এরা একে অপরকে জিজ্ঞাসা করছে কী বিষয়ে?
কি সন্বন্ধে তারা পরস্পরকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে?
তারা পরস্পরে কি বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে?
بسم الله الرحمن الرحيم عم يتساءلون
عَمَّ يَتَسَآءَلُونَ
Chapter 78, 40 verses
এরা একে অপরকে জিজ্ঞাসা করছে কী বিষয়ে?
কি সন্বন্ধে তারা পরস্পরকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে?
তারা পরস্পরে কি বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে?
بسم الله الرحمن الرحيم عم يتساءلون
عَمَّ يَتَسَآءَلُونَ
সেই মহাসংবাদ সম্পর্কে নাকি?
সেই মহাসংবাদ সন্বন্ধে - -
মহা সংবাদ সম্পর্কে,
عن النبإ العظيم
عَنِ ٱلنَّبَإِ ٱلْعَظِيمِ
যে বিষয়ে তারা লিপ্ত রয়েছে ইখতিলাফে?
যে বিষয়ে তারা মতানৈক্যের মধ্যে রয়েছে।
যে সম্পর্কে তারা মতানৈক্য করে।
الذي هم فيه مختلفون
ٱلَّذِى هُمْ فِيهِ مُخْتَلِفُونَ
কিছুতেই (এটা ইখতিলাফের বিষয়) নয়, অচিরেই তারা জানতে পারবে (এর সত্যতা)।
না, তারা শীঘ্রই জানতে পারবে।
না, সত্ত্বরই তারা জানতে পারবে,
كلا سيعلمون
كَلَّا سَيَعْلَمُونَ
পুনরায় বলছি, কিছুতেই (এটা ইখতিলাফের বিষয়) নয়, অচিরেই তারা জানতে পারবে।
পুনশ্চ, না, তারা অতিশীঘ্রই জানতে পারবে।
অতঃপর না, সত্বর তারা জানতে পারবে।
ثم كلا سيعلمون
ثُمَّ كَلَّا سَيَعْلَمُونَ
আমরা কি পৃথিবীকে বানাইনি শয্যা?
আমরা কি পৃথিবীটাকে পাতানো - বিছানারূপে বানাই নি,
আমি কি করিনি ভূমিকে বিছানা
ألم نجعل الأرض مهادا
أَلَمْ نَجْعَلِ ٱلْأَرْضَ مِهَٰدًا
আর পাহাড়গুলোকে (গেড়ে দেইনি) পেরেকের মতো?
আর পাহাড় - পর্বতকে খুটিরূঁপে?
এবং পর্বতমালাকে পেরেক?
والجبال أوتادا
وَٱلْجِبَالَ أَوْتَادًا
এবং আমরা কি তোমাদের সৃষ্টি করিনি জোড়ায় জোড়ায়?
আর আমরা তোমাদের সৃষ্টি করেছি জোড়ায় - জোড়ায়;
আমি তোমাদেরকে জোড়া জোড়া সৃষ্টি করেছি,
وخلقناكم أزواجا
وَخَلَقْنَٰكُمْ أَزْوَٰجًا
আর তোমাদের নিদ্রাকে বানাইনি তোমাদের জন্যে বিশ্রাম?
আর তোমাদের ঘুমকে করেছি বিশ্রাম,
তোমাদের নিদ্রাকে করেছি ক্লান্তি দূরকারী,
وجعلنا نومكم سباتا
وَجَعَلْنَا نَوْمَكُمْ سُبَاتًا
এবং রাতকে কি বানাইনি (অন্ধকার দ্বারা পোশাকের মতো) আবরণ?
আর রাতকে করেছি পোশাকস্বরূপ;
রাত্রিকে করেছি আবরণ।
وجعلنا الليل لباسا
وَجَعَلْنَا ٱلَّيْلَ لِبَاسًا
আর দিনকে কি বানাইনি তোমাদের জীবন - সামগ্রী উপার্জনের সময়?
আর দিনকে করেছি জীবিকার সংস্থান।
দিনকে করেছি জীবিকা অর্জনের সময়,
وجعلنا النهار معاشا
وَجَعَلْنَا ٱلنَّهَارَ مَعَاشًا
এবং আমরা বানিয়েছি তোমাদের উপরে সাতটি মজবুত (আকাশ)।
আর তোমাদের উপরে আমরা বানিয়েছি সাত মজবুত জিনিস,
নির্মান করেছি তোমাদের মাথার উপর মজবুত সপ্ত - আকাশ।
وبنينا فوقكم سبعا شدادا
وَبَنَيْنَا فَوْقَكُمْ سَبْعًا شِدَادًا
আর স্থাপন করে দিয়েছি একটি উজ্জ্বল উত্তপ্ত বাতি (সূর্য)।
আর তৈরি করেছি একটি অত্যুজ্জ্বল প্রদীপ,
এবং একটি উজ্জ্বল প্রদীপ সৃষ্টি করেছি।
وجعلنا سراجا وهاجا
وَجَعَلْنَا سِرَاجًا وَهَّاجًا
আর বর্ষাধারী মেঘমালা থেকে বর্ষণ করেছি প্রচুর পানি।
আর ঝরন্ত - মেঘ থেকে আমরা বর্ষণ করি প্রচুর বৃষ্টি,
আমি জলধর মেঘমালা থেকে প্রচুর বৃষ্টিপাত করি,
وأنزلنا من المعصرات ماء ثجاجا
وَأَنزَلْنَا مِنَ ٱلْمُعْصِرَٰتِ مَآءً ثَجَّاجًا
তা দিয়ে উৎপন্ন করার জন্যে শস্য, শাক - সবজি,
যেন তার দ্বারা গজাতে পারি শস্য ও গাছপালা,
যাতে তদ্দ্বারা উৎপন্ন করি শস্য, উদ্ভিদ।
لنخرج به حبا ونباتا
لِّنُخْرِجَ بِهِۦ حَبًّا وَنَبَاتًا
আর নিবিড় উদ্যান।
আর ঘনসন্নিবিষ্ট বাগানসমূহ।
ও পাতাঘন উদ্যান।
وجنات ألفافا
وَجَنَّٰتٍ أَلْفَافًا
নিশ্চয়ই ফায়সালার দিনটি তো নির্দিষ্ট হয়েই আছে।
নিশ্চয় ফয়সালা করার দিনের এক নির্ধারিত সময়কাল আছে - -
নিশ্চয় বিচার দিবস নির্ধারিত রয়েছে।
إن يوم الفصل كان ميقاتا
إِنَّ يَوْمَ ٱلْفَصْلِ كَانَ مِيقَٰتًا
সেদিন যেইমাত্র শিংগায় ফুঁক দেয়া হবে, সাথে সাথে তোমরা এসে হাজির হবে দলে দলে।
সেইদিন শিঙ্গায় ফুৎকার দেওয়া হবে, তখন তোমরা আসবে দলে - দলে,
যেদিন শিংগায় ফুঁক দেয়া হবে, তখন তোমরা দলে দলে সমাগত হবে।
يوم ينفخ في الصور فتأتون أفواجا
يَوْمَ يُنفَخُ فِى ٱلصُّورِ فَتَأْتُونَ أَفْوَاجًا
আর উন্মুক্ত করে দেয়া হবে আকাশ এবং তাতে তৈরি হয়ে যাবে অসংখ্য দরজা।
আর আকাশকে বিদীর্ণ করা হবে, সুতরাং তা হবে বহু - দরজা - বিশিষ্ট।
আকাশ বিদীর্ণ হয়ে; তাতে বহু দরজা সৃষ্টি হবে।
وفتحت السماء فكانت أبوابا
وَفُتِحَتِ ٱلسَّمَآءُ فَكَانَتْ أَبْوَٰبًا
আর পর্বতসমূহকে স্থানচ্যুত করে চালিয়ে দেয়া হবে, ফলে সেগুলো পরিণত হবে মরীচিকায়।
আর পাহাড়গুলো ধসে পড়বে, ফলে তা হবে বালুময় - মরীচিকা।
এবং পর্বতমালা চালিত হয়ে মরীচিকা হয়ে যাবে।
وسيرت الجبال فكانت سرابا
وَسُيِّرَتِ ٱلْجِبَالُ فَكَانَتْ سَرَابًا
অবশ্যি জাহান্নাম অতর্কিত আক্রমণের এক গোপন স্থান।
নিঃসন্দেহ জাহান্নাম - - তা প্রতীক্ষায় রয়েছে - -
নিশ্চয় জাহান্নাম প্রতীক্ষায় থাকবে,
إن جهنم كانت مرصادا
إِنَّ جَهَنَّمَ كَانَتْ مِرْصَادًا
আল্লাহদ্রোহী সীমালংঘনকারীদের বাসস্থান।
সীমালংঘনকারীদের জন্য প্রত্যাবর্তনস্থল; - -
সীমালংঘনকারীদের আশ্রয়স্থলরূপে।
للطاغين مآبا
لِّلطَّٰغِينَ مَـَٔابًا
যুগ যুগ ধরে (অনন্তকাল) তারা অবস্থান করবে সেখানে।
সেখানে তারা অবস্থান করবে যুগ যুগ ধরে।
তারা তথায় শতাব্দীর পর শতাব্দী অবস্থান করবে।
لابثين فيها أحقابا
لَّٰبِثِينَ فِيهَآ أَحْقَابًا
সেখানে তারা না ঠান্ডা, আর না পানযোগ্য কিছু আস্বাদন করবে।
তারা সেখানে স্বাদ গ্রহণ করবে না শীতলতার, না কোনো পানীয়ের - -
তথায় তারা কোন শীতল এবং পানীয় আস্বাদন করবে না;
لا يذوقون فيها بردا ولا شرابا
لَّا يَذُوقُونَ فِيهَا بَرْدًا وَلَا شَرَابًا
তবে পান করবে শুধু ফুটন্ত পানি আর ক্ষত থেকে নির্গত পুঁজ।
শুধু ফুটন্ত জল ও হিমশীতল পানীয় ব্যতীত, - -
কিন্তু ফুটন্ত পানি ও পূঁজ পাবে।
إلا حميما وغساقا
إِلَّا حَمِيمًا وَغَسَّاقًا
(এ হবে তাদের কৃতকর্মের) উপযুক্ত প্রতিফল।
এক যথাযথ প্রতিদান।
পরিপূর্ণ প্রতিফল হিসেবে।
جزاء وفاقا
جَزَآءً وِفَاقًا
কারণ, হিসাব দিতে হবে - এ দৃষ্টিভংগি তারা পোষণ করতো না।
নিঃসন্দেহ তারা হিসাবের কথা ভাবে নি,
নিশ্চয় তারা হিসাব - নিকাশ আশা করত না।
إنهم كانوا لا يرجون حسابا
إِنَّهُمْ كَانُوا۟ لَا يَرْجُونَ حِسَابًا
আর তারা মিথ্যা বলে পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করেছিল আমাদের আয়াত সমূহকে।
আর আমাদের বাণীসমূহ প্রত্যাখ্যান করেছিল জোর প্রত্যাখ্যানে।
এবং আমার আয়াতসমূহে পুরোপুরি মিথ্যারোপ করত।
وكذبوا بآياتنا كذابا
وَكَذَّبُوا۟ بِـَٔايَٰتِنَا كِذَّابًا
অথচ প্রতিটি জিনিসকেই আমরা লিখে রেখেছি গুণে গুণে।
আর সব - কিছুই - - আমরা তা লিখিতভাবে সংরক্ষণ করছি,
আমি সবকিছুই লিপিবদ্ধ করে সংরক্ষিত করেছি।
وكل شيء أحصيناه كتابا
وَكُلَّ شَىْءٍ أَحْصَيْنَٰهُ كِتَٰبًا
সুতরাং এখন আস্বাদন করো (তোমাদের আল্লাহদ্রোহী কৃতকর্মের প্রতিফল)। কেবলমাত্র শাস্তি ছাড়া তোমাদের জন্যে আমরা কোনো কিছুই বৃদ্ধি করবোনা। (হে ! আমাদেরকে জাহান্নাম থেকে রক্ষা করুন!)
সুতরাং স্বাদ গ্রহণ করো, আমরা তোমাদের বাড়িয়ে দেবো না শাস্তি ব্যতীত।
অতএব, তোমরা আস্বাদন কর, আমি কেবল তোমাদের শাস্তিই বৃদ্ধি করব।
فذوقوا فلن نزيدكم إلا عذابا
فَذُوقُوا۟ فَلَن نَّزِيدَكُمْ إِلَّا عَذَابًا
মুত্তাকিদের (যারা কঠিন হিসাবের ভয়ে আল্লাহর হুকুম অমান্য করা থেকে বিরত থেকেছিল, তাদের) জন্যে রয়েছে সাফল্য (জান্নাত)।
ধর্মভীরুদের জন্য নিশ্চয়ই রয়েছে মহাসাফল্য - -
পরহেযগারদের জন্যে রয়েছে সাফল্য।
إن للمتقين مفازا
إِنَّ لِلْمُتَّقِينَ مَفَازًا
এবং উদ্যানসমূহ আর আংগুরের বাগান।
ফলের বাগান ও আঙুর,
উদ্যান, আঙ্গুর,
حدائق وأعنابا
حَدَآئِقَ وَأَعْنَٰبًا
আর সমবয়সী পূর্ণ যৌবনা তরুণী দল।
আর সমবয়স্ক ফুটফুটে কিশোর,
সমবয়স্কা, পূর্ণযৌবনা তরুণী।
وكواعب أترابا
وَكَوَاعِبَ أَتْرَابًا
এবং (শরাব) ভর্তি পানপাত্র।
আর পরিপূর্ণ পানপাত্র।
এবং পূর্ণ পানপাত্র।
وكأسا دهاقا
وَكَأْسًا دِهَاقًا
সেখানে তারা শুনবেনা কোনো বাজে কিংবা মিথ্যা কথাবার্তা।
তারা সেখানে খেলো কথা শুনবে না, আর মিথ্যাকথাও নয়।
তারা তথায় অসার ও মিথ্যা বাক্য শুনবে না।
لا يسمعون فيها لغوا ولا كذابا
لَّا يَسْمَعُونَ فِيهَا لَغْوًا وَلَا كِذَّٰبًا
(এসবই দেয়া হবে) তোমার সেই মহান প্রভুর পক্ষ থেকে পুরস্কার আর হিসাব পরিমাণ দান হিসেবে,
তোমার প্রভুর কাছ থেকে প্রতিফল, - - হিসাবমতো পুরস্কার, - -
এটা আপনার পালনকর্তার তরফ থেকে যথোচিত দান,
جزاء من ربك عطاء حسابا
جَزَآءً مِّن رَّبِّكَ عَطَآءً حِسَابًا
যিনি মহাবিশ্ব, এই পৃথিবী এবং এগুলোর মধ্যবর্তী সমস্ত কিছুর মালিক। পরম দয়াবান তিনি। তাঁর সম্মুখে কথা বলার শক্তি - সাহস কারোই থাকবেনা।
মহাকাশমন্ডল ও পৃথিবীর এবং তাদের মধ্যে যা - কিছু আছে তার প্রভু, পরম করুণাময়, তাঁর কাছে বক্তব্য রাখার কোনো ক্ষমতা তারা রাখে না।
যিনি নভোমন্ডল, ভূমন্ডল ও এতদুভয়ের মধ্যবর্তী সবকিছুর পালনকর্তা, দয়াময়, কেউ তাঁর সাথে কথার অধিকারী হবে না।
رب السماوات والأرض وما بينهما الرحمن ۖ لا يملكون منه خطابا
رَّبِّ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ وَمَا بَيْنَهُمَا ٱلرَّحْمَٰنِ لَا يَمْلِكُونَ مِنْهُ خِطَابًا
সেদিন রূহ (জিবরিল) এবং ফেরেশতারা দাঁড়িয়ে থাকবে সফ (সারি) বদ্ধ হয়ে। তারা কোনো কথা বলবেনা (বলার সাহস করবেনা); তবে দয়াময় রহমান কাউকেও অনুমতি দিলে (সে বলবে) এবং সে বলবে যথার্থ ও ন্যায়সঙ্গত কথা।
সেইদিন আর - রূহ ও ফিরিশ্তাগণ সারবেঁধে দাঁড়াবে, পরম করুণাময় যাকে অনুমতি দেবেন সে ব্যতীত তাদের কেউ কথা বলতে পারবে না, আর সে সঠিক কথা বলবে।
যেদিন রূহ ও ফেরেশতাগণ সারিবদ্ধভাবে দাঁড়াবে। দয়াময় যাকে অনুমতি দিবেন, সে ব্যতিত কেউ কথা বলতে পারবে না এবং সে সত্যকথা বলবে।
يوم يقوم الروح والملائكة صفا ۖ لا يتكلمون إلا من أذن له الرحمن وقال صوابا
يَوْمَ يَقُومُ ٱلرُّوحُ وَٱلْمَلَٰٓئِكَةُ صَفًّا لَّا يَتَكَلَّمُونَ إِلَّا مَنْ أَذِنَ لَهُ ٱلرَّحْمَٰنُ وَقَالَ صَوَابًا
এই দিনটি (যে আসবেই তা অনিবার্য) এক মহাসত্য। সুতরাং যার ইচ্ছা সে তার মালিকের দিকে ফেরার জন্যে পথ ধরুক।
এইটাই মহাসত্যের দিন। অতএব যে কেউ চায় সে তার প্রভুর কাছে আশ্রয়স্থল খুঁজুক।
এই দিবস সত্য। অতঃপর যার ইচ্ছা, সে তার পালনকর্তার কাছে ঠিকানা তৈরী করুক।
ذلك اليوم الحق ۖ فمن شاء اتخذ إلى ربه مآبا
ذَٰلِكَ ٱلْيَوْمُ ٱلْحَقُّ فَمَن شَآءَ ٱتَّخَذَ إِلَىٰ رَبِّهِۦ مَـَٔابًا
অত্যাসন্ন আযাব সম্পর্কে আমরা তোমাদের সতর্ক করে দিলাম; সেদিন প্রতিটি মানুষই দেখতে পাবে তার দুই হাত কী কামাই করে (অর্থাৎ - সে কি কৃতকর্ম) সম্মুখে (বিচার দিনের জন্যে) পাঠিয়েছে? আর (তখন) বলবে: ‘হায়, আমি যদি মাটি হতাম!’
নিশ্চয় আমরা তোমাদের সতর্ক করছি এক নিকটবর্তী শাস্তি সন্বন্ধে, - - যেদিন মানুষ দেখতে পাবে তার হাত দুখানা কী আগবাড়িয়েছে, আর অবিশ্বাসী ব্যক্তি বলবে - - ''হায় আমার আফসোস! আমি যদি ধুলো হয়ে যেতাম!’’
আমি তোমাদেরকে আসন্ন শাস্তি সম্পর্কে সতর্ক করলাম, যেদিন মানুষ প্রত্যেক্ষ করবে যা সে সামনে প্রেরণ করেছে এবং বলবেঃ হায়, আফসোস - আমি যদি মাটি হয়ে যেতাম।
إنا أنذرناكم عذابا قريبا يوم ينظر المرء ما قدمت يداه ويقول الكافر يا ليتني كنت ترابا
إِنَّآ أَنذَرْنَٰكُمْ عَذَابًا قَرِيبًا يَوْمَ يَنظُرُ ٱلْمَرْءُ مَا قَدَّمَتْ يَدَاهُ وَيَقُولُ ٱلْكَافِرُ يَٰلَيْتَنِى كُنتُ تُرَٰبًۢا