Kitab

আল মুতাফ্ফিফীন (ঠকবাজ ব্যক্তিরা)

Chapter 83, 36 verses

  • আবদুস শহীদ নাসিম
  • জহুরুল হক
  • মুহিউদ্দীন খান
  • সমকালীন বাংলা
About this chapter


মক্কায় অবতীর্ণ, আয়াত সংখ্যা : ৩৬, রুকু সংখ্যা: ০১

এই সূরার আলোচ্যসূচি

আয়াতআলোচ্য বিষয় ০১-১৭ঠকবাজরা জেনে রাখুক কিয়ামত অবশ্যি অনুষ্ঠিত হবে। তারা সেদিন তাদের প্রভুকে দেখতে পাবেনা। তারা জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হবে। ১৮-৩৬পুণ্যবানরা থাকবে উচ্চ মর্যাদায় নিয়ামতে ভরা জান্নাতে। সেদিন তারা কাফিরদের বিদ্রুপ করবে যেমন দুনিয়াতে কাফিররা তাদের নিয়ে বিদ্রুপ করে।
আবদুস শহীদ নাসিম

যারা মাপে - ওজনে কম দেয় তাদের জন্যে ওয়াইল (ধ্বংস)।

জহুরুল হক

ধিক্ প্রতারণাকারীদের জন্য - -

মুহিউদ্দীন খান

যারা মাপে কম করে, তাদের জন্যে দুর্ভোগ,

সমকালীন বাংলা

আল্লাহর নামে শুরু করছি, পরম করুণাময় পরম দয়ালু; দুর্ভোগ তাদের জন্য, যারা পরিমাপে কম দেয়,

আবদুস শহীদ নাসিম

মানুষের কাছ থেকে মেপে নেয়ার সময় তারা পুরো মাত্রায় দাবি করে,

জহুরুল হক

যারা মানুষের কাছ থেকে যখন মেপে নেয় তখন পুরো মাপ চায়,

মুহিউদ্দীন খান

যারা লোকের কাছ থেকে যখন মেপে নেয়, তখন পূর্ণ মাত্রায় নেয়

সমকালীন বাংলা

যারা মানুষের কাছ থেকে মেপে নেওয়ার সময় পূর্ণমাত্রায় নেয়,

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং যখন অন্যদের মেপে বা ওজন করে দেয়, তখন প্রাপ্যের চাইতে কম দেয়।

জহুরুল হক

আর যখন তাদের মেপে দেয় অথবা তাদের জন্য ওজন করে তখন কম করে।

মুহিউদ্দীন খান

এবং যখন লোকদেরকে মেপে দেয় কিংবা ওজন করে দেয়, তখন কম করে দেয়।

সমকালীন বাংলা

আর যখন তাদের জন্য মাপে বা ওজনে দেয়, তখন কম দেয়,

আবদুস শহীদ নাসিম

এরা কি ভাবেনা যে, (মৃত্যুর পর) এদের পুনরায় উঠিয়ে আনা হবে,

জহুরুল হক

তারা কি ভাবে না যে তারাই তো - - তারা নিশ্চয়ই পুনরুত্থিত হবে - -

মুহিউদ্দীন খান

তারা কি চিন্তা করে না যে, তারা পুনরুত্থিত হবে।

সমকালীন বাংলা

এরা কি ভাবেনা যে, এদের পুনরায় উঠিয়ে আনা হবে,

আবদুস শহীদ নাসিম

এক মহা দিবসে?

জহুরুল হক

ভীষণ এক দিনে,

মুহিউদ্দীন খান

সেই মহাদিবসে,

সমকালীন বাংলা

এক মহাদিবসে,

আবদুস শহীদ নাসিম

এটা হবে সেই দিন, যে দিন সমস্ত মানুষ দাঁড়াবে রাববুল আলামিনের সামনে।

জহুরুল হক

যেদিন মানুষরা দাঁড়াবে বিশ্বজগতের প্রভুর সামনে?

মুহিউদ্দীন খান

যেদিন মানুষ দাঁড়াবে বিশ্ব পালনকর্তার সামনে।

সমকালীন বাংলা

যেদিন মানুষসমূহ বিশ্বজগতের প্রতিপালকের সামনে দাঁড়াবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

কখনো নয়, বরং সীমালংঘনকারী পাপীদের রেকর্ড রাখা হয় সিজ্জীনে।

জহুরুল হক

না, নিঃসন্দেহ দুষ্কৃতিকারীদের দলিল - দস্তাবেজ তো সিজ্জীনের ভেতরে রয়েছে ।

মুহিউদ্দীন খান

এটা কিছুতেই উচিত নয়, নিশ্চয় পাপাচারীদের আমলনামা সিজ্জীনে আছে।

সমকালীন বাংলা

কখনোই নয়; নিশ্চয়ই পাপাচারীদের রেকর্ড রয়েছে সিজ্জীনে,

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি কিভাবে জানবে, সিজজীন কী?

জহুরুল হক

আর কী তোমাকে বোঝাবে সিজ্জীন কি?

মুহিউদ্দীন খান

আপনি জানেন, সিজ্জীন কি?

সমকালীন বাংলা

এবং কী তোমাকে জানাবে সিজ্জীন কী?

আবদুস শহীদ নাসিম

তা হচ্ছে খোদাই করা (তালিকার) রেকর্ড।

জহুরুল হক

স্পষ্টভাবে লিখিত নিবন্ধগ্রন্থ।

মুহিউদ্দীন খান

এটা লিপিবদ্ধ খাতা।

সমকালীন বাংলা

একটি লিখিত নিবন্ধন,

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা অস্বীকার করে, সেদিন তাদের জন্যে হবে ওয়াইল (ধ্বংস),

জহুরুল হক

ধিক্ সেইদিন সত্যপ্রত্যাখ্যানকারীদের প্রতি - -

মুহিউদ্দীন খান

সেদিন দুর্ভোগ মিথ্যারোপকারীদের,

সমকালীন বাংলা

সেদিন দুর্ভোগ মিথ্যা আরোপকারীদের জন্য,

আবদুস শহীদ নাসিম

এরা তারা, যারা অস্বীকার করে বিচার ও প্রতিদান দিবসকে।

জহুরুল হক

যারা বিচারের দিনকে মিথ্যা ভেবেছে!

মুহিউদ্দীন খান

যারা প্রতিফল দিবসকে মিথ্যারোপ করে।

সমকালীন বাংলা

যারা প্রতিদান দিবসকে মিথ্যা বলে,

আবদুস শহীদ নাসিম

সীমালংঘনকারী পাপিষ্ঠ ছাড়া আর কেউ - ই অস্বীকার করেনা সেই দিবসকে।

জহুরুল হক

আর কেউ একে অস্বীকার করে না কেবল প্রত্যেক সীমালংঘনকারী পাপিষ্ঠ ব্যতীত - -

মুহিউদ্দীন খান

প্রত্যেক সীমালংঘনকারী পাপিষ্ঠই কেবল একে মিথ্যারোপ করে।

সমকালীন বাংলা

আর তা মিথ্যা বলে কেবল প্রত্যেক সীমালঙ্ঘনকারী পাপী,

আবদুস শহীদ নাসিম

তাকে যখন আমার (কুরআনের) আয়াত শুনানো হয়, সে বলে : এ - তো সেকালের লোকদের উপকথা।

জহুরুল হক

যে, যখন তার কাছে আমাদের বাণীসমূহ পাঠ করা হয় তখন বলে - - ''আদ্যিকালের গালগল্প।’’

মুহিউদ্দীন খান

তার কাছে আমার আয়াতসমূহ পাঠ করা হলে সে বলে, পুরাকালের উপকথা।

সমকালীন বাংলা

যখন তার কাছে আমাদের আয়াতসমূহ পাঠ করা হয়, সে বলে, “এগুলো পূর্ববর্তীদের কাহিনী,”

আবদুস শহীদ নাসিম

না, তা কখনো নয়, বরং তাদের হৃদয়গুলোতে জঙ ধরিয়ে দিয়েছে তাদের (মন্দ) কৃতকর্ম।

জহুরুল হক

না, বরং তারা যা অর্জন করে চলেছিল তা তাদের হৃদয়ে মরচে ধরিয়েছে।

মুহিউদ্দীন খান

কখনও না, বরং তারা যা করে, তাই তাদের হৃদয় মরিচা ধরিয়ে দিয়েছে।

সমকালীন বাংলা

কখনোই নয়! বরং তাদের অন্তরের ওপর মরিচা পড়েছে, যা তারা অর্জন করত তার কারণে,

আবদুস শহীদ নাসিম

কখনো নয়, সেদিন অবশ্যি তাদেরকে তাদের প্রভুর দর্শন থেকে হিজাব করে (অন্তরালে) রাখা হবে।

জহুরুল হক

না, তারা নিঃসন্দেহ তাদের প্রভুর কাছ থেকে সেদিন অবশ্যই বঞ্চিত হবে।

মুহিউদ্দীন খান

কখনও না, তারা সেদিন তাদের পালনকর্তার থেকে পর্দার অন্তরালে থাকবে।

সমকালীন বাংলা

কখনোই নয়! নিশ্চয়ই সেদিন তাদের প্রতিপালকের থেকে আড়ালে রাখা হবে,

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর তারা অবশ্যি প্রবেশ করবে জাহিমে।

জহুরুল হক

তারপর তারা নিশ্চয় ভয়ংকর আগুনে প্রবেশ করবে।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর তারা জাহান্নামে প্রবেশ করবে।

সমকালীন বাংলা

অতঃপর নিশ্চয়ই তারা জাহিমে প্রবেশ করবে,

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন তাদের বলা হবে : এটি সেই জিনিস, যা তোমরা অস্বীকার করতে।

জহুরুল হক

তখন তাদের বলা হবে - - ''এই তো তাই যা তোমরা মিথ্যা বলতে।’’

মুহিউদ্দীন খান

এরপর বলা হবে, একেই তো তোমরা মিথ্যারোপ করতে।

সমকালীন বাংলা

অতঃপর বলা হবে, “এটাই তা, যা তোমরা মিথ্যা বলতে,”

আবদুস শহীদ নাসিম

কখনো নয়; অবশ্যি সৎ - সত্যপন্থী লোকদের রেকর্ড সংরক্ষিত থাকে ইল্লিয়্যিনে।

জহুরুল হক

না, নিঃসন্দেহ ধর্মপরায়ণদের কর্মবিবরণী তো ইল্লিয়ীনে রয়েছে।

মুহিউদ্দীন খান

কখনও না, নিশ্চয় সৎলোকদের আমলনামা আছে ইল্লিয়্যীনে।

সমকালীন বাংলা

কখনোই নয়! নিশ্চয়ই সৎকর্মপরায়ণদের আমলনামা রয়েছে ইল্লীয়্যীনে,

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি কি জানো - ইল্লিয়্যিন কী?

জহুরুল হক

আর কেমন ক’রে তোমাকে বুঝানো যাবে ইল্লিয়ীন কি?

মুহিউদ্দীন খান

আপনি জানেন ইল্লিয়্যীন কি?

সমকালীন বাংলা

এবং কী তোমাকে জানাবে ইল্লীয়্যীন কী?

আবদুস শহীদ নাসিম

তা হচ্ছে খোদাই করা (তালিকার) রেকর্ড।

জহুরুল হক

স্পষ্টভাবে লিখিত নিবন্ধগ্রন্থ, - -

মুহিউদ্দীন খান

এটা লিপিবদ্ধ খাতা।

সমকালীন বাংলা

এটি এক লিখিত নিবন্ধন,

আবদুস শহীদ নাসিম

তার দেখাশুনায় নিয়োজিত আল্লাহর নিকটস্থ ফেরেশতারা।

জহুরুল হক

নৈকট্যপ্রাপ্তরা তা দেখতে পাবে।

মুহিউদ্দীন খান

আল্লাহর নৈকট্যপ্রাপ্ত ফেরেশতাগণ একে প্রত্যক্ষ করে।

সমকালীন বাংলা

যার সাক্ষী থাকে নৈকট্যপ্রাপ্তরা,

আবদুস শহীদ নাসিম

সৎ - সত্যপন্থী লোকেরা অবশ্যি থাকবে আনন্দ আর ভোগ বিলাসে।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ ধর্মপরায়ণরা তো থাকবে পরমানন্দে,

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় সৎলোকগণ থাকবে পরম আরামে,

সমকালীন বাংলা

নিশ্চয়ই সৎকর্মপরায়ণরা থাকবে পরম সুখে,

আবদুস শহীদ নাসিম

সিংহাসনে উপবেশন করে তারা দেখবে (সবকিছু)।

জহুরুল হক

উঁচু আসনে চেয়ে থাকবে।

মুহিউদ্দীন খান

সিংহাসনে বসে অবলোকন করবে।

সমকালীন বাংলা

সুসজ্জিত আসনের ওপর বসে তারা তাকিয়ে দেখবে,

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি তাদের চেহারায় দেখতে পাবে আনন্দের উজ্জ্বলতা।

জহুরুল হক

তাদের চেহারাতে তুমি পরিচয় পাবে পরমানন্দের দীপ্তি।

মুহিউদ্দীন খান

আপনি তাদের মুখমন্ডলে স্বাচ্ছন্দ্যের সজীবতা দেখতে পাবেন।

সমকালীন বাংলা

তুমি তাদের চেহারায় পরম সুখের উজ্জ্বলতা দেখতে পারবে,

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের পান করতে দেয়া হবে সীল করা বিশুদ্ধ শরাব (পানীয়)।

জহুরুল হক

তাদের পান করানো হবে বিশুদ্ধ পানীয় থেকে, যা মোহর - মারা;

মুহিউদ্দীন খান

তাদেরকে মোহর করা বিশুদ্ধ পানীয় পান করানো হবে।

সমকালীন বাংলা

তাদের পান করানো হবে সীল করা বিশুদ্ধ পানীয়,

আবদুস শহীদ নাসিম

পান শেষে তারা সৌরভ পাবে মিশ্কের। অতএব যারা প্রতিযোগিতায় অবতীর্ণ হয়, তারা এরি জন্যে অবতীর্ণ হোক প্রতিযোগিতায়।

জহুরুল হক

তার মোহর হচ্ছে কস্তুরীর। আর এর জন্যেই তবে উচ্চাকাঙক্ষীরা আকাঙক্ষা করুক।

মুহিউদ্দীন খান

তার মোহর হবে কস্তুরী। এ বিষয়ে প্রতিযোগীদের প্রতিযোগিতা করা উচিত।

সমকালীন বাংলা

যার সমাপ্তি হবে কস্তুরীর সুবাসে; আর এর জন্যই প্রতিযোগিতা করুক প্রতিযোগীরা,

Note

মৃগনাভী কস্তুরী সুবাস (fragrance of Deer Musk)  

আবদুস শহীদ নাসিম

সেই শরাব হবে তাসনিম মিশ্রিত।

জহুরুল হক

আর তার সংমিশ্রণ হবে তসনীম থেকে,

মুহিউদ্দীন খান

তার মিশ্রণ হবে তসনীমের পানি।

সমকালীন বাংলা

এবং তার মিশ্রণ হবে তাসনীম থেকে,

Note
Tasnim is an Arabic name meaning "a fountain or spring in Paradise,"
আবদুস শহীদ নাসিম

এটা (তাসনিম) হলো একটা ঝর্ণা, যা থেকে পান করবে আল্লাহর নৈকট্য লাভকারীরা।

জহুরুল হক

একটি প্রস্রবণ যা থেকে পান করে নৈকট্যপ্রাপ্তরা।

মুহিউদ্দীন খান

এটা একটা ঝরণা, যার পানি পান করবে নৈকট্যশীলগণ।

সমকালীন বাংলা

এটিএকটিঝর্ণাধারা, যেখান থেকে নৈকট্যপ্রাপ্তরা পান করবে,

আবদুস শহীদ নাসিম

(পৃথিবীর জীবনে) যারা অপরাধ করতো, তারা ঈমানের পথে চলা লোকদের হাসি - ঠাট্টা করতো।

জহুরুল হক

যারা অপরাধ করত তারা অবশ্য উপহাস করতো তাদের যারা ঈমান এনেছে,

মুহিউদ্দীন খান

যারা অপরাধী, তারা বিশ্বাসীদেরকে উপহাস করত।

সমকালীন বাংলা

নিশ্চয়ই যারা অপরাধী, তারা বিশ্বাসীদের নিয়ে উপহাস করতো।

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং যখনই মুমিনদের নিকট দিয়ে গমনাগমন করতো, তাদের প্রতি (বিদ্রুপাত্মক) ইংগিত করতো।

জহুরুল হক

আর যখন তারা তাদের পাশ দিয়ে যেতো তখন তারা পরস্পর চোখ ঠারতো;

মুহিউদ্দীন খান

এবং তারা যখন তাদের কাছ দিয়ে গমন করত তখন পরস্পরে চোখ টিপে ইশারা করত।

সমকালীন বাংলা

এবং যখন তারা তাদের পাশ দিয়ে অতিক্রম করত, তারা চোখ টিপে কটাক্ষ করতো,

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং নিজেদের পরিবার - পরিজনের কাছে ফেরার সময় ফিরতো উৎফুল্ল হয়ে।

জহুরুল হক

আর যখন তারা নিজেদের দলের কাছে ফিরে আসত তখন তারা ফিরতো উল্লাস করতে করতে।

মুহিউদ্দীন খান

তারা যখন তাদের পরিবার - পরিজনের কাছে ফিরত, তখনও হাসাহাসি করে ফিরত।

সমকালীন বাংলা

আর যখন তারা নিজেদের লোকদের কাছে ফিরতো, উৎফুল্ল হয়ে ফিরতো,

আবদুস শহীদ নাসিম

আর মুমিনদের দেখলে বলতো : এরা সব বিপথগামী।

জহুরুল হক

আর যখন তারা তাদের দেখত তখন বলতো - - ''নিশ্চয় এরাই তো পথভ্রষ্ট।’’

মুহিউদ্দীন খান

আর যখন তারা বিশ্বাসীদেরকে দেখত, তখন বলত, নিশ্চয় এরা বিভ্রান্ত।

সমকালীন বাংলা

এবং যখন তারা তাদের দেখতো, বলতো, “নিশ্চয়ই এরাবিপথগামী,”

আবদুস শহীদ নাসিম

অথচ তাদেরকে এদের (মুমিনদের) উপর তত্ত্বাবধায়ক বানিয়ে পাঠানো হয়নি।

জহুরুল হক

কিন্ত তাদের তো এদের উপরে তত্ত্বাবধায়ক করে পাঠানো হয় নি।

মুহিউদ্দীন খান

অথচ তারা বিশ্বাসীদের তত্ত্বাবধায়করূপে প্রেরিত হয়নি।

সমকালীন বাংলা

অথচ তাদের ওপর এদের তত্ত্বাবধায়ক করে পাঠানো হয়নি,

Note

অস্বীকারকারীদের= কাফিরদের

আবদুস শহীদ নাসিম

সুতরাং আজ মুমিনরা উপহাস করবে কাফিরদের সাথে।

জহুরুল হক

কাজেই আজকের দিনে যারা ঈমান এনেছিল তারা অবিশ্বাসীদের প্রতি হাসাহাসি করবে,

মুহিউদ্দীন খান

আজ যারা , তারা কাফেরদেরকে উপহাস করছে।

সমকালীন বাংলা

অতঃপর আজ মুমিনরা অস্বীকারকারীদের নিয়ে হাসবে,

আবদুস শহীদ নাসিম

সিংহাসনে বসে তারা দেখবে তাদের।

জহুরুল হক

উঁচু আসনে চেয়ে চেয়ে দেখবে।

মুহিউদ্দীন খান

সিংহাসনে বসে, তাদেরকে অবলোকন করছে,

সমকালীন বাংলা

সুসজ্জিত আসনের ওপর বসে তারা তাকিয়ে থাকবে,

আবদুস শহীদ নাসিম

কাফিরদেরকে তাদের কৃতকর্মের সওয়াব (পুরস্কার) কি (পুরোপুরি) দেয়া হলোনা?

জহুরুল হক

অবিশ্বাসীদের কি সেই প্রতিফলই দেওয়া হ’ল না যা তারা করত?

মুহিউদ্দীন খান

কাফেররা যা করত, তার প্রতিফল পেয়েছে তো?

সমকালীন বাংলা

অস্বীকারকারীরা কি তাদের কাজের প্রতিফল পেয়েছে?

Note
কাফেররা=অস্বীকারকারীরা

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme