Kitab

আল মুমতাহানা (পরীক্ষনীয় নারী)

Chapter 60, 13 verses

  • আবদুস শহীদ নাসিম
  • সমকালীন বাংলা
  • ইসলামিক ফাউন্ডেশন
About this chapter


মদিনায় অবতীর্ণ, আয়াত সংখ্যা ১৩, রুকু সংখ্যা: ০২

এই সূরার আলোচ্যসূচি

আয়াতআলোচ্য বিষয় ০১-০৬আল্লাহ্ ও মুমিনদের শত্রুদেরকে বন্ধু হিসাবে গ্রহণ করার নিষেধাজ্ঞা। এ ক্ষেত্রে ইবরাহিমের আদর্শ অনুসরণের পরামর্শ। ০৭-০৯আল্লাহ্ মুমিনদের জন্য শত্রুদের মধ্য থেকেও বন্ধু বের করে দিতে পারেন। ১০-১৩মহিলারা হিজরত করে এলে তাদের ব্যাপারে যে পলিসি গ্রহণ করতে হবে।
আবদুস শহীদ নাসিম

হে লোকেরা! তোমরা আমার শত্রু এবং তোমাদের শত্রুকে অলি (বন্ধু ও পৃষ্ঠপোষক) হিসেবে গ্রহণ করোনা। তোমরা কি তাদের কাছে বন্ধুত্বের বার্তা পাঠাচ্ছো? অথচ তোমাদের কাছে যে সত্য এসেছে তারা তার প্রতি কুফুরি করেছে। তোমরা তোমাদের প্রভু আল্লাহর প্রতি ঈমান এনেছো বলে তারা আল্লাহর রসূলকে এবং তোমাদেরকেও দেশ থেকে বের করে দিয়েছে। যদি তোমরা আমার পথে জিহাদে এবং আমার সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে বের হয়ে থাকো, তবে কেন তোমরা গোপনে তাদের সাথে বন্ধুতা করছো? তোমরা যা গোপন করো আর যা প্রকাশ করো, তা আমি জানি। তোমাদের যে কেউ এমন কাজ করে, সে তো সঠিক পথ থেকে বিচ্যুত হয়।

সমকালীন বাংলা

আল্লাহর নামে শুরু করছি, পরম করুণাময় পরম দয়ালু; হে যারা ঈমান এনেছো, তোমরা আমার শত্রু এবং তোমাদের শত্রুকে ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে গ্রহণ করো না। তোমরা তাদের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ কর, অথচ তারা যে সত্য তোমাদের কাছে এসেছে, তা অবিশ্বাস করেছে। তারা রাসূলকে এবং তোমাদেরকে বের করে দেয়, কারণ তোমরা তোমাদের পালনকর্তা আল্লাহর প্রতি ঈমান এনেছো। যদি তোমরা আমার পথে সংগ্রাম করতে এবং আমার সন্তুষ্টি কামনা করে বের হয়ে থাকো, তবে গোপনে তাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা করো না। আর তোমরা যা গোপন করো এবং যা প্রকাশ করো, আমি তা সম্যক জানি। আর তোমাদের মধ্যে যে তা করে, সে অবশ্যই সরল পথ থেকে বিচ্যুত হয়েছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

হে মু’মিনগণ ! তোমরা আমার শত্রু ও তোমাদের শত্রুকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করিও না, তোমরা উহাদের প্রতি বন্ধুত্বের বার্তা প্রেরণ করিতেছ, অথচ উহারা, তোমাদের নিকট যে সত্য আসিয়াছে, তাহা প্রত্যাখ্যান করিয়াছে, রাসূলকে এবং তোমাদেরকে বহিষ্কার করিয়াছে এই কারণে যে, তোমরা তোমাদের প্রতিপালক ‌তে বিশ্বাস কর। যদি তোমরা আমার পথে জিহাদের উদ্দেশ্যে এবং আমার সন্তুষ্টি লাভের জন্য বহির্গত হইয়া থাক, তবে কেন তোমরা উহাদের সঙ্গে গোপনে বন্ধুত্ব করিতেছ? তোমরা যাহা গোপন কর এবং তোমরা যাহা প্রকাশ কর তাহা আমি সম্যক অবগত। তোমাদের মধ্যে যে কেহ ইহা করে সে তো বিচ্যুত হয় সরল পথ হইতে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা তোমাদের কাবু করতে পারলে তোমাদের শত্রু হয়ে যাবে এবং হাতে ও মুখে তোমাদের অনিষ্ট সাধন করবে। তারা তো কামনা করে তোমরাও যেনো কুফুরি করো।

সমকালীন বাংলা

যদি তারা তোমাদের নাগাল পায়, তবে তারা তোমাদের শত্রু হবে এবং মন্দ উদ্দেশ্যে তোমাদের প্রতি তাদের হাত ও জিহ্বা প্রসারিত করবে। আর তারা কামনা করে, যদি তোমরা অবিশ্বাস করতে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমাদেরকে কাবু করিতে পারিলে উহারা হইবে তোমাদের শত্রু এবং হস্ত ও রসনা দ্বারা তোমাদের অনিষ্ট সাধন করিবে এবং কামনা করিবে যে, তোমরাও কর।

আবদুস শহীদ নাসিম

কিয়ামতের দিন তোমাদের আত্মীয় - স্বজন এবং সন্তান - সন্ততি তোমাদের কোনো কাজে আসবে না। তোমাদের মাঝে বিভক্তি সৃষ্টি করে দেবেন। তোমরা যা করো তার প্রতি দৃষ্টি রাখছেন।

সমকালীন বাংলা

তোমাদের আত্মীয়-স্বজন এবং তোমাদের সন্তানেরা কিয়ামতের দিনে তোমাদের কোনো উপকার করবে না। তিনি তোমাদের মধ্যে বিচার করবেন। আর তোমরা যা করো, তা প্রত্যক্ষ করেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমাদের আত্মীয় - স্বজন ও সন্তান - সন্ততি কিয়ামতের দিন তোমাদের কোন কাজে আসিবে না। ‌ তোমাদের মধ্যে ফয়সালা করিয়া দিবেন ; তোমরা যাহা কর তিনি তাহা দেখেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমাদের জন্যে রয়েছে একটি উত্তম আদর্শ ইবরাহিম এবং তার সাথিদের মধ্যে। তারা তাদের কওমকে বলেছিল: ‘তোমাদের সাথে আমাদের কোনো সম্পর্ক নেই এবং তোমরা আল্লাহর পরিবর্তে যাদের ইবাদত (পূজা উপাসনা) করো তাদের সাথেও। আমরা তোমাদের অমান্য করছি। তোমাদের এবং আমাদের মাঝে শুরু হলো চিরন্তন শত্রুতা আর বিদ্বেষ যতোদিন না তোমরা এক আল্লাহর প্রতি ঈমান আনবে।’ তবে ব্যতিক্রম শুধু নিজের পিতার প্রতি ইবরাহিমের এই কথাটা: ‘আমি আপনার ব্যাপারে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে যাবো, তবে আপনার ব্যাপারে আমি আল্লাহর কাছে কোনো কিছু করার অধিকার রাখিনা।’ ‘‘আমাদের প্রভু! আমরা তোমার প্রতি তাওয়াক্কুল করলাম, আমরা তোমারই অভিমুখী হলাম এবং প্রত্যাবর্তন তো হবে তোমারই কাছে।

সমকালীন বাংলা

অবশ্যই তোমাদের জন্য ইবরাহীম এবং তাঁর সঙ্গে যারা ছিল, তাদের মধ্যে উত্তম আদর্শ রয়েছে; যখন তারা তাদের সম্প্রদায়কে বলেছিল, “নিশ্চয়ই আমরা তোমাদের থেকে এবং আল্লাহকে ছেড়ে তোমরা যাদের ইবাদত কর, তাদের থেকে সম্পূর্ণ সম্পর্কমুক্ত। আমরা তোমাদের অবিশ্বাস করেছি, এবং আমাদের ও তোমাদের মধ্যে শত্রুতা ও বিদ্বেষ চিরদিনের জন্য প্রকাশিত হয়েছে, যতক্ষণ না তোমরা এক আল্লাহর প্রতি ঈমান আনো।” তবে ইবরাহীম তাঁর পিতাকে বলেছিলেন, “আমি অবশ্যই আপনার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করব, যদিও আল্লাহর পক্ষ থেকে আপনার জন্য আমি কোনো কিছুরই অধিকার রাখি না।” “হে আমাদের পালনকর্তা, আমরা আপনারই উপর নির্ভর করেছি, আপনারই দিকে প্রত্যাবর্তন করেছি, এবং আপনারই কাছে চূড়ান্ত প্রত্যাবর্তন।”

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমাদের জন্য ইব্‌রাহীম ও তাহার অনুসারীদের মধ্যে রহিয়াছে উত্তম আদর্শ। যখন তাহারা তাহাদের সম্প্রদায়কে বলিয়াছিল, ‘তোমাদের সঙ্গে এবং তোমরা ‌র পরিবর্তে যাহার ‘ইবাদত কর তাহার সঙ্গে আমাদের কোন সম্পর্ক নাই। আমরা তোমাদেরকে মানি না। তোমাদের ও আমাদের মধ্যে সৃষ্টি হইল শত্রুতা ও বিদ্বেষ চিরকালের জন্য ; যদি না তোমরা এক ‌তে ঈমান আন।’ তবে ব্যতিক্রম তাহার পিতার প্রতি ইব্‌রাহীমের উক্তি : ‘আমি নিশ্চয়ই তোমার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করিব; এবং তোমার ব্যাপারে ‌র নিকট আমি কোন অধিকার রাখি না।’ ইব্‌রাহীম ও তাহার অনুসারিগণ বলিয়াছিল, ‘হে আমাদের প্রতিপালক ! আমরা তোমারই উপর নির্ভর করিয়াছি, তোমারই অভিমুখী হইয়াছি এবং প্রত্যাবর্তন তো তোমারই নিকট।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমাদের প্রভু! তুমি আমাদেরকে কাফিরদের নিপীড়নের পাত্র বানিয়ো না। হে প্রভু! তুমি আমাদের ক্ষমা করে দাও। নিশ্চয়ই তুমি মহাশক্তিধর, মহাপ্রজ্ঞাবান।’’

সমকালীন বাংলা

হে আমাদের পালনকর্তা, যারা অবিশ্বাস করেছে, তাদের জন্য আমাদেরকে পরীক্ষার কারণ করবেন না। আর আমাদের ক্ষমা করুন, হে আমাদের পালনকর্তা। নিশ্চয়ই আপনিই মহাশক্তিশালী, মহাপ্রজ্ঞাবান।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘হে আমাদের প্রতিপালক! তুমি আমাদেরকে কাফিরদের পীড়নের পাত্র করিও না। হে আমাদের প্রতিপালক! তুমি আমাদেরকে ক্ষমা কর; তুমি তো পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।’

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা যারা আল্লাহর (সন্তুষ্টি) এবং পরকালের (সাফল্য) প্রত্যাশা করো, নিশ্চয়ই তাদের মধ্যে রয়েছে তোমাদের জন্যে উত্তম আদর্শ। কেউ যদি মুখ ফিরিয়ে নেয়, সে জেনে রাখুক, নিশ্চয়ই অভাবমুক্ত সপ্রশংসিত।

সমকালীন বাংলা

অবশ্যই তাদের মধ্যে তোমাদের জন্য উত্তম আদর্শ রয়েছে, যারা ও শেষ দিবসের আশা করে তাদের জন্য। আর যে মুখ ফিরিয়ে নেয়, তবে নিশ্চয়ই অভাবমুক্ত, প্রকৃত প্রশংসার অধিকারী।

Note

এখানে  "তাদের" মধ্যে (فيهم) বলতে স্পষ্টভাবেই ইবরাহীম (আঃ) ও তাঁর সঙ্গীদের কথা বলা হয়েছে।  

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমরা যাহারা ‌ ও আখিরাতের প্রত্যাশা কর নিশ্চয়ই তাহাদের জন্য রহিয়াছে উত্তম আর্দশ তাহাদের মধ্যে। কেহ মুখ ফিরাইয়া লইলে সে জানিয়া রাখুক, নিশ্চয়ই ‌, তিনি তো অভাবমুক্ত, প্রশংসার্হ।

আবদুস শহীদ নাসিম

যাদের সাথে তোমাদের শত্রুতা রয়েছে, হয়তো তাদের ও তোমাদের মাঝে বন্ধুতা সৃষ্টি করে দেবেন। সর্বশক্তিমান। পরম ক্ষমাশীল, পরম দয়াবান।

সমকালীন বাংলা

যাহাদের সঙ্গে তোমাদের শত্রুতা রহিয়াছে সম্ভবত আল্লাহর তাহাদের ও তোমাদের মধ্যে বন্ধুত্ব সৃষ্টি করে দিবেন। সবই করতে পারনে এবং ক্ষমাশীল, করুণাময়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহাদের সঙ্গে তোমাদের শত্রুতা রহিয়াছে সম্ভবত ‌ তাহাদের ও তোমাদের মধ্যে বন্ধুত্ব সৃষ্টি করে দিবেন; ‌ সর্বশক্তিমান এবং ‌ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।

আবদুস শহীদ নাসিম

দীনের ব্যাপারে যারা তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেনি এবং তোমাদের ঘরবাড়ি থেকে বের করে দেয়নি, তাদের প্রতি সহানুভূতি দেখাতে এবং ন্যায়বিচার করতে তোমাদের নিষেধ করেননা। নিশ্চয়ই সুবিচারকারীদের ভালোবাসেন।

সমকালীন বাংলা

তোমাদেরকে তাদের প্রতি সদ্ব্যবহার করতে এবং ন্যায়বিচার করতে নিষেধ করেন না, যারা ধর্মের কারণে তোমাদের সঙ্গে যুদ্ধ করেনি এবং তোমাদেরকে তোমাদের ঘরবাড়ি থেকে বের করে দেয়নি। নিশ্চয়ই ন্যায়পরায়ণদের ভালোবাসেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

দীনের ব্যাপারে যাহারা তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে নাই এবং তোমাদেরকে স্বদেশ হইতে বহিষ্কার করে নাই তাহাদের প্রতি মহানুভবতা প্রদর্শন ও ন্যায়বিচার করিতে ‌ তোমাদেরকে নিষেধ করেন না। ‌ তো ন্যায়পরায়ণদেরকে ভালবাসেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

তো কেবল তাদের সাথে বন্ধুতা করতেই নিষেধ করেন, যারা দীনের কারণে তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছে, তোমাদেরকে তোমাদের ঘরবাড়ি থেকে বের করে দিয়েছে এবং তোমাদের বের করে দিতে সাহায্য করেছে। যারা তাদের সাথে বন্ধুতা করে তারা যালিম।

সমকালীন বাংলা

তোমাদেরকে শুধু তাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ মিত্রতা করতে নিষেধ করেন, যারা ধর্মের কারণে তোমাদের সঙ্গে যুদ্ধ করেছে, তোমাদেরকে তোমাদের ঘরবাড়ি থেকে বের করে দিয়েছে এবং তোমাদেরকে বের করে দিতে সহযোগিতা করেছে। আর যারা তাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ মিত্রতা করে, তারাই যালিম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌ কেবল তাহাদের সঙ্গে বন্ধুত্ব করিতে নিষেধ করেন যাহারা দীনের ব্যাপারে তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করিয়াছে, তোমাদেরকে স্বদেশ হইতে বহিষ্কার করিয়াছে এবং তোমাদের বহিষ্করণে সাহায্য করিয়াছে। উহাদের সঙ্গে যাহারা বন্ধুত্ব করে তাহারা তো ।

আবদুস শহীদ নাসিম

হে লোকেরা! নারীরা মুহাজির হয়ে (তোমাদের) কাছে এলে তোমরা তাদের পরীক্ষা করে নিও। তাদের ঈমান সম্পর্কে আল্লাহ্ই অধিক জানেন। তোমরা যদি জানতে পারো, তারা সত্যি মুমিনা, তবে তাদের কাফিরদের কাছে ফেরত পাঠিয়োনা। কারণ তারা কাফিরদের জন্যে হালাল নয়, আর কাফিররাও তাদের জন্যে হালাল নয়। কাফিররা তাদের জন্যে যা (যে মোহরানা) ব্যয় করেছে তা তাদের ফেরত দেবে। অত:পর মোহরানা দিয়ে তাদের বিয়ে করলে তোমাদের কোনো দোষ হবেনা। তোমরা নারীদের সাথে বৈবাহিক সম্পর্ক বজায় রেখোনা। তোমরা তাদের জন্যে যা (যে মোহরানা) ব্যয় করেছো তা ফেরত চাইবে এবং কাফিররাও চাইবে তারা যা ব্যয় করেছে। এটাই আল্লাহর বিধান। তিনি তোমাদের মাঝে ফায়সালা করে দেন। তিনি জ্ঞানী এবং প্রজ্ঞাবান।

সমকালীন বাংলা

হে যারা বিশ্বাস এনেছো, যখন নারীরা হিজরত করে তোমাদের কাছে আসে, তখন তাদের পরীক্ষা করো। তাদের বিশ্বাস সম্পর্কে অধিক অবগত। অতঃপর যদি তোমরা জানতে পারো যে তারা , তবে তাদেরকে অস্বীকারকারীদের কাছে ফিরিয়ে দিও না। তারা তাদের জন্য বৈধ নয় এবং তারাও তাদের জন্য বৈধ নয়। আর তারা যা ব্যয় করেছে, তা তাদেরকে ফিরিয়ে দাও। আর তোমরা তাদেরকে বিবাহ করলে তোমাদের কোনো দোষ নেই, যখন তোমরা তাদের মোহর প্রদান করো। আর অস্বীকারকারী নারীদের বৈবাহিক বন্ধন ধরে রেখো না। আর তোমরা যা ব্যয় করেছো তা দাবি করো, এবং তারাও যা ব্যয় করেছে তা দাবি করুক। এটাই আল্লাহর বিধান; তিনি তোমাদের মধ্যে বিচার করেন। আর সর্বজ্ঞ, মহাপ্রজ্ঞাবান।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

হে মু’মিনগণ! তোমাদের নিকট নারীরা হিজরত করিয়া আসিলে তাহাদেরকে পরীক্ষা করিও, ‌ তাহাদের ঈমান সম্বন্ধে সম্যক অবগত আছেন। যদি তোমরা জানিতে পার যে, তাহারা তবে তাহাদেরকে কাফিরদের নিকট ফেরত পাঠাইও না। নারীগণ কাফিরদের জন্য বৈধ নয় এবং কাফিরগণ নারীদের জন্য বৈধ নয়। কাফিররা যাহা ব্যয় করিয়াছে তাহা উহাদেরকে ফিরাইয়া দিও। অতঃপর তোমরা তাহাদেরকে বিবাহ করিলে তোমাদের কোন অপরাধ হইবে না যদি তোমরা তাহাদেরকে তাহাদের মাহর দাও। তোমরা নারীদের সঙ্গে দাম্পত্য সম্পর্ক বজায় রাখিও না। তোমরা যাহা ব্যয় করিয়াছ তাহা ফেরত চাইবে এবং কাফিররা ফেরত চাইবে যাহা তাহারা ব্যয় করিয়াছে। ইহাই ‌র বিধান ; তিনি তোমাদের মধ্যে ফয়সালা করিয়া থাকেন। ‌ র্সবজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমাদের স্ত্রীদেরকে দেয়া মোহরানার কিছু অংশ যদি তোমরা ফেরত না পাও এবং পরে যদি তোমরা সুযোগ পেয়ে যাও তাহলে যাদের স্ত্রীরা ওদিকে রয়ে গেছে তাদেরকে তাদের দেয়া মোহরানার সমপরিমাণ অর্থ দিয়ে দাও। তোমরা সেই আল্লাহকে ভয় করো যাঁর প্রতি তোমরা ()।

সমকালীন বাংলা

আর যদি তোমাদের স্ত্রীদের মধ্য থেকে কেউ অস্বীকারকারীদের কাছে চলে যায়, অতঃপর তোমরা প্রতিদানস্বরূপ কিছু পাও, তবে যাদের স্ত্রী চলে গেছে, তাদেরকে তারা যা ব্যয় করেছিল, তার সমপরিমাণ প্রদান করো। আর আল্লাহকে ভয় করো, যার প্রতি তোমরা ঈমান এনেছো।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমাদের স্ত্রীদের মধ্যে যদি কেহ হাতছাড়া হইয়া কাফিরদের নিকট রহিয়া যায় এবং তোমাদের যদি সুযোগ আসে তখন যাহাদের স্ত্রীগণ হাতছাড়া হইয়া গিয়াছে তাহাদেরকে, তাহারা যাহা ব্যয় করিয়াছে তাহার সমপরিমাণ অর্থ প্রদান করিবে, ভয় কর ‌কে, যাহাতে তোমরা ।

আবদুস শহীদ নাসিম

হে নবী! নারীরা তোমার কাছে এসে বাইয়াত করতে চাইলে এসব শর্তে তাদের বাইয়াত গ্রহণ করে নাও: তারা আল্লাহর সাথে শরিক সাব্যস্ত করবেনা, চুরি করবেনা, জিনা করবেনা, নিজেদের সন্তানদের হত্যা করবেনা, জেনেশুনে অপবাদ রচনা করে রটাবেনা এবং ভালো কাজে তোমার নির্দেশ অমান্য করবেনা। তুমি আল্লাহর কাছে তাদের জন্যে ক্ষমা প্রার্থনা করবে। নিশ্চয়ই পরম ক্ষমাশীল, অতীব দয়াবান।

সমকালীন বাংলা

হে নবী, যখন নারীরা তোমার কাছে আসে তোমার কাছে অঙ্গীকার করতে যে, তারা আল্লাহর সঙ্গে কোনো কিছুকে শরীক করবে না, চুরি করবে না, ব্যভিচার করবে না, তাদের সন্তানদের হত্যা করবে না, তাদের হাত ও পায়ের মধ্যে কোনো মিথ্যা রচনা করে আনবে না, এবং কোনো সৎকাজে তোমার অবাধ্য হবে না; তখন তাদের অঙ্গীকার গ্রহণ করো এবং তাদের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো। নিশ্চয়ই পরম ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।

Note

"তাদের হাত ও পায়ের মধ্যে" এটি একটি আরবি বাগধারা। এর অর্থ সম্পর্কে বিভিন্ন ব্যাখ্যা রয়েছে। অনেক তাফসীরে এটি এমন মিথ্যার প্রতি ইঙ্গিত হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে, যেমন অবৈধ সন্তানকে স্বামীর সন্তান বলে দাবি করা। এখানে মূল আরবির আক্ষরিক রূপ সংরক্ষণ করা হয়েছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

হে নবী! নারীগণ যখন তোমার নিকট আসিয়া বায়‘আত করে এই মর্মে যে, তাহারা ‌র সঙ্গে কোন শরীক স্থির করিবে না, চুরি করিবে না, ব্যভিচার করিবে না, নিজেদের সন্তান হত্যা করিবে না, তাহারা সজ্ঞানে কোন অপবাদ রচনা করিয়া রটাইবে না এবং সৎকার্যে তোমাকে অমান্য করিবে না তখন তাহাদের বায়‘আত গ্রহণ করিও এবং তাহাদের জন্য ‌র নিকট ক্ষমা র্প্রাথনা করিও। ‌ তো ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।

আবদুস শহীদ নাসিম

হে লোকেরা! যে কওমটির প্রতি ক্ষুব্ধ, তোমরা তাদের সাথে বন্ধুতা করোনা। তারা তো সম্পর্কে হতাশ হয়ে পড়েছে, যেমন হতাশ হয়েছে কবরের অধিবাসী কাফিররা।

সমকালীন বাংলা

হে যারা ঈমান এনেছো, তোমরা এমন এক সম্প্রদায়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ মিত্রতা করো না, যাদের উপর ক্রুদ্ধ হয়েছেন। তারা অবশ্যই পরকাল সম্পর্কে নিরাশ হয়েছে, যেমন অস্বীকারকারীরা কবরবাসীদের সম্পর্কে নিরাশ হয়েছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

হে মু’মিনগণ ! ‌ যে সম্প্রদায়ের প্রতি রুষ্ট তোমরা তাহাদের সঙ্গে বন্ধুত্ব করিও না, উহারা তো পরকাল সম্পর্কে হতাশ হইয়া পড়িয়াছে, যেমন হতাশ হইয়াছে কাফিররা কবরস্থদের বিষয়ে।

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme