Kitab

সাবা (সাবা সাম্রাজ্য)

Chapter 34, 54 verses

  • আবদুস শহীদ নাসিম
  • বয়ান ফাউন্ডেশন
  • জহুরুল হক
  • Arabic, with marks
About this chapter


মক্কায় অবতীর্ণ, আয়াত সংখ্যা: ৫৪, রুকু সংখ্যা: ০৬

এই সূরার আলোচ্যসূচি

আয়াতআলোচ্য বিষয় ০১-০৯তাওহীদ, রিসালাত ও আখিরাতের যুক্তি। ১০-১৪দাউদ ও সুলাইমানের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ। জিনেরা গায়েব জানেনা। ১৫-২১সাবাবাসীদের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ। তাদের অকৃতজ্ঞতার পরিণাম। ২২-৩৬শিরকের বাতুলতা। মুহাম্মদ সা. গোটা বিশ্ববাসীর রসূল। কুরআন প্রত্যাখ্যানকারীদের পরিণাম। ৩৭-৫৪সন্তান ও সম্পদ কাজে আসবেনা, কাজে আসবে ঈমান ও আমলে সালেহ্। লোকেরা আল্লাহর রসূল ও কিতাবকে প্রত্যাখ্যান করে বাপ দাদার ধর্ম আঁকড়ে ধরে। নবীর দেখানো পথই সঠিক পথ। কিয়ামত এসে পড়লে ঈমানের ঘোষণা কোনো কাজে আসবেনা।
আবদুস শহীদ নাসিম

সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর, যিনি মালিক মহাকাশ ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে সব কিছুর, আখিরাতেও সমস্ত প্রশংসা তাঁর। তিনি প্রজ্ঞাবান, সর্ববিষয়ে জ্ঞাত।

বয়ান ফাউন্ডেশন

সব প্রশংসা আল্লাহর, যিনি আসমানসমূহে যা কিছু আছে ও যমীনে যা কিছু আছে তার মালিক। আর আখিরাতেও সকল প্রশংসা তাঁরই এবং তিনি প্রজ্ঞাময়, সম্যক অবগত।

জহুরুল হক

সমস্ত প্রশংসা ‌র, তিনিই যাঁর অধীনে রয়েছে যা - কিছু আছে মহাকাশমন্ডলীতে ও যা - কিছু আছে পৃথিবীতে, আর তাঁরই সব প্রশংসা পরলোকে। আর তিনিই পরমজ্ঞানী, পূর্ণ ওয়াকিফহান।

Arabic, with marks

بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي لَهُ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ وَلَهُ الْحَمْدُ فِي الْآخِرَةِ ۚ وَهُوَ الْحَكِيمُ الْخَبِيرُ

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনি জানেন যা প্রবেশ করে জমিনে এবং যা বের হয় জমিন থেকে। তিনি জানেন যা নাযিল হয় আসমান থেকে এবং যা মেরাজ হয় (উঠে) আকাশে। তিনি পরম করুণাময়, অতীব ক্ষমাশীল।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তিনি জানেন যমীনে যা প্রবেশ করে এবং তা থেকে যা বের হয়; আর আসমান থেকে যা নাযিল হয় এবং তাতে যা উঠে* । আর তিনি পরম দয়ালু, অতিশয় ক্ষমাশীল।

জহুরুল হক

তিনি জানেন যা মাটির ভেতরে প্রবেশ করে আর যা তা থেকে বেরিয়ে আসে, আর যা আকাশ থেকে নেমে আসে আর যা তাতে উঠে যায়। আর তিনিই অফুরন্ত ফলদাতা, পরিত্রাণকারী।

Arabic, with marks

يَعْلَمُ مَا يَلِجُ فِي الْأَرْضِ وَمَا يَخْرُجُ مِنْهَا وَمَا يَنزِلُ مِنَ السَّمَاءِ وَمَا يَعْرُجُ فِيهَا ۚ وَهُوَ الرَّحِيمُ الْغَفُورُ

আবদুস শহীদ নাসিম

কাফিররা বলে: ‘কিয়ামত আমাদের কাছে আসবেই না।’ তুমি বলো: ‘হাঁ, আমার প্রভুর শপথ, সেটা অবশ্যি তোমাদের কাছে আসবে। তিনি গায়েবের জ্ঞানী, মহাকাশ এবং পৃথিবীতে অণু পরিমাণ, কিংবা তার চাইতে ছোট বা বড় কোনো কিছুই তাঁর অগোচরে নেই। সবকিছুই রেকর্ড করা আছে সুস্পষ্ট কিতাবে।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর কাফিররা বলে, ‘কিয়ামত আমাদের কাছে আসবে না।’ বল, ‘অবশ্যই, আমার রবের কসম! যিনি সম্পর্কে অবগত, তা তোমাদের কাছে আসবেই। আসমানসমূহ ও যমীনে অনু পরিমাণ কিংবা তদপেক্ষা ছোট অথবা বড় কিছুই তাঁর অগোচরে নেই, বরং সবই সুস্পষ্ট কিতাবে রয়েছে,

জহুরুল হক

আর যারা অবিশ্বাস পোষণ করে তারা বলে - - ''ঘড়িঘন্টা আমাদের উপরে আসবে না।’’ তুমি বলো - - ''হাঁ, আমার প্রভুর কসম, এটি অবশ্যই তোমাদের উপরে এসে পড়বে, তিনি সন্বন্ধে পরিজ্ঞাত। এক অণুর ওজন পরিমাণও তাঁর থেকে লুকোনো যাবে না মহাকাশমন্ডলীতে, আর পৃথিবীতেও নয়, আর তার থেকে আরো ছোটও নেই এবং বড়ও নেই, - - বরং তা লিপিবদ্ধ রয়েছে এক সুস্পষ্ট গ্রন্থে, - -

Arabic, with marks

وَقَالَ الَّذِينَ كَفَرُوا لَا تَأْتِينَا السَّاعَةُ ۖ قُلْ بَلَىٰ وَرَبِّي لَتَأْتِيَنَّكُمْ عَالِمِ الْغَيْبِ ۖ لَا يَعْزُبُ عَنْهُ مِثْقَالُ ذَرَّةٍ فِي السَّمَاوَاتِ وَلَا فِي الْأَرْضِ وَلَا أَصْغَرُ مِن ذَٰلِكَ وَلَا أَكْبَرُ إِلَّا فِي كِتَابٍ مُّبِينٍ

আবদুস শহীদ নাসিম

এর কারণ, যারা ঈমান আনে এবং আমলে সালেহ্ করে তিনি তাদের পুরস্কার দেবেন এবং তাদের জন্যে রয়েছে মাগফিরাত ও সম্মানজনক রিযিক।

বয়ান ফাউন্ডেশন

যাতে তিনি প্রতিদান দেন তাদেরকে যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে। তাদেরই জন্য রয়েছে ক্ষমা ও সম্মানজনক রিয্ক।

জহুরুল হক

''যেন তিনি প্রতিদান দিতে পারেন তাদের যারা ঈমান এনেছে ও সৎকাজ করেছে । এরাই - - এদেরই জন্য রয়েছে পরিত্রাণ এবং এক সম্মানিত জীবিকা।’’

Arabic, with marks

لِّيَجْزِيَ الَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ ۚ أُولَٰئِكَ لَهُم مَّغْفِرَةٌ وَرِزْقٌ كَرِيمٌ

আবদুস শহীদ নাসিম

আর যারা আমাদের আয়াতকে ব্যর্থ করার চেষ্টা করে তাদের জন্যে রয়েছে ভয়ংকর বেদনাদায়ক আযাব।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যারা আমার আয়াতসমূহকে ব্যর্থ করে দেয়ার চেষ্টা চালায়, তাদেরই জন্য রয়েছে কঠোর পীড়াদায়ক আযাব।

জহুরুল হক

আর যারা আমাদের নির্দেশাবলীকে ব্যর্থ করার প্রচেষ্টা চালায়, এরাই - - এদেরই জন্য রয়েছে এক মর্মন্তুদ দুর্দশার শাস্তি।

Arabic, with marks

وَالَّذِينَ سَعَوْا فِي آيَاتِنَا مُعَاجِزِينَ أُولَٰئِكَ لَهُمْ عَذَابٌ مِّن رِّجْزٍ أَلِيمٌ

আবদুস শহীদ নাসিম

যাদের জ্ঞান দেয়া হয়েছে, তাদের রায় হলো, তোমার প্রভুর পক্ষ থেকে যা নাযিল হয়েছে সেটা সত্য। সেটি পথ দেখায় মহাশক্তিধর সপ্রশংসিত আল্লাহর পথ।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যাদেরকে জ্ঞান দেয়া হয়েছে তারা জানে যে, তোমার রবের পক্ষ থেকে তোমার প্রতি যা নাযিল করা হয়েছে তা সত্য এবং তা মহাপরাক্রমশালী ও প্রশংসিত আল্লাহর পথের দিকে হিদায়াত করে।

জহুরুল হক

আর যাদের জ্ঞান দেওয়া হয়েছে তারা দেখতে পায় যে তোমার কাছে তোমার প্রভুর কাছ থেকে যা অবতারণ করা হয়েছে তাই সত্য, আর তা পরিচালিত করে মহাশক্তিশালী পরম প্রশংসিতের পথে।

Arabic, with marks

وَيَرَى الَّذِينَ أُوتُوا الْعِلْمَ الَّذِي أُنزِلَ إِلَيْكَ مِن رَّبِّكَ هُوَ الْحَقَّ وَيَهْدِي إِلَىٰ صِرَاطِ الْعَزِيزِ الْحَمِيدِ

আবদুস শহীদ নাসিম

কাফিররা বলে: ‘‘আমরা কি তোমাদের এমন এক ব্যক্তির সন্ধান দেবো, যে তোমাদের বলে: তোমাদের দেহ পুরোপুরি মাটির সাথে মিশে যাবার পর তোমাদের নতুন করে সৃষ্টি করা হবে?’’

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর কাফিররা বলে, ‘আমরা কি তোমাদেরকে এমন এক ব্যক্তির সন্ধান দেব, যে তোমাদেরকে সংবাদ দেয় যে, তোমরা যখন পুরোপুরি ছিন্ন ভিন্ন হয়ে যাবে তখন নিশ্চয় তোমরা নতুনভাবে সৃজিত হবে’?

জহুরুল হক

আর যারা অবিশ্বাস করে তারা বলে - - ''আমরা কি তোমাদের সন্ধান দেব এমন এক ব্যক্তির যে তোমাদের জানায় যে যখন তোমরা চুরমার হয়ে গেছো পুরোপুরি চূর্ণবিচূর্ণ অবস্থায়, তখনও তোমরা কিন্তু নতুন সৃষ্টি লাভ করবে?

Arabic, with marks

وَقَالَ الَّذِينَ كَفَرُوا هَلْ نَدُلُّكُمْ عَلَىٰ رَجُلٍ يُنَبِّئُكُمْ إِذَا مُزِّقْتُمْ كُلَّ مُمَزَّقٍ إِنَّكُمْ لَفِي خَلْقٍ جَدِيدٍ

আবদুস শহীদ নাসিম

সে কি মিথ্যা রচনা করে আল্লাহর প্রতি আরোপ করে? নাকি তাকে জিনে ধরেছে? বরং যারা আখিরাতের প্রতি ঈমান রাখেনা তারা রয়েছে আযাবের মধ্যে এবং ঘোরতর ভুলপথে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

সে কি সম্পর্কে মিথ্যা রচনা করে, না কি তার পাগলামী রয়েছে? বরং যারা আখিরাতের প্রতি ঈমান রাখে না তারা আযাব ও সুদূর বিভ্রান্তির মধ্যে রয়েছে।

জহুরুল হক

''সে ‌র বিরুদ্ধে হয় মিথ্যা রচনা করেছে, নয়তো তার মধ্যে রয়েছে জিনভূত।’’ বস্তুতঃ যারা পরকালে বিশ্বাস করে না তারা আছে শাস্তিতে ও সুদূরপ্রসারী বিভ্রান্তিতে।

Arabic, with marks

أَفْتَرَىٰ عَلَى اللَّهِ كَذِبًا أَم بِهِ جِنَّةٌ ۗ بَلِ الَّذِينَ لَا يُؤْمِنُونَ بِالْآخِرَةِ فِي الْعَذَابِ وَالضَّلَالِ الْبَعِيدِ

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা কি তাদের সামনের পেছনের আসমান জমিনে যা আছে সেগুলোর প্রতি লক্ষ্য করেনা? আমরা চাইলে তাদেরকেসহ জমিনকে খসিয়ে দিতে পারি, অথবা তাদের উপর আকাশ ভেংগে ফেলতে পারি। নিশ্চয়ই এতে রয়েছে একটি নিদর্শন প্রতিটি আল্লাহমুখী বান্দার জন্যে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা কি তাদের সামনে ও তাদের পেছনে আসমান ও যমীনে যা আছে তার প্রতি লক্ষ্য করে না? যদি আমি ইচ্ছা করি তাহলে তাদেরকে সহ ভূমি ধসিয়ে দেব অথবা আসমান থেকে এক খন্ড (আযাব) তাদের উপর নিপতিত করব, অবশ্যই তাতে রয়েছে আল্লাহমুখী প্রত্যেক বান্দার জন্য নিদর্শন।

জহুরুল হক

তারা কি তবে দেখে না তাদের সামনে কী রয়েছে আর কী রয়েছে তাদের পেছনে - - মহাকাশে ও পৃথিবীতে। আমরা যদি চাইতাম তবে তাদের সঙ্গে পৃথিবীকে ধসিয়ে দিতাম, অথবা তাদের উপরে আকাশ থেকে একটি চাঙড় ফেলে দিতাম। নিঃসন্দেহ এতে তো এক নিদর্শন রয়েছে প্রত্যাবৃত প্রত্যেক বান্দার জন্য।

Arabic, with marks

أَفَلَمْ يَرَوْا إِلَىٰ مَا بَيْنَ أَيْدِيهِمْ وَمَا خَلْفَهُم مِّنَ السَّمَاءِ وَالْأَرْضِ ۚ إِن نَّشَأْ نَخْسِفْ بِهِمُ الْأَرْضَ أَوْ نُسْقِطْ عَلَيْهِمْ كِسَفًا مِّنَ السَّمَاءِ ۚ إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَآيَةً لِّكُلِّ عَبْدٍ مُّنِيبٍ

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা আমাদের পক্ষ থেকে দাউদের প্রতি অনুগ্রহ করেছিলাম। আমরা নির্দেশ দিয়েছিলাম: ‘হে পর্বতমালা! তোমরা দাউদের সাথে আমার পবিত্রতা ঘোষণা করো এবং পাখিদেরকেও দিয়েছিলাম এ নির্দেশ। আর আমরা তার জন্যে লোহা গলাবার ব্যবস্থা করে দিয়েছিলাম।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর অবশ্যই আমি আমার পক্ষ থেকে দাঊদের প্রতি অনুগ্রহ করেছিলাম। (আমি আদেশ করলাম) ‘হে পর্বতমালা, তোমরা তার সাথে আমার পবিত্রতা ঘোষণা কর’ এবং পাখিদেরকেও (এ আদেশ দিয়েছিলাম)। আর আমি তার জন্য লোহাকেও নরম করে দিয়েছিলাম,

জহুরুল হক

আর আমরা নিশ্চয়ই দাউদকে আমাদের কাছ থেকে দিয়েছিলাম করুণাভান্ডার। ''হে পাহাড়গুলো! তাঁর সঙ্গে একমুখো হও, আর পাখীরাও।’’ আর লোহাকেও আমরা তাঁর জন্য গলিয়েছিলাম,

Arabic, with marks

۞ وَلَقَدْ آتَيْنَا دَاوُودَ مِنَّا فَضْلًا ۖ يَا جِبَالُ أَوِّبِي مَعَهُ وَالطَّيْرَ ۖ وَأَلَنَّا لَهُ الْحَدِيدَ

আবদুস শহীদ নাসিম

বলেছিলাম: ‘তুমি পূর্ণ মাপের বর্ম তৈরি করো এবং বুননের ক্ষেত্রে পরিমাণ রক্ষা করো। তোমরা আমলে সালেহ্ করো। তোমরা যা আমল করো সেদিকে আমি দৃষ্টি রাখছি।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

(এ নির্দেশ দিয়ে যে,) ‘তুমি পরিপূর্ণ বর্ম তৈরী কর এবং যথার্থ পরিমাণে প্রস্তুত কর’। আর তোমরা সৎকর্ম কর। তোমরা যা কিছু কর নিশ্চয় আমি তার সম্যক দ্রষ্টা।

জহুরুল হক

এই বলে - - ''তুমি চওড়া বর্ম তৈরি কর, আর আংটাসমূহে যথাযথ পরিমাপ দাও, আর তোমরা সৎকর্ম কর। নিঃসন্দেহ তোমরা যা করছ আমি তার সম্যক দ্রষ্টা।’’

Arabic, with marks

أَنِ اعْمَلْ سَابِغَاتٍ وَقَدِّرْ فِي السَّرْدِ ۖ وَاعْمَلُوا صَالِحًا ۖ إِنِّي بِمَا تَعْمَلُونَ بَصِيرٌ

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা সুলাইমানের জন্যে নিয়োজিত রেখেছিলাম বাতাসকে, যা একমাসের পথ অতিক্রম করতো সকালে এবং এক মাসের পথ অতিক্রম করতো বিকেলে। আমরা তার জন্যে প্রবাহিত করে দিয়েছিলাম গলিত তামার একটি ঝরণাধারা। তার প্রভুর অনুমতিক্রমে একদল জিন তার সামনে কাজ করতো। তাদের কেউ আমাদের নির্দেশ অমান্য করলে আমরা তাকে আস্বাদন করাবো জ্বলন্ত আগুনের আযাব।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর সুলাইমানের জন্য আমি বাতাসকে অনুগত করে দিয়েছিলাম, যা সকালে এক মাসের পথ এবং সন্ধ্যায় এক মাসের পথ অতিক্রম করত। আর আমি তার জন্য গলিত তামার প্রস্রবণ প্রবাহিত করেছিলাম। আর কতিপয় জিন তার রবের অনুমতিক্রমে তার সামনে কাজ করত। তাদের মধ্যে যে আমার নির্দেশ থেকে বিচ

জহুরুল হক

আর সুলাইমানের জন্য বায়ূপ্রবাহ। এর সকালবেলাকার গতি একমাস এবং এর বিকেলবেলার গতি একমাস, আর আমরা তার জন্য তামার নদী বইয়ে দিয়েছিলাম। আর তাদের মধ্যের যে কেউ আমাদের নির্দেশ থেকে সরে যেত তাকে আমরা আস্বাদন করাতাম জ্বলন্ত আগুনের শাস্তি থেকে।

Arabic, with marks

وَلِسُلَيْمَانَ الرِّيحَ غُدُوُّهَا شَهْرٌ وَرَوَاحُهَا شَهْرٌ ۖ وَأَسَلْنَا لَهُ عَيْنَ الْقِطْرِ ۖ وَمِنَ الْجِنِّ مَن يَعْمَلُ بَيْنَ يَدَيْهِ بِإِذْنِ رَبِّهِ ۖ وَمَن يَزِغْ مِنْهُمْ عَنْ أَمْرِنَا نُذِقْهُ مِنْ عَذَابِ السَّعِيرِ

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা সুলাইমানের ইচ্ছা অনুযায়ী কাজ করতো প্রাসাদ নির্মাণের, চিত্রাংকনের, হাউজের মতো বড় আকারের পাত্র নির্মাণের এবং মজবুতভাবে স্থাপিত ডেক নির্মাণের। হে দাউদের পরিবার! তোমরা কৃতজ্ঞতার সাথে কাজ করো। তবে আমার বান্দাদের অল্প লোকই শোকর আদায়কারী।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা তৈরী করত সুলাইমানের ইচ্ছানুযায়ী তার জন্য প্রাসাদ, ভাস্কর্য, সুবিশাল হাউযের মত বড় পাত্র ও স্থির হাড়ি। ‘হে দাঊদ পরিবার, তোমরা কৃতজ্ঞতাস্বরূপ আমল করে যাও এবং আমার বান্দাদের মধ্যে অল্পই কৃতজ্ঞ’।

জহুরুল হক

তারা তাঁর জন্য তৈরি করত যা তিনি চাইতেন, যথা দুর্গপ্রাসাদ ও ভাস্কর্য - প্রতিমূর্তি, আর গামলার ন্যায় থালা, আর অনড় - হয়ে - বসা ডেগ। ''হে দাউদের পরিবার! কৃতজ্ঞতার সাথে কাজ করে যাও।’’ আর আমার বান্দাদের মধ্যে অল্পকয়জনই কৃতজ্ঞ।

Arabic, with marks

يَعْمَلُونَ لَهُ مَا يَشَاءُ مِن مَّحَارِيبَ وَتَمَاثِيلَ وَجِفَانٍ كَالْجَوَابِ وَقُدُورٍ رَّاسِيَاتٍ ۚ اعْمَلُوا آلَ دَاوُودَ شُكْرًا ۚ وَقَلِيلٌ مِّنْ عِبَادِيَ الشَّكُورُ

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা যখন সুলাইমানের মউত ঘটালাম, তখন তার মৃত্যুর ঘটনা জানালো কেবল মাটির পোকা, যারা তার লাঠি খাচ্ছিল। যখন সে পড়ে গেলো, তখন জিনেরা বুঝতে পারলো যে, তারা যদি জানতো, তাহলে তাদেরকে এই লাঞ্ছনাকর শাস্তিতে আবদ্ধ থাকতে হতো না।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারপর যখন আমি সুলাইমানের মৃত্যুর ফয়সালা করলাম তখন মাটির পোকা জিনদেরকে তার মৃত্যু সম্পর্কে অবহিত করল, যা তার লাঠি খাচ্ছিল। অতঃপর যখন সে পড়ে গেল তখন জিনরা বুঝতে পারল যে, তারা যদি জানত তাহলে তারা লাঞ্ছনাদায়ক আযাবে থাকত না।

জহুরুল হক

তারপর যখন আমরা তাঁর প্রতি মৃত্যুবিধান করেছিলাম তখন কিছুই তাদের কাছে তাঁর মৃত্যু সন্বন্ধে জানতে দেয় নি শুধু এক মাটির কীট ব্যতীত, সে খেয়ে ফেলেছিল তাঁর শাঁস। তারপর যখন তার পতন ঘটল তখন জিনেরা পরিস্কারভাবে বুঝলো যে যদি তারা অদৃশ্যটা জানতো তাহলে তারা লাঞ্ছনাদায়ক শাস্তিতে অবস্থান করত না।

Arabic, with marks

فَلَمَّا قَضَيْنَا عَلَيْهِ الْمَوْتَ مَا دَلَّهُمْ عَلَىٰ مَوْتِهِ إِلَّا دَابَّةُ الْأَرْضِ تَأْكُلُ مِنسَأَتَهُ ۖ فَلَمَّا خَرَّ تَبَيَّنَتِ الْجِنُّ أَن لَّوْ كَانُوا يَعْلَمُونَ الْغَيْبَ مَا لَبِثُوا فِي الْعَذَابِ الْمُهِينِ

আবদুস শহীদ নাসিম

সাবা বাসীদের জন্যে তাদের বসত ভূমিতে ছিলো একটি নিদর্শন। দুটি উদ্যান ছিলো, একটি ডানদিকে, একটি বামদিকে। তাদের বলা হয়েছিল: তোমরা তোমাদের প্রভুর দেয়া জীবিকা ভোগ করো আর তাঁর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করো। উত্তম নগরী এবং ক্ষমাশীল প্রভু।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় সাবা সম্প্রদায়ের জন্য তাদের বাসভূমিতে ছিল একটি নিদর্শন : দু’টি উদ্যান, একটি ডানে ও অপরটি বামে, (তাদেরকে বলা হয়েছিল) ‘তোমরা তোমাদের রবের রিয্ক থেকে খাও আর তাঁর শোকর কর। এটি উত্তম শহর এবং (তোমাদের রব) ক্ষমাশীল রব’।

জহুরুল হক

সাবা’র জন্য তাদের বাসভূমিতে নিশ্চয়ই একটি নিদর্শন ছিল - - দুইটি বাগান, ডান দিকে ও বাঁয়ে। ''তোমাদের প্রভুর রিযেক থেকে আহার করো ও তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করো। এক উৎকৃষ্ট ভূখন্ড এবং একজন পরিত্রাণকারী প্রভু।

Arabic, with marks

لَقَدْ كَانَ لِسَبَإٍ فِي مَسْكَنِهِمْ آيَةٌ ۖ جَنَّتَانِ عَن يَمِينٍ وَشِمَالٍ ۖ كُلُوا مِن رِّزْقِ رَبِّكُمْ وَاشْكُرُوا لَهُ ۚ بَلْدَةٌ طَيِّبَةٌ وَرَبٌّ غَفُورٌ

আবদুস শহীদ নাসিম

পরে তারা অবাধ্য হয়ে পড়ে। ফলে আমরা তাদের উপর প্রবাহিত করে দিলাম বাঁধভাংগা বন্যা, আর উদ্যান দুটিকে বদল করে দিলাম এমন দুটি উদ্যানে যেগুলোতে উৎপন্ন হয় বিস্বাদ ফলমূল, ঝাউ গাছ আর কিছু কুল গাছ।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারপরও তারা মুখ ফিরিয়ে নিল। ফলে আমি তাদের উপর বাঁধভাঙ্গা বন্যা প্রবাহিত করলাম। আর আমি তাদের উদ্যান দু’টিকে পরিবর্তন করে দিলাম এমন দু’টি উদ্যানে যাতে উৎপন্ন হয় তিক্ত ফলের গাছ, ঝাউগাছ এবং সামান্য কিছু কুল গাছ।

জহুরুল হক

কিন্তু তারা বিমুখ হয়েছিল, তাই আমরা তাদের উপরে পাঠিয়েছিলাম আল্‌ - আরিমের বন্যা, আর তাদের জন্য আমরা বদলে দিয়েছিলাম তাদের দুই বাগানের স্থলে দুই বাগান যাতে ফলে বিস্বাদ ফলমূল আর ঝোপঝাড় ও কিছু - কিছু বন্যফল।

Arabic, with marks

فَأَعْرَضُوا فَأَرْسَلْنَا عَلَيْهِمْ سَيْلَ الْعَرِمِ وَبَدَّلْنَاهُم بِجَنَّتَيْهِمْ جَنَّتَيْنِ ذَوَاتَيْ أُكُلٍ خَمْطٍ وَأَثْلٍ وَشَيْءٍ مِّن سِدْرٍ قَلِيلٍ

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তাদের এই শাস্তি দিয়েছিলাম তাদের কুফুরির কারণে। আমরা অকৃতজ্ঞদের ছাড়া আর কাউকেও এ রকম শাস্তি দেই না।

বয়ান ফাউন্ডেশন

সে আযাব আমি তাদেরকে দিয়েছিলাম তাদের কুফরীর কারণে। আর আমি অকৃতজ্ঞ ছাড়া অন্য কাউকে এমন আযাব দেই না।

জহুরুল হক

এইটিই আমরা তাদের প্রতিদান দিয়েছিলাম যেহেতু তারা অবিশ্বাস করেছিল। আর আমরা কি প্রাপ্য শোধ করি অকৃতজ্ঞদের ব্যতীত।

Arabic, with marks

ذَٰلِكَ جَزَيْنَاهُم بِمَا كَفَرُوا ۖ وَهَلْ نُجَازِي إِلَّا الْكَفُورَ

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের এবং যেসব জনপদের প্রতি আমরা অনুগ্রহ করেছিলাম, সেগুলোর মধ্যবর্তী স্থানে প্রকাশ্য বহু জনপদ স্থাপন করেছিলাম এবং সেসব জনপদে ভ্রমণের যথাযথ ব্যবস্থা করেছিলাম আর তাদের বলেছিলাম: তোমরা এসব জনপদে নিরাপদে ভ্রমণ করো দিনে এবং রাতে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তাদের ও যে সব জনপদের মধ্যে আমি বরকত দিয়েছিলাম সেগুলোর মধ্যবর্তীস্থানে আমি অনেক দৃশ্যমান জনপদ স্থাপন করেছিলাম এবং তাতে ভ্রমণ করার ব্যবস্থা নির্ধারণ করে দিয়েছিলাম। (তাদেরকে বলা হয়েছিল) ‘তোমরা এসব জনপদে রাত-দিন (যখন ইচ্ছা) নিরাপদে ভ্রমণ কর’।

জহুরুল হক

আর তাদের ও সেই শহরগুলোর যাতে আমরা অনুগ্রহ অর্পণ করেছিলাম, তাদের মাঝে আমরা স্থাপন করেছিলাম দৃশ্যমান জনবসতি, আর তাদের মধ্যে ভ্রমণস্তর ঠিক করে দিয়েছিলাম, - - ''তোমরা এসবে রাতে ও দিনে নিরাপদে পরিভ্রমণ কর।’’

Arabic, with marks

وَجَعَلْنَا بَيْنَهُمْ وَبَيْنَ الْقُرَى الَّتِي بَارَكْنَا فِيهَا قُرًى ظَاهِرَةً وَقَدَّرْنَا فِيهَا السَّيْرَ ۖ سِيرُوا فِيهَا لَيَالِيَ وَأَيَّامًا آمِنِينَ

আবদুস শহীদ নাসিম

কিন্তু তারা বলেছিল: ‘আমাদের প্রভু! আমাদের সফরের মনযিলের ব্যবধান বাড়িয়ে দাও।’ তারা নিজেদের প্রতি যুলুম করেছিল। ফলে আমরা তাদেরকে কাহিনীর বিষয়বস্তুতে পরিণত করে দিয়েছিলাম, আর তাদেরকে ছিন্নভিন্ন করে দিয়েছিলাম। নিশ্চয়ই এতে রয়েছে অনেক নিদর্শন প্রত্যেক ধৈর্যশীল কৃতজ্ঞ ব্যক্তির জন্যে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

কিন্তু তারা বলল, ‘হে আমাদের রব, আমাদের সফরের মধ্যে দূরত্ব বাড়িয়ে দিন’। আর তারা নিজদের প্রতি যুলম করল। ফলে আমি তাদেরকে কাহিনী বানালাম এবং তাদেরকে একেবারে ছিন্নভিন্ন করে দিলাম। নিশ্চয় এতে প্রত্যেক ধৈর্যশীল কৃতজ্ঞ ব্যক্তির জন্য নিদর্শন রয়েছে।

জহুরুল হক

কিন্তু তারা বললে - - ''আমাদের প্রভু! আমাদের পর্যটন - স্তরগুলোর মধ্যে দূরত্ব বাড়িয়ে দাও।’’ আর তাদের নিজেদেরই প্রতি তারা অন্যায় করেছিল, ফলে আমরা তাদের বানিয়েছিলাম কাহিনীর বিষয়বস্তু, আর আমরা তাদের ভেঙ্গেচুরে দিয়েছিলাম পুরোপুরি চুরমার করে। নিঃসন্দেহ এতে তো নিদর্শনসমূহ রয়েছে প্রত্যেক অধ্যবসায়ী কৃতজ্ঞের জন্য।

Arabic, with marks

فَقَالُوا رَبَّنَا بَاعِدْ بَيْنَ أَسْفَارِنَا وَظَلَمُوا أَنفُسَهُمْ فَجَعَلْنَاهُمْ أَحَادِيثَ وَمَزَّقْنَاهُمْ كُلَّ مُمَزَّقٍ ۚ إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَآيَاتٍ لِّكُلِّ صَبَّارٍ شَكُورٍ

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের উপর ইবলিস তার ধারণা সত্য প্রমাণ করেছিল, ফলে তাদের মধ্যে একটি পক্ষ ছাড়া বাকি সকলেই তার ইত্তেবা করেছিল।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর নিশ্চয় তাদের ব্যাপারে ইবলীস তার ধারণা সত্য প্রমাণ করল, ফলে মুমিনদের একটি দল ছাড়া সবাই তার অনুসরণ করল।

জহুরুল হক

আর ইবলিস নিশ্চয়ই তার অনুমানকে সঠিক ঠাওরেছিল, কেননা মুমিনদের একটি দল ব্যতীত তারা তার অনুসরণ করেছিল।

Arabic, with marks

وَلَقَدْ صَدَّقَ عَلَيْهِمْ إِبْلِيسُ ظَنَّهُ فَاتَّبَعُوهُ إِلَّا فَرِيقًا مِّنَ الْمُؤْمِنِينَ

আবদুস শহীদ নাসিম

অথচ তাদের উপর ইবলিসের কোনো আধিপত্য ছিলনা। কারা আখিরাতে , আর কারা তাতে সন্দিহান তা প্রকাশ করে দেয়াই ছিলো আমার উদ্দেশ্য। তোমার প্রভু প্রতিটি বিষয়ে হিফাযতকারী।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তাদের উপর শয়তানের কোন কর্তৃত্ব ছিল না। তবে কে আখিরাতের প্রতি ঈমান রাখে আর কে তাতে সন্দেহ পোষণ করে তা প্রকাশ করাই ছিল আমার উদ্দেশ্য। আর তোমার রব সকল কিছুর হিফাযতকারী।

জহুরুল হক

কিন্তু তাদের উপরে আধিপত্যের কোনো অস্তিত্ব তার জন্য নেই এই ব্যতীত যে আমরা যেন জানতে পারি তাকে যে পরকালে বিশ্বাস করে তার থেকে যে সে - সন্বন্ধে সন্দেহের মধ্যে রয়েছে। আর তোমার প্রভু সব - কিছুর উপরে হেফাজতকারী।

Arabic, with marks

وَمَا كَانَ لَهُ عَلَيْهِم مِّن سُلْطَانٍ إِلَّا لِنَعْلَمَ مَن يُؤْمِنُ بِالْآخِرَةِ مِمَّنْ هُوَ مِنْهَا فِي شَكٍّ ۗ وَرَبُّكَ عَلَىٰ كُلِّ شَيْءٍ حَفِيظٌ

আবদুস শহীদ নাসিম

বলো: ‘‘তোমরা আল্লাহর পরিবর্তে যাদের ইলাহ্ মনে করো তাদের ডাকো। তারা মহাকাশ এবং পৃথিবীতে অণু পরিমাণ কিছুরও মালিক নয়। মহাকাশ এবং পৃথিবীর মধ্যে কোনো কিছুতেই তাদের কোনো শিরক (অংশ) নেই এবং কেউই তাঁর (আল্লাহর) সাহায্যকারীও নয়।

বয়ান ফাউন্ডেশন

বল, ‘তোমরা ছাড়া যাদেরকে মনে করতে তাদেরকে আহবান কর। তারা আসমানসমূহ ও যমীনের মধ্যে অণু পরিমাণ কোন কিছুর মালিক নয়। আর এ দু’য়ের মধ্যে তাদের কোন অংশীদারিত্ব নেই এবং তাদের মধ্য থেকে কেউ তাঁর সাহায্যকারীও নয়।

জহুরুল হক

তুমি বলো - - ''‌কে বাদ দিয়ে যাদের তোমরা কল্পনা করেছ তাদের ডাকো, তারা অণুর পরিমাপেও কোনো ক্ষমতা রাখে না মহাকাশমন্ডলীতে আর পৃথিবীতেও নয়, আর তাদের জন্য এই দুইয়ের মধ্যে কোনো একটা শরিকানাও নেই, আর তাদের মধ্যে থেকে তার জন্য কোনো পৃষ্ঠপোষকতাও নেই।’’

Arabic, with marks

قُلِ ادْعُوا الَّذِينَ زَعَمْتُم مِّن دُونِ اللَّهِ ۖ لَا يَمْلِكُونَ مِثْقَالَ ذَرَّةٍ فِي السَّمَاوَاتِ وَلَا فِي الْأَرْضِ وَمَا لَهُمْ فِيهِمَا مِن شِرْكٍ وَمَا لَهُ مِنْهُم مِّن ظَهِيرٍ

আবদুস শহীদ নাসিম

তাঁর ওখানে কারো কোনো শাফায়াত বিন্দুমাত্র কাজে আসবেনা, তবে তিনি নিজেই যদি কাউকেও (কারো ব্যাপারে) সুপারিশ করার অনুমতি দেন সেটা ভিন্ন কথা। পরে যখন তাদের মন থেকে ভয় দূর হবে, তখন তারা একে অপরকে জিজ্ঞাসা করবে: ‘তোমাদের প্রভু কী বললেন?’ তারা বলবে: ‘তিনি সত্য বলেছেন।’ আর তিনি অতি মর্যাদাবান, অতিশয় মহান।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যাকে অনুমতি দেবেন সে ছাড়া তাঁর কাছে কোন সুপারিশ কারো উপকার করবে না। অবশেষে যখন তাদের অন্তর থেকে ভয় বিদূরিত হবে তখন তারা বলবে, ‘তোমাদের রব কী বলেছেন’? তারা বলবে, ‘সত্যই বলেছেন’ এবং তিনি সুমহান ও সবচেয়ে বড়।

জহুরুল হক

আর তাঁর কাছে সুপারিশে কোনো সুফল দেবে না, তার ক্ষেত্রে ব্যতীত যাকে তিনি অনুমতি দিয়েছেন, যে পর্যন্ত না তাদের অন্তর থেকে ভয় - ভাবনা দূর হয়ে যাবে, তারা বলবে - - ''কি সেটা যা তোমাদের প্রভু বলেছিলেন?’’ তারা বলবে - - ''সত্য। আর তিনিই মহোচ্চ, মহামহিম।’’

Arabic, with marks

وَلَا تَنفَعُ الشَّفَاعَةُ عِندَهُ إِلَّا لِمَنْ أَذِنَ لَهُ ۚ حَتَّىٰ إِذَا فُزِّعَ عَن قُلُوبِهِمْ قَالُوا مَاذَا قَالَ رَبُّكُمْ ۖ قَالُوا الْحَقَّ ۖ وَهُوَ الْعَلِيُّ الْكَبِيرُ

আবদুস শহীদ নাসিম

বলো: ‘আসমান এবং জমিন থেকে তোমাদের কে রিযিক দেন?’ বলো: ‘।’ হয় আমরা, না হয় তোমরা হিদায়াতের উপর প্রতিষ্ঠিত, অথবা সুস্পষ্ট গোমরাহিতে নিমজ্জিত।

বয়ান ফাউন্ডেশন

বল, ‘আসমানসমূহ ও যমীন থেকে কে তোমাদেরকে রিয্ক দেন? বল, ‘’, আর নিশ্চয় আমরা অথবা তোমরা সৎপথে প্রতিষ্ঠিত অথবা স্পষ্ট বিভ্রান্তিতে পতিত’।

জহুরুল হক

বলো - - ''কে তোমাদের রিষেক দান করেন মহাকাশমন্ডলী ও পৃথিবী থেকে?’’ তুমি বলে দাও - - ''‌। আর নিঃসন্দেহ আমরা অথবা তোমরা নিশ্চয়ই সঠিক পথে রয়েছি, নয়তো স্পষ্ট বিভ্রান্তিতে আছি।’’

Arabic, with marks

۞ قُلْ مَن يَرْزُقُكُم مِّنَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ ۖ قُلِ اللَّهُ ۖ وَإِنَّا أَوْ إِيَّاكُمْ لَعَلَىٰ هُدًى أَوْ فِي ضَلَالٍ مُّبِينٍ

আবদুস শহীদ নাসিম

বলো: ‘আমাদের অপরাধের জন্যে তোমাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবেনা, আর তোমাদের কর্মকান্ডের জন্যেও আমাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবেনা।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

বল, ‘আমরা যে অপরাধ করছি সে ব্যাপারে তোমাদেরকে জিজ্ঞাসা করা হবে না, আর তোমরা যা কর সে সম্পর্কে আমাদেরকেও জিজ্ঞাসা করা হবে না’।

জহুরুল হক

বলো - - ''তোমাদের জবাবদিহি করতে হবে না আমরা যা অপরাধ করেছি সেজন্য, আর আমাদেরও জবাবদিহি করতে হবে না তোমরা যা কর সে - সন্বন্ধে।

Arabic, with marks

قُل لَّا تُسْأَلُونَ عَمَّا أَجْرَمْنَا وَلَا نُسْأَلُ عَمَّا تَعْمَلُونَ

আবদুস শহীদ নাসিম

বলো: ‘আমাদের প্রভু আমাদের সবাইকে একত্র করবেন তারপর আমাদের মাঝে ফায়সালা করে দেবেন ন্যায়সংগতভাবে। তিনিই সর্বশ্রেষ্ঠ ফায়সালাকারী, সর্বজ্ঞানী।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

বল, ‘আমাদের রব আমাদেরকে একত্র করবেন। তারপর তিনি আমাদের মধ্যে সঠিকভাবে ফয়সালা করবেন। আর তিনিই শ্রেষ্ঠ ফয়সালাকারী ও সম্যক পরিজ্ঞাত’।

জহুরুল হক

তুমি বলো - - ''আমাদের প্রভু আমাদের পরস্পরের সঙ্গে সমবেত করবেন, তারপর তিনি আমাদের মধ্যে মীমাংসা করবেন ন্যায়ের সাথে। আর তিনিই শ্রেষ্ঠ বিচাকর, পরমজ্ঞানী।’’

Arabic, with marks

قُلْ يَجْمَعُ بَيْنَنَا رَبُّنَا ثُمَّ يَفْتَحُ بَيْنَنَا بِالْحَقِّ وَهُوَ الْفَتَّاحُ الْعَلِيمُ

আবদুস শহীদ নাসিম

বলো: ‘তোমরা যাদেরকে শরিক হিসেবে তাঁর সাথে জুড়ে দিয়েছো তাদের দেখাও তো আমাকে। না, কখনো নয় (তারা শরিক হতে পারে না), বরং একমাত্র আল্লাহ্ই মহাপরাক্রমশালী, মহাপ্রজ্ঞাবান।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

বল, ‘তোমরা আমাকে দেখাও তো, তোমরা যাদেরকে তাঁর সাথে শরীক হিসেবে যুক্ত করেছ (তারা কোন সত্তা?) কখনো নয়, বরং তিনিই , মহাপরাক্রমশালী, মহাপ্রজ্ঞাময়।

জহুরুল হক

তুমি বলো - - ''আমাকে তাদের দেখাও যাদের তোমরা তাঁর সঙ্গে অংশী স্থির করেছ। কখনও না! বরং তিনিই - - মহাশক্তিশালী, পরমজ্ঞানী।’’

Arabic, with marks

قُلْ أَرُونِيَ الَّذِينَ أَلْحَقْتُم بِهِ شُرَكَاءَ ۖ كَلَّا ۚ بَلْ هُوَ اللَّهُ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তোমাকে রসূল বানিয়ে পাঠিয়েছি সমগ্র মানবজাতির জন্যে সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারী হিসেবে। কিন্তু অধিকাংশ মানুষই এলেম রাখেনা।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি তো কেবল তোমাকে সমগ্র মানবজাতির জন্য সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারী হিসেবে প্রেরণ করেছি; কিন্তু অধিকাংশ মানুষ জানে না,

জহুরুল হক

আর আমরা তোমাকে পাঠাই নি সমগ্র মানবজাতির জন্য সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারীরূপে ভিন্ন, কিন্তু অধিকাংশ লোকেই জানে না।

Arabic, with marks

وَمَا أَرْسَلْنَاكَ إِلَّا كَافَّةً لِّلنَّاسِ بَشِيرًا وَنَذِيرًا وَلَٰكِنَّ أَكْثَرَ النَّاسِ لَا يَعْلَمُونَ

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা জিজ্ঞাসা করে: ‘তোমরা যদি সত্যবাদী হও, তবে বলো, এই ওয়াদা কখন বাস্তবায়িত হবে?’

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তারা বলে, ‘তোমরা যদি সত্যবাদী হও তবে বল, এ ওয়াদা কখন বাস্তবায়িত হবে’?

জহুরুল হক

আর তারা বলে - - ''কখন এই ওয়াদা হবে, যদি তোমরা সত্যবাদী হও?’’

Arabic, with marks

وَيَقُولُونَ مَتَىٰ هَٰذَا الْوَعْدُ إِن كُنتُمْ صَادِقِينَ

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি বলো: ‘তোমাদের জন্যে রয়েছে একটি নির্ধারিত দিন, যা তোমরা মুহূর্তকালও না পিছিয়ে নিতে পারবে, আর না এগিয়ে আনতে পারবে।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

বল, ‘তোমাদের জন্য রয়েছে একটি দিনের ওয়াদা যা থেকে তোমরা মুহূর্তকাল বিলম্বিত করতে পারবে না আর তরান্বিতও করতে পারবে না’।

জহুরুল হক

তুমি বলো - - ''তোমাদের জন্য একটি দিনের মেয়াদ ধার্য রয়েছে যা থেকে তোমরা এক ঘড়ির জন্যেও পিছিয়ে থাকতে পারবে না, আর এগিয়েও আসতে পারবে না!’’

Arabic, with marks

قُل لَّكُم مِّيعَادُ يَوْمٍ لَّا تَسْتَأْخِرُونَ عَنْهُ سَاعَةً وَلَا تَسْتَقْدِمُونَ

আবদুস শহীদ নাসিম

কাফিররা বলে: ‘আমরা কখনো এই কুরআনের প্রতি ঈমান আনবো না, এর আগের কিতাবসমূহের প্রতিও ঈমান আনবো না।’ হায়, তোমরা যদি দেখতে, এই যালিমদের যখন তাদের প্রভুর সামনে দাঁড় করানো হবে, তখন তারা পরস্পর বাদ - প্রতিবাদ করতে থাকবে। যাদেরকে (পৃথিবীতে) দুর্বল করে রাখা হয়েছিল, তারা ক্ষমতাদর্পীদের বলবে: ‘তোমরা না থাকলে আমরা অবশ্যি হতাম।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর কাফিরগণ বলে, ‘আমরা কখনো এ কুরআনের প্রতি ঈমান আনব না এবং এর পূববর্তী কোন কিতাবের প্রতিও না’। আর তুমি যদি দেখতে যালিমদেরকে, যখন তাদের রবের কাছে দাঁড় করিয়ে দেয়া হবে তখন তারা পরস্পর বাদানুবাদ করতে থাকবে। যাদেরকে দুর্বল করে রাখা হয়েছিল তারা অহঙ্কারীদেরকে বল

জহুরুল হক

আর যারা অবিশ্বাস করে তারা বলে - - ''আমরা কিছুতেই এই কুরআনে বিশ্বাস করব না, আর এর আগে যা রয়েছে তাতেও না।’’ আর তুমি যদি দেখতে যখন অন্যায়াচারীদের দাঁড় করানো হবে তাদের প্রভুর সামনে! তাদের কেউ কেউ অপরদের প্রতি বাক্যবান ফিরিয়ে দিতে থাকবে! যাদের দুর্বল করা হয়েছিল তারা তখন বলবে তাদের যারা মাতব্বরি করেছিল - - ''তোমাদের জন্য না হলে আমরা নিশ্চয়ই হতাম।’’

Arabic, with marks

وَقَالَ الَّذِينَ كَفَرُوا لَن نُّؤْمِنَ بِهَٰذَا الْقُرْآنِ وَلَا بِالَّذِي بَيْنَ يَدَيْهِ ۗ وَلَوْ تَرَىٰ إِذِ الظَّالِمُونَ مَوْقُوفُونَ عِندَ رَبِّهِمْ يَرْجِعُ بَعْضُهُمْ إِلَىٰ بَعْضٍ الْقَوْلَ يَقُولُ الَّذِينَ اسْتُضْعِفُوا لِلَّذِينَ اسْتَكْبَرُوا لَوْلَا أَنتُمْ لَكُنَّا مُؤْمِنِينَ

আবদুস শহীদ নাসিম

দাম্ভিক ক্ষমতাদর্পীরা দুর্বল করে রাখাদের বলবে: ‘তোমাদের কাছে হিদায়াত সুস্পষ্টভাবে এসে যাওয়ার পরও কি আমরাই তোমাদেরকে তা থেকে বাধা দিয়েছিলাম? বরং তোমরা নিজেরাই ছিলে অপরাধী।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

যারা অহঙ্কারী ছিল তারা, তাদেরকে বলবে, যাদেরকে দুর্বল করে রাখা হয়েছিল, ‘তোমাদের কাছে হিদায়াত আসার পর আমরা কি তোমাদেরকে তা থেকে বাধা দিয়েছিলাম? বরং তোমরাই ছিলে অপরাধী’।

জহুরুল হক

যারা মাতব্বরি করেছিল তারা বলবে তাদের যাদের দুর্বল করা হয়েছিল - - ''আমরা কি তোমাদের বাধা দিয়েছিলাম পথনির্দেশ থেকে এটি তোমাদের কাছে আসার পরে? বরং তোমারই তো ছিলে অপরাধী?’’

Arabic, with marks

قَالَ الَّذِينَ اسْتَكْبَرُوا لِلَّذِينَ اسْتُضْعِفُوا أَنَحْنُ صَدَدْنَاكُمْ عَنِ الْهُدَىٰ بَعْدَ إِذْ جَاءَكُم ۖ بَلْ كُنتُم مُّجْرِمِينَ

আবদুস শহীদ নাসিম

দুর্বল করে রাখা লোকেরা ক্ষমতাদর্পীদের বলবে: ‘তোমরাই তো দিনরাত ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিলে, আমাদের নির্দেশ দিয়েছিলে যেনো আমরা আল্লাহর প্রতি কুফুরি করি এবং তাঁর সাথে শরিক করি।’ যখন তারা আযাব দেখতে পাবে, তখন তারা লজ্জা ও অনুতাপ গোপন করবে এবং আমরা কাফিরদের গলায় শিকল পরিয়ে দেবো। তারা যেসব কর্মকান্ডে লিপ্ত ছিলো, তাদেরকে তারই প্রতিফল দেয়া হবে মাত্র।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যাদেরকে দুর্বল করে রাখা হয়েছিল তারা, যারা অহঙ্কারী ছিল তাদেরকে বলবে, ‘বরং এ ছিল তোমাদের দিন-রাতের চক্রান্ত, যখন তোমরা আমাদেরকে আদেশ দিয়েছিলে যেন আমরা আল্লাহকে অস্বীকার করি এবং তাঁর সমকক্ষ স্থির করি’। আর তারা যখন আযাব দেখবে তখন তারা অনুতাপ গোপন করবে। আর

জহুরুল হক

আর যাদের দুর্বল করা হয়েছিল তারা বলবে তাদের যারা গর্ব করছিল - - ''বস্তুত রাত ও দিনের চক্রান্ত, যখন তোমরা আমাদের হুকুম করতে যেন আমরা ‌কে অবিশ্বাস করি এবং তাঁর সঙ্গে অংশী স্থাপন করি।’’ আর তারা যখন শাস্তি প্রত্যক্ষ করবে তখন তারা আফসোসে আকুল হবে। আর যারা অবিশ্বাস পোষণ করত তাদের গলায় আমরা শিকল পরাব। তাদের কি প্রতিদান দেওয়া হচ্ছে তারা যা করে চলেছিল তা ছাড়া অন্য কিছু দিয়ে।

Arabic, with marks

وَقَالَ الَّذِينَ اسْتُضْعِفُوا لِلَّذِينَ اسْتَكْبَرُوا بَلْ مَكْرُ اللَّيْلِ وَالنَّهَارِ إِذْ تَأْمُرُونَنَا أَن نَّكْفُرَ بِاللَّهِ وَنَجْعَلَ لَهُ أَندَادًا ۚ وَأَسَرُّوا النَّدَامَةَ لَمَّا رَأَوُا الْعَذَابَ وَجَعَلْنَا الْأَغْلَالَ فِي أَعْنَاقِ الَّذِينَ كَفَرُوا ۚ هَلْ يُجْزَوْنَ إِلَّا مَا كَانُوا يَعْمَلُونَ

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা যখনই কোনো জনপদে সতর্ককারী পাঠিয়েছি, তখনই সেখানকার সম্পদশালী সীমালংঘনকারীরা বলেছে: ‘তোমরা যা নিয়ে প্রেরিত হয়েছো, তা আমরা অস্বীকার করছি।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি কোন জনপদে সতর্ককারী প্রেরণ করলেই সেখানকার বিত্তবান অধিবাসীরা বলেছে, ‘তোমরা যা নিয়ে প্রেরিত হয়েছ অবশ্যই আমরা তা প্রত্যাখ্যানকারী’।

জহুরুল হক

আর আমরা কোনো জনপদে সতর্ককারীদের কাউকেও পাঠাই নি যার বিত্তবান লোকেরা না বলেছে - - ''নিঃসন্দেহ তোমাদের যা দিয়ে পাঠানো হয়েছে তাতে আমরা অবিশ্বাসী!’’

Arabic, with marks

وَمَا أَرْسَلْنَا فِي قَرْيَةٍ مِّن نَّذِيرٍ إِلَّا قَالَ مُتْرَفُوهَا إِنَّا بِمَا أُرْسِلْتُم بِهِ كَافِرُونَ

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা আরো বলেছে: ‘ধনে জনে আমরা সমৃদ্ধশালী, আমাদের প্রতি কিছুতেই আযাব আসতে পারবে না।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা আরো বলেছে, ‘আমরা ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততিতে অধিক সমৃদ্ধশালী। আর তাই আমরা আযাবপ্রাপ্ত হব না’।

জহুরুল হক

আর তারা বলত - - ''আমরা ধনসম্পত্তি ও সন্তানসন্ততিতে সংখ্যাগরিষ্ঠ, সুতরাং আমরা তো শাস্তি পাবার পাত্র নই।’’

Arabic, with marks

وَقَالُوا نَحْنُ أَكْثَرُ أَمْوَالًا وَأَوْلَادًا وَمَا نَحْنُ بِمُعَذَّبِينَ

আবদুস শহীদ নাসিম

বলো: ‘নিশ্চয়ই আমার প্রভু যাকে ইচ্ছা রিযিক বাড়িয়ে দেন এবং যাকে ইচ্ছা করে দেন সীমিত। তবে অধিকাংশ মানুষই তা জানেনা।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

বল, ‘আমার রব যার জন্য ইচ্ছা রিয্ক প্রশস্ত করেন অথবা সঙ্কুচিত করেন। কিন্তু অধিকাংশ লোক তা জানে না।’

জহুরুল হক

তুমি বলো - - ''আমার প্রভু যার জন্য ইচ্ছা করেন জীবিকা বাড়িয়ে দেন এবং সীমিতও করেন, কিন্তু অধিাকাংশ লোকেই জানে না।’’

Arabic, with marks

قُلْ إِنَّ رَبِّي يَبْسُطُ الرِّزْقَ لِمَن يَشَاءُ وَيَقْدِرُ وَلَٰكِنَّ أَكْثَرَ النَّاسِ لَا يَعْلَمُونَ

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমাদের ধনমাল এবং সন্তান - সন্ততি এমন জিনিস নয় যা তোমাদেরকে আমাদের নিকটবর্তী করে দেবে। তবে যারা ঈমান আনে এবং আমলে সালেহ্ করে, তারাই তাদের আমলের জন্যে পাবে বহুগুণ বেশি পুরস্কার। তারা প্রাসাদসমূহের মধ্যে থাকবে সদা নিরাপদ।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তোমাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি এমন বস্তু নয় যা তোমাদেরকে আমার নিকটবর্তী করে দেবে। তবে যারা ঈমান আনে ও নেক আমল করে, তারাই তাদের আমলের বিনিময়ে পাবে বহুগুণ প্রতিদান। আর তারা (জান্নাতের) সুউচ্চ প্রাসাদে নিরাপদে থাকবে।

জহুরুল হক

আর না তোমাদের ধনদৌলত ও না তোমাদের সন্তানসন্ততি এমন জিনিস যা আমাদের কাছে তোমাদের মর্যাদায় নৈকট্য দেবে, বরং যে ঈমান এনেছে ও সৎকাজ করেছে। সুতরাং এরাই - - এদেরই জন্য রয়েছে দ্বিগুণ পুরস্কার যা তারা করেছে সেজন্য, আর তারা বাগান - বাড়িতে নিরাপদে রইবে।

Arabic, with marks

وَمَا أَمْوَالُكُمْ وَلَا أَوْلَادُكُم بِالَّتِي تُقَرِّبُكُمْ عِندَنَا زُلْفَىٰ إِلَّا مَنْ آمَنَ وَعَمِلَ صَالِحًا فَأُولَٰئِكَ لَهُمْ جَزَاءُ الضِّعْفِ بِمَا عَمِلُوا وَهُمْ فِي الْغُرُفَاتِ آمِنُونَ

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা আমাদের আয়াতকে ব্যর্থ করার চেষ্টা করবে, তারাই সদা উপস্থিত থাকবে আযাবের মধ্যে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যারা আমার আয়াতসমূহকে ব্যর্থ করে দিতে প্রচেষ্টা চালায় তাদেরকে আযাবের মধ্যে উপস্থিত করা হবে।

জহুরুল হক

পক্ষান্তরে যারা আমাদের নির্দেশাবলীর বিরুদ্ধাচরণে প্রচেষ্টা চালায় এদেরই হাজির করা হবে শাস্তির মাঝে।

Arabic, with marks

وَالَّذِينَ يَسْعَوْنَ فِي آيَاتِنَا مُعَاجِزِينَ أُولَٰئِكَ فِي الْعَذَابِ مُحْضَرُونَ

আবদুস শহীদ নাসিম

বলো: ‘আমার প্রভু তার বান্দাদের যাকে ইচ্ছা রিযিক বাড়িয়ে দেন এবং যাকে ইচ্ছা করে দেন সীমিত। তোমরা আল্লাহর পথে যা কিছু ব্যয় করবে, তার প্রতিদান দেবেন। তিনিই সর্বশ্রেষ্ঠ রিযিকদাতা।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

বল, ‘নিশ্চয় আমার রব তাঁর বান্দাদের মধ্যে যার জন্য ইচ্ছা রিয্ক প্রশস্ত করেন এবং সঙ্কুচিত করেন। আর তোমরা যা কিছু আল্লাহর জন্য ব্যয় কর তিনি তার বিনিময় দেবেন এবং তিনিই উত্তম রিয্কদাতা।’

জহুরুল হক

বলো, ''নিঃসন্দেহ আমার প্রভু জীবিকা বাড়িয়ে দেন তাঁর বান্দাদের মধ্যের যার জন্য তিনি ইচ্ছা করেন, আর তার জন্য সীমিতও করেন। আর যা - কিছু তোমরা ব্যয় কর তিনি তো তার প্রতিদান দেন, কেননা তিনিই জীবিকাদাতাদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ।’’

Arabic, with marks

قُلْ إِنَّ رَبِّي يَبْسُطُ الرِّزْقَ لِمَن يَشَاءُ مِنْ عِبَادِهِ وَيَقْدِرُ لَهُ ۚ وَمَا أَنفَقْتُم مِّن شَيْءٍ فَهُوَ يُخْلِفُهُ ۖ وَهُوَ خَيْرُ الرَّازِقِينَ

আবদুস শহীদ নাসিম

যেদিন তিনি তাদের সবাইকে হাশর করবেন, তারপর ফেরেশতাদের বলবেন: ‘এরা কি তোমাদের ইবাদত করতো?’

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর স্মরণ কর, যেদিন তিনি তাদের সকলকে সমবেত করবেন তারপর ফেরেশতাদেরকে বলবেন, ‘এরা কি তোমাদেরই পূজা করত?’

জহুরুল হক

আর সেইদিন তিনি তাদের একত্রিত করবেন সমবেতভাবে, তখন তিনি ফিরিশ্‌তাদের বলবেন - - ''এরাই কি তোমাদের পূজা করে থাকতো?’’

Arabic, with marks

وَيَوْمَ يَحْشُرُهُمْ جَمِيعًا ثُمَّ يَقُولُ لِلْمَلَائِكَةِ أَهَٰؤُلَاءِ إِيَّاكُمْ كَانُوا يَعْبُدُونَ

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা বলবে: ‘তুমি পবিত্র ও মহান, ওরা নয়, তুমিই আমাদের প্রভু, বরং তারা ইবাদত করতো জিনদের (শয়তানদের)। তাদের অধিকাংশই তাদের প্রতি ঈমান রাখতো।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা (ফেরেশতারা) বলবে, ‘আপনি পবিত্র মহান, আপনিই আমাদের অভিভাবক, তারা নয়। বরং তারা জিনদের পূজা করত। এদের অধিকাংশই তাদের প্রতি ঈমান রাখত’।

জহুরুল হক

তারা বলবে - - ''তোমারই মহিমা হোক! তুমিই আমাদের মনিব, তারা নয়, বরং তারা উপাসনা করত জিনদের, তাদের অধিকাংশই ছিল ওদের প্রতি ।’’

Arabic, with marks

قَالُوا سُبْحَانَكَ أَنتَ وَلِيُّنَا مِن دُونِهِم ۖ بَلْ كَانُوا يَعْبُدُونَ الْجِنَّ ۖ أَكْثَرُهُم بِهِم مُّؤْمِنُونَ

আবদুস শহীদ নাসিম

ফলে আজ তোমাদের একের ক্ষমতা নেই অপরের লাভ কিংবা ক্ষতি করার। আমরা যালিমদের বলবো: ‘আগুনের আযাবের স্বাদ গ্রহণ করো, যে আযাবকে তোমরা অস্বীকার করতে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

ফলে আজ তোমাদের একে অপরের কোন উপকার কিংবা অপকার করার ক্ষমতা কেউ রাখবে না। আর আমি যালিমদের উদ্দেশ্যে বলব, ‘তোমরা আগুনের আযাব আস্বাদন কর যা তোমরা অস্বীকার করতে।’

জহুরুল হক

সুতরাং সেইদিন তোমাদের কেউ অপর কারোর জন্য উপকার করার ক্ষমতা রাখবে না, অপকার করারও নয়। আর যারা অন্যায়াচরণ করেছিল তাদের আমরা বলব - - ''আগুনের শাস্তি আস্বাদন কর যেটি তোমরা মিথ্যা বলতে!’’

Arabic, with marks

فَالْيَوْمَ لَا يَمْلِكُ بَعْضُكُمْ لِبَعْضٍ نَّفْعًا وَلَا ضَرًّا وَنَقُولُ لِلَّذِينَ ظَلَمُوا ذُوقُوا عَذَابَ النَّارِ الَّتِي كُنتُم بِهَا تُكَذِّبُونَ

আবদুস শহীদ নাসিম

যখন তাদের প্রতি আমাদের সুস্পষ্ট আয়াত তিলাওয়াত করা হতো তারা বলতো: ‘তোমাদের পূর্ব পুরুষরা যাদের ইবাদত করতো এ ব্যক্তি তো তাদের ইবাদত থেকে তোমাদের বাধা দিতে চায়।’ তারা আরো বলতো: ‘এ তো এক মিথ্যা রচনা ছাড়া আর কিছুই নয়।’ কাফিররা সত্য আসার পর সত্য সম্পর্কে আরো বলতো: ‘এ তো এক সুস্পষ্ট ম্যাজিক।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যখন তাদের কাছে আমার সুস্পষ্ট আয়াতসমূহ তিলাওয়াত করা হত তখন তারা বলত, ‘এতো এমন এক ব্যক্তি যে তোমাদের বাধা দিতে চায় তা থেকে যার ইবাদাত তোমাদের পিতৃপুরুষগণ করত’। তারা আরও বলে, ‘এটি বানোয়াট মিথ্যা বৈ কিছু নয়।’ আর কাফিরদের নিকট যখনই সত্য আসে তখন তারা বলে, ‘এ

জহুরুল হক

আর যখন তাদের কাছে আমাদের সুস্পষ্ট নির্দেশাবলী আবৃত্তি করা হয় তখন তারা বলে - - ''এ তো একজন মানুষ ছাড়া আর কেউ নয় যে তোমাদের ফিরিয়ে রাখতে চায় তা থেকে যার উপাসনা করত তোমাদের পিতৃপুরুষরা।’’ আর তারা বলে - - ''এ একটি বানানো মিথ্যা ব্যতীত আর কিছু নয়।’’ আর যারা অবিশ্বাস পোষণ করে তারা সত্য - সন্বন্ধে, এটি যখন তাদের কাছে আসে তখন, বলে - - ''এ স্পষ্ট জাদু বৈ তো নয়।’’

Arabic, with marks

وَإِذَا تُتْلَىٰ عَلَيْهِمْ آيَاتُنَا بَيِّنَاتٍ قَالُوا مَا هَٰذَا إِلَّا رَجُلٌ يُرِيدُ أَن يَصُدَّكُمْ عَمَّا كَانَ يَعْبُدُ آبَاؤُكُمْ وَقَالُوا مَا هَٰذَا إِلَّا إِفْكٌ مُّفْتَرًى ۚ وَقَالَ الَّذِينَ كَفَرُوا لِلْحَقِّ لَمَّا جَاءَهُمْ إِنْ هَٰذَا إِلَّا سِحْرٌ مُّبِينٌ

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তাদেরকে পূর্বে কোনো কিতাব দিইনি যা তারা পড়তো এবং তোমার আগে তাদের কাছে আমরা কোনো সতর্ককারীও পাঠাইনি।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি তাদেরকে কোন কিতাব দেইনি যা তারা অধ্যয়ন করত, এবং তোমার পূর্বে তাদের প্রতি আর কোন সতর্ককারীও প্রেরণ করিনি।

জহুরুল হক

আর আমরা গ্রন্থাবলীর কোনো - কিছু তাদের দিই নি যেটি তারা পড়তে পাবে, আর তোমার পূর্বে তাদের কাছে আমরা সতর্ককারীদের কাউকেও পাঠাই নি।

Arabic, with marks

وَمَا آتَيْنَاهُم مِّن كُتُبٍ يَدْرُسُونَهَا ۖ وَمَا أَرْسَلْنَا إِلَيْهِمْ قَبْلَكَ مِن نَّذِيرٍ

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের আগেকার লোকেরাও অস্বীকার করেছিল। আমরা তাদেরকে যা দিয়েছিলাম এরা তার এক দশমাংশও পায়নি। তা সত্ত্বেও তারা আমার রসূলদের প্রত্যাখ্যান করেছিল। ফলে কতো যে ভয়াবহ হয়েছিল আমার শাস্তি!

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তাদের পূর্ববর্তীরাও অস্বীকার করেছে। অথচ আমি তাদের [পূর্ববর্তীদের] যা দিয়েছিলাম এরা তার এক দশমাংশও পায়নি, তবুও তারা আমার রাসূলদের অস্বীকার করেছিল। ফলে আমার প্রত্যাখ্যান (শাস্তি) কেমন হয়েছিল?

জহুরুল হক

আর এদের পূর্বে যারা ছিল তারাও মিথ্যারোপ করেছিল, আর আমরা তাদের যা দিয়েছিলাম তার এক দশমাংশেও এরা পৌঁছায় নি, তারপর তারা আমার রসূলগণকে প্রত্যাখ্যান করেছিল, ফলে কেমন হয়েছিল আমার বিতৃষ্ণা!

Arabic, with marks

وَكَذَّبَ الَّذِينَ مِن قَبْلِهِمْ وَمَا بَلَغُوا مِعْشَارَ مَا آتَيْنَاهُمْ فَكَذَّبُوا رُسُلِي ۖ فَكَيْفَ كَانَ نَكِيرِ

আবদুস শহীদ নাসিম

বলো, আমি তোমাদের একটি বিষয়ে উপদেশ দিচ্ছি তাহলো: তোমরা আল্লাহর উদ্দেশ্যে দাঁড়াও দুইজন এবং একজন করে, তারপর তোমরা চিন্তা করে দেখো, তোমাদের সাথি মোটেও জিনে ধরা ব্যক্তি নয়। সে তো কেবল তোমাদের জন্যে একজন সতর্ককারী আসন্ন কঠিন আযাব সম্পর্কে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

বল, ‘আমি তো তোমাদেরকে একটি বিষয়ে উপদেশ দিচ্ছি, তোমরা আল্লাহর উদ্দেশ্যে দু’জন অথবা এক একজন করে দাঁড়িয়ে যাও, অতঃপর চিন্তা করে দেখ, তোমাদের সাথীর মধ্যে কোন পাগলামী নেই। সে তো আসন্ন কঠোর আযাব সম্পর্কে তোমাদের একজন সতর্ককারী বৈ কিছু নয়।’

জহুরুল হক

তুমি বলো - - ''আমি তো তোমাদের একটি বিষয়ে উপদেশ দিচ্ছি - - তোমরা যেন ‌র উদ্দেশ্যে দুজন করে অথবা একা একা উঠে দাঁড়াও, তারপর ভেবে দেখো - - তোমাদের সঙ্গীর মধ্যে কোনো জিন - ভূত নেই।’’ তিনি তোমাদের জন্য একজন সতর্ককারী বৈ তো নন, আসন্ন কঠোর শাস্তি সম্পর্কে।

Arabic, with marks

۞ قُلْ إِنَّمَا أَعِظُكُم بِوَاحِدَةٍ ۖ أَن تَقُومُوا لِلَّهِ مَثْنَىٰ وَفُرَادَىٰ ثُمَّ تَتَفَكَّرُوا ۚ مَا بِصَاحِبِكُم مِّن جِنَّةٍ ۚ إِنْ هُوَ إِلَّا نَذِيرٌ لَّكُم بَيْنَ يَدَيْ عَذَابٍ شَدِيدٍ

আবদুস শহীদ নাসিম

বলো: ‘আমি তো তোমাদের কাছে কোনো পারিশ্রমিক চেয়ে থাকলে তা তোমাদেরই। আমার পুরস্কার তো রয়েছে আল্লাহর কাছে। তিনি প্রতিটি বিষয়ের সাক্ষী।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

বল, ‘আমি তোমাদের কাছে কোন প্রতিদান চাইনি, বরং তা তোমাদেরই। আমার প্রতিদান তো কেবল আল্লাহর নিকট এবং তিনি সব কিছুর উপরই সাক্ষী।

জহুরুল হক

তুমি বলো - - ''যা - কিছু পারিশ্রমিক আমি তোমাদের কাছে চেয়েছি, সে তো তোমাদেরই জন্য! আমার পারিশ্রমিক ‌র কাছে বৈ তো নয়, কেননা তিনি সব - কিছুর উপরে প্রত্যক্ষদশ।’’

Arabic, with marks

قُلْ مَا سَأَلْتُكُم مِّنْ أَجْرٍ فَهُوَ لَكُمْ ۖ إِنْ أَجْرِيَ إِلَّا عَلَى اللَّهِ ۖ وَهُوَ عَلَىٰ كُلِّ شَيْءٍ شَهِيدٌ

আবদুস শহীদ নাসিম

বলো: ‘আমার প্রভু সত্য দিয়ে (অসত্যকে) আঘাত করেন। তিনি গায়েবের আল্লামা (মহাজ্ঞানী)।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

বল, ‘আমার রব সত্য পাঠিয়েছেন। তিনি যাবতীয় সম্পর্কে পরিজ্ঞাত।’

জহুরুল হক

তুমি বলো - - ''নিঃসন্দেহ আমার প্রভু সত্য ছুঁড়ে থাকেন, তিনি বিষয়ে পরিজ্ঞাত।’’

Arabic, with marks

قُلْ إِنَّ رَبِّي يَقْذِفُ بِالْحَقِّ عَلَّامُ الْغُيُوبِ

আবদুস শহীদ নাসিম

বলো: ‘সত্য এসেছে, আর অসত্য নতুন সৃষ্টি করতেও পারে না এবং তা পুনসৃষ্টিও করতে পারে না।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

বল, ‘সত্য এসেছে এবং বাতিল কিছু সৃষ্টি করতে পারে না, আর কিছু পুনরাবৃত্তিও করতে পারে না।’

জহুরুল হক

তুমি বলো - - ''সত্য এসেই গেছে, আর মিথ্যার উৎপত্তি হবে না, আর এর পুনরুদ্ভবও হবে না।’’

Arabic, with marks

قُلْ جَاءَ الْحَقُّ وَمَا يُبْدِئُ الْبَاطِلُ وَمَا يُعِيدُ

আবদুস শহীদ নাসিম

বলো: ‘আমি যদি পথভ্রষ্ট হয়েই থাকি, তবে সেটার পরিণতি আমাকেই ভোগ করতে হবে। আর আমি যদি সঠিক পথে থেকে থাকি, তবে তার কারণ, আমার প্রভু আমার প্রতি অহি করেন। তিনি সর্বশ্রোতা, নিকটবর্তী।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

বল, ‘যদি আমি পথভ্রষ্ট হয়ে যাই তবে আমার অকল্যাণেই আমি পথভ্রষ্ট হব। আর যদি আমি হিদায়াত প্রাপ্ত হই তবে তা এজন্য যে, আমার রব আমার প্রতি ওহী প্রেরণ করেন। নিশ্চয় তিনি সর্বশ্রোতা ও অতি নিকটবর্তী’।

জহুরুল হক

তুমি বলো - - ''যদি আমি বিপথে যাই তাহলে আমি তো আমার নিজেরই বিরুদ্ধে বিপথে গেছি, আর আমি যদি সৎপথে চলি তাহলে সেটি আমার প্রভু আমার কাছে যা প্রত্যাদেশ করেছিলেন তার জন্য। নিশ্চয় তিনি সর্বশ্রোতা, অতি নিকটবর্তী।’’

Arabic, with marks

قُلْ إِن ضَلَلْتُ فَإِنَّمَا أَضِلُّ عَلَىٰ نَفْسِي ۖ وَإِنِ اهْتَدَيْتُ فَبِمَا يُوحِي إِلَيَّ رَبِّي ۚ إِنَّهُ سَمِيعٌ قَرِيبٌ

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি যদি দেখতে, যখন তারা ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে পড়বে, তখন তারা অব্যাহতি পাবে না এবং খুব কাছে থেকেই তাদের ধরা হবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যদি তুমি দেখতে যখন তারা ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে পড়বে তখন পালানোর কোন পথ পাবে না এবং নিকটস্থ স্থান থেকে তাদেরকে পাকড়াও করা হবে।

জহুরুল হক

আর তুমি যদি দেখতে পেতে যখন তারা ভীত - বিহল হয়ে পড়বে, তখন কোনো নিস্তার থাকতে না, আর তাদের পাকড়ানো হবে নিকটবর্তী স্থান থেকেই,

Arabic, with marks

وَلَوْ تَرَىٰ إِذْ فَزِعُوا فَلَا فَوْتَ وَأُخِذُوا مِن مَّكَانٍ قَرِيبٍ

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন তারা বলবে: ‘আমরা সেটার (পরকালের) প্রতি ঈমান আনলাম’, কিন্তু এখন আর নাগালের বাইরে চলে যাওয়া জিনিসের নাগাল পাবে কিভাবে?

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তারা বলবে, ‘আমরা তাতে ঈমান আনলাম’। কিন্তু দূরবর্তী স্থান থেকে তারা কিভাবে ঈমানের নাগাল পাবে?

জহুরুল হক

আর তারা বলবে - - ''আমরা এতে বিশ্বাস করি।’’ কিন্তু কেমন করে সুদূর স্থান থেকে তাদের জন্য পুনরাগমন সম্ভব হবে?

Arabic, with marks

وَقَالُوا آمَنَّا بِهِ وَأَنَّىٰ لَهُمُ التَّنَاوُشُ مِن مَّكَانٍ بَعِيدٍ

আবদুস শহীদ নাসিম

ইতোপূর্বে (পৃথিবীতে) তো তারা সেটার প্রতি কুফুরি করেছিল এবং আন্দাজে অনেক দূর থেকে কথা বানিয়ে আনতো।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অথচ তারা ইতঃপূর্বে তা অস্বীকার করত এবং তারা দূরবর্তী স্থান থেকে সম্পর্কে কুটমন্তব্য ছুঁড়ে মারত।

জহুরুল হক

আর তারা এর আগেই তো এতে অবিশ্বাস করেছিল। আর সন্বন্ধে তারা অনুমান করত সুদূর স্থান থেকে।

Arabic, with marks

وَقَدْ كَفَرُوا بِهِ مِن قَبْلُ ۖ وَيَقْذِفُونَ بِالْغَيْبِ مِن مَّكَانٍ بَعِيدٍ

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের এবং তাদের চাওয়ার মধ্যে অন্তরায় সৃষ্টি করে দেয়া হয়েছে, যেমন ইতোপূর্বে করা হয়েছিল তাদের সমপন্থীদের ক্ষেত্রে। তারা ছিলো বিভ্রান্তিকর সন্দেহের মধ্যে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তাদের ও তারা যা কামনা করত তার মধ্যে অন্তরাল করে দেয়া হবে, যেমন ইতঃপূর্বে তাদের সমগোত্রীয়দের ক্ষেত্রে করা হয়েছিল। নিশ্চয় তারা ছিল বিভ্রান্তিকর সন্দেহে পতিত। * যমীনে যা প্রবেশ করে তন্মধ্যে রয়েছে বৃষ্টির পানি, বীজ ইত্যাদি। আর তা থেকে বের হয় অঙ্কুর, উদ্ভি

জহুরুল হক

আর তাদের মধ্যে ও তারা যা কামনা করে তার মধ্যে এক বেড়া খাড়া করা হবে, - - যেমন করা হয়েছিল ইতিপূর্বে এদের সমগোত্রীয়দের ক্ষেত্রে। নিঃসন্দেহ তারা এক ঘোর সন্দেহে রয়েছে ।

Arabic, with marks

وَحِيلَ بَيْنَهُمْ وَبَيْنَ مَا يَشْتَهُونَ كَمَا فُعِلَ بِأَشْيَاعِهِم مِّن قَبْلُ ۚ إِنَّهُمْ كَانُوا فِي شَكٍّ مُّرِيبٍ

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme