Kitab

আন নাযিআত (যারা টেনে বের করে)

Chapter 79, 46 verses

  • আবদুস শহীদ নাসিম
  • সমকালীন বাংলা
  • বয়ান ফাউন্ডেশন
  • মুহিউদ্দীন খান
About this chapter


মক্কায় অবতীর্ণ, আয়াত সংখ্যা : ৪৬, রুকু সংখ্যা: ০২

এই সূরার আলোচ্যসূচি

আয়াতআলোচ্য বিষয় ০১-১৪কিয়ামতের দৃশ্য। ১৫-২৬ফিরাউনের কাছে মূসার দাওয়াত। ফিরাউনের দাওয়াত প্রত্যাখ্যান। দুনিয়া ও আখিরাতে ফিরাউনের কঠিন শাস্তি আল্লাহ্ ভীরুদের জন্যে একটি শিক্ষা। ২৭-৩৬আল্লাহ্ মহাশক্তিমান। কিয়ামত সংঘটিত হবেই। ৩৭-৪১কারা জাহান্নামি এবং কারা জান্নাতি? ৪২-৪৬কিয়ামত কখন অনুষ্ঠিত হবে?
আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ সেই (ফেরেশতাদের), যারা অত্যন্ত কঠোর ও নির্মমভাবে টেনে হিচঁড়ে বের করে নেয় ( ও দুষ্কৃতকারীদের প্রাণ)।

সমকালীন বাংলা

আল্লাহর নামে শুরু করছি, পরম করুণাময় পরম দয়ালু; শপথ তাদের, যারা প্রবলভাবে টেনে বের করে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

কসম নির্মমভাবে (কাফিরদের রূহ) উৎপাটনকারীদের।* * ১-৫ নং আয়াতে বিভিন্ন কাজে নিয়োজিত ফেরেশতাদের কসম করা হয়েছে।

মুহিউদ্দীন খান

শপথ সেই ফেরেশতাগণের, যারা ডুব দিয়ে আত্মা উৎপাটন করে,

আবদুস শহীদ নাসিম

আর শপথ সেই (ফেরেশতাদের) যারা অত্যন্ত কোমলভাবে বের করে আনে (মুমিনদের আত্মা)।

সমকালীন বাংলা

এবং যারা কোমলভাবে মুক্ত করে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর কসম সহজভাবে বন্ধনমুক্তকারীদের।

মুহিউদ্দীন খান

শপথ তাদের, যারা আত্মার বাঁধন খুলে দেয় মৃদুভাবে;

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং শপথ সেইসব (ফেরেশতা, কিংবা গ্রহের) যারা সাঁতরে চলে।

সমকালীন বাংলা

আর যারা তীব্র গতিতে সাঁতার কাটে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর কসম দ্রুতগতিতে সন্তরণকারীদের।

মুহিউদ্দীন খান

শপথ তাদের, যারা সন্তরণ করে দ্রুতগতিতে,

আবদুস শহীদ নাসিম

আর শপথ সেইসব (ফেরেশতা, নক্ষত্র, কিংবা ঘোড়ার) যারা নির্দেশক্রমে সবেগে ধাবিত হয়।

সমকালীন বাংলা

এবং যারা দ্রুতগতিতে অগ্রসর হয়,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর দ্রুতবেগে অগ্রসরমানদের।

মুহিউদ্দীন খান

শপথ তাদের, যারা দ্রুতগতিতে অগ্রসর হয় এবং

আবদুস শহীদ নাসিম

আর শপথ সেই (ফেরেশতাদের) যারা তাদের প্রভুর নির্দেশক্রমে কার্য সম্পাদন করে থাকে।

সমকালীন বাংলা

অতঃপর যারা বিষয়সমূহ পরিচালনা করে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর কসম সকল কার্যনির্বাহকারীদের।

মুহিউদ্দীন খান

শপথ তাদের, যারা সকল কর্মনির্বাহ করে, কেয়ামত অবশ্যই হবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

সেদিন যখন (প্রথমবার শিংগায় ফুঁ দেয়া হবে), তখন (পৃথিবী, পাহাড় সবই) প্রবল ধাক্কায় বিশৃংখল হয়ে পড়বে।

সমকালীন বাংলা

যেদিন প্রকম্পনকারী প্রকম্পিত করবে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

সেদিন কম্পনকারী* প্রকম্পিত করবে। *অর্থাৎ প্রথম শিংগাধ্বনি।

মুহিউদ্দীন খান

যেদিন প্রকম্পিত করবে প্রকম্পিতকারী,

আবদুস শহীদ নাসিম

প্রথমটিকে অনুসরণ করবে আরেকটি শিংগাধবনি (তখন পুনরুত্থিত হবে সব মানুষ)।

সমকালীন বাংলা

তারপর আরেকটি প্রকম্পন,

বয়ান ফাউন্ডেশন

তাকে অনুসরণ করবে পরবর্তী কম্পনকারী।* *দ্বিতীয় শিংগাধ্বনি।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর পশ্চাতে আসবে পশ্চাদগামী;

আবদুস শহীদ নাসিম

কতো হৃদয় সেদিন কম্পমান হবে ভয়ে।

সমকালীন বাংলা

কত হৃদয় সেই দিন সন্ত্রস্ত হইবে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

সেদিন অনেক হৃদয় ভীত-সন্ত্রস্ত হবে।

মুহিউদ্দীন খান

সেদিন অনেক হৃদয় ভীত - বিহবল হবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের দৃষ্টি হবে (অপমানে) অবনমিত।

সমকালীন বাংলা

তাদের দৃষ্টিসমূহ হবে অবনত,

বয়ান ফাউন্ডেশন

তাদের দৃষ্টিসমূহ নত হবে।

মুহিউদ্দীন খান

তাদের দৃষ্টি নত হবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

এরা বলে: ‘‘(মরার পর) আমাদের কি আবার পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে (জীবিত করে) আনা হবে?

সমকালীন বাংলা

তারা বলবে, “আমাদের কি সত্যিই পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়া হবে?”

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা বলে, ‘আমরা কি পূর্বাবস্থায় প্রত্যাবর্তিত হবই,

মুহিউদ্দীন খান

তারা বলেঃ আমরা কি উলটো পায়ে প্রত্যাবর্তিত হবই -

আবদুস শহীদ নাসিম

আমাদের হাড় - গোড় পঁচে গলে (বিনাশ হয়ে) যাবার পরও?’’

সমকালীন বাংলা

“ক্ষয়প্রাপ্ত অস্থিতে পরিণত হওয়ার পরেও?”

বয়ান ফাউন্ডেশন

যখন আমরা চূর্ণ-বিচূর্ণ হাড় হয়ে যাব’?

মুহিউদ্দীন খান

গলিত অস্থি হয়ে যাওয়ার পরও?

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা বলে: ‘তবে তো সেটা হবে এক বড় ক্ষতিকর ফিরে আসা।’

সমকালীন বাংলা

তারা বলবে, “তবে তো এ প্রত্যাবর্তন হবে সর্বনাশা!”

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা বলে, ‘তাহলে তা তো এক ক্ষতিকর প্রত্যাবর্তন’।

মুহিউদ্দীন খান

তবে তো এ প্রত্যাবর্তন সর্বনাশা হবে!

আবদুস শহীদ নাসিম

আসল ব্যাপার হলো, ওটা হবে এক বিকট আওয়ায (দ্বিতীয় শিংগা ধ্বনি)।

সমকালীন বাংলা

প্রকৃতপক্ষে তা একটি মাত্র প্রচণ্ড শব্দ,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর ওটা তো কেবল এক বিকট আওয়াজ।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, এটা তো কেবল এক মহা - নাদ,

আবদুস শহীদ নাসিম

(সেই বিকট ধ্বনির) সাথে সাথেই তারা নিজেদেরকে জীবিত হাজির দেখতে পাবে এক উন্মুক্ত ময়দানে।

সমকালীন বাংলা

তারপর তারা উন্মুক্ত ভূমিতে উপস্থিত হবে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

তৎক্ষনাৎ তারা ভূ-পৃষ্ঠে উপস্থিত হবে।

মুহিউদ্দীন খান

তখনই তারা ময়দানে আবির্ভূত হবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমার কাছে মূসার হাদিস (ইতিহাস, ঘটনাবলি) পৌছেছে কি?

সমকালীন বাংলা

তোমার কাছে কি মূসার সংবাদ পৌঁছেছে?

বয়ান ফাউন্ডেশন

মূসার বৃত্তান্ত তোমার কাছে পৌঁছেছে কি?

মুহিউদ্দীন খান

মূসার বৃত্তান্ত আপনার কাছে পৌছেছে কি?

আবদুস শহীদ নাসিম

যখন তার প্রভু তাকে পবিত্র তোয়া উপত্যকায় ডেকে বলেছিলেন:

সমকালীন বাংলা

যখন তার প্রতিপালক তাকে পবিত্র 'তুওয়া' উপত্যকায় আহ্বান করেছিলেন,

বয়ান ফাউন্ডেশন

যখন তার রব তাকে পবিত্র তুওয়া উপত্যকায় ডেকেছিলেন,

মুহিউদ্দীন খান

যখন তার পালনকর্তা তাকে পবিত্র তুয়া উপ্যকায় আহবান করেছিলেন,

আবদুস শহীদ নাসিম

ফেরাউনের কাছে যাও, সে লংঘন করেছে সমস্ত সীমা।

সমকালীন বাংলা

“ফিরাউনের কাছে যাও; নিশ্চয়ই সে সীমালঙ্ঘন করেছে।”

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘ফির‘আউনের কাছে যাও, নিশ্চয় সে সীমালংঘন করেছে’।

মুহিউদ্দীন খান

ফেরাউনের কাছে যাও, নিশ্চয় সে সীমালংঘন করেছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি গিয়ে তাকে বলো: তুমি কি (কুফর, শিরক ও সীমালংঘন থেকে) পবিত্র হবে?

সমকালীন বাংলা

“এবং তাকে বলো, ‘তুমি কি পরিশুদ্ধ হতে চাও?’”

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর বল ‘তোমার কি ইচ্ছা আছে যে, তুমি পবিত্র হবে’?

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর বলঃ তোমার পবিত্র হওয়ার আগ্রহ আছে কি?

আবদুস শহীদ নাসিম

আর আমি কি তোমাকে সঠিক পথ দেখাবো তোমার মালিকের দিকে, যাতে করে তোমার মধ্যে জাগ্রত হয় তাঁর ভয়?

সমকালীন বাংলা

“এবং আমি কি তোমাকে তোমার প্রতিপালকের দিকে পথ দেখাবো, যাতে তুমি ভীত হও?”

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘আর আমি তোমাকে তোমার রবের দিকে পথ দেখাব, যাতে তুমি তাঁকে ভয় কর?’

মুহিউদ্দীন খান

আমি তোমাকে তোমার পালনকর্তার দিকে পথ দেখাব, যাতে তুমি তাকে ভয় কর।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর সে (মূসা) তার (ফেরাউনের) কাছে গিয়ে তাকে অনেক বড় নিদর্শন দেখালো।

সমকালীন বাংলা

অতঃপর তিনি তাকে মহা নিদর্শন দেখিয়েছিলেন,

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর মূসা তাকে বিরাট নিদর্শন দেখাল।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর সে তাকে মহা - নিদর্শন দেখাল।

আবদুস শহীদ নাসিম

কিন্তু সে মিথ্যা বলে প্রত্যাখ্যান করলো এবং অমান্য করলো।

সমকালীন বাংলা

কিন্তু সে অস্বীকার করেছিল এবং অবাধ্য হয়েছিল,

বয়ান ফাউন্ডেশন

কিন্তু সে অস্বীকার করল এবং অমান্য করল।

মুহিউদ্দীন খান

কিন্তু সে মিথ্যারোপ করল এবং অমান্য করল।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর সে ষড়যন্ত্র অাঁটার প্রচেষ্টায় পিছু হটলো।

সমকালীন বাংলা

অতঃপর ফিরে গেলো চেষ্টা করতে;

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারপর সে ফাসাদ করার চেষ্টায় প্রস্থান করল।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর সে প্রতিকার চেষ্টায় প্রস্থান করল।

আবদুস শহীদ নাসিম

অতপর (জনতাকে) সমবেত করে ঘোষণা দিলো।

সমকালীন বাংলা

অতঃপর সে সমবেত করল এবং ঘোষণা করল,

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর সে লোকদেরকে একত্র করে ঘোষণা দিল।

মুহিউদ্দীন খান

সে সকলকে সমবেত করল এবং সজোরে আহবান করল,

আবদুস শহীদ নাসিম

বললো: ‘আমিই তোমাদের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রভু।’

সমকালীন বাংলা

এবং বলল, “আমিই তোমাদের সর্বোচ্চ প্রতিপালক।”

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর বলল, ‘আমিই তোমাদের সর্বোচ্চ রব’।

মুহিউদ্দীন খান

এবং বললঃ আমিই তোমাদের সেরা পালনকর্তা।

আবদুস শহীদ নাসিম

সুতরাং তাকে কঠিন শাস্তিতে পাকড়াও করলেন তার শেষ ও প্রথম সীমা লংঘনের জন্যে।

সমকালীন বাংলা

তখন তাকে পরকাল ও ইহকালের শাস্তির জন্য ধরলেন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অবশেষে তাকে ও দুনিয়ার আযাবে পাকড়াও করলেন।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর তাকে পরকালের ও ইহকালের শাস্তি দিলেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

অবশ্যি এ ঘটনার মধ্যে শিক্ষামূলক উপদেশ রয়েছে ঐ ব্যক্তির জন্যে, যে ভয় করে (আল্লাহকে)।

সমকালীন বাংলা

নিশ্চয়ই এতে শিক্ষা রয়েছে তার জন্য, যে ভয় করে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় যে ভয় করে তার জন্য এতে শিক্ষা রয়েছে।

মুহিউদ্দীন খান

যে ভয় করে তার জন্যে অবশ্যই এতে শিক্ষা রয়েছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমাদের সৃষ্টি করা বেশি কঠিন কাজ, না মহাকাশ সৃষ্টি করা? তিনিই তো সৃষ্টি করেছেন এই (মহাকাশ)।

সমকালীন বাংলা

তোমাদের সৃষ্টি কি অধিক কঠিন, না আকাশের? তিনি তা নির্মাণ করেছেন,

বয়ান ফাউন্ডেশন

তোমাদেরকে সৃষ্টি করা অধিক কঠিন, না আসমান সৃষ্টি? তিনি তা বানিয়েছেন।

মুহিউদ্দীন খান

তোমাদের সৃষ্টি অধিক কঠিন না আকাশের, যা তিনি নির্মাণ করেছেন?

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনিই অনেক উপরে উঠিয়েছেন এর উচ্চতা, অতপর তাকে ভারসাম্যপূর্ণ ও সুবিন্যস্ত করেছেন।

সমকালীন বাংলা

তিনি তার উচ্চতাকে সুউচ্চ করেছেন, অতঃপর তাকে সুবিন্যস্ত করেছেন,

বয়ান ফাউন্ডেশন

তিনি এর ছাদকে উচ্চ করেছেন এবং তাকে সুসম্পন্ন করেছেন।

মুহিউদ্দীন খান

তিনি একে উচ্চ করেছেন ও সুবিন্যস্ত করেছেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর রাতকে তিনি ঢেকে দেন অন্ধকার দিয়ে, আর দিনকে বের করে আনেন আলোকিত করে।

সমকালীন বাংলা

৭৯–২৯ :
এবং তার রাতকে অন্ধকারাচ্ছন্ন করেছেন ও তার সকালকে আলোকিত করেছেন,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তিনি এর রাতকে অন্ধকারাচ্ছন্ন করেছেন এবং এর দিবালোক প্রকাশ করেছেন।

মুহিউদ্দীন খান

তিনি এর রাত্রিকে করেছেন অন্ধকারাচ্ছন্ন এবং এর সূর্যোলোক প্রকাশ করেছেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

এরপর তিনি বিছিয়ে দিয়েছেন পৃথিবীকে।

সমকালীন বাংলা

এবং এরপর পৃথিবীকে বিস্তৃত করেছেন,

বয়ান ফাউন্ডেশন

এরপর তিনি যমীনকে বিস্তীর্ণ করেছেন।

মুহিউদ্দীন খান

পৃথিবীকে এর পরে বিস্তৃত করেছেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

তার (পৃথিবীর) মধ্য থেকেই বের করেছেন তার পানি ও তৃণ - লতা (উদ্ভিদ)।

সমকালীন বাংলা

তিনি তা থেকে তার পানি ও চারণভূমি বের করেছেন,

বয়ান ফাউন্ডেশন

তিনি তার ভিতর থেকে বের করেছেন তার পানি ও তার তৃণভূমি।

মুহিউদ্দীন খান

তিনি এর মধ্য থেকে এর পানি ও ঘাম নির্গত করেছেন,

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং তার মধ্যে মজবুতভাবে গেড়ে দিয়েছেন পাহাড় - পর্বত।

সমকালীন বাংলা

এবং পর্বতমালাকে সুদৃঢ়ভাবে গ্রথিত করেছেন,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর পর্বতগুলোকে তিনি দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

মুহিউদ্দীন খান

পর্বতকে তিনি দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন,

আবদুস শহীদ নাসিম

(এসবই করেছেন) তোমাদের ও তোমাদের পশুদের কল্যাণার্থে।

সমকালীন বাংলা

তোমাদের ও তোমাদের গবাদিপশুর জীবিকার জন্য।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তোমাদের ও তোমাদের চতুষ্পদ জন্তুগুলোর জীবনোপকরণস্বরূপ।

মুহিউদ্দীন খান

তোমাদের ও তোমাদের চতুস্পদ জন্তুদের উপকারার্থে।

আবদুস শহীদ নাসিম

অতপর যেদিন ঘটে যাবে মহাবিপর্যয়,

সমকালীন বাংলা

অতঃপর যখন মহাবিপর্যয় আসবে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর যখন মহাপ্রলয় আসবে।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর যখন মহাসংকট এসে যাবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

যেদিন মানুষ খুব করে স্মরণ করবে তার (পৃথিবীর জীবনের) সা’য়ীর (ব্যস্ততা ও কৃতকর্মের) কথা,

সমকালীন বাংলা

সেদিন মানুষ স্মরণ করবে সে কিসের জন্য কষ্ট করেছিল,

বয়ান ফাউন্ডেশন

সেদিন মানুষ স্মরণ করবে তা, যা সে চেষ্টা করেছে।

মুহিউদ্দীন খান

অর্থাৎ যেদিন মানুষ তার কৃতকর্ম স্মরণ করবে

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং যেদিন দর্শকদের সামনে খুলে ধরা হবে জাহিম (দোযখ),

সমকালীন বাংলা

এবং জাহান্নাম প্রকাশ করা হবে, যে দেখবে তার জন্য,

Note

জাহিম: কুরআনে ব্যবহৃত জাহান্নামের একটি নাম, যা বিশেষভাবে প্রজ্বলিত ও তীব্র জ্বলন্ত আগুনের ধারণা প্রকাশ করে। কুরআনে জাহান্নামের জন্য বিভিন্ন নাম ও বর্ণনা ব্যবহার করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে:


  • جَهَنَّم (Jahannam)
  • الْجَحِيم (Al-Jaḥīm)
  • سَقَر (Saqar)
  • لَظَى (Laẓā)
  • الْحُطَمَة (Al-Ḥuṭamah)
  • السَّعِير (As-Saʿīr)
  • الْهَاوِيَة (Al-Hāwiyah)

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর জাহান্নামকে প্রকাশ করা হবে তার জন্য যে দেখতে পায়।

মুহিউদ্দীন খান

এবং দর্শকদের জন্যে জাহান্নাম প্রকাশ করা হবে,

আবদুস শহীদ নাসিম

সেদিন (এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হবে যে,) পৃথিবীর জীবনে যারা সীমালংঘন করেছিল,

সমকালীন বাংলা

অনন্তর যে সীমালঙ্ঘন করেছে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

সুতরাং যে সীমালঙ্ঘন করে।

মুহিউদ্দীন খান

তখন যে ব্যক্তি সীমালংঘন করেছে;

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং (আখিরাতের চাইতে) অগ্রাধিকার দিয়েছিল দুনিয়ার জীবনকে,

সমকালীন বাংলা

এবং পার্থিব জীবনকে অগ্রাধিকার দিয়েছে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর দুনিয়ার জীবনকে প্রাধান্য দেয়,

মুহিউদ্দীন খান

এবং পার্থিব জীবনকে অগ্রাধিকার দিয়েছে,

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের আবাস হবে জাহিম (দোযখ)।

সমকালীন বাংলা

তবে নিশ্চয়ই জাহিম হবে তার আশ্রয়,

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় জাহান্নাম হবে তার আবাসস্থল।

মুহিউদ্দীন খান

তার ঠিকানা হবে জাহান্নাম।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর যে তার মহান প্রভুর সামনে দাঁড়াবার ভয়ে ভীত ছিলো এবং নিজেকে আত্মার দাসত্ব ও মন্দ কামনা - বাসনা থেকে বিরত রেখেছিল,

সমকালীন বাংলা

অপরদিকে যে তার প্রতিপালকের সামনে দাঁড়ানোর ব্যাপারে ভীত হয়েছে এবং নিজেকে প্রবৃত্তি থেকে বিরত রেখেছে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যে স্বীয় রবের সামনে দাঁড়ানোকে ভয় করে এবং কুপ্রবৃত্তি থেকে নিজকে বিরত রাখে,

মুহিউদ্দীন খান

পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি তার পালনকর্তার সামনে দন্ডায়মান হওয়াকে ভয় করেছে এবং খেয়াল - খুশী থেকে নিজেকে নিবৃত্ত রেখেছে,

আবদুস শহীদ নাসিম

জান্নাতই হবে তাদের আবাস।

সমকালীন বাংলা

তবে নিশ্চয়ই বেহেশতই হবে তার আশ্রয়,

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় জান্নাত হবে তার আবাসস্থল।

মুহিউদ্দীন খান

তার ঠিকানা হবে জান্নাত।

আবদুস শহীদ নাসিম

(হে মুহাম্মদ!) এরা তোমাকে জিজ্ঞেস করছে সেই সময়টি সম্পর্কে - তা কখন অনুষ্ঠিত হবে?

সমকালীন বাংলা

তারা তোমাকে সেই সময় সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে, ‘তা কখন ঘটবে?’

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা তোমাকে কিয়ামত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে, ‘তা কখন ঘটবে’?

মুহিউদ্দীন খান

তারা আপনাকে জিজ্ঞাসা করে, কেয়ামত কখন হবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

(কিন্তু) এ ব্যাপারে বলার কী জ্ঞান তোমার আছে?

সমকালীন বাংলা

সে ব্যাপারে আপনার কী বলার আছে?

বয়ান ফাউন্ডেশন

তা উল্লেখ করার কি জ্ঞান তোমার আছে?

মুহিউদ্দীন খান

এর বর্ণনার সাথে আপনার কি সম্পর্ক ?

আবদুস শহীদ নাসিম

এর জ্ঞান তো শুধুমাত্র তোমার প্রভুর নিকটই সীমাবদ্ধ।

সমকালীন বাংলা

তার চূড়ান্ত জ্ঞান তোমার প্রতিপালকের কাছেই,

বয়ান ফাউন্ডেশন

এর প্রকৃত জ্ঞান তোমার রবের কাছেই।

মুহিউদ্দীন খান

এর চরম জ্ঞান আপনার পালনকর্তার কাছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি তো একজন সতর্ককারী মাত্র, তাদের জন্যে যারা তাকে (কিয়ামতকে) ভয় করে।

সমকালীন বাংলা

তুমি তো কেবল সতর্ককারী তার জন্য, যে তাকে ভয় করে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

তুমিতো কেবল তাকেই সতর্ককারী, যে একে ভয় করে ।

মুহিউদ্দীন খান

যে একে ভয় করে, আপনি তো কেবল তাকেই সতর্ক করবেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

যেদিন তারা সে দিনটিকে দেখতে পাবে, তারা অনুভব করবে, পৃথিবীতে তারা কাটিয়েছে একটি সন্ধ্যা, কিংবা একটি সকাল মাত্র।

সমকালীন বাংলা

যেদিন তারা তা দেখবে, মনে হবে যেন তারা কেবল এক সন্ধ্যা বা সকালের বেশী অবস্থান করেনি।

বয়ান ফাউন্ডেশন

যেদিন তারা তা দেখবে, সেদিন তাদের মনে হবে, যেন তারা (দুনিয়ায়) এক সন্ধ্যা বা এক সকালের বেশী অবস্থান করেনি।

মুহিউদ্দীন খান

যেদিন তারা একে দেখবে, সেদিন মনে হবে যেন তারা দুনিয়াতে মাত্র এক সন্ধ্যা অথবা এক সকাল অবস্থান করেছে।

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme