Kitab

আর রাহমান (পরম দয়াবান)

Chapter 55, 78 verses

  • আবদুস শহীদ নাসিম
  • মুহিউদ্দীন খান
About this chapter


মক্কায় মতান্তরে মদিনায় অবতীর্ণ, আয়াত সংখ্যা: ৭৮, রুকু সংখ্যা: ০৩

এই সূরার আলোচ্যসূচি

আয়াতআলোচ্য বিষয় ০১-১৩মানুষের প্রতি আল্লাহর সীমাহীন দয়ার প্রমাণ। ১৪-২৫মানুষ ও জিন সৃষ্টির উপাদান এবং তাদের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ। ২৬-৪০সব কিছু ধ্বংস হয়ে যাবে এবং কিয়ামত অনুষ্ঠিত হবে। তখন ইনসান ও জিনের কৃতকর্মের বিচার করা হবে। ৪১-৪৫পাপীদের চিহ্নিত করা হবে এবং শাস্তি দেয়া হবে। ৪৬-৭৮যারা পৃথিবীতে আল্লাহকে ভয় করে জীবন যাপন করবে পরকালে তাদের অফুরন্ত নিয়ামতের বিবরণ। মহামর্যাদাবান আল্লাহর কোনো নিদর্শন ও অনুগ্রহকে অস্বীকার করতে পারবে না কোনো জিন কিংবা ইনসান।
আবদুস শহীদ নাসিম

তিনি রহমান (পরম দয়াবান),

মুহিউদ্দীন খান

করুনাময় ।

আবদুস শহীদ নাসিম

(কারণ) তিনি তালিম দিয়েছেন আল কুরআন,

মুহিউদ্দীন খান

শিক্ষা দিয়েছেন কোরআন,

আবদুস শহীদ নাসিম

সৃষ্টি করেছেন ইনসান,

মুহিউদ্দীন খান

সৃষ্টি করেছেন মানুষ,

আবদুস শহীদ নাসিম

তাকে তালিম দিয়েছেন বয়ান (ভাষা বা ভাব প্রকাশ পদ্ধতি)।

মুহিউদ্দীন খান

তাকে শিখিয়েছেন বর্ণনা।

আবদুস শহীদ নাসিম

সূর্য আর চাঁদ হিসাব মতো চলে (তাঁরই হুকুমে)।

মুহিউদ্দীন খান

সূর্য ও চন্দ্র হিসাবমত চলে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারকারাজি এবং বৃক্ষলতা সাজদারত (তাঁরই প্রতি)।

মুহিউদ্দীন খান

এবং তৃণলতা ও বৃক্ষাদি সেজদারত আছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আকাশকে তিনি উপরে উঠিয়েছেন, এবং স্থাপন করেছেন ভারসাম্য।

মুহিউদ্দীন খান

তিনি আকাশকে করেছেন সমুন্নত এবং স্থাপন করেছেন তুলাদন্ড।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাই তোমরাও লংঘন (নষ্ট) করোনা ভারসাম্য।

মুহিউদ্দীন খান

যাতে তোমরা সীমালংঘন না কর তুলাদন্ডে।

আবদুস শহীদ নাসিম

কায়েম করো ওজন ন্যায্যভাবে এবং ক্ষতিগ্রস্ত করোনা ভারসাম্য।

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা ন্যায্য ওজন কায়েম কর এবং ওজনে কম দিয়ো না।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর পৃথিবী, এটিকে তিনি স্থাপন করেছেন সৃষ্টি কুলের জন্যে।

মুহিউদ্দীন খান

তিনি পৃথিবীকে স্থাপন করেছেন সৃষ্টজীবের জন্যে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাতে রয়েছে ফলফলারি, আর খেজুর গাছ, যার ফল আবরণযুক্ত।

মুহিউদ্দীন খান

এতে আছে ফলমূল এবং বহিরাবরণবিশিষ্ট খর্জুর বৃক্ষ।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাতে আরো রয়েছে খোসাযুক্ত শস্য, আর সুগন্ধ ফুল - ফল - গাছ।

মুহিউদ্দীন খান

আর আছে খোসাবিশিষ্ট শস্য ও সুগন্ধি ফুল।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাহলে (হে জিন ও মানুষ) তোমাদের প্রভুর কোন্ দানকে তোমরা করবে অস্বীকার?

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অনুগ্রহকে অস্বীকার করবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনি সৃষ্টি করেছেন মানুষকে ঠনঠনে মাটি থেকে যা পোড়া মাটির মতো।

মুহিউদ্দীন খান

তিনি মানুষকে সৃষ্টি করেছেন পোড়া মাটির ন্যায় শুষ্ক মৃত্তিকা থেকে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর সৃষ্টি করেছেন জিনকে ধূমবিহীন আগুনের শিখা থেকে।

মুহিউদ্দীন খান

এবং জিনকে সৃষ্টি করেছেন অগ্নিশিখা থেকে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাহলে (হে জিন ও মানুষ) তোমাদের প্রভুর কোন্ দানকে তোমরা করবে অস্বীকার?

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অনুগ্রহ অস্বীকার করবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনি প্রভু পরিচালক দুই উদয়াচল ও দুই অস্তাচলের।

মুহিউদ্দীন খান

তিনি দুই উদয়াচল ও দুই অস্তাচলের মালিক।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাহলে (হে জিন ও মানুষ) তোমাদের প্রভুর কোন্ দানকে তোমরা করবে অস্বীকার?

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনি প্রবাহিত করেছেন দুইটি সমুদ্র, তারা প্রবাহিত হয় পরস্পর মিলে।

মুহিউদ্দীন খান

তিনি পাশাপাশি দুই দরিয়া প্রবাহিত করেছেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের উভয়ের মাঝে রয়েছে একটি অন্তরাল, যা তারা অতিক্রম করতে পারেনা।

মুহিউদ্দীন খান

উভয়ের মাঝখানে রয়েছে এক অন্তরাল, যা তারা অতিক্রম করে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাহলে (হে জিন ও মানুষ) তোমাদের প্রভুর কোন্ দানকে তোমরা করবে অস্বীকার?

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

উভয় সমুদ্র থেকে বেরিয়ে আসে মুক্তা (pearl) ও প্রবাল (coral)।

মুহিউদ্দীন খান

উভয় দরিয়া থেকে উৎপন্ন হয় মোতি ও প্রবাল।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাহলে (হে জিন ও মানুষ) তোমাদের প্রভুর কোন্ দানকে তোমরা করবে অস্বীকার?

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

সমুদ্রে চলাচলকারী পর্বতসম জাহাজগুলো তাঁরই নিয়ন্ত্রণাধীন।

মুহিউদ্দীন খান

দরিয়ায় বিচরণশীল পর্বতদৃশ্য জাহাজসমূহ তাঁরই (নিয়ন্ত্রনাধীন)

আবদুস শহীদ নাসিম

তাহলে (হে জিন ও মানুষ) তোমাদের প্রভুর কোন্ দানকে তোমরা করবে অস্বীকার?

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

পৃথিবীতে যা কিছু আছে সবই বিলীন হয়ে যাবে,

মুহিউদ্দীন খান

ভূপৃষ্টের সবকিছুই ধ্বংসশীল।

আবদুস শহীদ নাসিম

বাকি থাকবে কেবল তোমার মহা মর্যাদাবান, মহানুভব প্রভুর মুখমন্ডল (সত্তা)।

মুহিউদ্দীন খান

একমাত্র আপনার মহিমায় ও মহানুভব পালনকর্তার সত্তা ছাড়া।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাহলে (হে জিন ও মানুষ) তোমাদের প্রভুর কোন্ দানকে তোমরা করবে অস্বীকার?

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

মহাকাশ এবং পৃথিবীতে যারাই আছে সবাই তাঁর মুখাপেক্ষী। প্রতিদিন তিনি নিরত থাকেন গুরুত্বপূর্ণ কাজে।

মুহিউদ্দীন খান

নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের সবাই তাঁর কাছে প্রার্থী। তিনি সর্বদাই কোন না কোন কাজে রত আছেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাহলে (হে জিন ও মানুষ) তোমাদের প্রভুর কোন্ দানকে তোমরা করবে অস্বীকার?

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

(হে মানুষ ও জিন!) অচিরেই আমরা তোমাদের প্রতি মনোযোগ দেবো (তোমাদের হিসাব নেয়া ও বিচার করার জন্যে)।

মুহিউদ্দীন খান

হে জিন ও মানব! আমি শীঘ্রই তোমাদের জন্যে কর্মমুক্ত হয়ে যাব।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাহলে (হে জিন ও মানুষ) তোমাদের প্রভুর কোন্ দানকে তোমরা করবে অস্বীকার?

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

হে জিন ও মানব সম্প্রদায়! তোমরা যদি মহাকাশ এবং পৃথিবীর সীমানা অতিক্রম করতে সক্ষম হও, তবে অতিক্রম করো। কিন্তু তোমরা অতিক্রম করতে পারবেনা আমার সনদ ছাড়া।

মুহিউদ্দীন খান

হে জিন ও মানবকূল, নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের প্রান্ত অতিক্রম করা যদি তোমাদের সাধ্যে কুলায়, তবে অতিক্রম কর। কিন্তু ছাড়পত্র ব্যতীত তোমরা তা অতিক্রম করতে পারবে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাহলে (হে জিন ও মানুষ) তোমাদের প্রভুর কোন্ দানকে তোমরা করবে অস্বীকার?

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমাদের প্রতি পাঠানো হবে আগুনের শিখা এবং ধোঁয়াপুঞ্জ, তোমরা তা প্রতিরোধ করতে পারবেনা।

মুহিউদ্দীন খান

ছাড়া হবে তোমাদের প্রতি অগ্নিস্ফুলিঙ্গ ও ধুম্রকুঞ্জ তখন তোমরা সেসব প্রতিহত করতে পারবে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাহলে (হে জিন ও মানুষ) তোমাদের প্রভুর কোন্ দানকে তোমরা করবে অস্বীকার?

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

যেদিন আকাশ ফেটে যাবে সেদিন হয়ে যাবে তা রক্তবর্ণ চামড়ার মতো।

মুহিউদ্দীন খান

যেদিন আকাশ বিদীর্ণ হবে তখন সেটি রক্তবর্ণে রঞ্জিত চামড়ার মত হয়ে যাবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাহলে (হে জিন ও মানুষ) তোমাদের প্রভুর কোন্ দানকে তোমরা করবে অস্বীকার?

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

সেদিন কোনো মানুষকে তার পাপ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবেনা, কোনো জিনকেও নয়।

মুহিউদ্দীন খান

সেদিন মানুষ না তার অপরাধ সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবে, না জিন।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাহলে (হে জিন ও মানুষ) তোমাদের প্রভুর কোন্ দানকে তোমরা করবে অস্বীকার?

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

অপরাধীদের চেনা যাবে তাদের লক্ষণ দেখেই, তখন তাদের পাকড়াও করা হবে মাথার ঝুঁটি আর পা ধরে।

মুহিউদ্দীন খান

অপরাধীদের পরিচয় পাওয়া যাবে তাদের চেহারা থেকে; অতঃপর তাদের কপালের চুল ও পা ধরে টেনে নেয়া হবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাহলে (হে জিন ও মানুষ) তোমাদের প্রভুর কোন্ দানকে তোমরা করবে অস্বীকার?

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

এই সেই জাহান্নাম, অপরাধীরা যাকে অস্বীকার করতো,

মুহিউদ্দীন খান

এটাই জাহান্নাম, যাকে অপরাধীরা মিথ্যা বলত।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা জাহান্নামের আগুন আর টগবগে ফুটন্ত পানির মাঝে ছুটাছুটি করতে থাকবে।

মুহিউদ্দীন খান

তারা জাহান্নামের অগ্নি ও ফুটন্ত পানির মাঝখানে প্রদক্ষিণ করবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাহলে (হে জিন ও মানুষ) তোমাদের প্রভুর কোন্ দানকে তোমরা করবে অস্বীকার?

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

যে ব্যক্তি তার প্রভুর সামনে (হিসাব দেয়ার জন্যে) উপস্থিত হওয়ার বিষয়টাকে ভয় করে, সে পাবে দুটি জান্নাত।

মুহিউদ্দীন খান

যে ব্যক্তি তার পালনকর্তার সামনে পেশ হওয়ার ভয় রাখে, তার জন্যে রয়েছে দু’টি উদ্যান।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাহলে (হে জিন ও মানুষ) তোমাদের প্রভুর কোন্ দানকে তোমরা করবে অস্বীকার?

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

দুটোই বহু শাখা - প্রশাখা আর পত্র পল্লবওয়ালা।

মুহিউদ্দীন খান

উভয় উদ্যানই ঘন শাখা - পল্লববিশিষ্ট।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাহলে (হে জিন ও মানুষ) তোমাদের প্রভুর কোন্ দানকে তোমরা করবে অস্বীকার?

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

উভয় জান্নাতেই থাকবে বহমান দুই ঝরণাধারা।

মুহিউদ্দীন খান

উভয় উদ্যানে আছে বহমান দুই প্রস্রবন।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাহলে (হে জিন ও মানুষ) তোমাদের প্রভুর কোন্ দানকে তোমরা করবে অস্বীকার?

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

উভয় জান্নাতেই থাকবে সব ধরণের ফলফলারি জোড়ায় জোড়ায়।

মুহিউদ্দীন খান

উভয়ের মধ্যে প্রত্যেক ফল বিভিন্ন রকমের হবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাহলে (হে জিন ও মানুষ) তোমাদের প্রভুর কোন্ দানকে তোমরা করবে অস্বীকার?

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

সেখানে তারা হেলান দিয়ে বসবে পুরু রেশমি আস্তরের ফরাশে, দুই জান্নাতের ফলই থাকবে তাদের হাতের নাগালে।

মুহিউদ্দীন খান

তারা তথায় রেশমের আস্তরবিশিষ্ট বিছানায় হেলান দিয়ে বসবে। উভয় উদ্যানের ফল তাদের নিকট ঝুলবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাহলে (হে জিন ও মানুষ) তোমাদের প্রভুর কোন্ দানকে তোমরা করবে অস্বীকার?

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

সেগুলোতে থাকবে আনতদৃষ্টি হুর (সুন্দরী নারীরা), পূর্বে যাদের স্পর্শ করেনি কোনো মানুষ কিংবা জিন।

মুহিউদ্দীন খান

তথায় থাকবে আনতনয়ন রমনীগন, কোন জিন ও মানব পূর্বে যাদের ব্যবহার করেনি।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাহলে (হে জিন ও মানুষ) তোমাদের প্রভুর কোন্ দানকে তোমরা করবে অস্বীকার?

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

সৌন্দর্যে তারা যেনো ইয়াকুত (পদ্মরাগ) এবং মারজান (প্রবাল)।

মুহিউদ্দীন খান

প্রবাল ও পদ্মরাগ সদৃশ রমণীগণ।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাহলে (হে জিন ও মানুষ) তোমাদের প্রভুর কোন্ দানকে তোমরা করবে অস্বীকার?

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

ইহ্সানের পুরস্কার ইহ্সান ছাড়া আর কি?

মুহিউদ্দীন খান

সৎকাজের প্রতিদান উত্তম পুরস্কার ব্যতীত কি হতে পারে?

আবদুস শহীদ নাসিম

তাহলে (হে জিন ও মানুষ) তোমাদের প্রভুর কোন্ দানকে তোমরা করবে অস্বীকার?

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

সে দুটি ছাড়াও থাকবে আরো দুটি জান্নাত।

মুহিউদ্দীন খান

এই দু’টি ছাড়া আরও দু’টি উদ্যান রয়েছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাহলে (হে জিন ও মানুষ) তোমাদের প্রভুর কোন্ দানকে তোমরা করবে অস্বীকার?

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

দুটি উদ্যানই হবে ঘন নিবিড় সবুজ।

মুহিউদ্দীন খান

কালোমত ঘন সবুজ।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাহলে (হে জিন ও মানুষ) তোমাদের প্রভুর কোন্ দানকে তোমরা করবে অস্বীকার?

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

উভয় জান্নাতেই থাকবে উচ্ছলিত দুই ঝরণাধারা।

মুহিউদ্দীন খান

তথায় আছে উদ্বেলিত দুই প্রস্রবণ।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাহলে (হে জিন ও মানুষ) তোমাদের প্রভুর কোন্ দানকে তোমরা করবে অস্বীকার?

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

উভয় জান্নাতেই থাকবে বিপুল ফলমূল, খেজুর আর আনার।

মুহিউদ্দীন খান

তথায় আছে ফল - মূল, খর্জুর ও আনার।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাহলে (হে জিন ও মানুষ) তোমাদের প্রভুর কোন্ দানকে তোমরা করবে অস্বীকার?

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

সেগুলোতেও থাকবে সুশীল সুন্দরী নারীরা।

মুহিউদ্দীন খান

সেখানে থাকবে সচ্চরিত্রা সুন্দরী রমণীগণ।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাহলে (হে জিন ও মানুষ) তোমাদের প্রভুর কোন্ দানকে তোমরা করবে অস্বীকার?

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা হলো হুর (অপরূপ সুন্দর নারী) তাঁবুতে অবস্থানকারিণী।

মুহিউদ্দীন খান

তাঁবুতে অবস্থানকারিণী হুরগণ।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাহলে (হে জিন ও মানুষ) তোমাদের প্রভুর কোন্ দানকে তোমরা করবে অস্বীকার?

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

পূর্বে তাদের স্পর্শ করেনি কোনো মানুষ কিংবা জিন।

মুহিউদ্দীন খান

কোন জিন ও মানব পূর্বে তাদেরকে স্পর্শ করেনি।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাহলে (হে জিন ও মানুষ) তোমাদের প্রভুর কোন্ দানকে তোমরা করবে অস্বীকার?

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা হেলান দিয়ে আসন গ্রহণ করবে সবুজ তাকিয়া আর চমৎকার সুন্দর গালিচার উপরে।

মুহিউদ্দীন খান

তারা সবুজ মসনদে এবং উৎকৃষ্ট মূল্যবান বিছানায় হেলান দিয়ে বসবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাহলে (হে জিন ও মানুষ) তোমাদের প্রভুর কোন্ দানকে তোমরা করবে অস্বীকার?

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

অতিশয় মহান কল্যাণময় তোমার প্রভুর নাম, যিনি অতীব মর্যাদাবান মহানুভব।

মুহিউদ্দীন খান

কত পূণ্যময় আপনার পালনকর্তার নাম, যিনি মহিমাময় ও মহানুভব।

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme