর উহারা ঐক্যবদ্ধ, কিন্তু উহাদের মনের মিল নাই; ইহা এইজন্য যে, ইহারা এক নির্বোধ সম্প্রদায়।

মুহিউদ্দীন খান

তারা সংঘবদ্ধভাবেও তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে পারবে না। তারা যুদ্ধ করবে কেবল সুরক্ষিত জনপদে অথবা দুর্গ প্রাচীরের আড়াল থেকে। তাদের পারস্পরিক যুদ্ধই প্রচন্ড হয়ে থাকে। আপনি তাদেরকে ঐক্যবদ্ধ মনে করবেন; কিন্তু তাদের অন্তর শতধাবিচ্ছিন্ন। এটা এ কারণে যে, তারা এক কান্ডজ্ঞানহীণ সম্প্রদায়।

Word by word

لَا يُقَٰتِلُونَكُمْ جَمِيعًا إِلَّا فِى قُرًى مُّحَصَّنَةٍ أَوْ مِن وَرَآءِ جُدُرٍۭ بَأْسُهُم بَيْنَهُمْ شَدِيدٌ تَحْسَبُهُمْ جَمِيعًا وَقُلُوبُهُمْ شَتَّىٰ ذَٰلِكَ بِأَنَّهُمْ قَوْمٌ لَّا يَعْقِلُونَ

আবদুস শহীদ নাসিম

এদের অবস্থা তাদের অল্প আগের লোকদের মতো, যারা তাদের কৃতকর্মের শাস্তি আস্বাদন করেছে। এছাড়াও তাদের জন্যে রয়েছে বেদনাদায়ক আযাব।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তাদের অব্যবহিত পূর্বসূরিদের ন্যায়, যারা নিজেদের কৃতকর্মের কুফল আস্বাদন করেছে; আর তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক আযাব।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহারা সেই লোকদের মত, যাহারা ইহাদের অব্যবহিত পূর্বে নিজেদের কৃতকর্মের শাস্তি আস্বাদন করিয়াছে, ইহাদের জন্য রহিয়াছে মর্মন্তুদ শাস্তি।

মুহিউদ্দীন খান

তারা সেই লোকদের মত, যারা তাদের নিকট অতীতে নিজেদের কর্মের শাস্তিভোগ করেছে। তাদের জন্যে রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।

Word by word

كَمَثَلِ ٱلَّذِينَ مِن قَبْلِهِمْ قَرِيبًا ذَاقُوا۟ وَبَالَ أَمْرِهِمْ وَلَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের অবস্থা শয়তানের মতো। সে মানুষকে বলে: ‘কুফুরি করো।’ অত:পর সে যখন কুফুরি করে, তখন শয়তান বলে: ‘তোমার সাথে আমার কোনো সম্পর্ক নেই, আমি রাববুল আলামিনকে ভয় করি।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

(এরা) শয়তান-এর ন্যায়, সে মানুষকে বলেছিল, ‘কুফরি কর’, অতঃপর যখন সে কুফরি করল তখন সে বলল, আমি তোমার থেকে মুক্ত; নিশ্চয় আমি সকল সৃষ্টির রব আল্লাহকে ভয় করি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহারা শয়তানের মত, সে মানুষকে বলে, ‘ কর’; অতঃপর যখন সে করে তখন সে বলে, ‘তোমার সঙ্গে আমার কোন সম্পর্ক নাই, আমি তো জগতসমূহের প্রতিপালক ‌কে ভয় করি।’

মুহিউদ্দীন খান

তারা শয়তানের মত, যে মানুষকে হতে বলে। অতঃপর যখন সে হয়, তখন শয়তান বলেঃ তোমার সাথে আমার কোন সম্পর্ক নেই। আমি বিশ্বপালনকর্তা তা’আলাকে ভয় করি।

Word by word

كَمَثَلِ ٱلشَّيْطَٰنِ إِذْ قَالَ لِلْإِنسَٰنِ ٱكْفُرْ فَلَمَّا كَفَرَ قَالَ إِنِّى بَرِىٓءٌ مِّنكَ إِنِّىٓ أَخَافُ ٱللَّهَ رَبَّ ٱلْعَٰلَمِينَ

আবদুস শহীদ নাসিম

ফলে দু’জনের পরিণতিই হবে জাহান্নাম। সেখানেই থাকবে তারা চিরকাল। এটাই যালিমদের প্রতিদান।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তাদের দু’জনের পরিণতি ছিল এই যে, তারা দু’জনেই জাহান্নামী হবে, সেখানে তারা স্থায়ী হবে; আর এটাই যালিমদের প্রতিদান।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ফলে উভয়ের পরিণাম হইবে জাহান্নাম। সেখানে ইহারা স্থায়ী হইবে এবং ইহাই জালিমদের কর্মফল।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর উভয়ের পরিণতি হবে এই যে, তারা জাহান্নামে যাবে এবং চিরকাল তথায় বসবাস করবে। এটাই জালেমদের শাস্তি।

Word by word

فَكَانَ عَٰقِبَتَهُمَآ أَنَّهُمَا فِى ٱلنَّارِ خَٰلِدَيْنِ فِيهَا وَذَٰلِكَ جَزَٰٓؤُا۟ ٱلظَّٰلِمِينَ

আবদুস শহীদ নাসিম

হে লোকেরা! তোমরা আল্লাহকে ভয় করো। প্রত্যেক ব্যক্তিই যেনো ভেবে দেখে, সে আগামিকালের (পরকালের) জন্যে কী অগ্রিম পাঠিয়েছে? আল্লাহকে ভয় করো। নিশ্চয়ই খবর রাখেন তোমরা যা আমল করো।

বয়ান ফাউন্ডেশন

হে ঈমানদারগণ, তোমরা আল্লাহকে ভয় কর; আর প্রত্যেকের উচিত চিন্তা করে দেখা সে আগামীকালের জন্য কি প্রেরণ করেছে; তোমরা আল্লাহকে ভয় কর। তোমরা যা কর নিশ্চয় সে বিষয়ে সম্যক অবহিত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

হে মু’মিনগণ! তোমরা ‌কে ভয় কর; প্রত্যেকেই ভাবিয়া দেখুক আগামী কল্যের জন্য সে কী অগ্রিম পাঠাইয়াছে। আর তোমরা ‌কে ভয় কর; তোমরা যাহা কর ‌ সে সম্পর্কে অবহিত।

মুহিউদ্দীন খান

মুমিনগণ, তোমরা তা’আলাকে ভয় কর। প্রত্যেক ব্যক্তির উচিত, আগামী কালের জন্যে সে কি প্রেরণ করে, তা চিন্তা করা। তা’আলাকে ভয় করতে থাক। তোমরা যা কর, তা’আলা সে সম্পর্কে খবর রাখেন।

Word by word

يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ ٱتَّقُوا۟ ٱللَّهَ وَلْتَنظُرْ نَفْسٌ مَّا قَدَّمَتْ لِغَدٍ وَٱتَّقُوا۟ ٱللَّهَ إِنَّ ٱللَّهَ خَبِيرٌۢ بِمَا تَعْمَلُونَ

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা ঐসব লোকদের মতো হয়োনা যারা আল্লাহকে ভুলে গেছে, ফলে আল্লাহ্ও তাদের আত্মবিস্মৃত করে দিয়েছেন। এরাই ফাসিক।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তোমরা তাদের মত হইও না, যারা আল্লাহকে ভুলে গিয়েছিল ফলে আল্লাহও তাদেরকে আত্মবিস্মৃত করে দিয়েছিলেন; আর তারাই হল ফাসিক।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর তোমরা তাহাদের মত হইও না যাহারা ‌কে ভুলিয়া গিয়াছে ; ফলে ‌ উহাদেরকে আত্মবিস্মৃত করিয়াছেন। উহারাই তো পাপাচারী।

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা তাদের মত হয়ো না, যারা তা’আলাকে ভুলে গেছে। ফলে তা’আলা তাদেরকে আত্ন বিস্মৃত করে দিয়েছেন। তারাই অবাধ্য।

Word by word

وَلَا تَكُونُوا۟ كَٱلَّذِينَ نَسُوا۟ ٱللَّهَ فَأَنسَىٰهُمْ أَنفُسَهُمْ أُو۟لَٰٓئِكَ هُمُ ٱلْفَٰسِقُونَ

আবদুস শহীদ নাসিম

জাহান্নামিরা আর জান্নাতিরা সমান নয়। কারণ, জান্নাতিরা হবে ।

বয়ান ফাউন্ডেশন

জাহান্নামবাসী ও জান্নাতবাসীরা সমান নয়; জান্নাতবাসীরাই ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

জাহান্নামের অধিবাসী এবং জান্নাতের অধিবাসী সমান নয়। জান্নাতবাসীরাই ।

মুহিউদ্দীন খান

জাহান্নামের অধিবাসী এবং জান্নাতের অধিবাসী সমান হতে পারে না। যারা জান্নাতের অধিবাসী, তারাই ।

Word by word

لَا يَسْتَوِىٓ أَصْحَٰبُ ٱلنَّارِ وَأَصْحَٰبُ ٱلْجَنَّةِ أَصْحَٰبُ ٱلْجَنَّةِ هُمُ ٱلْفَآئِزُونَ

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা যদি এ কুরআনকে কোনো পাহাড়ের উপর নাযিল করতাম, তবে তুমি সেটাকে দেখতে আল্লাহর ভয়ে বিনীত ও বিদীর্ণ হয়ে পড়ছে। আমরা এসব দৃষ্টান্ত প্রদান করি মানুষের জন্যে যাতে করে তারা চিন্তা - ভাবনা করে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

এ কুরআনকে যদি আমি পাহাড়ের ওপর নাযিল করতাম তবে তুমি অবশ্যই তাকে দেখতে, আল্লাহর ভয়ে বিনীত ও বিদীর্ণ। মানুষের জন্য আমি এ উদাহরণগুলি পেশ করি; হয়ত তারা চিন্তাভাবনা করবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যদি আমি এই কুরআন পর্বতের উপর অবতীর্ণ করিতাম তবে তুমি উহাকে ‌র ভয়ে বিনীত এবং বিদীর্ণ দেখিতে। আমি এই সমস্ত দৃষ্টান্ত বর্ণনা করি মানুষের জন্য, যাহাতে তাহারা চিন্তা করে।

মুহিউদ্দীন খান

যদি আমি এই কোরআন পাহাড়ের উপর অবতীর্ণ করতাম, তবে তুমি দেখতে যে, পাহাড় বিনীত হয়ে তা’আলার ভয়ে বিদীর্ণ হয়ে গেছে। আমি এসব দৃষ্টান্ত মানুষের জন্যে বর্ণনা করি, যাতে তারা চিন্তা - ভাবনা করে।

Word by word

لَوْ أَنزَلْنَا هَٰذَا ٱلْقُرْءَانَ عَلَىٰ جَبَلٍ لَّرَأَيْتَهُۥ خَٰشِعًا مُّتَصَدِّعًا مِّنْ خَشْيَةِ ٱللَّهِ وَتِلْكَ ٱلْأَمْثَٰلُ نَضْرِبُهَا لِلنَّاسِ لَعَلَّهُمْ يَتَفَكَّرُونَ

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনিই , তিনি ছাড়া আর কোনো ইলাহ্ নেই। তিনি ও দৃশ্যের জ্ঞানী। তিনি পরম করুণাময়, পরম দয়াবান।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তিনিই , যিনি ছাড়া কোন নেই; দৃশ্য-অদৃশ্যের জ্ঞাতা; তিনিই পরম করুণাময়, দয়ালু।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তিনিই ‌, তিনি ব্যতীত কোন ইলাহ্ নাই, তিনি ও দৃশ্যের পরিজ্ঞাতা; তিনি দয়াময়, পরম দয়ালু।

মুহিউদ্দীন খান

তিনিই তা’আলা, তিনি ব্যতীত কোন উপাস্য নেই; তিনি দৃশ্য ও অদৃশ্যকে জানেন তিনি পরম দয়ালু, অসীম দাতা।

Word by word

هُوَ ٱللَّهُ ٱلَّذِى لَآ إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ عَٰلِمُ ٱلْغَيْبِ وَٱلشَّهَٰدَةِ هُوَ ٱلرَّحْمَٰنُ ٱلرَّحِيمُ

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনিই , তিনি ছাড়া আর কোনো ইলাহ্ নেই। তিনিই সার্বভৌম সম্রাট, তিনি সব ত্রুটি থেকে পবিত্র, তিনি শান্তি (দাতা), তিনি নিরাপত্তাদাতা, তিনি রক্ষক, তিনি মহাশক্তিধর, তিনি প্রবল - প্রচন্ড, তিনি সর্বোচ্চ - মহান। তারা (তাঁর সাথে) যাদের শরিক করে, তিনি সেগুলো থেকে পবিত্র - মহান।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তিনিই ; যিনি ছাড়া কোন নেই, তিনিই বাদশাহ, মহাপবিত্র, ত্রুটিমুক্ত, নিরাপত্তাদানকারী, রক্ষক, মহাপরাক্রমশালী, মহাপ্রতাপশালী, অতীব মহিমান্বিত, তারা যা শরীক করে তা হতে পবিত্র মহান।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তিনিই ‌, তিনি ব্যতীত কোন ইলাহ্ নাই। তিনিই অধিপতি, তিনিই পবিত্র, তিনিই শান্তি, তিনিই নিরাপত্তা বিধায়ক, তিনিই রক্ষক, তিনিই পরাক্রমশালী, তিনিই প্রবল, তিনিই অতীব মহিমান্বিত। উহারা যাহাকে শরীক স্থির করে তাহা হইতে পবিত্র, মহান।

মুহিউদ্দীন খান

তিনিই তিনি ব্যতিত কোন উপাস্য নেই। তিনিই একমাত্র মালিক, পবিত্র, শান্তি ও নিরাপত্তাদাতা, আশ্রয়দাতা, পরাক্রান্ত, প্রতাপান্বিত, মাহাত্ম্যশীল। তারা যাকে অংশীদার করে তা’ আলা তা থেকে পবিত্র।

Word by word

هُوَ ٱللَّهُ ٱلَّذِى لَآ إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ ٱلْمَلِكُ ٱلْقُدُّوسُ ٱلسَّلَٰمُ ٱلْمُؤْمِنُ ٱلْمُهَيْمِنُ ٱلْعَزِيزُ ٱلْجَبَّارُ ٱلْمُتَكَبِّرُ سُبْحَٰنَ ٱللَّهِ عَمَّا يُشْرِكُونَ

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনিই , স্রষ্টা, সৃষ্টির উদ্ভাবক, আকৃতিদাতা, সব সুন্দর নাম তাঁরই। মহাকাশ ও পৃথিবীর সবকিছুই তাঁর তসবিহ্ করে। তিনি মহাশক্তিধর, মহাপ্রজ্ঞাবান।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তিনিই , স্রষ্টা, উদ্ভাবনকর্তা, আকৃতিদানকারী; তাঁর রয়েছে সুন্দর নামসমূহ; আসমান ও যমীনে যা আছে সবই তার মহিমা ঘোষণা করে। তিনি মহাপরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তিনিই ‌, সৃজনকর্তা, উদ্ভাবনকর্তা, রূপদাতা, তাঁহারই সকল উত্তম নাম। আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে যাহা কিছু আছে, সমস্তই তাঁহার পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করে। তিনি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।

মুহিউদ্দীন খান

তিনিই তা’আলা, স্রষ্টা, উদ্ভাবক, রূপদাতা, উত্তম নাম সমূহ তাঁরই। নভোমন্ডলে ও ভূমন্ডলে যা কিছু আছে, সবই তাঁর পবিত্রতা ঘোষণা করে। তিনি পরাক্রান্ত প্রজ্ঞাময়।

Word by word

هُوَ ٱللَّهُ ٱلْخَٰلِقُ ٱلْبَارِئُ ٱلْمُصَوِّرُ لَهُ ٱلْأَسْمَآءُ ٱلْحُسْنَىٰ يُسَبِّحُ لَهُۥ مَا فِى ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ وَهُوَ ٱلْعَزِيزُ ٱلْحَكِيمُ

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme