Kitab

আল হজ্জ

Chapter 22, 78 verses

  • আবদুস শহীদ নাসিম
  • ইসলামিক ফাউন্ডেশন
  • মুহিউদ্দীন খান
  • Word by word
About this chapter


মদিনায় অবতীর্ণ, আয়াত সংখ্যা: ৭৮, রুকু সংখ্যা: ১০

এই সূরার আলোচ্যসূচি

আয়াতআলোচ্য বিষয় ০১-১০কিয়ামতের ভয়াবহতা। পুনরুত্থানের বিষয়ে সন্দেহ পোষণকারীদের জন্য মানুষ সৃষ্টি ও পানির সাহায্যে শুকনো ভূমি থেকে উদ্ভিদ উৎপন্নের উপমা। পুনরুত্থানে বিতর্ককারীদের কাছে কোনো যুক্তিও নাই প্রমাণও নাই। ১১-২২যারা সীমানায় অবস্থান করে আল্লাহর ইবাদত করে তারা দুনিয়া ও আখিরাত দুটোই হারায়। কিয়ামতের দিন আল্লাহ্ সব ধর্ম বিশ্বাসীদের মাঝে ফায়সালা করবেন। মহাবিশ্বের সবকিছু আল্লাহকে সাজদা করে, কিন্তু সব মানুষ আল্লাহকে সাজদা করেনা। তারা জাহান্নামী। ২৩-২৫তবে যারা ঈমান আনে ও আমলে সালেহ্ করে, তারা জান্নাতে যাবে। যারা কুফুরি করে এবং আল্লাহর পথে বাধা সৃষ্টি করে তাদের জন্য রয়েছে কঠিন আযাব। ২৬-৩৮কাবা নির্মাণ ও হজ্জের সূচনার ইতিহাস। কুরবানির বিধান। ৩৯-৪১আল্লাহর রসূলকে যুদ্ধের অনুমতি প্রদান। ইসলামি রাষ্ট্রের কার্যক্রম। ৪২-৭২সব নবীকেই তাদের জাতির লোকেরা প্রত্যাখ্যান করেছিল। ফলে আল্লাহ্ তাদের পাকড়াও করেছিলেন। রসূল একজন সতর্ককারী। আল্লাহর পথে হিজরত ও শাহাদাতের মর্যাদা। আল্লাহ্ মহাবিশ্বের মালিক ও পরিচালক। আল্লাহ্ প্রত্যেক উম্মতকে ইবাদতের পদ্ধতি দিয়েছেন। মুশরিকরা কুরআনের বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। ৭৩-৭৮আল্লাহর সাথে যাদেরকে শরিক করা হয় তারা সম্পূর্ণ অক্ষম। মুমিনদের প্রতি উপদেশ।
আবদুস শহীদ নাসিম

হে মানুষ! তোমরা ভয় করো তোমাদের প্রভুকে। কিয়ামতের ভূ - কম্পন হবে এক ভয়ংকর ব্যাপার!

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

হে মানুষ! ভয় কর তোমাদের প্রতিপালককে; কিয়ামতের প্রকম্পন এক ভয়ংকর ব্যাপার!

মুহিউদ্দীন খান

হে লোক সকল! তোমাদের পালনকর্তাকে ভয় কর। নিশ্চয় কেয়ামতের প্রকম্পন একটি ভয়ংকর ব্যাপার।

Word by word

يَٰٓأَيُّهَا ٱلنَّاسُ ٱتَّقُوا۟ رَبَّكُمْ إِنَّ زَلْزَلَةَ ٱلسَّاعَةِ شَىْءٌ عَظِيمٌ

আবদুস শহীদ নাসিম

যেদিন তোমরা তা দেখবে, সেদিন প্রত্যেক বুকের দুধ খাওয়ানো (মা) ভুলে যাবে তার দুগ্ধপায়ী সন্তানকে। প্রত্যেক গর্ভবতী প্রসব করে দেবে তার গর্ভের বোঝা। তুমি মানুষদের দেখবে মাতাল, অথচ তারা নেশাগ্রস্ত নয়, বরং আল্লাহর আযাবই হবে এমন ভয়ানক কঠোর।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যেদিন তোমরা উহা প্রত্যক্ষ করিবে সেই দিন প্রত্যেক স্তন্যদাত্রী বিস্মৃত হইবে তাহার দুগ্ধপোষ্য শিশুকে এবং প্রত্যেক গর্ভবতী তাহার গর্ভপাত করিয়া ফেলিবে ; মানুষকে দেখিবে নেশাগ্রস্তসদৃশ, যদিও উহারা নেশাগ্রস্ত নয়। বস্তুত ‌র শাস্তি কঠিন।

মুহিউদ্দীন খান

যেদিন তোমরা তা প্রত্যক্ষ করবে, সেদিন প্রত্যেক স্তন্যধাত্রী তার দুধের শিশুকে বিস্মৃত হবে এবং প্রত্যেক গর্ভবতী তার গর্ভপাত করবে এবং মানুষকে তুমি দেখবে মাতাল; অথচ তারা মাতাল নয় বস্তুতঃ আল্লাহর আযাব সুকঠিন।

Word by word

يَوْمَ تَرَوْنَهَا تَذْهَلُ كُلُّ مُرْضِعَةٍ عَمَّآ أَرْضَعَتْ وَتَضَعُ كُلُّ ذَاتِ حَمْلٍ حَمْلَهَا وَتَرَى ٱلنَّاسَ سُكَٰرَىٰ وَمَا هُم بِسُكَٰرَىٰ وَلَٰكِنَّ عَذَابَ ٱللَّهِ شَدِيدٌ

আবদুস শহীদ নাসিম

কিছু লোক আছে এলেম ছাড়াই আল্লাহর ব্যাপারে বিতর্ক করে এবং অনুসরণ করে প্রত্যেক বিদ্রোহী শয়তানের।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মানুষের মধ্যে কতক অজ্ঞানতাবশত ‌ সম্বন্ধে বিতণ্ডা করে এবং অনুসরণ করে প্রত্যেক বিদ্রোহী শয়তানের,

মুহিউদ্দীন খান

কতক মানুষ অজ্ঞানতাবশতঃ সম্পর্কে বিতর্ক করে এবং প্রত্যেক অবাধ্য শয়তানের অনুসরণ করে।

Word by word

وَمِنَ ٱلنَّاسِ مَن يُجَٰدِلُ فِى ٱللَّهِ بِغَيْرِ عِلْمٍ وَيَتَّبِعُ كُلَّ شَيْطَٰنٍ مَّرِيدٍ

আবদুস শহীদ নাসিম

তার সম্পর্কে লিখে দেয়া হয়েছে যে, তার সাথে যে কেউ বন্ধুত্ব করবে, সে অবশ্যি তাকে গোমরাহ করে ছাড়বে এবং পরিচালিত করবে জ্বলন্ত আগুনের আযাবের দিকে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহার সম্বন্ধে এই নিয়ম করিয়া দেওয়া হইয়াছে যে, যে কেহ তাহার সঙ্গে বন্ধুত্ব করিবে সে তাহাকে পথভ্রষ্ট করিবে এবং তাহাকে পরিচালিত করিবে অগ্নির শাস্তির দিকে।

মুহিউদ্দীন খান

শয়তান সম্পর্কে লিখে দেয়া হয়েছে যে, যে কেউ তার সাথী হবে, সে তাকে বিভ্রান্ত করবে এবং দোযখের আযাবের দিকে পরিচালিত করবে।

Word by word

كُتِبَ عَلَيْهِ أَنَّهُۥ مَن تَوَلَّاهُ فَأَنَّهُۥ يُضِلُّهُۥ وَيَهْدِيهِ إِلَىٰ عَذَابِ ٱلسَّعِيرِ

আবদুস শহীদ নাসিম

হে মানুষ! তোমরা যদি পুনরুত্থান সম্পর্কে সন্দেহের মধ্যে থাকো, তবে ভেবে দেখো, আমরাই তো তোমাদের সৃষ্টি করেছি মাটি থেকে, তারপর নোতফা (শুক্রবিন্দু) থেকে, তারপর আলাকা (শক্তভাবে আঁটকে থাকা পিন্ড) থেকে, তারপর পূর্ণ আকৃতি অথবা অপূর্ণ আকৃতির গোশত পিন্ড থেকে। তোমাদের কাছে স্পষ্ট করার জন্যে (এ তত্ত্ব পেশ করছি)। আমরা যা ইচ্ছা করি তা মায়ের গর্ভে একটা নিদিষ্ট সময় স্থিত করি। তারপর তোমাদের বের করে আনি শিশু হিসেবে। তারপর তোমরা পৌঁছে যাও পরিণত বয়েসে। তখন তোমাদের কারো ওফাত হয়, আবার তোমাদের কাউকে পৌঁছে দিই দুর্বলতম বয়েসে, যার ফলে তারা যা কিছু জানতো, সে সম্পর্কে আর কিছুই অবগত থাকেনা। তুমি জমিনকে দেখছো শুকনো, তারপর আমরা যখন পানি বর্ষণ করি, তখন তা শস্য - শ্যামল হয় এবং আন্দোলিত হয়, আর তা উৎপন্ন করে সব ধরনের সুদৃশ্য উদ্ভিদ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

হে মানুষ ! পুনরুত্থান সম্বন্ধে যদি তোমরা সন্দিগ্ধ হও তবে অবধান কর - আমি তোমাদেরকে সৃষ্টি করিয়াছি মৃত্তিকা হইতে, তাহার পর শুক্র হইতে, তাহার পর ‘আলাকা’ হইতে, তাহার পর পূর্ণাকৃতি অথবা অপূর্ণাকৃতি গোশত্‌পিণ্ড হইতে - তোমাদের নিকট ব্যক্ত করিবার জন্য, আমি যাহা ইচ্ছা করি তাহা এক নির্দিষ্ট কালের জন্য মাতৃগর্ভে স্থিত রাখি, তাহার পর আমি তোমাদেরকে শিশুরূপে বাহির করি, পরে যাহাতে তোমরা পরিণত বয়সে উপনীত হও। তোমাদের মধ্যে কাহারও কাহারও মৃত্যু ঘটান হয় এবং তোমাদের মধ্যে কাহাকেও কাহাকেও প্রত্যাবৃত্ত করা হয় হীনতম বয়সে, যাহার ফলে উহারা যাহা কিছু জানিত সে সম্বন্ধে উহারা সজ্ঞান থাকে না। তুমি ভূমিকে দেখ শুষ্ক, অতঃপর উহাতে আমি বারি বর্ষণ করিলে উহা শস্য - শ্যামলা হইয়া আন্দোলিত ও স্ফীত হয় এবং উদ্‌গত করে সর্বপ্রকার নয়নাভিরাম উদ্ভিদ;

মুহিউদ্দীন খান

হে লোকসকল! যদি তোমরা পুনরুত্থানের ব্যাপারে সন্দিগ্ধ হও, তবে (ভেবে দেখ - ) আমি তোমাদেরকে মৃত্তিকা থেকে সৃষ্টি করেছি। এরপর বীর্য থেকে, এরপর জমাট রক্ত থেকে, এরপর পূর্ণাকৃতিবিশিষ্ট ও অপূর্ণাকৃতিবিশিষ্ট মাংসপিন্ড থেকে, তোমাদের কাছে ব্যক্ত করার জন্যে। আর আমি এক নির্দিষ্ট কালের জন্যে মাতৃগর্ভে যা ইচ্ছা রেখে দেই, এরপর আমি তোমাদেরকে শিশু অবস্থায় বের করি; তারপর যাতে তোমরা যৌবনে পদার্পণ কর। তোমাদের মধ্যে কেউ কেউ মৃত্যুমুখে পতিত হয় এবং তোমাদের মধ্যে কাউকে নিষ্কর্মা বয়স পর্যন্ত পৌছানো হয়, যাতে সে জানার পর জ্ঞাত বিষয় সম্পর্কে সজ্ঞান থাকে না। তুমি ভূমিকে পতিত দেখতে পাও, অতঃপর আমি যখন তাতে বৃষ্টি বর্ষণ করি, তখন তা সতেজ ও স্ফীত হয়ে যায় এবং সর্বপ্রকার সুদৃশ্য উদ্ভিদ উৎপন্ন করে।

Word by word

يَٰٓأَيُّهَا ٱلنَّاسُ إِن كُنتُمْ فِى رَيْبٍ مِّنَ ٱلْبَعْثِ فَإِنَّا خَلَقْنَٰكُم مِّن تُرَابٍ ثُمَّ مِن نُّطْفَةٍ ثُمَّ مِنْ عَلَقَةٍ ثُمَّ مِن مُّضْغَةٍ مُّخَلَّقَةٍ وَغَيْرِ مُخَلَّقَةٍ لِّنُبَيِّنَ لَ

আবদুস শহীদ নাসিম

এটা এ জন্যে যে, সত্য এবং তিনি জীবিত করেন মৃতকে, আর তিনি সব বিষয়ে শক্তিমান।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহা এইজন্য যে, ‌ সত্য এবং তিনিই মৃতকে জীবন দান করেন এবং তিনি সর্ববিষয়ে শক্তিমান;

মুহিউদ্দীন খান

এগুলো এ কারণে যে, সত্য এবং তিনি মৃতকে জীবিত করেন এবং তিনি সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান।

Word by word

ذَٰلِكَ بِأَنَّ ٱللَّهَ هُوَ ٱلْحَقُّ وَأَنَّهُۥ يُحْىِ ٱلْمَوْتَىٰ وَأَنَّهُۥ عَلَىٰ كُلِّ شَىْءٍ قَدِيرٌ

আবদুস শহীদ নাসিম

আর কিয়ামত অবশ্যি আসবে, তাতে কোনো প্রকার সন্দেহ নেই এবং কবরে যারা আছে অবশ্যি তাদের পুনরুত্থিত করবেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং কিয়ামত আসিবেই, ইহাতে কোন সন্দেহ নাই এবং কবরে যাহারা আছে তাহাদেরকে নিশ্চয়ই ‌ উত্থিত করিবেন।

মুহিউদ্দীন খান

এবং এ কারণে যে, কেয়ামত অবশ্যম্ভাবী, এতে সন্দেহ নেই এবং এ কারণে যে, কবরে যারা আছে, তাদেরকে পুনরুত্থিত করবেন।

Word by word

وَأَنَّ ٱلسَّاعَةَ ءَاتِيَةٌ لَّا رَيْبَ فِيهَا وَأَنَّ ٱللَّهَ يَبْعَثُ مَن فِى ٱلْقُبُورِ

আবদুস শহীদ নাসিম

কিছু লোক আছে, যারা এলেম ছাড়াই আল্লাহর ব্যাপারে বিতর্ক করে। তাছাড়া তাদের কাছে সঠিক পথের দিশাও নেই, নূর (সত্যজ্ঞান) বিতরণকারী কিতাবও নেই।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মানুষের মধ্যে কেহ কেহ ‌ সম্বন্ধে বিতণ্ডা করে; তাহাদের না আছে জ্ঞান, না আছে পথনির্দেশ, না আছে কোন দীপ্তিমান কিতাব।

মুহিউদ্দীন খান

কতক মানুষ জ্ঞান; প্রমাণ ও উজ্জ্বল কিতাব ছাড়াই সম্পর্কে বিতর্ক করে।

Word by word

وَمِنَ ٱلنَّاسِ مَن يُجَٰدِلُ فِى ٱللَّهِ بِغَيْرِ عِلْمٍ وَلَا هُدًى وَلَا كِتَٰبٍ مُّنِيرٍ

আবদুস শহীদ নাসিম

সে ঘাড় বাঁকিয়ে বিতর্ক করে মানুষকে আল্লাহর পথ থেকে বিপথগামী করতে। দুনিয়াতেও তার জন্যে লাঞ্ছনা, আর কিয়ামতের দিন আমরা তাকে আস্বাদন করাবো দগ্ধ হবার যন্ত্রণা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সে বিতণ্ডা করে ঘাড় বাঁকাইয়া লোকদেরকে ‌র পথ হইতে ভ্রষ্ট করিবার জন্য। তাহার জন্য লাঞ্ছনা আছে ইহলোকে এবং কিয়ামত দিবসে আমি তাহাকে আস্বাদ করাইব দহন - যন্ত্রণা।

মুহিউদ্দীন খান

সে পার্শ্ব পরিবর্তন করে বিতর্ক করে, যাতে আল্লাহর পথ থেকে বিভ্রান্ত করে দেয়। তার জন্যে দুনিয়াতে লাঞ্ছনা আছে এবং কেয়ামতের দিন আমি তাকে দহন - যন্ত্রণা আস্বাদন করাব।

Word by word

ثَانِىَ عِطْفِهِۦ لِيُضِلَّ عَن سَبِيلِ ٱللَّهِ لَهُۥ فِى ٱلدُّنْيَا خِزْىٌ وَنُذِيقُهُۥ يَوْمَ ٱلْقِيَٰمَةِ عَذَابَ ٱلْحَرِيقِ

আবদুস শহীদ নাসিম

সেদিন তাকে বলা হবে: এটা তোমার কৃতকর্মের ফল। তো তাঁর বান্দাদের প্রতি যুলুম করেননা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সেদিন তাহাকে বলা হইবে, ‘ইহা তোমার কৃতকর্মেরই ফল, কারণ ‌ বান্দাদের প্রতি জুলুম করেন না।’

মুহিউদ্দীন খান

এটা তোমার দুই হাতের কর্মের কারণে, বান্দাদের প্রতি জুলুম করেন না।

Word by word

ذَٰلِكَ بِمَا قَدَّمَتْ يَدَاكَ وَأَنَّ ٱللَّهَ لَيْسَ بِظَلَّٰمٍ لِّلْعَبِيدِ

আবদুস শহীদ নাসিম

মানুষের মধ্যে কেউ কেউ আছে, আল্লাহর ইবাদত করে সীমানায় দাঁড়িয়ে। তখন কল্যাণ লাভ করলে তার মন শান্ত হয়, আর বিপদ এলে সে সীমানা থেকে নেমে আগের জায়গায় চলে যায়। এসব লোক দুনিয়াও হারায়, আখিরাতও হারায়। এ এক সুস্পষ্ট ক্ষতি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মানুষের মধ্যে কেহ কেহ ‌র ‘ইবাদত করে দ্বিধার সঙ্গে; তাহার মঙ্গল হইলে তাহাতে তাহার চিত্ত প্রশান্ত হয় এবং কোন বিপর্যয় ঘটিলে সে তাহার পূর্বাবস্থায় ফিরিয়া যায়। সে ক্ষতিগ্রস্ত হয় দুনিয়াতে ও আখিরাতে ; ইহাই তো সুস্পষ্ট ক্ষতি।

মুহিউদ্দীন খান

মানুষের মধ্যে কেউ কেউ দ্বিধা - দ্বন্দ্বে জড়িত হয়ে আল্লাহর এবাদত করে। যদি সে কল্যাণ প্রাপ্ত হয়, তবে এবাদতের উপর কায়েম থাকে এবং যদি কোন পরীক্ষায় পড়ে, তবে পূর্বাবস্থায় ফিরে যায়। সে ইহকালে ও পরকালে ক্ষতিগ্রস্ত। এটাই প্রকাশ্য ক্ষতি

Word by word

وَمِنَ ٱلنَّاسِ مَن يَعْبُدُ ٱللَّهَ عَلَىٰ حَرْفٍ فَإِنْ أَصَابَهُۥ خَيْرٌ ٱطْمَأَنَّ بِهِۦ وَإِنْ أَصَابَتْهُ فِتْنَةٌ ٱنقَلَبَ عَلَىٰ وَجْهِهِۦ خَسِرَ ٱلدُّنْيَا وَٱلْءَاخِرَةَ ذَٰلِكَ هُوَ ٱلْخُسْرَانُ ٱ

আবদুস শহীদ নাসিম

সে আল্লাহর পরিবর্তে যাদের কাছে দোয়া প্রার্থনা করে, তারা না তার ক্ষতি করতে পারে, আর না উপকার। এ এক চরম বিপথগামিতা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সে ‌র পরিবর্তে এমন কিছুকে ডাকে যাহা উহার কোন অপকার করিতে পারে না, উপকারও করিতে পারে না; ইহাই চরম বিভ্রান্তি।

মুহিউদ্দীন খান

সে আল্লাহর পরিবর্তে এমন কিছুকে ডাকে, যে তার অপকার করতে পারে না এবং উপকারও করতে পারে না। এটাই চরম পথভ্রষ্টতা।

Word by word

يَدْعُوا۟ مِن دُونِ ٱللَّهِ مَا لَا يَضُرُّهُۥ وَمَا لَا يَنفَعُهُۥ ذَٰلِكَ هُوَ ٱلضَّلَٰلُ ٱلْبَعِيدُ

আবদুস শহীদ নাসিম

সে যাকে ডাকে তার ক্ষতির দিকটাই উপকারের চাইতে নিকটতর। কতো যে নিকৃষ্ট মাওলা (অভিভাবক) আর কতো যে নিকৃষ্ট সাথি এরা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সে ডাকে এমন কিছুকে যাহার ক্ষতিই উহার উপকার অপেক্ষা নিকটতর। কত নিকৃষ্ট এই অভিভাবক এবং কত নিকৃষ্ট এই সহচর !

মুহিউদ্দীন খান

সে এমন কিছুকে ডাকে, যার অপকার উপকারের আগে পৌছে। কত মন্দ এই বন্ধু এবং কত মন্দ এই সঙ্গী।

Word by word

يَدْعُوا۟ لَمَن ضَرُّهُۥٓ أَقْرَبُ مِن نَّفْعِهِۦ لَبِئْسَ ٱلْمَوْلَىٰ وَلَبِئْسَ ٱلْعَشِيرُ

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা ঈমান আনে এবং আমলে সালেহ্ করে তাদের দাখিল করবেন জান্নাতে (উদ্যানসমূহে), যাদের নিচে দিয়ে বহমান থাকবে নদ - নদীর - নহর। যা ইচ্ছা করেন, তাই করেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে ‌ অবশ্যই তাহাদেরকে দাখিল করিবেন জান্নাতে, যাহার নিম্নদেশে নদী প্রবাহিত। ‌ যাহা ইচ্ছা তাহাই করেন।

মুহিউদ্দীন খান

যারা বিশ্বাস স্থাপন করে ও সৎকর্ম সম্পাদন করে, তাদেরকে জান্নাতে দাখিল করবেন, যার তলদেশ দিয়ে নির্ঝরণীসমূহ প্রবাহিত হয়। যা ইচ্ছা তাই করেন।

Word by word

إِنَّ ٱللَّهَ يُدْخِلُ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَعَمِلُوا۟ ٱلصَّٰلِحَٰتِ جَنَّٰتٍ تَجْرِى مِن تَحْتِهَا ٱلْأَنْهَٰرُ إِنَّ ٱللَّهَ يَفْعَلُ مَا يُرِيدُ

আবদুস শহীদ নাসিম

যে মনে করে তাকে কখনো সাহায্য করবেন না দুনিয়া এবং আখিরাতে, সে একটি রশি আকাশের দিকে লম্বা করে টানিয়ে নিক, তারপর (আকাশে উঠে) সেটা কেটে দিক, তারপর সে দেখুক তার কৌশল তার ক্রোধের কারণ দূর করতে পারে কিনা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যে কেহ মনে করে, ‌ তাহাকে কখনই দুনিয়া ও আখিরাতে সাহায্য করিবেন না, সে আকাশের দিকে একটি রজ্জু বিলম্বিত করুক, পরে উহা বিচ্ছিন্ন করুক; অতঃপর দেখুক তাহার প্রচেষ্টা তাহার আক্রোশের হেতু দূর করে কি না।

মুহিউদ্দীন খান

সে ধারণা করে যে, কখনই ইহকালে ও পরকালে রাসূলকে সাহায্য করবেন না, সে একটি রশি আকাশ পর্যন্ত ঝুলিয়ে নিক; এরপর কেটে দিক; অতঃপর দেখুক তার এই কৌশল তার আক্রোশ দূর করে কিনা।

Word by word

مَن كَانَ يَظُنُّ أَن لَّن يَنصُرَهُ ٱللَّهُ فِى ٱلدُّنْيَا وَٱلْءَاخِرَةِ فَلْيَمْدُدْ بِسَبَبٍ إِلَى ٱلسَّمَآءِ ثُمَّ لْيَقْطَعْ فَلْيَنظُرْ هَلْ يُذْهِبَنَّ كَيْدُهُۥ مَا يَغِيظُ

আবদুস শহীদ নাসিম

এভাবে আমরা এ কুরআন নাযিল করেছি সুস্পষ্ট আয়াত আকারে, আর অবশ্যি যাকে ইচ্ছা সঠিক পথ দেখান।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এইভাবেই আমি সুস্পষ্ট নিদর্শনরূপে উহা অবতীর্ণ করিয়াছি; আর ‌ তো যাহাকে ইচ্ছা সৎপথ প্রদর্শন করেন।

মুহিউদ্দীন খান

এমনিভাবে আমি সুস্পষ্ট আয়াত রূপে কোরআন নাযিল করেছি এবং - ই যাকে ইচ্ছা হেদায়েত করেন।

Word by word

وَكَذَٰلِكَ أَنزَلْنَٰهُ ءَايَٰتٍۭ بَيِّنَٰتٍ وَأَنَّ ٱللَّهَ يَهْدِى مَن يُرِيدُ

আবদুস শহীদ নাসিম

নিশ্চয়ই যারা ঈমান এনেছে, যারা ইহুদি হয়েছে, এছাড়া সাবী, খৃষ্টান, মজুসি (অগ্নিপূজারি), আর যারা শিরক করেছে, কিয়ামতের দিন তাদের মধ্যে ফায়সালা করবেন। সব বিষয়ে প্রত্যক্ষদর্শী - সাক্ষী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

নিশ্চয়ই যাহারা ঈমান আনিয়াছে এবং যাহারা ইয়াহূদী হইয়াছে, যাহারা সাবিয়ী, খ্রিস্টান ও অগ্নিপূজক এবং যাহারা মুশরিক হইয়াছে কিয়ামতের দিন ‌ তাহাদের মধ্যে ফয়সালা করিয়া দিবেন। ‌ তো সব কিছুর সম্যক প্রত্যক্ষকারী।

মুহিউদ্দীন খান

যারা মুসলমান, যারা ইহুদী, সাবেয়ী, খ্রীষ্টান, অগ্নিপুজক এবং যারা মুশরেক, কেয়ামতের দিন অবশ্যই তাদের মধ্যে ফায়সালা করে দেবেন। সবকিছুই আল্লাহর দৃষ্টির সামনে।

Word by word

إِنَّ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَٱلَّذِينَ هَادُوا۟ وَٱلصَّٰبِـِٔينَ وَٱلنَّصَٰرَىٰ وَٱلْمَجُوسَ وَٱلَّذِينَ أَشْرَكُوٓا۟ إِنَّ ٱللَّهَ يَفْصِلُ بَيْنَهُمْ يَوْمَ ٱلْقِيَٰمَةِ إِنَّ ٱللَّهَ عَلَىٰ كُلِّ شَىْءٍ شَهِيدٌ

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি কি দেখছোনা, আল্লাহকে সাজদা করছে সবাই, যারা মহাকাশে আছে, যারা পৃথিবীতে আছে, সূর্য, চাঁদ, নক্ষত্ররাজি, পাহাড় পর্বত, বৃক্ষলতা, জীব - জানোয়ার, এছাড়া মানুষের মধ্যেও অনেকেই। আর অনেকের জন্যেই অবধারিত হয়ে গেছে আযাব। যাকে অপমানিত করেন, তাকে সম্মানিত করার কেউ নেই। তাই করেন, যা ইচ্ছা করেন। (সাজদা)

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তুমি কি দেখ না যে, ‌কে সিজ্‌দা করে যাহা কিছু আছে আকাশমণ্ডলীতে ও পৃথিবীতে, সূর্য, চন্দ্র, নক্ষত্রমণ্ডলী, পর্বতরাজি, বৃক্ষলতা, জীবজন্তু এবং সিজ্‌দা করে মানুষের মধ্যে অনেকে? আবার অনেকের প্রতি অবধারিত হইয়াছে শাস্তি। ‌ যাহাকে হেয় করেন তাহার সম্মানদাতা কেহই নাই; ‌ যাহা ইচ্ছা তাহা করেন।

মুহিউদ্দীন খান

তুমি কি দেখনি যে, আল্লাহকে সেজদা করে যা কিছু আছে নভোমন্ডলে, যা কিছু আছে ভুমন্ডলে, সূর্য, চন্দ্র, তারকারাজি পর্বতরাজি বৃক্ষলতা, জীবজন্তু এবং অনেক মানুষ। আবার অনেকের উপর অবধারিত হয়েছে শাস্তি। যাকে ইচ্ছা লাঞ্ছিত করেন, তাকে কেউ সম্মান দিতে পারে না। যা ইচ্ছা তাই করেন

Word by word

أَلَمْ تَرَ أَنَّ ٱللَّهَ يَسْجُدُ لَهُۥ مَن فِى ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَمَن فِى ٱلْأَرْضِ وَٱلشَّمْسُ وَٱلْقَمَرُ وَٱلنُّجُومُ وَٱلْجِبَالُ وَٱلشَّجَرُ وَٱلدَّوَآبُّ وَكَثِيرٌ مِّنَ ٱلنَّاسِ وَكَثِيرٌ حَقَّ عَلَيْهِ

আবদুস শহীদ নাসিম

এরা বিবাদে লিপ্ত দুটি পক্ষ, তারা বিবাদ করছে তাদের প্রভুর বিষয়ে। যারা কুফুরি করে তাদের জন্যে প্রস্ত্তত করা হয়েছে আগুনের পোশাক। তাদের মাথার উপর থেকে ঢালা হবে টগবগে ফুটন্ত পানি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহারা দুইটি বিবদমান পক্ষ, তাহারা তাহাদের প্রতিপালক সম্বন্ধে বিতর্ক করে ; যাহারা করে তাহাদের জন্য প্রস্তুত করা হইয়াছে আগুনের পোশাক, তাহাদের মাথার উপর ঢালিয়া দেওয়া হইবে ফুটন্ত পানি,

মুহিউদ্দীন খান

এই দুই বাদী বিবাদী, তারা তাদের পালনকর্তা সম্পর্কে বিতর্ক করে। অতএব যারা , তাদের জন্যে আগুনের পোশাক তৈরী করা হয়েছে। তাদের মাথার উপর ফুটন্ত পানি ঢেলে দেয়া হবে।

Word by word

هَٰذَانِ خَصْمَانِ ٱخْتَصَمُوا۟ فِى رَبِّهِمْ فَٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ قُطِّعَتْ لَهُمْ ثِيَابٌ مِّن نَّارٍ يُصَبُّ مِن فَوْقِ رُءُوسِهِمُ ٱلْحَمِيمُ

আবদুস শহীদ নাসিম

এর ফলে তাদের পেটে যা আছে এবং শরীরের চামড়া বিগলিত হয়ে পড়বে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহা দ্বারা উহাদের উদরে যাহা আছে তাহা এবং উহাদের চর্ম বিগলিত করা হইবে।

মুহিউদ্দীন খান

ফলে তাদের পেটে যা আছে, তা এবং চর্ম গলে বের হয়ে যাবে।

Word by word

يُصْهَرُ بِهِۦ مَا فِى بُطُونِهِمْ وَٱلْجُلُودُ

আবদুস শহীদ নাসিম

এছাড়া তাদের জন্যে থাকবে লোহার মুগুর।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং উহাদের জন্য থাকিবে লৌহমুদগর।

মুহিউদ্দীন খান

তাদের জন্যে আছে লোহার হাতুড়ি।

Word by word

وَلَهُم مَّقَٰمِعُ مِنْ حَدِيدٍ

আবদুস শহীদ নাসিম

যখনই যন্ত্রণার জ্বালায় তারা জাহান্নাম থেকে বের হতে চাইবে, তখনই তাদের ফিরিয়ে দেয়া হবে তাতে। বলা হবে: আস্বাদন করো দগ্ধ হবার যন্ত্রণা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যখনই উহারা যন্ত্রণাকাতর হইয়া জাহান্নাম হইতে বাহির হইতে চাহিবে তখনই তাহাদেরকে ফিরাইয়া দেওয়া হইবে উহাতে; উহাদেরকে বলা হইবে, ‘আস্বাদন কর দহন - যন্ত্রণা।’

মুহিউদ্দীন খান

তারা যখনই যন্ত্রনায় অতিষ্ঠ হয়ে জাহান্নাম থেকে বের হতে চাইবে, তখনই তাদেরকে তাতে ফিরিয়ে দেয়া হবে। বলা হবেঃ দহন শাস্তি আস্বাদন কর।

Word by word

كُلَّمَآ أَرَادُوٓا۟ أَن يَخْرُجُوا۟ مِنْهَا مِنْ غَمٍّ أُعِيدُوا۟ فِيهَا وَذُوقُوا۟ عَذَابَ ٱلْحَرِيقِ

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা ঈমান আনে এবং আমলে সালেহ্ করে তাদের দাখিল করবেন জান্নাত (উদ্যান)সমূহে, যাদের নিচে দিয়ে বহমান থাকবে নদ - নদী - নহর। তাদেরকে সেখানে অলংকার পরানো হবে সোনার এবং মুক্তার। সেখানে তাদের পোশাক হবে রেশমি পোশাক।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে ‌ তাহাদেরকে দাখিল করিবেন জান্নাতে যাহার পাদদেশে নদী প্রবাহিত, সেখানে তাহাদেরকে অলঙ্কৃত করা হইবে স্বর্ণ - কঙ্কন ও মুক্তা দ্বারা এবং সেখানে তাহাদের পোশাক - পরিচ্ছদ হইবে রেশমের।

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় যারা বিশ্বাস স্থাপন করে এবং সৎকর্ম করে, তাদেরকে দাখিল করবেন উদ্যান সমূহে, যার তলদেশ দিয়ে নির্ঝরিণীসমূহ প্রবাহিত হবে। তাদেরকে তথায় স্বর্ণ - কংকন ও মুক্তা দ্বারা অলংকৃত করা হবে এবং তথায় তাদের পোশাক হবে রেশমী।

Word by word

إِنَّ ٱللَّهَ يُدْخِلُ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَعَمِلُوا۟ ٱلصَّٰلِحَٰتِ جَنَّٰتٍ تَجْرِى مِن تَحْتِهَا ٱلْأَنْهَٰرُ يُحَلَّوْنَ فِيهَا مِنْ أَسَاوِرَ مِن ذَهَبٍ وَلُؤْلُؤًا وَلِبَاسُهُمْ فِيهَا حَرِيرٌ

আবদুস শহীদ নাসিম

আর তাদেরকে (দুনিয়ায়) সুন্দর ও উত্তম কথা বলার পথ দেখানো হয়েছিল এবং পরিচালিত করা হয়েছিল প্রশংসিত আল্লাহর পথে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহাদেরকে পবিত্র বাক্যের অনুগামী করা হইয়াছিল এবং তাহারা পরিচালিত হইয়াছিল পরম প্রশংসাভাজন ‌র পথে।

মুহিউদ্দীন খান

তারা পথপ্রদর্শিত হয়েছিল সৎবাক্যের দিকে এবং পরিচালিত হয়েছিল প্রশংসিত আল্লাহর পথপানে।

Word by word

وَهُدُوٓا۟ إِلَى ٱلطَّيِّبِ مِنَ ٱلْقَوْلِ وَهُدُوٓا۟ إِلَىٰ صِرَٰطِ ٱلْحَمِيدِ

আবদুস শহীদ নাসিম

পক্ষান্তরে যারা কুফুরি করে এবং আল্লাহর পথে চলতে ও মসজিদুল হারামে যেতে বাধা সৃষ্টি করে, যে ঘরকে আমরা করে দিয়েছি স্থানীয় এবং বহিরাগত সকলের জন্যে সমান অধিকার সম্পন্ন (তাদের জন্যে শাস্তি অবধারিত)। যারাই তাতে (মসজিদুল হারামে) সীমালঙ্ঘন করে পাপ করবে, তাদেরকেই আমরা আস্বাদন করাবো বেদনাদায়ক আযাব।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা করে এবং মানুষকে নিবৃত্ত করে ‌র পথ হইতে ও মসজিদুল হারাম হইতে, যাহা আমি করিয়াছি স্থানীয় ও বহিরাগত সকলের জন্য সমান, আর যে ইচ্ছা করে সীমালংঘন করিয়া উহাতে পাপ কার্যের, তাহাকে আমি আস্বাদন করাইব মর্মন্তুদ শাস্তির।

মুহিউদ্দীন খান

যারা কুফর করে ও আল্লাহর পথে বাধা সৃষ্টি করে এবং সেই মসজিদে হারাম থেকে বাধা দেয়, যাকে আমি প্রস্তুত করেছি স্থানীয় ও বহিরাগত সকল মানুষের জন্যে সমভাবে এবং যে মসজিদে হারামে অন্যায়ভাবে কোন ধর্মদ্রোহী কাজ করার ইচছা করে, আমি তাদেরকে যন্ত্রানাদায়ক শাস্তি আস্বাদন করাব।

Word by word

إِنَّ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ وَيَصُدُّونَ عَن سَبِيلِ ٱللَّهِ وَٱلْمَسْجِدِ ٱلْحَرَامِ ٱلَّذِى جَعَلْنَٰهُ لِلنَّاسِ سَوَآءً ٱلْعَٰكِفُ فِيهِ وَٱلْبَادِ وَمَن يُرِدْ فِيهِ بِإِلْحَادٍۭ بِظُلْمٍ نُّذِقْهُ مِنْ عَ

আবদুস শহীদ নাসিম

স্মরণ করো, আমরা ইবরাহিমের জন্যে নির্ধারণ করে দিয়েছিলাম সেই ঘর (নির্মাণের) স্থান, আর তাকে বলে দিয়েছিলাম: আমার সাথে কোনো কিছুকে শরিক করোনা এবং আমার ঘরকে পবিত্র রাখবে তাদের জন্যে, যারা তাওয়াফ করে, যারা সালাতে দাঁড়ায় এবং রুকু ও সাজদা করে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং স্মরণ কর, যখন আমি ইব্‌রাহীমের জন্য নির্ধারণ করিয়া দিয়াছিলাম সেই গৃহের স্থান, তখন বলিয়াছিলাম, ‘আমার সঙ্গে কোন শরীক স্থির করিও না এবং আমার গৃহকে পবিত্র রাখিও তাহাদের জন্য যাহারা তাওয়াফ করে এবং যাহারা সালাতে দাঁড়ায়, রুকূ‘ করে ও সিজ্‌দা করে।

মুহিউদ্দীন খান

যখন আমি ইব্রাহীমকে বায়তুল্লাহর স্থান ঠিক করে দিয়েছিলাম যে, আমার সাথে কাউকে শরীক করো না এবং আমার গৃহকে পবিত্র রাখ তাওয়াফকারীদের জন্যে, নামাযে দন্ডায়মানদের জন্যে এবং রকু সেজদাকারীদের জন্যে।

Word by word

وَإِذْ بَوَّأْنَا لِإِبْرَٰهِيمَ مَكَانَ ٱلْبَيْتِ أَن لَّا تُشْرِكْ بِى شَيْـًٔا وَطَهِّرْ بَيْتِىَ لِلطَّآئِفِينَ وَٱلْقَآئِمِينَ وَٱلرُّكَّعِ ٱلسُّجُودِ

আবদুস শহীদ নাসিম

(আর আমরা ইবরাহিমকে এই নির্দেশও দিয়েছিলাম যে) মানুষের মাঝে হজ্জের ঘোষণা প্রচার করে দাও। তারা তোমার কাছে আসবে পায়ে হেঁটে এবং উটের পিঠে করে। তারা আসবে দূর দূরান্ত থেকে, দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং মানুষের নিকট হজ্জ - এর ঘোষণা করিয়া দাও, উহারা তোমার নিকট আসিবে পদব্রজে ও সর্বপ্রকার ক্ষীণকায় উষ্ট্রের পিঠে, ইহারা আসিবে দূর - দূরান্তর পথ অতিক্রম করিয়া,

মুহিউদ্দীন খান

এবং মানুষের মধ্যে হজ্বের জন্যে ঘোষণা প্রচার কর। তারা তোমার কাছে আসবে পায়ে হেঁটে এবং সর্বপ্রকার কৃশকায় উটের পিঠে সওয়ার হয়ে দূর - দূরান্ত থেকে।

Word by word

وَأَذِّن فِى ٱلنَّاسِ بِٱلْحَجِّ يَأْتُوكَ رِجَالًا وَعَلَىٰ كُلِّ ضَامِرٍ يَأْتِينَ مِن كُلِّ فَجٍّ عَمِيقٍ

আবদুস শহীদ নাসিম

যাতে করে তারা তাদের জন্যে উপকারী স্থানগুলোতে উপস্থিত হতে পারে, আর যেনো তাদেরকে জীবিকা হিসেবে তিনি যেসব চারপায়ী জানোয়ার দান করেছেন সেগুলোর উপর নির্দিষ্ট দিনগুলোতে আল্লাহর নাম উচ্চারণ করতে পারে। আর তোমরা (সেই কুরবানি করা পশুর গোশ্ত) নিজেরা খাও এবং অভাবী ও মুখাপেক্ষী লোকদের খেতে দাও।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহাতে তাহারা তাহাদের কল্যাণময় স্থানগুলিতে উপস্থিত হইতে পারে এবং তিনি তাহাদেরকে চতুষ্পদ জন্তু হইতে যাহা রিযিক হিসাবে দান করিয়াছেন উহার উপর নিদির্ষ্ট দিনগুলিতে ‌র নাম উচ্চারণ করিতে পারে। অতঃপর তোমরা উহা হইতে আহার কর এবং দুস্থ, অভাবগ্রস্তকে আহার করাও।

মুহিউদ্দীন খান

যাতে তারা তাদের কল্যাণের স্থান পর্যন্ত পৌছে এবং নির্দিষ্ট দিনগুলোতে আল্লাহর নাম স্মরণ করে তাঁর দেয়া চতুস্পদ জন্তু যবেহ করার সময়। অতঃপর তোমরা তা থেকে আহার কর এবং দুঃস্থ - অভাবগ্রস্থকে আহার করাও।

Word by word

لِّيَشْهَدُوا۟ مَنَٰفِعَ لَهُمْ وَيَذْكُرُوا۟ ٱسْمَ ٱللَّهِ فِىٓ أَيَّامٍ مَّعْلُومَٰتٍ عَلَىٰ مَا رَزَقَهُم مِّنۢ بَهِيمَةِ ٱلْأَنْعَٰمِ فَكُلُوا۟ مِنْهَا وَأَطْعِمُوا۟ ٱلْبَآئِسَ ٱلْفَقِيرَ

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর তারা যেনো তাদের (দৈহিক) অপরিচ্ছন্নতা দূর করে এবং তাদের মানত পুরা করে, আর (আমার) এই প্রাচীন ঘরের তাওয়াফ করে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর তাহারা যেন তাহাদের অপরিচ্ছন্নতা দূর করে এবং তাহাদের মানত পূর্ণ করে এবং তাওয়াফ করে প্রাচীন গৃহের।

মুহিউদ্দীন খান

এরপর তারা যেন দৈহিক ময়লা দূর করে দেয়, তাদের মানত পূর্ণ করে এবং এই সুসংরক্ষিত গৃহের তাওয়াফ করে।

Word by word

ثُمَّ لْيَقْضُوا۟ تَفَثَهُمْ وَلْيُوفُوا۟ نُذُورَهُمْ وَلْيَطَّوَّفُوا۟ بِٱلْبَيْتِ ٱلْعَتِيقِ

আবদুস শহীদ নাসিম

এগুলোই (হজ্জের বিধান)। এছাড়া যে আল্লাহর পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভুর কাছে সেটা হবে তার জন্যে উত্তম। আর তোমাদের জন্যে হালাল করে দেয়া হলো গবাদি পশু সেগুলো ছাড়া, যেগুলোর বিষয়ে আগেই তোমাদের তিলাওয়াত করা (বিবরণ দেয়া) হয়েছে। সুতরাং তোমরা মূর্তি পূজার নোংরামি বর্জন করো এবং বর্জন করো মিথ্যা কথা

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহাই বিধান এবং কেহ কর্তৃক নির্ধারিত পবিত্র অনুষ্ঠানগুলির সম্মান করিলে তাহার প্রতিপালকের নিকট তাহার জন্য ইহাই উত্তম। তোমাদের জন্য হালাল করা হইয়াছে গবাদিপশু জন্তু - এইগুলি ব্যতীত যাহা তোমাদেরকে শোনান হইয়াছে। সুতরাং তোমরা বর্জন কর মূর্তিপূজার অপবিত্রতা এবং দূরে থাক মিথ্যা কথন হইতে,

মুহিউদ্দীন খান

এটা শ্রবণযোগ্য। আর কেউ আল্লাহর সম্মানযোগ্য বিধানাবলীর প্রতি সম্মান প্রদর্শন করলে পালনকর্তার নিকট তা তার জন্যে উত্তম। উল্লেখিত ব্যতিক্রমগুলো ছাড়া তোমাদের জন্যে চতুস্পদ জন্তু হালাল করা হয়েছে। সুতরাং তোমরা মূর্তিদের অপবিত্রতা থেকে বেঁচে থাক এবং মিথ্যা কথন থেকে দূরে সরে থাক;

Word by word

ذَٰلِكَ وَمَن يُعَظِّمْ حُرُمَٰتِ ٱللَّهِ فَهُوَ خَيْرٌ لَّهُۥ عِندَ رَبِّهِۦ وَأُحِلَّتْ لَكُمُ ٱلْأَنْعَٰمُ إِلَّا مَا يُتْلَىٰ عَلَيْكُمْ فَٱجْتَنِبُوا۟ ٱلرِّجْسَ مِنَ ٱلْأَوْثَٰنِ وَٱجْتَنِبُوا۟ قَوْلَ ٱلز

আবদুস শহীদ নাসিম

আল্লাহর প্রতি একনিষ্ঠ হয়ে এবং তাঁর সাথে কোনো শরিক না করে। যে কেউ আল্লাহর সাথে শরিক করবে, সে যেনো আকাশ থেকে ছিটকে পড়ে গেলো আর পাখি তাকে ছোঁ মেরে নিয়ে গেলো, কিংবা প্রবল বাতাস তাকে উড়িয়ে নিয়ে গিয়ে নিক্ষেপ করলো এক নিরুদ্দেশ স্থানে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌র প্রতি একনিষ্ঠ হইয়া এবং তাঁহার কোন শরীক না করিয়া ; এবং যে কেহ ‌র শরীক করে সে যেন আকাশ হইতে পড়িল, অতঃপর পাখি তাহাকে ছোঁ মারিয়া লইয়া গেল, কিংবা বায়ু তাহাকে উড়াইয়া লইয়া গিয়া এক দূরবর্তী স্থানে নিক্ষেপ করিল।

মুহিউদ্দীন খান

আল্লাহর দিকে একনিষ্ট হয়ে, তাঁর সাথে শরীক না করে; এবং যে কেউ আল্লাহর সাথে শরীক করল; সে যেন আকাশ থেকে ছিটকে পড়ল, অতঃপর মৃতভোজী পাখী তাকে ছোঁ মেরে নিয়ে গেল অথবা বাতাস তাকে উড়িয়ে নিয়ে কোন দূরবর্তী স্থানে নিক্ষেপ করল।

Word by word

حُنَفَآءَ لِلَّهِ غَيْرَ مُشْرِكِينَ بِهِۦ وَمَن يُشْرِكْ بِٱللَّهِ فَكَأَنَّمَا خَرَّ مِنَ ٱلسَّمَآءِ فَتَخْطَفُهُ ٱلطَّيْرُ أَوْ تَهْوِى بِهِ ٱلرِّيحُ فِى مَكَانٍ سَحِيقٍ

আবদুস শহীদ নাসিম

এগুলো (আল্লাহর নির্দেশাবলি), আর যারাই আল্লাহর নিদর্শনাবলির প্রতি সম্মান দেখাবে, সেটা হবে অন্তরের তাকওয়ার প্রকাশ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহাই ‌র বিধান এবং কেহ ‌র নিদর্শনাবলীকে সম্মান করিলে ইহা তো তাহার হৃদয়ের তাক্ওয়া - সঞ্জাত।

মুহিউদ্দীন খান

এটা শ্রবণযোগ্য কেউ আল্লাহর নামযুক্ত বস্তুসমুহের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করলে তা তো তার হৃদয়ের প্রসূত।

Word by word

ذَٰلِكَ وَمَن يُعَظِّمْ شَعَٰٓئِرَ ٱللَّهِ فَإِنَّهَا مِن تَقْوَى ٱلْقُلُوبِ

আবদুস শহীদ নাসিম

এগুলোর (এসব পশুর) মধ্যে তোমাদের জন্যে রয়েছে উপকার একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্যে, তারপর তাদের কুরবানির স্থান আমার প্রাচীন ঘরের কাছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এই সমস্ত আন‘আমে তোমাদের জন্য নানাবিধ উপকার রহিয়াছে এক নির্দিষ্ট কালের জন্য; অতঃপর উহাদের কুরবানীর স্থান প্রাচীন গৃহের নিকট।

মুহিউদ্দীন খান

চতুস্পদ জন্তুসমূহের মধ্যে তোমাদের জন্যে নির্দিষ্টকাল পর্যন্ত উপকার রয়েছে। অতঃপর এগুলোকে পৌছাতে হবে মুক্ত গৃহ পর্যন্ত।

Word by word

لَكُمْ فِيهَا مَنَٰفِعُ إِلَىٰٓ أَجَلٍ مُّسَمًّى ثُمَّ مَحِلُّهَآ إِلَى ٱلْبَيْتِ ٱلْعَتِيقِ

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা প্রত্যেক উম্মতের জন্যে কুরবানির একটি নিয়ম করে দিয়েছি, তাদেরকে জীবিকা হিসেবে যেসব চারপায়ী জানোয়ার দিয়েছেন, সেগুলোর উপর যেনো তারা আল্লাহর নাম উচ্চারণ করে। তোমাদের ইলাহ্ তো একমাত্র ইলাহ্। সুতরাং তোমরা কেবল তাঁরই প্রতি আত্মসর্মপণ করো। আর হে নবী, সুসংবাদ দাও বিনয়ীদের,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি প্রত্যেক সম্প্রদায়ের জন্য কুরবানীর নিয়ম করিয়া দিয়াছি; তিনি তাহাদেরকে জীবনোপকরণস্বরূপ যে সকল চতুষ্পদ জন্তু দিয়াছেন, সেগুলির উপর যেন তাহারা ‌র নাম উচ্চারণ করে। তোমাদের ইলাহ্ এক ইলাহ্, সুতরাং তাহারই নিকট আত্মসমর্পণ কর এবং সুসংবাদ দাও বিনীতগণকে -

মুহিউদ্দীন খান

আমি প্রত্যেক উম্মতের জন্যে কোরবানী নির্ধারণ করেছি, যাতে তারা আল্লাহর দেয়া চতুস্পদ জন্তু যবেহ কারার সময় আল্লাহর নাম উচ্চারণ করে। অতএব তোমাদের তো একমাত্র সুতরাং তাঁরই আজ্ঞাধীন থাক এবং বিনয়ীগণকে সুসংবাদ দাও;

Word by word

وَلِكُلِّ أُمَّةٍ جَعَلْنَا مَنسَكًا لِّيَذْكُرُوا۟ ٱسْمَ ٱللَّهِ عَلَىٰ مَا رَزَقَهُم مِّنۢ بَهِيمَةِ ٱلْأَنْعَٰمِ فَإِلَٰهُكُمْ إِلَٰهٌ وَٰحِدٌ فَلَهُۥٓ أَسْلِمُوا۟ وَبَشِّرِ ٱلْمُخْبِتِينَ

আবদুস শহীদ নাসিম

যাদের কলব কেঁপে উঠে আল্লাহর কথা স্মরণ করিয়ে দেয়া হলে, যারা সবর অবলম্বন করে বিপদ মসিবতে, কায়েম করে এবং আমাদের দেয়া জীবিকা থেকে খরচ করে (আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে)।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহাদের হৃদয় ভয়ে কম্পিত হয় ‌র নাম স্মরণ করা হইলে, যাহারা তাহাদের বিপদ - আপদে ধৈর্য ধারণ করে এবং কায়েম করে এবং আমি তাহাদেরকে যে রিযিক দিয়াছি তাহা হইতে ব্যয় করে।

মুহিউদ্দীন খান

যাদের অন্তর আল্লাহর নাম স্মরণ করা হলে ভীত হয় এবং যারা তাদের বিপদাপদে ধৈর্য্যধারণ করে এবং যারা কায়েম করে ও আমি যা দিয়েছি, তা থেকে ব্যয় করে।

Word by word

ٱلَّذِينَ إِذَا ذُكِرَ ٱللَّهُ وَجِلَتْ قُلُوبُهُمْ وَٱلصَّٰبِرِينَ عَلَىٰ مَآ أَصَابَهُمْ وَٱلْمُقِيمِى ٱلصَّلَوٰةِ وَمِمَّا رَزَقْنَٰهُمْ يُنفِقُونَ

আবদুস শহীদ নাসিম

আর উটকে আমরা বানিয়েছি আল্লাহর একটি নিদর্শন তোমাদের জন্যে। আর তাতে রয়েছে তোমাদের জন্যে কল্যাণ। সুতরাং সারিবদ্ধভাবে দাঁড়ানো অবস্থায় তোমরা তাদের উপর আল্লাহর নাম উচ্চারণ করো। যখন তারা কাত হয়ে পড়ে যাবে, তখন তোমরা তা থেকে খাও এবং তা থেকে খেতে দাও ধৈর্যশীল অভাবীদের ও প্রার্থী অভাবীদের। এভাবেই আমরা সেগুলো করে দিয়েছি তোমাদের অধীন, যাতে করে তোমরা শোকর আদায় করো।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং উষ্ট্রকে করিয়াছি ‌র নিদর্শনগুলির অন্যতম; তোমাদের জন্য উহাতে মঙ্গল রহিয়াছে। সুতরাং সারিবদ্ধভাবে দণ্ডায়মান অবস্থায় উহাদের উপর তোমরা ‌র নাম উচ্চারণ কর। যখন উহারা কাত হইয়া পড়িয়া যায় তখন তোমরা উহা হইতে আহার কর এবং আহার করাও ধৈর্যশীল অভাবগ্রস্তকে ও যাচ্ঞাকারী অভাবগ্রস্তকে ; এইভাবে আমি উহাদেরকে তোমাদের অধীন করিয়া দিয়াছি যাহাতে তোমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর।

মুহিউদ্দীন খান

এবং কা’বার জন্যে উৎসর্গীকৃত উটকে আমি তোমাদের জন্যে আল্লাহর অন্যতম নিদর্শন করেছি। এতে তোমাদের জন্যে মঙ্গল রয়েছে। সুতরাং সারিবদ্ধভাবে বাঁধা অবস্থায় তাদের যবেহ করার সময় তোমরা আল্লাহর নাম উচ্চারণ কর। অতঃপর যখন তারা কাত হয়ে পড়ে যায় তখন তা থেকে তোমরা আহার কর এবং আহার করাও যে কিছু যাচ্ঞা করে না তাকে এবং যে যাচ্ঞা করে তাকে। এমনিভাবে আমি এগুলোকে তোমাদের বশীভূত করে দিয়েছি, যাতে তোমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর।

Word by word

وَٱلْبُدْنَ جَعَلْنَٰهَا لَكُم مِّن شَعَٰٓئِرِ ٱللَّهِ لَكُمْ فِيهَا خَيْرٌ فَٱذْكُرُوا۟ ٱسْمَ ٱللَّهِ عَلَيْهَا صَوَآفَّ فَإِذَا وَجَبَتْ جُنُوبُهَا فَكُلُوا۟ مِنْهَا وَأَطْعِمُوا۟ ٱلْقَانِعَ وَٱلْمُعْتَرَّ كَ

আবদুস শহীদ নাসিম

আল্লাহর কাছে পৌঁছায়না তার (কুরবানির) গোশত এবং রক্ত, বরঞ্চ পৌঁছায় তোমাদের তাকওয়া। এভাবেই সেগুলোকে তোমাদের অধীন করে দিয়েছেন, যাতে করে তোমরা আল্লাহর শ্রেষ্ঠত্ব ঘোষণা করতে পারো তিনি তোমাদেরকে যে হিদায়াত (কুরআন) দান করেছেন তার ভিত্তিতে। সুসংবাদ দাও কল্যাণকামীদের।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কখনই ‌র নিকট পৌঁছায় না উহাদের গোশত্‌ এবং রক্ত, বরং পৌঁছায় তোমাদের তাক্ওয়া। এইভাবে তিনি ইহাদেরকে তোমাদের অধীন করিয়া দিয়াছেন যাহাতে তোমরা ‌র শ্রেষ্ঠত্ব ঘোষণা কর এইজন্য যে, তিনি তোমাদেরকে পথপ্রদর্শন করিয়াছেন; সুতরাং তুমি সুসংবাদ দাও সৎকর্মপরায়ণ - দেরকে।

মুহিউদ্দীন খান

এগুলোর গোশত ও রক্ত আল্লাহর কাছে পৌঁছে না, কিন্তু পৌঁছে তাঁর কাছে তোমাদের মনের তাকওয়া। এমনিভাবে তিনি এগুলোকে তোমাদের বশ করে দিয়েছেন, যাতে তোমরা আল্লাহর মহত্ত্ব ঘোষণা কর এ কারণে যে, তিনি তোমাদের পথ প্রদর্শন করেছেন। সুতরাং সৎকর্মশীলদের সুসংবাদ শুনিয়ে দিন।

Word by word

لَن يَنَالَ ٱللَّهَ لُحُومُهَا وَلَا دِمَآؤُهَا وَلَٰكِن يَنَالُهُ ٱلتَّقْوَىٰ مِنكُمْ كَذَٰلِكَ سَخَّرَهَا لَكُمْ لِتُكَبِّرُوا۟ ٱللَّهَ عَلَىٰ مَا هَدَىٰكُمْ وَبَشِّرِ ٱلْمُحْسِنِينَ

আবদুস শহীদ নাসিম

মুমিনদের রক্ষা করেন। কোনো বিশ্বাসঘাতক অকৃতজ্ঞকে পছন্দ করেননা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অবশ্যই ‌ রক্ষা করেন মু’মিনদেরকে, তিনি কোন বিশ্বাসঘাতক, অকৃতজ্ঞকে পসন্দ করেন না।

মুহিউদ্দীন খান

মুমিনদের থেকে শত্রুদেরকে হটিয়ে দেবেন। কোন বিশ্বাসঘাতক অকৃতজ্ঞকে পছন্দ করেন না।

Word by word

إِنَّ ٱللَّهَ يُدَٰفِعُ عَنِ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوٓا۟ إِنَّ ٱللَّهَ لَا يُحِبُّ كُلَّ خَوَّانٍ كَفُورٍ

আবদুস শহীদ নাসিম

অনুমতি দেয়া হলো (প্রতিরোধের) যারা আক্রান্ত হয়েছে তাদেরকে, কারণ তাদের প্রতি যুলুম করা হয়েছে। অবশ্যি তাদের সাহায্য করতে সক্ষম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যুদ্ধের অনুমতি দেওয়া হইল তাহাদেরকে যাহারা আক্রান্ত হইয়াছে; কারণ তাহাদের প্রতি অত্যাচার করা হইয়াছে। নিশ্চয়ই তাহাদেরকে সাহায্য করিতে সম্যক সক্ষম;

মুহিউদ্দীন খান

যুদ্ধে অনুমতি দেয়া হল তাদেরকে যাদের সাথে কাফেররা যুদ্ধ করে; কারণ তাদের প্রতি অত্যাচার করা হয়েছে। তাদেরকে সাহায্য করতে অবশ্যই সক্ষম।

Word by word

أُذِنَ لِلَّذِينَ يُقَٰتَلُونَ بِأَنَّهُمْ ظُلِمُوا۟ وَإِنَّ ٱللَّهَ عَلَىٰ نَصْرِهِمْ لَقَدِيرٌ

আবদুস শহীদ নাসিম

(কারণ) তাদেরকে না হকভাবে খারিজ করে দেয়া হয়েছে তাদের ঘর - বাড়ি থেকে। (তাদের বের করে দেয়া হয়েছে) শুধু এ কারণে যে, তারা বলে: ‘ আমাদের রব।’ যদি একদল মানুষকে অন্য দল দিয়ে প্রতিহত না করতেন, তাহলে অবশ্যি বিধ্বস্ত হয়ে যেতো (খৃষ্টান) বৈরাগীদের উপাসনালয়, গীর্জা, ইহুদিদের উপাসনালয় এবং মসজিদসমূহ যেগুলোতে বেশি বেশি স্মরণ করা হয় আল্লাহর নাম। আর অবশ্যি ঐ ব্যক্তিকে সাহায্য করেন যে তাঁকে সাহায্য করে। নিশ্চয়ই শক্তিধর মহাপরাক্রমশালী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহাদেরকে তাহাদের ঘর - বাড়ি হইতে অন্যায়ভাবে বহিষ্কার করা হইয়াছে শুধু এই কারণে যে, তাহারা বলে, ‘আমাদের প্রতিপালক ‌।’ ‌ যদি মানব জাতির এক দলকে অন্য দল দ্বারা প্রতিহত না করিতেন, তাহা হইলে বিধ্বস্ত হইয়া যাইত খ্রিস্টান সংসারবিরাগীদের উপাসনাস্থান, গির্জা, ইয়াহূদীদের উপাসনালয় এবং মসজিদসমূহ - যাহাতে অধিক স্মরণ করা হয় ‌র নাম। ‌ নিশ্চয়ই তাহাকে সাহায্য করেন যে তাঁহাকে সাহায্য করে। ‌ নিশ্চয়ই শক্তিমান, পরাক্রমশালী।

মুহিউদ্দীন খান

যাদেরকে তাদের ঘর - বাড়ী থেকে অন্যায়ভাবে বহিস্কার করা হয়েছে শুধু এই অপরাধে যে, তারা বলে আমাদের পালনকর্তা । যদি মানবজাতির একদলকে অপর দল দ্বারা প্রতিহত না করতেন, তবে (খ্রীষ্টানদের) নির্ঝন গির্জা, এবাদত খানা, (ইহুদীদের) উপাসনালয় এবং মসজিদসমূহ বিধ্বস্ত হয়ে যেত, যেগুলাতে আল্লাহর নাম অধিক স্মরণ করা হয়। নিশ্চয়ই তাদেরকে সাহায্য করবেন, যারা আল্লাহর সাহায্য করে। নিশ্চয়ই পরাক্রমশালী শক্তিধর।

Word by word

ٱلَّذِينَ أُخْرِجُوا۟ مِن دِيَٰرِهِم بِغَيْرِ حَقٍّ إِلَّآ أَن يَقُولُوا۟ رَبُّنَا ٱللَّهُ وَلَوْلَا دَفْعُ ٱللَّهِ ٱلنَّاسَ بَعْضَهُم بِبَعْضٍ لَّهُدِّمَتْ صَوَٰمِعُ وَبِيَعٌ وَصَلَوَٰتٌ وَمَسَٰجِدُ يُذْكَرُ

আবদুস শহীদ নাসিম

(এসব লোক হলো তারা) যাদের আমরা জমিনে প্রতিষ্ঠা দান করলে তারা কায়েম করবে, যাকাত প্রদান করবে, ভালো কাজের আদেশ দেবে, এবং মন্দ কাজ থেকে নিষেধ করবে। আর সব কাজের পরিণাম তো আল্লাহর দায়িত্বে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি ইহাদেরকে পৃথিবীতে প্রতিষ্ঠা দান করিলে ইহারা কায়েম করিবে, যাকাত দিবে এবং সৎকর্মের নির্দেশ দিবে ও অসৎকর্ম নিষেধ করিবে; আর সকল কর্মের পরিণাম ‌র ইখ্‌তিয়ারে।

মুহিউদ্দীন খান

তারা এমন লোক যাদেরকে আমি পৃথিবীতে শক্তি - সামর্থ্য দান করলে তারা কায়েম করবে, যাকাত দেবে এবং সৎকাজে আদেশ ও অসৎকাজে নিষেধ করবে। প্রত্যেক কর্মের পরিণাম আল্লাহর এখতিয়ারভূক্ত।

Word by word

ٱلَّذِينَ إِن مَّكَّنَّٰهُمْ فِى ٱلْأَرْضِ أَقَامُوا۟ ٱلصَّلَوٰةَ وَءَاتَوُا۟ ٱلزَّكَوٰةَ وَأَمَرُوا۟ بِٱلْمَعْرُوفِ وَنَهَوْا۟ عَنِ ٱلْمُنكَرِ وَلِلَّهِ عَٰقِبَةُ ٱلْأُمُورِ

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা যদি তোমাকে মিথ্যা বলে প্রত্যাখ্যান করেই, তবে তাদের আগেও অস্বীকার করেছিল নূহ, আদ ও সামুদ জাতি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং লোকেরা যদি তোমাকে অস্বীকার করে তবে উহাদের পূর্বে অস্বীকার করিয়াছিল তো নূহ্, ‘আদ ও সামূদের সম্প্রদায়,

মুহিউদ্দীন খান

তারা যদি আপনাকে মিথ্যাবাদী বলে, তবে তাদের পূর্বে মিথ্যাবাদী বলেছে কওমে নূহ, আদ, সামুদ,

Word by word

وَإِن يُكَذِّبُوكَ فَقَدْ كَذَّبَتْ قَبْلَهُمْ قَوْمُ نُوحٍ وَعَادٌ وَثَمُودُ

আবদুস শহীদ নাসিম

ইবরাহিম এবং লুতের জাতিও।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইব্‌রাহীম ও লূতের সম্প্রদায়,

মুহিউদ্দীন খান

ইব্রাহীম ও লূতের সম্প্রদায়ও।

Word by word

وَقَوْمُ إِبْرَٰهِيمَ وَقَوْمُ لُوطٍ

আবদুস শহীদ নাসিম

মাদইয়ানবাসীরাও। এছাড়া অস্বীকার করা হয়েছিল মূসাকেও। আমরা কাফিরদের অবকাশ দিয়েছি, তারপর পাকড়াও করেছি। কেমন অসহনীয় ছিলো আমার শাস্তি!

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং মাদ্ইয়ানবাসীরা আর অস্বীকার করা হইয়াছিল মূসাকেও। আমি কাফিরদেরকে অবকাশ দিয়াছিলাম, অতঃপর তাহাদেরকে শাস্তি দিয়াছিলাম। অতএব কেমন ছিল শাস্তি!

মুহিউদ্দীন খান

এবং মাদইয়ানের অধিবাসীরা এবং মিথ্যাবাদী বলা হয়েছিল মূসাকেও। অতঃপর আমি কাফেরদেরকে সুযোগ দিয়েছিলাম এরপর তাদেরকে পাকড়াও করেছিলাম অতএব কি ভীষণ ছিল আমাকে অস্বীকৃতির পরিণাম।

Word by word

وَأَصْحَٰبُ مَدْيَنَ وَكُذِّبَ مُوسَىٰ فَأَمْلَيْتُ لِلْكَٰفِرِينَ ثُمَّ أَخَذْتُهُمْ فَكَيْفَ كَانَ نَكِيرِ

আবদুস শহীদ নাসিম

কতো যে জনপদ আমরা ধ্বংস করে দিয়েছি। কারণ, সেগুলোর অধিবাসীরা ছিলো যালিম। সেসব জনপদ তাদের ঘরের ছাদসহ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছিল। কতো যে কূপ পরিত্যাক্ত হয়েছিল, আর কতো যে সুদৃঢ় প্রাসাদ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি ধ্বংস করিয়াছি কত জনপদ যেইগুলির বাসিন্দা ছিল । এইসব জনপদ তাহাদের ঘরের ছাদসহ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হইয়াছিল এবং কত কূপ পরিত্যক্ত হইয়াছিল ও কত সুদৃঢ় প্রাসাদও।

মুহিউদ্দীন খান

আমি কত জনপদ ধ্বংস করেছি এমতাবস্থায় যে, তারা ছিল গোনাহগার। এই সব জনপদ এখন ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছে এবং কত কূপ পরিত্যক্ত হয়েছে ও কত সুদৃঢ় প্রাসাদ ধ্বংস হয়েছে।

Word by word

فَكَأَيِّن مِّن قَرْيَةٍ أَهْلَكْنَٰهَا وَهِىَ ظَالِمَةٌ فَهِىَ خَاوِيَةٌ عَلَىٰ عُرُوشِهَا وَبِئْرٍ مُّعَطَّلَةٍ وَقَصْرٍ مَّشِيدٍ

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা কি জমিনের বুকে পরিভ্রমণ করেনা? আর তাদের যদি আকলওয়ালা কলব থাকতো এবং শুনার মতো কান থাকতো! আর তাদের চোখ তো অন্ধ নয়, মূলত অন্ধ হলো তাদের বুকের মধ্যকার কলব (হৃদয়)।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহারা কি দেশ ভ্রমণ করে নাই? তাহা হইলে তাহারা জ্ঞানবুদ্ধিসম্পন্ন হৃদয় ও শ্রুতিশক্তিসম্পন্ন শ্রবণের অধিকারী হইতে পারিত। বস্তুত চক্ষু তো অন্ধ নয়, বরং অন্ধ হইতেছে বক্ষস্থিত হৃদয়।

মুহিউদ্দীন খান

তারা কি এই উদ্দেশ্যে দেশ ভ্রমণ করেনি, যাতে তারা সমঝদার হৃদয় ও শ্রবণ শক্তি সম্পন্ন কর্ণের অধিকারী হতে পারে? বস্তুতঃ চক্ষু তো অন্ধ হয় না, কিন্তু বক্ষ স্থিত অন্তরই অন্ধ হয়।

Word by word

أَفَلَمْ يَسِيرُوا۟ فِى ٱلْأَرْضِ فَتَكُونَ لَهُمْ قُلُوبٌ يَعْقِلُونَ بِهَآ أَوْ ءَاذَانٌ يَسْمَعُونَ بِهَا فَإِنَّهَا لَا تَعْمَى ٱلْأَبْصَٰرُ وَلَٰكِن تَعْمَى ٱلْقُلُوبُ ٱلَّتِى فِى ٱلصُّدُورِ

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা তোমাকে দ্রুত আযাব এনে দিতে বলে। অথচ কখনো তাঁর ওয়াদা খেলাফ করেন না। আল্লাহর কাছে একদিন হলো তোমাদের হিসাবের হাজার বছরের সমান।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহারা তোমাকে শাস্তি ত্বরান্বিত করিতে বলে, অথচ ‌ তাহার প্রতিশ্রুতি কখনও ভঙ্গ করেন না। তোমার প্রতিপালকের নিকট একদিন তোমাদের গণনার সহস্র বৎসরের সমান;

মুহিউদ্দীন খান

তারা আপনাকে আযাব ত্বরান্বিত করতে বলে। অথচ কখনও তাঁর ওয়াদা ভঙ্গ করেন না। আপনার পালনকর্তার কাছে একদিন তোমাদের গণনার এক হাজার বছরের সমান।

Word by word

وَيَسْتَعْجِلُونَكَ بِٱلْعَذَابِ وَلَن يُخْلِفَ ٱللَّهُ وَعْدَهُۥ وَإِنَّ يَوْمًا عِندَ رَبِّكَ كَأَلْفِ سَنَةٍ مِّمَّا تَعُدُّونَ

আবদুস শহীদ নাসিম

কতো যে যালিম জনপদকে আমি অবকাশ দিয়েছি, তারপর তাদের পাকড়াও করেছি। আমার কাছেই হবে তাদের (শেষ) প্রত্যাবর্তন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং আমি অবকাশ দিয়াছি কত জনপদকে যখন উহারা ছিল ; অতঃপর উহাদেরকে শাস্তি দিয়াছি এবং প্রত্যাবর্তন আমারই নিকট।

মুহিউদ্দীন খান

এবং আমি কত জনপদকে অবকাশ দিয়েছি এমতাবস্থায় যে, তারা গোনাহগার ছিল। এরপর তাদেরকে পাকড়াও করেছি এবং আমার কাছেই প্রত্যাবর্তন করতে হবে।

Word by word

وَكَأَيِّن مِّن قَرْيَةٍ أَمْلَيْتُ لَهَا وَهِىَ ظَالِمَةٌ ثُمَّ أَخَذْتُهَا وَإِلَىَّ ٱلْمَصِيرُ

আবদুস শহীদ নাসিম

(হে নবী!) বলো: ‘হে মানুষ! আমি তোমাদের জন্যে একজন সুস্পষ্ট সতর্ককারী।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বল, ‘হে মানুষ! আমি তো তোমাদের জন্য এক স্পষ্ট সতর্ককারী;

মুহিউদ্দীন খান

বলুনঃ হে লোক সকল! আমি তো তোমাদের জন্যে স্পষ্ট ভাষায় সতর্ককারী।

Word by word

قُلْ يَٰٓأَيُّهَا ٱلنَّاسُ إِنَّمَآ أَنَا۠ لَكُمْ نَذِيرٌ مُّبِينٌ

আবদুস শহীদ নাসিম

অতএব, যারা ঈমান আনবে এবং আমলে সালেহ্ করবে, তাদের জন্যে থাকবে মাগফিরাত এবং সম্মানজনক জীবিকা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সুতরাং যাহারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে তাহাদের জন্য আছে ক্ষমা ও সম্মানজনক জীবিকা;

মুহিউদ্দীন খান

সুতরাং যারা বিশ্বাস স্থাপন করেছে এবং সৎকর্ম করেছে, তাদের জন্যে আছে পাপ মার্জনা এবং সম্মানজনক রুযী।

Word by word

فَٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَعَمِلُوا۟ ٱلصَّٰلِحَٰتِ لَهُم مَّغْفِرَةٌ وَرِزْقٌ كَرِيمٌ

আবদুস শহীদ নাসিম

আর যারা আমার আয়াতকে খাটো করার চেষ্টা করবে, তারা হবে জাহান্নামের অধিবাসী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং যাহারা আমার আয়াতকে ব্যর্থ করিবার চেষ্টা করে তাহারাই হইবে জাহান্নামের অধিবাসী।

মুহিউদ্দীন খান

এবং যারা আমার আয়াতসমূহকে ব্যর্থ করার জন্যে চেষ্টা করে, তারাই দোযখের অধিবাসী।

Word by word

وَٱلَّذِينَ سَعَوْا۟ فِىٓ ءَايَٰتِنَا مُعَٰجِزِينَ أُو۟لَٰٓئِكَ أَصْحَٰبُ ٱلْجَحِيمِ

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমার আগে আমরা যে রসূল কিংবা যে নবীই পাঠিয়েছি, তাদের কেউ যখনই কোনো আকাঙক্ষা করেছে, তখনই শয়তান তার আকাঙ্ক্ষায় কিছু নিক্ষেপ করেছে। কিন্তু শয়তান যা নিক্ষেপ করে তা মুছে দেন এবং তখনই তাঁর আয়াতসমূহ সুপ্রতিষ্ঠিত করেন। সর্বজ্ঞানী, প্রজ্ঞাময়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি তোমার পূর্বে যে সমস্ত রাসূল কিংবা নবী প্রেরণ করিয়াছি তাহাদের কেহ যখনই কিছু আকাঙ্খা করিয়াছে, তখনই শয়তান তাহার আকাঙ্খায় কিছু প্রক্ষিপ্ত করিয়াছে, কিন্তু শয়তান যাহা প্রক্ষিপ্ত করে ‌ তাহা বিদূরিত করেন। অতঃপর ‌ তাঁহার আয়াতসমূহকে সু - প্রতষ্ঠিতি করেন এবং ‌ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়;

মুহিউদ্দীন খান

আমি আপনার পূর্বে যে সমস্ত রাসূল ও নবী প্রেরণ করেছি, তারা যখনই কিছু কল্পনা করেছে, তখনই শয়তান তাদের কল্পনায় কিছু মিশ্রণ করে দিয়েছে। অতঃপর দূর করে দেন শয়তান যা মিশ্রণ করে। এরপর তাঁর আয়াতসমূহকে সু - প্রতিষ্ঠিত করেন এবং জ্ঞানময়, প্রজ্ঞাময়।

Word by word

وَمَآ أَرْسَلْنَا مِن قَبْلِكَ مِن رَّسُولٍ وَلَا نَبِىٍّ إِلَّآ إِذَا تَمَنَّىٰٓ أَلْقَى ٱلشَّيْطَٰنُ فِىٓ أُمْنِيَّتِهِۦ فَيَنسَخُ ٱللَّهُ مَا يُلْقِى ٱلشَّيْطَٰنُ ثُمَّ يُحْكِمُ ٱللَّهُ ءَايَٰتِهِۦ وَٱل

আবদুস শহীদ নাসিম

এটা এ জন্যে যে, শয়তান যা নিক্ষেপ করে সেটাকে আমরা পরীক্ষা বানাই তাদের জন্যে যাদের কলবে রোগ আছে এবং যারা পাষন্ডহৃদয়। নিশ্চয়ই যালিমরা রয়েছে অনেক মতভেদ ও সন্দেহের মধ্যে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহা এইজন্য যে, শয়তান যাহা প্রক্ষিপ্ত করে তিনি উহাকে পরীক্ষাস্বরূপ করেন তাহাদের জন্য যাহাদের অন্তরে ব্যাধি রহিয়াছে ও যাহারা পাষাণ হৃদয়। নিশ্চয়ই জালিমরা দুস্তর মতভেদে রহিয়াছে।

মুহিউদ্দীন খান

এ কারণে যে, শয়তান যা মিশ্রণ করে, তিনি তা পরীক্ষাস্বরূপ করে দেন, তাদের জন্যে, যাদের অন্তরে রোগ আছে এবং যারা পাষাণহৃদয়। গোনাহগাররা দূরবর্তী বিরোধিতায় লিপ্ত আছে।

Word by word

لِّيَجْعَلَ مَا يُلْقِى ٱلشَّيْطَٰنُ فِتْنَةً لِّلَّذِينَ فِى قُلُوبِهِم مَّرَضٌ وَٱلْقَاسِيَةِ قُلُوبُهُمْ وَإِنَّ ٱلظَّٰلِمِينَ لَفِى شِقَاقٍۭ بَعِيدٍ

আবদুস শহীদ নাসিম

আর এটা এ জন্যেও, যাতে করে যাদের জ্ঞান দেয়া হয়েছে তারা জানতে পারে যে, তা আল্লাহর পক্ষ থেকে মহাসত্য। তারপর তারা যেনো তাতে ঈমান আনে এবং সেটার অনুগত হয়। অবশ্যি তাদেরকে পরিচালিত করেন সিরাতুল মুস্তাকিমের দিকে, যারা ঈমান আনে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং এইজন্যও যে, যাহাদেরকে জ্ঞান দেওয়া হইয়াছে তাহারা যেন জানিতে পারে যে, ইহা তোমার প্রতিপালকের নিকট হইতে প্রেরিত সত্য; অতঃপর তাহারা যেন উহাতে বিশ্বাস স্থাপন করে এবং তাহাদের অন্তর যেন উহার প্রতি অনুগত হয়। যাহারা ঈমান আনিয়াছে তাহাদেরকে অবশ্যই সরল পথে পরিচালিত করেন।

মুহিউদ্দীন খান

এবং এ কারণেও যে, যাদেরকে জ্ঞানদান করা হয়েছে; তারা যেন জানে যে এটা আপনার পালনকর্তার পক্ষ থেকে সত্য; অতঃপর তারা যেন এতে বিশ্বাস স্তাপন করে এবং তাদের অন্তর যেন এর প্রতি বিজয়ী হয়। আল্লাহই বিশ্বাস স্থাপনকারীকে সরল পথ প্রদর্শন করেন।

Word by word

وَلِيَعْلَمَ ٱلَّذِينَ أُوتُوا۟ ٱلْعِلْمَ أَنَّهُ ٱلْحَقُّ مِن رَّبِّكَ فَيُؤْمِنُوا۟ بِهِۦ فَتُخْبِتَ لَهُۥ قُلُوبُهُمْ وَإِنَّ ٱللَّهَ لَهَادِ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوٓا۟ إِلَىٰ صِرَٰطٍ مُّسْتَقِيمٍ

আবদুস শহীদ নাসিম

কাফিররা তাতে সন্দেহ পোষণ করতেই থাকবে, যতোদিন না তাদের কাছে আকস্মিকভাবে কিয়ামত এসে পড়ে, অথবা এসে পড়ে এক বন্ধ্যা দিনের আযাব।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা করিয়াছে তাহারা উহাতে সন্দেহ পোষণ হইতে বিরত হইবে না, যতক্ষণ না উহাদের নিকট কিয়ামত আসিয়া পড়িবে আকস্মিকভাবে, অথবা আসিয়া পড়িবে এক বন্ধ্যা দিনের শাস্তি।

মুহিউদ্দীন খান

কাফেররা সর্বদাই সন্দেহ পোষন করবে যে পর্যন্ত না তাদের কাছে আকস্মিকভাবে কেয়ামত এসে পড়ে অথবা এসে পড়ে তাদের কাছে এমন দিবসের শাস্তি যা থেকে রক্ষার উপায় নেই।

Word by word

وَلَا يَزَالُ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ فِى مِرْيَةٍ مِّنْهُ حَتَّىٰ تَأْتِيَهُمُ ٱلسَّاعَةُ بَغْتَةً أَوْ يَأْتِيَهُمْ عَذَابُ يَوْمٍ عَقِيمٍ

আবদুস শহীদ নাসিম

সেদিন সমস্ত কর্তৃত্ব থাকবে আল্লাহর হাতে। তিনি তাদের মধ্যে ফায়সালা করবেন। তারপর যারা ঈমান এনেছে এবং আমলে সালেহ্ করেছে (বলে প্রমাণিত হবে), তারা থাকবে জান্নাতুন নায়ীমে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সেই দিন ‌রই আধিপত্য; তিনিই তাহাদের বিচার করিবেন। সুতরাং যাহারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে তাহারা অবস্থান করিবে সুখদ কাননে।

মুহিউদ্দীন খান

রাজত্ব সেদিন আল্লাহরই; তিনিই তাদের বিচার করবেন। অতএব যারা বিশ্বাস স্থাপন করে এবং সৎকর্ম সম্পাদন করে তারা নেয়ামত পূর্ণ কাননে থাকবে।

Word by word

ٱلْمُلْكُ يَوْمَئِذٍ لِّلَّهِ يَحْكُمُ بَيْنَهُمْ فَٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَعَمِلُوا۟ ٱلصَّٰلِحَٰتِ فِى جَنَّٰتِ ٱلنَّعِيمِ

আবদুস শহীদ নাসিম

আর যারা কুফুরি করেছে এবং আমাদের আয়াতকে অস্বীকার করেছে (বলে প্রমাণিত হবে), তাদের জন্যে থাকবে অপমানকর আযাব।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর যাহারা করে ও আমার আয়াতসমূহকে অস্বীকার করে তাহাদেরই জন্য রহিয়াছে লাঞ্ছনাদায়ক শাস্তি।

মুহিউদ্দীন খান

এবং যারা কুফরি করে এবং আমার আয়াত সমূহকে মিথ্যা বলে তাদের জন্যে লাঞ্ছনাকর শাস্তি রয়েছে।

Word by word

وَٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ وَكَذَّبُوا۟ بِـَٔايَٰتِنَا فَأُو۟لَٰٓئِكَ لَهُمْ عَذَابٌ مُّهِينٌ

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা আল্লাহর পথে হিজরত করেছে, তারপর নিহত হয়েছে, কিংবা তাদের মৃত্যু হয়েছে, অবশ্যি তাদের উত্তম রিযিক দান করবেন। আর নিশ্চয়ই সর্বোত্তম রিযিকদাতা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং যাহারা হিজরত করিয়াছে ‌র পথে, অতঃপর নিহত হইয়াছে অথবা মারা গিয়াছে তাহাদেরকে ‌ অবশ্যই উৎকৃষ্ট জীবিকা দান করিবেন; আর নিশ্চয়ই ‌, তিনি তো সর্বোৎকৃষ্ট রিযিকদাতা।

মুহিউদ্দীন খান

যারা আল্লাহর পথে গৃহ ত্যাগ করেছে, এরপর নিহত হয়েছে অথবা মরে গেছে; তাদেরকে অবশ্যই উৎকৃষ্ট জীবিকা দান করবেন এবং সর্বোৎকৃষ্ট রিযিক দাতা।

Word by word

وَٱلَّذِينَ هَاجَرُوا۟ فِى سَبِيلِ ٱللَّهِ ثُمَّ قُتِلُوٓا۟ أَوْ مَاتُوا۟ لَيَرْزُقَنَّهُمُ ٱللَّهُ رِزْقًا حَسَنًا وَإِنَّ ٱللَّهَ لَهُوَ خَيْرُ ٱلرَّٰزِقِينَ

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনি তাদের দাখিল করবেন এমন (উদ্যানে) যা তারা পছন্দ করবে। নিশ্চয়ই জ্ঞানী এবং সহনশীল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তিনি তাহাদেরকে অবশ্যই এমন স্থানে দাখিল করিবেন যাহা তাহারা পসন্দ করিবে এবং ‌ তো সম্যক প্রজ্ঞাময়, পরম সহনশীল।

মুহিউদ্দীন খান

তাদেরকে অবশ্যই এমন এক স্থানে পৌছাবেন, যাকে তারা পছন্দ করবে এবং জ্ঞানময়, সহনশীল।

Word by word

لَيُدْخِلَنَّهُم مُّدْخَلًا يَرْضَوْنَهُۥ وَإِنَّ ٱللَّهَ لَعَلِيمٌ حَلِيمٌ

আবদুস শহীদ নাসিম

এ রকমই হবে। কোনো ব্যক্তি যদি নির্যাতিত হয়ে অনুরূপ প্রতিশোধ গ্রহণ করে, তারপরও যদি সে আবার নির্যাতিত হয়, অবশ্য অবশ্যি তাকে সাহায্য করবেন। নিশ্চয়ই কোমল, ক্ষমাশীল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহাই হইয়া থাকে, কোন ব্যক্তি নিপীড়িত হইয়া তুল্য প্রতিশোধ গ্রহণ করিলে ও পুনরায় সে অত্যাচারিত হইলে ‌ তাহাকে অবশ্যই সাহায্য করিবেন ; ‌ নিশ্চয়ই পাপ মোচনকারী, ক্ষমাশীল।

মুহিউদ্দীন খান

এ তো শুনলে, যে ব্যক্তি নিপীড়িত হয়ে নিপীড়ন পরিমাণে প্রতিশোধ গ্রহণ করে এবং পুনরায় সে নিপীড়িত হয়, অবশ্যই তাকে সাহায্য করবেন। নিশ্চয় মার্জনাকারী ক্ষমাশীল।

Word by word

ذَٰلِكَ وَمَنْ عَاقَبَ بِمِثْلِ مَا عُوقِبَ بِهِۦ ثُمَّ بُغِىَ عَلَيْهِ لَيَنصُرَنَّهُ ٱللَّهُ إِنَّ ٱللَّهَ لَعَفُوٌّ غَفُورٌ

আবদুস শহীদ নাসিম

এর কারণ, রাতকে প্রবেশ করিয়ে দেন দিনের মধ্যে এবং দিনকে রাতের মধ্যে, আর নিশ্চয়ই সব শুনেন, সব দেখেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহা এইজন্য যে, রাত্রিকে প্রবিষ্ট করান দিবসের মধ্যে এবং দিবসকে প্রবিষ্ট করান রাত্রির মধ্যে এবং সর্বশ্রোতা, সম্যক দ্রষ্টা;

মুহিউদ্দীন খান

এটা এ জন্যে যে, রাত্রিকে দিনের মধ্যে এবং দিনকে রাত্রির মধ্য দাখিল করে দেন এবং সবকিছু শোনেন, দেখেন।

Word by word

ذَٰلِكَ بِأَنَّ ٱللَّهَ يُولِجُ ٱلَّيْلَ فِى ٱلنَّهَارِ وَيُولِجُ ٱلنَّهَارَ فِى ٱلَّيْلِ وَأَنَّ ٱللَّهَ سَمِيعٌۢ بَصِيرٌ

আবদুস শহীদ নাসিম

এর কারণ এটাও যে, আল্লাহ্ই একমাত্র মহাসত্য, আর আল্লাহর পরিবর্তে তারা যা ডাকে তা অসত্য, বাতিল। আর আল্লাহ্ই মর্যাদাবান ও শ্রেষ্ঠ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এইজন্যও যে, , তিনিই সত্য এবং উহারা তাঁহার পরিবর্তে যাহাকে ডাকে উহা তো অসত্য, এবং , তিনিই তো সমুচ্চ, মহান।

মুহিউদ্দীন খান

এটা এ কারণেও যে, আল্লাহই সত্য; আর তাঁর পরিবর্তে তারা যাকে ডাকে, তা অসত্য এবং আল্লাহই সবার উচ্চে, মহান।

Word by word

ذَٰلِكَ بِأَنَّ ٱللَّهَ هُوَ ٱلْحَقُّ وَأَنَّ مَا يَدْعُونَ مِن دُونِهِۦ هُوَ ٱلْبَٰطِلُ وَأَنَّ ٱللَّهَ هُوَ ٱلْعَلِىُّ ٱلْكَبِيرُ

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি কি দেখোনা, নাযিল করেন আসমান থেকে পানি, আর তখন জমিন সবুজ শ্যামল হয়ে উঠে। নিশ্চয়ই সূক্ষ্মদর্শী, সব বিষয়ে অবগত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তুমি কি লক্ষ্য কর না যে, ‌ বারি বর্ষণ করেন আকাশ হইতে যাহাতে সবুজ শ্যামল হইয়া উঠে পৃথিবী? নিশ্চয়ই ‌ সম্যক সূক্ষ্মদর্শী, পরিজ্ঞাত।

মুহিউদ্দীন খান

তুমি কি দেখ না যে, আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করেন, অতঃপর ভূপৃষ্ট সবুজ - শ্যামল হয়ে উঠে। নিশ্চয় সুক্ষদর্শী, সর্ববিষয়ে খবরদার।

Word by word

أَلَمْ تَرَ أَنَّ ٱللَّهَ أَنزَلَ مِنَ ٱلسَّمَآءِ مَآءً فَتُصْبِحُ ٱلْأَرْضُ مُخْضَرَّةً إِنَّ ٱللَّهَ لَطِيفٌ خَبِيرٌ

আবদুস শহীদ নাসিম

মহাকাশ এবং পৃথিবীতে যা কিছু আছে সবই তাঁর। নিশ্চয়ই অভাবমুক্ত। সপ্রশংসিত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীতে যাহা কিছু আছে তাহা তাঁহারই, এবং , তিনিই তো অভাবমুক্ত, প্রশাংসার্হ।

মুহিউদ্দীন খান

নভোমন্ডল ও ভুপৃষ্ঠে যা কিছু আছে, সব তাঁরই এবং আল্লাহই অভাবমুক্ত প্রশংসার অধিকারী।

Word by word

لَّهُۥ مَا فِى ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَمَا فِى ٱلْأَرْضِ وَإِنَّ ٱللَّهَ لَهُوَ ٱلْغَنِىُّ ٱلْحَمِيدُ

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি কি দেখোনা, যে তোমাদের কল্যাণে নিয়োজিত করে রেখেছেন পৃথিবীতে যা আছে সবকিছুকে এবং তাঁরই নির্দেশে সমুদ্রে চলাচল করা নৌযানকে। তিনিই স্থির রাখেন আসমানকে তাঁর অনুমতি ছাড়া পৃথিবীর উপর পতিত হওয়া থেকে। নিশ্চয়ই মানুষের প্রতি অতীব কোমল, পরম দয়াবান।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তুমি কি লক্ষ্য কর না যে, ‌ তোমাদের কল্যাণে নিয়োজিত করিয়াছেন পৃথিবীতে যাহা কিছু আছে তৎসমুদয়কে এবং তাঁহার নির্দেশে সমুদ্রে বিচরণশীল নৌযানসমূহকে? আর তিনিই আকাশকে স্থির রাখেন যাহাতে উহা পতিত না হয় পৃথিবীর উপর তাঁহার অনুমতি ব্যতীত। ‌ নিশ্চয়ই মানুষের প্রতি দয়ার্দ্র, পরম দয়ালু।

মুহিউদ্দীন খান

তুমি কি দেখ না যে, ভূপৃষ্টে যা আছে এবং সমুদ্রে চলমান নৌকা তৎসমুদয়কে নিজ আদেশে তোমাদের অধীন করে দিয়েছেন এবং তিনি আকাশ স্থির রাখেন, যাতে তাঁর আদেশ ব্যতীত ভূপৃষ্টে পতিত না হয়। নিশ্চয় মানুষের প্রতি করুণাশীল, দয়াবান।

Word by word

أَلَمْ تَرَ أَنَّ ٱللَّهَ سَخَّرَ لَكُم مَّا فِى ٱلْأَرْضِ وَٱلْفُلْكَ تَجْرِى فِى ٱلْبَحْرِ بِأَمْرِهِۦ وَيُمْسِكُ ٱلسَّمَآءَ أَن تَقَعَ عَلَى ٱلْأَرْضِ إِلَّا بِإِذْنِهِۦٓ إِنَّ ٱللَّهَ بِٱلنَّاسِ لَرَء

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনিই তোমাদের জীবন দান করেন, অত:পর মৃত্যু দেন, তারপর আবার জীবিত করবেন। নিশ্চয়ই মানুষ ভীষণ অকৃতজ্ঞ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং তিনিই তোমাদেরকে জীবন দান করিয়াছেন ; অতঃপর তিনিই তোমাদের মৃত্যু ঘটাইবেন, পুনরায় তোমাদেরকে জীবন দান করিবেন। মানুষ তো অতি মাত্রায় অকৃতজ্ঞ।

মুহিউদ্দীন খান

তিনিই তোমাদেরকে জীবিত করেছেন, অতঃপর তিনিই তোমাদেরকে মৃত্যুদান করবেন ও পুনরায় জীবিত করবেন। নিশ্চয় মানুষ বড় অকৃতজ্ঞ।

Word by word

وَهُوَ ٱلَّذِىٓ أَحْيَاكُمْ ثُمَّ يُمِيتُكُمْ ثُمَّ يُحْيِيكُمْ إِنَّ ٱلْإِنسَٰنَ لَكَفُورٌ

আবদুস শহীদ নাসিম

প্রতিটি উম্মতের জন্যে আমরা নির্ধারিত করে দিয়েছি ইবাদত করার পদ্ধতি, যা তারা অনুসরণ করে। সুতরাং তারা যেনো এ বিষয়ে তোমার সাথে বিতর্ক না করে। তুমি তাদেরকে তোমার প্রভুর দিকে আহবান করো, নিশ্চয়ই তুমি রয়েছো সরল সঠিক পথের উপর প্রতিষ্ঠিত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি প্রত্যেক সম্প্রদায়ের জন্য নির্ধারিত করিয়া দিয়াছি ‘ইবাদত পদ্ধতি - যাহা উহারা অনুসরণ করে। সুতরাং উহারা যেন তোমার সঙ্গে বিতর্ক না করে এই ব্যাপারে। তুমি উহাদেরকে তোমার প্রতিপালকের দিকে আহ্‌বান কর, তুমি তো সরল পথেই প্রতিষ্ঠিত।

মুহিউদ্দীন খান

আমি প্রত্যেক উম্মতের জন্যে এবাদতের একটি নিয়ম - কানুন নির্ধারণ করে দিয়েছি, যা তারা পালন করে। অতএব তারা যেন এ ব্যাপারে আপনার সাথে বিতর্ক না করে। আপনি তাদেরকে পালনকর্তার দিকে আহবান করুন। নিশ্চয় আপনি সরল পথেই আছেন।

Word by word

لِّكُلِّ أُمَّةٍ جَعَلْنَا مَنسَكًا هُمْ نَاسِكُوهُ فَلَا يُنَٰزِعُنَّكَ فِى ٱلْأَمْرِ وَٱدْعُ إِلَىٰ رَبِّكَ إِنَّكَ لَعَلَىٰ هُدًى مُّسْتَقِيمٍ

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা যদি তোমার সাথে বিতর্ক করে, তবে তুমি বলো: তোমরা যা করো, সে বিষয়ে আল্লাহ্ই ভালো জানেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা যদি তোমার সঙ্গে বিতণ্ডা করে তবে বলিও, ‘তোমরা যাহা কর সে সম্বন্ধে ‌ সম্যক অবহিত।

মুহিউদ্দীন খান

তারা যদি আপনার সাথে বিতর্ক করে, তবে বলে দিন, তোমরা যা কর, সে সর্ম্পকে অধিক জ্ঞাত।

Word by word

وَإِن جَٰدَلُوكَ فَقُلِ ٱللَّهُ أَعْلَمُ بِمَا تَعْمَلُونَ

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা যে বিষয়ে মতভেদ করছো, কিয়ামতের দিন সে বিষয়ে ফায়সালা করে দেবেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘তোমরা যে বিষয়ে মতভেদ করিতেছ ‌ কিয়ামতের দিন সে বিষয়ে তোমাদের মধ্যে বিচার - মীমাংসা করিয়া দিবেন।’

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা যে বিষয়ে মতবিরোধ করছ, কিয়ামতের দিন সেই বিষয়ে তোমাদের মধ্যে ফায়সালা করবেন।

Word by word

ٱللَّهُ يَحْكُمُ بَيْنَكُمْ يَوْمَ ٱلْقِيَٰمَةِ فِيمَا كُنتُمْ فِيهِ تَخْتَلِفُونَ

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি কি জানোনা, আসমান ও জমিনে যা কিছু আছে সবই জানেন? সবই কিতাবে রেকর্ড করা আছে। আর এ কাজ আল্লাহর জন্যে খুবই সহজ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তুমি কি জান না যে, আকাশ ও পৃথিবীতে যাহা কিছু রহিয়াছে ‌ তাহা জানেন ? এই সকলই আছে এক কিতাবে ; নিশ্চয়ই ইহা ‌র নিকট সহজ।

মুহিউদ্দীন খান

তুমি কি জান না যে, জানেন যা কিছু আকাশে ও ভুমন্ডলে আছে এসব কিতাবে লিখিত আছে। এটা আল্লাহর কাছে সহজ।

Word by word

أَلَمْ تَعْلَمْ أَنَّ ٱللَّهَ يَعْلَمُ مَا فِى ٱلسَّمَآءِ وَٱلْأَرْضِ إِنَّ ذَٰلِكَ فِى كِتَٰبٍ إِنَّ ذَٰلِكَ عَلَى ٱللَّهِ يَسِيرٌ

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা আল্লাহর পরিবর্তে এমন সবের ইবাদত করে যাদের পক্ষে কোনো প্রমাণ নাযিল করেননি এবং এ সম্পর্কে তাদেরও কোনো জ্ঞান নেই। যালিমদের কোনো সাহায্যকারী হবেনা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং উহারা ‘ইবাদত করে ‌র পরিবর্তে এমন কিছুর যাহার সম্পর্কে তিনি কোন দলীল প্রেরণ করেন নাই এবং যাহার সম্বন্ধে তাহাদের কোন জ্ঞান নাই। আর জালিমদের কোন সাহায্যকারী নাই।

মুহিউদ্দীন খান

তারা আল্লাহর পরিবর্তে এমন কিছুর পূজা করে, যার কোন সনদ নাযিল করা হয়নি এবং সে সম্পর্কে তাদের কোন জ্ঞান নেই। বস্তুতঃ জালেমদের কোন সাহায্যকারী নেই।

Word by word

وَيَعْبُدُونَ مِن دُونِ ٱللَّهِ مَا لَمْ يُنَزِّلْ بِهِۦ سُلْطَٰنًا وَمَا لَيْسَ لَهُم بِهِۦ عِلْمٌ وَمَا لِلظَّٰلِمِينَ مِن نَّصِيرٍ

আবদুস শহীদ নাসিম

যখন তাদের প্রতি আমাদের সুস্পষ্ট আয়াত তিলাওয়াত করা হয়, তখন তুমি কাফিরদের চেহারায় লক্ষ্য করো অসন্তোষ। তারা তাদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়তে উদ্যত হয়, যারা তিলাওয়াত করে আমাদের আয়াত। তুমি বলো: আমি কি এর চাইতেও মন্দ কিছুর সংবাদ তোমাদের দেবো? তাহলো জাহান্নাম! এর ওয়াদাই কাফিরদের দিয়েছেন। আর এটা যে ফিরে যাবার কতো নিকৃষ্ট জায়গা!

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং উহাদের নিকট আমার সুস্পষ্ট আয়াতসমূহ তিলাওয়াত করা হইলে তুমি কাফিরদের মুখমণ্ডলে অসন্তোষ লক্ষ্য করিবে। যাহারা উহাদের নিকট আমার আয়াত তিলাওয়াত করে তাহাদেরকে উহারা আক্রমণ করিতে উদ্যত হয়। বল, ‘তবে কি আমি তোমাদেরকে ইহা অপেক্ষা মন্দ কিছুর সংবাদ দিব? - ইহা আগুন। এই বিষয়ে ‌ প্রতিশ্রুতি দিয়াছেন কাফিরদেরকে এবং ইহা কত নিকৃষ্ট প্রত্যাবর্তনস্থল।’

মুহিউদ্দীন খান

যখন তাদের কাছে আমার সুস্পষ্ট আয়াতসমূহ আবৃত্তি করা হয়, তখন তুমি কাফেরদের চোখে মুখে অসন্তোষের লক্ষণ প্রত্যক্ষ করতে পারবে। যারা তাদের কাছে আমার আয়াত সমূহ পাঠ করে, তারা তাদের প্রতি মার মুখো হয়ে উঠে। বলুন, আমি কি তোমাদেরকে তদপেক্ষা মন্দ কিছুর সংবাদ দেব? তা আগুন; কাফেরদেরকে এর ওয়াদা দিয়েছেন। এটা কতই না নিকৃষ্ট প্রত্যাবর্তনস্থল।

Word by word

وَإِذَا تُتْلَىٰ عَلَيْهِمْ ءَايَٰتُنَا بَيِّنَٰتٍ تَعْرِفُ فِى وُجُوهِ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ ٱلْمُنكَرَ يَكَادُونَ يَسْطُونَ بِٱلَّذِينَ يَتْلُونَ عَلَيْهِمْ ءَايَٰتِنَا قُلْ أَفَأُنَبِّئُكُم بِشَرٍّ مِّن ذَٰلِكُمُ

আবদুস শহীদ নাসিম

হে মানুষ! একটি উপমা দেয়া হচ্ছে, মনোযোগ দিয়ে তা শুনো। তোমরা আল্লাহর পরিবর্তে যাদের ডাকো, তারা একটা মাছিও সৃষ্টি করতে পারেনা, এ উদ্দেশ্যে তারা সবাই একত্র হলেও নয়। আর মাছি যদি তার থেকে কিছু ছিনিয়ে নিয়ে যায়, তাও তার থেকে উদ্ধার করতে পারেনা। সাহায্য সন্ধানকারী এবং যার কাছে সাহায্য সন্ধান করা হয়, (তারা উভয়ই) কতো যে দুবর্ল!

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

হে মানুষ ! একটি উপমা দেওয়া হইতেছে, মনোযোগ সহকারে উহা শ্রবণ কর : তোমরা ‌র পরিবর্তে যাহাদেরকে ডাক তাহারা তো কখনও একটি মাছিও সৃষ্টি করিতে পারিবে না, এই উদ্দেশ্যে তাহারা সকলে একত্র হইলেও। এবং মাছি যদি কিছু ছিনাইয়া লইয়া যায় তাহাদের নিকট হইতে, ইহাও তাহারা উহার নিকট হইতে উদ্ধার করিতে পারিবে না। অন্বেষক ও অন্বেষিত কতই দুর্বল;

মুহিউদ্দীন খান

হে লোক সকল! একটি উপমা বর্ণনা করা হলো, অতএব তোমরা তা মনোযোগ দিয়ে শোন; তোমরা আল্লাহর পরিবর্তে যাদের পূজা কর, তারা কখনও একটি মাছি সৃষ্টি করতে পারবে না, যদিও তারা সকলে একত্রিত হয়। আর মাছি যদি তাদের কাছ থেকে কোন কিছু ছিনিয়ে নেয়, তবে তারা তার কাছ থেকে তা উদ্ধার করতে পারবে না, প্রার্থনাকারী ও যার কাছে প্রার্থনা করা হয়, উভয়েই শক্তিহীন।

Word by word

يَٰٓأَيُّهَا ٱلنَّاسُ ضُرِبَ مَثَلٌ فَٱسْتَمِعُوا۟ لَهُۥٓ إِنَّ ٱلَّذِينَ تَدْعُونَ مِن دُونِ ٱللَّهِ لَن يَخْلُقُوا۟ ذُبَابًا وَلَوِ ٱجْتَمَعُوا۟ لَهُۥ وَإِن يَسْلُبْهُمُ ٱلذُّبَابُ شَيْـًٔا لَّا يَسْتَنقِذُو

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা আল্লাহর যথার্থ মর্যাদা উলব্ধি করেনা। নিশ্চয়ই শক্তিধর, পরাক্রমশালী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা ‌র যথোচিত মর্যাদা উপলদ্ধি করে না, নিশ্চয়ই ক্ষমতাবান, পরাক্রমশালী।

মুহিউদ্দীন খান

তারা আল্লাহর যথাযোগ্য মর্যাদা বোঝেনি। নিশ্চয় শক্তিধর, মহাপরাক্রমশীল।

Word by word

مَا قَدَرُوا۟ ٱللَّهَ حَقَّ قَدْرِهِۦٓ إِنَّ ٱللَّهَ لَقَوِىٌّ عَزِيزٌ

আবদুস শহীদ নাসিম

ফেরেশতাদের থেকে বাণী বাহক মনোনীত করেন এবং মানুষের মধ্য থেকেও মনোনীত করেন। সব শুনেন, সব দেখেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌ ফিরিশ্‌তাদের মধ্য হইতে মনোনীত করেন বাণীবাহক এবং মানুষের মধ্য হইতেও ; ‌ তো র্সবশ্রোতা, সম্যক দ্রষ্টা।

মুহিউদ্দীন খান

ফেরেশতা ও মানুষের মধ্য থেকে রাসূল মনোনীত করেন। সর্বশ্রোতা, সর্ব দ্রষ্টা!

Word by word

ٱللَّهُ يَصْطَفِى مِنَ ٱلْمَلَٰٓئِكَةِ رُسُلًا وَمِنَ ٱلنَّاسِ إِنَّ ٱللَّهَ سَمِيعٌۢ بَصِيرٌ

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের সামনে এবং পেছনে যা আছে সবই তিনি জানেন, আর সব বিষয় ফিরে যায় আল্লাহরই কাছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহাদের সম্মুখে ও পশ্চাতে যাহা কিছু আছে তিনি তাহা জানেন এবং সমস্ত বিষয় ‌র নিকট প্রত্যাবর্তিত হইবে।

মুহিউদ্দীন খান

তিনি জানেন যা তাদের সামনে আছে এবং যা পশ্চাতে আছে এবং সবকিছু আল্লাহর দিকে প্রত্যাবর্তিত হবে।

Word by word

يَعْلَمُ مَا بَيْنَ أَيْدِيهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ وَإِلَى ٱللَّهِ تُرْجَعُ ٱلْأُمُورُ

আবদুস শহীদ নাসিম

হে লোকেরা! রুকু করো, সাজদা করো এবং ইবাদত করো তোমাদের প্রভুর, আর (মানব) কল্যাণের কাজ করো, অবশ্যি তোমরা হবে। (সাজদা)

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

হে মু’মিনগণ ! তোমরা রুকূ‘ কর, সিজ্‌দা কর এবং তোমাদের প্রতিপালকের ‘ইবাদত কর ও সৎকর্ম কর, যাহাতে হইতে পার।

মুহিউদ্দীন খান

হে মুমিনগণ! তোমরা রুকু কর, সেজদা কর, তোমাদের পালনকর্তার এবাদত কর এবং সৎকাজ সম্পাদন কর, যাতে তোমরা হতে পার।

Word by word

يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ ٱرْكَعُوا۟ وَٱسْجُدُوا۟ وَٱعْبُدُوا۟ رَبَّكُمْ وَٱفْعَلُوا۟ ٱلْخَيْرَ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُونَ

আবদুস শহীদ নাসিম

আর জিহাদ করো আল্লাহর মধ্যে (উদ্দেশ্যে) জিহাদের হক আদায় করে। তিনি তোমাদের মনোনীত করেছেন এবং দীনের ব্যাপারে তিনি তোমাদের উপর কোনো কষ্ট চাপিয়ে দেননি। তোমাদের পিতা ইবরাহিমের আদর্শের উপর তোমরা প্রতিষ্ঠিত হও। আল্লাহ্ই তোমাদের নামকরণ করেছেন ‘মুসলিম’ পূর্বেও এবং এই কিতাবেও, যাতে করে এই রসূল তোমাদের উপর সাক্ষী হয় আর তোমরাও সাক্ষী হও মানব জাতির উপর। অতএব তোমরা কায়েম করো, যাকাত প্রদান করো এবং আঁকড়ে ধরো আল্লাহকে। তিনিই তোমাদের মাওলা (অভিভাবক)। কতো যে উত্তম মাওলা তিনি এবং কতো যে উত্তম সাহায্যকারী!

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং জিহাদ কর ‌র পথে যেভাবে জিহাদ করা উচিত। তিনি তোমাদেরকে মনোনীত করিয়াছেন। তিনি দীনের ব্যাপারে তোমাদের উপর কোন কঠোরতা আরোপ করেন নাই। ইহা তোমাদের পিতা ইব্‌রাহীমের মিল্লাত। তিনি পূর্বে তোমাদের নামকরণ করিয়াছেন ‘মুসলিম’ এবং এই কিতাবেও ; যাহাতে রাসূল তোমাদের জন্য সাক্ষীস্বরূপ হয় এবং তোমরা সাক্ষীস্বরূপ হও মানব জাতির জন্য। সুতরাং তোমরা কায়েম কর, যাকাত দাও এবং ‌কে অবলম্বন কর ; তিনিই তোমাদের অভিভাবক, কত উত্তম অভিভাবক এবং কত উত্তম সাহায্যকারী তিনি !

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা আল্লাহর জন্যে শ্রম স্বীকার কর যেভাবে শ্রম স্বীকার করা উচিত। তিনি তোমাদেরকে পছন্দ করেছেন এবং ধর্মের ব্যাপারে তোমাদের উপর কোন সংকীর্ণতা রাখেননি। তোমরা তোমাদের পিতা ইব্রাহীমের ধর্মে কায়েম থাক। তিনিই তোমাদের নাম মুসলমান রেখেছেন পূর্বেও এবং এই কোরআনেও, যাতে রসূল তোমাদের জন্যে সাক্ষ্যদাতা এবং তোমরা সাক্ষ্যদাতা হও মানবমন্ডলির জন্যে। সুতরাং তোমরা কায়েম কর, যাকাত দাও এবং আল্লাহকে শক্তভাবে ধারণ কর। তিনিই তোমাদের মালিক। অতএব তিনি কত উত্তম মালিক এবং কত উত্তম সাহায্যকারী।

Word by word

وَجَٰهِدُوا۟ فِى ٱللَّهِ حَقَّ جِهَادِهِۦ هُوَ ٱجْتَبَىٰكُمْ وَمَا جَعَلَ عَلَيْكُمْ فِى ٱلدِّينِ مِنْ حَرَجٍ مِّلَّةَ أَبِيكُمْ إِبْرَٰهِيمَ هُوَ سَمَّىٰكُمُ ٱلْمُسْلِمِينَ مِن قَبْلُ وَفِى هَٰذَا لِيَكُونَ

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme