Kitab

আল হুজুরাত (বাসগৃহসমূহ)

Chapter 49, 18 verses

  • আবদুস শহীদ নাসিম
  • মুহিউদ্দীন খান
  • বাংলা উচ্চারণ
About this chapter


মদিনায় অবতীর্ণ, আয়াত সংখ্যা: ১৮, রুকু সংখ্যা: ০২

এই সূরার আলোচ্যসূচি

আয়াতআলোচ্য বিষয় ০১-০৫আল্লাহর রসূলের প্রটোকল। ০৬-১০ফাসিকের সংবাদ গ্রহণে সতর্ক হওয়ার নির্দেশ। রসূলের আনুগত্যের নির্দেশ। মুমিনদের দু’পক্ষ বিবাদে জড়িয়ে পড়লে বিরোধ মীমাংসার পদ্ধতি। ১১-১২মুমিনদের প্রতি কতিপয় মন্দ গুণাবলি পরিহার করার নির্দেশ। ১৩সৃষ্টিগতভাবে সব মানুষ সমান। আল্লাহর কাছে অধিক মর্যাদাবান লোক তারা, যারা তাকওয়ার দিক থেকে অগ্রগামী। ১৪-১৮প্রকৃত মুমিন কারা? ইসলাম গ্রহণ করা আল্লাহর উপকার করা নয়, বরং এটা ইসলাম গ্রহণকারীদের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ।
আবদুস শহীদ নাসিম

হে লোকেরা! তোমরা ও তাঁর রসূলের সামনে কোনো বিষয়ে অগ্রগামী হয়ে যেয়োনা। আল্লাহকে ভয় করো। নিশ্চয়ই সব দেখেন, সব শুনেন।

মুহিউদ্দীন খান

মুমিনগণ! তোমরা ও রসূলের সামনে অগ্রণী হয়ো না এবং আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয় সবকিছু শুনেন ও জানেন।

বাংলা উচ্চারণ

বিসমিল্লাহির রাহমা-নির রাহি-ম ইয়া য় আইয়্যুহাল্ লাযীনা আ-মানূ লা-তুক্বাদ্দিমূ বাইনা ইয়াদাইয়িল্লা-হি অরাসূলিহী অত্তাকু ল্লা-হ্ ইন্না ল্লা -হা সামী'উন্ 'আলীম্।

আবদুস শহীদ নাসিম

হে লোকেরা! তোমরা নবীর আওয়াযের উপর নিজেদের আওয়াযকে উঁচু করোনা এবং নিজেদের মধ্যে যেভাবে উঁচু স্বরে কথা বলো তার সাথে সেভাবে উঁচু স্বরে কথা বলোনা। কারণ, এর ফলে নিষ্ফল হয়ে যাবে তোমাদের আমল, যা তোমরা টেরও পাবেনা।

মুহিউদ্দীন খান

মুমিনগণ! তোমরা নবীর কন্ঠস্বরের উপর তোমাদের কন্ঠস্বর উঁচু করো না এবং তোমরা একে অপরের সাথে যেরূপ উঁচুস্বরে কথা বল, তাঁর সাথে সেরূপ উঁচুস্বরে কথা বলো না। এতে তোমাদের কর্ম নিস্ফল হয়ে যাবে এবং তোমরা টেরও পাবে না।

বাংলা উচ্চারণ

ইয়া য় আইয়ুহাল্ লাযীনা আ-মানূ লা-র্তাফা'ঊ য় আছওয়া তাকুম্ ফাওক্বা ছোয়াওতিন্ নাবিয়্যি অলা- তাজহারূ লাহূ বিল্ক্বওলি কাজ্বাহ্রি বা'দ্বিকুম্ লিবা'দ্বিন্ আন্ তাহ্বাত্বোয়া আ'মা-লুকুম্ লা-তাশ্'ঊরূন্।

আবদুস শহীদ নাসিম

নিশ্চয়ই যারা আল্লাহর রসূলের সামনে নিজেদের আওয়ায নিচু করে, তাদের অন্তরকে তাকওয়ার জন্যে পরীক্ষা করে নিয়েছেন। তাদের জন্যে রয়েছে মাগফিরাত এবং এক মহাপুরস্কার।

মুহিউদ্দীন খান

যারা আল্লাহর রসূলের সামনে নিজেদের কন্ঠস্বর নীচু করে, তাদের অন্তরকে শিষ্টাচারের জন্যে শোধিত করেছেন। তাদের জন্যে রয়েছে ক্ষমা ও মহাপুরস্কার।

বাংলা উচ্চারণ

ইন্নাল্ লাযীনা ইয়াগুদদ্বূনা আছওয়া তাহুম্ 'ইন্দা রসূলি ল্লা-হি উলা-য়িকাল্ লাযীনাম্ তাহানা ল্লা-হু কুলূ বাহুম্ লিত্তাকওয়া- লাহুম্ মাগ্ফিরাতুঁও অআজরুন্ 'আজীম্।

আবদুস শহীদ নাসিম

(হে নবী !) নিশ্চয়ই যারা তোমাকে তোমার ঘরের বাইরে থেকে ডাকাডাকি করে, তাদের অধিকাংশই বে - আকল।

মুহিউদ্দীন খান

যারা প্রাচীরের আড়াল থেকে আপনাকে উচুস্বরে ডাকে, তাদের অধিকাংশই অবুঝ।

বাংলা উচ্চারণ

ইন্নাল্ লাযীনা ইয়ুনা-দূনাকা মিওঁ অরা-য়িল্ হুজুর-তি আক্ছারুহুম্ লা-ইয়া'ক্বিলূন্।

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি বের হয়ে তাদের কাছে আসা পর্যন্ত যদি তারা ধৈর্য ধরতো, সেটাই হতো তাদের জন্যে কল্যাণকর। ক্ষমাশীল, দয়াময়।

মুহিউদ্দীন খান

যদি তারা আপনার বের হয়ে তাদের কাছে আসা পর্যন্ত সবর করত, তবে তা - ই তাদের জন্যে মঙ্গলজনক হত। ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।

বাংলা উচ্চারণ

অলাও আন্নাহুম্ ছোয়াবরূ হাত্তা- তাখ্রুজ্বা ইলাইহিম্ লাকা-না খইরল্ লাহুম্ অল্লা-হু গফূর্রু রহীম্।

আবদুস শহীদ নাসিম

হে লোকেরা! কোনো ফাসিক ব্যক্তি যদি তোমাদের কাছে কোনো খবর নিয়ে আসে, তোমরা তাকে পরীক্ষা করে দেখবে। কারণ, অজ্ঞতাবশত যেনো তোমরা কোনো গোষ্ঠীকে ক্ষতিগ্রস্ত করে না বসো এবং পরে যেনো তোমাদের কৃতকর্মের জন্যে তোমাদের অনুতপ্ত হতে না হয়।

মুহিউদ্দীন খান

মুমিনগণ! যদি কোন পাপাচারী ব্যক্তি তোমাদের কাছে কোন সংবাদ আনয়ন করে, তবে তোমরা পরীক্ষা করে দেখবে, যাতে অজ্ঞতাবশতঃ তোমরা কোন সম্প্রদায়ের ক্ষতিসাধনে প্রবৃত্ত না হও এবং পরে নিজেদের কৃতকর্মের জন্যে অনুতপ্ত না হও।

বাংলা উচ্চারণ

ইয়া য় আইয়্যুহাল্ লাযীনা আ-মানূ য় ইন্ জ্বা-য়া কুম্ ফা-সিকুম্ বিনাবায়িন্ ফাতাবাইয়্যানূ য় আন্ তুছীবূ ক্বাওমাম্ বিজ্বাহা-লাতিন্ ফাতুছ্বিহূ 'আলা-মা-ফা'আল্তুম্ না- দিমীন্।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা মনে রাখবে, তোমাদের মধ্যে রয়েছেন আল্লাহর রসূল। সে অনেক বিষয়ে তোমাদের কথা মেনে নিলে তোমরাই সমস্যায় পড়বে। কিন্তু তোমাদের কাছে ঈমানকে প্রিয় বানিয়ে দিয়েছেন এবং ঈমানকে তোমাদের হৃদয়ে করেছেন সুশোভিত। আর তিনি তোমাদের অপ্রিয় করে দিয়েছেন কুফুরি, ফাসেকি এবং অবাধ্যতাকে। এরাই সঠিক পথের অনুসারী,

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা জেনে রাখ তোমাদের মধ্যে আল্লাহর রসূল রয়েছেন। তিনি যদি অনেক বিষয়ে তোমাদের আবদার মেনে নেন, তবে তোমরাই কষ্ট পাবে। কিন্তু তোমাদের অন্তরে ঈমানের মহব্বত সৃষ্টি করে দিয়েছেন এবং তা হৃদয়গ্রাহী করে দিয়েছেন। পক্ষান্তরে কুফর, পাপাচার ও নাফরমানীর প্রতি ঘৃণা সৃষ্টি করে দিয়েছেন। তারাই সৎপথ অবলম্বনকারী।

বাংলা উচ্চারণ

ওয়া'লামূ য় আন্না ফী কুম্ রাসূলা ল্লা-হ্ লাও ইয়ুত্বীঊ'কুম্ ফী কাছীরিম্ মিনাল্ আম্রি লা'আনিত্তুম্ অলা-কিন্নাল্লা-হা হাব্বাবা ইলাইকুমুল্ ঈমা-না অযাইয়্যানাহূ ফী কুলূ বিকুম্ অ র্কারাহা ইলাইকুমুল্ কুফ্রা অল্ফুসূক্ব অল্ ই'ছ্ইয়া-ন্ উলা-য়িকা হুর্মু র-শিদূন্।

আবদুস শহীদ নাসিম

আল্লাহর অনুগ্রহ এবং দান হিসেবে। সর্বজ্ঞানী, প্রজ্ঞাবান।

মুহিউদ্দীন খান

এটা আল্লাহর কৃপা ও নিয়ামতঃ সর্বজ্ঞ প্রজ্ঞাময়।

বাংলা উচ্চারণ

ফাদ্ব্লাম্ মিনা ল্লা-হি অনি'মাহ্ অল্লা-হু 'আলীমুন্ হাকীম্।

আবদুস শহীদ নাসিম

মুমিনদের দুটি দল যদি দ্বন্দ - সংঘাতে লিপ্ত হয়, তবে তোমরা তাদের মাঝে মীমাংসা করে দেবে। তাদের একটি দল যদি অপর দলের বিরুদ্ধে বাড়াবাড়ি করে, তবে যারা বাড়াবাড়ি করে তাদের বিরুদ্ধে তোমরা যুদ্ধ করবে যতোক্ষণ না তারা আল্লাহর নির্দেশের দিকে ফিরে আসে। যদি তারা ফিরে আসে, তখন তাদের মাঝে ন্যায়সংগত ভাবে ফায়সালা করে দাও এবং সুবিচার করো, নিশ্চয়ই পছন্দ করেন সুবিচারকদের।

মুহিউদ্দীন খান

যদি মুমিনদের দুই দল যুদ্ধে লিপ্ত হয়ে পড়ে, তবে তোমরা তাদের মধ্যে মীমাংসা করে দিবে। অতঃপর যদি তাদের একদল অপর দলের উপর চড়াও হয়, তবে তোমরা আক্রমণকারী দলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে; যে পর্যন্ত না তারা আল্লাহর নির্দেশের দিকে ফিরে আসে। যদি ফিরে আসে, তবে তোমরা তাদের মধ্যে ন্যায়ানুগ পন্থায় মীমাংসা করে দিবে এবং ইনছাফ করবে। নিশ্চয় ইনছাফকারীদেরকে পছন্দ করেন।

বাংলা উচ্চারণ

অইন্ ত্বোয়া-য়িফাতা-নি মিনাল্ মুমিনীনাক তাতালূ ফাআছ্লিহূ বাইনাহুমা- ফাইম্ বাগত্ ইহ্দা-হুমা-'আলাল্ উখ্রা-ফাক্ব-তিলু ল্লাতী তাব্গী হাত্তা-তাফী-য়া ইলা য় আম্রিল্লা-হি ফাইন্ ফা-য়াত্ ফাআছ্লিহূ বাইনাহুমা-বিল্'আদ্লি অ আকসিতু ইন্নাল্লা-হা ইয়ুহিব্বুল্ মুক্ব্ সিত্বীন্।

আবদুস শহীদ নাসিম

মুমিনরা পরস্পর ভাই ভাই, সুতরাং তোমরা ভাইদের মাঝে মীমাংসা করে দাও এবং আল্লাহকে ভয় করো, যাতে করে তোমরা রহমত প্রাপ্ত হও।

মুহিউদ্দীন খান

মুমিনরা তো পরস্পর ভাই - ভাই। অতএব, তোমরা তোমাদের দুই ভাইয়ের মধ্যে মীমাংসা করবে এবং আল্লাহকে ভয় করবে - যাতে তোমরা অনুগ্রহপ্রাপ্ত হও।

বাংলা উচ্চারণ

ইন্নামাল্ মুমিনূনা ইখ্ওয়াতুন্ ফাআছ্লিহূ বাইনা আখাওয়াইকুম্ অত্তাকু ল্লা-হা লা'আল্লাকুম্ র্তুহামূন্।

আবদুস শহীদ নাসিম

হে লোকেরা! কোনো পুরুষ যেনো অন্য পুরুষকে তিরস্কার না করে। কারণ যাকে তিরস্কার করা হয়, সে তিরস্কারকারী থেকে উত্তম হতে পারে। কোনো নারীও যেনো অপর নারীকে উপহাস না করে। কারণ, যাকে উপহাস করা হয়, সে উপহাসকারিণীর চাইতে উত্তম হতে পারে। তোমরা পরস্পরের প্রতি দোষারোপ করোনা এবং একে অপরকে মন্দ নামে ডেকোনা। ঈমান আনার পর মন্দ নামে ডাকা অতি মন্দ। (এমনটি করার পর) যারা তওবা করবে না (অনুতপ্ত হবেনা) তারা যালিম।

মুহিউদ্দীন খান

মুমিনগণ, কেউ যেন অপর কাউকে উপহাস না করে। কেননা, সে উপহাসকারী অপেক্ষা উত্তম হতে পারে এবং কোন নারী অপর নারীকেও যেন উপহাস না করে। কেননা, সে উপহাসকারিণী অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ হতে পারে। তোমরা একে অপরের প্রতি দোষারোপ করো না এবং একে অপরকে মন্দ নামে ডেকো না। কেউ বিশ্বাস স্থাপন করলে তাদের মন্দ নামে ডাকা গোনাহ। যারা এহেন কাজ থেকে তওবা না করে তারাই যালেম।

বাংলা উচ্চারণ

ইয়া য় আইয়ুহাল্ লাযীনা আ-মানূ লা-ইয়ার্স্খা ক্বওমুম্ মিন্ ক্বওমিন্ 'আসা য় আইঁ ইয়াকূনূ খইরাম্ মিন্হুম্ অলা-নিসা-য়ুম্ মিন্ নিসা-য়িন্ 'আসা য় আইঁ ইয়াকুন্না খইরাম্ মিন্হুন্না অলা-তাল্ মিযূ য় আন্ফুসাকুম্ অলা-তানা-বাযূ বিল্আল্ক্ব-ব্ বি'সাল্ ইস্মুল্ ফুসূকু বা'দাল্ ঈমা-নি অমাল্লাম্ ইয়াতুব্ ফায়ুলা-য়িকা হুমুজ্ জোয়া-লিমূন্।

আবদুস শহীদ নাসিম

হে লোকেরা! তোমরা বেশি বেশি ধারণা অনুমান করা থেকে দূরে থাকো, কারণ কোনো কোনো ধারণা অনুমান পাপ। তোমরা অপরের গোপন বিষয় সন্ধান করোনা এবং একে অপরের গীবত করোনা। তোমাদের কেউ কি তার মরা ভাইয়ের গোশ্ত খেতে চাইবে? তোমরা এমন কাজকে ঘৃণাই করো। আল্লাহকে ভয় করো। নিশ্চয়ই তওবা কবুলকারী, পরম দয়াবান।

মুহিউদ্দীন খান

মুমিনগণ, তোমরা অনেক ধারণা থেকে বেঁচে থাক। নিশ্চয় কতক ধারণা গোনাহ। এবং গোপনীয় বিষয় সন্ধান করো না। তোমাদের কেউ যেন কারও পশ্চাতে নিন্দা না করে। তোমাদের কেউ কি তারা মৃত ভ্রাতার মাংস ভক্ষণ করা পছন্দ করবে? বস্তুতঃ তোমরা তো একে ঘৃণাই কর। আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয় তওবা কবুলকারী, পরম দয়ালু।

বাংলা উচ্চারণ

ইয়া য় আইয়্যুহাল্লাযীনা আ-মানুজ তানিবূ কাছীরম্ মিনাজ্ জোয়ান্নি ইন্না বা'দ্বোয়াজ জোয়ান্নি ইছ্মুঁও অলা- তাজ্বাস্ সাসূ অলা-ইয়াগ্তাব্ বা'দ্ব ুকুম্ বাদ্বোয়া- আইয়ুহিব্বুআহাদুকুম্ আইঁ ইয়াকুলা লাহ্মা আখীহি মাইতান্ ফাকারিহ্ তুমূহ্ অত্তাকুল্লা-হ্ ইন্নাল্লা-হা তাওয়্যা-র্বু রহীম্।

আবদুস শহীদ নাসিম

হে মানুষ! আমরা তোমাদের সৃষ্টি করেছি একজন পুরুষ এবং একজন নারী থেকে, তারপর তোমাদের বিভক্ত করেছি বিভিন্ন জাতি ও গোত্রে, যাতে করে তোমরা পরস্পরের সাথে পরিচিত হতে পারো। নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে তোমাদের মধ্যে সে ব্যক্তিই অধিক মর্যাদাবান, যে অধিক । নিশ্চয়ই জ্ঞানী এবং অবগত।

মুহিউদ্দীন খান

হে মানব, আমি তোমাদেরকে এক পুরুষ ও এক নারী থেকে সৃষ্টি করেছি এবং তোমাদেরকে বিভিন্ন জাতি ও গোত্রে বিভক্ত করেছি, যাতে তোমরা পরস্পরে পরিচিতি হও। নিশ্চয় আল্লাহর কাছে সে - ই সর্বাধিক সম্ভ্রান্ত যে সর্বাধিক । নিশ্চয় সর্বজ্ঞ, সবকিছুর খবর রাখেন।

বাংলা উচ্চারণ

ইয়া য় আইয়ুহান্না-সু ইন্না- খলাক্বনা-কুম্ মিন্ যাকারিঁও অউন্ছা-অজ্বা'আল্না-কুম্ শু'ঊবাঁও অক্ববা-য়িলা লিতা'আ-রফূ ইন্না আক্রমাকুম্ 'ইন্দা ল্লা-হি আত্ক্ব-কুম্ ইন্নাল্লা-হা 'আলীমুন্ খর্বী।

আবদুস শহীদ নাসিম

বেদুঈনরা বলে: ‘আমরা ঈমান এনেছি।’ তুমি বলো: ‘তোমরা ঈমান আনোনি, বরং তোমরা বলো: ‘আমরা আত্মসমর্পণ করেছি।’ কারণ, ঈমান এখনো তোমাদের অন্তরে প্রবেশ করেনি। তোমরা যদি ও তাঁর রসূলের আনুগত্য করো, তাহলে তোমাদের আমল কিছুমাত্র কমানো হবেনা। নিশ্চয়ই পরম ক্ষমাশীল, পরম দয়াবান।

মুহিউদ্দীন খান

মরুবাসীরা বলেঃ আমরা বিশ্বাস স্থাপন করেছি। বলুনঃ তোমরা বিশ্বাস স্থাপন করনি; বরং বল, আমরা বশ্যতা স্বীকার করেছি। এখনও তোমাদের অন্তরে বিশ্বাস জন্মেনি। যদি তোমরা ও তাঁর রসূলের আনুগত্য কর, তবে তোমাদের কর্ম বিন্দুমাত্রও নিস্ফল করা হবে না। নিশ্চয়, ক্ষমাশীল, পরম মেহেরবান।

বাংলা উচ্চারণ

ক্ব-লাতিল্ আ'র-বু আ-মান্না- কুল্ লাম্ তুমিনূ অলা-কিন্ কুলূ য় আস্লাম্না-অলাম্মা- ইয়াদ্খুলিল্ ঈমা-নু ফী কুলূবিকুম্ অইন্ তুত্বী'ঊল্লা-হা অ রসূলাহূ লা-ইয়ালিত্কুম্ মিন্ আ'মা- লিকুম্ শাইয়া- ইন্নাল্লা-হা গফূর্রু রহীম্।

আবদুস শহীদ নাসিম

হলো তারা, যারা ঈমান এনেছে আল্লাহর প্রতি ও তাঁর রসূলের প্রতি এবং অত:পর আর সন্দেহ পোষণ করেনি, বরং আল্লাহর পথে জিহাদ করেছে মাল - সম্পদ এবং জান - প্রাণ দিয়ে, এরাই (ঈমানের দাবিতে) সত্যবাদী।

মুহিউদ্দীন খান

তারাই , যারা ও তাঁর রসূলের প্রতি ঈমান আনার পর সন্দেহ পোষণ করে না এবং আল্লাহর পথে প্রাণ ও ধন - সম্পদ দ্বারা জেহাদ করে। তারাই সত্যনিষ্ঠ।

বাংলা উচ্চারণ

ইন্নামাল্ মু'মিনূনাল্ লাযীনা আ-মানূ বিল্লা-হি অরসূলিহী ছুম্মা লাম্ ইর্য়াতা-বূ অজ্বা-হাদূ বিআম্ওয়া-লিহিম্ অআন্ফুসিহিম্ ফী সাবীলিল্লা-হ্ উলা-য়িকা হুমুছ্ ছোয়া-দিকুন্।

আবদুস শহীদ নাসিম

বলো: ‘তোমরা কি তোমাদের দীন সম্পর্কে আল্লাহকে জ্ঞান দিতে চাও? অথচ মহাকাশ ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে সবই জানেন। প্রতিটি বিষয়ে জ্ঞানী।’

মুহিউদ্দীন খান

বলুনঃ তোমরা কি তোমাদের ধর্ম পরায়ণতা সম্পর্কে আল্লাহকে অবহিত করছ? অথচ জানেন যা কিছু আছে ভূমন্ডলে এবং যা কিছু আছে নভোমন্ডলে। সর্ববিষয়ে সম্যক জ্ঞাত।

বাংলা উচ্চারণ

কুল্ আতু'আল্লিমূনাল্লা-হা বিদীনিকুম্ অল্লা-হু ইয়া'লামু মা-ফিস্ সামা-ওয়া-তি অমা-ফিল্ র্আদ্ব্ অল্লা-হু বিকুল্লি শাইয়িন্ 'আলীম্।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা মনে করে, ইসলামে প্রবেশ করে তারা তোমাকে ধন্য করেছে। বলো: ‘তোমাদের ইসলামে প্রবেশ আমাকে ধন্য করেছে মনে করোনা। বরং তোমাদেরকে ঈমানের দিকে পরিচালিত করে আল্লাহ্ই তোমাদের ধন্য করেছেন। যদি তোমরা সত্যবাদী হয়ে থাকো (তবে একথা স্বীকার করো)।

মুহিউদ্দীন খান

তারা মুসলমান হয়ে আপনাকে ধন্য করেছে মনে করে। বলুন, তোমরা মুসলমান হয়ে আমাকে ধন্য করেছ মনে করো না। বরং ঈমানের পথে পরিচালিত করে তোমাদেরকে ধন্য করেছেন, যদি তোমরা সত্যনিষ্ঠ হয়ে থাক।

বাংলা উচ্চারণ

ইয়ামুন্নুনা 'আলাইকা আন্ আস্লামূ কুল্ লা-তামুন্নু 'আলাইয়্যা ইস্লা-মাকুম্ বালিল্লা-হু ইয়ামুন্নু 'আলাইকুম্ আন্ হাদা-কুম্ লিল্ঈমা-নি ইন্ কুন্তুম্ ছোয়া-দিক্বীন্।

আবদুস শহীদ নাসিম

নিশ্চয়ই জানেন মহাকাশ এবং পৃথিবীর সমস্ত ()। তোমরা যা করো, তা দেখেন।

মুহিউদ্দীন খান

নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের বিষয় জানেন, তোমরা যা কর তা দেখেন।

বাংলা উচ্চারণ

ইন্নাল্লা-হা ইয়া'লামু গইবাস্ সামা-ওয়া-তি অল্র্আদ্ব অল্লা-হু বাছীরুম্ বিমা-তা'মালূন্।

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme