You’re offline. Downloaded books and recitations still work.
আল জিন
Chapter 72, 28 verses
আবদুস শহীদ নাসিম
বয়ান ফাউন্ডেশন
জহুরুল হক
Word by word
About this chapter
মক্কায় অবতীর্ণ, আয়াত সংখ্যা ২৮, রুকু সংখ্যা: ০২
এই সূরার আলোচ্যসূচি
আয়াতআলোচ্য বিষয়
০১-১৯একদল জিন রসূলের কাছে কুরআন শুনেছে বলে রসূলকে জানানো হয়েছে। তারপর জিনেরা তাদের জাতির কাছে গিয়ে ঈমান ও ইসলামের যে দাওয়াত দেয় তার বিবরণ।
২০-২৮রসূলকে তাওহীদ ও আখিরাতের দাওয়াত দানের নির্দেশ।
আবদুস শহীদ নাসিম
হে নবী! বলো: আমার কাছে অহি করা হয়েছে যে, একদল জিন মনোযোগ দিয়ে (কুরআন) শুনেছে। তারপর তারা (তাদের সম্প্রদায়ের কাছে গিয়ে) বলেছে: ‘‘আমরা শুনে এসেছি এক বিস্ময়কর কুরআন,
বয়ান ফাউন্ডেশন
বল, ‘আমার প্রতি ওহী করা হয়েছে যে, নিশ্চয় জিনদের একটি দল মনোযোগ সহকারে শুনেছে। অতঃপর বলেছে, ‘আমরা তো এক বিস্ময়কর কুরআন শুনেছি,
জহুরুল হক
বলো - - ''আমার কাছে প্রত্যাদেশ করা হয়েছে যে জিনদের একটি দল শুনেছিল, এবং বলেছিল - - 'আমরা নিশ্চয় এক আশ্চর্যজনক কুরআন শুনেছি,
আমরা চেয়েছিলাম আকাশের খবর সংগ্রহ করতে, কিন্তু আমরা দেখতে পেলাম সেখানে কঠোর প্রহরীতে ভরা, আরো দেখতে পেলাম ব্যাপক উল্কা পিন্ড।
বয়ান ফাউন্ডেশন
‘আর নিশ্চয় আমরা আকাশ স্পর্শ করতে চেয়েছিলাম*, কিন্তু আমরা সেটাকে পেলাম যে, তা কঠোর প্রহরী এবং উল্কাপিন্ড দ্বারা পরিপূর্ণ’। *আকাশের সংবাদ সংগ্রহ করার চেষ্টা করেছিলাম।
জহুরুল হক
''আর 'আমরা আকাশে আড়ি পাততাম, কিন্ত আমরা তাকে দেখতে পেতাম কড়া প্রহরী ও অগ্নিশিখা দিয়ে ভরপূর,
আমরা যখন হিদায়াতের বাণী শুনলাম, আমরা তাতে ঈমান আনলাম। যে কেউ তার প্রভুর প্রতি ঈমান আনবে তার কোনো ক্ষতি বা অন্যায়ের আশংকা থাকবেনা।
বয়ান ফাউন্ডেশন
‘আর নিশ্চয় আমরা যখন হিদায়াতের বাণী শুনলাম, তখন তার প্রতি ঈমান আনলাম। আর যে তার রবের প্রতি ঈমান আনে, সে না কোন ক্ষতির আশংকা করবে এবং না কোন অন্যায়ের’।
জহুরুল হক
'আর আমরা যখন পথনির্দেশ শুনেছি আমরা তাতে বিশ্বাস করেছি। সুতরাং যে কেউ তার প্রভুর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে, সে তবে আশংকা করবে না কমে যাওয়ার অথবা লাঞ্ছনা পাবার,
আমাদের মধ্যে মুসলিমও আছে, সীমালংঘনকারীও আছে। যারা মুসলিম (আত্মসমর্পনকারী) হয়েছে তারা স্বাধীনভাবে সঠিক পথ বেছে নিয়েছে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
‘আর নিশ্চয় আমাদের মধ্যে কিছু সংখ্যক আছে আত্মসমর্পণকারী এবং আমাদের মধ্যে কিছু সংখ্যক সীমালংঘনকারী। কাজেই যারা আত্মসমর্পণ করেছে, তারাই সঠিক পথ বেছে নিয়েছে’।
জহুরুল হক
''আর আমাদের মধ্যের কেউ - কেউ অবশ্য মুসলিম আর আমাদের অন্যেরা সীমালংঘনকারী। সুতরাং যারা আত্মসমর্পণ করেছে তারাই তবে সুষ্ঠুপথের সন্ধান খোঁজেছে।
আল্লাহর বার্তা পৌঁছে দেয়াই কেবল আমার দায়িত্ব।’’ যে কেউ আল্লাহকে এবং তাঁর রসূলকে অমান্য করবে, তার জন্যে জাহান্নামই অবধারিত, চিরদিন চিরকাল তারা পড়ে থাকবে সেখানেই।
বয়ান ফাউন্ডেশন
কেবল আল্লাহর বাণী ও তাঁর রিসালাত পৌঁছানোই দায়িত্ব। আর যে ও তাঁর রাসূলকে অমান্য করে, তার জন্য রয়েছে জাহান্নামের আগুন। তাতে তারা চিরস্থায়ী হবে।
জহুরুল হক
শুধু থেকে পৌঁছে দেওয়া, আর তাঁর বাণীসমূহ।’’ আর যে ও তাঁর রসূলের অবাধ্যতা করে, তার জন্য তবে নিশ্চয়ই রয়েছে জাহান্নামের আগুন, তাতে তারা থাকবে দীর্ঘকাল।
তারা যখন প্রতিশ্রুত শাস্তি দেখতে পাবে, তখনই জানতে পারবে সাহায্যকারী হিসেবে কে দুর্বল আর কে সংখ্যায় নগণ্য?
বয়ান ফাউন্ডেশন
অবশেষে যখন তারা তা প্রত্যক্ষ করবে, যে সম্পর্কে তাদেরকে সাবধান করা হয়েছিল। তখন তারা জানতে পারবে যে, সাহায্যকারী হিসেবে কে অধিকতর দুর্বল এবং সংখ্যায় কারা সবচেয়ে কম।
জহুরুল হক
যে পর্যন্ত না তারা দেখতে পায় যা তাদের ওয়াদা করা হয়েছিল, তখন তারা সঙ্গে - সঙ্গে জানতে পারবে কে সাহায্যলাভের ক্ষেত্রে দুর্বলতর, আর সংখ্যার দিক দিয়ে অল্প।
রসূলরা তাদের প্রভুর বার্তা পৌঁছে দিয়েছে কিনা তা জানার জন্যে। তাদের কাছে যা আছে তা তাঁর জ্ঞানের পরিবেষ্টনেই রয়েছে। তিনি গুণে গুণে হিসাব রাখেন সব কিছুর।
বয়ান ফাউন্ডেশন
যাতে তিনি এটা জানতে পারেন যে, তারা* তাদের রবের রিসালাত পৌঁছিয়েছে কিনা। আর তাদের কাছে যা রয়েছে, তা তিনি পরিবেষ্টন করে রেখেছেন এবং তিনি প্রতিটি বস্তু গুণে গুণে হিসাব করে রেখেছেন। *রাসূলগণ।
জহুরুল হক
যেন তিনি জানতে পারেন যে তাঁরা তাঁদের প্রভুর বাণীসমূহ পৌঁছে দিয়েছেন কি না, আর তিনি ঘিরে আছেন তাঁদের কাছের সব - কিছু, আর তিনি সব - কিছুর হিসাব রাখেন গোনে - গোনে।