Kitab

আত্ তালাক (বিবাহ বিচ্ছেদ)

Chapter 65, 12 verses

  • আবদুস শহীদ নাসিম
  • ইসলামিক ফাউন্ডেশন
  • Arabic, with marks
  • মুহিউদ্দীন খান
About this chapter


মদিনায় অবতীর্ণ, আয়াত সংখ্যা: ১২, রুকু সংখ্যা: ০২

এই সূরার আলোচ্যসূচি

আয়াতআলোচ্য বিষয় ০১-০৩তালাক দেয়ার এবং স্ত্রীকে ফিরিয়ে নেয়ার পদ্ধতি। ০৪-০৭কার ইদ্দতকাল কতদিন? ইদ্দতকালে তালাকপ্রাপ্তা তার স্বামীর বাড়িতেই থাকবে। ইদ্দতকালে ভরণপোষণ। তালাকপ্রাপ্তা কর্তৃক তালাকদাতার সন্তান পালন পদ্ধতি। ০৮-১২অতীতে যারা রসূলকে প্রত্যাখ্যান করেছিল তাদের পরিণতি। মুমিন বুদ্ধিজীবীদের কর্তব্য। আল্লাহ্ সর্বশক্তিমান।
আবদুস শহীদ নাসিম

হে নবী! তোমরা যখন তোমাদের স্ত্রীদের তালাক দেয়ার উদ্যোগ নাও, তখন তাদের তালাক দেবে ইদ্দত পূর্ণ করার উদ্দেশ্যে এবং ইদ্দতের হিসাব রাখবে। তোমাদের প্রভু আল্লাহকে ভয় করবে। তাদের বের করে দিয়োনা তাদের ঘর থেকে এবং তারা নিজেরাও যেনো বের হয়ে না যায়। তবে যদি তারা স্পষ্ট অশ্লীলতায় লিপ্ত হয়, সেক্ষেত্রে ভিন্ন কথা। এগুলো আল্লাহর হুদুদ (আইন)। যে কেউ লংঘন করবে আল্লাহর হুদুদ, সে নিজের প্রতিই যুলুম করবে। তুমি জানোনা, হয়তো এরপর বের করে দেবেন কোনো উপায়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

হে নবী! তোমরা যখন তোমাদের স্ত্রীগণকে তালাক দিতে ইচ্ছা কর, উহাদেরকে তালাক দিও ‘ইদ্দতের প্রতি লক্ষ্য রাখিয়া এবং তোমরা ‘ইদ্দতের হিসাব রাখিও এবং তোমাদের প্রতিপালক ‌কে ভয় করিও। তোমরা উহাদেরকে উহাদের বাসগৃহ হইতে বহিষ্কার করিও না এবং উহারাও যেন বাহির না হয়, যদি না উহারা লিপ্ত হয় স্পষ্ট অশ্লীলতায়। এইগুলি ‌র নির্ধারিত সীমা ; যে ‌র সীমা লংঘন করে সে নিজেরই উপর অত্যাচার করে। তুমি জান না, হয়তো ‌ ইহার পর কোন উপায় করিয়া দিবেন।

Arabic, with marks

بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ إِذَا طَلَّقْتُمُ النِّسَاءَ فَطَلِّقُوهُنَّ لِعِدَّتِهِنَّ وَأَحْصُوا الْعِدَّةَ ۖ وَاتَّقُوا اللَّهَ رَبَّكُمْ ۖ لَا تُخْرِجُوهُنَّ مِن بُيُوتِهِنَّ وَلَا يَخْرُجْنَ إِلَّا أَن يَأْتِينَ بِفَاحِشَةٍ مُّبَيِّنَةٍ ۚ وَتِلْكَ حُدُودُ اللَّهِ ۚ وَمَن يَتَعَدَّ حُدُودَ اللَّهِ فَقَدْ ظَلَمَ نَفْسَهُ ۚ لَا تَدْرِي لَعَلَّ اللَّهَ يُحْدِثُ بَعْدَ ذَٰلِكَ أَمْرًا

মুহিউদ্দীন খান

হে নবী, তোমরা যখন স্ত্রীদেরকে তালাক দিতে চাও, তখন তাদেরকে তালাক দিয়ো ইদ্দতের প্রতি লক্ষ্য রেখে এবং ইদ্দত গণনা করো। তোমরা তোমাদের পালনকর্তা আল্লাহকে ভয় করো। তাদেরকে তাদের গৃহ থেকে বহিস্কার করো না এবং তারাও যেন বের না হয় যদি না তারা কোন সুস্পষ্ট নির্লজ্জ কাজে লিপ্ত হয়। এগুলো আল্লাহর নির্ধারিত সীমা। যে ব্যক্তি আল্লাহর সীমালংঘন করে, সে নিজেরই অনিষ্ট করে। সে জানে না, হয়তো এই তালাকের পর কোন নতুন উপায় করে দেবেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

যখন তাদের ইদ্দতকাল পূর্ণ হয়ে আসবে, তখন তোমরা হয় প্রচলিত উত্তম পন্থায় তাদের রেখে দেবে, নতুবা প্রচলিত উত্তম পন্থায় তাদের বিদায় করে দেবে। আর এ সময় তোমাদের মধ্য থেকে দু’জন ন্যায়পরায়ণ ব্যক্তিকে সাক্ষী রাখবে এবং তোমরা আল্লাহর জন্যে সঠিক সাক্ষ্য দেবে। এর মাধ্যমে উপদেশ দেয়া হচ্ছে তোমাদের যারা ও পরকালের প্রতি ঈমান রাখে, তাদেরকে। যে কেউ আল্লাহকে ভয় করবে, তিনি তার জন্যে বের হবার পথ খোলাসা করে দেবেন,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহাদের ‘ইদ্দত পূরণের কাল আসন্ন হইলে তোমরা হয় যথাবিধি উহাদেরকে রাখিয়া দিবে, না হয় উহাদেরকে যথাবিধি পরিত্যাগ করিবে এবং তোমাদের মধ্য হইতে দুইজন ন্যায়পরায়ণ লোককে সাক্ষী রাখিবে আর তোমরা ‌র জন্য সঠিক সাক্ষ্য দিবে। ইহা দ্বারা তোমাদের মধ্যে যে কেহ ‌ ও আখিরাতে বিশ্বাস করে তাহাকে উপদেশ দেওয়া হইতেছে। যে কেহ ‌কে ভয় করে ‌ তাহার পথ করিয়া দিবেন,

Arabic, with marks

فَإِذَا بَلَغْنَ أَجَلَهُنَّ فَأَمْسِكُوهُنَّ بِمَعْرُوفٍ أَوْ فَارِقُوهُنَّ بِمَعْرُوفٍ وَأَشْهِدُوا ذَوَيْ عَدْلٍ مِّنكُمْ وَأَقِيمُوا الشَّهَادَةَ لِلَّهِ ۚ ذَٰلِكُمْ يُوعَظُ بِهِ مَن كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ ۚ وَمَن يَتَّقِ اللَّهَ يَجْعَل لَّهُ مَخْرَجًا

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর তারা যখন তাদের ইদ্দতকালে পৌঁছে, তখন তাদেরকে যথোপযুক্ত পন্থায় রেখে দেবে অথবা যথোপযুক্ত পন্থায় ছেড়ে দেবে এবং তোমাদের মধ্য থেকে দু’জন নির্ভরযোগ্য লোককে সাক্ষী রাখবে। তোমরা আল্লাহর উদ্দেশ্যে সাক্ষ্য দিবে। এতদ্দ্বারা যে ব্যক্তি ও পরকালে বিশ্বাস করে, তাকে উপদেশ দেয়া হচ্ছে। আর যে আল্লাহকে ভয় করে, তার জন্যে নিস্কৃতির পথ করে দেবেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং তাকে রিযিক দেবেন এমন উৎস থেকে যা সে ধারণাই করেনি। যে কেউ তাওয়াক্কুল করবে আল্লাহর উপর, তিনিই তার জন্যে যথেষ্ট। তাঁর সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করবেনই। তিনি প্রতিটি বস্ত্তর জন্যে নির্ধারণ করেছেন পরিমাণ ও মাত্রা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং তাহাকে তাহার ধারণাতীত উৎস হইতে দান করিবেন রিযিক। যে ব্যক্তি ‌র উপর নির্ভর করে তাহার জন্য ‌ই যথেষ্ট। ‌ তাঁহার ইচ্ছা পূরণ করিবেনই ; ‌ সমস্ত কিছুর জন্য স্থির করিয়াছেন নির্দিষ্ট মাত্রা।

Arabic, with marks

وَيَرْزُقْهُ مِنْ حَيْثُ لَا يَحْتَسِبُ ۚ وَمَن يَتَوَكَّلْ عَلَى اللَّهِ فَهُوَ حَسْبُهُ ۚ إِنَّ اللَّهَ بَالِغُ أَمْرِهِ ۚ قَدْ جَعَلَ اللَّهُ لِكُلِّ شَيْءٍ قَدْرًا

মুহিউদ্দীন খান

এবং তাকে তার ধারণাতীত জায়গা থেকে রিযিক দেবেন। যে ব্যক্তি আল্লাহর উপর ভরসা করে তার জন্যে তিনিই যথেষ্ট। তার কাজ পূর্ণ করবেন। সবকিছুর জন্যে একটি পরিমাণ স্থির করে রেখেছেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমাদের যেসব স্ত্রী মাসিক স্রাব হওয়ার ব্যাপারে নিরাশ হয়েছে, তাদের ইদ্দতকাল সম্পর্কে তোমাদের সন্দেহ হলে তাদের ইদ্দতকাল তিন মাস। আর যাদের এখনো মাসিক হতে শুরুই করেনি, তাদের ইদ্দতকালও অনুরূপ (তিন মাস)। আর গর্ভবতীদের ইদ্দতকাল সন্তান প্রসব পর্যন্ত। যে আল্লাহকে ভয় করবে, তার সমস্যার সমাধান সহজ করে দেবেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমাদের যে সকল স্ত্রীর আর ঋতুমতী হইবার আশা নাই তাহাদের ‘ইদ্দত সম্পর্কে তোমরা সন্দেহ করিলে তাহাদের ‘ইদ্দতকাল হইবে তিন মাস এবং যাহারা এখনও রজঃস্বলা হয় নাই তাহাদেরও ; আর গর্ভবতী নারীদের ‘ইদ্দতকাল সন্তান প্রসব পর্যন্ত। আল্লাহকে যে ভয় করে ‌ তার সমস্যা সমাধান সহজ করিয়া দিবেন।

Arabic, with marks

وَاللَّائِي يَئِسْنَ مِنَ الْمَحِيضِ مِن نِّسَائِكُمْ إِنِ ارْتَبْتُمْ فَعِدَّتُهُنَّ ثَلَاثَةُ أَشْهُرٍ وَاللَّائِي لَمْ يَحِضْنَ ۚ وَأُولَاتُ الْأَحْمَالِ أَجَلُهُنَّ أَن يَضَعْنَ حَمْلَهُنَّ ۚ وَمَن يَتَّقِ اللَّهَ يَجْعَل لَّهُ مِنْ أَمْرِهِ يُسْرًا

মুহিউদ্দীন খান

তোমাদের স্ত্রীদের মধ্যে যাদের ঋতুবর্তী হওয়ার আশা নেই, তাদের ব্যাপারে সন্দেহ হলে তাদের ইদ্দত হবে তিন মাস। আর যারা এখনও ঋতুর বয়সে পৌঁছেনি, তাদেরও অনুরূপ ইদ্দতকাল হবে। গর্ভবর্তী নারীদের ইদ্দতকাল সন্তানপ্রসব পর্যন্ত। যে আল্লাহকে ভয় করে, তার কাজ সহজ করে দেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

এ হলো আল্লাহর বিধান, তিনি তা নাযিল করেছেন তোমাদের প্রতি। যে আল্লাহকে ভয় করবে, তার পাপ মুছে দেবেন এবং বড় করে দেবেন তার পুরস্কার।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহা ‌র বিধান যাহা তিনি তোমাদের প্রতি অবতীর্ণ করিয়াছেন। ‌কে যে ভয় করে তিনি তাহার পাপ মোচন করিবেন এবং তাহাকে দিবেন মহাপুরস্কার।

Arabic, with marks

ذَٰلِكَ أَمْرُ اللَّهِ أَنزَلَهُ إِلَيْكُمْ ۚ وَمَن يَتَّقِ اللَّهَ يُكَفِّرْ عَنْهُ سَيِّئَاتِهِ وَيُعْظِمْ لَهُ أَجْرًا

মুহিউদ্দীন খান

এটা আল্লাহর নির্দেশ, যা তিনি তোমাদের প্রতি নাযিল করেছেন। যে আল্লাহকে ভয় করে, তার পাপ মোচন করেন এবং তাকে মহাপুরস্কার দেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা তোমাদের সামর্থ অনুযায়ী যে ধরণের ঘরে বাস করো, তাদেরকেও সে ধরণের ঘরে বাস করতে দেবে। তাদের উত্যক্ত করোনা তাদেরকে সংকটে ফেলার উদ্দেশ্যে। তারা গর্ভবতী হয়ে থাকলে সন্তান প্রসব পর্যন্ত তাদের নফকা (খোরপোষ) দাও। যদি তারা তোমাদের সন্তানদের বুকের দুধ পান করায়, তবে তাদের পারিশ্রমিক দেবে এবং সন্তানের কল্যাণ সম্পর্কে তোমরা প্রচলিত উত্তম পন্থায় নিজেদের মধ্যে পরামর্শ করবে। কিন্তু তোমরা যদি নিজ নিজ দাবিতে অনমনীয় হও, তাহলে তার পক্ষে অন্য নারী বুকের দুধ পান করাবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমরা তোমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী যেইরূপ গৃহে বাস কর তাহাদেরকেও সেইরূপ গৃহে বাস করিতে দিবে; তাহাদেরকে উত্ত্যক্ত করিবে না সঙ্কটে ফেলিবার জন্য ; তাহারা গর্ভবতী হইয়া থাকিলে সন্তান প্রসব পর্যন্ত তাহাদের জন্য ব্যয় করিবে। যদি তাহারা তোমাদের সন্তানদেরকে স্তন্য দান করে তবে তাহাদেরকে পারিশ্রমিক দিবে এবং সন্তানের কল্যাণ সম্পর্কে তোমরা সঙ্গতভাবে নিজেদের মধ্যে পরামর্শ করিবে। তোমরা যদি নিজ নিজ দাবিতে অনমনীয় হও তাহা হইলে অন্য নারী তাহার পক্ষে স্তন্য দান করিবে।

Arabic, with marks

أَسْكِنُوهُنَّ مِنْ حَيْثُ سَكَنتُم مِّن وُجْدِكُمْ وَلَا تُضَارُّوهُنَّ لِتُضَيِّقُوا عَلَيْهِنَّ ۚ وَإِن كُنَّ أُولَاتِ حَمْلٍ فَأَنفِقُوا عَلَيْهِنَّ حَتَّىٰ يَضَعْنَ حَمْلَهُنَّ ۚ فَإِنْ أَرْضَعْنَ لَكُمْ فَآتُوهُنَّ أُجُورَهُنَّ ۖ وَأْتَمِرُوا بَيْنَكُم بِمَعْرُوفٍ ۖ وَإِن تَعَاسَرْتُمْ فَسَتُرْضِعُ لَهُ أُخْرَىٰ

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা তোমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী যেরূপ গৃহে বাস কর, তাদেরকেও বসবাসের জন্যে সেরূপ গৃহ দাও। তাদেরকে কষ্ট দিয়ে সংকটাপন্ন করো না। যদি তারা গর্ভবতী হয়, তবে সন্তানপ্রসব পর্যন্ত তাদের ব্যয়ভার বহন করবে। যদি তারা তোমাদের সন্তানদেরকে স্তন্যদান করে, তবে তাদেরকে প্রাপ্য পারিশ্রমিক দেবে এবং এ সম্পর্কে পরস্পর সংযতভাবে পরামর্শ করবে। তোমরা যদি পরস্পর জেদ কর, তবে অন্য নারী স্তন্যদান করবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

সামর্থবানরা নিজেদের সামর্থ অনুযায়ী নফকা দেবে, আর যার জীবিকা সীমিত, সে ব্যয় করবে যা দিয়েছেন তা থেকেই। যা দান করেছেন তার চেয়ে বেশি বোঝা তিনি কোনো ব্যক্তির উপর চাপান না। কাঠিন্যের পর সহজতা দান করেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বিত্তবান নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী ব্যয় করিবে এবং যাহার জীবনোপকরণ সীমিত সে ‌ যাহা দান করিয়াছেন তাহা হইতে ব্যয় করিবে। ‌ যাহাকে যে সামর্থ্য দিয়াছেন তদপেক্ষা গুরুতর বোঝা তিনি তাহার উপর চাপান না। ‌ কষ্টের পর দিবেন স্বস্তি।

Arabic, with marks

لِيُنفِقْ ذُو سَعَةٍ مِّن سَعَتِهِ ۖ وَمَن قُدِرَ عَلَيْهِ رِزْقُهُ فَلْيُنفِقْ مِمَّا آتَاهُ اللَّهُ ۚ لَا يُكَلِّفُ اللَّهُ نَفْسًا إِلَّا مَا آتَاهَا ۚ سَيَجْعَلُ اللَّهُ بَعْدَ عُسْرٍ يُسْرًا

মুহিউদ্দীন খান

বিত্তশালী ব্যক্তি তার বিত্ত অনুযায়ী ব্যয় করবে। যে ব্যক্তি সীমিত পরিমাণে রিযিকপ্রাপ্ত, সে যা দিয়েছেন, তা থেকে ব্যয় করবে। যাকে যা দিয়েছেন, তদপেক্ষা বেশী ব্যয় করার আদেশ কাউকে করেন না। কষ্টের পর সুখ দেবেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

কতো যে জনপদ তাদের প্রভুর এবং তাঁর রসূলের নির্দেশের বিরুদ্ধাচরণ করেছে, ফলে আমরা তাদের থেকে নিয়েছি কঠোর হিসাব এবং তাদের আযাব দিয়েছি এক দুঃসহ আযাব।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কত জনপদ উহাদের প্রতিপালক ও তাঁহার রাসূলগণের নির্দেশের বিরুদ্ধাচরণ করিয়াছিল! ফলে আমি উহাদের নিকট হইতে কঠোর হিসাব লইয়াছিলাম এবং উহাদেরকে দিয়াছিলাম কঠিন শাস্তি।

Arabic, with marks

وَكَأَيِّن مِّن قَرْيَةٍ عَتَتْ عَنْ أَمْرِ رَبِّهَا وَرُسُلِهِ فَحَاسَبْنَاهَا حِسَابًا شَدِيدًا وَعَذَّبْنَاهَا عَذَابًا نُّكْرًا

মুহিউদ্দীন খান

অনেক জনপদ তাদের পালনকর্তা ও তাঁর রসূলগণের আদেশ অমান্য করেছিল, অতঃপর আমি তাদেরকে কঠোর হিসাবে ধৃত করেছিলাম এবং তাদেরকে ভীষণ শাস্তি দিয়েছিলাম।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা তাদের কার্যকলাপের পরিণতির স্বাদ গ্রহণ করেছে আর তাদের কার্যকলাপের পরিণতি ছিলো ক্ষতিকর।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর উহারা উহাদের কৃতকর্মের শাস্তি আস্বাদন করিল; ক্ষতিই হইল উহাদের কর্মের পরিণাম।

Arabic, with marks

فَذَاقَتْ وَبَالَ أَمْرِهَا وَكَانَ عَاقِبَةُ أَمْرِهَا خُسْرًا

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর তাদের কর্মের শাস্তি আস্বাদন করল এবং তাদের কর্মের পরিণাম ক্ষতিই ছিল।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের জন্যে প্রস্ত্তত রেখেছেন কঠোর শাস্তি। সুতরাং আল্লাহকে ভয় করো হে বুঝ - বুদ্ধিওয়ালা লোকেরা, যারা ঈমান এনেছো। তো নাযিল করেছেন তোমাদের প্রতি একটি যিকির (আল কুরআন)

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌ উহাদের জন্য কঠোর শাস্তি প্রস্তুত রাখিয়াছেন। অতএব তোমরা ‌কে ভয় কর, হে বোধসম্পন্ন ব্যক্তিগণ ! যাহারা ঈমান আনিয়াছ। নিশ্চয় ‌ তোমাদের প্রতি অবতীর্ণ করিয়াছেন উপদেশ -

Arabic, with marks

أَعَدَّ اللَّهُ لَهُمْ عَذَابًا شَدِيدًا ۖ فَاتَّقُوا اللَّهَ يَا أُولِي الْأَلْبَابِ الَّذِينَ آمَنُوا ۚ قَدْ أَنزَلَ اللَّهُ إِلَيْكُمْ ذِكْرًا

মুহিউদ্দীন খান

তাদের জন্যে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি প্রস্তত রেখেছেন অতএব, হে বুদ্ধিমানগণ, যারা ঈমান এনেছ, তোমরা আল্লাহকে ভয় কর। তোমাদের প্রতি উপদেশ নাযিল করেছেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

(এবং) একজন রসূল, যে তিলাওয়াত করে তোমাদের প্রতি আল্লাহর সুস্পষ্ট আয়াত, যারা ঈমান এনেছে এবং আমলে সালেহ্ করেছে তাদেরকে অন্ধকার থেকে আলোতে বের করে আনার জন্যে। যে কেউ ঈমান আনবে আল্লাহর প্রতি এবং আমলে সালেহ্ করবে, তাকে তিনি দাখিল করবেন জান্নাতে, যার নিচে দিয়ে বহমান থাকবে নদ নদী নহর। সেখানে থাকবে তারা চিরকাল স্থায়ীভাবে। তাকে প্রদান করবেন উত্তম জীবিকা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এক রাসূল, যে তোমাদের নিকট ‌র সুস্পষ্ট আয়াতসমূহ আবৃত্তি করে, যাহারা ও সৎকর্মপরায়ণ তাহাদেরকে অন্ধকার হইতে আলোতে আনিবার জন্য। যে কেহ আল্লাহে বিশ্বাস করে ও সৎকর্ম করে তিনি তাহাকে দাখিল করিবেন জান্নাতে, যাহার পাদদেশে নদী প্রবাহিত, সেখানে তাহারা চিরস্থায়ী হইবে ; ‌ তাহাকে উত্তম রিযিক দিবেন।

Arabic, with marks

رَّسُولًا يَتْلُو عَلَيْكُمْ آيَاتِ اللَّهِ مُبَيِّنَاتٍ لِّيُخْرِجَ الَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ مِنَ الظُّلُمَاتِ إِلَى النُّورِ ۚ وَمَن يُؤْمِن بِاللَّهِ وَيَعْمَلْ صَالِحًا يُدْخِلْهُ جَنَّاتٍ تَجْرِي مِن تَحْتِهَا الْأَنْهَارُ خَالِدِينَ فِيهَا أَبَدًا ۖ قَدْ أَحْسَنَ اللَّهُ لَهُ رِزْقًا

মুহিউদ্দীন খান

একজন রসূল, যিনি তোমাদের কাছে আল্লাহর সুস্পষ্ট আয়াতসমূহ পাঠ করেন, যাতে ও সৎকর্মপরায়ণদের অন্ধকার থেকে আলোতে আনয়ন করেন। যে আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে ও সৎকর্ম সম্পাদন করে, তিনি তাকে দাখিল করবেন জান্নাতে, যার তলদেশে নদী প্রবাহিত, তথায় তারা চিরকাল থাকবে। তাকে উত্তম রিযিক দেবেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

আল্লাহ্ই তো সৃষ্টি করেছেন সাত আকাশ, পৃথিবী ও অনুরূপ। সেগুলোর মাঝে নাযিল করা হয় তাঁর নির্দেশ, যাতে করে তোমরা বুঝতে পারো প্রতিটি বিষয়ে সর্বশক্তিমান এবং প্রতিটি বস্ত্তকে পরিবেষ্টন করে রেখেছেন তাঁর জ্ঞান দিয়ে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌ই সৃষ্টি করিয়াছেন সপ্ত আকাশ এবং উহাদের অনুরূপ পৃথিবীও, উহাদের মধ্যে নামিয়া আসে তাঁহার নির্দেশ ; যাহাতে তোমরা বুঝিতে পার যে, ‌ সর্ববিষয়ে সর্বশক্তিমান এবং জ্ঞানে সবকিছুকে পরিবেষ্টন করিয়া আছেন।

Arabic, with marks

اللَّهُ الَّذِي خَلَقَ سَبْعَ سَمَاوَاتٍ وَمِنَ الْأَرْضِ مِثْلَهُنَّ يَتَنَزَّلُ الْأَمْرُ بَيْنَهُنَّ لِتَعْلَمُوا أَنَّ اللَّهَ عَلَىٰ كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ وَأَنَّ اللَّهَ قَدْ أَحَاطَ بِكُلِّ شَيْءٍ عِلْمًا

মুহিউদ্দীন খান

সপ্তাকাশ সৃষ্টি করেছেন এবং পৃথিবীও সেই পরিমাণে, এসবের মধ্যে তাঁর আদেশ অবতীর্ণ হয়, যাতে তোমরা জানতে পার যে, সর্বশক্তিমান এবং সবকিছু তাঁর গোচরীভূত।

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme