আয়াতআলোচ্য বিষয়
০১-১৭কুরআন আল্লাহর কিতাব। সমস্ত কর্তৃত্ব আল্লাহর। মানুষের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ। মানুষের কুফুরি। সবাই এবং সবকিছু আল্লাহর কর্তৃত্বের অধীন। বাতিলপন্থীরা বিলীন হয়ে যাবে, সত্যপন্থীরা টিকে থাকবে।
১৮-২৫সত্যপন্থীদের বৈশিষ্ট্য ও শুভ পরিণাম। বিশ্বাসঘাতক ও ফাসাদ সৃষ্টিকারীদের পরিণতি।
২৬-৩১আল্লাহর রিযিক বণ্টন ব্যবস্থা। কাফির ও মুমিনদের দৃষ্টিভঙ্গির পার্থক্য।
৩২-৪৩সকল নবীর সাথেই বিদ্রূপ করা হয়েছে। কুফুরির পথ ও তাকওয়ার পথ। ইসলামের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারী কাফিরদের অশুভ পরিণতি।
আবদুস শহীদ নাসিম
আলিফ লাম মিম রা। এগুলো আল কিতাবের (আল কুরআনের) আয়াত, যা তোমার প্রতি নাযিল করা হয়েছে। তোমার প্রভুর পক্ষ থেকে এ এক মহাসত্য। কিন্তু অধিকাংশ মানুষই (তাতে) ঈমান আনেনা।
বয়ান ফাউন্ডেশন
আলিফ-লাম-মীম-রা; এগুলো কিতাবের আয়াত, আর তোমার রবের পক্ষ থেকে তোমার উপর যা কিছু নাযিল হয়েছে তা সত্য, কিন্তু অধিকাংশ মানুষ ঈমান আনে না।
মুহিউদ্দীন খান
আলিফ - লাম - মীম - রা; এগুলো কিতাবের আয়াত। যা কিছু আপনার পালনকর্তার পক্ষ থেকে অবতীর্ণ হয়েছে, তা সত্য। কিন্তু অধিকাংশ মানুষ এতে বিশ্বাস করে না।
আবদুস শহীদ নাসিম
, যিনি মহাকাশকে উপরে উঠিয়ে দিয়েছেন স্তম্ভ ছাড়াই, তোমরা তা দেখতে পাচ্ছো। তারপর তিনি সমাসীন হয়েছেন আরশের উপর এবং সূর্যও চাঁদকে (নির্দিষ্ট বিধানের) অধীন করে দিয়েছেন। তারা প্রত্যেকেই নির্দিষ্ট সময়ের জন্যে গতিমান। সমস্ত বিষয়ই তিনি পরিচালনা করেন এবং নিদর্শনসমূহ বর্ণনা করেন বিশদভাবে, যাতে তোমরা তোমাদের প্রভুর সাথে সাক্ষাতের বিষয়ে একীন রাখো।
বয়ান ফাউন্ডেশন
, যিনি খুঁটি ছাড়া আসমানসমূহ উঁচু করেছেন যা তোমরা দেখছ। অতঃপর তিনি আরশে উঠেছেন এবং সূর্য ও চাঁদকে নিয়োজিত করেছেন। এর প্রত্যেকটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত চলবে। তিনি সবকিছু পরিচালনা করেন। আয়াতসমূহ বিস্তারিত বর্ণনা করেন, যাতে তোমাদের রবের সাক্ষাতের ব্যাপার
মুহিউদ্দীন খান
, যিনি উর্ধ্বদেশে স্থাপন করেছেন আকাশমন্ডলীকে স্তম্ভ ব্যতীত। তোমরা সেগুলো দেখ। অতঃপর তিনি আরশের উপর অধিষ্ঠিত হয়েছেন। এবং সূর্য ও চন্দ্রকে কর্মে নিয়োজিত করেছেন। প্রত্যেকে নির্দিষ্ট সময় মোতাবেক আবর্তন করে। তিনি সকল বিষয় পরিচালনা করেন, নিদর্শনসমূহ প্রকাশ করেন, যাতে তোমরা স্বীয় পালনকর্তার সাথে সাক্ষাত সম্বন্ধে নিশ্চিত হও।
আবদুস শহীদ নাসিম
তিনি জমিনকে সমতল করে বিছিয়ে দিয়েছেন এবং তাতে সৃষ্টি করে দিয়েছেন পাহাড় - পর্বত আর নদ - নদী। সেখানে প্রত্যেক প্রকারের ফলফলারি সৃষ্টি করেছেন জোড়ায় জোড়ায়। তিনিই দিনকে ঢেকে দেন রাত দিয়ে। এতে অবশ্যি নিদর্শন রয়েছে চিন্তাশীল লোকদের জন্যে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
আর তিনিই যমীনকে বিস্তৃত করেছেন এবং তাতে সুদৃঢ় পর্বতমালা ও নদ-নদী স্থাপন করেছেন। আর প্রত্যেক প্রকারের ফল তিনি জোড়া জোড়া করে সৃষ্টি করেছেন। তিনি রাত দ্বারা দিনকে ঢেকে দেন। নিশ্চয় যে কওম চিন্তাভাবনা করে তাদের জন্য এতে নিদর্শনাবলী রয়েছে।
মুহিউদ্দীন খান
তিনিই ভুমন্ডলকে বিস্তৃত করেছেন এবং তাতে পাহাড় পর্বত ও নদ - নদী স্থাপন করেছেন এবং প্রত্যেক ফলের মধ্যে দু’দু প্রকার সৃষ্টি করে রেখেছেন। তিনি দিনকে রাত্রি দ্বারা আবৃত করেন। এতে তাদের জন্যে নিদর্শণ রয়েছে, যারা চিন্তা করে।
আবদুস শহীদ নাসিম
এই পৃথিবীতে সৃষ্টি করে দেয়া হয়েছে পরস্পর কাছাকাছি ভূ - খন্ডসমূহ, তাতে রয়েছে আঙ্গুরের বাগান, শস্যক্ষেত, আর একাধিক মাথাওয়ালা এবং এক মাথাওয়ালা খেজুর গাছ। এগুলোকে পান করানো হয় একই পানি। সেগুলোর কিছু ফল ফসলকে কিছু ফল ফসলের উপর আমরা স্বাদের দিক থেকে চমৎকার করে দিই। যারা আকল খাটায় তাদের জন্যে এতে রয়েছে নিদর্শন।
বয়ান ফাউন্ডেশন
আর যমীনে আছে পরস্পর পাশাপাশি ভূখন্ড, আঙ্গুর-বাগান, শস্যক্ষেত, খেজুর গাছ, যেগুলোর মধ্যে কিছু একই মূল থেকে উদগত আর কিছু ভিন্ন ভিন্ন মূল থেকে উদগত, যেগুলো একই পানি দ্বারা সেচ করা হয়, আর আমি খাওয়ার ক্ষেত্রে একটিকে অপরটির তুলনায় উৎকৃষ্ট করে দেই, এতে নিদর্শন রয়
মুহিউদ্দীন খান
এবং যমিনে বিভিন্ন শস্য ক্ষেত্র রয়েছে - একটি অপরটির সাথে সংলগ্ন এবং আঙ্গুরের বাগান আছে আর শস্য ও খর্জ্জুরের রয়েছে - একটির মূল অপরটির সাথে মিলিত এবং কতক মিলিত নয়। এগুলো কে একই পানি দ্বারা সেচ করা হয়। আর আমি স্বাদে একটিকে অপরটির চাইতে উৎকৃষ্টতর করে দেই। এগুলোর মধ্যে নিদর্শণ রয়েছে তাদের জন্য যারা চিন্তা ভাবনা করে।
আবদুস শহীদ নাসিম
তুমি যদি বিস্মিত হও, তবে বিস্ময়কর হলো তাদের এই কথা, ‘মাটিতে মিশে যাবার পরও কি আমাদের আবার নতুন করে সৃষ্টি করা হবে?’ এরাই তাদের প্রভুর সাথে কুফুরি করেছে আর তাদের গলায়ই থাকবে লোহার শিকল এবং তারাই হবে জাহান্নামের অধিবাসী। সেখানে থাকবে তারা চিরকাল।
বয়ান ফাউন্ডেশন
আর যদি তুমি আশ্চর্য বোধ কর, তাহলে আশ্চর্যজনক হল তাদের এ বক্তব্য, ‘আমরা যখন মাটি হয়ে যাব, তখন কি আমরা নতুন সৃষ্টিতে পরিণত হব’? এরাই তারা, যারা তাদের রবের সাথে করেছে, আর ওদের গলায় থাকবে শিকল এবং ওরা অগ্নিবাসী, তারা সেখানে স্থায়ী হবে।
মুহিউদ্দীন খান
যদি আপনি বিস্ময়ের বিষয় চান, তবে তাদের একথা বিস্ময়কর যে, আমরা যখন মাটি হয়ে যাব, তখনও কি নতুন ভাবে সৃজিত হব? এরাই স্বীয় পালনকর্তার সত্তায় অবিশ্বাসী হয়ে গেছে, এদের গর্দানেই লৌহ - শৃংখল পড়বে এবং এরাই দোযখী এরা তাতে চিরকাল থাকবে।
আবদুস শহীদ নাসিম
কল্যাণের আগেই তারা তোমাকে অকল্যাণ ত্বরান্বিত করতে বলে: যদিও তাদের আগে এ রকম কথার অনেক দৃষ্টান্ত বিগত হয়েছে। নিশ্চয়ই তোমার প্রভু মানুষের প্রতি তাদের যুলুম - সীমালঙ্ঘন সত্ত্বেও পরম ক্ষমাশীল। আবার তোমার প্রভু শাস্তি প্রদানেও কঠোর।
বয়ান ফাউন্ডেশন
আর তারা তোমার কাছে ভালোর পূর্বে মন্দের জন্য তাড়াহুড়া করে, অথচ তাদের পূর্বে অনেক (অনুরূপ লোকদের) শাস্তি গত হয়েছে। আর নিশ্চয় তোমার রব মানুষের প্রতি ক্ষমাশীল তাদের যুলম সত্ত্বেও এবং নিশ্চয় তোমার রব কঠিন শাস্তিদাতা।
মুহিউদ্দীন খান
এরা আপনার কাছে মঙ্গলের পরিবর্তে দ্রুত অমঙ্গল কামনা করে। তাদের পূর্বে অনুরূপ অনেক শাস্তিপ্রাপ্ত জনগোষ্ঠী অতিক্রান্ত হয়েছে। আপনার পালনকর্তা মানুষকে তাদের অন্যায় সত্বেও ক্ষমা করেন এবং আপনার পালনকর্তা কঠিন শাস্তিদাতা ও বটে।
আবদুস শহীদ নাসিম
কাফিররা বলে: ‘তার প্রতি তার প্রভুর পক্ষ থেকে কোনো নিদর্শন নাযিল হলোনা কেন?’ তুমি তো কেবল একজন সতর্ককারী মাত্র আর প্রত্যেক কওমেরই ছিলো একজন সতর্ককারী।
বয়ান ফাউন্ডেশন
আর যারা করেছে, তারা বলে, ‘তার উপর তার রবের পক্ষ থেকে কোন নিদর্শন নাযিল হয় না কেন’? তুমি তো কেবল সতর্ককারী, আর প্রত্যেক কওমের জন্য রয়েছে হিদায়াতকারী।
মুহিউদ্দীন খান
কাফেররা বলেঃ তাঁর প্রতি তাঁর পালনকর্তার পক্ষ থেকে কোন নিদর্শন অবতীর্ণ হল না কেন? আপনার কাজ তো ভয় প্রদর্শন করাই এবং প্রত্যেক সম্প্রদায়ের জন্যে পথপ্রদর্শক হয়েছে।
আবদুস শহীদ নাসিম
জানেন প্রত্যেক নারী তার গর্ভে যা বহন করে এবং জরায়ুতে যা কমে আর বাড়ে এবং তাঁর কাছে প্রতিটি বস্তুর পরিণামই নির্ধারিত।
বয়ান ফাউন্ডেশন
জানেন যা প্রতিটি নারী গর্ভে ধারণ করে এবং গর্ভাশয়ে যা কমে ও বাড়ে। আর তাঁর নিকট প্রতিটি বস্তু নির্দিষ্ট পরিমাণে রয়েছে।
মুহিউদ্দীন খান
জানেন প্রত্যেক নারী যা গর্ভধারণ করে এবং গর্ভাশয়ে যা সঙ্কুচিত ও বর্ধিত হয়। এবং তাঁর কাছে প্রত্যেক বস্তুরই একটা পরিমাণ রয়েছে।
আবদুস শহীদ নাসিম
তিনি ও দৃশ্যের জ্ঞানী মহান ও সর্বোচ্চ মর্যাদার মালিক।
বয়ান ফাউন্ডেশন
তিনি ও প্রকাশ্যের জ্ঞানী, মহান, সর্বোচ্চ।
মুহিউদ্দীন খান
তিনি সকল গোপন ও প্রকাশ্য বিষয় অবগত, মহোত্তম, সর্বোচ্চ মর্যাদাবান।
আবদুস শহীদ নাসিম
তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি কথা গোপন করে এবং যে তা প্রকাশ করে, আর যে রাতে লুকিয়ে থাকে এবং দিনে বিচরণ করে, তারা সবাই আল্লাহর জ্ঞানে সমান।
বয়ান ফাউন্ডেশন
তোমাদের মধ্যে কেউ কথা গোপন রাখুক বা প্রকাশ করুক। আর রাতে লুকিয়ে করুক বা দিনে প্রকাশ্যে করুক, সবই তাঁর নিকট সমান।
মুহিউদ্দীন খান
তোমাদের মধ্যে কেউ গোপনে কথা বলুক বা তা সশব্দে প্রকাশ করুক, রাতের অন্ধকারে সে আত্নগোপন করুক বা প্রকাশ্য দিবালোকে বিচরণ করুক, সবাই তাঁর নিকট সমান।
আবদুস শহীদ নাসিম
তার (মানুষের) জন্যে তার সামনে এবং পেছনে একের পর এক পাহারাদার নিযুক্ত থাকে আল্লাহর নির্দেশে। তারা তার হিফাযত করে। কোনো জাতির অবস্থা পরিবর্তন করেননা, যতোক্ষণ না তারা নিজেরাই নিজেদের অবস্থা পরিবর্তন করে। যখন কোনো জাতির অকল্যাণ চান, তখন তা আর রদ হয়না। তাদের জন্যে ছাড়া আর কোনো অলি নেই।
বয়ান ফাউন্ডেশন
মানুষের জন্য রয়েছে, সামনে ও পেছনে, একের পর এক আগমনকারী প্রহরী, যারা আল্লাহর নির্দেশে তাকে হেফাযত করে। নিশ্চয় কোন কওমের অবস্থা ততক্ষণ পরিবর্তন করেন না, যতক্ষণ না তারা নিজেদের অবস্থা পরিবর্তন করে। আর যখন কোন জাতির মন্দ চান, তখন তা প্রতিহত করা
মুহিউদ্দীন খান
তাঁর পক্ষ থেকে অনুসরণকারী রয়েছে তাদের অগ্রে এবং পশ্চাতে, আল্লাহর নির্দেশে তারা ওদের হেফাযত করে। কোন জাতির অবস্থা পরিবর্তন করেন না, যে পর্যন্ত না তারা তাদের নিজেদের অবস্থা পরিবর্তন করে। যখন কোন জাতির উপর বিপদ চান, তখন তা রদ হওয়ার নয় এবং তিনি ব্যতীত তাদের কোন সাহায্যকারী নেই।
আবদুস শহীদ নাসিম
তিনিই তোমাদেরকে বিদ্যুত চমকিয়ে ভয় এবং আশা দেখান। তিনিই সৃষ্টি করেন বর্ষণমুখী ভারি মেঘ।
বয়ান ফাউন্ডেশন
তিনিই ভয় ও আশা সঞ্চার করার জন্য তোমাদেরকে বিজলী দেখান এবং তিনি ভারী মেঘমালা সৃষ্টি করেন।
মুহিউদ্দীন খান
তিনিই তোমাদেরকে বিদ্যুৎ দেখান ভয়ের জন্যে এবং আশার জন্যে এবং উক্ষিত করেন ঘন মেঘমালা।
আবদুস শহীদ নাসিম
বজ্রধ্বনি প্রশংসার সাথে তাঁর তসবিহ করে এবং ফেরেশতারাও করে তাঁর ভয়ে। তিনি বজ্রপাত ঘটান এবং তা দিয়ে যাকে ইচ্ছা আঘাত করেন। তারা সম্পর্কে বিতর্ক করে, অথচ তিনি মহাশক্তিমান।
বয়ান ফাউন্ডেশন
আর বজ্র তার সপ্রশংস তাসবীহ পাঠ করে এবং ফেরেশতারাও তার ভয়ে। আর তিনি গর্জনকারী বজ্র পাঠান। অতঃপর যাকে ইচ্ছা তা দ্বারা আঘাত করেন এবং তারা সম্বন্ধে ঝগড়া করতে থাকে। আর তিনি শক্তিতে প্রবল, শাস্তিতে কঠোর।
মুহিউদ্দীন খান
তাঁর প্রশংসা পাঠ করে বজ্র এবং সব ফেরেশতা, সভয়ে। তিনি বজ্রপাত করেন, অতঃপর যাকে ইচছা, তাকে তা দ্বারা আঘাত করেন; তথাপি তারা সম্পর্কে বিতন্ডা করে, অথচ তিনি মহাশক্তিশালী।
আবদুস শহীদ নাসিম
সত্যের দাওয়াত তাঁরই জন্যে (তাঁরই দিকে) হবে। যারা তাঁকে ছাড়া অন্যদের ডাকে, তারা তাদের ডাকে কিছুমাত্র সাড়া দেয়না। তাদের উপমা হলো ঐ ব্যক্তি, যে তার দুই হাত প্রসারিত করেছে যেনো তার মুখে পানি পৌঁছে, অথচ তা তার মুখে পৌঁছার নয়। কাফিরদের আহবান একেবারেই নিষ্ফল।
বয়ান ফাউন্ডেশন
সত্যের আহবান তাঁরই, আর যারা তাকে ছাড়া অন্যদেরকে ডাকে, তারা তাদের ডাকে সামান্যও সাড়া দিতে পারে না, বরং (তাদের দৃষ্টান্ত) ঐ ব্যক্তির মত, যে পানির দিকে তার দু’হাত বাড়িয়ে দেয় যেন তা তার মুখে পৌঁছে অথচ তা তার কাছে পৌঁছবার নয়। আর কাফেরদের ডাক তো শুধু ভ্রষ্টতায়
মুহিউদ্দীন খান
সত্যের আহবান একমাত্র তাঁরই এবং তাকে ছাড়া যাদেরকে ডাকে, তারা তাদের কোন কাজে আসে না; ওদের দৃষ্টান্ত সেরূপ, যেমন কেউ দু’ হাত পানির দিকে প্রসারিত করে যাতে পানি তার মুখে পৌঁছে যায়। অথচ পানি কোন সময় পৌঁছাবে না। কাফেরদের যত আহবান তার সবই পথভ্রষ্টতা।
আবদুস শহীদ নাসিম
মহাকাশ এবং পৃথিবীতে যারাই আছে, সবাই ইচ্ছায় হোক কিংবা অনিচ্ছায়, আল্লাহকে সাজদা করে এবং তাদের ছায়াগুলোও তাঁকে সাজদা করে সকালে এবং বিকেলে। (সাজদা)
বয়ান ফাউন্ডেশন
আর আল্লাহর জন্যই আসমানসমূহ ও যমীনের সবকিছু অনুগত ও বাধ্য হয়ে সিজদা করে এবং সকাল ও সন্ধ্যায় তাদের ছায়াগুলোও।[সাজদাহ]
মুহিউদ্দীন খান
আল্লাহকে সেজদা করে যা কিছু নভোমন্ডলে ও ভূমন্ডলে আছে ইচ্ছায় অথবা অনিচ্ছায় এবং তাদের প্রতিচ্ছায়াও সকাল - সন্ধ্যায়।
আবদুস শহীদ নাসিম
হে নবী! তাদের জিজ্ঞেস করো: ‘মহাকাশ এবং পৃথিবীর রব কে?’ বলো: ‘’। বলো: তোমরা কি আল্লাহর পরিবর্তে এমন সব অলি গ্রহণ করেছো যারা তাদের নিজেদেরও লাভ কিংবা ক্ষতি করতে সক্ষম নয়? জিজ্ঞেস করো, অন্ধ আর চক্ষুষ্মান কি সমান? নাকি আলো আর অন্ধকার সমান? নাকি তারা যাদের আল্লাহর সাথে শরিক বানিয়েছে তারা আল্লাহর সৃষ্টির মতো সৃষ্টি করে যে কারণে সৃষ্টি তাদের কাছে সদৃশ মনে হয়? বলো: এক মহাপরাক্রমশালী আল্লাহ্ই সবকিছুর স্রষ্টা।
বয়ান ফাউন্ডেশন
বল, ‘আসমানসমূহ ও যমীনের রব কে’? বল, ‘’। তুমি বল, ‘তোমরা কি তাঁকে ছাড়া এমন কিছুকে অভিভাবক হিসেবে গ্রহণ করেছ, যারা তাদের নিজদের কোন উপকার অথবা অপকারের মালিক না’? বল, ‘অন্ধ ও দৃষ্টিমান ব্যক্তি কি সমান হতে পারে? নাকি অন্ধকার ও আলো সমান হতে পারে? নাকি তা
মুহিউদ্দীন খান
জিজ্ঞেস করুন নভোমন্ডল ও ভুমন্ডলের পালনকর্তা কে? বলে দিনঃ ! বলুনঃ তবে কি তোমরা ব্যতীত এমন অভিভাবক স্থির করেছ, যারা নিজেদের ভাল - মন্দের ও মালিক নয়? বলুনঃ অন্ধ চক্ষুষ্মান কি সমান হয়? অথবা কোথাও কি অন্ধকার ও আলো সমান হয়। তবে কি তারা আল্লাহর জন্য এমন অংশীদার স্থির করেছে যে, তারা কিছু সৃষ্টি করেছে, যেমন সৃষ্টি করেছেন ? অতঃপর তাদের সৃষ্টি এরূপ বিভ্রান্তি ঘটিয়েছে? বলুনঃ আল্লাহই প্রত্যেক বস্তুর স্রষ্টা এবং তিনি একক, পরাক্রমশালী।
আবদুস শহীদ নাসিম
তিনিই আসমান থেকে পানি বর্ষণ করেন, ফলে উপত্যকাসমূহ পরিমাণ মতো প্লাবিত হয়। আর প্লাবন তার উপরে আবর্জনা বহন করে বুদবুদ আকারে। এছাড়া তোমরা অলংকার কিংবা তৈজসপত্র তৈরির জন্যে যেসব ধাতু আগুনে বিগলিত করো সেগুলোর উপরিভাগেও অনুরূপ আবর্জনা ভেসে উঠে বুদ্বুদ আকারে। এভাবেই হক এবং বাতিলের উপমা দিয়ে থাকেন। অত:পর আবর্জনা সমেত বুদ্বুদ বিলীন হয়ে যায়, আর যা মানুষের জন্যে কল্যাণকর তা জমিনে জমে থাকে। এভাবেই উপমা দিয়ে থাকেন।
বয়ান ফাউন্ডেশন
তিনি আকাশ থেকে বৃষ্টি বর্ষণ করেন, এতে উপত্যকাগুলো তাদের পরিমাণ অনুসারে প্লাবিত হয়, ফলে প্লাবন উপরস্থিত ফেনা বহন করে নিয়ে যায়। আর অলংকার ও তৈজসপত্র তৈরীর উদ্দেশ্যে তারা আগুনে যা কিছু উত্তপ্ত করে তাতেও অনুরূপ ফেনা হয়। এমনিভাবে হক ও বাতিলের দৃষ্টান্ত
মুহিউদ্দীন খান
তিনি আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করেন। অতঃপর স্রোতধারা প্রবাহিত হতে থাকে নিজ নিজ পরিমাণ অনুযায়ী। অতঃপর স্রোতধারা স্ফীত ফেনারাশি উপরে নিয়ে আসে। এবং অলঙ্কার অথবা তৈজসপত্রের জন্যে যে বস্তুকে আগুনে উত্তপ্ত করে, তাতেও তেমনি ফেনারাশি থাকে। এমনি ভাবে সত্য ও অসত্যের দৃষ্টান্ত প্রদান করেন। অতএব, ফেনা তো শুকিয়ে খতম হয়ে যায় এবং যা মানুষের উপকারে আসে, তা জমিতে অবশিষ্ট থাকে। এমনিভাবে দৃষ্টান্তসমূহ বর্ণনা করেন।
আবদুস শহীদ নাসিম
যারা তাদের রবের আহবানে সাড়া দেয় তাদের জন্যে রয়েছে হুসনা (কল্যাণ)। আর যারা তাঁর আহবানে সাড়া দেয়না, পৃথিবীতে যা কিছু আছে সবই যদি তাদের থাকতো এবং সেই সাথে অনুরূপ আরো থাকতো, তারা (আল্লাহর আযাব থেকে বাঁচার জন্যে) মুক্তিপণ হিসেবে সেই সবই দিয়ে দিতো। তাদের জন্যে রয়েছে নিকৃষ্ট হিসাব এবং তাদের আবাস হবে জাহান্নাম। সেটা খুবই নিকৃষ্ট বিশ্রামের জায়গা।
বয়ান ফাউন্ডেশন
যারা তাদের রবের ডাকে সাড়া দেয়, তাদের জন্য রয়েছে উত্তম প্রতিদান। আর যারা তাঁর ডাকে সাড়া দেয়নি, যদি তারা যমীনে যা আছে তার সবকিছু ও এর সমপরিমাণের মালিক হয়ে যায়, তাহলে তারা তা মুক্তিপণস্বরূপ অবশ্যই দিয়ে দিত। তাদের জন্য রয়েছে মন্দ হিসাব এবং তাদের আবাস জাহান্না
মুহিউদ্দীন খান
যারা পালনকর্তার আদেশ পালন করে, তাদের জন্য উত্তম প্রতিদান রয়েছে এবং যারা আদেশ পালন করে না, যদি তাদের কাছে জগতের সবকিছু থাকে এবং তার সাথে তার সমপরিমাণ আরও থাকে, তবে সবই নিজেদের মুক্তিপণ স্বরূপ দিয়ে দেবে। তাদের জন্যে রয়েছে কঠোর হিসাব। তাদের আবাস হবে জাহান্নাম। সেটা কতইনা নিকৃষ্ট অবস্থান।
আবদুস শহীদ নাসিম
যে ব্যক্তি জানে তোমার প্রভুর নিকট থেকে তোমার কাছে মহাসত্য নাযিল হয়েছে, সে কি ঐ ব্যক্তির সমতুল্য, যে (এ ব্যাপারে) অন্ধ? অনুধাবন করে তো বোধশক্তি সম্পন্ন লোকেরাই,
বয়ান ফাউন্ডেশন
যে ব্যক্তি জানে তোমার রবের পক্ষ থেকে তোমার প্রতি যা নাযিল হয়েছে, তা সত্য, সে কি তার মত, যে অন্ধ? বুদ্ধিমানরাই শুধু উপদেশ গ্রহণ করে।
মুহিউদ্দীন খান
যে ব্যক্তি জানে যে, যা কিছু পালনকর্তার পক্ষ থেকে আপনার প্রতি অবর্তীর্ণ হয়েছে তা সত্য সে কি ঐ ব্যক্তির সমান, যে অন্ধ? তারাই বোঝে, যারা বোধশক্তি সম্পন্ন।
আবদুস শহীদ নাসিম
যারা আল্লাহকে দেয়া অঙ্গীকার পূর্ণ করে এবং প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেনা,
বয়ান ফাউন্ডেশন
যারা আল্লাহর অঙ্গীকার পূর্ণ করে এবং প্রতিজ্ঞা ভঙ্গ করে না।
মুহিউদ্দীন খান
এরা এমন লোক, যারা আল্লাহর প্রতিশ্রুতি পূর্ণ করে এবং অঙ্গীকার ভঙ্গ করে না।
আবদুস শহীদ নাসিম
যারা যেসব সম্পর্ক অক্ষুণ্ণ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন সেসব সম্পর্ক বজায় রাখে, তাদের প্রভুকে ভয় করে এবং ভীত থাকে কঠোর হিসাবের দিনের ব্যাপারে,
বয়ান ফাউন্ডেশন
আর যে সম্পর্ক অটুট রাখার নির্দেশ দিয়েছেন, যারা তা অটুট রাখে এবং তাদের রবকে ভয় করে, আর মন্দ হিসাবের আশঙ্কা করে।
মুহিউদ্দীন খান
এবং যারা বজায় রাখে ঐ সম্পর্ক, যা বজায় রাখতে আদেশ দিয়েছেন এবং স্বীয় পালনকর্তাকে ভয় করে এবং কঠোর হিসাবের আশঙ্কা রাখে।
আবদুস শহীদ নাসিম
যারা তাদের প্রভুর সন্তুষ্টি লাভের লক্ষ্যে সবর অবলম্বন করে, কায়েম করে, আমাদের দেয়া জীবিকা থেকে গোপনে ও প্রকাশ্যে ব্যয় (দান) করে এবং ভালো দিয়ে মন্দ দূর করে, তাদেরই জন্যে রয়েছে পরিণামের ঘর।
বয়ান ফাউন্ডেশন
যারা তাদের রবের সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে সবর করে, কায়েম করে এবং আমি তাদের যে রিয্ক প্রদান করেছি, তা থেকে গোপনে ও প্রকাশ্যে ব্যয় করে এবং ভাল কাজের মাধ্যমে মন্দকে দূর করে, তাদের জন্যই রয়েছে আখিরাতের শুভ পরিণাম।
মুহিউদ্দীন খান
এবং যারা স্বীয় পালনকর্তার সন্তুষ্টির জন্যে সবর করে, প্রতিষ্টা করে আর আমি তাদেরকে যা দিয়েছি, তা থেকে গোপনে ও প্রকাশ্য ব্যয় করে এবং যারা মন্দের বিপরীতে ভাল করে, তাদের জন্যে রয়েছে পরকালের গৃহ।
আবদুস শহীদ নাসিম
তা হলো চিরস্থায়ী জান্নাত, তাতেই তারা দাখিল হবে এবং তাদের বাবা - মা, স্বামী - স্ত্রী ও সন্তান - সন্ততিদের মধ্যে যারা নিজেদের এসলাহ (সংশোধন) করেছে তারাও। প্রত্যেক দরজা দিয়ে ফেরেশতারা তাদের কাছে দাখিল হবে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
স্থায়ী জান্নাতসমূহ, যাতে তারা এবং তাদের পিতৃপুরুষগণ, তাদের স্ত্রীগণ ও তাদের সন্তানদের মধ্যে যারা সৎ ছিল তারা প্রবেশ করবে। আর ফেরেশতারা প্রতিটি দরজা দিয়ে তাদের নিকট প্রবেশ করবে।
মুহিউদ্দীন খান
তা হচ্ছে বসবাসের বাগান। তাতে তারা প্রবেশ করবে এবং তাদের সৎকর্মশীল বাপ - দাদা, স্বামী - স্ত্রী ও সন্তানেরা। ফেরেশতারা তাদের কাছে আসবে প্রত্যেক দরজা দিয়ে।
আবদুস শহীদ নাসিম
তারা বলবে: ‘সালামুন আলাইকুম - আপনাদের প্রতি শান্তি বর্ষিত হোক, আপনাদের সবর অবলম্বনের কারণে কতো উত্তম পরিণাম আপনাদের!’
বয়ান ফাউন্ডেশন
(আর বলবে) ‘শান্তি তোমাদের উপর, কারণ তোমরা সবর করেছ, আর আখিরাতের এ পরিণাম কতই না উত্তম’।
মুহিউদ্দীন খান
বলবেঃ তোমাদের সবরের কারণে তোমাদের উপর শান্তি বর্ষিত হোক। আর তোমাদের এ পরিণাম - গৃহ কতই না চমৎকার।
আবদুস শহীদ নাসিম
পক্ষান্তরে যারা আল্লাহর সাথে মজবুত অঙ্গীকার করার পর তা ভঙ্গ করে, যাদের সাথে সম্পর্ক অক্ষুণ্ণ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন সেসব সম্পর্ক ছিন্ন করে এবং জমিনে বিপর্যয় সৃষ্টি করে বেড়ায়, তাদের প্রতি লানত এবং তাদের জন্যে রয়েছে নিকৃষ্ট আবাস।
বয়ান ফাউন্ডেশন
আর যারা আল্লাহর সাথে দৃঢ়ভাবে অঙ্গীকার করার পর তা ভঙ্গ করে এবং যে সম্পর্ক অটুট রাখার নির্দেশ দিয়েছেন তা ছিন্ন করে এবং যমীনে ফাসাদ সৃষ্টি করে, তাদের জন্যই লা‘নত আর তাদের জন্যই রয়েছ আখিরাতের মন্দ আবাস।
মুহিউদ্দীন খান
এবং যারা আল্লাহর অঙ্গীকারকে দৃঢ় ও পাকা - পোক্ত করার পর তা ভঙ্গ করে, যে, সম্পর্ক বজায় রাখতে আদেশ করেছেন, তা ছিন্ন করে এবং পৃথিবীতে অশান্তি সৃষ্টি করে, ওরা ঐ সমস্ত লোক যাদের জন্যে রয়েছে অভিসম্পাত এবং ওদের জন্যে রয়েছে কঠিন আযাব।
আবদুস শহীদ নাসিম
যার জন্যে ইচ্ছে জীবিকা বিস্তৃত করে দেন এবং যাকে ইচ্ছা সীমিত করে দেন। তারা দুনিয়ার জীবন নিয়েই উৎফুল্ল, অথচ দুনিয়ার জীবন আখিরাতের তুলনায় একটি ক্ষণস্থায়ী ভোগের সময় মাত্র।
বয়ান ফাউন্ডেশন
যার জন্য ইচ্ছা করেন রিযক বাড়িয়ে দেন এবং সঙ্কুচিত করেন। আর তারা দুনিয়ার জীবন নিয়ে উৎফুল্লতায় আছে, অথচ আখিরাতের তুলনায় দুনিয়ার জীবন খুবই নগণ্য।
মুহিউদ্দীন খান
যার জন্যে ইচ্ছা রুযী প্রশস্ত করেন এবং সংকুচিত করেন। তারা পার্থিব জীবনের প্রতি মুগ্ধ। পার্থিবজীবন পরকালের সামনে অতি সামান্য সম্পদ বৈ নয়।
আবদুস শহীদ নাসিম
কাফিররা বলে: ‘তার প্রতি তার প্রভুর নিকট থেকে কোনো নিদর্শন নাযিল হলোনা কেন?’ তুমি বলো: ‘‘ যাকে ইচ্ছা বিপথগামী করে দেন। আর তাঁর দিকে পথ দেখান তাদেরকেই যারা তাঁর অভিমুখী হয়,
বয়ান ফাউন্ডেশন
আর যারা করেছে, তারা বলে, ‘তার নিকট তার রবের পক্ষ থেকে কোন নিদর্শন কেন নাযিল হয় না’? বল, ‘নিশ্চয় যাকে ইচ্ছা পথভ্রষ্ট করেন এবং যে তাঁর অভিমুখী হয়, তাকে তিনি তাঁর দিকে পথ দেখান’।
মুহিউদ্দীন খান
কাফেররা বলেঃ তাঁর প্রতি তাঁর পালনকর্তার পক্ষ থেকে কোন নিদর্শন কেন অবতীর্ণ হলো না? বলে দিন, যাকে ইচ্ছা পথভ্রষ্ট করেন এবং যে, মনোনিবেশ করে, তাকে নিজের দিকে পথপ্রদর্শন করেন।
আবদুস শহীদ নাসিম
যারা ঈমান আনে এবং আল্লাহর স্মরণে যাদের কলব (অন্তর) প্রশান্তি লাভ করে।’’ জেনে রেখো, কেবল আল্লাহর স্মরণেই কলব প্রশান্তি লাভ করে থাকে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
‘যারা ঈমান আনে এবং আল্লাহর স্মরণে যাদের অন্তর প্রশান্ত হয়; জেনে রাখ, আল্লাহর স্মরণ দ্বারাই অন্তরসমূহ প্রশান্ত হয়’।
মুহিউদ্দীন খান
যারা বিশ্বাস স্থাপন করে এবং তাদের অন্তর আল্লাহর যিকির দ্বারা শান্তি লাভ করে; জেনে রাখ, আল্লাহর যিকির দ্বারাই অন্তর সমূহ শান্তি পায়।
আবদুস শহীদ নাসিম
যারা ঈমান আনে এবং আমলে সালেহ্ করে, আনন্দ আর শুভ পরিণাম তাদেরই।
বয়ান ফাউন্ডেশন
‘যারা ঈমান আনে এবং নেক আমল করে, তাদের জন্য রয়েছে স্বাচ্ছন্দ ও সুন্দর প্রত্যাবর্তনস্থল’।
মুহিউদ্দীন খান
যারা বিশ্বাস স্থাপন করে এবং সৎকর্ম সম্পাদন করে, তাদের জন্যে রয়েছে সুসংবাদ এবং মনোরম প্রত্যাবর্তণস্থল।
আবদুস শহীদ নাসিম
(পূর্বের রসূলদের মতো) একইভাবে আমরা তোমাকে পাঠিয়েছি একটি উম্মতের কাছে। তাদের আগেও অতীত হয়েছে অনেক উম্মত। উদ্দেশ্য হলো: তুমি তাদের প্রতি তিলাওয়াত করবে যা আমরা তোমার কাছে নাযিল করেছি অহির মাধ্যমে। অথচ তারা দয়াময় রহমানের প্রতি কুফুরি করছে। তুমি বলো: ‘তিনিই আমার রব, তিনি ছাড়া আর কোনো ইলাহ্ নেই, তাঁরই উপর আমি তাওয়াক্কুল করেছি এবং তাঁরই কাছে হবে আমার প্রত্যাবর্তন।’
বয়ান ফাউন্ডেশন
এমনিভাবে আমি তোমাকে পাঠিয়েছি এমন এক জাতির নিকট, যার পূর্বে অনেক জাতি গত হয়েছে, যেন আমি তোমার প্রতি যে ওহী প্রেরণ করেছি, তা তাদের নিকট তিলাওয়াত কর। অথচ তারা রহমানকে অস্বীকার করে। বল, ‘তিনি আমার রব, তিনি ছাড়া আর কোন (সত্য) নেই, তাঁরই উপর আমি তাওয়াক্কুল
মুহিউদ্দীন খান
এমনিভাবে আমি আপনাকে একটি উম্মতের মধ্যে প্রেরণ করেছি। তাদের পূর্বে অনেক উম্মত অতিক্রান্ত হয়েছে। যাতে আপনি তাদেরকে ঐ নির্দেশ শুনিয়ে দেন, যা আমি আপনার কাছে প্রেরণ করেছি। তথাপি তারা দয়াময়কে অস্বীকার করে। বলুনঃ তিনিই আমার পালনকর্তা। তিনি ব্যতীত কারও উপাসনা নাই। আমি তাঁর উপরই ভরসা করেছি এবং তাঁর দিকেই আমার প্রত্যাবর্তণ।
আবদুস শহীদ নাসিম
যদি এমন কোনো কুরআন হতো যার স্পর্শে পর্বতমালা চলতো, কিংবা পৃথিবীকে বিদীর্ণ করা যেতো, অথবা তাতে মৃতদের সাথে কথা বলা যেতো (তবু তারা সেই কুরআনের প্রতি ঈমান আনতো না)। বরং সমস্ত কর্তৃত্ব আল্লাহর। যারা ঈমান এনেছে এখনো কি তাদের হতাশা কাটেনি যে, চাইলে সমস্ত মানুষকেই হিদায়াত করতে পারতেন? যারা কুফুরি করেছে তাদের কর্মকান্ডের জন্যে তাদের উপর আপদ আসতেই থাকবে। অথবা আপদ তাদের ঘরের আশে পাশেই ঘটতে থাকবে, যতোক্ষণ না আল্লাহর ওয়াদা (করা সময়টি) এসে পড়বে। কখনো ওয়াদা খেলাফ করেন না।
বয়ান ফাউন্ডেশন
আর যদি এমন কোন কুরআন হত, যার দ্বারা পাহাড়সমূহকে চলমান করা যেত অথবা যমীনকে টুকরো-টুকরো করা যেত অথবা তার দ্বারা মৃতকে কথা বলানো যেত (তবে সেটা এই কুরআনই হত, আর তারা ঈমান আনত না)। বরং সব সিদ্ধান্ত আল্লাহরই। যারা ঈমান এনেছে, তারা কি (ওদের ঈমানের ব্যাপারে) নিরা
মুহিউদ্দীন খান
যদি কোন কোরআন এমন হত, যার সাহায্যে পাহাড় চলমান হয় অথবা যমীন খন্ডিত হয় অথবা মৃতরা কথা বলে, তবে কি হত? বরং সব কাজ তো আল্লাহর হাতে। ঈমানদাররা কি এ ব্যাপারে নিশ্চিত নয় যে, যদি চাইতেন, তবে সব মানুষকে সৎপথে পরিচালিত করতেন? কাফেররা তাদের কৃতকর্মের কারণে সব সময় আঘাত পেতে থাকবে অথবা তাদের গৃহের নিকটবর্তী স্থানে আঘাত নেমে আসবে, যে, পর্যন্ত আল্লাহর ওয়াদা না আসে। নিশ্চয় ওয়াদার খেলাফ করেন না।
আবদুস শহীদ নাসিম
তোমার আগেকার বহু রসূলকেই বিদ্রূপ করা হয়েছিল। ফলে যারা কুফুরি করেছিল, আমরা তাদেরকে কিছুটা অবকাশ দিয়েছিলাম, অত:পর তাদের পাকড়াও করেছি। কেমন ছিলো আমার শাস্তি?
বয়ান ফাউন্ডেশন
আর অবশ্যই তোমার পূর্বে রাসূলদের নিয়ে উপহাস করা হয়েছে। অতঃপর যারা করেছে, আমি তাদেরকে অবকাশ দিয়েছি, তারপর আমি তাদেরকে পাকড়াও করেছি। অতএব, কেমন ছিল আমার আযাব!
মুহিউদ্দীন খান
আপনার পূর্বে কত রাসূলের সাথে ঠাট্টা করা হয়েছে। অতঃপর আমি কাফেরদেরকে কিছু অবকাশ দিয়েছি। , এর পর তাদেরকে পাকড়াও করেছি। অতএব কেমন ছিল আমার শাস্তি।
আবদুস শহীদ নাসিম
তবে কি প্রতিটি মানুষ যা উপার্জন (আমল) করে, যিনি তার পর্যবেক্ষক, তিনি তাদের অক্ষম ইলাহ্গুলোর মতো? তারপরও তারা আল্লাহর সাথে শরিক বানিয়ে নিয়েছে। বলো: ‘তাদের পরিচয় দাও।’ তোমরা কি পৃথিবীর মধ্যে তাঁকে এমন কিছুর সংবাদ দিতে চাও, যা তিনি জানেন না? নাকি তা বাহ্যিক কথা মাত্র? বরং কাফিরদের কাছে তাদের চক্রান্তগুলোকে শোভনীয় করে দেয়া হয়েছে এবং তাদেরকে বাধা দেয়া হয়েছে সঠিক পথ থেকে। আর যাদের বিপথগামী করে দেন, তাদের কোনো হাদি (সঠিক পথ প্রদর্শক) নেই।
বয়ান ফাউন্ডেশন
তবে কি প্রতিটি নাফ্স যা উপার্জন করে যিনি তার দায়িত্বশীল (তিনিই ইবাদাতের অধিক উপযুক্ত, নাকি এই শরীকগুলো?) এতদসত্ত্বেও তারা আল্লাহর সাথে অনেক শরীক সাব্যস্ত করেছে। বল, ‘তোমরা এদের পরিচয় দাও’। নাকি তোমরা তাকে যমীনের এমন কিছু জানাবে যে ব্যাপারে তিনি জানেন না?
মুহিউদ্দীন খান
ওরা প্রত্যেকেই কি মাথার উপর স্ব স্ব কৃতকর্ম নিয়ে দন্ডায়মান নয়? এবং তারা আল্লাহর জন্য অংশীদার সাব্যস্ত করে। বলুন; নাম বল অথবা খবর দাও পৃথিবীর এমন কিছু জিনিস সম্পর্কে যা তিনি জানেন না? অথবা অসার কথাবার্তা বলছ? বরং সুশোভিত করা হয়েছে কাফেরদের জন্যে তাদের প্রতারণাকে এবং তাদেরকে সৎপথ থেকে বাধা দান করা হয়েছে। যাকে পথভ্রষ্ট করেন, তার কোন পথ প্রদর্শক নেই।
আবদুস শহীদ নাসিম
দুনিয়ার জীবনেও তাদের জন্যে রয়েছে আযাব, আর আখিরাতের আযাব তো আরো কঠোর। আল্লাহর আযাব থেকে বাঁচানোর জন্যে তাদের কোনো রক্ষাকারী নেই।
বয়ান ফাউন্ডেশন
তাদের জন্যই রয়েছে দুনিয়ার জীবনে আযাব, আর আখিরাতের আযাব তো আরো কঠিন। আল্লাহর আযাব থেকে তাদের কোন রক্ষাকারী নেই।
মুহিউদ্দীন খান
দুনিয়ার জীবনেই এদের জন্য রয়েছে আযাব এবং অতি অবশ্য আখেরাতের জীবন কঠোরতম। আল্লাহর কবল থেকে তাদের কোন রক্ষাকারী নেই।
আবদুস শহীদ নাসিম
মুত্তাকিদের যে জান্নাতের প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে তার উপমা হলো এরকম, যেমন তার নিচে দিয়ে বহমান থাকবে নদ - নদী - নহর, তার ফলন ও ছায়া হবে চিরস্থায়ী। এটাই মুত্তাকিদের (শুভ) পরিণাম। আর কাফিরদের পরিণাম হলো জাহান্নাম।
বয়ান ফাউন্ডেশন
মুত্তাকীদের যে জান্নাতের প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে, সেটির দৃষ্টান্ত এরূপ, তার তলদেশে নদীসমূহ প্রবাহিত। তার খাদ্যসামগ্রী ও তার ছায়া সার্বক্ষণিক। যারা তাকওয়া অবলম্বন করেছে, এটি তাদের শুভ পরিণাম আর কাফিরদের পরিণাম আগুন।
মুহিউদ্দীন খান
পরহেযগারদের জন্যে প্রতিশ্রুত জান্নাতের অবস্থা এই যে, তার নিম্নে নির্ঝরিণীসমূহ প্রবাহিত হয়। তার ফলসমূহ চিরস্থায়ী এবং ছায়াও। এটা তাদের প্রতিদান, যারা সাবধান হয়েছে এবং কাফেরদের প্রতিফল অগ্নি।
আবদুস শহীদ নাসিম
যাদেরকে আমরা কিতাব দিয়েছি, তোমার প্রতি যা নাযিল করা হয়েছে তাতে তারা আনন্দ পায়। কিন্তু কোনো কোনো দল সেটার কিছু কিছু অংশ অস্বীকার করে। বলো: ‘আমাকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে আমি যেনো এক আল্লাহর ইবাদত করি এবং তাঁর সাথে কাউকেও শরিক না করি। আমি তাঁরই দিকে আহবান জানাই এবং তাঁরই কাছে হবে আমার প্রত্যাবর্তন।
বয়ান ফাউন্ডেশন
আর আমি যাদেরকে কিতাব দিয়েছি, তোমার উপর যা নাযিল হয়, তাতে তারা উৎফুল্ল হয়। আর দলগুলোর মধ্যে কেউ কেউ এর কিছু অংশকে অস্বীকার করে। বল, ‘আমাকে কেবল আদেশ দেয়া হয়েছে, যেন আমি আল্লাহর ইবাদাত করি এবং তাঁর সাথে শরীক না করি। আমি তাঁরই দিকে দাওয়াত দেই এবং তাঁরই নিকট
মুহিউদ্দীন খান
এবং যাদেরকে আমি গ্রন্থ দিয়েছি, তারা আপনার প্রতি যা অবতীর্ণ হয়েছে, তজ্জন্যে আনন্দিত হয় এবং কোন কোন দল এর কোন কোন বিষয় অস্বীকার করে। বলুন, আমাকে এরূপ আদেশই দেয়া হয়েছে যে, আমি আল্লাহর এবাদত করি। এবং তাঁর সাথে অংশীদার না করি। আমি তাঁর দিকেই দাওয়াত দেই এবং তাঁর কাছেই আমার প্রত্যাবর্তন।
আবদুস শহীদ নাসিম
এভাবেই আমরা সেটিকে নাযিল করেছি একটি বিধান হিসাবে আরবি ভাষায়। তোমার কাছে এলেম আসার পর তুমি যদি তাদের ইচ্ছা বাসনার ইত্তেবা (অনুসরণ) করো, তাহলে আল্লাহর পক্ষ থেকে তোমার কোনো অভিভাবক এবং রক্ষাকারী থাকবে না।
বয়ান ফাউন্ডেশন
আর এভাবেই আমি কুরআনকে বিধানস্বরূপ আরবীতে নাযিল করেছি। তোমার নিকট জ্ঞান পৌঁছার পরও যদি তুমি তাদের খেয়াল খুশির অনুসরণ কর, তবে ছাড়া তোমার কোন অভিভাবক ও রক্ষাকারী নেই।
মুহিউদ্দীন খান
এমনিভাবেই আমি এ কোরআনকে আরবী ভাষায় নির্দেশরূপে অবতীর্ণ করেছি। যদি আপনি তাদের প্রবৃত্তির অনুসরণ করেন আপনার কাছে জ্ঞান পৌঁছার পর, তবে আল্লাহর কবল থেকে আপনার না কোন সাহায্যকারী আছে এবং না কোন রক্ষাকারী।
আবদুস শহীদ নাসিম
তোমার আগেও আমরা বহু রসূল পাঠিয়েছিলাম এবং তাদেরও দিয়েছিলাম স্ত্রী এবং সন্তান - সন্ততি। আল্লাহর অনুমতি ছাড়া কোনো নিদর্শন উপস্থিত করা কোনো রসূলের কাজ নয়। প্রত্যেক বিষয়েরই নির্ধারিত মেয়াদ লেখা রয়েছে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
আর অবশ্যই তোমার পূর্বে আমি রাসূলদের প্রেরণ করেছি এবং তাদেরকে দিয়েছি স্ত্রী ও সন্তান-সন্ততি। আর কোন রাসূলের জন্য এটা সম্ভব নয় যে, আল্লাহর অনুমতি ছাড়া কোন নিদর্শন নিয়ে আসবে। প্রতিটি সুনির্দিষ্ট সময়ের জন্য রয়েছে লিপিবদ্ধ বিধান।
মুহিউদ্দীন খান
আপনার পূর্বে আমি অনেক রসূল প্রেরণ করেছি এবং তাঁদেরকে পত্নী ও সন্তান - সন্ততি দিয়েছি। কোন রসূলের এমন সাধ্য ছিল না যে আল্লাহর নির্দেশ ছাড়া কোন নিদর্শন উপস্থিত করে। প্রত্যেকটি ওয়াদা লিখিত আছে।
আবদুস শহীদ নাসিম
যা ইচ্ছা করেন তা মুছে দেন এবং যা ইচ্ছা করেন তা প্রতিষ্ঠিত রাখেন। আর তাঁর কাছেই রয়েছে ‘উম্মুল কিতাব’ (মূল কিতাব, Mother Book)।
বয়ান ফাউন্ডেশন
যা ইচ্ছা করেন মিটিয়ে দেন এবং যা ইচ্ছা করেন স্থির রাখেন, আর তাঁর কাছেই রয়েছে মূল কিতাব।
মুহিউদ্দীন খান
যা ইচ্ছা মিটিয়ে দেন এবং বহাল রাখেন এবং মূলগ্রন্থ তাঁর কাছেই রয়েছে।
আবদুস শহীদ নাসিম
(হে মুহাম্মদ!) তাদেরকে আমরা যে শাস্তির প্রতিশ্রুতি দিয়েছি তার কিছুটা যদি তোমার জীবদ্দশাতেই তোমাকে দেখাই, কিংবা যদি তার আগেই তোমার ওফাত ঘটিয়ে দেই (তাতে কিছু যায় আসেনা, সর্বাবস্থায়ই) তোমার দায়িত্ব তো কেবল (বার্তা) পৌঁছে দেয়া, আর আমাদের দায়িত্ব হিসাব নেয়া।
বয়ান ফাউন্ডেশন
আর যে প্রতিশ্রুতি আমি তাদেরকে দিচ্ছি, যদি তার কিছু তোমাকে দেখাই অথবা তোমার মৃত্যু ঘটাই (তাতে কিছুই আসে যায় না)। তবে তোমার কর্তব্য কেবল পৌঁছে দেয়া, আর আমার দায়িত্ব হিসাব নেয়া।
মুহিউদ্দীন খান
আমি তাদের সাথে যে ওয়াদা করেছি, তার কোন একটি যদি আপনাকে দেখিয়ে দেই কিংবা আপনাকে উঠিয়ে নেই, তাতে কি আপনার দায়িত্ব তো পৌছে দেয়া এবং আমার দায়িত্ব হিসাব নেয়া।
আবদুস শহীদ নাসিম
তারা কি দেখেনা, আমরা তাদের ভূ - খন্ডকে চারদিক থেকে সংকুচিত করে আনছি? ফায়সালা তো করেন । তাঁর ফায়সালা রদ করার কেউ নেই। তিনি হিসাব গ্রহণে দ্রুত।
বয়ান ফাউন্ডেশন
তারা কি দেখে না, আমি যমীনকে চতুর্দিক থেকে সংকীর্ণ করে আনছি। আর আল্লাহই হুকুম করেন এবং তাঁর হুকুম প্রত্যাখ্যান করার কেউ নেই এবং তিনিই দ্রুত হিসাব গ্রহণকারী।
মুহিউদ্দীন খান
তারা কি দেখে না যে, আমি তাদের দেশকে চতুর্দিক থেকে সমানে সঙ্কুচিত করে আসছি? নির্দেশ দেন। তাঁর নির্দেশকে পশ্চাতে নিক্ষেপকারী কেউ নেই। তিনি দ্রুত হিসাব গ্রহণ করেন।
আবদুস শহীদ নাসিম
তাদের পূর্বেকার কাফিররাও (রসূলদের বিরুদ্ধে) ষড়যন্ত্র করেছিল। অথচ সব চক্রান্ত আল্লাহর এখতিয়ারে। প্রতিটি মানুষ যা কামাই করে, তা জানেন। অচিরেই কাফিররা জানতে পারবে শুভ পরিণামের ঘর কার?
বয়ান ফাউন্ডেশন
আর তাদের পূর্ববর্তীরাও ষড়যন্ত্র করেছিল, অথচ সকল ষড়যন্ত্র আল্লাহর নিয়ন্ত্রণে। প্রতিটি ব্যক্তি যা অর্জন করে, তিনি তা জানেন। আর কাফিররা অচিরেই জানবে আখিরাতের শুভপরিণতি কাদের জন্য।
মুহিউদ্দীন খান
তাদের পূর্বে যারা ছিল, তারা চক্রান্ত করেছে। আর সকল চক্রান্ত তো আল্লাহর হাতেই আছে। তিনি জানেন প্রত্যেক ব্যক্তি যা কিছু করে। কাফেররা জেনে নেবে যে, পর জীবনের আবাসস্থল কাদের জন্য রয়েছে।
আবদুস শহীদ নাসিম
কাফিররা বলে: তুমি আল্লাহর প্রেরিত রসূল নও। তুমি বলো: ‘আল্লাহ্ই আমার এবং তোমাদের মাঝে সাক্ষী হিসাবে যথেষ্ট, আর যাদের কাছে কিতাবের জ্ঞান আছে তারা।’
বয়ান ফাউন্ডেশন
আর যারা করে, তারা বলে, ‘তুমি রাসূল নও’। বল, ‘ আমার ও তোমাদের মধ্যে সাক্ষী হিসেবে যথেষ্ট এবং যার নিকট কিতাবের জ্ঞান আছে সেও‘।
মুহিউদ্দীন খান
কাফেররা বলেঃ আপনি প্রেরিত ব্যক্তি নন। বলে দিন, আমার ও তোমাদের মধ্যে প্রকৃষ্ট সাক্ষী হচ্ছেন এবং ঐ ব্যক্তি, যার কাছে গ্রন্থের জ্ঞান আছে।