You’re offline. Downloaded books and recitations still work.
আহযাব (বাহিনী সমূহ)
Chapter 33, 73 verses
আবদুস শহীদ নাসিম
জহুরুল হক
Arabic, with marks
Arabic
About this chapter
মদিনায় অবতীর্ণ, আয়াত সংখ্যা: ৭৩, রুকু সংখ্যা: ০৯
এই সূরার আলোচ্যসূচি
আয়াতআলোচ্য বিষয়
০১-০৮মুনাফিকদের আনুগত্য করার নিষেধাজ্ঞা। মুখবোলা ছেলেরা পুত্র নয়, তারা দীনি ভাই। নবীর স্ত্রীরা মুমিনদের মা। আল্লাহ্ সকল নবীর কাছ থেকে অঙ্গীকার গ্রহণ করেছিলেন।
০৯-২৭আহযাব যুদ্ধে আল্লাহর সাহায্যের বিবরণ। মুনাফিকদের পলায়ন ও মুনাফিকি। মুমিনদের আদর্শ আল্লাহর রসূল। মুমিনদের কর্মনীতি। ইহুদিদের মদিনা থেকে উৎখাত।
২৮-৩৪নবীর স্ত্রীদের জন্য উপদেশ ও বিশেষ বিধান।
৩৫-৩৬মুমিনদের বিশেষ গুণাবলি।
৩৭-৪৮নবীকে মুখবোলা পুত্রের স্ত্রী বিয়ে না করার ভ্রান্ত রসম ভাঙ্গার নির্দেশ, ফলে আল্লাহর নির্দেশে তিনি যায়েদের তালাক দেয়া স্ত্রীকে বিয়ে করেন। কারণ নবী ইসলামি আদর্শের প্রতীক।
৪৯তালাকের কিছু বিধান।
৫০-৫২নবীর জন্য চারের অধিক বিয়ে বৈধ, নবী কাদেরকে বিয়ে করতে পারবেন।
৫৩-৬২নবীর ঘরে দাওয়াত খাওয়া এবং নবীর স্ত্রীদের কাছে কিছু চাওয়ার প্রটোকল। নবীর পরে নবীর স্ত্রীদের বিয়ে করা নিষিদ্ধ। পর্দার কিছু বিধান।
৬৩-৭৩কিয়ামতের জ্ঞান একমাত্র আল্লাহর কাছে। পরকালে কাফিরদের দুরবস্থা। মুমিনদেরকে মূসার উম্মতের মতো আচরণ করার নিষেধাজ্ঞা। মুমিনদের প্রতি উপদেশ। মানুষের উপর আল্লাহর আমানতের ভার বহনের দায়িত্ব অর্পণের কারণ।
আবদুস শহীদ নাসিম
হে নবী! আল্লাহকে ভয় করো এবং আর মুনাফিকদের আনুগত্য করোনা। সর্বজ্ঞানী প্রজ্ঞাবান।
জহুরুল হক
হে প্রিয় নবী! কে ভয় - ভক্তি করো আর অবিশ্বাসীদের ও মুনাফিকদের আজ্ঞাপালন করো না। নিঃসন্দেহ সর্বজ্ঞাতা, পরমজ্ঞানী।
বানাননি কোনো ব্যক্তির জন্যে তার অভ্যন্তরে দুটি অন্তর। আর তোমরা তোমাদের যেসব স্ত্রীর সাথে যিহার করো তাদেরকে তোমাদের মা বানাননি এবং তোমাদের মুখডাকা পুত্রদেরকেও বানাননি তোমাদের পুত্র। এগুলো তো তোমাদের মুখের কথা। সত্য কথা বলেন এবং দেখান সঠিক পথ।
জহুরুল হক
কোনো মানুষের জন্য তার ধড়ের মধ্যে দুটি হৃদয় বানান নি, আর তোমাদের স্ত্রীদেরও যাদের থেকে তোমরা 'যিহার’ ক’রে ফিরে গেছ তাদের তিনি তোমাদের মা বানান নি, আর তোমাদের পোষ্য - সন্তানদেরও তোমাদের সন্তান বানান নি। এ - সব হচ্ছে তোমাদের মুখ দিয়ে তোমাদের কথা। আর ই সত্যকথা বলেন, আর তিনিই পথে পরিচালিত করেন।
ما جعل الله لرجل من قلبين في جوفه ۚ وما جعل أزواجكم اللائي تظاهرون منهن أمهاتكم ۚ وما جعل أدعياءكم أبناءكم ۚ ذلكم قولكم بأفواهكم ۖ والله يقول الحق وهو يهدي السبيل
আবদুস শহীদ নাসিম
তোমরা তাদের ডাকো তাদের পিতার পরিচয়ে। আল্লাহর দৃষ্টিতে এটাই ন্যায়সংগত। তোমরা যদি তাদের পিতার পরিচয় জানতে না পারো, তবে তারা তোমাদের দীনি ভাই এবং বন্ধু। ইতোপূর্বে তোমরা এ ব্যাপারে যে ভুল করেছো সেটার জন্যে তোমাদের অপরাধ ধরা হবেনা। তবে অপরাধ হতে পারে তোমাদের অন্তরের সংকল্পের কারণে। আর পরম ক্ষমাশীল দয়াবান।
জহুরুল হক
তোমরা তাদের সন্বোধন কর তাদের বাপেদের নামে, এটিই র কাছে বেশি ন্যায়সংগত। কিন্তু যদি তোমরা তাদের পিতাদের না জানো তাহলে তারা তোমাদের ধর্ম - ভাই ও তোমাদের বন্ধুবান্ধব। আর তোমাদের উপরে কোনো অপরাধ হবে না সে - সবে যাতে তোমরা ভুল কর, কিন্তু যা তোমাদের হৃদয় মতলব আঁটে। আর পরিত্রাণকারী, অফুরন্ত ফলদাতা।
ادعوهم لآبائهم هو أقسط عند الله ۚ فإن لم تعلموا آباءهم فإخوانكم في الدين ومواليكم ۚ وليس عليكم جناح فيما أخطأتم به ولكن ما تعمدت قلوبكم ۚ وكان الله غفورا رحيما
আবদুস শহীদ নাসিম
এই নবী (মুহাম্মদ) মুমিনদের কাছে তাদের নিজেদের চেয়েও ঘনিষ্ঠতর এবং তার স্ত্রীরা তাদের মা। আল্লাহর কিতাব অনুযায়ী ও মুহাজিরদের চেয়ে আত্মীয়রা পরস্পরের নিকটতর। তবে তোমরা যদি তোমাদের বন্ধু ও পৃষ্ঠপোষকদের প্রতি আনুকূল্য দেখাতে চাও, তাতে কোনো দোষ নেই। এসব বিধান কিতাবে লিপিবদ্ধ।
জহুরুল হক
এই নবী মুমিনদের কাছে তাদের নিজেদের চেয়েও অধিক অন্তরঙ্গ, আর তাঁর পত্নীগণ হচ্ছেন তাদের মাতা। আর গর্ভজাত সম্পর্কধারীরা - - তারা র বিধানে একে অন্যে অধিকতর নিকটবর্তী মুমিনদের ও মুহাজিরদের চাইতে, তবে তোমরা যেন তোমাদের বন্ধুবর্গের প্রতি সদাচার করো। এমনটাই গ্রন্থে লিপিবদ্ধ রয়েছে।
النبي أولى بالمؤمنين من أنفسهم ۖ وأزواجه أمهاتهم ۗ وأولو الأرحام بعضهم أولى ببعض في كتاب الله من المؤمنين والمهاجرين إلا أن تفعلوا إلى أوليائكم معروفا ۚ كان ذلك في الكتاب مسطورا
আবদুস শহীদ নাসিম
স্মরণ করো, যখন আমরা নবীদের কাছ থেকে তাদের অংগীকার নিয়েছিলাম এবং তোমার থেকেও, নূহের থেকেও, ইবরাহিম, মূসা এবং ঈসা ইবনে মরিয়ম থেকেও। আমরা তাদের থেকে গ্রহণ করেছিলাম শক্ত অংগীকার,
জহুরুল হক
আর স্মরণ কর! আমরা নবীদের থেকে তাঁদের অঙ্গীকার গ্রহণ করেছিলাম, আর তোমার কাছ থেকেও, আর নূহ ও ইব্রাহীম ও মূসা ও মরিয়ম - পুত্র ঈসার কাছ থেকে, আর তাঁদের কাছ থেকে আমরা গ্রহণ করেছিলাম এক জোরালো অংগীকার - -
ليسأل الصادقين عن صدقهم ۚ وأعد للكافرين عذابا أليما
আবদুস শহীদ নাসিম
হে লোকেরা! যিকির করো তোমাদের প্রতি আল্লাহর নিয়ামতের কথা, যখন তোমাদের দিকে শত্রুবাহিনী১ এসে গিয়েছিল, তখন আমরা তাদের বিরুদ্ধে পাঠিয়েছিলাম ঝড়ো হাওয়া এবং এমন এক বাহিনী, যাদের তোমরা দেখতে পাওনি। তোমরা যা করো তা আল্লাহর দৃষ্টির মধ্যেই রয়েছে।
জহুরুল হক
ওহে যারা ঈমান এনেছ! তোমাদের উপরে র অনুগ্রহ স্মরণ কর, যখন তোমাদের উপরে সৈন্যদল এসে পড়েছিল, তখন আমরা তাদের বিরুদ্ধে পাঠালাম এক ঝড় - ঝঞ্চা, আর এক বাহিনী যা তোমরা দেখতে পাও নি। আর তোমরা যা করছিলে সে - সন্বন্ধে সর্বদ্রষ্টা।
يا أيها الذين آمنوا اذكروا نعمة الله عليكم إذ جاءتكم جنود فأرسلنا عليهم ريحا وجنودا لم تروها ۚ وكان الله بما تعملون بصيرا
আবদুস শহীদ নাসিম
যখন তারা এসেছিল তোমাদের উপরের দিক থেকে এবং নিচের দিক থেকে এবং (তাদের দেখে) তোমাদের চোখ বিস্ফারিত হয়ে পড়েছিল এবং তোমাদের প্রাণ হয়ে পড়েছিল কণ্ঠাগত আর তোমরা আল্লাহর ব্যাপারে করছিলে নানা রকম ধারণা।
জহুরুল হক
স্মরণ করো! তারা তোমাদের উপরে এসে পড়েছিল তোমাদের উপর থেকে এবং তোমাদের চেয়ে নিচে থেকে, আর যখন চোখগুলো বিারিত হয়েছিল আর হৃৎপিন্ডগুলো পৌঁছেগিয়েছিল গলদেশে, আর তোমরা র সন্বন্ধে নানান ভুল ধারণা ধারণ করেছিলে।
وإذ يقول المنافقون والذين في قلوبهم مرض ما وعدنا الله ورسوله إلا غرورا
আবদুস শহীদ নাসিম
তখন তাদেরই একটি দল বলেছিল: ‘হে ইয়াসরিববাসী! এখানে তোমাদের কোনো স্থান নেই, তোমরা ফিরে চলো।’ তাদের আরেকদল নবীর কাছে অব্যাহতির প্রার্থনা করে বলছিল: ‘আমাদের বাড়িঘর অরক্ষিত’, অথচ তাদের বাড়িঘর অরক্ষিত ছিলনা। আসলে তাদের উদ্দেশ্য ছিলো ভেগে যাওয়া।
জহুরুল হক
আর স্মরণ করো! তাদের মধ্যের একদল বলেছিল - - ''হে ইয়াছরিব - এর বাসিন্দারা! তোমাদের জন্য দাঁড়াবার জায়গা নেই, সেজন্য ফিরে যাও।’’ আর তাদের মধ্যের কোনো দল নবীর কাছে অনুমতি চাইছিল এই বলে - - ''আমাদের বাড়িঘর নিশ্চয়ই অনাবৃত।’’ কিন্তু সেগুলো অনাবৃত ছিল না। তারা তো চাইছিল কেবল পালিয়ে যেতে।
وإذ قالت طائفة منهم يا أهل يثرب لا مقام لكم فارجعوا ۚ ويستأذن فريق منهم النبي يقولون إن بيوتنا عورة وما هي بعورة ۖ إن يريدون إلا فرارا
আবদুস শহীদ নাসিম
শত্রুরা যদি চারদিক থেকে (মদিনা) আক্রমণ করতো এবং তাদেরকে বিদ্রোহের জন্যে প্ররোচিত করতো, তারা কালবিলম্ব না করে সহজেই তা করতো।
জহুরুল হক
আর যদি এর সীমানা থেকে তাদের উপরে অনুপ্রবেশ হত এবং তাদের বলা হত বিদ্রোহ করতে, তাহলে তারা অবশ্যই তাতে এসে পড়ত, আর তারা সেখানে অবস্থান করত না অল্পক্ষণ ছাড়া।
ولقد كانوا عاهدوا الله من قبل لا يولون الأدبار ۚ وكان عهد الله مسئولا
আবদুস শহীদ নাসিম
হে নবী! বলো: তোমাদের কোনোই ফায়দা হবেনা যদি তোমরা মউত কিংবা কতল হবার ভয়ে পলায়ন করো। তবে সেক্ষেত্রে তোমাদেরকে ভোগের সুযোগ খুব কমই দেয়া হবে।
জহুরুল হক
বলো - - ''পালিয়ে যাওয়া কখনো তোমাদের লাভবান করবে না, যদিও তোমরা মৃত্যু অথবা কাতল হওয়া থেকে পলায়ন কর, আর সে - ক্ষেত্রে তোমরা উপভোগ করতে পারবে না অল্পক্ষণ ছাড়া।’’
قل لن ينفعكم الفرار إن فررتم من الموت أو القتل وإذا لا تمتعون إلا قليلا
আবদুস শহীদ নাসিম
বলো: কে তোমাদের রক্ষা করবে আল্লাহর থেকে যদি তিনি তোমাদের অমঙ্গল করার এরাদা করেন? অথবা তিনি যদি তোমাদের মঙ্গল করার এরাদা করেন, তবে কে তোমাদের ক্ষতি করবে? তারা নিজেদের জন্যে আল্লাহর পরিবর্তে কোনো অলি কিংবা সাহায্যকারী পাবেনা।
জহুরুল হক
তুমি বলো - - ''কে আছে যে তোমাদের র থেকে বাধা দিতে পারে যদি তিনি তোমাদের জন্য অনিষ্ট ইচ্ছা করেন অথবা তোমাদের জন্য অনুগ্রহ চান?’’ আর তাদের জন্য কে বাদ দিয়ে তারা পাবে না কোনো অভিভাবক, আর না কোনো সাহায্যকারী।
قل من ذا الذي يعصمكم من الله إن أراد بكم سوءا أو أراد بكم رحمة ۚ ولا يجدون لهم من دون الله وليا ولا نصيرا
আবদুস শহীদ নাসিম
অবশ্যি জানেন তোমাদের মধ্যে কারা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারী, আর কারা তাদের ভাইদের বলে: ‘আমাদের সাথে আসো।’ তারা যুদ্ধে অংশ নেয়না, সামান্য ছাড়া।
জহুরুল হক
আলবৎ জেনে গেছেন তোমাদের মধ্যের বাধাদান - কারীদের, আর যারা তাদের ভাই - বিরাদরের প্রতি বলে - - ''আমাদের সঙ্গে এখানে চলে এসো।’’ আর তারা যুদ্ধে আসে না অল্প কয়জন ছাড়া, - -
۞ قد يعلم الله المعوقين منكم والقائلين لإخوانهم هلم إلينا ۖ ولا يأتون البأس إلا قليلا
আবদুস শহীদ নাসিম
তোমাদের প্রতি সংকীর্ণ মনোভাবের কারণে। যখন ভয়ের সময় আসে, তুমি তাদের দেখো, মরণের ভয়ে মূর্ছা যাওয়া ব্যক্তির মতো তারা চোখ উল্টিয়ে তোমার দিকে তাকায়। আবার যখন ভয় চলে যায় তখন সম্পদের লোভে তারা তোমাদের প্রতি ভাষার তীর নিক্ষেপ করে। এরা ঈমান আনেনি। ফলে, তাদের আমল বিনষ্ট করে দিয়েছেন, আর এটা আল্লাহর জন্যে খুবই সহজ।
জহুরুল হক
তোমাদের প্রতি ঈর্ষান্বিত হয়ে। কিন্তু যখন কোনো বিপদ আসে তখন তুমি তাদের দেখতে পাবে তারা তোমার দিকে চেয়ে আছে, - - তাদের চোখ ঘুরছে তার মতো যে মৃত্যুর কারণে মূর্চ্ছা গেছে। তারপর যখন বিপদ চলে যায় তখন তারা তোমাদের আঘাত করে তীক্ষ জিহবা দিয়ে সৌভাগ্যের জন্য ঈর্ষান্বিত হয়ে। এরা বিশ্বাস করে নি, সেজন্য তাদের কীর্তিকলাপ বিফল করেছেন। আর এটি তো র জন্য সহজ।
أشحة عليكم ۖ فإذا جاء الخوف رأيتهم ينظرون إليك تدور أعينهم كالذي يغشى عليه من الموت ۖ فإذا ذهب الخوف سلقوكم بألسنة حداد أشحة على الخير ۚ أولئك لم يؤمنوا فأحبط الله أعمالهم ۚ وكان ذلك على الله يسيرا
আবদুস শহীদ নাসিম
তারা ধারণা করছিল সম্মিলিত বাহিনী চলে যায়নি। সম্মিলিত বাহিনী যদি আবার এসে পড়ে, তখন তারা কামনা করবে যে, ভালো হতো তারা যদি বেদুঈনদের সাথে থেকে তোমাদের খোঁজখবর নিতো! তোমাদের মাঝে অবস্থান করলেও তারা যুদ্ধ করতো সামান্যই।
জহুরুল হক
তারা ভেবেছিল যে জোট - বাঁধা ফৌজ চলে যাচ্ছে না, আর যদি জোট - বাধাঁ ফৌজ আসত তবে তারা কামনা করত - - যদি তারা আরবের বেদুইন হয়েও জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারত তোমাদের খোঁজখবর সন্বন্ধে। আর যদি তারা তোমাদের সঙ্গেও থাকে তবু তারা যুদ্ধ করত না অল্প একটু ছাড়া।
لقد كان لكم في رسول الله أسوة حسنة لمن كان يرجو الله واليوم الآخر وذكر الله كثيرا
আবদুস শহীদ নাসিম
মুমিনরা যখন সম্মিলিত বাহিনী দেখেছিল, তারা বলে উঠেছিল: ‘এর ওয়াদাই তো এবং তাঁর রসূল আমাদের দিয়েছেন এবং ও তাঁর রসূল সত্য বলেছেন।’ ফলে তাদের ঈমান ও আত্মসমর্পণের মাত্রা বেড়ে গিয়েছিল।
জহুরুল হক
আর যখন মুমিনগণ জোট - বাঁধা ফৌজের দেখা পেল তারা বললে - - ''এটিই তো তাই যার কথা ও তাঁর রসূল আমাদের কাছে পূর্বাভাস দিয়েছিলেন, আর ও তাঁর রসূল সত্যকথাই বলেছিলেন। আর এটি তাদের বিশ্বাস ও আনুগত্য ব্যতীত অন্য কিছু বাড়ায় নি।
ولما رأى المؤمنون الأحزاب قالوا هذا ما وعدنا الله ورسوله وصدق الله ورسوله ۚ وما زادهم إلا إيمانا وتسليما
আবদুস শহীদ নাসিম
একদল আল্লাহর সাথে করা তাদের অংগীকার সত্যে পরিণত করেছে, তাদের কেউ কেউ নিজের নজরানা পূর্ণ করেছে, আর কিছু সংখ্যক অপেক্ষায় আছে। তারা তাদের নীতি কিছুমাত্র বদলায়নি।
জহুরুল হক
মুমিনদের মধ্যে এমন লোক রয়েছে যারা র সঙ্গে তারা যা ওয়াদা করেছে সে - সন্বন্ধে সত্যপরায়ণতা অবলন্বন করে, সেজন্যে তাদের মধ্যে কেউ - কেউ তার ব্রত পূর্ণ করেছে, আর তাদের মধ্যে কেউ - কেউ প্রতীক্ষা করছে, আর তারা কোনো বদলানো বদলায় নি, - -
من المؤمنين رجال صدقوا ما عاهدوا الله عليه ۖ فمنهم من قضى نحبه ومنهم من ينتظر ۖ وما بدلوا تبديلا
আবদুস শহীদ নাসিম
যাতে করে সত্যপন্থীদের পুরস্কৃত করেন তাদের সত্যবাদিতার জন্যে, আর ইচ্ছা করলে মুনাফিকদের শাস্তি দেন, কিংবা তাদের তওবা কবুল করেন। নিশ্চয়ই পরম ক্ষমাশীল, অতীব দয়াবান।
জহুরুল হক
যেন পুরস্কৃত করতে পারেন সত্যপরায়ণদের তাদের সত্যনিষ্ঠার জন্যে, আর তিনি ইচ্ছা করলে মুনাফিকদের শাস্তি দিতে পারেন অথবা তাদের প্রতি ফিরতেও পারেন। নিঃসন্দেহ পরিত্রাণকারী, অফুরন্ত ফলদাতা।
ليجزي الله الصادقين بصدقهم ويعذب المنافقين إن شاء أو يتوب عليهم ۚ إن الله كان غفورا رحيما
আবদুস শহীদ নাসিম
কাফিরদের ফিরিয়ে দিলেন তাদের ক্ষোভসহ। তারা কোনো ফায়দা হাসিল করেনি। যুদ্ধে মুমিনদের জন্যে আল্লাহ্ই যথেষ্ট। আর অতীব শক্তিধর মহাপরাক্রমশালী।
জহুরুল হক
আর প্রতিহত করেছিলেন তাদের যারা তাদের আক্রোশবশত অবিশ্বাস পোষণ করেছিল, তারা ভাল কিছুই লাভ করতে পারে নি। আর যুদ্ধে মুমিনদের জন্য যথেষ্ট ছিলেন। আর হচ্ছেন মহাবলীয়ান, মহাশক্তিশালী।
ورد الله الذين كفروا بغيظهم لم ينالوا خيرا ۚ وكفى الله المؤمنين القتال ۚ وكان الله قويا عزيزا
আবদুস শহীদ নাসিম
আহলে কিতাবদের (ইহুদিদের) যারা তাদের সাহায্য করেছিল, তাদেরকে তাদের দুর্গ থেকে নামিয়ে দিলেন এবং তাদের অন্তরে ঢুকিয়ে দিলেন ভয়। এখন তোমরা তাদের কিছু সংখ্যককে হত্যা করছো আর কিছু সংখ্যককে করছো বন্দী।
জহুরুল হক
আর গ্রন্থধারীদের মধ্যের যারা তাদের পৃষ্ঠপোষকতা করেছিল তাদের তিনি নামিয়ে এনেছিলেন তাদের দুর্গ থেকে, আর তাদের হৃদয়ে ভীতি সঞ্চার করেছিলেন, একদলকে তোমরা হত্যা করেছিলে ও বন্দী করেছিলে আরেক দলকে।
وأنزل الذين ظاهروهم من أهل الكتاب من صياصيهم وقذف في قلوبهم الرعب فريقا تقتلون وتأسرون فريقا
আবদুস শহীদ নাসিম
আর তিনি তোমাদেরকে ওয়ারিশ বানিয়ে দিলেন তাদের জমিন, ঘরবাড়ি ও মাল - সম্পদের এবং এমন ভূমির যাতে তোমরা কখনো আগমন করোনি। সব বিষয়ে সর্বশক্তিমান।
জহুরুল হক
আর তিনি তোমাদের উত্তরাধিকার করতে দিলেন তাদের জমিজমা ও তাদের বাড়িঘর ও তাদের ধনসম্পত্তি এবং এক দেশ যেখানে তোমরা অভিযান চালাও নি। আর সব - কিছুর উপরেই পরম ক্ষমতাবান।
وأورثكم أرضهم وديارهم وأموالهم وأرضا لم تطئوها ۚ وكان الله على كل شيء قديرا
আবদুস শহীদ নাসিম
হে নবী! তোমার স্ত্রীদের বলো: ‘‘তোমরা যদি দুনিয়ার জীবন ও তার চাকচিক্য কামনা করো, তবে আসো আমি তোমাদের ভোগ - বিলাসের সামগ্রী দিয়ে সুন্দরভাবে বিদায় করে দেই।
জহুরুল হক
হে প্রিয় নবী! তোমার স্ত্রীগণকে বলো - - ''তোমরা যদি দুনিয়ার জীবনটা ও তার শোভা - সৌন্দর্য কামনা কর তাহলে এসো, আমি তোমাদের ভোগ্যবস্তুর ব্যবস্থা করে দেব এবং তোমাদের বিদায় দেব সৌজন্যময় বিদায়দানে।
يا نساء النبي من يأت منكن بفاحشة مبينة يضاعف لها العذاب ضعفين ۚ وكان ذلك على الله يسيرا
আবদুস শহীদ নাসিম
আর তোমাদের মধ্যে যে কেউ ও তাঁর রসূলের জন্যে বিনয়ী হবে এবং আমলে সালেহ্ করবে, তাকে আমরা পুরস্কার দেবো দুইবার, আর তার জন্যে আমরা প্রস্তুত রেখেছি সম্মানজনক জীবিকা।
জহুরুল হক
আর তোমাদের মধ্যে যে কেউ র প্রতি ও তাঁর রসূলের প্রতি অনুগত হবে এবং সৎকর্ম করবে, আমরা তার প্রতিদান তাকে দেব দুই দফায়, আর আমরা তার জন্য প্রস্তুত রেখেছি এক সম্মানজনক জীবিকা।
۞ ومن يقنت منكن لله ورسوله وتعمل صالحا نؤتها أجرها مرتين وأعتدنا لها رزقا كريما
আবদুস শহীদ নাসিম
হে নবীর স্ত্রীরা! তোমরা অন্য কোনো নারীর মতো নও। যদি তোমরা আল্লাহকে ভয় করো, তবে পর পুরুষের সাথে এমন ললিত কণ্ঠে কথা বলোনা, যাতে করে এমন কোনো ব্যক্তি প্রলুব্ধ হয়ে পড়ে যার অন্তরে রোগ আছে। তোমরা প্রচলিত পন্থায় যথাযথ কথা বলো।
জহুরুল হক
হে নবীর স্ত্রীগণ! তোমরা অন্য কোন স্ত্রীলোকদের মতন নও, যদি তোমরা ধর্মভীরুতা অবলন্বন কর তবে কথাবার্তায় তোমরা কোমল হয়ো না, পাছে যার অন্তরে ব্যাধি রয়েছে সে প্রলুব্ধ হয়, আর তোমরা বলো উত্তম কথাবার্তা।
يا نساء النبي لستن كأحد من النساء ۚ إن اتقيتن فلا تخضعن بالقول فيطمع الذي في قلبه مرض وقلن قولا معروفا
আবদুস শহীদ নাসিম
তোমরা নিজেদের ঘরে অবস্থান করো। তোমরা পূর্বের জাহেলি যুগের মতো নিজেদের প্রদর্শন করে বেড়াবেনা, কায়েম করো, যাকাত প্রদান করো এবং ও তাঁর রসূলের আনুগত্য করো। চান তোমাদের থেকে অপবিত্রতা দূর করতে হে আহলে বাইত (নবীর পরিবার) এবং তোমাদের সম্পূর্ণরূপে পাক পবিত্র করতে।
জহুরুল হক
আর তোমাদের বাড়িতে তোমরা অবস্থান করবে, আর পূর্ববর্তী অজ্ঞানতার যুগের প্রদর্শনীর ন্যায় প্রদর্শন করো না, আর কায়েম করো ও যাকাত আদায় করো, আর র ও তাঁর রসূলের আজ্ঞা পালন করো। নিঃসন্দেহে চান, হে গৃহবাসিনীগণ! তোমাদের পবিত্র করতে পবিত্রতার দ্বারা।
واذكرن ما يتلى في بيوتكن من آيات الله والحكمة ۚ إن الله كان لطيفا خبيرا
আবদুস শহীদ নাসিম
নিশ্চয়ই মুসলিম (আত্মসমর্পণকারী) পুরুষ ও মুসলিম নারী, পুরুষ ও নারী, অনুগত পুরুষ ও অনুগত নারী, সত্যবাদী পুরুষ ও সত্যবাদী নারী, ধৈর্যশীল পুরুষ ও ধৈর্যশীল নারী, বিনয়ী পুরুষ ও বিনয়ী নারী, দানশীল পুরুষ ও দানশীল নারী, সওম পালনকারী পুরুষ ও সওম পালনকারী নারী, যৌনাংগ হিফাযতকারী পুরুষ ও যৌনাংগ হিফাযতকারী নারী, বেশি বেশি আল্লাহর যিকিরকারী পুরুষ ও নারী, এদের জন্যে প্রস্তুত রেখেছেন মাগফিরাত আর শ্রেষ্ঠ প্রতিদান।
জহুরুল হক
নিশ্চয়ই মুসলিম পুরুষ ও মুসলিম নারী এবং পুরুষ ও নারী, এবং অনুগত পুরুষ ও অনুগত নারী, আর সত্যনিষ্ট পুরুষ ও সত্যনিষ্ট নারী, আর অধ্যবসায়ী পুরুষ ও অধ্যবসায়ী নারী, আর বিনয়ী পুরুষ ও বিনয়ী নারী আর দানশীল পুরুষ ও দানশীল নারী, আর রোযাদার পুরুষ ও রোযাদার নারী, আর নিজেদের আবরুরক্ষাকারী পুরুষ ও রক্ষাকারী নারী, আর কে বহুলভাবে স্মরণকারী পুরুষ ও স্মরণকারী নারী - - এদের জন্য ব্যবস্থা করেছেন পরিত্রাণ ও এক বিরাট প্রতিদান।
إن المسلمين والمسلمات والمؤمنين والمؤمنات والقانتين والقانتات والصادقين والصادقات والصابرين والصابرات والخاشعين والخاشعات والمتصدقين والمتصدقات والصائمين والصائمات والحافظين فروجهم والحافظات والذاكرين الله كثيرا والذاكرات أعد الله لهم مغفرة وأجرا عظيما
আবদুস শহীদ নাসিম
এবং তাঁর রসূল কোনো বিষয়ে ফায়সালা দেয়ার পর সে বিষয়ে কোনো পুরুষ বা নারীর ভিন্ন সিদ্ধান্ত নেয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। যে কেউ এবং তাঁর রসূলকে অমান্য করবে, সে হবে সুস্পষ্ট বিপথগামী।
জহুরুল হক
আর একজন মুমিনের পক্ষে উচিত নয় বা একজন নারীরও নয় যে যখন ও তাঁর রসূল কোনো বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তখন তাদের সে ব্যাপারে তাদের জন্য কোনো মতামত থাকে। আর যে কেউ কে ও তাঁর রসূলকে অমান্য করে সে তাহলে নিশ্চয়ই বিপথে গেছে স্পষ্ট বিপথ গমনে।
وما كان لمؤمن ولا مؤمنة إذا قضى الله ورسوله أمرا أن يكون لهم الخيرة من أمرهم ۗ ومن يعص الله ورسوله فقد ضل ضلالا مبينا
আবদুস শহীদ নাসিম
স্মরণ করো, যাকে (যায়েদকে) অনুগ্রহ করেছেন এবং তুমিও যার প্রতি অনুগ্রহ করেছো, তুমি তাকে বলছিলে: ‘তুমি তোমার স্ত্রীর সাথে সম্পর্ক বজায় রাখো এবং আল্লাহকে ভয় করো।’ তুমি তোমার মনে যে কথা গোপন রাখছো সে কথা প্রকাশ করে দিচ্ছেন। তুমি ভয় করছো, পাছে লোক কিছু বলে। অথচ তোমার জন্যে অধিকতর সংগত হলো আল্লাহকে ভয় করা। তারপর যায়েদ যখন তার (যয়নবের) সাথে বিবাহ সম্পর্ক ছিন্ন করলো, তখন আমি তাকে তোমার সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ করে দিলাম, যাতে করে মুমিনদের মুখডাকা পুত্ররা নিজেদের স্ত্রীর সাথে বিবাহ বন্ধন ছিন্ন করলে সেসব নারীদের বিয়ে করার ক্ষেত্রে মুমিনরা কোনো প্রকার সংকোচ না করে। আল্লাহর নির্দেশ অবশ্যি কার্যকর হতে হবে।
জহুরুল হক
আর স্মরণ করো! তুমি তাকে বলেছিলে যার প্রতি অনুগ্রহ করেছেন ও যার প্রতি তুমি অনুগ্রহ করেছ - - ''তোমার স্ত্রীকে তোমার কাছেই রাখো, আর কে ভয়ভক্তি করো, আর তুমি তোমার অন্তরে যা লুকিয়ে রেখেছিলে তা প্রকাশ করে দিচ্ছেন, আর তুমি মানুষকে ভয় করেছিলে, অথচ রই বেশী অধিকার যে তুমি তাঁকেই ভয় করবে।’’ কিন্তু যায়েদ যখন তার থেকে বিবাহবন্ধন সন্বন্ধে মীমাংসা করে ফেলল তখন আমরা তাকে তোমার সাথে বিবাহ দিলাম - - যাতে মুমিনদের উপরে কোন বাধা না থাকে তাদের পালকপুত্রদের স্ত্রীদের ব্যাপারে, যখন তারা তাদের থেকে বিবাহবন্ধন সন্বন্ধে মীমাংসা করে ফেলে। আর র নির্দেশ প্রতিপালিত হয়েই থাকে।
وإذ تقول للذي أنعم الله عليه وأنعمت عليه أمسك عليك زوجك واتق الله وتخفي في نفسك ما الله مبديه وتخشى الناس والله أحق أن تخشاه ۖ فلما قضى زيد منها وطرا زوجناكها لكي لا يكون على المؤمنين حرج في أزواج أدعيائهم إذا قضوا منهن وطرا ۚ وكان أمر الله مفعولا
আবদুস শহীদ নাসিম
নবীর জন্যে যা ফরয (আইন সংগত) করে দিয়েছেন তা বাস্তবায়ন করতে তার কোনো বাধা নেই। যেসব নবী অতীত হয়েছে, তাদের ক্ষেত্রেও এটাই ছিলো আল্লাহর সুন্নত (নিয়ম)। আর আল্লাহর নির্দেশ অবশ্যি একটি সুনিশ্চিত ফায়সালা।
জহুরুল হক
নবীর জন্য কোনো বাধা নেই তাতে যা তাঁর জন্য বিধিবদ্ধ করেছেন। র নিয়মনীতি তাদের ক্ষেত্রে যারা এর আগে গত হয়ে গেছে। আর র বিধান হচ্ছে সুনির্দিষ্টভাবে নির্ধারিত, - -
তিনি তোমাদের প্রতি (রহমত ও অনুগ্রহ) করেন আর তাঁর ফেরেশতারাও তোমাদের জন্যে তাঁর রহমত প্রার্থনা করে তোমাদেরকে অন্ধকাররাশি থেকে বের করে আলোতে নিয়ে আসার জন্যে। তিনি মুমিনদের প্রতি অতীব দয়াবান।
জহুরুল হক
তিনিই সেইজন যিনি তোমাদে প্রতি আশীর্বাদ করেছেন আর তাঁর ফিরিশ্তাগণও, যেন তিনি তোমাদের বের করে আনেন অন্ধকার থেকে আলোকের দিকে। আর তিনি মুমিনদের প্রতি অফুরন্ত ফলদাতা।
তুমি এবং মুনাফিকদের আনুগত্য করোনা, তাদের দেয়া কষ্ট উপেক্ষা করো, আর তাওয়াক্কুল করো আল্লাহর উপর। আর উকিল হিসেবে আল্লাহ্ই কাফী।
জহুরুল হক
আর তুমি অবিশ্বাসীদের ও মুনাফিকদের আজ্ঞাপালন করো না, আর ওদের বিরক্তিকর ব্যবহার উপেক্ষা করো এবং আল্লাহর উপরে তুমি নির্ভর করো। আর আল্লাহই কর্ণধাররূপে যথেষ্ট।
ولا تطع الكافرين والمنافقين ودع أذاهم وتوكل على الله ۚ وكفى بالله وكيلا
আবদুস শহীদ নাসিম
হে লোকেরা! তোমরা নারীদের বিয়ে করার পর, তাদের স্পর্শ করার আগেই যদি তালাক দাও, সেক্ষেত্রে তোমাদের জন্যে তাদের কোনো ইদ্দত পালন করতে হবেনা, যা তোমরা গণনা করবে। এ অবস্থায় তোমরা তাদেরকে কিছু অর্থ সামগ্রী দেবে এবং সুন্দরভাবে তাদের বিদায় করবে।
জহুরুল হক
ওহে যারা ঈমান এনেছ! তোমরা যখন নারীদের বিবাহ করো এবং তাদের স্পর্শ করার আগেই যদি তাদের তোমরা তালাক দিয়ে দাও, তাহলে তোমাদের জন্য তাদের উপরে ইদ্দতের কোনো - কিছু নির্ধারণ করবার থাকবে না, কিন্তু তাদের জন্য সংস্থান করো এবং তাদের বিদায় দিয়ো সৌজন্যময় বিদায়দানে।
يا أيها الذين آمنوا إذا نكحتم المؤمنات ثم طلقتموهن من قبل أن تمسوهن فما لكم عليهن من عدة تعتدونها ۖ فمتعوهن وسرحوهن سراحا جميلا
আবদুস শহীদ নাসিম
হে নবী! আমরা তোমার জন্যে হালাল করেছি তোমার স্ত্রীদের, যাদের তুমি মোহরানা দিয়ে বিয়ে করেছো এবং হালাল করেছি ফায় হিসেবে তোমাকে যা দিয়েছেন তা থেকে যারা তোমার মালিকানাধীন হয়েছে তাদেরকে। (এছাড়া তোমার জন্যে বিয়ে করা হালাল করেছি) তোমার চাচার কন্যাদের, তোমার ফুফুর কন্যাদের, তোমার মামার কন্যাদের, তোমার খালার কন্যাদের - যারা তোমার সাথে হিজরত করেছে। আর যে নারী নিজেকে বিয়ে করার জন্যে নবীর কাছে নিবেদন (offer) করে এবং নবী তাকে বিয়ে করতে চাইলে (তাকে বিয়ে করাও হালাল করেছি)। এ বৈধতা বিশেষভাবে তোমার জন্যে, অন্য মুমিনদের জন্যে নয়, যাতে করে তোমার কোনো অসুবিধা না হয়। মুমিনদের স্ত্রী এবং তাদের মালিকানাধীন দাসীদের ব্যাপারে যে বিধান (আগেই) দিয়েছি২, তা আমি জানি। পরম ক্ষমাশীল, অতীব দয়াবান।
জহুরুল হক
হে প্রিয় নবী! আমরা তোমার জন্য তোমার স্ত্রীদের বৈধ করেছি যাদের তুমি তাদের দেনমোহর আদায় করেছ, আর যাদের তোমার ডান হাত ধরে রেখেছে, তাদের মধ্য থেকে যাদের তোমাকে যুদ্ধের দানরূপে দিয়েছেন, আর তোমার চাচার মেয়েদের ও তোমার ফুফুর মেয়েদের এবং তোমার মামার মেয়েদের ও তোমার মাসীর মেয়েদের - - যারা তোমার সঙ্গে হিজরত করেছে, আর কোনো নারী যদি সে নবীর কাছে নিজেকে সমর্পণ করে, যদি নবীও তাকে বিবাহ করতে চান - - এটি বিশেষ করে তোমার জন্য, মুমিনগণকে বাদ দিয়ে। আমরা অবশ্যই জানি তাদের জন্য আমরা কী বিধান দিয়েছি তাদের স্ত্রীদের সন্বন্ধে আর তাদের ডান হাত যাদের ধরে রেখেছে তাদের সন্বন্ধে, যেন তোমার উপরে বাধা না থাকে। আর হচ্ছেন পরিত্রাণকারী, অফুরন্ত ফলদাতা।
يا أيها النبي إنا أحللنا لك أزواجك اللاتي آتيت أجورهن وما ملكت يمينك مما أفاء الله عليك وبنات عمك وبنات عماتك وبنات خالك وبنات خالاتك اللاتي هاجرن معك وامرأة مؤمنة إن وهبت نفسها للنبي إن أراد النبي أن يستنكحها خالصة لك من دون المؤمنين ۗ قد علمنا ما فرضنا عليهم في أزواجهم وما ملكت أيمانهم لكيلا يكون عليك حرج ۗ وكان الله غفورا رحيما
আবদুস শহীদ নাসিম
তুমি তাদের (নিজ স্ত্রীদের) যাকে ইচ্ছা (নিয়ম মাফিক) দূরে রাখতে পারো এবং যাকে ইচ্ছা কাছে রাখতে পারো। আর তুমি যাকে দূরে রেখেছো তাকে কামনা করলে তোমার কোনো অপরাধ হবেনা। এটাই সহজতর, যাতে তোমার স্ত্রীদের চক্ষু শীতল হয়, তারা দুঃখ না পায় এবং তুমি যা দেবে তাতে তাদের প্রত্যেকেই সন্তুষ্ট থাকে। জানেন তোমাদের অন্তরে কী আছে? সর্বজ্ঞানী, সহনশীল।
জহুরুল হক
তাদের মধ্য থেকে যাকে তুমি চাও মুলতুবী রাখতে পার এবং যাকে তুমি চাও তোমার কাছে গ্রহণ করতে পার, আর যাদের তুমি দূরে রেখেছিলে তাদের মধ্যের যাকে তুমি কামনা কর, তাতে তোমার কোনো দোষ হবে না। এটিই বেশী ভাল যেন তাদের চোখ হর্ষোৎফুল্ল হতে পারে ও তারা দুঃখ না করে, আর তারা সন্তষ্ট থাকে তুমি যা তাদের দিচ্ছ তাতে - - তাদের সব - ক’জনকে। আর জানেন যা তোমাদের অন্তরে রয়েছে। আর হচ্ছেন সর্বজ্ঞাতা, অতি অমায়িক।
۞ ترجي من تشاء منهن وتؤوي إليك من تشاء ۖ ومن ابتغيت ممن عزلت فلا جناح عليك ۚ ذلك أدنى أن تقر أعينهن ولا يحزن ويرضين بما آتيتهن كلهن ۚ والله يعلم ما في قلوبكم ۚ وكان الله عليما حليما
আবদুস শহীদ নাসিম
এর পর তোমার জন্যে আর কোনো নারীকে বিয়ে করা বৈধ নয় এবং তোমার স্ত্রীদের পরিবর্তন করে অন্য স্ত্রী গ্রহণ করাও বৈধ নয়, যদিও তাদের সৌন্দর্য তোমাকে মুগ্ধ করে। তবে তোমার অধিকারভুক্ত দাসীদের ব্যাপারে এই বিধান প্রযোজ্য নয়। প্রতিটি বিষয়ে সূক্ষ্মভাবে দৃষ্টিদাতা।
জহুরুল হক
এরপরে নারীরা তোমার জন্য বৈধ নয়, আর তাও নয় যে তাদের স্থলে অন্য স্ত্রীদের তুমি বদলে নিতে পারবে, যদিও বা তাদের সৌন্দর্য তোমাকে তাজ্জব বানিয়ে দেয় - - তোমার ডান হাতে যাদের ধরে রেখেছে তাদের ব্যতীত। আর হচ্ছেন সব - কিছুর উপরে তীক্ষদৃষ্টিধারী।
لا يحل لك النساء من بعد ولا أن تبدل بهن من أزواج ولو أعجبك حسنهن إلا ما ملكت يمينك ۗ وكان الله على كل شيء رقيبا
আবদুস শহীদ নাসিম
হে লোকেরা! তোমাদের অনুমতি না দেয়া পর্যন্ত খাবার প্রস্তুতির জন্যে অপেক্ষা না করে খাবার গ্রহণের জন্যে নবীর ঘরে প্রবেশ করোনা। তবে যখন ডাকা হয় তখন প্রবেশ করো। আর যখনই খাবার গ্রহণ শেষ হয়, তখন চলে যেয়ো কথাবার্তায় মশগুল না হয়ে। কারণ তোমাদের এ ধরণের আচরণ নবীকে কষ্ট দেয় এবং তোমাদের উঠিয়ে দিতে সে সংকোচ বোধ করে। তবে সত্য বলতে সংকোচ বোধ করেন না। তোমরা নবী পত্নীদের কাছে কিছু চাইলে হিজাবের অন্তরাল থেকে চাইবে। এ পন্থাই তোমাদের এবং তাদের অন্তরের জন্যে অধিকতর পবিত্র। তোমাদের কারো জন্যে সংগত নয় আল্লাহর রসূলকে কষ্ট দেয়া এবং তাঁর মৃত্যুর পর কখনো তাঁর স্ত্রীদের বিয়ে করা। আল্লাহর দৃষ্টিতে তোমাদের এসব কাজে জড়ানো গুরুতর অপরাধ।
জহুরুল হক
ওহে যারা ঈমান এনেছ! তোমরা নবীর ঘরগুলোয় প্রবেশ করো না তোমাদের খানাপিনার জন্য অনুমতি না দেওয়া হলে - - রান্নাবান্না শেষ হবার অপেক্ষা না করে, বরং যখন তোমাদের ডাকা হয় তখন তোমরা প্রবেশ করো, তারপর যখন তোমরা খেয়ে নিয়েছ তখন চলে যেও, এবং গড়িমসি করো না বাক্যালাপের জন্য। নিঃসন্দেহ এইসব নবীকে কষ্ট দিয়ে থাকে, অথচ তিনি সংকোচ বোধ করেন তোমাদের জন্য, কিন্তু সত্য সন্বন্ধে সংকোচ করেন না। আর যখন তোমরা তাদের কাছে কোনো - কিছু চাও তখন পর্দার আড়াল থেকে তাদের কাছে চাইবে। এটিই অধিকতর পবিত্র তোমাদের হৃদয়ের জন্য এবং তাদের হৃদয়ের জন্যেও। এটি তোমাদের জন্য নয় যে তোমার নবীকে উত্ত্যক্ত করবে, আর এটিও নয় যে তার পরে তোমরা কখনো তাঁর পত্নীদের বিবাহ করবে। নিঃসন্দেহে এটি র কাছে গুরুতর ব্যাপার!
يا أيها الذين آمنوا لا تدخلوا بيوت النبي إلا أن يؤذن لكم إلى طعام غير ناظرين إناه ولكن إذا دعيتم فادخلوا فإذا طعمتم فانتشروا ولا مستأنسين لحديث ۚ إن ذلكم كان يؤذي النبي فيستحيي منكم ۖ والله لا يستحيي من الحق ۚ وإذا سألتموهن متاعا فاسألوهن من وراء حجاب ۚ ذلكم أطهر لقلوبكم وقلوبهن ۚ وما كان لكم أن تؤذوا رسول الله ولا أن تنكحوا أزواجه من بعده أبدا ۚ إن ذلكم كان عند الله عظيما
আবদুস শহীদ নাসিম
তোমরা কোনো কিছু প্রকাশ করো কিংবা গোপন করো, জেনে রাখো, সব বিষয়ে জ্ঞানী।
জহুরুল হক
তোমরা যদি কোনো - কিছু প্রকাশ কর অথবা তা গোপনই রাখ, কিন্তু নিশ্চয়ই সব - কিছু সন্বন্ধে সর্বজ্ঞাতা।
তবে তাদের (নবীর স্ত্রীদের) জন্যে দোষ হবেনা (হিজাব না করলে) তাদের পিতা, কিংবা সন্তান, কিংবা ভাই, অথবা ভাইয়ের ছেলে, নতুবা বোনের ছেলে, তাদের সেবিকা এবং অধিকারভুক্ত দাসদাসীদের সামনে। তোমরা আল্লাহকে ভয় করো। প্রতিটি বিষয়ে প্রত্যক্ষদর্শী।
জহুরুল হক
তাদের জন্য কোনো অপরাধ নেই তাদের পিতাদের ক্ষেত্রে, আর তাদের পুত্রদের বেলায়ও নয়, আর তাদের ভাইদের ক্ষেত্রেও নয়, আর ভাইদের পুত্রদেরও নয়, আর তাদের বোনদের পুত্রদের সঙ্গেও নয়, আর তাদের মেয়েলোকদের ক্ষেত্রেও নয়, আর তাদের ডান হাত যাদের ধরে রেখেছ তাদেরও নয়, আর কে ভয়ভক্তি করো। নিশ্চয় সব - কিছুর উপরেই প্রত্যক্ষদর্শী।
لا جناح عليهن في آبائهن ولا أبنائهن ولا إخوانهن ولا أبناء إخوانهن ولا أبناء أخواتهن ولا نسائهن ولا ما ملكت أيمانهن ۗ واتقين الله ۚ إن الله كان على كل شيء شهيدا
আবদুস শহীদ নাসিম
নিশ্চয়ই তাঁর নবীর প্রতি (অনুগ্রহ, অনুকম্পা, মর্যাদাদান) করেন এবং তাঁর ফেরেশতারা নবীর জন্যে (অনুগ্রহ) প্রার্থনা করে। হে লোকেরা! তোমরাও নবীর জন্যে (অনুগ্রহ ও মর্যাদা) প্রার্থনা করো এবং তাঁকে যথার্থভাবে সালাম জানাও।
জহুরুল হক
নিঃসন্দেহ ও তাঁর ফিরিশ্তাগণ নবীর উপরে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন। ওহে যারা ঈমান এনেছ! তোমরাও তাঁর প্রতি শুভেচ্ছা নিবেদন করো এবং সালাম জানাও সশ্রদ্ধভাবে।
والذين يؤذون المؤمنين والمؤمنات بغير ما اكتسبوا فقد احتملوا بهتانا وإثما مبينا
আবদুস শহীদ নাসিম
হে নবী! তোমার স্ত্রী, কন্যা এবং মুমিনদের নারীদের বলো, তারা যেনো তাদের চাদরের অংশ তাদের উপর টেনে দেয়। এতে করে তাদের পরিচয় জানতে সহজতর হবে এবং তাদের উত্যক্ত করা হবেনা। অতীব ক্ষমাশীল, পরম দয়াবান।
জহুরুল হক
হে প্রিয় নবী! তোমার স্ত্রীগণকে ও কন্যাদের ও - লোকের স্ত্রীলোকদের বলো যে তারা যেন তাদের বহির্বাস থেকে তাদের উপরে টেনে রাখে। এটিই বেশী ভাল হয় যেন তাদের চেনা যায়, তাহলে তাদের উত্ত্যক্ত করা হবে না। আর পরিত্রাণকারী, অফুরন্ত ফলদাতা।
يا أيها النبي قل لأزواجك وبناتك ونساء المؤمنين يدنين عليهن من جلابيبهن ۚ ذلك أدنى أن يعرفن فلا يؤذين ۗ وكان الله غفورا رحيما
আবদুস শহীদ নাসিম
মুনাফিকরা, যাদের অন্তরে রোগ আছে তারা, আর যারা শহরে গুজব রটায় তারা নিজেদের অপতৎপরতা থেকে বিরত না হলে তাদের বিরুদ্ধে আমরা তোমাকে প্রবল করে তুলবো, তারপর এই নগরীতে তারা তোমার প্রতিবেশি হিসেবে খুব কম সময়ই থাকতে পারবে।
জহুরুল হক
যদি মুনাফিকরা ও যাদের অন্তরে ব্যাধি রয়েছে তারা, আর শহরে গুজব রটনাকারীরা না থামে তাহলে আমরা নিশ্চয়ই তোমাকে তাদের উপরে ক্ষমতা দেব, তখন তারা সেখানে তোমার প্রতিবেশী হয়ে থাকবে না অল্পকাল ছাড়া - -
سنة الله في الذين خلوا من قبل ۖ ولن تجد لسنة الله تبديلا
আবদুস শহীদ নাসিম
লোকেরা তোমাকে কিয়ামত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে। তুমি বলো: ‘সেটার জ্ঞান আল্লাহর কাছেই রয়েছে।’ সেটা তুমি জানবে কী করে? হয়তো বা কিয়ামত খুব শীঘ্রি অনুষ্ঠিত হবে।
জহুরুল হক
লোকে তোমাকে ঘড়িঘন্টা সন্বন্ধে জিজ্ঞাসা করছে। তুমি বলো - - ''তার জ্ঞান তো কেবল রই কাছে।’’ আর কেমন করে তোমাকে বোঝানো যাবে - - হতে পারে সেই ঘড়িঘন্টা নিকটবর্তী হয়ে গেছে?
হে লোকেরা! তোমরা ঐসব লোকদের মতো হয়োনা, যারা মূসাকে কষ্ট দিয়েছিল। তারা যা রটিয়েছিল, তা থেকে তাকে নির্দোষ প্রমাণিত করেন এবং সে ছিলো আল্লাহর কাছে মর্যাদাবান।
জহুরুল হক
ওহে যারা ঈমান এনেছ! তাদের মতো হয়ো না যারা মূসার নিন্দা করেছিল, কিন্তু তাঁকে নির্দোষ ঠাওরে ছিলেন তারা যা বলেছিল তা থেকে। আর তিনি র সমক্ষে সম্মানিত ছিলেন।
(তাহলে) তিনি তোমাদের জন্যে ইসলাহ করে দেবেন তোমাদের আমল এবং ক্ষমা করে দেবেন তোমাদের অপরাধ। যে কেউ এবং তাঁর রসূলের আনুগত্য করবে, অবশ্যি সে সাফল্য অর্জন করবে মহাসাফল্য।
জহুরুল হক
তিনি তোমাদের জন্য তোমাদের ক্রিয়াকর্ম সুসম্পাদিত করতে পারেন আর তোমাদের দোষত্রুটি তোমাদের জন্য ক্ষমা করতে পারেন। আর যে কেউ কে ও তাঁর রসূলকে মেনে চলে সে তাহলে অবশ্যই অর্জন করেছে বিরাট মুনাফা।
يصلح لكم أعمالكم ويغفر لكم ذنوبكم ۗ ومن يطع الله ورسوله فقد فاز فوزا عظيما
আবদুস শহীদ নাসিম
আমরা মহাকাশ, পৃথিবী এবং পাহাড় - পর্বতের কাছে এই আমানত পেশ করেছিলাম, কিন্তু তারা তা বহন করতে অপারগতা প্রকাশ করে এবং শংকিত হয়ে পড়ে। কিন্তু মানুষ তা বহন করলো। সে তো ভীষণ যালিম, অতিরিক্ত অজ্ঞ।
জহুরুল হক
নিঃসন্দেহ আমরা আমানত অর্পণ করেছিলাম মহাকাশমন্ডলী ও পৃথিবী ও পর্বতমালার উপরে, কাজেই তারা এটি অমান্য করতে অস্বীকার করেছিল এবং এতে ভয় করছিল, কিন্তু মানুষ এটিকে অস্বীকার করছে। নিঃসন্দেহে সে হচ্ছে অত্যন্ত অন্যায়াচারী, বড়ই অজ্ঞ, - -
إنا عرضنا الأمانة على السماوات والأرض والجبال فأبين أن يحملنها وأشفقن منها وحملها الإنسان ۖ إنه كان ظلوما جهولا
আবদুস শহীদ নাসিম
পরিণামে আযাব দেবেন মুনাফিক পুরুষ আর মুনাফিক নারীদের এবং মুশরিক পুরুষ আর মুশরিক নারীদের। আর তওবা কবুল করবেন পুরুষ আর নারীদের এবং তো পরম ক্ষমাশীল অতীব দয়াবান আছেনই।
জহুরুল হক
সেজন্য শান্তি দেবেন মুনাফিক পুরুষ ও মুনাফিক নারীদের, এবং বহুখোদাবাদী পুরুষ ও বহুখোদাবাদী নারীদের আর ফিরবেন পুরুষ ও নারীদের প্রতি। আর হচ্ছেন পরিত্রাণকারী, অফুরন্ত ফলদাতা।