আল মা‘আরিজ (উচ্চ মর্যাদা) , choose another chapter
আল মা‘আরিজ (উচ্চ মর্যাদা)
Chapter 70, 44 verses
আবদুস শহীদ নাসিম
মুহিউদ্দীন খান
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
Arabic, with marks
Word by word
Add book
List
Grid
About this chapter
মক্কায় অবতীর্ণ, আয়াত সংখ্যা : ৪৪, রুকু সংখ্যা: ০২
এই সূরার আলোচ্যসূচি
আয়াতআলোচ্য বিষয়
০১-১৮কাফিররা কিয়ামত প্রতিরোধ করতে পারবে না। কিয়ামত ও হাশরের দৃশ্য।
১৯-৩৫মানুষের স্বভাব। মুসল্লিদের বৈশিষ্ট্য ও গুণাবলি।
৩৬-৪৪কাফিরদের অবস্থা। পুনরুত্থান অবশ্যি ঘটবে।
আবদুস শহীদ নাসিম
১ এক প্রশ্নকারী প্রশ্ন করলো অবধারিত আযাব সম্পর্কে,
মুহিউদ্দীন খান
১ একব্যক্তি চাইল, সেই আযাব সংঘটিত হোক যা অবধারিত -
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১ এক ব্যক্তি চাহিল সংঘটিত হউক শাস্তি, যাহা অবধারিত -
Arabic, with marks
١ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ سَأَلَ سَائِلٌ بِعَذَابٍ وَاقِعٍ
Word by word
١ سَأَلَ سَآئِلٌۢ بِعَذَابٍ وَاقِعٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
২ (যা অবধারিত) কাফিরদের জন্যে, যা প্রতিরোধ করার কেউ নেই,
মুহিউদ্দীন খান
২ কাফেরদের জন্যে, যার প্রতিরোধকারী কেউ নেই।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২ কাফিরদের জন্য, ইহা প্রতিরোধ করিবার কেহ নাই।
Arabic, with marks
٢ لِّلْكَافِرِينَ لَيْسَ لَهُ دَافِعٌ
Word by word
٢ لِّلْكَٰفِرِينَ لَيْسَ لَهُۥ دَافِعٌ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩ যা আসবে আল্লাহর পক্ষ থেকে, যিনি সর্বোচ্চ মর্যাদার অধিকারী।
মুহিউদ্দীন খান
৩ তা আসবে আল্লাহ তা’আলার পক্ষ থেকে, যিনি সমুন্নত মর্তবার অধিকারী।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩ ইহা আসিবে আল্লাহ্ র নিকট হইতে, তিনি সুমুচ্চ মর্যাদার অধিকারী।
Arabic, with marks
٣ مِّنَ اللَّهِ ذِي الْمَعَارِجِ
Word by word
٣ مِّنَ ٱللَّهِ ذِى ٱلْمَعَارِجِ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪ ফেরেশতারা এবং রূহ (জিবরিল) তাঁর দিকে উঠে এমন একটি ক্ষুদ্র সময়ের মধ্যে (পৃথিবীর সময় অনুযায়ী) যার পরিমাণ পঞ্চাশ হাজার বছর।
মুহিউদ্দীন খান
৪ ফেরেশতাগণ এবং রূহ আল্লাহ তা’আলার দিকে উর্ধ্বগামী হয় এমন একদিনে, যার পরিমাণ পঞ্চাশ হাজার বছর।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪ ফিরিশ্তা এবং রূহ্ আল্লাহ্ র দিকে ঊর্ধ্বগামী হয় এমন এক দিনে, যাহার পরিমাণ পার্থিব পঞ্চাশ হাযার বৎসর।
Arabic, with marks
٤ تَعْرُجُ الْمَلَائِكَةُ وَالرُّوحُ إِلَيْهِ فِي يَوْمٍ كَانَ مِقْدَارُهُ خَمْسِينَ أَلْفَ سَنَةٍ
Word by word
٤ تَعْرُجُ ٱلْمَلَٰٓئِكَةُ وَٱلرُّوحُ إِلَيْهِ فِى يَوْمٍ كَانَ مِقْدَارُهُۥ خَمْسِينَ أَلْفَ سَنَةٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
৫ সুতরাং তুমি সবর করো সব্রে জামিল (সুন্দর সবর)।
মুহিউদ্দীন খান
৫ অতএব, আপনি উত্তম সবর করুন।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৫ সুতরাং তুমি ধৈর্যধারণ কর, পরম ধৈর্য।
Arabic, with marks
٥ فَاصْبِرْ صَبْرًا جَمِيلًا
Word by word
٥ فَٱصْبِرْ صَبْرًا جَمِيلًا
আবদুস শহীদ নাসিম
৬ তারা সেই (দিনটিকে) দেখে সুদূর,
মুহিউদ্দীন খান
৬ তারা এই আযাবকে সুদূরপরাহত মনে করে,
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৬ উহারা ঐ দিনকে মনে করে সুদূর,
Arabic, with marks
٦ إِنَّهُمْ يَرَوْنَهُ بَعِيدًا
Word by word
٦ إِنَّهُمْ يَرَوْنَهُۥ بَعِيدًا
আবদুস শহীদ নাসিম
৭ আর আমরা দেখছি একেবারে অদূর।
মুহিউদ্দীন খান
৭ আর আমি একে আসন্ন দেখছি।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৭ কিন্তু আমি দেখিতেছি ইহা আসন্ন।
Arabic, with marks
٧ وَنَرَاهُ قَرِيبًا
Word by word
٧ وَنَرَىٰهُ قَرِيبًا
আবদুস শহীদ নাসিম
৮ সেদিন আসমান হবে গলিত ধাতুর মতো,
মুহিউদ্দীন খান
৮ সেদিন আকাশ হবে গলিত তামার মত।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৮ সেদিন আকাশ হইবে গলিত ধাতুর মত
Arabic, with marks
٨ يَوْمَ تَكُونُ السَّمَاءُ كَالْمُهْلِ
Word by word
٨ يَوْمَ تَكُونُ ٱلسَّمَآءُ كَٱلْمُهْلِ
আবদুস শহীদ নাসিম
৯ পর্বতসমূহ হবে রঙ্গীন পশমের মতো।
মুহিউদ্দীন খান
৯ এবং পর্বতসমূহ হবে রঙ্গীন পশমের মত,
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৯ এবং পর্বতসমূহ হইবে রঙ্গীন পশমের মত,
Arabic, with marks
٩ وَتَكُونُ الْجِبَالُ كَالْعِهْنِ
Word by word
٩ وَتَكُونُ ٱلْجِبَالُ كَٱلْعِهْنِ
আবদুস শহীদ নাসিম
১০ সেদিন কোনো সহমর্মী বন্ধু কোনো খোঁজ খবর নেবেনা অপর সহমর্মী বন্ধুর।
মুহিউদ্দীন খান
১০ বন্ধু বন্ধুর খবর নিবে না।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১০ এবং সুহৃদ সুহৃদের তত্ত্ব লইবে না,
Arabic, with marks
١٠ وَلَا يَسْأَلُ حَمِيمٌ حَمِيمًا
Word by word
١٠ وَلَا يَسْـَٔلُ حَمِيمٌ حَمِيمًا
আবদুস শহীদ নাসিম
১১ তাদেরকে পরস্পরের চোখের সামনেই রাখা হবে। অপরাধীরা সেদিনকার আযাবের বিনিময়ে দিয়ে দিতে চাইবে তার সন্তানদের,
মুহিউদ্দীন খান
১১ যদিও একে অপরকে দেখতে পাবে। সেদিন গোনাহগার ব্যক্তি পনস্বরূপ দিতে চাইবে তার সন্তান - সন্ততিকে,
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১১ উহাদেরকে করা হইবে একে অপরের দৃষ্টিগোচর। অপরাধী সেই দিনের শাস্তির বদলে দিতে চাইবে তাহার সন্তান - সন্ততিকে,
Arabic, with marks
١١ يُبَصَّرُونَهُمْ ۚ يَوَدُّ الْمُجْرِمُ لَوْ يَفْتَدِي مِنْ عَذَابِ يَوْمِئِذٍ بِبَنِيهِ
Word by word
١١ يُبَصَّرُونَهُمْ يَوَدُّ ٱلْمُجْرِمُ لَوْ يَفْتَدِى مِنْ عَذَابِ يَوْمِئِذٍۭ بِبَنِيهِ
আবদুস শহীদ নাসিম
১২ তার স্ত্রীকে, তার ভাইকে,
মুহিউদ্দীন খান
১২ তার স্ত্রীকে, তার ভ্রাতাকে,
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১২ তাহার স্ত্রী ও ভ্রাতাকে,
Arabic, with marks
١٢ وَصَاحِبَتِهِ وَأَخِيهِ
Word by word
١٢ وَصَٰحِبَتِهِۦ وَأَخِيهِ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৩ তার জ্ঞাতি - গোষ্ঠীকে যারা তাকে দিতো আশ্রয় ও নিরাপত্তা,
মুহিউদ্দীন খান
১৩ তার গোষ্ঠীকে, যারা তাকে আশ্রয় দিত।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৩ তাহার জ্ঞাতি - গোষ্ঠীকে, যাহারা তাহাকে আশ্রয় দিত
Arabic, with marks
١٣ وَفَصِيلَتِهِ الَّتِي تُؤْوِيهِ
Word by word
١٣ وَفَصِيلَتِهِ ٱلَّتِى تُـْٔوِيهِ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৪ এবং পৃথিবীতে যারা আছে তাদের সবাইকে, যাতে করে তাকে নাজাত দেয় এসব মুক্তিপণ।
মুহিউদ্দীন খান
১৪ এবং পৃথিবীর সবকিছুকে, অতঃপর নিজেকে রক্ষা করতে চাইবে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৪ এবং পৃথিবীর সকলকে, যাহাতে এই মুক্তিপণ তাহাকে মুক্তি দেয়।
Arabic, with marks
١٤ وَمَن فِي الْأَرْضِ جَمِيعًا ثُمَّ يُنجِيهِ
Word by word
١٤ وَمَن فِى ٱلْأَرْضِ جَمِيعًا ثُمَّ يُنجِيهِ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৫ কখনো নয়, অবশ্যি তার জন্যে রয়েছে আগুনের লেলিহান শিখা,
মুহিউদ্দীন খান
১৫ কখনই নয়। নিশ্চয় এটা লেলিহান অগ্নি।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৫ না, কখনই নয়, ইহা তো লেলিহান অগ্নি,
Arabic, with marks
١٥ كَلَّا ۖ إِنَّهَا لَظَىٰ
Word by word
١٥ كَلَّآ إِنَّهَا لَظَىٰ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৬ যা খসিয়ে দেবে গায়ের চামড়া।
মুহিউদ্দীন খান
১৬ যা চামড়া তুলে দিবে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৬ যাহা গাত্র হইতে চামড়া খসাইয়া দিবে।
Arabic, with marks
١٦ نَزَّاعَةً لِّلشَّوَىٰ
Word by word
١٦ نَزَّاعَةً لِّلشَّوَىٰ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৭ জাহান্নাম ডাকবে ঐ ব্যক্তিকে, যে সত্যের আহবান থেকে পিছু হটে যায় এবং মুখ ফিরিয়ে নেয়,
মুহিউদ্দীন খান
১৭ সে সেই ব্যক্তিকে ডাকবে যে সত্যের প্রতি পৃষ্ঠপ্রদর্শন করেছিল ও বিমুখ হয়েছিল।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৭ জাহান্নাম সেই ব্যক্তিকে ডাকিবে, যে সত্যের প্রতি পৃষ্ঠপ্রদর্শন করিয়াছিল ও মুখ ফিরাইয়া লইয়াছিল।
Arabic, with marks
١٧ تَدْعُو مَنْ أَدْبَرَ وَتَوَلَّىٰ
Word by word
١٧ تَدْعُوا۟ مَنْ أَدْبَرَ وَتَوَلَّىٰ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৮ যে (অর্থ সম্পদ) জমা করে রেখেছিল এবং সংরক্ষণ করেছিল।
মুহিউদ্দীন খান
১৮ সম্পদ পুঞ্জীভূত করেছিল, অতঃপর আগলিয়ে রেখেছিল।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৮ যে সম্পদ পুঞ্জীভূত এবং সংরক্ষিত করিয়া রাখিয়াছিল।
Arabic, with marks
١٨ وَجَمَعَ فَأَوْعَىٰ
Word by word
١٨ وَجَمَعَ فَأَوْعَىٰٓ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৯ নিশ্চয়ই মানুষকে সৃষ্টি করা হয়েছে অস্থির স্বভাবের করে,
মুহিউদ্দীন খান
১৯ মানুষ তো সৃজিত হয়েছে ভীরুরূপে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৯ মানুষ তো সৃজিত হইয়াছে অতিশয় অস্থিরচিত্তরূপে।
Arabic, with marks
١٩ ۞ إِنَّ الْإِنسَانَ خُلِقَ هَلُوعًا
Word by word
١٩ إِنَّ ٱلْإِنسَٰنَ خُلِقَ هَلُوعًا
আবদুস শহীদ নাসিম
২০ যখন কোনো মন্দ তাকে স্পর্শ করে, সে হা - হুতাশ করে।
মুহিউদ্দীন খান
২০ যখন তাকে অনিষ্ট স্পর্শ করে, তখন সে হা - হুতাশ করে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২০ যখন বিপদ তাহাকে স্পর্শ করে সে হয় হা - হুতাশকারী।
Arabic, with marks
٢٠ إِذَا مَسَّهُ الشَّرُّ جَزُوعًا
Word by word
٢٠ إِذَا مَسَّهُ ٱلشَّرُّ جَزُوعًا
আবদুস শহীদ নাসিম
২১ যখন সে লাভ করে কোনো কল্যাণ, তখন সে হয় কৃপণ।
মুহিউদ্দীন খান
২১ আর যখন কল্যাণপ্রাপ্ত হয়, তখন কৃপণ হয়ে যায়।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২১ আর যখন কল্যাণ তাহাকে স্পর্শ করে সে হয় অতি কৃপণ ;
Arabic, with marks
٢١ وَإِذَا مَسَّهُ الْخَيْرُ مَنُوعًا
Word by word
٢١ وَإِذَا مَسَّهُ ٱلْخَيْرُ مَنُوعًا
আবদুস শহীদ নাসিম
২২ তবে, মুসল্লিরা এর ব্যতিক্রম
মুহিউদ্দীন খান
২২ তবে তারা স্বতন্ত্র, যারা নামায আদায় কারী।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২২ তবে সালাত আদায়কারীগণ ব্যতীত,
Arabic, with marks
٢٢ إِلَّا الْمُصَلِّينَ
Word by word
٢٢ إِلَّا ٱلْمُصَلِّينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
২৩ যারা স্থায়ীভাবে নিয়মিত সালাত আদায়কারী,
মুহিউদ্দীন খান
২৩ যারা তাদের নামাযে সার্বক্ষণিক কায়েম থাকে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৩ যাহারা তাহাদের সালাতে সদা প্রতিষ্ঠিত,
Arabic, with marks
٢٣ الَّذِينَ هُمْ عَلَىٰ صَلَاتِهِمْ دَائِمُونَ
Word by word
٢٣ ٱلَّذِينَ هُمْ عَلَىٰ صَلَاتِهِمْ دَآئِمُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
২৪ যাদের মাল সম্পদে নির্ধারিত হক থাকে
মুহিউদ্দীন খান
২৪ এবং যাদের ধন - সম্পদে নির্ধারিত হক আছে
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৪ আর যাহাদের সম্পদে নির্ধারিত হক রহিয়াছে
Arabic, with marks
٢٤ وَالَّذِينَ فِي أَمْوَالِهِمْ حَقٌّ مَّعْلُومٌ
Word by word
٢٤ وَٱلَّذِينَ فِىٓ أَمْوَٰلِهِمْ حَقٌّ مَّعْلُومٌ
আবদুস শহীদ নাসিম
২৫ ভিক্ষুক এবং মাহরুমদের (বঞ্চিতদের) জন্যে,
মুহিউদ্দীন খান
২৫ যাঞ্ছাকারী ও বঞ্চিতের
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৫ যাচ্ঞাকারী ও বঞ্চিতের,
Arabic, with marks
٢٥ لِّلسَّائِلِ وَالْمَحْرُومِ
Word by word
٢٥ لِّلسَّآئِلِ وَٱلْمَحْرُومِ
আবদুস শহীদ নাসিম
২৬ যারা সত্য বলে স্বীকার করে প্রতিদান দিবসকে,
মুহিউদ্দীন খান
২৬ এবং যারা প্রতিফল দিবসকে সত্য বলে বিশ্বাস করে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৬ এবং যাহারা কর্মফল দিবসকে সত্য বলিয়া জানে।
Arabic, with marks
٢٦ وَالَّذِينَ يُصَدِّقُونَ بِيَوْمِ الدِّينِ
Word by word
٢٦ وَٱلَّذِينَ يُصَدِّقُونَ بِيَوْمِ ٱلدِّينِ
আবদুস শহীদ নাসিম
২৭ এবং যারা তাদের প্রভুর আযাব সম্পর্কে থাকে সব সময় ভীত - সন্ত্রস্ত।
মুহিউদ্দীন খান
২৭ এবং যারা তাদের পালনকর্তার শাস্তির সম্পর্কে ভীত - কম্পিত।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৭ আর যাহারা তাহাদের প্রতিপালকের শাস্তি সম্পর্কে ভীতসন্ত্রস্ত -
Arabic, with marks
٢٧ وَالَّذِينَ هُم مِّنْ عَذَابِ رَبِّهِم مُّشْفِقُونَ
Word by word
٢٧ وَٱلَّذِينَ هُم مِّنْ عَذَابِ رَبِّهِم مُّشْفِقُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
২৮ নিশ্চয়ই তাদের প্রভুর আযাব নিরাপদ নয়।
মুহিউদ্দীন খান
২৮ নিশ্চয় তাদের পালনকর্তার শাস্তি থেকে নিঃশঙ্কা থাকা যায় না।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৮ নিশ্চয়ই তাহাদের প্রতিপালকের শাস্তি হইতে নিঃশংক থাকা যায় না -
Arabic, with marks
٢٨ إِنَّ عَذَابَ رَبِّهِمْ غَيْرُ مَأْمُونٍ
Word by word
٢٨ إِنَّ عَذَابَ رَبِّهِمْ غَيْرُ مَأْمُونٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
২৯ তারা হিফাযতকারী তাদের যৌনাংগ।
মুহিউদ্দীন খান
২৯ এবং যারা তাদের যৌন - অঙ্গকে সংযত রাখে
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৯ এবং যাহারা নিজেদের যৌন অঙ্গকে সংযত রাখে,
Arabic, with marks
٢٩ وَالَّذِينَ هُمْ لِفُرُوجِهِمْ حَافِظُونَ
Word by word
٢٩ وَٱلَّذِينَ هُمْ لِفُرُوجِهِمْ حَٰفِظُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩০ তবে নিজেদের স্ত্রী (এবং স্বামী) এবং অধিকারভুক্ত দাসীদের ছাড়া, কারণ তারা নিন্দনীয় নয়।
মুহিউদ্দীন খান
৩০ কিন্তু তাদের স্ত্রী অথবা মালিকানাভূক্ত দাসীদের বেলায় তিরস্কৃত হবে না।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩০ তাহাদের পত্নী অথবা অধিকারভুক্ত দাসী ব্যতীত, ইহাতে তাহারা নিন্দনীয় হইবে না -
Arabic, with marks
٣٠ إِلَّا عَلَىٰ أَزْوَاجِهِمْ أَوْ مَا مَلَكَتْ أَيْمَانُهُمْ فَإِنَّهُمْ غَيْرُ مَلُومِينَ
Word by word
٣٠ إِلَّا عَلَىٰٓ أَزْوَٰجِهِمْ أَوْ مَا مَلَكَتْ أَيْمَٰنُهُمْ فَإِنَّهُمْ غَيْرُ مَلُومِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩১ কিন্তু কেউ এর বাইরে অন্য কাউকেও কামনা করলে তারা হবে সীমালংঘনকারী।
মুহিউদ্দীন খান
৩১ অতএব, যারা এদের ছাড়া অন্যকে কামনা করে, তারাই সীমালংঘনকারী।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩১ তবে কেহ ইহাদেরকে ছাড়া অন্যকে কামনা করিলে তাহারা হইবে সীমালংঘনকারী -
Arabic, with marks
٣١ فَمَنِ ابْتَغَىٰ وَرَاءَ ذَٰلِكَ فَأُولَٰئِكَ هُمُ الْعَادُونَ
Word by word
٣١ فَمَنِ ٱبْتَغَىٰ وَرَآءَ ذَٰلِكَ فَأُو۟لَٰٓئِكَ هُمُ ٱلْعَادُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩২ (তাদের আরো বৈশিষ্ট্য হলো,) তারা তাদের আমানত ও প্রতিশ্রুতি রক্ষাকারী।
মুহিউদ্দীন খান
৩২ এবং যারা তাদের আমানত ও অঙ্গীকার রক্ষা করে
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩২ এবং যাহারা আমানত ও প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে,
Arabic, with marks
٣٢ وَالَّذِينَ هُمْ لِأَمَانَاتِهِمْ وَعَهْدِهِمْ رَاعُونَ
Word by word
٣٢ وَٱلَّذِينَ هُمْ لِأَمَٰنَٰتِهِمْ وَعَهْدِهِمْ رَٰعُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৩ তারা মজবুতভাবে প্রতিষ্ঠিত তাদের সাক্ষ্যদানের উপর,
মুহিউদ্দীন খান
৩৩ এবং যারা তাদের সাক্ষ্যদানে সরল - নিষ্ঠাবান
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩৩ আর যাহারা তাহাদের সাক্ষ্যদানে অটল,
Arabic, with marks
٣٣ وَالَّذِينَ هُم بِشَهَادَاتِهِمْ قَائِمُونَ
Word by word
٣٣ وَٱلَّذِينَ هُم بِشَهَٰدَٰتِهِمْ قَآئِمُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৪ এবং তারা হিফাযতকারী তাদের সালাতের,
মুহিউদ্দীন খান
৩৪ এবং যারা তাদের নামাযে যত্নবান,
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩৪ এবং নিজেদের সালাতে যত্নবান -
Arabic, with marks
٣٤ وَالَّذِينَ هُمْ عَلَىٰ صَلَاتِهِمْ يُحَافِظُونَ
Word by word
٣٤ وَٱلَّذِينَ هُمْ عَلَىٰ صَلَاتِهِمْ يُحَافِظُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৫ তারাই হবে জান্নাতে সম্মানিত।
মুহিউদ্দীন খান
৩৫ তারাই জান্নাতে সম্মানিত হবে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩৫ তাহারাই সম্মানিত হইবে জান্নাতে।
Arabic, with marks
٣٥ أُولَٰئِكَ فِي جَنَّاتٍ مُّكْرَمُونَ
Word by word
٣٥ أُو۟لَٰٓئِكَ فِى جَنَّٰتٍ مُّكْرَمُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৬ যারা কুফুরি করেছে তাদের কী হলো যে, (তুমি কুরআন পাঠ করলেই) তারা তোমার দিকে তেড়ে আসে
মুহিউদ্দীন খান
৩৬ অতএব, কাফেরদের কি হল যে, তারা আপনার দিকে উর্ধ্বশ্বাসে ছুটে আসছে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩৬ কাফিরদের হইল কি যে, উহারা তোমার দিকে ছুটিয়া আসিতেছে
Arabic, with marks
٣٦ فَمَالِ الَّذِينَ كَفَرُوا قِبَلَكَ مُهْطِعِينَ
Word by word
٣٦ فَمَالِ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ قِبَلَكَ مُهْطِعِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৭ ডান দিক থেকে এবং বাম দিক থেকে দলে দলে?
মুহিউদ্দীন খান
৩৭ ডান ও বামদিক থেকে দলে দলে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩৭ দক্ষিণ ও বাম দিক হইতে, দলে দলে।
Arabic, with marks
٣٧ عَنِ الْيَمِينِ وَعَنِ الشِّمَالِ عِزِينَ
Word by word
٣٧ عَنِ ٱلْيَمِينِ وَعَنِ ٱلشِّمَالِ عِزِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৮ তাদের প্রত্যেকেই কি আশা করে যে, তাকে নিয়ামতে ভরা জান্নাতে দাখিল করা হবে?
মুহিউদ্দীন খান
৩৮ তাদের প্রত্যেকেই কি আশা করে যে, তাকে নেয়ামতের জান্নাতে দাখিল করা হবে?
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩৮ উহাদের প্রত্যেকে কি এই প্রত্যাশা করে যে, তাহাকে দাখিল করা হইবে প্রাচুর্যময় জান্নাতে?
Arabic, with marks
٣٨ أَيَطْمَعُ كُلُّ امْرِئٍ مِّنْهُمْ أَن يُدْخَلَ جَنَّةَ نَعِيمٍ
Word by word
٣٨ أَيَطْمَعُ كُلُّ ٱمْرِئٍ مِّنْهُمْ أَن يُدْخَلَ جَنَّةَ نَعِيمٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৯ কখনো নয়, আমরা তাদেরকে যা দিয়ে সৃষ্টি করেছি, তা তারা জানে।
মুহিউদ্দীন খান
৩৯ কখনই নয়, আমি তাদেরকে এমন বস্তু দ্বারা সৃষ্টি করেছি, যা তারা জানে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩৯ কখনো না, আমি উহাদেরকে যাহা হইতে সৃষ্টি করিয়াছি তাহা উহারা জানে।
Arabic, with marks
٣٩ كَلَّا ۖ إِنَّا خَلَقْنَاهُم مِّمَّا يَعْلَمُونَ
Word by word
٣٩ كَلَّآ إِنَّا خَلَقْنَٰهُم مِّمَّا يَعْلَمُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪০ না, আমি উদয়াচল এবং অস্তাচলসমূহের প্রভুর কসম খেয়ে বলছি, অবশ্যি আমরা সক্ষম,
মুহিউদ্দীন খান
৪০ আমি শপথ করছি উদয়াচল ও অস্তাচলসমূহের পালনকর্তার, নিশ্চয়ই আমি সক্ষম!
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪০ আমি শপথ করিতেছি উদয়াচলসমূহ ও অস্তাচলসমূহের অধিপতির - নিশ্চয়ই আমি সক্ষম,
Arabic, with marks
٤٠ فَلَا أُقْسِمُ بِرَبِّ الْمَشَارِقِ وَالْمَغَارِبِ إِنَّا لَقَادِرُونَ
Word by word
٤٠ فَلَآ أُقْسِمُ بِرَبِّ ٱلْمَشَٰرِقِ وَٱلْمَغَٰرِبِ إِنَّا لَقَٰدِرُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪১ তাদের বদলে তাদের চেয়ে উত্তম (মানব দলকে) তাদের স্থলাভিষিক্ত করতে এবং একাজে কেউ পারবেনা আমাদের পরাস্ত করতে।
মুহিউদ্দীন খান
৪১ তাদের পরিবর্তে উৎকৃষ্টতর মানুষ সৃষ্টি করতে এবং এটা আমার সাধ্যের অতীত নয়।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪১ উহাদের অপেক্ষা উৎকৃষ্টতর মানবগোষ্ঠীকে উহাদের স্থলবর্তী করিতে এবং ইহাতে আমি অক্ষম নই।
Arabic, with marks
٤١ عَلَىٰ أَن نُّبَدِّلَ خَيْرًا مِّنْهُمْ وَمَا نَحْنُ بِمَسْبُوقِينَ
Word by word
٤١ عَلَىٰٓ أَن نُّبَدِّلَ خَيْرًا مِّنْهُمْ وَمَا نَحْنُ بِمَسْبُوقِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪২ সুতরাং তাদেরকে বাক - বিতর্ক আর খেলতামাশায় মত্ত থাকতে দাও যেদিনটি সম্পর্কে তাদের সতর্ক করা হয়েছিল সেই দিনটি আসার আগ পর্যন্ত।
মুহিউদ্দীন খান
৪২ অতএব, আপনি তাদেরকে ছেড়ে দিন, তারা বাকবিতন্ডা ও ক্রীড়া - কৌতুক করুক সেই দিবসের সম্মুখীন হওয়া পর্যন্ত, যে দিবসের ওয়াদা তাদের সাথে করা হচ্ছে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪২ অতএব উহাদেরকে বাকবিতণ্ডা ও ক্রীড়া - কৌতুকে মত্ত থাকিতে দাও, যে দিবস সম্পর্কে তাহাদেরকে সতর্ক করা হইয়াছিল, তাহার সম্মুখীন হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত।
Arabic, with marks
٤٢ فَذَرْهُمْ يَخُوضُوا وَيَلْعَبُوا حَتَّىٰ يُلَاقُوا يَوْمَهُمُ الَّذِي يُوعَدُونَ
Word by word
٤٢ فَذَرْهُمْ يَخُوضُوا۟ وَيَلْعَبُوا۟ حَتَّىٰ يُلَٰقُوا۟ يَوْمَهُمُ ٱلَّذِى يُوعَدُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৩ সেদিন তারা দ্রুত বেরিয়ে আসবে কবর থেকে, মনে হবে যেনো তারা উপাসনালয়ের দিকে দৌড়াচ্ছে।
মুহিউদ্দীন খান
৪৩ সে দিন তারা কবর থেকে দ্রুতবেগে বের হবে, যেন তারা কোন এক লক্ষ্যস্থলের দিকে ছুটে যাচ্ছে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪৩ সেদিন উহারা কবর হইতে বাহির হইবে দ্রুতবেগে, মনে হইবে উহারা কোন উপাসনালয়ের দিকে ধাবিত হইতেছে,
Arabic, with marks
٤٣ يَوْمَ يَخْرُجُونَ مِنَ الْأَجْدَاثِ سِرَاعًا كَأَنَّهُمْ إِلَىٰ نُصُبٍ يُوفِضُونَ
Word by word
٤٣ يَوْمَ يَخْرُجُونَ مِنَ ٱلْأَجْدَاثِ سِرَاعًا كَأَنَّهُمْ إِلَىٰ نُصُبٍ يُوفِضُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৪ তাদের দৃষ্টি থাকবে অবনত, তাদের আচ্ছন্ন করে রাখবে যিল্লতি। এটাই সেই দিন যার ব্যাপারে সতর্ক করা হয়েছিল তাদের।
মুহিউদ্দীন খান
৪৪ তাদের দৃষ্টি থাকবে অবনমিত; তারা হবে হীনতাগ্রস্ত। এটাই সেইদিন, যার ওয়াদা তাদেরকে দেয়া হত।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪৪ অবনত নেত্রে। হীনতা উহাদেরকে আচ্ছন্ন করিবে; ইহাই সেই দিন, যাহার বিষয়ে সতর্ক করা হইয়াছিল উহাদেরকে।
Arabic, with marks
٤٤ خَاشِعَةً أَبْصَارُهُمْ تَرْهَقُهُمْ ذِلَّةٌ ۚ ذَٰلِكَ الْيَوْمُ الَّذِي كَانُوا يُوعَدُونَ
Word by word
٤٤ خَٰشِعَةً أَبْصَٰرُهُمْ تَرْهَقُهُمْ ذِلَّةٌ ذَٰلِكَ ٱلْيَوْمُ ٱلَّذِى كَانُوا۟ يُوعَدُونَ
Recitation
Add a book to compare
It opens next to the books you’re reading, at the same verse.
Verse
Play from here
Bookmark
Add note
Copy
Share
Suggest a translation
Explain (AI)
Say it simply (AI)
See suggestions
Edit verse
Chapters
Find a chapter
Dictionary
Suggest a translation
Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.
Log in Create an account
Suggested translations
Your note
Ask AI about this chapter
AI-generated from the text on this page. It can make mistakes and is not a religious ruling; check it against the text and ask a scholar for guidance.
Report a problem with this answer
What is wrong?
Send report