Kitab

আল কলম (কলম)

Chapter 68, 52 verses

  • আবদুস শহীদ নাসিম
  • জহুরুল হক
  • সমকালীন বাংলা
  • ইসলামিক ফাউন্ডেশন
About this chapter


মক্কায় অবতীর্ণ, আয়াত সংখ্যা : ৫২, রুকু সংখ্যা: ০২

এই সূরার আলোচ্যসূচি

আয়াতআলোচ্য বিষয় ০১-০৭মুহাম্মদ সত্য রসূল। ০৮-৩৩পাপিষ্ঠদের আনুগত্য করার নিষেধাজ্ঞা। বাগানের মালিকদের উপমা। ৩৪-৫০অনুগতরা আর অপরাধীরা এক নয়। অস্বীকারকারীদের প্রতি সতর্কবাণী। রসূলকে ধৈর্য ধরার পরামর্শ। ৫১-৫২কুরআন প্রত্যাখ্যানকারীদের দাম্ভিকতা। কুরআন বিশ্ববাসীর জন্যে উপদেশ।
আবদুস শহীদ নাসিম

নূন! কলমের শপথ আর শপথ সেগুলোর যা তারা (ফেরেশ্তারা) ছত্রে ছত্রে লিপিবদ্ধ করে।

জহুরুল হক

নূন! ভাবো কলম ও যা তারা লেখে।

সমকালীন বাংলা

আল্লাহর নামে শুরু করছি, পরম করুণাময় পরম দয়ালু; নূন। কলমের শপথ এবং তারা যা লিখে তারও।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

নূন - শপথ কলমের এবং উহারা যাহা লিপিবদ্ধ করে তাহার,

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমার প্রভুর অনুগ্রহে তুমি পাগল নও।

জহুরুল হক

তোমার প্রভুর অনুগ্রহে তুমি কিন্তু পাগল নও।

সমকালীন বাংলা

তোমার প্রতিপালকের অনুগ্রহে তুমি উন্মাদ নও।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমার প্রতিপালকের অনুগ্রহে তুমি উন্মাদ নও।

আবদুস শহীদ নাসিম

অবশ্যি তোমার জন্যে রয়েছে পুরস্কার অফুরান।

জহুরুল হক

আর তোমার জন্য নিশ্চয়ই রয়েছে এমন এক প্রতিদান যা শেষ হবার নয়।

সমকালীন বাংলা

এবং নিশ্চয়ই তোমার জন্য রয়েছে এমন প্রতিদান, যা কখনো শেষ হবে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমার জন্য অবশ্যই রহিয়াছে নিরবচ্ছিন্ন পুরস্কার,

আবদুস শহীদ নাসিম

অবশ্যি তুমি এক মহান চরিত্রের অধিকারী।

জহুরুল হক

আর নিঃসন্দেহ তুমি সুমহান চরিত্রে অধিষ্ঠিত।

সমকালীন বাংলা

তুমি অবশ্যই মহান চরিত্রে অধিষ্ঠিত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তুমি অবশ্যই মহান চরিত্রে অধিষ্ঠিত।

আবদুস শহীদ নাসিম

অচিরেই তুমি দেখবে, আর দেখবে তারাও,

জহুরুল হক

ফলে তুমি শীঘ্রই দেখবে এবং তারাও দেখতে পাবে - -

সমকালীন বাংলা

অতএব অচিরেই তুমি দেখবে, এবং তারাও দেখবে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

শীঘ্রই তুমি দেখিবে এবং উহারাও দেখিবে -

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমাদের মধ্যে কে আপতিত ফিতনায়?

জহুরুল হক

যে তোমাদের মধ্যে কে বিকারগ্রস্ত।

সমকালীন বাংলা

তোমাদের মধ্যে কে বিভ্রান্ত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমাদের মধ্যে কে বিকারগ্রস্ত।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমার প্রভুই সেই সত্তা, যিনি সর্বাধিক জানেন কারা তাঁর পথ থেকে বিচ্যুত এবং তিনিই তাদের সর্বাধিক জানেন, যারা হিদায়াত প্রাপ্ত।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ তোমার প্রভু, তিনি ভাল জানেন কে তাঁর পথ থেকে বিচ্যুত হয়েছে, আর তিনি ভাল জানেন সৎপথপ্রাপ্তদের ।

সমকালীন বাংলা

নিশ্চয়ই তোমার প্রতিপালকই সর্বাধিক জানেন কে তাঁর পথ থেকে বিচ্যুত হয়েছে, এবং তিনিই সর্বাধিক জানেন সৎপথপ্রাপ্তদের।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমার প্রতিপালক তো সম্যক অবগত আছেন কে তাঁহার পথ হইতে বিচ্যুত হইয়াছে এবং তিনি সম্যক জানেন তাহাদেরকে, যাহারা সৎপথপ্রাপ্ত।

আবদুস শহীদ নাসিম

সুতরাং তুমি মিথ্যাবাদীদের আনুগত্য করোনা।

জহুরুল হক

অতএব মিথ্যাচারীদের আজ্ঞাপালন করো না।

সমকালীন বাংলা

অতএব তুমি অস্বীকারকারীদের অনুসরণ করো না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সুতরাং তুমি মিথ্যাচারীদের অনুসরণ করিও না।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা চায়, তুমি যদি নমনীয় হও, তবেই তারা নমনীয় হবে।

জহুরুল হক

তারা চায় যে তুমি যদি নমনীয় হও তাহলে তারাও নমনীয় হবে।

সমকালীন বাংলা

তারা চায়, যদি তুমি আপস করো, তবে তারাও আপস করবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা চায় যে, তুমি নমনীয় হও, তাহা হইলে উহারাও নমনীয় হইবে,

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি আনুগত্য করোনা বারবার হলফকারী হীন ব্যক্তির,

জহুরুল হক

আর আজ্ঞাপালন করো না প্রত্যেকটি হলফকারীর, লাঞ্ছিতজনের, - -

সমকালীন বাংলা

আর তুমি অনুসরণ করো না প্রত্যেক অত্যাধিক শপথকারীর।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং অনুসরণ করিও না তাহার - যে কথায় কথায় শপথ করে, যে লাঞ্ছিত,

আবদুস শহীদ নাসিম

যে পেছনে নিন্দা করে এবং একজনের কথা আরেকজনের কাছে লাগিয়ে বেড়ায়।

জহুরুল হক

পরনিন্দাকারীর, কলঙ্ক রটাতে ঘুরে - বেড়ানো লোকের, - -

সমকালীন বাংলা

নিন্দাকারী, কথা লাগিয়ে বেড়ানো ব্যক্তি,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

পশ্চাতে নিন্দাকারী, যে একের কথা অপরের নিকট লাগাইয়া বেড়ায়,

আবদুস শহীদ নাসিম

সে ভালো কাজে বাধাদানকারী, সীমালংঘনকারী, পাপিষ্ঠ।

জহুরুল হক

ভালোকাজে নিষেধকারীর, সীমালংঘনকারীর পাপাচারীর, - -

সমকালীন বাংলা

কল্যাণে বাধাদানকারী, সীমালঙ্ঘনকারী, পাপাচারী,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যে কল্যাণের কার্যে বাধা দান করে, যে সীমালংঘনকারী, পাপিষ্ঠ,

আবদুস শহীদ নাসিম

সে কর্কশ স্বভাবের, তারপর কুখ্যাত।

জহুরুল হক

ষন্ডা - গুন্ডার, তদুপরি অসচ্চরিত্রের, - -

সমকালীন বাংলা

কঠোরস্বভাব, তার উপর আবার বংশের দাবিদার।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

রূঢ় স্বভাব, তদুপরি কুখ্যাত ;

আবদুস শহীদ নাসিম

এর কারণ, তার অনেক মাল সম্পদ আছে এবং আছে অনেক সন্তান সন্ততি।

জহুরুল হক

এইজন্য যে সে ধনসম্পদের এবং সন্তানসন্ততির অধিকারী।

সমকালীন বাংলা

কারণ সে সম্পদ ও সন্তান-সন্ততির অধিকারী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এইজন্য যে, সে ধন - সম্পদ ও সন্তান - সন্ততিতে সমৃদ্ধিশালী।

আবদুস শহীদ নাসিম

তার কাছে যখন আমাদের আয়াত তিলাওয়াত করা হয়, সে বলে: ‘এগুলো তো সেকালের কাহিনী।’

জহুরুল হক

যখন তার কাছে আমাদের বাণীসমূহ পাঠ করা হয় সে বলে - - ''সেকেলে কল্পকাহিনী!’’

সমকালীন বাংলা

যখন তার কাছে আমাদের আয়াতসমূহ আবৃত্তি করা হয়, সে বলে, "এগুলো পূর্ববর্তীদের কাহিনী।"

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহার নিকট আমার আয়াতসমূহ আবৃত্তি করা হইলে সে বলে, ‘ইহা তো সেকালের উপকথা মাত্র।’

আবদুস শহীদ নাসিম

অচিরেই আমরা দাগ লাগিয়ে দেবো তার শুঁড়ে (নাকে)।

জহুরুল হক

আমরা শীঘ্রই তার উঁচু নাকে দাগ করে দেব।

সমকালীন বাংলা

অচিরেই আমরা তার নাকের উপর চিহ্ন এঁকে দেব।

Note

খুরতূম (الخرطوم): আক্ষরিক অর্থে এমন একটি শব্দ যা প্রাণীর শুঁড় বা থুতনিযুক্ত নাক/মুখের জন্যও ব্যবহৃত হয়। এখানে সম্ভবত অপমানসূচক হিসেবে ব্যবহার রয়েছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি উহার শুঁড় দাগাইয়া দিব।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তাদের পরীক্ষা করেছি, যেভাবে পরীক্ষা করেছিলাম বাগানওয়ালাদের, যখন তারা কসম খেয়ে বলেছিল তারা সকালে বাগানের ফল পাড়বে,

জহুরুল হক

আমরা নিশ্চয়ই তাদের পরীক্ষা করব যেমন আমরা পরীক্ষা করেছিলাম বাগান - মালিকদের, যখন ওরা কসম খেয়েছিল যে তারা নিশ্চয় ভোরবেলা এর ফসল কাটবে, - -

সমকালীন বাংলা

নিশ্চয়ই আমরা তাদেরকে পরীক্ষা করেছি, যেমন পরীক্ষা করেছিলাম বাগানের অধিকারীদের, যখন তারা শপথ করেছিল যে তারা অবশ্যই ভোরবেলায় তার ফল সংগ্রহ করবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি উহাদেরকে পরীক্ষা করিয়াছি, যেভাবে পরীক্ষা করিয়াছিলাম উদ্যান - অধিপতিগণকে, যখন উহারা শপথ করিয়াছিল যে, উহারা প্রত্যূষে আহরণ করিবে বাগানের ফল,

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা ইনশাল্লাহ ( চাহেন তো) বলেনি।

জহুরুল হক

আর তারা কোনো সংরক্ষণ করে নি।

সমকালীন বাংলা

এবং তারা কোনো ব্যতিক্রম রাখেনি।

Note

আল্লাহ এখানে আমাদের উদাহরণ দিয়ে জানিয়েছেন বিবিধ কারণে বা আল্লাহ না চাইলে আমাদের প্রতিশ্রুত কাজটি আমাদের দ্বারা করা সম্ভব নাও হতে পারে; তাই কারো সাথে কোনো প্রতিজ্ঞা বা চুক্তি করার সময় "ইন শাহ আল্লাহ" বলা বা Force Majeure / Act of God Exception Clause / Option রাখা উত্তম। তবে মূল আরবীতে "ইন শাহ আল্লাহ" কথাটি উল্লেখ নেই।


এখান থেকে আমরা আরো একটি শিক্ষা পাই যে, খারাপ উদ্দেশ্য নিয়ে কিছু করার পরিকল্পনা করতে নেই।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং তাহারা ‘ইন্‌শাআল্লাহ্‌’ বলে নাই।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর তোমার প্রভুর পক্ষ থেকে সেই বাগানের উপর দিয়ে বয়ে গেলো একটি ঝাপটা। তখন তারা ছিলো ঘুমে।

জহুরুল হক

ফলে তোমার প্রভুর কাছ থেকে এক দুর্বিপাক এর উপরে আপতিত হয়েছিল যখন তারা ঘুমিয়ে পড়েছিল।

সমকালীন বাংলা

অতঃপর তারা যখন ঘুমিয়ে ছিল, তখন তোমার প্রতিপালকের পক্ষ থেকে তার উপর এক দুর্যোগ বয়ে গেল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর তোমার প্রতিপালকের নিকট হইতে এক বিপর্যয় হানা দিল সেই উদ্যানে, যখন উহারা ছিল নিদ্রিত।

আবদুস শহীদ নাসিম

ফলে সেই বাগান হয়ে যায় কালো বর্ণ (কয়লার মতো)।

জহুরুল হক

কাজেই সকালবেলায় তা হয়ে গেল এক কালো নিষ্ফলা জমির মতো।

সমকালীন বাংলা

ফলে তা হয়ে গেল কাটা ক্ষেতের মতো।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ফলে উহা দগ্ধ হইয়া কৃষ্ণবর্ণ ধারণ করিল।

আবদুস শহীদ নাসিম

ভোরে তারা পরস্পরকে ডাকলো (বললো:)

জহুরুল হক

তারা কিন্তু সাত - সকালে একে অপরকে ডাকাডাকি করলে - -

সমকালীন বাংলা

অতঃপর তারা ভোরবেলায় একে অপরকে ডাকল,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

প্রত্যূষে উহারা একে অপরকে ডাকিয়া বলিল,

আবদুস শহীদ নাসিম

‘যদি তোমরা সকাল সকাল ফল পাড়তে চাও, তবে সকাল সকাল বাগানে চলো।’

জহুরুল হক

এই বলে - - ''সকাল সকাল তোমাদের খেত - খামারে যাও যদি তোমরা ফসল কাটতে চাও।’’

সমকালীন বাংলা

“যদি তোমরা ফল সংগ্রহ করতে চাও, তবে সকালেই তোমাদের ক্ষেতে চলে যাও।”

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘তোমরা যদি ফল আহরণ করিতে চাও তবে সকাল সকাল বাগানে চল।’

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর তারা (বাগানের দিকে) চললো নিচু স্বরে (এই) কথা বলতে বলতে:

জহুরুল হক

তখন তারা বেরিয়ে পড়ল, আর তারা ফিসফিস করতে থাকল - -

সমকালীন বাংলা

অতঃপর তারা রওনা হলো, নিজেদের মধ্যে নিচু স্বরে কথা বলতে থাকলো,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর উহারা চলিল নিম্নস্বরে কথা বলিতে বলিতে,

আবদুস শহীদ নাসিম

আজ যেনো তোমাদের কাছে বাগানে দাখিল না হয় কোনো মিসকিন (অভাবী)।

জহুরুল হক

এই বলে - - ''আজ যেন তোমাদের বিরুদ্ধে কোনো হাভাতে সেখানে ঢুকে না পড়ে।’’

সমকালীন বাংলা

“আজ যেন কোনো দরিদ্র সেখানে তোমাদের কাছে প্রবেশ করতে না পারে।”

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘অদ্য যেন তোমাদের নিকটে কোন অভাবগ্রস্ত ব্যক্তি উহাতে প্রবেশ করিতে না পারে।’

আবদুস শহীদ নাসিম

আর তারা ভোরে ভোরেই বাগানে রওয়ানা করলো (মিসকিন) প্রতিরোধ করতে সক্ষম মনে করে।

জহুরুল হক

আর তারা সকাল সকাল সংকল্পে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হয়ে যাত্রা করল।

সমকালীন বাংলা

এবং তারা ভোরে রওনা হলো, দৃঢ় সংকল্প নিয়ে, নিজেদের সক্ষম মনে করে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর উহারা নিবৃত্ত করিতে সক্ষম - এই বিশ্বাস লইয়া প্রভাতকালে বাগানে যাত্রা করিল।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর যখন বাগানের অবস্থা দেখলো, বললো: ‘‘আমরা তো বিভ্রান্ত হয়ে পড়লাম।

জহুরুল হক

কিন্তু যখন তারা তা দেখল তারা বললে - - ''নিশ্চয় আমরা পথ ভুল করেছি।’’

সমকালীন বাংলা

অতঃপর যখন তারা তা দেখল, তারা বলল, “নিশ্চয়ই আমরা পথ ভুল করেছি।”

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর উহারা যখন বাগানের অবস্থা প্রত্যক্ষ করিল, তখন বলিল, ‘আমরা তো দিশা হারাইয়া ফেলিয়াছি।

আবদুস শহীদ নাসিম

বরং আমরা বঞ্চিত হয়ে গেছি।’’

জহুরুল হক

''না, আমরা বঞ্চিত হয়েছি।’’

সমকালীন বাংলা

“বরং আমরাই বঞ্চিত হয়েছি।”

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘বরং আমরা তো বঞ্চিত।’

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের সবচে’ ন্যায়পরায়ণ ব্যক্তি বললো: ‘আমি কি তোমাদের বলিনি, কেন তোমরা তসবিহ করছোনা?

জহুরুল হক

ওদের মধ্যের শ্রেষ্ঠজন বললে - - ''আমি কি তোমাদের বলি নি, কেন তোমরা জপতপ করছ না?’’

সমকালীন বাংলা

তাদের মধ্যে মধ্যপন্থী ব্যক্তি বলল, “আমি কি তোমাদের বলিনি, কেন তোমরা পবিত্রতা ঘোষণা করো না?”

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহাদের শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি বলিল, ‘আমি কি তোমাদেরকে বলি নাই ? এখনও তোমরা ‌র পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করিতেছ না কেন ?’

আবদুস শহীদ নাসিম

(তারা বললো:) আমাদের প্রভুর পবিত্রতা ঘোষণা করছি, অবশ্যি আমরা ছিলাম যালিম।

জহুরুল হক

তারা বললে - - ''আমাদের প্রভুর মহিমা ঘোষিত হোক, আমরা নিশ্চয় কিছুটা ফসল দান করতে অন্যায় করেছি।’’

সমকালীন বাংলা

তারা বলল, “আমাদের প্রতিপালক পবিত্র। নিশ্চয়ই আমরাই ছিলাম অন্যায়কারী।”

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তখন উহারা বলিল, ‘আমরা আমাদের প্রতিপালকের পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করিতেছি, আমরা তো সীমালংঘনকারী ছিলাম।’

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন তারা পরস্পরের প্রতি দোষারোপ করতে থাকলো।

জহুরুল হক

তারপর তাদের কেউ - কেউ অন্যের কাছে গেল নিজেদের দোষারোপ করতে করতে।

সমকালীন বাংলা

অতঃপর তারা পরস্পরের দিকে ফিরে পরস্পরকে দোষারোপ করতে লাগল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর উহারা একে অপরের প্রতি দোষারোপ করিতে লাগিল।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা বললো: ‘‘হায় ধ্বংস আমাদের, অবশ্যি আমরা ছিলাম সীমালংঘনকারী।

জহুরুল হক

তারা বললে - - ''হায়, ধিক্ আমাদের! আমরা নিশ্চয়ই সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছিলাম।

সমকালীন বাংলা

তারা বললো, “হায় আমাদের দুর্ভোগ! নিশ্চয়ই আমরা সীমালঙ্ঘনকারী ছিলাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা বলিল, ‘হায়, দুর্ভোগ আমাদের ! আমরা তো ছিলাম সীমালংঘনকারী।

আবদুস শহীদ নাসিম

হয়তো আমাদের প্রভু আমাদেরকে এর চাইতে উত্তম বদলা (বিনিময়) দেবেন, আমরা আমাদের প্রভুর অভিমুখী হলাম।’’

জহুরুল হক

''হতে পারে আমাদের প্রভু আমাদের জন্য এর চেয়েও ভাল কিছু বদলে দেবেন, নিশ্চয় আমাদের প্রভুর কাছেই আমরা সানুনয় প্রার্থনা করছি।’’

সমকালীন বাংলা

হয়তো আমাদের প্রতিপালক এর পরিবর্তে আমাদেরকে তার চেয়ে উত্তম কিছু দেবেন। নিশ্চয়ই আমরা আমাদের প্রতিপালকের কাছেই প্রত্যাশী।”

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সম্ভবত আমাদের প্রতিপালক ইহা হইতে আমাদেরকে উৎকৃষ্টতর বিনিময় দিবেন, আমরা আমাদের প্রতিপালকের অভিমুখী হইলাম।’

আবদুস শহীদ নাসিম

আযাব এরকমই হয়ে থাকে। আর আখিরাতের আযাব অবশ্যি এর চাইতে অনেক জঘন্যতর, যদি তারা জানতো!

জহুরুল হক

এমনটাই শাস্তি হয়ে থাকে। আর পরকালের শাস্তি তো আরো বিরাট, - - যদি তারা জানতো!

সমকালীন বাংলা

এভাবেই শাস্তি হয়ে থাকে। আর পরকালের শাস্তি তো আরও বড়, যদি তারা জানত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

শাস্তি এইরূপই হইয়া থাকে এবং আখিরাতের শাস্তি কঠিনতর। যদি উহারা জানিত।

আবদুস শহীদ নাসিম

নিশ্চয়ই মুত্তাকিদের জন্যে তাদের প্রভুর কাছে রয়েছে ‘জান্নাতুন নায়ীম’।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ ধর্মভীরুদের জন্য তাদের প্রভুর কাছে রয়েছে আনন্দময় উদ্যান - সমূহ।

সমকালীন বাংলা

নিশ্চয়ই মুত্তাকীদের জন্য তাদের প্রতিপালকের কাছে রয়েছে বিলাসবহুল  বেহেস্ত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুত্তাকীদের জন্য অবশ্যই রহিয়াছে ভোগ - বিলাসপূর্ণ জান্নাত তাহাদের প্রতিপালকের নিকট।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা কি আত্মসমর্পণকারী - মুসলিমদের গণ্য করবো অপরাধীদের সমতুল্য?

জহুরুল হক

কী, আমরা কি তবে মুসলিমদের বানাব অপরাধীদের মতো?

সমকালীন বাংলা

তবে কি আমরা মুসলিমদেরকে অপরাধীদের মতো গণ্য করব?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি কি আত্মসমর্পণ - কারীদেরকে অপরাধীদের সমতুল্য গণ্য করিব?

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমাদের কী হয়েছে - তোমরা কিভাবে ফায়সালা করছো?

জহুরুল হক

কি হয়েছে তোমাদের? কিভাবে তোমরা বিচার কর?

সমকালীন বাংলা

তোমাদের কী হয়েছে? তোমরা কীভাবে সিদ্ধান্ত নাও?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমাদের কী হইয়াছে, তোমরা এ কেমন সিদ্ধান্ত দিতেছ?

আবদুস শহীদ নাসিম

নাকি তোমাদের কাছে কোনো কিতাব রয়েছে যার মধ্যে (এসব) তোমরা পাঠ করছো?

জহুরুল হক

না কি তোমাদের জন্য কোনো গ্রন্থ রয়েছে যা তোমরা অধ্যয়ন কর - -

সমকালীন বাংলা

নাকি তোমাদের কাছে এমন কোনো কিতাব রয়েছে, যা তোমরা অধ্যয়ন কর?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমাদের নিকট কী কোন কিতাব আছে যাহাতে তোমরা অধ্যয়ন কর -

আবদুস শহীদ নাসিম

তাতে কি লেখা রয়েছে তোমাদের পছন্দসই কথা?

জহুরুল হক

যে, নিশ্চয়ই তোমাদের জন্য তাতে তাই রয়েছে যা তোমরা পছন্দ কর?

সমকালীন বাংলা

যাতে তোমাদের জন্য যা ইচ্ছা, তাই রয়েছে?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যে, তোমাদের জন্য উহাতে রহিয়াছে যাহা তোমরা পসন্দ কর?

আবদুস শহীদ নাসিম

নাকি আমার সাথে তোমাদের কোনো অংগীকার আছে যা কিয়ামতকাল পর্যন্ত বলবত থাকবে? নিশ্চয়ই তোমরা তাই পাবে, যা নিজেদের জন্যে ফায়সালা করবে।

জহুরুল হক

অথবা, তোমাদের জন্য আমাদের উপরে কিয়ামতের দিন পর্যন্ত বলবৎ থাকা এমন কোনো অংগীকার রয়েছে কি যে তোমাদের জন্য আলবৎ তাই থাকবে যা তোমরা স্থির করবে?

সমকালীন বাংলা

নাকি আমাদের ওপর তোমাদের জন্য কিয়ামতের দিন পর্যন্ত বলবৎ থাকবে—এমন কোনো দৃঢ় অঙ্গীকার রয়েছে, যাতে তোমরা যা নির্ধারণ কর, সেটিই তোমাদের জন্য থাকবে?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমাদের কি আমার সঙ্গে কিয়ামত পর্যন্ত বলবৎ এমন কোন অঙ্গীকার রহিয়াছে যে, তোমরা নিজেদের জন্য যাহা স্থির করিবে তাহাই পাইবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের তুমি প্রশ্ন করো, এ ব্যাপারে তাদের যিম্মাদার কে?

জহুরুল হক

তাদের জিজ্ঞাসা করো - - তাদের মধ্যে কে এ - সন্বন্ধে জামিন হবে;

সমকালীন বাংলা

তাদেরকে জিজ্ঞাসা কর, তাদের মধ্যে কে এর দায়িত্ব নিতে পারে?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তুমি উহাদেরকে জিজ্ঞাসা কর উহাদের মধ্যে এই দাবির যিম্মাদার কে?

আবদুস শহীদ নাসিম

নাকি তাদের শরিক করা (দেব দেবী) আছে? তবে তারা সেই শরিকদের নিয়ে আসুক যদি তারা হয়ে থাকে সত্যবাদী।

জহুরুল হক

না তাদের জন্য অংশী - দেবতারা আছে? তেমন হলে তাদের অংশী - দেবতাদের তারা নিয়ে আসুক যদি তারা সত্যবাদী হয়।

সমকালীন বাংলা

নাকি তাদের কোনো শরীক রয়েছে? যদি তারা সত্যবাদী হয়ে থাকে, তবে তারা তাদের শরীকদের উপস্থিত করুক।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহাদের কি কোন দেব - দেবী আছে? থাকিলে উহারা উহাদের দেব - দেবীগুলিকে উপস্থিত করুক - যদি উহারা সত্যবাদী হয়।

আবদুস শহীদ নাসিম

স্মরণ করো, যেদিন তাদের পায়ের নলা উন্মোচিত করা হবে এবং তাদের ডাকা হবে সাজদা করতে, কিন্তু তাদের তা করার শক্তি থাকবেনা।

জহুরুল হক

একদিন চরম সংকট দেখা দেবে, আর তাদের ডাকা হবে সিজদা করতে, কিন্তু তারা সক্ষম হবে না।

সমকালীন বাংলা

যেদিন পায়ের গোড়ালি উন্মোচিত হবে এবং তাদেরকে সিজদা করার জন্য ডাকা হবে, কিন্তু তারা সক্ষম হবে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

স্মরণ কর সেই দিনের কথা, যেদিন পায়ের গোছা উন্মোচিত করা হইবে, সেই দিন উহাদেরকে আহ্বান করা হইবে সিজ্‌দা করিবার জন্য কিন্তু উহারা সক্ষম হইবে না;

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের দৃষ্টি থাকবে অবনত, তাদের গ্রাস করে নেবে যিল্লতি। অথচ (পৃথিবীতে) যখন তাদের সাজদা করতে ডাকা হতো তখন তারা নিজেদের (তা থেকে) রাখতো দূরে।

জহুরুল হক

তাদের দৃষ্টি হবে অবনত, লাঞ্ছনা তাদের জড়িয়ে ফেলবে। অথচ তাদের আহ্বান করা হয়েই থাকত সিজদা করতে যখন তারা ছিল নিরাপদ।

সমকালীন বাংলা

তাদের দৃষ্টি অবনত থাকবে, লাঞ্ছনা তাদের আচ্ছন্ন করবে। অথচ তাদেরকে সিজদার জন্য ডাকা হতো, যখন তারা সুস্থ-সক্ষম ছিল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহাদের দৃষ্টি অবনত, হীনতা উহাদেরকে আচ্ছন্ন করিবে অথচ যখন উহারা নিরাপদ ছিল তখন তো উহাদেরকে আহ্বান করা হইয়াছিল সিজ্‌দা করিতে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমাকে ছেড়ে দাও আর যারা এই বাণীকে (আল কুরআনকে) অস্বীকার করে তাদেরকে। আমরা ক্রমান্বয়ে তাদেরকে এমনভাবে ধরবো যে, তারা জানতেও পারবেনা।

জহুরুল হক

অতএব আমাকে এবং যে এই বাণী প্রত্যাখ্যান করে তাকে ছেড়ে দাও। আমরা তাদের ধাপে ধাপে নিয়ে যাব, কেমন করে তা তারা বুঝতেও পারবে না।

সমকালীন বাংলা

অতএব, আমাকে এবং এই বাণীকে যে অস্বীকার করে তাকে ছেড়ে দাও। অচিরেই আমরা তাদেরকে এমনভাবে পাকড়াও করব, যা তারা উপলব্ধিও করতে পারবে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ছাড়িয়া দাও আমাকে এবং যাহারা এই বাণীকে প্রত্যাখ্যান করে তাহাদেরকে, আমি উহাদেরকে ক্রমে ক্রমে ধরিব এমনভাবে যে, উহারা জানিতে পারিবে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমি তাদের অবকাশ দিই, আমার কৌশল মজবুত।

জহুরুল হক

তথাপি আমি ওদের সহ্য করি। আমার ফাঁদ নিশ্চয়ই বড় মজবুত।

সমকালীন বাংলা

আর আমি তাদেরকে অবকাশ দিচ্ছি। নিশ্চয়ই আমার কৌশল অত্যন্ত দৃঢ়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর আমি উহাদেরকে সময় দিয়া থাকি, নিশ্চয়ই আমার কৌশল অত্যন্ত বলিষ্ঠ।

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি কি তাদের কাছে পারিশ্রমিক চাইছো আর তারা সেটাকে মনে করছে দুর্বহ বোঝা?

জহুরুল হক

অথবা তুমি কি তাদের থেকে কোনো পারিশ্রমিক চাইছ যার ফলে তারা ধারকর্জ করে ভারাক্রান্ত হয়ে গেছে?

সমকালীন বাংলা

নাকি তুমি তাদের কাছে কোনো প্রতিদান চাও, ফলে তারা ঋণের বোঝায় ভারাক্রান্ত?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তুমি কি উহাদের নিকট পারিশ্রমিক চাহিতেছ যে, তাহা উহাদের কাছে দুর্বহ দণ্ড মনে হয়?

আবদুস শহীদ নাসিম

নাকি তাদের কাছে গায়েবের জ্ঞান আছে আর তারা তা লিখে রাখছে?

জহুরুল হক

অথবা কি তাদের কাছে রয়েছে, যার ফলে তারা লিখে রাখে?

সমকালীন বাংলা

নাকি তাদের কাছে অদৃশ্যের জ্ঞান রয়েছে, তাই তারা তা লিখে রাখে?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহাদের কি অদৃশ্যের জ্ঞান আছে যে, উহারা তাহা লিখিয়া রাখে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমার প্রভুর হুকুমের অপেক্ষায় সবর করো, মাছওয়ালার (ইউনুসের) মতো (অধৈর্য) হয়োনা। সে চরম হতাশায় আচ্ছন্ন অবস্থায় (আমাকে বিনীতভাবে) ডেকেছিল।

জহুরুল হক

অতএব তোমার প্রভুর হুকুমের জন্য অধ্যবসায় চালিয়ে যাও, এবং তুমি মাছের সঙ্গীর মতো হয়ো না। দেখো! তিনি বিষাদে কাতর হয়ে ডেকেছিলেন।

সমকালীন বাংলা

অতএব তুমি তোমার প্রতিপালকের সিদ্ধান্তের জন্য ধৈর্য ধারণ কর এবং মাছের সঙ্গীর মতো হয়ো না, যখন সে আহ্বান করেছিল, আর সে ছিল গভীর দুঃখে আচ্ছন্ন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতএব তুমি ধৈর্য ধারণ কর তোমার প্রতিপালকের নির্দেশের অপেক্ষায়, তুমি মৎস্য - সহচরের ন্যায় অধৈর্য হইও না, সে বিষাদ - আচ্ছন্ন অবস্থায় কাতর প্রার্থনা করিয়াছিল।

আবদুস শহীদ নাসিম

তার প্রভুর অনুগ্রহ তার কাছে না পৌঁছুলে সে চরম লাঞ্ছিত অবস্থায় নিক্ষিপ্ত হতো উন্মুক্ত প্রান্তরে।

জহুরুল হক

যদি তাঁর প্রভুর কাছ থেকে অনুগ্রহ তাঁর কাছে না পৌঁছুত তাহলে তিনি অবশ্যই উন্মুক্ত প্রান্তরে নিক্ষিপ্ত হতেন, আর তিনি হতেন নিন্দিত।

সমকালীন বাংলা

যদি না তার প্রতিপালকের পক্ষ থেকে অনুগ্রহ তার কাছে পৌঁছাত, তবে অবশ্যই সে উন্মুক্ত প্রান্তরে নিক্ষিপ্ত হতো, নিন্দিত অবস্থায়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহার প্রতিপালকের অনুগ্রহ তাহার নিকট না পৌঁছিলে সে লাঞ্ছিত হইয়া নিক্ষিপ্ত হইত উন্মুক্ত প্রান্তরে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর তার প্রভু তাকে মনোনীত করলেন এবং তাকে তাঁর সালেহ্ বান্দাদের অন্তরভুক্ত করলেন।

জহুরুল হক

কিন্তু তাঁর প্রভু তাঁকে মনোনীত করেছিলেন, ফলে তাঁকে সৎপথাবলন্বীদের অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন।

সমকালীন বাংলা

অতঃপর তার প্রতিপালক তাকে মনোনীত করলেন এবং তাকে সৎকর্মশীলদের অন্তর্ভুক্ত করলেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

পুনরায় তাহার প্রতিপালক তাহাকে মনোনীত করিলেন এবং তাহাকে সৎকর্মপরায়ণদের অন্তর্ভুক্ত করিলেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

কাফিররা যখন আয যিক্র (আল কুরআন) শুনে, তখন যেনো তারা তাদের তীক্ষ্ণ দৃষ্টি দিয়ে তোমাকে আছাড় মারবে। তারা বলে: ‘এতো এক পাগল।’

জহুরুল হক

আর যারা অবিশ্বাস পোষণ করেছে তারা যখন স্মারক - গ্রন্থ শোনে তখন তারা যেন তাদের চোখ দিয়ে তোমাকে আছড়ে মারবে, আর তারা বলে - - ''সে তো নিশ্চয়ই এক পাগল।’’

সমকালীন বাংলা

আর যারা অবিশ্বাস করেছে, তারা যখন এই স্মারক শুনে, তখন তারা যেন তাদের দৃষ্টির দ্বারা তোমাকে পিছলিয়ে দিতে উদ্যত হয়। আর তারা বলে, “সে তো অবশ্যই একজন উন্মাদ।”

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কাফিররা যখন কুরআন শ্রবণ করে তখন উহারা যেন উহাদের তীক্ষ্ণ দৃষ্টি দ্বারা তোমাকে আছড়াইয়া ফেলিবে এবং বলে, ‘এ তো এক পাগল!’

আবদুস শহীদ নাসিম

অথচ এ (কুরআন) তো জগতবাসীর জন্যে এক (কল্যাণময়) উপদেশ ছাড়া আর কিছুই নয়।

জহুরুল হক

আর এটি জগদ্বাসীর জন্য স্মারক - গ্রন্থ বৈ তো নয়।

সমকালীন বাংলা

অথচ এটি তো সমগ্র জগতের জন্য এক উপদেশ ছাড়া আর কিছু নয়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কুরআন তো বিশ্বজগতের জন্য উপদেশ।

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme