Kitab

আল বুরূজ (বিশাল বিশাল নক্ষত্র)

Chapter 85, 22 verses

  • আবদুস শহীদ নাসিম
  • জহুরুল হক
  • ইসলামিক ফাউন্ডেশন
About this chapter


মক্কায় অবতীর্ণ, আয়াত সংখ্যা : ২২, রুকু সংখ্যা: ০১

এই সূরার আলোচ্যসূচি

আয়াতআলোচ্য বিষয় ০১-১১মুমিনদের নির্যাতনের জন্যে যারা গর্ত খুঁড়েছিল তাদের জন্যে রয়েছে ধ্বংস। মুমিনদের জন্যে রয়েছে মহাসাফল্য। ১২-২২আললাহ্র পাকড়াও বড় কঠোর, তিনি মহান আরশের মালিক। ফেরাউন ও সামুদ জাতিকে তিনি ধ্বংস করে দিয়েছিলেন। কাফিররা কুরআনকে প্রত্যাখ্যান করছে অথচ আল্লাহ্ তাদের পরিবেষ্টন করে রেখেছেন।
আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ বুরূজ (বিশাল বিশাল গ্রহ - নক্ষত্র) ওয়ালা আকাশের।

জহুরুল হক

ভাবো নক্ষত্রপুঞ্জবিশিষ্ট আকাশের কথা,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

শপথ বুরূজবিশিষ্ট আকাশের,

আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ ওয়াদাকৃত দিনটির।

জহুরুল হক

আর সেই অঙ্গীকার করা দিনের কথা,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং প্রতিশ্রুতি দিবসের,

আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ দ্রষ্টা এবং দৃশ্যের।

জহুরুল হক

আর সাক্ষ্যদাতার ও যাদের জন্য সাক্ষ্য দেওয়া হবে তাদের কথা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

শপথ দ্রষ্টা ও দৃষ্টের

আবদুস শহীদ নাসিম

ধ্বংস হয়েছে সেই গর্তওয়ালা লোকেরা, (যারা গর্ত খনন করেছিল এবং সে গর্তে)

জহুরুল হক

খন্দকগুলোর মালিকদের নিপাত করা হয়েছে, -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ধ্বংস হইয়াছিল কুণ্ডের অধিপতিরা

আবদুস শহীদ নাসিম

জ্বালানি পূর্ণ করে জ্বালিয়ে দিয়েছিল আগুন।

জহুরুল হক

জ্বালানি দেওয়া অগ্নিকুন্ড;

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইন্ধনপূর্ণ যে কুণ্ডে ছিল অগ্নি,

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন গর্তের কিনারেই বসেছিল তারা।

জহুরুল হক

দেখো! তারা এর কিনারা বসে থাকত,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যখন উহারা ইহার পাশে উপবিষ্ট ছিল;

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং তারা মুমিনদের সাথে যা করছিল তা অবলোকন করছিল।

জহুরুল হক

আর তারা মুমিনদের সঙ্গে যা করত তার জন্য তারাই সাক্ষী ছিল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং উহারা মু’মিনদের সঙ্গে যাহা করিতেছিল তাহা প্রত্যক্ষ করিতেছিল।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা তাদের (মুমিনদের) থেকে প্রতিশোধ নিয়েছিল শুধুমাত্র এই অপরাধে যে, তারা অসীম ক্ষমতাবান সপ্রশংসিত আল্লাহর প্রতি ঈমান এনেছিল,

জহুরুল হক

আর তারা এদের প্রতি বিরূপ ছিল না এই ব্যতীত যে এরা বিশ্বাস করত মহাশক্তিশালী পরমপ্রশংসিত তে -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা তাহাদেরকে নির্যাতন করিয়াছিল শুধু এই কারণে যে, তাহারা বিশ্বাস করিত পরাক্রমশালী ও প্রশংসার্হ আল্লাহে -

আবদুস শহীদ নাসিম

যিনি মহাকাশ এবং এই পৃথিবীর কর্তৃত্বের মালিক। আর সব কিছুর সাক্ষী।

জহুরুল হক

যাঁর অধিকারে মহাকাশমন্ডল ও পৃথিবীর সার্বভৌম কর্তৃত্ব রয়েছে। আর সব - কিছুর উপরে সাক্ষী রয়েছেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর সর্বময় কর্তৃত্ব যাঁহার ; আর সর্ববিষয়ে দ্রষ্টা।

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা পুরুষ ও নারীদের উপর যুলুম নির্যাতন চালিয়েছে, তারপর অনুতপ্ত হয়ে সেকাজ থেকে ফিরে আসেনি (আল্লাহর দিকে), তাদের জন্যে রয়েছে জাহান্নামের আযাব, আর জ্বালিয়ে - পুড়িয়ে যন্ত্রণা দেয়ার শাস্তি।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহে যারা পুরুষ ওমুমিন নারীদের নির্যাতন করে এবং তারপরে ফেরে না, তাদের জন্য তবে রয়েছে জাহান্নামের শাস্তি, আর তাদের জন্য আছে দহন যন্ত্রণা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা নরনারীকে বিপদাপন্ন করিয়াছে এবং পরে তওবা করে নাই তাহাদের জন্য তো আছে জাহান্নামের শাস্তি, আছে দহন যন্ত্রণা।

আবদুস শহীদ নাসিম

নিশ্চয়ই যারা ঈমান এনেছে এবং আমলে সালেহ্ করেছে, তাদের জন্যে রয়েছে জান্নাত, সেসব বাগিচার নিচে দিয়ে বহমান থাকবে নদ - নদী - নহর। এটাই (মানব জীবনের) মহাসাফল্য।

জহুরুল হক

পক্ষান্তরে যারা ঈমান এনেছে ও সৎকর্ম করছে তাদের জন্য রয়েছে বাগানসমূহ যাদের নিচে দিয়ে বয়ে চলেছে ঝরনারাজি। এটিইতো বিরাট সাফল্য।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অবশ্যই যাহারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে তাহাদের জন্য আছে জান্নাত, যাহার পাদদেশে নদী প্রবাহিত, ইহাই মহাসাফল্য।

আবদুস শহীদ নাসিম

নিশ্চয়ই তোমার প্রভুর গ্রেফতারি বড়ই শক্ত এবং কঠিন।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহে তোমার প্রভুর পাকড়ানো বড়ই কঠোর।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমার প্রতিপালকের মার বড়ই কঠিন।

আবদুস শহীদ নাসিম

নিশ্চয়ই তিনি সেই মহান সত্তা, যিনি সৃষ্টি করেন এবং পুনরায় (সৃষ্টি) করবেন।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহে তিনি, তিনিই সৃষ্টি শুরু করেন এবং পুনঃসৃষ্টি করেন;

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তিনিই অস্তিত্ব দান করেন ও পুনরাবর্তন ঘটান,

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং তিনি পরম ক্ষমাশীল এবং প্রেম - ভালোবাসা ও মমতার সাগর,

জহুরুল হক

আর তিনিই পরিত্রাণকারী, প্রেমময়,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং তিনি ক্ষমাশীল, প্রেমময়,

আবদুস শহীদ নাসিম

মহিমান্বিত আরশের অধিপতি।

জহুরুল হক

সম্মানিত আরশের অধিকারী,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর্‌শের অধিকারী ও সম্মানিত।

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনি (যখন) যা চান তাই করেন।

জহুরুল হক

তিনি যা চাহেন তার একক কর্মকর্তা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তিনি যাহা ইচ্ছা তাহাই করেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমার কাছে কি খবর পৌঁছেছে সৈন্যবাহিনীর,

জহুরুল হক

তোমার কাছে কি সৈন্যবাহিনীর সংবাদ পৌঁছেছে -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমার নিকট কি পৌঁছিয়াছে সৈন্যবাহিনীর বৃত্তান্ত -

আবদুস শহীদ নাসিম

ফেরাউন এবং সামুদের?

জহুরুল হক

ফিরআউনের ও ছামূদের?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ফির‘আওন ও সামূদের?

আবদুস শহীদ নাসিম

কিন্তু যারা কুফরির পথ ধরেছে, তারা অস্বীকার করেই চলেছে,

জহুরুল হক

বস্তুত যারা অবিশ্বাস করেছে তারা মিথ্যারোপ করায় রত;

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তবু কাফিররা মিথ্যা আরোপ করায় রত;

আবদুস শহীদ নাসিম

আর পেছন থেকে (তাদের অজ্ঞাতেই) ঘেরাও করে রেখেছেন তাদের।

জহুরুল হক

কিন্তু তাদের পেছন থেকে ঘেরাও করে রয়েছেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং ‌ উহাদের অলক্ষ্যে উহাদেরকে পরিবেষ্টন করিয়া রহিয়াছেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

(তোমাদের অস্বীকার করায় কিছুই যায় আসেনা) কারণ, এ এক মহিমা মন্ডিত কুরআন,

জহুরুল হক

বস্তুত এ হচ্ছে সম্মানিত কুরআন -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বস্তুত ইহা সম্মানিত কুরআন,

আবদুস শহীদ নাসিম

লওহে মাহফুযে (সুরক্ষিত ফলকে সংরক্ষিত)।

জহুরুল হক

সুরক্ষিত ফলকে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সংরক্ষিত ফলকে লিপিবদ্ধ।

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme