Kitab

ইবরাহিম

Chapter 14, 52 verses

  • আবদুস শহীদ নাসিম
  • বয়ান ফাউন্ডেশন
  • জহুরুল হক
About this chapter


মক্কায় অবতীর্ণ, আয়াত সংখ্যা: ৫২, রুকু সংখ্যা: ০৭

এই সূরার আলোচ্যসূচি

আয়াতআলোচ্য বিষয় ০১-০৩কুরআন নাযিলের উদ্দেশ্য। ০৪প্রত্যেক রসূলকে নিজ জাতির ভাষায় দাওয়াত দিতে পাঠানো হয়েছে। ০৫-০৮মূসাকেও একই উদ্দেশ্যে আল্লাহর আয়াত দিয়ে পাঠানো হয়েছিল। ০৯-১৭অতীত রসূলগণের দাওয়াত এবং তাদের জাতির কুফুরি। রসূলগণের দৃঢ়তা এবং কাফিরদের অশুভ পরিণতি। ১৮-২১কাফিরদের কর্মকান্ডের উপমা। পরকালে দুর্বল ও শক্তিমানদের বিতর্ক। ২২বিচার ফায়সালার পর হাশর ময়দানে শয়তানের বক্তৃতা। ২৩-৩৪মুমিনদের শুভ পরিণতি। সত্যবাণী ও মিথ্যা কথার উপমা। বাতিলপন্থীদের পরিণতি। মানুষের প্রতি আল্লাহর সীমাহীন অনুগ্রহ। ৩৫-৪১মূর্তি ও ভাস্কর্য পূজারীদের বিরুদ্ধে ইবরাহিমের আ. প্রার্থনা। ইবরাহিমের সন্তানদের একটি অংশকে মক্কায় প্রতিষ্ঠা এবং এর কারণ। ৪২-৫২মানুষকে কিয়ামতের ব্যাপারে সতর্ক করার নির্দেশ। ইসলামের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারীরা ব্যর্থ হয়ে যাবে। কিয়ামতের দিন এই পৃথিবীকে নতুন রূপে গড়া হবে। সেদিন অপরাধীরা থাকবে শৃঙ্খলবদ্ধ।
আবদুস শহীদ নাসিম

আলিফ লাম রা। এই কিতাব আমরা তোমার প্রতি নাযিল করেছি, যাতে করে তুমি মানব সমাজকে বের করে আনো অন্ধকাররাশি থেকে আলোতে, তাদের প্রভুর অনুমতিক্রমে মহাপরাক্রমশালী সপ্রশংসিত আল্লাহর পথে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আলিফ-লাম-রা; এই কিতাব, যা আমি তোমার প্রতি নাযিল করেছি, যাতে তুমি মানুষকে তাদের রবের অনুমতিক্রমে অন্ধকার থেকে আলোর দিকে বের করে আন, পরাক্রমশালী সর্বপ্রশংসিতের পথের দিকে।

জহুরুল হক

আলিফ, লাম, রা। একখানা গ্রন্থ, আমরা তোমার কাছে এ অবতারণ করেছি যেন তুমি মানবগোষ্ঠিকে তাদের প্রভুর অনুমতিক্রমে অন্ধকার থেকে আলোকে বের করে আনতে পারো, - - মহাশক্তিশালী পরম প্রশংসার্হের পথে,

আবদুস শহীদ নাসিম

, মহাকাশ এবং এই পৃথিবীতে যা কিছু আছে সবই তাঁর। আর কাফিরদের জন্যে রয়েছে কঠোর আযাবের দুর্ভোগ।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আল্লাহর (পথ), আসমানসমূহ ও যমীনের সব কিছুই যার মালিকানায় এবং কাফিরদের জন্য রয়েছে কঠিন আযাবের দুর্ভোগ।

জহুরুল হক

সেই ‌, - - মহাকাশমন্ডলীতে যা - কিছু আছে আর যা - কিছু আছে পৃথিবীতে সে - সবটাই তাঁর। আর কি দুর্ভোগ অবিশ্বাসীদের জন্য কঠিন শাস্তির কারণে! - -

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা দুনিয়ার জীবনকে বেশি মহববত করে আখিরাতের চাইতে, আর আল্লাহর পথে বাধা সৃষ্টি করে এবং তাতে সন্ধান করে বক্রতার, তারা বিপথে চলে গেছে বহুদূর।

বয়ান ফাউন্ডেশন

যারা দুনিয়ার জীবনকে থেকে অধিক পছন্দ করে, আর আল্লাহর পথে বাধা দেয় এবং তাতে বক্রতার সন্ধান করে; তারা ঘোরতর ভ্রষ্টতায় রয়েছে।

জহুরুল হক

যারা পরকালের উপরি এই দুনিয়ার জীবনটাকেই বেশী ভালোবাসে, আর ‌র পথ থেকে নিবৃত্ত করে, আর একে করতে চায় কুটিল। এরাই রয়েছে সুদূর - প্রসারিত ভ্রান্তিতে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা একজন রসূলও পাঠাইনি তার স্বজাতির ভাষায় ছাড়া, যাতে করে সে তাদেরকে স্পষ্ট করে বার্তা পৌঁছাতে পারে। তারপর যাকে চান বিপথগামী করে দেন আর যাকে চান সঠিক পথে পরিচালিত করেন। তিনি দুর্জয় ক্ষমতাবান মহাজ্ঞানী।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি প্রত্যেক রাসূলকে তার কওমের ভাষাতেই পাঠিয়েছি, যাতে সে তাদের কাছে বর্ণনা দেয়, সুতরাং যাকে ইচ্ছা পথভ্রষ্ট করেন এবং যাকে ইচ্ছা সঠিক পথ দেখান। আর তিনি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।

জহুরুল হক

আর আমরা এমন কোনো রসূলকে পাঠাইনি তাঁর স্বজাতির ভাষা ব্যতীত, যেন তাদের জন্য তিনি সুস্পষ্ট করতে পারেন। তারপর পথভ্রষ্ট হতে দেন যাকে তিনি ইচ্ছে করেন, আর যাকে ইচ্ছে করেন সৎপথে চালান। আর তিনিই তো মহাশক্তিশালী, পরমজ্ঞানী।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা আমাদের এক গুচ্ছ নিদর্শনসহ মূসাকে পাঠিয়েছিলাম এই নির্দেশ দিয়ে: ‘তুমি তোমার কওমকে অন্ধকাররাশি থেকে আলোতে বের করে আনো আর তাদেরকে আল্লাহর দিনগুলোর কথা স্মরণ করিয়ে দিতে থাকো। এতে পরম ধৈর্যশীল কৃতজ্ঞ লোকদের জন্যে রয়েছে নিদর্শন।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি মূসাকে আমার আয়াতসমূহ দিয়ে পাঠিয়েছি যে, ‘তুমি তোমার কওমকে অন্ধকার হতে আলোর দিকে বের করে আন এবং আল্লাহর দিবসসমূহ* তাদের স্মরণ করিয়ে দাও’। নিশ্চয় এতে প্রতিটি ধৈর্যশীল, কৃতজ্ঞ ব্যক্তির জন্য রয়েছে অসংখ্য নিদর্শন। * দিবসসমূহ দ্বারা উদ্দেশ্য ইতঃপূর্বের ঐ

জহুরুল হক

আর আমরা নিশ্চয়ই মূসাকে আমাদের নির্দেশাবলী দিয়ে পাঠিয়েছিলাম এই ব’লে - - ''তোমার সম্প্রদায়কে অন্ধকার থেকে আলোকে বের করে আনো, আর তাদের স্মরণ করিয়ে দাও ‌র দিনগুলোর কথা।’’ নিঃসন্দেহ এতে নিদর্শন রয়েছে প্রত্যেক অধ্যবসায়ী কৃতজ্ঞদের জন্য।

আবদুস শহীদ নাসিম

স্মরণ করো, মূসা তার কওমকে বলেছিল: ‘‘তোমরা তোমাদের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহের কথা স্মরণ করো যখন তিনি তোমাদের নাজাত দিয়েছিলেন ফেরাউন গোষ্ঠীর কবল থেকে। তারা তোমাদের দিয়েছিল নিকৃষ্ট ধরনের আযাব। তারা যবাই করছিল তোমাদের পুত্র সন্তানদের আর জীবিত রাখছিল তোমাদের নারীদের। এতে তোমাদের প্রভুর পক্ষ থেকে তোমাদের জন্যে ছিলো এক বিরাট পরীক্ষা।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যখন মূসা তার কওমকে বলেছিল, তোমাদের প্রতি আল্লাহর নিয়ামাত স্মরণ কর, যখন তিনি তোমাদেরকে ফির‘আউন পরিবারের কবল থেকে রক্ষা করেছেন, তারা তোমাদের জঘন্য আযাব দিত। আর তারা তোমাদের ছেলেদেরকে যবেহ করত এবং নারীদেরকে জীবিত রাখত। আর তাতে ছিল তোমাদের রবের পক্ষ থেকে ম

জহুরুল হক

আর স্মরণ করো! মূসা তাঁর সম্প্রদায়কে বললেন - - ''তোমাদের প্রতি ‌র অনুগ্রহ স্মরণ করো - - যখন তিনি তোমাদের উদ্ধার করেছিলেন ফিরআউনের লোকদের কবল থেকে, যারা তোমাদের পীড়ন করতো কঠোর নিপীড়নে, আর হত্যা করতো তোমাদের পুত্রসন্তানদের ও বাঁচতে দিত তোমাদের নারীদের। আর তোমাদের জন্য এতে তোমাদের প্রভুর কাছ থেকে ছিল এক কঠোর সংকট।

আবদুস শহীদ নাসিম

স্মরণ করো, তোমাদের প্রভু তোমাদের জানিয়ে দিয়েছিলেন, তোমরা যদি শোকর গুজারি করো তাহলে আমি তোমাদের আরো বেশি করে দেবো, আর যদি অকৃতজ্ঞ হও, তবে আমার আযাব অবশ্যি কঠোর।’’

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যখন তোমাদের রব ঘোষণা দিলেন, ‘যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় কর, তবে আমি অবশ্যই তোমাদের বাড়িয়ে দেব, আর যদি তোমরা অকৃতজ্ঞ হও, নিশ্চয় আমার আযাব বড় কঠিন’।

জহুরুল হক

আর স্মরণ করো! তোমাদের প্রভু ঘোষণা করলেন - - ''তোমরা যদি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করো তাহলে আমি অবশ্যই তোমাদের বাড়িয়ে দেবো, কিন্তু তোমরা যদি অকৃতজ্ঞ হও তাহলে আমার শাস্তি নিশ্চয়ই সুকঠোর।

আবদুস শহীদ নাসিম

মূসা আরো বলেছিল: ‘তোমরা এবং পৃথিবীর সবাইও যদি আল্লাহর প্রতি অকৃতজ্ঞ হও, তবু সবার থেকে প্রয়োজনমুক্ত স্বয়ম্ভর সপ্রশংসিত।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর মূসা বলল, ‘যদি তোমরা ও যমীনের সকলে কর, তাহলে নিশ্চয় অমুখাপেক্ষী, প্রশংসিত’।

জহুরুল হক

আর মূসা বলেছিলেন - - ''তোমরা যদি অকৃতজ্ঞ হও, তোমরা আর পৃথিবীতে যারা আছে সবাই, তাহলে নিঃসন্দেহ তো অতি ধনবান, পরম প্রশংসার্হ।’’

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমাদের কাছে কি তোমাদের আগেকার লোকদের সংবাদ আসেনি, নূহের জাতি, আদ জাতি ও সামুদ জাতির সংবাদ? আর তাদের পরবর্তীদের সংবাদ? তাদের বিষয়ে ছাড়া আর কেউ জানেন না। তাদের কাছে তাদের রসূলরা এসেছিল সুস্পষ্ট নিদর্শন নিয়ে, কিন্তু তারা তাদের হাত তাদের মুখে চেপে ধরেছিল এবং বলেছিল: ‘তোমরা যা নিয়ে প্রেরিত হয়েছো তার প্রতি আমরা কুফুরি করলাম। তোমরা যার প্রতি আমাদের ডাকছো সে বিষয়ে বিভ্রান্তিকর সন্দেহের মধ্যে আমরা রয়েছি।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

তোমাদের কাছে কি তোমাদের পূর্বের লোকদের সংবাদ পৌছেনি? নূহ, আদ ও সামূদ জাতির এবং যারা তাদের পরের, যাদেরকে ছাড়া কেউ জানে না। তাদের রাসূলগণ তাদের নিকট স্পষ্ট প্রমাণাদি নিয়ে এসেছিল, ফলে তারা ফিরিয়ে দিল তাদের হাত তাদের মুখে এবং বলল, ‘নিশ্চয় তোমাদেরকে যা

জহুরুল হক

তোমাদের নিকট কি পৌঁছেনি তোমাদের পূর্বে যারা ছিল তাদের ইতিহাস - - নূহ্ ও 'আদ ও ছামূদের সম্প্রদায়ের আর যারা ওদের পরে ছিল? ছাড়া অন্য কেউ তাদের জানে না। তাদের রসূলগণ তাদের কাছে এসেছিলেন স্পষ্ট প্রমাণাবলী নিয়ে, কিন্তু তারা তাদের হাত দিয়েছিল তাদের মুখের ভেতরে, আর তারা বলেছিল, ''আমরা অবশ্যই অবিশ্বাস করি যা নিয়ে তোমরা প্রেরিত হয়েছ, আর আমরা তো নিশ্চয়ই সন্দেহের মধ্যে রয়েছি যার দিকে তোমরা আমাদের ডাকছ সে - সন্বন্ধে, কিংকর্তব্যবিমূঢ়।’’

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের রসূলরা বলেছিল: ‘আল্লাহর সম্পর্কে তোমাদের সন্দেহ? অথচ তিনিই মহাকাশ ও পৃথিবীর স্রষ্টা। তিনি তোমাদের পাপ ক্ষমা করে দেয়ার উদ্দেশ্যে তোমাদের ডাকছেন আর একটা নির্দিষ্ট সময়কাল পর্যন্ত তোমাদের অবকাশ দেয়ার জন্যে।’ তারা বলেছিল: ‘তোমরা তো আমাদের মতোই মানুষ। তোমরা তো চাইছো, আমাদের পূর্ব পুরুষরা যে সবের ইবাদত করতো আমাদেরকে সেগুলো থেকে বাধা দিতে। তোমরা আমাদেরকে সুস্পষ্ট প্রমাণ দেখাও।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

তাদের রাসূলগণ বলেছিল, ‘আল্লাহর ব্যাপারেও কি সন্দেহ, যিনি আসমানসমূহ ও যমীনের সৃষ্টিকর্তা? তিনি তোমাদেরকে আহবান করেন যাতে তিনি তোমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করেন এবং তিনি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত তোমাদেরকে অবকাশ দেন’। তারা বলল, ‘তোমরা তো আমাদের মতই মানুষ, ‘তোমরা আমাদে

জহুরুল হক

তাদের রসূলগণ বলেছিলেন, '' সন্বন্ধে কি কোনো সন্দেহ আছে, - - মহাকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর আদি স্রষ্টা? তিনি তোমাদের আহ্বান করছেন তোমাদের দোষত্রুটি থেকে তোমাদের পরিত্রাণ করতে, আর এক নির্দিষ্টকাল পর্যন্ত তোমাদের অব্যাহতি দিতে।’’ তারা বললে, ''তোমরা তো আমাদের ন্যায় মানুষ বই নও। তোমরা চাচ্ছ আমাদের বিরত রাখতে আমাদের পিতৃপুরুষরা যার উপাসনা করত তা থেকে! অতএব তোমরা আমাদের কাছে কোনো সুস্পষ্ট প্রমাণ নিয়ে এসো।’’

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের রসূলরা তাদের বলেছিল: ‘‘আমরা অবশ্যি তোমাদের মতো মানুষ, কিন্তু তাঁর বান্দাদের যাকে চান, তার প্রতি অনুগ্রহ করেন। আল্লাহর অনুমতি ছাড়া তোমাদের কাছে কোনো প্রমাণ নিয়ে আসা আমাদের কাজ নয়। মুমিনরা আল্লাহর উপরই ভরসা করে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তাদেরকে তাদের রাসূলগণ বলল, ‘আমরা তো কেবল তোমাদের মতই মানুষ, কিন্তু তার বান্দাদের মধ্যে যাকে ইচ্ছা অনুগ্রহ করেন। আর আল্লাহর অনুমতি ছাড়া তোমাদের কাছে প্রমাণ নিয়ে আসার সাধ্য আমাদের নেই। আর কেবল আল্লাহর উপরই মুমিনদের তাওয়াক্কুল করা উচিত’।

জহুরুল হক

তাদের রসূলগণ তাদের বলেছিলেন, ''সত্য বটে আমরা তোমাদের মতো মানুষ বই তো নই, কিন্তু তাঁর বান্দাদের মধ্যে থেকে যাকে ইচ্ছে করেন তার প্রতি অনুগ্রহ বর্ষণ করেন। আর আমাদের জন্য এটি নয় যে ‌র অনুমতি ব্যতীত তোমাদের কাছে কোনো প্রমাণ নিয়ে আসব। অতএব ‌র উপরেই তবে মুমিনরা নির্ভর করুক।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা কেন আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল করবো না, অথচ তিনিই তো আমাদেরকে সঠিক পথের সন্ধান দিয়েছেন? তোমরা আমাদের যতো কষ্টই দাও না কেন, আমরা অবশ্যি অটল - সহনশীল থাকবো। যারা নির্ভর করে তারা আল্লাহর উপর নির্ভর করুক।’’

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘আর আমরা কেন আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল করব না, অথচ তিনিই আমাদেরকে আমাদের পথের দিশা দিয়েছেন। আর তোমরা আমাদের যে কষ্ট দিচ্ছ, আমরা তার উপর অবশ্যই সবর করব। আর আল্লাহর উপরই যেন তাওয়াক্কুলকারীরা তাওয়াক্কুল করে’।

জহুরুল হক

''আর আমাদের কি কারণ থাকতে পারে যে আমরা ‌র উপরে নির্ভর করব না, অথচ তিনিই তো আমাদের চালিত করেছেন আমাদের পথে? আর আমরা নিশ্চয়ই অধ্যবসায় অবলন্বন করব তোমরা আমাদের যা ক্লেশ দিচ্ছ তা সত্ত্বেও। আর ‌র উপরেই তবে নির্ভর করুক নির্ভরকারীরা।’’

আবদুস শহীদ নাসিম

কাফিররা তাদের রসূলদের বলেছিল: ‘আমরা অবশ্যি আমাদের দেশ থেকে তোমাদের বের করে দেবো, অথবা তোমাদেরকে আমাদের ধর্মেই ফিরে আসতে হবে।’ তখন তাদের (রসূলদের) প্রভু তাদেরকে অহির মাধ্যমে জানিয়ে দেন: ‘‘আমরা অবশ্যি যালিমদের হালাক করে দেবো।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যারা করেছে, তারা তাদের রাসূলদের বলল, ‘আমরা তোমাদেরকে আমাদের ভূ-খন্ড থেকে অবশ্যই বের করে দেব, অথবা তোমরা অবশ্যই আমাদের মিল্লাতে ফিরে আসবে’। অতঃপর তাদের রব তাদের নিকট ওহী পাঠালেন, ‘আমি অবশ্যই যালিমদের ধ্বংস করে দেব’।

জহুরুল হক

আর যারা অবিশ্বাস পোষণ করে তারা তাদের রসূলগণকে বলেছিল - - ''আমাদের দেশ থেকে আমরা নিশ্চয়ই তোমাদের বের করে দেবো, অথবা আমাদের ধর্মমতে তোমাদের ফিরে আসতেই হবে।’’ তখন তাঁদের প্রভু তাঁদের কাছে প্রত্যাদেশ দিয়েছিলেন - - ''আমরা নিশ্চয়ই অন্যায়কারীদের বিধ্বস্ত করব,

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের (ধ্বংসের) পরে আমরা তোমাদেরকেই দেশে প্রতিষ্ঠিত করবো। এটা তাদের জন্যে যারা আমার সামনে উপস্থিত হবার ভয় পোষণ করে এবং ভয় করে আমার ধমককে।’’

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘আর নিশ্চয় আমি তাদের পর তোমাদেরকে যমীনে বাস করতে দেব। এটা তার জন্য, যে আমার অবস্থানকে ভয় করে এবং ভয় করে আমার ধমকের’।

জহুরুল হক

''আর তাদের পরে আমরা দেশে অবশ্যই তোমাদের প্রতিষ্ঠিত করব। এটি তার জন্য যে ভয় করে আমার সামনে দাঁড়াতে, এবং ভয় করে আমার শাস্তির।’’

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা বিজয় কামনা করেছিল। কিন্তু ব্যর্থ হয়েছিল প্রত্যেক উদ্ধত স্বৈরাচারী।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তারা বিজয় কামনা করল, আর ব্যর্থ হল সকল স্বেচ্ছাচারী, হঠকারী।

জহুরুল হক

আর তারা বিজয়কামনা করেছিল, আর প্রত্যেক দুরাচারী বিরুদ্ধাচারী ব্যর্থ মনোরথ হল।

আবদুস শহীদ নাসিম

পরবর্তীতে তার জন্যে রয়েছে জাহান্নাম এবং তাকে পান করানো হবে গলিত পূঁজের পানি।

বয়ান ফাউন্ডেশন

এর সামনে রয়েছে জাহান্নাম, আর তাদের পান করানো হবে গলিত পুঁজ থেকে।

জহুরুল হক

তার সামনে রয়েছে জাহান্নাম, আর তাকে পান করানো হবে নোংরা - পচা জল।

আবদুস শহীদ নাসিম

সে বহু কষ্টে এক ঢোক এক ঢোক করে গিলবে এবং গেলা তার জন্যে মোটেই সহজ হবেনা। চতুর্দিক থেকে মৃত্যু তাকে আচ্ছন্ন করবে, কিন্তু তার মউত হবেনা। এরপর তার উপর চেপে বসবে এক কঠিন আযাব।

বয়ান ফাউন্ডেশন

সে তা গিলতে চাইবে এবং প্রায় সহজে সে তা গিলতে পারবে না। আর তার কাছে সকল স্থান থেকে মৃত্যু ধেঁয়ে আসবে, অথচ সে মরবে না। আর এর পরেও রয়েছে কঠিন আযাব ।

জহুরুল হক

সে তা চুমুক দিয়ে পান করবে, আর সে তা সহজে গলাধঃকরণ করতে পারবে না, আর মরণ যন্ত্রণা তার কাছে আসবে সব দিক থেকে, কিন্তু সে মরবে না। আর তার সামনে রয়েছে কড়া শাস্তি।

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা তাদের প্রভুর প্রতি কুফুরি করে তাদের উপমা হলো: তাদের আমলসমূহ হলো ভস্মের মতো, ঝড়ের দিনে বাতাস সেগুলো প্রচন্ড বেগে উড়িয়ে নিয়ে যায়। তাদের উপার্জনের কিছুই তারা কাজে লাগাতে সক্ষম হয়না। এটাই হলো ঘোরতর বিপথগামিতা।

বয়ান ফাউন্ডেশন

যারা তাদের রবের সাথে করে তাদের আমলসমূহের দৃষ্টান্ত হল এমন ছাইয়ের মত, প্রবল ঘুর্ণিঝড়ের দিনে বাতাস প্রচন্ড বেগে যা বহন করে নিয়ে যায়। তারা যা অর্জন করেছে, তার মাধ্যমে কিছুই করতে পারে না। এ তো ঘোরতর বিভ্রান্তি।

জহুরুল হক

যারা তাদের প্রভুকে অস্বীকার করে তাদের উপমা হচ্ছে - - তাদের ক্রিয়াকর্ম ছাইয়ের মতো, যার উপর দিয়ে বয়ে চলে ঝড় - তুফানের দিনের ঝড়ো বাতাস। তারা যা অর্জন করেছে তার কিছুরই উপরে তারা কোনো ক্ষমতা রাখতে পারবে না। এইটি হচ্ছে সুদূর প্রসারিত বিভ্রান্তি।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা কি দেখছো না যে, বাস্তবতার সাথে মহাকাশ ও পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন? তিনি চাইলে তোমাদের বিলুপ্ত করে নতুন সৃষ্টিকে অস্তিত্বে আনতে পারেন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তুমি কি দেখ না যে, আসমানসমূহ এবং যমীন সৃষ্টি করেছেন যথাযথভাবে? তিনি ইচ্ছা করলে তোমাদেরকে নিশ্চি‎হ্ন করতে পারেন এবং অস্তিত্বে আনতে পারেন নতুন সৃষ্টি ।

জহুরুল হক

তোমরা কি দেখ না যে মহাকাশমন্ডল ও পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন সত্যের সাথে? তিনি যদি চান তাহলে তোমাদের সরিয়ে দিতে পারেন এবং এক নতুন সৃষ্টি আনয়ন করবেন,

আবদুস শহীদ নাসিম

এ কাজ আল্লাহর জন্যে মোটেও কষ্টকর নয়।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর এটা আল্লাহর জন্য মোটেই কঠিন নয়।

জহুরুল হক

আর এটি ‌র জন্যে কঠিন নয়।

আবদুস শহীদ নাসিম

সবাই যখন উপস্থিত হবে আল্লাহর কাছে। তখন দাম্ভিক কর্তৃত্বশালীদের উদ্দেশ্যে দুর্বলরা বলবে: ‘আমরা তো তোমাদের অনুসারী ছিলাম, এখন তোমরা কি আল্লাহর আযাব থেকে আমাদের কিছুমাত্র রক্ষা করতে পারবে?’ তারা বলবে: ‘ যদি আমাদেরকে সঠিক পথে চালাতেন, তাহলে আমরাও তোমাদেরকে সঠিক পথে পরিচালিত করতাম। এখন আমরা সহ্য করি কিংবা ধৈর্য হারাই একই কথা, এখান থেকে আমাদের নিষ্কৃতি নেই।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তারা সবাই আল্লাহর সামনে হাজির হবে, অতঃপর যারা অহঙ্কার করেছে দুর্বলরা তাদেরকে বলবে, ‘নিশ্চয় আমরা তোমাদের অনুসারী ছিলাম। সুতরাং তোমরা কি আল্লাহর আযাবের মোকাবেলায় আমাদের কোন উপকারে আসবে’? তারা বলবে, ‘যদি আমাদের হিদায়াত করতেন, তাহলে আমরাও তোমাদের হি

জহুরুল হক

আর তারা সবাই আসবে ‌র সামনে, তখন দুর্বলেরা বলবে যারা অহংকার করত তাদের - - ''আমরা তো নিশ্চয়ই তোমাদের অনুগামী ছিলাম, সুতরাং ‌র শাস্তি থেকে কিছুটা আমাদের থেকে তোমরা সরিয়ে নিতে পার কি?’’ তারা বলবে - - '' যদি আমাদের সৎপথে চালিত করতেন তবে আমরাও তোমাদের সৎপথে চালিত করতাম। আমরা অসহিষ্ণুতা দেখাই বা ধৈর্যধারণ করি আমাদের জন্য সবই সমান, আমাদের জন্য কোনো নিষ্কৃতি নেই।’’

আবদুস শহীদ নাসিম

যখন বিচার কাজ শেষ হয়ে যাবে তখন শয়তান বলবে: ‘ তোমাদের ওয়াদা দিয়েছিলেন সত্য ওয়াদা। আর আমিও তোমাদের ওয়াদা দিয়েছিলাম, কিন্তু আমি তোমাদেরকে দেয়া ওয়াদা ভঙ্গ করেছি। তোমাদের উপর আমার কোনো কর্তৃত্ব ছিলনা। আমি তো কেবল তোমাদের আহবান করেছি। তোমরা আমার আহবানে সাড়া দিয়েছিলে। সুতরাং আজ আমাকে তিরস্কার করোনা, নিজেকে নিজে তিরস্কার করো। আমি তোমাদের রক্ষা করতে সক্ষম নই, তোমরাও আমাকে রক্ষা করতে সক্ষম নও। তোমরা যে আমাকে ইতোপূর্বে (পৃথিবীতে) আল্লাহর শরিক বানিয়েছিলে আমি সেটা অস্বীকার করছি। যালিমদের জন্যে তো রয়েছে বেদনাদায়ক আযাব।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যখন যাবতীয় বিষয়ের ফয়সালা হয়ে যাবে, তখন শয়তান বলবে, ‘নিশ্চয় তোমাদেরকে ওয়াদা দিয়েছিলেন সত্য ওয়াদা, তোমাদের উপর আমার কোন আধিপত্য ছিল না, তবে আমিও তোমাদেরকে ওয়াদা দিয়েছিলাম, এখন আমি তা ভঙ্গ করলাম। তোমাদেরকে দাওয়াত দিয়েছি, আর তোমরা আমার দাওয়াতে সাড়া

জহুরুল হক

আর যখন ব্যাপারটার মীমাংসা হয়ে যাবে তখন শয়তান বলবে - - ''নিঃসন্দেহ তোমাদের ওয়াদা করেছিলেন সত্য ওয়াদা, আর আমিও তোমাদের কাছে অঙ্গীকার করেছিলাম, কিন্তু তোমাদের কাছে আমি খেলাফ করি। আর তোমাদের উপরে আমার কোনো আধিপত্য ছিল না, আমি শুধুমাত্র তোমাদের ডেকেছিলাম, তখন তোমরা আমার প্রতি সাড়া দিয়েছিলে। সুতরাং তোমরা আমাকে দোষ দিও না, বরং তোমাদের নিজেদেরকেই দোষারোপ কর। আমি তোমাদের উদ্ধারের পাত্র নই আর তোমরাও আমার উদ্ধারের পাত্র নও। আমি নিঃসন্দেহ অস্বীকার করি তোমরা যে ইতিপূর্বে আমাকে অংশী বানিয়েছিলে।’’ নিঃসন্দেহ অন্যায়কারীরা, - - তাদের জন্য রয়েছে মর্মন্তুদ শাস্তি।

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা ঈমান এনেছে এবং আমলে সালেহ্ করেছে তাদের দাখিল করা হবে জান্নাতে (উদ্যানসমূহে), যেগুলোর নিচে দিয়ে বহমান থাকবে নদ - নদী - নহর। সেখানে থাকবে তারা চিরকাল তাদের প্রভুর অনুমতিক্রমে। সেখানে তাদের অভিবাদন হবে ‘সালাম’।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যারা ঈমান আনে এবং নেক আমল করে তাদের জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে, যার তলদেশে নহরসমূহ প্রবাহিত হবে, তারা তাতে তাদের রবের অনুমতিক্রমে স্থায়ী হবে। তথায় তাদের অভিবাদন হবে ‘সালাম’।

জহুরুল হক

আর যারা ঈমান এনেছে ও সৎকর্ম করছে তাদের প্রবেশ করানো হবে স্বর্গোদ্যানসমূহে যাদের নিচে দিয়ে বয়ে যাচ্ছে ঝরনারাজি, সেখানে তারা থাকবে স্থায়ীভাবে তাদের প্রভুর অনুমতিক্রমে। সেখানে তাদের অভিবাদন হবে ''সালাম’’!

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি কি দেখছো না, কিভাবে উপমা দিচ্ছেন: একটি উত্তম কথা যেনো একটি উত্তম গাছ, যার মূল মাটির গভীরে দৃঢ়ভাবে প্রোথিত আর যার শাখা - প্রশাখা উপরে বিস্তীর্ণ।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তুমি কি দেখ না, কীভাবে উপমা পেশ করেছেন? কালিমা তাইয়েবা, যা একটি ভাল বৃক্ষের ন্যায়, যার মূল সুস্থির আর শাখা-প্রশাখা আকাশে।

জহুরুল হক

তোমরা কি ভেবে দেখ নি কিভাবে উপমা দিয়ে থাকেন সাধু কথাকে উৎকৃষ্ট গাছের সঙ্গে, যার শিকড় হচ্ছে মজবুত ও যার ডালপালা আকাশে,

আবদুস শহীদ নাসিম

সেটি তার প্রভুর অনুমতিক্রমে প্রতিনিয়ত ফল দিয়ে থাকে। মানুষের জন্যে উপমা দেন যেনো তারা উপদেশ গ্রহণ করে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

সেটি তার রবের অনুমতিতে সব সময় ফল দান করে; আর মানুষের জন্য নানা দৃষ্টান্ত প্রদান করেন, যাতে তারা উপদেশ গ্রহণ করে।

জহুরুল হক

তা তার ফল দিচ্ছে প্রত্যেক মৌসুমে তার প্রভুর অনুমতিক্রমে। আর মানবসমাজের জন্য উপমাসমূহ প্রয়োগ করেন যেন তারা স্মরণ করতে পারে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর একটি মন্দ কথার উপমা হলো একটি মন্দ গাছ, যার মূল বিচ্ছিন্ন মাটির উপরিভাগে, তার কোনো স্থায়িত্ব নেই।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর অপবিত্র বাক্যের উপমা নিকৃষ্ট বৃক্ষের ন্যায়, যাকে মাটির উপর থেকে সমূলে উপড়ে ফেলা হয়েছে, যার কোন স্থিতি নেই।

জহুরুল হক

আর খারাপ কথার উপমা হচ্ছে মন্দ গাছের মতো যা মাটির উপর থেকে উপড়ে ফেলা হয়েছে, এর কোনো স্থিতি নেই।

আবদুস শহীদ নাসিম

মুমিনদের মজবুত অটল রাখেন মজবুত অটল কথার ভিত্তিতে দুনিয়ার জীবনেও এবং আখিরাতেও, আর বিভ্রান্ত করে দেন যালিমদের এবং যা ইচ্ছা তাই করেন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অবিচল রাখেন ঈমানদারদেরকে সুদৃঢ় বাণী দ্বারা দুনিয়ার জীবনে ও আখিরাতে। আর যালিমদের পথভ্রষ্ট করেন এবং যা ইচ্ছা তা করেন।

জহুরুল হক

যারা ঈমান এনেছে তাদের প্রতিষ্ঠিত করেন শাশ্বত বাণীর দ্বারা এই দুনিয়ার জীবনে ও পরকালে, আর পথহারা করেন অন্যায়কারীদের, আর যা ইচ্ছে করেন তাই করেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি কি তাদের দেখছো না, যারা আল্লাহর অনুগ্রহ (ইসলাম) গ্রহণ করার বদলে কুফুরিকে আঁকড়ে ধরেছে এবং তারা তাদের কওমকে নামিয়ে এনেছে ধ্বংসের দুয়ারে?

বয়ান ফাউন্ডেশন

তুমি কি তাদেরকে দেখ না, যারা আল্লাহর নিআমতকে দ্বারা পরিবর্তন করেছে এবং তাদের কওমকে ধ্বংসের ঘরে নামিয়ে দিয়েছে?

জহুরুল হক

তুমি কি তাদের দেখো নি যারা ‌র অনুগ্রহ বদলে নেয় অবিশ্বাস দিয়ে, আর তাদের লোকজনকে নামিয়ে নিয়েছে ধ্বংসের আবাসে?

আবদুস শহীদ নাসিম

জাহান্নামে, আর সেখানেই তারা প্রবেশ করবে। সেটা কতো যে নিকৃষ্ট আবাস!

বয়ান ফাউন্ডেশন

জাহান্নামে, যাতে তারা দগ্ধ হবে, আর তা কতইনা নিকৃষ্ট অবস্থান!

জহুরুল হক

জাহান্নাম - - যাতে তারা প্রবেশ করবে, আর নিকৃষ্ট এই বাসস্থান!

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা আল্লাহর সমকক্ষ বানায় মানুষকে তাঁর পথ থেকে বিভ্রান্ত করার উদ্দেশ্যে। হে নবী! তাদের বলো: ভোগ করে নাও, আর জেনে রাখো, তোমাদের ফিরে যাবার জায়গা হলো জাহান্নাম।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তারা আল্লাহর জন্য সমকক্ষ নির্ধারণ করে, যেন তারা তাঁর পথ থেকে বিভ্রান্ত করতে পারে। বল, ‘তোমরা ভোগ করতে থাক। কেননা, তোমাদের গন্তব্য তো আগুনের দিকে’।

জহুরুল হক

আর তারা ‌র সমকক্ষ দাঁড় করায় যেন তারা তাঁর পথ থেকে বিপথে চালাতে পারে। তুমি বলো - - ''উপভোগ করো, তারপর তোমাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চয়ই আগুনের দিকে।’’

আবদুস শহীদ নাসিম

হে নবী! আমার দাসদের বলো: তারা যেনো কায়েম করে এবং আমরা তাদের যে জীবিকা দিয়েছি তা থেকে যেনো ব্যয় করে গোপনে ও প্রকাশ্যে সেই দিনটি আসার আগেই, যেদিন কোনো বেচাকেনাও থাকবেনা আর কোনো বন্ধুতাও থাকবেনা।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আমার বান্দাদের বল, ‘যারা ঈমান এনেছে, তারা যেন কায়েম করে এবং আমি তাদেরকে যে রিয্ক দিয়েছি তা থেকে গোপনে ও প্রকাশ্যে ব্যয় করে, ঐ দিন আসার পূর্বে যে দিন কোন বেচা-কেনা থাকবে না এবং থাকবে না বন্ধুত্বও।

জহুরুল হক

আমার বান্দাদের যারা বিশ্বাস করে তাদের বলো - - তারা কায়েম করুক, এবং আমরা তাদের যে জীবনোপক রণ দিয়েছি তা থেকে তারা খরচ করুক, গোপনে ও প্রকাশ্যভাবে, সেইদিন আসবার আগে যাতে চলবে না কোনো লেনদেন, না কোনো বন্ধু - সম্পর্ক।

আবদুস শহীদ নাসিম

, যিনি সৃষ্টি করেছেন মহাকাশ এবং এই পৃথিবী আর নাযিল করেছেন আসমান থেকে পানি, তারপর তা থেকে উৎপন্ন করেছেন ফল ফসল তোমাদের জন্যে জীবিকা হিসেবে। আর নৌযানকে তোমাদের নিয়ন্ত্রণাধীন করে দিয়েছেন, যাতে করে তাঁর নির্দেশক্রমে তা চলাচল করে সমুদ্রে এবং তিনি তোমাদেরই কল্যাণে নিয়োজিত করে দিয়েছেন নদ - নদীকে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

, যিনি আসমানসমূহ ও যমীন সৃষ্টি করেছেন। আর তিনি আসমান থেকে বৃষ্টি বর্ষণ করেন ফলে তা দ্বারা ফল-ফলাদি থেকে তোমাদের জন্য রিয্ক উৎপাদন করেন এবং তিনি নৌযানকে তোমাদের জন্য নিয়োজিত করেছেন, যাতে তাঁর আদেশে সমুদ্রে তা চলাচল করে এবং নদীসমূহকে তোমাদের জন্য নিয়ো

জহুরুল হক

তিনিই যিনি মহাকাশমন্ডলী ও পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন, আর আকাশ থেকে বর্ষণ করেন পানি, তারপর তার সাহায্যে তিনি উৎপাদন করেন তোমাদের জীবিকার জন্য ফলমূল, আর তোমাদের জন্য তিনি অধীন করেছেন জাহাজ যেন তাঁর বিধান অনুযায়ী তা সমুদ্রে চলাচল করে, আর তোমাদের জন্য তিনি বশীভূত করেছেন নদনদী।

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনি তোমাদেরই কল্যাণে নিয়োজিত করে দিয়েছেন সূর্য আর চাঁদকে। তারা অবিরাম একই নিয়ম মেনে চলে। তিনি তোমাদের কল্যাণে আরো নিয়োজিত করেছেন রাত আর দিনকে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তিনি সূর্য ও চাঁদকে তোমাদের জন্য নিয়োজিত করেছেন বিরামহীনভাবে এবং তোমাদের জন্য নিয়োজিত করেছেন রাত ও দিনকে।

জহুরুল হক

আর তিনি তোমাদের অনুগত করেছেন সূর্য ও চন্দ্রকে যারা নিয়মানুগতভাবে চলমান, আর তিনি তোমাদের অধীন করেছেন রাত ও দিনকে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা তাঁর কাছে যা চেয়েছো (অর্থাৎ যা কিছু তোমাদের প্রয়োজন) তার প্রত্যেকটিই তিনি তোমাদের দিয়েছেন। তোমরা যদি তোমাদের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ গণনা করো, তাহলে তার সংখ্যা নির্ণয় করতে পারবে না। নিশ্চয়ই মানুষ বড় যালিম, অকৃতজ্ঞ।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তোমরা যা চেয়েছ, তার প্রত্যেকটি থেকে তিনি তোমাদের দিয়েছেন এবং যদি তোমরা আল্লাহর নিআমত গণনা কর, তবে তার সংখ্যা নিরূপণ করতে পারবে না। নিশ্চয় মানুষ অধিক অত্যাচারী ও অকৃতজ্ঞ।

জহুরুল হক

আর তিনি তোমাদের প্রদান করেন তোমরা তাঁর কাছে যা প্রার্থনা কর তার সব - কিছু থেকেই। আর তোমরা যদি ‌র অনুগ্রহ গণনা করতে যাও তোমরা তা গণতে পারবে না। মানুষ আলবৎ বড়ই অন্যায়কারী, অত্যন্ত অকৃতজ্ঞ।

আবদুস শহীদ নাসিম

স্মরণ করো, ইবরাহিম বলেছিল: ‘‘আমার প্রভু! তুমি এই (মক্কা) নগরীকে নিরাপদ করে দাও এবং আমাকে ও আমার সন্তানদেরকে ভাষ্কর্য - প্রতিমা পূজা থেকে দূরে রেখো।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর স্মরণ কর ‘যখন ইবরাহীম বলল, ‘হে আমার রব, আপনি এ শহরকে নিরাপদ করে দিন এবং আমাকে ও আমার সন্তানদেরকে মূর্তি পূজা থেকে দূরে রাখুন’।

জহুরুল হক

আর স্মরণ কর! ইব্রাহীম বলেছিলেন - - ''আমার প্রভু! এই শহরটাকে নিরাপদ করো, আর আমাকে ও আমার সন্তান - সন্ততিকে পুতুল প্রতিমা পূজা - অর্চনা থেকে রক্ষা করো।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমার প্রভু! এসব (প্রতিমা) বিপথগামী করেছে বহু মানুষকে। সুতরাং যে আমার অনুসরণ করবে, সেই হবে আমার লোক, আর যে আমার অবাধ্য হবে, সে ক্ষেত্রে তুমি তো পরম ক্ষমাশীল দয়াময়।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘হে আমার রব, নিশ্চয় এসব মূর্তি অনেক মানুষকে পথভ্রষ্ট করেছে, সুতরাং যে আমার অনুসরণ করেছে, নিশ্চয় সে আমার দলভুক্ত, আর যে আমার অবাধ্য হয়েছে, তবে নিশ্চয় আপনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু’।

জহুরুল হক

''আমার প্রভু! নিঃসন্দেহ তারা মানবসমাজের অনেককে বিপথে নিয়েছে, সুতরাং যে আমাকে অনুসরণ করে সেই তবে আমার মধ্যেকার, আর যে আমাকে অমান্য করে তুমিই তো পরিত্রাণকারী, অফুরন্ত ফলদাতা।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমাদের প্রভু! আমি তো আমার বংশধরদের একটি অংশের বসবাসের ব্যবস্থা করেছি এই অনুর্বর উপত্যকায় তোমার সম্মানিত ঘরের কাছে। হে আমার প্রভু! এ জন্যে করেছি, যেনো তারা কায়েম করে। সুতরাং তুমি মানুষের হৃদয় তাদের প্রতি অনুরাগী করে দিও, আর তাদের জীবিকা দিও ফলফলারি দিয়ে, যাতে করে তারা তোমার শোকর আদায় করে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘হে আমাদের রব, নিশ্চয় আমি আমার কিছু বংশধরদেরকে ফসলহীন উপত্যকায় তোমার পবিত্র ঘরের নিকট বসতি স্থাপন করালাম, হে আমাদের রব, যাতে তারা কায়েম করে। সুতরাং কিছু মানুষের হৃদয় আপনি তাদের দিকে ঝুঁকিয়ে দিন এবং তাদেরকে রিয্ক প্রদান করুন ফল-ফলাদি থেকে, আশা করা যা

জহুরুল হক

''আমার প্রভু! আমি নিশ্চয়ই আমার বংশধরদের কতককে বসবাস করালাম তোমার পবিত্র গৃহের নিকটে চাষ - বাসহীন উপত্যকায়, - - আমাদের প্রভু! যেন তারা কায়েম করে, সেজন্যে কিছু লোকের মন তাদের প্রতি অনুরাগী বানিয়ে দাও, আর তাদের ফলফসল দিয়ে জীবিকা প্রদান করো, যেন তারা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমাদের প্রভু! নিশ্চয়ই তুমি জানো আমরা যা গোপন করি এবং আমরা যা প্রকাশ করি। আর আসমান ও জমিনের কিছুই গোপন নেই আল্লাহর কাছে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

হে আমাদের রব, নিশ্চয় আপনি জানেন, যা আমরা গোপন করি এবং যা প্রকাশ করি, আর কোন কিছু আল্লাহর নিকট গোপন নেই, না যমীনে না আসমানে।

জহুরুল হক

''আমাদের প্রভু! তুমি নিশ্চয় জান যা আমরা গোপন করি ও যা আমরা প্রকাশ করি। আর ‌র কাছে পৃথিবীতে কোনো কিছুই লুকোনো নেই আর মহাকাশেও নয়।

আবদুস শহীদ নাসিম

সমস্ত শোকরিয়া আল্লাহর, যিনি বৃদ্ধ বয়সে আমাকে ইসমাঈল এবং ইসহাককে দান করেছেন। নিশ্চয়ই আমার প্রভু দোয়া শুনে থাকেন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘সকল প্রশংসা আল্লাহর, যিনি বৃদ্ধ বয়সে আমাকে ঈসমাঈল ও ইসহাককে দান করেছেন। নিশ্চয় আমার রব দো‘আ শ্রবণকারী’।

জহুরুল হক

''সমস্ত প্রশংসা ‌র যিনি আমাকে বৃদ্ধ বয়েসে ইসমাইল ও ইসহাককে দান করেছেন। নিঃসন্দেহ আমার প্রভু প্রার্থনা শ্রবণকারী।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমার প্রভু! আমাকে কায়েমকারী বানাও এবং আমার বংশধরদেরকেও। আমাদের প্রভু! আমার দোয়া কবুল করো।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘হে আমার রব, আমাকে কায়েমকারী বানান এবং আমার বংশধরদের মধ্য থেকেও, হে আমাদের রব, আর আমার দো‘আ কবূল করুন’।

জহুরুল হক

''আমার প্রভু! আমাকে নামাযে সুপ্রতিষ্ঠিত করে দাও, আর আমার বংশধরদের থেকেও, আমাদের প্রভু! আর আমার প্রার্থনা কবুল করো।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমাদের প্রভু! আমাকে ক্ষমা করে দাও আর আমার পিতা - মাতাকে এবং মুমিনদেরকে সেইদিন, যেদিন অনুষ্ঠিত হবে হিসাব।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘হে আমাদের রব, যেদিন হিসাব কায়েম হবে, সেদিন আপনি আমাকে, আমার পিতামাতাকে ও মুমিনদেরকে ক্ষমা করে দিবেন’।

জহুরুল হক

''আমাদের প্রভু! আমাকে পরিত্রাণ করো, আর আমার পিতামাতাকেও আর বিশ্বাসিগণকেও - - যেদিন হিসাবপত্র নেওয়া হবে তখন।’’

আবদুস শহীদ নাসিম

যালিমদের কর্মকান্ডের ব্যাপারে আল্লাহকে গাফিল মনে করোনা। তিনি তাদের অবকাশ দিচ্ছেন ঐ দিন পর্যন্ত যেদিন তাদের দৃষ্টি স্থির হয়ে যাবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যালিমরা যা করছে, আল্লাহকে তুমি সে বিষয়ে মোটেই গাফেল মনে করো না, তো তাদের অবকাশ দিচ্ছেন, ঐ দিন পর্যন্ত যে দিন চোখ পলকহীন তাকিয়ে থাকবে।

জহুরুল হক

আর তোমরা ভেবো না যে অন্যায়কারীরা যা করে সে - সন্বন্ধে বেখেয়াল। তিনি তাদের শুধু অবকাশ দিচ্ছেন সেইদিন পর্যন্ত যেদিন চোখগুলো হবে পলকহীন স্থির - -

আবদুস শহীদ নাসিম

সেদিন ভীত বিহবল হয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে তারা ছুটাছুটি করবে। নিজেদের দিকে ফিরবে না তাদের দৃষ্টি। তাদের অন্তর থাকবে উদাসীন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা মাথা তুলে দৌড়াতে থাকবে, তাদের দৃষ্টি নিজদের দিকে ফিরবে না এবং তাদের অন্তর হবে শূন্য।

জহুরুল হক

ছুটে চলেছে তাদের মাথা খাড়া করে, তাদের দৃষ্টি তাদের নিজেদের দিকেও ফিরছে না, আর তাদের চিত্ত হয়েছে ফাঁকা।

আবদুস শহীদ নাসিম

যেদিন আযাব তাদেরকে পাকড়াও করে ফেলবে সেদিনটি সম্পর্কে মানুষকে সতর্ক করো। সেদিন যালিমরা বলবে: ‘আমাদের প্রভু! অল্পকালের জন্যে আমাদের অবকাশ দাও, আমরা তোমার আহবানে সাড়া দেবো এবং তোমার রসূলদের ইত্তেবা (অনুসরণ) করবো।’ (তাদের বলা হবে:) ইতোপূর্বে (দুনিয়ার জীবনে) তোমরা বলতে না যে, তোমাদের পতন হবেনা?

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তুমি মানুষদেরকে সতর্ক কর, যেদিন তাদের উপর আযাব নেমে আসবে। অতঃপর তখন যারা যুলম করেছে তারা বলবে, ‘হে আমাদের রব, তুমি আমাদেরকে কিছু সময়ের জন্য অবকাশ দাও, আমরা তোমার ডাকে সাড়া দেব এবং রাসূলদের অনুসরণ করব’। ইতঃপূর্বে তোমরা কি কসম করনি যে, তোমাদের কোন পতন নে

জহুরুল হক

আর লোকজনকে সতর্ক কর সেইদিন সন্বন্ধে যখন তাদের উপরে শাস্তি ঘনিয়ে আসবে, যারা অন্যায় করেছিল তারা তখন বলবে, ''আমাদের প্রভু! আমাদের অবকাশ দাও অল্প কিছুকাল পর্যন্ত যেন আমরা তোমার ডাকে সাড়া দিতে পারি এবং রসূলগণকে অনুসরণ করতে পারি।’’ ''কি! তোমরা কি ইতিপূর্বে শপথ করতে থাক নি যে তোমাদের জন্য কোনো পড়ন্ত অবস্থা নেই?

আবদুস শহীদ নাসিম

অথচ তোমরা তো বাস করতে সেইসব আবাস ভূমিতেই, যারা (তোমাদের আগে) নিজেদের প্রতি যুলুম করেছিল, আর এটাও তোমাদের কাছে পরিষ্কার ছিলো যে, আমরা তাদের সাথে কী আচরণ করেছিলাম? আমরা তো তোমাদের কাছে তাদের দৃষ্টান্ত পেশ করেছিলাম।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তোমরা বাস করছিলে সেসব লোকদের বাসস্থানে, যারা নিজদের উপর যুলম করত এবং তোমাদের নিকট স্পষ্ট হয়েছিল আমি তাদের সাথে কিরূপ করেছি এবং আমি তোমাদের জন্য উপমা বর্ণনা করেছি।

জহুরুল হক

''আর তোমরা বাস করতে তাদের বাসভূমিতে যারা নিজেদের আ‌ত্মার প্রতি অন্যায়াচরণ করেছিল, অথচ তোমাদের কাছে এটি সুস্পষ্ট করা হয়েছিল কিভাবে আমরা তাদের প্রতি ব্যবহার করেছিলাম আর তোমাদের জন্য বানিয়েছিলাম দৃষ্টান্ত।’’

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা চক্রান্ত করেছিল তাদের প্রাণান্তকর চক্রান্ত। তাদের চক্রান্ত রদ করে দিয়েছেন। যদিও তারা এমন চক্রান্ত করেছিল যাতে পাহাড় পর্যন্ত টলে যেতো।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তারা তাদের ষড়যন্ত্র করেছিল, আর আল্লাহর কাছেই তাদের ষড়যন্ত্র, যদিও তাদের ষড়যন্ত্র এমন ছিল যা দ্বারা পাহাড় অপসারিত হয়ে যায়।

জহুরুল হক

আর তারা নিশ্চয়ই তাদের চক্রান্ত এঁটেছিল, কিন্তু তাদের চক্রান্ত আছে ‌র কাছে, যদিও তাদের চক্রান্ত এমন যে তার দ্বারা পাহাড়গুলো টলে যায়।

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি কখনো মনে করোনা যে, তাঁর রসূলদের দেয়া ওয়াদা খেলাফ করবেন। নিশ্চয়ই মহাপরাক্রমশালী, প্রতিশোধ গ্রহণকারী।

বয়ান ফাউন্ডেশন

সুতরাং তুমি কখনো আল্লা¬হকে তাঁর রাসূলদের দেয়া প্রতিশ্রুতি ভঙ্গকারী মনে করো না। নিশ্চয় পরাক্রমশালী, প্রতিশোধ গ্রহণকারী।

জহুরুল হক

সুতরাং তুমি কখনো ভেবো না যে তাঁর রসূলগণের কাছে দেওয়া তাঁর প্রতি‌শ্রুতি খেলাফ করবেন। নিঃসন্দেহ মহাশক্তিশালী, প্রতিফল প্রদানকারী।

আবদুস শহীদ নাসিম

যেদিন এই পৃথিবী পরিবর্তিত হয়ে যাবে অন্য একটি পৃথিবীতে এবং মহাকাশও, তখন সমস্ত মানুষ উপস্থিত হয়ে যাবে আল্লাহর সামনে, যিনি এক এবং মহাপরাক্রমশালী।

বয়ান ফাউন্ডেশন

যেদিন এ যমীন ভিন্ন যমীনে রূপান্তরিত হবে এবং আসমানসমূহও। আর তারা পরাক্রমশালী এক আল্লাহর সামনে হাযির হবে।

জহুরুল হক

সেইদিন এ পৃথিবী বদলে হবে অন্য পৃথিবী, আর মহাকাশমন্ডলীও, আর তারা হাজির হবে ‌র সামনে, যিনি একক, সর্বশক্তিমান।

আবদুস শহীদ নাসিম

সেদিন তুমি অপরাধীদের দেখবে শৃংখলিত।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর সে দিন তুমি অপরাধীদের দেখবে তারা শিকলে বাঁধা।

জহুরুল হক

আর তুমি দেখতে পাবে - - অপরাধীরা সেইদিন শিকলের মধ্যে বাঁধা অবস্থায়, - -

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের জামা হবে আলকাতরার, আর তাদের চেহারা ঢেকে নেবে আগুন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তাদের পোশাক হবে আলকাতরার* এবং আগুন তাদের চেহারাসমূহকে ঢেকে ফেলবে। * قطران হচ্ছে এমন আলকাতরা, যাতে দ্রুত আগুন দাউ দাউ করে জ্বলে উঠে।

জহুরুল হক

তাদের জামা হবে পীচের, আর তাদের মুখমন্ডল আবৃত করে থাকবে আগুন, - -

আবদুস শহীদ নাসিম

এটা এ জন্যে হবে, যাতে করে প্রত্যেক ব্যক্তিকে তার কর্মফল দিয়ে দেন। নিশ্চয়ই দ্রুত হিসাব গ্রহণকারী।

বয়ান ফাউন্ডেশন

এটা এ জন্য যে, প্রত্যেকের কৃতকর্মের প্রতিফল দিবেন, হিসাব গ্রহণে তৎপর।

জহুরুল হক

যেন প্রত্যেক সত্ত্বাকে প্রতিদান দিতে পারেন যা সে অর্জন করেছে, নিঃসন্দেহ হিসেব - নিকেশে তৎপর।

আবদুস শহীদ নাসিম

এটি (এ কুরআন) মানুষের জন্যে একটি বার্তা, যাতে করে এর মাধ্যমে মানুষকে সতর্ক করা যায় এবং মানুষ জানতে পারে যে, নিশ্চয়ই তিনি একমাত্র ইলাহ্, আর যেনো বুঝ বুদ্ধি সম্পন্ন লোকেরা উপদেশ গ্রহণ করে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

এটা মানুষের জন্য পয়গাম। আর যা দ্বারা তাদেরকে সতর্ক করা হয় এবং তারা জানতে পারে যে, তিনি কেবল এক , আর যাতে বুদ্ধিমানরা উপদেশ গ্রহণ করে।

জহুরুল হক

এই হচ্ছে মানব সমাজের জন্য এক বার্তা যেন তারা জানতে পারে যে তিনিই নিঃসন্দেহ একক উপাস্য, আর বোধ শক্তিসম্পন্নেরা যেন উপদেশ গ্রহণ করতে পারে।

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme