Kitab

আয্ যারিয়াত (উড়ন্ত অণু বা ধূলা)

Chapter 51, 60 verses

  • আবদুস শহীদ নাসিম
  • ইসলামিক ফাউন্ডেশন
  • সমকালীন বাংলা
  • মুহিউদ্দীন খান
About this chapter


মক্কায় অবতীর্ণ, আয়াত সংখ্যা: ৬০, রুকু সংখ্যা: ০৩

এই সূরার আলোচ্যসূচি

আয়াতআলোচ্য বিষয় ০১-২৩প্রতিদান দিবস অবশ্যই আসবে। সন্দেহ পোষণকারীরা অবশ্যই শাস্তি ভোগ করবে। মহত গুণের অধিকারী মুত্তাকিরা অবশ্যই জান্নাতে যাবে। ২৪-৪৬নবীদের দাওয়াত প্রত্যাখ্যানকারীদের ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে। ৪৭-৫১আল্লাহ্ মহাকাশের পরিধি বৃদ্ধি করে চলেছেন। প্রতিটি জিনিসকে তিনি সৃষ্টি করেছেন জোড়ায় জোড়ায় । তাঁর কোনো শরিক নেই। ৫২-৫৫অতীতের সব রসূলকেই ম্যাজিসিয়ান কিংবা পাগল বলা হয়েছে। উপদেশ দিয়ে যাও, উপদেশ মুমিনদের জন্য উপকারি। ৫৬-৬০জিন ও মানুষ সৃষ্টি করা হয়েছে আল্লাহর দাসত্ব করার জন্য। প্রতিশ্রুত দিনটিতে কাফিরদের জন্য হবে ধ্বংস।
আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ অণু ঝড়ের,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

শপথ ধূলিঝঞ্ঝার,

সমকালীন বাংলা

পরম দয়ালু, পরম ক্ষমাশীল আল্লাহর নামে; শপথ ধূলিঝঞ্ঝার,

মুহিউদ্দীন খান

কসম ঝঞ্ঝাবায়ুর।

আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ ভারি পানি বহনকারী মেঘমালার,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

শপথ বোঝা বহনকারী মেঘপুঞ্জের,

সমকালীন বাংলা

শপথ বোঝা বহনকারী মেঘপুঞ্জের,

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর বোঝা বহনকারী মেঘের।

আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ সহজ গতির নৌযানের,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

শপথ স্বচ্ছন্দগতি নৌযানের,

সমকালীন বাংলা

শপথ স্বচ্ছন্দগতি নৌযানের,

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর মৃদু চলমান জলযানের,

আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ কাজ বণ্টনকারী (ফেরেশতা)দের,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

শপথ কর্ম বণ্টনকারী ফিরিশ্‌তাগণের -

সমকালীন বাংলা

শপথ কর্ম বণ্টনকারী ফিরিশ্তাগণের -

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর কর্ম বন্টনকারী ফেরেশতাগণের,

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমাদের যে ওয়াদা দেয়া হয়েছে তা অবশ্য অবশ্যি সত্য।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমাদেরকে প্রদত্ত প্রতিশ্রুতি অবশ্যই সত্য।

সমকালীন বাংলা

তোমাদেরকে প্রদত্ত প্রতিশ্রুতি অবশ্যই সত্য।

মুহিউদ্দীন খান

তোমাদের প্রদত্ত ওয়াদা অবশ্যই সত্য।

আবদুস শহীদ নাসিম

প্রতিফল দিবস অবশ্যি সংঘটিত হবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কর্মফল দিবস অবশ্যম্ভাবী।

সমকালীন বাংলা

কর্মফল দিবস অবশ্যম্ভাবী।

মুহিউদ্দীন খান

ইনসাফ অবশ্যম্ভাবী।

আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ অনেক পথ বিশিষ্ট আসমানের,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

শপথ বহু পথবিশিষ্ট আকাশের,

সমকালীন বাংলা

শপথ বহু পথবিশিষ্ট আকাশের,

মুহিউদ্দীন খান

পথবিশিষ্ট আকাশের কসম,

আবদুস শহীদ নাসিম

নিশ্চয়ই তোমরা লিপ্ত (আল্লাহর রসূল ও কুরআন সম্পর্কে) পরস্পর বিরোধী কথাবার্তায়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমরা তো পরস্পর বিরোধী কথায় লিপ্ত।

সমকালীন বাংলা

তোমরা তো পরস্পর বিরোধী কথায় লিপ্ত।

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা তো বিরোধপূর্ণ কথা বলছ।

আবদুস শহীদ নাসিম

তা থেকে (কুরআন থেকে) মুখ ফিরিয়ে নেয় তো ঐ ব্যক্তি যে সত্যভ্রষ্ট।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যে ব্যক্তি সত্যভ্রষ্ট সে - ই উহা পরিত্যাগ করে,

সমকালীন বাংলা

যে ব্যক্তি সত্যভ্রষ্ট সে - ই উহা পরিত্যাগ করে,

মুহিউদ্দীন খান

যে ভ্রষ্ট, সেই এ থেকে মুখ ফিরায়,

আবদুস শহীদ নাসিম

মিথ্যাবাদীরা মারা পড়েছে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অভিশপ্ত হউক মিথ্যাচারীরা,

সমকালীন বাংলা

অভিশপ্ত হউক মিথ্যাচারীরা,

মুহিউদ্দীন খান

অনুমানকারীরা ধ্বংস হোক,

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা নিমজ্জিত অজ্ঞতা আর উদাসীনতায়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা অজ্ঞ ও উদাসীন!

সমকালীন বাংলা

যাহারা অজ্ঞ ও উদাসীন!

মুহিউদ্দীন খান

যারা উদাসীন, ভ্রান্ত।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা তোমাকে জিজ্ঞাসা করে, কবে আসবে প্রতিদান দিবস?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা জিজ্ঞাসা করে, ‘কর্মফল দিবস কবে হইবে?’

সমকালীন বাংলা

উহারা জিজ্ঞাসা করে, ‘কর্মফল দিবস কবে হইবে?’

মুহিউদ্দীন খান

তারা জিজ্ঞাসা করে, কেয়ামত কবে হবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

সেদিন আসবে প্রতিদান দিবস, যেদিন তাদের শাস্তি দেয়া হবে জাহান্নামে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বল, ‘সেই দিন যখন উহাদেরকে শাস্তি দেওয়া হইবে অগ্নিতে।’

সমকালীন বাংলা

বল, ‘সেই দিন যখন উহাদেরকে শাস্তি দেওয়া হইবে অগ্নিতে।’

মুহিউদ্দীন খান

যেদিন তারা অগ্নিতে পতিত হবে,

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা আস্বাদন করো তোমাদের শাস্তি। এই আযাবই তোমরা দ্রুত চেয়েছিলে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘তোমরা তোমাদের শাস্তি আস্বাদন কর, তোমরা এই শাস্তিই ত্বরান্বিত করিতে চাহিয়াছিলে।’

সমকালীন বাংলা

তোমরা তোমাদের শাস্তি আস্বাদন কর, তোমরা এই শাস্তিই ত্বরান্নিত করিতে চাহিয়াছিলে।’

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা তোমাদের শাস্তি আস্বাদন কর। তোমরা একেই ত্বরান্বিত করতে চেয়েছিল।

আবদুস শহীদ নাসিম

মুত্তাকিরা থাকবে জান্নাতে আর ঝরণা ধারায়,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সেদিন নিশ্চয়ই মুত্তাকীরা থাকিবে প্রস্রবণ - বিশিষ্ট জান্নাতে,

সমকালীন বাংলা

সেদিন নিশ্চয়ই মুত্তাকীরা থাকিবে প্রস্রবণ - বিশিষ্ট জান্নাতে,

মুহিউদ্দীন খান

খোদাভীরুরা জান্নাতে ও প্রস্রবণে থাকবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা সেখানে উপভোগ করবে তাদের প্রভুর দেয়া নিয়ামতরাজি। কারণ ইতোপূর্বে (পৃথিবীর জীবনে) তারা ছিলো কল্যাণপরায়ণ পুণ্যবান।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উপভোগ করিবে তাহা যাহা তাহাদের প্রতিপালক তাহাদেরকে দিবেন; কারণ পার্থিব জীবনে তাহারা ছিল সৎকর্মপরায়ণ,

সমকালীন বাংলা

উপভোগ করিবে তাহা যাহা তাহাদের প্রতিপালক তাহাদেরকে দিবেন; কারণ পার্থিব জীবনে তাহারা ছিল সৎকর্মপরায়ণ,

মুহিউদ্দীন খান

এমতাবস্থায় যে, তারা গ্রহণ করবে যা তাদের পালনকর্তা তাদেরকে দেবেন। নিশ্চয় ইতিপূর্বে তারা ছিল সৎকর্মপরায়ণ,

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা রাতের সামান্য অংশই ব্যয় করতো নিদ্রায়,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহারা রাত্রির সামান্য অংশই অতিবাহিত করিত নিদ্রায়,

সমকালীন বাংলা

তাহারা রাত্রির সামান্য অংশই অতিবাহিত করিত নিদ্রায়,

মুহিউদ্দীন খান

তারা রাত্রির সামান্য অংশেই নিদ্রা যেত,

আবদুস শহীদ নাসিম

শেষ রাতে তারা ক্ষমা প্রার্থনা করতো,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

রাত্রির শেষ প্রহরে তাহারা ক্ষমা প্রার্থনা করিত,

সমকালীন বাংলা

রাত্রির শেষ প্রহরে তাহারা ক্ষমা প্রার্থনা করিত,

মুহিউদ্দীন খান

রাতের শেষ প্রহরে তারা ক্ষমাপ্রার্থনা করত,

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের অর্থ - সম্পদে ছিলো অধিকার সাহায্যপ্রার্থী এবং বঞ্চিতদের।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং তাহাদের ধন - সম্পদে রহিয়াছে অভাবগ্রস্ত ও বঞ্চিতের হক।

সমকালীন বাংলা

এবং তাহাদের ধন - সম্পদে রহিয়াছে অভাবগ্রস্ত ও বঞ্চিতের হক।

মুহিউদ্দীন খান

এবং তাদের ধন - সম্পদে প্রার্থী ও বঞ্চিতের হক ছিল।

আবদুস শহীদ নাসিম

পৃথিবীতেই রয়েছে নিদর্শন বিশ্বাসীদের জন্যে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

নিশ্চিত বিশ্বাসীদের জন্য নিদর্শন রহিয়াছে ধরিত্রীতে

সমকালীন বাংলা

নিশ্চিত বিশ্বাসীদের জন্য নিদর্শন রহিয়াছে ধরিত্রীতে

মুহিউদ্দীন খান

বিশ্বাসকারীদের জন্যে পৃথিবীতে নিদর্শনাবলী রয়েছে,

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং তোমাদের নিজেদের মধ্যেও। তোমরা কি ভেবে দেখবে না?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং তোমাদের মধ্যেও। তোমরা কি অনুধাবন করিবে না?

সমকালীন বাংলা

এবং তোমাদের মধ্যেও। তোমরা কি অনুধাবন করিবে না?

মুহিউদ্দীন খান

এবং তোমাদের নিজেদের মধ্যেও, তোমরা কি অনুধাবন করবে না?

আবদুস শহীদ নাসিম

আর তোমাদের জীবিকা রয়েছে আসমানে এবং তোমাদের যা কিছুর ওয়াদা দেয়া হয়েছে সেগুলোও।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আকাশে রহিয়াছে তোমাদের রিযিক ও প্রতিশ্রুতি সমস্ত কিছু।

সমকালীন বাংলা

আকাশে রহিয়াছে তোমাদের রিযিক ও প্রতিশ্রুতি সমস্ত কিছু।

মুহিউদ্দীন খান

আকাশে রয়েছে তোমাদের রিযিক ও প্রতিশ্রুত সবকিছু।

আবদুস শহীদ নাসিম

আকাশ ও পৃথিবীর প্রভুর শপথ, তোমাদের পারস্পরিক কথাবার্তার মতোই এ (কুরআন) এক মহাসত্য।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আকাশ ও পৃথিবীর প্রতিপালকের শপথ! অবশ্যই তোমাদের বাক্‌স্ফূর্তির মতই এই সকল সত্য।

সমকালীন বাংলা

আকাশ ও পৃথিবীর প্রতিপালকের শপথ! অবশ্যই তোমাদের বাক্স্ফূর্তির মতই এই সকল সত্য।

মুহিউদ্দীন খান

নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের পালনকর্তার কসম, তোমাদের কথাবার্তার মতই এটা সত্য।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমার কাছে কি এসেছে ইবরাহিমের সম্মানিত মেহমানদের ঘটনা?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমার নিকট ইব্‌রাহীমের সম্মানিত মেহমানদের বৃত্তান্ত আসিয়াছে কি?

সমকালীন বাংলা

তোমার নিকট ইব্রাহীমের সম্মানিত মেহমানদের বৃত্তান্ত আসিয়াছে কি?

মুহিউদ্দীন খান

আপনার কাছে ইব্রাহীমের সম্মানিত মেহমানদের বৃত্তান্ত এসেছে কি?

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা যখন তার ঘরে প্রবেশ করেছিল, বলেছিল: ‘সালাম।’ জবাবে সেও বলেছিল: ‘সালাম।’ সে আরো বলেছিল: আপনারা তো অপরিচিত লোক!’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যখন উহারা তাহার নিকট উপস্থিত হইয়া বলিল, ‘সালাম’। উত্তরে সে বলিল,‘সালাম’। ইহারা তো অপরিচিত লোক।

সমকালীন বাংলা

যখন উহারা তাহার নিকট উপস্থিত হইয়া বলিল, ‘সালাম’। উত্তরে সে বলিল,‘সালাম’। ইহারা তো অপরিচিত লোক।

মুহিউদ্দীন খান

যখন তারা তাঁর কাছে উপস্থিত হয়ে বললঃ সালাম, তখন সে বললঃ সালাম। এরা তো অপরিচিত লোক।

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন সে তার পরিবারের (স্ত্রীর) কাছে ছুটে গেলো এবং একটি মাংসল গো - ভুনা করে নিয়ে এলো।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর ইব্‌রাহীম তাহার স্ত্রীর নিকট গেল এবং একটি মাংসল গো - বৎস ভাজা লইয়া আসিল

সমকালীন বাংলা

অতঃপর ইব্রাহীম তাহার স্ত্রীর নিকট গেল এবং একটি মাংসল গো - বৎস ভাজা লইয়া আসিল

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর সে গ্রহে গেল এবং একটি ঘৃতেপক্ক মোটা গোবৎস নিয়ে হাযির হল।

আবদুস শহীদ নাসিম

সেটি তাদের কাছে রাখলো। তারপর বললো: ‘আপনারা খাচ্ছেন না যে?’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ও তাহাদের সামনে রাখিল এবং বলিল, ‘তোমরা খাইতেছ না কেন?’

সমকালীন বাংলা

ও তাহাদের সামনে রাখিল এবং বলিল, ‘তোমরা খাইতেছ না কেন?’

মুহিউদ্দীন খান

সে গোবৎসটি তাদের সামনে রেখে বললঃ তোমরা আহার করছ না কেন?

আবদুস শহীদ নাসিম

এতে করে তাদের ব্যাপারে তার মনে ভয়ের সঞ্চার হয়। তখন তারা বললো: ‘আপনি ভয় পাবেন না।’ তারা তাকে সুসংবাদ দিলো এক জ্ঞানী পুত্র সন্তানের।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহাতে উহাদের সম্পর্কে তাহার মনে ভীতির সঞ্চার হইল। উহারা বলিল, ‘ভীত হইও না।’ অতঃপর উহারা তাহাকে এক জ্ঞানী পুত্র সন্তানের সুসংবাদ দিল।

সমকালীন বাংলা

ইহাতে উহাদের সম্পর্কে তাহার মনে ভীতির সঞ্চার হইল। উহারা বলিল, ‘ভীত হইও না।’ অতঃপর উহারা তাহাকে এক জ্ঞানী পুত্র সন্তানের সুসংবাদ দিল।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর তাদের সম্পর্কে সে মনে মনে ভীত হলঃ তারা বললঃ ভীত হবেন না। তারা তাঁকে একট জ্ঞানীগুণী পুত্র সন্তানের সুসংবাদ দিল।

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন তার স্ত্রী চীৎকার করতে করতে সামনে এগিয়ে এলো এবং গাল চাপড়িয়ে বললো: ‘এই বৃদ্ধার সন্তান হবে?’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তখন তাহার স্ত্রী চিৎকার করিতে করিতে সম্মুখে আসিল এবং গাল চাপড়াইয়া বলিল, ‘এই বৃদ্ধ - বন্ধ্যার সন্তান হইবে!’

সমকালীন বাংলা

তখন তাহার স্ত্রী চিৎকার করিতে করিতে সম্মুখে আসিল এবং গাল চাপড়াইয়া বলিল, ‘এই বৃদ্ধ বন্ধ যার সন্তান হইবে!’

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর তাঁর স্ত্রী চীৎকার করতে করতে সামনে এল এবং মুখ চাপড়িয়ে বললঃ আমি তো বৃদ্ধা, বন্ধ্যা।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা বললো: ‘আপনার প্রভু একথাই বলেছেন, তিনি প্রজ্ঞাবান সর্বজ্ঞানী।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহারা বলিল, ‘তোমার প্রতিপালক এইরূপই বলিয়াছেন ; তিনিই প্রজ্ঞাময়, সর্বজ্ঞ।’

সমকালীন বাংলা

তাহারা বলিল, ‘তোমার প্রতিপালক এইরূপই বলিয়াছেন ; তিনিই প্রজ্ঞাময়, সর্বজ্ঞ।’

মুহিউদ্দীন খান

তারা বললঃ তোমার পালনকর্তা এরূপই বলেছেন। নিশ্চয় তিনি প্রজ্ঞাময়, সর্বজ্ঞ।

আবদুস শহীদ নাসিম

ইবরাহিম বললো: ‘হে প্রেরিত ফেরেশতারা! আপনারা বিশেষ কী দায়িত্ব নিয়ে এসেছেন?’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইব্‌রাহীম বলিল, ‘হে ফিরিশ্‌তাগণ! তোমাদের বিশেষ কাজ কী?’

সমকালীন বাংলা

ইব্রাহীম বলিল, ‘হে ফিরিশ্তাগণ! তোমাদের বিশেষ কাজ কী?’

মুহিউদ্দীন খান

ইব্রাহীম বললঃ হে প্রেরিত ফেরেশতাগণ, তোমাদের উদ্দেশ্য কি?

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা বললো: ‘‘আমাদের পাঠানো হয়েছে অপরাধী (লুত) সম্প্রদায়ের প্রতি

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা বলিল, ‘আমাদেরকে এক অপরাধী সম্প্রদায়ের প্রতি প্রেরণ করা হইয়াছে।

সমকালীন বাংলা

উহারা বলিল, ‘আমাদেরকে এক অপরাধী সম্প্রদায়ের প্রতি প্রেরণ করা হইয়াছে।

মুহিউদ্দীন খান

তারা বললঃ আমরা এক অপরাধী সম্প্রদায়ের প্রতি প্রেরিত হয়েছি,

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের উপর পোড়া মাটির ঢিল নিক্ষেপ করার জন্যে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘উহাদের উপর নিক্ষেপ করিবার জন্য মাটির শক্ত ঢেলা,

সমকালীন বাংলা

‘উহাদের উপর নিক্ষেপ করিবার জন্য মাটির শক্ত ঢেলা,

মুহিউদ্দীন খান

যাতে তাদের উপর মাটির ঢিলা নিক্ষেপ করি।

আবদুস শহীদ নাসিম

সেগুলো সীমালংঘনকারীদের জন্যে চিহ্নিত আপনার প্রভুর পক্ষ থেকে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘যাহা সীমালংঘনকারীদের জন্য চিহ্নিত তোমার প্রতিপালকের নিকট হইতে।’

সমকালীন বাংলা

‘যাহা সীমালংঘনকারীদের জন্য চিহ্নিত তোমার প্রতিপালকের নিকট হইতে।’

মুহিউদ্দীন খান

যা সীমাতিক্রমকারীদের জন্যে আপনার পালনকর্তার কাছে চিহ্নিত আছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

সেখানে যারা ছিলো তাদেরকে আমরা বের করে এনেছিলাম,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সেখানে যেসব ছিল আমি তাহাদেরকে উদ্ধার করিয়াছিলাম,

সমকালীন বাংলা

সেখানে যেসব ছিল আমি তাহাদেরকে উদ্ধার করিয়াছিলাম,

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর সেখানে যারা ছিল, আমি তাদেরকে উদ্ধার করলাম।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর সেখানে আমরা একটির বেশি মুসলিম পরিবার পাইনি।’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর সেখানে আমি একটি পরিবার ব্যতীত কোন আত্মসর্মপণকারী পাই নাই।

সমকালীন বাংলা

আর সেখানে আমি একটি পরিবার ব্যতীত কোন আত্মসর্মপণকারী পাই নাই।

মুহিউদ্দীন খান

এবং সেখানে একটি গৃহ ব্যতীত কোন মুসলমান আমি পাইনি।

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা যন্ত্রণাদায়ক আযাবকে ভয় করে, তাদের জন্যে আমরা সেখানে একটি নিদর্শন রেখেছি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা মর্মন্তুদ শাস্তিকে ভয় করে আমি তাহাদের জন্য উহাতে একটি নিদর্শন রাখিয়াছি।

সমকালীন বাংলা

যাহারা মর্মন্তুদ শাস্তিকে ভয় করে আমি তাহাদের জন্য উহাতে একটি নিদর্শন রাখিয়াছি।

মুহিউদ্দীন খান

যারা যন্ত্রণাদায়ক শাস্তিকে ভয় করে, আমি তাদের জন্যে সেখানে একটি নিদর্শন রেখেছি।

আবদুস শহীদ নাসিম

নিদর্শন রেখেছি আমরা মূসার ঘটনাতেও, যখন আমরা তাকে পাঠিয়েছিলাম ফেরাউনের কাছে সুস্পষ্ট প্রমাণ নিয়ে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং নিদর্শন রাখিয়াছি মূসার বৃত্তান্তে, যখন আমি তাহাকে স্পষ্ট প্রমাণসহ ফির‘আওনের নিকট প্রেরণ করিয়া - ছিলাম,

সমকালীন বাংলা

এবং নিদর্শন রাখিয়াছি মূসার বৃত্তান্তে, যখন আমি তাহাকে স্পষ্ট প্রমাণসহ ফির‘আওনের নিকট প্রেরণ করিয়া - ছিলাম,

মুহিউদ্দীন খান

এবং নিদর্শন রয়েছে মূসার বৃত্তান্তে; যখন আমি তাকে সুস্পষ্ট প্রমাণসহ ফেরাউনের কাছে প্রেরণ করেছিলাম।

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন সে (ফেরাউন) ক্ষমতার দম্ভে মুখ ফিরিয়ে নিয়ে বলেছিল: ‘এতো একজন ম্যাজেসিয়ান, কিংবা পাগল।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তখন সে ক্ষমতার দম্ভে মুখ ফিরাইয়া লইল এবং বলিল, ‘এই ব্যক্তি হয় এক জাদুকর, না হয় এক উন্মাদ।

সমকালীন বাংলা

তখন সে ক্ষমতার দম্ভেমুখ ফিরাইয়া লইল এবং বলিল, ‘এই ব্যক্তি হয় এক জাদুকর, না হয় এক উন্মাদ।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর সে শক্তিবলে মুখ ফিরিয়ে নিল এবং বললঃ সে হয় যাদুকর, না হয় পাগল।

আবদুস শহীদ নাসিম

ফলে আমরা পাকড়াও করেছিলাম তাকে এবং তার বাহিনীকে এবং তাদের নিক্ষেপ করেছিলাম সমুদ্রে। সে এক তিরস্কারযোগ্য ব্যক্তি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সুতরাং আমি তাহাকে ও তাহার দলবলকে শাস্তি দিলাম এবং উহাদের সমুদ্রে নিক্ষেপ করিলাম, সে তো ছিল তিরস্কারযোগ্য।

সমকালীন বাংলা

সুতরাং আমি তাহাকে ও তাহার দলবলকে শাস্তিদিলাম এবং উহাদের সমুদ্রে নিক্ষেপ করিলাম, সে তো ছিল তিরস্কারযোগ্য।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর আমি তাকে ও তার সেনাবাহিনীকে পাকড়াও করলাম এবং তাদেরকে সমুদ্রে নিক্ষেপ করলাম। সে ছিল অভিযুক্ত।

আবদুস শহীদ নাসিম

নিদর্শন রয়েছে আদ সম্প্রদায়ের ঘটনাতেও। আমরা তাদের উপর পাঠিয়েছিলাম এক বন্ধ্যা ঝড়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং নিদর্শন রহিয়াছে ‘আদের ঘটনায়, যখন আমি তাহাদের বিরুদ্ধে প্রেরণ করিয়াছিলাম অকল্যাণকর বায়ু ;

সমকালীন বাংলা

এবং নিদর্শন রহিয়াছে ‘আদের ঘটনায়, যখন আমি তাহাদের বিরুদ্ধে প্রেরণ করিয়াছিলাম অকল্যাণকর বায়ু ;

মুহিউদ্দীন খান

এবং নিদর্শন রয়েছে তাদের কাহিনীতে; যখন আমি তাদের উপর প্রেরণ করেছিলাম অশুভ বায়ু।

আবদুস শহীদ নাসিম

তা যা কিছুর উপর দিয়ে বয়ে গিয়েছিল, সবই ধূলিস্যাত করে দিয়েছিল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহা যাহা কিছুর উপর দিয়া বহিয়া গিয়াছিল তাহাকেই চূর্ণ - বিচূর্ণ করিয়া দিয়াছিল,

সমকালীন বাংলা

ইহা যাহা কিছুর উপর দিয়া বহিয়া গিয়াছিল তাহাকেই চূর্ণ - বিচূর্ণ করিয়া দিয়াছিল,

মুহিউদ্দীন খান

এই বায়ু যার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছিলঃ তাকেই চুর্ণ - বিচুর্ণ করে দিয়েছিল।

আবদুস শহীদ নাসিম

সামুদ সম্প্রদায়ের ঘটনাতেও রয়েছে নিদর্শন। তাদের বলা হয়েছিল: ‘সামান্য ক’দিন ভোগ করে নাও।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আরও নিদর্শন রহিয়াছে সামূদের বৃত্তান্তে, যখন তাহাদেরকে বলা হইয়াছিল, ‘ভোগ করিয়া নাও স্বল্পকাল।’

সমকালীন বাংলা

আরও নিদর্শন রহিয়াছে সামূদের বৃত্তান্তে, যখন তাহাদেরকে বলা হইয়াছিল, ‘ভোগ করিয়া নাও স্বল্পকাল।’

মুহিউদ্দীন খান

আরও নিদর্শন রয়েছে সামূদের ঘটনায়; যখন তাদেরকে বলা হয়েছিল, কিছুকাল মজা লুটে নাও।

আবদুস শহীদ নাসিম

কিন্তু তারা অমান্য করে তাদের প্রভুর নির্দেশ। ফলে তাদের পাকড়াও করে প্রচন্ড বজ্রাঘাত এবং তারা তা দেখছিল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কিন্তু উহারা উহাদের প্রতিপালকের আদেশ অমান্য করিল ; ফলে উহাদের প্রতি বজ্রাঘাত হইল এবং উহারা উহা দেখিতেছিল।

সমকালীন বাংলা

কিন্তু উহারা উহাদের প্রতিপালকের আদেশ অমান্য করিল ; ফলে উহাদের প্রতি বজ্রাঘাত হইল এবং উহারা উহা দেখিতেছিল।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর তারা তাদের পালনকর্তার আদেশ অমান্য করল এবং তাদের প্রতি বজ্রঘাত হল এমতাবস্থায় যে, তারা তা দেখেছিল।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা উঠেও দাঁড়াতে পারেনি এবং প্রতিরোধও করতে পারেনি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা উঠিয়া দাঁড়াইতে পারিল না এবং উহা প্রতিরোধ করিতেও পারিল না।

সমকালীন বাংলা

উহারা উঠিয়া দাঁড়াইতে পারিল না এবং উহা প্রতিরোধ করিতেও পারিল না।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর তারা দাঁড়াতে সক্ষম হল না এবং কোন প্রতিকারও করতে পারল না।

আবদুস শহীদ নাসিম

আরো আগে আমরা ধ্বংস করে দিয়েছিলাম নূহের জাতিকেও। তারা ছিলো এক ফাসিক (সীমালংঘনকারী সত্যত্যাগী) জাতি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি ধ্বংস করিয়াছিলাম ইহাদের পূর্বে নূহের সম্প্রদায়কে, ইহারা তো ছিল সত্যত্যাগী সম্প্রদায়।

সমকালীন বাংলা

আমি ধ্বংস করিয়াছিলাম ইহাদের পূর্বে নূহের সম্প্রদায়কে, ইহারা তো ছিল সত্যত্যাগী সম্প্রদায়।

মুহিউদ্দীন খান

আমি ইতিপূর্বে নূহের সম্প্রদায়কে ধ্বংস করেছি। নিশ্চিতই তারা ছিল পাপাচারী সম্প্রদায়।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা আকাশ বানিয়েছি শক্ত হাতে এবং নিশ্চয়ই আমরা এর বিস্তৃতি সম্প্রসারণ করতে সক্ষম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি আকাশ নির্মাণ করিয়াছি আমার ক্ষমতাবলে এবং আমি অবশ্যই মহা - সম্প্রসারণকারী।

সমকালীন বাংলা

আমি আকাশ নির্মাণ করিয়াছি আমার ক্ষমতাবলে এবং আমি অবশ্যই মহা - সম্প্রসারণকারী।

মুহিউদ্দীন খান

আমি স্বীয় ক্ষমতাবলে আকাশ নির্মাণ করেছি এবং আমি অবশ্যই ব্যাপক ক্ষমতাশালী।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর পৃথিবীকে আমরা বিছিয়ে দিয়েছি, কতো যে উত্তম প্রসারণকারী আমরা!

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর ভূমি, আমি উহাকে বিছাইয়া দিয়াছি, আমি কত সুন্দর প্রসারণকারী!

সমকালীন বাংলা

আর ভূমি, আমি উহাকে বিছাইয়া দিয়াছি, আমি কত সুন্দর প্রসারণকারী!

মুহিউদ্দীন খান

আমি ভূমিকে বিছিয়েছি। আমি কত সুন্দরভাবেই না বিছাতে সক্ষম।

আবদুস শহীদ নাসিম

প্রতিটি বস্ত্তকে আমরা সৃষ্টি করেছি জোড়ায় জোড়ায়, যাতে করে তোমরা শিক্ষা গ্রহণ করো।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর প্রত্যেক বস্তু আমি সৃষ্টি করিয়াছি জোড়ায় জোড়ায়, যাহাতে তোমরা উপদেশ গ্রহণ কর।

সমকালীন বাংলা

আর প্রত্যেক বস্তু আমি সৃষ্টি করিয়াছি জোড়ায় জোড়ায়, যাহাতে তোমরা উপদেশ গ্রহণ কর।

মুহিউদ্দীন খান

আমি প্রত্যেক বস্তু জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্টি করেছি, যাতে তোমরা হৃদয়ঙ্গম কর।

আবদুস শহীদ নাসিম

অতএব তোমরা দৌড়াও আল্লাহর দিকে, আমি তোমাদের প্রতি আল্লাহর পক্ষ থেকে এক সুস্পষ্ট সতর্ককারী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতএব তোমরা ‌র দিকে ধাবিত হও, আমি তো তোমাদের প্রতি ‌ - প্রেরিত স্পষ্ট সতর্ককারী।

সমকালীন বাংলা

অতএব তোমরা আল্লাহর দিকে ধাবিত হও, আমি তো তোমাদের প্রতি প্রেরিত স্পষ্ট সতর্ককারী।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, আল্লাহর দিকে ধাবিত হও। আমি তাঁর তরফ থেকে তোমাদের জন্যে সুস্পষ্ট সতর্ককারী।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা আল্লাহর সাথে অপর কোনো ইলাহ্ সাব্যস্ত করোনা। আমি তাঁর পক্ষ থেকে তোমাদের জন্যে এক সুস্পষ্ট সতর্ককারী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমরা ‌র সঙ্গে কোন ইলাহ্ স্থির করিও না; আমি তোমাদের প্রতি ‌ - প্রেরিত স্পষ্ট সতর্ককারী।

সমকালীন বাংলা

তোমরা আল্লাহর সঙ্গে কোন ইলাহ্ স্থির করিও না; আমি তোমাদের প্রতি তাঁর পক্ষ থাকলে তা তোমাদের জন্য স্পষ্ট সতর্ককারী।

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা আল্লাহর সাথে কোন উপাস্য সাব্যস্ত করো না। আমি তাঁর পক্ষ থেকে তোমাদের জন্য সুস্পষ্ট সতর্ককারী।

আবদুস শহীদ নাসিম

এভাবে তাদের আগেকার লোকদের কাছেও যখনই কোনো রসূল এসেছিল, তারা তাকে বলেছিল: ‘তুমি একজন ম্যাজেসিয়ান কিংবা পাগল।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এইভাবে উহাদের পূর্ববর্তীদের নিকট যখনই কোন রাসূল আসিয়াছে উহারা তাহাকে বলিয়াছে, ‘তুমি তো এক জাদুকর, না হয় এক উন্মাদ!’

সমকালীন বাংলা

এইভাবে উহাদের পূর্ববর্তীদের নিকট যখনই কোন রাসূল আসিয়াছে উহারা তাহাকে বলিয়াছে, ‘তুমি তো এক জাদুকর, না হয় এক উন্মাদ!’

মুহিউদ্দীন খান

এমনিভাবে, তাদের পূর্ববর্তীদের কাছে যখনই কোন রসূল আগমন করেছে, তারা বলছেঃ যাদুকর, না হয় উম্মাদ।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা কি একে অপরকে (ধারাবাহিকভাবে) এই অসিয়তই করে আসছে? আসলে তারা একটি সীমালংঘনকারী কওম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা কি একে অপরকে এই যন্ত্রণাই দিয়া আসিয়াছে? বস্তুত উহারা সীমা - লংঘনকারী সম্প্রদায়।

সমকালীন বাংলা

উহারা কি একে অপরকে এই যন্ত্রণাই দিয়া আসিয়াছে? বস্তুত উহারা সীমা - লংঘনকারী সম্প্রদায়।

মুহিউদ্দীন খান

তারা কি একে অপরকে এই উপদেশই দিয়ে গেছে? বস্তুতঃ ওরা দুষ্ট সম্প্রদায়।

আবদুস শহীদ নাসিম

সুতরাং তুমি তাদের উপেক্ষা করো। এর জন্যে তুমি তিরস্কৃত হবেনা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতএব তুমি উহাদেরকে উপেক্ষা কর, ইহাতে তুমি অভিযুক্ত হইবে না।

সমকালীন বাংলা

অতএব তুমি উহাদেরকে উপেক্ষা কর, ইহাতে তুমি অভিযুক্ত হইবে না।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, আপনি ওদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিন। এতে আপনি অপরাধী হবেন না।

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি উপদেশ দিতে থাকো। কারণ, উপদেশ মুমিনদের উপকারে আসে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তুমি উপদেশ দিতে থাক, কারণ উপদেশ মু’মিনদেরই উপকারে আসে।

সমকালীন বাংলা

তুমি উপদেশ দিতে থাক, কারণ উপদেশ মু’মিনদেরই উপকারে আসে।

মুহিউদ্দীন খান

এবং বোঝাতে থাকুন; কেননা, বোঝানো মুমিনদের উপকারে আসবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা জিন এবং ইনসানকে এজন্যেই সৃষ্টি করেছি যে, তারা একমাত্র আমারই ইবাদত করবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি সৃষ্টি করিয়াছি জিন এবং মানুষকে এইজন্য যে, তাহারা আমারই ‘ইবাদত করিবে।

সমকালীন বাংলা

আমি সৃষ্টি করিয়াছি জিন এবং মানুষকে এইজন্য যে, তাহারা আমারই ‘ইবাদত করিবে।

মুহিউদ্দীন খান

আমার এবাদত করার জন্যই আমি মানব ও জিন জাতি সৃষ্টি করেছি।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমি তো তাদের কাছে রিযিক চাইনা এবং এটাও চাইনা যে, তারা আমাকে খাবার খাওয়াবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি উহাদের নিকট হইতে জীবিকা চাহি না এবং ইহাও চাহি না যে, উহারা আমার আহার্য যোগাইবে।

সমকালীন বাংলা

আমি উহাদের নিকট হইতে জীবিকা চাহি না এবং ইহাও চাহি না যে, উহারা আমার আহার্য যোগাইবে।

মুহিউদ্দীন খান

আমি তাদের কাছে জীবিকা চাই না এবং এটাও চাই না যে, তারা আমাকে আহার্য যোগাবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

নিশ্চয়ই রাজজাক (রিযিক সরবরাহকারী) তো হলেন এবং তিনি মহাশক্তিধর, প্রবল পরাক্রান্ত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌ই তো রিযিক দান করেন এবং তিনি প্রবল, পরাক্রান্ত।

সমকালীন বাংলা

তা’আলাই তাকে জীবিকা দাতা শক্তির আধার, পরাক্রান্ত

মুহিউদ্দীন খান

তা’আলাই তো জীবিকাদাতা শক্তির আধার, পরাক্রান্ত।

আবদুস শহীদ নাসিম

যালিমদের ভাগ্যে তাই রয়েছে, অতীতে তাদের সমমতের লোকেরা যা ভোগ করেছিল। ফলে তারা যেনো তাড়াহুড়া না করে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

জালিমদের প্রাপ্য তাহাই যাহা অতীতে উহাদের সমমতাবলম্বীরা ভোগ করিয়াছে। সুতরাং উহারা ইহার জন্য আমার নিকট যেন ত্বরা না করে।

সমকালীন বাংলা

জালিমদের প্রাপ্য তাহাই যাহা অতীতে উহাদের সমমতাবলম্বীরা ভোগ করিয়াছে। সুতরাং উহারাইহার জন্য আমার নিকট যেন ত্বরা না করে।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, এই যালেমদের প্রাপ্য তাই, যা ওদের অতীত সহচরদের প্রাপ্য ছিল। কাজেই ওরা যেন আমার কাছে তা তাড়াতাড়ি না চায়।

আবদুস শহীদ নাসিম

কাফিরদের জন্যে রয়েছে সেই দিনের দুর্ভোগ, যার ওয়াদা তাদের দেয়া হয়েছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কাফিরদের জন্য দুর্ভোগ তাহাদের সেই দিনের, যেই দিনের বিষয়ে উহাদেরকে সতর্ক করা হইয়াছে।

সমকালীন বাংলা

কাফিরদের জন্য দুর্ভোগ তাহাদের সেই দিনের, যেই দিনের বিষয়ে উহাদেরকে সতর্ক করা হইয়াছে।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, কাফেরদের জন্যে দুর্ভোগ সেই দিনের, যেদিনের প্রতিশ্রুতি ওদেরকে দেয়া হয়েছে।

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme