আন নাযিআত (যারা টেনে বের করে)
Chapter 79, 46 verses
-
আবদুস শহীদ নাসিম
-
মুহিউদ্দীন খান
-
বয়ান ফাউন্ডেশন
-
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
-
Word by word
About this chapter
মক্কায় অবতীর্ণ, আয়াত সংখ্যা : ৪৬, রুকু সংখ্যা: ০২
এই সূরার আলোচ্যসূচি
আয়াতআলোচ্য বিষয়
০১-১৪কিয়ামতের দৃশ্য।
১৫-২৬ফিরাউনের কাছে মূসার দাওয়াত। ফিরাউনের দাওয়াত প্রত্যাখ্যান। দুনিয়া ও আখিরাতে ফিরাউনের কঠিন শাস্তি আল্লাহ্ ভীরুদের জন্যে একটি শিক্ষা।
২৭-৩৬আল্লাহ্ মহাশক্তিমান। কিয়ামত সংঘটিত হবেই।
৩৭-৪১কারা জাহান্নামি এবং কারা জান্নাতি?
৪২-৪৬কিয়ামত কখন অনুষ্ঠিত হবে?
আবদুস শহীদ নাসিম
শপথ সেই (ফেরেশতাদের), যারা অত্যন্ত কঠোর ও নির্মমভাবে টেনে হিচঁড়ে বের করে নেয় ( ও দুষ্কৃতকারীদের প্রাণ)।
মুহিউদ্দীন খান
শপথ সেই ফেরেশতাগণের, যারা ডুব দিয়ে আত্মা উৎপাটন করে,
বয়ান ফাউন্ডেশন
কসম নির্মমভাবে (কাফিরদের রূহ) উৎপাটনকারীদের।* * ১-৫ নং আয়াতে বিভিন্ন কাজে নিয়োজিত ফেরেশতাদের কসম করা হয়েছে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
শপথ তাহাদের যাহারা নির্মমভাবে উৎপাটন করে,
Word by word
وَٱلنَّٰزِعَٰتِ غَرْقًا
আবদুস শহীদ নাসিম
আর শপথ সেই (ফেরেশতাদের) যারা অত্যন্ত কোমলভাবে বের করে আনে (মুমিনদের আত্মা)।
মুহিউদ্দীন খান
শপথ তাদের, যারা আত্মার বাঁধন খুলে দেয় মৃদুভাবে;
বয়ান ফাউন্ডেশন
আর কসম সহজভাবে বন্ধনমুক্তকারীদের।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
এবং যাহারা মৃদুভাবে বন্ধনমুক্ত করিয়া দেয়
Word by word
وَٱلنَّٰشِطَٰتِ نَشْطًا
আবদুস শহীদ নাসিম
এবং শপথ সেইসব (ফেরেশতা, কিংবা গ্রহের) যারা সাঁতরে চলে।
মুহিউদ্দীন খান
শপথ তাদের, যারা সন্তরণ করে দ্রুতগতিতে,
বয়ান ফাউন্ডেশন
আর কসম দ্রুতগতিতে সন্তরণকারীদের।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
এবং যাহারা তীব্র গতিতে সন্তরণ করে,
Word by word
وَٱلسَّٰبِحَٰتِ سَبْحًا
আবদুস শহীদ নাসিম
আর শপথ সেইসব (ফেরেশতা, নক্ষত্র, কিংবা ঘোড়ার) যারা নির্দেশক্রমে সবেগে ধাবিত হয়।
মুহিউদ্দীন খান
শপথ তাদের, যারা দ্রুতগতিতে অগ্রসর হয় এবং
বয়ান ফাউন্ডেশন
আর দ্রুতবেগে অগ্রসরমানদের।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর যাহারা দ্রুতবেগে অগ্রসর হয়,
Word by word
فَٱلسَّٰبِقَٰتِ سَبْقًا
আবদুস শহীদ নাসিম
আর শপথ সেই (ফেরেশতাদের) যারা তাদের প্রভুর নির্দেশক্রমে কার্য সম্পাদন করে থাকে।
মুহিউদ্দীন খান
শপথ তাদের, যারা সকল কর্মনির্বাহ করে, কেয়ামত অবশ্যই হবে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
অতঃপর কসম সকল কার্যনির্বাহকারীদের।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
অতঃপর যাহারা সকল কর্ম নির্বাহ করে।
Word by word
فَٱلْمُدَبِّرَٰتِ أَمْرًا
আবদুস শহীদ নাসিম
সেদিন যখন (প্রথমবার শিংগায় ফুঁ দেয়া হবে), তখন (পৃথিবী, পাহাড় সবই) প্রবল ধাক্কায় বিশৃংখল হয়ে পড়বে।
মুহিউদ্দীন খান
যেদিন প্রকম্পিত করবে প্রকম্পিতকারী,
বয়ান ফাউন্ডেশন
সেদিন কম্পনকারী* প্রকম্পিত করবে। *অর্থাৎ প্রথম শিংগাধ্বনি।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
সেই দিন প্রথম শিংগাধ্বনি প্রকম্পিত করিবে,
Word by word
يَوْمَ تَرْجُفُ ٱلرَّاجِفَةُ
আবদুস শহীদ নাসিম
প্রথমটিকে অনুসরণ করবে আরেকটি শিংগাধবনি (তখন পুনরুত্থিত হবে সব মানুষ)।
মুহিউদ্দীন খান
অতঃপর পশ্চাতে আসবে পশ্চাদগামী;
বয়ান ফাউন্ডেশন
তাকে অনুসরণ করবে পরবর্তী কম্পনকারী।* *দ্বিতীয় শিংগাধ্বনি।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
উহাকে অনুসরণ করিবে পরবর্তী শিংগাধ্বনি,
Word by word
تَتْبَعُهَا ٱلرَّادِفَةُ
আবদুস শহীদ নাসিম
কতো হৃদয় সেদিন কম্পমান হবে ভয়ে।
মুহিউদ্দীন খান
সেদিন অনেক হৃদয় ভীত - বিহবল হবে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
সেদিন অনেক হৃদয় ভীত-সন্ত্রস্ত হবে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
কত হৃদয় সেই দিন সন্ত্রস্ত হইবে,
Word by word
قُلُوبٌ يَوْمَئِذٍ وَاجِفَةٌ
আবদুস শহীদ নাসিম
তাদের দৃষ্টি হবে (অপমানে) অবনমিত।
মুহিউদ্দীন খান
তাদের দৃষ্টি নত হবে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
তাদের দৃষ্টিসমূহ নত হবে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
উহাদের দৃষ্টি ভীতি - বিহ্বলতায় নত হইবে।
Word by word
أَبْصَٰرُهَا خَٰشِعَةٌ
আবদুস শহীদ নাসিম
এরা বলে: ‘‘(মরার পর) আমাদের কি আবার পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে (জীবিত করে) আনা হবে?
মুহিউদ্দীন খান
তারা বলেঃ আমরা কি উলটো পায়ে প্রত্যাবর্তিত হবই -
বয়ান ফাউন্ডেশন
তারা বলে, ‘আমরা কি পূর্বাবস্থায় প্রত্যাবর্তিত হবই,
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তাহারা বলে, ‘আমরা কি পূর্বাবস্থায় প্রত্যাবর্তিত হইবই -
Word by word
يَقُولُونَ أَءِنَّا لَمَرْدُودُونَ فِى ٱلْحَافِرَةِ
আবদুস শহীদ নাসিম
আমাদের হাড় - গোড় পঁচে গলে (বিনাশ হয়ে) যাবার পরও?’’
মুহিউদ্দীন খান
গলিত অস্থি হয়ে যাওয়ার পরও?
বয়ান ফাউন্ডেশন
যখন আমরা চূর্ণ-বিচূর্ণ হাড় হয়ে যাব’?
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গলিত অস্থিতে পরিণত হওয়ার পরও?’
Word by word
أَءِذَا كُنَّا عِظَٰمًا نَّخِرَةً
আবদুস শহীদ নাসিম
তারা বলে: ‘তবে তো সেটা হবে এক বড় ক্ষতিকর ফিরে আসা।’
মুহিউদ্দীন খান
তবে তো এ প্রত্যাবর্তন সর্বনাশা হবে!
বয়ান ফাউন্ডেশন
তারা বলে, ‘তাহলে তা তো এক ক্ষতিকর প্রত্যাবর্তন’।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তাহারা বলে, ‘তাহাই যদি হয় তবে তো ইহা সর্বনাশা প্রত্যাবর্তন।’
Word by word
قَالُوا۟ تِلْكَ إِذًا كَرَّةٌ خَاسِرَةٌ
আবদুস শহীদ নাসিম
আসল ব্যাপার হলো, ওটা হবে এক বিকট আওয়ায (দ্বিতীয় শিংগা ধ্বনি)।
মুহিউদ্দীন খান
অতএব, এটা তো কেবল এক মহা - নাদ,
বয়ান ফাউন্ডেশন
আর ওটা তো কেবল এক বিকট আওয়াজ।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
ইহা তো কেবল এক বিকট আওয়াজ,
Word by word
فَإِنَّمَا هِىَ زَجْرَةٌ وَٰحِدَةٌ
আবদুস শহীদ নাসিম
(সেই বিকট ধ্বনির) সাথে সাথেই তারা নিজেদেরকে জীবিত হাজির দেখতে পাবে এক উন্মুক্ত ময়দানে।
মুহিউদ্দীন খান
তখনই তারা ময়দানে আবির্ভূত হবে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
তৎক্ষনাৎ তারা ভূ-পৃষ্ঠে উপস্থিত হবে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তখনই ময়দানে উহাদের আবির্ভাব হইবে।
Word by word
فَإِذَا هُم بِٱلسَّاهِرَةِ
আবদুস শহীদ নাসিম
তোমার কাছে মূসার হাদিস (ইতিহাস, ঘটনাবলি) পৌছেছে কি?
মুহিউদ্দীন খান
মূসার বৃত্তান্ত আপনার কাছে পৌছেছে কি?
বয়ান ফাউন্ডেশন
মূসার বৃত্তান্ত তোমার কাছে পৌঁছেছে কি?
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তোমার নিকট মূসার বৃত্তান্ত পৌঁছিয়াছে কি?
Word by word
هَلْ أَتَىٰكَ حَدِيثُ مُوسَىٰٓ
আবদুস শহীদ নাসিম
যখন তার প্রভু তাকে পবিত্র তোয়া উপত্যকায় ডেকে বলেছিলেন:
মুহিউদ্দীন খান
যখন তার পালনকর্তা তাকে পবিত্র তুয়া উপ্যকায় আহবান করেছিলেন,
বয়ান ফাউন্ডেশন
যখন তার রব তাকে পবিত্র তুওয়া উপত্যকায় ডেকেছিলেন,
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যখন তাহার প্রতিপালক পবিত্র উপত্যকা তুওয়া - য় তাহাকে আহ্বান করিয়া বলিয়াছিলেন,
Word by word
إِذْ نَادَىٰهُ رَبُّهُۥ بِٱلْوَادِ ٱلْمُقَدَّسِ طُوًى
আবদুস শহীদ নাসিম
ফেরাউনের কাছে যাও, সে লংঘন করেছে সমস্ত সীমা।
মুহিউদ্দীন খান
ফেরাউনের কাছে যাও, নিশ্চয় সে সীমালংঘন করেছে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
‘ফির‘আউনের কাছে যাও, নিশ্চয় সে সীমালংঘন করেছে’।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
‘ফির‘আওনের নিকট যাও, সে তো সীমালংঘন করিয়াছে,’
Word by word
ٱذْهَبْ إِلَىٰ فِرْعَوْنَ إِنَّهُۥ طَغَىٰ
আবদুস শহীদ নাসিম
তুমি গিয়ে তাকে বলো: তুমি কি (কুফর, শিরক ও সীমালংঘন থেকে) পবিত্র হবে?
মুহিউদ্দীন খান
অতঃপর বলঃ তোমার পবিত্র হওয়ার আগ্রহ আছে কি?
বয়ান ফাউন্ডেশন
অতঃপর বল ‘তোমার কি ইচ্ছা আছে যে, তুমি পবিত্র হবে’?
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
এবং বল, ‘তোমার কি আগ্রহ আছে যে, তুমি পবিত্র হও -
Word by word
فَقُلْ هَل لَّكَ إِلَىٰٓ أَن تَزَكَّىٰ
আবদুস শহীদ নাসিম
আর আমি কি তোমাকে সঠিক পথ দেখাবো তোমার মালিকের দিকে, যাতে করে তোমার মধ্যে জাগ্রত হয় তাঁর ভয়?
মুহিউদ্দীন খান
আমি তোমাকে তোমার পালনকর্তার দিকে পথ দেখাব, যাতে তুমি তাকে ভয় কর।
বয়ান ফাউন্ডেশন
‘আর আমি তোমাকে তোমার রবের দিকে পথ দেখাব, যাতে তুমি তাঁকে ভয় কর?’
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
‘আর আমি তোমাকে তোমার প্রতিপালকের দিকে পথপ্রদর্শন করি যাহাতে তুমি তাঁহাকে ভয় কর?’
Word by word
وَأَهْدِيَكَ إِلَىٰ رَبِّكَ فَتَخْشَىٰ
আবদুস শহীদ নাসিম
তারপর সে (মূসা) তার (ফেরাউনের) কাছে গিয়ে তাকে অনেক বড় নিদর্শন দেখালো।
মুহিউদ্দীন খান
অতঃপর সে তাকে মহা - নিদর্শন দেখাল।
বয়ান ফাউন্ডেশন
অতঃপর মূসা তাকে বিরাট নিদর্শন দেখাল।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
অতঃপর সে উহাকে মহানিদর্শন দেখাইল।
Word by word
فَأَرَىٰهُ ٱلْءَايَةَ ٱلْكُبْرَىٰ
আবদুস শহীদ নাসিম
কিন্তু সে মিথ্যা বলে প্রত্যাখ্যান করলো এবং অমান্য করলো।
মুহিউদ্দীন খান
কিন্তু সে মিথ্যারোপ করল এবং অমান্য করল।
বয়ান ফাউন্ডেশন
কিন্তু সে অস্বীকার করল এবং অমান্য করল।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
কিন্তু সে অস্বীকার করিল এবং অবাধ্য হইল।
Word by word
فَكَذَّبَ وَعَصَىٰ
আবদুস শহীদ নাসিম
তারপর সে ষড়যন্ত্র অাঁটার প্রচেষ্টায় পিছু হটলো।
মুহিউদ্দীন খান
অতঃপর সে প্রতিকার চেষ্টায় প্রস্থান করল।
বয়ান ফাউন্ডেশন
তারপর সে ফাসাদ করার চেষ্টায় প্রস্থান করল।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
অতঃপর সে পশ্চাৎ ফিরিয়া প্রতিবিধানে সচেষ্ট হইল।
Word by word
ثُمَّ أَدْبَرَ يَسْعَىٰ
আবদুস শহীদ নাসিম
অতপর (জনতাকে) সমবেত করে ঘোষণা দিলো।
মুহিউদ্দীন খান
সে সকলকে সমবেত করল এবং সজোরে আহবান করল,
বয়ান ফাউন্ডেশন
অতঃপর সে লোকদেরকে একত্র করে ঘোষণা দিল।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
সে সকলকে সমবেত করিল এবং উচ্চৈ:স্বরে ঘোষণা করিল,
Word by word
فَحَشَرَ فَنَادَىٰ
আবদুস শহীদ নাসিম
বললো: ‘আমিই তোমাদের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রভু।’
মুহিউদ্দীন খান
এবং বললঃ আমিই তোমাদের সেরা পালনকর্তা।
বয়ান ফাউন্ডেশন
আর বলল, ‘আমিই তোমাদের সর্বোচ্চ রব’।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর বলিল, ‘আমিই তোমাদের শ্রেষ্ঠ প্রতিপালক।’
Word by word
فَقَالَ أَنَا۠ رَبُّكُمُ ٱلْأَعْلَىٰ
আবদুস শহীদ নাসিম
সুতরাং তাকে কঠিন শাস্তিতে পাকড়াও করলেন তার শেষ ও প্রথম সীমা লংঘনের জন্যে।
মুহিউদ্দীন খান
অতঃপর তাকে পরকালের ও ইহকালের শাস্তি দিলেন।
বয়ান ফাউন্ডেশন
অবশেষে তাকে ও দুনিয়ার আযাবে পাকড়াও করলেন।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
অতঃপর উহাকে আখিরাতে ও দুনিয়াতে কঠিন শাস্তিতে পাকড়াও করিলেন।
Word by word
فَأَخَذَهُ ٱللَّهُ نَكَالَ ٱلْءَاخِرَةِ وَٱلْأُولَىٰٓ
আবদুস শহীদ নাসিম
অবশ্যি এ ঘটনার মধ্যে শিক্ষামূলক উপদেশ রয়েছে ঐ ব্যক্তির জন্যে, যে ভয় করে (আল্লাহকে)।
মুহিউদ্দীন খান
যে ভয় করে তার জন্যে অবশ্যই এতে শিক্ষা রয়েছে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
নিশ্চয় যে ভয় করে তার জন্য এতে শিক্ষা রয়েছে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যে ভয় করে তাহার জন্য অবশ্যই ইহাতে শিক্ষা রহিয়াছে।
Word by word
إِنَّ فِى ذَٰلِكَ لَعِبْرَةً لِّمَن يَخْشَىٰٓ
আবদুস শহীদ নাসিম
তোমাদের সৃষ্টি করা বেশি কঠিন কাজ, না মহাকাশ সৃষ্টি করা? তিনিই তো সৃষ্টি করেছেন এই (মহাকাশ)।
মুহিউদ্দীন খান
তোমাদের সৃষ্টি অধিক কঠিন না আকাশের, যা তিনি নির্মাণ করেছেন?
বয়ান ফাউন্ডেশন
তোমাদেরকে সৃষ্টি করা অধিক কঠিন, না আসমান সৃষ্টি? তিনি তা বানিয়েছেন।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তোমাদেরকে সৃষ্টি করা কঠিনতর, না আকাশ সৃষ্টি? তিনিই ইহা নির্মাণ করিয়াছেন;
Word by word
ءَأَنتُمْ أَشَدُّ خَلْقًا أَمِ ٱلسَّمَآءُ بَنَىٰهَا
আবদুস শহীদ নাসিম
তিনিই অনেক উপরে উঠিয়েছেন এর উচ্চতা, অতপর তাকে ভারসাম্যপূর্ণ ও সুবিন্যস্ত করেছেন।
মুহিউদ্দীন খান
তিনি একে উচ্চ করেছেন ও সুবিন্যস্ত করেছেন।
বয়ান ফাউন্ডেশন
তিনি এর ছাদকে উচ্চ করেছেন এবং তাকে সুসম্পন্ন করেছেন।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তিনি ইহার ছাদকে সুউচ্চ করিয়াছেন ও সুবিন্যস্ত করিয়াছেন।
Word by word
رَفَعَ سَمْكَهَا فَسَوَّىٰهَا
আবদুস শহীদ নাসিম
আর রাতকে তিনি ঢেকে দেন অন্ধকার দিয়ে, আর দিনকে বের করে আনেন আলোকিত করে।
মুহিউদ্দীন খান
তিনি এর রাত্রিকে করেছেন অন্ধকারাচ্ছন্ন এবং এর সূর্যোলোক প্রকাশ করেছেন।
বয়ান ফাউন্ডেশন
আর তিনি এর রাতকে অন্ধকারাচ্ছন্ন করেছেন এবং এর দিবালোক প্রকাশ করেছেন।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর তিনি ইহার রাত্রিকে করিয়াছেন অন্ধকারাচ্ছন্ন এবং প্রকাশ করিয়াছেন ইহার সূর্যালোক;
Word by word
وَأَغْطَشَ لَيْلَهَا وَأَخْرَجَ ضُحَىٰهَا
আবদুস শহীদ নাসিম
এরপর তিনি বিছিয়ে দিয়েছেন পৃথিবীকে।
মুহিউদ্দীন খান
পৃথিবীকে এর পরে বিস্তৃত করেছেন।
বয়ান ফাউন্ডেশন
এরপর তিনি যমীনকে বিস্তীর্ণ করেছেন।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
এবং পৃথিবীকে ইহার পর বিস্তৃত করিয়াছেন।
Word by word
وَٱلْأَرْضَ بَعْدَ ذَٰلِكَ دَحَىٰهَآ
আবদুস শহীদ নাসিম
তার (পৃথিবীর) মধ্য থেকেই বের করেছেন তার পানি ও তৃণ - লতা (উদ্ভিদ)।
মুহিউদ্দীন খান
তিনি এর মধ্য থেকে এর পানি ও ঘাম নির্গত করেছেন,
বয়ান ফাউন্ডেশন
তিনি তার ভিতর থেকে বের করেছেন তার পানি ও তার তৃণভূমি।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তিনি উহা হইতে বহির্গত করিয়াছেন উহার পানি ও তৃণ,
Word by word
أَخْرَجَ مِنْهَا مَآءَهَا وَمَرْعَىٰهَا
আবদুস শহীদ নাসিম
এবং তার মধ্যে মজবুতভাবে গেড়ে দিয়েছেন পাহাড় - পর্বত।
মুহিউদ্দীন খান
পর্বতকে তিনি দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন,
বয়ান ফাউন্ডেশন
আর পর্বতগুলোকে তিনি দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
এবং পর্বতকে তিনি দৃঢ়ভাবে প্রোথিত করিয়াছেন;
Word by word
وَٱلْجِبَالَ أَرْسَىٰهَا
আবদুস শহীদ নাসিম
(এসবই করেছেন) তোমাদের ও তোমাদের পশুদের কল্যাণার্থে।
মুহিউদ্দীন খান
তোমাদের ও তোমাদের চতুস্পদ জন্তুদের উপকারার্থে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
তোমাদের ও তোমাদের চতুষ্পদ জন্তুগুলোর জীবনোপকরণস্বরূপ।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
এই সমস্ত তোমাদের ও তোমাদের চতুষ্পদ জন্তুদের ভোগের জন্য।
Word by word
مَتَٰعًا لَّكُمْ وَلِأَنْعَٰمِكُمْ
আবদুস শহীদ নাসিম
অতপর যেদিন ঘটে যাবে মহাবিপর্যয়,
মুহিউদ্দীন খান
অতঃপর যখন মহাসংকট এসে যাবে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
অতঃপর যখন মহাপ্রলয় আসবে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
অতঃপর যখন মহাসংকট উপস্থিত হইবে
Word by word
فَإِذَا جَآءَتِ ٱلطَّآمَّةُ ٱلْكُبْرَىٰ
আবদুস শহীদ নাসিম
যেদিন মানুষ খুব করে স্মরণ করবে তার (পৃথিবীর জীবনের) সা’য়ীর (ব্যস্ততা ও কৃতকর্মের) কথা,
মুহিউদ্দীন খান
অর্থাৎ যেদিন মানুষ তার কৃতকর্ম স্মরণ করবে
বয়ান ফাউন্ডেশন
সেদিন মানুষ স্মরণ করবে তা, যা সে চেষ্টা করেছে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
মানুষ যাহা করিয়াছে তাহা সে সেই দিন স্মরণ করিবে,
Word by word
يَوْمَ يَتَذَكَّرُ ٱلْإِنسَٰنُ مَا سَعَىٰ
আবদুস শহীদ নাসিম
এবং যেদিন দর্শকদের সামনে খুলে ধরা হবে জাহিম (দোযখ),
মুহিউদ্দীন খান
এবং দর্শকদের জন্যে জাহান্নাম প্রকাশ করা হবে,
বয়ান ফাউন্ডেশন
আর জাহান্নামকে প্রকাশ করা হবে তার জন্য যে দেখতে পায়।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
এবং প্রকাশ করা হইবে জাহান্নাম দর্শকদের জন্য।
Word by word
وَبُرِّزَتِ ٱلْجَحِيمُ لِمَن يَرَىٰ
আবদুস শহীদ নাসিম
সেদিন (এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হবে যে,) পৃথিবীর জীবনে যারা সীমালংঘন করেছিল,
মুহিউদ্দীন খান
তখন যে ব্যক্তি সীমালংঘন করেছে;
বয়ান ফাউন্ডেশন
সুতরাং যে সীমালঙ্ঘন করে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
অনন্তর যে সীমালংঘন করে
Word by word
فَأَمَّا مَن طَغَىٰ
আবদুস শহীদ নাসিম
এবং (আখিরাতের চাইতে) অগ্রাধিকার দিয়েছিল দুনিয়ার জীবনকে,
মুহিউদ্দীন খান
এবং পার্থিব জীবনকে অগ্রাধিকার দিয়েছে,
বয়ান ফাউন্ডেশন
আর দুনিয়ার জীবনকে প্রাধান্য দেয়,
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
এবং পার্থিব জীবনকে অগ্রাধিকার দেয়,
Word by word
وَءَاثَرَ ٱلْحَيَوٰةَ ٱلدُّنْيَا
আবদুস শহীদ নাসিম
তাদের আবাস হবে জাহিম (দোযখ)।
মুহিউদ্দীন খান
তার ঠিকানা হবে জাহান্নাম।
বয়ান ফাউন্ডেশন
নিশ্চয় জাহান্নাম হবে তার আবাসস্থল।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
জাহান্নামই হইবে তাহার আবাস।
Word by word
فَإِنَّ ٱلْجَحِيمَ هِىَ ٱلْمَأْوَىٰ
আবদুস শহীদ নাসিম
আর যে তার মহান প্রভুর সামনে দাঁড়াবার ভয়ে ভীত ছিলো এবং নিজেকে আত্মার দাসত্ব ও মন্দ কামনা - বাসনা থেকে বিরত রেখেছিল,
মুহিউদ্দীন খান
পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি তার পালনকর্তার সামনে দন্ডায়মান হওয়াকে ভয় করেছে এবং খেয়াল - খুশী থেকে নিজেকে নিবৃত্ত রেখেছে,
বয়ান ফাউন্ডেশন
আর যে স্বীয় রবের সামনে দাঁড়ানোকে ভয় করে এবং কুপ্রবৃত্তি থেকে নিজকে বিরত রাখে,
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
পক্ষান্তরে যে স্বীয় প্রতিপালকের সম্মুখে উপস্থিত হওয়ার ভয় রাখে এবং প্রবৃত্তি হইতে নিজকে বিরত রাখে,
Word by word
وَأَمَّا مَنْ خَافَ مَقَامَ رَبِّهِۦ وَنَهَى ٱلنَّفْسَ عَنِ ٱلْهَوَىٰ
আবদুস শহীদ নাসিম
জান্নাতই হবে তাদের আবাস।
মুহিউদ্দীন খান
তার ঠিকানা হবে জান্নাত।
বয়ান ফাউন্ডেশন
নিশ্চয় জান্নাত হবে তার আবাসস্থল।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
জান্নাতই হইবে তাহার আবাস।
Word by word
فَإِنَّ ٱلْجَنَّةَ هِىَ ٱلْمَأْوَىٰ
আবদুস শহীদ নাসিম
(হে মুহাম্মদ!) এরা তোমাকে জিজ্ঞেস করছে সেই সময়টি সম্পর্কে - তা কখন অনুষ্ঠিত হবে?
মুহিউদ্দীন খান
তারা আপনাকে জিজ্ঞাসা করে, কেয়ামত কখন হবে?
বয়ান ফাউন্ডেশন
তারা তোমাকে কিয়ামত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে, ‘তা কখন ঘটবে’?
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
উহারা তোমাকে জিজ্ঞাসা করে কিয়ামত সম্পর্কে, ‘উহা কখন ঘটিবে?’
Word by word
يَسْـَٔلُونَكَ عَنِ ٱلسَّاعَةِ أَيَّانَ مُرْسَىٰهَا
আবদুস শহীদ নাসিম
(কিন্তু) এ ব্যাপারে বলার কী জ্ঞান তোমার আছে?
মুহিউদ্দীন খান
এর বর্ণনার সাথে আপনার কি সম্পর্ক ?
বয়ান ফাউন্ডেশন
তা উল্লেখ করার কি জ্ঞান তোমার আছে?
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
ইহার আলোচনার সঙ্গে তোমার কী সম্পর্ক?
Word by word
فِيمَ أَنتَ مِن ذِكْرَىٰهَآ
আবদুস শহীদ নাসিম
এর জ্ঞান তো শুধুমাত্র তোমার প্রভুর নিকটই সীমাবদ্ধ।
মুহিউদ্দীন খান
এর চরম জ্ঞান আপনার পালনকর্তার কাছে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
এর প্রকৃত জ্ঞান তোমার রবের কাছেই।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
ইহার পরম জ্ঞান আছে তোমার প্রতিপালকেরই নিকট;
Word by word
إِلَىٰ رَبِّكَ مُنتَهَىٰهَآ
আবদুস শহীদ নাসিম
তুমি তো একজন সতর্ককারী মাত্র, তাদের জন্যে যারা তাকে (কিয়ামতকে) ভয় করে।
মুহিউদ্দীন খান
যে একে ভয় করে, আপনি তো কেবল তাকেই সতর্ক করবেন।
বয়ান ফাউন্ডেশন
তুমিতো কেবল তাকেই সতর্ককারী, যে একে ভয় করে ।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যে উহার ভয় রাখে তুমি কেবল তাহার সতর্ককারী।
Word by word
إِنَّمَآ أَنتَ مُنذِرُ مَن يَخْشَىٰهَا
আবদুস শহীদ নাসিম
যেদিন তারা সে দিনটিকে দেখতে পাবে, তারা অনুভব করবে, পৃথিবীতে তারা কাটিয়েছে একটি সন্ধ্যা, কিংবা একটি সকাল মাত্র।
মুহিউদ্দীন খান
যেদিন তারা একে দেখবে, সেদিন মনে হবে যেন তারা দুনিয়াতে মাত্র এক সন্ধ্যা অথবা এক সকাল অবস্থান করেছে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
যেদিন তারা তা দেখবে, সেদিন তাদের মনে হবে, যেন তারা (দুনিয়ায়) এক সন্ধ্যা বা এক সকালের বেশী অবস্থান করেনি।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যেই দিন উহারা ইহা প্রত্যক্ষ করিবে সেই দিন উহাদের মনে হইবে যেন উহারা পৃথিবীতে মাত্র এক সন্ধ্যা অথবা এক প্রভাত অবস্থান করিয়াছে!
Word by word
كَأَنَّهُمْ يَوْمَ يَرَوْنَهَا لَمْ يَلْبَثُوٓا۟ إِلَّا عَشِيَّةً أَوْ ضُحَىٰهَا