You’re offline. Downloaded books and recitations still work.
আল জিন
Chapter 72, 28 verses
আবদুস শহীদ নাসিম
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
সমকালীন বাংলা
মুহিউদ্দীন খান
About this chapter
মক্কায় অবতীর্ণ, আয়াত সংখ্যা ২৮, রুকু সংখ্যা: ০২
এই সূরার আলোচ্যসূচি
আয়াতআলোচ্য বিষয়
০১-১৯একদল জিন রসূলের কাছে কুরআন শুনেছে বলে রসূলকে জানানো হয়েছে। তারপর জিনেরা তাদের জাতির কাছে গিয়ে ঈমান ও ইসলামের যে দাওয়াত দেয় তার বিবরণ।
২০-২৮রসূলকে তাওহীদ ও আখিরাতের দাওয়াত দানের নির্দেশ।
আবদুস শহীদ নাসিম
হে নবী! বলো: আমার কাছে অহি করা হয়েছে যে, একদল জিন মনোযোগ দিয়ে (কুরআন) শুনেছে। তারপর তারা (তাদের সম্প্রদায়ের কাছে গিয়ে) বলেছে: ‘‘আমরা শুনে এসেছি এক বিস্ময়কর কুরআন,
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
বল, ‘আমার প্রতি ওহী প্রেরিত হইয়াছে যে, জিনদের একটি দল মনোযোগ সহকারে শ্রবণ করিয়াছে এবং বলিয়াছে, ‘আমরা তো এক বিস্ময়কর কুরআন শ্রবণ করিয়াছি,
সমকালীন বাংলা
র নামে শুরু করছি, পরম করুণাময় পরম দয়ালু;বলো, আমার প্রতি ওহী করা হয়েছে যে, জিনদের একদল মনোযোগ দিয়ে শুনেছিল, অতঃপর তারা বলেছিল, “নিশ্চয়ই আমরা এক বিস্ময়কর কুরআন শুনেছি,"
মুহিউদ্দীন খান
বলুনঃ আমার প্রতি ওহী নাযিল করা হয়েছে যে, জিনদের একটি দল কোরআন শ্রবণ করেছে, অতঃপর তারা বলেছেঃ আমরা বিস্ময়কর কোরআন শ্রবণ করেছি;
আবদুস শহীদ নাসিম
সেটি হিদায়াত করে সঠিক পথের দিকে। তাই আমরা সেটির প্রতি ঈমান এনেছি। আমরা কখনো আমাদের প্রভুর সাথে কাউকেও শরিক করবোনা।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
‘যাহা সঠিক পথনির্দেশ করে; ফলে আমরা ইহাতে বিশ্বাস স্থাপন করিয়াছি। আমরা কখনও আমাদের প্রতিপালকের কোন শরীক স্থির করিব না,
সমকালীন বাংলা
যা সঠিক পথের দিকে পরিচালিত করে; ফলে আমরা এতে ঈমান এনেছি, এবং আমরা কখনোই আমাদের প্রতিপালকের সাথে কাউকে শরীক করব না।
মুহিউদ্দীন খান
যা সৎপথ প্রদর্শন করে। ফলে আমরা তাতে বিশ্বাস স্থাপন করেছি। আমরা কখনও আমাদের পালনকর্তার সাথে কাউকে শরীক করব না।
আবদুস শহীদ নাসিম
নিশ্চয়ই অনেক উঁচু আমাদের মহান প্রভুর মর্যাদা। তিনি না কোনো স্ত্রী গ্রহণ করেছেন, না সন্তান।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
‘এবং নিশ্চয়ই সমুচ্চ আমাদের প্রতিপালকের মর্যাদা ; তিনি গ্রহণ করেন নাই কোন পত্নী এবং না কোন সন্তান।
সমকালীন বাংলা
এবং আমাদের প্রতিপালকের মর্যাদা সমুন্নত; তিনি কোনো সঙ্গিনী গ্রহণ করেননি এবং কোনো সন্তানও গ্রহণ করেননি।
মুহিউদ্দীন খান
এবং আরও বিশ্বাস করি যে, আমাদের পালনকর্তার মহান মর্যাদা সবার উর্ধ্বে। তিনি কোন পত্নী গ্রহণ করেননি এবং তাঁর কোন সন্তান নেই।
আবদুস শহীদ নাসিম
আমাদের নির্বোধরা তাঁর সম্পর্কে অবাস্তব কথাবার্তা বলতো।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
‘এবং আরও এই যে, আমাদের মধ্যকার নির্বোধেরা র সম্বন্ধে অতি অবাস্তব উক্তি করিত।
সমকালীন বাংলা
এবং আমাদের মধ্যের নির্বোধেরা সম্পর্কে সীমালঙ্ঘনমূলক কথা বলত।
মুহিউদ্দীন খান
আমাদের মধ্যে নির্বোধেরা তা’আলা সম্পর্কে বাড়াবাড়ির কথাবার্তা বলত।
আবদুস শহীদ নাসিম
আমরা মনে করতাম, মানুষ এবং জিন আল্লাহর প্রতি মিথ্যারোপ করেনা।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
‘অথচ আমরা মনে করিতাম মানুষ ও জিন সম্বন্ধে কখনও মিথ্যা আরোপ করিবে না।
সমকালীন বাংলা
আর আমরা ধারণা করেছিলাম যে মানুষ ও জিন কখনোই সম্পর্কে মিথ্যা বলবে না।
মুহিউদ্দীন খান
অথচ আমরা মনে করতাম, মানুষ ও জিন কখনও তা’আলা সম্পর্কে মিথ্যা বলতে পারে না।
আবদুস শহীদ নাসিম
আর মানুষের মধ্যে কিছু লোক কিছু জিনের আশ্রয় গ্রহণ করতো। এটা জিনদের দাম্ভিকতা বাড়িয়ে দিতো।’’
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
‘আরও এই যে, কতিপয় মানুষ কতক জিনের শরণ লইত, ফলে উহারা জিনদের আত্মম্ভরিতা বাড়াইয়া দিত।’
সমকালীন বাংলা
এবং মানুষের মধ্য থেকে কিছু লোক কিছু জিনদের আশ্রয় চাইত; ফলে তারা মানুষের অবাধ্যতা বৃদ্ধি করত।
মুহিউদ্দীন খান
অনেক মানুষ অনেক জিনের আশ্রয় নিত, ফলে তারা জিনদের আত্নম্ভরিতা বাড়িয়ে দিত।
আবদুস শহীদ নাসিম
জিনেরা তাদের সম্প্রদায়ের কাছে আরো বলেছিল: ‘‘তোমাদের মতো মানুষও মনে করতো, কাউকেও পুনরুত্থিত করবেননা।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আরও এই যে, জিনেরা বলিয়াছিল, ‘তোমাদের মত মানুষও মনে করে যে, মৃত্যুর পর কাহাকেও পুনরুত্থিত করিবেন না।
সমকালীন বাংলা
এবং তারা ধারণা করেছিল, যেমন তোমরা ধারণা করেছিলে, যে কাউকে পুনরুত্থিত করবেন না।
মুহিউদ্দীন খান
তারা ধারণা করত, যেমন তোমরা মানবেরা ধারণা কর যে, মৃত্যুর পর তা’আলা কখনও কাউকে পুনরুত্থিত করবেন না।
আবদুস শহীদ নাসিম
আমরা চেয়েছিলাম আকাশের খবর সংগ্রহ করতে, কিন্তু আমরা দেখতে পেলাম সেখানে কঠোর প্রহরীতে ভরা, আরো দেখতে পেলাম ব্যাপক উল্কা পিন্ড।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
‘এবং আমরা চাহিয়াছিলাম আকাশের তথ্য সংগ্রহ করিতে কিন্তু আমরা দেখিতে পাইলাম কঠোর প্রহরী ও উল্কাপিণ্ড দ্বারা আকাশ পরিপূর্ণ ;
সমকালীন বাংলা
এবং আমরা আকাশ অনুসন্ধান করেছিলাম; অতঃপর আমরা তা পেলাম কঠোর প্রহরা ও উল্কাপিণ্ডে পরিপূর্ণ।
মুহিউদ্দীন খান
আমরা আকাশ পর্যবেক্ষণ করছি, অতঃপর দেখতে পেয়েছি যে, কঠোর প্রহরী ও উল্কাপিন্ড দ্বারা আকাশ পরিপূর্ণ।
আবদুস শহীদ নাসিম
ইতোপূর্বে আমরা আকাশের বিভিন্ন ঘাঁটিতে খবর সংগ্রহের জন্যে বসতাম। কিন্তু এখন কেউ সংবাদ শুনতে চাইলে নিক্ষেপের জন্যে প্রস্ত্তত উল্কাপিন্ডের সম্মুখীন হয়।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
‘আর পূর্বে আমরা আকাশের বিভিন্ন ঘাঁটিতে সংবাদ শুনিবার জন্য বসিতাম কিন্তু এখন কেহ সংবাদ শুনিতে চাহিলে সে তাহার উপর নিক্ষেপের জন্য প্রস্তুত জ্বলন্ত উল্কাপিণ্ডের সম্মুখীন হয়।
সমকালীন বাংলা
এবং আমরা সেখানে শুনবার জন্য বিভিন্ন জায়গায় বসতাম; কিন্তু এখন যে শুনতে চায়, সে তার জন্য ওত পেতে থাকা উল্কাপিণ্ডের সম্মুখীন হয়।
মুহিউদ্দীন খান
আমরা আকাশের বিভিন্ন ঘাঁটিতে সংবাদ শ্রবণার্থে বসতাম। এখন কেউ সংবাদ শুনতে চাইলে সে জলন্ত উল্কাপিন্ড ওঁৎ পেতে থাকতে দেখে।
আবদুস শহীদ নাসিম
আমরা জানিনা, বিশ্ববাসীর মন্দই কি চাওয়া হচ্ছে, নাকি তাদের প্রভু তাদের সঠিক পথে আনতে চাইছেন?
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
‘আমরা জানি না জগদ্বাসীর অমঙ্গলই অভিপ্রেত, না তাহাদের প্রতিপালক তাহাদের মঙ্গল চান।
সমকালীন বাংলা
এবং আমরা জানি না, পৃথিবীতে যারা আছে তাদের জন্য অকল্যাণ ইচ্ছা করা হয়েছে, নাকি তাদের প্রতিপালক তাদের জন্য সঠিক পথ ইচ্ছা করেছেন।
মুহিউদ্দীন খান
আমরা জানি না পৃথিবীবাসীদের অমঙ্গল সাধন করা অভীষ্ট, না তাদের পালনকর্তা তাদের মঙ্গল সাধন করার ইচ্ছা রাখেন।
আবদুস শহীদ নাসিম
আমাদের মধ্যে কিছু পুণ্যবানও আছে, কিছু আছে এর ব্যতিক্রমও। মূলত আমরা ছিলাম বহু পথের অনুসারী।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
‘এবং আমাদের কতক সৎকর্মপরায়ণ এবং কতক ইহার ব্যতিক্রম, আমরা ছিলাম বিভিন্ন পথের অনুসারী;
সমকালীন বাংলা
এবং আমাদের মধ্যে কেউ সৎ, অন্যেরা তা নয়; আমরা ছিলাম বিভিন্ন পথে বিভক্ত।
মুহিউদ্দীন খান
আমাদের কেউ কেউ সৎকর্মপরায়ণ এবং কেউ কেউ এরূপ নয়। আমরা ছিলাম বিভিন্ন পথে বিভক্ত।
আবদুস শহীদ নাসিম
এখন আমরা বুঝতে পেরেছি, বিশ্বের বুকে আমরা আল্লাহকে পরাভূত করতে পারবো না এবং তাঁকে আমরা ব্যর্থও করতে পারবোনা।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
‘এখন আমরা বুঝিয়াছি যে, আমরা পৃথিবীতে কে পরাভূত করিতে পারিব না এবং পলায়ন করিয়াও তাঁহাকে ব্যর্থ করিতে পারিব না।
সমকালীন বাংলা
আমরা পৃথিবীতে কখনোই আল্লাহর নাগালের বাইরে যেতে পারবো না, এবং পালিয়েও তাঁকে এড়াতে পারবো না।
মুহিউদ্দীন খান
আমরা বুঝতে পেরেছি যে, আমরা পৃথিবীতে তা’আলাকে পরাস্ত করতে পারব না এবং পলায়ন করেও তাকে অপারক করত পরব না।
আবদুস শহীদ নাসিম
আমরা যখন হিদায়াতের বাণী শুনলাম, আমরা তাতে ঈমান আনলাম। যে কেউ তার প্রভুর প্রতি ঈমান আনবে তার কোনো ক্ষতি বা অন্যায়ের আশংকা থাকবেনা।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
‘আমরা যখন পথনির্দেশক বাণী শুনিলাম তাহাতে বিশ্বাস স্থাপন করিলাম। যে ব্যক্তি তাহার প্রতিপালকের প্রতি ঈমান আনে তাহার কোন ক্ষতি ও কোন অন্যায়ের আশংকা থাকিবে না।
সমকালীন বাংলা
এবং যখন আমরা পথনির্দেশ শুনলাম, তখন আমরা তাতে ঈমান আনলাম; আর যে তার প্রতিপালকের প্রতি ঈমান আনে, সে না কোনো ক্ষতির ভয় করবে, না কোনো অবিচারের।
মুহিউদ্দীন খান
আমরা যখন সুপথের নির্দেশ শুনলাম, তখন তাতে বিশ্বাস স্থাপন করলাম। অতএব, যে তার পালনকর্তার প্রতি বিশ্বাস করে, সে লোকসান ও জোর - জবরের আশংকা করে না।
আবদুস শহীদ নাসিম
আমাদের মধ্যে মুসলিমও আছে, সীমালংঘনকারীও আছে। যারা মুসলিম (আত্মসমর্পনকারী) হয়েছে তারা স্বাধীনভাবে সঠিক পথ বেছে নিয়েছে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
‘আমাদের কতক আত্মসমর্পণকারী এবং কতক সীমালংঘনকারী ; যাহারা আত্মসর্মপণ করে তাহারা সুচিন্তিতভাবে সত্যপথ বাছিয়া নেয়।
সমকালীন বাংলা
এবং আমাদের মধ্যে কেউ আত্মসমর্পণকারী, আর কেউ সত্যচ্যুত; অতঃপর যারা আত্মসমর্পণ করেছে, তারাই সত্যপথ বেছে নিয়েছে।
Note
এবং আমাদের মধ্যে কেউ মুসলিম, আর কেউ সত্যচ্যুত; অতঃপর যারা ইসলাম গ্রহণ করেছে, তারাই সত্যপথ বেছে নিয়েছে।
মুহিউদ্দীন খান
আমাদের কিছুসংখ্যক আজ্ঞাবহ এবং কিছুসংখ্যক অন্যায়কারী। যারা আজ্ঞাবহ হয়, তারা সৎপথ বেছে নিয়েছে।
আবদুস শহীদ নাসিম
কিন্তু সীমালংঘনকারীরা তো হবে জাহান্নামেরই জ্বালানি।’’
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
‘অপরপক্ষে সীমালংঘন - কারী তো জাহান্নামেরই ইন্ধন।’
সমকালীন বাংলা
আর যারা সত্যচ্যুত, তারা জাহান্নামের জন্য জ্বালানি হবে।
মুহিউদ্দীন খান
আর যারা অন্যায়কারী, তারা তো জাহান্নামের ইন্ধন।
আবদুস শহীদ নাসিম
তারা যদি সত্য পথে কায়েম থাকতো, অবশ্যি আমরা প্রচুর বৃষ্টি বর্ষণ করে তাদের সমৃদ্ধ করতাম।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
উহারা যদি সত্যপথে প্রতিষ্ঠিত থাকিত উহাদেরকে আমি প্রচুর বারি বর্ষণের মাধ্যমে সমৃদ্ধ করিতাম,
সমকালীন বাংলা
আর যদি তারা সেই পথে অবিচল থাকত, তবে অবশ্যই আমরা তাদেরকে প্রচুর পানি পান করাতাম,
মুহিউদ্দীন খান
আর এই প্রত্যাদেশ করা হয়েছে যে, তারা যদি সত্যপথে কায়েম থাকত, তবে আমি তাদেরকে প্রচুর পানি বর্ষণে সিক্ত করতাম।
আবদুস শহীদ নাসিম
তার মাধ্যমে আমরা তাদের পরীক্ষা করতাম। যে কেউ তার প্রভুর যিকির থেকে বিমুখ হবে, তিনি তাকে প্রবেশ করাবেন দুঃসহ আযাবে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যদ্দ্বারা আমি উহাদেরকে পরীক্ষা করিতাম। যে ব্যক্তি তাহার প্রতিপালকের স্মরণ হইতে বিমুখ হয় তিনি তাহাকে দুঃসহ শাস্তিতে প্রবেশ করাইবেন।
সমকালীন বাংলা
যাতে আমরা তাদেরকে এর মাধ্যমে পরীক্ষা করি; আর যে তার প্রতিপালকের স্মরণ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়, তিনি তাকে ক্রমবর্ধমান কঠিন শাস্তিতে প্রবেশ করাবেন।
মুহিউদ্দীন খান
যাতে এ ব্যাপারে তাদেরকে পরীক্ষা করি। পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি তার পালনকর্তার স্মরণ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়, তিনি তাকে উদীয়মান আযাবে পরিচালিত করবেন।
আবদুস শহীদ নাসিম
মসজিদসমূহ আল্লাহর, সুতরাং তোমরা আল্লাহর সাথে কাউকেও ডেকোনা।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
এবং এই যে মসজিদসমূহ রই জন্য। সুতরাং র সঙ্গে তোমরা অন্য কাহাকেও ডাকিও না।
সমকালীন বাংলা
এবং মসজিদসমূহ আল্লাহর জন্য; অতএব আল্লাহর সাথে কাউকে ডেকো না।
মুহিউদ্দীন খান
এবং এই ওহীও করা হয়েছে যে, মসজিদসমূহ তা’আলাকে স্মরণ করার জন্য। অতএব, তোমরা তা’আলার সাথে কাউকে ডেকো না।
আবদুস শহীদ নাসিম
আল্লাহর দাস (মুহাম্মদ) যখন তাঁকে ডাকার জন্যে (সালাতে) দাঁড়ায়, তখন তারা তার কাছে ভীড় জমায়।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর এই যে, যখন র বান্দা তাঁহাকে ডাকিবার জন্য দণ্ডায়মান হইল তখন তাহারা তাহার নিকট ভিড় জমাইল।
সমকালীন বাংলা
এবং যখন আল্লাহর বান্দা তাঁকে ডাকার জন্য দাঁড়িয়েছিল, তখন তারা তার চারপাশে প্রায় ভিড় করে ফেলেছিল।
মুহিউদ্দীন খান
আর যখন তা’আলার বান্দা তাঁকে ডাকার জন্যে দন্ডায়মান হল, তখন অনেক জিন তার কাছে ভিড় জমাল।
আবদুস শহীদ নাসিম
হে মুহাম্মদ! বলো: ‘নিশ্চয়ই আমি আমার প্রভুকে ডাকি তাঁর কাছেই দোয়া করি, কিন্তু তাঁর সাথে কাউকেও শরিক করিনা।’
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
বল, ‘আমি আমার প্রতিপালককেই ডাকি এবং তাঁহার সঙ্গে কাহাকেও শরীক করি না।’
সমকালীন বাংলা
বলো, আমি কেবল আমার প্রতিপালককেই আহ্বান করি এবং তাঁর সাথে কাউকে শরীক করি না।
মুহিউদ্দীন খান
বলুনঃ আমি তো আমার পালনকর্তাকেই ডাকি এবং তাঁর সাথে কাউকে শরীক করি না।
আবদুস শহীদ নাসিম
বলো: ‘আমি তোমাদের ক্ষতি বা লাভের মালিক নই।’
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
বল, ‘আমি তোমাদের ইষ্ট - অনিষ্টের মালিক নই।’
সমকালীন বাংলা
বলো, আমি তোমাদের জন্য কোনো ক্ষতি বা সঠিক পথের মালিক নই।
মুহিউদ্দীন খান
বলুনঃ আমি তোমাদের ক্ষতি সাধন করার ও সুপথে আনয়ন করার মালিক নই।
আবদুস শহীদ নাসিম
বলো: ‘‘আল্লাহর পাকড়াও থেকে কেউই আমাকে রক্ষা করতে পারবেনা এবং তাঁকে ছাড়া আমি কোনো আশ্রয়ও পাবোনা।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
বল, র শাস্তি হইতে কেহই আমাকে রক্ষা করিতে পারিবে না এবং ব্যতীত আমি কোন আশ্রয়ও পাইব না,
সমকালীন বাংলা
বলো, "নিশ্চয়ই থেকে আমাকে কেউ রক্ষা করতে পারবে না, এবং আমি তাঁকে ছাড়া কোনো আশ্রয় পাব না।
মুহিউদ্দীন খান
বলুনঃ তা’আলার কবল থেকে আমাকে কেউ রক্ষা করতে পারবে না এবং তিনি ব্যতীত আমি কোন আশ্রয়স্থল পাব না।
আবদুস শহীদ নাসিম
আল্লাহর বার্তা পৌঁছে দেয়াই কেবল আমার দায়িত্ব।’’ যে কেউ আল্লাহকে এবং তাঁর রসূলকে অমান্য করবে, তার জন্যে জাহান্নামই অবধারিত, চিরদিন চিরকাল তারা পড়ে থাকবে সেখানেই।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
‘কেবল র পক্ষ হইতে পৌঁছান এবং তাঁহার বাণী প্রচারই আমার দায়িত্ব। যাহারা ও তাঁহার রাসূলকে অমান্য করে তাহাদের জন্য রহিয়াছে জাহান্নামের অগ্নি, সেখানে তাহারা চিরস্থায়ী হইবে।
সমকালীন বাংলা
কেবল আল্লাহর পক্ষ হইতে পৌঁছান এবং তাঁহার বাণী প্রচারই আমার দায়িত্ব।" যাহারা আল্লাহর ও তাঁহার রাসূলকে অমান্য করে তাহাদের জন্য রহিয়াছে জাহান্নামের অগ্নি, সেখানে তাহারা চিরস্থায়ী হইবে।
মুহিউদ্দীন খান
কিন্তু তা’আলার বাণী পৌছানো ও তাঁর পয়গাম প্রচার করাই আমার কাজ। যে ও তাঁর রসূলকে অমান্য করে, তার জন্যে রয়েছে জাহান্নামের অগ্নি। তথায় তারা চিরকাল থাকবে।
আবদুস শহীদ নাসিম
তারা যখন প্রতিশ্রুত শাস্তি দেখতে পাবে, তখনই জানতে পারবে সাহায্যকারী হিসেবে কে দুর্বল আর কে সংখ্যায় নগণ্য?
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যখন উহারা প্রতিশ্রুতি শাস্তি প্রত্যক্ষ করিবে, বুঝিতে পারিবে, কে সাহায্যকারীর দিক দিয়া দুর্বল এবং কে সংখ্যায় স্বল্প।
সমকালীন বাংলা
যখন তারা তা দেখবে, যার প্রতিশ্রুতি তাদেরকে দেওয়া হচ্ছে, তখন তারা জানতে পারবে কার সাহায্যকারী দুর্বলতর এবং কার সংখ্যা কম।
মুহিউদ্দীন খান
এমনকি যখন তারা প্রতিশ্রুত শাস্তি দেখতে পাবে, তখন তারা জানতে পারবে, কার সাহায্যকারী দূর্বল এবং কার সংখ্যা কম।
আবদুস শহীদ নাসিম
হে নবী! বলো: ‘‘আমি জানিনা, তোমাদেরকে যে বিষয়ের ওয়াদা দেয়া হয়েছে তা কি নিকটে নাকি আমার প্রভু সেটার জন্যে দীর্ঘ সময় নির্দিষ্ট করবেন।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
বল, ‘আমি জানি না তোমাদেরকে যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হইয়াছে তাহা কি আসন্ন, না আমার প্রতিপালক ইহার জন্য কোন দীর্ঘ মেয়াদ স্থির করিবেন?’
সমকালীন বাংলা
বলো, আমি জানি না নিকটবর্তী কি, তোমাদেরকে যার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হচ্ছে তা নিকটবর্তী কি না, অথবা আমার প্রতিপালক তার জন্য দীর্ঘ সময় নির্ধারণ করেছেন।
মুহিউদ্দীন খান
বলুনঃ আমি জানি না তোমাদের প্রতিশ্রুত বিষয় আসন্ন না আমার পালনকর্তা এর জন্যে কোন মেয়াদ স্থির করে রেখেছেন।
আবদুস শহীদ নাসিম
তিনিই আলেমুল - - এর জ্ঞানী। তাঁর গায়েবি জ্ঞান কারো কাছে প্রকাশ করা হয়না।’’
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তিনি অদৃশ্যের পরিজ্ঞাতা, তিনি তাঁহার অদৃশ্যের জ্ঞান কাহারও নিকট প্রকাশ করেন না,
সমকালীন বাংলা
তিনি অদৃশ্যের জ্ঞানী; অতএব তিনি তাঁর বিষয়ে কাউকে অবহিত করেন না,
মুহিউদ্দীন খান
তিনি অদৃশ্যের জ্ঞানী। পরন্ত তিনি বিষয় কারও কাছে প্রকাশ করেন না।
আবদুস শহীদ নাসিম
তবে তাঁর মনোনীত কোনো রসূলকেই তিনি তা অবহিত করেন। সেক্ষেত্রে ঐ রসূলের সামনে এবং পেছনে তিনি প্রহরী নিযুক্ত করেন,
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তাঁহার মনোনীত রাসূল ব্যতীত। সেই ক্ষেত্রে রাসূলের অগ্রে এবং পশ্চাতে প্রহরী নিয়োজিত করেন,
সমকালীন বাংলা
তবে কোনো রসূলকে ব্যতীত, যাকে তিনি মনোনীত করেন। তখন তিনি তার সামনে ও পেছনে প্রহরা নিয়োজিত করেন,
মুহিউদ্দীন খান
তাঁর মনোনীত রসূল ব্যতীত। তখন তিনি তার অগ্রে ও পশ্চাতে প্রহরী নিযুক্ত করেন
আবদুস শহীদ নাসিম
রসূলরা তাদের প্রভুর বার্তা পৌঁছে দিয়েছে কিনা তা জানার জন্যে। তাদের কাছে যা আছে তা তাঁর জ্ঞানের পরিবেষ্টনেই রয়েছে। তিনি গুণে গুণে হিসাব রাখেন সব কিছুর।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
রাসূলগণ তাহাদের প্রতিপালকের বাণী পৌঁছাইয়া দিয়াছেন কি না জানিবার জন্য। রাসূলগণের নিকট যাহা আছে তাহা তাঁহার জ্ঞানগোচর এবং তিনি সমস্ত কিছুর বিস্তারিত হিসাব রাখেন।
সমকালীন বাংলা
যাতে তিনি জেনে নেন যে তারা তাদের প্রতিপালকের বার্তাসমূহ পৌঁছে দিয়েছে। আর তাদের কাছে যা আছে তা তিনি পরিবেষ্টন করে রেখেছেন, এবং তিনি সবকিছুকে সংখ্যায় গণনা করেছেন।
মুহিউদ্দীন খান
যাতে তা’আলা জেনে নেন যে, রসূলগণ তাঁদের পালনকর্তার পয়গাম পৌছিয়েছেন কি না। রসূলগণের কাছে যা আছে, তা তাঁর জ্ঞান - গোচর। তিনি সবকিছুর সংখ্যার হিসাব রাখেন।