You’re offline. Downloaded books and recitations still work.
আয্ যুমার (দলে দলে)
Chapter 39, 75 verses
আবদুস শহীদ নাসিম
সমকালীন বাংলা
মুহিউদ্দীন খান
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
Word by word
About this chapter
মক্কায় অবতীর্ণ, আয়াত সংখ্যা: ৭৫, রুকু সংখ্যা: ০৮
এই সূরার আলোচ্যসূচি
আয়াতআলোচ্য বিষয়
০১-২১শিরকমুক্ত ইবাদতই মুক্তির পথ। মহাবিশ্ব এবং মানুষকে আল্লাহ্ই সৃষ্টি করেছেন। তাঁর কোনো শরিক নাই। জ্ঞানী আর অজ্ঞরা সমান নয়। আল্লাহর বিশুদ্ধ আনুগত্য ও ইবাদতের নির্দেশ। যারা তাগুতকে পরিহার করে আল্লাহমুখী হয়, তারাই আল্লাহর প্রিয় দাস। তারাই সঠিক পথের অনুসারী।
২২-৩১আল্লাহ্ ইসলামের জন্য যার অন্তর উন্মুক্ত করেছেন, সেই আছে আল্লাহর দেয়া আলোর পথে। কুরআন সর্বোত্তম হাদিস (বাণী)। কুরআনই আল্লাহর পথের দিশারি। কুরআনে সব বিষয়ের উপদেশ রয়েছে। সব মানুষের মতো নবীও মরণশীল।
৩২-৪১সত্যকে প্রত্যাখ্যানকারীরা সবচেয়ে বড় যালিম। সত্য গ্রহণকারীরাই মুত্তাকি। গোটা মানব জাতির জন্যে সত্যের দিশারি আল কুরআন।
৪২-৫২মানুষের নিদ্রা আল্লাহর একটি নিদর্শন। শাফায়াত পুরোপুরি আল্লাহর হাতে। মানুষ বিপদের সময় আল্লাহকে ডাকে। আল্লাহ্ বিপদ দূর করে দিলে সে নিজের বিজ্ঞতার প্রশংসা করে। কাউকেও প্রশস্ত ও কাউকে সীমিত রিযিক দেয়া আল্লাহর একটি নিদর্শন।
৫৩-৬৩তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়োনা। আল্লাহর অবতীর্ণ কিতাবের অনুসরণ করো।
৬৪-৭০শিরকের অসারতা, কিয়ামত অনুষ্ঠিত হবে, সাক্ষীদের হাজির করা হবে, প্রত্যেককে তার আমলের বিনিময় দেয়া হবে পুরোপুরি।
৭১-৭৫কাফিরদের জাহান্নামে যাওয়ার দৃশ্য, মুত্তাকিদের জান্নাতে যাওয়ার দৃশ্য, অবশেষে ফেরেশতারা আল্লাহর তসবিহতে নিরত হবে।
আবদুস শহীদ নাসিম
এই কিতাব তোমার কাছে নাযিল হচ্ছে সত্যিকারভাবে মহাপরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়ের পক্ষ থেকে।
সমকালীন বাংলা
পরম দয়ালু, পরম ক্ষমাশীল আল্লাহর নামে; এই কিতাব অবতীর্ন পরাক্রশালী প্রজ্ঞাময় আল্লাহর নিকট হইতে ।
মুহিউদ্দীন খান
কিতাব অবতীর্ণ হয়েছে পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময় আল্লাহর পক্ষ থেকে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
এই কিতাব অবতীর্ণ পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময় র নিকট হইতে ।
একনিষ্ঠ আনুগত্য কেবল আল্লাহর জন্যে। যারা আল্লাহর পরিবর্তে অন্যদেরকে অলি হিসেবে গ্রহণ করেছে, তারা বলে: ‘আমরা তো তাদের ইবাদত করি কেবল এ জন্যে যে, তারা আমাদেরকে আল্লাহর সান্নিধ্যে পৌঁছে দেবে।’ অবশ্যি তারা যা নিয়ে মতভেদ করছে (কিয়ামতের দিন) সে বিষয়ে তাদের মাঝে ফায়সালা করে দেবেন। মিথ্যাবাদী কাফিরদের সঠিক পথ দেখান না।
সমকালীন বাংলা
জানিয়া রাখ, বিশুদ্ধ আনুগত্য আল্লাহরই প্রাপ্য। যাহারা আল্লাহর পরিবর্তে অন্যকে অভিভাবকরূপে গ্রহণ করে তাহারা বলে, ‘আমরা তো ইহাদের আনুগত্য এইজন্যই করি যে, ইহারা আমাদেরকে আল্লাহর সানিধ্যে আনিয়া দিবে।’ উহারা যে বিষয়ে নিজেদের মধ্যে মতভেদ করিতেছে তাহার ফয়সালা করিয়া দিবেন। যে মিথ্যাবাদী ও , তাহাকে সৎপথে পরিচালিত করেন না।
মুহিউদ্দীন খান
জেনে রাখুন, নিষ্ঠাপূর্ণ এবাদত আল্লাহরই নিমিত্ত। যারা ব্যতীত অপরকে উপাস্যরূপে গ্রহণ করে রেখেছে এবং বলে যে, আমরা তাদের এবাদত এ জন্যেই করি, যেন তারা আমাদেরকে আল্লাহর নিকটবর্তী করে দেয়। নিশ্চয় তাদের মধ্যে তাদের পারস্পরিক বিরোধপূর্ণ বিষয়ের ফয়সালা করে দেবেন। মিথ্যাবাদী কাফেরকে সৎপথে পরিচালিত করেন না।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
জানিয়া রাখ, অবিমিশ্র আনুগত্য রই প্রাপ্য। যাহারা র পরিবর্তে অন্যকে অভিভাবকরূপে গ্রহণ করে তাহারা বলে, ‘আমরা তো ইহাদের পূজা এইজন্যই করি যে, ইহারা আমাদেরকে র সানিধ্যে আনিয়া দিবে।’ উহারা যে বিষয়ে নিজেদের মধ্যে মতভেদ করিতেছে তাহার ফয়সালা করিয়া দিবেন। যে মিথ্যাবাদী ও , তাহাকে সৎপথে পরিচালিত করেন না।
যদি সন্তান গ্রহণ করতে চাইতেনই, তবে তাঁর সৃষ্টির মাঝে যাকে ইচ্ছা বাছাই করে নিতেন। কিন্তু সন্তান গ্রহণ থেকে তিনি সম্পূর্ণ পবিত্র ও মুক্ত। তো এক এবং মহাপরাক্রমশালী।
সমকালীন বাংলা
সন্তান গ্রহণ করিতে চাহিলে তিনি তাঁহার সৃষ্টির মধ্যে যাহাকে ইচ্ছা বাছিয়া লইতেন। তিনি পবত্রি। তিনি , এক পরাক্রমশালী।
মুহিউদ্দীন খান
যদি সন্তান গ্রহণ করার ইচ্ছা করতেন, তবে তাঁর সৃষ্টির মধ্য থেকে যা কিছু ইচ্ছা মনোনীত করতেন, তিনি পবিত্র। তিনি , এক পরাক্রমশালী।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
সন্তান গ্রহণ করিতে চাহিলে তিনি তাঁহার সৃষ্টির মধ্যে যাহাকে ইচ্ছা বাছিয়া লইতেন। পবিত্র ও মহান তিনি! তিনি , এক, প্রবল পরাক্রমশালী।
তিনি বাস্তবভাবে সৃষ্টি করেছেন মহাকাশ ও পৃথিবী। তিনি রাতকে দিয়ে দিনকে আচ্ছাদিত করেন এবং দিনকে দিয়ে আচ্ছাদিত করেন রাতকে। তিনি সূর্য এবং চাঁদকে নিয়মের অধীন করেছেন। এরা প্রত্যেকেই ভ্রমণ করে একটি নির্দিষ্টকাল পর্যন্ত। জেনে রাখো তিনি মহাক্ষমতাধর, অতীব ক্ষমাশীল।
সমকালীন বাংলা
তিনি যথাযথভাবে আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী সৃষ্টি করিয়াছেন। তিনি রাত্রি দ্বারা দিবসকে আচ্ছাদিত করেন এবং রাত্রিকে আচ্ছাদিত করেন দিবস দ্বারা। সূর্য ও চন্দ্রকে তিনি করিয়াছেন নিয়মাধীন। প্রত্যেকেই পরিক্রমন করে এক নির্দিষ্ট কাল পর্যন্ত। জানিয়া রাখ, তিনি পরাক্রমশালী, ক্ষমাশীল।
মুহিউদ্দীন খান
তিনি আসমান ও যমীন সৃষ্টি করেছেন যথাযথভাবে। তিনি রাত্রিকে দিবস দ্বারা আচ্ছাদিত করেন এবং দিবসকে রাত্রি দ্বারা আচ্ছাদিত করেন এবং তিনি সুর্য ও চন্দ্রকে কাজে নিযুক্ত করেছেন প্রত্যেকেই বিচরণ করে নির্দিষ্ট সময়কাল পর্যন্ত। জেনে রাখুন, তিনি পরাক্রমশালী, ক্ষমাশীল।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তিনি যথাযথভাবে আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী সৃষ্টি করিয়াছেন। তিনি রাত্রি দ্বারা দিবসকে আচ্ছাদিত করেন এবং রাত্রিকে আচ্ছাদিত করেন দিবস দ্বারা। সূর্য ও চন্দ্রকে তিনি করিয়াছেন নিয়মাধীন। প্রত্যেকেই পরিক্রমন করে এক নির্দিষ্ট কাল পর্যন্ত। জানিয়া রাখ, তিনি পরাক্রমশালী, ক্ষমাশীল।
তিনি তোমাদের সৃষ্টি করেছেন একজন মাত্র ব্যক্তি থেকে, তারপর তার থেকে সৃষ্টি করেছেন তার স্ত্রীকে। তিনি তোমাদের দিয়েছেন আট জোড়া (প্রজাতির) গবাদি পশু। তিনি তোমাদের সৃষ্টি করেন তোমাদের মাতৃগর্ভে তিনটি অন্ধকার স্তর পার করে। তিনিই , তোমাদের প্রভু। সমস্ত কর্তৃত্ব তাঁরই। কোনো ইলাহ্ নেই তিনি ছাড়া। সুতরাং তোমরা মুখ ফিরিয়ে চলেছো কোথায়?
সমকালীন বাংলা
তিনি তোমাদেরকে সৃষ্টি করিয়াছেন একই ব্যক্তি হইতে। অতঃপর তিনি তাহা হইতে তাহার স্ত্রী সৃষ্টি করিয়াছেন। তিনি তোমাদেরকে দিয়াছেন আট প্রকার আন‘আম তথা চতুষ্পদ জন্তু। তিনি তোমাদেরকে তোমাদের মাতৃগর্ভের তিন প্রকার অন্ধকারে পর্যায়ক্রমেসৃষ্টি করিয়াছেন। তিনিই তোমাদের প্রতিপালক; সর্বময় কর্তৃত্ব তাঁহারই; তিনি ব্যতীত কোন ইলাহ্ নাই। তবে তোমরা মুখ ফিরাইয়া কোথায় চলিয়াছ?
মুহিউদ্দীন খান
তিনি সৃষ্টি করেছেন তোমাদেরকে একই ব্যক্তি থেকে। অতঃপর তা থেকে তার যুগল সৃষ্টি করেছেন এবং তিনি তোমাদের জন্যে আট প্রকার চতুষ্পদ জন্তু অবতীর্ণ করেছেন। তিনি তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন তোমাদের মাতৃগর্ভে পর্যায়ক্রমে একের পর এক ত্রিবিধ অন্ধকারে। তিনি তোমাদের পালনকর্তা, সাম্রাজ্য তাঁরই। তিনি ব্যতীত কোন উপাস্য নেই। অতএব, তোমরা কোথায় বিভ্রান্ত হচ্ছ?
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তিনি তোমাদেরকে সৃষ্টি করিয়াছেন একই ব্যক্তি হইতে। অতঃপর তিনি তাহা হইতে তাহার স্ত্রী সৃষ্টি করিয়াছেন। তিনি তোমাদেরকে দিয়াছেন আট প্রকার আন‘আম তথা চতুষ্পদ জন্তু। তিনি তোমাদেরকে তোমাদের মাতৃগর্ভের ত্রিবিধ অন্ধকারে পর্যায়ক্রমে সৃষ্টি করিয়াছেন। তিনিই ; তোমাদের প্রতিপালক; সর্বময় কর্তৃত্ব তাঁহারই; তিনি ব্যতীত কোন ইলাহ্ নাই। তবে তোমরা মুখ ফিরাইয়া কোথায় চলিয়াছ ?
তোমরা যদি কুফুরি করো, তবে জেনে রাখো, তোমাদের মুখাপেক্ষী নন। তিনি তাঁর বান্দাদের জন্যে কুফুরি পছন্দ করেন না। তোমরা কৃতজ্ঞ হলে তিনি সেটাই পছন্দ করেন তোমাদের জন্যে। কেউই অপরের (পাপের) বোঝা বহন করবে না। অত:পর তোমাদের প্রভুর কাছেই তোমাদের ফিরে যেতে হবে। তখন তিনি তোমাদের অবহিত করবেন তোমরা কী আমল করেছিলে? মনে কী আছে সে বিষয়েও তিনি অবগত।
সমকালীন বাংলা
তোমরা অকৃতজ্ঞ হইলে তোমাদের মুখাপেক্ষী নন, তিনি তাঁহার বান্দাদের অকৃতজ্ঞতা পসন্দ করেন না। যদি তোমরা কৃতজ্ঞ হও, তিনি তোমাদের জন্য ইহাই পসন্দ করেন। একের ভার অন্যে বহন করিবে না। অতঃপর তোমাদের প্রতিপালকের নিকট তোমাদের প্রত্যাবর্তন এবং তোমরা যাহা করিতে তিনি তোমাদেরকে তাহা অবহিত করিবেন। অন্তরে যাহা আছে তিনি তাহা সম্যক অবগত।
মুহিউদ্দীন খান
যদি তোমরা অস্বীকার কর, তবে তোমাদের থেকে বেপরওয়া। তিনি তাঁর বান্দাদের হয়ে পড়া পছন্দ করেন না। পক্ষান্তরে যদি তোমরা কৃতজ্ঞ হও, তবে তিনি তোমাদের জন্যে তা পছন্দ করেন। একের পাপ ভার অন্যে বহন করবে না। অতঃপর তোমরা তোমাদের পালনকর্তার কাছে ফিরে যাবে। তিনি তোমাদেরকে তোমাদের কর্ম সম্বন্ধে অবহিত করবেন। নিশ্চয় তিনি অন্তরের বিষয় সম্পর্কেও অবগত।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তোমরা অকৃতজ্ঞ হইলে তোমাদের মুখাপেক্ষী নন, তিনি তাঁহার বান্দাদের অকৃতজ্ঞতা পসন্দ করেন না। যদি তোমরা কৃতজ্ঞ হও, তিনি তোমাদের জন্য ইহাই পসন্দ করেন। একের ভার অন্যে বহন করিবে না। অতঃপর তোমাদের প্রতিপালকের নিকট তোমাদের প্রত্যাবর্তন এবং তোমরা যাহা করিতে তিনি তোমাদেরকে তাহা অবহিত করিবেন। অন্তরে যাহা আছে তিনি তাহা সম্যক অবগত।
মানুষকে যখন দুঃখ - দুর্দশা স্পর্শ করে, তখন সে তার প্রভুকে ডাকে একনিষ্ঠ মনোভাব নিয়ে। অত:পর যখন তিনি তার প্রতি অনুগ্রহ করেন, তখন সে ভুলে যায় আগে যে সে তাঁকে একনিষ্ঠভাবে ডেকেছিল। সে আল্লাহর শরিক দাঁড় করায় যেনো সে তাকে আল্লাহর পথ থেকে বিভ্রান্ত করে। বলো: কুফুরি নিয়ে জীবনটাকে ক’টা দিন ভোগ করো। জেনে রাখো তুমি জাহান্নামী।
সমকালীন বাংলা
মানুষকে যখন দুঃখ - দৈন্য স্পর্শ করে তখন সে একনিষ্ঠভাবে তাহার প্রতিপালককে ডাকে। পরে যখন তিনি তাহার প্রতি অনুগ্রহ করেন তখন সে বিস্মৃত হইয়া যায়, তাহার পূর্বে যাহার জন্য সে ডাকিয়াছিল তাঁহাকে এবং সে সমকক্ষ দাঁড় করায়, অপরকে তাঁহার পথ হইতে বিভ্রান্ত করিবার জন্য। বল, ‘কুফরীর জীবন অবস্থায় তুমি কিছুকাল উপভোগ করিয়া নাও। বস্তুত তুমি জাহান্নামীদের অন্যতম।’
মুহিউদ্দীন খান
যখন মানুষকে দুঃখ - কষ্ট স্পর্শ করে, তখন সে একাগ্রচিত্তে তার পালনকর্তাকে ডাকে, অতঃপর তিনি যখন তাকে নেয়ামত দান করেন, তখন সে কষ্টের কথা বিস্মৃত হয়ে যায়, যার জন্যে পূর্বে ডেকেছিল এবং আল্লাহর সমকক্ষ স্থির করে; যাতে করে অপরকে আল্লাহর পথ থেকে বিভ্রান্ত করে। বলুন, তুমি তোমার কুফর সহকারে কিছুকাল জীবনোপভোগ করে নাও। নিশ্চয় তুমি জাহান্নামীদের অন্তর্ভূক্ত।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
মানুষকে যখন দুঃখ - দৈন্য স্পর্শ করে তখন সে একনিষ্ঠভাবে তাহার প্রতিপালককে ডাকে। পরে যখন তিনি তাহার প্রতি অনুগ্রহ করেন তখন সে বিস্মৃত হইয়া যায়, তাহার পূর্বে যাহার জন্য সে ডাকিয়াছিল তাঁহাকে এবং সে র সমকক্ষ দাঁড় করায়, অপরকে তাঁহার পথ হইতে বিভ্রান্ত করিবার জন্য। বল, ‘কুফরীর জীবন অবস্থায় তুমি কিছুকাল উপভোগ করিয়া নাও। বস্তুত তুমি জাহান্নামীদের অন্যতম।’
যে ব্যক্তি রাতের বিভিন্ন অংশে সাজদা করে এবং দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে তার প্রভুর প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করে, আখিরাতকে ভয় করে এবং তার প্রভুর রহমত প্রত্যাশা করে, সে কি ঐ ব্যক্তির সমতুল্য যে এসব করেনা? বলো: জ্ঞানীরা আর অজ্ঞরা কি সমান? উপদেশ গ্রহণ করে তো বুদ্ধিমান লোকেরাই।
সমকালীন বাংলা
যে ব্যক্তি রাত্রির বিভিন্ন যামে সিজ্দাবনত হইয়া ও দাঁড়াইয়া আনুগত্য প্রকাশ করে, আখিরাতকে ভয় করে এবং তাঁহার প্রতিপালকের অনুগ্রহ প্রত্যাশা করে, সে কি তাহার সমান, যে তাহা করে না? বল, ‘যাহারা জানে এবং যাহারা জানে না, তাহারা কি সমান?’ বোধশক্তিসম্পন্ন লোকেরাই কেবল উপদেশ গ্রহণ করে।
মুহিউদ্দীন খান
যে ব্যক্তি রাত্রিকালে সেজদার মাধ্যমে অথবা দাঁড়িয়ে এবাদত করে, পরকালের আশংকা রাখে এবং তার পালনকর্তার রহমত প্রত্যাশা করে, সে কি তার সমান, যে এরূপ করে না; বলুন, যারা জানে এবং যারা জানে না; তারা কি সমান হতে পারে? চিন্তা - ভাবনা কেবল তারাই করে, যারা বুদ্ধিমান।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যে ব্যক্তি রাত্রির বিভিন্ন যামে সিজ্দাবনত হইয়া ও দাঁড়াইয়া আনুগত্য প্রকাশ করে, আখিরাতকে ভয় করে এবং তাঁহার প্রতিপালকের অনুগ্রহ প্রত্যাশা করে, সে কি তাহার সমান, যে তাহা করে না ? বল, ‘যাহারা জানে এবং যাহারা জানে না, তাহারা কি সমান ?’ বোধশক্তিসম্পন্ন লোকেরাই কেবল উপদেশ গ্রহণ করে।
(হে নবী! আমার পক্ষ থেকে) বলে দাও: ‘হে আমার দাসেরা, যারা ঈমান এনেছো, তোমাদের প্রভুকে ভয় করো। যারা এই দুনিয়ায় কল্যাণের কাজ করে, তাদের জন্যে রয়েছে কল্যাণ। আল্লাহর জমিন তো প্রশস্ত। ধৈর্যশীলদেরকে তাদের প্রতিদান দেয়া হবে অফুরন্ত।’
সমকালীন বাংলা
বল, ‘হে আমার বান্দাগণ! তোমরা তোমাদের প্রতিপালককে ভয় কর। যাহারা এই দুনিয়াতে কল্যাণকর কাজ করে তাহাদের জন্য আছে কল্যাণ। আর যমীন প্রশস্ত, ধৈর্যশীল - দেরকে তো অপরিমিত পুরস্কার দেওয়া হইবে।’
মুহিউদ্দীন খান
বলুন, হে আমার বান্দাগণ! তোমরা তোমাদের পালনকর্তাকে ভয় কর। যারা এ দুনিয়াতে সৎকাজ করে, তাদের জন্যে রয়েছে পুণ্য। আল্লাহর পৃথিবী প্রশস্ত। যারা সবরকারী, তারাই তাদের পুরস্কার পায় অগণিত।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
বল, ‘হে আমার বান্দাগণ! তোমরা তোমাদের প্রতিপালককে ভয় কর। যাহারা এই দুনিয়াতে কল্যাণকর কাজ করে তাহাদের জন্য আছে কল্যাণ। আর র যমীন প্রশস্ত, ধৈর্যশীল - দেরকে তো অপরিমিত পুরস্কার দেওয়া হইবে।’
বলো: ‘আমি কেবল আল্লাহরই ইবাদত করি তাঁর প্রতি আমার আনুগত্যকে একনিষ্ঠ করে।’
সমকালীন বাংলা
বল, আমি ইবাদত করি আল্লাহরই তাঁহার প্রতি আমার আনুগত্যকে একনিষ্ঠ রাখিয়া।
মুহিউদ্দীন খান
বলুন, আমি নিষ্ঠার সাথে তা’আলারই এবাদত করি।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
বল, ‘আমি ‘ইবাদত করি রই তাঁহার প্রতি আমার আনুগত্যকে একনিষ্ঠ রাখিয়া।
Word by word
قُلِ ٱللَّهَ أَعْبُدُ مُخْلِصًا لَّهُۥ دِينِى
আবদুস শহীদ নাসিম
তোমরা আল্লাহর পরিবর্তে যাদের ইচ্ছা ইবাদত করো। বলো: ‘প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত লোক তারাই, যারা কিয়ামতের দিন ক্ষতিগ্রস্ত করবে নিজেদেরকে এবং নিজেদের পরিবার পরিজনকে। সাবধান, সেটাই সুস্পষ্ট ক্ষতি।’
সমকালীন বাংলা
‘আর তোমরা পরিবর্তে যাহার ইচ্ছা তাহার ‘ইবাদত কর।’ বল, ‘ক্ষতিগ্রস্ত তাহারাই যাহারা কিয়ামতের দিন নিজেদের ও নিজেদের পরিজনবর্গের ক্ষতিসাধন করে। জানিয়া রাখ, ইহাই সুস্পষ্ট ক্ষতি।’
মুহিউদ্দীন খান
অতএব, তোমরা আল্লাহর পরিবর্তে যার ইচ্ছা তার এবাদত কর। বলুন, কেয়ামতের দিন তারাই বেশী ক্ষতিগ্রস্ত হবে, যারা নিজেদের ও পরিবারবর্গের তরফ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। জেনে রাখ, এটাই সুস্পষ্ট ক্ষতি।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
‘আর তোমরা র পরিবর্তে যাহার ইচ্ছা তাহার ‘ইবাদত কর।’ বল, ‘ক্ষতিগ্রস্ত তাহারাই যাহারা কিয়ামতের দিন নিজেদের ও নিজেদের পরিজনবর্গের ক্ষতিসাধন করে। জানিয়া রাখ, ইহাই সুস্পষ্ট ক্ষতি।’
তাদের জন্যে থাকবে তাদের উপরে আগুনের আচ্ছাদন এবং নিচেও আগুনের বিছানা। এর মাধ্যমে তার বান্দাদের সতর্ক করেন। হে আমার দাসেরা! তোমরা সতর্ক হও, আমাকে ভয় করো।
সমকালীন বাংলা
তাহাদের জন্য থাকিবে তাহাদের ঊর্ধ্বদিকে অগ্নির আচ্ছাদন এবং নিম্নদিকেও আচ্ছাদন। এতদ্দারা তাঁহার বান্দাদেরকে সতর্ক করেন। হে আমার বান্দাগণ! তোমরা আমাকে ভয় কর।
মুহিউদ্দীন খান
তাদের জন্যে উপর দিক থেকে এবং নীচের দিক থেকে আগুনের মেঘমালা থাকবে। এ শাস্তি দ্বারা তাঁর বান্দাদেরকে সতর্ক করেন যে, হে আমার বান্দাগণ, আমাকে ভয় কর।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তাহাদের জন্য থাকিবে তাহাদের ঊর্ধ্বদিকে অগ্নির আচ্ছাদন এবং নিম্নদিকেও আচ্ছাদন। এতদ্দ্বারা তাঁহার বান্দাদেরকে সতর্ক করেন। হে আমার বান্দাগণ! তোমরা আমাকে ভয় কর।
তবে যারা তাদের প্রভুকে ভয় করে, তাদের জন্যে রয়েছে প্রাসাদ, তার উপরে আরো প্রাসাদ, তার নিচে দিয়ে রয়েছে বহমান নদ নদী নহর। এটা আল্লাহর ওয়াদা। তাঁর ওয়াদার বরখেলাফ করেন না।
সমকালীন বাংলা
তবে যাহারা তাহাদের প্রতিপালককে ভয় করে, তাহাদের জন্য আছে বহু প্রাসাদ যাহার উপর নির্মিত আরও প্রাসাদ, যাহার পাদদেশে নদী প্রবাহিত; ইহা আল্লাহর ওয়াদা, ওয়াদা খেলাফ করেন না।
মুহিউদ্দীন খান
কিন্তু যারা তাদের পালনকর্তাকে ভয় করে, তাদের জন্যে নির্মিত রয়েছে প্রাসাদের উপর প্রাসাদ। এগুলোর তলদেশে নদী প্রবাহিত। প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। প্রতিশ্রুতির খেলাফ করেন না।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তবে যাহারা তাহাদের প্রতিপালককে ভয় করে, তাহাদের জন্য আছে বহু প্রাসাদ যাহার উপর নির্মিত আরও প্রাসাদ, যাহার পাদদেশে নদী প্রবাহিত; ইহা র ওয়াদা, ওয়াদা খেলাফ করেন না।
তুমি কি দেখোনা, নাযিল করেন আসমান থেকে পানি, তারপর তিনি তা নির্ঝরের মতো প্রবাহিত করেন জমিনে। তা থেকে উৎপন্ন করেন শস্য নানা বর্ণের, তারপর তা শুকিয়ে যায়। ফলে তুমি তা দেখতে পাও হলুদ বর্ণ হয়ে গেছে। অবশেষে তিনি তা খড়কুটায় পরিণত করেন। এতে অবশ্যি রয়েছে উপদেশ বুঝবুদ্ধি সম্পন্ন লোকদের জন্যে।
সমকালীন বাংলা
তুমি কি দেখ না, আকাশ হইতে বারি বর্ষণ করেন, অতঃপর উহা ভূমিতে নির্ঝররূপে প্রবাহিত করেন এবং তদ্দারা বিবিধ বর্ণের ফসল উৎপন্ন করেন, অতঃপর ইহা শুকাইয়া যায়? ফলে তোমরা ইহা পীতবর্ণ দেখিতে পাও, অবশেষে তিনি উহা খড় - কুটায় পরিণত করেন। ইহাতে অবশ্যই উপদেশ রহিয়াছে বোধশক্তিসম্পন্নদের জন্য।
মুহিউদ্দীন খান
তুমি কি দেখনি যে, আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করেছেন, অতঃপর সে পানি যমীনের ঝর্ণাসমূহে প্রবাহিত করেছেন, এরপর তদ্দ্বারা বিভিন্ন রঙের ফসল উৎপন্ন করেন, অতঃপর তা শুকিয়ে যায়, ফলে তোমরা তা পীতবর্ণ দেখতে পাও। এরপর তাকে খড় - কুটায় পরিণত করে দেন। নিশ্চয় এতে বুদ্ধিমানদের জন্যে উপদেশ রয়েছে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তুমি কি দেখ না, আকাশ হইতে বারি বর্ষণ করেন, অতঃপর উহা ভূমিতে নির্ঝররূপে প্রবাহিত করেন এবং তদ্দ্বারা বিবিধ বর্ণের ফসল উৎপন্ন করেন, অতঃপর ইহা শুকাইয়া যায় ? ফলে তোমরা ইহা পীতবর্ণ দেখিতে পাও, অবশেষে তিনি উহা খড় - কুটায় পরিণত করেন। ইহাতে অবশ্যই উপদেশ রহিয়াছে বোধশক্তিসম্পন্নদের জন্য।
যার বক্ষ খুলে দেন ইসলামের জন্যে এবং যে রয়েছে তার প্রভুর প্রদত্ত আলোতে, সে কি ঐ ব্যক্তির সমতুল্য যার অবস্থা এ রকম নয়? ধ্বংস সেইসব কঠোর হৃদয় লোকদের জন্যে যারা আল্লাহর স্মরণ থেকে বিমুখ। এরা রয়েছে সুস্পষ্ট বিপথগামিতায়।
সমকালীন বাংলা
ইসলামের জন্য যাহার বক্ষ উন্মুক্ত করিয়া দিয়াছেন এবং যে তাহার প্রতিপালক - প্রদত্ত আলোতে রহিয়াছে, সে কি তাহার সমান যে এরূপ নয়? দুর্ভোগ সেই কঠোরহৃদয় ব্যক্তিদের জন্য যাহারা আল্লাহর স্মরণে পরাঙ্মুখ! উহারা স্পষ্ট বিভ্রান্তিতে আছে।
মুহিউদ্দীন খান
যার বক্ষ ইসলামের জন্যে উম্মুক্ত করে দিয়েছেন, অতঃপর সে তার পালনকর্তার পক্ষ থেকে আগত আলোর মাঝে রয়েছে। (সে কি তার সমান, যে এরূপ নয়) যাদের অন্তর স্মরণের ব্যাপারে কঠোর, তাদের জন্যে দূর্ভোগ। তারা সুস্পষ্ঠ গোমরাহীতে রয়েছে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
ইসলামের জন্য যাহার বক্ষ উন্মুক্ত করিয়া দিয়াছেন এবং যে তাহার প্রতিপালক - প্রদত্ত আলোতে রহিয়াছে, সে কি তাহার সমান যে এরূপ নয় ? দুর্ভোগ সেই কঠোরহৃদয় ব্যক্তিদের জন্য যাহারা র স্মরণে পরাঙ্মুখ! উহারা স্পষ্ট বিভ্রান্তিতে আছে।
নাযিল করেছেন সর্বোত্তম বাণী সম্বলিত কিতাব, যা সুসামঞ্জস্যপূর্ণ এবং যা বার বার পাঠ করা হয়। যারা তাদের প্রভুকে ভয় করে, এর (পাঠে এবং শ্রবনে) তাদের চর্ম রোমাঞ্চিত হয়ে উঠে, তারপর তাদের দেহমন কোমল হয়ে আল্লাহর স্মরণে ঝুঁকে পড়ে। এটাই আল্লাহর হুদা (জ্ঞান ও জীবন পদ্ধতি), তিনি যাকে ইচ্ছা এর দ্বারা পথ দেখান। যাকে বিপথগামী করে দেন, তার কোনো পথ প্রদর্শক নেই।
সমকালীন বাংলা
অবতীর্ণ করিয়াছেন উত্তম বাণী সম্বলিত কিতাব যাহা প্রতিশ্রুতি এবং যাহা পুনঃ পুনঃ আবৃত্তি করা হয়। ইহাতে, যাহারা তাহাদের প্রতিপালককে ভয় করে, তাহাদের গাত্র রোমাঞ্চিত হয়, অতঃপর তাহাদের দেহমন বিনম্র হইয়া আল্লাহর স্মরণে ঝুঁকিয়া পড়ে। ইহাই পথনির্দেশ, তিনি উহা দ্বারা যাহাকে ইচ্ছা পথ প্রদর্শন করেন। যাহাকে বিভ্রান্ত করেন তাহার কোন পথপ্রদর্শক নাই।
মুহিউদ্দীন খান
উত্তম বাণী তথা কিতাব নাযিল করেছেন, যা সামঞ্জস্যপূর্ণ, পূনঃ পূনঃ পঠিত। এতে তাদের লোম কাঁটা দিয়ে উঠে চামড়ার উপর, যারা তাদের পালনকর্তাকে ভয় করে, এরপর তাদের চামড়া ও অন্তর আল্লাহর স্মরণে বিনম্র হয়। এটাই আল্লাহর পথ নির্দেশ, এর মাধ্যমে যাকে ইচ্ছা পথ প্রদর্শন করেন। আর যাকে গোমরাহ করেন, তার কোন পথপ্রদর্শক নেই।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
অবতীর্ণ করিয়াছেন উত্তম বাণী সম্বলিত কিতাব যাহা সুসমঞ্জস এবং যাহা পুনঃ পুনঃ আবৃত্তি করা হয়। ইহাতে, যাহারা তাহাদের প্রতিপালককে ভয় করে, তাহাদের গাত্র রোমাঞ্চিত হয়, অতঃপর তাহাদের দেহমন বিনম্র হইয়া র স্মরণে ঝুঁকিয়া পড়ে। ইহাই র পথনির্দেশ, তিনি উহা দ্বারা যাহাকে ইচ্ছা পথ প্রদর্শন করেন। যাহাকে বিভ্রান্ত করেন তাহার কোন পথপ্রদর্শক নাই।
যে ব্যক্তি কিয়ামতের দিন তার মুখমন্ডল দিয়ে কঠিন আযাব ঠেকাতে চাইবে, সে কি তার সমতুল্য, যে এ থেকে নিরাপদ? যালিমদের বলা হবে: তোমাদের উপার্জনের স্বাদ গ্রহণ করো।
সমকালীন বাংলা
যে ব্যক্তি কিয়ামতের দিন তাহার মুখমণ্ডল দ্বারা কঠিন শাস্তি ঠেকাইতে চাইবে, সে কি তাহার মত যে নিরাপদ? জালিমদেরকে বলা হইবে, ‘তোমরা যাহা অর্জন করিতে তাহার শাস্তি আস্বাদন কর।’
মুহিউদ্দীন খান
যে ব্যক্তি কেয়ামতের দিন তার মুখ দ্বারা অশুভ আযাব ঠেকাবে এবং এরূপ জালেমদেরকে বলা হবে, তোমরা যা করতে তার স্বাদ আস্বাদন কর, - সে কি তার সমান, যে এরূপ নয়?
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যে ব্যক্তি কিয়ামতের দিন তাহার মুখমণ্ডল দ্বারা কঠিন শাস্তি ঠেকাইতে চাইবে, সে কি তাহার মত যে নিরাপদ? জালিমদেরকে বলা হইবে, ‘তোমরা যাহা অর্জন করিতে তাহার শাস্তি আস্বাদন কর।’
একটি দৃষ্টান্ত দিচ্ছেন: এক ব্যক্তির প্রভু অনেক, তারা পরস্পর বিরোধী মনোভাবের। আরেক ব্যক্তির প্রভু শুধুমাত্র একজন। এই দুইজনের অবস্থা কি সমান। সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর, কিন্তু তাদের অধিকাংশই তা জানেনা।
সমকালীন বাংলা
একটি দৃষ্টান্ত পেশ করিতেছেন : এক ব্যক্তির প্রভু অনেক, যাহারা পরস্পর বিরুদ্ধভাবাপন্ন এবং আর এক ব্যক্তির প্রভু কেবল একজন; এই দুইজনের অবস্থা কি সমান? সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর। কিন্তু তাদরে অধকিাংশই জানে না।
মুহিউদ্দীন খান
এক দৃষ্টান্ত বর্ণনা করেছেনঃ একটি লোকের উপর পরস্পর বিরোধী কয়জন মালিক রয়েছে, আরেক ব্যক্তির প্রভু মাত্র একজন - তাদের উভয়ের অবস্থা কি সমান? সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর। কিন্তু তাদের অধিকাংশই জানে না।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
একটি দৃষ্টান্ত পেশ করিতেছেন : এক ব্যক্তির প্রভু অনেক, যাহারা পরস্পর বিরুদ্ধভাবাপন্ন এবং আর এক ব্যক্তির প্রভু কেবল একজন; এই দুইজনের অবস্থা কি সমান ? প্রশংসা রই প্রাপ্য ; কিন্তু উহাদের অধিকাংশই ইহা জানে না।
ঐ ব্যক্তির চাইতে বড় যালিম আর কে, যে আল্লাহর প্রতি মিথ্যারোপ করে এবং সত্য আসার পর সত্যকে প্রত্যাখ্যান করে। কাফিরদের আবাসস্থল কি জাহান্নাম নয়?
সমকালীন বাংলা
যে ব্যক্তি সম্বন্ধে মিথ্যা বলে এবং সত্য আসিবার পর উহা অস্বীকার করে তাহার অপেক্ষা অধিক আর কে? কাফিরদের আবাসস্থল কি জাহান্নাম নয়?
মুহিউদ্দীন খান
যে ব্যক্তি আল্লাহর বিরুদ্ধে মিথ্যা বলে এবং তার কাছে সত্য আগমন করার পর তাকে মিথ্যা সাব্যস্ত করে, তার চেয়ে অধিক যালেম আর কে হবে? কাফেরদের বাসস্থান জাহান্নামে নয় কি?
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যে ব্যক্তি সম্বন্ধে মিথ্যা বলে এবং সত্য আসিবার পর উহা অস্বীকার করে তাহার অপেক্ষা অধিক আর কে? কাফিরদের আবাসস্থল কি জাহান্নাম নয়?
তুমি যদি তাদের জিজ্ঞেস করো: ‘কে সৃষ্টি করেছেন মহাকাশ এবং পৃথিবী?’ তারা অবশ্যি বলবে: ‘’। বলো: ‘তোমরা কি ভেবে দেখেছো, তোমরা আল্লাহর পরিবর্তে যাদের ডাকো, আমার কোনো অনিষ্ট করতে চাইলে, তারা কি আমার সেই অনিষ্ট দূর করে দিতে পারবে? অথবা তিনি যদি আমার প্রতি কোনো অনুগ্রহ করতে চান, তারা কি সেই অনুগ্রহ প্রতিরোধ করতে পারবে?’ বলো: ‘আল্লাহ্ই আমার জন্যে যথেষ্ট, তাওয়াক্কুলকারীরা তাঁর উপরই তাওয়াক্কুল করে।’
সমকালীন বাংলা
তুমি যদি ইহাদেরকে জিজ্ঞাসা কর, আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী কে সৃষ্টি করিয়াছেন? উহারা অবশ্যই বলিবে, বল, ‘তোমরা ভাবিয়া দেখিয়াছ কি, আমার অনিষ্ট চাহিলে তোমরা পরিবর্তে যাহাদেরকে ডাক তাহারা কি সেই অনিষ্ট দূর করিতে পারিবে? অথবা তিনি আমার প্রতি অনুগ্রহ করিতে চাহিলে তাহারা কি সেই অনুগ্রহকে রোধ করিতে পারবে?, বলুন, আমার পক্ষে আল্লাহই যথষ্টে। নির্ভরকারীগণ আল্লাহরই উপর নির্ভর করে।
মুহিউদ্দীন খান
যদি আপনি তাদেরকে জিজ্ঞেস করেন, আসমান ও যমীন কে সৃষ্টি করেছে? তারা অবশ্যই বলবে - । বলুন, তোমরা ভেবে দেখেছ কি, যদি আমার অনিষ্ট করার ইচ্ছা করেন, তবে তোমরা ব্যতীত যাদেরকে ডাক, তারা কি সে অনিষ্ট দূর করতে পারবে? অথবা তিনি আমার প্রতি রহমত করার ইচ্ছা করলে তারা কি সে রহমত রোধ করতে পারবে? বলুন, আমার পক্ষে আল্লাহই যথেষ্ট। নির্ভরকারীরা তাঁরই উপর নির্ভর করে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তুমি যদি ইহাদেরকে জিজ্ঞাসা কর, আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী কে সৃষ্টি করিয়াছেন? উহারা অবশ্যই বলিবে, ‘।’ বল, ‘তোমরা ভাবিয়া দেখিয়াছ কি, আমার অনিষ্ট চাহিলে তোমরা র পরিবর্তে যাহাদেরকে ডাক তাহারা কি সেই অনিষ্ট দূর করিতে পারিবে ? অথবা তিনি আমার প্রতি অনুগ্রহ করিতে চাহিলে তাহারা কি সেই অনুগ্রহকে রোধ করিতে পারিবে ?’ বল, ‘আমার পক্ষে ই যথষ্টে।’ নির্ভরকারীগণ রই উপর নির্ভর করে।
আমরা মানবজাতির জন্যে বাস্তবতার ভিত্তিতে তোমার প্রতি নাযিল করেছি আল কিতাব (আল কুরআন), এখন যে কেউ সঠিক পথ গ্রহণ করবে, তাতে তারই কল্যাণ হবে, আর যে কেউ বিপথগামী হবে, সে ডেকে আনবে নিজেরই ধ্বংস। তুমি তাদের উকিল নও।
সমকালীন বাংলা
আমি তোমার প্রতি সত্যসহ কিতাব অবতীর্ণ করিয়াছি মানুষের জন্য; অতঃপর যে সৎপথ অবলম্বন করে সে তাহা করে নিজেরই কল্যাণের জন্য এবং যে বিপথগামী হয় সে তো বিপথগামী হয় নিজেরই ধ্বংসের জন্য এবং তুমি উহাদের তত্বাবধায়ক নও।
মুহিউদ্দীন খান
আমি আপনার প্রতি সত্য ধর্মসহ কিতাব নাযিল করেছি মানুষের কল্যাণকল্পে। অতঃপর যে সৎপথে আসে, সে নিজের কল্যাণের জন্যেই আসে, আর যে পথভ্রষ্ট হয়, সে নিজেরই অনিষ্টের জন্যে পথভ্রষ্ট হয়। আপনি তাদের জন্যে দায়ী নন।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আমি তোমার প্রতি সত্যসহ কিতাব অবতীর্ণ করিয়াছি মানুষের জন্য; অতঃপর যে সৎপথ অবলম্বন করে সে তাহা করে নিজেরই কল্যাণের জন্য এবং যে বিপথগামী হয় সে তো বিপথগামী হয় নিজেরই ধ্বংসের জন্য এবং তুমি উহাদের তত্বাবধায়ক নও।
সমস্ত প্রাণীর ওফাত ঘটান তাদের মৃত্যুর সময় এবং যাদের মৃত্যু এখনো আসেনি তাদের প্রাণও নিদ্রার সময়। তারপর তিনি যার জন্যে মৃত্যুর সিদ্ধান্ত করেন, তার প্রাণ তিনি ধরে রাখেন আর অন্যদের প্রাণ ফেরত দেন একটা নির্দিষ্ট সময়ের জন্যে। এতে রয়েছে নিদর্শন, চিন্তাশীল লোকদের জন্যে।
সমকালীন বাংলা
প্রাণ হরণ করেন জীবসমূহের তাহাদের মৃত্যুর সময় এবং যাহাদের মৃত্যু আসে নাই তাহাদের প্রাণও নিদ্রার সময়। অতঃপর তিনি যাহার জন্য মৃত্যুর সিদ্ধান্ত করেন তাহার প্রাণ তিনি রাখিয়া দেন এবং অপরগুলি ফিরাইয়া দেন, এক নির্দিষ্ট সময়ের জন্য। ইহাতে অবশ্যই নিদর্শন রহিয়াছে চিন্তাশীল সম্প্রদায়ের জন্য।
মুহিউদ্দীন খান
মানুষের প্রাণ হরণ করেন তার মৃত্যুর সময়, আর যে মরে না, তার নিদ্রাকালে। অতঃপর যার মৃত্যু অবধারিত করেন, তার প্রাণ ছাড়েন না এবং অন্যান্যদের ছেড়ে দেন এক নির্দিষ্ট সময়ের জন্যে। নিশ্চয় এতে চিন্তাশীল লোকদের জন্যে নিদর্শনাবলী রয়েছে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
ই প্রাণ হরণ করেন জীবসমূহের তাহাদের মৃত্যুর সময় এবং যাহাদের মৃত্যু আসে নাই তাহাদের প্রাণও নিদ্রার সময়। অতঃপর তিনি যাহার জন্য মৃত্যুর সিদ্ধান্ত করেন তাহার প্রাণ তিনি রাখিয়া দেন এবং অপরগুলি ফিরাইয়া দেন, এক নির্দিষ্ট সময়ের জন্য। ইহাতে অবশ্যই নিদর্শন রহিয়াছে চিন্তাশীল সম্প্রদায়ের জন্য।
শুধু এক এবং একমাত্র আল্লাহর কথা বলা হলে আখিরাতে অবিশ্বাসীদের অন্তর বিরাগ বিতৃষ্ণায় সংকুচিত হয়ে যায়। আল্লাহর পরিবর্তে দেবতাগুলোকে উল্লেখ করা হলে তারা আনন্দে উৎফুল্ল হয়ে উঠে।
সমকালীন বাংলা
শুধু এক কথা বলা হইলে যাহারা আখিরাতে বিশ্বাস করে না তাহাদের অন্তর বিতৃষ্ণায় সংকুচিত হয় এবং পরিবর্তে উপাস্যগুলির নাম করা হইলে তাহারা আনন্দে উল্লাসিত হয়।
মুহিউদ্দীন খান
যখন খাঁটিভাবে আল্লাহর নাম উচ্চারণ করা হয়, তখন যারা পরকালে বিশ্বাস করে না, তাদের অন্তর সংকুচিত হয়ে যায়, আর যখন ব্যতীত অন্য উপাস্যদের নাম উচ্চারণ করা হয়, তখন তারা আনন্দে উল্লসিত হয়ে উঠে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
শুধু এক র কথা বলা হইলে যাহারা আখিরাতে বিশ্বাস করে না তাহাদের অন্তর বিতৃষ্ণায় সংকুচিত হয় এবং র পরিবর্তে উপাস্যগুলির উল্লেখ করা হইলে তাহারা আনন্দে উল্লসিত হয়।
যারা যুলুম করে, পৃথিবীতে যা কিছু আছে সেগুলো এবং আরো সমপরিমাণ সম্পদও যদি তাদের থাকে, তবে কিয়ামতের দিন কঠিন আযাব থেকে বাঁচার জন্যে মুক্তিপণ হিসেবে তারা সবই দিয়ে দেবে। আর তাদের জন্যে আল্লাহর নিকট থেকে এমন কিছু প্রকাশ হবে যা তারা কল্পনাও করতে পারেনি।
সমকালীন বাংলা
যাহারা জুলুম করিয়াছে যদি তাহাদের থাকে, দুনিয়ায় যাহা আছে তাহা সম্পূর্ণ এবং ইহার সমপরিমাণ সম্পদও, তবে কিয়ামতের দিন কঠিন শাস্তি হইতে মুক্তিপণস্বরূপ সেই সকলই তাহারা দিয়া দিবে এবং তাহাদের জন্য নিকট হইতে এমন কিছু প্রকাশিত হইবে যাহা উহারা কল্পনাও করে নাই।
মুহিউদ্দীন খান
যদি গোনাহগারদের কাছে পৃথিবীর সবকিছু থাকে এবং তার সাথে সমপরিমাণ আরও থাকে, তবে অবশ্যই তারা কেয়ামতের দিন সে সবকিছুই নিস্কৃতি পাওয়ার জন্যে মুক্তিপন হিসেবে দিয়ে দেবে। অথচ তারা দেখতে পাবে, আল্লাহর পক্ষ থেকে এমন শাস্তি, যা তারা কল্পনাও করত না।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যাহারা জুলুম করিয়াছে যদি তাহাদের থাকে, দুনিয়ায় যাহা আছে তাহা সম্পূর্ণ এবং ইহার সমপরিমাণ সম্পদও, তবে কিয়ামতের দিন কঠিন শাস্তি হইতে মুক্তিপণস্বরূপ সেই সকলই তাহারা দিয়া দিবে এবং তাহাদের জন্য র নিকট হইতে এমন কিছু প্রকাশিত হইবে যাহা উহারা কল্পনাও করে নাই।
মানুষকে যখন দুঃখ - দুর্দশা স্পর্শ করে, তখন তারা আমাদেরকে ডাকে, কিন্তু যখনই তাদেরকে আমরা কোনো নিয়ামত দিয়ে অনুগ্রহ করি, তখন সে বলে: ‘আমি তো এটা লাভ করেছি আমার বিশেষ জ্ঞানের কারণে।’ বরং এটা একটা পরীক্ষা, কিন্তু অধিকাংশ লোকই তা জানেনা।
সমকালীন বাংলা
মানুষকে বিপদ - আপদ স্পর্শ করিলে সে আমাকে আহ্বান করে; অতঃপর যখন আমি আমার কোন নিয়ামত দ্বারা তাহাকে অনুগৃহীত করি তখন সে বলে, ‘আমাকে তো ইহা দেওয়া হইয়াছে আমার জ্ঞানের কারণে।’ বস্তুত ইহা এক পরীক্ষা, কিন্তু উহাদের অধিকাংশই বুঝে না।
মুহিউদ্দীন খান
মানুষকে যখন দুঃখ - কষ্ট স্পর্শ করে, তখন সে আমাকে ডাকতে শুরু করে, এরপর আমি যখন তাকে আমার পক্ষ থেকে নেয়ামত দান করি, তখন সে বলে, এটা তো আমি পূর্বের মতেই প্রাপ্ত হয়েছি। অথচ এটা এক পরীক্ষা, কিন্তু তাদের অধিকাংশই বোঝে না।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
মানুষকে বিপদ - আপদ স্পর্শ করিলে সে আমাকে আহ্বান করে; অতঃপর যখন আমি আমার কোন নিয়ামত দ্বারা তাহাকে অনুগৃহীত করি তখন সে বলে, ‘আমাকে তো ইহা দেওয়া হইয়াছে আমার জ্ঞানের কারণে।’ বস্তুত ইহা এক পরীক্ষা, কিন্তু উহাদের অধিকাংশই বুঝে না।
তাদের উপর আপতিত হয়েছিল তাদের সমস্ত মন্দ অর্জন আর মন্দ কৃতকর্ম। (এখনকার) এদের মধ্যেও যারা যুলুম করে তাদের উপরও তাদের মন্দ কৃতকর্মের ফল আপতিত হবে, এবং তারা তা ঠেকাতে পারবে না।
সমকালীন বাংলা
উহাদের কৃতকর্মের মন্দ ফল উহাদের উপর আপতিত হইয়াছে, উহাদের মধ্যে যাহারা জুলুম করে উহাদের উপরও উহাদের কৃতকর্মের মন্দ ফল আপতিত হইবে এবং উহারা ব্যর্থও করিতে পারিবে না।
মুহিউদ্দীন খান
তাদের দুস্কর্ম তাদেরকে বিপদে ফেলেছে, এদের মধ্যেও যারা পাপী, তাদেরকেও অতি সত্ত্বর তাদের দুস্কর্ম বিপদে ফেলবে। তারা তা প্রতিহত করতে সক্ষম হবে না।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
উহাদের কৃতকর্মের মন্দ ফল উহাদের উপর আপতিত হইয়াছে, উহাদের মধ্যে যাহারা জুলুম করে উহাদের উপরও উহাদের কৃতকর্মের মন্দ ফল আপতিত হইবে এবং উহারা ব্যর্থও করিতে পারিবে না।
(হে নবী! লোকদেরকে আমার একথা) বলে দাও: ‘‘হে আমার দাসেরা! যারা নিজেদের প্রতি যুলুম - অবিচার করেছো, আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়োনা, সমস্ত পাপই ক্ষমা করে দেবেন, কারণ তিনি তো পরম ক্ষমাশীল, অতীব দয়াবান।
সমকালীন বাংলা
বল, ‘হে আমার বান্দাগণ! তোমরা যাহারা নিজেদের প্রতি অবিচার করিয়াছ অনুগ্রহ হইতে নিরাশ হইও না; সমুদয় পাপ ক্ষমা করিয়া দিবেন। তিনি তো ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।’
মুহিউদ্দীন খান
বলুন, হে আমার বান্দাগণ যারা নিজেদের উপর যুলুম করেছ তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। নিশ্চয় সমস্ত গোনাহ মাফ করেন। তিনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
বল, ‘হে আমার বান্দাগণ! তোমরা যাহারা নিজেদের প্রতি অবিচার করিয়াছ র অনুগ্রহ হইতে নিরাশ হইও না; সমুদয় পাপ ক্ষমা করিয়া দিবেন। তিনি তো ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।’
(ক্ষমা লাভের উপায় হলো) তোমরা তোমাদের প্রভুর অভিমুখী হও এবং তাঁর কাছে আত্মসমর্পণ করো তোমাদের উপর আযাব এসে যাবার আগেই, তখন কিন্তু তোমাদের আর সাহায্য করা হবেনা।
সমকালীন বাংলা
তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের অভিমুখী হও এবং তাঁহার নিকট আত্মসর্মপণ কর তোমাদের নিকট শাস্তি আসিবার পূর্বে; তৎপর তোমাদেরকে সাহায্য করা হইবে না।
মুহিউদ্দীন খান
তোমরা তোমাদের পালনকর্তার অভিমূখী হও এবং তাঁর আজ্ঞাবহ হও তোমাদের কাছে আযাব আসার পূর্বে। এরপর তোমরা সাহায্যপ্রাপ্ত হবে না;
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের অভিমুখী হও এবং তাঁহার নিকট আত্মসর্মপণ কর তোমাদের নিকট শাস্তি আসিবার পূর্বে; তৎপর তোমাদেরকে সাহায্য করা হইবে না।
তোমরা অনুসরণ করো তোমাদের প্রভুর নিকট থেকে যে উত্তম (কিতাব) নাযিল হয়েছে সেটিকে, তোমাদের প্রতি হঠাৎ তোমাদের বুঝে উঠার আগেই আযাব এসে যাবার পূর্বে,
সমকালীন বাংলা
অনুসরণ কর তোমাদের প্রতি তোমাদের প্রতিপালকের নিকট হইতে উত্তম যাহা অবতীর্ণ করা হইয়াছে তাহার, তোমাদের উপর অতর্কিতভাবে তোমাদের অজ্ঞাতসারে শাস্তি আসিবার পূর্বে -
মুহিউদ্দীন খান
তোমাদের প্রতি অবতীর্ণ উত্তম বিষয়ের অনুসরণ কর তোমাদের কাছে অতর্কিতে ও অজ্ঞাতসারে আযাব আসার পূর্বে,
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
অনুসরণ কর তোমাদের প্রতি তোমাদের প্রতিপালকের নিকট হইতে উত্তম যাহা অবতীর্ণ করা হইয়াছে তাহার, তোমাদের উপর অতর্কিতভাবে তোমাদের অজ্ঞাতসারে শাস্তি আসিবার পূর্বে -
তোমার প্রতি এবং তোমার পূর্ববর্তী (রসূলদের) প্রতি এই অহিই করা হয়েছে: ‘তুমি যদি আল্লাহর সাথে শরিক সাব্যস্ত করো, তোমার সমস্ত আমল নিষ্ফল হয়ে যাবে এবং তুমি অবশ্যি অন্তরভুক্ত হবে ক্ষতিগ্রস্তদের।’
সমকালীন বাংলা
তোমার প্রতি ও তোমার পূর্ববর্তীদের প্রতি অবশ্যই ওহী হইয়াছে, ‘তুমি আল্লাহর শরীক স্থির করিলে তোমার কর্ম তো নিষ্ফল হইবে এবং অবশ্যই তুমি হইবে ক্ষতিগ্রস্ত।
মুহিউদ্দীন খান
আপনার প্রতি এবং আপনার পূর্ববর্তীদের পতি প্রত্যাদেশ হয়েছে, যদি আল্লাহর শরীক স্থির করেন, তবে আপনার কর্ম নিষ্ফল হবে এবং আপনি ক্ষতিগ্রস্তদের একজন হবেন।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তোমার প্রতি ও তোমার পূর্ববর্তীদের প্রতি অবশ্যই ওহী হইয়াছে, ‘তুমি র শরীক স্থির করিলে তোমার কর্ম তো নিষ্ফল হইবে এবং অবশ্যই তুমি হইবে ক্ষতিগ্রস্ত।
‘বরং আল্লাহরই ইবাদত করো এবং অন্তরভুক্ত হও শোকর গুজারদের।’
সমকালীন বাংলা
অতএব তুমি আল্লাহরই ইবাদত কর এবং কৃতজ্ঞ হও।
মুহিউদ্দীন খান
বরং আল্লাহরই এবাদত করুন এবং কৃতজ্ঞদের অন্তর্ভুক্ত থাকুন।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
‘অতএব তুমি রই ‘ইবাদত কর এবং কৃতজ্ঞ হও।’
Word by word
بَلِ ٱللَّهَ فَٱعْبُدْ وَكُن مِّنَ ٱلشَّٰكِرِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
তারা আল্লাহকে তাঁর যথার্থ মর্যাদা দেয়না। কিয়ামতের দিন গোটা পৃথিবী থাকবে তাঁর মুষ্টিতে, আর মহাকাশ থাকবে ভাঁজ করা অবস্থায় তাঁর ডান হাতে, তিনি অতীব পবিত্র ও মহান তারা যাদের শরিক করে তাদের থেকে।
সমকালীন বাংলা
উহারা যথোচিত সম্মান করে না। কিয়ামতের দিন সমস্তপৃথিবী থাকিবে তাঁহার হাতের মুষ্টিতে এবং আকাশমণ্ডলী থাকিবে ভাঁজ করা অবস্থায় তাঁহার দক্ষিণ হস্তে। পবিত্র ও মহান তিনি, উহারা যাহাকে শরীক করে তিনি তাহার ঊর্ধ্বে।
মুহিউদ্দীন খান
তারা আল্লাহকে যথার্থরূপে বোঝেনি। কেয়ামতের দিন গোটা পৃথিবী থাকবে তাঁর হাতের মুঠোতে এবং আসমান সমূহ ভাঁজ করা অবস্থায় থাকবে তাঁর ডান হাতে। তিনি পবিত্র। আর এরা যাকে শরীক করে, তা থেকে তিনি অনেক উর্ধ্বে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
উহারা র যথোচিত সম্মান করে না। কিয়ামতের দিন সমস্ত পৃথিবী থাকিবে তাঁহার হাতের মুষ্টিতে এবং আকাশমণ্ডলী থাকিবে ভাঁজ করা অবস্থায় তাঁহার দক্ষিণ হস্তে। পবিত্র ও মহান তিনি, উহারা যাহাকে শরীক করে তিনি তাহার ঊর্ধ্বে।
আর শিংগায় ফুৎকার দেয়া হবে, সাথে সাথে আসমান ও জমিনে যারাই আছে সবাই মরে পড়ে যাবে। তবে যাদের (জীবিত রাখতে) চাইবেন, তাদের কথা ভিন্ন। তারপর শিংগায় আরেকটি ফুৎকার দেয়া হবে। তখন সাথে সাথে সবাই জীবিত হয়ে দাঁড়িয়ে যাবে এবং তাকাতে থাকবে (অথবা, অপেক্ষা করতে থাকবে)।
সমকালীন বাংলা
এবং শিংগায় ফুৎকার দেওয়া হইবে, ফলে যাহাদেরকে ইচ্ছা করেন তাহারা ব্যতীত আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর সকলে মূর্ছিত হইয়া পড়িবে। অতঃপর আবার শিংগায় ফুৎকার দেওয়া হইবে, তৎক্ষণাৎ উহারা দণ্ডায়মান হইয়া তাকাইতে থাকিবে।
মুহিউদ্দীন খান
শিংগায় ফুঁক দেয়া হবে, ফলে আসমান ও যমীনে যারা আছে সবাই বেহুঁশ হয়ে যাবে, তবে যাকে ইচ্ছা করেন। অতঃপর আবার শিংগায় ফুঁক দেয়া হবে, তৎক্ষণাৎ তারা দন্ডায়মান হয়ে দেখতে থাকবে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
এবং শিংগায় ফুৎকার দেওয়া হইবে, ফলে যাহাদেরকে ইচ্ছা করেন তাহারা ব্যতীত আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর সকলে মূর্ছিত হইয়া পড়িবে। অতঃপর আবার শিংগায় ফুৎকার দেওয়া হইবে, তৎক্ষণাৎ উহারা দণ্ডায়মান হইয়া তাকাইতে থাকিবে।
পৃথিবী উদ্ভাসিত হয়ে উঠবে তার প্রভুর নূরে। কিতাব (আমলের রেকর্ড) এনে হাজির করা হবে এবং নবীদের ও সাক্ষীদের এনে হাজির করা হবে। আর তাদের মাঝে ফায়সালা করে দেয়া হবে হক ফায়সালা এবং তাদের প্রতি কোনো প্রকার যুলুম করা হবেনা।
সমকালীন বাংলা
বিশ্ব উহার প্রতিপালকের জ্যোতিতে উদ্ভাসিত হইবে, আমলনামা পেশ করা হইবে এবং নবীগণকে ও সাক্ষিগণকে উপস্থিত করা হইবে এবং সকলের মধ্যে ন্যায়বিচার করা হইবে ও তাহাদের প্রতি জুলুম করা হইবে না।
মুহিউদ্দীন খান
পৃথিবী তার পালনকর্তার নূরে উদ্ভাসিত হবে, আমলনামা স্থাপন করা হবে, পয়গম্বরগণ ও সাক্ষীগণকে আনা হবে এবং সকলের মধ্যে ন্যায় বিচার করা হবে - তাদের প্রতি জুলুম করা হবে না।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
বিশ্ব উহার প্রতিপালকের জ্যোতিতে উদ্ভাসিত হইবে, আমলনামা পেশ করা হইবে এবং নবীগণকে ও সাক্ষিগণকে উপস্থিত করা হইবে এবং সকলের মধ্যে ন্যায়বিচার করা হইবে ও তাহাদের প্রতি জুলুম করা হইবে না।
(বিচার ফায়সালার পর) যারা কুফুরি করেছে (বলে প্রমাণিত হবে), তাদের দলে দলে হাঁকিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে জাহান্নামের অভিমুখে। যখন তারা সেখানে পৌঁছুবে, জাহান্নামের দরজাসমূহ খুলে দেয়া হবে এবং এর ব্যবস্থাপকরা তাদের জিজ্ঞেস করবে: ‘তোমাদের কাছে কি তোমাদের মধ্য থেকে রসূলরা (আল্লাহর বার্তা বাহকরা) আসেননি? তারা কি তোমাদের কাছে তোমাদের প্রভুর আয়াতসমূহ তিলাওয়াত করেননি এবং তোমাদের সতর্ক করেননি যে, তোমাদেরকে একদিন এই দিনটির সম্মুখীন হতে হবে?’ তারা বলবে: ‘হাঁ, তাঁরা এসেছিলেন, কিন্তু আযাবের সিদ্ধান্ত কাফিরদের জন্যে অবধারিত হয়ে গেছে।
সমকালীন বাংলা
কাফিরদেরকে জাহান্নামের দিকে দলে দলে হাঁকাইয়া লইয়া যাওয়া হইবে। যখন উহারা জাহান্নামের নিকট উপস্থিত হইবে তখন ইহার প্রবেশদ্বারগুলি খুলিয়া দেওয়া হইবে এবং জাহান্নামের রক্ষীরা উহাদেরকে বলিবে, ‘তোমাদের নিকট কি তোমাদের মধ্য হইতে রাসূল আসে নাই যাহারা তোমাদের নিকট তোমাদের প্রতিপালকের আয়াত আবৃত্তি করিত, এবং এই দিনের সাক্ষাৎ সম্বন্ধে তোমাদেরকে সতর্ক করিত?’ উহারা বলিবে, ‘অবশ্যই আসিয়াছিল।’ বস্তুত কাফিরদের প্রতি শাস্তির কথা বাস্তবায়িত হইয়াছে।
মুহিউদ্দীন খান
কাফেরদেরকে জাহান্নামের দিকে দলে দলে হাঁকিয়ে নেয়া হবে। তারা যখন সেখানে পৌছাবে, তখন তার দরজাসমূহ খুলে দেয়া হবে এবং জাহান্নামের রক্ষীরা তাদেরকে বলবে, তোমাদের কাছে কি তোমাদের মধ্য থেকে পয়গম্বর আসেনি, যারা তোমাদের কাছে তোমাদের পালনকর্তার আয়াতসমূহ আবৃত্তি করত এবং সতর্ক করত এ দিনের সাক্ষাতের ব্যাপারে? তারা বলবে, হঁ্যা, কিন্তু কাফেরদের প্রতি শাস্তির হুকুমই বাস্তবায়িত হয়েছে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
কাফিরদেরকে জাহান্নামের দিকে দলে দলে হাঁকাইয়া লইয়া যাওয়া হইবে। যখন উহারা জাহান্নামের নিকট উপস্থিত হইবে তখন ইহার প্রবেশদ্বারগুলি খুলিয়া দেওয়া হইবে এবং জাহান্নামের রক্ষীরা উহাদেরকে বলিবে, ‘তোমাদের নিকট কি তোমাদের মধ্য হইতে রাসূল আসে নাই যাহারা তোমাদের নিকট তোমাদের প্রতিপালকের আয়াত আবৃত্তি করিত, এবং এই দিনের সাক্ষাৎ সম্বন্ধে তোমাদেরকে সতর্ক করিত?’ উহারা বলিবে, ‘অবশ্যই আসিয়াছিল।’ বস্তুত কাফিরদের প্রতি শাস্তির কথা বাস্তবায়িত হইয়াছে।
যারা তাদের প্রভুর অবাধ্য হওয়া থেকে আত্মরক্ষা করে জীবন যাপন করেছে, তাদের দলে দলে নিয়ে যাওয়া হবে জান্নাতের অভিমুখে। যখন তারা সেখানে পৌঁছুবে, খুলে দেয়া হবে জান্নাতের সব দরজা। সেখানকার ব্যবস্থাপকরা
সমকালীন বাংলা
যাহারা তাহাদের প্রতিপালককে ভয় করিত তাহাদেরকে দলে দলে জান্নাতের দিকে লইয়া যাওয়া হইবে। যখন তাহারা জান্নাতের নিকট উপস্থিত হইবে ও ইহার দ্বারসমূহ খুলিয়া দেওয়া হইবে এবং জান্নাতের রক্ষীরা তাহাদেরকে বলিবে, ‘তোমাদের প্রতি ‘সালাম’, তোমরা সুখী হও এবং জান্নাতে প্রবেশ কর স্থায়িভাবে অবস্থিতির জন্য।’
মুহিউদ্দীন খান
যারা তাদের পালনকর্তাকে ভয় করত তাদেরকে দলে দলে জান্নাতের দিকে নিয়ে যাওয়া হবে। যখন তারা উম্মুক্ত দরজা দিয়ে জান্নাতে পৌছাবে এবং জান্নাতের রক্ষীরা তাদেরকে বলবে, তোমাদের প্রতি সালাম, তোমরা সুখে থাক, অতঃপর সদাসর্বদা বসবাসের জন্যে তোমরা জান্নাতে প্রবেশ কর।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যাহারা তাহাদের প্রতিপালককে ভয় করিত তাহাদেরকে দলে দলে জান্নাতের দিকে লইয়া যাওয়া হইবে। যখন তাহারা জান্নাতের নিকট উপস্থিত হইবে ও ইহার দ্বারসমূহ খুলিয়া দেওয়া হইবে এবং জান্নাতের রক্ষীরা তাহাদেরকে বলিবে, ‘তোমাদের প্রতি ‘সালাম’, তোমরা সুখী হও এবং জান্নাতে প্রবেশ কর স্থায়িভাবে অবস্থিতির জন্য।’
তারা বলবে: ‘সমস্ত শুকরিয়া আল্লাহর, তিনি আমাদেরকে দেয়া ওয়াদা সত্যে পরিণত করেছেন এবং আমাদেরকে ওয়ারিশ বানিয়েছেন এই পৃথিবীর। এখন জান্নাতের যেখানে ইচ্ছা আমরা আবাস বানাবো। পুণ্যকর্মীদের পুরস্কার কতো যে উত্তম!’
সমকালীন বাংলা
তাহারা প্রবেশ করিয়া বলিবে, ‘প্রশংসা যিনি আমাদের প্রতি তাঁহার প্রতিশ্রুতি পূর্ণ করিয়াছেন এবং আমাদেরকে অধিকারী করিয়াছেন এই ভূমির; আমরা জান্নাতে যেখানে ইচ্ছা বসবাস করিব।’ সদাচারীদের পুরস্কার কত উত্তম!
মুহিউদ্দীন খান
তারা বলবে, সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর, যিনি আমাদের প্রতি তাঁর ওয়াদা পূর্ণ করেছেন এবং আমাদেরকে এ ভূমির উত্তরাধিকারী করেছেন। আমরা জান্নাতের যেখানে ইচ্ছা বসবাস করব। মেহনতকারীদের পুরস্কার কতই চমৎকার।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তাহারা প্রবেশ করিয়া বলিবে, ‘প্রশংসা র যিনি আমাদের প্রতি তাঁহার প্রতিশ্রুতি পূর্ণ করিয়াছেন এবং আমাদেরকে অধিকারী করিয়াছেন এই ভূমির; আমরা জান্নাতে যেখানে ইচ্ছা বসবাস করিব।’ সদাচারীদের পুরস্কার কত উত্তম!
আর তুমি দেখতে পাবে, ফেরেশতারা আরশের চারপাশে বৃত্ত বানিয়ে ঘোষণা করছে তাদের প্রভুর প্রশংসার তসবিহ্। এভাবেই নিখাদ ন্যায্যভাবে ফায়সালা করে দেয়া হবে মানুষের মাঝে, আর ঘোষণা করা হবে: ‘সমস্ত প্রশংসা রাববুল আলামিনের।’
সমকালীন বাংলা
এবং তুমি ফিরিশ্তাদেরকে দেখিতে পাইবে যে, উহারা ‘আরশের চতুষ্পার্শ্বে ঘিরিয়া উহাদের প্রতিপালকের প্রশংসা পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করিতেছে। আর তাহাদের বিচার করা হইবে, বলা হবে সমস্ত প্রশংসা জগৎসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর প্রাপ্য।
মুহিউদ্দীন খান
আপনি ফেরেশতাগণকে দেখবেন, তারা আরশের চার পাশ ঘিরে তাদের পালনকর্তার পবিত্রতা ঘোষনা করছে। তাদের সবার মাঝে ন্যায় বিচার করা হবে। বলা হবে, সমস্ত প্রশংসা বিশ্বপালক আল্লাহর।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
এবং তুমি ফিরিশ্তাদেরকে দেখিতে পাইবে যে, উহারা ‘আরশের চতুষ্পার্শ্বে ঘিরিয়া উহাদের প্রতিপালকের সপ্রশংস পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করিতেছে। আর তাহাদের বিচার করা হইবে ন্যায়ের সঙ্গে। বলা হইবে, সমস্ত প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক র প্রাপ্য।