Kitab

নূহ

Chapter 71, 28 verses

  • আবদুস শহীদ নাসিম
  • সমকালীন বাংলা
  • মুহিউদ্দীন খান
  • জহুরুল হক
About this chapter


মক্কায় অবতীর্ণ, আয়াত সংখ্যা: ২৮, রুকু সংখ্যা: ০২

এই সূরার আলোচ্যসূচি

আয়াতআলোচ্য বিষয় ০১-২৮নিজ জাতির কাছে নূহ আ. কর্তৃক আল্লাহর ইবাদত করার, তাঁকে ভয় করার এবং রসূলের আনুগত্য করার মর্মস্পর্শী দাওয়াত। তাঁর দাওয়াতের বিভিন্ন পদ্ধতি। তাঁর জাতি কর্তৃক তাঁকে প্রত্যাখ্যান এবং তাঁর বিরুদ্ধে চরম ষড়যন্ত্র। অবশেষে জাতির উপর নূহের বদ দোয়া এবং তাদের ধ্বংস।
আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা নূহকে পাঠিয়েছিলাম তার কওমের কাছে (এই নির্দেশ দিয়ে) যে, তোমার কওমকে সতর্ক করো তাদের প্রতি বেদনাদায়ক আযাব আসার আগেই।

সমকালীন বাংলা

র নামে শুরু করছি, পরম করুণাময় পরম দয়ালু;নিশ্চয়ই আমরা নূহকে তার সম্প্রদায়ের কাছে প্রেরণ করেছিলাম: “তোমার সম্প্রদায়কে সতর্ক কর, তাদের কাছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি আসার আগে।”

মুহিউদ্দীন খান

আমি নূহকে প্রেরণ করেছিলাম তাঁর সম্প্রদায়ের প্রতি একথা বলেঃ তুমি তোমার সম্প্রদায়কে সতর্ক কর, তাদের প্রতি মর্মন্তদ শাস্তি আসার আগে।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ আমরা নূহ্‌কে তাঁর লোকদলের কাছে পাঠিয়েছিলাম এই বলে - - ''তোমার লোকদলকে সতর্ক করে দাও তাদের উপরে মর্মন্তুদ শাস্তি আসবার আগে।’’

আবদুস শহীদ নাসিম

সে (তাদের) বলেছিল: ‘‘হে আমার কওম! আমি তোমাদের জন্যে একজন সুস্পষ্ট সতর্ককারী!

সমকালীন বাংলা

সে বলল, “হে আমার সম্প্রদায়! নিশ্চয়ই আমি তোমাদের জন্য একজন সুস্পষ্ট সতর্ককারী,

মুহিউদ্দীন খান

সে বলল, হে আমার সম্প্রদায়! আমি তোমাদের জন্যে স্পষ্ট সতর্ককারী।

জহুরুল হক

তিনি বলেছিলেন - - ''হে আমার স্বজাতি! নিঃসন্দেহ আমি তোমাদের জন্য একজন স্পষ্ট সতর্ককারী, - -

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা এক আল্লাহর ইবাদত করো, তাঁকে ভয় করো (তাঁর প্রতি কর্তব্যপরায়ণ হও) আর আমার আনুগত্য করো।

সমকালীন বাংলা

যে, আল্লাহর ইবাদত করো, তাঁকে ভয় করো এবং আমার আনুগত্য করো।

মুহিউদ্দীন খান

এ বিষয়ে যে, তোমরা তা’আলার এবাদত কর, তাঁকে ভয় কর এবং আমার আনুগত্য কর।

জহুরুল হক

''এ বিষয়ে যে তোমরা ‌র উপাসনা করো ও তাঁকে ভয় - ভক্তি করো, আর আমাকে মেনে চলো।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাহলে তিনি ক্ষমা করে দেবেন তোমাদের পাপসমূহ এবং তোমাদের অবকাশ দেবেন একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত। জেনে রাখো, আল্লাহর নির্ধারিত সময় এসে পড়লে তা আর দেরি করা হয়না, যদি তোমরা জানতে!’’

সমকালীন বাংলা

তিনি তোমাদের জন্য তোমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করবেন এবং তোমাদেরকে এক নির্ধারিত সময় পর্যন্ত অবকাশ দেবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহর নির্ধারিত সময় যখন আসে, তখন তা বিলম্বিত করা হয় না, যদি তোমরা জানতে।”

মুহিউদ্দীন খান

তা’আলা তোমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করবেন এবং নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অবকাশ দিবেন। নিশ্চয় তা’আলার নির্দিষ্টকাল যখন হবে, তখন অবকাশ দেয়া হবে না, যদি তোমরা তা জানতে!

জহুরুল হক

''তিনি তোমাদের পাপগুলোর কতকটা ক্ষমা করবেন এবং তোমাদের বিরাম দেবেন এক নির্ধারিত কাল পর্যন্ত। নিঃসন্দেহ ‌র নির্ধারণ করা কাল যখন এসে পড়ে তখন তা পিছিয়ে দেওয়া যায় না, - - যদি তোমরা জানতে!’’

আবদুস শহীদ নাসিম

নূহ তার প্রভুর কাছে বলেছিল: ‘‘আমার প্রভু! আমি আমার কওমকে দাওয়াত দিয়েছি রাতদিন।

সমকালীন বাংলা

সে বলল, “হে আমার প্রতিপালক! নিশ্চয়ই আমি আমার সম্প্রদায়কে রাত ও দিনে আহ্বান করেছি,

মুহিউদ্দীন খান

সে বললঃ হে আমার পালনকর্তা! আমি আমার সম্প্রদায়কে দিবারাত্রি দাওয়াত দিয়েছি;

জহুরুল হক

তিনি বললেন - - ''আমার প্রভূ! আমি তো আমার স্বজাতিকে রাতে ও দিনে আহ্বান করেছি,

আবদুস শহীদ নাসিম

আমার দাওয়াত তাদের কেবল পলায়নই বাড়িয়ে দিয়েছে।

সমকালীন বাংলা

কিন্তু আমার আহ্বান তাদের পলায়নই বৃদ্ধি করেছে।

মুহিউদ্দীন খান

কিন্তু আমার দাওয়াত তাদের পলায়নকেই বৃদ্ধি করেছে।

জহুরুল হক

''কিন্ত আমার ডাক তাদের পালিয়ে যাওয়া ছাড়া আর কিছুই বাড়ায় নি।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমি যখনই তাদের দাওয়াত দিয়েছি যেনো তুমি তাদের ক্ষমা করে দাও, তারা কানে আংগুল দিয়েছে, নিজেদের ঢেকে নিয়েছে কাপড় দিয়ে, তারা অনবরত জিদ ধরেছে এবং প্রকাশ করেছে অতিশয় দাম্ভিকতা।

সমকালীন বাংলা

এবং যখনই আমি আহ্বান করেছি যাতে আপনি তাদের ক্ষমা করেন, তারা তাদের আঙুলগুলো তাদের কানে দিয়েছে, নিজেদের বস্ত্র দিয়ে নিজেদের ঢেকেছে, অবিচল থেকেছে এবং চরম ঔদ্ধত্য প্রদর্শন করেছে।

মুহিউদ্দীন খান

আমি যতবারই তাদেরকে দাওয়াত দিয়েছি, যাতে আপনি তাদেরকে ক্ষমা করেন, ততবারই তারা কানে অঙ্গুলি দিয়েছে, মুখমন্ডল বস্ত্রাবৃত করেছে, জেদ করেছে এবং খুব ঔদ্ধত্য প্রদর্শন করেছে।

জহুরুল হক

''আর নিশ্চয় যখনই আমি তাদের আহ্বান করেছি যেন তুমি তাদের ক্ষমা করতে পার, তারা তাদের কানের ভেতরে তাদের আঙ্গুলগুলো ভরে দেয়, আর তাদের কাপড় দিয়ে নিজেদের ঢেকে ফেলে, আর গোঁ ধরে, আর সগর্বে গর্ব করে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর আমি তাদের প্রকাশ্যে দাওয়াত দিয়েছি,

সমকালীন বাংলা

অতঃপর আমি তাদেরকে প্রকাশ্যে আহ্বান করেছি,

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর আমি তাদেরকে প্রকাশ্যে দাওয়াত দিয়েছি,

জহুরুল হক

''তারপর আমি নিশ্চয় তাদের আহ্বান করেছি উঁচু গলায়,

আবদুস শহীদ নাসিম

অতপর তাদের এলান (ঘোষণা) করে ডেকেছি এবং গোপনে গোপনে উপদেশ দিয়েছি।

সমকালীন বাংলা

পরে আমি তাদেরকে ঘোষণা দিয়ে বলেছি এবং গোপনেও বলেছি,

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর আমি ঘোষণা সহকারে প্রচার করেছি এবং গোপনে চুপিসারে বলেছি।

জহুরুল হক

''তারপর নিশ্চয় আমি তাদের কাছে ঘোষণা করেছি, আর আমি তাদের সঙ্গে গোপনে গোপন কথা বলেছি,

আবদুস শহীদ নাসিম

আমি তাদের বলেছি: তোমরা তোমাদের প্রভুর কাছে মাগফিরাত প্রার্থনা করো, নিশ্চয়ই তিনি মহান ক্ষমাশীল।

সমকালীন বাংলা

অতঃপর আমি বলেছি, ‘তোমাদের প্রতিপালকের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো; নিশ্চয়ই তিনি ক্ষমাশীল,

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর বলেছিঃ তোমরা তোমাদের পালনকর্তার ক্ষমা প্রার্থনা কর। তিনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল।

জহুরুল হক

''আর আমি বলেছি - - তোমাদের প্রভুর কাছে পরিত্রাণ খোঁজো, নিশ্চয় তিনি হচ্ছেন পরম ক্ষমাশীল।

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনি তোমাদের জন্যে আকাশ থেকে বর্ষণ করবেন প্রচুর বৃষ্টি।

সমকালীন বাংলা

তিনি তোমাদের উপর প্রচুর বৃষ্টি বর্ষণ করবেন,

মুহিউদ্দীন খান

তিনি তোমাদের উপর অজস্র বৃষ্টিধারা ছেড়ে দিবেন,

জহুরুল হক

''তিনি তোমাদের উপরে বৃষ্টি পাঠাবেন প্রচুর পরিমাণে,

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনি তোমাদের মদদ করবেন মাল - সম্পদ ও সন্তান সন্ততি দিয়ে এবং তোমাদের জন্যে সৃষ্টি করে দেবেন বাগ বাগিচা ও নদনদী।’’

সমকালীন বাংলা

এবং তোমাদেরকে সম্পদ ও সন্তানসন্ততিতে সমৃদ্ধ করবেন, এবং তোমাদের জন্য উদ্যানসমূহ ও নদীসমূহ সৃষ্টি করবেন।

মুহিউদ্দীন খান

তোমাদের ধন - সম্পদ ও সন্তান - সন্ততি বাড়িয়ে দিবেন, তোমাদের জন্যে উদ্যান স্থাপন করবেন এবং তোমাদের জন্যে নদীনালা প্রবাহিত করবেন।

জহুরুল হক

''আর তোমাদের সমৃদ্ধ করবেন ধনদৌলত ও সন্তানসন্ততি দিয়ে, আর তোমাদের জন্য তৈরি করবেন বাগানসমূহ, আর তোমাদের জন্য স্থাপন করবেন নদী - নালা।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমাদের হলোটা কি, তোমরা আল্লাহর জন্যে কোনো মর্যাদাই স্বীকার করছোনা?

সমকালীন বাংলা

তোমাদের কী হয়েছে যে তোমরা আল্লাহর মহিমা আশা করো না?

মুহিউদ্দীন খান

তোমাদের কি হল যে, তোমরা তা’আলার শ্রেষ্টত্ব আশা করছ না।

জহুরুল হক

''তোমাদের কী হয়েছে যে তোমরা ‌র পক্ষ থেকে শ্রেষ্ঠত্ব স্বীকার করতে চাইছ না,

আবদুস শহীদ নাসিম

অথচ তিনি তোমাদের সৃষ্টি করেছেন স্তরে স্তরে।

সমকালীন বাংলা

অথচ তিনি তোমাদেরকে বিভিন্ন পর্যায়ে সৃষ্টি করেছেন।

মুহিউদ্দীন খান

অথচ তিনি তোমাদেরকে বিভিন্ন রকমে সৃষ্টি করেছেন।

জহুরুল হক

''অথচ তিনি তোমাদের সৃষ্টি করেইছেন স্তরে - স্তরে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা কি ভেবে দেখোনা, কিভাবে স্তরে স্তরে সৃষ্টি করেছেন সপ্তাকাশ?

সমকালীন বাংলা

তোমরা কি দেখো না, কীভাবে সাত আকাশ স্তরে স্তরে সৃষ্টি করেছেন?

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা কি লক্ষ্য কর না যে, কিভাবে সপ্ত আকাশ স্তরে স্তরে সৃষ্টি করেছেন।

জহুরুল হক

''তোমরা কি লক্ষ্য কর নি কিভাবে সাত আসমানকে সৃষ্টি করেছেন সুবিন্যস্তভাবে,

আবদুস শহীদ নাসিম

তাতে চাঁদকে রেখে দিয়েছেন আলো হিসেবে আর সূর্যকে রেখে দিয়েছেন আলোদানকারী প্রদীপ হিসেবে।

সমকালীন বাংলা

এবং তার মধ্যে চাঁদকে আলো এবং সূর্যকে প্রদীপ বানিয়েছেন।

মুহিউদ্দীন খান

এবং সেখানে চন্দ্রকে রেখেছেন আলোরূপে এবং সূর্যকে রেখেছেন প্রদীপরূপে।

জহুরুল হক

''আর তাদের মধ্যে তিনি চন্দ্রকে করেছেন একটি আলোক আর সূর্যকে বানিয়েছেন একটি প্রদীপ।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমাদের সৃষ্টির সূচনা করেছেন মাটি থেকে।

সমকালীন বাংলা

এবং তোমাদেরকে পৃথিবী থেকে উদ্ভিদের মতো উদ্ভূত করেছেন।

মুহিউদ্দীন খান

তা’আলা তোমাদেরকে মৃত্তিকা থেকে উদগত করেছেন।

জহুরুল হক

''আর পৃথিবী থেকে তোমাদের জন্মিয়েছেন এক উৎপাদনরূপে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর তিনি তোমাদের তাতেই (মাটিতেই) ফিরিয়ে নেবেন এবং সেখান থেকে আবার বের করে আনবেন।

সমকালীন বাংলা

অতঃপর তিনি তোমাদেরকে তাতে ফিরিয়ে দেবেন এবং পুনরায় বের করবেন।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর তাতে ফিরিয়ে নিবেন এবং আবার পুনরুত্থিত করবেন।

জহুরুল হক

''তারপর তিনি তোমাদের তাতেই ফিরে পাঠান, এবং তিনি তোমাদের বের করে আনবেন এক বহিষ্কারে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আল্লাহ্ই তোমাদের জন্যে বিছিয়ে দিয়েছেন পৃথিবীকে।

সমকালীন বাংলা

এবং তোমাদের জন্য পৃথিবীকে বিস্তৃত করেছেন,

মুহিউদ্দীন খান

তা’আলা তোমাদের জন্যে ভূমিকে করেছেন বিছানা।

জহুরুল হক

''আর তোমাদের জন্য পৃথিবীটাকে করেছেন সুবিস্তৃত,

আবদুস শহীদ নাসিম

যাতে করে তোমরা তাতে চলাফেরা করতে পারো প্রশস্ত পথে।

সমকালীন বাংলা

যাতে তোমরা তাতে প্রশস্ত পথসমূহে চলতে পারো।

মুহিউদ্দীন খান

যাতে তোমরা চলাফেরা কর প্রশস্ত পথে।

জহুরুল হক

''যেন তোমরা তাতে চলতে পার প্রশস্ত পথে।’’

আবদুস শহীদ নাসিম

নূহ আরো বলেছিল: ‘আমার প্রভু! তারা (আমার কওম) আমাকে অমান্য করেছে আর অনুসরণ করেছে এমন লোকদের যাদের মাল সম্পদ এবং আওলাদ ফরজন্দ তাদের ক্ষতি ছাড়া আর কিছুই বাড়ায়নি।’

সমকালীন বাংলা

নূহ বলল, “হে আমার প্রতিপালক! তারা আমাকে অমান্য করেছে এবং এমন লোকদের অনুসরণ করেছে, যাদের সম্পদ ও সন্তানসন্ততি তাদের ক্ষতিই বৃদ্ধি করেছে।

মুহিউদ্দীন খান

নূহ বললঃ হে আমার পালনকর্তা, আমার সম্প্রদায় আমাকে অমান্য করেছে আর অনুসরণ করছে এমন লোককে, যার ধন - সম্পদ ও সন্তান - সন্ততি কেবল তার ক্ষতিই বৃদ্ধি করছে।

জহুরুল হক

নূহ্ বলেছিলেন - - ''আমার প্রভূ! নিঃসন্দেহ তারা আমাকে অমান্য করেছে এবং অনুসরণ করছে তার যার ধনসম্পত্তি ও সন্তানসন্ততি ক্ষতিসাধন ছাড়া তার আর কিছুই বাড়ায় নি,

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা এঁটেছিল এক জঘন্য ষড়যন্ত্র।

সমকালীন বাংলা

এবং তারা এক মহা ষড়যন্ত্র করেছে।

মুহিউদ্দীন খান

আর তারা ভয়ানক চক্রান্ত করছে।

জহুরুল হক

''আর তারা এক বিরাট ষড়যন্ত্র এটেছিলঁ।’’

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা বলেছিল: তোমরা (নূহের কথায়) কখনো তোমাদের ইলাহ্দের (দেব দেবীদের) ত্যাগ করোনা। তোমরা ত্যাগ করোনা ওয়াদ্দা, সুয়াআ, ইয়াগুছ এবং নস্রকে।

সমকালীন বাংলা

এবং তারা বলেছে, ‘তোমরা কখনোই তোমাদের উপাস্যদের ত্যাগ করো না; এবং কখনোই ওয়াদ্দ, সুওয়া‘, ইয়াগূস, ইয়াঊক ও নাসরকে ত্যাগ করো না।’

মুহিউদ্দীন খান

তারা বলছেঃ তোমরা তোমাদের উপাস্যদেরকে ত্যাগ করো না এবং ত্যাগ করো না ওয়াদ, সূয়া, ইয়াগুছ, ইয়াউক ও নসরকে।

জহুরুল হক

আর তারা বলেছিল - - ''তোমাদের দেবদেবীকে কিছুতেই পরিত্যাগ করো না, আর পরিত্যাগ করো না ওয়াদকে, এবং সুওয়াকে না, আর নয় য়াগূস ও ইয়া'উক ও নসর - কে।’’

আবদুস শহীদ নাসিম

(নূহ বলেছিল:) ‘প্রভু! তারা অনেক মানুষকে পথভ্রষ্ট করেছে। তুমি এই যালিমদেরকে গোমরাহি ছাড়া আর কিছুই বাড়িয়ে দিয়োনা।’

সমকালীন বাংলা

এবং তারা অনেককে পথভ্রষ্ট করেছে। আর আপনি জালিমদের জন্য ভ্রষ্টতা ছাড়া আর কিছুই বৃদ্ধি করবেন না।

মুহিউদ্দীন খান

অথচ তারা অনেককে পথভ্রষ্ট করেছে। অতএব আপনি জালেমদের পথভ্রষ্টতাই বাড়িয়ে দিন।

জহুরুল হক

আর তারা অনেককে পথভ্রষ্ট করেই ফেলেছে। আর তুমি অন্যায়াচারীদের বিভ্রান্তি ছাড়া আর কিছুই বাড়াচ্ছ না!

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের অপরাধের জন্যে তাদের ডুবিয়ে দেয়া হলো পানিতে, অতপর তাদের দাখিল করা হবে জাহান্নামে। তারা আল্লাহকে ছাড়া আর কাউকে সাহায্যকারী পাবেনা।

সমকালীন বাংলা

তাদের পাপের কারণে তারা নিমজ্জিত হয়েছিল; অতঃপর তাদেরকে আগুনে প্রবেশ করানো হয়েছিল। তারপর তারা ছাড়া নিজেদের জন্য কোনো সাহায্যকারী পায়নি।

মুহিউদ্দীন খান

তাদের গোনাহসমূহের দরুন তাদেরকে নিমজ্জিত করা হয়েছে, অতঃপর দাখিল করা হয়েছে জাহান্নামে। অতঃপর তারা তা’আলা ব্যতীত কাউকে সাহায্যকারী পায়নি।

জহুরুল হক

তাদের অপরাধের জন্য তাদের ডুবিয়ে দেওয়া হয়েছিল, ফলে তাদের ঢোকানো হয়েছিল আগুনে। সুতরাং তারা ‌কে বাদ দিয়ে তাদের জন্য কোনো সাহায্যকারী পায় নি।

আবদুস শহীদ নাসিম

নূহ বলেছিল: ‘‘আমার প্রভু! এদেশে কাফিরদের কোনো ঘরবাসীকে তুমি ছেড়ে দিয়োনা।

সমকালীন বাংলা

এবং নূহ বলল, “হে আমার প্রতিপালক! পৃথিবীর উপর অস্বীকারকারীদের মধ্য থেকে কোনো বসবাসকারীকে অবশিষ্ট রাখবেন না।

মুহিউদ্দীন খান

নূহ আরও বললঃ হে আমার পালনকর্তা, আপনি পৃথিবীতে কোন গৃহবাসীকে রেহাই দিবেন না।

জহুরুল হক

আর নূহ্ বলেছিলেন - - ''আমার প্রভূ! এই পৃথিবীর বুকে অবিশ্বাসীদের মধ্যের এক গৃহবাসীকেও অব্যাহতি দিয়ো না।

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি যদি তাদের রক্ষা করো, তারা তোমার বান্দাদের গোমরাহ্ করতে থাকবে এবং দুষ্কৃতকারী কাফিরই জন্ম দিতে থাকবে।

সমকালীন বাংলা

নিশ্চয়ই আপনি যদি তাদেরকে অবশিষ্ট রাখেন, তারা আপনার বান্দাদেরকে পথভ্রষ্ট করবে এবং তারা কেবল পাপাচারী অস্বীকারকারীরই জন্ম দেবে।

মুহিউদ্দীন খান

যদি আপনি তাদেরকে রেহাই দেন, তবে তারা আপনার বান্দাদেরকে পথভ্রষ্ট করবে এবং জন্ম দিতে থাকবে কেবল পাপাচারী, ।

জহুরুল হক

''কেননা তুমি যদি তাদের অব্যাহতি দাও তাহলে তারা তোমার বান্দাদের বিভ্রান্ত করবে, আর তারা দুষ্কৃতিকারী বেঈমানদের ব্যতীত আর কারোর জন্ম দেবে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমার প্রভু! তুমি ক্ষমা করে দাও আমাকে, আমার বাবা - মাকে আর হয়ে যারা আমার ঘরে প্রবেশ করবে তাদেরকে এবং সব পুরুষ ও নারীকে। যালিমদের তুমি ধ্বংস ছাড়া আর কিছু বাড়িয়ে দিয়োনা।’’

সমকালীন বাংলা

হে আমার প্রতিপালক! আমাকে ক্ষমা করুন, আমার পিতামাতাকে, এবং যে আমার ঘরে অবস্থায় প্রবেশ করে তাকে, এবং পুরুষ ও নারীদেরও। আর জালিমদের ধ্বংস ছাড়া আর কিছুই বৃদ্ধি করবেন না।”

মুহিউদ্দীন খান

হে আমার পালনকর্তা! আপনি আমাকে, আমার পিতা - মাতাকে, যারা হয়ে আমার গৃহে প্রবেশ করে - তাদেরকে এবং পুরুষ ও নারীদেরকে ক্ষমা করুন এবং যালেমদের কেবল ধ্বংসই বৃদ্ধি করুন।

জহুরুল হক

''আমার প্রভূ! আমাকে পরিত্রাণ করো, আর আমার পিতামাতাকে, আর যে কেউ আমার ঘরে হয়ে প্রবেশ করে তাকে, আর বিশ্বাসীপুরুষদের ও বিশ্বাসিনীদের। আর অন্যায়াচারীদের আর কিছু বাড়িয়ো না নিপাত হওয়া ব্যতীত।’’

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme