আয়াতআলোচ্য বিষয়
০১-০৫সুস্পষ্ট প্রমাণ আসার পর আহলে কিতাবরা সত্য পথ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়েছে।
০৬আহলে কিতাব ও মুশরিকদের মধ্যে যারা কুফুরি করবে, তারা সৃষ্টির অধম।
০৭-০৮যারা ঈমান আনবে এবং আমলে সালেহ্ করবে তারাই সৃষ্টির সেরা।
আবদুস শহীদ নাসিম
আহলে কিতাবদের (ইহুদি - খৃষ্টানদের) যারা কুফুরিতে নিমজ্জিত ছিলো তারা এবং মুশরিকরা তাদের (কুফুরি এবং শিরকে) অবিচল ছিলো, যতোক্ষণ না তাদের কাছে এসেছে সুস্পষ্ট প্রমাণ।
মুহিউদ্দীন খান
আহলে - কিতাব ও মুশরেকদের মধ্যে যারা ছিল, তারা প্রত্যাবর্তন করত না যতক্ষণ না তাদের কাছে সুস্পষ্ট প্রমাণ আসত।
জহুরুল হক
গ্রন্থধারীদের মধ্যে থেকে যারা অবিশ্বাস পোষণ করে আর বহুখোদাবাদীরা তাদের ছাড়ানো যাচ্ছিল না যতক্ষণ না তাদের কাছে এসেছে সুস্পষ্ট প্রমাণ - -
আবদুস শহীদ নাসিম
(সে হলো) আল্লাহর পক্ষ থেকে আসা এক রসূল (মুহাম্মদ), সে তিলাওয়াত করে পবিত্র সহিফা (আল কুরআন)।
মুহিউদ্দীন খান
অর্থাৎ আল্লাহর একজন রসূল, যিনি আবৃত্তি করতেন পবিত্র সহীফা,
জহুরুল হক
র কাছ থেকে একজন রসূল, তিনি পাঠ করছেন পবিত্র পৃষ্ঠাসমূহ,
আবদুস শহীদ নাসিম
তাতে রয়েছে (আল্লাহর পক্ষ থেকে) সরল সঠিক সুদৃঢ় বিধান।
মুহিউদ্দীন খান
যাতে আছে, সঠিক বিষয়বস্তু।
জহুরুল হক
যাতে রয়েছে সুপ্রতিষ্ঠিত গ্রন্থসমূহ।
আবদুস শহীদ নাসিম
যাদের কিতাব দেয়া হয়েছিল (অর্থাৎ ইহুদি - খৃষ্টান), তারা তো বিভক্ত হলো তাদের কাছে সুস্পষ্ট প্রমাণ আসার পর।
মুহিউদ্দীন খান
অপর কিতাব প্রাপ্তরা যে বিভ্রান্ত হয়েছে, তা হয়েছে তাদের কাছে সুস্পষ্ট প্রমাণ আসার পরেই।
জহুরুল হক
আর যাদের গ্রন্থখানা দেওয়া হয়েছিল তারা বিভক্ত হয় নি যতক্ষণ না তাদের কাছে সুস্পষ্ট প্রমাণ এসেছিল।
আবদুস শহীদ নাসিম
তাদেরকে তো এ ছাড়া আর কোনো নির্দেশ দেয়া হয়নি যে, তারা নিজেদের দীনকে (আল্লাহর জন্যে) নিবেদিত করে একনিষ্ঠভাবে শুধুমাত্র আল্লাহর ইবাদত করবে, কায়েম করবে, যাকাত দিয়ে দেবে, আর এটাই সত্য - সঠিক - সুদৃঢ় দীন।
মুহিউদ্দীন খান
তাদেরকে এছাড়া কোন নির্দেশ করা হয়নি যে, তারা খাঁটি মনে একনিষ্ঠভাবে আল্লাহর এবাদত করবে, কায়েম করবে এবং যাকাত দেবে। এটাই সঠিক ধর্ম।
জহুরুল হক
আর তাদের আদেশ করা হয় নি এ ভিন্ন যে তারা র উপাসনা করবে ধর্মে তাঁর প্রতি বিশুদ্ধচিত্ত হয়ে, একনিষ্ঠভাবে, আর কায়েম করবে ও যাকাত আদায় করবে, - - আর এইটিই সুপ্রতিষ্ঠিত ধর্ম।
আবদুস শহীদ নাসিম
আহলে কিতাবদের মধ্যে যারা কুফুরি করবে তারা এবং মুশরিকরা থাকবে জাহান্নামের আগুনে। স্থায়ীভাবে থাকবে তারা সেখানে। সৃষ্টির অধম তারা।
মুহিউদ্দীন খান
আহলে - কিতাব ও মুশরেকদের মধ্যে যারা , তারা জাহান্নামের আগুনে স্থায়ীভাবে থাকবে। তারাই সৃষ্টির অধম।
জহুরুল হক
নিঃসন্দেহ গ্রন্থের অনুবর্তীদের মধ্যের যারা অবিশ্বাস পোষণ করে আর বহুখোদাবাদীরা - - জাহান্নামের আগুনে, তা তে তারা অবস্থান করবে। তারাই স্বয়ং সৃষ্টজীবদের মধ্যে নিকৃষ্টতম।
আবদুস শহীদ নাসিম
তবে যারা ঈমান আনে এবং আমলে সালেহ্ করে, তারা হলো সৃষ্টির সেরা।
মুহিউদ্দীন খান
যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে, তারাই সৃষ্টির সেরা।
জহুরুল হক
পক্ষান্তরে যারা ঈমান এনেছে ও সৎকাজ করছে - - তারাই খোদ সৃষ্টজগতের মধ্যে শ্রেষ্ঠতম।
আবদুস শহীদ নাসিম
তাদের প্রভুর কাছে তাদের পুরস্কার রয়েছে চিরস্থায়ী জান্নাত (বাগ - বাগিচা), যেগুলোর নিচে দিয়ে বহমান থাকবে বিপুল নদ নদী নহর। চিরদিন চিরকাল থাকবে তারা সেখানে। সন্তুষ্ট হয়েছেন তাদের প্রতি আর তারাও সন্তুষ্ট হয়েছে তাঁর প্রতি। - এসব কিছু ঐ ব্যক্তির জন্যে যে ভয় করে চলে তার প্রভুকে।
মুহিউদ্দীন খান
তাদের পালনকর্তার কাছে রয়েছে তাদের প্রতিদান চিরকাল বসবাসের জান্নাত, যার তলদেশে নির্ঝরিণী প্রবাহিত। তারা সেখানে থাকবে অনন্তকাল। তাদের প্রতি সন্তুষ্ট এবং তারা আল্লাহর প্রতি সন্তুষ্ট। এটা তার জন্যে, যে তার পালনকর্তাকে ভয় কর।
জহুরুল হক
তাদের পুরস্কার রয়েছে তাদের প্রভুর কাছে - - নন্দনকাননসমূহ, তাদের নিচ দিয়ে বয়ে চলেছে ঝরনারাজি, সেখানে তারা অবস্থান করবে চিরকাল। তাদের উপরে সন্তষ্ট আর তারা সন্তষ্ট তাঁর প্রতি। এইটি তার জন্য যে তার প্রভুকে ভয় করে।