শপথ একের পর এক প্রেরিত বাতাসের,
শপথ কল্যাণস্বরূপ প্রেরিত বায়ুর,
কল্যাণের জন্যে প্রেরিত বায়ুর শপথ,
আল্লাহর নামে শুরু করছি, পরম করুণাময় পরম দয়ালু; শপথ কল্যাণস্বরূপ প্রেরিতদের,
Chapter 77, 50 verses
শপথ একের পর এক প্রেরিত বাতাসের,
শপথ কল্যাণস্বরূপ প্রেরিত বায়ুর,
কল্যাণের জন্যে প্রেরিত বায়ুর শপথ,
আল্লাহর নামে শুরু করছি, পরম করুণাময় পরম দয়ালু; শপথ কল্যাণস্বরূপ প্রেরিতদের,
শপথ প্রলয়ংকরী ঝড়ের,
আর প্রলয়ঙ্করী ঝটিকার,
সজোরে প্রবাহিত ঝটিকার শপথ,
অতঃপর প্রবলভাবে প্রবাহমানদের,
শপথ (মেঘমালা) সঞ্চালনকারী বায়ুর,
শপথ সঞ্চালনকারী বায়ুর,
মেঘবিস্তৃতকারী বায়ুর শপথ
এবং ব্যাপকভাবে বিস্তারকারীদের,
আর মেঘপুঞ্জ বিচ্ছিন্নকারী বাতাসের,
আর মেঘপুঞ্জ বিচ্ছিন্নকারী বায়ুর,
মেঘপুঞ্জ বিতরণকারী বায়ুর শপথ এবং
অতঃপর সুস্পষ্টভাবে পৃথককারীদের,
এবং শপথ তাদের যারা মানুষের হৃদয়ে পৌঁছে দেয় উপদেশ,
এবং শপথ তাহাদের যাহারা মানুষের অন্তরে পৌঁছাইয়া দেয় উপদেশ -
ওহী নিয়ে অবতরণকারী ফেরেশতাগণের শপথ -
এবং স্মরণীয় বাণী পৌঁছে দেয় যারা,
ওজর রহিত করা এবং সতর্ক করার জন্যে।
ওযর - আপত্তি রহিতকরণ ও সতর্ক করার জন্য।
ওযর - আপত্তির অবকাশ না রাখার জন্যে অথবা সতর্ক করার জন্যে।
অজুহাত দূরীকরণ অথবা সতর্কবার্তারূপে
তোমাদের যে বিষয়ের ওয়াদা দেয়া হয়েছে, তা অবশ্যি ঘটবে।
নিশ্চয়ই তোমাদেরকে যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হইয়াছে তাহা অবশ্যম্ভাবী।
নিশ্চয়ই তোমাদেরকে প্রদত্ত ওয়াদা বাস্তবায়িত হবে।
নিশ্চয়ই তোমাদের যা প্রতিশ্রুতি দেওয়া হচ্ছে তা অবশ্যই ঘটবে।
যখন তারকারাজির আলো নিভে যাবে,
যখন নক্ষত্ররাজির আলো নির্বাপিত হইবে,
অতঃপর যখন নক্ষত্রসমুহ নির্বাপিত হবে,
অতঃপর যখন নক্ষত্রসমূহ নিভে যাবে,
যখন বিদীর্ণ হয়ে যাবে আকাশ,
যখন আকাশ বিদীর্ণ হইবে
যখন আকাশ ছিদ্রযুক্ত হবে,
এবং যখন আকাশ ছিন্নবিচ্ছিন্ন করা হবে,
এবং যখন পর্বতমালাকে উঠিয়ে বিক্ষিপ্ত করে দেয়া হবে,
এবং যখন পর্বতমালা উন্মুলিত ও বিক্ষিপ্ত হইবে
যখন পর্বতমালাকে উড়িয়ে দেয়া হবে এবং
এবং যখন পাহাড়গুলোকে চূর্ণবিচূর্ণ করা হবে,
আর নির্ধারিত সময়ে হাজির করা হবে রসূলদের,
এবং রাসূলগণকে নিরূপিত সময়ে উপস্থিত করা হইবে,
যখন রসূলগণের একত্রিত হওয়ার সময় নিরূপিত হবে,
এবং যখন রসূলগণকে নির্ধারিত সময়ে নিয়ে আসা হবে
সব কিছু বিলম্বিত করা হয়েছে কোন্ দিনটির জন্যে?
এই সমুদয় স্থগিত রাখা হইয়াছে কোন্ দিবসের জন্য?
এসব বিষয় কোন দিবসের জন্যে স্থগিত রাখা হয়েছে?
কোন দিনের জন্য এগুলো স্থগিত রাখা হয়েছে?
ফায়সালার দিনের জন্যে।
বিচার দিবসের জন্য।
বিচার দিবসের জন্য।
বিচারের দিনের জন্য।
ফয়সালার দিনের জন্য
তুমি কী করে জানবে - ফায়সালার দিন কী?
বিচার দিবস সম্বন্ধে তুমি কী জান?
আপনি জানেন বিচার দিবস কি?
আর তুমি কীভাবে জানবে বিচারের দিন কী?
সেদিন প্রত্যাখ্যানকারীদের জন্যে হবে চরম দুর্ভোগ।
সেই দিন দুর্ভোগ অস্বীকারকারীদের জন্য।
সেদিন মিথ্যারোপকারীদের দুর্ভোগ হবে।
সেদিন দুর্ভোগ অস্বীকারকারীদের জন্য।
অস্বীকারকারীদের/ কাফিরদের/ সত্য প্রত্তাক্ষাণকারীদের/ মিথ্যা আরোপকারীদের
আমরা কি পূর্ববর্তীদের হালাক করিনি?
আমি কি পূর্ববর্তীদেরকে ধ্বংস করি নাই?
আমি কি পূর্ববর্তীদেরকে ধ্বংস করিনি?
আমরা কি পূর্ববর্তীদের ধ্বংস করিনি?
শেষের লোকদেরও আমরা ওদের অনুসারেই করবো।
অতঃপর আমি পরবর্তীদেরকে উহাদের অনুগামী করিব।
এরপর পরবর্তীদেরকে তাদের মতো করেই আনবো।
অতঃপর তাদের অনুসরণে পরবর্তীদের আনব।
অপরাধীদের সাথে আমরা এভাবেই করে থাকি।
অপরাধীদের প্রতি আমি এইরূপই করিয়া থাকি।
অপরাধীদের সাথে আমি এরূপই করে থাকি।
এভাবেই আমরা অপরাধীদের সাথে আচরণ করি।
সেদিন হবে চরম দুর্ভোগ প্রত্যাখ্যানকারীদের জন্যে।
সেই দিন দুর্ভোগ অস্বীকারকারীদের জন্য।
সেদিন মিথ্যারোপকারীদের দুর্ভোগ হবে।
সেদিন দুর্ভোগ অস্বীকারকারীদের জন্য।
আমরা কি তোমাদের সৃষ্টি করিনি একটি তুচ্ছ পানি থেকে?
আমি কি তোমাদেরকে তুচ্ছ পানি হইতে সৃষ্টি করি নাই?
আমি কি তোমাদেরকে তুচ্ছ পানি থেকে সৃষ্টি করিনি?
আমরা কি তোমাদের তুচ্ছ তরল থেকে সৃষ্টি করিনি?
তারপর সেটাকে আমরা রেখেছি একটি নিরাপদ অবস্থানস্থলে,
অতঃপর আমি উহা রাখিয়াছি নিরাপদ আধারে,
অতঃপর আমি তা রেখেছি এক সংরক্ষিত আধারে,
অতঃপর তা স্থাপন করেছি সুরক্ষিত আশ্রয়ে,
একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত।
এক নির্দিষ্ট কাল পর্যন্ত,
এক নির্দিষ্টকাল পর্যন্ত,
এক নির্ধারিত সময় পর্যন্ত।
এভাবে আমরা তাকে সুষম করে গঠন করেছি, কতো নিপুণ স্রষ্টা আমরা!
অতঃপর আমি ইহাকে গঠন করিয়াছি পরিমিতভাবে, আমি কত নিপুণ স্রষ্টা!
অতঃপর আমি পরিমিত আকারে সৃষ্টি করেছি, আমি কত সক্ষম স্রষ্টা?
অতঃপর আমরা পরিমিত ব্যবস্থা করেছি; আর কত উত্তম ব্যবস্থাকারী আমরা!
ধ্বংস সেদিন প্রত্যাখ্যানকারীদের জন্যে।
সেই দিন দুর্ভোগ অস্বীকারকারীদের জন্য।
সেদিন মিথ্যারোপকারীদের দুর্ভোগ হবে।
সেদিন দুর্ভোগ অস্বীকারকারীদের জন্য।
আমরা কি ভূ - পৃষ্ঠকে ধারণকারী বানাইনি,
আমি কি ভূমিকে সৃষ্টি করি নাই ধারণকারীরূপে,
আমি কি পৃথিবীকে সৃষ্টি করিনি ধারণকারিণীরূপে,
আমরা কি পৃথিবীকে ধারণকারী করিনি,
জীবিত ও মৃতদের জন্যে?
জীবিত ও মৃতের জন্য?
জীবিত ও মৃতদেরকে?
জীবিত ও মৃতদের জন্য?
তারপর আমরা তাতে স্থাপন করেছি সুদৃঢ় উঁচু উঁচু পর্বতমালা এবং তোমাদের পান করিয়েছি সুপেয় পানি।
আমি উহাতে স্থাপন করিয়াছি সুদৃঢ় উচ্চ পর্বতমালা এবং তোমাদেরকে দিয়াছি সুপেয় পানি।
আমি তাতে স্থাপন করেছি মজবুত সুউচ্চ পর্বতমালা এবং পান করিয়েছি তোমাদেরকে তৃষ্ণা নিবারণকারী সুপেয় পানি।
এবং তাতে সুউচ্চ সুদৃঢ় পর্বতমালা স্থাপন করেছি এবং তোমাদের পান করিয়েছি সুপেয় পানি।
ধ্বংস সেদিন প্রত্যাখ্যানকারীদের জন্যে।
সেই দিন দুর্ভোগ অস্বীকারকারীদের জন্য।
সেদিন মিথ্যারোপকারীদের দুর্ভোগ হবে।
সেদিন দুর্ভোগ অস্বীকারকারীদের জন্য।
(সেদিন বলা হবে:) চলো তার দিকে যাকে (যে জাহান্নামকে) তোমরা অস্বীকার করতে।
তোমরা যাহাকে অস্বীকার করিতে, চল তাহারই দিকে।
চল তোমরা তারই দিকে, যাকে তোমরা মিথ্যা বলতে।
চলো সেই দিকে, যা তোমরা অস্বীকার করতে,
চলো, তিন শাখাওয়ালা ছায়ার দিকে।
চল তিন শাখাবিশিষ্ট ছায়ার দিকে,
চল তোমরা তিন কুন্ডলীবিশিষ্ট ছায়ার দিকে,
চলো তিন শাখা বিশিষ্ট ছায়ার দিকে,
যে ছায়া ঠান্ডা নয় এবং যা রক্ষা করেনা অগ্নিশিখা থেকে।
যে ছায়া শীতল নয় এবং যাহা রক্ষা করে না অগ্নিশিখা হইতে,
যে ছায়া সুনিবিড় নয় এবং অগ্নির উত্তাপ থেকে রক্ষা করে না।
যা না শীতল ছায়া দেবে, না অগ্নিশিখা থেকে রক্ষা করবে।
সেটা উৎক্ষেপ করে বড় বড় স্ফুলিংগ অট্টালিকার মতো।
ইহা উৎক্ষেপ করিবে বৃহৎ স্ফুলিংগ অট্টালিকাতুল্য,
এটা অট্টালিকা সদৃশ বৃহৎ স্ফুলিংগ নিক্ষেপ করবে।
নিশ্চয়ই তা নিক্ষেপ করবে প্রাসাদসম স্ফুলিঙ্গ,
সেগুলো যেনো হলুদ উট।
উহা পীতবর্ণ উষ্ট্রশ্রেণী সদৃশ,
যেন সে পীতবর্ণ উষ্ট্রশ্রেণী।
যেন তা হলুদ উটসমূহ।
ধ্বংস সেদিন প্রত্যাখ্যানকারীদের জন্যে।
সেই দিন দুর্ভোগ অস্বীকারকারীদের জন্য।
সেদিন মিথ্যারোপকারীদের দুর্ভোগ হবে।
সেদিন দুর্ভোগ অস্বীকারকারীদের জন্য।
এটা হবে এমন একটা দিন যেদিন কেউ কথা বলবেনা।
ইহা এমন একদিন যেদিন কাহারও বাকস্ফূর্তি হইবে না,
এটা এমন দিন, যেদিন কেউ কথা বলবে না।
এ সেই দিন, যেদিন তারা কথা বলবে না,
সেদিন তাদের অনুমতি দেয়া হবেনা ওজর পেশ করার।
এবং তাহাদেরকে অনুমতি দেওয়া হইবে না ওযর পেশ করার।
এবং কাউকে তওবা করার অনুমতি দেয়া হবে না।
এবং তাদের অনুমতি দেওয়া হবে না, ফলে তারা অজুহাত পেশ করতে পারবে না।
ধ্বংস সেদিন প্রত্যাখ্যানকারীদের জন্যে।
সেই দিন দুর্ভোগ অস্বীকারকারীদের জন্য।
সেদিন মিথ্যারোপকারীদের দুর্ভোগ হবে।
সেদিন দুর্ভোগ অস্বীকারকারীদের জন্য।
এটা হলো ফায়সালার দিন, আমরা (আজ) জমা (একত্র) করেছি তোমাদের এবং পূর্বের লোকদের।
‘ইহাই ফয়সালার দিন, আমি একত্র করিয়াছি তোমাদেরকে এবং পূর্ববর্তীদেরকে।’
এটা বিচার দিবস, আমি তোমাদেরকে এবং তোমাদের পূর্ববর্তীদেরকে একত্রিত করেছি।
এটাই বিচারের দিন; আমরা তোমাদের ও পূর্ববর্তীদের সমবেত করেছি।
আজ যদি তোমাদের কোনো চক্রান্ত থেকে থাকে তবে তা প্রয়োগ করো আমার বিরুদ্ধে।
তোমাদের কোন কৌশল থাকিলে তাহা প্রয়োগ কর আমার বিরুদ্ধে।
অতএব, তোমাদের কোন অপকৌশল থাকলে তা প্রয়োগ কর আমার কাছে।
অতএব যদি তোমাদের কোনো কৌশল থাকে, তবে আমার বিরুদ্ধে তা প্রয়োগ করো।
ধ্বংস সেদিন প্রত্যাখ্যানকারীদের জন্যে।
সেই দিন দুর্ভোগ অস্বীকারকারীদের জন্য।
সেদিন মিথ্যারোপকারীদের দুর্ভোগ হবে।
সেদিন দুর্ভোগ অস্বীকারকারীদের জন্য।
মুত্তাকিরা থাকবে ছায়া আর ঝরণাধারা ওয়ালা জায়গায়।
অবশ্যই মুত্তাকীরা থাকিবে ছায়ায় ও প্রস্রবণবহুল স্থানে,
নিশ্চয় খোদাভীরুরা থাকবে ছায়ায় এবং প্রস্রবণসমূহে -
নিশ্চয়ই মুত্তাকীরা থাকবে ছায়া ও ঝর্ণাসমূহের মধ্যে,
তারা পাবে প্রচুর ফলমূল যা চাইবে তাদের মন।
তাহাদের বাঞ্ছিত ফলমূলের প্রাচুর্যের মধ্যে।
এবং তাদের বাঞ্ছিত ফল - মূলের মধ্যে।
এবং তাদের ইচ্ছেমতন ফলমূলের মধ্যে।
তোমাদের আমলের পুরস্কার হিসেবে তোমরা খাও এবং পান করো তৃপ্তি সহকারে।
‘তোমাদের কর্মের পুরস্কারস্বরূপ তোমরা তৃপ্তির সঙ্গে পানাহার কর।’
বলা হবেঃ তোমরা যা করতে তার বিনিময়ে তৃপ্তির সাথে পানাহার কর।
“তোমাদের কাজের পুরস্কারস্বরূপ তোমরা তৃপ্তির সঙ্গে পানাহার কর।“
এভাবেই আমরা পুরস্কৃত করি কল্যাণপরায়ণদের।
এইভাবে আমি সৎকর্মপরায়ণদেরকে পুরস্কৃত করিয়া থাকি।
এভাবেই আমি সৎকর্মশীলদেরকে পুরস্কৃত করে থাকি।
নিশ্চয়ই এভাবেই আমরা সৎকর্মপরায়ণদের প্রতিদান দিই।
ধ্বংস সেদিন প্রত্যাখ্যানকারীদের জন্যে।
সেই দিন দুর্ভোগ অস্বীকারকারীদের জন্য।
সেদিন মিথ্যারোপকারীদের দুর্ভোগ হবে।
সেদিন দুর্ভোগ অস্বীকারকারীদের জন্য
তোমরা খাও এবং ভোগ করে নাও অল্প কিছু দিন। তোমরা অবশ্যি অপরাধী।
তোমরা আহার কর এবং ভোগ করিয়া লও অল্প কিছু দিন, তোমরা তো অপরাধী।
কাফেরগণ, তোমরা কিছুদিন খেয়ে নাও এবং ভোগ করে নাও। তোমরা তো অপরাধী।
তোমরা আহার করো ও কিছু সময় ভোগ করে নাও; নিশ্চয়ই তোমরা অপরাধী।
ধ্বংস সেদিন প্রত্যাখ্যানকারীদের জন্যে।
সেই দিন দুর্ভোগ অস্বীকারকারীদের জন্য।
সেদিন মিথ্যারোপকারীদের দুর্ভোগ হবে।
সেদিন দুর্ভোগ অস্বীকারকারীদের জন্য।
তাদের যখন বলা হয় ‘রুকু করো (নত হও)’, তারা রুকু করেনা।
যখন উহাদেরকে বলা হয়, ‘র প্রতি নত হও’ উহারা নত হয় না।
যখন তাদেরকে বলা হয়, নত হও, তখন তারা নত হয় না।
আর যখন তাদের বলা হয়, “নত হও,” তখন তারা নত হয় না।
“রুকূ করো,” তখন তারা রুকূ করে না
“নত হও,” তখন তারা নত হয় না।
ধ্বংস সেদিন প্রত্যাখ্যানকারীদের জন্যে।
সেই দিন দুর্ভোগ অস্বীকারকারীদের জন্য।
সেদিন মিথ্যারোপকারীদের দুর্ভোগ হবে।
সেদিন দুর্ভোগ অস্বীকারকারীদের জন্য।
সুতরাং তারা এর (কুরআনের) পরিবর্তে আর কোন্ বাণীর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করবে?
সুতরাং উহারা কুরআনের পরিবর্তে আর কোন্ কথায় বিশ্বাস স্থাপন করিবে?
এখন কোন কথায় তারা এরপর বিশ্বাস স্থাপন করবে?
অতএব এর পরে তারা আর কোন বাণীতে ঈমান আনবে?