Kitab

আস্ সাফফাত (সফে দাঁড়ানো)

Chapter 37, 182 verses

  • আবদুস শহীদ নাসিম
  • জহুরুল হক
  • মুহিউদ্দীন খান
  • ইসলামিক ফাউন্ডেশন
About this chapter


মক্কায় অবতীর্ণ, আয়াত সংখ্যা: ১৮২, রুকু সংখ্যা: ০৫

এই সূরার আলোচ্যসূচি

আয়াতআলোচ্য বিষয় ০১-৭৪তাওহীদ, রিসালাত ও আখিরাতের ব্যাপারে লোকদের অস্বীকৃতি ও অভিযোগ। অস্বীকারকারীদের পরকালীন দুরবস্থা। ৭৫-৮২দুষ্কৃতকারীদের বিরুদ্ধে আল্লাহ্ নূহ আ.-এর দোয়া কবুল করেন। ৮৩-১১৩ভাস্কর্য পূজারীদের বিরুদ্ধে ইবরাহিমের অকাট্য যুক্তি। ইবরাহিমের অগ্নি পরীক্ষা। পুত্র কুরবানির স্বপ্ন। পশু কুরবানির সূচনা। ১১৪-১২২মূসা ও হারূণের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ। ১২৩-১৩২নিজ কওমের প্রতি ইলিয়াসের দাওয়াত। তাঁর জাতি কর্তৃক তাঁকে প্রত্যাখ্যান। ১৩৩-১৩৮লুত আ.-এর মুক্তি ও তাঁর জাতির ধ্বংস। তাদের ধ্বংসের নিদর্শনসমূহ এখনো বর্তমান। ১৩৯-১৪৮অবাধ্য জাতি থেকে ইউনুসের পলায়ন। তিমির গ্রাস হন ইউনুস। আল্লাহ্ তাঁকে বাঁচিয়ে রাখেন। পুনরায় জাতির কাছে তাঁর আগমন। এবার তাঁর জাতি ঈমান আনে। ১৪৯-১৮২শিরকের পক্ষে কোনো প্রমাণ নাই। নবীরা আল্লাহর সাহায্য পাবেন।
আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ সেইসব (ফেরেশতাদের) যারা সফে (সারিতে) দাঁড়ানো।

জহুরুল হক

ভেবে দেখো তাদের যারা কাতারে কাতারে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে রয়েছে,

মুহিউদ্দীন খান

শপথ তাদের যারা সারিবদ্ধ হয়ে দাঁড়ানো,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

শপথ তাহাদের যাহারা সারিবদ্ধভাবে দণ্ডায়মান

আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ সেইসব (ফেরেশতাদের) যারা মেঘমালা পরিচালনাকারী।

জহুরুল হক

আর যারা বিতাড়িত করে প্রবল বিতাড়নে,

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর ধমকিয়ে ভীতি প্রদর্শনকারীদের,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ও যাহারা কঠোর পরিচালক

আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ সেইসব (ফেরেশতাদের), যারা তিলাওয়াত করে বা বহন করে আনে আল কুরআন (আল্লাহর নিকট থেকে)।

জহুরুল হক

আর যারা স্মারকগ্রন্থ পাঠ করে!

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর মুখস্থ আবৃত্তিকারীদের -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং যাহারা ‘যিকির’ আবৃত্তিতে রত -

আবদুস শহীদ নাসিম

নিশ্চয়ই তোমাদের এক ও একক।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ তোমাদের উপাস্য মাত্র একজন,

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় তোমাদের মাবুদ এক।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

নিশ্চয়ই তোমাদের ইলাহ্ এক,

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনিই মালিক মহাকাশ ও পৃথিবীর এবং এ দুয়ের মধ্যবর্তী সবকিছুর, আর তিনিই মালিক উদয়াচলের।

জহুরুল হক

যিনি মহাকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর এবং এদের উভয়ের মধ্যবর্তী সমস্ত কিছুর প্রভু, আর যিনি উদয়স্থল সমূহেরও প্রভু,

মুহিউদ্দীন খান

তিনি আসমান সমূহ, যমীনও এতদুভয়ের মধ্যবর্তী সবকিছুর পালনকর্তা এবং পালনকর্তা উদয়াচলসমূহের।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যিনি আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী এবং উহাদের অন্তর্বর্তী সমস্ত কিছুর প্রভু এবং প্রভু সকল উদয়স্থলের।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা দুনিয়ার আকাশকে সৌন্দর্যমন্ডিত করেছি নক্ষত্ররাজি দিয়ে,

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ আমরা নিকটবর্তী আকাশকে তারকারাজির শোভা দিয়ে সুশোভিত করেছি, - -

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় আমি নিকটবর্তী আকাশকে তারকারাজির দ্বারা সুশোভিত করেছি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি নিকটবর্তী আকাশকে নক্ষত্ররাজির সুষমা দ্বারা সুশোভিত করিয়াছি,

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং রক্ষা করেছি প্রত্যেক বিদ্রোহী শয়তান থেকে।

জহুরুল হক

আর প্রতিরক্ষা প্রত্যেক বিদ্রোহাচারী শয়তান থেকে।

মুহিউদ্দীন খান

এবং তাকে সংরক্ষিত করেছি প্রত্যেক অবাধ্য শয়তান থেকে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং রক্ষা করিয়াছি প্রত্যেক বিদ্রোহী শয়তান হইতে।

আবদুস শহীদ নাসিম

ফলে তারা ঊর্ধ্ব জগতের কিছু শুনতে পায়না এবং তাদের আঘাত করা হয় সবদিক থেকে

জহুরুল হক

তারা কান পাততে পারে না ঊর্ধ্ব এলাকার দিকে, আর তাদের প্রতি নিক্ষেপ করা হয় সব দিক থেকে, - -

মুহিউদ্দীন খান

ওরা উর্ধ্ব জগতের কোন কিছু শ্রবণ করতে পারে না এবং চার দিক থেকে তাদের প্রতি উল্কা নিক্ষেপ করা হয়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ফলে উহারা ঊর্ধ্ব জগতের কিছু শ্রবণ করিতে পারে না এবং উহাদের প্রতি নিক্ষিপ্ত হয় সকল দিক হইতে -

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের তাড়ানোর জন্যে। আর তাদের জন্যে রয়েছে অবিরাম আযাব।

জহুরুল হক

বিতাড়িত, আর তাদের জন্য রয়েছে নিরবচ্ছিন্ন শাস্তি, - -

মুহিউদ্দীন খান

ওদেরকে বিতাড়নের উদ্দেশে। ওদের জন্যে রয়েছে বিরামহীন শাস্তি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বিতাড়নের জন্য এবং উহাদের জন্য আছে অবিরাম শাস্তি।

আবদুস শহীদ নাসিম

তবে হঠাৎ কেউ কিছু শুনে ফেললে তার পেছনে ছুটে যায় জ্বলন্ত উল্কা পিন্ড।

জহুরুল হক

সে ব্যতীত যে ছিনিয়ে নেয় একটুকুন ছিনতাই, কিন্তু তাকে অনুসরণ করে একটি জ্বলন্ত অগ্নিশিখা।

মুহিউদ্দীন খান

তবে কেউ ছোঁ মেরে কিছু শুনে ফেললে জ্বলন্ত উল্কাপিন্ড তার পশ্চাদ্ধাবন করে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তবে কেহ হঠাৎ কিছু শুনিয়া ফেলিলে জ্বলন্ত উল্কাপিণ্ড তাহার পশ্চাদ্ধাবন করে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের (কাফিরদের) জিজ্ঞেস করো, তারাই কি মজবুত সৃষ্টি, নাকি আমরা অন্য যাদের সৃষ্টি করেছি তারা? এদেরকে তো আমরা সৃষ্টি করেছি আঠাল মাটি দিয়ে।

জহুরুল হক

সুতরাং তাদের জিজ্ঞাসা করো, - - গঠনে তারা কি বেশী বলিষ্ঠ না যাদের আমরা সৃষ্টি করেছি? নিঃসন্দেহ তাদের আমরা সৃষ্টি করেছি আঠালো কাদা থেকে।

মুহিউদ্দীন খান

আপনি তাদেরকে জিজ্ঞেস করুন, তাদেরকে সৃষ্টি করা কঠিনতর, না আমি অন্য যা সৃষ্টি করেছি? আমিই তাদেরকে সৃষ্টি করেছি এঁটেল মাটি থেকে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহাদেরকে জিজ্ঞাসা কর, উহারা সৃষ্টিতে দৃঢ়তর, না আমি অন্য যাহা কিছু সৃষ্টি করিয়াছি তাহা? উহাদেরকে আমি সৃষ্টি করিয়াছি আঠাল মৃত্তিকা হইতে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি তো বিস্ময়বোধ করছো, অথচ তারা করছে বিদ্রূপ।

জহুরুল হক

বস্তুতঃ তুমি তো তাজ্জব হচ্ছো, আর তারা করছে মস্করা।

মুহিউদ্দীন খান

বরং আপনি বিস্ময় বোধ করেন আর তারা বিদ্রুপ করে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তুমি তো বিস্ময় বোধ করিতেছ, আর উহারা করিতেছে বিদ্রুপ।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের যখন উপদেশ দেয়া হয়, তারা সেদিকে মনোযোগ দেয়না।

জহুরুল হক

আর যখন তাদের স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয় তারা মনোযোগ দেয় না,

মুহিউদ্দীন খান

যখন তাদেরকে বোঝানো হয়, তখন তারা বোঝে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং যখন উহাদেরকে উপদেশ দেওয়া হয় উহারা তাহা গ্রহণ করে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

যখনই তারা কোনো নিদর্শন দেখে, উপহাস করে।

জহুরুল হক

আর যখন তারা কোনো নিদর্শন দেখতে পায় তারা ঠাট্টাবিদ্রূপ করে,

মুহিউদ্দীন খান

তারা যখন কোন নিদর্শন দেখে তখন বিদ্রূপ করে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা কোন নিদর্শন দেখিলে উপহাস করে

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা বলে: ‘‘এ তো এক পরিষ্কার ম্যাজিক ছাড়া কিছু নয়।

জহুরুল হক

আর বলে - - ''এটি স্পষ্ট জাদু বৈ তো নয়’’,

মুহিউদ্দীন খান

এবং বলে, কিছুই নয়, এযে স্পষ্ট যাদু।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং বলে, ‘ইহা তো এক সুস্পষ্ট জাদু ব্যতীত আর কিছুই নয়।’

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা যখন মরে যাবো এবং মাটি ও অস্থিমজ্জায় পরিণত হবো, তখন কি আমাদের পুনরায় উঠানো হবে?

জহুরুল হক

''কী! যখন আমরা মারা যাব এবং ধূলোমাটি ও হাড়গোড় হয়ে যাব তখন কি আমরা ঠিকঠিকই পুনরুত্থিত হব?’’

মুহিউদ্দীন খান

আমরা যখন মরে যাব, এবং মাটি ও হাড়ে পরিণত হয়ে যাব, তখনও কি আমরা পুনরুত্থিত হব?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমরা যখন মরিয়া যাইব এবং মৃত্তিকা ও অস্থিতে পরিণত হইব, তখনও কি আমাদেরকে উত্থিত করা হইবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

আমাদের পূর্ব পুরুষদেরকেও?’’

জহুরুল হক

''আর কি পুরাকালের আমাদের পিতৃপুরুষরাও?’’

মুহিউদ্দীন খান

আমাদের পিতৃপুরুষগণও কি?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘এবং আমাদের পূর্বপুরুষদেরকেও?’

আবদুস শহীদ নাসিম

বলো: ‘হ্যাঁ, আর তখন তোমরা হবে লাঞ্ছিত।’

জহুরুল হক

তুমি বলো - - ''হাঁ, আর তোমরা লাঞ্ছিত হবে।’’

মুহিউদ্দীন খান

বলুন, হ্যাঁ এবং তোমরা হবে লাঞ্ছিত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বল, ‘হাঁ, এবং তোমরা হইবে লাঞ্ছিত।’

আবদুস শহীদ নাসিম

সেটা হবে একটা প্রচন্ড শব্দ, আর তখনই তারা তা দেখতে পাবে।

জহুরুল হক

তখন সেটি কিন্তু একটিমাত্র মহাগর্জন হবে, তখন দেখো! তারা চেয়ে থাকবে।

মুহিউদ্দীন খান

বস্তুতঃ সে উত্থান হবে একটি বিকট শব্দ মাত্র - যখন তারা প্রত্যক্ষ করতে থাকবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহা একটি মাত্র প্রচণ্ড শব্দ - আর তখনই উহারা প্রত্যক্ষ করিবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা আরো বলবে: ‘হায় ধ্বংস আমাদের, এটা তো প্রতিফল দিবস।’

জহুরুল হক

আর তারা বলবে - - ''হায় ধিক্‌, আমাদের! এটিই তো বিচারের দিন!’’

মুহিউদ্দীন খান

এবং বলবে, দুর্ভাগ্য আমাদের! এটাই তো প্রতিফল দিবস।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং উহারা বলিবে, ‘দুর্ভোগ আমাদের! ইহাই তো কর্মফল দিবস।’

আবদুস শহীদ নাসিম

(তখন তাদের বলা হবে:) ‘এটা হলো ফায়সালার দিন, যে দিনটিকে তোমরা করছিলে অস্বীকার।’

জহুরুল হক

''এইটিই ফয়সালা করার দিন যেটি সন্বন্ধে তোমরা মিথ্যা আখ্যা দিতে।’’

মুহিউদ্দীন খান

বলা হবে, এটাই ফয়সালার দিন, যাকে তোমরা মিথ্যা বলতে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহাই ফয়সালার দিন যাহা তোমরা অস্বীকার করিতে।

আবদুস শহীদ নাসিম

(ফেরেশতাদের বলা হবে:) এনে জমা করো যালিমদের, তাদের সাথি সংগিদের এবং তাদের উপাস্যদের, যাদের তারা ইবাদত করতো

জহুরুল হক

''যারা অনাচার করেছিল তাদের একত্র করো, আর তাদের সহচরদের, আর তাদেরও যাদের তারা উপাসনা করত - -

মুহিউদ্দীন খান

একত্রিত কর গোনাহগারদেরকে, তাদের দোসরদেরকে এবং যাদের এবাদত তারা করত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ফিরিশ্‌তাদেরকে বলা হইবে, ‘একত্র কর ও উহাদের সহচরগণকে এবং উহাদেরকে যাহাদের ‘ইবাদত করিত তাহারা -

আবদুস শহীদ নাসিম

আল্লাহর পরিবর্তে। তাদের পরিচালিত করো জাহান্নামের দিকে।

জহুরুল হক

''‌কে বাদ দিয়ে, তারপর তাদের পরিচালিত করো দুযখের পথে।

মুহিউদ্দীন খান

ব্যতীত। অতঃপর তাদেরকে পরিচালিত কর জাহান্নামের পথে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌র পরিবর্তে এবং উহাদেরকে পরিচালিত কর জাহান্নামের পথে,

আবদুস শহীদ নাসিম

তবে তাদের থামাও, কারণ তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

জহুরুল হক

''আর তাদের থামাও, তারা অবশ্যই জিজ্ঞাসিত হবে,

মুহিউদ্দীন খান

এবং তাদেরকে থামাও, তারা জিজ্ঞাসিত হবে;

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘অতঃপর উহাদেরকে থামাও, কারণ উহাদেরকে প্রশ্ন করা হইবে :

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমাদের কী হয়েছে, তোমরা পরস্পরকে সাহায্য করছো না কেন?

জহুরুল হক

''তোমাদের কি হল, তোমরা পরস্পরকে সাহায্য করছ না?’’

মুহিউদ্দীন খান

তোমাদের কি হল যে, তোমরা একে অপরের সাহায্য করছ না?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘তোমাদের কী হইল যে, তোমরা একে অপরের সাহায্য করিতেছ না?’

আবদুস শহীদ নাসিম

বরং তারা সেদিন আত্মসমর্পণ করে দেবে।

জহুরুল হক

বস্তুতঃ সেদিন তারা আ‌ত্মসমর্পিত হবে।

মুহিউদ্দীন খান

বরং তারা আজকের দিনে আত্নসমর্পণকারী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বস্তুত সেই দিন উহারা আত্মসর্মপণ করিবে

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা একে অপরের সামনা সামনি হয়ে পরস্পরকে প্রশ্ন করবে,

জহুরুল হক

আর তাদের কেউ কেউ অন্যদের দিকে এগিয়ে যাবে পরস্পরকে প্রশ্ন করে - -

মুহিউদ্দীন খান

তারা একে অপরের দিকে মুখ করে পরস্পরকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং উহারা একে অপরের সামনাসামনি হইয়া জিজ্ঞাসাবাদ করিবে -

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা বলবে: ‘তোমরা তো ডান দিক থেকে (তোমাদের শক্তি দেখিয়ে) আমাদের কাছে আসতে।’

জহুরুল হক

তারা বলবে - - ''তোমরাই তো নিশ্চয়ই আমাদের কাছে আসতে ডান দিকে থেকে।’’

মুহিউদ্দীন খান

বলবে, তোমরা তো আমাদের কাছে ডান দিক থেকে আসতে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা বলিবে, ‘তোমরা তো তোমাদের শক্তি লইয়া আমাদের নিকট আসিতে।’

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা জবাবে বলবে: ‘‘তোমরা তো নিজেরাই ছিলে না,

জহুরুল হক

তারা বলবে - - ''না, তোমরা তো বিশ্বাসীই ছিলে না,

মুহিউদ্দীন খান

তারা বলবে, বরং তোমরা তো বিশ্বাসীই ছিলে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহারা বলিবে, তোমরা তো বিশ্বাসীই ছিলে না,

আবদুস শহীদ নাসিম

আর তোমাদের উপর আমাদের কোনো কর্তৃত্বও ছিলনা। বরং তোমরা ছিলে আল্লাদ্রোহী লোক।

জহুরুল হক

''আর তোমাদের উপরে আমাদের কোনো আধিপত্য ছিল না, বরং তোমরাই ছিলে উচ্ছৃঙ্খল লোক।

মুহিউদ্দীন খান

এবং তোমাদের উপর আমাদের কোন কতৃত্ব ছিল না, বরং তোমরাই ছিলে সীমালংঘনকারী সম্প্রদায়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘এবং তোমাদের উপর আমাদের কোন কর্তৃত্ব ছিল না ; বস্তুত তোমরাই ছিলে সীমালংঘনকারী সম্প্রদায়।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাই আমাদের বিরুদ্ধে আমাদের প্রভুর কথা সত্য প্রমাণিত হয়েছে। আমাদেরকে অবশ্যি শাস্তি ভোগ করতে হবে।

জহুরুল হক

''সেজন্যে আমাদের বিরুদ্ধে আমাদের প্রভুর বাণী সত্য প্রতিপন্ন হয়েছে, আমরা নিশ্চয়ই আস্বাদন করতে যাচ্ছি।

মুহিউদ্দীন খান

আমাদের বিপক্ষে আমাদের পালনকর্তার উক্তিই সত্য হয়েছে। আমাদেরকে অবশই স্বাদ আস্বাদন করতে হবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমাদের বিরুদ্ধে আমাদের প্রতিপালকের কথা সত্য হইয়াছে, আমাদেরকে অবশ্যই শাস্তি আস্বাদন করিতে হইবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তোমাদের বিপথগামী করেছিলাম, কারণ আমরা নিজেরাও ছিলাম বিপথগামী।’’

জহুরুল হক

''বস্তুত আমরা তোমাদের বিপথে নিয়েছিলাম, কেননা আমরা নিজেরাই বিপথগামী ছিলাম।’’

মুহিউদ্দীন খান

আমরা তোমাদেরকে পথভ্রষ্ট করেছিলাম। কারণ আমরা নিজেরাই পথভ্রষ্ট ছিলাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমরা তোমাদেরকে বিভ্রান্ত করিয়াছিলাম, কারণ আমরা নিজেরাও ছিলাম বিভ্রান্ত।’

আবদুস শহীদ নাসিম

সেদিন তারা সবাই শরিকদার হবে আযাবের।

জহুরুল হক

সুতরাং সেইদিন তারা নিশ্চয়ই শাস্তিতে একে অন্যের শরিক হবে।

মুহিউদ্দীন খান

তারা সবাই সেদিন শান্তিতে শরীক হবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা সকলেই সেই দিন শাস্তির শরীক হইবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা অপরাধীদের সাথে এ রকমই আচরণ করি।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ এইরূপই আমরা অপরাধীদের প্রতি করে থাকি।

মুহিউদ্দীন খান

অপরাধীদের সাথে আমি এমনি ব্যবহার করে থাকি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অপরাধীদের প্রতি আমি এইরূপই করিয়া থাকি।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের যখন বলা হতো: ‘কোনো নেই ছাড়া’, তখন তারা হঠকারিতা প্রদর্শন করতো।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ যখন তাদের বলা হতো - - ' ছাড়া অন্য উপাস্য নেই’, তখন তারা হামবড়াই করত,

মুহিউদ্দীন খান

তাদের যখন বলা হত, ব্যতীত কোন উপাস্য েনই, তখন তারা ঔদ্ধত্য প্রদর্শন করত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহাদেরকে ‘‌ ব্যতীত কোন ইলাহ্‌ নাই’ বলা হইলে উহারা অহংকার করিত

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা বলতো: ‘আমরা কি একজন পাগল কবির জন্যে আমাদের ইলাহদের পরিত্যাগ করবো?’

জহুরুল হক

আর তারা বলত - - ''কী! আমরা কি আমাদের উপাস্যদের সত্যিই ত্যাগ করব একজন পাগলা কবির কারণে?’’

মুহিউদ্দীন খান

এবং বলত, আমরা কি এক উম্মাদ কবির কথায় আমাদের উপাস্যদেরকে পরিত্যাগ করব।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং বলিত, ‘আমরা কি এক উন্মাদ কবির কথায় আমাদের ইলাহ্‌গণকে বর্জন করিব?’

আবদুস শহীদ নাসিম

বরং সে তো সত্য নিয়ে এসেছে এবং (অতীত) রসূলদের সত্য বলে মেনে নিয়েছে।

জহুরুল হক

বস্তুত তিনি সত্য নিয়ে এসেছেন, আর রসূলগণকে তিনি সত্য প্রতিপন্ন করেছেন।

মুহিউদ্দীন খান

না, তিনি সত্যসহ আগমন করেছেন এবং রসূলগণের সত্যতা স্বীকার করেছেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বরং সে তো সত্য লইয়া আসিয়াছে এবং সে রাসূলদেরকে সত্য বলিয়া স্বীকার করিয়াছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা অবশ্যি আস্বাদন করবে বেদনাদায়ক আযাব।

জহুরুল হক

তোমরা নিশ্চয়ই মর্মন্তুদ শাস্তি আস্বাদন করতেই যাচ্ছ,

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা অবশ্যই বেদনাদায়ক শাস্তি আস্বাদন করবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমরা অবশ্যই মর্মন্তুদ শাস্তির আস্বাদ গ্রহণ করিবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং তোমরা যেসব কর্মকান্ড করতে সেগুলোরই প্রতিদান পাবে।

জহুরুল হক

আর তোমাদের প্রতিদান দেওয়া হবে না তোমরা যা করতে তা ব্যতীত, - -

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা যা করতে, তারই প্রতিফল পাবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং তোমরা যাহা করিতে তাহারই প্রতিফল পাইবে -

আবদুস শহীদ নাসিম

তবে তারা নয়, যারা আল্লাহর বাছাই করা দাস।

জহুরুল হক

‌র নিষ্ঠাবান বান্দারা ব্যতীত।

মুহিউদ্দীন খান

তবে তারা নয়, যারা আল্লাহর বাছাই করা বান্দা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তবে তাহারা নয় যাহারা ‌র একনিষ্ঠ বান্দা।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের জন্যে রয়েছে পরিচিত রিযিক।

জহুরুল হক

এরাই - - এদের জন্য রয়েছে সুপরিচিত রিযেক,

মুহিউদ্দীন খান

তাদের জন্যে রয়েছে নির্ধারিত রুযি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহাদের জন্য আছে নির্ধারিত রিযিক -

আবদুস শহীদ নাসিম

রয়েছে ফলফলারি, আর তারা হবে সম্মানিত,

জহুরুল হক

ফলমূল, আর তারা হবে সম্মানিত - -

মুহিউদ্দীন খান

ফল - মূল এবং তারা সম্মানিত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ফলমূল; আর তাহারা হইবে সম্মানিত,

আবদুস শহীদ নাসিম

জান্নাতুন নায়ীমে (নিয়ামতে ভরা জান্নাতে)।

জহুরুল হক

আনন্দময় উদ্যানে,

মুহিউদ্দীন খান

নেয়ামতের উদ্যানসমূহ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সুখদ - কাননে

আবদুস শহীদ নাসিম

সেখানে তারা উপবেশন করবে মুখোমুখি আসনে।

জহুরুল হক

তখতের উপরে মুখোমুখি হয়ে রইবে।

মুহিউদ্দীন খান

মুখোমুখি হয়ে আসনে আসীন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহারা মুখামুখি হইয়া আসনে আসীন হইবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের ঘুরে ঘুরে পরিবেশন করা হবে (মদের) পেয়ালা বহমান ঝরণা থেকে

জহুরুল হক

তাদের কাছে ঘুরে ফিরে পরিবেশন করা হবে নির্মল ফোয়ারা থেকে এক শরবতের পাত্র, - -

মুহিউদ্দীন খান

তাদেরকে ঘুরে ফিরে পরিবেশন করা হবে স্বচ্ছ পানপাত্র।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহাদেরকে ঘুরিয়া ঘুরিয়া পরিবেশন করা হইবে বিশুদ্ধ সুরাপূর্ণ পাত্রে।

আবদুস শহীদ নাসিম

শুভ্র সাদা শরাব, যা হবে পানকারীদের জন্যে সুস্বাদু।

জহুরুল হক

সাদা সুস্বাদু পানকারীদের জন্য।

মুহিউদ্দীন খান

সুশুভ্র, যা পানকারীদের জন্যে সুস্বাদু।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

শুভ্র উজ্জ্বল, যাহা হইবে পানকারীদের জন্য সুস্বাদু।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাতে ক্ষতিকর কিছু থাকবে না এবং তাতে মাতালও হবেনা কেউ।

জহুরুল হক

এতে মাথাব্যথা নেই, আর তারা এ থেকে মাতালও হবে না।

মুহিউদ্দীন খান

তাতে মাথা ব্যথার উপাদান নেই এবং তারা তা পান করে মাতালও হবে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহাতে ক্ষতিকর কিছু থাকিবে না এবং উহাতে তাহারা মাতালও হইবে না,

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের কাছে থাকবে আনত নয়না এবং আয়তলোচনা নারীরা।

জহুরুল হক

আর তাদের কাছে থাকবে সলাজ - নম্র আয়তলোচন, - -

মুহিউদ্দীন খান

তাদের কাছে থাকবে নত, আয়তলোচনা তরুণীগণ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহাদের সঙ্গে থাকিবে আনতনয়না, আয়তলোচনা হূরীগণ।

আবদুস শহীদ নাসিম

সেসব নারীরা হবে যেনো সযত্নে লালিত সাদা ডিম।

জহুরুল হক

যেন তারা সুরক্ষিত ডিম।

মুহিউদ্দীন খান

যেন তারা সুরক্ষিত ডিম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহারা যেন সুরক্ষিত ডিম্ব।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা পরস্পরের সামনাসামনি হয়ে প্রশ্ন করবে।

জহুরুল হক

তখন তাদের কেউ কেউ অন্যদের দিকে এগিয়ে যাবে পরস্পরকে জিজ্ঞাসাবাদ করে।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর তারা একে অপরের দিকে মুখ করে জিজ্ঞাসাবাদ করবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহারা একে অপরের সামনাসামনি হইয়া জিজ্ঞাসাবাদ করিবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের কেউ কেউ বলবে: (দুনিয়ায়) আমার ছিলো এক সাথি,

জহুরুল হক

তাদের মধ্যে কোনো এক বক্তা বলবে - - ''আমার অবশ্য এক বন্ধু ছিল,

মুহিউদ্দীন খান

তাদের একজন বলবে, আমার এক সঙ্গী ছিল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহাদের কেহ বলিবে, ‘আমার ছিল এক সঙ্গী;

আবদুস শহীদ নাসিম

সে বলতো তুমি কি একথায় যে:

জহুরুল হক

''সে বলত, 'তুমি কি নিশ্চয়ই সমর্থনকারীদের মধ্যেকার?

মুহিউদ্দীন খান

সে বলত, তুমি কি বিশ্বাস কর যে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘সে বলিত, ‘তুমি কি ইহাতে যে,

আবদুস শহীদ নাসিম

‘আমরা যখন মরে যাবো এবং মাটি ও অস্থিমজ্জায় পরিণত হবো, তখন কি আমাদের প্রতিফল দেয়া হবে?’

জহুরুল হক

''কী! যখন আমরা মরে যাব এবং ধূলোমাটি ও হাড়গোড় হয়ে যাব, তখন কি আমরা ঠিকঠিকই প্রতিফল ভোগ করব’?’’

মুহিউদ্দীন খান

আমরা যখন মরে যাব এবং মাটি ও হাড়ে পরিণত হব, তখনও কি আমরা প্রতিফল প্রাপ্ত হব?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমরা যখন মরিয়া যাইব এবং আমরা মৃত্তিকা ও অস্থিতে পরিণত হইব তখনও কি আমাদেরকে প্রতিফল দেওয়া হইবে?’

আবদুস শহীদ নাসিম

কেউ একজন বলবে: তোমরা কি দেখতে চাও সে এখন কোথায়?

জহুরুল হক

সে বলবে - - ''তোমরা কি উঁকি দিয়ে দেখবে?’’

মুহিউদ্দীন খান

বলবেন, তোমরা কি তাকে উকি দিয়ে দেখতে চাও?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌ বলিবেন, ‘তোমরা কি তাহাকে দেখিতে চাও ?’

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন সে ঝুঁকে পড়ে দেখবে এবং তাকে দেখতে পাবে জাহান্নামের মাঝ বরাবর।

জহুরুল হক

তখন সে উঁকি দেবে আর ওকে দুযখের কেন্দ্রস্থলে দেখতে পাবে।

মুহিউদ্দীন খান

অপর সে উকি দিয়ে দেখবে এবং তাকে জাহান্নামের মাঝখানে দেখতে পাবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর সে ঝুঁকিয়া দেখিবে এবং উহাকে দেখিতে পাইবে জাহান্নামের মধ্যস্থলে;

আবদুস শহীদ নাসিম

সে তাকে বলবে: ‘আল্লাহর কসম, তুমি তো আমাকে প্রায় ধ্বংসই করে দিয়েছিলে।

জহুরুল হক

সে বলবে - - ''‌র কসম! তুমি তো আমাকে প্রায় ধ্বংস করেছিলে,

মুহিউদ্দীন খান

সে বলবে, আল্লাহর কসম, তুমি তো আমাকে প্রায় ধ্বংসই করে দিয়েছিলে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বলিবে, ‌র কসম! তুমি তাে আমাকে প্রায় ধ্বংসই করিয়াছিলে,

আবদুস শহীদ নাসিম

যদি আমার প্রভুর অনুগ্রহ না হতো, তাহলে তো আমিও (জাহান্নামে) হাজির করা লোকদের অন্তরভুক্ত হতাম।’

জহুরুল হক

''আর আমার প্রভুর অনুগ্রহ যদি না থাকত তবে আমিও নিশ্চয় উপস্থিতদের অন্তর্ভুক্ত হতাম।’’

মুহিউদ্দীন খান

আমার পালনকর্তার অনুগ্রহ না হলে আমিও যে গ্রেফতারকৃতদের সাথেই উপস্থিত হতাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমার প্রতিপালকের অনুগ্রহ না থাকিলে আমিও তো হাযিরকৃত ব্যক্তিদের মধ্যে শামিল হইতাম।

আবদুস শহীদ নাসিম

সে বলবে: ‘তাহলে কি আমাদের আর মৃত্যু হবেনা

জহুরুল হক

''তবে কি আমরা মরতে যাচ্ছি না, - -

মুহিউদ্দীন খান

এখন আমাদের আর মৃত্যু হবে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমাদের তো আর মৃত্যু হইবে না

আবদুস শহীদ নাসিম

প্রথম মৃত্যুর পর এবং আমাদের কি আযাবও দেয়া হবেনা?’

জহুরুল হক

''আমাদের প্রথমবারের মৃত্যু ব্যতীত, আর আমরা শাস্তি পেতে যাচ্ছি না।

মুহিউদ্দীন খান

আমাদের প্রথম মৃত্যু ছাড়া এবং আমরা শাস্তি প্রাপ্তও হব না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘প্রথম মৃত্যুর পর এবং আমাদেরকে শাস্তিও দেওয়া হইবে না!’

আবদুস শহীদ নাসিম

নিশ্চয়ই এ হলো মহাসাফল্য।

জহুরুল হক

''নিশ্চয়ই এই - - এটিই তো মহাসাফল্য!’’

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় এই মহা সাফল্য।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহা তো মহাসাফল্য।

আবদুস শহীদ নাসিম

এ রকম সাফল্যের জন্যেই কর্মীদের কাজ করা উচিত।

জহুরুল হক

এর অনুরূপ অবস্থার জন্য তবে কর্মীরা কাজ করে যাক।

মুহিউদ্দীন খান

এমন সাফল্যের জন্যে পরিশ্রমীদের পরিশ্রম করা উচিত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এইরূপ সাফল্যের জন্য সাধকদের উচিত সাধনা করা,

আবদুস শহীদ নাসিম

আতিথ্য হিসেবে এটা ভালো, নাকি যাক্কুম গাছ?

জহুরুল হক

এইটিই অধিক ভাল আপ্যায়ন, না যাক্কুম গাছ?

মুহিউদ্দীন খান

এই কি উত্তম আপ্যায়ন, না যাক্কুম বৃক্ষ?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আপ্যায়নের জন্য কি ইহাই শ্রেয় না যাক্কুম বৃক্ষ?

আবদুস শহীদ নাসিম

যালিমদের জন্যে আমরা এ গাছটি সৃষ্টি করেছি ফিতনা হিসেবে।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ আমরা এটিকে সৃষ্টি করেছি দুরাচারীদের জন্য পরীক্ষা স্বরূপ।

মুহিউদ্দীন খান

আমি যালেমদের জন্যে একে বিপদ করেছি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

জালিমদের জন্য আমি ইহা সৃষ্টি করিয়াছি পরীক্ষাস্বরূপ,

আবদুস শহীদ নাসিম

সেটি এমন একটি গাছ, যা উৎপন্ন হয় জাহান্নামের তলদেশ থেকে।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ এটি এমন এক গাছ যা দুযখের তলায় - -

মুহিউদ্দীন খান

এটি একটি বৃক্ষ, যা উদগত হয় জাহান্নামের মূলে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এই বৃক্ষ উদ্‌গত হয় জাহান্নামের তলদেশ হইতে,

আবদুস শহীদ নাসিম

সেটার মোচা দেখতে যেনো শয়তানের মাথা।

জহুরুল হক

এর ফলফসল যেন শয়তানদের মুন্ডু।

মুহিউদ্দীন খান

এর গুচ্ছ শয়তানের মস্তকের মত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহার মোচা যেন শয়তানের মাথা

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা অবশ্যি তা থেকে খাবে এবং তা দিয়ে ভর্তি করবে পেট।

জহুরুল হক

তারা তখন নিশ্চয় এ থেকে আহার করবে আর এর দ্বারা পেট ভর্তি করবে।

মুহিউদ্দীন খান

কাফেররা একে ভক্ষণ করবে এবং এর দ্বারা উদর পূর্ণ করবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অবশ্যই উহারা ইহা হইতে ভক্ষণ করিবে এবং উদর পূর্ণ করিবে ইহা দ্বারা।

আবদুস শহীদ নাসিম

তার উপর তাদের জন্যে থাকবে পুঁজ মিশ্রিত টগবগে ফুটন্ত পানি।

জহুরুল হক

তারপর অবশ্য তাদের জন্য এর উপরে থাকবে ফুটন্ত জলের পানীয়।

মুহিউদ্দীন খান

তদুপরি তাদেরকে দেয়া হবে। ফুটন্ত পানির মিশ্রণ,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তদুপরি উহাদের জন্য থাকিবে ফুটন্ত পানির মিশ্রণ।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের গন্তব্য পথ হবে অবশ্যি জাহান্নামের দিকে।

জহুরুল হক

তারপর নিশ্চয়ই তাদের প্রত্যাবর্তনস্থল হবে ভয়ঙ্কর আগুনের প্রতি।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর তাদের প্রত্যাবর্তন হবে জাহান্নামের দিকে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর উহাদের গন্তব্য হইবে অবশ্যই অগ্নির দিকে।

আবদুস শহীদ নাসিম

সেখানে তারা তাদের পূর্ব পুরুষদের দেখতে পাবে বিপথগামী,

জহুরুল হক

তারা আলবৎ তাদের পিতৃপুরুষদের পথভ্রষ্টরূপেই পেয়েছিল,

মুহিউদ্দীন খান

তারা তাদের পূর্বপুরুষদেরকে পেয়েছিল বিপথগামী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা উহাদের পিতৃপুরুষগণকে পাইয়াছিল বিপথগামী।

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং তারা তাদের পদাংক অনুসরণ করে চলেছিল।

জহুরুল হক

তাই তারা তাদের পদচিহ্নের অন্ধ অনুসরণ করেছিল,

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর তারা তদের পদাংক অনুসরণে তৎপর ছিল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং তাহাদের পদাঙ্ক অনুসরণে ধাবিত হইয়াছিল।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের আগেও আগেকার অধিকাংশ লোকই বিপথগামী হয়েছিল।

জহুরুল হক

আর তাদের আগে অধিকাংশ পূর্ববর্তীরা বিপথে গিয়েছিল,

মুহিউদ্দীন খান

তাদের পূর্বেও অগ্রবর্তীদের অধিকাংশ বিপথগামী হয়েছিল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহাদের পূর্বেও পূর্ববর্তীদের অধিকাংশ বিপথগামী হইয়াছিল,

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তাদের মাঝে পাঠিয়েছিলাম সতর্ককারী।

জহুরুল হক

অথচ আমরা তাদের মধ্যে ইতিপূর্বে সতর্ককারীদের পাঠিয়েছিলাম,

মুহিউদ্দীন খান

আমি তাদের মধ্যে ভীতি প্রদর্শনকারী প্রেরণ করেছিলাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং আমি উহাদের মধ্যে সতর্ককারী প্রেরণ করিয়াছিলাম।

আবদুস শহীদ নাসিম

সুতরাং চেয়ে দেখো, যাদের সতর্ক করা হয়েছিল, কী জঘন্য পরিণতি হয়েছে তাদের?

জহুরুল হক

সুতরাং চেয়ে দেখো কেমন হয়েছিল সতর্কীকৃতদের পরিণাম,

মুহিউদ্দীন খান

অতএব লক্ষ্য করুন, যাদেরকে ভীতিপ্রদর্শণ করা হয়েছিল, তাদের পরিণতি কি হয়েছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সুতরাং লক্ষ্য কর যাহাদেরকে সতর্ক করা হইয়াছিল, তাহাদের পরিণাম কী হইয়াছিল!

আবদুস শহীদ নাসিম

তবে আল্লাহর বাছাই করা বান্দাদের কথা ভিন্ন।

জহুরুল হক

শুধু ‌র খাস বান্দাদের ব্যতীত।

মুহিউদ্দীন খান

তবে আল্লাহর বাছাই করা বান্দাদের কথা ভিন্ন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তবে ‌র একনিষ্ঠ বান্দাদের কথা স্বতন্ত্র।

আবদুস শহীদ নাসিম

নূহ আমাদের ডেকেছিল, আর আমরা ডাকে কতোইনা উত্তম সাড়াদানকারী!

জহুরুল হক

আর ইতিপূর্বে অবশ্য নূহ আমাদের আহ্বান করেছিলেন, আর আমরা কত উত্তম উত্তরদাতা।

মুহিউদ্দীন খান

আর নূহ আমাকে ডেকেছিল। আর কি চমৎকারভাবে আমি তার ডাকে সাড়া দিয়েছিলাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

নূহ্ আমাকে আহ্‌বান করিয়াছিল, আর আমি কত উত্তম সাড়াদানকারী।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তাকে এবং তার পরিবার পরিজনকে উদ্ধার করেছিলাম মহাসংকট থেকে।

জহুরুল হক

আর আমরা তাঁকে ও তাঁর পরিজনকে ভীষণ সংকট থেকে উদ্ধার করেছিলাম,

মুহিউদ্দীন খান

আমি তাকে ও তার পরিবারবর্গকে এক মহাসংকট থেকে রক্ষা করেছিলাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহাকে এবং তাহার পরিবারবর্গকে আমি উদ্ধার করিয়াছিলাম মহাসংকট হইতে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তার বংশধরদেরই আমরা অবশিষ্ট রেখেছি (প্রজন্মের পর প্রজন্ম)।

জহুরুল হক

আর তাঁর সন্তান - সন্ততিকে আমরা বানিয়েছিলাম প্রকৃত টিকে থাকা দল,

মুহিউদ্দীন খান

এবং তার বংশধরদেরকেই আমি অবশিষ্ট রেখেছিলাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহার বংশধরদেরকেই আমি বিদ্যমান রাখিয়াছি বংশপরম্পরায়,

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তার (সুনাম) স্মরণীয় করে রেখেছি পরবর্তীদের মাঝে।

জহুরুল হক

আর তাঁর জন্য পরবর্তীদের মধ্যে আমরা রেখেছিলাম - -

মুহিউদ্দীন খান

আমি তার জন্যে পরবর্তীদের মধ্যে এ বিষয় রেখে দিয়েছি যে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি ইহা পরবর্তীদের স্মরণে রাখিয়াছি।

আবদুস শহীদ নাসিম

সমগ্র জগতের মধ্যে নূহের প্রতি ‘সালাম’ (শান্তি বর্ষিত হোক)।

জহুরুল হক

সমগ্র বিশ্বজগতের মধ্যে নূহের প্রতি সালাম!

মুহিউদ্দীন খান

বিশ্ববাসীর মধ্যে নূহের প্রতি শান্তি বর্ষিত হোক।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সমগ্র বিশ্বের মধ্যে নূহের প্রতি শান্তি বর্ষিত হউক!

আবদুস শহীদ নাসিম

এভাবেই আমরা পুরস্কৃত করে থাকি কল্যাণপরায়ণদের।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ এইভাবেই আমরা সৎকর্মশীলদের প্রতিদান দিয়ে থাকি।

মুহিউদ্দীন খান

আমি এভাবেই সৎকর্ম পরায়নদেরকে পুরস্কৃত করে থাকি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এইভাবেই আমি সৎকর্মপরায়ণদেরকে পুরস্কৃত করিয়া থাকি,

আবদুস শহীদ নাসিম

সে ছিলো আমার বান্দাদের একজন।

জহুরুল হক

তিনি অবশ্যই আমাদের বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।

মুহিউদ্দীন খান

সে ছিল আমার বান্দাদের অন্যতম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সে ছিল আমার বান্দাদের অন্যতম।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর বাকি সবাইকে আমরা ডুবিয়ে দিয়েছি পানিতে।

জহুরুল হক

আর আমরা অন্যান্যদের ডুবিয়ে দিয়েছিলাম।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর আমি অপরাপর সবাইকে নিমজ্জত করেছিলাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অন্য সকলকে আমি নিমজ্জিত করিয়াছিলাম।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর তার অনুগামীদেরই একজন ছিলো ইবরাহিম।

জহুরুল হক

আর নিশ্চয়ই তাঁর পশ্চাদবর্তীদের মধ্যে ছিলেন ইব্রাহীম।

মুহিউদ্দীন খান

আর নূহ পন্থীদেরই একজন ছিল ইব্রাহীম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর ইব্‌রাহীম তো তাহার অনুগামীদের অন্তর্ভুক্ত।

আবদুস শহীদ নাসিম

সে তার প্রভুর কাছে উপস্থিত হয়েছিল প্রশান্ত হৃদয় নিয়ে।

জহুরুল হক

স্মরণ কর! তিনি তাঁর প্রভুর কাছে এসেছিলেন বিশুদ্ধ চিত্ত নিয়ে, - -

মুহিউদ্দীন খান

যখন সে তার পালনকর্তার নিকট সুষ্ঠু চিত্তে উপস্থিত হয়েছিল,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

স্মরণ কর, সে তাহার প্রতিপালকের নিকট উপস্থিত হইয়াছিল বিশুদ্ধচিত্তে;

আবদুস শহীদ নাসিম

সে তার পিতা এবং তার কওমকে বলেছিল: ‘‘আপনারা কিসের ইবাদত (উপাসনা) করছেন?

জহুরুল হক

যখন তাঁর পিতৃপুরুষকে ও তাঁর স্বজাতিকে তিনি বলেছিলেন - - ''তোমরা কিসের উপাসনা করছ?

মুহিউদ্দীন খান

যখন সে তার পিতা ও সম্প্রদায়কে বলেছিলঃ তোমরা কিসের উপাসনা করছ?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যখন সে তাহার পিতা ও তাহার সম্প্রদায়কে জিজ্ঞাসা করিয়াছিল, ‘তোমরা কিসের পূজা করিতেছ?

আবদুস শহীদ নাসিম

আপনারা কি আল্লাহর পরিবর্তে মনগড়া ইলাহদের চান?

জহুরুল হক

''তোমরা আল্লাহকে বাদ দিয়ে কি এক মিথ্যা উপাস্যকেই কামনা কর?

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা কি ব্যতীত মিথ্যা উপাস্য কামনা করছ?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘তােমরা কি ‌র পরিবর্তে অলীক ইলাহ্‌গুলিকে চাও ?

আবদুস শহীদ নাসিম

‘রাববুল আলামিনের’ (বিশ্বজগতের প্রভুর) ব্যাপারে আপনাদের ধারণা কী?’’

জহুরুল হক

''তাহলে বিশ্বজগতের প্রভু সন্বন্ধে কী তোমাদের ধারণা?’’

মুহিউদ্দীন খান

বিশ্বজগতের পালনকর্তা সম্পর্কে তোমাদের ধারণা কি?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘জগতসমূহের প্রতিপালক সম্বন্ধে তোমাদের ধারণা কী?’

আবদুস শহীদ নাসিম

অত:পর সে একবার তারকারাজির দিকে তাকালো

জহুরুল হক

তারপর তারকারাজির দিকে তিনি একনজর তাকালেন,

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর সে একবার তারকাদের প্রতি লক্ষ্য করল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর সে তারকারাজির দিকে একবার তাকাইল

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং বললো: ‘আমি অসুস্থ।’

জহুরুল হক

তখন তিনি বললেন - - ''আমি যারপর নাই বিরক্ত!’’

মুহিউদ্দীন খান

এবং বললঃ আমি পীড়িত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং বলিল, ‘আমি অসুস্থ।’

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন তারা তাকে ফেলে চলে গেলো।

জহুরুল হক

সুতরাং তারা তাঁর কাছ থেকে বিমুখ হয়ে ফিরে গেল।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর তারা তার প্রতি পিঠ ফিরিয়ে চলে গেল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর উহারা তাহাকে পশ্চাতে রাখিয়া চলিয়া গেল।

আবদুস শহীদ নাসিম

অত:পর সে সতর্কভাবে তাদের (দেবতা) গুলোর কাছে গেলো। তাদের বললো: ‘তোমরা কি খাবেনা?’

জহুরুল হক

তারপর তিনি তাদের উপাস্যদের কাছে ফিরে গেলেন এবং বললেন - - ''তোমরা খাও না কেন?

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর সে তাদের দেবালয়ে, গিয়ে ঢুকল এবং বললঃ তোমরা খাচ্ছ না কেন?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

পরে সে সন্তর্পণে উহাদের দেবতাগুলির নিকট গেল এবং বলিল, ‘তোমরা খাদ্য গ্রহণ করিতেছ না কেন?’

আবদুস শহীদ নাসিম

‘তোমাদের কী হয়েছে, তোমরা কথা বলোনা কেন?’

জহুরুল হক

''তোমাদের কী হয়েছে যে তোমরা কথা বলছ না?’’

মুহিউদ্দীন খান

তোমাদের কি হল যে, কথা বলছ না?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘তোমাদের কী হইয়াছে যে, তোমরা কথা বল না?’

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর সে তাদের আঘাত হানলো শক্তভাবে।

জহুরুল হক

কাজেই তিনি তাদের উপরে লাফিয়ে পড়লেন ডানহাতে আঘাত করে।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর সে প্রবল আঘাতে তাদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর সে উহাদের উপর সবলে আঘাত হানিল।

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন লোকেরা ছুটে এলো তার দিকে।

জহুরুল হক

তখন তারা তাঁর দিকে ছুটে এল হতবুদ্ধি হয়ে।

মুহিউদ্দীন খান

তখন লোকজন তার দিকে ছুটে এলো ভীত - সন্ত্রস্ত পদে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তখন ঐ লোকগুলি তাহার দিকে ছুটিয়া আসিল।

আবদুস শহীদ নাসিম

সে বললো: ‘‘তোমরা নিজেরা যেগুলোকে খোদাই করে তৈয়ার করো, তোমরা কি সেগুলোরই পূজা করো?

জহুরুল হক

তিনি বললেন - - ''তোমরা কি তার উপাসনা কর যা তোমরা কেটে বানাও,

মুহিউদ্দীন খান

সে বললঃ তোমরা স্বহস্ত নির্মিত পাথরের পূজা কর কেন?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সে বলিল, ‘তোমরা নিজেরা যাহাদেরকে খোদাই করিয়া নির্মাণ কর তোমরা কি তাহাদেরই পূজা কর?

আবদুস শহীদ নাসিম

অথচ তোমাদের তো সৃষ্টি করেছেন এবং তোমরা যা তৈরি করো সেগুলোকেও।’’

জহুরুল হক

''অথচ তোমাদের সৃষ্টি করেছেন আর তোমরা যা তৈরি কর তাও?’’

মুহিউদ্দীন খান

অথচ তোমাদেরকে এবং তোমরা যা নির্মাণ করছ সবাইকে সৃষ্টি করেছেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘প্রকৃতপক্ষে ‌ই সৃষ্টি করিয়াছেন তোমাদেরকে এবং তোমরা যাহা তৈরি কর তাহাও।’

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা বললো: ‘তার জন্যে ঘেরাও করা প্রাচীরের একটা ইমারত নির্মাণ করো। অতপর তাকে সেই অগ্নিকুন্ডে নিক্ষেপ করো।’

জহুরুল হক

তারা বললে - - ''এর জন্য এক কাঠামো তৈরি কর, তারপর তাকে নিক্ষেপ কর সেই ভয়ঙ্কর আগুনে।’’

মুহিউদ্দীন খান

তারা বললঃ এর জন্যে একটি ভিত নির্মাণ কর এবং অতঃপর তাকে আগুনের স্তুপে নিক্ষেপ কর।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা বলিল, ‘ইহার জন্য এক ইমারত নির্মাণ কর, অতঃপর ইহাকে জ্বলন্ত অগ্নিতে নিক্ষেপ কর।’

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন তারা তার বিরুদ্ধে এক চরম চক্রান্ত করে, কিন্তু আমরা তাদের নিচু করে দিয়েছি।

জহুরুল হক

কাজেই তারা তাঁর বিরুদ্ধে এক চক্রান্ত ফাঁদলো, কিন্তু আমরা তাদের হীন বানিয়ে দিলাম।

মুহিউদ্দীন খান

তারপর তারা তার বিরুদ্ধে মহা ষড়যন্ত্র আঁটতে চাইল, কিন্তু আমি তাদেরকেই পরাভূত করে দিলাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা তাহার বিরুদ্ধে চক্রান্তের সংকল্প করিয়াছিল; কিন্তু আমি উহাদেরকে অতিশয় হেয় করিয়া দিলাম।

আবদুস শহীদ নাসিম

সে বলেছিল: ‘‘আমি আমার প্রভুর দিকে চললাম, তিনি আমাকে সঠিক পথ দেখাবেন।

জহুরুল হক

আর তিনি বললেন - - ''আমি নিশ্চয়ই আমার প্রভুর দিকে যাত্রাকারী, তিনি আমাকে অচিরেই পরিচালিত করবেন।’’

মুহিউদ্দীন খান

সে বললঃ আমি আমার পালনকর্তার দিকে চললাম, তিনি আমাকে পথপ্রদর্শন করবেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সে বলিল, ‘আমি আমার প্রতিপালকের দিকে চলিলাম, তিনি আমাকে অবশ্যই সৎপথে পরিচালিত করিবেন;

আবদুস শহীদ নাসিম

আমার প্রভু! আমাকে একটি যোগ্য সন্তান দান করো।’’

জহুরুল হক

''আমার প্রভু! আমার জন্য সৎকর্মীদের থেকে দান করো।’’

মুহিউদ্দীন খান

হে আমার পরওয়ারদেগার! আমাকে এক সৎপুত্র দান কর।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘হে আমার প্রতিপালক! আমাকে এক সৎকর্মপরায়ণ সন্তান দান কর।’

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন আমরা তাকে সুসংবাদ দিলাম এক স্থির বুদ্ধিসম্পন্ন পুত্র সন্তানের।

জহুরুল হক

সেজন্য আমরা তাঁকে সুসংবাদ দিলাম এক অমায়িক পুত্রসন্তানের।

মুহিউদ্দীন খান

সুতরাং আমি তাকে এক সহনশীল পুত্রের সুসংবাদ দান করলাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর আমি তাহাকে এক স্থিরবুদ্ধি পুত্রের সুসংবাদ দিলাম।

আবদুস শহীদ নাসিম

যখন সে তার পিতার সাথে কাজ করার বয়েসে উপনীত হয়, তখন সে (ইবরাহিম) বলেছিল: ‘আমার পুত্র! আমি স্বপ্ন দেখেছি, আমি তোমাকে যবেহ্ করছি। এখন তুমি বলো এ বিষয়ে তোমার অভিমত কী?’ সে বলেছিল: ‘আব্বু! আপনাকে যা নির্দেশ দেয়া হয়েছে আপনি তাই করুন। ইনশাল্লাহ ( চাইলে) আপনি আমাকে পাবেন ধৈর্যশীল।’

জহুরুল হক

তারপর যখন সে তাঁর সঙ্গে কাজ করার যোগ্যতায় উপনীত হল তখন তিনি বললেন - - ''হে আমার পুত্রধন! নিঃসন্দেহ আমি স্বপ্নে দেখলাম যে আমি তোমাকে কুরবানি করছি, অতএব ভেবে দেখো - - কী তুমি দেখছো ।’’ তিনি বললেন - - ''হে আমার আব্বা! আপনি তাই করুন যা আপনাকে আদেশ করা হয়েছে। ইন - শা - আপনি এখনি আমাকে পাবেন অধ্যবসায়ীদের অন্তর্ভুক্ত।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর সে যখন পিতার সাথে চলাফেরা করার বয়সে উপনীত হল, তখন ইব্রাহীম তাকে বললঃ বৎস! আমি স্বপ্নে দেখিযে, তোমাকে যবেহ করছি; এখন তোমার অভিমত কি দেখ। সে বললঃ পিতাঃ! আপনাকে যা আদেশ করা হয়েছে, তাই করুন। চাহে তো আপনি আমাকে সবরকারী পাবেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর সে যখন তাহার পিতার সঙ্গে কাজ করিবার মত বয়সে উপনীত হইল তখন ইবরাহীম বলিল, ‘বৎস! আমি স্বপ্নের দেখি যে, তোমাকে আমি যবেহ্ করিতেছি, এখন তোমার অভিমত কি বল?’ সে বলিল, ‘হে আমার পিতা! আপনি যাহা আদিষ্ট হইয়াছেন তাহাই করুন। ‌র ইচ্ছায় আপনি আমাকে ধৈর্যশীল পাইবেন।’

আবদুস শহীদ নাসিম

যখন তারা দুজনই আত্মসমর্পণ করলো এবং ইবরাহিম তার পুত্রকে উপুড় করে শুইয়ে দিলো,

জহুরুল হক

সুতরাং তাঁরা উভয়ে যখন আ‌ত্মসমর্পণ করলেন এবং তিনি তাঁকে ভূপাতিত করলেন কপালের জন্য,

মুহিউদ্দীন খান

যখন পিতা - পুত্র উভয়েই আনুগত্য প্রকাশ করল এবং ইব্রাহীম তাকে যবেহ করার জন্যে শায়িত করল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যখন তাহারা উভয়ে আনুগত্য প্রকাশ করিল এবং ইব্‌রাহীম তাহার পুত্রকে কাত করিয়া শায়িত করিল,

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন আমরা তাকে ডেকে বললাম: ‘হে ইবরাহিম!

জহুরুল হক

তখনই আমরা তাঁকে ডেকে বললাম - - ''হে ইব্রাহীম!

মুহিউদ্দীন খান

তখন আমি তাকে ডেকে বললামঃ হে ইব্রাহীম,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তখন আমি তাহাকে আহ্‌বান করিয়া বলিলাম, ‘হে ইব্‌রাহীম!

আবদুস শহীদ নাসিম

অবশ্যি তুমি স্বপ্নকে সত্যে পরিণত করেছো। আমরা এভাবেই পুরস্কৃত করে থাকি পুণ্যবানদের।

জহুরুল হক

''তুমি তো স্বপ্নাদেশ সত্যই পালন করলে। নিঃসন্দেহ এইভাবেই আমরা সৎকর্মশীলদের পুরস্কার দিয়ে থাকি।

মুহিউদ্দীন খান

তুমি তো স্বপ্নকে সত্যে পরিণত করে দেখালে! আমি এভাবেই সৎকর্মীদেরকে প্রতিদান দিয়ে থাকি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘তুমি তো স্বপ্নাদেশ সত্যই পালন করিলে!’ - এইভাবেই আমি সৎকর্মপরায়ণদেরকে পুরস্কৃত করিয়া থাকি।

আবদুস শহীদ নাসিম

নিশ্চয়ই এটা ছিলো একটা সুস্পষ্ট পরীক্ষা।

জহুরুল হক

''নিশ্চয়ই এটি - - এইটিই তো ছিল এক স্পষ্ট পরীক্ষা।’’

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় এটা এক সুস্পষ্ট পরীক্ষা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

নিশ্চয়ই ইহা ছিল এক স্পষ্ট পরীক্ষা।

আবদুস শহীদ নাসিম

অত:পর আমরা তাকে মুক্ত করেছিলাম এক মহাকুরবানির বিনিময়ে।

জহুরুল হক

আর আমরা তাঁকে বদলা দিয়েছিলাম এক মহান কুরবানি।

মুহিউদ্দীন খান

আমি তার পরিবর্তে দিলাম যবেহ করার জন্যে এক মহান জন্তু।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি তাহাকে মুক্ত করিলাম এক কুরবানীর বিনিময়ে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর আমরা পরবর্তীদের মধ্যেও এই কুরবানির রীতি চালু রেখেছি।

জহুরুল হক

আর আমরা তাঁর জন্য পরবর্তীদের মধ্যে রেখেছিলাম - -

মুহিউদ্দীন খান

আমি তার জন্যে এ বিষয়টি পরবর্তীদের মধ্যে রেখে দিয়েছি যে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি ইহা পরবর্তীদের স্মরণে রাখিয়াছি।

আবদুস শহীদ নাসিম

সালাম (শান্তি বর্ষিত হোক) ইবরাহিমের প্রতি।

জহুরুল হক

ইব্রাহীমের প্রতি ''সালাম’’।

মুহিউদ্দীন খান

ইব্রাহীমের প্রতি সালাম বর্ষিত হোক।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইব্‌রাহীমের উপর শান্তি বর্ষিত হউক!

আবদুস শহীদ নাসিম

পুণ্যবানদের আমরা এভাবেই পুরস্কৃত করি।

জহুরুল হক

এইভাবেই আমরা প্রতিদান দিই সৎকর্মশীলদের।

মুহিউদ্দীন খান

এমনিভাবে আমি সৎকর্মীদেরকে প্রতিদান দিয়ে থাকি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এইভাবে আমি সৎকর্মপরায়ণদেরকে পুরস্কৃত করিয়া থাকি।

আবদুস শহীদ নাসিম

সে ছিলো আমাদের দাসদের একজন।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ তিনি ছিলেন আমাদের বান্দাদের মধ্যেকার।

মুহিউদ্দীন খান

সে ছিল আমার বান্দাদের একজন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

নিশ্চয়ই সে ছিল আমার বান্দাদের অন্যতম;

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর আমরা তাকে সুসংবাদ দিয়েছিলাম (পুত্র) ইসহাকের। সেও ছিলো একজন যোগ্য নবী।

জহুরুল হক

আর আমরা তাঁকে সুসংবাদ দিয়েছিলাম ইসহাকের - - একজন নবী সৎপথাবলন্বীদের মধ্যেকার।

মুহিউদ্দীন খান

আমি তাকে সুসংবাদ দিয়েছি ইসহাকের, সে সৎকর্মীদের মধ্য থেকে একজন নবী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি তাহাকে সুসংবাদ দিয়াছিলাম ইস্‌হাকের, সে ছিল এক নবী, সৎকর্মপরায়ণদের অন্যতম,

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা বরকত দান করেছিলাম তাকে এবং ইসহাককেও। তাদের বংশধরদের মধ্যে কিছু কল্যাণপরায়ণ লোকও আছে, আর কিছু আছে নিজেদের প্রতি সুস্পষ্ট যুলুমকারীও।

জহুরুল হক

আর আমরা আশীর্বাদ বর্ষণ করেছিলাম তাঁর উপরে ও ইসহাকের উপরে। আর তাঁদের দুজনের বংশধরদের মধ্যে থেকে কেউ হচ্ছেন সৎকর্মশীল, আর কেউ হচ্ছে তাদের নিজেদের প্রতি স্পষ্টভাবে অন্যায়াচারী।

মুহিউদ্দীন খান

তাকে এবং ইসহাককে আমি বরকত দান করেছি। তাদের বংশধরদের মধ্যে কতক সৎকর্মী এবং কতক নিজেদের উপর স্পষ্ট জুলুমকারী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি তাহাকে বরকত দান করিয়াছিলাম এবং ইস্‌হাককেও; তাহাদের বংশধরদের মধ্যে কতক সৎকর্মপরায়ণ এবং কতক নিজেদের প্রতি স্পষ্ট অত্যাচারী।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা ইহসান করেছিলাম মূসা এবং হারূণের প্রতি,

জহুরুল হক

আর নিশ্চয় আমরা মূসা ও হারূনের প্রতি অনুগ্রহ করেই ছিলাম,

মুহিউদ্দীন খান

আমি অনুগ্রহ করেছিলাম মূসা ও হারুনের প্রতি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি অনুগ্রহ করিয়াছিলাম মূসা ও হারূনের প্রতি,

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং আমরা নাজাত দিয়েছিলাম তাদেরকে এবং তাদের কওমকে মহাসংকট থেকে।

জহুরুল হক

আর তাঁদের দুজনকে ও তাঁদের লোকদলকে আমরা ভীষণ সংকট থেকে উদ্ধার করেছিলাম।

মুহিউদ্দীন খান

তাদেরকে ও তাদের সম্প্রদায়কে উদ্ধার করেছি মহা সংকট থেকে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং তাহাদেরকে এবং তাহাদের সম্প্রদায়কে আমি উদ্ধার করিয়াছিলাম মহাসংকট হইতে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তাদের সাহায্য করেছিলাম, ফলে তারাই হয়েছিল বিজয়ী।

জহুরুল হক

আর আমরা তাঁদের সাহায্য করেছিলাম, সেজন্য তাঁরা খোদ বিজয়ী হয়েছিলেন।

মুহিউদ্দীন খান

আমি তাদেরকে সাহায্য করেছিলাম, ফলে তারাই ছিল বিজয়ী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি সাহায্য করিয়াছিলাম তাহাদেরকে ফলে তাহারাই হইয়াছিল বিজয়ী।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তাদের উভয়কে দিয়েছিলাম সুবিস্তারিত কিতাব।

জহুরুল হক

আর তাঁদের উভয়কে আমরা দিয়েছিলাম এক স্পষ্ট গ্রন্থ,

মুহিউদ্দীন খান

আমি উভয়কে দিয়েছিলাম সুস্পষ্ট কিতাব।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি উভয়কে দিয়াছিলাম বিশদ কিতাব।

আবদুস শহীদ নাসিম

উভয়কেই পরিচালিত করেছিলাম সিরাতুল মুসতাকিমে (সরল সঠিক পথে)।

জহুরুল হক

আর তাঁদের উভয়কে আমরা পরিচালিত করেছিলাম সরল - সঠিক পথে,

মুহিউদ্দীন খান

এবং তাদেরকে সরল পথ প্রদর্শন করেছিলাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং তাহাদেরকে আমি পরিচালিত করিয়াছিলাম সরল পথে।

আবদুস শহীদ নাসিম

পরবর্তীদের মাঝে তাদের খ্যাতি সংরক্ষণ করেছি।

জহুরুল হক

আর তাদের জন্য আমরা পরবর্তীদের মধ্যে রেখেছিলাম - -

মুহিউদ্দীন খান

আমি তাদের জন্যে পরবর্তীদের মধ্যে এ বিষয় রেখে দিয়েছি যে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি তাহাদের উভয়কে পরবর্তীদের স্মরণে রাখিয়াছি।

আবদুস শহীদ নাসিম

সালাম মূসা এবং হারূণের প্রতি।

জহুরুল হক

মূসা ও হারূনের প্রতি ''সালাম’’।

মুহিউদ্দীন খান

মূসা ও হারুনের প্রতি সালাম বর্ষিত হোক।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মূসা ও হারূনের প্রতি শান্তি বর্ষিত হউক!

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা এভাবেই পুরস্কৃত করি পুণ্যবানদের।

জহুরুল হক

এইভাবেই আমরা অবশ্য প্রতিদান দিই সৎকর্মশীলদের।

মুহিউদ্দীন খান

এভাবে আমি সৎকর্মীদেরকে প্রতিদান দিয়ে থাকি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এইভাবে আমি সৎকর্মপরায়ণদেরকে পুরস্কৃত করিয়া থাকি।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা উভয়েই ছিলো আমাদের দাসদের অন্তরভুক্ত।

জহুরুল হক

নিশ্চয় তাঁরা ছিলেন আমাদের বান্দাদের মধ্যেকার।

মুহিউদ্দীন খান

তারা উভয়েই ছিল আমার বান্দাদের অন্যতম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহারা উভয়েই ছিল আমার বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত।

আবদুস শহীদ নাসিম

নিশ্চয়ই ইলিয়াসও ছিলো রসূলদের একজন।

জহুরুল হক

আর নিশ্চয়ই ইল্‌য়াস রসূলগণের মধ্যেকার ছিলেন।

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয়ই ইলিয়াস ছিল রসূল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইল্ইয়াসও ছিল রাসূলদের একজন।

আবদুস শহীদ নাসিম

স্মরণ করো, সে তার কওমকে বলেছিল: ‘‘তোমরা কি সতর্ক হবেনা?

জহুরুল হক

স্মরণ করো, তিনি তাঁর স্বজাতিকে বলেছিলেন - - ''তোমরা কি ধর্মভীরুতা অবলন্বন করবে না?

মুহিউদ্দীন খান

যখন সে তার সম্প্রদায়কে বললঃ তোমরা কি ভয় কর না ?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

স্মরণ কর, সে তাহার সম্প্রদায়কে বলিয়াছিল, ‘তোমরা কি সাবধান হইবে না?

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা কি বা’আল (দেবতা) - কেই ডাকবে, আর পরিত্যাগ করবে সর্বশ্রেষ্ঠ স্রষ্টা

জহুরুল হক

''তোমরা কি বা’লকে ডাকবে, আর পরিত্যাগ করবে সৃষ্টিকর্তাদের সর্বশ্রেষ্ঠজনকে,

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা কি বা’আল দেবতার এবাদত করবে এবং সর্বোত্তম স্রষ্টাকে পরিত্যাগ করবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘তোমরা কি বা‘আলকে ডাকিবে এবং পরিত্যাগ করিবে শ্রেষ্ঠ স্রষ্টা -

আবদুস শহীদ নাসিম

আল্লাহকে, যিনি তোমাদের রব এবং তোমাদের পূর্ব পুরুষদেরও রব?’’

জহুরুল হক

‌কে - - তোমাদের প্রভু এবং পূর্বকালীন তোমাদের পিতৃপুরুষদেরও প্রভু?’’

মুহিউদ্দীন খান

যিনি তোমাদের পালনকর্তা এবং তোমাদের পূর্বপুরুষদের পালনকর্তা?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌কে, যিনি প্রতিপালক তোমাদের - প্রতিপালক তোমাদের প্রাক্তন পূর্বপুরুষদের ?’

আবদুস শহীদ নাসিম

কিন্তু তারা তাকে মিথ্যাবাদী বলে প্রত্যাখ্যান করে। সুতরাং তাদেরকে অবশ্যি (শাস্তির জন্যে) হাজির করা হবে।

জহুরুল হক

কিন্তু তারা তাঁর প্রতি মিথ্যারোপ করল, সেজন্য তাদের নিশ্চয়ই হাজির করা হবে,

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর তারা তাকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করল। অতএব তারা অবশ্যই গ্রেফতার হয়ে আসবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কিন্তু উহারা তাহাকে মিথ্যাবাদী বলিয়াছিল, কাজেই উহাদেরকে অবশ্যই শাস্তির জন্য উপস্থিত করা হইবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তবে আমাদের মুখলিস (নিষ্ঠাবান) বান্দাদের কথা ভিন্ন।

জহুরুল হক

শুধু ‌র একনিষ্ঠ বান্দাদের ব্যতীত।

মুহিউদ্দীন খান

কিন্তু তা’আলার খাঁটি বান্দাগণ নয়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তবে ‌র একনিষ্ঠ বান্দাদের কথা স্বতন্ত্র।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তাকে স্মরণীয় করে রেখেছি পরবর্তীদের মাঝে।

জহুরুল হক

আর তাঁর জন্য আমরা পরবর্তীদের মধ্যে রেখেছিলাম - -

মুহিউদ্দীন খান

আমি তার জন্যে পরবর্তীদের মধ্যে এ বিষয়ে রেখে দিয়েছি যে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি ইহা পরবর্তীদের স্মরণে রাখিয়াছি।

আবদুস শহীদ নাসিম

সালাম ইলয়াসিনের (ইলিয়াসের) প্রতি।

জহুরুল হক

ইল্‌য়াসীনের উপরে ''সালাম’’।

মুহিউদ্দীন খান

ইলিয়াসের প্রতি সালাম বর্ষিত হোক!

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইল্ইয়াসীনের উপর শান্তি বর্ষিত হউক।

আবদুস শহীদ নাসিম

এভাবেই আমরা পুরস্কৃত করি কল্যাণপরায়ণদের।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ এইভাবেই আমরা সৎকর্মশীলদের পুরস্কার দিয়ে থাকি।

মুহিউদ্দীন খান

এভাবেই আমি সৎকর্মীদেরকে প্রতিদান দিয়ে থাকি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এইভাবে আমি সৎকর্মপরায়ণদেরকে পুরস্কৃত করিয়া থাকি।

আবদুস শহীদ নাসিম

সে ছিলো আমাদের দাসদের একজন।

জহুরুল হক

তিনি নিশ্চয়ই ছিলেন আমাদের বান্দাদের অন্যতম।

মুহিউদ্দীন খান

সে ছিল আমার বান্দাদের অন্তর্ভূক্ত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সে তো ছিল আমার বান্দাদের অন্যতম।

আবদুস শহীদ নাসিম

নিশ্চয়ই লুতও ছিলো রসূলদের একজন।

জহুরুল হক

আর অবশ্যই লূত ছিলেন রসূলগণের মধ্যেকার।

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় লূত ছিলেন রসূলগণের একজন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

লূতও ছিল রাসূলদের একজন।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তাকে এবং তার পরিবার পরিজন সবাইকে নাজাত দিয়েছিলাম

জহুরুল হক

স্মরণ কর! তাঁকে ও তাঁর পরিজনকে উদ্ধার করেছিলাম, সব ক’জনকেই - -

মুহিউদ্দীন খান

যখন আমি তাকেও তার পরিবারের সবাইকে উদ্ধার করেছিলাম;

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি তাহাকে ও তাহার পরিবারের সকলকে উদ্ধার করিয়াছিলাম -

আবদুস শহীদ নাসিম

এক বৃদ্ধাকে ছাড়া। সে ছিলো পেছনে পড়াদের একজন।

জহুরুল হক

এক বৃদ্ধাকে ব্যতীত, যে ছিল পেছনে রয়ে যাওয়া দলের।

মুহিউদ্দীন খান

কিন্তু এক বৃদ্ধাকে ছাড়া; সে অন্যান্যদের সঙ্গে থেকে গিয়েছিল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এক বৃদ্ধা ব্যতীত, যে ছিল পশ্চাতে অবস্থানকারীদের অন্তর্ভুক্ত।

আবদুস শহীদ নাসিম

(তাদের নাজাত দিয়ে) বাকিদের আমরা ধ্বংস করে দিয়েছিলাম।

জহুরুল হক

তারপর আমরা অবশিষ্টদের সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করেছিলাম।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর অবশিষ্টদেরকে আমি সমূলে উৎপাটিত করেছিলাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর অবশিষ্টদেরকে আমি সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করিয়াছিলাম।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা তাদের ধ্বংসাবশেষগুলো অতিক্রম করো সকালে

জহুরুল হক

আর নিঃসন্দেহ তোমরা তো তাদের অতিক্রম করে থাক সকালবেলায়,

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা তোমাদের ধ্বংস স্তুপের উপর দিয়ে গমন কর ভোর বেলায়

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমরা তো উহাদের ধ্বংসাবশেষগুলি অতিক্রম করিয়া থাক সকালে ও

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং রাত্রে। তবু কি তোমরা আকল খাটাবেনা?

জহুরুল হক

এবং রাত্রিকালে। তবুও কি তোমরা বুঝবে না।

মুহিউদ্দীন খান

এবং সন্ধ্যায়, তার পরেও কি তোমরা বোঝ না?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সন্ধ্যায়। তবুও কি তোমরা অনুধাবন করিবে না?

আবদুস শহীদ নাসিম

ইউনুস অবশ্যি রসূলদের একজন।

জহুরুল হক

আর নিশ্চয়ই ইউনুস ছিলেন রসূলগণের অন্যতম।

মুহিউদ্দীন খান

আর ইউনুসও ছিলেন পয়গম্বরগণের একজন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইউনুসও ছিল রাসূলদের একজন।

আবদুস শহীদ নাসিম

স্মরণ করো, যখন সে পালিয়ে এসে বোঝাই করা নৌযানের কাছে পৌঁছালো।

জহুরুল হক

স্মরণ করো! তিনি বোঝাই করা জাহাজে গিয়ে উঠেছিলেন।

মুহিউদ্দীন খান

যখন পালিয়ে তিনি বোঝাই নৌকায় গিয়ে পৌঁছেছিলেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

স্মরণ কর, যখন সে পলায়ন করিয়া বোঝাই নৌযানে পৌঁছিল,

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর সে লটারিতে যোগ দিলো এবং পরাজিত হলো।

জহুরুল হক

তাই তিনি লটারী খেলেছিলেন, কিন্তু তিনিই হয়ে গেলেন নিক্ষিপ্তদের একজন।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর লটারী (সুরতি) করালে তিনি দোষী সাব্যস্ত হলেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর সে লটারীতে যোগদান করিল এবং পরাভূত হইল।

আবদুস শহীদ নাসিম

(ফলে তারা তাকে ফেলে দিলো দরিয়ায়) এবং একটা বিশাল মাছ তাকে গিলে ফেললো। তখন সে নিজেকে তিরস্কার করতে থাকলো।

জহুরুল হক

তখন একটি মাছ তাঁকে মুখে তুলে নিল, যদিও তিনি দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর একটি মাছ তাঁকে গিলে ফেলল, তখন তিনি অপরাধী গণ্য হয়েছিলেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

পরে এক বৃহদাকার মৎস্য তাহাকে গিলিয়া ফেলিল, তখন সে নিজেকে ধিক্কার দিতে লাগিল।

আবদুস শহীদ নাসিম

সে যদি আল্লাহর তসবিহ ঘোষণাকারী না হতো,

জহুরুল হক

আর তিনি যদি মহিমা জপতপে রত না থাকতেন - -

মুহিউদ্দীন খান

যদি তিনি আল্লাহর তসবীহ পাঠ না করতেন,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সে যদি ‌র পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা না করিত,

আবদুস শহীদ নাসিম

তাহলে তাকে তার পেটেই থাকতে হতো পুনরুত্থান দিবস পর্যন্ত।

জহুরুল হক

তাহলে তিনি তার পেটে রয়ে যেতেন পুনরুত্থান দিন পর্যন্ত।

মুহিউদ্দীন খান

তবে তাঁকে কেয়ামত দিবস পর্যন্ত মাছের পেটেই থাকতে হত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহা হইলে তাহাকে উত্থান দিবস পর্যন্ত থাকিতে হইত উহার উদরে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন আমরা তাকে নিক্ষেপ করলাম এক তরুলতাবিহীন প্রান্তরে এবং তখন ভীষণ অসুস্থ ছিলো সে।

জহুরুল হক

তারপর আমরা তাঁকে এক বৃক্ষলতা শূন্য উপকূলে ফেলে দিলাম, আর তিনি ছিলেন অসুস্থ।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর আমি তাঁকে এক বিস্তীর্ণ - বিজন প্রান্তরে নিক্ষেপ করলাম, তখন তিনি ছিলেন রুগ্ন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর ইউনুসকে আমি নিক্ষেপ করিলাম এক তৃণহীন প্রান্তরে এবং সে ছিল রুগ্ন।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তার উপর উদগত করে দিলাম একটি লাউ গাছ।

জহুরুল হক

তখন তাঁর উপরে আমরা জন্মিয়েছিলাম লাউজাতীয় গাছ,

মুহিউদ্দীন খান

আমি তাঁর উপর এক লতাবিশিষ্ট বৃক্ষ উদগত করলাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

পরে আমি তাহার উপর এক লাউ গাছ উদ্‌গত করিলাম.

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর আমরা তাকে পুনরায় পাঠালাম এক লাখ বা তার চাইতে বেশি লোকের জনপদে।

জহুরুল হক

আর আমরা তাঁকে পাঠিয়েছিলাম এক লাখ বা আরো বেশী লোকের কাছে,

মুহিউদ্দীন খান

এবং তাঁকে, লক্ষ বা ততোধিক লোকের প্রতি প্রেরণ করলাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহাকে আমি এক লক্ষ বা ততোধিক লোকের প্রতি প্রেরণ করিয়াছিলাম।

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন তারা ঈমান আনলো, ফলে আমরা তাদেরকে কিছু কালের জন্যে জীবন ভোগ করতে দিয়েছিলাম।

জহুরুল হক

তখন তারা বিশ্বাস করেছিল, সেজন্য আমরা তাদের উপভোগ করতে দিয়েছিলাম কিছুকালের জন্য।

মুহিউদ্দীন খান

তারা বিশ্বাস স্থাপন করল অতঃপর আমি তাদেরকে নির্ধারিত সময় পর্যন্ত জীবনোপভোগ করতে দিলাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং তাহারা ঈমান আনিয়াছিল; ফলে আমি তাহাদেরকে কিছুকালের জন্য জীবনোপভোগ করিতে দিলাম।

আবদুস শহীদ নাসিম

এখন তুমি তাদের জিজ্ঞেস করো: সব কন্যা সন্তান কি তোমার প্রভুর জন্যে, আর তাদের জন্যে কি সব পুত্র সন্তান?

জহুরুল হক

সুতরাং তাদের জিজ্ঞাসা করো - - তোমার প্রভুর জন্য কি কন্যাসন্তান রয়েছে, আর তাদের জন্য পুত্রসন্তান?

মুহিউদ্দীন খান

এবার তাদেরকে জিজ্ঞেস করুন, তোমার পালনকর্তার জন্যে কি কন্যা সন্তান রয়েছে এবং তাদের জন্যে কি পুত্র - সন্তান।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এখন উহাদেরকে জিজ্ঞাসা কর, ‘তোমার প্রতিপালকের জন্যই কি রহিয়াছে কন্যা সন্তান এবং উহাদের জন্য পুত্র সন্তান?’

আবদুস শহীদ নাসিম

নাকি আমরা ফেরেশতাদের নারী করে সৃষ্টি করেছি এবং এ ব্যাপারে তারা ছিলো প্রত্যক্ষদর্শী?

জহুরুল হক

অথবা, আমরা কি ফিরিশ্‌তাদের নারীরূপে সৃষ্টি করেছিলাম, আর তারা সাক্ষী ছিল?

মুহিউদ্দীন খান

না কি আমি তাদের উপস্থিতিতে ফেরেশতাগণকে নারীরূপে সৃষ্টি করেছি?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অথবা আমি কি ফিরিশ্‌তাদেরকে নারীরূপে সৃষ্টি করিয়াছিলাম, আর উহারা প্রত্যক্ষ করিতেছিল?

আবদুস শহীদ নাসিম

সাবধান, তারা কথা রচনা করে বলে:

জহুরুল হক

এটি কি নয় যে তারা আলবৎ তাদের মিথ্যা থেকেই তো কথা বলছে, - -

মুহিউদ্দীন খান

জেনো, তারা মনগড়া উক্তি করে যে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

দেখ উহারা তো মনগড়া কথা বলে যে,

আবদুস শহীদ নাসিম

‘ সন্তান জন্ম দিয়েছেন।’ আসলে তারা চরম মিথ্যাবাদী।

জহুরুল হক

জন্ম দিয়েছিলেন? আর তারা তো নিশ্চয়ই মিথ্যাবাদী।

মুহিউদ্দীন খান

সন্তান জন্ম দিয়েছেন। নিশ্চয় তারা মিথ্যাবাদী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘‌ সন্তান জন্ম দিয়াছেন!’ উহারা নিশ্চয়ই মিথ্যাবাদী।

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনি কি পুত্র সন্তানের পরিবর্তে কন্যা সন্তান বেছে নিয়েছেন?

জহুরুল হক

তিনি কি কন্যাদের পছন্দ করেছেন পুত্রদের পরিবর্তে?

মুহিউদ্দীন খান

তিনি কি পুত্র - সন্তানের স্থলে কন্যা - সন্তান পছন্দ করেছেন?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তিনি কি পুত্র সন্তানের পরিবর্তে কন্যা সন্তান পসন্দ করিতেন?

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমাদের হয়েছে কী, তোমাদের এ কেমন বিচার?

জহুরুল হক

তোমাদের কি হয়েছে? কিভাবে তোমরা বিচার করো?

মুহিউদ্দীন খান

তোমাদের কি হল? তোমাদের এ কেমন সিন্ধান্ত?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমাদের কী হইয়াছে, তোমরা কিরূপ বিচার কর?

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা কি উপদেশ গ্রহণ করবে না?

জহুরুল হক

তোমরা কি তবে মনোযোগ দেবে না?

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা কি অনুধাবন কর না?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তবে কি তোমরা উপদেশ গ্রহণ করিবে না?

আবদুস শহীদ নাসিম

নাকি তোমাদের কাছে সুস্পষ্ট প্রমাণ আছে?

জহুরুল হক

নাকি তোমাদের কাছে কোনো স্পষ্ট দলিল - প্রমাণ রয়েছে?

মুহিউদ্দীন খান

না কি তোমাদের কাছে সুস্পষ্ট কোন দলীল রয়েছে?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমাদের কী সুস্পষ্ট দলীল - প্রমাণ আছে?

আবদুস শহীদ নাসিম

তবে তোমরা সত্যবাদী হয়ে থাকলে তোমাদের কিতাব নিয়ে আসো।

জহুরুল হক

তেমন হলে তোমাদের গ্রন্থ নিয়ে এস, যদি তোমরা সত্যবাদী হও।

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা সত্যবাদী হলে তোমাদের কিতাব আন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমরা সত্যবাদী হইলে তোমাদের কিতাব উপস্থিত কর।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা এবং জিনদের মাঝেও আত্মীয়তার সম্পর্ক স্থির করে। অথচ জিনরা জানে, অবশ্যি তাদেরকে হাজির করা হবে বিচারের জন্যে।

জহুরুল হক

আর তারা তাঁর মধ্যে ও জিনদের মধ্যে একটা সম্পর্ক দাঁড় করিয়েছে। আর জিনরা তো জেনেই ফেলেছে যে তাদের অবশ্যই উপস্থাপিত করা হবে।

মুহিউদ্দীন খান

তারা ও জ্বিনদের মধ্যে সম্পর্ক সাব্যস্ত করেছে, অথচ জ্বিনেরা জানে যে, তারা গ্রেফতার হয়ে আসবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা ও জিন জাতির মধ্যে আত্মীয়তার সম্পর্ক স্থির করিয়াছে, অথচ জিনেরা জানে তাহাদেরকেও নিশ্চয়ই উপস্থিত করা হইবে শাস্তির জন্য।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা আল্লাহর প্রতি যা আরোপ করে তিনি তা থেকে পবিত্র, মহান।

জহুরুল হক

‌রই সব মহিমা! তারা যা আরোপ করে তা থেকে বহু ঊর্ধ্বে, - -

মুহিউদ্দীন খান

তারা যা বলে তা থেকে পবিত্র।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা যাহা বলে তাহা হইতে ‌ পবিত্র, মহান -

আবদুস শহীদ নাসিম

তবে আল্লাহর মুখলিস (একনিষ্ঠ) বান্দারা তা করে না।

জহুরুল হক

‌র নিষ্ঠাবান বান্দারা ব্যতীত।

মুহিউদ্দীন খান

তবে যারা আল্লাহর নিষ্ঠাবান বান্দা, তারা গ্রেফতার হয়ে আসবে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌র একনিষ্ঠ বান্দাগণ ব্যতিত,

আবদুস শহীদ নাসিম

জেনে রাখো, তোমরা নিজেরা এবং তোমরা যাদের ইবাদত (পূজা, উপাসনা) করো, তারা (সবাই মিলে)

জহুরুল হক

অতএব নিশ্চয়ই তোমরা ও যাদের তোমরা উপাসনা কর তারা - -

মুহিউদ্দীন খান

অতএব তোমরা এবং তোমরা যাদের উপাসনা কর,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমরা এবং তোমরা যাহাদের ‘ইবাদত কর উহারা -

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা কাউকেও আল্লাহর ব্যাপারে বিভ্রান্ত করতে পারবে না।

জহুরুল হক

তোমরা তাঁর বিরুদ্ধে বিভ্রান্তকারী হতে পারবে না, - -

মুহিউদ্দীন খান

তাদের কাউকেই তোমরা সম্পর্কে বিভ্রান্ত করতে পারবে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমরা কাহাকেও ‌ সম্বন্ধে বিভ্রান্ত করিতে পারিবে না -

আবদুস শহীদ নাসিম

কেবল জাহিমে (জাহান্নামে) প্রবেশকারীকে ছাড়া।

জহুরুল হক

তাকে ব্যতীত যে জ্বলন্ত আগুনে পুড়তে চায়।

মুহিউদ্দীন খান

শুধুমাত্র তাদের ছাড়া যারা জাহান্নামে পৌছাবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কেবল অগ্নিতে প্রবেশকারীকে ব্যতীত।

আবদুস শহীদ নাসিম

(ফেরেশতারা বলে:)! ‘‘আমাদের প্রত্যেকের জন্যেই রয়েছে নির্ধারিত স্থান।

জহুরুল হক

আর ''আমাদের মধ্যে এমন কেউ নেই যার জন্যে নির্ধারিত আবাস নেই,

মুহিউদ্দীন খান

আমাদের প্রত্যেকের জন্য রয়েছে নির্দিষ্ট স্থান।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমাদের প্রত্যেকের জন্যই নির্ধারিত স্থান রহিয়াছে,

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা অবশ্যি সারিবদ্ধভাবে দন্ডায়মান।

জহুরুল হক

''আর নিশ্চয়ই আমরা, আমরাই তো সারিবদ্ধভাবে দাঁড়াব,

মুহিউদ্দীন খান

এবং আমরাই সারিবদ্ধভাবে দন্ডায়মান থাকি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমরা তো সারিবদ্ধভাবে দণ্ডায়মান

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা অবশ্যি আল্লাহর তসবিহ্ (পবিত্রতা ও শ্রেষ্ঠত্ব) ঘোষণাকারী।’’

জহুরুল হক

''আর অবশ্য আমরা, আলবৎ আমরা জপ করতে থাকব।’’

মুহিউদ্দীন খান

এবং আমরাই আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘এবং আমরা অবশ্যই তাঁহার পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণাকারী।’

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা তো বলে আসছে:

জহুরুল হক

আর নিশ্চয়ই তারা বলতে থাকতো - -

মুহিউদ্দীন খান

তারা তো বলতঃ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারাই তো বলিয়া আসিয়াছে,

আবদুস শহীদ নাসিম

‘‘আগেকার কিতাবের মতো কোনো কিতাব যদি আমাদের কাছে থাকতো,

জহুরুল হক

''যদি আমাদের কাছে পূর্ববর্তীদের কাছ থেকে কোনো স্মরণীয় গ্রন্থ থাকতো,

মুহিউদ্দীন খান

যদি আমাদের কাছে পূর্ববর্তীদের কোন উপদেশ থাকত,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘পূর্ববর্তীদের কিতাবের মত যদি আমাদের কোন কিতাব থাকিত,

আবদুস শহীদ নাসিম

তবে অবশ্যি আমরা আল্লাহর মুখলিস (নিষ্ঠাবান) বান্দা হয়ে যেতাম।’’

জহুরুল হক

''তাহলে আমরা ‌র নিষ্ঠাবান বান্দা হতে পারতাম।’’

মুহিউদ্দীন খান

তবে আমরা অবশ্যই আল্লাহর মনোনীত বান্দা হতাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমরা অবশ্যই ‌র একনিষ্ঠ বান্দা হইতাম।’

আবদুস শহীদ নাসিম

কিন্তু তারা সেটির (কুরআনের) প্রতি কুফুরি করলো, এখন অচিরেই তারা জানতে পারবে (এর পরিণাম)।

জহুরুল হক

কিন্তু তারা এতে অবিশ্বাস পোষণ করে, কাজেই শীঘ্রই তারা জানতে পারবে।

মুহিউদ্দীন খান

বস্তুতঃ তারা এই কোরআনকে অস্বীকার করেছে। এখন শীঘ্রই তারা জেনে নিতে পারবে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কিন্তু উহারা কুরআন প্রত্যাখ্যান করিল এবং শীঘ্রই উহারা জানিতে পারিবে;

আবদুস শহীদ নাসিম

আমার রসূলদের ব্যাপারে আমার এই ফায়সালা পূর্ব থেকেই স্থির হয়ে আছে যে,

জহুরুল হক

আর অবশ্যই আমাদের বক্তব্য আমাদের বান্দাদের - - প্রেরিত পুরুষদের, জন্য সাব্যস্ত হয়েই গেছে, - -

মুহিউদ্দীন খান

আমার রাসূল ও বান্দাগণের ব্যাপারে আমার এই বাক্য সত্য হয়েছে যে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমার প্রেরিত বান্দাদের সম্পর্কে আমার এই বাক্য পূর্বেই স্থির হইয়াছে যে,

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা অবশ্যি সাহায্যপ্রাপ্ত হবে,

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ তাঁরা - - তাঁরাই তো হবে সাহায্যপ্রাপ্ত,

মুহিউদ্দীন খান

অবশ্যই তারা সাহায্য প্রাপ্ত হয়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অবশ্যই তাহারা সাহায্যপ্রাপ্ত হইবে,

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং আমাদের বাহিনীই হবে বিজয়ী।

জহুরুল হক

আর নিঃসন্দেহ আমাদের সেনাদল - - তারাই তো হবে বিজয়ী।

মুহিউদ্দীন খান

আর আমার বাহিনীই হয় বিজয়ী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং আমার বাহিনীই হইবে বিজয়ী।

আবদুস শহীদ নাসিম

সুতরাং কিছুকালের জন্যে তুমি তাদের উপেক্ষা করে চলো।

জহুরুল হক

অতএব তাদের থেকে ফিরে থেকো কিছুকালের জন্য,

মুহিউদ্দীন খান

অতএব আপনি কিছুকালের জন্যে তাদেরকে উপেক্ষা করুন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতএব কিছু কালের জন্য তুমি উহাদেরকে উপেক্ষা কর।

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং তাদের পর্যবেক্ষণ করতে থাকো, শীঘ্রি তারা দেখতে পাবে।

জহুরুল হক

আর তাদের প্রতি লক্ষ্য রাখো, কেননা তারাও শীঘ্রই দেখতে পাবে।

মুহিউদ্দীন খান

এবং তাদেরকে দেখতে থাকুন। শীঘ্রই তারাও এর পরিণাম দেখে নেবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তুমি উহাদেরকে পর্যবেক্ষণ কর, শীঘ্রই উহারা প্রত্যক্ষ করিবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা কি আমাদের আযাব দ্রুত করার কামনা করে?

জহুরুল হক

তারা কি তবে আমাদের শাস্তি ত্বরান্বিত করতে চায়?

মুহিউদ্দীন খান

আমার আযাব কি তারা দ্রুত কামনা করে?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা কি তবে আমার শাস্তি ত্বরান্বিত করিতে চায়?

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের আঙিনায় যখন আযাব নেমে আসবে, তখন তারা দেখতে পাবে, যাদের সতর্ক করা হয়েছে তাদের সকাল বেলাটা কতো নিকৃষ্ট!

জহুরুল হক

কিন্তু যখন তা তাদের আঙিনায় অবতরণ করবে তখন সতর্কীকৃতদের প্রভাত হবে কত মন্দ!

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর যখন তাদের আঙ্গিনায় আযাব নাযিল হবে, তখন যাদেরকে সতর্ক করা হয়েছিল, তাদের সকাল বেলাটি হবে খুবই মন্দ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহাদের আঙিনায় যখন শাস্তি নামিয়া আসিবে তখন সতর্কীকৃতদের প্রভাত হইবে কত মন্দ!

আবদুস শহীদ নাসিম

সুতরাং কিছু কালের জন্যে তাদের উপেক্ষা করো।

জহুরুল হক

আর তুমি তাদের থেকে ফিরে থেকো কিছুকালের জন্য,

মুহিউদ্দীন খান

আপনি কিছুকালের জন্যে তাদেরকে উপেক্ষা করুন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতএব কিছু কালের জন্য তুমি উহাদেরকে উপেক্ষা কর।

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং পর্যবেক্ষণ করো। অচিরেই তারা দেখতে পাবে (তাদের পরিণতি)।

জহুরুল হক

আর লক্ষ্য রাখো, কেননা তারাও শীঘ্রই দেখতে পাবে।

মুহিউদ্দীন খান

এবং দেখতে থাকুন, শীঘ্রই তারাও এর পরিণাম দেখে নেবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তুমি উহাদেরকে পর্যবেক্ষণ কর, শীঘ্রই উহারা প্রত্যক্ষ করিবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা তাঁর প্রতি যা আরোপ করে, তা থেকে তোমার প্রভু পবিত্র ও মহান এবং সকল ক্ষমতার অধিকারী।

জহুরুল হক

মহিমা কীর্তিত হোক তোমার প্রভুর - - পরম মর্যাদা সম্পন্ন প্রভুর, তারা যা - কিছু আরোপ করে তা থেকে বহু ঊর্ধ্বে।

মুহিউদ্দীন খান

পবিত্র আপনার পরওয়ারদেগারের সত্তা, তিনি সম্মানিত ও পবিত্র যা তারা বর্ণনা করে তা থেকে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা যাহা আরোপ করে তাহা হইতে পবিত্র ও মহান তোমার প্রতিপালক, যিনি সকল ক্ষমতার অধিকারী।

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং সালাম রসূলদের প্রতি।

জহুরুল হক

আর 'সালাম’ প্রেরিতপুরুষদের উপরে।

মুহিউদ্দীন খান

পয়গম্বরগণের প্রতি সালাম বর্ষিত হোক।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

শান্তি বর্ষিত হউক রাসূলদের প্রতি!

আবদুস শহীদ নাসিম

আর সমস্ত প্রশংসা রাববুল আলামিনের জন্যে।

জহুরুল হক

আর সকল প্রশংসা ‌রই জন্য - - বিশ্বজগতের প্রভু!

মুহিউদ্দীন খান

সমস্ত প্রশংসা বিশ্বপালক আল্লাহর নিমিত্ত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর সকল প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক ‌রই প্রাপ্য।

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme