Kitab

ফাতির (সৃষ্টির সূচনাকারী)

Chapter 35, 45 verses

  • আবদুস শহীদ নাসিম
  • সমকালীন বাংলা
  • ইসলামিক ফাউন্ডেশন
  • মুহিউদ্দীন খান
  • Word by word
About this chapter


মক্কায় অবতীর্ণ, আয়াত সংখ্যা: ৪৫, রুকু সংখ্যা: ০৫

এই সূরার আলোচ্যসূচি

আয়াতআলোচ্য বিষয় ০১-০৭আল্লাহ্ ফেরেশতাদের বার্তাবাহক বানান এবং তাদের ডানা আছে। পূর্ববর্তী অনেক রসূলকেই প্রত্যাখ্যান করা হয়েছিল। দুনিয়ার জীবন এবং শয়তান যেনো তোমাদের প্রতারিত না করে। ০৮-১৪প্রত্যাখ্যানকারীদের জন্য দুঃখ করোনা। পুনরুত্থানের যুক্তি। তাওহীদের যুক্তি। ১৫-৩৭মানুষ আল্লাহর মুখাপেক্ষী। কেউ কারো পাপের বোঝা বইবেনা। আত্মশুদ্ধিতে ব্যক্তিরই কল্যাণ। অন্ধকার আর আলো এক নয়। চিন্তাশীল, জ্ঞানীরাই আল্লাহকে ভয় করে। ভালো কাজের প্রতিযোগিতাকারীদের জন্য সুসংবাদ। ৩৮-৩৯আল্লাহ্ মানুষকে পৃথিবীর প্রতিনিধি বানিয়েছেন। অকৃতজ্ঞদের জন্য রয়েছে ধ্বংস। ৪০-৪৫যাদেরকে আল্লাহর সাথে শরিক করা হয় তারা সম্পূর্ণ অক্ষম। রসূলকে প্রত্যাখ্যানকারীরা আল্লাহর পাকড়াও থেকে রক্ষা পাবেনা। দুনিয়ার জীবনে আল্লাহ্ কিছুটা অবকাশ দেন মাত্র।
আবদুস শহীদ নাসিম

আলহামদু লিল্লাহ - সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর, যিনি মহাকাশ ও পৃথিবীর স্রষ্টা, যিনি ফেরেশতাদের বার্তাবাহক নিয়োগ করেন, যারা দুই দুই, তিন তিন কিংবা চার চার পাখা বিশিষ্ট। তিনি সৃষ্টিতে বৃদ্ধি করেন যা ইচ্ছা করেন। নিশ্চয়ই প্রতিটি বিষয়ের উপর শক্তিমান।

সমকালীন বাংলা

পরম দয়ালু, পরম ক্ষমাশীল আল্লাহর নামে; সকল প্রশংসা আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর বাণীবাহক করেন ফিরিশ্তাদেরকে যাহারা দুই দুই, তিন তিন অথবা চার চার পক্ষবিশিষ্ট। তিনি সৃষ্টিতে যাহা ইচ্ছা যােগ করেন। নিশ্চয় র্সববিষয়ে সক্ষম

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সকল প্রশংসা আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর সৃষ্টিকর্তা ‌রই - যিনি বাণীবাহক করেন ফিরিশ্‌তাদেরকে যাহারা দুই দুই, তিন তিন অথবা চার চার পক্ষবিশিষ্ট। তিনি সৃষ্টিতে যাহা ইচ্ছা বৃদ্ধি করেন। ‌ র্সববিষয়ে সর্বশক্তিমান।

মুহিউদ্দীন খান

সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর, যিনি আসমান ও যমীনের স্রষ্টা এবং ফেরেশতাগণকে করেছেন বার্তাবাহক - তারা দুই দুই, তিন তিন ও চার চার পাখাবিশিষ্ট। তিনি সৃষ্টি মধ্যে যা ইচ্ছা যোগ করেন। নিশ্চয় সর্ববিষয়ে সক্ষম।

Word by word

ٱلْحَمْدُ لِلَّهِ فَاطِرِ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ جَاعِلِ ٱلْمَلَٰٓئِكَةِ رُسُلًا أُو۟لِىٓ أَجْنِحَةٍ مَّثْنَىٰ وَثُلَٰثَ وَرُبَٰعَ يَزِيدُ فِى ٱلْخَلْقِ مَا يَشَآءُ إِنَّ ٱللَّهَ عَلَىٰ كُلِّ شَىْءٍ قَدِير

আবদুস শহীদ নাসিম

মানুষের প্রতি কোনো রহমত খুলে দিলে তা রোধ করার কেউ নেই। আর তিনি নিজেই কিছু বন্ধ করে দিতে চাইলে তারপর তা উন্মুক্ত করারও কেউ নেই। তিনি মহাপরাক্রমশালী, অতীব প্রজ্ঞাবান।

সমকালীন বাংলা

মানুষের প্রতি কোন অনুগ্রহ অবারিত করিলে কেহ উহা নিবারণকারী নাই এবং তিনি কিছু নিরুদ্ধ করিতে চাহিলে তৎপর কেহ উহার উন্মুক্তকারী নাই। তিনি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌ মানুষের প্রতি কোন অনুগ্রহ অবারিত করিলে কেহ উহা নিবারণকারী নাই এবং তিনি কিছু নিরুদ্ধ করিতে চাহিলে তৎপর কেহ উহার উন্মুক্তকারী নাই। তিনি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।

মুহিউদ্দীন খান

মানুষের জন্য অনুগ্রহের মধ্য থেকে যা খুলে দেন, তা ফেরাবার কেউ নেই এবং তিনি যা বারণ করেন, তা কেউ প্রেরণ করতে পারে না তিনি ব্যতিত। তিনি পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।

Word by word

مَّا يَفْتَحِ ٱللَّهُ لِلنَّاسِ مِن رَّحْمَةٍ فَلَا مُمْسِكَ لَهَا وَمَا يُمْسِكْ فَلَا مُرْسِلَ لَهُۥ مِنۢ بَعْدِهِۦ وَهُوَ ٱلْعَزِيزُ ٱلْحَكِيمُ

আবদুস শহীদ নাসিম

হে মানুষ! তোমরা স্মরণ করো তোমাদের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহের কথা। ছাড়া এমন কোনো স্রষ্টা আছে কি, যে আকাশ এবং পৃথিবী থেকে তোমাদের রিযিক প্রদান করে। কোনো ইলাহ্ নেই তিনি ছাড়া। সুতরাং তোমরা ভুল পথে যাচ্ছো কোথায়?

সমকালীন বাংলা

হে মানুষ! তোমাদের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ স্মরণ কর। ব্যতীত কি কোন স্রষ্টা আছে, যে তোমাদেরকে আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী হইতে রিযিক দান করে? তিনি ব্যতীত কোন ইলাহ্ নাই। সুতরাং কোথায় তোমরা বিপথে চালিত হইতেছ?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

হে মানুষ! তোমাদের প্রতি ‌র অনুগ্রহ স্মরণ কর। ‌ ব্যতীত কি কোন স্রষ্টা আছে, যে তোমাদেরকে আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী হইতে রিযিক দান করে? তিনি ব্যতীত কোন ইলাহ্ নাই। সুতরাং কোথায় তোমরা বিপথে চালিত হইতেছ?

মুহিউদ্দীন খান

হে মানুষ, তোমাদের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ স্মরণ কর। ব্যতীত এমন কোন স্রষ্টা আছে কি, যে তোমাদেরকে আসমান ও যমীন থেকে রিযিক দান করে? তিনি ব্যতীত কোন উপাস্য নেই। অতএব তোমরা কোথায় ফিরে যাচ্ছ?

Word by word

يَٰٓأَيُّهَا ٱلنَّاسُ ٱذْكُرُوا۟ نِعْمَتَ ٱللَّهِ عَلَيْكُمْ هَلْ مِنْ خَٰلِقٍ غَيْرُ ٱللَّهِ يَرْزُقُكُم مِّنَ ٱلسَّمَآءِ وَٱلْأَرْضِ لَآ إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ فَأَنَّىٰ تُؤْفَكُونَ

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা যদি তোমাকে মিথ্যা বলে প্রত্যাখ্যান করেই, তবে তোমার আগেও বহু রসূলকে প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। সব বিষয় শেষ পর্যন্ত ফিরে যায় আল্লাহর কাছেই।

সমকালীন বাংলা

ইহারা যদি তোমার প্রতি মিথ্যা আরোপ করে তবে তোমার পূর্বেও রাসূলগণের প্রতি মিথ্যা আরোপ করা হয়েছিল। আল্লাহর নিকটই সকল বিষয় প্রত্যানীত হইবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহারা যদি তোমার প্রতি মিথ্যা আরোপ করে তবে তোমার পূর্বেও রাসূলগণের প্রতি মিথ্যা আরোপ করা হয়েছিল। ‌র নিকটই সকল বিষয় প্রত্যানীত হইবে।

মুহিউদ্দীন খান

তারা যদি আপনাকে মিথ্যাবাদী বলে, তবে আপনার পূর্ববর্তী পয়গম্বরগণকেও তো মিথ্যাবাদী বলা হয়েছিল। আল্লাহর প্রতিই যাবতীয় বিষয় প্রত্যাবর্তিত হয়।

Word by word

وَإِن يُكَذِّبُوكَ فَقَدْ كُذِّبَتْ رُسُلٌ مِّن قَبْلِكَ وَإِلَى ٱللَّهِ تُرْجَعُ ٱلْأُمُورُ

আবদুস শহীদ নাসিম

হে মানুষ! নিশ্চয়ই আল্লাহর ওয়াদা সত্য। সুতরাং দুনিয়ার জীবন যেনো তোমাদের প্রতারিত না করে। আর বড় প্রতারকও যেনো তোমাদেরকে আল্লাহর ব্যাপারে প্রতারিত না করে।

সমকালীন বাংলা

হে মানুষ ! নিশ্চয়ই প্রতিশ্রুতি সত্য; সুতরাং পার্থিব জীবন যেন তোমাদেরকে কিছুতেই প্রতারিত না করে এবং সেই প্রবঞ্চক যেন কিছুতেই সম্পর্কে তোমাদেরকে প্রবঞ্চিত না করে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

হে মানুষ ! নিশ্চয়ই ‌র প্রতিশ্রুতি সত্য; সুতরাং পার্থিব জীবন যেন তোমাদেরকে কিছুতেই প্রতারিত না করে এবং সেই প্রবঞ্চক যেন কিছুতেই ‌ সম্পর্কে তোমাদেরকে প্রবঞ্চিত না করে।

মুহিউদ্দীন খান

হে মানুষ, নিশ্চয় আল্লাহর ওয়াদা সত্য। সুতরাং, পার্থিব জীবন যেন তোমাদেরকে প্রতারণা না করে। এবং সেই প্রবঞ্চক যেন কিছুতেই তোমাদেরকে সম্পর্কে প্রবঞ্চিত না করে।

Word by word

يَٰٓأَيُّهَا ٱلنَّاسُ إِنَّ وَعْدَ ٱللَّهِ حَقٌّ فَلَا تَغُرَّنَّكُمُ ٱلْحَيَوٰةُ ٱلدُّنْيَا وَلَا يَغُرَّنَّكُم بِٱللَّهِ ٱلْغَرُورُ

আবদুস শহীদ নাসিম

শয়তান তোমাদের শত্রু। সুতরাং তাকে শত্রু হিসেবে গ্রহণ করো। সে তো তার অনুসারী দলবলকে আহবান জানায়, যেনো তারা সায়ীরের (জাহান্নামের) পথিক হয়ে যায়।

সমকালীন বাংলা

শয়তান তো তোমাদের শত্রু ; সুতরাং তাহাকে শত্রু হিসাবে গ্রহণ কর। সে তো তাহার দলবলকে আহ্বান করে কেবল এইজন্য যে, উহারা যেন জাহান্নামী হয়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

শয়তান তো তোমাদের শত্রু ; সুতরাং তাহাকে শত্রু হিসাবে গ্রহণ কর। সে তো তাহার দলবলকে আহ্বান করে কেবল এইজন্য যে, উহারা যেন জাহান্নামী হয়।

মুহিউদ্দীন খান

শয়তান তোমাদের শত্রু; অতএব তাকে শত্রু রূপেই গ্রহণ কর। সে তার দলবলকে আহবান করে যেন তারা জাহান্নামী হয়।

Word by word

إِنَّ ٱلشَّيْطَٰنَ لَكُمْ عَدُوٌّ فَٱتَّخِذُوهُ عَدُوًّا إِنَّمَا يَدْعُوا۟ حِزْبَهُۥ لِيَكُونُوا۟ مِنْ أَصْحَٰبِ ٱلسَّعِيرِ

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা কুফুরি করে তাদের জন্যে রয়েছে কঠিন আযাব। আর যারা ঈমান আনে এবং আমলে সালেহ্ করে, তাদের জন্যে রয়েছে মাগফিরাত এবং মহাপুরস্কার।

সমকালীন বাংলা

যাহারা করে তাহাদের জন্য আছে কঠিন শাস্তিএবং যাহারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে তাহাদের জন্য আছে ক্ষমা ও মহাপুরস্কার।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা করে তাহাদের জন্য আছে কঠিন শাস্তি এবং যাহারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে তাহাদের জন্য আছে ক্ষমা ও মহাপুরস্কার।

মুহিউদ্দীন খান

যারা কুফর করে তাদের জন্যে রয়েছে কঠোর আযাব। আর যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে, তাদের জন্যে রয়েছে ক্ষমা ও মহা পুরস্কার।

Word by word

ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ لَهُمْ عَذَابٌ شَدِيدٌ وَٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَعَمِلُوا۟ ٱلصَّٰلِحَٰتِ لَهُم مَّغْفِرَةٌ وَأَجْرٌ كَبِيرٌ

আবদুস শহীদ নাসিম

ঐ ব্যক্তি যার কাছে তার মন্দ কাজ চাকচিক্যময় করে দেয়া হয় এবং সে সেটাকেই উত্তম মনে করে, সে কি সঠিক পথের অনুসারীর সমতুল্য? নিশ্চয়ই যাকে ইচ্ছা গোমরাহ করেন, আর সঠিক পথ দেখান যাকে ইচ্ছা করেন। অতএব তুমি তাদের জন্যে আক্ষেপ করে তোমার জীবন ধ্বংস করোনা। নিশ্চয়ই জানেন তারা যা করে।

সমকালীন বাংলা

কাহাকেও যদি তাহার মন্দকর্ম শোভন করিয়া দেখান হয় এবং সে ইহাকে উত্তম মনে করে, সেই ব্যক্তি কি তাহার সমান যে সৎকর্ম করে? যাহাকে ইচ্ছা বিভ্রান্ত করেন এবং যাহাকে ইচ্ছা সৎপথে পরিচালিত করেন। অতএব ইহাদের জন্য আক্ষেপ করিয়া তোমার প্রাণ শেষ কর না। নিশ্চয়ই জাননে তারা যা কর।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কাহাকেও যদি তাহার মন্দকর্ম শোভন করিয়া দেখান হয় এবং সে ইহাকে উত্তম মনে করে, সেই ব্যক্তি কি তাহার সমান যে সৎকর্ম করে? ‌ যাহাকে ইচ্ছা বিভ্রান্ত করেন এবং যাহাকে ইচ্ছা সৎপথে পরিচালিত করেন। অতএব ইহাদের জন্য আক্ষেপ করিয়া তোমার প্রাণ যেন ধ্বংস না হয়। উহারা যাহা করে নিশ্চয়ই ‌ তাহা জানেন।

মুহিউদ্দীন খান

যাকে মন্দকর্ম শোভনীয় করে দেখানো হয়, সে তাকে উত্তম মনে করে, সে কি সমান যে মন্দকে মন্দ মনে করে। নিশ্চয় যাকে ইচ্ছা পথভ্রষ্ট করেন এবং যাকে ইচছা সৎপথ প্রদর্শন করেন। সুতরাং আপনি তাদের জন্যে অনুতাপ করে নিজেকে ধ্বংস করবেন না। নিশ্চয়ই জানেন তারা যা করে।

Word by word

أَفَمَن زُيِّنَ لَهُۥ سُوٓءُ عَمَلِهِۦ فَرَءَاهُ حَسَنًا فَإِنَّ ٱللَّهَ يُضِلُّ مَن يَشَآءُ وَيَهْدِى مَن يَشَآءُ فَلَا تَذْهَبْ نَفْسُكَ عَلَيْهِمْ حَسَرَٰتٍ إِنَّ ٱللَّهَ عَلِيمٌۢ بِمَا يَصْنَعُونَ

আবদুস শহীদ নাসিম

, তিনিই বাতাস পাঠান, তা দিয়ে পরিচালিত করেন মেঘমালা। তারপর আমরা তা মৃত ভূ - খন্ডের দিকে পরিচালিত করি। তারপর তা দিয়ে আমরা মৃত জমিনকে জীবিত করি। এভাবেই মৃত্যুর পর (মানুষকে) পুনরায় জীবিত করে উঠানো হবে।

সমকালীন বাংলা

বায়ু প্রেরণ করিয়া উহা দ্বারা মেঘমালা সঞ্চারিত করেন। অতঃপর আমি উহা নির্জীব ভূখণ্ডের দিকে পরিচালিত করি, অতঃপর আমি উহা দ্বারা ধরিত্রীকে উহার মৃত্যুর পর সঞ্জীবিত করি। এইরূপেই মৃত্যুর পর পুনরায় জীবিত করিয়া উঠানো হইবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌ই বায়ু প্রেরণ করিয়া উহা দ্বারা মেঘমালা সঞ্চারিত করেন। অতঃপর আমি উহা নির্জীব ভূখণ্ডের দিকে পরিচালিত করি, অতঃপর আমি উহা দ্বারা ধরিত্রীকে উহার মৃত্যুর পর সঞ্জীবিত করি। এইরূপেই মৃত্যুর পর পুনরায় জীবিত করিয়া উঠানো হইবে।

মুহিউদ্দীন খান

আল্লাহই বায়ু প্রেরণ করেন, অতঃপর সে বায়ু মেঘমালা সঞ্চারিত করে। অতঃপর আমি তা মৃত ভূ - খন্ডের দিকে পরিচালিত করি, অতঃপর তদ্বারা সে ভূ - খন্ডকে তার মৃত্যুর পর সঞ্জীবিত করে দেই। এমনিভাবে হবে পুনরুত্থান।

Word by word

وَٱللَّهُ ٱلَّذِىٓ أَرْسَلَ ٱلرِّيَٰحَ فَتُثِيرُ سَحَابًا فَسُقْنَٰهُ إِلَىٰ بَلَدٍ مَّيِّتٍ فَأَحْيَيْنَا بِهِ ٱلْأَرْضَ بَعْدَ مَوْتِهَا كَذَٰلِكَ ٱلنُّشُورُ

আবদুস শহীদ নাসিম

কেউ যদি ইযযত লাভ করতে চায়, সে জেনে রাখুক, ইযযত পুরোটাই আল্লাহর। তাঁর দিকেই উত্থিত হয় পবিত্র বাণীসমূহ এবং সেগুলোকে উত্থিত করে আমলে সালেহ্। যারা দুষ্কর্মের চক্রান্ত করে, তাদের জন্যে রয়েছে কঠিন আযাব। আর তাদের ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হবেই।

সমকালীন বাংলা

কেহ সম্মান ও ক্ষমতা চাহিলে সে জানিয়া রাখুক, সকল সম্মান ও ক্ষমতা তো তাঁহারই দিকে পবিত্র বাণীসমূহ সমুত্থিত হয় এবং সৎকর্ম উহাকে উন্নীত করে, আর যাহারা মন্দ কাজের ফন্দি আঁটে তাহাদের জন্য আছে কঠিন শাস্তি। তাহাদের ফন্দি ব্যর্থ হইবেই।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কেহ সম্মান ও ক্ষমতা চাহিলে সে জানিয়া রাখুক, সকল সম্মান ও ক্ষমতা তো ‌রই। তাঁহারই দিকে পবিত্র বাণীসমূহ সমুত্থিত হয় এবং সৎকর্ম উহাকে উন্নীত করে, আর যাহারা মন্দ কাজের ফন্দি আঁটে তাহাদের জন্য আছে কঠিন শাস্তি। তাহাদের ফন্দি ব্যর্থ হইবেই।

মুহিউদ্দীন খান

কেউ সম্মান চাইলে জেনে রাখুন, সমস্ত সম্মান আল্লাহরই জন্যে। তাঁরই দিকে আরোহণ করে সৎবাক্য এবং সৎকর্ম তাকে তুলে নেয়। যারা মন্দ কার্যের চক্রান্তে লেগে থাকে, তাদের জন্যে রয়েছে কঠোর শাস্তি। তাদের চক্রান্ত ব্যর্থ হবে।

Word by word

مَن كَانَ يُرِيدُ ٱلْعِزَّةَ فَلِلَّهِ ٱلْعِزَّةُ جَمِيعًا إِلَيْهِ يَصْعَدُ ٱلْكَلِمُ ٱلطَّيِّبُ وَٱلْعَمَلُ ٱلصَّٰلِحُ يَرْفَعُهُۥ وَٱلَّذِينَ يَمْكُرُونَ ٱلسَّيِّـَٔاتِ لَهُمْ عَذَابٌ شَدِيدٌ وَمَكْرُ أُو۟لَٰٓئ

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমাদের সৃষ্টি করেছেন মাটি থেকে, তারপর নোতফা (শুক্রবিন্দু) থেকে, তারপর তোমাদের বানিয়ে দিয়েছেন যুগল। আল্লাহর এলেমের মধ্যে ছাড়া কোনো নারী গর্ভও ধারণ করেনা, প্রসবও করেনা। কোনো দীর্ঘায়ু ব্যক্তির বয়স বাড়ানো হয়না, কিংবা তা থেকে কমানোও হয়না, যা একটি কিতাবে লেখা থাকেনা। এটা আল্লাহর জন্যে খুবই সহজ।

সমকালীন বাংলা

তোমাদেরকে সৃষ্টি করিয়াছেন মৃত্তিকা হইতে ; অতঃপর রক্তবিন্দু হইতে, অতঃপর তোমাদেরকে করিয়াছেন যুগল ! অজ্ঞাতসারে কোন নারী গর্ভধারণ করে না এবং প্রসবও করে না। কোন দীর্ঘায়ু ব্যক্তির আয়ু বৃদ্ধি করা হয় না এবং তাহার আয়ু হরাস করা হয় কন্তিু তা লখিতি আছে কতিাব। নিশ্চয় এটা আল্লাহর পক্ষে সহজ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌ তোমাদেরকে সৃষ্টি করিয়াছেন মৃত্তিকা হইতে; অতঃপর শুক্রবিন্দু হইতে, অতঃপর তোমাদেরকে করিয়াছেন যুগল ! ‌র অজ্ঞাতসারে কোন নারী গর্ভধারণ করে না এবং প্রসবও করে না। কোন দীর্ঘায়ু ব্যক্তির আয়ু বৃদ্ধি করা হয় না এবং তাহার আয়ু হ্রাস করা হয় না, কিন্তু তাহা তো রহিয়াছে ‘কিতাবে’। ইহা ‌র জন্য সহজ।

মুহিউদ্দীন খান

তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন মাটি থেকে, অতঃপর বীর্য থেকে, তারপর করেছেন তোমাদেরকে যুগল। কোন নারী গর্ভধারণ করে না এবং সন্তান প্রসব করে না; কিন্তু তাঁর জ্ঞাতসারে। কোন বয়স্ক ব্যক্তি বয়স পায় না। এবং তার বয়স হ্রাস পায় না; কিন্তু তা লিখিত আছে কিতাবে। নিশ্চয় এটা আল্লাহর পক্ষে সহজ।

Word by word

وَٱللَّهُ خَلَقَكُم مِّن تُرَابٍ ثُمَّ مِن نُّطْفَةٍ ثُمَّ جَعَلَكُمْ أَزْوَٰجًا وَمَا تَحْمِلُ مِنْ أُنثَىٰ وَلَا تَضَعُ إِلَّا بِعِلْمِهِۦ وَمَا يُعَمَّرُ مِن مُّعَمَّرٍ وَلَا يُنقَصُ مِنْ عُمُرِهِۦٓ إ

আবদুস শহীদ নাসিম

দরিয়া দুটি সমতুল্য নয়। এটির পানি মুখরোচক, মিষ্টি, সুপেয়। আর ওটির পানি লোনা, খর। প্রত্যেকটি থেকেই তোমরা তাজা গোশত (মাছ) আহার করো এবং বের করে আনো অলংকার সামগ্রী যা তোমরা পরিধান করো। তোমরা দেখতে পাও, সেগুলোর বুক চিরে চলাচল করে নৌযান, যাতে তোমরা তাঁর অনুগ্রহ সন্ধান করতে পারো এবং আদায় করতে পারো তাঁর শোকরিয়া।

সমকালীন বাংলা

দরিয়া দুইটি একরূপ নয় : একটির পানি সুমিষ্ট ও সুপেয়, অপরটির পানি লোনা, খর। প্রত্যেকটি হইতে তোমরা তাজা গোশত্‌ আহার কর এবং আহরণ কর অলংকার যাহা তোমরা পরিধান কর, এবং তোমরা দেখ উহার বুক চিরিয়া নৌযান চলাচল করে যাহাতে তোমরা তাঁহার অনুগ্রহ অনুসন্ধান করিতে পার এবং যাহাতে তোমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

দরিয়া দুইটি একরূপ নয় : একটির পানি সুমিষ্ট ও সুপেয়, অপরটির পানি লোনা, খর। প্রত্যেকটি হইতে তোমরা তাজা গোশ্‌ত আহার কর এবং আহরণ কর অলংকার যাহা তোমরা পরিধান কর, এবং তোমরা দেখ উহার বুক চিরিয়া নৌযান চলাচল করে যাহাতে তোমরা তাঁহার অনুগ্রহ অনুসন্ধান করিতে পার এবং যাহাতে তোমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর।

মুহিউদ্দীন খান

দু’টি সমুদ্র সমান হয় না - একটি মিঠা ও তৃষ্ণানিবারক এবং অপরটি লোনা। ঊভয়টি থেকেই তোমরা তাজা গোশত (মৎস) আহার কর এবং পরিধানে ব্যবহার্য গয়নাগাটি আহরণ কর। তুমি তাতে তার বুক চিরে জাহাজ চলতে দেখ, যাতে তোমরা তার অনুগ্রহ অন্বেষণ কর এবং যাতে তোমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর।

Word by word

وَمَا يَسْتَوِى ٱلْبَحْرَانِ هَٰذَا عَذْبٌ فُرَاتٌ سَآئِغٌ شَرَابُهُۥ وَهَٰذَا مِلْحٌ أُجَاجٌ وَمِن كُلٍّ تَأْكُلُونَ لَحْمًا طَرِيًّا وَتَسْتَخْرِجُونَ حِلْيَةً تَلْبَسُونَهَا وَتَرَى ٱلْفُلْكَ فِيهِ مَوَاخِرَ

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনি রাতকে প্রবেশ করিয়ে দেন দিনের মধ্যে এবং দিনকে প্রবেশ করিয়ে দেন রাতের মধ্যে। তিনি তাঁর নিয়মের অধীন করে দিয়েছেন সূর্য আর চাঁদকে। প্রত্যেকেই ভ্রমণ করে একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্যে। তিনিই , তোমাদের প্রভু। সমগ্র কর্তৃত্ব তাঁর। তোমরা তাঁর পরিবর্তে যাদেরকে ডাকো তারা খেজুর আঁটির উপরের আবরণের সমান কর্তৃত্বও রাখেনা।

সমকালীন বাংলা

তিনি রাত্রিকে দিবসে প্রবিষ্ট করান এবং দিবসকে প্রবিষ্ট করান রাত্রিতে, তিনি সূর্য ও চন্দ্রকে করিয়াছেন নিয়মাধীন ; প্রত্যেকে পরিভ্রমণ করে এক নির্দিষ্ট কাল পর্যন্ত। তিনিই তোমাদের প্রতিপালক। আধিপত্য তাঁহারই। এবং তোমরা আল্লাহর পরিবর্তে যাহাদেরকে ডাক তাহারা তো খর্জুর আঁটির আবরণেরও অধিকারী নয়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তিনি রাত্রিকে দিবসে প্রবিষ্ট করান এবং দিবসকে প্রবিষ্ট করান রাত্রিতে, তিনি সূর্য ও চন্দ্রকে করিয়াছেন নিয়মাধীন ; প্রত্যেকে পরিভ্রমণ করে এক নির্দিষ্ট কাল পর্যন্ত। তিনিই ‌, তোমাদের প্রতিপালক। আধিপত্য তাঁহারই। এবং তোমরা ‌র পরিবর্তে যাহাদেরকে ডাক তাহারা তো খর্জুর আঁটির আবরণেরও অধিকারী নয়।

মুহিউদ্দীন খান

তিনি রাত্রিকে দিবসে প্রবিষ্ট করেন এবং দিবসকে রাত্রিতে প্রবিষ্ট করেন। তিনি সূর্য ও চন্দ্রকে কাজে নিয়োজিত করেছেন। প্রত্যেকটি আবর্তন করে এক নির্দিষ্ট মেয়াদ পর্যন্ত। ইনি ; তোমাদের পালনকর্তা, সাম্রাজ্য তাঁরই। তাঁর পরিবর্তে তোমরা যাদেরকে ডাক, তারা তুচ্ছ খেজুর আঁটিরও অধিকারী নয়।

Word by word

يُولِجُ ٱلَّيْلَ فِى ٱلنَّهَارِ وَيُولِجُ ٱلنَّهَارَ فِى ٱلَّيْلِ وَسَخَّرَ ٱلشَّمْسَ وَٱلْقَمَرَ كُلٌّ يَجْرِى لِأَجَلٍ مُّسَمًّى ذَٰلِكُمُ ٱللَّهُ رَبُّكُمْ لَهُ ٱلْمُلْكُ وَٱلَّذِينَ تَدْعُونَ مِن دُونِهِۦ

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা তাদের ডাকলে তারা তোমাদের ডাক শুনেনা, শুনলেও সাড়া দেয়না। তোমরা যে তাদের শরিক বানিয়েছো কিয়ামতের দিন তারা তা অস্বীকার করবে। সর্বজ্ঞানী আল্লাহর মতো কেউই তোমাকে সংবাদ দিতে পারেনা।

সমকালীন বাংলা

তোমরা তাহাদেরকে আহ্বান করিলে তাহারা তোমাদের আহ্বান শুনিবে না এবং শুনিলেও তোমাদের আহবানে সাড়া দিবে না। তোমরা তাহাদেরকে যে শরীক করিয়াছ তাহা উহারা কিয়ামতের দিন অস্বীকার করিবে। সর্বজ্ঞের ন্যায় কেহই তোমাকে অবহিত করিতে পারে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমরা তাহাদেরকে আহ্বান করিলে তাহারা তোমাদের আহ্‌বান শুনিবে না এবং শুনিলেও তোমাদের আহবানে সাড়া দিবে না। তোমরা তাহাদেরকে যে শরীক করিয়াছ তাহা উহারা কিয়ামতের দিন অস্বীকার করিবে। সর্বজ্ঞের ন্যায় কেহই তোমাকে অবহিত করিতে পারে না।

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা তাদেরকে ডাকলে তারা তোমাদের সে ডাক শুনে না। শুনলেও তোমাদের ডাকে সাড়া দেয় না। কেয়ামতের দিন তারা তোমাদের শেরক অস্বীকার করবে। বস্তুতঃ আল্লাহর ন্যায় তোমাকে কেউ অবহিত করতে পারবে না।

Word by word

إِن تَدْعُوهُمْ لَا يَسْمَعُوا۟ دُعَآءَكُمْ وَلَوْ سَمِعُوا۟ مَا ٱسْتَجَابُوا۟ لَكُمْ وَيَوْمَ ٱلْقِيَٰمَةِ يَكْفُرُونَ بِشِرْكِكُمْ وَلَا يُنَبِّئُكَ مِثْلُ خَبِيرٍ

আবদুস শহীদ নাসিম

হে মানুষ! তোমরা আল্লাহর নিকট ফকির - আল্লাহর মুখাপেক্ষী, অথচ মুখাপেক্ষাহীন সপ্রশংসিত।

সমকালীন বাংলা

হে মানুষ, তােমরা আল্লাহর গলগ্রহ। আর ; তিনি অভাবমুক্ত, প্রশংসতি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

হে মানুষ ! তােমরা তো ‌র মুখাপেক্ষী ; কিন্তু ‌, তিনি অভাবমুক্ত, প্রশংসার্হ।

মুহিউদ্দীন খান

হে মানুষ, তোমরা আল্লাহর গলগ্রহ। আর ; তিনি অভাবমুক্ত, প্রশংসিত।

Word by word

يَٰٓأَيُّهَا ٱلنَّاسُ أَنتُمُ ٱلْفُقَرَآءُ إِلَى ٱللَّهِ وَٱللَّهُ هُوَ ٱلْغَنِىُّ ٱلْحَمِيدُ

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনি চাইলে তোমাদের সরিয়ে দিতে পারেন এবং নিয়ে আসতে পারেন একটি নতুন সৃষ্টি।

সমকালীন বাংলা

তিনি ইচ্ছা করিলে তোমাদেরকে অপসৃত করিতে পারেন এবং এক নূতন সৃষ্টি আনয়ন করিতে পারেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তিনি ইচ্ছা করিলে তোমাদেরকে অপসৃত করিতে পারেন এবং এক নূতন সৃষ্টি আনয়ন করিতে পারেন।

মুহিউদ্দীন খান

তিনি ইচ্ছা করলে তোমাদেরকে বিলুপ্ত করে এক নতুন সৃষ্টির উদ্ভব করবেন।

Word by word

إِن يَشَأْ يُذْهِبْكُمْ وَيَأْتِ بِخَلْقٍ جَدِيدٍ

আবদুস শহীদ নাসিম

এটা আল্লাহর জন্যে মোটেও কঠিন নয়।

সমকালীন বাংলা

এটা আল্লাহর পক্ষে কঠনি নয়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহা ‌র পক্ষে কঠিন নয়।

মুহিউদ্দীন খান

এটা আল্লাহর পক্ষে কঠিন নয়।

Word by word

وَمَا ذَٰلِكَ عَلَى ٱللَّهِ بِعَزِيزٍ

আবদুস শহীদ নাসিম

কোনো বোঝা বহনকারী অপরের বোঝা বহন করবেনা। কোনো ভারবাহী ব্যক্তি যদি কাউকেও তার বোঝা বহন করতে ডাকে, তবে নিকটাত্মীয় হলেও সামান্য ভারও বহন করে দেবেনা। তুমি তো কেবল তাদেরকেই সতর্ক করতে পারো, যারা না দেখেও তাদের প্রভুকে ভয় করে এবং কায়েম করে। যে আত্মোন্নয়ন করবে, সে আত্মোন্নয়ন করবে নিজের কল্যাণের জন্যেই। সবার প্রত্যাবর্তন হবে আল্লাহরই দিকে।

সমকালীন বাংলা

কোন বহনকারী অন্যের বোঝা বহন করিবে না; কোন ভারাক্রান্ত ব্যক্তি যদি কাহাকেও ইহা বহন করিতে আহবান করে তবে উহার কিছুই বহন করা হইবে না - সে নিকট - আত্মীয় হইলেও। তুমি কেবল তাহাদেরকেই সতর্ক করিতে পার যাহারা তাহাদের প্রতিপালককে না দেখিয়া ভয় করে এবং কায়েম করে। যে কেহ নিজকে পরিশোধন করে সে তো পরিশোধন করে স্বীয় কল্যাণরে জন্যইে আল্লাহর নকিটই সকলরে প্রত্যার্বতন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কোন বহনকারী অন্যের বোঝা বহন করিবে না; কোন ভারাক্রান্ত ব্যক্তি যদি কাহাকেও ইহা বহন করিতে আহবান করে তবে উহার কিছুই বহন করা হইবে না - সে নিকট - আত্মীয় হইলেও। তুমি কেবল তাহাদেরকেই সতর্ক করিতে পার যাহারা তাহাদের প্রতিপালককে না দেখিয়া ভয় করে এবং কায়েম করে। যে কেহ নিজকে পরিশোধন করে সে তো পরিশোধন করে নিজেরই কল্যাণের জন্য। ‌রই দিকে প্রত্যাবর্তন।

মুহিউদ্দীন খান

কেউ অপরের বোঝা বহন করবে না। কেউ যদি তার গুরুতর ভার বহন করতে অন্যকে আহবান করে কেউ তা বহন করবে না - যদি সে নিকটবর্তী আত্নীয়ও হয়। আপনি কেবল তাদেরকে সতর্ক করেন, যারা তাদের পালনকর্তাকে না দেখেও ভয় করে এবং কায়েম করে। যে কেউ নিজের সংশোধন করে, সে সংশোধন করে, স্বীয় কল্যাণের জন্যেই আল্লাহর নিকটই সকলের প্রত্যাবর্তন।

Word by word

وَلَا تَزِرُ وَازِرَةٌ وِزْرَ أُخْرَىٰ وَإِن تَدْعُ مُثْقَلَةٌ إِلَىٰ حِمْلِهَا لَا يُحْمَلْ مِنْهُ شَىْءٌ وَلَوْ كَانَ ذَا قُرْبَىٰٓ إِنَّمَا تُنذِرُ ٱلَّذِينَ يَخْشَوْنَ رَبَّهُم بِٱلْغَيْبِ وَأَقَامُوا۟

আবদুস শহীদ নাসিম

অন্ধ আর চক্ষুষ্মান সমতুল্য নয়,

সমকালীন বাংলা

সমান নয় অন্ধ ও চক্ষুষ্মান,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সমান নয় অন্ধ ও চক্ষুষ্মান,

মুহিউদ্দীন খান

দৃষ্টিমান ও দৃষ্টিহীন সমান নয়।

Word by word

وَمَا يَسْتَوِى ٱلْأَعْمَىٰ وَٱلْبَصِيرُ

আবদুস শহীদ নাসিম

আর সমতুল্য নয় অন্ধকাররাশি আর আলো,

সমকালীন বাংলা

আর না অন্ধকার ও আলো,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর না অন্ধকার ও আলো,

মুহিউদ্দীন খান

সমান নয় অন্ধকার ও আলো।

Word by word

وَلَا ٱلظُّلُمَٰتُ وَلَا ٱلنُّورُ

আবদুস শহীদ নাসিম

সমতুল্য নয় রোদ আর ছায়া,

সমকালীন বাংলা

আর না ছায়া ও রৌদ্র,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর না ছায়া ও রৌদ্র,

মুহিউদ্দীন খান

সমান নয় ছায়া ও তপ্তরোদ।

Word by word

وَلَا ٱلظِّلُّ وَلَا ٱلْحَرُورُ

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং সমতুল্য নয় জীবিতরা আর মৃতরা। যাকে ইচ্ছা করেন শুনার (বুঝার) তৌফিক দেন, কিন্তু যারা কবরে রয়েছে তুমি কিছুতেই তাদের শুনাতে পারবেনা।

সমকালীন বাংলা

এবং সমান নয় জীবিত ও মৃত। যাহাকে ইচ্ছা শ্রবণ করান; তুমি শোনাইতে সমর্থ হইবে না যাহারা কবরে রহিয়াছে তাহাদেরকে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং সমান নয় জীবিত ও মৃত। ‌ই যাহাকে ইচ্ছা শ্রবণ করান; তুমি শোনাইতে সমর্থ হইবে না যাহারা কবরে রহিয়াছে তাহাদেরকে।

মুহিউদ্দীন খান

আরও সমান নয় জীবিত ও মৃত। শ্রবণ করান যাকে ইচ্ছা। আপনি কবরে শায়িতদেরকে শুনাতে সক্ষম নন।

Word by word

وَمَا يَسْتَوِى ٱلْأَحْيَآءُ وَلَا ٱلْأَمْوَٰتُ إِنَّ ٱللَّهَ يُسْمِعُ مَن يَشَآءُ وَمَآ أَنتَ بِمُسْمِعٍ مَّن فِى ٱلْقُبُورِ

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি একজন সতর্ককারী ছাড়া কিছু নও।

সমকালীন বাংলা

তুমি একজন সতর্ককারী মাত্র।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তুমি একজন সতর্ককারী মাত্র।

মুহিউদ্দীন খান

আপনি তো কেবল একজন সতর্ককারী।

Word by word

إِنْ أَنتَ إِلَّا نَذِيرٌ

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা সত্যসহ তোমাকে রসূল বানিয়ে পাঠিয়েছি সুসংবাদদাতা এবং সতর্ককারী হিসেবে। এমন কোনো উম্মত ছিলনা যার কাছে আমরা সতর্ককারী পাঠাইনি।

সমকালীন বাংলা

আমি তো তোমাকে সত্যসহ প্রেরণ করিয়াছি সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারীরূপে; এমন কোন সম্প্রদায় নাই যাহার নিকট সতর্ককারী প্রেরিত হয় নাই।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি তো তোমাকে সত্যসহ প্রেরণ করিয়াছি সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারীরূপে; এমন কোন সম্প্রদায় নাই যাহার নিকট সতর্ককারী প্রেরিত হয় নাই।

মুহিউদ্দীন খান

আমি আপনাকে সত্যধর্মসহ পাঠিয়েছি সংবাদদাতা ও সতর্ককারীরূপে। এমন কোন সম্প্রদায় নেই যাতে সতর্ককারী আসেনি।

Word by word

إِنَّآ أَرْسَلْنَٰكَ بِٱلْحَقِّ بَشِيرًا وَنَذِيرًا وَإِن مِّنْ أُمَّةٍ إِلَّا خَلَا فِيهَا نَذِيرٌ

আবদুস শহীদ নাসিম

এরা যদি তোমাকে মিথ্যা বলে প্রত্যাখ্যান করে, তবে তাদের আগেকার লোকেরাও এভাবে প্রত্যাখ্যান করেছিল। তাদের কাছে রসূলরা সুস্পষ্ট নিদর্শনসমূহ নিয়ে এসেছিল, গ্রন্থাবলি এবং আলোদানকারী কিতাব নিয়ে এসেছিল,

সমকালীন বাংলা

ইহারা যদি তোমার প্রতি মিথ্যা আরোপ করে তবে ইহাদের পূর্ববর্তীগণও তো মিথ্যা আরোপ করিয়াছিল - তাহাদের নিকট আসিয়াছিল তাহাদের রাসূলগণ সুস্পষ্ট নিদর্শন, গ্রন্থাদি ও দীপ্তিমান কিতাবসহ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহারা যদি তোমার প্রতি মিথ্যা আরোপ করে তবে ইহাদের পূর্ববর্তীগণও তো মিথ্যা আরোপ করিয়াছিল - তাহাদের নিকট আসিয়াছিল তাহাদের রাসূলগণ সুস্পষ্ট নিদর্শন, গ্রন্থাদি ও দীপ্তিমান কিতাবসহ।

মুহিউদ্দীন খান

তারা যদি আপনার প্রতি মিথ্যারোপ করে, তাদের পূর্ববর্তীরাও মিথ্যারোপ করেছিল। তাদের কাছে তাদের রসূলগণ স্পষ্ট নিদর্শন, সহীফা এবং উজ্জল কিতাবসহ এসেছিলেন।

Word by word

وَإِن يُكَذِّبُوكَ فَقَدْ كَذَّبَ ٱلَّذِينَ مِن قَبْلِهِمْ جَآءَتْهُمْ رُسُلُهُم بِٱلْبَيِّنَٰتِ وَبِٱلزُّبُرِ وَبِٱلْكِتَٰبِ ٱلْمُنِيرِ

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর যারা কুফুরি করেছিল আমরা তাদের পাকড়াও করেছিলাম, কী যে ভয়ংকর ছিলো সে পাকড়াও।

সমকালীন বাংলা

অতঃপর আমি কাফিরদেরকে শাস্তি দিয়াছিলাম। কী ভয়ংকর আমার শাস্তি!

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর আমি কাফিরদেরকে শাস্তি দিয়াছিলাম। কী ভয়ংকর আমার শাস্তি!

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর আমি কাফেরদেরকে ধৃত করেছিলাম। কেমন ছিল আমার আযাব!

Word by word

ثُمَّ أَخَذْتُ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ فَكَيْفَ كَانَ نَكِيرِ

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি দেখোনা, নাযিল করেন আসমান থেকে পানি, তারপর তা দিয়ে আমরা উৎপন্ন করি নানা রঙের ফলফলারি? আর পাহাড়ের মধ্যেও আছে নানা বর্ণের পাথর - শুভ্র সাদা, বিচিত্র লাল, নিকষ কালো।

সমকালীন বাংলা

তুমি কি দেখ না, আকাশ হইতে বৃষ্টিপাত করেন; এবং আমি ইহা দ্বারা বিচিত্র বর্ণের ফলমূল উদ্গত করি। আর পাহাড়ের মধ্যে আছে বিচিত্র বর্ণের পথ - শুভ্র, লাল ও নিকষ কাল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তুমি কি দেখ না, ‌ আকাশ হইতে বৃষ্টিপাত করেন; এবং আমি ইহা দ্বারা বিচিত্র বর্ণের ফলমূল উদ্‌গত করি। আর পাহাড়ের মধ্যে আছে বিচিত্র বর্ণের পথ - শুভ্র, লাল ও নিকষ কাল।

মুহিউদ্দীন খান

তুমি কি দেখনি আকাশ থেকে বৃষ্টিবর্ষণ করেন, অতঃপর তদ্দ্বারা আমি বিভিন্ন বর্ণের ফল - মূল উদগত করি। পর্বতসমূহের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন বর্ণের গিরিপথ - সাদা, লাল ও নিকষ কালো কৃষ্ণ।

Word by word

أَلَمْ تَرَ أَنَّ ٱللَّهَ أَنزَلَ مِنَ ٱلسَّمَآءِ مَآءً فَأَخْرَجْنَا بِهِۦ ثَمَرَٰتٍ مُّخْتَلِفًا أَلْوَٰنُهَا وَمِنَ ٱلْجِبَالِ جُدَدٌۢ بِيضٌ وَحُمْرٌ مُّخْتَلِفٌ أَلْوَٰنُهَا وَغَرَابِيبُ سُودٌ

আবদুস শহীদ নাসিম

এভাবে মানুষ, জীব - জন্তু এবং পশুর মধ্যেও রয়েছে নানা রঙ, নানা বর্ণ। নিশ্চয়ই আল্লাহকে ভয় করে তাঁর বান্দাদের মধ্যে যারা জ্ঞানী তারা। অবশ্যি মহাপরাক্রমশালী, অতীব ক্ষমাশীল।

সমকালীন বাংলা

এইভাবে রং - বেরং - এর মানুষ, জন্তু ও আন‘আম রহিয়াছে। বান্দাদের মধ্যে যাহারা তাঁকে ভয় কর। নিশ্চয় পরাক্রমশালী ক্ষমাশীল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এইভাবে রং - বেরং - এর মানুষ, জন্তু ও আন‘আম রহিয়াছে। ‌র বান্দাদের মধ্যে যাহারা জ্ঞানী তাহারাই তাঁহাকে ভয় করে ; ‌ পরাক্রমশালী, ক্ষমাশীল।

মুহিউদ্দীন খান

অনুরূপ ভাবে বিভিন্ন বর্ণের মানুষ, জন্তু, চতুস্পদ প্রাণী রয়েছে। আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে জ্ঞানীরাই কেবল তাঁকে ভয় করে। নিশ্চয় পরাক্রমশালী ক্ষমাময়।

Word by word

وَمِنَ ٱلنَّاسِ وَٱلدَّوَآبِّ وَٱلْأَنْعَٰمِ مُخْتَلِفٌ أَلْوَٰنُهُۥ كَذَٰلِكَ إِنَّمَا يَخْشَى ٱللَّهَ مِنْ عِبَادِهِ ٱلْعُلَمَٰٓؤُا۟ إِنَّ ٱللَّهَ عَزِيزٌ غَفُورٌ

আবদুস শহীদ নাসিম

নিশ্চয়ই যারা তিলাওয়াত করে আল্লাহর কিতাব, কায়েম করে , আর তাদের যে রিযিক দিয়েছেন তা থেকে (আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে) ব্যয় করে গোপনে এবং প্রকাশ্যে, তারাই আশা করে এমন তিজারতের (ব্যবসায়ের) যার কোনোই ক্ষয় নেই।

সমকালীন বাংলা

যাহারা কিতাব তিলাওয়াত করে, কায়েম করে, আমি তাহাদেরকে যে রিযিক দিয়াছি তাহা হইতে গোপনে ও প্রকাশ্যে ব্যয় করে, তাহারাই আশা করে এমন ব্যবসায়ের, যাহার ক্ষয় নাই।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা ‌র কিতাব তিলাওয়াত করে, কায়েম করে, আমি তাহাদেরকে যে রিযিক দিয়াছি তাহা হইতে গোপনে ও প্রকাশ্যে ব্যয় করে, তাহারাই আশা করে এমন ব্যবসায়ের, যাহার ক্ষয় নাই।

মুহিউদ্দীন খান

যারা আল্লাহর কিতাব পাঠ করে, কায়েম করে, এবং আমি যা দিয়েছি, তা থেকে গোপনে ও প্রকাশ্যে ব্যয় করে, তারা এমন ব্যবসা আশা কর, যাতে কখনও লোকসান হবে না।

Word by word

إِنَّ ٱلَّذِينَ يَتْلُونَ كِتَٰبَ ٱللَّهِ وَأَقَامُوا۟ ٱلصَّلَوٰةَ وَأَنفَقُوا۟ مِمَّا رَزَقْنَٰهُمْ سِرًّا وَعَلَانِيَةً يَرْجُونَ تِجَٰرَةً لَّن تَبُورَ

আবদুস শহীদ নাসিম

কারণ, তাদের প্রচেষ্টার পূর্ণ প্রতিদান দেবেন এবং নিজের অনুগ্রহ থেকে আরো অধিক দেবেন। নিশ্চয়ই তিনি ক্ষমাশীল গুণগ্রাহী।

সমকালীন বাংলা

এইজন্য যে, তাহাদের কর্মের পূর্ণ প্রতিফল দিবেন এবং তিনি নিজ অনুগ্রহে তাহাদেরকে আরও বেশি দিবেন। তিনি তো ক্ষমাশীল, গুণগ্রাহী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এইজন্য যে, ‌ তাহাদের কর্মের পূর্ণ প্রতিফল দিবেন এবং তিনি নিজ অনুগ্রহে তাহাদেরকে আরও বেশি দিবেন। তিনি তো ক্ষমাশীল, গুণগ্রাহী।

মুহিউদ্দীন খান

পরিণামে তাদেরকে তাদের সওয়াব পুরোপুরি দেবেন এবং নিজ অনুগ্রহে আরও বেশী দেবেন। নিশ্চয় তিনি ক্ষমাশীল, গুণগ্রাহী।

Word by word

لِيُوَفِّيَهُمْ أُجُورَهُمْ وَيَزِيدَهُم مِّن فَضْلِهِۦٓ إِنَّهُۥ غَفُورٌ شَكُورٌ

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তোমার প্রতি যে কিতাব নাযিল করেছি তা মহাসত্য, এটি তার পূর্ববর্তী কিতাবসমূহের সত্যায়নকারী। নিশ্চয়ই তাঁর দাসদের সবকিছু জানেন এবং দেখেন।

সমকালীন বাংলা

আমি তোমার প্রতি যে কিতাব অবতীর্ণ করিয়াছি তাহা সত্য, ইহা পূর্ববর্তী কিতাবের সত্যায়ন কারী নিশ্চয়ই তাঁহার বান্দাদের সমস্ত কিছু জানেন ও দেখেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি তোমার প্রতি যে কিতাব অবতীর্ণ করিয়াছি তাহা সত্য, ইহা পূর্ববর্তী কিতাবের প্রত্যায়নকারী। নিশ্চয়ই তাঁহার বান্দাদের সমস্ত কিছু জানেন ও দেখেন।

মুহিউদ্দীন খান

আমি আপনার প্রতি যে কিতাব প্রত্যাদেশ করেছি, তা সত্য - পূর্ববর্তী কিতাবের সত্যায়ন কারী নিশ্চয় তাঁর বান্দাদের ব্যাপারে সব জানেন, দেখেন।

Word by word

وَٱلَّذِىٓ أَوْحَيْنَآ إِلَيْكَ مِنَ ٱلْكِتَٰبِ هُوَ ٱلْحَقُّ مُصَدِّقًا لِّمَا بَيْنَ يَدَيْهِ إِنَّ ٱللَّهَ بِعِبَادِهِۦ لَخَبِيرٌۢ بَصِيرٌ

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর আমরা কিতাবের ওয়ারিশ বানালাম আমাদের বান্দাদের মধ্যে যাদের মনোনীত করেছি তাদের। তাদের মধ্যে রয়েছে কেউ নিজের প্রতি যুলুমকারী, কেউ মধ্যপন্থী, আর কেউ আল্লাহর ইচ্ছায় কল্যাণের কাজে অগ্রগামী। এ এক মহাঅনুগ্রহ।

সমকালীন বাংলা

অতঃপর আমি কিতাবের অধিকারী করিলাম আমার বান্দাদের মধ্য হইতে যাহাদেরকে আমি মনোনীত করিয়াছি; তবে তাহাদের কেহ নিজের প্রতি অত্যাচারী, কেহ মধ্যপন্থী এবং আল্লাহর ইচ্ছায় কল্যাণকর কাজে অগ্রগামী। ইহাইমহাঅনুগ্রহ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর আমি কিতাবের অধিকারী করিলাম আমার বান্দাদের মধ্য হইতে যাহাদেরকে আমি মনোনীত করিয়াছি; তবে তাহাদের কেহ নিজের প্রতি অত্যাচারী, কেহ মধ্যপন্থী এবং কেহ ‌র ইচ্ছায় কল্যাণকর কাজে অগ্রগামী। ইহাই মহাঅনুগ্রহ -

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর আমি কিতাবের অধিকারী করেছি তাদেরকে যাদেরকে আমি আমার বান্দাদের মধ্য থেকে মনোনীত করেছি। তাদের কেউ কেউ নিজের প্রতি অত্যাচারী, কেউ মধ্যপন্থা অবলম্বনকারী এবং তাদের মধ্যে কেউ কেউ আল্লাহর নির্দেশক্রমে কল্যাণের পথে এগিয়ে গেছে। এটাই মহা অনুগ্রহ।

Word by word

ثُمَّ أَوْرَثْنَا ٱلْكِتَٰبَ ٱلَّذِينَ ٱصْطَفَيْنَا مِنْ عِبَادِنَا فَمِنْهُمْ ظَالِمٌ لِّنَفْسِهِۦ وَمِنْهُم مُّقْتَصِدٌ وَمِنْهُمْ سَابِقٌۢ بِٱلْخَيْرَٰتِ بِإِذْنِ ٱللَّهِ ذَٰلِكَ هُوَ ٱلْفَضْلُ ٱلْكَبِيرُ

আবদুস শহীদ নাসিম

চিরস্থায়ী জান্নাতে তারা দাখিল হবে। সেখানে তাদের অলংকার পরানো হবে সোনার কংকন, মুক্তার অলংকার আর তাদের পোশাক হবে রেশমি।

সমকালীন বাংলা

স্থায়ী জান্নাত, যাহাতে তাহারা প্রবেশ করিবে, সেখানে তাহাদেরকে স্বর্ণ - নির্মিত কংকন ও মুক্তা দ্বারা অলংকৃত করা হইবে এবং সেখানে তাহাদের পোশাক - পরিচ্ছদ হইবে রেশমের।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

স্থায়ী জান্নাত, যাহাতে তাহারা প্রবেশ করিবে, সেখানে তাহাদেরকে স্বর্ণ - নির্মিত কংকন ও মুক্তা দ্বারা অলংকৃত করা হইবে এবং সেখানে তাহাদের পোশাক - পরিচ্ছদ হইবে রেশমের।

মুহিউদ্দীন খান

তারা প্রবেশ করবে বসবাসের জান্নাতে। তথায় তারা স্বর্ণনির্মিত, মোতি খচিত কংকন দ্বারা অলংকৃত হবে। সেখানে তাদের পোশাক হবে রেশমের।

Word by word

جَنَّٰتُ عَدْنٍ يَدْخُلُونَهَا يُحَلَّوْنَ فِيهَا مِنْ أَسَاوِرَ مِن ذَهَبٍ وَلُؤْلُؤًا وَلِبَاسُهُمْ فِيهَا حَرِيرٌ

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা বলবে: ‘‘সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর, যিনি দূর করে দিয়েছেন আমাদের সব দুঃখ - দুশ্চিন্তা। নিশ্চয়ই আমাদের প্রভু পরম ক্ষমাশীল, গুণগ্রাহী,

সমকালীন বাংলা

এবং তাহারা বলিবে, ‘সকল প্রশংসা যিনি আমাদের দুঃখ - দুর্দশা দূরীভূত করিয়াছেন; আমাদের প্রতিপালক তো ক্ষমাশীল, গুণগ্রাহী;

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং তাহারা বলিবে, ‘সকল প্রশংসা ‌র, যিনি আমাদের দুঃখ - দুর্দশা দূরীভূত করিয়াছেন; আমাদের প্রতিপালক তো ক্ষমাশীল, গুণগ্রাহী;

মুহিউদ্দীন খান

আর তারা বলবে - সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর, যিনি আমাদের দূঃখ দূর করেছেন। নিশ্চয় আমাদের পালনকর্তা ক্ষমাশীল, গুণগ্রাহী।

Word by word

وَقَالُوا۟ ٱلْحَمْدُ لِلَّهِ ٱلَّذِىٓ أَذْهَبَ عَنَّا ٱلْحَزَنَ إِنَّ رَبَّنَا لَغَفُورٌ شَكُورٌ

আবদুস শহীদ নাসিম

যিনি অনুগ্রহ করে আমাদের দিয়েছেন স্থায়ী আবাস, যেখানে আমাদের স্পর্শ করেনা কোনো কষ্ট, কিংবা কোনো ক্লান্তি।’’

সমকালীন বাংলা

‘যিনি নিজ অনুগ্রহে আমাদেরকে স্থায়ী আবাস দিয়াছেন যেখানে ক্লেশ আমাদেরকে স্পর্শ করে না এবং ক্লান্তিও স্পর্শ করে না।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘যিনি নিজ অনুগ্রহে আমাদেরকে স্থায়ী আবাস দিয়াছেন যেখানে ক্লেশ আমাদেরকে স্পর্শ করে না এবং ক্লান্তিও স্পর্শ করে না।’

মুহিউদ্দীন খান

যিনি স্বীয় অনুগ্রহে আমাদেরকে বসবাসের গৃহে স্থান দিয়েছেন, তথায় কষ্ট আমাদেরকে স্পর্শ করে না এবং স্পর্শ করে না ক্লান্তি।

Word by word

ٱلَّذِىٓ أَحَلَّنَا دَارَ ٱلْمُقَامَةِ مِن فَضْلِهِۦ لَا يَمَسُّنَا فِيهَا نَصَبٌ وَلَا يَمَسُّنَا فِيهَا لُغُوبٌ

আবদুস শহীদ নাসিম

আর যারা কুফুরি করে তাদের জন্যে রয়েছে জাহান্নাম। সেখানে তাদের জন্যে মৃত্যুর ফায়সালা দেয়া হবেনা, ফলে তারা আর মরবেনা এবং তাদের থেকে আযাবও লাঘব করা হবেনা। এভাবেই আমরা শাস্তি দেবো প্রত্যেক অকৃতজ্ঞকে।

সমকালীন বাংলা

কিন্তু যাহারা করে তাহাদের জন্য আছে জাহান্নামের আগুন। উহাদের মৃত্যুর আদেশ দেওয়া হইবে না যে, উহারা মরিবে এবং উহাদের হইতে জাহান্নামের শাস্তিও লাঘব করা হইবে না। এইভাবে আমি প্রত্যেক অকৃতজ্ঞকে শাস্তি দিয়া থাকি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কিন্তু যাহারা করে তাহাদের জন্য আছে জাহান্নামের আগুন। উহাদের মৃত্যুর আদেশ দেওয়া হইবে না যে, উহারা মরিবে এবং উহাদের হইতে জাহান্নামের শাস্তিও লাঘব করা হইবে না। এইভাবে আমি প্রত্যেক অকৃতজ্ঞকে শাস্তি দিয়া থাকি।

মুহিউদ্দীন খান

আর যারা হয়েছে, তাদের জন্যে রয়েছে জাহান্নামের আগুন। তাদেরকে মৃত্যুর আদেশও দেয়া হবে না যে, তারা মরে যাবে এবং তাদের থেকে তার শাস্তিও লাঘব করা হবে না। আমি প্রত্যেক অকৃতজ্ঞকে এভাবেই শাস্তি দিয়ে থাকি।

Word by word

وَٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ لَهُمْ نَارُ جَهَنَّمَ لَا يُقْضَىٰ عَلَيْهِمْ فَيَمُوتُوا۟ وَلَا يُخَفَّفُ عَنْهُم مِّنْ عَذَابِهَا كَذَٰلِكَ نَجْزِى كُلَّ كَفُورٍ

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা সেখানে আর্তনাদ করে বলবে: ‘আমাদের প্রভু! আমাদের এখান থেকে বের করো। এতোদিন আমরা যে আমল করেছি, তার পরিবর্তে আমরা এখন থেকে পুণ্য কাজ করবো।’ ( বলবেন:) ‘আমরা কি তোমাদের একটা দীর্ঘ জীবন দেইনি, যাতে কেউ সতর্ক হতে চাইলে সতর্ক হতে পারতো? তাছাড়া তোমাদের কাছে সতর্ককারীও এসেছিল। সুতরাং এখন আস্বাদন করো আযাব, যালিমদের জন্যে কোনো সাহায্যকারী নেই।’

সমকালীন বাংলা

সেখানে তাহারা আর্তনাদ করিয়া বলিবে, ‘হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদেরকে নিষ্কৃতি দাও, আমরা সৎকর্ম করিব, পূর্বে যাহা করিতাম তাহা করিব না।’ বলিবেন, ‘আমি কি তোমাদেরকে এতো দীর্ঘ জীবন দান করি নাই যে, তখন কেহ সতর্ক হইতে চাহিলে সতর্ক হইতে পারিতে? তোমাদের নিকট তো সতর্ককারীও আসিয়াছিল। সুতরাং শাস্তি আস্বাদন কর; জালিমদের কোন সাহায্যকারী নাই।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সেখানে তাহারা আর্তনাদ করিয়া বলিবে, ‘হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদেরকে নিষ্কৃতি দাও, আমরা সৎকর্ম করিব, পূর্বে যাহা করিতাম তাহা করিব না।’ ‌ বলিবেন, ‘আমি কি তোমাদেরকে এতো দীর্ঘ জীবন দান করি নাই যে, তখন কেহ সতর্ক হইতে চাহিলে সতর্ক হইতে পারিতে? তোমাদের নিকট তো সতর্ককারীও আসিয়াছিল। সুতরাং শাস্তি আস্বাদন কর; জালিমদের কোন সাহায্যকারী নাই।’

মুহিউদ্দীন খান

সেখানে তারা আর্ত চিৎকার করে বলবে, হে আমাদের পালনকর্তা, বের করুন আমাদেরকে, আমরা সৎকাজ করব, পূর্বে যা করতাম, তা করব না। ( বলবেন) আমি কি তোমাদেরকে এতটা বয়স দেইনি, যাতে যা চিন্তা করার বিষয় চিন্তা করতে পারতে? উপরন্তু তোমাদের কাছে সতর্ককারীও আগমন করেছিল। অতএব আস্বাদন কর। জালেমদের জন্যে কোন সাহায্যকারী নেই।

Word by word

وَهُمْ يَصْطَرِخُونَ فِيهَا رَبَّنَآ أَخْرِجْنَا نَعْمَلْ صَٰلِحًا غَيْرَ ٱلَّذِى كُنَّا نَعْمَلُ أَوَلَمْ نُعَمِّرْكُم مَّا يَتَذَكَّرُ فِيهِ مَن تَذَكَّرَ وَجَآءَكُمُ ٱلنَّذِيرُ فَذُوقُوا۟ فَمَا لِلظَّٰلِمِي

আবদুস শহীদ নাসিম

নিশ্চয়ই মহাকাশ এবং পৃথিবীর - এর জ্ঞানী, নিশ্চয়ই তোমাদের অন্তরে যা আছে সে বিষয়ে জ্ঞানী।

সমকালীন বাংলা

নিশ্চয়ই আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর বিষয় অবগত আছেন। অন্তরে যাহা রহিয়াছে সে সম্বন্ধে তিনি সবিশেষ অবহিত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

নিশ্চয়ই ‌ আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর বিষয় অবগত আছেন। অন্তরে যাহা রহিয়াছে সে সম্বন্ধে তিনি সবিশেষ অবহিত।

মুহিউদ্দীন খান

আসমান ও যমীনের বিষয় সম্পর্কে জ্ঞাত। তিনি অন্তরের বিষয় সম্পর্কেও সবিশেষ অবহিত।

Word by word

إِنَّ ٱللَّهَ عَٰلِمُ غَيْبِ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ إِنَّهُۥ عَلِيمٌۢ بِذَاتِ ٱلصُّدُورِ

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনিই তোমাদের বানিয়েছেন পৃথিবীর প্রতিনিধি। সুতরাং যে কেউ কুফুরি করবে, তার কুফুরির দায় তাকেই বহন করতে হবে। কাফিরদের কুফুরি কেবল তাদের প্রভুর ক্রোধই বৃদ্ধি করে এবং কাফিরদের কুফুরি কেবল তাদের ক্ষতিই বাড়িয়ে দেয়।

সমকালীন বাংলা

তিনিই তোমাদেরকে পৃথিবীতে প্রতিনিধি করিয়াছেন। সুতরাং কেহ করিলে তাহার কুফরীর জন্য সে নিজেই দায়ী হইবে। কাফিরদের কেবল উহাদের প্রতিপালকের ক্রোধই বৃদ্ধি করে এবং কাফিরদের উহাদের ক্ষতিই বৃদ্ধি করে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তিনিই তোমাদেরকে পৃথিবীতে প্রতিনিধি করিয়াছেন। সুতরাং কেহ করিলে তাহার কুফরীর জন্য সে নিজেই দায়ী হইবে। কাফিরদের কেবল উহাদের প্রতিপালকের ক্রোধই বৃদ্ধি করে এবং কাফিরদের উহাদের ক্ষতিই বৃদ্ধি করে।

মুহিউদ্দীন খান

তিনিই তোমাদেরকে পৃথিবীতে স্বীয় প্রতিনিধি করেছেন। অতএব যে করবে তার তার উপরই বর্তাবে। কাফেরদের কুফর কেবল তাদের পালনকর্তার ক্রোধই বৃদ্ধি করে এবং কাফেরদের কুফর কেবল তাদের ক্ষতিই বৃদ্ধি করে।

Word by word

هُوَ ٱلَّذِى جَعَلَكُمْ خَلَٰٓئِفَ فِى ٱلْأَرْضِ فَمَن كَفَرَ فَعَلَيْهِ كُفْرُهُۥ وَلَا يَزِيدُ ٱلْكَٰفِرِينَ كُفْرُهُمْ عِندَ رَبِّهِمْ إِلَّا مَقْتًا وَلَا يَزِيدُ ٱلْكَٰفِرِينَ كُفْرُهُمْ إِلَّا خَسَارًا

আবদুস শহীদ নাসিম

হে নবী! তাদের বলো: ‘তোমরা ভেবে দেখেছো কি তোমাদের সেইসব শরিকদের কথা, আল্লাহর পরিবর্তে তোমরা যাদের ডাকো, আমাকে দেখাও আল্লাহর পরিবর্তে তারা কী সৃষ্টি করেছে? নাকি মহাকাশ সৃষ্টিতে তাদের কোনো অংশ আছে? নাকি আমরা তাদের কোনো কিতাব দিয়েছি যার প্রমাণের উপর তারা নির্ভর করে? বরং যালিমরা নিজেরাই নিজেদের পরস্পরকে মিথ্যা ও প্রতারণামূলক ওয়াদা দিয়ে থাকে।’

সমকালীন বাংলা

বল, ‘তোমরা পরিবর্তে যাহাদেরকে ডাক সেই সকল শরীকের কথা ভাবিয়া দেখিয়াছ কি? তাহারা পৃথিবীতে কিছু সৃষ্টি করিয়া থাকিলে আমাকে দেখাও; অথবা আকাশমণ্ডলীর সৃষ্টিতে উহাদের কোন অংশ আছে কি? না কি আমি উহাদেরকে এমন কোন কিতাব দিয়াছি যাহার প্রমাণের উপর ইহারা নির্ভর করে?’ বস্তুত জালিমরা একে অপরকে মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়া থাকে। -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বল, ‘তোমরা ‌র পরিবর্তে যাহাদেরকে ডাক সেই সকল শরীকের কথা ভাবিয়া দেখিয়াছ কি? তাহারা পৃথিবীতে কিছু সৃষ্টি করিয়া থাকিলে আমাকে দেখাও; অথবা আকাশমণ্ডলীর সৃষ্টিতে উহাদের কোন অংশ আছে কি? না কি আমি উহাদেরকে এমন কোন কিতাব দিয়াছি যাহার প্রমাণের উপর ইহারা নির্ভর করে?’ বস্তুত জালিমরা একে অপরকে মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়া থাকে। -

মুহিউদ্দীন খান

বলুন, তোমরা কি তোমাদের সে শরীকদের কথা ভেবে দেখেছ, যাদেরকে আল্লাহর পরিবর্তে তোমরা ডাক? তারা পৃথিবীতে কিছু সৃষ্টি করে থাকলে আমাকে দেখাও। না আসমান সৃষ্টিতে তাদের কোন অংশ আছে, না আমি তাদেরকে কোন কিতাব দিয়েছি যে, তারা তার দলীলের উপর কায়েম রয়েছে, বরং জালেমরা একে অপরকে কেবল প্রতারণামূলক ওয়াদা দিয়ে থাকে।

Word by word

قُلْ أَرَءَيْتُمْ شُرَكَآءَكُمُ ٱلَّذِينَ تَدْعُونَ مِن دُونِ ٱللَّهِ أَرُونِى مَاذَا خَلَقُوا۟ مِنَ ٱلْأَرْضِ أَمْ لَهُمْ شِرْكٌ فِى ٱلسَّمَٰوَٰتِ أَمْ ءَاتَيْنَٰهُمْ كِتَٰبًا فَهُمْ عَلَىٰ بَيِّنَتٍ مِّنْ

আবদুস শহীদ নাসিম

আল্লাহ্ই মহাকাশ ও পৃথিবীকে সংরক্ষণ করে রাখেন যাতে সেগুলোর পতন না হয়। সেগুলোর যদি পতন হয়ই তবে তিনি ছাড়া আর কে আছে, যে সেগুলোর পতন রোধ করবে? তিনি অতীব সহনশীল ক্ষমাপরায়ণ।

সমকালীন বাংলা

আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীকে সংরক্ষণ করেন, যাহাতে উহারা স্থানচ্যুত না হয়, উহারা স্থানচ্যুত হইলে তিনি ব্যতীত কে উহাদেরকে রক্ষা করিবে? তিনি তো অতি সহনশীল, ক্ষমাপরায়ণ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌ই আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীকে সংরক্ষণ করেন, যাহাতে উহারা স্থানচ্যুত না হয়, উহারা স্থানচ্যুত হইলে তিনি ব্যতীত কে উহাদেরকে রক্ষা করিবে? তিনি তো অতি সহনশীল, ক্ষমাপরায়ণ।

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় আসমান ও যমীনকে স্থির রাখেন, যাতে টলে না যায়। যদি এগুলো টলে যায় তবে তিনি ব্যতীত কে এগুলোকে স্থির রাখবে? তিনি সহনশীল, ক্ষমাশীল।

Word by word

إِنَّ ٱللَّهَ يُمْسِكُ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضَ أَن تَزُولَا وَلَئِن زَالَتَآ إِنْ أَمْسَكَهُمَا مِنْ أَحَدٍ مِّنۢ بَعْدِهِۦٓ إِنَّهُۥ كَانَ حَلِيمًا غَفُورًا

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা দৃঢ়তার সাথে আল্লাহর কসম খেয়ে বলতো, তাদের কাছে যদি সতর্ককারী আসে, তবে তারা অন্যান্য সম্প্রদায়ের চাইতে হিদায়াতের অধিকতর অনুসারী হবে। কিন্তু যখন তাদের কাছে সতর্ককারী এলো, তখন তার আগমন তাদের পলায়নই বৃদ্ধি করে দিলো,

সমকালীন বাংলা

ইহারা দৃঢ়তার সঙ্গে শপথ করিয়া বলিত যে, ইহাদের নিকট কোন সতর্ককারী আসিলে ইহারা অন্য সকল সম্প্রদায় অপেক্ষা সৎপথের অধিকতর অনুসারী হইবে; কিন্তু ইহাদের নিকট যখন সতর্ককারী আসিল তখন তাহা কেবল উহাদের বিমুখতাই বৃদ্ধি করিল -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহারা দৃঢ়তার সঙ্গে ‌র শপথ করিয়া বলিত যে, ইহাদের নিকট কোন সতর্ককারী আসিলে ইহারা অন্য সকল সম্প্রদায় অপেক্ষা সৎপথের অধিকতর অনুসারী হইবে; কিন্তু ইহাদের নিকট যখন সতর্ককারী আসিল তখন তাহা কেবল উহাদের বিমুখতাই বৃদ্ধি করিল -

মুহিউদ্দীন খান

তারা জোর শপথ করে বলত, তাদের কাছে কোন সতর্ককারী আগমন করলে তারা অন্য যে কোন সম্প্রদায় অপেক্ষা অধিকতর সৎপথে চলবে। অতঃপর যখন তাদের কাছে সতর্ককারী আগমন করল, তখন তাদের ঘৃণাই কেবল বেড়ে গেল।

Word by word

وَأَقْسَمُوا۟ بِٱللَّهِ جَهْدَ أَيْمَٰنِهِمْ لَئِن جَآءَهُمْ نَذِيرٌ لَّيَكُونُنَّ أَهْدَىٰ مِنْ إِحْدَى ٱلْأُمَمِ فَلَمَّا جَآءَهُمْ نَذِيرٌ مَّا زَادَهُمْ إِلَّا نُفُورًا

আবদুস শহীদ নাসিম

পৃথিবীতে তাদের দাম্ভিকতা প্রকাশ ও নিকৃষ্ট কুটকৌশলের কারণে। নিকৃষ্ট কুটকৌশল তার উদ্যোক্তাদেরই পরিবেষ্টন করে। তবে কি তারা আগেকার লোকদের রীতিরই অপেক্ষা করছে? তোমরা কখনো আল্লাহর সুন্নতে কোনো পরিবর্তন পাবেনা এবং তোমরা আল্লাহর সুন্নতে (বিধানে) কোনো ব্যতিক্রমও পাবেনা।

সমকালীন বাংলা

পৃথিবীতে ঔদ্ধত্য প্রকাশ এবং কূট ষড়যন্ত্রের কারণে। কূট ষড়যন্ত্র উহার উদ্যোক্তাদেরকেই পরিবেষ্টন করে। তবে কি ইহারা প্রতীক্ষা করিতেছে পূর্ববর্তীদের প্রতি প্রযুক্ত বিধানের? কিন্তু তুমি বিধানের কখনও কোন পরিবর্তন পাইবে না এবং বিধানের কোন ব্যতিক্রমও দেখিবে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

পৃথিবীতে ঔদ্ধত্য প্রকাশ এবং কূট ষড়যন্ত্রের কারণে। কূট ষড়যন্ত্র উহার উদ্যোক্তাদেরকেই পরিবেষ্টন করে। তবে কি ইহারা প্রতীক্ষা করিতেছে পূর্ববর্তীদের প্রতি প্রযুক্ত বিধানের? কিন্তু তুমি ‌র বিধানের কখনও কোন পরিবর্তন পাইবে না এবং ‌র বিধানের কোন ব্যতিক্রমও দেখিবে না।

মুহিউদ্দীন খান

পৃথিবীতে ঔদ্ধত্যের কারণে এবং কুচক্রের কারণে। কুচক্র কুচক্রীদেরকেই ঘিরে ধরে। তারা কেবল পূর্ববর্তীদের দশারই অপেক্ষা করছে। অতএব আপনি আল্লাহর বিধানে পরিবর্তন পাবেন না এবং আল্লাহর রীতি - নীতিতে কোন রকম বিচ্যুতিও পাবেন না।

Word by word

ٱسْتِكْبَارًا فِى ٱلْأَرْضِ وَمَكْرَ ٱلسَّيِّئِ وَلَا يَحِيقُ ٱلْمَكْرُ ٱلسَّيِّئُ إِلَّا بِأَهْلِهِۦ فَهَلْ يَنظُرُونَ إِلَّا سُنَّتَ ٱلْأَوَّلِينَ فَلَن تَجِدَ لِسُنَّتِ ٱللَّهِ تَبْدِيلًا وَلَن تَجِدَ لِسُن

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা কি পৃথিবীতে ভ্রমণ করে দেখেনা? তাহলে তাদের আগেকার লোকদের পরিণতি কী হয়েছিল তা দেখতে পেতো। তারা তো এদের চাইতেও অধিকতর শক্তিশালী ছিলো। মহাকাশ ও পৃথিবীতে কোনো কিছুই আল্লাহকে অক্ষম করার ক্ষমতা রাখেনা। নিশ্চয়ই তিনি অতীব জ্ঞানী এবং শক্তিমান।

সমকালীন বাংলা

ইহারা কি পৃথিবীতে পরিভ্রমণ করে নাই? তাহা হইলে ইহাদের পূর্ববর্তীদের পরিণাম কী হইয়াছিল তাহা দেখিতে পাইত। উহারা তো ইহাদের অপেক্ষা অধিকতর বলশালী ছিল। এমন নন যে, আকাশমণ্ডলী এবং পৃথিবীর কোন কিছুই তাঁহাকে অক্ষম করিতে পারে; তিনি সর্বজ্ঞ, সর্বশক্তিমান।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহারা কি পৃথিবীতে পরিভ্রমণ করে নাই ? তাহা হইলে ইহাদের পূর্ববর্তীদের পরিণাম কী হইয়াছিল তাহা দেখিতে পাইত। উহারা তো ইহাদের অপেক্ষা অধিকতর বলশালী ছিল। ‌ এমন নন যে, আকাশমণ্ডলী এবং পৃথিবীর কোন কিছুই তাঁহাকে অক্ষম করিতে পারে; তিনি সর্বজ্ঞ, সর্বশক্তিমান।

মুহিউদ্দীন খান

তারা কি পৃথিবীতে ভ্রমণ করে না? করলে দেখত তাদের পূর্ববর্তীদের কি পরিণাম হয়েছে। অথচ তারা তাদের অপেক্ষা অধিকতর শক্তিশালী ছিল। আকাশ ও পৃথিবীতে কোন কিছুই আল্লাহকে অপারগ করতে পারে না। নিশ্চয় তিনি সর্বজ্ঞ সর্বশক্তিমান।

Word by word

أَوَلَمْ يَسِيرُوا۟ فِى ٱلْأَرْضِ فَيَنظُرُوا۟ كَيْفَ كَانَ عَٰقِبَةُ ٱلَّذِينَ مِن قَبْلِهِمْ وَكَانُوٓا۟ أَشَدَّ مِنْهُمْ قُوَّةً وَمَا كَانَ ٱللَّهُ لِيُعْجِزَهُۥ مِن شَىْءٍ فِى ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَلَا فِى

আবদুস শহীদ নাসিম

যদি মানুষকে তাদের কৃতকর্মের জন্যে পাকড়াও করতেন, জমিনের বুকে কোনো জীব - জন্তুকেই রেহাই দিতেন না। তবে তিনি একটি নির্দিষ্টকাল পর্যন্ত তাদের অবকাশ দিয়ে থাকেন। কিন্তু যখনই তাদের নির্ধারিত কাল এসে যাবে, অবশ্যি বান্দাদের প্রতি দৃষ্টি রাখবেন।

সমকালীন বাংলা

মানুষকে তাহাদের কৃতকর্মের জন্য শাস্তি দিলে ভূপৃষ্ঠে কোন জীব - জন্তুকেই রেহাই দিতেন না, কিন্তু তিনি এক নিদির্ষ্ট কাল পর্যন্ত তাহাদেরকে অবকাশ দিয়া থাকেন। অতঃপর যখন সে নর্দিষ্টি ময়োদ এসে যাবে তখন আল্লাহর সব বান্দা তাঁর দৃষ্টতিে থাকব।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌ মানুষকে তাহাদের কৃতকর্মের জন্য শাস্তি দিলে ভূপৃষ্ঠে কোন জীব - জন্তুকেই রেহাই দিতেন না, কিন্তু তিনি এক নিদির্ষ্ট কাল পর্যন্ত তাহাদেরকে অবকাশ দিয়া থাকেন। অতঃপর তাহাদের নির্দিষ্ট কাল আসিয়া গেলে ‌ তো আছেন তাঁহার বান্দাদের সম্যক দ্রষ্টা।

মুহিউদ্দীন খান

যদি মানুষকে তাদের কৃতকর্মের কারণে পাকড়াও করতেন, তবে ভুপৃষ্ঠে চলমানকাউকে ছেড়ে দিতেন না। কিন্তু তিনি এক নির্দিষ্ট মেয়াদ পর্যন্ত তাদেরকে অবকাশ দেন। অতঃপর যখন সে নির্দিষ্ট মেয়াদ এসে যাবে তখন আল্লাহর সব বান্দা তাঁর দৃষ্টিতে থাকবে।

Word by word

وَلَوْ يُؤَاخِذُ ٱللَّهُ ٱلنَّاسَ بِمَا كَسَبُوا۟ مَا تَرَكَ عَلَىٰ ظَهْرِهَا مِن دَآبَّةٍ وَلَٰكِن يُؤَخِّرُهُمْ إِلَىٰٓ أَجَلٍ مُّسَمًّى فَإِذَا جَآءَ أَجَلُهُمْ فَإِنَّ ٱللَّهَ كَانَ بِعِبَادِهِۦ بَصِير

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme