Kitab

আস্ সফ (সারি)

Chapter 61, 14 verses

  • আবদুস শহীদ নাসিম
  • জহুরুল হক
  • মুহিউদ্দীন খান
  • সমকালীন বাংলা
About this chapter


মদিনায় অবতীর্ণ, আয়াত সংখ্যা: ১৪, রুকু সংখ্যা: ০২

এই সূরার আলোচ্যসূচি

আয়াতআলোচ্য বিষয় ০১-০৬মুমিনদের দ্বিমুখী আচরণের নিন্দা। মূসা এবং ঈসার সাথিরা তাদের কষ্ট দিয়েছিল। ঈসা আ. আহমদের আগমনের ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন। ০৭-০৯কাফিররা ইসলামের আলো নিভিয়ে দিতে চায়। রসূলকে পাঠানো হয়েছে ইসলামকে বিজয়ী করার উদ্দেশ্যে। ১০-১৪আযাব থেকে মুক্তির উপায় ঈমান ও জিহাদ। মুমিনদেরকে আল্লাহর সাহায্যকারী হওয়ার নির্দেশ, যেমনটি হয়েছিল ঈসার সাথিরা।
আবদুস শহীদ নাসিম

যা কিছু আছে মহাকাশে এবং যা কিছু আছে পৃথিবীতে সবই আল্লাহর তসবিহ্ করে এবং তিনি মহাশক্তিধর, মহাপ্রজ্ঞাবান।

জহুরুল হক

‌র মহিমা ঘোষণা করছে যা - কিছু আছে মহাকাশমন্ডলে ও যা - কিছু আছে পৃথিবীতে, আর তিনি মহাশক্তিশালী, পরমজ্ঞানী।

মুহিউদ্দীন খান

নভোমন্ডলে ও ভূমন্ডলে যা কিছু আছে, সবই আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করে। তিনি পরাক্রান্ত প্রজ্ঞাবান।

সমকালীন বাংলা

আল্লাহর নামে শুরু করছি, পরম করুণাময় পরম দয়ালু; আকাশসমূহে এবং পৃথিবীতে যা আছে, সবকিছুই আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করে। আর তিনিই মহাশক্তিশালী, মহাপ্রজ্ঞাবান।

আবদুস শহীদ নাসিম

হে লোকেরা! তোমরা এমন কথা কেন বলো, যা তোমরা করোনা?

জহুরুল হক

ওহে যারা ঈমান এনেছ! কেন তোমরা তা বল যা তোমরা কর না?

মুহিউদ্দীন খান

মুমিনগণ! তোমরা যা কর না, তা কেন বল?

সমকালীন বাংলা

হে যারা ঈমান এনেছো, তোমরা এমন কথা কেন বলো, যা তোমরা করো না?

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা যা করোনা, তোমাদের সেকথা বলাটা আল্লাহর কাছে খুবই অসন্তোষজনক।

জহুরুল হক

‌র কাছে অত্যন্ত ঘৃণিত যে তোমরা এমন সব বল যা তোমরা কর না।

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা যা কর না, তা বলা আল্লাহর কাছে খুবই অসন্তোষজনক।

সমকালীন বাংলা

আল্লাহর কাছে এটি অত্যন্ত অপছন্দনীয় যে, তোমরা এমন কথা বলো, যা তোমরা করো না।

আবদুস শহীদ নাসিম

সেইসব লোকদের ভালোবাসেন, যারা তাঁর পথে লড়াই করে সীসা ঢেলে তৈরি করা মজবুত প্রাচীরের মতো সারিবদ্ধ হয়ে।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ ভালবাসেন তাদের যারা তাঁর পথে যুদ্ধ করে সারিবদ্ধভাবে, যেন তারা একটি জমাট গাঁথুনি।

মুহিউদ্দীন খান

তাদেরকে ভালবাসেন, যারা তাঁর পথে সারিবদ্ধভাবে লড়াই করে, যেন তারা সীসাগালানো প্রাচীর।

সমকালীন বাংলা

নিশ্চয়ই তাদেরকে ভালোবাসেন, যারা তাঁর পথে এমনভাবে সারিবদ্ধ হয়ে যুদ্ধ করে, যেন তারা সীসা দিয়ে গাঁথা এক সুদৃঢ় প্রাচীর।

আবদুস শহীদ নাসিম

মূসা যখন তার কওমকে বলেছিল: ‘হে আমার কওম! তোমরা কেন আমাকে কষ্ট দাও? অথচ তোমরা তো জানো, আমি তোমাদের কাছে আল্লাহর রসূল। তারপর তারা যখন বক্রতা অবলম্বন করে তখন আল্লাহ্ও তাদের অন্তরকে বক্র করে দেন। ফাসিকদের সঠিক পথ দেখাননা।

জহুরুল হক

আর স্মরণ করো! মূসা তাঁর স্বজাতিকে বলেছিলেন, ''হে আমার লোকদল! কেন তোমরা আমাকে কষ্ট দিচ্ছ যখন তোমরা জেনে গিয়েছ যে আমি নিশ্চয়ই তোমাদের নিকট ‌র প্রেরিত - পুরুষ?’’ তারপর তারা যখন বিমুখ হয়ে গিয়েছিল তখন তাদের হৃদয়কে বিমুখ করে দিলেন। আর সত্যত্যাগী জাতিকে সৎপথে চালান না।

মুহিউদ্দীন খান

স্মরণ কর, যখন মূসা (আঃ) তাঁর সম্প্রদায়কে বললঃ হে আমার সম্প্রদায়, তোমরা কেন আমাকে কষ্ট দাও, অথচ তোমরা জান যে, আমি তোমাদের কাছে আল্লাহর রসূল। অতঃপর তারা যখন বক্রতা অবলম্বন করল, তখন তাদের অন্তরকে বক্র করে দিলেন। পাপাচারী সম্প্রদায়কে পথপ্রদর্শন করেন না।

সমকালীন বাংলা

আর যখন মূসা তাঁর সম্প্রদায়কে বলেছিলেন, “হে আমার সম্প্রদায়, তোমরা আমাকে কেন কষ্ট দিচ্ছো? অথচ তোমরা তো জানো যে, আমি তোমাদের প্রতি আল্লাহর রাসূল।” অতঃপর যখন তারা বক্রপথে চলল, তখন তাদের অন্তরকে বক্র করে দিলেন। আর অবাধ্য জাতিকে পথনির্দেশ করেন না।

Note

বক্রপথে বা বাঁকা পথে

আবদুস শহীদ নাসিম

স্মরণ করো, মরিয়মের পুত্র ঈসা যখন বলেছিল: ‘হে বনি ইসরাঈল! আমি তোমাদের প্রতি আল্লাহর রসূল। আমার আগে থেকেই তোমাদের কাছে যে তাওরাত রয়েছে আমি তার সত্যায়ন করছি এবং আমি সুসংবাদ দিচ্ছি, আমার পরে একজন রসূল আসবেন, তাঁর নাম হবে আহমদ।’ তারপর সে (আহমদ) যখন স্পষ্ট নিদর্শনাবলি নিয়ে তাদের কাছে এলো, তারা বললো: ‘এতো এক স্পষ্ট ম্যাজিক।’

জহুরুল হক

আর স্মরণ করো! মরিময়পুত্র ঈসা বলেছিলেন - - ''হে ইসরাইলের বংশধরগণ! আমি নিশ্চয়ই তোমাদের নিকট ‌র রসূল, আমার সমক্ষে তওরাতে যা রয়েছে আমি তার সমর্থনকারী, আর সুসংবাদদাতা এমন এক রসূল সন্বন্ধে যিনি আমার পরে আসবেন, তাঁর নাম 'আহ্‌মদ’।’’ তারপর যখন তিনি তাদের কাছে এলেন স্পষ্ট প্রমাণাবলীসহ, তারা বললে - - ''এ তো এক স্পষ্ট জাদু!’’

মুহিউদ্দীন খান

স্মরণ কর, যখন মরিয়ম - তনয় ঈসা (আঃ) বললঃ হে বনী ইসরাইল! আমি তোমাদের কাছে আল্লাহর প্রেরিত রসূল, আমার পূর্ববর্তী তওরাতের আমি সত্যায়নকারী এবং আমি এমন একজন রসূলের সুসংবাদদাতা, যিনি আমার পরে আগমন করবেন। তাঁর নাম আহমদ। অতঃপর যখন সে স্পষ্ট প্রমাণাদি নিয়ে আগমন করল, তখন তারা বললঃ এ তো এক প্রকাশ্য যাদু।

সমকালীন বাংলা

আর যখন মারইয়ামের পুত্র ঈসা বলেছিলেন, “হে ইসরাঈলের সন্তানগণ, নিশ্চয়ই আমি তোমাদের প্রতি আল্লাহর রাসূল; আমার পূর্বে যে তাওরাত রয়েছে, আমি তার সত্যায়নকারী এবং আমার পরে এমন এক রাসূলের সুসংবাদদাতা, যার নাম আহমাদ।” অতঃপর যখন তিনি তাদের কাছে সুস্পষ্ট প্রমাণ নিয়ে এলেন, তারা বলল, “এ তো স্পষ্ট জাদু।”

আবদুস শহীদ নাসিম

ঐ ব্যক্তির চাইতে বড় যালিম আর কে, যাকে ইসলামের দিকে ডাকা সত্ত্বেও সে মিথ্যা রচনা করে আল্লাহর প্রতি আরোপ করে? যালিম লোকদের সঠিক পথে পরিচালিত করেন না।

জহুরুল হক

আর তার চাইতে কে বেশী অন্যায়কারী যে ‌র বিরুদ্ধে মিথ্যা রচনা করে, অথচ তাকে আহ্বান করা হচ্ছে ইসলামের দিকে? আর অন্যায়াচারী জাতিকে সৎপথে চালান না।

মুহিউদ্দীন খান

যে ব্যক্তি ইসলামের দিকে আহুত হয়েও সম্পর্কে মিথ্যা বলে; তার চাইতে অধিক যালেম আর কে? যালেম সম্প্রদায়কে পথ প্রদর্শন করেন না।

সমকালীন বাংলা

আর তার চেয়ে বড় যালিম আর কে, যে আল্লাহর সম্পর্কে মিথ্যা রচনা করে, অথচ তাকে ইসলামের দিকে আহ্বান করা হয়? আর যালিম জাতিকে পথনির্দেশ করেন না।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা ফুঁ দিয়ে নিভিয়ে দিতে চায় আল্লাহর নূরকে, অথচ তাঁর নূরকে পরিপূর্ণ উদ্ভাসিত করবেনই, কাফিররা তা অপছন্দ করলেও।

জহুরুল হক

ওরা চায় ‌র আলোককে তাদের মুখ দিয়ে নিভিয়ে দিতে। কিন্ত তাঁর আলোককে পূর্ণাঙ্গ করতেই যাচ্ছেন, যদিও অবিশ্বাসীরা অপছন্দ করে।

মুহিউদ্দীন খান

তারা মুখের ফুঁৎকারে আল্লাহর আলো নিভিয়ে দিতে চায়। তাঁর আলোকে পূর্ণরূপে বিকশিত করবেন যদিও কাফেররা তা অপছন্দ করে।

সমকালীন বাংলা

তারা তাদের মুখের ফুঁ দিয়ে আল্লাহর নূর নিভিয়ে দিতে চায়। কিন্তু তাঁর নূর পূর্ণ করবেন, যদিও অস্বীকারকারীরা তা অপছন্দ করে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তো সেই মহান সত্তা, যিনি তাঁর রসূলকে হিদায়াত এবং সত্য দীন দিয়ে পাঠিয়েছেন, তাকে অন্যসব দীনের উপর বিজয়ী করার উদ্দেশ্যে, মুশরিকরা তা অপছন্দ করলেও।

জহুরুল হক

তিনিই সেইজন যিনি তাঁর রসূলকে পাঠিয়েছেন পথনির্দেশ ও সত্য ধর্ম দিয়ে যেন তিনি একে প্রাধান্য দিতে পারেন ধর্মের - - তাদের সবক’টির উপরে, যদিও বহুখোদাবাদীরা অপছন্দ করে।

মুহিউদ্দীন খান

তিনি তাঁর রসূলকে পথ নির্দেশ ও সত্যধর্ম নিয়ে প্রেরণ করেছেন, যাতে একে সবধর্মের উপর প্রবল করে দেন যদিও মুশরিকরা তা অপছন্দ করে।

সমকালীন বাংলা

তিনিই যিনি তাঁর রাসূলকে পথনির্দেশ এবং সত্য ধর্মসহ প্রেরণ করেছেন, যাতে তিনি একে সব ধর্মের উপর বিজয়ী করেন, যদিও মুশরিকরা তা অপছন্দ করে।

আবদুস শহীদ নাসিম

হে লোকেরা! আমি কি তোমাদের এমন এক তিজারতের (ব্যবসায়ের) সংবাদ দেবো, যা তোমাদের নাজাত (মুক্তি) দেবে বেদনাদায়ক আযাব থেকে?

জহুরুল হক

ওহে যারা ঈমান এনেছ! আমি কি তোমাদের সন্ধান দেব এমন এক পণ্যদ্রব্যের যা তোমাদের উদ্ধার করবে মর্মন্তুদ শাস্তি থেকে?

মুহিউদ্দীন খান

মুমিনগণ, আমি কি তোমাদেরকে এমন এক বানিজ্যের সন্ধান দিব, যা তোমাদেরকে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি থেকে মুক্তি দেবে?

সমকালীন বাংলা

হে যারা ঈমান এনেছো, আমি কি তোমাদেরকে এমন এক বাণিজ্যের সন্ধান দেবো , যা তোমাদেরকে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি থেকে রক্ষা করবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

তাহলো: তোমরা ঈমান রাখবে আল্লাহর প্রতি এবং তাঁর রসূলের প্রতি, আর জিহাদ (চেষ্টা সংগ্রাম) করবে আল্লাহর পথে তোমাদের অর্থ সম্পদ এবং জান - প্রাণ দিয়ে। তোমাদের জন্যে এটাই কল্যাণকর যদি তোমরা জানো!

জহুরুল হক

তোমরা ‌তে ও তাঁর রসূলে বিশ্বাস করবে, আর ‌র পথে সংগ্রাম করবে তোমাদের সম্পদ ও তোমাদের জীবন দিয়ে। এইটিই হচ্ছে তোমাদের জন্য শ্রেয় যদি তোমরা জানতে!

মুহিউদ্দীন খান

তা এই যে, তোমরা ও তাঁর রসূলের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করবে এবং আল্লাহর পথে নিজেদের ধন - সম্পদ ও জীবনপণ করে জেহাদ করবে। এটাই তোমাদের জন্যে উত্তম; যদি তোমরা বোঝ।

সমকালীন বাংলা

তোমরা ও তাঁর রাসূলের প্রতি ঈমান আনবে এবং আল্লাহর পথে তোমাদের সম্পদ ও জীবন দিয়ে সংগ্রাম করবে। এটি তোমাদের জন্য উত্তম, যদি তোমরা জানতে।

আবদুস শহীদ নাসিম

(এ তিজারত করলে) তিনি ক্ষমা করে দেবেন তোমাদের গুনাহ্ এবং তোমাদের দাখিল (প্রবেশ) করবেন জান্নাতে, যার নিচে দিয়ে থাকবে বহমান নদ নদী নহর। আরো থাকবে স্থায়ী জান্নাতে চমৎকার আবাস (বাসগৃহ) সমূহ। এটাই মহাসাফল্য!

জহুরুল হক

তিনি তোমাদের পরিত্রাণ করবেন তোমাদের দোষত্রুটি থেকে, আর তোমাদের প্রবেশ করাবেন জান্নাতে যাদের নিচে দিয়ে বয়ে চলেছে ঝরনারাজি, আর নন্দন কাননের উৎকৃষ্ট গৃহসমূহে। এটিই মহাসাফল্য!

মুহিউদ্দীন খান

তিনি তোমাদের পাপরাশি ক্ষমা করবেন এবং এমন জান্নাতে দাখিল করবেন, যার পাদদেশে নদী প্রবাহিত এবং বসবাসের জান্নাতে উত্তম বাসগৃহে। এটা মহাসাফল্য।

সমকালীন বাংলা

তিনি তোমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করবেন এবং তোমাদেরকে এমন উদ্যানসমূহে প্রবেশ করাবেন, যার নিচ দিয়ে নদী প্রবাহিত হয়, এবং স্থায়ী উদ্যানসমূহে উত্তম বাসস্থানে। এটাই মহাসাফল্য।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমাদের জন্যে আরো থাকবে যা তোমরা আকাঙ্ক্ষা করো সেটা (অর্থাৎ) আল্লাহর সাহায্য আর নিকটবর্তী (সময়ের মধ্যে) বিজয়। (হে নবী!) মুমিনদের সুসংবাদ দাও।

জহুরুল হক

আর অন্য একটি যা তোমরা ভালবাস - - ‌র কাছ থেকে সাহায্য ও আসন্ন বিজয়। আর সুসংবাদ দাও মুমিনদের।

মুহিউদ্দীন খান

এবং আরও একটি অনুগ্রহ দিবেন, যা তোমরা পছন্দ কর। আল্লাহর পক্ষ থেকে সাহায্য এবং আসন্ন বিজয়। মুমিনদেরকে এর সুসংবাদ দান করুন।

সমকালীন বাংলা

আর আরেকটি, যা তোমরা ভালোবাসো; আল্লাহর পক্ষ থেকে সাহায্য এবং আসন্ন বিজয়। আর মুমিনদের সুসংবাদ দাও।

আবদুস শহীদ নাসিম

হে লোকেরা! তোমরা আল্লাহর সাহায্যকারী হয়ে যাও, যেমন ঈসা ইবনে মরিয়ম হাওয়ারীদের (তার সাথিদের) বলেছিল: ‘আল্লাহর পথে কে হবে আমার সাহায্যকারী?’ হাওয়ারীরা বলেছিল: ‘আমরা হবো আল্লাহর পথে সাহায্যকারী।’ ফলে বনি ইসরাঈলের একদল লোক ঈমান আনে, আরেক দল করে কুফুরি। তখন আমরা ঈমান আনা লোকদের সাহায্য করলাম তাদের শত্রুদের মোকাবেলায় এবং তারা অর্জন করলো বিজয়।

জহুরুল হক

ওহে যারা ঈমান এনেছ! তোমরা ‌র সাহায্যকারী হও, যেমন মরিয়ম - পুত্র ঈসা শিষ্যদের বলেছিলেন - - ''কারা ‌র তরফে আমার সাহায্যকারী হবে?’’ শিষ্যেরা বলেছিল, ''আমরাই ‌র সাহায্যকারী।’’ সুতরাং ইসরাইলের বংশধরদের মধ্যের একদল বিশ্বাস করেছিল এবং একদল অবিশ্বাস করেছিল। সেজন্য যারা ঈমান এনেছিল তাদের আমরা সাহায্য করেছিলাম তাদের শত্রুদের বিরুদ্ধে, ফলে পরক্ষণেই তারা উপরহাত হয়েছিল।

মুহিউদ্দীন খান

মুমিনগণ, তোমরা আল্লাহর সাহায্যকারী হয়ে যাও, যেমন ঈসা ইবনে - মরিয়ম তার শিষ্যবর্গকে বলেছিল, আল্লাহর পথে কে আমার সাহায্যকারী হবে? শিষ্যবর্গ বলেছিলঃ আমরা আল্লাহর পথে সাহায্যকারী। অতঃপর বনী - ইসরাঈলের একদল বিশ্বাস স্থাপন করল এবং একদল হয়ে গেল। যারা বিশ্বাস স্থাপন করেছিল, আমি তাদেরকে তাদের শত্রুদের মোকাবেলায় শক্তি যোগালাম, ফলে তারা বিজয়ী হল।

সমকালীন বাংলা

হে যারা ঈমান এনেছো, তোমরা আল্লাহর সাহায্যকারী হও; যেমন মারইয়ামের পুত্র ঈসা শিষ্যদের বলেছিলেন, “আল্লাহর পথে আমার সাহায্যকারী কারা?” শিষ্যরা বলেছিল, “আমরাই আল্লাহর সাহায্যকারী।” অতঃপর ইসরাঈলের সন্তানদের একটি দল ঈমান এনেছিল এবং একটি দল অবিশ্বাস করেছিল। তারপর আমরা যারা ঈমান এনেছিল তাদেরকে তাদের শত্রুদের বিরুদ্ধে শক্তি দিয়েছিলাম। ফলে তারাই বিজয়ী হয়েছিল।

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme