Kitab

আল গাশিয়া (আচ্ছন্নকারী)

Chapter 88, 26 verses

  • আবদুস শহীদ নাসিম
  • মুহিউদ্দীন খান
  • জহুরুল হক
About this chapter


মক্কায় অবতীর্ণ, আয়াত সংখ্যা: ২৬, রুকু সংখ্যা: ০১

এই সূরার আলোচ্যসূচি

আয়াতআলোচ্য বিষয় ০১-১৬পরকালে প্রত্যাখ্যানকারীদের দুরবস্থা এবং মুমিনদের সুখ ও আনন্দের বিবরণ। ১৭-২৬আল্লাহর সৃষ্টি কৌশল। নবীর দায়িত্ব উপদেশ দিয়ে যাওয়া, বলপূর্বক ইসলামে প্রবেশ করানো নয়।
আবদুস শহীদ নাসিম

তোমার কাছে কি আচ্ছন্নকারী (কিয়ামত) দিবসের খবর পৌঁছেছে?

মুহিউদ্দীন খান

আপনার কাছে আচ্ছন্নকারী কেয়ামতের বৃত্তান্ত পৌঁছেছে কি?

জহুরুল হক

তোমার কাছে কি বিহবলকর ঘটনার সংবাদ পৌঁছেছে?

আবদুস শহীদ নাসিম

সেদিন অনেক চেহারা হবে ভীত - নত অপমানিত,

মুহিউদ্দীন খান

অনেক মুখমন্ডল সেদিন হবে লাঞ্ছিত,

জহুরুল হক

সেইদিন অনেক মুখ হবে অবনত,

আবদুস শহীদ নাসিম

শ্রম - ক্লান্ত।

মুহিউদ্দীন খান

ক্লিষ্ট, ক্লান্ত।

জহুরুল হক

পরিশ্রান্ত, অবসাদগ্রস্ত,

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা প্রবেশ করবে জ্বলন্ত আগুনে।

মুহিউদ্দীন খান

তারা জ্বলন্ত আগুনে পতিত হবে।

জহুরুল হক

প্রবেশমান হবে জ্বলন্ত আগুনে;

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের পান করানো হবে তাপ - দাহে ফুটন্ত ঝর্ণার পানি।

মুহিউদ্দীন খান

তাদেরকে ফুটন্ত নহর থেকে পান করানো হবে।

জহুরুল হক

তাদের পান করানো হবে ফুটন্ত ফোয়ারা থেকে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের জন্যে সেখানে বিষাক্ত কাঁটাদার শুকনো ঘাস - গুল্ম ছাড়া থাকবেনা আর কোনো খাদ্য,

মুহিউদ্দীন খান

কন্টকপূর্ণ ঝাড় ব্যতীত তাদের জন্যে কোন খাদ্য নেই।

জহুরুল হক

তাদের জন্য বিষাক্ত কাঁটাগাছ থেকে ছাড়া অন্য কোনো খাদ্য থাকবে না,

আবদুস শহীদ নাসিম

যা তাদের পুষ্টিও যোগাবেনা, ক্ষুধাও মেটাবেনা।

মুহিউদ্দীন খান

এটা তাদেরকে পুষ্ট করবে না এবং ক্ষুধায়ও উপকার করবে না।

জহুরুল হক

তাদের নাদুসনুদুস বানাবে না এবং ক্ষুধাও মেটাবে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

(অপরপক্ষে) সেদিন অনেকের মুখমন্ডল হবে আনন্দে উজ্জ্বল।

মুহিউদ্দীন খান

অনেক মুখমন্ডল সেদিন হবে, সজীব,

জহুরুল হক

সেইদিন অনেক মুখ হবে শান্ত,

আবদুস শহীদ নাসিম

সেদিন তারা খুশি হবে তাদের (দুনিয়ার জীবনের) প্রচেষ্টার জন্যে।

মুহিউদ্দীন খান

তাদের কর্মের কারণে সন্তুষ্ট।

জহুরুল হক

তাদের প্রচেষ্টার জন্য পরিতৃপ্ত,

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা থাকবে অতি উন্নত জান্নাতে।

মুহিউদ্দীন খান

তারা থাকবে, সুউচ্চ জান্নাতে।

জহুরুল হক

সমুচ্চ উদ্যানে,

আবদুস শহীদ নাসিম

সেখানে তারা শুনবেনা কোনো ক্ষতিকর ও বাজে কথা।

মুহিউদ্দীন খান

তথায় শুনবে না কোন অসার কথাবার্তা।

জহুরুল হক

সেখানে তুমি শুনবে না কোনো বাজে কথা।

আবদুস শহীদ নাসিম

সেখানে থাকবে ঝর্ণা বহমান,

মুহিউদ্দীন খান

তথায় থাকবে প্রবাহিত ঝরণা।

জহুরুল হক

সেখানে রয়েছে বহমান ঝরনা,

আবদুস শহীদ নাসিম

থাকবে অতি উন্নত শয্যা,

মুহিউদ্দীন খান

তথায় থাকবে উন্নত সুসজ্জিত আসন।

জহুরুল হক

সেখানে আছে উঁচু সিংহাসন,

আবদুস শহীদ নাসিম

হাতের কাছেই রাখা হবে পানপাত্র সমূহ,

মুহিউদ্দীন খান

এবং সংরক্ষিত পানপাত্র

জহুরুল হক

আর পানপাত্রগুলো হাতের কাছে স্থাপিত,

আবদুস শহীদ নাসিম

সাজানো থাকবে সারি সারি (নরম) বিছানা,

মুহিউদ্দীন খান

এবং সারি সারি গালিচা

জহুরুল হক

আর তাকিয়াগুলো সারিসারি সাজানো,

আবদুস শহীদ নাসিম

(সর্বত্র) বিছানো থাকবে উন্নত গালিচা।

মুহিউদ্দীন খান

এবং বিস্তৃত বিছানো কার্পেট।

জহুরুল হক

আর গালিচাসব বিছানো।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা কি নজর করে দেখতে পারছেনা উটের দিকে, কিভাবে সৃষ্টি করা হয়েছে তাকে?

মুহিউদ্দীন খান

তারা কি উষ্ট্রের প্রতি লক্ষ্য করে না যে, তা কিভাবে সৃষ্টি করা হয়েছে?

জহুরুল হক

তারা কি তবে ভেবে দেখে না উটের দিকে - - কেমন করে তাকে সৃষ্টি করা হয়েছে,

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং আসমানের দিকে, কিভাবে উপরে উঠিয়ে রাখা হয়েছে তাকে?

মুহিউদ্দীন খান

এবং আকাশের প্রতি লক্ষ্য করে না যে, তা কিভাবে উচ্চ করা হয়েছে?

জহুরুল হক

আর আকাশের দিকে - - কেমন করে তাকে তোলে রাখা হয়েছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর পর্বতমালার দিকে, কিভাবে গেড়ে রাখা হয়েছে তাকে?

মুহিউদ্দীন খান

এবং পাহাড়ের দিকে যে, তা কিভাবে স্থাপন করা হয়েছে?

জহুরুল হক

আর পাহাড় - পর্বতের দিকে - - কেমন করে তাদের স্থাপন করা হয়েছে,

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং পৃথিবীর দিকে, কিভাবে বিছিয়ে দেয়া হয়েছে তাকে?

মুহিউদ্দীন খান

এবং পৃথিবীর দিকে যে, তা কিভাবে সমতল বিছানো হয়েছে?

জহুরুল হক

আর এই পৃথিবীর দিকে - - কেমন করে তাকে প্রসারিত করা হয়েছে?

আবদুস শহীদ নাসিম

অতএব, তুমি তাদের উপদেশ দিয়ে যাও। কারণ, তুমি তো কেবল একজন উপদেশদাতাই।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, আপনি উপদেশ দিন, আপনি তো কেবল একজন উপদেশদাতা,

জহুরুল হক

অতএব উপদেশ দিয়ে চলো, নিঃসন্দেহ তুমি তো একজন উপদেষ্টা।

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি তাদের উপর শক্তি প্রয়োগকারী নও।

মুহিউদ্দীন খান

আপনি তাদের শাসক নন,

জহুরুল হক

তুমি তাদের উপরে আদৌ অধ্যক্ষ নও,

আবদুস শহীদ নাসিম

তবে যে (তোমার উপদেশ মেনে নেয়ার পরিবর্তে) মুখ ফিরিয়ে নেবে এবং অবলম্বন করবে কুফুরির পথ,

মুহিউদ্দীন খান

কিন্তু যে মুখ ফিরিয়ে নেয় ও হয়ে যায়,

জহুরুল হক

কিন্ত যে কেউ ফিরে যায় ও অবিশ্বাস পোষণ করে - -

আবদুস শহীদ নাসিম

তাকে আযাব দেবেন, গুরুতর আযাব।

মুহিউদ্দীন খান

তাকে মহা আযাব দেবেন।

জহুরুল হক

তখন তাকে শাস্তি দেবেন কঠিনতম শাস্তিতে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমার কাছেই হবে তাদের প্রত্যাবর্তন।

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় তাদের প্রত্যাবর্তন আমারই নিকট,

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ আমাদের কাছেই তাদের প্রত্যাবর্তন,

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর তাদের হিসাব নেয়ার দায়িত্ব আমারই।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর তাদের হিসাব - নিকাশ আমারই দায়িত্ব।

জহুরুল হক

অতঃপর আমাদের উপরেই তাদের হিসেব - নিকেশের ভার।

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme