Kitab

আল কিয়ামা (কিয়ামত)

Chapter 75, 40 verses

  • আবদুস শহীদ নাসিম
  • ইসলামিক ফাউন্ডেশন
  • বয়ান ফাউন্ডেশন
  • সমকালীন বাংলা
About this chapter


মক্কায় অবতীর্ণ, আয়াত সংখ্যা: ৪০, রুকু সংখ্যা: ০২

এই সূরার আলোচ্যসূচি

আয়াতআলোচ্য বিষয় ০১-৩০কিয়ামতের ব্যাপারে মানুষের অবিশ্বাস। কিয়ামত অবশ্যি অনুষ্ঠিত হবে। সেদিন কারো মুখমন্ডল হবে হাস্যোজ্জ্বল, আর কারো মুখমন্ডল হবে মলিন। ৩১-৪০তাওহীদ ও আখিরাতের যুক্তি।
আবদুস শহীদ নাসিম

আমি শপথ করছি কিয়ামত কালের।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি শপথ করিতেছি কিয়ামত দিবসের,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আমি কসম করছি কিয়ামতের দিনের!

সমকালীন বাংলা

আল্লাহর নামে শুরু করছি, পরম করুণাময় পরম দয়ালু; আমি শপথ করছি কিয়ামতের দিনের।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমি আরো শপথ করছি তিরস্কারকারী নফসের।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আরও শপথ করিতেছি তিরস্কারকারী আত্মার।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আমি আরো কসম করছি আত্ম-ভৎর্সনাকারী আত্মার!

সমকালীন বাংলা

এবং আমি শপথ করছি আত্মসমালোচনাকারী আত্মার।

আবদুস শহীদ নাসিম

মানুষ কি ধারণা করে নিয়েছে যে, আমরা তার হাড়গোড় জমা (পুনর্গঠিত) করবোনা?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মানুষ কি মনে করে যে, আমি তাহার অস্থিসমূহ একত্র করিতে পারিব না?

বয়ান ফাউন্ডেশন

মানুষ কি মনে করে যে, আমি কখনই তার অস্থিসমূহ একত্র করব না?

সমকালীন বাংলা

মানুষ কি মনে করে যে আমরা তার অস্থিসমূহ একত্র করব না?

আবদুস শহীদ নাসিম

হ্যাঁ, আমরা তার আংগুলের জোড়াগুলোও পুনর্গঠন করতে সক্ষম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বস্তুত আমি উহার অঙ্গুলীর অগ্রভাগ পর্যন্ত পুনবিন্যস্ত করিতে সক্ষম।

বয়ান ফাউন্ডেশন

হ্যাঁ, আমি তার আংগুলের অগ্রভাগসমূহও পুনর্বিন্যস্ত করতে সক্ষম।

সমকালীন বাংলা

হ্যাঁ, অবশ্যই; আমরা তার আঙুলের অগ্রভাগসমূহও সুগঠিত করতে সক্ষম।

আবদুস শহীদ নাসিম

বরং মানুষ তার সামনের দিনগুলোতেও পাপাচারে লিপ্ত থাকতে চায়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তবুও মানুষ তাহার ভবিষ্যতেও পাপাচার করিতে চায়।

বয়ান ফাউন্ডেশন

বরং মানুষ চায় ভবিষ্যতেও পাপাচার করতে।

সমকালীন বাংলা

বরং মানুষ তার সম্মুখের জীবনেও সীমালঙ্ঘন করতে চায়।

আবদুস শহীদ নাসিম

সে প্রশ্ন করে, কখন আসবে কিয়ামতকাল?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সে প্রশ্ন করে, ‘কখন কিয়ামত দিবস আসিবে?’

বয়ান ফাউন্ডেশন

সে প্রশ্ন করে, ‘কবে কিয়ামতের দিন’?

সমকালীন বাংলা

সে জিজ্ঞেস করে, “কিয়ামতের দিন কবে?”

আবদুস শহীদ নাসিম

(হাঁ) তখনই আসবে, যখন মানুষের চোখ স্থির হয়ে যাবে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যখন চক্ষু স্থির হইয়া যাইবে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

যখন চক্ষু হতচকিত হবে।

সমকালীন বাংলা

অতঃপর যখন দৃষ্টি স্তম্ভিত হবে,

আবদুস শহীদ নাসিম

চাঁদ হয়ে পড়বে জ্যোতিহীন,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং চন্দ্র হইয়া পড়িবে জ্যোতিহীন,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর চাঁদ কিরণহীন হবে,

সমকালীন বাংলা

এবং চাঁদ ম্লান হয়ে যাবে,

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং যখন জমা (একত্রিত) করে দেয়া হবে সূর্য ও চাঁদকে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যখন সূর্য ও চন্দ্রকে একত্র করা হইবে -

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর চাঁদ ও সূর্যকে একত্র করা হবে।

সমকালীন বাংলা

এবং সূর্য ও চাঁদ একসাথে করা হবে,

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন মানুষ বলবে: পালাবার জায়গা কোথায়?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সেদিন - মানুষ বলিবে, ‘আজ পালাইবার স্থান কোথায়?’

বয়ান ফাউন্ডেশন

সেদিন মানুষ বলবে, ‘পালাবার স্থান কোথায়’?

সমকালীন বাংলা

সেদিন মানুষ বলবে, “পালাবার জায়গা কোথায়?”

আবদুস শহীদ নাসিম

না, কখনো নয়, পালাবার কোনো জায়গা হবেনা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

না, কোন আশ্রয়স্থল নাই।

বয়ান ফাউন্ডেশন

না, কোন আশ্রয়স্থল নেই।

সমকালীন বাংলা

কখনোই নয়! কোনো আশ্রয় নেই।

আবদুস শহীদ নাসিম

সেদিন তো কেবল তোমার প্রভুর কাছেই হবে ঠিকানা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সেদিন ঠাঁই হইবে তোমার প্রতিপালকেরই নিকট।

বয়ান ফাউন্ডেশন

ঠাঁই শুধু সেদিন তোমার রবের নিকট।

সমকালীন বাংলা

সেদিন তোমার প্রতিপালকের কাছেই হবে চূড়ান্ত অবস্থান।

আবদুস শহীদ নাসিম

সেদিন মানুষকে জানানো হবে, সে কী আগে পাঠিয়েছে, আর কী রেখে এসেছে পেছনে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সেদিন মানুষকে অবহিত করা হইবে সে কী অগ্রে পাঠাইয়াছে ও কী পশ্চাতে রাখিয়া গিয়াছে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

সেদিন মানুষকে অবহিত করা হবে কী সে অগ্রে পাঠিয়েছিল এবং পশ্চাতে পাঠিয়েছিল।

সমকালীন বাংলা

সেদিন মানুষকে জানানো হবে, সে কী আগে পাঠিয়েছে এবং কী পিছনে রেখে গেছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

বরং মানুষ নিজেই তার নিজের সম্পর্কে অবহিত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বস্তুত মানুষ নিজের সম্বন্ধে সম্যক অবগত,

বয়ান ফাউন্ডেশন

বরং মানুষ তার নিজের উপর দৃষ্টিমান।

সমকালীন বাংলা

বরং মানুষ নিজেই নিজের বিরুদ্ধে সাক্ষী,

আবদুস শহীদ নাসিম

যদিও সে পেশ করে থাকে নানা রকম ওজর।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যদিও সে নানা অজুহাতের অবতারণা করে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

যদিও সে নানা অজুহাত পেশ করে থাকে।

সমকালীন বাংলা

যদিও সে তার অজুহাতসমূহ পেশ করে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি বারবার জিহ্বা নাড়বেনা তাড়াহুড়া করে অহি আয়ত্ত্ব করার জন্যে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাড়াতাড়ি ওহী আয়ত্ত করিবার জন্য তুমি তোমার জিহ্বা উহার সঙ্গে সঞ্চালন করিও না।

বয়ান ফাউন্ডেশন

কুরআন তাড়াতাড়ি আয়ত্ত করার উদ্দেশ্যে তুমি তোমার জিহবাকে দ্রুত আন্দোলিত করো না।

সমকালীন বাংলা

তুমি তা তাড়াতাড়ি করার জন্য তোমার জিহ্বা নাড়িয়ো না।

আবদুস শহীদ নাসিম

এর সংরক্ষণ করা ও পড়িয়ে দেয়ার দায়িত্ব আমাদের।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহা সংরক্ষণ ও পাঠ করাইবার দায়িত্ব আমারই।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয়ই এর সংরক্ষণ ও পাঠ আমার দায়িত্বে।

সমকালীন বাংলা

নিশ্চয়ই তা একত্র করা এবং পাঠ করানো আমাদের দায়িত্ব।

আবদুস শহীদ নাসিম

সুতরাং আমরা যখন তা (কুরআন) পাঠ করি, তুমি তখন সেই পাঠের অনুসরণ করো।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সুতরাং যখন আমি উহা পাঠ করি তুমি সেই পাঠের অনুসরণ কর,

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর যখন আমি তা পাঠ করি তখন তুমি তার পাঠের অনুসরণ কর।

সমকালীন বাংলা

অতঃপর যখন আমরা তা পাঠ করি, তখন তুমি তার পাঠ অনুসরণ করো।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর তার বিশদ ব্যাখ্যা করে দেয়ার দায়িত্বও আমাদের।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর ইহার বিশদ ব্যাখ্যার দায়িত্ব আমারই।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারপর তার বর্ণনার দায়িত্ব আমারই।

সমকালীন বাংলা

অতঃপর তার ব্যাখ্যা করাও আমাদের দায়িত্ব।

আবদুস শহীদ নাসিম

কখনো নয়, বরং তোমরা দ্রুত পেতে (অর্থাৎ দুনিয়ার জীবনকে) পছন্দ করো।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

না, তোমরা প্রকৃতপক্ষে পার্থিব জীবনকে ভালবাস;

বয়ান ফাউন্ডেশন

কখনো না, বরং তোমরা দুনিয়ার জীবনকে ভালবাস।

সমকালীন বাংলা

কখনোই নয়! বরং তোমরা পার্থিব জীবনকে ভালোবাসো,

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং তোমরা উপেক্ষা করছো আখিরাতকে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং আখিরাতকে উপেক্ষা কর।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তোমরা ছেড়ে দিচ্ছ আখিরাতকে।

সমকালীন বাংলা

এবং পরকালকে উপেক্ষা করো।

আবদুস শহীদ নাসিম

সেদিন কিছু চেহারা হবে উজ্জ্বল,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সেদিন কোন কোন মুখমণ্ডল উজ্জ্বল হইবে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

সেদিন কতক মুখমন্ডল হবে হাস্যোজ্জ্বল।

সমকালীন বাংলা

সেদিন কিছু মুখমণ্ডল উজ্জ্বল হবে,

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা তাকিয়ে থাকবে তাদের প্রভুর দিকে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহারা তাহাদের প্রতিপালকের দিকে তাকাইয়া থাকিবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তাদের রবের প্রতি দৃষ্টিনিক্ষেপকারী।

সমকালীন বাংলা

তাদের প্রতিপালকের দিকে তাকিয়ে থাকবে;

আবদুস শহীদ নাসিম

আর কিছু চেহারা হবে মলিন,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কোন কোন মুখমণ্ডল হইয়া পড়িবে বিবর্ণ,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর সেদিন অনেক মুখমন্ডল হবে বিবর্ণ-বিষন্ন।

সমকালীন বাংলা

এবং সেদিন কিছু মুখমণ্ডল মলিন হবে,

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা আশংকা করবে তাদের সাথে ধ্বংসকর আচরণের।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আশংকা করিবে যে, এক ধ্বংসকারী বিপর্যয় তাহাদের উপর আপতিত হইবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা ধারণা করবে যে, এক বিপর্যয় তাদের উপর আপতিত করা হবে।

সমকালীন বাংলা

ধারণা করবে যে তাদের ওপর এক মহাবিপদ আপতিত হবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

কখনো নয়, যখন প্রাণ হবে কন্ঠাগত,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কখনো নয়, যখন প্রাণ কণ্ঠাগত হইবে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

কখনই না, যখন প্রাণ কণ্ঠাগত হবে।

সমকালীন বাংলা

কখনোই নয়! যখন প্রাণ গলার কাছে পৌঁছবে,

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং বলা হবে, ‘কে রক্ষা করবে তাকে?’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং বলা হইবে, ‘কে তাহাকে রক্ষা করিবে?’

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর বলা হবে, ‘কে তাকে বাঁচাবে’?

সমকালীন বাংলা

এবং বলা হবে, “কে আরোগ্যকারী?”

Note

ঝাড়ফুঁককারী/ রক্ষাকারী

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন সে বিশ্বাস করবে, তার বিদায়ের সময় উপস্থিত

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তখন তাহার প্রত্যয় হইবে যে, ইহা বিদায়ক্ষণ।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর সে মনে করবে, এটিই বিদায়ক্ষণ।

সমকালীন বাংলা

এবং সে নিশ্চিত হবে যে তার বিচ্ছেদের ক্ষণ,

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন পায়ের সাথে পা জড়িয়ে যাবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং পায়ের সঙ্গে পা জড়াইয়া যাইবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর পায়ের গোছার সংগে পায়ের গোছা জড়িয়ে যাবে।

সমকালীন বাংলা

এবং পায়ের সঙ্গে পা জড়িয়ে যাবে,

আবদুস শহীদ নাসিম

সেদিন সব কিছু নিয়ে যাওয়া হবে তোমার প্রভুর কাছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সেই দিন তোমার প্রভুর নিকট সমস্ত কিছু প্রত্যানীত হইবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

সেদিন তোমার রবের কাছেই সকলকে হাঁকিয়ে নেয়া হবে।

সমকালীন বাংলা

সেদিন তোমার প্রতিপালকের দিকেই হবে যাত্রা।

আবদুস শহীদ নাসিম

সে সত্য বলে মেনে নেয়নি এবং সালাতও আদায় করেনি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সে বিশ্বাস করে নাই এবং আদায় করে নাই।

বয়ান ফাউন্ডেশন

সুতরাং সে বিশ্বাসও করেনি এবং সালাতও আদায় করেনি।

সমকালীন বাংলা

অতঃপর সে সত্য গ্রহণ করেনি এবং সালাতও আদায় করেনি,

আবদুস শহীদ নাসিম

বরং সে সত্যকে মিথ্যা বলে প্রত্যাখ্যান করেছে এবং মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বরং সে সত্য প্রত্যাখ্যান করিয়াছিল ও মুখ ফিরাইয়া লইয়াছিল।

বয়ান ফাউন্ডেশন

বরং সে সত্য প্রত্যাখ্যান করেছিল এবং ফিরে গিয়েছিল।

সমকালীন বাংলা

বরং সে অস্বীকার করেছিল এবং মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর সে ফিরে গেছে পরিবার পরিজনের কাছে দম্ভভরে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর সে তাহার পরিবার - পরিজনের নিকট ফিরিয়া গিয়াছিল দম্ভভরে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারপর সে দম্ভভরে পরিবার-পরিজনের কাছে চলে গিয়েছিল।

সমকালীন বাংলা

অতঃপর সে তার পরিবারের কাছে গিয়েছিল অহংকারভরে।

আবদুস শহীদ নাসিম

(হে অবিশ্বাসী!) দুর্ভোগ তোর, দুর্ভোগ,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

দুর্ভোগ তোমার জন্য, দুর্ভোগ!

বয়ান ফাউন্ডেশন

দুর্ভোগ তোমার জন্য এবং দুর্ভোগ!

সমকালীন বাংলা

ধ্বংস তোমার জন্য, এবং ধ্বংস!

আবদুস শহীদ নাসিম

আবারো দুর্ভোগ তোর, দুর্ভোগ,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আবার দুর্ভোগ তোমার জন্য, দুর্ভোগ!

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারপরও দুর্ভোগ তোমার জন্য এবং দুর্ভোগ!

সমকালীন বাংলা

আবার ধ্বংস তোমার জন্য, এবং ধ্বংস!

আবদুস শহীদ নাসিম

মানুষ কি ধরে নিয়েছে যে, তাকে এমনিতেই ছেড়ে দেয়া হবে?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মানুষ কি মনে করে যে, তাহাকে নিরর্থক ছাড়িয়া দেওয়া হইবে?

বয়ান ফাউন্ডেশন

মানুষ কি মনে করে যে, তাকে এমনি ছেড়ে দেয়া হবে?

সমকালীন বাংলা

মানুষ কি মনে করে যে তাকে এমনিতেই ছেড়ে দেওয়া হবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

সে কি একটি নিক্ষিপ্ত নোতফা (শুক্রবিন্দু) ছিলনা?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সে কি স্খলিত শুক্রবিন্দু ছিল না?

বয়ান ফাউন্ডেশন

সে কি বীর্যের শুক্রবিন্দু ছিল না যা স্খলিত হয়?

সমকালীন বাংলা

সে কি নিক্ষিপ্ত বীর্যের এক বিন্দু ছিল না?

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর সে পরিণত হয় আলাকায় (একটি আটকানো জিনিসে)। তারপর তিনি তাকে দান করেছেন আকৃতি এবং করেছেন সুগঠিত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর সে ‘আলাকায় পরিণত হয়। তারপর ‌ তাহাকে আকৃতি দান করেন ও সুঠাম করেন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর সে ‘আলাকায় পরিণত হয়। তারপর তাকে সুন্দর আকৃতিতে সৃষ্টি করেছেন এবং সুবিন্যস্ত করেছেন।

সমকালীন বাংলা

অতঃপর সে জমাট রক্তপিণ্ড হলো; তারপর তিনি সৃষ্টি করলেন ও সুগঠিত করলেন,

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর তিনি তার থেকে সৃষ্টি করেছেন জোড়া - পুরুষ ও নারী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর তিনি তাহা হইতে সৃষ্টি করেন যুগল - নর ও নারী।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর তিনি তা থেকে সৃষ্টি করেন জোড়ায় জোড়ায় পুরুষ ও নারী।

সমকালীন বাংলা

অতঃপর তা থেকে সৃষ্টি করলেন যুগল, পুরুষ ও নারী।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপরও কি সেই মহান স্রষ্টা মৃতকে জীবিত করতে সক্ষম নন?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তবুও কি সেই স্রষ্টা মৃতকে পুনর্জীবিত করিতে সক্ষম নয়?

বয়ান ফাউন্ডেশন

তিনি কি মৃতদের জীবিত করতে সক্ষম নন?

সমকালীন বাংলা

তবে কি তিনি মৃতদের জীবিত করতে সক্ষম নন?

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme