Kitab

আল ইনফিতার (ফেটে যাওয়া)

Chapter 82, 19 verses

  • আবদুস শহীদ নাসিম
  • ইসলামিক ফাউন্ডেশন
  • মুহিউদ্দীন খান
About this chapter


মক্কায় অবতীর্ণ, আয়াত সংখ্যা : ১৯, রুকু সংখ্যা: ০১

এই সূরার আলোচ্যসূচি

আয়াতআলোচ্য বিষয় ০১-০৫কিয়ামতের দৃশ্য। ০৬-১২মানুষকে তার মহান স্রষ্টার ব্যাপারে কিসে প্রতারিত করছে। মানুষের কৃতকর্ম রেকর্ড করার জন্যে ফেরেশতা নিযুক্ত করা আছে। ১৩-১৯পুণ্যবানরা থাকবে মহা অনুগ্রহরাজির মধ্যে। পাপিষ্ঠরা থাকবে জাহান্নামে। সেদিনকার নিরংকুশ কর্তৃত্ব থাকবে আল্লাহর হাতে।
আবদুস শহীদ নাসিম

যখন ফেটে যাবে আকাশ,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আকাশ যখন বিদীর্ণ হইবে,

মুহিউদ্দীন খান

যখন আকাশ বিদীর্ণ হবে,

আবদুস শহীদ নাসিম

যখন বিক্ষিপ্ত হয়ে খসে পড়বে নক্ষত্ররাজি,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যখন নক্ষত্রমণ্ডলী বিক্ষিপ্তভাবে ঝরিয়া পড়িবে,

মুহিউদ্দীন খান

যখন নক্ষত্রসমূহ ঝরে পড়বে,

আবদুস শহীদ নাসিম

যখন ফাটিয়ে ফেলা হবে সমুদ্রগুলো,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সমুদ্র যখন উদ্বেলিত হইবে,

মুহিউদ্দীন খান

যখন সমুদ্রকে উত্তাল করে তোলা হবে,

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং যখন খুলে দেয়া হবে কবরগুলো,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং যখন কবর উন্মোচিত হইবে,

মুহিউদ্দীন খান

এবং যখন কবরসমূহ উম্মোচিত হবে,

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন প্রত্যেক ব্যক্তিই জানতে পারবে, সে কী পাঠিয়েছে সামনের জন্যে, আর কী রেখে এসেছে পেছনে?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তখন প্রত্যেকে জানিবে, সে কী অগ্রে পাঠাইয়াছে ও কী পশ্চাতে রাখিয়া গিয়াছে।

মুহিউদ্দীন খান

তখন প্রত্যেকে জেনে নিবে সে কি অগ্রে প্রেরণ করেছে এবং কি পশ্চাতে ছেড়ে এসেছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

হে মানুষ! কোন্ জিনিস তোমাকে ধোকায় ফেলে রেখেছে তোমার মহান প্রভুর ব্যাপারে?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

হে মানুষ ! কিসে তোমাকে তোমার মহান প্রতিপালক সম্বন্ধে বিভ্রান্ত করিল?

মুহিউদ্দীন খান

হে মানুষ, কিসে তোমাকে তোমার মহামহিম পালনকর্তা সম্পর্কে বিভ্রান্ত করল?

আবদুস শহীদ নাসিম

যিনি সৃষ্টি করেছেন তোমাকে, পূর্ণাংগভাবে সাজিয়েছেন, অতপর গড়ে তুলেছেন সুষম করে?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যিনি তোমাকে সৃষ্টি করিয়াছেন, অতঃপর তোমাকে সুঠাম করিয়াছেন এবং সুসমঞ্জস করিয়াছেন,

মুহিউদ্দীন খান

যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর তোমাকে সুবিন্যস্ত করেছেন এবং সুষম করেছেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং যে সুরত - আকৃতিতে চেয়েছেন গঠন করেছেন তোমাকে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যেই আকৃতিতে চাহিয়াছেন, তিনি তোমাকে গঠন করিয়াছেন।

মুহিউদ্দীন খান

যিনি তোমাকে তাঁর ইচ্ছামত আকৃতিতে গঠন করেছেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

না, কখনো নয়, বরং তোমরা শেষ বিচার ও প্রতিদানকেই (শাস্তি আর পুরস্কারকেই) অস্বীকার করছো।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

না, কখনও না, তোমরা তো শেষ বিচারকে অস্বীকার করিয়া থাক ;

মুহিউদ্দীন খান

কখনও বিভ্রান্ত হয়ো না; বরং তোমরা দান - প্রতিদানকে মিথ্যা মনে কর।

আবদুস শহীদ নাসিম

জেনে রাখো, অবশ্যি তোমাদের উপর নিযুক্ত রয়েছে পরিদর্শক।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অবশ্যই আছে তোমাদের জন্য তত্ত্বাবধায়কগণ ;

মুহিউদ্দীন খান

অবশ্যই তোমাদের উপর তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত আছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা হলো মর্যাদাবান নিবন্ধনকারী (recorder)।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সম্মানিত লিপিকরবৃন্দ ;

মুহিউদ্দীন খান

সম্মানিত আমল লেখকবৃন্দ।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা জানে তোমরা যা - ই করো।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহারা জানে তোমরা যাহা কর।

মুহিউদ্দীন খান

তারা জানে যা তোমরা কর।

আবদুস শহীদ নাসিম

নিশ্চয়ই সৎ - সত্যপন্থী লোকেরা (সেদিন) থাকবে ভোগ - বিলাসে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

পুণ্যবানগণ তো থাকিবে পরম স্বাচ্ছন্দ্যে ;

মুহিউদ্দীন খান

সৎকর্মশীলগণ থাকবে জান্নাতে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর সীমালংঘনকারী - পাপিষ্ঠরা থাকবে জাহিমে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং পাপাচারীরা তো থাকিবে জাহান্নামে ;

মুহিউদ্দীন খান

এবং দুষ্কর্মীরা থাকবে জাহান্নামে;

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা প্রবেশ করবে তাতে প্রতিদান দিবসে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা কর্মফল দিবসে উহাতে প্রবেশ করিবে ;

মুহিউদ্দীন খান

তারা বিচার দিবসে তথায় প্রবেশ করবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

সেখান থেকে গর - হাজির থাকার কোনো সুযোগ তাদের থাকবে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং উহারা উহা হইতে অন্তর্হিত হইতে পারিবে না।

মুহিউদ্দীন খান

তারা সেখান থেকে পৃথক হবে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি কিভাবে জানবে, প্রতিদান দিবস কী?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কর্মফল দিবস সম্বন্ধে তুমি কী জান?

মুহিউদ্দীন খান

আপনি জানেন, বিচার দিবস কি?

আবদুস শহীদ নাসিম

আবার বলছি তুমি কিভাবে জানবে, প্রতিদান দিবস কী?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আবার বলি, কর্মফল দিবস সম্বন্ধে তুমি কী জান?

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর আপনি জানেন, বিচার দিবস কি?

আবদুস শহীদ নাসিম

এটা সেই দিন, যেদিন কোনো ব্যক্তির অপর ব্যক্তির জন্যে কিছু করার কোনো ক্ষমতা থাকবেনা। সেদিন সমস্ত কর্তৃত্ব থাকবে একমাত্র আল্লাহর হাতে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সেই দিন একের অপরের জন্য কিছু করিবার সামর্থ্য থাকিবে না; এবং সেই দিন সমস্ত কর্তৃত্ব হবে ‌র।

মুহিউদ্দীন খান

যেদিন কেউ কারও কোন উপকার করতে পারবে না এবং সেদিন সব কর্তৃত্ব হবে আল্লাহর।

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme