রাতের শপথ, যখন সে ঢেকে যায়।
শপথ রজনীর, যখন সে আচ্ছন্ন করে,
কসম রাতের, যখন তা ঢেকে দেয়।
শপথ রাত্রির, যখন সে আচ্ছন্ন করে,
Chapter 92, 21 verses
রাতের শপথ, যখন সে ঢেকে যায়।
শপথ রজনীর, যখন সে আচ্ছন্ন করে,
কসম রাতের, যখন তা ঢেকে দেয়।
শপথ রাত্রির, যখন সে আচ্ছন্ন করে,
দিনের শপথ, যখন সে উঠে উজ্জ্বল হয়ে।
শপথ দিবসের, যখন উহা উদ্ভাসিত হয়
কসম দিনের, যখন তা আলোকিত হয়।
শপথ দিনের, যখন সে আলোকিত হয়
এবং শপথ তাঁর, যিনি সৃষ্টি করেছেন পুরুষ আর নারী।
এবং শপথ তাঁহার, যিনি নর ও নারী সৃষ্টি করিয়াছেন -
কসম তাঁর, যিনি নর ও নারী সৃষ্টি করেছেন।
এবং তাঁর, যিনি নর ও নারী সৃষ্টি করেছেন,
নিশ্চয়ই তোমাদের প্রচেষ্টাও (অনুরূপ বিপরীতধর্মী এবং) নানা রকমের।
অবশ্যই তোমাদের কর্মপ্রচেষ্টা বিভিন্ন প্রকৃতির।
নিশ্চয় তোমাদের কর্মপ্রচেষ্টা বিভিন্ন প্রকারের।
নিশ্চয় তোমাদের কর্ম প্রচেষ্টা বিভিন্ন ধরনের।
তবে (যার কর্ম প্রচেষ্টার ধরণ হলো এই যে) সে দান করে এবং মন্দ কাজ থেকে দূরে থাকে,
সুতরাং কেহ দান করিলে, হইলে
সুতরাং যে দান করেছে এবং তাকওয়া অবলম্বন করেছে,
অতএব, যে দান করে এবং খোদাভীরু হয়,
আর যা কল্যাণকর সেটাকে সত্য বলে গ্রহণ করে,
এবং যাহা উত্তম তাহা সত্য বলিয়া গ্রহণ করিলে,
আর উত্তমকে সত্য বলে বিশ্বাস করেছে,
এবং উত্তম বিষয়কে সত্য মনে করে,
আমরা তার জন্যে সহজ করে দেবো সহজ (কল্যাণের) পথকে।
আমি তাহার জন্য সুগম করিয়া দিব সহজ পথ।
আমি তার জন্য সহজ পথে চলা সুগম করে দেব।
আমি তাকে সুখের বিষয়ের জন্যে সহজ পথ দান করব।
কিন্তু যে বখিলি করে এবং নিজেকে মনে করে স্বয়ম্ভর,
এবং কেহ কার্পণ্য করিলে ও নিজেকে স্বয়ংসম্পূর্ণ মনে করিলে,
আর যে কার্পণ্য করেছে এবং নিজকে স্বয়ংসম্পূর্ণ মনে করেছে,
আর যে কৃপণতা করে ও বেপরওয়া হয়
আর যা কল্যাণকর সেটাকে করে অস্বীকার,
আর যাহা উত্তম তাহা অস্বীকার করিলে,
আর উত্তমকে মিথ্যা বলে মনে করেছে,
এবং উত্তম বিষয়কে মিথ্যা মনে করে,
আমরা তার জন্যে সহজ করে দেবো কঠিন (অকল্যাণের) পথকে।
তাহার জন্য আমি সুগম করিয়া দিব কঠোর পথ।
আমি তার জন্য কঠিন পথে চলা সুগম করে দেব।
আমি তাকে কষ্টের বিষয়ের জন্যে সহজ পথ দান করব।
তার কী উপকারে আসবে তার মাল - সম্পদ যখন সে পতিত হবে (ধ্বংসের দিকে)?
এবং তাহার সম্পদ তাহার কোন কাজে আসিবে না, যখন সে ধ্বংস হইবে।
আর তার সম্পদ তার কোন কাজে আসবে না, যখন সে অধঃপতিত হবে।
যখন সে অধঃপতিত হবে, তখন তার সম্পদ তার কোনই কাজে আসবে না।
সঠিক পথ দেখানো তো আমাদের দায়িত্ব।
আমার কাজ তো কেবল পথনির্দেশ করা,
নিশ্চয় পথ প্রদর্শন করাই আমার দায়িত্ব।
আমার দায়িত্ব পথ প্রদর্শন করা।
আর আমরাই তো মালিক এবং ইহকালের।
আমি তো মালিক পরলোকের ও ইহলোকের।
আর অবশ্যই আমার অধিকারে পরকাল ও ইহকাল।
আর আমি মালিক ইহকালের ও পরকালের।
তাই আমি তোমাদের সতর্ক করে দিচ্ছি জ্বলন্ত আগুন থেকে।
আমি তোমাদেরকে লেলিহান অগ্নি সম্পর্কে সতর্ক করিয়া দিয়াছি।
অতএব আমি তোমাদের সতর্ক করে দিয়েছি লেলিহান আগুন সম্পর্কে,
অতএব, আমি তোমাদেরকে অগ্নি সম্পর্কে সতর্ক করে দিয়েছি।
তাতে কেউ প্রবেশ করবেনা দুর্ভাগা ছাড়া,
উহাতে প্রবেশ করিবে সে - ই, যে নিতান্ত হতভাগ্য,
তাতে নিতান্ত হতভাগা ছাড়া কেউ প্রবেশ করবে না;
এতে নিতান্ত হতভাগ্য ব্যক্তিই প্রবেশ করবে,
যে (সত্যকে) অস্বীকার করে এবং মুখ ফিরিয়ে নেয়।
যে অস্বীকার করে ও মুখ ফিরাইয়া নেয়।
যে অস্বীকার করেছে এবং মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে।
যে মিথ্যারোপ করে ও মুখ ফিরিয়ে নেয়।
আর তা থেকে দূরে রাখা হবে অতীব (সদা সতর্ক) ব্যক্তিকে,
আর উহা হইতে দূরে রাখা হইবে পরম মুত্তাকীকে,
আর তা থেকে দূরে রাখা হবে পরম মুত্তাকীকে।
এ থেকে দূরে রাখা হবে খোদাভীরু ব্যক্তিকে,
যে তার মাল - সম্পদ দান করে নিজের পরিশুদ্ধি ও উন্নতির জন্যে,
যে স্বীয় সম্পদ দান করে আত্মশুদ্ধির জন্য,
যে তার সম্পদ দান করে আত্ম-শুদ্ধির উদ্দেশ্যে,
যে আত্নশুদ্ধির জন্যে তার ধন - সম্পদ দান করে।
তার প্রতি কারো অনুগ্রহের প্রতিদান হিসেবে নয়,
এবং তাহার প্রতি কাহারও অনুগ্রহের প্রতিদানে নয়,
আর তার প্রতি কারো এমন কোন অনুগ্রহ নেই, যার প্রতিদান দিতে হবে।
এবং তার উপর কারও কোন প্রতিদানযোগ্য অনুগ্রহ থাকে না।
বরং শুধুমাত্র তার মহান প্রভুর সন্তুষ্টির প্রত্যাশায়।
কেবল তাহার মহান প্রতিপালকের সন্তুষ্টির প্রত্যাশায় ;
কেবল তার মহান রবের সন্তুষ্টির প্রত্যাশায়।
তার মহান পালনকর্তার সন্তুষ্টি অন্বেষণ ব্যতীত।
আর অচিরেই তিনি সন্তুষ্ট হবেন (তার প্রতি)।
সে তো অচিরেই সন্তোষ লাভ করিবে।
আর অচিরেই সে সন্তোষ লাভ করবে।
সে সত্বরই সন্তুষ্টি লাভ করবে।