You’re offline. Downloaded books and recitations still work.
আল ফাতিহা
Chapter 1, 7 verses
আবদুস শহীদ নাসিম
মুহিউদ্দীন খান
জহুরুল হক
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
About this chapter
মক্কায় অবতীর্ণ, আয়াত সংখ্যা: ০৭, রুকু সংখ্যা: ০১
প্রথম পূর্ণাঙ্গ সূরা
সূরা আল ফাতিহা অহি নাযিলের প্রাথমিককালে অবতীর্ণ হয়। এ সূরাটিই প্রথম পূর্ণাঙ্গ সূরা হিসেবে নাযিল হয়। এর আগে নাযিল হয় কেবল কিছু বিচ্ছিন্ন আয়াত।
সূরা ফাতিহার কয়েকটি নাম
এই সূরাটি ‘আল ফাতিহা’ নামেই পরিচিত। তবে হাদিসে আরো কয়েকটি নাম উল্লেখ হয়েছে। যেমন :
এক : ফাতিহাতুল কিতাব। অর্থ : আল কিতাব বা আল কুরআনের মুখবন্ধ, ভূমিকা।
দুই : উম্মুল কিতাব। অর্থ : আল কিতাব বা আল কুরআনের মূল বা মূল ভিত্তি।
তিন : উম্মুল কুরআন। অর্থ: আল কুরআনের ভিত্তি বা মূল।
চার : আস্ সাব্উল মাছানি। অর্থ: বার বার পঠিত সাত (আয়াত)।
পাঁচ : আল কুরআনুল আযিম। অর্থ: মহাপঠিত, মহাপাঠ্য, শ্রেষ্ঠ পাঠ।
ছয় : সূরাতুল হামদ। অর্থ: আল্লাহ তায়ালার প্রশংসার সূরা।
সাত : সূরাতুস্ সালাত। অর্থ: সালাতে পাঠ্য সূরা।
এই সূরার আলোচ্যসূচি
আয়াতআলোচ্য বিষয়
০১-০৪আল্লাহর মহোত্তম গুণাবলির বর্ণনা।
০৫আল্লাহর সাথে মানুষের সম্পর্ক কিসের ?
০৬-০৭আল্লাহর কাছে মানুষের সর্বোত্তম প্রার্থনা (কী হওয়া উচিত?)
আবদুস শহীদ নাসিম
পরম করুণাময় পরম দয়াবান আল্লাহর নামে ।
মুহিউদ্দীন খান
শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।
জহুরুল হক
আল্লাহর নাম নিয়ে (আরম্ভ করছি), (যিনি) রহমান ( - - পরম করুণাময়, যিনি অসীম করুণা ও দয়া বশতঃ বিশ্বজগতের সমস্ত সৃষ্টির সহাবস্থানের প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা অগ্রিম করে রেখেছেন), (যিনি) রহীম ( - - অফুরন্ত ফলদাতা, যাঁর অপার করুণা ও দয়ার ফলে প্রত্যেকের ক্ষুদ্রতম শুভ - প্রচেষ্টাও বিপুলভাবে সাফল্যমণ্ডিত ও পুরস্কৃত হয়ে থাকে)।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
দয়াময়, পরম দয়ালু র নামে,
আবদুস শহীদ নাসিম
সমস্ত প্রশংসা ও কৃতজ্ঞতা শুধুমাত্র আল্লাহর, যিনি রাববুল আলামিন (গোটা সৃষ্টি জগতের রব)।
মুহিউদ্দীন খান
যাবতীয় প্রশংসা তাআলার যিনি সকল সৃষ্টি জগতের পালনকর্তা।
জহুরুল হক
সমস্ত প্রশংসা র প্রাপ্য, সমুদয় সৃষ্ট - জগতের রব্ব।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
সকল প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক রই,
আবদুস শহীদ নাসিম
যিনি রহমান ও রহিম (পরম করুণাময়, পরম দয়াবান),
মুহিউদ্দীন খান
যিনি নিতান্ত মেহেরবান ও দয়ালু।
জহুরুল হক
রহমান, রহীম।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যিনি দয়াময়, পরম দয়ালু,
আবদুস শহীদ নাসিম
(যিনি) প্রতিফল দিবসের মালিক।
মুহিউদ্দীন খান
যিনি বিচার দিনের মালিক।
জহুরুল হক
বিচারকালের মালিক।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
কর্মফল দিবসের মালিক।
আবদুস শহীদ নাসিম
আমরা শুধুমাত্র তোমারই ইবাদত করি এবং শুধুমাত্র তোমারই সাহায্য চাই।
মুহিউদ্দীন খান
আমরা একমাত্র তোমারই ইবাদত করি এবং শুধুমাত্র তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করি।
জহুরুল হক
“তোমারই আমরা এবাদত করি, এবং তোমারই কাছে আমরা সাহায্য প্রার্থনা করি।”
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আমরা শুধু তোমারই ‘ইবাদত করি, শুধু তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করি,
আবদুস শহীদ নাসিম
তুমি আমাদের হিদায়াত করো (পরিচালিত করো) সিরাতুল মুস্তাকিমের (সরল, সোজা, সঠিক পথের) দিকে।
মুহিউদ্দীন খান
আমাদেরকে সরল পথ দেখাও,
জহুরুল হক
“আমাদের তুমি সহজ - সঠিক পথে পরিচালিত করো, - - ”
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আমাদেরকে সরল পথ প্রদর্শন কর,
আবদুস শহীদ নাসিম
তাদের পথে, যাদের প্রতি তুমি অনুগ্রহ করেছো। তাদের পথে নয়, যারা তোমার গজবে (ক্রোধে) পড়েছে। আর তাদের পথেও নয়, যারা হয়ে গেছে পথভ্রষ্ট।
মুহিউদ্দীন খান
সে সমস্ত লোকের পথ, যাদেরকে তুমি নেয়ামত দান করেছ। তাদের পথ নয়, যাদের প্রতি তোমার গজব নাযিল হয়েছে এবং যারা পথভ্রষ্ট হয়েছে।
জহুরুল হক
“তাদের পথে যাদের প্রতি তুমি নিয়ামত অর্পণ করেছ, তাদের ব্যতীত যাদের প্রতি গযব এসেছে, এবং তাদেরও নয় যারা পথভ্রষ্ট।”
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তাহাদের পথ, যাহাদেরকে তুমি অনুগ্রহ দান করিয়াছ, তাহাদের পথ নহে যাহারা ক্রোধ - নিপতিত ও পথভ্রষ্ট।