আল কামার (চাঁদ) , choose another chapter
আল কামার (চাঁদ)
Chapter 54, 55 verses
আবদুস শহীদ নাসিম
সমকালীন বাংলা
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
জহুরুল হক
Word by word
Add book
List
Grid
About this chapter
মক্কায় অবতীর্ণ, আয়াত সংখ্যা: ৫৫, রুকু সংখ্যা: ০৩
এই সূরার আলোচ্যসূচি
আয়াতআলোচ্য বিষয়
০১-০৮প্রত্যাখ্যানকারীদের উপেক্ষা করো। একদিন তারা মাটির নীচে থেকে উঠে আসবে বিচ্ছিন্ন ফড়িংয়ের মতো।
০৯-১৬নূহের জাতির দাওয়াত প্রত্যাখ্যান এবং তাদের ধ্বংস।
১৭কুরআন সহজ, তা থেকে উপদেশ গ্রহণ করার কেউ আছে কি?
১৮-২১আদ জাতি কর্তৃক রসূলকে প্রত্যাখ্যান এবং তাদের ধ্বংস।
২২উপদেশ গ্রহণ করার জন্য কুরআনকে সহজ করা হয়েছে।
২৩-৩১সামুদ জাতি কর্তৃক তাদের রসূলকে প্রত্যাখ্যান এবং তাদের ধ্বংস।
৩২কুরআনকে উপদেশ গ্রহণ করার জন্য সহজ করা হয়েছে।
৩৩-৩৯লুত জাতি কর্তৃক তাদের রসূলকে প্রত্যাখ্যান এবং তাদের ধ্বংস।
৪০উপদেশ গ্রহণ করার জন্য কুরআনকে সহজ করা হয়েছে।
৪১-৪২ফিরাউন কর্তৃক রসূলদের প্রত্যাখ্যান এবং ফিরাউনের ধ্বংস।
৪৩-৫৫মুহাম্মদ রসূলুল্লাহ সা.-কে প্রত্যাখ্যানকারীদের প্রতি সতর্ক বাণী।
আবদুস শহীদ নাসিম
১ কিয়ামত করিব (নিকটবর্তী) হয়েছে এবং দ্বিখন্ডিত হয়েছে চাঁদ।
সমকালীন বাংলা
১ আল্লাহর নামে শুরু করছি, পরম করুণাময় পরম দয়ালু; কিয়ামত নিকটবর্তী হয়েছে এবং চাঁদ বিদীর্ণ হয়েছে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১ কিয়ামত নিকটবর্তী হইয়াছে, আর চন্দ্র বিদীর্ণ হইয়াছে,
জহুরুল হক
১ ঘড়িঘন্টা সমাগত, আর চন্দ্র দ্বিখন্ডিত হয়েছে।
Word by word
١ ٱقْتَرَبَتِ ٱلسَّاعَةُ وَٱنشَقَّ ٱلْقَمَرُ
আবদুস শহীদ নাসিম
২ তারা যখন কোনো নিদর্শন দেখে মুখ ফিরিয়ে নেয় এবং বলে: ‘এতো আগে থেকে চলে আসা ম্যাজিক।’
সমকালীন বাংলা
২ আর তারা কোনো নিদর্শন দেখলে মুখ ফিরিয়ে নেয় এবং বলে, “এ তো যথারীতি জাদু।”
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২ উহারা কোন নিদর্শন দেখিলে মুখ ফিরাইয়া নেয় এবং বলে, ‘ইহা তো চিরাচরিত জাদু।’
জহুরুল হক
২ আর যদি তারা কোনো নিদর্শন দেখে, তারা ফিরে যায় ও বলে - - ''এক জবরদস্ত জাদু।’’
Word by word
٢ وَإِن يَرَوْا۟ ءَايَةً يُعْرِضُوا۟ وَيَقُولُوا۟ سِحْرٌ مُّسْتَمِرٌّ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩ তারা প্রত্যাখ্যান করে সত্যকে এবং অনুগামী হয় খেয়াল খুশির। প্রতিটি বিষয় অবশ্যি লক্ষ্যে পৌঁছুবে।
সমকালীন বাংলা
৩ আর তারা অস্বীকার করেছে এবং নিজেদের খেয়ালখুশির অনুসরণ করেছে; আর প্রত্যেক বিষয়ের নিষ্পত্তি হয়ে যাবে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩ উহারা সত্য প্রত্যাখ্যান করে এবং নিজ খেয়াল - খুশির অনুসরণ করে, আর প্রত্যেক ব্যাপারই লক্ষ্যে পৌঁছিবে।
জহুরুল হক
৩ আর তারা প্রত্যাখ্যান করে এবং তারা তাদের খেয়ালখুশির অনুসরণ করে, অথচ প্রত্যেক বিষয়েরই নিস্পত্তি হয়েই গেছে।
Word by word
٣ وَكَذَّبُوا۟ وَٱتَّبَعُوٓا۟ أَهْوَآءَهُمْ وَكُلُّ أَمْرٍ مُّسْتَقِرٌّ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪ তাদের কাছে এসেছে এক মহাসংবাদ যাতে রয়েছে সতর্কবাণী।
সমকালীন বাংলা
৪ আর অবশ্যই তাদের কাছে এমন সংবাদ এসেছে, যাতে সতর্কবার্তা রয়েছে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪ উহাদের নিকট আসিয়াছে সুসংবাদ, যাহাতে আছে সাবধান বাণী;
জহুরুল হক
৪ আর তাদের কাছে অবশ্য কিছুটা সংবাদ এসেই গেছে যাতে রয়েছে প্রতিষেধক - -
Word by word
٤ وَلَقَدْ جَآءَهُم مِّنَ ٱلْأَنۢبَآءِ مَا فِيهِ مُزْدَجَرٌ
আবদুস শহীদ নাসিম
৫ এ এক পূর্ণাঙ্গ জ্ঞান (আল কুরআন)। তবে (আহবানকারীদের) সতর্কবাণী তাদের কোনো উপকারে আসেনি।
সমকালীন বাংলা
৫ পরিপূর্ণ প্রজ্ঞা, কিন্তু উপদেশগুলো কোনো কাজে আসে না।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৫ ইহা পরিপূর্ণ জ্ঞান, তবে এই সতর্কবাণী উহাদের কোন উপকারে আসে নাই।
জহুরুল হক
৫ এক সুপরিণত জ্ঞান, কিন্তু এ সতর্কীকরণ কোনো কাজে আসে না।
Word by word
٥ حِكْمَةٌۢ بَٰلِغَةٌ فَمَا تُغْنِ ٱلنُّذُرُ
আবদুস শহীদ নাসিম
৬ সুতরাং তাদের উপেক্ষা করো। যেদিন আহবানকারী আহবান করবে এক অপছন্দনীয় জিনিসের দিকে।
সমকালীন বাংলা
৬ অতএব তাদের উপেক্ষা করো, সেদিন আহ্বানকারী এক ভয়ংকর বিষয়ে আহ্বান করবে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৬ অতএব তুমি উহাদের উপেক্ষা কর। যেদিন আহবানকারী আহ্বান করিবে এক ভয়াবহ পরিণামের দিকে,
জহুরুল হক
৬ কাজেই তাদের থেকে ফিরে এস। একদিন আহ্বানকারী আহ্বান করবেন এক অপ্রীতিকর ব্যাপারের প্রতি - -
Word by word
٦ فَتَوَلَّ عَنْهُمْ يَوْمَ يَدْعُ ٱلدَّاعِ إِلَىٰ شَىْءٍ نُّكُرٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
৭ অপমানে চোখ নিচু করে তারা সেদিন কবর থেকে বের হয়ে আসবে বিক্ষিপ্ত ফড়িং - এর মতো।
সমকালীন বাংলা
৭ তাদের দৃষ্টিগুলো অবনত থাকবে। তারা কবরসমূহ থেকে বের হবে, যেনো তারা ছড়িয়ে পড়া পঙ্গপাল।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৭ অপমানে অবনমিত নেত্রে সেদিন উহারা কবর হইতে বাহির হইবে বিক্ষিপ্ত পঙ্গপালের ন্যায়,
জহুরুল হক
৭ তাদের চোখ অবনত অবস্থায়, তারা বেরিয়ে আসতে থাকবে কবর থেকে যেন তারা ছড়িয়ে পড়া পঙ্গপাল - -
Word by word
٧ خُشَّعًا أَبْصَٰرُهُمْ يَخْرُجُونَ مِنَ ٱلْأَجْدَاثِ كَأَنَّهُمْ جَرَادٌ مُّنتَشِرٌ
আবদুস শহীদ নাসিম
৮ তারা ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে আহবানকারীর দিকে ছুটে আসবে। কাফিররা বলবে: ‘আজ এক ভয়াবহ কঠিন দিন।’
সমকালীন বাংলা
৮ তারা আহ্বানকারীর দিকে দ্রুত এগিয়ে যাবে। অবিশ্বাসীরা বলবে, “এটি এক কঠিন দিন।”
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৮ উহারা আহ্বানকারীর দিকে ছুটিয়া আসিবে ভীত - বিহ্বল হইয়া। কাফিররা বলিবে, ‘কঠিন এই দিন।’
জহুরুল হক
৮ ওরা আহবায়কের প্রতি ছুটে আসবে। অবিশ্বাসীরা বলবে - - ''এইটি বড় কঠিন দিন!’’
Word by word
٨ مُّهْطِعِينَ إِلَى ٱلدَّاعِ يَقُولُ ٱلْكَٰفِرُونَ هَٰذَا يَوْمٌ عَسِرٌ
আবদুস শহীদ নাসিম
৯ তাদের আগে নূহের জাতিও প্রত্যাখ্যান করেছিল (তাদের রসূলকে), তারা প্রত্যাখ্যান করেছিল আমাদের দাসকে এবং বলেছিল: ‘এ এক তিরস্কৃত ও ধমক খাওয়া পাগল।’
সমকালীন বাংলা
৯ তাদের আগে নূহের সম্প্রদায় অস্বীকার করেছিল। তারা আমাদের বান্দাকে অস্বীকার করেছিল এবং বলেছিল, “সে তো উন্মাদ।” আর তাকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৯ ইহাদের পূর্বে নূহের সম্প্রদায়ও অস্বীকার করিয়াছিল - অস্বীকার করিয়াছিল আমার বান্দাকে আর বলিয়াছিল, ‘এ তো এক পাগল।’ আর তাহাকে ভীতি প্রদর্শন করা হইয়াছিল।
জহুরুল হক
৯ এদের আগে নূহ - এর লোকদল সত্যপ্রত্যাখ্যান করেছিল, ফলে তারা আমাদের বান্দাকে প্রত্যাখ্যান করল ও বললে - - ''এক টি পাগল’’! আর তাঁকে অবজ্ঞা করা হয়েছিল।
Word by word
٩ كَذَّبَتْ قَبْلَهُمْ قَوْمُ نُوحٍ فَكَذَّبُوا۟ عَبْدَنَا وَقَالُوا۟ مَجْنُونٌ وَٱزْدُجِرَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১০ তখন সে তার প্রভুর কাছে দোয়া করে বলেছিল: ‘আমি পরাস্ত হয়েছি, আমাকে সাহায্য করো।’
সমকালীন বাংলা
১০ অতঃপর সে তার পালনকর্তাকে ডাকল, “আমি পরাজিত, অতএব আপনি সাহায্য করুন।”
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১০ তখন সে তাহার প্রতিপালককে আহ্বান করিয়া বলিয়াছিল, ‘আমি তো অসহায়, অতএব তুমি প্রতিবিধান কর।’
জহুরুল হক
১০ সেজন্য তিনি তাঁর প্রভুকে ডেকে বললেন - - ''আমি তো পরাভূত হয়ে পড়েছি, অতএব তুমি সাহায্য করো।’’
Word by word
١٠ فَدَعَا رَبَّهُۥٓ أَنِّى مَغْلُوبٌ فَٱنتَصِرْ
আবদুস শহীদ নাসিম
১১ ফলে আমরা প্রবল পানি বর্ষণের জন্যে খুলে দিয়েছিলাম আসমানের দুয়ার।
সমকালীন বাংলা
১১ অতঃপর আমরা আকাশের দরজাগুলো প্রবলভাবে বর্ষণকারী পানি দিয়ে খুলে দিলাম।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১১ ফলে আমি উন্মুক্ত করিয়া দিলাম আকাশের দ্বার প্রবল বারি বর্ষণে,
জহুরুল হক
১১ তখন আমরা আসমানের দরজাগুলো খুলে দিলাম বর্ষণশীল পানির দ্বারা,
Word by word
١١ فَفَتَحْنَآ أَبْوَٰبَ ٱلسَّمَآءِ بِمَآءٍ مُّنْهَمِرٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
১২ এবং জমিন থেকে উৎসারিত করে দিয়েছিলাম বিপুল প্রস্রবন। তারপর সব পানি মিলে গেলো এক নির্দিষ্ট পরিকল্পনা মাফিক।
সমকালীন বাংলা
১২ আর আমরা মাটি থেকে ঝর্ণাসমূহ প্রবাহিত করে দিলাম, অতঃপর সব পানি পরিকল্পনা অনুযায়ী মিলিত হলো।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১২ এবং মৃত্তিকা হইতে উৎসারিত করিলাম প্রস্রবণ; অতঃপর সকল পানি মিলিত হইল এক পরিকল্পনা অনুসারে।
জহুরুল হক
১২ আর জমিনকে উৎক্ষেপ করতে দিলাম ঝরনাধারায়, ফলে পানি মিলিত হয়ে গেল এক পূর্বনির্ধারিত ব্যাপারে,
Word by word
١٢ وَفَجَّرْنَا ٱلْأَرْضَ عُيُونًا فَٱلْتَقَى ٱلْمَآءُ عَلَىٰٓ أَمْرٍ قَدْ قُدِرَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৩ তখন আমরা নূহকে আরোহণ করিয়ে নিয়েছিলাম পাত ও পেরেক দিয়ে তৈরি করা নৌযানে।
সমকালীন বাংলা
১৩ আর আমরা তাকে তক্তা ও পেরেকের উপর বহন করলাম।
Noteকাঠের তক্তা ও পেরেক নির্মিত নৌকার উপরে
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৩ তখন নূহকে আরোহণ করাইলাম কাষ্ঠ ও কীলক নির্মিত এক নৌযানে,
জহুরুল হক
১৩ আর আমরা তাঁকে বহন করলাম তাতে যা ছিল তক্তা ও পেরেক সন্বলিত, - -
Word by word
١٣ وَحَمَلْنَٰهُ عَلَىٰ ذَاتِ أَلْوَٰحٍ وَدُسُرٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৪ সেটি চলছিল আমাদের তত্ত্বাবধানে, যারা কুফুরি করেছিল, তাদের প্রতিফল দেয়ার জন্যে।
সমকালীন বাংলা
১৪ যা আমাদের চোখের সামনে চলছিল, তার প্রতি প্রতিদানস্বরূপ যার সঙ্গে অবিশ্বাস করা হয়েছিল।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৪ যাহা চলিত আমার প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে; ইহা পুরস্কার তাহার জন্য, যে প্রত্যাখ্যাত হইয়াছিল।
জহুরুল হক
১৪ তা ভেসে চলেছিল আমাদের চোখের সামনে, - - এক প্রতিদান তাঁর জন্য যাঁকে প্রত্যাখ্যান করা হয়েছিল।
Word by word
١٤ تَجْرِى بِأَعْيُنِنَا جَزَآءً لِّمَن كَانَ كُفِرَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৫ আমরা সেটাকে রেখে দিয়েছি একটি নিদর্শন হিসেবে। উপদেশ গ্রহণ করার কেউ আছে কি?
সমকালীন বাংলা
১৫ আর অবশ্যই আমরা সেটিকে এক নিদর্শন হিসেবে রেখে দিয়েছি। অতএব কোনো উপদেশ গ্রহণকারী আছে কি?
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৫ আমি তো ইহাকে রাখিয়া দিয়াছি এক নিদর্শনরূপে; অতএব উপদেশ গ্রহণকারী কেহ আছে কি?
জহুরুল হক
১৫ আর আমরা অবশ্য এটিকে রেখে দিয়েছি এক নিদর্শনরূপে। কিন্তু কেউ কি রয়েছে উপদেশপ্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত?
Word by word
١٥ وَلَقَد تَّرَكْنَٰهَآ ءَايَةً فَهَلْ مِن مُّدَّكِرٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৬ এবার ভেবে দেখো, কী যে কঠোর ছিলো আমার আযাব এবং সতর্কবাণী!
সমকালীন বাংলা
১৬ অতএব কেমন ছিল আমার শাস্তি ও সতর্কবার্তা?
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৬ কী কঠোর ছিল আমার শাস্তি ও সতর্কবাণী!
জহুরুল হক
১৬ সুতরাং কেমন হয়েছিল আমার শাস্তি ও আমার সতর্কীকরণ!
Word by word
١٦ فَكَيْفَ كَانَ عَذَابِى وَنُذُرِ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৭ আমরা কুরআনকে বুঝার ও উপদেশ গ্রহণ করার জন্যে সহজ করে দিয়েছি, অতএব উপদেশ গ্রহণকারী কেউ আছে কি?
সমকালীন বাংলা
১৭ আর অবশ্যই আমরা কুরআনকে উপদেশ গ্রহণের জন্য সহজ করে দিয়েছি। অতএব কোনো উপদেশ গ্রহণকারী আছে কি?
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৭ কুরআন আমি সহজ করিয়া দিয়াছি উপদেশ গ্রহণের জন্য; অতএব উপদেশ গ্রহণকারী কেহ আছে কি?
জহুরুল হক
১৭ আর আমরা তো অবশ্যই কুরআনকে উপদেশগ্রহণের জন্য সহজবোধ্য করে দিয়েছি, কিন্তু কেউ কি আছে যে উপদেশপ্রাপ্তদের মধ্যেকার?
Word by word
١٧ وَلَقَدْ يَسَّرْنَا ٱلْقُرْءَانَ لِلذِّكْرِ فَهَلْ مِن مُّدَّكِرٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৮ আদ জাতিও (রসূলকে) প্রত্যাখ্যান করেছিল। এর ফলে কেমন ছিলো আমার আযাব আর সতর্কবাণী?
সমকালীন বাংলা
১৮ আদ অস্বীকার করেছিল। অতএব কেমন ছিল আমার শাস্তি ও সতর্কবার্তা?
Note“আদ” একটি গোত্র বা সম্প্রদায়ের নাম
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৮ ‘আদ সম্প্রদায় সত্য অস্বীকার করিয়াছিল, ফলে কিরূপ ছিল আমার শাস্তি ও সতর্কবাণী!
জহুরুল হক
১৮ আর 'আদ - জাতি সত্যপ্রত্যাখ্যান করেছিল, কাজেই কেমন হয়েছিল আমার শাস্তি ও আমার সতর্কীকরণ!
Word by word
١٨ كَذَّبَتْ عَادٌ فَكَيْفَ كَانَ عَذَابِى وَنُذُرِ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৯ আমরা তাদের উপর পাঠিয়েছিলাম ঝড়ো বায়ু এক বিরামহীন দুর্ভাগ্যের দিনে,
সমকালীন বাংলা
১৯ নিশ্চয়ই আমরা তাদের ওপর এক অশুভ দিনে প্রচণ্ড ঝড় পাঠিয়েছিলাম।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৯ উহাদের উপর আমি প্রেরণ করিয়াছিলাম ঝঞ্ঝাবায়ু নিরবচ্ছিন্ন দুর্ভাগ্যের দিনে,
জহুরুল হক
১৯ নিঃসন্দেহ আমরা তাদের উপরে এক চরম দুর্ভাগ্যের দিনে পাঠিয়েছিলাম এক প্রচন্ড ঝড় - তোফান,
Word by word
١٩ إِنَّآ أَرْسَلْنَا عَلَيْهِمْ رِيحًا صَرْصَرًا فِى يَوْمِ نَحْسٍ مُّسْتَمِرٍّ
আবদুস শহীদ নাসিম
২০ সে ঝড় মানুষকে উৎখাত করে রেখে দিয়েছিল সমূলে উৎপাটিত খেজুর গাছের কান্ডের মতো।
সমকালীন বাংলা
২০ যা মানুষকে উপড়ে ফেলছিল, যেনো তারা উপড়ে ফেলা খেজুরগাছের কাণ্ড।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২০ মানুষকে উহা উৎখাত করিয়াছিল উন্মুলিত খর্জুর - কাণ্ডের ন্যায়।
জহুরুল হক
২০ যা মানুষকে উড়িয়ে নিয়েছিল, যেন তারা ছিল উৎপাটিত খেজুরগাছের গুঁড়ি।
Word by word
٢٠ تَنزِعُ ٱلنَّاسَ كَأَنَّهُمْ أَعْجَازُ نَخْلٍ مُّنقَعِرٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
২১ ফলে কেমন ছিলো আমার আযাব আর সতর্কবাণী?
সমকালীন বাংলা
২১ অতএব কেমন ছিল আমার শাস্তি ও সতর্কবার্তা?
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২১ কী কঠোর আমার শাস্তি ও সতর্কবাণী!
জহুরুল হক
২১ সুতরাং কেমন হয়েছিল আমার শাস্তি ও আমার সতর্কীকরণ?
Word by word
٢١ فَكَيْفَ كَانَ عَذَابِى وَنُذُرِ
আবদুস শহীদ নাসিম
২২ আমরা কুরআনকে বুঝা ও উপদেশ গ্রহণ করার জন্যে সহজ করে দিয়েছি, অতএব উপদেশ গ্রহণকারী কেউ আছে কি?
সমকালীন বাংলা
২২ আর অবশ্যই আমরা কুরআনকে উপদেশ গ্রহণের জন্য সহজ করে দিয়েছি। অতএব কোনো উপদেশ গ্রহণকারী আছে কি?
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২২ কুরআন আমি সহজ করিয়া দিয়াছি উপদেশ গ্রহণের জন্য; অতএব উপদেশ গ্রহণকারী কেহ আছে কি?
জহুরুল হক
২২ কাজেই আমরা আলবৎ কুরআনকে উপদেশ গ্রহণের জন্য সহজবোধ্য করে দিয়েছি, কিন্তু কেউ কি হবে উপদেশপ্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত?
Word by word
٢٢ وَلَقَدْ يَسَّرْنَا ٱلْقُرْءَانَ لِلذِّكْرِ فَهَلْ مِن مُّدَّكِرٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
২৩ সামুদ জাতিও সতর্কবাণীসমূহ প্রত্যাখ্যান করেছিল।
সমকালীন বাংলা
২৩ সামূদ অস্বীকার করেছিল সতর্কবার্তাগুলোকে।
Note“সামূদ” একটি গোত্র বা সম্প্রদায়ের নাম
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৩ সামূদ সম্প্রদায় সতর্ককারীদেরকে অস্বীকার করিয়াছিল,
জহুরুল হক
২৩ ছামুদ - জাতিও সতর্কীকরণ প্রত্যাখ্যান করেছিল।
Word by word
٢٣ كَذَّبَتْ ثَمُودُ بِٱلنُّذُرِ
আবদুস শহীদ নাসিম
২৪ তারা বলেছিল: ‘‘একজন মানুষকে? আমাদেরই এক ব্যক্তিকে আমরা অনুসরণ করবো? তাহলে তো আমরা পথভ্রষ্ট এবং উন্মাতাল হয়ে পড়বো।
সমকালীন বাংলা
২৪ তখন তারা বলেছিল, “আমরা কি আমাদের মধ্যকার একজন মানুষের অনুসরণ করব? তাহলে তো আমরা অবশ্যই বিভ্রান্তি ও উন্মাদনায় পড়বো।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৪ তাহারা বলিয়াছিল, ‘আমরা কি আমাদেরই এক ব্যক্তির অনুসরণ করিব? তবে তো আমরা পথভ্রষ্টতায় এবং উন্মত্ততায় পতিত হইব।
জহুরুল হক
২৪ কাজেই তারা বলেছিল - - ''কী! আমাদের মধ্যেকার মানুষই একজন, তাকেই কি আমরা অনুসরণ করব? সেক্ষেত্রে আমরা তো নিশ্চয়ই বিপথগামী হব ও পাগলামিতে পড়ব।
Word by word
٢٤ فَقَالُوٓا۟ أَبَشَرًا مِّنَّا وَٰحِدًا نَّتَّبِعُهُۥٓ إِنَّآ إِذًا لَّفِى ضَلَٰلٍ وَسُعُرٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
২৫ আমাদের মধ্যে কি কেবল তার প্রতি যিকির (অহি) নাযিল হলো? বরং সে এক উদ্ধত মিথ্যাবাদী।’’
সমকালীন বাংলা
২৫ আমাদের মধ্য থেকে কি তার ওপরই উপদেশ নাজিল করা হয়েছে? বরং সে একজন মিথ্যাবাদী, অহংকারী।”
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৫ ‘আমাদের মধ্যে কি উহারই প্রতি প্রত্যাদেশ হইয়াছে? না, সে তো একজন মিথ্যাবাদী, দাম্ভিক।’
জহুরুল হক
২৫ ''আমাদের মধ্যে থেকে স্মারক কি তার উপরেই পতিত হল? বস্তুত সে একজন ডাহা মিথ্যাবাদী, দাম্ভিক।’’
Word by word
٢٥ أَءُلْقِىَ ٱلذِّكْرُ عَلَيْهِ مِنۢ بَيْنِنَا بَلْ هُوَ كَذَّابٌ أَشِرٌ
আবদুস শহীদ নাসিম
২৬ কালই তারা জানতে পারবে কে উদ্ধত মিথ্যাবাদী?
সমকালীন বাংলা
২৬ তারা আগামীকাল জানতে পারবে, কে মিথ্যাবাদী, অহংকারী।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৬ আগামীকল্য উহারা জানিবে, কে মিথ্যাবাদী, দাম্ভিক।
জহুরুল হক
২৬ কালকেই তারা ত্বরায় জানতে পারবে কে মিথ্যুক, কে দাম্ভিক।
Word by word
٢٦ سَيَعْلَمُونَ غَدًا مَّنِ ٱلْكَذَّابُ ٱلْأَشِرُ
আবদুস শহীদ নাসিম
২৭ আমরা তাদের পরীক্ষার জন্যে পাঠালাম এই উটনী। সুতরাং তুমি এর ব্যাপারে তাদের আচরণ পর্যবেক্ষণ করো এবং সবর করো।
সমকালীন বাংলা
২৭ নিশ্চয়ই আমরা তাদের পরীক্ষা করার জন্য উটনী পাঠাব। অতএব তুমি তাদের পর্যবেক্ষণ করো এবং ধৈর্য ধরো।
Note
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৭ আমি উহাদের পরীক্ষার জন্য পাঠাইয়াছি এক উষ্ট্রী, অতএব তুমি উহাদের আচরণ লক্ষ্য কর এবং ধৈর্যশীল হও।
জহুরুল হক
২৭ নিঃসন্দেহ আমরা একটি উষ্ট্রিকে পাঠাতে যাচ্ছি তাদের জন্য পরীক্ষাস্বরূপ, সেজন্য তাদের প্রতি লক্ষ্য রাখো এবং ধৈর্যধারণ করো।
Word by word
٢٧ إِنَّا مُرْسِلُوا۟ ٱلنَّاقَةِ فِتْنَةً لَّهُمْ فَٱرْتَقِبْهُمْ وَٱصْطَبِرْ
আবদুস শহীদ নাসিম
২৮ তাদের তুমি সংবাদ দাও, তাদের মধ্যে পানি বণ্টন নির্দিষ্ট করে দেয়া হয়েছে। নিজ নিজ ভাগের পানির জন্যে প্রত্যেকে উপস্থিত হবে পালাক্রমে।
সমকালীন বাংলা
২৮ আর তাদের জানিয়ে দাও যে, পানি তাদের মধ্যে বণ্টিত। প্রত্যেকের পান করার পালা নির্ধারিত।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৮ এবং উহাদেরকে জানাইয়া দাও যে, উহাদের মধ্যে পানি বণ্টন নির্ধারিত এবং পানির অংশের জন্য প্রত্যেকে উপস্থিত হইবে পালাক্রমে।
জহুরুল হক
২৮ আর তাদের জানিয়ে দাও যে পানির ক্ষেত্রে তাদের মধ্যে ভাগাভাগি রয়েছে, প্রত্যেক জলপানে হাজিরা থাকবে।
Word by word
٢٨ وَنَبِّئْهُمْ أَنَّ ٱلْمَآءَ قِسْمَةٌۢ بَيْنَهُمْ كُلُّ شِرْبٍ مُّحْتَضَرٌ
আবদুস শহীদ নাসিম
২৯ তারপর তারা তাদের এক সাথিকে ডাকলো, সে দায়িত্ব গ্রহণ করলো এবং ওটিকে হত্যা করে ফেললো।
সমকালীন বাংলা
২৯ অতঃপর তারা তাদের এক সঙ্গীকে ডাকলো, সে উটনীটিকে ধরলো এবং হত্যা করলো।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৯ অতঃপর উহারা উহাদের এক সঙ্গীকে আহ্বান করিল, সে উহাকে ধরিয়া হত্যা করিল।
জহুরুল হক
২৯ কিন্তু তারা তাদের সেঙাৎকে ডাক দিল, তখন সে ধরল ও কেটে ফেলল।
Word by word
٢٩ فَنَادَوْا۟ صَاحِبَهُمْ فَتَعَاطَىٰ فَعَقَرَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩০ এবার দেখো, কী কঠোর ছিলো আমার আযাব এবং আমার সতর্কবাণী!
সমকালীন বাংলা
৩০ অতএব কেমন ছিল আমার শাস্তি ও সতর্কবার্তা?
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩০ কিরূপ কঠোর ছিল আমার শাস্তি ও সতর্কবাণী।
জহুরুল হক
৩০ পরিণামে কেমন হয়েছিল আমার শাস্তি ও আমার সতর্কীকরণ!
Word by word
٣٠ فَكَيْفَ كَانَ عَذَابِى وَنُذُرِ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩১ আমরা তাদের প্রতি পাঠিয়েছিলাম এক প্রচন্ড শব্দের আযাব, তাতেই তারা হয়ে পড়লো শুকনো মোড়ানো খড়ের কাঁদির মতো।
সমকালীন বাংলা
৩১ নিশ্চয়ই আমরা তাদের ওপর একটিমাত্র প্রচণ্ড শব্দ পাঠিয়েছিলাম, অতঃপর তারা শুষ্ক খড়ের মতো হয়ে গেল।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩১ আমি উহাদেরকে আঘাত হানিয়াছিলাম এক মহানাদ দ্বারা; ফলে উহারা হইয়া গেল খোঁয়াড় প্রস্তুতকারীর বিখণ্ডিত শুষ্ক শাখা - প্রশাখার ন্যায়।
জহুরুল হক
৩১ আমরা অবশ্যই তাদের উপরে পাঠিয়েছিলাম একটিমাত্র মহাগর্জন, ফলে তারা হয়ে গেল খোঁয়াড় - প্রস্তুতকারীর শুকনো - ভাঙ্গা ডালপালার ন্যায়।
Word by word
٣١ إِنَّآ أَرْسَلْنَا عَلَيْهِمْ صَيْحَةً وَٰحِدَةً فَكَانُوا۟ كَهَشِيمِ ٱلْمُحْتَظِرِ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩২ আমরা কুরআনকে বুঝা ও উপদেশ গ্রহণ করার জন্যে সহজ করেছি, অতএব উপদেশ গ্রহণকারী কেউ আছে কি?
সমকালীন বাংলা
৩২ আর অবশ্যই আমরা কুরআনকে উপদেশ গ্রহণের জন্য সহজ করে দিয়েছি। অতএব কোনো উপদেশ গ্রহণকারী আছে কি?
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩২ আমি কুরআন সহজ করিয়া দিয়াছি উপদেশ গ্রহণের জন্য; অতএব উপদেশ গ্রহণকারী কেহ আছে কি?
জহুরুল হক
৩২ আর আমরা নিশ্চয়ই কুরআনকে উপদেশ - গ্রহণের জন্য সহজবোধ্য করে দিয়েছি, কিন্তু কেউ কি রয়েছে উপদেশপ্রাপ্তদের অন্যতম?
Word by word
٣٢ وَلَقَدْ يَسَّرْنَا ٱلْقُرْءَانَ لِلذِّكْرِ فَهَلْ مِن مُّدَّكِرٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৩ লুতের কওমও সতর্কবাণীসমূহ প্রত্যাখ্যান করেছিল,
সমকালীন বাংলা
৩৩ লূতের সম্প্রদায় সতর্কবার্তাগুলোকে অস্বীকার করেছিল।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩৩ লূত সম্প্রদায় অস্বীকার করিয়াছিল সতর্ককারীদেরকে,
জহুরুল হক
৩৩ লুত - এর লোকদলও সতর্কীকরণ প্রত্যাখ্যান করেছিল।
Word by word
٣٣ كَذَّبَتْ قَوْمُ لُوطٍۭ بِٱلنُّذُرِ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৪ আমরা তাদের উপর পাঠিয়েছিলাম পাথর বহনকারী প্রচন্ড ঝড়, তবে লুত পরিবারকে রক্ষা করেছিলাম। তাদের আমরা উদ্ধার করেছিলাম সেহেরীর সময় (শেষ রাত),
সমকালীন বাংলা
৩৪ নিশ্চয়ই আমরা তাদের ওপর পাথরবাহী এক ঝড় পাঠিয়েছিলাম, তবে লূতের পরিবারকে নয়; আমরা তাদের রাতের শেষ প্রহরে উদ্ধার করেছিলাম।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩৪ আমি উহাদের উপর প্রেরণ করিয়াছিলাম প্রস্তর বহনকারী প্রচণ্ড ঝটিকা, কিন্তু লূত পরিবারের উপর নয় ; তাহাদেরকে আমি উদ্ধার করিয়াছিলাম রাত্রির শেষাংশে
জহুরুল হক
৩৪ নিঃসন্দেহ আমরা তাদের উপরে পাঠিয়েছিলাম এক পাথর বর্ষণকারী ঝড়, - - লুত - এর পরিজনদের ব্যতীত, আমরা তাদের উদ্ধার করেছিলাম শেষরাতে - -
Word by word
٣٤ إِنَّآ أَرْسَلْنَا عَلَيْهِمْ حَاصِبًا إِلَّآ ءَالَ لُوطٍ نَّجَّيْنَٰهُم بِسَحَرٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৫ আমাদের পক্ষ থেকে বিশেষ অনুগ্রহ হিসেবে। যারা শোকর আদায় করে, আমরা এভাবেই তাদের পুরস্কৃত করি।
সমকালীন বাংলা
৩৫ আমাদের পক্ষ থেকে অনুগ্রহস্বরূপ। এভাবেই আমরা তাকে প্রতিদান দিই যে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩৫ আমার বিশেষ অনুগ্রহস্বরূপ; যাহারা কৃতজ্ঞ, আমি এইভাবেই তাহাদেরকে পুরস্কৃত করিয়া থাকি।
জহুরুল হক
৩৫ আমাদের তরফ থেকে এক অনুগ্রহ। এইভাবেই আমরা পুরস্কার দিই যে কৃতজ্ঞতা দেখায় তাকে।
Word by word
٣٥ نِّعْمَةً مِّنْ عِندِنَا كَذَٰلِكَ نَجْزِى مَن شَكَرَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৬ সে (লুত) তাদের সতর্ক করে দিয়েছিল আমাদের কঠোর শাস্তি সম্পর্কে। কিন্তু তারা সতর্কবাণী নিয়ে সন্দেহ করে এবং হয় বিতর্কে লিপ্ত।
সমকালীন বাংলা
৩৬ আর অবশ্যই সে তাদের আমাদের কঠিন শাস্তি সম্পর্কে সতর্ক করেছিল, কিন্তু তারা সতর্কবার্তাগুলো নিয়ে বিতর্ক করেছিল।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩৬ লূত উহাদেরকে সতর্ক করিয়াছিল আমার কঠোর শাস্তি সম্পর্কে; কিন্তু উহারা সতর্কবাণী সম্বন্ধে বিতণ্ডা শুরু করিল।
জহুরুল হক
৩৬ আর তিনি তো ইতিপূর্বেই তাদের সতর্ক করে দিয়েছিলেন আমাদের ভীষণভাবে পাকড়ানো সম্পর্কে, কিন্তু তারা আমার সতর্কীকরণ সন্বন্ধে কথা - কাটাকাটি করছিল।
Word by word
٣٦ وَلَقَدْ أَنذَرَهُم بَطْشَتَنَا فَتَمَارَوْا۟ بِٱلنُّذُرِ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৭ তারা লুতের কাছে তার মেহমানদের দাবি করে অসৎ উদ্দেশ্যে। তখন আমরা তাদের দৃষ্টিশক্তি লোপ করে দিয়েছিলাম এবং বলেছিলাম: স্বাদ গ্রহণ করো আমার আযাবের এবং সতর্কবাণী (অমান্য করার) পরিণতির।
সমকালীন বাংলা
৩৭ আর তারা তার অতিথিদের ব্যাপারে তাকে প্রলুব্ধ করতে চেয়েছিল, অতঃপর আমরা তাদের দৃষ্টিশক্তি মুছে দিয়েছিলাম। সুতরাং আস্বাদন করো আমার শাস্তি ও সতর্কবার্তা।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩৭ উহারা লূতের নিকট হইতে তাহার মেহমানদেরকে অসদুদ্দেশ্যে দাবি করিল, তখন আমি উহাদের দৃষ্টিশক্তি লোপ করিয়া দিলাম এবং আমি বলিলাম, ‘আস্বাদন কর আমার শাস্তি এবং সতর্ক - বাণীর পরিণাম।
জহুরুল হক
৩৭ আর তারা অবশ্য তাঁর কাছ থেকে তাঁর অতিথিদের চেয়েছিল, তখন আমরা তাদের চোখগুলোকে শেষ করে দিয়েছিলাম, ''অতএব আমার শাস্তি আস্বাদন কর আমার সতর্কীকরণের পরে।’’
Word by word
٣٧ وَلَقَدْ رَٰوَدُوهُ عَن ضَيْفِهِۦ فَطَمَسْنَآ أَعْيُنَهُمْ فَذُوقُوا۟ عَذَابِى وَنُذُرِ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৮ একেবারে বেন বেলায়ই তাদের আঘাত করে এক অপ্রতিরোধ্য আযাব।
সমকালীন বাংলা
৩৮ আর অবশ্যই তাদের ওপর সকালে স্থায়ী শাস্তি নেমে এসেছিল।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩৮ প্রত্যূষে বিরামহীন শাস্তি তাহাদেরকে আঘাত করিল।
জহুরুল হক
৩৮ আর অবশ্য নির্ধারিত শাস্তি ভোরবেলাতে তাদের উপরে পড়েছিল।
Word by word
٣٨ وَلَقَدْ صَبَّحَهُم بُكْرَةً عَذَابٌ مُّسْتَقِرٌّ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৯ ‘স্বাদ গ্রহণ করো আমার আযাব আর সতর্ক বাণী (অমান্য করার) পরিণতির।’
সমকালীন বাংলা
৩৯ সুতরাং আস্বাদন করো আমার শাস্তি ও সতর্কবার্তা।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩৯ এবং আমি বলিলাম, ‘আস্বাদন কর আমার শাস্তি এবং সতর্কবাণীর পরিণাম।’
জহুরুল হক
৩৯ ''আমার শাস্তি এখন আস্বাদন কর আমার সতর্কীকরণের পরে?’’
Word by word
٣٩ فَذُوقُوا۟ عَذَابِى وَنُذُرِ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪০ আমরা কুরআনকে বুঝা ও উপদেশ গ্রহণ করার জন্যে সহজ করেছি, অতএব উপদেশ গ্রহণকারী কেউ আছে কি?
সমকালীন বাংলা
৪০ আর অবশ্যই আমরা কুরআনকে উপদেশ গ্রহণের জন্য সহজ করে দিয়েছি। অতএব কোনো উপদেশ গ্রহণকারী আছে কি?
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪০ আমি কুরআন সহজ করিয়া দিয়াছি উপদেশ গ্রহণের জন্য; অতএব উপদেশ গ্রহণকারী কেহ আছে কি?
জহুরুল হক
৪০ আর আমরা তো নিশ্চয়ই কুরআনকে উপদেশ গ্রহণের জন্য সহজবোধ্য করে দিয়েইছি, কিন্তু কে আছে যে উপদেশপ্রাপ্তদের মধ্যেকার?
Word by word
٤٠ وَلَقَدْ يَسَّرْنَا ٱلْقُرْءَانَ لِلذِّكْرِ فَهَلْ مِن مُّدَّكِرٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪১ ফেরাউন সম্প্রদায়ের কাছেও এসেছিল আমাদের সতর্কবাণী।
সমকালীন বাংলা
৪১ আর অবশ্যই ফেরাউনের লোকদের কাছে সতর্কবার্তা এসেছিল।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪১ ফির‘আওন সম্প্রদায়ের নিকটও আসিয়াছিল সতর্ককারী;
জহুরুল হক
৪১ আর অবশ্য ফিরআউনের লোকদের কাছে সতর্কীকরণ এসেছিল।
Word by word
٤١ وَلَقَدْ جَآءَ ءَالَ فِرْعَوْنَ ٱلنُّذُرُ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪২ তারা আমাদের সবগুলো নিদর্শনই প্রত্যাখ্যান করেছিল, তখন আমরা তাদের পাকড়াও করি পরাক্রমশালী শক্তিধরের পাকড়াও।
সমকালীন বাংলা
৪২ তারা আমাদের সব নিদর্শন অস্বীকার করেছিল। অতঃপর আমরা তাদের ধরেছিলাম এক পরাক্রমশালী, সর্বশক্তিমান ব্যক্তির ধরার মতো।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪২ কিন্তু উহারা আমার সকল নিদর্শন প্রত্যাখ্যান করিল, অতঃপর পরাক্রম - শালী ও সর্বশক্তিমানরূপে আমি উহাদেরকে সুকঠিন শাস্তি দিলাম।
জহুরুল হক
৪২ তারা আমাদের নিদর্শনসমূহ - - তাদের সবক’টি, প্রত্যাখ্যান করেছিল, সেজন্য আমরা তাদের পাকড়াও করেছিলাম মহাশক্তিশালী পরমক্ষমতাবানের পাকড়ানোর দ্বারা।
Word by word
٤٢ كَذَّبُوا۟ بِـَٔايَٰتِنَا كُلِّهَا فَأَخَذْنَٰهُمْ أَخْذَ عَزِيزٍ مُّقْتَدِرٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৩ তোমাদের কাফিররা কি তাদের চেয়ে উত্তম? নাকি পূর্ববর্তী কিতাবে তোমাদের অব্যাহতি লাভের কোনো সময় আছে?
সমকালীন বাংলা
৪৩ তোমাদের অবিশ্বাসীরা কি তাদের চেয়ে উত্তম? নাকি তোমাদের জন্য কিতাবসমূহে কোনো অব্যাহতি রয়েছে?
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪৩ তোমাদের মধ্যকার কাফিররা কি উহাদের অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ? না কি তোমাদের অব্যাহতির কোন সনদ রহিয়াছে পূর্ববর্তী কিতাবে?
জহুরুল হক
৪৩ তোমাদের অবিশ্বাসীরা কি এদের চাইতে ভাল, না তোমাদের জন্য অব্যাহতি রয়েছে ধর্মগ্রন্থের মধ্যে?
Word by word
٤٣ أَكُفَّارُكُمْ خَيْرٌ مِّنْ أُو۟لَٰٓئِكُمْ أَمْ لَكُم بَرَآءَةٌ فِى ٱلزُّبُرِ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৪ নাকি তারা বলে: ‘আমরা একটি সংঘবদ্ধ অপরাজেয় দল?’
সমকালীন বাংলা
৪৪ নাকি তারা বলে, “আমরা একটি সংঘবদ্ধ দল, আমরা বিজয়ী হবো”?
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪৪ ইহারা কি বলে, ‘আমরা এক সঙ্ঘবদ্ধ অপরাজেয় দল?’
জহুরুল হক
৪৪ অথবা তারা কি বলে - - ''আমরা পরস্পরের সাহায্যকারী আস্ত একটা দল’’?
Word by word
٤٤ أَمْ يَقُولُونَ نَحْنُ جَمِيعٌ مُّنتَصِرٌ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৫ এই সংঘবদ্ধ দল তো শীঘ্রি পরাজিত হবে এবং পেছনে ফিরে পালাবে।
সমকালীন বাংলা
৪৫ শীঘ্রই সেই দল পরাজিত হবে এবং তারা পৃষ্ঠপ্রদর্শন করে পালাবে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪৫ এই দল তো শীঘ্রই পরাজিত হইবে এবং পৃষ্ঠপ্রদর্শন করিবে,
জহুরুল হক
৪৫ শীঘ্রই এ লোকদল বিধবস্ত হবে এবং পৃস্প্রদর্শন করে ফিরে যাবে।
Word by word
٤٥ سَيُهْزَمُ ٱلْجَمْعُ وَيُوَلُّونَ ٱلدُّبُرَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৬ তাদের আসল শাস্তির প্রতিশ্রুত সময় হলো কিয়ামত। কিয়ামত হবে অধিকতর কঠিন এবং অধিকতর তিক্ত।
সমকালীন বাংলা
৪৬ বরং তাদের প্রতিশ্রুত সময় কিয়ামত। আর কিয়ামত অধিক ভয়ংকর এবং অধিক তিক্ত।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪৬ অধিকন্তু কিয়ামত উহাদের শাস্তির নির্ধারিত কাল এবং কিয়ামত হইবে কঠিনতর ও তিক্ততর;
জহুরুল হক
৪৬ বস্তুত ঘড়িঘন্টাই তাদের নির্ধারিত স্থানকাল, আর সেই ঘড়িঘন্টা হবে অতি কঠোর ও বড় তিক্ত।
Word by word
٤٦ بَلِ ٱلسَّاعَةُ مَوْعِدُهُمْ وَٱلسَّاعَةُ أَدْهَىٰ وَأَمَرُّ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৭ নিশ্চয়ই অপরাধীরা রয়েছে বিভ্রান্তিতে এবং উন্মাতাল অবস্থায়।
সমকালীন বাংলা
৪৭ নিশ্চয়ই অপরাধীরা বিভ্রান্ত ও বিকারগ্রস্ত।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪৭ নিশ্চয়ই অপরাধীরা বিভ্রান্ত ও বিকারগ্রস্ত।
জহুরুল হক
৪৭ নিঃসন্দেহ অপরাধীরা বিভ্রান্ত ও বিকারগ্রস্ত হবে।
Word by word
٤٧ إِنَّ ٱلْمُجْرِمِينَ فِى ضَلَٰلٍ وَسُعُرٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৮ যেদিন তাদের উপুড় করে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যাওয়া হবে জাহান্নামে, সেদিন তাদের বলা হবে: স্বাদ গ্রহণ করো জাহান্নামের যন্ত্রণার।
সমকালীন বাংলা
৪৮ যেদিন তাদের উপুড় করে আগুনে টেনে নিয়ে যাওয়া হবে, “সাকারের স্পর্শ আস্বাদন করো।”
Note"সাকার" একটি দোজখের নাম
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪৮ যেদিন উহাদের উপুড় করিয়া টানিয়া লইয়া যাওয়া হইবে জাহান্নামের দিকে; সেই দিন বলা হইবে, ‘জাহান্নামের যন্ত্রণা আস্বাদন কর।’
জহুরুল হক
৪৮ সেই দিন তাদের মুখ হেচঁড়ে তাদের টেনে নিয়ে যাওয়া হবে আগুনের মধ্যে - - ''জ্বালাময় আগুনের স্পর্শ আস্বাদন করো!’’
Word by word
٤٨ يَوْمَ يُسْحَبُونَ فِى ٱلنَّارِ عَلَىٰ وُجُوهِهِمْ ذُوقُوا۟ مَسَّ سَقَرَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৯ আমরা প্রতিটি বস্ত্ত সৃষ্টি করেছি পরিমাণ মাফিক।
সমকালীন বাংলা
৪৯ নিশ্চয়ই আমরা প্রত্যেক বিষয় পরিমাপ অনুযায়ী সৃষ্টি করেছি।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪৯ আমি সকল কিছু সৃষ্টি করিয়াছি নির্ধারিত পরিমাপে,
জহুরুল হক
৪৯ নিঃসন্দেহ প্রত্যেকটি জিনিস - - আমরা এটি সৃষ্টি করেছি পরিমাপ অনুসারে।
Word by word
٤٩ إِنَّا كُلَّ شَىْءٍ خَلَقْنَٰهُ بِقَدَرٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
৫০ আমাদের নির্দেশ তো এক কথায়ই সম্পন্ন হয়ে যায় চোখের পলকের মতো।
সমকালীন বাংলা
৫০ আর আমাদের আদেশ তো একটিমাত্র, চোখের পলকের মতো।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৫০ আমার আদেশ তো একটি কথায় নিষ্পন্ন, চক্ষুর পলকের মত।
জহুরুল হক
৫০ আর আমাদের আদেশ একবার বৈ তো নয়, চোখের পলকের ন্যায়।
Word by word
٥٠ وَمَآ أَمْرُنَآ إِلَّا وَٰحِدَةٌ كَلَمْحٍۭ بِٱلْبَصَرِ
আবদুস শহীদ নাসিম
৫১ আমরা (ইতোপূর্বে) তোমাদের অনুরূপ দলগুলোকে ধ্বংস করে দিয়েছি। (সুতরাং) উপদেশ গ্রহণ করার কেউ আছে কি?
সমকালীন বাংলা
৫১ আর অবশ্যই আমরা তোমাদের মতো লোকদের ধ্বংস করেছি। অতএব কোনো উপদেশ গ্রহণকারী আছে কি?
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৫১ আমি ধ্বংস করিয়াছি তোমাদের মত দলগুলিকে; অতএব উহা হইতে উপদেশ গ্রহণকারী কেহ আছে কি?
জহুরুল হক
৫১ আর আমরা তো তোমাদের সেঙাৎদের ধ্বংস করে দিয়েছিলাম, কিন্তু কেউ কি রয়েছে উপদেশপ্রাপ্তদের মধ্যেকার?
Word by word
٥١ وَلَقَدْ أَهْلَكْنَآ أَشْيَاعَكُمْ فَهَلْ مِن مُّدَّكِرٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
৫২ তারা যা করছে প্রতিটি জিনিসই রয়েছে রেকর্ডে,
সমকালীন বাংলা
৫২ আর তারা যা করেছে, সবকিছু খাতাসমূহে লিখিত রয়েছে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৫২ উহাদের সমস্ত কার্যকলাপ আছে আমলনামায়,
জহুরুল হক
৫২ আর তারা যা করেছে তার সব - কিছুই নথিপত্রে রয়েছে।
Word by word
٥٢ وَكُلُّ شَىْءٍ فَعَلُوهُ فِى ٱلزُّبُرِ
আবদুস শহীদ নাসিম
৫৩ প্রতিটি ক্ষুদ্র এবং বৃহৎ (বিষয়ই) রেকর্ড করা রয়েছে।
সমকালীন বাংলা
৫৩ আর ছোট-বড় সবকিছুই লিখিত।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৫৩ আছে ক্ষুদ্র ও বৃহৎ সমস্ত কিছুই লিপিবদ্ধ।
জহুরুল হক
৫৩ আর ছোট ও বড় প্রত্যেকটি বিষয় লিপিবদ্ধ আছে।
Word by word
٥٣ وَكُلُّ صَغِيرٍ وَكَبِيرٍ مُّسْتَطَرٌ
আবদুস শহীদ নাসিম
৫৪ নিশ্চয়ই মুত্তাকিরা থাকবে জান্নাত এবং নদ নদী নহরে,
সমকালীন বাংলা
৫৪ নিশ্চয়ই মুত্তাকীরা বেহেশতসমূহ ও নদীর মধ্যে থাকবে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৫৪ মুত্তাকীরা থাকিবে স্রোতস্বিনী বিধৌত জান্নাতে,
জহুরুল হক
৫৪ ধর্মভীরুরা অবশ্যই থাকবে ঝরনাবেষ্টিত জান্নাতে - -
Word by word
٥٤ إِنَّ ٱلْمُتَّقِينَ فِى جَنَّٰتٍ وَنَهَرٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
৫৫ যথাযোগ্য আসনে মহাশক্তিধর সর্বময় কর্তৃত্বের মালিকের কাছে।
সমকালীন বাংলা
৫৫ সত্যের আসনে, এক সর্বশক্তিমান সম্রাটের কাছে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৫৫ যোগ্য আসনে, সর্বময় কর্তৃত্বের অধিকারী আল্লাহ্ র সান্নিধ্যে।
জহুরুল হক
৫৫ সত্যের আসনে সর্বশক্তিমান রাজাধিরাজের সমক্ষে!
Word by word
٥٥ فِى مَقْعَدِ صِدْقٍ عِندَ مَلِيكٍ مُّقْتَدِرٍۭ
Recitation
Add a book to compare
It opens next to the books you’re reading, at the same verse.
Verse
Play from here
Bookmark
Add note
Copy
Share
Suggest a translation
Explain (AI)
Say it simply (AI)
See suggestions
Edit verse
Chapters
Find a chapter
Dictionary
Suggest a translation
Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.
Log in Create an account
Suggested translations
Your note
Ask AI about this chapter
AI-generated from the text on this page. It can make mistakes and is not a religious ruling; check it against the text and ask a scholar for guidance.
Report a problem with this answer
What is wrong?
Send report