Kitab

আন নাযিআত (যারা টেনে বের করে)

Chapter 79, 46 verses

  • আবদুস শহীদ নাসিম
  • মুহিউদ্দীন খান
  • বয়ান ফাউন্ডেশন
About this chapter


মক্কায় অবতীর্ণ, আয়াত সংখ্যা : ৪৬, রুকু সংখ্যা: ০২

এই সূরার আলোচ্যসূচি

আয়াতআলোচ্য বিষয় ০১-১৪কিয়ামতের দৃশ্য। ১৫-২৬ফিরাউনের কাছে মূসার দাওয়াত। ফিরাউনের দাওয়াত প্রত্যাখ্যান। দুনিয়া ও আখিরাতে ফিরাউনের কঠিন শাস্তি আল্লাহ্ ভীরুদের জন্যে একটি শিক্ষা। ২৭-৩৬আল্লাহ্ মহাশক্তিমান। কিয়ামত সংঘটিত হবেই। ৩৭-৪১কারা জাহান্নামি এবং কারা জান্নাতি? ৪২-৪৬কিয়ামত কখন অনুষ্ঠিত হবে?
আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ সেই (ফেরেশতাদের), যারা অত্যন্ত কঠোর ও নির্মমভাবে টেনে হিচঁড়ে বের করে নেয় ( ও দুষ্কৃতকারীদের প্রাণ)।

মুহিউদ্দীন খান

শপথ সেই ফেরেশতাগণের, যারা ডুব দিয়ে আত্মা উৎপাটন করে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

কসম নির্মমভাবে (কাফিরদের রূহ) উৎপাটনকারীদের।* * ১-৫ নং আয়াতে বিভিন্ন কাজে নিয়োজিত ফেরেশতাদের কসম করা হয়েছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর শপথ সেই (ফেরেশতাদের) যারা অত্যন্ত কোমলভাবে বের করে আনে (মুমিনদের আত্মা)।

মুহিউদ্দীন খান

শপথ তাদের, যারা আত্মার বাঁধন খুলে দেয় মৃদুভাবে;

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর কসম সহজভাবে বন্ধনমুক্তকারীদের।

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং শপথ সেইসব (ফেরেশতা, কিংবা গ্রহের) যারা সাঁতরে চলে।

মুহিউদ্দীন খান

শপথ তাদের, যারা সন্তরণ করে দ্রুতগতিতে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর কসম দ্রুতগতিতে সন্তরণকারীদের।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর শপথ সেইসব (ফেরেশতা, নক্ষত্র, কিংবা ঘোড়ার) যারা নির্দেশক্রমে সবেগে ধাবিত হয়।

মুহিউদ্দীন খান

শপথ তাদের, যারা দ্রুতগতিতে অগ্রসর হয় এবং

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর দ্রুতবেগে অগ্রসরমানদের।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর শপথ সেই (ফেরেশতাদের) যারা তাদের প্রভুর নির্দেশক্রমে কার্য সম্পাদন করে থাকে।

মুহিউদ্দীন খান

শপথ তাদের, যারা সকল কর্মনির্বাহ করে, কেয়ামত অবশ্যই হবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর কসম সকল কার্যনির্বাহকারীদের।

আবদুস শহীদ নাসিম

সেদিন যখন (প্রথমবার শিংগায় ফুঁ দেয়া হবে), তখন (পৃথিবী, পাহাড় সবই) প্রবল ধাক্কায় বিশৃংখল হয়ে পড়বে।

মুহিউদ্দীন খান

যেদিন প্রকম্পিত করবে প্রকম্পিতকারী,

বয়ান ফাউন্ডেশন

সেদিন কম্পনকারী* প্রকম্পিত করবে। *অর্থাৎ প্রথম শিংগাধ্বনি।

আবদুস শহীদ নাসিম

প্রথমটিকে অনুসরণ করবে আরেকটি শিংগাধবনি (তখন পুনরুত্থিত হবে সব মানুষ)।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর পশ্চাতে আসবে পশ্চাদগামী;

বয়ান ফাউন্ডেশন

তাকে অনুসরণ করবে পরবর্তী কম্পনকারী।* *দ্বিতীয় শিংগাধ্বনি।

আবদুস শহীদ নাসিম

কতো হৃদয় সেদিন কম্পমান হবে ভয়ে।

মুহিউদ্দীন খান

সেদিন অনেক হৃদয় ভীত - বিহবল হবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

সেদিন অনেক হৃদয় ভীত-সন্ত্রস্ত হবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের দৃষ্টি হবে (অপমানে) অবনমিত।

মুহিউদ্দীন খান

তাদের দৃষ্টি নত হবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তাদের দৃষ্টিসমূহ নত হবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

এরা বলে: ‘‘(মরার পর) আমাদের কি আবার পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে (জীবিত করে) আনা হবে?

মুহিউদ্দীন খান

তারা বলেঃ আমরা কি উলটো পায়ে প্রত্যাবর্তিত হবই -

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা বলে, ‘আমরা কি পূর্বাবস্থায় প্রত্যাবর্তিত হবই,

আবদুস শহীদ নাসিম

আমাদের হাড় - গোড় পঁচে গলে (বিনাশ হয়ে) যাবার পরও?’’

মুহিউদ্দীন খান

গলিত অস্থি হয়ে যাওয়ার পরও?

বয়ান ফাউন্ডেশন

যখন আমরা চূর্ণ-বিচূর্ণ হাড় হয়ে যাব’?

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা বলে: ‘তবে তো সেটা হবে এক বড় ক্ষতিকর ফিরে আসা।’

মুহিউদ্দীন খান

তবে তো এ প্রত্যাবর্তন সর্বনাশা হবে!

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা বলে, ‘তাহলে তা তো এক ক্ষতিকর প্রত্যাবর্তন’।

আবদুস শহীদ নাসিম

আসল ব্যাপার হলো, ওটা হবে এক বিকট আওয়ায (দ্বিতীয় শিংগা ধ্বনি)।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, এটা তো কেবল এক মহা - নাদ,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর ওটা তো কেবল এক বিকট আওয়াজ।

আবদুস শহীদ নাসিম

(সেই বিকট ধ্বনির) সাথে সাথেই তারা নিজেদেরকে জীবিত হাজির দেখতে পাবে এক উন্মুক্ত ময়দানে।

মুহিউদ্দীন খান

তখনই তারা ময়দানে আবির্ভূত হবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তৎক্ষনাৎ তারা ভূ-পৃষ্ঠে উপস্থিত হবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমার কাছে মূসার হাদিস (ইতিহাস, ঘটনাবলি) পৌছেছে কি?

মুহিউদ্দীন খান

মূসার বৃত্তান্ত আপনার কাছে পৌছেছে কি?

বয়ান ফাউন্ডেশন

মূসার বৃত্তান্ত তোমার কাছে পৌঁছেছে কি?

আবদুস শহীদ নাসিম

যখন তার প্রভু তাকে পবিত্র তোয়া উপত্যকায় ডেকে বলেছিলেন:

মুহিউদ্দীন খান

যখন তার পালনকর্তা তাকে পবিত্র তুয়া উপ্যকায় আহবান করেছিলেন,

বয়ান ফাউন্ডেশন

যখন তার রব তাকে পবিত্র তুওয়া উপত্যকায় ডেকেছিলেন,

আবদুস শহীদ নাসিম

ফেরাউনের কাছে যাও, সে লংঘন করেছে সমস্ত সীমা।

মুহিউদ্দীন খান

ফেরাউনের কাছে যাও, নিশ্চয় সে সীমালংঘন করেছে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘ফির‘আউনের কাছে যাও, নিশ্চয় সে সীমালংঘন করেছে’।

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি গিয়ে তাকে বলো: তুমি কি (কুফর, শিরক ও সীমালংঘন থেকে) পবিত্র হবে?

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর বলঃ তোমার পবিত্র হওয়ার আগ্রহ আছে কি?

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর বল ‘তোমার কি ইচ্ছা আছে যে, তুমি পবিত্র হবে’?

আবদুস শহীদ নাসিম

আর আমি কি তোমাকে সঠিক পথ দেখাবো তোমার মালিকের দিকে, যাতে করে তোমার মধ্যে জাগ্রত হয় তাঁর ভয়?

মুহিউদ্দীন খান

আমি তোমাকে তোমার পালনকর্তার দিকে পথ দেখাব, যাতে তুমি তাকে ভয় কর।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘আর আমি তোমাকে তোমার রবের দিকে পথ দেখাব, যাতে তুমি তাঁকে ভয় কর?’

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর সে (মূসা) তার (ফেরাউনের) কাছে গিয়ে তাকে অনেক বড় নিদর্শন দেখালো।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর সে তাকে মহা - নিদর্শন দেখাল।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর মূসা তাকে বিরাট নিদর্শন দেখাল।

আবদুস শহীদ নাসিম

কিন্তু সে মিথ্যা বলে প্রত্যাখ্যান করলো এবং অমান্য করলো।

মুহিউদ্দীন খান

কিন্তু সে মিথ্যারোপ করল এবং অমান্য করল।

বয়ান ফাউন্ডেশন

কিন্তু সে অস্বীকার করল এবং অমান্য করল।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর সে ষড়যন্ত্র অাঁটার প্রচেষ্টায় পিছু হটলো।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর সে প্রতিকার চেষ্টায় প্রস্থান করল।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারপর সে ফাসাদ করার চেষ্টায় প্রস্থান করল।

আবদুস শহীদ নাসিম

অতপর (জনতাকে) সমবেত করে ঘোষণা দিলো।

মুহিউদ্দীন খান

সে সকলকে সমবেত করল এবং সজোরে আহবান করল,

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর সে লোকদেরকে একত্র করে ঘোষণা দিল।

আবদুস শহীদ নাসিম

বললো: ‘আমিই তোমাদের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রভু।’

মুহিউদ্দীন খান

এবং বললঃ আমিই তোমাদের সেরা পালনকর্তা।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর বলল, ‘আমিই তোমাদের সর্বোচ্চ রব’।

আবদুস শহীদ নাসিম

সুতরাং তাকে কঠিন শাস্তিতে পাকড়াও করলেন তার শেষ ও প্রথম সীমা লংঘনের জন্যে।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর তাকে পরকালের ও ইহকালের শাস্তি দিলেন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অবশেষে তাকে ও দুনিয়ার আযাবে পাকড়াও করলেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

অবশ্যি এ ঘটনার মধ্যে শিক্ষামূলক উপদেশ রয়েছে ঐ ব্যক্তির জন্যে, যে ভয় করে (আল্লাহকে)।

মুহিউদ্দীন খান

যে ভয় করে তার জন্যে অবশ্যই এতে শিক্ষা রয়েছে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় যে ভয় করে তার জন্য এতে শিক্ষা রয়েছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমাদের সৃষ্টি করা বেশি কঠিন কাজ, না মহাকাশ সৃষ্টি করা? তিনিই তো সৃষ্টি করেছেন এই (মহাকাশ)।

মুহিউদ্দীন খান

তোমাদের সৃষ্টি অধিক কঠিন না আকাশের, যা তিনি নির্মাণ করেছেন?

বয়ান ফাউন্ডেশন

তোমাদেরকে সৃষ্টি করা অধিক কঠিন, না আসমান সৃষ্টি? তিনি তা বানিয়েছেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনিই অনেক উপরে উঠিয়েছেন এর উচ্চতা, অতপর তাকে ভারসাম্যপূর্ণ ও সুবিন্যস্ত করেছেন।

মুহিউদ্দীন খান

তিনি একে উচ্চ করেছেন ও সুবিন্যস্ত করেছেন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তিনি এর ছাদকে উচ্চ করেছেন এবং তাকে সুসম্পন্ন করেছেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর রাতকে তিনি ঢেকে দেন অন্ধকার দিয়ে, আর দিনকে বের করে আনেন আলোকিত করে।

মুহিউদ্দীন খান

তিনি এর রাত্রিকে করেছেন অন্ধকারাচ্ছন্ন এবং এর সূর্যোলোক প্রকাশ করেছেন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তিনি এর রাতকে অন্ধকারাচ্ছন্ন করেছেন এবং এর দিবালোক প্রকাশ করেছেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

এরপর তিনি বিছিয়ে দিয়েছেন পৃথিবীকে।

মুহিউদ্দীন খান

পৃথিবীকে এর পরে বিস্তৃত করেছেন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

এরপর তিনি যমীনকে বিস্তীর্ণ করেছেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

তার (পৃথিবীর) মধ্য থেকেই বের করেছেন তার পানি ও তৃণ - লতা (উদ্ভিদ)।

মুহিউদ্দীন খান

তিনি এর মধ্য থেকে এর পানি ও ঘাম নির্গত করেছেন,

বয়ান ফাউন্ডেশন

তিনি তার ভিতর থেকে বের করেছেন তার পানি ও তার তৃণভূমি।

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং তার মধ্যে মজবুতভাবে গেড়ে দিয়েছেন পাহাড় - পর্বত।

মুহিউদ্দীন খান

পর্বতকে তিনি দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর পর্বতগুলোকে তিনি দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

(এসবই করেছেন) তোমাদের ও তোমাদের পশুদের কল্যাণার্থে।

মুহিউদ্দীন খান

তোমাদের ও তোমাদের চতুস্পদ জন্তুদের উপকারার্থে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তোমাদের ও তোমাদের চতুষ্পদ জন্তুগুলোর জীবনোপকরণস্বরূপ।

আবদুস শহীদ নাসিম

অতপর যেদিন ঘটে যাবে মহাবিপর্যয়,

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর যখন মহাসংকট এসে যাবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর যখন মহাপ্রলয় আসবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

যেদিন মানুষ খুব করে স্মরণ করবে তার (পৃথিবীর জীবনের) সা’য়ীর (ব্যস্ততা ও কৃতকর্মের) কথা,

মুহিউদ্দীন খান

অর্থাৎ যেদিন মানুষ তার কৃতকর্ম স্মরণ করবে

বয়ান ফাউন্ডেশন

সেদিন মানুষ স্মরণ করবে তা, যা সে চেষ্টা করেছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং যেদিন দর্শকদের সামনে খুলে ধরা হবে জাহিম (দোযখ),

মুহিউদ্দীন খান

এবং দর্শকদের জন্যে জাহান্নাম প্রকাশ করা হবে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর জাহান্নামকে প্রকাশ করা হবে তার জন্য যে দেখতে পায়।

আবদুস শহীদ নাসিম

সেদিন (এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হবে যে,) পৃথিবীর জীবনে যারা সীমালংঘন করেছিল,

মুহিউদ্দীন খান

তখন যে ব্যক্তি সীমালংঘন করেছে;

বয়ান ফাউন্ডেশন

সুতরাং যে সীমালঙ্ঘন করে।

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং (আখিরাতের চাইতে) অগ্রাধিকার দিয়েছিল দুনিয়ার জীবনকে,

মুহিউদ্দীন খান

এবং পার্থিব জীবনকে অগ্রাধিকার দিয়েছে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর দুনিয়ার জীবনকে প্রাধান্য দেয়,

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের আবাস হবে জাহিম (দোযখ)।

মুহিউদ্দীন খান

তার ঠিকানা হবে জাহান্নাম।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় জাহান্নাম হবে তার আবাসস্থল।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর যে তার মহান প্রভুর সামনে দাঁড়াবার ভয়ে ভীত ছিলো এবং নিজেকে আত্মার দাসত্ব ও মন্দ কামনা - বাসনা থেকে বিরত রেখেছিল,

মুহিউদ্দীন খান

পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি তার পালনকর্তার সামনে দন্ডায়মান হওয়াকে ভয় করেছে এবং খেয়াল - খুশী থেকে নিজেকে নিবৃত্ত রেখেছে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যে স্বীয় রবের সামনে দাঁড়ানোকে ভয় করে এবং কুপ্রবৃত্তি থেকে নিজকে বিরত রাখে,

আবদুস শহীদ নাসিম

জান্নাতই হবে তাদের আবাস।

মুহিউদ্দীন খান

তার ঠিকানা হবে জান্নাত।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় জান্নাত হবে তার আবাসস্থল।

আবদুস শহীদ নাসিম

(হে মুহাম্মদ!) এরা তোমাকে জিজ্ঞেস করছে সেই সময়টি সম্পর্কে - তা কখন অনুষ্ঠিত হবে?

মুহিউদ্দীন খান

তারা আপনাকে জিজ্ঞাসা করে, কেয়ামত কখন হবে?

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা তোমাকে কিয়ামত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে, ‘তা কখন ঘটবে’?

আবদুস শহীদ নাসিম

(কিন্তু) এ ব্যাপারে বলার কী জ্ঞান তোমার আছে?

মুহিউদ্দীন খান

এর বর্ণনার সাথে আপনার কি সম্পর্ক ?

বয়ান ফাউন্ডেশন

তা উল্লেখ করার কি জ্ঞান তোমার আছে?

আবদুস শহীদ নাসিম

এর জ্ঞান তো শুধুমাত্র তোমার প্রভুর নিকটই সীমাবদ্ধ।

মুহিউদ্দীন খান

এর চরম জ্ঞান আপনার পালনকর্তার কাছে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

এর প্রকৃত জ্ঞান তোমার রবের কাছেই।

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি তো একজন সতর্ককারী মাত্র, তাদের জন্যে যারা তাকে (কিয়ামতকে) ভয় করে।

মুহিউদ্দীন খান

যে একে ভয় করে, আপনি তো কেবল তাকেই সতর্ক করবেন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তুমিতো কেবল তাকেই সতর্ককারী, যে একে ভয় করে ।

আবদুস শহীদ নাসিম

যেদিন তারা সে দিনটিকে দেখতে পাবে, তারা অনুভব করবে, পৃথিবীতে তারা কাটিয়েছে একটি সন্ধ্যা, কিংবা একটি সকাল মাত্র।

মুহিউদ্দীন খান

যেদিন তারা একে দেখবে, সেদিন মনে হবে যেন তারা দুনিয়াতে মাত্র এক সন্ধ্যা অথবা এক সকাল অবস্থান করেছে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

যেদিন তারা তা দেখবে, সেদিন তাদের মনে হবে, যেন তারা (দুনিয়ায়) এক সন্ধ্যা বা এক সকালের বেশী অবস্থান করেনি।

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme