Kitab

আত্ তাগাবুন (হারজিত)

Chapter 64, 18 verses

  • আবদুস শহীদ নাসিম
  • ইসলামিক ফাউন্ডেশন
  • জহুরুল হক
About this chapter


মদিনায় অবতীর্ণ, আয়াত সংখ্যা: ১৮, রুকু সংখ্যা: ০২

এই সূরার আলোচ্যসূচি

আয়াতআলোচ্য বিষয় ০১-০৭তাওহীদ ও পুনরুত্থানের যুক্তি। ০৮-১০ঈমান আনার আহবান। হাশরের দিন হবে হার জিতের দিন। ১১-১৩আল্লাহর নির্দেশ ছাড়া মসিবত আসেনা। মুমিনরা যেনো আল্লাহর উপর ভরসা করে। ১৪-১৮মুমিনদের স্বজন এবং সম্পদ পরীক্ষার বিষয়। সাফল্যের পথ তাকওয়া, আনুগত্য ও ইনফাক।
আবদুস শহীদ নাসিম

মহাকাশ ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে সবই তসবিহ্ করছে আল্লাহর। সর্বময় কর্তৃত্ব তাঁরই, আর সমস্ত প্রশংসাও তাঁরই এবং প্রতিটি বিষয়ে তিনি সর্বশক্তিমান।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে যাহা কিছু আছে সমস্তই ‌র পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করে, আধিপত্য তাঁহারই এবং প্রশংসা তাঁহারই; তিনি সর্ববিষয়ে সর্বশক্তিমান।

জহুরুল হক

‌রই জপতপ করছে যা - কিছু আছে মহাকাশমন্ডলে ও যা - কিছু আছে পৃথিবীতে, তাঁরই হচ্ছে সার্বভৌমত্ব ও তাঁরই সকল প্রশংসা, আর তিনি সব - কিছুর উপরে সর্বশক্তিমান।

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনিই তোমাদের সৃষ্টি করেছেন। তারপর তোমাদের মধ্যে হয়েছে কেউ আর কেউ হয়েছে । তোমরা যা করো তা আল্লাহর দৃষ্টিতেই রয়েছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তিনিই তোমাদেরকে সৃষ্টি করিয়াছেন, অতঃপর তোমাদের মধ্যে কেহ হয় এবং তোমাদের মধ্যে কেহ হয় । তোমরা যাহা কর ‌ তাহার সম্যক দ্রষ্টা।

জহুরুল হক

তিনিই সেইজন যিনি তোমাদের সৃষ্টি করেছেন, তারপর তোমাদের কেউ - কেউ অবিশ্বাসী ও তোমাদের কেউ - কেউ । আর তোমরা যা কর তার সম্যক দ্রষ্টা।

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনি মহাকাশ ও পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন সত্য ও যথাযথভাবে। তিনিই তোমাদের আকৃতি দিয়েছেন এবং তোমাদের আকৃতিকে সুন্দর করেছেন। তাঁরই কাছে হবে প্রত্যাবর্তন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তিনি সৃষ্টি করিয়াছেন আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী যথাযথভাবে এবং তোমাদেরকে আকৃতি দান করিয়াছেন - তোমাদের আকৃতি করিয়াছেন সুশোভন, এবং প্রত্যাবর্তন তো তাঁহারই নিকট।

জহুরুল হক

তিনি মহাকাশমন্ডল ও পৃথিবীকে সৃষ্টি করেছেন যথাযথভাবে, আর তিনি তোমাদের আকৃতি দিয়েছেন, তারপর তোমাদের আকৃতিকে কত সুন্দর করেছেন! আর তাঁরই কাছে শেষ - প্রত্যাবর্তন।

আবদুস শহীদ নাসিম

মহাকাশ এবং পৃথিবীতে যা কিছু আছে সবই তিনি জানেন। তোমরা যা গোপন করো এবং যা প্রকাশ করো তাও তিনি জানেন। আল্লাহ্ই অন্তরযামী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে যাহা কিছু আছে সমস্তই তিনি জানেন এবং তিনি জানেন তোমরা যাহা গোপন কর ও তোমরা যাহা প্রকাশ কর এবং তিনি অন্তর্যামী।

জহুরুল হক

মহাকাশমন্ডলীতে ও পৃথিবীতে যা - কিছু আছে তা তিনি জানেন, আর তিনি জানেন যা তোমরা লুকোও ও যা তোমরা প্রকাশ কর। আর অন্তরের ভেতরে যা আছে সে - সন্বন্ধেও তিনি সর্বজ্ঞাতা।

আবদুস শহীদ নাসিম

আগেকার কাফিরদের বার্তা কি তোমাদের কাছে পৌঁছেনি? তারা তাদের কর্মকান্ডের প্রতিফল ভোগ করেছে। তাছাড়াও তাদের জন্যে রয়েছে বেদনাদায়ক আযাব।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমাদের নিকট কি পৌঁছে নাই পূর্ববর্তী কাফিরদের বৃত্তান্ত? উহারা উহাদের কর্মের মন্দ ফল আস্বাদন করিয়াছিল এবং উহাদের জন্য রহিয়াছে মর্মন্তুদ শাস্তি।

জহুরুল হক

তোমাদের কাছে কি তাদের সংবাদ পেছেনি যাঁরা ইতিপূর্বে অবিশ্বাস পোষণ করেছিল, তারপর তাদের কাজের শাস্তি আস্বাদন করেছিল? আর তাদের জন্য রয়েছে মর্মন্তুদ শাস্তি।

আবদুস শহীদ নাসিম

এর কারণ, তাদের কাছে তাদের রসূলরা এসেছিল সুস্পষ্ট নিদর্শনাবলি নিয়ে। কিন্তু তারা বলেছিল: ‘আমাদেরকে সঠিক পথের সন্ধান দেবে কি একজন মানুষ!’ ফলে তারা কুফুরি করে এবং মুখ ফিরিয়ে নেয়। কিন্তু এতে আল্লাহর কিছুই আসে যায়না। প্রাচুর্যশীল সপ্রশংসিত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহা এইজন্য যে, উহাদের নিকট উহাদের রাসূলগণ স্পষ্ট নিদর্শনসহ আসিত তখন উহারা বলিত, ‘মানুষই কি আমাদেরকে পথের সন্ধান দিবে?’ অতঃপর উহারা করিল ও মুখ ফিরিয়ে লইল। কিন্তু ইহাতে ‌র কিছু আসে যায় না ; ‌ অভাবমুক্ত, প্রশংসার্হ।

জহুরুল হক

এটি এইজন্য যে তাদের কাছে তাদের রসুলগণ আসতেছিলেন সুস্পষ্ট প্রমাণাবলী নিয়ে, কিন্ত তারা বলত - - ''মানুষই বুঝি আমাদের পথ দেখাবে?’’ সুতরাং তারা অবিশ্বাস করল ও ফিরে গেল, অথচ বেপরোয়া রয়েছেন। আর স্বয়ংসমৃদ্ধ প্রশংসার্হ।

আবদুস শহীদ নাসিম

অবিশ্বাসীরা ধারণা করছে, তাদেরকে কখনো পুনরুত্থিত করা হবেনা! তুমি বলো: ‘‘হ্যাঁ, আমার প্রভুর শপথ, অবশ্যি তোমাদের পুনরুত্থিত করা হবে। তারপর তোমাদের অবশ্যি অবহিত করা হবে সেসব (অপ)কর্ম, যা তোমরা (পৃথিবীর জীবনে) করতে। এ কাজ আল্লাহর জন্যে খুবই সহজ।’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কাফিররা ধারণা করে যে, উহারা কখনও পুনরুত্থিত হইবে না। বল, ‘নিশ্চয়ই হইবে, আমার প্রতিপালকের শপথ! তোমরা অবশ্যই পুনরুত্থিত হইবে। অতঃপর তোমরা যাহা করিতে তোমাদেরকে সে সম্বন্ধে অবশ্যই অবহিত করা হইবে। ইহা ‌র পক্ষে সহজ।’

জহুরুল হক

যারা অবিশ্বাস পোষণ করে তারা ধরে নিয়েছে যে তাদের কখনো তোলা হবে না। বলো - - ''হাঁ, আমার প্রভুর কসম, অতি - অবশ্য তোমাদের তোলা হবে, তারপর তোমাদের অবশ্যই জানানো হবে যা তোমরা করেছিলে।’’ আর এইটি ‌র পক্ষে সহজ।

আবদুস শহীদ নাসিম

সুতরাং তোমরা ঈমান আনো আল্লাহর প্রতি, তাঁর রসূলের প্রতি এবং আমাদের নাযিল করা নূরের প্রতি। তোমরা যা করো সে বিষয়ে খবর রাখেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতএব তোমরা ‌, তাঁহার রাসূল ও যে জ্যোতি আমি অবতীর্ণ করিয়াছি তাহাতে বিশ্বাস স্থাপন কর। তোমাদের কৃতকর্ম সম্পর্কে ‌ সবিশেষ অবহিত।

জহুরুল হক

অতএব তোমরা ‌তে বিশ্বাস করো, আর তাঁর রসূলে ও সেই আলোকে যা আমরা অবতারণ করেছি। আর তোমরা যা করছ সে - সম্পর্কে পূর্ণ - ওয়াকিফহাল।

আবদুস শহীদ নাসিম

যেদিন তিনি তোমাদের জমা করবেন জমায়েতের দিন, সেটাই হবে হারজিতের দিন। যে কেউ ঈমান আনবে আল্লাহর প্রতি এবং আমলে সালেহ্ করবে, তার থেকে মুছে দেয়া হবে তার পাপসমূহ এবং তাকে দাখিল করা হবে জান্নাতে, যার নিচে দিয়ে বহমান থাকবে নদ নদী নহর। চিরকাল থাকবে তারা সেখানে স্থায়ীভাবে। এটাই মহাসাফল্য।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

স্মরণ কর, যেদিন তিনি তোমাদেরকে সমবেত করিবেন সমাবেশ দিবসে সেদিন হইবে লাভ - লোকসানের দিন। যে ব্যক্তি আল্লাহে বিশ্বাস করে ও সৎকর্ম করে তিনি তাহার পাপ মোচন করিবেন এবং তাহাকে দাখিল করিবেন জান্নাতে ; যাহার পাদদেশে নদী প্রবাহিত, সেখানে তাহারা হইবে চিরস্থায়ী। ইহাই মহাসাফল্য।

জহুরুল হক

সেইদিন তিনি তোমাদের সমবেত করবেন জমায়েৎ করার দিনের জন্যে - - এইটিই মোহ - অপসারণের দিন। আর যে কেউ ‌তে বিশ্বাস করে এবং সৎকর্ম সম্পাদন করে, তিনি তার থেকে তার সব পাপ মোচন করে দেবেন এবং তাকে প্রবেশ করাবেন স্বর্গোউদ্যানসমূহে যাদের নিচে দিয়ে বয়ে চলেছে ঝরনারাজি, সেখানে তারা অবস্থান করবে চিরকাল। এইটি এক বিরাট সাফল্য।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর যারা কুফুরি করবে এবং প্রত্যাখ্যান করবে আমাদের আয়াত, তারাই হবে আগুনের অধিবাসী, চিরকাল থাকবে তারা সেখানে। আর সেটা কতো যে নিকৃষ্ট ফিরে যাবার জায়গা!

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কিন্তু যাহারা করে এবং আমার নিদর্শনসমূহকে অস্বীকার করে তাহারাই জাহান্নামের অধিবাসী, সেখানে তাহারা স্থায়ী হইবে। কত মন্দ সেই প্রত্যাবর্তনস্থল!

জহুরুল হক

আর যারা অবিশ্বাস পোষণ করে এবং আমাদের নির্দেশাবলী প্রত্যাখ্যান করে, তারাই হচ্ছে আগুনের বাসিন্দা - - তারা সেখানেই অবস্থান করবে। আর কত মন্দ সেই গন্তব্যস্থান!

আবদুস শহীদ নাসিম

কোনো মসিবতই আসেনা আল্লাহর অনুমতি ছাড়া। আর যে কেউ ঈমান আনবে আল্লাহর প্রতি, তার অন্তরকে পরিচালিত করবেন সঠিক পথে। প্রতিটি বিষয়ে জ্ঞানী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌র অনুমতি ব্যতিরেকে কোন বিপদই আপতিত হয় না এবং যে ‌কে বিশ্বাস করে তিনি তাহার অন্তরকে সুপথে পরিচালিত করেন। ‌ সর্ববিষয়ে সম্যক অবহিত।

জহুরুল হক

কোনো বিপদ আপতিত হয় না ‌র অনুমতি ব্যতীত। আর যে কেউ ‌তে বিশ্বাস করে তিনি তার হৃদয়কে সুপথে চালিত করেন। আর সব - কিছু সন্বন্ধে সর্বজ্ঞাতা।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা আনুগত্য করো আল্লাহর, আনুগত্য করো এই রসূলের, যদি মুখ ফিরিয়ে নাও, তবে জেনে রাখো, আমাদের রসূলের দায়িত্ব কেবল স্পষ্টভাবে বার্তা পৌঁছে দেয়া।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমরা ‌র আনুগত্য কর এবং রাসূলের আনুগত্য কর ; যদি তোমরা মুখ ফিরাইয়া লও, তবে আমার রাসূলের দায়িত্ব কেবল স্পষ্টভাবে প্রচার করা।

জহুরুল হক

আর ‌র আজ্ঞাপালন করো ও রসূলকে মেনে চলো; কিন্ত যদি তোমরা ফিরে যাও তাহলে আমাদের রসূলের উপরে কেবল সুস্পষ্টভাবে পৌঁছে দেওয়া।

আবদুস শহীদ নাসিম

, তিনি ছাড়া কোনো ইলাহ্ নেই। মুমিনরা আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল করুক।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌, তিনি ব্যাতিত অন্য কোন ইলাহ্‌ নাই। সুতরাং মু’মিনগন ‌র উপর নির্ভর করুক।

জহুরুল হক

- - তিনি ব্যতীত অন্য উপাস্য নেই। সুতরাং ‌র উপরেই তবে মুমিনরা নির্ভর করুক।

আবদুস শহীদ নাসিম

হে লোকেরা! নিশ্চয়ই তোমাদের স্ত্রী ও সন্তানদের মধ্যে রয়েছে তোমাদের শত্রু, সুতরাং তাদের ব্যাপারে সতর্ক থাকো। আর যদি তাদের মাফ করে দাও, তাদের দোষত্রুটি উপেক্ষা করো এবং তাদের ক্ষমা করে দাও তবে অবশ্যি পরম ক্ষমাশীল, দয়াবান।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘হে মু’মিনগণ! তোমাদের স্ত্রী ও সন্তান - সন্ততিদের মধ্যে কেহ কেহ তোমাদের শত্রু ; অতএব তাহাদের সম্পর্কে তোমরা সতর্ক থাকিও। তোমরা যদি উহাদেরকে মার্জনা কর, উহাদের দোষত্রুটি উপেক্ষা কর এবং উহাদেরকে ক্ষমা কর, তবে জানিয়া রাখ, ‌ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।

জহুরুল হক

ওহে যারা ঈমান এনেছ! নিশ্চয় তোমাদের কোনো - কোনো স্ত্রীরা ও তোমাদের ছেলেমেয়েরা তোমাদের শত্রু, অতএর তাদের ক্ষেত্রে হুশিয়াঁর হও। কিন্ত যদি তোমরা মাফ করে দাও ও উপেক্ষা কর ও উদ্ধার কর, তাহলে পরিত্রাণকারী, অফুরন্ত ফলদাতা।

আবদুস শহীদ নাসিম

নিশ্চয়ই তোমাদের মাল সম্পদ ও সন্তান - সন্ততি একটি পরীক্ষা, আর আল্লাহর কাছেই রয়েছে মহাপুরস্কার।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমাদের সম্পদ ও সন্তান - সন্ততি তো পরীক্ষাবিশেষ ; আর ‌, তাঁহারই নিকট রহিয়াছে মহাপুরস্কার।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ তোমাদের ধনদৌলত ও তোমাদের সন্তানসন্ততি তো এক পরীক্ষা। আর ‌, তাঁরই কাছে রয়েছে বিরাট প্রতিদান।

আবদুস শহীদ নাসিম

অতএব, তোমরা আল্লাহকে ভয় করো তোমাদের সাধ্যমতো এবং শুনো, মেনে নাও আর খরচ করো (আল্লাহর পথে), এটাই তোমাদের নিজেদের জন্যে কল্যাণকর। যারা মনের সংকীর্ণতা থেকে মুক্ত হয়, তারাই অর্জন করে সফলতা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমরা ‌কে যথাসাধ্য ভয় কর, এবং শোন, আনুগত্য কর ও ব্যয় কর তোমাদের নিজেদেরই কল্যাণের জন্য ; যাহারা অন্তরের কার্পণ্য হইতে মুক্ত ; তাহারাই ।

জহুরুল হক

অতএব ‌কে ভয়ভক্তি করো যতটা তোমরা সক্ষম হও, আর শোনো, আর আজ্ঞাপালন করো, আর ব্যয় করো, - - এ তোমাদের নিজেদের জন্য কল্যাণময়। আর যে কেউ তার অন্তরের লোভ - লালসা থেকে সংযত রাখে তারাই তবে খোদ হয়।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা যদি আল্লাহকে করজে হাসানা (উত্তম ঋণ) দাও, তিনি তা তোমাদের জন্যে বহুগুণে বৃদ্ধি করে ফেরত দেবেন, তোমাদের ক্ষমা করে দেবেন। অবশ্যি গুণগ্রাহী, ধৈর্যশীল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যদি তোমরা ‌কে উত্তম ঋণ দান কর তিনি তোমাদের জন্য উহা বহুগুণ বৃদ্ধি করিবেন এবং তোমাদেরকে ক্ষমা করিবেন। ‌ গুণগ্রাহী, ধৈর্যশীল।

জহুরুল হক

যদি তোমরা ‌কে কর্জ দাও এক উত্তম কর্জ, তিনি সেটি তোমাদের জন্য বহু - গুণিত করে দেবেন, আর তিনি তোমাদের পরিত্রাণ করবেন। আর গুণগ্রাহী, অতি অমায়িক।

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনি ও দৃশ্যের জ্ঞানী, মহাপরাক্রমশীল, মহাপ্রজ্ঞাবান।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তিনি দৃশ্য ও অদৃশ্যের পরিজ্ঞাতা, পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।

জহুরুল হক

তিনি ও দৃশ্যের পরিজ্ঞাতা, মহাশক্তিশালী, পরমজ্ঞানী।

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme