Kitab

আত্ তাকভীর (গুটিয়ে নিয়ে আলোহীন করা)

Chapter 81, 29 verses

  • আবদুস শহীদ নাসিম
  • মুহিউদ্দীন খান
  • সমকালীন বাংলা
  • জহুরুল হক
About this chapter


মক্কায় অবতীর্ণ, আয়াত সংখ্যা : ২৯, রুকু সংখ্যা: ০১

এই সূরার আলোচ্যসূচি

আয়াতআলোচ্য বিষয় ০১-১৪কিয়ামতের দৃশ্য। ১৫-২৯কুরআনের সত্যতা। এটি বিশ্ববাসীর জন্য উপদেশ।
আবদুস শহীদ নাসিম

যখন গুটিয়ে নিয়ে আলোহীন করে দেয়া হবে সূর্যকে,

মুহিউদ্দীন খান

যখন সূর্য আলোহীন হয়ে যাবে,

সমকালীন বাংলা

আল্লাহর নামে শুরু করছি, পরম করুণাময় পরম দয়ালু; যখন সূর্য আবৃত হয়ে যাবে,

জহুরুল হক

যখন সূর্য অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে যাবে,

আবদুস শহীদ নাসিম

যখন বিক্ষিপ্ত হয়ে খসে পড়বে তারকারাজি,

মুহিউদ্দীন খান

যখন নক্ষত্র মলিন হয়ে যাবে,

সমকালীন বাংলা

এবং যখন নক্ষত্রগুলো ম্লান হয়ে পড়বে,

জহুরুল হক

আর যখন তারকারা নিস্তেজ হয়ে পড়বে,

আবদুস শহীদ নাসিম

যখন চালিয়ে দেয়া হবে পাহাড় পর্বত,

মুহিউদ্দীন খান

যখন পর্বতমালা অপসারিত হবে,

সমকালীন বাংলা

এবং যখন পাহাড়গুলোকে চলমান করা হবে,

জহুরুল হক

আর যখন পাহাড়গুলোকে অপসারণ করা হবে,

আবদুস শহীদ নাসিম

যখন উপেক্ষা করা হবে দশ মাসের পূর্ণ গর্ভবতী উটনীগুলোকে,

মুহিউদ্দীন খান

যখন দশ মাসের গর্ভবতী উষ্ট্রীসমূহ উপেক্ষিত হবে;

সমকালীন বাংলা

এবং যখন দশমাসের গর্ভবতী উষ্ট্রীগুলো উপেক্ষিত হবে,

জহুরুল হক

আর যখন পূর্ণ - গর্ভা উষ্টীদের পরিত্যাগ করা হবে;

আবদুস শহীদ নাসিম

যখন সমবেত করা হবে বন্য পশুদের,

মুহিউদ্দীন খান

যখন বন্য পশুরা একত্রিত হয়ে যাবে,

সমকালীন বাংলা

এবং যখন বন্য প্রাণীদের একত্র করা হবে,

জহুরুল হক

আর যখন বন্য পশুদের সমবেত করা হবে,

আবদুস শহীদ নাসিম

যখন জ্বালিয়ে দেয়া হবে সমুদ্রগুলোতে আগুন,

মুহিউদ্দীন খান

যখন সমুদ্রকে উত্তাল করে তোলা হবে,

সমকালীন বাংলা

এবং যখন সমুদ্রসমূহ করা হবে,

জহুরুল হক

আর যখন সাগর - নদী ফেঁপে উঠবে,

আবদুস শহীদ নাসিম

যখন জুড়ে দেয়া হবে (দেহের সাথে) প্রাণগুলো,

মুহিউদ্দীন খান

যখন আত্মাসমূহকে যুগল করা হবে,

সমকালীন বাংলা

এবং যখন প্রাণসমূহকে যুক্ত করা হবে,

Note

এবং যখন প্রাণসমূহকে (দেহের সাথে) যুক্ত হবে,

জহুরুল হক

আর যখন মনপ্রাণকে একতাবদ্ধ করা হবে,

আবদুস শহীদ নাসিম

যখন জিজ্ঞাসা করা হবে জীবন্ত মাটি চাপা দিয়ে (হত্যা করা) মেয়েকে,

মুহিউদ্দীন খান

যখন জীবন্ত প্রোথিত কন্যাকে জিজ্ঞেস করা হবে,

সমকালীন বাংলা

এবং যখন জীবন্ত কবরস্থ কন্যাশিশুকে জিজ্ঞেস করা হবে,

জহুরুল হক

আর যখন জীবন্ত - প্রোথিত কন্যাসন্তানকে প্রশ্ন করা হবে - -

আবদুস শহীদ নাসিম

কী অপরাধের কারণে হত্যা করা হয়েছিল তাকে?

মুহিউদ্দীন খান

কি অপরাধে তাকে হত্য করা হল?

সমকালীন বাংলা

কোন অপরাধে তাকে হত্যা করা হয়েছিল?

জহুরুল হক

''কোন অপরাধে তাকে হত্যা করা হয়েছিল’’?

আবদুস শহীদ নাসিম

যখন প্রকাশ করে দেয়া হবে সহিফা (কৃতকর্মের রেকর্ড) সমূহ,

মুহিউদ্দীন খান

যখন আমলনামা খোলা হবে,

সমকালীন বাংলা

এবং যখন আমলনামাসমূহ খোলা হবে,

জহুরুল হক

আর যখন পৃষ্ঠাগুলো খুলে ধরা হবে,

আবদুস শহীদ নাসিম

যখন আকাশের আবরণ খসিয়ে দিয়ে স্থানচ্যুত করা হবে তাকে,

মুহিউদ্দীন খান

যখন আকাশের আবরণ অপসারিত হবে,

সমকালীন বাংলা

এবং যখন আকাশ সরিয়ে নেওয়া হবে,

জহুরুল হক

আর যখন আকাশের ঢাকনি খুলে ফেলা হবে,

আবদুস শহীদ নাসিম

যখন প্রজ্জ্বলিত হয়ে উঠবে জাহিম,

মুহিউদ্দীন খান

যখন জাহান্নামের অগ্নি করা হবে

সমকালীন বাংলা

এবং যখন জাহিম প্রজ্জ্বলিত করা হবে,

জহুরুল হক

আর যখন ভয়ংকর আগুন জ্বালিয়ে তোলা হবে,

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং যখন নিকটে আনা হবে জান্নাত,

মুহিউদ্দীন খান

এবং যখন জান্নাত সন্নিকটবর্তী হবে,

সমকালীন বাংলা

এবং যখন বেহেশত নিকটবর্তী করা হবে,

জহুরুল হক

আর যখন বেহেশতকে নিকটে আনা হবে, - -

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন প্রত্যেক ব্যক্তিই জেনে যাবে - কী নিয়ে হাজির হয়েছে সে!

মুহিউদ্দীন খান

তখন প্রত্যেকেই জেনে নিবে সে কি উপস্থিত করেছে।

সমকালীন বাংলা

তখন প্রত্যেক প্রাণ জানতে পারবে, সে কী নিয়ে এসেছে,

জহুরুল হক

সত্ত্বা জানতে পারবে কী সে হাজির করেছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাই, আমি নিশ্চিতভাবে শপথ করছি সেইসব গ্রহের, যেগুলো ফিরে যায়,

মুহিউদ্দীন খান

আমি শপথ করি যেসব নক্ষত্রগুলো পশ্চাতে সরে যায়।

সমকালীন বাংলা

অতএব আমি শপথ করছি সরে যাওয়া নক্ষত্রগুলোর,

জহুরুল হক

কাজেই না, আমি সাক্ষী মানছি গ্রহ - নক্ষত্রদের - -

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং সেইসব গ্রহের যেগুলো চলে এবং হয়ে যায়।

মুহিউদ্দীন খান

চলমান হয় ও হয়,

সমকালীন বাংলা

যেগুলো চলমান ও হয়,

জহুরুল হক

যারা চলে থাকে, হয়ে যায়,

আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ রাতের যখন তা বিদায় নেয়,

মুহিউদ্দীন খান

শপথ নিশাবসান ও

সমকালীন বাংলা

এবং রাতের, যখন তা বিদায় নেয়,

জহুরুল হক

আর রাত্রিকে যখন তা বিগত হয়ে যায়,

আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ প্রভাতের যখন তা হয়ে উঠে আলোকিত :

মুহিউদ্দীন খান

প্রভাত আগমন কালের,

সমকালীন বাংলা

এবং সকালের, যখন তা শ্বাস নেয়,

জহুরুল হক

আর প্রভাতকে যখন তা উজ্জ্বল হতে থাকে,

আবদুস শহীদ নাসিম

নিশ্চয়ই এটা (কুরআন) এমন একজন সম্মানিত বাণী বাহকের (জিবরিলের) আনীত বাণী,

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় কোরআন সম্মানিত রসূলের আনীত বাণী,

সমকালীন বাংলা

নিশ্চয়ই এটি এক সম্মানিত রাসূলের বাণী,

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ এ তো হচ্ছে এক সম্মানিত রসূলের বাণী - -

আবদুস শহীদ নাসিম

যে বড় শক্তিধর, এবং আরশের মালিকের কাছে মর্যাদার অধিকারী,

মুহিউদ্দীন খান

যিনি শক্তিশালী, আরশের মালিকের নিকট মর্যাদাশালী,

সমকালীন বাংলা

শক্তির অধিকারী, আরশের অধিপতির নিকট মর্যাদাসম্পন্ন,

জহুরুল হক

শক্তির অধিকারী, আরশের অধীশ্বরের সামনে অধিষ্ঠিত,

আবদুস শহীদ নাসিম

সেখানে তাকে মান্য করা হয়, এবং সে খুবই বিশ্বস্ত।

মুহিউদ্দীন খান

সবার মান্যবর, সেখানকার বিশ্বাসভাজন।

সমকালীন বাংলা

সেখানে আনুগত্যপ্রাপ্ত ও বিশ্বস্ত,

জহুরুল হক

যাঁকে মেনে চলতে হয়, আর যিনি বিশ্বাসভাজন।

আবদুস শহীদ নাসিম

(হে লোকেরা!) তোমাদের সাথি (মুহাম্মদ) কোনো পাগল ব্যক্তি নয়,

মুহিউদ্দীন খান

এবং তোমাদের সাথী পাগল নন।

সমকালীন বাংলা

আর তোমাদের সাথী উন্মাদ নয়,

জহুরুল হক

আর তোমাদের সাথী তো পাগল নন।

আবদুস শহীদ নাসিম

সে বাণী বাহক (জিবরিল) - কে নিজের চোখে দেখেছে পরিষ্কার দিগন্তে,

মুহিউদ্দীন খান

তিনি সেই ফেরেশতাকে প্রকাশ্য দিগন্তে দেখেছেন।

সমকালীন বাংলা

আর নিশ্চয়ই সে তাকে সুস্পষ্ট দিগন্তে দেখেছে,

জহুরুল হক

আর তিনি তো নিজেকে দেখেছিলেন স্পষ্ট দিগন্তে;

আবদুস শহীদ নাসিম

সে - এর (জ্ঞানকে মানুষের কাছে প্রচার ও প্রকাশ করার) ব্যাপারে কৃপণ নয়।

মুহিউদ্দীন খান

তিনি বিষয় বলতে কৃপনতা করেন না।

সমকালীন বাংলা

এবং সে বিষয় নিয়ে কৃপণ নয়,

জহুরুল হক

আর তিনি - সন্বন্ধে কৃপণ নন,

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং এটা (এই কুরআন) অভিশপ্ত শয়তানের বক্তব্য নয়।

মুহিউদ্দীন খান

এটা বিতাড়িত শয়তানের উক্তি নয়।

সমকালীন বাংলা

এবং এটি বিতাড়িত শয়তানের বাণী নয়,

জহুরুল হক

আর এটি কোনো বিতাড়িত শয়তানের বক্তব্য নয়।

আবদুস শহীদ নাসিম

সুতরাং, কোন্ দিকে যাচ্ছো তোমরা?

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তোমরা কোথায় যাচ্ছ?

সমকালীন বাংলা

৮১–২৬ : অতঃপর তোমরা কোথায় যাচ্ছো?

জহুরুল হক

তোমরা তাহলে কোন দিকে চলেছ?

আবদুস শহীদ নাসিম

এটা (এই কুরআন) তো একটা উপদেশ সমগ্র জগতবাসীর জন্যে,

মুহিউদ্দীন খান

এটা তো কেবল বিশ্বাবাসীদের জন্যে উপদেশ,

সমকালীন বাংলা

এটি বিশ্বজগতের জন্য উপদেশ ছাড়া কিছু নয়,

জহুরুল হক

এটি আলবৎ বিশ্ববাসীর জন্য স্মরণীয় বার্তা বৈ তো নয়, - -

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমাদের মধ্যকার এমন প্রত্যেক ব্যক্তির জন্যে, যে চলতে চায় সঠিক সরল পথে।

মুহিউদ্দীন খান

তার জন্যে, যে তোমাদের মধ্যে সোজা চলতে চায়।

সমকালীন বাংলা

তোমাদের মধ্যে যে সরল পথে চলতে চায় তার জন্য,

জহুরুল হক

তোমাদের মধ্যেকার তার জন্য যে সহজ - সঠিক পথে চলতে চায়।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর তোমাদের চাওয়াতেই কিছুই হয়না, যদি রাববুল আলামিন (তা) না চান।

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা রাব্বুল আলামীনের অভিপ্রায়ের বাইরে অন্য কিছুই ইচ্ছা করতে পার না।

সমকালীন বাংলা

আর তোমরা ইচ্ছা করবে না, যদি না —বিশ্বজগতের প্রতিপালক—ইচ্ছা করেন।

জহুরুল হক

আর বিশ্বজগতের প্রভু যা চান তা ব্যতীত তোমরা অন্য কোনো - কিছু চাইবে না।

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme