Kitab

আদ্ দুখান (ধোঁয়া)

Chapter 44, 59 verses

  • আবদুস শহীদ নাসিম
  • মুহিউদ্দীন খান
  • জহুরুল হক
  • সমকালীন বাংলা
About this chapter


মক্কায় অবতীর্ণ, আয়াত সংখ্যা: ৫৯, রুকু সংখ্যা: ০৩

এই সূরার আলোচ্যসূচি

আয়াতআলোচ্য বিষয় ০১-০৭কুরআন নাযিলের রাতের মর্যাদা, মহাবিশ্বের প্রভু আল্লাহ্ কুরআন নাযিল করেছেন। ০৮-১৬একদিন মহাকাশ ধোঁয়ায় পরিপূর্ণ হয়ে যাবে। সব মানুষ ধোঁয়ায় ঢাকা পড়বে। ১৭-৩৩ফেরাউনের হাতে বনি ইসরাঈলীদের পরীক্ষা। ৩৪-৫৯পুনরুত্থানকে অস্বীকারকারীদের ভ্রান্তি। পাপিষ্ঠদের পরকালীন খাদ্য হবে যাক্কুম গাছ ও প্রচন্ড গরম পানি। মুত্তাকিদের পরকালীন নিরাপত্তা ও নিয়ামত। কুরআনকে সহজ করা হয়েছে উপদেশ গ্রহণের জন্য।
আবদুস শহীদ নাসিম

হা মিম।

মুহিউদ্দীন খান

হা - মীম।

জহুরুল হক

হা মীম!

সমকালীন বাংলা

পরম দয়ালু, পরম ক্ষমাশীল আল্লাহর নামে; হা - মীম।

আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ এই সুস্পষ্ট কিতাবের।

মুহিউদ্দীন খান

শপথ সুস্পষ্ট কিতাবের।

জহুরুল হক

সুস্পষ্ট গ্রন্থের কথা ভেবে দেখো - -

সমকালীন বাংলা

শপথ সুস্পষ্ট কিতাবের।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা এটিকে নাযিল করেছি এক মুবারক রাতে। আমরা তো সতর্ককারী।

মুহিউদ্দীন খান

আমি একে নাযিল করেছি। এক বরকতময় রাতে, নিশ্চয় আমি সতর্ককারী।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ আমরা এটি অবতারণ করেছি এক পবিত্র রাত্রিতে, নিঃসন্দেহ আমরা চির - সতর্ককারী।

সমকালীন বাংলা

আমি তো ইহা অবতীর্ণ করিয়াছি এক সৌভাগ্যময় রজনীতে ; আমি তো সতর্ককারী।

আবদুস শহীদ নাসিম

সেই রাতে ফায়সালা করা হয় প্রতিটি বিজ্ঞানময় বিষয়

মুহিউদ্দীন খান

এ রাতে প্রত্যেক প্রজ্ঞাপূর্ণ বিষয় স্থিরীকৃত হয়।

জহুরুল হক

এতে প্রত্যেক বিষয় সুস্পষ্ট করা হয় জ্ঞানভান্ডার দিয়ে,

সমকালীন বাংলা

এই রজনীতে প্রত্যেক প্রজ্ঞাপূর্ণ বিষয় স্থিরীকৃত হয়,

আবদুস শহীদ নাসিম

আমাদের নির্দেশক্রমে। আমরা তো রসূল পাঠিয়ে থাকি

মুহিউদ্দীন খান

আমার পক্ষ থেকে আদেশক্রমে, আমিই প্রেরণকারী।

জহুরুল হক

আমাদের তরফ থেকে এক নির্দেশনামা। নিঃসন্দেহ আমরা সতত প্রেরণকারী, - -

সমকালীন বাংলা

আমার আদেশক্রমে, আমি তো রাসূল প্রেরণ করিয়া থাকি

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমার প্রভুর পক্ষ থেকে অনুগ্রহ হিসেবে। নিশ্চয়ই তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞানী।

মুহিউদ্দীন খান

আপনার পালনকর্তার পক্ষ থেকে রহমতস্বরূপ। তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।

জহুরুল হক

তোমার প্রভু কাছ থেকে এ এক অনুগ্রহ। নিঃসন্দেহ তিনি, তিনিই সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞাতা, - -

সমকালীন বাংলা

তোমার প্রতিপালকের অনুগ্রহস্বরূপ ; তিনি তো সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ -

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনি মহাকাশ ও পৃথিবীর প্রভু এবং এ দুয়ের মাঝে যা কিছু আছে সেগুলোরও, যদি তোমরা একীন রেখে থাকো।

মুহিউদ্দীন খান

যদি তোমাদের বিশ্বাস থাকে দেখতে পাবে। তিনি নভোমন্ডল, ভূমন্ডল ও এতদুভয়ের মধ্যেবর্তী সবকিছুর পালনকর্তা।

জহুরুল হক

মহাকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর এবং এ দুইয়ের মধ্যে যা আছে তার প্রভু, - - যদি তোমরা সুনিশ্চিত হও।

সমকালীন বাংলা

যিনি আকাশমণ্ডলী, পৃথিবী ও উহাদের মধ্যবর্তী সমস্তকিছুর প্রতিপালক, যদি তোমরা নিশ্চিত হও।

আবদুস শহীদ নাসিম

কোনো ইলাহ্ নেই তিনি ছাড়া। তিনি হায়াত দান করেন এবং মউত ঘটান। তিনিই তোমাদের এবং তোমাদের পূর্ব পুরুষদের প্রভু।

মুহিউদ্দীন খান

তিনি ব্যতীত কোন উপাস্য নেই। তিনি জীবন দান করেন ও মৃত্যু দেন। তিনি তোমাদের পালনকর্তা এবং তোমাদের পূর্ববর্তী পিতৃ - পুরুষদেরও পালনকর্তা।

জহুরুল হক

তিনি ব্যতীত অন্য উপাস্য নেই, তিনি জীবন দান করেন ও মৃত্যু ঘটান। তোমাদের প্রভু এবং পূর্বকালীন তোমাদের পিতৃপুরষদেরও প্রভু।

সমকালীন বাংলা

তিনি ব্যতীত কোন ইলাহ্ নাই, তিনি জীবন দান করেন এবং তিনিই মৃত্যু ঘটান; তিনি তোমাদের প্রতিপালক এবং তোমাদের পূর্বপুরুষদেরও প্রতিপালক।

আবদুস শহীদ নাসিম

বরং তারা সন্দেহে থেকে খেলতামাশায় লিপ্ত হয়েছে।

মুহিউদ্দীন খান

এতদসত্ত্বেও এরা সন্দেহে পতিত হয়ে ক্রীড়া - কৌতুক করছে।

জহুরুল হক

বস্তুতঃ তারা সন্দেহের মাঝে ছেলেখেলা খেলছে।

সমকালীন বাংলা

বস্তুত উহারা সন্দেহের বশবর্তী হইয়া হাসিঠাট্টা করিতেছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

অতএব তুমি অপেক্ষা করো সেই দিনটির যেদিন আসমান হয়ে পড়বে ঘোরতর ধোঁয়াচ্ছন্ন,

মুহিউদ্দীন খান

অতএব আপনি সেই দিনের অপেক্ষা করুন, যখন আকাশ ধূয়ায় ছেয়ে যাবে।

জহুরুল হক

সুতরাং তুমি অপেক্ষা কর সেই দিনের যখন আকাশ নেমে আসবে প্রকাশ্য ধোঁয়া নিয়ে, - -

সমকালীন বাংলা

অতএব তুমি অপেক্ষা কর সেই দিনের যেদিন স্পষ্ট ধূম্রাচ্ছন্ন হইবে আকাশ,

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং তা ঢেকে ফেলবে সমস্ত মানুষকেও। এ হবে এক বেদনাদায়ক আযাব।

মুহিউদ্দীন খান

যা মানুষকে ঘিরে ফেলবে। এটা যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।

জহুরুল হক

মানুষকে জড়িয়ে ফেলে। এ এক মর্মন্তদ শাস্তি।

সমকালীন বাংলা

এবং উহা আবৃত করিয়া ফেলিবে মানব জাতিকে। ইহা হইবে মর্মন্তুদ শাস্তি।

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন তারা বলতে থাকবে: ‘আমাদের প্রভু! আমাদের থেকে সরিয়ে নাও আযাব। আমরা এখনই ঈমান আনছি।’

মুহিউদ্দীন খান

হে আমাদের পালনকর্তা আমাদের উপর থেকে শাস্তি প্রত্যাহার করুন, আমরা বিশ্বাস স্থাপন করছি।

জহুরুল হক

''আমাদের প্রভু! আমাদের থেকে শাস্তি সরিয়ে নাও, নিঃসন্দেহ আমরা হচ্ছি।’’

সমকালীন বাংলা

তখন উহারা বলিবে, ‘হে আমাদের প্রতিপালক ! আমাদের হইতে শাস্তি দূর কর, অবশ্যই আমরা ঈমান আনিব।’

আবদুস শহীদ নাসিম

কেমন করে তারা গ্রহণ করবে উপদেশ, অথচ তাদের কাছে এসেছিল একজন সুস্পষ্ট রসূল।

মুহিউদ্দীন খান

তারা কি করে বুঝবে, অথচ তাদের কাছে এসেছিলেন স্পষ্ট বর্ণনাকারী রসূল।

জহুরুল হক

কেমন ক’রে তাদের জন্য উপদেশ - গ্রন্থ হবে, অথচ তাদের কাছে একজন প্রকাশ্য রসূল এসেই গেছেন?

সমকালীন বাংলা

উহারা কী করিয়া উপদেশ গ্রহণ করিবে? উহাদের নিকট তো আসিয়াছে স্পষ্ট ব্যাখ্যাতা এক রাসূল ;

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন তারা একথা বলে তার থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়: ‘এ তো এক প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত পাগল।’

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর তারা তাকে পৃষ্ঠপ্রদর্শন করে এবং বলে, সে তো উম্মাদ - শিখানো কথা বলে।

জহুরুল হক

কিন্ত তারা তখন তাঁর থেকে ফিরে গিয়েছিল আর বলেছিল - - ''শেখানো, পাগল।’’

সমকালীন বাংলা

অতঃপর উহারা তাহাকে অমান্য করিয়া বলে, ‘সে শিক্ষাপ্রাপ্ত এক পাগল!’

আবদুস শহীদ নাসিম

আমি কিছু কালের জন্যে আযাব সরিয়ে নিচ্ছি, কিন্তু তোমরা তো পূর্বাবস্থায় ফিরে যাবে।

মুহিউদ্দীন খান

আমি তোমাদের উপর থেকে আযাব কিছুটা প্রত্যাহার করব, কিন্তু তোমরা পুনরায় পুনর্বস্থায় ফিরে যাবে।

জহুরুল হক

আমরা না হয় কিছুকালের জন্য শাস্তি স্থগিতই রাখব, কিন্ত তোমরা তো ফিরে যাবে।

সমকালীন বাংলা

আমি কিছু কালের জন্য শাস্তি রহিত করিব - তোমরা তো তোমাদের পূর্বাবস্থায় ফিরিয়া যাইবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

যেদিন আমরা তোমাদের প্রবলভাবে পাকড়াও করবো, সেদিন অবশ্যি আমরা তোমাদের থেকে প্রতিশোধ নেবো।

মুহিউদ্দীন খান

যেদিন আমি প্রবলভাবে ধৃত করব, সেদিন পুরোপুরি প্রতিশোধ গ্রহণ করবই।

জহুরুল হক

যেদিন আমরা পাকড়াবো বিরাট ধড়পাকড়ে, সেদিন আমরা নিশ্চয়ই শেষ - পরিণতি দেখাব।

সমকালীন বাংলা

যেদিন আমি তোমাদেরকে প্রবলভাবে পাকড়াও করিব, সেদিন নিশ্চয়ই আমি তোমাদেরকে শাস্তি দিবই।

আবদুস শহীদ নাসিম

এদের আগে আমরা ফেরাউনের জাতিকেও পরীক্ষা করেছিলাম এবং তাদের কাছে এসেছিল একজন সম্মানিত রসূল।

মুহিউদ্দীন খান

তাদের পূর্বে আমি ফেরাউনের সম্প্রদায়কে পরীক্ষা করেছি এবং তাদের কাছে আগমন করেছেন একজন সম্মানিত রসূল,

জহুরুল হক

আর তাদের আগে আমরা তো ফির'আউনের লোকদলকে পরীক্ষা করেইছিলাম, আর তাদের নিকট এক সম্মানিত রসূল এসেছিলেন,

সমকালীন বাংলা

ইহাদের পূর্বে আমি তো ফির‘আওন সম্প্রদায়কে পরীক্ষা করিয়াছিলাম এবং উহাদের নিকটও আসিয়াছিল এক সম্মানিত রাসূল,

আবদুস শহীদ নাসিম

সে তাদের বলেছিল: ‘‘আল্লাহর বান্দাদের (বনি ইসরাঈলকে) আমার হাতে প্রত্যার্পণ করো। আমি তোমাদের জন্যে একজন বিশ্বস্ত রসূল।

মুহিউদ্দীন খান

এই মর্মে যে, আল্লাহর বান্দাদেরকে আমার কাছে অর্পণ কর। আমি তোমাদের জন্য প্রেরীত বিশ্বস্ত রসূল।

জহুরুল হক

এই বলে - - ''‌র বান্দাদের আমার নিকট ফেরত দাও, নিঃসন্দেহ আমি তোমাদের প্রতি একজন বিশ্বস্ত বাণীবাহক,

সমকালীন বাংলা

সে বলিল, আল্লাহর বান্দাদেরকে আমার নিকট প্রত্যর্পণ কর। আমি তোমাদের জন্য এক বিশ্বস্ত রাসূল।

আবদুস শহীদ নাসিম

আল্লাহর বিরুদ্ধে বড়াই করোনা, আমি (আল্লাহর পক্ষ থেকে) তোমাদের কাছে নিয়ে এসেছি সুস্পষ্ট প্রমাণ।

মুহিউদ্দীন খান

আর তোমরা আল্লাহর বিরুদ্ধে ঔদ্ধত্য প্রকাশ করো না। আমি তোমাদের কাছে প্রকাশ্য প্রমাণ উপস্থিত করছি।

জহুরুল হক

''আর যেন তোমরা ‌র উপরে উঠতে যেও না, নিঃসন্দেহ আমি তোমাদের কাছে নিয়ে এসেছি এক সুস্পষ্ট দলিল।

সমকালীন বাংলা

‘এবং তোমরা বিরুদ্ধে ঔদ্ধত্য প্রকাশ করিও না, আমি তোমাদের নিকট উপস্থিত করিতেছি স্পষ্ট প্রমাণ।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা যেনো আমাকে পাথর মেরে হত্যা করতে না পারো, সে জন্যে আমি আমার প্রভু এবং তোমাদের প্রভু (আল্লাহর) আশ্রয় গ্রহণ করেছি।

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা যাতে আমাকে প্রস্তরবর্ষণে হত্যা না কর, তজ্জন্যে আমি আমার পালনকর্তা ও তোমাদের পালনকর্তার শরনাপন্ন হয়েছি।

জহুরুল হক

''আর আমি আলবৎ আশ্রয় চাইছি আমার প্রভু ও তোমাদের প্রভুর কাছে, পাছে তোমরা আমাকে পাথর মে’রে মেরে ফেল।

সমকালীন বাংলা

‘তোমরা যাহাতে আমাকে প্রস্তরাঘাতে হত্যা করিতে না পার, তজ্জন্য আমি আমার প্রতিপালক ও তোমাদের প্রতিপালকের শরণ লইতেছি।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা যদি আমার প্রতি ঈমান না আনো, তাহলে আমার থেকে দূরে থাকো।’’

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা যদি আমার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন না কর, তবে আমার কাছ থেকে দূরে থাক।

জহুরুল হক

''আর যদি তোমরা আমাতে বিশ্বাস না কর তাহলে আমাকে যেতে দাও।’’

সমকালীন বাংলা

‘যদি তোমরা আমার কথায় বিশ্বাস স্থাপন না কর, তবে তোমরা আমার নিকট হইতে দূরে থাক।’

আবদুস শহীদ নাসিম

অত:পর মূসা তার প্রভুকে ডেকে বললো: ‘এরা তো এক অপরাধী জাতি।’

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর সে তার পালনকর্তার কাছে দোয়া করল যে, এরা অপরাধী সম্প্রদায়।

জহুরুল হক

তারপর তিনি তাঁর প্রভুকে ডেকে বললেন - - ''এরা হচ্ছে এক অপরাধী জাতি।’’

সমকালীন বাংলা

অতঃপর মূসা তাহার প্রতিপালকের নিকট নিবেদন করিল, ‘ইহারা তো এক অপরাধী সম্প্রদায়।’

আবদুস শহীদ নাসিম

(তখন আমরা তাকে নির্দেশ দিয়েছি:) ‘তুমি রাতের বেলায় আমার দাসদের নিয়ে বেরিয়ে পড়ো। পেছনে থেকে তোমাদের ধাওয়া করা হবে।’

মুহিউদ্দীন খান

তাহলে তুমি আমার বান্দাদেরকে নিয়ে রাত্রিবেলায় বের হয়ে পড়। নিশ্চয় তোমাদের পশ্চাদ্ধবন করা হবে।

জহুরুল হক

''তাহলে আমার বান্দাদের নিয়ে রাত্রিকালে রওয়ানা হও, তোমরা অবশ্যই পশ্চাদ্ধাবিত হবে,

সমকালীন বাংলা

আমি বলিয়াছিলাম, ‘তুমি আমার বান্দাদেরকে লইয়া রজনীযোগে বাহির হইয়া পড়, তোমাদের পশ্চাদ্ধাবন করা হইবেই।’

আবদুস শহীদ নাসিম

সমুদ্রকে স্থির থাকতে দাও, ওরা সেই বাহিনী যারা ডুবে মরবে।

মুহিউদ্দীন খান

এবং সমুদ্রকে অচল থাকতে দাও। নিশ্চয় ওরা নিমজ্জত বাহিনী।

জহুরুল হক

আর সমুদ্রকে পেছনে রেখে যাও শান্ত অবস্থায়। নিঃসন্দেহ তারা হচ্ছে এমন এক বাহিনী যারা নিমজ্জিত হবে।’’

সমকালীন বাংলা

সমুদ্রকে স্থির থাকিতে দাও, উহারা এমন এক বাহিনী যাহা নিমজ্জিত হইবেই।

আবদুস শহীদ নাসিম

কতো যে বাগবাগিচা আর ঝরণাধারা পেছনে রেখে এসেছিল তারা!

মুহিউদ্দীন খান

তারা ছেড়ে গিয়েছিল কত উদ্যান ও প্রস্রবন,

জহুরুল হক

তারা পেছনে ফেলে এসেছে কত যে বাগান ও ঝরনা,

সমকালীন বাংলা

উহারা পশ্চাতে রাখিয়া গিয়াছিল কত উদ্যান ও প্রস্রবণ;

আবদুস শহীদ নাসিম

রেখে এসেছিল শস্য ক্ষেত, বিলাসবহুল প্রাসাদ,

মুহিউদ্দীন খান

কত শস্যক্ষেত্র ও সূরম্য স্থান।

জহুরুল হক

আর খেত - খামার ও মনোরম বাসস্থান,

সমকালীন বাংলা

কত শস্যক্ষেত্র ও সুরম্য প্রাসাদ,

আবদুস শহীদ নাসিম

আর কতো যে বিলাস সামগ্রী, যেগুলোতে তারা ছিলো উল্লাসে মত্ত।

মুহিউদ্দীন খান

কত সুখের উপকরণ, যাতে তারা খোশগল্প করত।

জহুরুল হক

আর ভোগসামগ্রী যাতে তারা অবস্থান করত।

সমকালীন বাংলা

কত বিলাস - উপকরণ, উহাতে তাহারা আনন্দ পাইত!

আবদুস শহীদ নাসিম

এমনটিই ঘটেছিল, আর আমরা এসব কিছুর ওয়ারিশ বানিয়েছিলাম অপর একদল লোককে।

মুহিউদ্দীন খান

এমনিই হয়েছিল এবং আমি ওগুলোর মালিক করেছিলাম ভিন্ন সম্প্রদায়কে।

জহুরুল হক

এইভাবেই, আর এইসব আমরা অন্য এক জাতিকে উত্তরাধিকার করতে দিয়েছিলাম।

সমকালীন বাংলা

এইরূপই ঘটিয়াছিল এবং আমি এই সমুদয়ের উত্তরাধিকারী করিয়াছিলাম ভিন্ন সম্প্রদায়কে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আসমান কিংবা জমিন কেউই তাদের জন্যে অশ্রুপাত করেনি এবং তাদের কোনো প্রকার অবকাশও দেয়া হয়নি।

মুহিউদ্দীন খান

তাদের জন্যে ক্রন্দন করেনি আকাশ ও পৃথিবী এবং তারা অবকাশও পায়নি।

জহুরুল হক

তারপর মহাকাশ ও পৃথিবী তাদের জন্য কাঁদে নি, আর তারা অবকাশপ্রাপ্তও হয়নি।

সমকালীন বাংলা

আকাশ এবং পৃথিবী কেহই উহাদের জন্যে অশ্রুপাত করে নাই এবং উহাদেরকে অবকাশও দেওয়া হয় নাই।

আবদুস শহীদ নাসিম

(এভাবে) আমরা নাজাত (মুক্তি) দিয়েছিলাম বনি ইসরাঈলকে লাঞ্ছনাকর আযাব থেকে,

মুহিউদ্দীন খান

আমি বনী - ইসরাঈলকে অপমানজনক শাস্তি থেকে উদ্ধার করছি।

জহুরুল হক

আর আমরা নিশ্চয়ই ইসরাইলের বংশধরদের উদ্ধার করে দিয়েছিলাম লাঞ্ছনা - দায়ক শাস্তি থেকে - -

সমকালীন বাংলা

আমি তো উদ্ধার করিয়াছিলাম বনী ইসরাঈলকে লাঞ্ছনাদায়ক শাস্তি হইতে

আবদুস শহীদ নাসিম

ফেরাউনের কবল থেকে, সে ছিলো এক উদ্ধত সীমালংঘনকারী।

মুহিউদ্দীন খান

ফেরাউন সে ছিল সীমালংঘনকারীদের মধ্যে শীর্ষস্থানীয়।

জহুরুল হক

ফির'আউনের থেকে। নিঃসন্দেহ সে ছিল মহাউদ্ধত, সীমালংঘনকারীদের অন্তর্ভুক্ত।

সমকালীন বাংলা

ফির‘আওনের; সে তো ছিল পরাক্রান্ত সীমালংঘনকারীদের মধ্যে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা জেনে বুঝেই জমিনে তাদের দিয়েছিলাম শ্রেষ্ঠত্ব।

মুহিউদ্দীন খান

আমি জেনেশুনে তাদেরকে বিশ্ববাসীদের উপর শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছিলাম।

জহুরুল হক

আর আমরা অবশ্য জেনে - শুনেই তাদের নির্বাচন করেছিলাম লোকজনের উপরে,

সমকালীন বাংলা

আমি তো জানিয়া - শুনিয়াই উহাদেরকে বিশ্বে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়াছিলাম,

আবদুস শহীদ নাসিম

আর আমরা তাদের দিয়েছিলাম নিদর্শনাবলি, যাতে ছিলো সুস্পষ্ট পরীক্ষা।

মুহিউদ্দীন খান

এবং আমি তাদেরকে এমন নিদর্শনাবলী দিয়েছিলাম যাতে ছিল স্পষ্ট সাহায্য।

জহুরুল হক

আর তাদের দিয়েছিলাম কতক নিদর্শনাবলী যার মধ্যে ছিল এক সুস্পষ্ট পরীক্ষা।

সমকালীন বাংলা

এবং উহাদেরকে দিয়াছিলাম নিদর্শনাবলী, যাহাতে ছিল সুস্পষ্ট পরীক্ষা;

আবদুস শহীদ নাসিম

এখন কিনা এরা বলছে:

মুহিউদ্দীন খান

কাফেররা বলেই থাকে,

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ এরা তো বলেই থাকে - -

সমকালীন বাংলা

উহারা বলিয়াই থাকে,

আবদুস শহীদ নাসিম

‘‘আমাদের প্রথম মউত ছাড়া আর কিছু নেই, আমাদের পুনরুত্থিত করা হবেনা।

মুহিউদ্দীন খান

প্রথম মৃত্যুর মাধ্যমেই আমাদের সবকিছুর অবসান হবে এবং আমরা পুনরুত্থিত হব না।

জহুরুল হক

''এইটি আমাদের প্রথমবারের মৃত্যু বৈ তো নয়, কাজেই আমরা তো আর পুনরুত্থিত হবো না।

সমকালীন বাংলা

‘আমাদের প্রথম মৃত্যু ব্যতীত আর কিছুই নাই এবং আমরা আর উত্থিত হইব না।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা সত্যবাদী হলে আমাদের পূর্ব পুরুষদের উঠিয়ে এনে দেখাও।’’

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা যদি সত্যবাদী হও, তবে আমাদের পূর্বপুরুষদেরকে নিয়ে এস।

জহুরুল হক

''তাহলে আমাদের পিতৃপুরুষদের নিয়ে এস, যদি তোমরা সত্যবাদী হও।’’

সমকালীন বাংলা

‘অতএব তোমরা যদি সত্যবাদী হও তবে আমাদের পূর্বপুরুষদেরকে উপস্থিত কর।’

আবদুস শহীদ নাসিম

এরাই কি শ্রেষ্ঠ, নাকি তুববা জাতি এবং তাদের আগেকার লোকেরা? আমরা তাদের হালাক (ধ্বংস) করে দিয়েছিলাম, কারণ তারা ছিলো অপরাধী।

মুহিউদ্দীন খান

ওরা শ্রেষ্ঠ, না তুব্বার সম্প্রদায় ও তাদের পূর্ববর্তীরা? আমি ওদেরকে ধ্বংস করে দিয়েছি। ওরা ছিল অপরাধী।

জহুরুল হক

এরাই কি ভাল, না তুব্বার লোকেরা, এবং যারা এদের পূর্ববর্তী ছিল? আমরা তাদের ধ্বংস করেছিলাম, কারণ তারা ছিল অপরাধী।

সমকালীন বাংলা

শ্রেষ্ঠ কি উহারা, না তুব্বা সম্প্রদায় ও ইহাদের পূর্ববর্তীরা? আমি উহাদেরকে ধ্বংস করিয়াছিলাম, অবশ্যই উহারা ছিল অপরাধী।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা মহাকাশ, এই পৃথিবী এবং এদের মধ্যবর্তী সবকিছু খেলাচ্ছলে সৃষ্টি করিনি।

মুহিউদ্দীন খান

আমি নভোমন্ডল, ভূমন্ডল ও এতদুভয়ের মধ্যবর্তী সবকিছু ক্রীড়াচ্ছলে সৃষ্টি করিনি।

জহুরুল হক

আর আমরা মহাকাশমন্ডলী ও পৃথিবী আর এ দুইয়ের মধ্যে যা - কিছু আছে তা ছেলে - খেলার জন্য সৃষ্টি করি নি।

সমকালীন বাংলা

আমি আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী এবং উহাদের মধ্যে কোন কিছুই ক্রীড়াচ্ছলে সৃষ্টি করি নাই;

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা এ দুটো (মহাকাশ ও পৃথিবী) বাস্তব কারণ ছাড়া সৃষ্টি করিনি। কিন্তু অধিকাংশ মানুষই জানেনা।

মুহিউদ্দীন খান

আমি এগুলো যথাযথ উদ্দেশ্যে সৃষ্টি করেছি; কিন্তু তাদের অধিকাংশই বোঝে না।

জহুরুল হক

আমরা এদুটিকে সত্যের জন্য ভিন্ন সৃষ্টি করি নি, কিন্ত তাদের অধিকাংশই জানে না।

সমকালীন বাংলা

আমি এই দুইটি অযথা সৃষ্টি করি নাই, কিন্তু উহাদের অধিকাংশই ইহা জানে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

বিচারের দিনই হলো তাদের মিকাত (শেষ সীমা ও শেষ সময়)।

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় ফয়সালার দিন তাদের সবারই নির্ধারিত সময়।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ ফয়সালার দিন হচ্ছে তাদের সবার নির্ধারিত দিনকাল,

সমকালীন বাংলা

নিশ্চয় সকলের জন্য নির্ধারিত রহিয়াছে উহাদের বিচার দিবস।

আবদুস শহীদ নাসিম

সেদিন বন্ধু বন্ধুর উপকারে আসবেনা এবং সাহায্যও করা হবেনা তাদের।

মুহিউদ্দীন খান

যেদিন কোন বন্ধুই কোন বন্ধুর উপকারে আসবে না এবং তারা সাহায্যপ্রাপ্তও হবে না।

জহুরুল হক

যেদিন এক বন্ধু আরেক বন্ধুর থেকে কোনো প্রকারে লাভবান হবে না, আর তাদের সাহায্যও করা হবে না, - -

সমকালীন বাংলা

সেদিন এক বন্ধু অপর বন্ধুর কোন কাজে আসিবে না এবং উহারা সাহায্যও পাইবে না

আবদুস শহীদ নাসিম

তবে যার প্রতি রহম করবেন, তার কথা ভিন্ন। নিশ্চয়ই তিনি মহাশক্তিধর, পরম করুণাময়।

মুহিউদ্দীন খান

তবে যার প্রতি দয়া করেন, তার কথা ভিন্ন। নিশ্চয় তিনি পরাক্রমশালী দয়াময়।

জহুরুল হক

তারা ব্যতীত যাদের প্রতি করুণা করেছেন। নিঃসন্দেহ তিনি, তিনিই তো মহাশক্তিশালী, অফুরন্ত ফলদাতা।

সমকালীন বাংলা

তবে যাহার প্রতি দয়া করেন

আবদুস শহীদ নাসিম

নিশ্চয়ই যাক্কুম গাছ হবে

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় যাক্কুম বৃক্ষ

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ যিক্কুম বৃক্ষ,

সমকালীন বাংলা

নিশ্চয়ই যাক্কুম বৃক্ষ হইবে -

আবদুস শহীদ নাসিম

পাপিষ্ঠদের খাদ্য,

মুহিউদ্দীন খান

পাপীর খাদ্য হবে;

জহুরুল হক

পাপীদের খাদ্য, - -

সমকালীন বাংলা

পাপীর খাদ্য;

আবদুস শহীদ নাসিম

গলিত তামার মতো ফুটতে থাকবে তাদের পেটে,

মুহিউদ্দীন খান

গলিত তাম্রের মত পেটে ফুটতে থাকবে।

জহুরুল হক

গলিত পিতলের মতো, - - পেটের ভেতরে,

সমকালীন বাংলা

গলিত তাম্রের মত, উহাদের উদরে ফুটিতে থাকিবে

আবদুস শহীদ নাসিম

যেভাবে ফোটে টগবগে ফুটন্ত পানি।

মুহিউদ্দীন খান

যেমন ফুটে পানি।

জহুরুল হক

ফুটন্ত পানির টগবগ করার মতো।

সমকালীন বাংলা

ফুটন্ত পানির মত।

আবদুস শহীদ নাসিম

(বলা হবে:) ওকে পাকড়াও করো এবং টেনে নিয়ে যাও জাহিমের (জাহান্নামের) মাঝখানে,

মুহিউদ্দীন খান

একে ধর এবং টেনে নিয়ে যাও জাহান্নামের মধ্যস্থলে,

জহুরুল হক

''তাকে পাকড়ো, তারপর তাকে টেনে নিয়ে যাও ভয়ংকর আগুনের মাঝখানে,

সমকালীন বাংলা

উহাকে ধর এবং টানিয়া লইয়া যাও জাহান্নামের মধ্যস্থলে,

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর তার মাথায় ঢালো টগবগে ফুটন্ত পানির আযাব।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর তার মাথার উপর ফুটন্ত পানির আযাব ঢেলে দাও,

জহুরুল হক

''তারপর তার মাথার উপরে ঢেলে দাও ফুটন্ত পানির শাস্তি,

সমকালীন বাংলা

অতঃপর উহার মস্তকের উপর ফুটন্ত পানি ঢালিয়া শাস্তি দাও -

আবদুস শহীদ নাসিম

(তাকে আরো বলা হবে:) স্বাদ গ্রহণ করো, তুমি ছিলে বড় ইযযতওয়ালা, অভিজাত।

মুহিউদ্দীন খান

স্বাদ গ্রহণ কর, তুমি তো সম্মানিত, সম্ভ্রান্ত।

জহুরুল হক

''আস্বাদ কর, তুমি তো ছিলে মহাশক্তিশালী, পরম সম্মানিত!’

সমকালীন বাংলা

এবং বলা হইবে ‘আস্বাদ গ্রহণ কর, তুমি তো ছিলে সম্মানিত, অভিজাত!

আবদুস শহীদ নাসিম

এ হলো সেই জিনিস, যে বিষয়ে তোমরা সন্দেহ করতে।

মুহিউদ্দীন খান

এ সম্পর্কে তোমরা সন্দেহে পতিত ছিলে।

জহুরুল হক

''আলবৎ এ হচ্ছে সেই যে - সন্বন্ধে তোমরা সন্দেহ করতে।’’

সমকালীন বাংলা

‘ইহা তো উহাই, যে বিষয়ে তোমরা সন্দেহ করিতে।’

আবদুস শহীদ নাসিম

নিশ্চয়ই মুত্তাকিরা থাকবে নিরাপদ জায়গায়,

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় খোদাভীরুরা নিরাপদ স্থানে থাকবে -

জহুরুল হক

অবশ্য ধর্মভীরুরা থাকবে নিরাপদ স্থানে - -

সমকালীন বাংলা

মুত্তাকীরা তো থাকিবে নিরাপদ স্থানে -

আবদুস শহীদ নাসিম

উদ্যানরাজি আর ঝরণাধারা সমূহের মাঝে,

মুহিউদ্দীন খান

উদ্যানরাজি ও নির্ঝরিণীসমূহে।

জহুরুল হক

বাগানের ও ঝরনার মধ্যে,

সমকালীন বাংলা

উদ্যান ও ঝর্ণার মাঝে,

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা সেখানে পরবে মিহি ও পুরো রেশমের পোশাক এবং বসবে মুখোমুখি হয়ে।

মুহিউদ্দীন খান

তারা পরিধান করবে চিকন ও পুরু রেশমীবস্ত্র, মুখোমুখি হয়ে বসবে।

জহুরুল হক

তারা পরিধান করবে মিহি রেশম ও পুরু জরিদার পোশাক, পরস্পরের মুখোমুখি হয়ে।

সমকালীন বাংলা

তাহারা পরিধান করিবে মিহি ও পুরু রেশমী বস্ত্র এবং মুখোমুখি হইয়া বসিবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

এমনটিই ঘটবে, আর আমরা তাদের সংগিনী হিসেবে তাদের সাথে বিয়ে দেবো বড় চোখওয়ালা নারীদের।

মুহিউদ্দীন খান

এরূপই হবে এবং আমি তাদেরকে আনতলোচনা স্ত্রী দেব।

জহুরুল হক

এইভাবেই! আমরা তাদের জোড় মিলিয়ে দেব আয়তলোচন হূরদের সাথে।

সমকালীন বাংলা

এইরূপই ঘটিবে; আমি উহাদেরকে সঙ্গিনী দান করিব আয়তলোচনা হুর,

আবদুস শহীদ নাসিম

সেখানে তারা সব রকমের ফলফলারি আনতে বলবে প্রশান্ত হৃদয়ে।

মুহিউদ্দীন খান

তারা সেখানে শান্ত মনে বিভিন্ন ফল - মূল আনতে বলবে।

জহুরুল হক

সেখানে তারা আনতে বলবে বিবিধ ফলফসল, নিরাপত্তার সাথে।

সমকালীন বাংলা

সেথায় তাহারা প্রশান্ত চিত্তে বিবিধ ফলমূল আনিতে বলিবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

প্রথম যে মৃত্যু হয়েছে তাছাড়া আর কোনো মৃত্যু তারা আস্বাদন করবেনা এবং তাদের রক্ষা করা হবে জাহিমের (জাহান্নামের) আযাব থেকে।

মুহিউদ্দীন খান

তারা সেখানে মৃত্যু আস্বাদন করবে না, প্রথম মৃত্যু ব্যতীত এবং আপনার পালনকর্তা তাদেরকে জাহান্নামের আযাব থেকে রক্ষা করবেন।

জহুরুল হক

তারা সেখানে মৃত্যু আস্বাদন করবে না প্রথমবারের মৃত্যু ব্যতীত; আর তিনি তাদের রক্ষা করবেন ভয়ংকর আগুনের শাস্তি থেকে - -

সমকালীন বাংলা

প্রথম মৃত্যুর পর তাহারা সেখানে আর মৃত্যু আস্বাদন করিবে না। আর তাহাদেরকে জাহান্নামের শাস্তি হইতে রক্ষা করিবেন -

আবদুস শহীদ নাসিম

এসবই তোমার প্রভুর অনুগ্রহ। এটাই হবে মহাসাফল্য।

মুহিউদ্দীন খান

আপনার পালনকর্তার কৃপায় এটাই মহা সাফল্য।

জহুরুল হক

তোমার প্রভুর কাছ থেকে এ এক করুণা। এটি খোদ এক বিরাট সাফল্য।

সমকালীন বাংলা

তোমার প্রতিপালক নিজ অনুগ্রহে। ইহাই তো মহাসাফল্য।

আবদুস শহীদ নাসিম

এই কুরআনকে আমরা তোমার ভাষায় সহজ করে দিয়েছি, যাতে করে তারা উপদেশ গ্রহণ করে।

মুহিউদ্দীন খান

আমি আপনার ভাষায় কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি, যাতে তারা স্মরণ রাখে।

জহুরুল হক

সুতরাং আমরা নিশ্চয় এটিকে তোমার ভাষায় সহজ করে দিয়েছি যেন তারা মনোনিবেশ করতে পারে।

সমকালীন বাংলা

আমি তো তোমার ভাষায় কুরআনকে সহজ করিয়া দিয়াছি, যাহাতে উহারা উপদেশ গ্রহণ করে।

আবদুস শহীদ নাসিম

অতএব তুমি অপেক্ষা করো, তারাও প্রতীক্ষায়ই আছে।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, আপনি অপেক্ষা করুন, তারাও অপেক্ষা করছে।

জহুরুল হক

সুতরাং তুমি প্রতীক্ষা কর, নিঃসন্দেহ তারাও অপেক্ষমাণ রয়েছে।

সমকালীন বাংলা

সুতরাং তুমি প্রতীক্ষা কর, উহারাও প্রতীক্ষমাণ।

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme