Kitab

নূহ

Chapter 71, 28 verses

  • আবদুস শহীদ নাসিম
  • ইসলামিক ফাউন্ডেশন
  • জহুরুল হক
  • মুহিউদ্দীন খান
About this chapter


মক্কায় অবতীর্ণ, আয়াত সংখ্যা: ২৮, রুকু সংখ্যা: ০২

এই সূরার আলোচ্যসূচি

আয়াতআলোচ্য বিষয় ০১-২৮নিজ জাতির কাছে নূহ আ. কর্তৃক আল্লাহর ইবাদত করার, তাঁকে ভয় করার এবং রসূলের আনুগত্য করার মর্মস্পর্শী দাওয়াত। তাঁর দাওয়াতের বিভিন্ন পদ্ধতি। তাঁর জাতি কর্তৃক তাঁকে প্রত্যাখ্যান এবং তাঁর বিরুদ্ধে চরম ষড়যন্ত্র। অবশেষে জাতির উপর নূহের বদ দোয়া এবং তাদের ধ্বংস।
আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা নূহকে পাঠিয়েছিলাম তার কওমের কাছে (এই নির্দেশ দিয়ে) যে, তোমার কওমকে সতর্ক করো তাদের প্রতি বেদনাদায়ক আযাব আসার আগেই।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

নূহকে আমি প্রেরণ করিয়াছিলাম তাহার সম্প্রদায়ের প্রতি এই নির্দেশসহ : তুমি তোমার সম্প্রদায়কে সতর্ক কর তাহাদের প্রতি মর্মন্তুদ শাস্তি আসিবার পূর্বে।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ আমরা নূহ্‌কে তাঁর লোকদলের কাছে পাঠিয়েছিলাম এই বলে - - ''তোমার লোকদলকে সতর্ক করে দাও তাদের উপরে মর্মন্তুদ শাস্তি আসবার আগে।’’

মুহিউদ্দীন খান

আমি নূহকে প্রেরণ করেছিলাম তাঁর সম্প্রদায়ের প্রতি একথা বলেঃ তুমি তোমার সম্প্রদায়কে সতর্ক কর, তাদের প্রতি মর্মন্তদ শাস্তি আসার আগে।

আবদুস শহীদ নাসিম

সে (তাদের) বলেছিল: ‘‘হে আমার কওম! আমি তোমাদের জন্যে একজন সুস্পষ্ট সতর্ককারী!

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সে বলিয়াছিল, ‘হে আমার সম্প্রদায় ! আমি তো তোমাদের জন্য স্পষ্ট সতর্ককারী -

জহুরুল হক

তিনি বলেছিলেন - - ''হে আমার স্বজাতি! নিঃসন্দেহ আমি তোমাদের জন্য একজন স্পষ্ট সতর্ককারী, - -

মুহিউদ্দীন খান

সে বলল, হে আমার সম্প্রদায়! আমি তোমাদের জন্যে স্পষ্ট সতর্ককারী।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা এক আল্লাহর ইবাদত করো, তাঁকে ভয় করো (তাঁর প্রতি কর্তব্যপরায়ণ হও) আর আমার আনুগত্য করো।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘এই বিষয়ে যে, ‘তোমরা ‌র ‘ইবাদত কর ও তাঁহাকে ভয় কর এবং আমার আনুগত্য কর ;

জহুরুল হক

''এ বিষয়ে যে তোমরা ‌র উপাসনা করো ও তাঁকে ভয় - ভক্তি করো, আর আমাকে মেনে চলো।

মুহিউদ্দীন খান

এ বিষয়ে যে, তোমরা তা’আলার এবাদত কর, তাঁকে ভয় কর এবং আমার আনুগত্য কর।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাহলে তিনি ক্ষমা করে দেবেন তোমাদের পাপসমূহ এবং তোমাদের অবকাশ দেবেন একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত। জেনে রাখো, আল্লাহর নির্ধারিত সময় এসে পড়লে তা আর দেরি করা হয়না, যদি তোমরা জানতে!’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘তিনি তোমাদের পাপ ক্ষমা করিবেন এবং তিনি তোমাদেরকে অবকাশ দিবেন এক নির্দিষ্টকাল পর্যন্ত। নিশ্চয় ‌ কর্তৃক নির্ধারিত কাল উপস্থিত হইলে উহা বিলম্বিত হয় না; যদি তোমরা ইহা জানিতে !’

জহুরুল হক

''তিনি তোমাদের পাপগুলোর কতকটা ক্ষমা করবেন এবং তোমাদের বিরাম দেবেন এক নির্ধারিত কাল পর্যন্ত। নিঃসন্দেহ ‌র নির্ধারণ করা কাল যখন এসে পড়ে তখন তা পিছিয়ে দেওয়া যায় না, - - যদি তোমরা জানতে!’’

মুহিউদ্দীন খান

তা’আলা তোমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করবেন এবং নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অবকাশ দিবেন। নিশ্চয় তা’আলার নির্দিষ্টকাল যখন হবে, তখন অবকাশ দেয়া হবে না, যদি তোমরা তা জানতে!

আবদুস শহীদ নাসিম

নূহ তার প্রভুর কাছে বলেছিল: ‘‘আমার প্রভু! আমি আমার কওমকে দাওয়াত দিয়েছি রাতদিন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সে বলিয়াছিল, ‘হে আমার প্রতিপালক ! আমি তো আমার সম্প্রদায়কে দিবারাত্রি আহ্বান করিয়াছি,

জহুরুল হক

তিনি বললেন - - ''আমার প্রভূ! আমি তো আমার স্বজাতিকে রাতে ও দিনে আহ্বান করেছি,

মুহিউদ্দীন খান

সে বললঃ হে আমার পালনকর্তা! আমি আমার সম্প্রদায়কে দিবারাত্রি দাওয়াত দিয়েছি;

আবদুস শহীদ নাসিম

আমার দাওয়াত তাদের কেবল পলায়নই বাড়িয়ে দিয়েছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘কিন্তু আমার আহবান উহাদের পলায়ন প্রবণতাই বৃদ্ধি করিয়াছে।

জহুরুল হক

''কিন্ত আমার ডাক তাদের পালিয়ে যাওয়া ছাড়া আর কিছুই বাড়ায় নি।

মুহিউদ্দীন খান

কিন্তু আমার দাওয়াত তাদের পলায়নকেই বৃদ্ধি করেছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমি যখনই তাদের দাওয়াত দিয়েছি যেনো তুমি তাদের ক্ষমা করে দাও, তারা কানে আংগুল দিয়েছে, নিজেদের ঢেকে নিয়েছে কাপড় দিয়ে, তারা অনবরত জিদ ধরেছে এবং প্রকাশ করেছে অতিশয় দাম্ভিকতা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমি যখনই উহাদেরকে আহ্বান করি যাহাতে তুমি উহাদেরকে ক্ষমা কর, উহারা কানে অঙ্গুলী দেয়, বস্ত্রাবৃত করে নিজেদেরকে ও জিদ করিতে থাকে এবং অতিশয় ঔদ্ধত্য প্রকাশ করে।

জহুরুল হক

''আর নিশ্চয় যখনই আমি তাদের আহ্বান করেছি যেন তুমি তাদের ক্ষমা করতে পার, তারা তাদের কানের ভেতরে তাদের আঙ্গুলগুলো ভরে দেয়, আর তাদের কাপড় দিয়ে নিজেদের ঢেকে ফেলে, আর গোঁ ধরে, আর সগর্বে গর্ব করে।

মুহিউদ্দীন খান

আমি যতবারই তাদেরকে দাওয়াত দিয়েছি, যাতে আপনি তাদেরকে ক্ষমা করেন, ততবারই তারা কানে অঙ্গুলি দিয়েছে, মুখমন্ডল বস্ত্রাবৃত করেছে, জেদ করেছে এবং খুব ঔদ্ধত্য প্রদর্শন করেছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর আমি তাদের প্রকাশ্যে দাওয়াত দিয়েছি,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘অতঃপর আমি উহাদেরকে আহ্বান করিয়াছি প্রকাশ্যে,

জহুরুল হক

''তারপর আমি নিশ্চয় তাদের আহ্বান করেছি উঁচু গলায়,

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর আমি তাদেরকে প্রকাশ্যে দাওয়াত দিয়েছি,

আবদুস শহীদ নাসিম

অতপর তাদের এলান (ঘোষণা) করে ডেকেছি এবং গোপনে গোপনে উপদেশ দিয়েছি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘পরে আমি উচ্চৈঃস্বরে প্রচার করিয়াছি ও উপদেশ দিয়াছি গোপনে।’

জহুরুল হক

''তারপর নিশ্চয় আমি তাদের কাছে ঘোষণা করেছি, আর আমি তাদের সঙ্গে গোপনে গোপন কথা বলেছি,

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর আমি ঘোষণা সহকারে প্রচার করেছি এবং গোপনে চুপিসারে বলেছি।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমি তাদের বলেছি: তোমরা তোমাদের প্রভুর কাছে মাগফিরাত প্রার্থনা করো, নিশ্চয়ই তিনি মহান ক্ষমাশীল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বলিয়াছি, ‘তোমাদের প্রতিপালকের ক্ষমা প্রার্থনা কর, তিনি তো মহাক্ষমাশীল,

জহুরুল হক

''আর আমি বলেছি - - তোমাদের প্রভুর কাছে পরিত্রাণ খোঁজো, নিশ্চয় তিনি হচ্ছেন পরম ক্ষমাশীল।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর বলেছিঃ তোমরা তোমাদের পালনকর্তার ক্ষমা প্রার্থনা কর। তিনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল।

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনি তোমাদের জন্যে আকাশ থেকে বর্ষণ করবেন প্রচুর বৃষ্টি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘তিনি তোমাদের জন্য প্রচুর বৃষ্টিপাত করিবেন,

জহুরুল হক

''তিনি তোমাদের উপরে বৃষ্টি পাঠাবেন প্রচুর পরিমাণে,

মুহিউদ্দীন খান

তিনি তোমাদের উপর অজস্র বৃষ্টিধারা ছেড়ে দিবেন,

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনি তোমাদের মদদ করবেন মাল - সম্পদ ও সন্তান সন্ততি দিয়ে এবং তোমাদের জন্যে সৃষ্টি করে দেবেন বাগ বাগিচা ও নদনদী।’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘তিনি তোমাদেরকে সমৃদ্ধ করিবেন ধন - সম্পদ ও সন্তান - সন্ততিতে এবং তোমাদের জন্য স্থাপন করিবেন উদ্যান ও প্রবাহিত করিবেন নদী - নালা।

জহুরুল হক

''আর তোমাদের সমৃদ্ধ করবেন ধনদৌলত ও সন্তানসন্ততি দিয়ে, আর তোমাদের জন্য তৈরি করবেন বাগানসমূহ, আর তোমাদের জন্য স্থাপন করবেন নদী - নালা।

মুহিউদ্দীন খান

তোমাদের ধন - সম্পদ ও সন্তান - সন্ততি বাড়িয়ে দিবেন, তোমাদের জন্যে উদ্যান স্থাপন করবেন এবং তোমাদের জন্যে নদীনালা প্রবাহিত করবেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমাদের হলোটা কি, তোমরা আল্লাহর জন্যে কোনো মর্যাদাই স্বীকার করছোনা?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘তোমাদের কি হইয়াছে যে, তোমরা ‌র শ্রেষ্ঠত্ব স্বীকার করিতে চাহিতেছ না !

জহুরুল হক

''তোমাদের কী হয়েছে যে তোমরা ‌র পক্ষ থেকে শ্রেষ্ঠত্ব স্বীকার করতে চাইছ না,

মুহিউদ্দীন খান

তোমাদের কি হল যে, তোমরা তা’আলার শ্রেষ্টত্ব আশা করছ না।

আবদুস শহীদ নাসিম

অথচ তিনি তোমাদের সৃষ্টি করেছেন স্তরে স্তরে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘অথচ তিনিই তোমাদেরকে সৃষ্টি করিয়াছেন পর্যায়ক্রমে,

জহুরুল হক

''অথচ তিনি তোমাদের সৃষ্টি করেইছেন স্তরে - স্তরে।

মুহিউদ্দীন খান

অথচ তিনি তোমাদেরকে বিভিন্ন রকমে সৃষ্টি করেছেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা কি ভেবে দেখোনা, কিভাবে স্তরে স্তরে সৃষ্টি করেছেন সপ্তাকাশ?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘তোমরা কি লক্ষ্য কর নাই, ‌ কিভাবে সৃষ্টি করিয়াছেন স্বপ্তস্তরে বিন্যস্ত আকাশমন্ডলী ?

জহুরুল হক

''তোমরা কি লক্ষ্য কর নি কিভাবে সাত আসমানকে সৃষ্টি করেছেন সুবিন্যস্তভাবে,

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা কি লক্ষ্য কর না যে, কিভাবে সপ্ত আকাশ স্তরে স্তরে সৃষ্টি করেছেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাতে চাঁদকে রেখে দিয়েছেন আলো হিসেবে আর সূর্যকে রেখে দিয়েছেন আলোদানকারী প্রদীপ হিসেবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘এবং সেখানে চন্দ্রকে স্থাপন করিয়াছেন আলোরূপে ও সূর্যকে স্থাপন করিয়াছেন প্রদীপরূপে ;

জহুরুল হক

''আর তাদের মধ্যে তিনি চন্দ্রকে করেছেন একটি আলোক আর সূর্যকে বানিয়েছেন একটি প্রদীপ।

মুহিউদ্দীন খান

এবং সেখানে চন্দ্রকে রেখেছেন আলোরূপে এবং সূর্যকে রেখেছেন প্রদীপরূপে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমাদের সৃষ্টির সূচনা করেছেন মাটি থেকে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘তিনি তোমাদেরকে উদ্ভূত করিয়াছেন মৃত্তিকা হইতে;

জহুরুল হক

''আর পৃথিবী থেকে তোমাদের জন্মিয়েছেন এক উৎপাদনরূপে।

মুহিউদ্দীন খান

তা’আলা তোমাদেরকে মৃত্তিকা থেকে উদগত করেছেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর তিনি তোমাদের তাতেই (মাটিতেই) ফিরিয়ে নেবেন এবং সেখান থেকে আবার বের করে আনবেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘অতঃপর উহাতে তিনি তোমাদেরকে প্রত্যাবৃত্ত করিবেন ও পরে পুনরুত্থিত করিবেন,

জহুরুল হক

''তারপর তিনি তোমাদের তাতেই ফিরে পাঠান, এবং তিনি তোমাদের বের করে আনবেন এক বহিষ্কারে।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর তাতে ফিরিয়ে নিবেন এবং আবার পুনরুত্থিত করবেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

আল্লাহ্ই তোমাদের জন্যে বিছিয়ে দিয়েছেন পৃথিবীকে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘এবং ‌ তোমাদের জন্য ভূমিকে করিয়াছেন বিস্তৃত -

জহুরুল হক

''আর তোমাদের জন্য পৃথিবীটাকে করেছেন সুবিস্তৃত,

মুহিউদ্দীন খান

তা’আলা তোমাদের জন্যে ভূমিকে করেছেন বিছানা।

আবদুস শহীদ নাসিম

যাতে করে তোমরা তাতে চলাফেরা করতে পারো প্রশস্ত পথে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘যাহাতে তোমরা চলাফেরা করিতে পার প্রশস্ত পথে।’

জহুরুল হক

''যেন তোমরা তাতে চলতে পার প্রশস্ত পথে।’’

মুহিউদ্দীন খান

যাতে তোমরা চলাফেরা কর প্রশস্ত পথে।

আবদুস শহীদ নাসিম

নূহ আরো বলেছিল: ‘আমার প্রভু! তারা (আমার কওম) আমাকে অমান্য করেছে আর অনুসরণ করেছে এমন লোকদের যাদের মাল সম্পদ এবং আওলাদ ফরজন্দ তাদের ক্ষতি ছাড়া আর কিছুই বাড়ায়নি।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

নূহ্ বলিয়াছিল, ‘হে আমার প্রতিপালক ! আমার সম্প্রদায় তো আমাকে অমান্য করিয়াছে এবং অনুসরণ করিয়াছে এমন লোকের যাহার ধন - সম্পদ ও সন্তান - সন্ততি তাহার ক্ষতি ব্যতীত আর কিছুই বৃদ্ধি করে নাই।’

জহুরুল হক

নূহ্ বলেছিলেন - - ''আমার প্রভূ! নিঃসন্দেহ তারা আমাকে অমান্য করেছে এবং অনুসরণ করছে তার যার ধনসম্পত্তি ও সন্তানসন্ততি ক্ষতিসাধন ছাড়া তার আর কিছুই বাড়ায় নি,

মুহিউদ্দীন খান

নূহ বললঃ হে আমার পালনকর্তা, আমার সম্প্রদায় আমাকে অমান্য করেছে আর অনুসরণ করছে এমন লোককে, যার ধন - সম্পদ ও সন্তান - সন্ততি কেবল তার ক্ষতিই বৃদ্ধি করছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা এঁটেছিল এক জঘন্য ষড়যন্ত্র।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর উহারা ভয়ানক ষড়যন্ত্র করিয়াছিল;

জহুরুল হক

''আর তারা এক বিরাট ষড়যন্ত্র এটেছিলঁ।’’

মুহিউদ্দীন খান

আর তারা ভয়ানক চক্রান্ত করছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা বলেছিল: তোমরা (নূহের কথায়) কখনো তোমাদের ইলাহ্দের (দেব দেবীদের) ত্যাগ করোনা। তোমরা ত্যাগ করোনা ওয়াদ্দা, সুয়াআ, ইয়াগুছ এবং নস্রকে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং বলিয়াছিল, ‘তোমরা কখনও পরিত্যাগ করিও না তোমাদের দেব - দেবীকে; পরিত্যাগ করিও না ওয়াদ্, সুওয়া‘আ, ইয়াগূছ, ইয়া‘ঊক ও নাস্‌রকে।

জহুরুল হক

আর তারা বলেছিল - - ''তোমাদের দেবদেবীকে কিছুতেই পরিত্যাগ করো না, আর পরিত্যাগ করো না ওয়াদকে, এবং সুওয়াকে না, আর নয় য়াগূস ও ইয়া'উক ও নসর - কে।’’

মুহিউদ্দীন খান

তারা বলছেঃ তোমরা তোমাদের উপাস্যদেরকে ত্যাগ করো না এবং ত্যাগ করো না ওয়াদ, সূয়া, ইয়াগুছ, ইয়াউক ও নসরকে।

আবদুস শহীদ নাসিম

(নূহ বলেছিল:) ‘প্রভু! তারা অনেক মানুষকে পথভ্রষ্ট করেছে। তুমি এই যালিমদেরকে গোমরাহি ছাড়া আর কিছুই বাড়িয়ে দিয়োনা।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘উহারা অনেককে বিভ্রান্ত করিয়াছে; সুতরাং জালিমদের বিভ্রান্তি ব্যতীত আর কিছুই বৃদ্ধি করিও না।’

জহুরুল হক

আর তারা অনেককে পথভ্রষ্ট করেই ফেলেছে। আর তুমি অন্যায়াচারীদের বিভ্রান্তি ছাড়া আর কিছুই বাড়াচ্ছ না!

মুহিউদ্দীন খান

অথচ তারা অনেককে পথভ্রষ্ট করেছে। অতএব আপনি জালেমদের পথভ্রষ্টতাই বাড়িয়ে দিন।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের অপরাধের জন্যে তাদের ডুবিয়ে দেয়া হলো পানিতে, অতপর তাদের দাখিল করা হবে জাহান্নামে। তারা আল্লাহকে ছাড়া আর কাউকে সাহায্যকারী পাবেনা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহাদের অপরাধের জন্য উহাদেরকে নিমজ্জিত করা হইয়াছিল এবং পরে উহাদেরকে দাখিল করা হইয়াছিল দোযখে, অতঃপর উহারা কাহাকেও ‌র মুকাবিলায় পায় নাই সাহায্যকারী।

জহুরুল হক

তাদের অপরাধের জন্য তাদের ডুবিয়ে দেওয়া হয়েছিল, ফলে তাদের ঢোকানো হয়েছিল আগুনে। সুতরাং তারা ‌কে বাদ দিয়ে তাদের জন্য কোনো সাহায্যকারী পায় নি।

মুহিউদ্দীন খান

তাদের গোনাহসমূহের দরুন তাদেরকে নিমজ্জিত করা হয়েছে, অতঃপর দাখিল করা হয়েছে জাহান্নামে। অতঃপর তারা তা’আলা ব্যতীত কাউকে সাহায্যকারী পায়নি।

আবদুস শহীদ নাসিম

নূহ বলেছিল: ‘‘আমার প্রভু! এদেশে কাফিরদের কোনো ঘরবাসীকে তুমি ছেড়ে দিয়োনা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

নূহ্ আরও বলিয়াছিল, ‘হে আমার প্রতিপালক ! পৃথিবীতে কাফিরগণের মধ্য হইতে কোন গৃহবাসীকে অব্যাহতি দিও না।

জহুরুল হক

আর নূহ্ বলেছিলেন - - ''আমার প্রভূ! এই পৃথিবীর বুকে অবিশ্বাসীদের মধ্যের এক গৃহবাসীকেও অব্যাহতি দিয়ো না।

মুহিউদ্দীন খান

নূহ আরও বললঃ হে আমার পালনকর্তা, আপনি পৃথিবীতে কোন গৃহবাসীকে রেহাই দিবেন না।

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি যদি তাদের রক্ষা করো, তারা তোমার বান্দাদের গোমরাহ্ করতে থাকবে এবং দুষ্কৃতকারী কাফিরই জন্ম দিতে থাকবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘তুমি উহাদেরকে অব্যাহতি দিলে উহারা তোমার বান্দাদেরকে পথভ্রষ্ট করিবে এবং জন্ম দিতে থাকিবে কেবল দুষ্কৃতিকারী ও ।

জহুরুল হক

''কেননা তুমি যদি তাদের অব্যাহতি দাও তাহলে তারা তোমার বান্দাদের বিভ্রান্ত করবে, আর তারা দুষ্কৃতিকারী বেঈমানদের ব্যতীত আর কারোর জন্ম দেবে না।

মুহিউদ্দীন খান

যদি আপনি তাদেরকে রেহাই দেন, তবে তারা আপনার বান্দাদেরকে পথভ্রষ্ট করবে এবং জন্ম দিতে থাকবে কেবল পাপাচারী, ।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমার প্রভু! তুমি ক্ষমা করে দাও আমাকে, আমার বাবা - মাকে আর হয়ে যারা আমার ঘরে প্রবেশ করবে তাদেরকে এবং সব পুরুষ ও নারীকে। যালিমদের তুমি ধ্বংস ছাড়া আর কিছু বাড়িয়ে দিয়োনা।’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘হে আমার প্রতিপালক ! তুমি ক্ষমা কর আমাকে, আমার পিতামাতাকে এবং যাহারা হইয়া আমার গৃহে প্রবেশ করে তাহাদেরকে এবং পুরুষ ও নারীদেরকে ; আর জালিমদের শুধু ধ্বংসই বৃদ্ধি কর।’

জহুরুল হক

''আমার প্রভূ! আমাকে পরিত্রাণ করো, আর আমার পিতামাতাকে, আর যে কেউ আমার ঘরে হয়ে প্রবেশ করে তাকে, আর বিশ্বাসীপুরুষদের ও বিশ্বাসিনীদের। আর অন্যায়াচারীদের আর কিছু বাড়িয়ো না নিপাত হওয়া ব্যতীত।’’

মুহিউদ্দীন খান

হে আমার পালনকর্তা! আপনি আমাকে, আমার পিতা - মাতাকে, যারা হয়ে আমার গৃহে প্রবেশ করে - তাদেরকে এবং পুরুষ ও নারীদেরকে ক্ষমা করুন এবং যালেমদের কেবল ধ্বংসই বৃদ্ধি করুন।

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme