Kitab

আল লাইল (রাত)

Chapter 92, 21 verses

  • আবদুস শহীদ নাসিম
  • বয়ান ফাউন্ডেশন
  • জহুরুল হক
  • মুহিউদ্দীন খান
About this chapter


মক্কায় অবতীর্ণ, আয়াত সংখ্যা : ২১, রুকু সংখ্যা: ০১

এই সূরার আলোচ্যসূচি

আয়াতআলোচ্য বিষয় ০১-২১আল্লাহ্ সবকিছু জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্টি করেছেন। মানুষের কর্মও ভালো-মন্দ দুই প্রকার। সত্যপন্থীদের সত্যপথে চলা সহজ, বাতিলপন্থীদের কঠিন পথে চলা সহজ। তাদের জন্য রয়েছে জ্বলন্ত আগুন। তা থেকে রক্ষা পাবে কেবল মুত্তাকিরা।
আবদুস শহীদ নাসিম

রাতের শপথ, যখন সে ঢেকে যায়।

বয়ান ফাউন্ডেশন

কসম রাতের, যখন তা ঢেকে দেয়।

জহুরুল হক

ভাবো রাত্রির কথা, যখন তা ঢেকে দেয়,

মুহিউদ্দীন খান

শপথ রাত্রির, যখন সে আচ্ছন্ন করে,

আবদুস শহীদ নাসিম

দিনের শপথ, যখন সে উঠে উজ্জ্বল হয়ে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

কসম দিনের, যখন তা আলোকিত হয়।

জহুরুল হক

আর দিনের কথা যখন তা ঝলমল করে;

মুহিউদ্দীন খান

শপথ দিনের, যখন সে আলোকিত হয়

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং শপথ তাঁর, যিনি সৃষ্টি করেছেন পুরুষ আর নারী।

বয়ান ফাউন্ডেশন

কসম তাঁর, যিনি নর ও নারী সৃষ্টি করেছেন।

জহুরুল হক

আর তাঁর কথা যিনি পুরুষ ও নারী সৃষ্টি করেছেন।

মুহিউদ্দীন খান

এবং তাঁর, যিনি নর ও নারী সৃষ্টি করেছেন,

আবদুস শহীদ নাসিম

নিশ্চয়ই তোমাদের প্রচেষ্টাও (অনুরূপ বিপরীতধর্মী এবং) নানা রকমের।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় তোমাদের কর্মপ্রচেষ্টা বিভিন্ন প্রকারের।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ তোমাদের কর্মপ্রচেষ্টা অবশ্য বিভিন্ন প্রকৃতির।

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় তোমাদের কর্ম প্রচেষ্টা বিভিন্ন ধরনের।

আবদুস শহীদ নাসিম

তবে (যার কর্ম প্রচেষ্টার ধরণ হলো এই যে) সে দান করে এবং মন্দ কাজ থেকে দূরে থাকে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

সুতরাং যে দান করেছে এবং তাকওয়া অবলম্বন করেছে,

জহুরুল হক

সুতরাং যে কেউ দান করে ও ধর্মভীরুতা অবলন্বন করে,

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, যে দান করে এবং খোদাভীরু হয়,

আবদুস শহীদ নাসিম

আর যা কল্যাণকর সেটাকে সত্য বলে গ্রহণ করে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর উত্তমকে সত্য বলে বিশ্বাস করেছে,

জহুরুল হক

এবং সুষ্ঠু - সুন্দর বিষয়ে সত্যনিষ্ঠ থাকে,

মুহিউদ্দীন খান

এবং উত্তম বিষয়কে সত্য মনে করে,

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তার জন্যে সহজ করে দেবো সহজ (কল্যাণের) পথকে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আমি তার জন্য সহজ পথে চলা সুগম করে দেব।

জহুরুল হক

আমি শীঘই তার জন্য তবে সহজ করে দেব আরাম করার জন্য।

মুহিউদ্দীন খান

আমি তাকে সুখের বিষয়ের জন্যে সহজ পথ দান করব।

আবদুস শহীদ নাসিম

কিন্তু যে বখিলি করে এবং নিজেকে মনে করে স্বয়ম্ভর,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যে কার্পণ্য করেছে এবং নিজকে স্বয়ংসম্পূর্ণ মনে করেছে,

জহুরুল হক

কিন্ত তার ক্ষেত্রে যে কৃপণতা করে ও নিজেকে স্বয়ংসমৃদ্ধ জ্ঞান করে,

মুহিউদ্দীন খান

আর যে কৃপণতা করে ও বেপরওয়া হয়

আবদুস শহীদ নাসিম

আর যা কল্যাণকর সেটাকে করে অস্বীকার,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর উত্তমকে মিথ্যা বলে মনে করেছে,

জহুরুল হক

এবং সুষ্ঠু - সুন্দর বিষয়ে মিথ্যারোপ করে,

মুহিউদ্দীন খান

এবং উত্তম বিষয়কে মিথ্যা মনে করে,

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তার জন্যে সহজ করে দেবো কঠিন (অকল্যাণের) পথকে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আমি তার জন্য কঠিন পথে চলা সুগম করে দেব।

জহুরুল হক

তার জন্য তবে আমি অচিরেই সহজ করে দেব কষ্ট ভোগের জন্য।

মুহিউদ্দীন খান

আমি তাকে কষ্টের বিষয়ের জন্যে সহজ পথ দান করব।

আবদুস শহীদ নাসিম

তার কী উপকারে আসবে তার মাল - সম্পদ যখন সে পতিত হবে (ধ্বংসের দিকে)?

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তার সম্পদ তার কোন কাজে আসবে না, যখন সে অধঃপতিত হবে।

জহুরুল হক

আর তার ধনসম্পদ তার কোনো কাজে আসবে না যখন সে অধঃপাতে পড়বে।

মুহিউদ্দীন খান

যখন সে অধঃপতিত হবে, তখন তার সম্পদ তার কোনই কাজে আসবে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

সঠিক পথ দেখানো তো আমাদের দায়িত্ব।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় পথ প্রদর্শন করাই আমার দায়িত্ব।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ আমাদের কর্তব্য তো পথনির্দেশ করা চ

মুহিউদ্দীন খান

আমার দায়িত্ব পথ প্রদর্শন করা।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর আমরাই তো মালিক এবং ইহকালের।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর অবশ্যই আমার অধিকারে পরকাল ও ইহকাল।

জহুরুল হক

আর নিঃসন্দেহ আমরাই তো মালিক পরকালের ও পূর্বকালের।

মুহিউদ্দীন খান

আর আমি মালিক ইহকালের ও পরকালের।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাই আমি তোমাদের সতর্ক করে দিচ্ছি জ্বলন্ত আগুন থেকে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতএব আমি তোমাদের সতর্ক করে দিয়েছি লেলিহান আগুন সম্পর্কে,

জহুরুল হক

সেজন্য তোমাদের সাবধান করে দিচ্ছি লেলিহান আগুন সন্বন্ধে,

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, আমি তোমাদেরকে অগ্নি সম্পর্কে সতর্ক করে দিয়েছি।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাতে কেউ প্রবেশ করবেনা দুর্ভাগা ছাড়া,

বয়ান ফাউন্ডেশন

তাতে নিতান্ত হতভাগা ছাড়া কেউ প্রবেশ করবে না;

জহুরুল হক

তাতে প্রবেশ করবে না নিতান্ত হতভাগ্য ব্যতীত - -

মুহিউদ্দীন খান

এতে নিতান্ত হতভাগ্য ব্যক্তিই প্রবেশ করবে,

আবদুস শহীদ নাসিম

যে (সত্যকে) অস্বীকার করে এবং মুখ ফিরিয়ে নেয়।

বয়ান ফাউন্ডেশন

যে অস্বীকার করেছে এবং মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে।

জহুরুল হক

যে মিথ্যারোপ করে ও ফিরে যায়।

মুহিউদ্দীন খান

যে মিথ্যারোপ করে ও মুখ ফিরিয়ে নেয়।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর তা থেকে দূরে রাখা হবে অতীব (সদা সতর্ক) ব্যক্তিকে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তা থেকে দূরে রাখা হবে পরম মুত্তাকীকে।

জহুরুল হক

আর এর থেকে আলবৎ দূরে রাখা হবে তাকে যে পরম ধর্মভীরু - -

মুহিউদ্দীন খান

এ থেকে দূরে রাখা হবে খোদাভীরু ব্যক্তিকে,

আবদুস শহীদ নাসিম

যে তার মাল - সম্পদ দান করে নিজের পরিশুদ্ধি ও উন্নতির জন্যে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

যে তার সম্পদ দান করে আত্ম-শুদ্ধির উদ্দেশ্যে,

জহুরুল হক

যে তার ধনদেলত দান করে, আ‌ত্মশুদ্ধি করে,

মুহিউদ্দীন খান

যে আত্নশুদ্ধির জন্যে তার ধন - সম্পদ দান করে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তার প্রতি কারো অনুগ্রহের প্রতিদান হিসেবে নয়,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তার প্রতি কারো এমন কোন অনুগ্রহ নেই, যার প্রতিদান দিতে হবে।

জহুরুল হক

আর কারো ক্ষেত্রে তার জন্য এমন কোনো অনুগ্রহসামগ্রী নেই যার জন্যে সে প্রতিদান দাবি করতে পারে - -

মুহিউদ্দীন খান

এবং তার উপর কারও কোন প্রতিদানযোগ্য অনুগ্রহ থাকে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

বরং শুধুমাত্র তার মহান প্রভুর সন্তুষ্টির প্রত্যাশায়।

বয়ান ফাউন্ডেশন

কেবল তার মহান রবের সন্তুষ্টির প্রত্যাশায়।

জহুরুল হক

তার মহিমান্বিত প্রভুর প্রসন্নবদন কামনা ব্যতীত।

মুহিউদ্দীন খান

তার মহান পালনকর্তার সন্তুষ্টি অন্বেষণ ব্যতীত।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর অচিরেই তিনি সন্তুষ্ট হবেন (তার প্রতি)।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর অচিরেই সে সন্তোষ লাভ করবে।

জহুরুল হক

আর অচিরেই সে তো সন্তোষ লাভ করবেই।

মুহিউদ্দীন খান

সে সত্বরই সন্তুষ্টি লাভ করবে।

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme