Kitab

আশ শামস (সূর্য)

Chapter 91, 15 verses

  • আবদুস শহীদ নাসিম
  • বয়ান ফাউন্ডেশন
  • সমকালীন বাংলা
  • মুহিউদ্দীন খান
About this chapter


মক্কায় অবতীর্ণ, আয়াত সংখ্যা: ১৫, রুকু সংখ্যা: ০১

এই সূরার আলোচ্যসূচি

আয়াতআলোচ্য বিষয় ০১-০৮মহান আল্লাহর মহাবিশ্ব ও পৃথিবী পরিচালনা ব্যবস্থা। মানুষের মধ্যে সীমালংঘন ও সীমার মধ্যে থাকার প্রবণতা। ০৯-১৫আত্মোন্নয়নকারী ব্যক্তিরাই সফল। সামুদ জাতিকে ধ্বংস করা হয়েছে রসূলকে প্রত্যাখ্যান করার কারণে।
আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ সূর্যের এবং তার উজ্জ্বলতার।

বয়ান ফাউন্ডেশন

কসম সূর্যের ও তার কিরণের।

সমকালীন বাংলা

আল্লাহর নামে শুরু করছি, পরম করুণাময় পরম দয়ালু; শপথ সূর্যের এবং তার জ্যোতির,

মুহিউদ্দীন খান

শপথ সূর্যের ও তার কিরণের,

আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ চাঁদের, যখন সে তিলাওয়াত করে তাকে (সূর্যকে)।

বয়ান ফাউন্ডেশন

কসম চাঁদের, যখন তা সূর্যের অনুগামী হয়।

সমকালীন বাংলা

এবং চাঁদের, যখন তা তার অনুসরণ করে,

মুহিউদ্দীন খান

শপথ চন্দ্রের যখন তা সূর্যের পশ্চাতে আসে,

আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ দিনের, যখন সে প্রকাশ করে তার (সূর্যের) উজ্জ্বলতাকে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

কসম দিবসের, যখন তা সূর্যকে প্রকাশ করে।

সমকালীন বাংলা

এবং দিনের, যখন তা তাকে প্রকাশ করে,

মুহিউদ্দীন খান

শপথ দিবসের যখন সে সূর্যকে প্রখরভাবে প্রকাশ করে,

আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ রাতের, যখন সে ঢেকে দেয় তাকে (সূর্যকে)।

বয়ান ফাউন্ডেশন

কসম রাতের, যখন তা সূর্যকে ঢেকে দেয়।

সমকালীন বাংলা

এবং রাতের, যখন তা তাকে আচ্ছন্ন করে,

মুহিউদ্দীন খান

শপথ রাত্রির যখন সে সূর্যকে আচ্ছাদিত করে,

আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ আকাশের এবং তাঁর, যিনি তা বানিয়েছেন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

কসম আসমানের এবং যিনি তা বানিয়েছেন।

সমকালীন বাংলা

এবং আকাশের, এবং যিনি তা নির্মাণ করেছেন,

মুহিউদ্দীন খান

শপথ আকাশের এবং যিনি তা নির্মাণ করেছেন, তাঁর।

আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ পৃথিবীর এবং তাঁর, যিনি এটিকে বিছিয়ে দিয়েছেন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

কসম যমীনের এবং যিনি তা বিস্তৃত করেছেন।

সমকালীন বাংলা

এবং পৃথিবীর, এবং যিনি তা বিস্তৃত করেছেন,

মুহিউদ্দীন খান

শপথ পৃথিবীর এবং যিনি তা বিস্তৃত করেছেন, তাঁর,

আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ মানবের (মানব সত্তার) আর তাঁর, যিনি তাকে যথাযথভাবে গঠন করেছেন

বয়ান ফাউন্ডেশন

এবং প্রাণের, এবং তাঁর, যিনি তা সুগঠিত করেছেন,

সমকালীন বাংলা

এবং প্রাণের, এবং যিনি সেটিকে সুগঠিত করেছেন,

মুহিউদ্দীন খান

শপথ প্রাণের এবং যিনি তা সুবিন্যস্ত করেছেন, তাঁর,

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর তার মধ্যে ইল্হাম করেছেন ফুজুর (সীমালংঘনের প্রবণতা) এবং তাকওয়া (সীমার মধ্যে অবস্থানের প্রবণতা)।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর তিনি তাকে অবহিত করেছেন তার পাপসমূহ ও তার তাকওয়া সম্পর্কে।

সমকালীন বাংলা

অতঃপর তাকে তার অসৎকর্ম ও তার সংযমশীলতা অনুপ্রাণিত করেছেন,

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর তাকে তার অসৎকর্ম ও সৎকর্মের জ্ঞান দান করেছেন,

আবদুস শহীদ নাসিম

নি:সন্দেহে সফল হলো সে, যে তাযকিয়া (পরিশুদ্ধ, উন্নত ও বিকশিত) করলো নিজেকে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিঃসন্দেহে সে হয়েছে, যে তাকে পরিশুদ্ধ করেছে।

সমকালীন বাংলা

নিশ্চয়ই সফল হয়েছে সে, যে নিজেকে পরিশুদ্ধ করেছে,

মুহিউদ্দীন খান

যে নিজেকে শুদ্ধ করে, সেই হয়।

আবদুস শহীদ নাসিম

নি:সন্দেহে ব্যর্থ হলো সে, যে দুষিত ও কলুষিত করে ধসিয়ে দিলো নিজেকে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

এবং সে ব্যর্থ হয়েছে, যে তা (নাফস)-কে কলুষিত করেছে।

সমকালীন বাংলা

এবং অবশ্যই ব্যর্থ হয়েছে সে, যে নিজেকে কলুষিত করেছে,

মুহিউদ্দীন খান

এবং যে নিজেকে কলুষিত করে, সে ব্যর্থ মনোরথ হয়।

আবদুস শহীদ নাসিম

সামুদ সম্প্রদায় নিজের তাগুতি আচরণ দিয়ে অস্বীকার করেছিল (আল্লাহর রসূলকে)।

বয়ান ফাউন্ডেশন

সামূদ জাতি আপন অবাধ্যতাবশত অস্বীকার করেছিল।

সমকালীন বাংলা

সামূদ অস্বীকার করেছিল তাদের অবাধ্যতার কারণে,

মুহিউদ্দীন খান

সামুদ সম্প্রদায় অবাধ্যতা বশতঃ মিথ্যারোপ করেছিল।

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন তাদের মধ্যকার সবচেয়ে বড় দুষ্ট হতভাগ্যটি (মুজিযার উটনীকে হত্যার জন্যে) তৎপর হয়ে উঠেছিল।

বয়ান ফাউন্ডেশন

যখন তাদের সর্বাধিক হতভাগা ব্যক্তিটি তৎপর হয়ে উঠল।

সমকালীন বাংলা

যখন তাদের মধ্যে সবচেয়ে হতভাগ্য ব্যক্তি উঠে দাঁড়িয়েছিল,

মুহিউদ্দীন খান

যখন তাদের সর্বাধিক হতভাগ্য ব্যক্তি তৎপর হয়ে উঠেছিল।

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন আল্লাহর রসূল (সালেহ) তাদের বলেছিল: সাবধান! এটি আল্লাহর (পক্ষ থেকে আসা) উটনী (এটিকে মন্দ উদ্দেশ্যে স্পর্শ করোনা) এবং এটিকে পানি পান করতে বাধা দিওনা।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তখন আল্লাহর রাসূল তাদেরকে বলেছিল, ‘আল্লাহর উষ্ট্রী ও তার পানি পান সম্পর্কে সতর্ক হও।’

সমকালীন বাংলা

তখন আল্লাহর রাসূল তাদেরকে বলেছিলেন, ‘আল্লাহর উটনী ও তার পান করায় বাধা দিও না,’

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর আল্লাহর রসূল তাদেরকে বলেছিলেনঃ আল্লাহর উষ্ট্রী ও তাকে পানি পান করানোর ব্যাপারে সতর্ক থাক।

আবদুস শহীদ নাসিম

কিন্তু তারা তাকে (রসূলকে) অস্বীকার করলো এবং হত্যা করলো উটনীকে। ফলে তাদের প্রভু তাদের উপর চাপিয়ে দিলেন ধ্বংস তাদের অপরাধের কারণে এবং ধ্বংস স্তুপের মধ্যে সমান করে রেখে দিলেন তাদেরকে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

কিন্তু তারা তাকে অস্বীকার করল এবং উষ্ট্রীকে যবেহ করল। ফলে তাদের রব তাদের অপরাধের কারণে তাদেরকে সমূলে ধ্বংস করে দিলেন। অতঃপর তা একাকার করে দিলেন।

সমকালীন বাংলা

কিন্তু তারা তাঁকে অস্বীকার করেছিল এবং সেটিকে হত্যা করেছিল; ফলে তাদের প্রতিপালক তাদের পাপের কারণে তাদের ধ্বংস করে দিলেন এবং সমান করে দিলেন,

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর ওরা তার প্রতি মিথ্যারোপ করেছিল এবং উষ্ট্রীর পা কর্তন করেছিল। তাদের পাপের কারণে তাদের পালনকর্তা তাদের উপর ধ্বংস নাযিল করে একাকার করে দিলেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর কাজের পরিণতির কোনো ভয় তাঁর (আল্লাহর) নেই।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তিনি এর পরিণামকে ভয় করেন না।

সমকালীন বাংলা

এবং তিনি তাঁর পরিণামের ভয় করেন না।

মুহিউদ্দীন খান

তা’আলা এই ধ্বংসের কোন বিরূপ পরিণতির আশংকা করেন না।

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme