Kitab

আল ইনশিকাক (ফেটে চুর্ণ বিচুর্ণ হওয়া)

Chapter 84, 25 verses

  • আবদুস শহীদ নাসিম
  • মুহিউদ্দীন খান
  • জহুরুল হক
  • বয়ান ফাউন্ডেশন
About this chapter


মক্কায় অবতীর্ণ, আয়াত সংখ্যা: ২৫, রুকু সংখ্যা: ০১

এই সূরার আলোচ্যসূচি

আয়াতআলোচ্য বিষয় ০১-০৫কিয়ামতের দৃশ্য। ০৬-২৫মানুষ এগিয়ে চলছে তার প্রভুর সামনে উপস্থিত হওয়ার জন্যে। যে তার আমলনামা ডান হাতে পাবে তার হিসাব নেয়া হবে সহজ। যার আমলনামা বাম হাতে দেয়া হবে সে ডাকবে মৃত্যুকে। মুমিনদের জন্যে থাকবে অফুরন্ত পুরস্কার।
আবদুস শহীদ নাসিম

যখন ফেটে (চুর্ণ বিচুর্ণ হয়ে) যাবে আকাশ,

মুহিউদ্দীন খান

যখন আকাশ বিদীর্ণ হবে,

জহুরুল হক

যখন আকাশ খন্ডবিখন্ড হবে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

যখন আসমান ফেটে যাবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং সে তার প্রভুর ফরমান পালন করবে, আর তা করাটাই তার জন্যে হক (বাস্তব)।

মুহিউদ্দীন খান

ও তার পালনকর্তার আদেশ পালন করবে এবং আকাশ এরই উপযুক্ত

জহুরুল হক

আর তার প্রভুর প্রতি উৎকর্ণ হবে এবং কর্তব্যরত হবে - -

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তার রবের নির্দেশ পালন করবে এবং এটাই তার করণীয়।

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং যখন পৃথিবীকে করে দেয়া হবে প্রসারিত।

মুহিউদ্দীন খান

এবং যখন পৃথিবীকে সম্প্রসারিত করা হবে।

জহুরুল হক

আর যখন পৃথিবীকে সমতল করা হবে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যখন যমীনকে সম্প্রসারিত করা হবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর তার ভেতরে যা কিছু ছিলো, সব বাইরে নিক্ষেপ করে সে খালি হয়ে যাবে।

মুহিউদ্দীন খান

এবং পৃথিবী তার গর্ভস্থিত সবকিছু বাইরে নিক্ষেপ করবে ও শুন্যগর্ভ হয়ে যাবে।

জহুরুল হক

আর তার ভেতরে যা - কিছু রয়েছে তা নিক্ষেপ করবে এবং শূন্যগর্ভ হবে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তার মধ্যে যা রয়েছে তা নিক্ষেপ করবে এবং খালি হয়ে যাবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

এভাবে সে তার রবের হুকুম পালন করবে, আর তা করাটাই তার জন্যে হক (বাস্তব)।

মুহিউদ্দীন খান

এবং তার পালনকর্তার আদেশ পালন করবে এবং পৃথিবী এরই উপযুক্ত।

জহুরুল হক

ফলে তার প্রভুর প্রতি উৎকর্ণ হবে এবং কর্তব্যরত হবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তার রবের নির্দেশ পালন করবে এবং এটাই তার করণীয়।

আবদুস শহীদ নাসিম

হে মানুষ! তুমি তোমার (ভালো - মন্দ) কৃতকর্মের বোঝা নিয়ে ফিরে চলছো তোমরা মালিকের দিকে। এ এক অবধারিত প্রত্যাবর্তন। সামনে এগিয়েই তাঁর সাথে মুলাকাত (সাক্ষাত) করবে।

মুহিউদ্দীন খান

হে মানুষ, তোমাকে তোমরা পালনকর্তা পর্যন্ত পৌছতে কষ্ট স্বীকার করতে হবে, অতঃপর তার সাক্ষাৎ ঘটবে।

জহুরুল হক

ওহে মানব! নিশ্চয় তোমার প্রভুর তরফে তোমাকে প্রচেষ্টা চালাতে হবে বিশেষ উদ্যমে, তাহলে তুমি তাঁর সাক্ষাৎ পাবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

হে মানুষ, তোমার রব পর্যন্ত (পৌঁছতে) অবশ্যই তোমাকে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। অতঃপর তুমি তাঁর সাক্ষাৎ পাবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

সেখানে যার কিতাব (কৃতকর্মের রেকর্ড বা আমলনামা) দেয়া হবে তার ডান হাতে,

মুহিউদ্দীন খান

যাকে তার আমলনামা ডান হাতে দেয়া হবে

জহুরুল হক

সুতরাং তার ক্ষেত্রে যাকে তার নিবন্ধগ্রন্থ তার ডান হাতে দেওয়া হবে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর যাকে তার আমলনামা তার ডান হাতে দেয়া হবে;

আবদুস শহীদ নাসিম

তার কাছ থেকে নেয়া হবে একটা সহজ হিসাব,

মুহিউদ্দীন খান

তার হিসাব - নিকাশ সহজে হয়ে যাবে

জহুরুল হক

তাকে তো তবে হিসেব চুকিয়ে দেওয়া হবে সহজ হিসেবনিকেশে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

অত্যন্ত সহজভাবেই তার হিসাব-নিকাশ করা হবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং সে তার পরিবার - পরিজনের কাছে ফিরে যাবে হাসি খুশি, আনন্দ উৎফুল্ল চিত্তে।

মুহিউদ্দীন খান

এবং সে তার পরিবার - পরিজনের কাছে হৃষ্টচিত্তে ফিরে যাবে

জহুরুল হক

আর সে তার স্বজনদের কাছে ফিরে যাবে খুশি হয়ে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর সে তার পরিবার-পরিজনের কাছে আনন্দিত হয়ে ফিরে যাবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তবে যার কিতাব (কৃতকর্মের রেকর্ড বা আমলনামা) দেয়া হবে তার পেছন দিক থেকে,

মুহিউদ্দীন খান

এবং যাকে তার আমলনামা পিঠের পশ্চাদ্দিক থেকে দেয়া, হবে,

জহুরুল হক

আর তার ক্ষেত্রে যাকে তার নিবন্ধগ্রন্থ তার পিঠের পশ্চাৎ দিকে দেওয়া হবে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যাকে তার আমলনামা পিঠের পেছনে দেয়া হবে,

আবদুস শহীদ নাসিম

সে ডাকবে মৃত্যুকে,

মুহিউদ্দীন খান

সে মৃত্যুকে আহবান করবে,

জহুরুল হক

সে তখনই ধ্বংসের জন্য আর্তনাদ করবে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর সে ধ্বংস আহবান করতে থাকবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং সে প্রবেশ করবে সায়ীরে (জলন্ত আগুনে)।

মুহিউদ্দীন খান

এবং জাহান্নামে প্রবেশ করবে।

জহুরুল হক

আর জ্বলন্ত আগুনে প্রবেশ করবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর সে জ্বলন্ত আগুনে প্রবেশ করবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

সে তো (দুনিয়ার জীবনে) তার পরিবার - পরিজনদের মধ্যে থাকতো আনন্দে মেতে।

মুহিউদ্দীন খান

সে তার পরিবার - পরিজনের মধ্যে আনন্দিত ছিল।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ সে তার স্বজনদের মধ্যে ফুর্তিতে ছিল।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় সে তার পরিবার-পরিজনদের মধ্যে আনন্দে ছিল।

আবদুস শহীদ নাসিম

নিশ্চয়ই সে মনে করতো, তার কখনো ফিরে আসতে হবেনা (আমার কাছে)।

মুহিউদ্দীন খান

সে মনে করত যে, সে কখনও ফিরে যাবে না।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ সে ভেবেছিল যে সে কখনো ফিরে আসবে না।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় সে মনে করত যে, সে কখনো ফিরে যাবে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

হ্যাঁ, অবশ্যি (তাকে ফিরে আসতেই হবে), কখনো তাকে দৃষ্টির আড়াল করেননি তার প্রভু।

মুহিউদ্দীন খান

কেন যাবে না, তার পালনকর্তা তো তাকে দেখতেন।

জহুরুল হক

না, নিঃসন্দেহ তার প্রভু বরাবর তার প্রতি দৃষ্টিদাতা।

বয়ান ফাউন্ডেশন

হ্যাঁ, নিশ্চয় তার রব তার প্রতি সম্যক দৃষ্টি দানকারী।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমি শপথ করছি অস্ত লালিমার,

মুহিউদ্দীন খান

আমি শপথ করি সন্ধ্যাকালীন লাল আভার

জহুরুল হক

কিন্ত না, আমি সাক্ষী করছি সূর্যাস্তের রক্তিমাভা,

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর আমি কসম করছি পশ্চিম আকাশের লালিমার।

আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ করছি রাতের, আর সে তার অন্ধকারে যা কিছুর সমাবেশ ঘটায় (সেগুলোর)।

মুহিউদ্দীন খান

এবং রাত্রির, এবং তাতে যার সমাবেশ ঘটে

জহুরুল হক

আর রাত্রিকে ও যা - কিছু তা তাড়িয়ে নেয়,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর রাতের কসম এবং রাত যা কিছুর সমাবেশ ঘটায় তার।

আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ করছি চাঁদের, যখন সে উপনীত হয় পূর্ণিমায়।

মুহিউদ্দীন খান

এবং চন্দ্রের, যখন তা পূর্ণরূপ লাভ করে,

জহুরুল হক

আর চন্দ্রকে যখন সে পূর্ণাঙ্গতা পায়,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর চাঁদের কসম, যখন তা পরিপূর্ণ হয়।

আবদুস শহীদ নাসিম

নিশ্চয়ই তোমরা আরোহণ করতে থাকবে এক তবকা (স্তর) থেকে আরেক তবকায়।

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় তোমরা এক সিঁড়ি থেকে আরেক সিঁড়িতে আরোহণ করবে।

জহুরুল হক

যেন তোমরা এক স্তর থেকে অন্য স্তরে আরোহণ করতে পারো।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অবশ্যই তোমরা এক স্তর থেকে অন্য স্তরে আরোহণ করবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

সুতরাং তাদের হলো কি যে, তারা ঈমান আনে না?

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তাদের কি হল যে, তারা ঈমান আনে না?

জহুরুল হক

সুতরাং তাদের কী হয়েছে যে তারা ঈমান আনছে না,

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতএব তাদের কী হল যে, তারা ঈমান আনছে না?

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং যখন তাদের কাছে কুরআন পেশ করা হয়, তখন সাজদা করেনা (অবনত হয়না)? (সাজদা)

মুহিউদ্দীন খান

যখন তাদের কাছে কোরআন পাঠ করা হয়, তখন সেজদা করে না।

জহুরুল হক

আর যখন তাদের নিকট কুরআন পাঠ করা হয় তখন তারা সিজদা করে না?

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যখন তাদের কাছে কুরআন তিলাওয়াত করা হয় তখন তারা সিজদা করে না।[সাজদাহ]

আবদুস শহীদ নাসিম

বরং যারা কুফরির পথ অবলম্বন করে, তারা (এই কুরআনকে) অস্বীকার করে।

মুহিউদ্দীন খান

বরং কাফেররা এর প্রতি মিথ্যারোপ করে।

জহুরুল হক

পরন্তু যারা অবিশ্বাস করে তারা মিথ্যারোপ করে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

বরং কাফিররা অস্বীকার করে।

আবদুস শহীদ নাসিম

অথচ আল্লাহই অধিক জানেন (তারা তাদের আমলনামায়) কী জমা করছে?

মুহিউদ্দীন খান

তারা যা সংরক্ষণ করে, তা জানেন।

জহুরুল হক

অথচ ভালো জানেন যা তারা লুকোচ্ছে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তারা যা অন্তরে পোষণ করে তা সবিশেষ পরিজ্ঞাত।

আবদুস শহীদ নাসিম

সুতরাং তাদেরকে সংবাদ দাও যন্ত্রনাদায়ক আযাবের।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তাদেরকে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তির সুসংবাদ দিন।

জহুরুল হক

অতএব তাদের সুসংবাদ দাও মর্মন্তুদ শাস্তির,

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতএব তুমি তাদেরকে যন্ত্রণাদায়ক আযাবের সুসংবাদ দাও।

আবদুস শহীদ নাসিম

তবে যারা ঈমান আনে এবং আমলে সালেহ্ করে, তাদের জন্য রয়েছে অফুরন্ত পুরস্কার।

মুহিউদ্দীন খান

কিন্তু যারা বিশ্বাস স্থাপন করে ও সৎকর্ম করে, তাদের জন্য রয়েছে অফুরন্ত পুরস্কার।

জহুরুল হক

তারা ব্যতীত যারা ঈমান এনেছে ও সৎকাজ করছে, - - তাদের জন্য রয়েছে এক নিরবচ্ছিন্ন প্রতিদান।

বয়ান ফাউন্ডেশন

কিন্তু যারা ঈমান আনে এবং সৎকর্ম করে তাদের জন্য রয়েছে নিরবচ্ছিন্ন প্রতিদান।

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme